Tag: joe biden

joe biden

  • G-20: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে মোদির সঙ্গে

    G-20: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে মোদির সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনের যোগ দিতে ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এদেশে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক পার্শ্ব বৈঠকও করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শনিবার একটি বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের তরফে এ কথা জানা গিয়েছে। ওই বৈঠকে (G-20) ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা যেমন হবে তেমনি আরও অন্যান্য ইস্যুতেও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছরে জুন মাসের পরে ফের একবার মুখোমুখি হতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জুন মাসেই মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

    কবে ভারতে পা রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    জানা গিয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর ভারতের উদ্দেশে রওনা দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি এদেশে এসে পৌঁছাবেন, ৮ সেপ্টেম্বর। প্রসঙ্গত জি-২০ সম্মেলনে (G-20) আসছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এছাড়াও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আসতে পারবেন না বলেই জানা গিয়েছে। গত বছরের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন (G-20) বালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে অবশ্য হাজির থাকতে দেখা গিয়েছিল রাশিয়া ও চিনের প্রেসিডেন্টকে। 

    জি-২০ সম্মেলনে (G-20) কী কী বিষয় আলোচনা হবে?

    সূত্রের খবর, জি-২০ সম্মেলনে (G-20) জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদ এই সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে। ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বিগত দিনে অর্থাৎ ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই গভীর এবং উন্নত হয়েছে। বেশ কয়েকবার মার্কিন সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবারে আসছেন জো বাইডেন। চলতি জি-২০ সম্মেলনে ভারতে ১১০টি দেশ থেকে ১২,৩০০ প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। জি-২০ হল কুড়িটি দেশের একটি ফোরাম (G-20)। এখানে ভারত ছাড়া অন্যান্য দেশগুলি হল আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। অন্যদিকে অতিথি দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আমিরশাহি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: ট্রেন দুর্ঘটনায় বাইডেনের দুঃখ প্রকাশ! বিশ্বনেতাদের সাহায্যের আশ্বাস

    Train Accident: ট্রেন দুর্ঘটনায় বাইডেনের দুঃখ প্রকাশ! বিশ্বনেতাদের সাহায্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালাসোরের মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনায় (Train Accident) দুঃখ প্রকাশ করলেন বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্র নেতারা। দিলেন সাহায্যে আশ্বাসও। শনিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন যে ওড়িশায় রেল দুর্ঘটনার (Train Accident) কথা শুনে তিনি মর্মাহত। দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, চিনের প্রেসিডেন্ট জিংপিং, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা।

    কী বললেন বাইডেন?

    এদিন বাইডেন বলেন, ‘‘আমি এবং ফার্স্ট লেডি দুজনেই মর্মাহত হয়েছি এই ভয়ঙ্কর রেল দুর্ঘটনার খবর পেয়ে। সমবেদনা জানাচ্ছি নিহতদের পরিবারবর্গকে। ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর।’’

    কী বললেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট?

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ‘‘এই মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনায় (Train Accident) আমরা গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি। সমবেদনা জানাচ্ছি যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারবর্গকে এবং যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’’

    কি বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

    নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ঋষি সুনক লেখেন, ‘‘আমি প্রার্থনা করছি ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত মানুষদের জন্য। যাঁরা ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার মধ্যে পড়েছেন।’’

    বার্তা পাঠিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্টও

    ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে চীনের প্রেসিডেন্ট জিংপিং শোক বার্তা পাঠিয়েছেন।

    শোকপ্রকাশ জাপানের প্রধানমন্ত্রীরও

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর এদিন লেখেন, ‘‘সমস্ত জাপানের মানুষ ভারতের এই ভয়ঙ্কর রেল দুর্ঘটনায় শোকাহত।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Diwali Holiday: আগামী বছর থেকে দীপাবলী উপলক্ষে স্কুল ছুটি নিউইয়র্কের

    Diwali Holiday: আগামী বছর থেকে দীপাবলী উপলক্ষে স্কুল ছুটি নিউইয়র্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকায় বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য সুখবর। আগামী বছর থেকে দীপাবলী (Diwali) উপলক্ষ্যে ছুটি থাকবে নিউইইয়র্কের সমস্ত স্কুল। বৃহস্পতিবার একথা ঘোষণা করেন নিউইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামস। দীপাবলীকে সরকারি ছুটি (Diwali Holiday) ঘোষণার দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছিলেন সেখানে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভুতরা। অবশেষে দীর্ঘদিনের সেই দাবিকে মান্যতা দেওয়ায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রবাসী ভারতীয়রা। স্থানীয় আইনসভার সদস্য জেনিফার রাজকুমার বলেন, নিউ ইয়র্কে বসবাসকারী ২ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ এবং জৈন ধর্মালম্বীদের স্বীকৃতি দেওয়ার সময় এসেছে। আলোর উৎসবে সেই কারণেই এখানকার সরকারি স্কুলগুলিতে ছুটি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন,চলতি শিক্ষাবর্ষে এই পরিবর্তন আনলে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই আগামী বছর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

    [tw]


    [/tw] 

    সাধারণত,নিউ ইয়র্কের অধিকাংশ স্কুলে প্রতিষ্ঠা দিবসের ছুটি থাকে। আগামী বছর থেকে সেটাই দীপাবলির ছুটিতে (Diwali Holiday) বদলে যাবে।

    মেয়র অ্যাডামাস বলেন, আমরা চাই দীপাবলী কী, সেটা আজকের পড়ুয়ারা জানুক। এই উৎসব পালন করলে স্কুল পড়ুয়ারা এমনিতেই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারবে। তাছাড়া আলোর উৎসবে অংশ নিলে মজাও পাবে ছোটরা।

    এদিকে নিউ ইয়র্কে ভারতের কনসাল জেনারেল রণধীর জওসওয়াল বলেন, প্রবাসী ভারতীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি অবশেষে পূরণ হল, তিনি নিউইয়র্কের মেয়র অ্যাডামসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, ভারতীয় উৎসবগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া বৈচিত্র এবং বহুত্ববাদের বার্তা দেয়। এর ফলে সমাজের সকল স্তরের মানুষই এই ঐতিহ্যের অভিজ্ঞতার শরিক হওয়ার সুযোগ পাবে। নিউইয়র্কে বসবাসরত ২০ লক্ষ ভারতীয় এর জন্য কৃতজ্ঞ।

    প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক বছর ধরেই দীপাবলীর সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দীপাবলীর সময় নিউ ইয়র্কের স্কুলে ছুটি ঘোষণা করায় ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলেই দাবি করেছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার (Barack Obama) স্ত্রী মিশেল ওবামাকে আবার হোয়াইট হাউসে (White House) দেখতে চাইলেন জাভেদ আখতার। একেবারেই মজা করে নয়। আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির টুইটার পোস্টের নীচে মন্তব্য বাক্সে যথেষ্ট দৃঢ় ভাবেই বলিউডের গীতিকার লিখলেন, ‘‘ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চাইছে।’’ কিন্তু ঠিক কী কারণে এ কথা বললেন জাভেদ, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তাঁর মন্তব্য দেখেও তা বোঝা সম্ভব হয়নি। কিছু দিনের মধ্যে মিশেলের লেখা বই ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’(The Light We Carry) প্রকাশিত হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ছেলেকে ‘ডিভোর্স’ দিতে চাওয়ায় নৃশংসভাবে পুত্রবধূকে খুন করলেন মার্কিন প্রবাসী ভারতীয়! 

    ওই বইয়ের প্রচারে আমেরিকার কয়েকটি শহরে সফর করবেন তিনি। টুইটারে মিশেলের ওই সফর সংক্রান্ত একটি পোস্টের নীচে জাভেদ লেখেন, ‘‘মাননীয়া মিশেল ওবামা (michelle obama), আমি আপনার কোনও অল্পবয়সি পাগল ভক্ত নই। আমি ৭৭ বছরের এক জন কবি-লেখক। আমার ধারণা, প্রত্যেক ভারতীয়ই আমায় চেনেন। ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব বিবেচনা করুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চায়। এই দায়িত্ব আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন না।’

    [tw]


    [/tw]

    জাভেদ আখতারের (javed akhtar) এই ট্যুইট আসার পর থেকেই সোস্যাল মিডিয়ায় হাস্যরসাত্মক মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, জাভেদ আখতার এটা আবার কে?

    [tw]


    [/tw]

    আরেক জন লিখেছেন আপনি জ্ঞানী বলে এখন আমেরিকার প্রাক্তন ফাস্ট লেডিকেও জ্ঞান দিচ্ছেন।

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও কিন্তু মিশেল ওবামাকে ট্যাগ করে একটি পোস্ট করেছিলেন জাভেদ আখতার। সেই সময় তিনি মিশেলকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন।বরাবরই মিশেল ওবামাকে সুযোগ্য নেত্রী বলে মনে করেন জাভেদ আখতার। সে কথা নিজেই জানিয়েছেন অতীতে। বর্তমানে আমেরিকার শাসকের আসনে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরাই। জো বাইডেন (Joe Biden) এবং কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নেতৃত্বেই চলছে আমেরিকা।

    মিশেল ওবামা বরাবরই বাইডেনের উপর ভরসা রেখেছেন। ২০২০ সালে জো বাইডেন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন, তখন মিশেল ওবামা বলেন, যখনই নেতৃত্ব অথবা সান্ত্বনার আশায় আশায় আমরা হোয়াইট হাউসের দিকে তাকাই তখনই শুধু হতাশা, বিশৃঙ্খলা, ভেদাভেদ এবং সহানুভূতির অভাবই নজরে আসে। নিজের তৈরি এক অসম্ভব জগতে বাস করেন ট্রাম্প। আজ রাতে আমার কোনও একটি কথা যদি মনে রাখতে হয়, তাহলে একটাই বিষয়ে আবার বলতে চাইব।

    আপনাদের যদি মনে হয়, বর্তমান পরিস্থিতির থেকে আর খারাপ হওয়ার কিছু নেই, তাহলে বিশ্বাস করুন আরও খারাপ দিন দেখতে হতে পারে যদি না এবারের নির্বাচনে কোনও ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি। এই বিশৃঙ্খলা শেষ করার যদি কোনও উপায় এখনও থেকে থাকে, তাঁর নাম জো বাইডেন। বাইডেনকে ভোট দিন… এর উপরে আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৫ নভেম্বর মিশেলের ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’ বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তার আগে ওয়াশিংটন ডিসি, আটলান্টা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেসে সফর করবেন মিশেল। ওই সফরে আমেরিকার (America) প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির সঙ্গী হতে চলেছেন গেইল কিং, এলিজাবেথ আলেকজান্ডার, কোনান ও ব্রায়েনের মতো তারকারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
     
  • S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশভাগের সময় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতাশ হয়েছিলেন, তাঁদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে।” সিএএ নিয়ে আমেরিকার প্রতিক্রিয়ার প্রত্যুত্তরে এ কথাই বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। গত সোমবার সন্ধ্যায় দেশজুড়ে লাগু হয়েছে সিএএ। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করতে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আমেরিকাও। জো বাইডেনের দেশ এ বিষয়ে প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। বাইডেন প্রশাসনের সেই প্রতিক্রিয়ারই জবাব দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

    আমেরিকাকে বার্তা জয়শঙ্করের (S Jaishankar)

    সিএএ লাগু হওয়ার পর ভারতের নীতি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন এ দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গার্সেটি। তার প্রেক্ষিতেই নাম না করে আমেরিকাকে একহাত নিয়েছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “আমারও নীতি রয়েছে। দেশভাগের সময় যেসব মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন, সেই সব মানুষের জন্যই সিএএ।” সিএএতে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারও জবাব দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেবল আমাদের দেশে নয়, অন্য দেশেও ধর্ম ও জাতির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।”

    সিএএ-র ক্ষমতা

    জয়শঙ্কর বলেন, “আমি কারও নীতি বা গণতন্ত্রের আদর্শ নিয়ে কিছু বলছি না। কিন্তু আমার মনে হয়, আমাদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে অনেকের সঠিক ধারণা নেই। বিশ্বের অনেক জায়গা থেকে এমন অনেক মন্তব্য করা হচ্ছে, তা শুনে মনে হচ্ছে ভারতে কোনওদিন দেশভাগ হয়নি। দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তাদের (আমেরিকার) গণতন্ত্রে যে অসম্পূর্ণতা রয়েছে, তা নিয়ে আমি প্রশ্ন তুলছি না। তাদের নীতি কিংবা নীতির অভাব নিয়েও তো আমি প্রশ্ন করছি না। আমাদের দেশের ইতিহাস কতটা তারা বুঝেছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করছি না।” তিনি বলেন, “আপনি যদি বিশ্বের বিভিন্ন অংশের মন্তব্য শোনেন (সিএএ নিয়ে), তাহলে মনে হবে ভারতে কখনও দেশভাগের মতো ঘটনা ঘটেনি।” এর পরেই বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।”

    আরও পড়ুুন: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • US Presidential Election: সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেন-ট্রাম্পের লড়াই

    US Presidential Election: সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেন-ট্রাম্পের লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (US Presidential Election) ফের মুখোমুখি হতে চলেছেন জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীর লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি (Nikki Haley)। জানা গিয়েছে, সুপার টুইসডেতে আমেরিকার ১৫টি প্রদেশে ছিল রিপাবলিকান প্রার্থী বাছাইয়ের ভোট। এর মধ্যে ১৪টিতে ট্রাম্পের কাছে হারতে হয়েছে হ্যালিকে। এরপরেই রিপাবলিকান প্রার্থী হওয়ার লড়াই থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। 

    কী বললেন হ্যালি

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনি নিকি হ্যালি (Nikki Haley) বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করন। তিনি সারা আমেরিকা থেকে যে ‘অভাবনীয় সমর্থন’ পেয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে যোগ করেন যে,’সময় এসেছে আমার প্রচারকে থামানোর।’ নিকি বলেন, ‘ এটাই সম্ভাব্য যে জুলাইতে আমাদের পার্টি কনভেনশনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই আমাদের পার্টির প্রার্থী করা হবে।’

    নিকি বলেন, ‘আমি তাকে অভিনন্দন জানাই এবং তার মঙ্গল কামনা করি।’ আগামী নভেম্বর মাসে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। নতুন করে কোনও অঘটন না ঘটলে, ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের সঙ্গে রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের লড়াইয়ের সম্ভাবনা বেশি। ভোটের ময়দান ছাড়লেও, যে ভাবনা চিন্তিায় তিনি বিশ্বাস করেন, সেই ভাবনা চিন্তাকে পূর্ণ সমর্থন যুগিয়ে যাবেন বলে জানান নিকি।

    আরও পড়ুন: জনসভায় মোদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, রাহুলকে ফের সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন

    ট্রাম্প-বাইডেন দ্বৈরথ!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (US Presidential Election) রিপাবলিকান প্রার্থীর দৌঁড়ে প্রথম থেকে ছিল চারজনের নাম। ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া এই তালিকায় ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত বিবেক রামস্বামী, ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এবং সাউথ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নর নিকি হ্যালি (Nikki Haley)। রিপাবলিকান প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক পর্বেই ছিটকে গিয়েছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত রামস্বামী। সেই সময় রিপাবলিকানদের ট্রাম্পকে সমর্থন করার জন্য জানিয়েছিলেন আবেদন। গত ২১ জানুয়ারি প্রার্থী বাছাইয়ের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে দেখা যায় ফ্লোরিডার গভর্নরকে।এরপর লড়াই মূলত ছিল হ্যালি ও ট্রাম্পের মধ্যেও। এবার সাউথ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নরও সরে দাঁড়ালেন। নিকির এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আরও কোনও বাধা রইল না বলে মনে করছে মার্কিন ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: ড্রোন হামলায় তিন সেনানীর মৃত্যু, ইরানকে হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    Joe Biden: ড্রোন হামলায় তিন সেনানীর মৃত্যু, ইরানকে হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন মার্কিন সৈনিক হত্যার দায়ে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Biden)। তাঁর হুঁশিয়ারি, চুপ করে বসে থাকবে না আমেরিকা। যারা দোষী, তাদের শীঘ্রই শাস্তি দেওয়া হবে। শনিবার রাতে সিরিয়া সীমান্তের কাছে উত্তর-পূর্ব জর্ডনে ড্রোন হামলা হয়। যেহেতু মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, তাই মৃত্যু হয় আমেরিকার তিন সেনার। বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন বলেও খবর।

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ

    প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর আমেরিকার ওপর এটাই সব চেয়ে বড় হামলা। কয়েক দিন আগেই পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে কয়েকটি জঙ্গি গোষ্ঠী দুরমুশ করে দিয়েছিল ইরান। এবার তারা মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাল বলে অভিযোগ। জর্ডনে এই হামলার নেপথ্যে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর হাত রয়েছে বলে বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন (Joe Biden)। রবিবার নির্বাচনী প্রচারে দক্ষিণ ক্যারোলিনা প্রদেশে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বাইডেন।

    কী বললেন বাইডেন?

    ড্রোন হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই দিনটি আমাদের জন্য কঠিন ছিল। গত রাতে আমরা আমাদের তিন সাহসী সৈনিককে হারিয়েছি। আমাদের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। আমরা চুপ করে থাকব না। এর জবাব দেবই।” মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, টাওয়ার ২২ নামের একটি বেসে হামলা চালানো হয়েছে। জর্ডন প্রশাসনের তরফে মহম্মদ আল মুবাইদিন বলেন, “সিরিয়ায় মার্কিন আল তানফ বেস লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।” বাইডেন জানান, সিরিয়া এবং ইরাকে ইরানের মদতপুষ্ট যে জঙ্গিরা রয়েছে, তারাই চালিয়েছে হামলা। তিনি বলেন, “সময় এবং সুযোগ বুঝে আমরা যে এর প্রতিশোধ নেব, এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।”

    আরও পড়ুুন: মলদ্বীপে মৌষল-পর্ব, সংসদের অন্দরে ‘মল্লযুদ্ধ’, ভাইরাল ভিডিও

    আমেরিকা এবং তাদের সহযোগী ইরাক এবং সিরিয়ার যৌথ বাহিনীর ওপর গত অক্টোবর থেকে এনিয়ে ১৫৮টিরও বেশি বার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রোন-রকেট হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মতো ঘটনাও। তবে এর কোনওটিতেই মার্কিন শিবিরে উল্লেখযোগ্য কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

    ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনার মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ছে বাইডেন প্রশাসন। বাইডেনের নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন সে দেশের বিরোধীরা। চলতি বছরই রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন বাইডেনও। বিরোধীরা যে তাঁর বিরুদ্ধে এই ড্রোন হামলাকে প্রচারের (Joe Biden) হাতিয়ার করবেন, তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Airstrike Against Houthis: ইয়েমেনের ‘হুথি’ জঙ্গি গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটিতে বিমান হানা আমেরিকা ও ব্রিটেনের

    Airstrike Against Houthis: ইয়েমেনের ‘হুথি’ জঙ্গি গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটিতে বিমান হানা আমেরিকা ও ব্রিটেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোহিত সাগরে একের পর এক মার্কিন পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালাচ্ছিল ইয়েমেনের বিদ্রোহী জঙ্গি গোষ্ঠী ‘হুথি’ (Airstrike Against Houthis)। গত ১৯ নভেম্বর থেকেই এই হামলা চলছিল বলে জানা গিয়েছে। এ বিষয়ে ওই জঙ্গি গোষ্ঠীকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। শুক্রবার ভোরে পাল্টা প্রত্যাঘাত চালাল মার্কিন ও ব্রিটিশ বায়ুসেনা। ‘হুথি’ জঙ্গি গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল মার্কিন ও ব্রিটিশ বোমারু বিমান (Airstrike Against Houthis)। ইরানের হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী প্যালেস্তাইনের হামাস গোষ্ঠীর প্রতিও সহানুভূতিশীল এবং প্রকাশ্যেই তারা এই জঙ্গি গোষ্ঠীকে সমর্থন জানিয়েছে।

    পরামর্শ চেয়ে জয়শঙ্করকে ফোন মার্কিন বিদেশ সচিবের

    মার্কিন জাহাজগুলির উপরে বেড়ে চলা এই হামলার বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে ফোন করেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ফোনে জয়শঙ্করের পরামর্শ চান মার্কিন বিদেশ সচিব। সূত্রের খবর, মার্কিন বিদেশ সচিব জানতে চান, ‘‘পণ্যবাহী জাহাজে আক্রমণ শানিয়েছে হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী। কী করণীয়!’’ সূত্র মারফত খবর মিলেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এবং মার্কিন বিদেশ সচিবের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয় এ বিষয়ে। আসলে হুথি জঙ্গিগোষ্ঠীর (Airstrike Against Houthis) এই আক্রমণে প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। শুক্রবার ভোর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের যৌথবাহিনী হানা দেয়। ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং বন্দর শহর আল হুদাইদাহ থেকেও শোনা গিয়েছে বিস্ফোরণের শব্দ।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিবৃতি

    এয়ার স্ট্রাইকের পরে বিবৃতি সামনে এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের। তাঁর বিবৃতি অনুযায়ী, ‘‘মার্কিন সেনা ব্রিটেনের সঙ্গে যৌথভাবে ইয়েমেনে বিদ্রোহী হুথি গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে বোমারু বিমান নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে আমাদের সমর্থন জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, বাহরিন, কানাডা এবং নেদারল্যান্ডস। লোহিত সাগরে দিনের পর দিন বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছিল এই হুথি গোষ্ঠী। তার প্রতিশোধ হিসেবেই এই এয়ার স্ট্রাইক। একে মার্কিন সেনা, জলপথে যাতায়াতকারী সাধারণ নাগরিক এবং আমাদের বাণিজ্য সঙ্গীদের বিপদের মুখে পড়তে হচ্ছিল। ২৭টি হামলায় ৫০টি দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০টি দেশের নৌ-সদস্যের উপর হামলা চালানো হয়েছে, তাদের অনেককে আটক করা হয়েছে। লোহিত সাগর যেন আতঙ্কের জলপথে পরিণত হয়েছিল। আমেরিকাকে টার্গেট করে গত ৯ জানুয়ারি হুথিরা (Airstrike Against Houthis) সবচেয়ে বড় অ্যাটাক করেছিল। আজকের হামলা এটা স্পষ্ট করল আমরা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথে কোনওরকম বেচার কাজ বরদাস্ত করব না। সেনাকে নির্দেশ দেওয়া আছে, আন্তর্জাতিক জলপথকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jinping Biden meet: বৈঠক শেষে ফের জিনপিংকে ‘একনায়ক’ কটাক্ষ বাইডেনের, কেন চুপ চিনা প্রেসিডেন্ট?

    Jinping Biden meet: বৈঠক শেষে ফের জিনপিংকে ‘একনায়ক’ কটাক্ষ বাইডেনের, কেন চুপ চিনা প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক চিনা প্রেসিডেন্টের (Jinping Biden meet)। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হলেও, পরে নিজের অবস্থানে অনড় রইলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৈঠকের আগেও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ‘একনায়ক’ আখ্যা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বুধবার বিশ্বের দুই বৃহৎ শক্তিধর দেশের দুই প্রধানের বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পরেই জিনপিংকে ফের ‘একনায়ক’ আখ্যা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কেন তিনি চিনা প্রেসিডেন্টকে একনায়ক আখ্যা দিলেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বাইডেন। তিনি বলেন, “উনি এমন একটা দেশ চালান, যেটা একটা কমিউনিস্ট দেশ। ওই দেশে প্রশাসনিক পরিকাঠামো আমাদের দেশের তুলনায় একদমই আলাদা।”

    ‘গঠনমূলক আলোচনা’

    আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোয় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলির বৈঠকের মাঝেই বুধবার পার্শ্ব বৈঠকে বসেন বাইডেন ও জিনপিং। বৈঠক শেষে বাইডেন বলেন, “আমি মনে করি যে, আমরা কিছু গঠনমূলক ও কার্যকরী আলোচনা করতে পেরেছি।” চিনা বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বৈঠকের নির্যাস প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “বিবিধ বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে গভীর আলোচনা ও মতের আদানপ্রদান হয়েছে। একটি দেশের সাফল্য অন্য দেশটির সাফল্যের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দেয়।”

    ঐক্যের ছবি!

    দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে এই সিদ্ধান্তও হয়েছে, “যদি কারও উদ্বেগ দেখা দেয়, তাহলে আমাদের উচিত ফোন হাতে তুলে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কথা বলা। এবং আমরা তা করব। এটা একটা বড়সড় অগ্রগতি।” ঘণ্টা চারেকের এই বৈঠকের মধ্যে এক সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া সেরেছেন জিনপিং-বাইডেন। বাগানে ঘোরাঘুরিও করেছেন। আমেরিকার বুকে দুই বৃহৎ শক্তিধর দেশের দুই প্রধানের এহেন কাছাকাছি আসার ছবি দীর্ঘদিন (Jinping Biden meet) দেখেনি বিশ্ব।

    আরও পড়ুুন: গাজায় প্রবীণ হামাস নেতার বাড়িতে হানা ইজরায়েলের, কোথায় গেলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

    এর আগে যখন বাইডেন জিনপিংকে ‘একনায়ক’ বলে অভিহিত করেছিলেন, তখন চিনা আধিকারিকরা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। সেবার তাঁরা বাইডেনের মন্তব্যটিকে অযৌক্তিক ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করেছিলেন। এবার অবশ্য বাইডেনের মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি চিনের তরফে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিড অতিমারির পরবর্তী পরিস্থিতিতে ধাক্কা খেয়েছে চিনা অর্থনীতি। বিশ্ববাজারেও মার খাচ্ছে চিনা পণ্য। এমতাবস্থায় মার্কিন-সঙ্গ লাভে বিশেষ উপকৃত হতে পারে বেজিং। সর্বোপরি, তাইওয়ান নীতিতে বাইডেনকে পাশে পেতে চায় চিন। তাইওয়ানকে চিনের অংশ বলে দাবি করে বেজিং। আর তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে আমেরিকা। সেই কারণেও বাইডেন-সঙ্গ লাভ করতে চাইছে জিনপিং (Jinping Biden meet)।

    চিনা প্রেসিডেন্টের দৌত্য কতটা সফল হয়, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

       

  • Biden on Hamas Attack: হামাস হামলার সম্ভাব্য কারণ জানালেন বাইডেন, নিলেন ভারতের নামও

    Biden on Hamas Attack: হামাস হামলার সম্ভাব্য কারণ জানালেন বাইডেন, নিলেন ভারতের নামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ অব্যাহত। ইজরায়েলের হামলায় হামাস অধ্যুষিত গাজা স্ট্রিপে ব্যাপক প্রাণহানি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তা সত্ত্বেও ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলকে উচিত শিক্ষা দিতে মরিয়া মুসলমানদের দেশ প্যালেস্তাইনের জঙ্গি সংগঠন হামাস। এই হামাসই দখল করে রেখেছে গাজা স্ট্রিপ। কেন হামাসরা ইজরায়েলের ওপর হামলা চালাল, এবার সে ব্যাখ্যা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Biden on Hamas Attack)। সে প্রসঙ্গে উঠে এল ভারতের কথা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা।

    কী বললেন বাইডেন?

    হামাসের হামলা প্রসঙ্গে বাইডেন বলেন, “আমরা ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে আঞ্চলিক এককীকরণ এবং সামগ্রিকভাবে উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলাম। আমি নিশ্চিত যে হামাস এই কারণেই ইজরায়েলে হামলা চালায়। আমার কাছে এর পক্ষে কোনও প্রমাণ নেই। তবে আমার অভিজ্ঞতা থেকে এটাই মনে হচ্ছে।” সেপ্টেম্বর মাসে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন হয় নয়াদিল্লিতে। এই সম্মেলনে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ আর্থিক করিডর প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এই চুক্তি যাতে রূপায়িত না হয়, তাই ইজরায়েলে হামাস হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেন বাইডেন।

    ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ আর্থিক করিডর প্রকল্প

    তিনি (Biden on Hamas Attack) বলেন, “তবে আমার কাছে এ সংক্রান্ত কোনও প্রমাণ নেই। কিন্তু অভিজ্ঞতার দিক থেকে আমার এমনটাই মনে হচ্ছে।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও জানান, এই প্রকল্পকে কোনওভাবেই পিছনে ফেলে দেওয়া যাবে না। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার বাইডেন হামাসের আক্রমণের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ আর্থিক করিডর প্রকল্পের কথা উল্লেখ করলেন। এই প্রকল্পের সাহায্যে এক সুতোয় বাঁধা পড়বে ভারত, আমেরিকা, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি এবং ইউরোপীয় দেশগুলি। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করে ভারতই। করিডরটি হবে দু’ ভাগে। একটি অংশ হবে ইস্টার্ন করিডর। এই করিডর ভারতকে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে।

    আরও পড়ুুন: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করবে ইডি!

    অন্য অংশটি হবে নর্দান করিডর। এই করিডর উপসাগরীয় অঞ্চলকে ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত করবে। গত ২৩ দিন ধরে চলছে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ। ইজরায়েলের (Biden on Hamas Attack) ওপর প্রথম হামলা চালায় হামাস। নৃশংসভাবে খুন করে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাইকে। গর্ভবতী মায়ের পেট চিরে খুন করে ভ্রুণকেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share