Tag: JP Nadda

JP Nadda

  • Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে সংকটে উদ্ধব-সরকার! নিখোঁজ মন্ত্রী সহ ২৭ বিধায়ক

    Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে সংকটে উদ্ধব-সরকার! নিখোঁজ মন্ত্রী সহ ২৭ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) জোর সংকটে উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) সরকার। প্রায় ২৬ জন বিধায়ক (MLA) নিয়ে আচমকাই ‘নিখোঁজ’ হয়ে গিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা শিবসেনার (Shiv Sena) বর্ষীয়ান নেতা একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দিতে পারেন বলে সূত্রের খবর। গুজরাটের সুরাটের (Surat) একটি পাঁচতারা হোটেলে তাঁরা রয়েছেন বলে খবর। ওই হোটেল এবং একনাথের বাড়ির সামনে কড়া পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    শুধু তাই নয়, আরও ৯ বিধায়ক একনাথের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, একনাথ সহ মহারাষ্ট্রের অন্তত ৩৬ জন বিধায়ক ‘বিদ্রোহের পথে’। ফলে, এই পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। মহারাষ্ট্রের সরকারের পতনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এদিকে, মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (J P Nadda) সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    আরও পড়ুন : সন্ধ্যায় বৈঠকে বিজেপি, মঙ্গলেই চূড়ান্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম?

    মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার প্রভাবশালী নেতা একনাথ। গতকাল পর্যন্ত তিনি শিবসেনা, কংগ্রেস ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-কে গঠিত মহা বিকাশ অঘাড়ি (MVA) জোট সরকারে নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে। 

    সোমবার বিধান পরিষদের ভোট হয় মহারাষ্ট্রে। এই নির্বাচনে শিবসেনা ৬৪টি ভোট পাবে বলে আশা করা হয়েছিল। যদিও উল্টো দিকে পড়ে ১২টি ভোট। তার পর থেকেই শুরু হয় জল্পনা। এই ঘটনার পর থেকেই আর খোঁজ মিলছে না একনাথেরও। ইতিমধ্যেই, দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে একনাথকে বরখাস্ত করেছে শিবসেনা।

    একনাথ ‘নিখোঁজ’ হতেই তড়িঘড়ি বিধায়ক ও মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন উদ্ধব ঠাকরে। বিদ্রোহী বিধায়করা যদি বিপক্ষ শিবিরে যোগ দেন, তাহলে, দ্রুত বদলে যাবে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। কারণ, মহারাষ্ট্রের বিধানসভার সংখ্যা ২৮৮। একজন মারা যাওয়ায় বর্তমানে শক্তি ২৮৭। অর্থাৎ, আস্থা ভোট জিততে কোনও দলের প্রয়োজন ১৪৪। 

    বর্তমানে এমভিএ জোট সরকারের রয়েছে ১৫২ বিধায়ক। এর মধ্যে শিবসেনার রয়েছে ৫৫ জন, এনসিপি-র ৫৩ এবং কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়ক রয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপির সংখ্যা ১০৬। এছাড়া নির্দল ও অন্যান্যরা মিলিয়ে ২৯ জন। 

    এখন একনাথের সঙ্গে যদি ২৭ জন বিজেপিতে যোগ দেয়, তাহলে বিজেপির সংখ্যা হবে ১৩৩। অন্যদিকে, জোট সরকারের সংখ্যা কমে দাঁড়াবে ১২২। যে ৯ বিধায়কেক কথা বলা হচ্ছে, যাঁরা একনাথের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, তাঁদের সংখ্যা ধরা হলে, বিজেপির সংখ্যা বেড়ে হবে ১৪২। ফলে, সেক্ষেত্রে, সরকার পতনের সম্ভাবনা প্রবল। 

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘বিদ্রোহী’দের বার্তা পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তবে তাতে আদৌ চিঁড়ে ভিজবে কিনা, তা বলবে সময়। গোটা ঘটনায় বিজেপিকে নিশানা করেছেন সাংসদ শিবসেনার সঞ্জয় রাউত। তিনি বলেন, এটা উদ্ধব ঠাকরে সরকারকে ফেলার একটা চক্রান্ত। তিনি বলেন, এই একই ষড়যন্ত্র হয়েছিল মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানেও। 

    আরও পড়ুন : কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    এদিকে, মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইতিমধ্যেই একপ্রস্ত বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP National President) জেপি নাড্ডা। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে বিজেপির কী করণীয়, তা আলোচনা হয়েছে পদ্ম শিবিরের এই দুই হেভিওয়েট নেতার। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, উদ্ধব ঠাকরে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে চলেছে পদ্ম শিবির। 

    এখন দেখার, আরব সাগরের লোনা জল কোন দিকে গড়ায়!

     

  • Presidential Election: আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু

    Presidential Election: আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনার অবসান। আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Presidential Election 2022) কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি (BJP), সেই নিয়ে তুমুল কৌতুহল ছিল জাতীয় রাজনীতি মহলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেই জল্পনার যবনিকা পতন হল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ প্রার্থী (NDA candidate) হিসেবে এদিন দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) নাম ঘোষণা করেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (Nadda)। তিনি বলেন, এই প্রথমবার একজন আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করা হল। 

    নাম ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্যুইট করে পদপ্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি লেখেন, সমাজসেবা এবং দরিদ্র, পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক মানুষদের ক্ষমতায়নের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর বিশাল প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যপাল হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি নিশ্চিত তিনি আমাদের দেশের একজন মহান রাষ্ট্রপতি হবেন।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা

    কোনও অঘটন না ঘটলে, ৬৪ বছর বয়সি দ্রৌপদী মুর্মুই হতে চলেছেন দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি। নির্বাচিত হলে তিনিই হবেন দেশের দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি। দ্রৌপদীই হবেন দেশের প্রথম সাঁওতালি মহিলা যিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

    কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?

    ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার বাইদাপোসি গ্রাম থেকে উঠে আসা দ্রৌপদী প্রথম জীবনে শিক্ষকতা করতেন। স্বামী শ্যামচরণ মুর্মু মারা যাওয়ার পর কিছুদিন কাজ করেছিলেন সেচ দফতরের ছোট কেরানি হিসেবে। ১৯৯৭ সালে যোগ দেন ওড়িশার রাজনীতিতে। রাইরঙপুরে পুরসভার কাউন্সিলর হন। এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দীর্ঘ সময় তিনি ছিলেন বিজেপির তফশিলি উপজাতি মোর্চার সহ সভানেত্রী।

    ২০০০ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন রাইরঙপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। জিতেই বিজেপি-বিজেডি জোট সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। বাণিজ্য ও পরিবহণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৎস্য ও পশুপালন দফতরও তাঁকে সামলাতে হয়েছে। ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওড়িশা বিধানসভার মন্ত্রী ছিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। 

    এরপর আরও একবার ২০০৯ সালে তিনি ওড়িশা বিধানসভার বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালে তাঁকে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। এর আগে ঝাড়খণ্ড রাজ্য তৈরি হওয়ার পর কোনও রাজ্যপালই পূর্ণ মেয়াদ কাজ করতে পারেননি। সেই দিক দিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুই প্রথম রাজ্যপাল যিনি পূর্ণ মেয়াদ ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল ভবনে। গতবছর ২০২১ সালেই পূর্ণ করেছেন তাঁর রাজ্যপালের মেয়াদ। 

    ২০১৭ সালেও উঠেছিল তাঁর নাম

    ২০১৭ সালেই দিল্লি রাজনীতির অন্দরে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোরাফেরা করছিল দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের উত্তরসুরী হিসেবে। কিন্তু সেবার বিজেপি রাষ্ট্রপতি পদের জন্য রামনাথ কোভিন্দের নাম সুপারিশ করে। বিহারের রাজ্যপাল থেকে প্রথমবার দেশের দলিত রাষ্ট্রপতি হন কোভিন্দ। ঠিক পাঁচ বছর পর ঐ একই পদের জন্য ফের উঠে এল দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। এবার, তাঁকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে এনডিএ-র পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করল বিজেপি।

    গতকাল ২০শে জুন নিজের ৬৪তম জন্মদিন পালন করেছেন দ্রৌপদী মুর্মু। ২১ জুনের সন্ধ্যায় বিজেপির ঘোষণা, দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে এনডিএ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এই তফশীলি উপজাতি নেত্রী।

  • JP Nadda: “শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গেও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন”, রাজ্যে এসে বার্তা নাড্ডার

    JP Nadda: “শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গেও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন”, রাজ্যে এসে বার্তা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজনীতিতে কোনও কিছুই স্থির থাকে না, আজ যা আছে তা আগামীকাল থাকবে না, যা আগামীকাল হবে তা পরশু থাকবে না।” রাজ্যে এসে তৃণমূলকে এভাবেই কটাক্ষ করলেন জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।

    আগামী বছর রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে, দলের মনোবল বাড়াতে মঙ্গলবার, ২ দিনের বঙ্গ সফরে এসেছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি। একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। দলের কর্মসমিতির বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি, বিভিন্ন জনসংযোগ কর্মকাণ্ডে তিনি এদিন যোগ দেন।

    এদিন বিহার-উত্তরপ্রদেশের তুলনা টেনে এনে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি মনে করিয়ে দেন, কোনও রাজ্যে কোনও দলই চিরস্থায়ী থাকতে পারে না। তিনি বলেন, “২০ বছর আগেও কেউ ভাবেনি বিহার থেকে লালুপ্রসাদ যাদবের রাজত্ব শেষ হবে। কিন্তু বিজেপি সেখানেও পূর্ণ শক্তি নিয়ে এসেছে। উত্তরপ্রদেশে কেউ ভাবেনি যে মুলায়ম সিংয়ের শাসন শেষ হবে। আজ সেখানে বিজেপি সবাইকে সাফ করে দিয়েছে। সর্বত্র বিজেপি সরকার গঠিত হচ্ছে।” 

    আরও পড়ুন: বাংলার হারানো গৌরব ফেরাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, রাজ্য সফরে এসে নাড্ডা

    নাড্ডা বলেন, “আমাদের সবসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন শক্তিকে রাজনৈতিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সেই জন্য নিজেদের শক্তি সম্পর্কেও ধারণা থাকা উচিত।” নাড্ডার বিশ্বাস, আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গ সহ অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও বিজেপি সরকার গঠনে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, “আমরা অন্ধ্রপ্রদেশে, তেলেঙ্গানায় এবং খুব শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গেও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন করব।”

    রাজ্যের বর্তমান শাসক দলকে আক্রমণ করে নাড্ডা বলেন, “বাংলা সম্পর্কে একসময় বলা হতো যে Which Bengal thinks today, India thinks tomorrow. বাংলাকে এক সময় অর্থনৈতিক রাজধানী বলা হলেও আজ এখানে শোচনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।” 

    পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি যোগ করেন, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো (NCRB)-এর মতে, আজ পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি অপহরণের ঘটনা ঘটছে। পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি নারী পাচার হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজত্বে রাজ্যের এই হাল?”

    আরও পড়ুন: কাশী-মথুরা নিয়ে কী ভাবছে বিজেপি? স্পষ্ট করলেন নাড্ডা

    এই প্রেক্ষিতে নাড্ডা জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কী কী করেছে, তার খতিয়ান তুলে ধরেন নাড্ডা। বলেন, “স্বচ্ছ ভারত মিশনের অধীনে, ৭৪ লক্ষ পশ্চিমবঙ্গে নির্মিত হয়েছে। পাশাপাশি, জনধন যোজনার অধীনে পশ্চিমবঙ্গে ২.৮২ কোটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।”

  • JP Nadda: “দেশ বদলেছে, রাজ্যেও বদল আসবে”, বার্তা নাড্ডার

    JP Nadda: “দেশ বদলেছে, রাজ্যেও বদল আসবে”, বার্তা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে বদল হয়েছে, এরাজ্যেও পরিবর্তন আসবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলামন্দিরে বিদ্বজ্জনদের সভায় এমনটাই জানালেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। 

    বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি রাজ্যের বর্তামান পরিস্থিতির সঙ্গে দেশে ২০১৪ সালের পূর্ববর্তী পরিস্থিতির তুলনা করেন। তিনি বলেন, “২০১৪’র আগে দেশের যেরকম পরিস্থিতি ছিল, আজ বাংলার পরিস্থিতিও একই রকম। লুঠপাট, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি সহ বিশ্বের দুর্নীতিগ্রস্থ দেশের তালিকায় দেশের নাম নেওয়া হতো। কিন্তু আজ দেশ বদলাচ্ছে না, বদলে গিয়েছে। সেজন্য বাংলা নিয়েও আমি হতাশ হই না। হয়তো একটু সময় লাগবে কিন্তু এখানেও পরিবর্তন আসবে।”

    পরিবারতন্ত্র নিয়ে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে ফের একবার সুর চড়ান নাড্ডা। বলেন, “কাশ্মীর থেকে নীচ পর্যন্ত পরিবারতন্ত্র। এখানেও তো পিসি-ভাইপো। বাকিরা তো ল্যাম্পপোষ্ট। এখানে হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে সিবিআই (CBI) তদন্ত চলে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, যারা বাংলার গর্বকে ক্ষতি করতে চাইবে, তাদের মুখোশ খুলে দিতে হবে।”

    কলামন্দিরে অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) কাজের খতিয়ানও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, “মোদিজির শাসনের ৮ বছর পর আমরা বলতে পারি মোদি থাকলে সব সম্ভব। আজ আমাদের নীতি সংস্কার, সুশাসন, গতি, দক্ষতা। এখন পর্যন্ত, বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের ২২ লক্ষ কোটি টাকা ডিজিটালভাবে সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে।” 

    নাড্ডা আরও বলেন, “আজ একটি বোতাম টিপেই ২৩ হাজার কোটি টাকা সরাসরি ১০ কোটি কৃষকের অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে। আজ মোদি সরকারের অধীনে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY) আওতায় ২.৫ কোটি বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। আজ ১২ কোটি মানুষ প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনার (PMJJBY) সুবিধা পাচ্ছেন, যার মধ্যে ৭৬ লক্ষ সুবিধাভোগী বাংলার মানুষ। ২৮ কোটি মানুষ প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনার (PMSBY) সুবিধা পাচ্ছেন, যা নিজেই একটি রেকর্ড।”

    এর আগে নিউটাউনের হোটেলে বিজেপির বিধায়ক-সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন সর্বভারতীয় সভাপতি। সেখানে তিনি জানান, করোনা না এলে এবারই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (BJP Bengal) ক্ষমতায় চলে আসত। বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি মনে করিয়ে দেন, চতুর্থ দফার ভোটের পর ঠিকমত প্রচারই করতে পারা যায়নি। করোনার জন্য প্রায় প্রচার ছাড়াই বিজেপিকে ভোটে লড়তে হয়েছে। না হলে যে গতিতে বিজেপি এগোচ্ছিল, তাতে এবারই নিশ্চিত ছিল।

    আরও পড়ুন: “শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গেও গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন”, রাজ্যে এসে বার্তা নাড্ডার

  • JP Nadda: দুদিনের সফরে রাজ্যে জেপি নাড্ডা, আজ কোথায় কী কী কর্মসূচি?

    JP Nadda: দুদিনের সফরে রাজ্যে জেপি নাড্ডা, আজ কোথায় কী কী কর্মসূচি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু’দিনের সফরে বঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP National President) জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। মঙ্গলবার রাতে কলকাতায় পৌঁছোন তিনি। বুধবার তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। 

    দলীয় সূত্রের খবর, প্রথমে চুঁচুড়ায় ঋষি অরবিন্দের (Sri Aurobindo) স্মৃতিবিজড়িত বন্দেমাতরম ভবনে যাবেন নাড্ডা (Nadda)। এরপর তিনি চন্দননগরে রাসবিহারী বসু রিসার্চ ইনস্টিটিউটে যাবেন। সেখান থেকে কলকাতায় ফিরে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে (National Library) রাজ্য কর্মসমিতির বৈঠকে (state working committee) যোগ দেবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। 

    বৃহস্পতিবার সকালে তিনি যাবেন বেলুড় মঠে (Belur Math)। দুপুরে সায়েন্স সিটিতে (Science City) রাজ্যের সমস্ত মণ্ডল সভাপতিদের নিয়ে সম্মেলনে যোগ দেবেন নাড্ডা। এরপর বিকেলে কলামন্দিরে (Kala Mandir) কলকাতার বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। আগামীকাল সন্ধ্যায় বিমানে দিল্লি ফিরবেন নাড্ডা।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দমদমে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Netaji Subhas International airport) নাড্ডাকে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব (West Bengal BJP)। নাড্ডার বিমান কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণের অনেক আগে থেকেই বিমানবন্দর চত্বরে ভিড় জমান দলীয় কর্মী সমর্থকরা। দলীয় পতাকা ফুল ঢাক ঢোল নিয়ে তাঁরা স্বাগত জানাতে হাজির হন।

    রাত নটার কিছু পরে তাঁর বিশেষ বিমান অবতরণ করে কলকাতা বিমানবন্দরে। জেপি নাড্ডা বিমানবন্দর থেকে বাইরে বের হতেই উৎসবের চেহারা নেয় এলাকা। পুষ্পবৃষ্টি, স্লোগানে তখন গমগম করে বিমানবন্দর। সেখানেই তাঁকে অভ্যর্থনা জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ বঙ্গ বিজেপি (BJP Bengal) নেতৃত্বরা। 

    রাতেই নিউটাউনের বেসরকারি হোটেলে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), অমিত মালব্য (Amit Malviya), লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee), অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) সহ বিজেপির (BJP) একাধিক নেতা-নেত্রী।

    আরও পড়ুন: কাশী-মথুরা নিয়ে কী ভাবছে বিজেপি? স্পষ্ট করলেন নাড্ডা

  • Vice President Election: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের

    Vice President Election: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Modi)পাশে বসিয়ে উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) পদে মনোনয়নপত্র (Nomination) জমা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি (Nitin Gadkari), বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এবং অন্যান্য বিজেপি নেতারা।  

    আরও পড়ুন: উৎসবের মেজাজে চলছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, দেখুন ভোট দিলেন কারা

    [tw]


    [/tw]

    জগদীপ ধনখড়ের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরেই ট্যুইট করেন মোদি। তিনি লেখেন, “বিভিন্ন দলের মন্ত্রী, সাংসদ, নেতারা শ্রী জগদীপ ধনখড়কে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সঙ্গ দিয়েছেন। আমি নিশ্চিত যে তিনি একজন চমৎকার এবং অনুপ্রেরণাদায়ী উপরাষ্ট্রপতি হবেন।” 

    আরও পড়ুন: জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন বিজেডি-এআইএডিএমকের, ইস্তফা দিলেন রাজ্যপাল

    [tw]


    [/tw] 

    গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের নাম ঘোষণা করে সবাইকে চমকে দেন। বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে জগদীপ ধনখড়ের নাম গত তিনবছরে বারবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। ধনখড়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের তিক্ততা বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। অবশেষে সেই জটিলতার অবসান। রবিবার রাতে বাংলার রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। সাময়িকভাবে বাংলার রাজ্যপালের পদ সামলাবেন মণিপুরের রাজ্যপাল এল গণেশন। ২০১৯ সালে ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ধনখড়। আগামী ৬ অগাস্ট হবে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমানে দেশের উপরাষ্ট্রপতির পদ সামলাচ্ছেন ভেঙ্কাইয়া নাইডু।   

  • Jammu & Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ভোট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত নাড্ডার

    Jammu & Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ভোট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা ভোট (assembly election) শীঘ্রই! রাজস্থানের জয়পুরে বিজেপির কর্মকর্তাদের বৈঠকে এমনই ইঙ্গিত দিলেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। ভূস্বর্গে শান্তি ফিরছে বলেও জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, নাশকতা থেকে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir) এখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের জন্য বিপুল জনাদেশ নিয়ে দিল্লির তখতে ফিরে আসে বিজেপি। এর পরেই জম্মু-কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ নেয় নরেন্দ্র মোদির (Modi) সরকার। কাশ্মীর থেকে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা (Article 370)। উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে (Ladakh) পরিণত করা হয় কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে। শুরু হয় উন্নয়নযজ্ঞ। যার জেরে ক্রমেই শান্তি ফিরছে ভূস্বর্গে।

    জম্মু-কাশ্মীরে নরেন্দ্র মোদির সরকার যে বিধানসভা নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর, বিভিন্ন সময় তা জানিয়ে দিয়েছেন মোদি এবং অমিত শাহ। সেই মতো উপত্যকায় শান্তি ফিরতেই শুরু হয় ডিলিমিটেশনের (Delimitation) কাজ। ডিলিমিটেশন কমিশন কাশ্মীরে ৪৭টি ও জম্মুতে ৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের সুপারিশ করে। সুপারিশ করা হয় পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্রেরও। পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের উদ্বাস্তুদের প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি বিধানসভায় দুই কাশ্মীরি অভিবাসীকেও মনোনীত করার সুপারিশও করে ওই কমিশন। কমিশনের রিপোর্ট জমা পড়তেই বোঝা গিয়েছিল, খুব বেশি দূরে নেই জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচন।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন নিয়ে পাকিস্তানের ‘প্রহসনমূলক’ প্রস্তাব খারিজ ভারতের

    এদিন নাড্ডাও জানান, ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ হলেই ভোট হবে ভূস্বর্গে। জম্মু-কাশ্মীরে যে শান্তি ফিরছে, এদিন তা মনে করিয়ে দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বলেন, জেলা উন্নয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরে পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে জম্মু-কাশ্মীরে শান্তি ফিরে এসেছে। ইদানিং উপত্যকায় আর পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটছে না। নাড্ডা বলেন, জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে পর্যটন এবং ব্যবসার উন্নতি হচ্ছে। কাশ্মীরে বিক্ষিপ্ত যেসব হিংসার ঘটনা ঘটছে, তা পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হতাশার ফল। তাঁর মতে, এরা চায় না উপত্যকায় শান্তি ফিরে আসুক। নাড্ডার আশ্বাস, জঙ্গিদের এই বিক্ষিপ্ত হত্যাকাণ্ডও দীর্ঘস্থায়ী হবে না। জঙ্গিবাদের প্রতি উপত্যকাবাসীর সমর্থন শেষ হয়ে গিয়েছে বলেও মনে করেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি। তিনি বলেন, কাশ্মীরের মানুষ এখন আর জঙ্গিবাদ সমর্থন করেন না। সহিংসতায় তাঁরা বিরক্ত। তাঁরা চান, শান্তি ফিরে আসুক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপত্যকায় উন্নয়নযজ্ঞ শুরু করেছেন বলেও জানান তিনি। বলেন, জঙ্গিবাদ থেকে জম্মু ও কাশ্মীর এখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভিন্ন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন : গদি রাখতে গেলে শেহবাজকে জিইয়ে রাখতেই হবে কাশ্মীর ইস্যু

    জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপির ভিত যে পোক্ত হচ্ছে, এদিন তাঁর ভাষণে তা জানিয়ে দেন বিজেপির জম্মু-কাশ্মীর সভাপতি রবিন্দর রায়না। তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে ভিত্তি হারিয়েছে কংগ্রেস। ন্যাশনাল কনফারেন্স ও পিডিপির সমর্থনের ভিত্তিও হয়েছে সঙ্কুচিত।

     

  • JP Nadda: অমিত শাহের পর জুন মাসে রাজ্য সফরে আসতে পারেন জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: অমিত শাহের পর জুন মাসে রাজ্য সফরে আসতে পারেন জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমিত শাহের (Amit Shah) সফরের পর রাজ্যে আসতে পারেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। অন্তত তেমন একটা সম্ভাবনার আভাস মিলেছে রাজ্য বিজেপি (West Bengal BJP) সূত্রে। গতমাসে দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে দিল্লিতে দেখা করেছিলেন সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিজেই আগামী জুনে রাজ্যে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষের কাছে। 
     
    মে মাসে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে আসছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপরেই জুনে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতির বাংলায় আসা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ইঙ্গিত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই রাজ্যে আসবেন সর্বভারতীয় সভাপতি।

    ৫ মে রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ। প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে বিএসএফের দফতর ঘুরে দেখবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গে যাবেন। শিলিগুড়িতে সভা রয়েছে শাহের। ৬ তারিখ কলকাতায় বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। সাংসদ-বিধায়করা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন, বিজেপির জেলা সভাপতিরা। সেদিন রাতেই দিল্লি ফিরে যাবেন অমিত শাহ।

    মে মাসের শুরুতে অমিত শাহ, জুনে জেপি নাড্ডা। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল না হওয়ায় এবার সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য বিজেপি। প্রাথমিক লক্ষ্য, ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভাল ফল করা। পাশাপাশি মমতা (Mamata) সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আরও জোরদার করতে চাইছে বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সে কারণেই পরপর দু’মাসে দুই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজ্য সফর।

     

  • BJP Inquiry Committee: নবান্ন অভিযানের পুলিশি অত্যাচারের তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন বিজেপির

    BJP Inquiry Committee: নবান্ন অভিযানের পুলিশি অত্যাচারের তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযানে (Nabanna Chalo campaign) দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের আচরণে বেশ কিছুদিন ধরেই সরব গেরুয়া শিবির (BJP)। এবার এ বিষয়ে আরও বড় পদক্ষেপ নিল বিজেপি। বিজেপি হেড কোয়ার্টার থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে দোষী পুলিশ আধিকারিকদের শাস্তি দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, এই ঘটনার তদন্তের জন্যে পাঁচ জনের একটি বিশেষ কমিটি (BJP Inquiry Committee) গঠন করা হয়েছে। কমিটি তদন্ত করে দিল্লিতে ফিরে রিপোর্ট জমা দেবে। কমিটিটি গঠন করেছেন দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। ওই কমিটিতে আছেন, বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল, লোকসভার সাংসদ রাজ্যবর্ধন সিং রাঠৌর, অপরাজিতা ষড়ঙ্গী, পাঞ্জাবের বিজেপি নেতা সুনীল জাখর এবং রাজ্যসভার সাংসদ সুনীল ওঁরাও। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাঁরা বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখে তথ্য সংগ্রহ করবেন। সেই রিপোর্ট তাঁরা তুলে দেবেন নাড্ডার হাতে। বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া হেড অমিত মালব্য (Amit Malviya) বিষয়টি ট্যুইট করে জানিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘রাজ্যটাকে উত্তর কোরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন ‘লেডি কিম’…’’, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

     

     

    আরও পড়ুন: আহত পুলিশকর্তাকে ফোন করে খোঁজ নিলেন সুকান্ত, বললেন ‘‘উনিও তো মানুষ…’’

    ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হাওড়া এবং কলকাতা। হাওড়ার সাঁতরাগাছি, হাওড়া ময়দান থেকে হাওড়া ব্রিজে ব্যারিকেড করে পুলিশ নবান্নমুখী বিজেপির মিছিল আটকালে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তিতে আহত হন বিজেপি-কাউন্সিলর-সহ কয়েকজন নেতা-কর্মী। আহত হন পুলিশ কর্মীরাও। পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, জল কামান, লাঠিচার্জ, নবান্ন অভিযান যেন এক টান টান সিনেমা। অভিযানের শুরুতেই আটকানো হয় শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে হওয়া দুই মিছিল। সকাল থেকে সন্ধ্যে অবধি যেন যুদ্ধক্ষেত্রের রূপ নেয় দুই শহর। বিজেপির পক্ষ থেকে পুলিশের শাস্তির দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় দল। অনুসন্ধান করে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Presdential Elections: রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    Presdential Elections: রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presdential polls)। শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেই ব্যস্ততা তুঙ্গে।এমতাবস্থায় সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের ওপর জোর দিচ্ছে বিজেপি। সেই কারণে বিজেপির তরফে এনডিএ, ইউপিএ এবং নির্দলদের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (jp nadda) এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে (Rajnath singh)।

    ভারতে রাষ্ট্রপতি পদটি আলঙ্কারিক। রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো নয়। আমেরিকায় জনগণই ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। আর ভারতে জনগণের হয়ে ভোট দেন বিধায়ক, সাংসদরা। তাই রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চাইছেন না পদ্ম নেতৃত্ব। বরং তাঁরা চাইছেন, রাষ্ট্রপতি মনোনীত হোন ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে। সেই জন্যই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নাড্ডা এবং রাজনাথকে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বলেন, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং খুব শীঘ্রই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই করতে এনডিএ, ইউপিএ এবং নির্দলদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?

    ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি পদে রামনাথ কোবিন্দ বসার আগেও বিজেপির তরফে বিরোধীদের সঙ্গে পরামর্শ করার জন্য গঠন করা হয়েছিল দুজনের কমিটি। সেবার অবশ্য ঐক্যমত্য হয়নি। কোবিন্দকে সমর্থন করেছিল ওয়াইএসআর কংগ্রেস এবং বিজু জনতা দল। ৬৫ শতাংশ ভোট পেয়ে রাইসিনা হিলসে যান কোবিন্দ। এবার বিজেপির তরফে আসরে নামানো হয়েছে বেঙ্কাইয়া ও রাজনাথকে। কোবিন্দের ক্ষেত্রে না হলেও, হয়েছিল আবদুল কালামের ক্ষেত্রে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন তিনি।  

    এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্ঘণ্ট হতেই কোমর কষে পথে নেমে পড়েছে বিজেপি। তবে বিরোধীরা এখনও ছন্নছাড়া। ১৫ জুন দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী জোটের বৈঠক করতে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলকে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকেই বিরোধীদের তরফে একজনকে দাঁড় করনোর চেষ্টা হতে পারে রাষ্ট্রপতি পদে।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপির ঝুলিতে ভোট রয়েছে ৪৮.৯ শতাংশ। আর সম্মিলিত বিরোধী জোটের ঝুলিতে রয়েছে ৫১.১ শতাংশ ভোট। অর্থাৎ বিজেপি এবং বিরোধীদের ভোটের ব্যবধান ২.২ শতাংশের মতো।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১৮ জুলাই, প্রার্থী কারা? তুমুল জল্পনা

    সূত্রের খবর, গতবারের মতো এবারও বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন জানাতে পারে ওড়িশার বিজেডি এবং অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বিষয়টি নিয়ে চলতি মাসের প্রথম দিকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের সঙ্গে কথাও বলেছেন। তবে নীতিশের দল কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা জানা যায়নি। স্বভাবতই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা শাসক বিরোধী দুই শিবিরেই।

     

LinkedIn
Share