Tag: JP Nadda

JP Nadda

  • JP Nadda: ‘পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতির মতো শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যেন শক্তি দেন’, মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা নাড্ডার

    JP Nadda: ‘পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতির মতো শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যেন শক্তি দেন’, মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পর, দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে রাজ্যে এলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। মহাসপ্তমীর সকালে তিনি হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের একটি পুজোতে যান। সেখানে তিনি দেবী দুর্গার আরতি করেন। বাংলার দুর্গাপুজো যে শুধু  ভারত নয়, সারা বিশ্বেও স্থান পেয়েছে, তার তিনি প্রশংসা করেন।

    কী বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি? (JP Nadda)

    এদিন হাওড়ায় জে পি নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, “আমার সৌভাগ্য যে পশ্চিমবঙ্গের পূণ্যভূমিতে, সাংস্কৃতিক দৃষ্টি ও দিশা প্রদানকারী ভূমিতে আজ মা দুর্গার আশীর্বাদ নেওয়ার সুযোগ মিলেছে। আমি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করি। মায়ের অসীম কৃপা, তাই এমন পবিত্র ভূমিতে আসার সুযোগ পেলাম।”  শনিবার মহাসপ্তমীর সকালে হাওড়ার পুজো মণ্ডপে জে পি নাড্ডার সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, অগ্নিমিত্রা পল, রাহুল সিনহা প্রমুখ। এদিন একাধিক পুজো মণ্ডপে যান নাড্ডা। হাওড়া থেকে শোভাবাজার রাজবাড়িতে যান তিনি। সেখান থেকে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, কলকাতার রামমন্দির। এদিন হাওড়ার অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। তিনি বলেন “মা দুর্গাকে যখন আমরা স্মরণ করি, আমরা জানি পশ্চিমবাংলা মা দুর্গার আরাধনার জন্য, প্রার্থনার জন্য, পুজোর জন্য শুধু সারা দেশেই নয়, সারা পৃথিবীতেই আলাদা স্থান তৈরি করেছে। এরকম পূণ্যভূমিতে আসার সুযোগ পেয়ে বিশেষ কৃতজ্ঞ।” সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখে নাড্ডা বললেন, “পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি, অনুপ্রবেশের মতো অসুরীয় শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দেবী দুর্গা যেন আমাদের শক্তি দেন, সেই প্রার্থনা করছি। এখানে রাম মন্দির আমাদের শক্তি দিচ্ছে। অযোধ্যায় যে রাম মন্দির হচ্ছে তা আপনারা এখানে করেছেন। আপনাদের ধন্যবাদ।”

    দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর হেরিটেজ ঘোষণা প্রসঙ্গে কী বললেন নাড্ডা? (JP Nadda)

    বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর হেরিটেজ ঘোষণার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, সারা দেশে দুর্গাপুজোর যে বহর, বাংলা তাতে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। দুর্গতিনাশিনীর কাছে নাড্ডার প্রার্থনা, “মা দুর্গা শক্তিস্বরূপা। শক্তি সমাজের অসুর শক্তি ধ্বংস করে। বাংলার মানুষ দুনিয়া, দেশকে একদিকে যেমন এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেয়, সেই ভূমিতে যা অসুর শক্তি, তার শেষ হোক। ভালো শক্তিকে আরও বলবান করুক। সমাজের মঙ্গল হোক। আমাদের স্লোগান সবকা সাথ সবকা বিকাশকে সামনে রেখে এই রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাক।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: সপ্তমীর পুজোতে আসছেন জে পি নাড্ডা, কোন কোন মণ্ডপে যাবেন জানেন কি?

    JP Nadda: সপ্তমীর পুজোতে আসছেন জে পি নাড্ডা, কোন কোন মণ্ডপে যাবেন জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তমীতে শহরে আসছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডা (JP Nadda)। কলকাতা শহরের বেশ কিছু দুর্গা পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখবেন। সূত্রের খবর, এই বাংলার জামাই শহরের তিনটি পুজোতে বিশেষ ভাবে উপস্থিত থাকবেন। তিনটির মধ্যে দুটি জানা গেছে, যার একটি হাওড়ার উলুবেড়িয়ার দুর্গা পুজো এবং আরেকটি সল্টলেকের বি জে ব্লকের পুজো। তাই বঙ্গ বিজেপির মধ্যে তাঁর আগমনকে ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে।  

    পুজোতে শহরে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি (JP Nadda)

    অমিত শাহের কলকাতা ঘুরে যাওয়ার পর, জে পি নাড্ডার (JP Nadda) কলকাতা আসার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। সামনেই লোকসভার নির্বাচন। ২০১৯ সালের লোকসভার নির্বাচনে এই রাজ্যে বিজেপি ১৮ টি আসনে জয়ী হয়েছিল। এবার বিজেপির সর্ব ভারতীয় নেতা পশ্চিমবঙ্গকে পাখির চোখ করে, বাংলার বিজেপি নেতাদের বিশেষ বার্তা দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে পুজো এবং অপর দিকে কেন্দ্রীয় নেতাদের আগমনকে সামনে রেখে, রাজ্য বিজেপিও জনসংযোগের করে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন, বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

    পুজোর উদ্বোধনে এসেছিলেন অমিত শাহ

    পুজোর দ্বিতীয়ার দিনে কয়েক ঘণ্টার জন্য কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি শিয়ালদার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গা পুজোতে প্রদীপ প্রজ্বলন করে উদ্বোধন করেন। সেই সঙ্গে তিনি বার্তা দিয়ে বলেছিলেন, “২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অয্যোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধন হবে, কিন্তু কলকাতাবাসীরা বাংলায়, দুর্গাপুজোতেই রামমন্দির নির্মাণ করে উদ্বোধন করে ফেলেছেন। সবাইকে অভিনন্দন জানাই। আজকের দিনে কোনও রাজনীতির আলোচনা করবো না। বাংলা, দুর্নীতি থেকে মুক্তি লাভ করুক এটাই মায়ের কাছে কামনা করি।” সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমি বাংলায় বার বার আসবো এবং বাংলার রাজনীতির সমস্যা নিয়ে কথাও বলবো। বাংলার পরিবর্তন হওয়াটা একান্ত প্রয়োজন।” এবার আসবেন বিজেপি সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda) তাই রাজ্য বিজেপির মধ্যে প্রস্তুতির ব্যস্ততা চলছে ব্যাপক ভাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘‘বাংলাকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’’, তোপ জেপি নাড্ডার

    JP Nadda: ‘‘বাংলাকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’’, তোপ জেপি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংগঠনিক বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। এদিন শাখা সংগঠনগুলির এক বৈঠক আয়োজিত হয় কলকাতায়, যার পোশাকি নাম ছিল সংযুক্ত মোর্চা সম্মেলন। সেখানেই মমতার বিরুদ্ধে তোপ দাগেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তার আগে সকালে দক্ষিণশ্বরে তিনি পুজোও দেন।

    মমতাকে তোপ বিজেপি সভাপতির

    জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এদিন বলেন, ‘‘গতকালও বলেছি আজকেও বলছি, কয়েকটি সংবাদপত্রে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন দুর্নীতি কোথায়! আমি জানতে চাই পার্থ চট্টোপাধ্যায় আজ কোথায়? কোথায় আজ অনুব্রত মন্ডলের মেয়ে? তৃণমূলের নেতারা বহু কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত! তবু আপনি প্রমাণ চাইছেন মমতা দিদি?’’
     
     এদিন বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসার কথা উঠে আসে জেপি নাড্ডার ভাষণে (JP Nadda)। তিনি বলেন, ‘‘২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার জন্য ১২ হাজার মামলা দায়ের করা হয়েছে। বহু মানুষ এখনও পর্যন্ত ঘরছাড়া। এমনকি সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত ভোটে যে হিংসা হয়েছে তা সবাই দেখেছে। আর মমতা দিদি আপনি দেশের গণতন্ত্রের কথা বলছেন! আগে আপনি বাংলার দিকে তাকান।’’  

      অন্যদিকে মোদি সরকারের উন্নয়নের গতিকেও রোধ করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমন অভিযোগও তোলেন নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, ‘‘বাংলায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালুতে সরকারিভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সরকার পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২১ লক্ষ পরিবারকে স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনতে চেয়েছিল, আয়ুষ্মান যোজনার মাধ্যমে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাতে বাধা দেয়।’’ জেপি নাড্ডার (JP Nadda) আরও সংযোজন, ‘‘বিগত ৪০-৫০ বছরে বাংলায় কংগ্রেস শাসন হোক বা কমিউনিস্ট শাসন হোক বা তৃণমূল শাসন হোক কেউই বাংলাকে পিছিয়ে নিয়ে যেতে কোনও কিছু বাকি রাখেনি। যে বাংলা বিশ্বকে একসময় পথ দেখিয়েছিল, সেই বাংলা আজ মমতা সরকারের অধীনে এসেছে। দুর্ভাগ্যবশত গত চার পাঁচ দশকে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন হয়নি।’’

     প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে বাংলায় বিজেপি যে ভালো ফল করবে তাও এদিন জেপি নাড্ডার (JP Nadda) ভাষণে উঠে আসে এবং তিনি বলেন, ‘‘সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য আপনারা একটা প্রধান ভূমিকা পালন করতে পারেন। আসুন আমাদের সংগঠনের সংখ্যালঘু এবং আদিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করি। আমি এখানে যে উপস্থিতি এবং উদ্দীপনা দেখছি তাতে আমি নিশ্চিত যে বাংলায় পরিবর্তন খুব তাড়াতাড়ি আসবে।’’ এই সময় সভাগৃহ করতালিতে ফেটে পড়ে, সেটার উল্লেখ করে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, ‘‘করতালির বজ্রধ্বনি বলছে আপনারা অঙ্গীকার নিয়েছেন যে আপনারা দলকে সফল করবেন এবং বাংলায় পদ্ম ফোটাবেন।’’

    সকালে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন নাড্ডা (JP Nadda)

    বিজেপির দু’দিনের পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েতি রাজ পরিষদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবারই রাজ্যে পা রেখেছেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। রবিবার সকালে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপি নেতা। মন্দির থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘এই মন্দির স্বামী বিবেকানন্দের জায়গা, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জায়গা। এখানে এসে দলের মঙ্গল চাইলাম, দেশের ভাল চাইলাম।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘দেশকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে ভগবানের আর্শীবাদ চাইলাম, যাতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নত ভারত গঠিত হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘অষ্টলক্ষ্মী’র সঙ্গে মোদির বৈঠকে হরেক রকম পদ! জানেন কী কী রয়েছে তালিকায়?

    Narendra Modi: ‘অষ্টলক্ষ্মী’র সঙ্গে মোদির বৈঠকে হরেক রকম পদ! জানেন কী কী রয়েছে তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার নয়াদিল্লিতে মণিপুর-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের আটটি রাজ্যের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে ১২ দিন ধরে ধারাবাহিক বৈঠক করে ২০২৪-এর দিশা স্পষ্ট করার যে উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, সেই পর্বেই আজ অসম, মিজোরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা এবং সিকিমের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, কিরেন রিজিজু এবং নীতিন গড়করিরও৷

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট’-এ জোর মোদির

    ৯ বছর আগে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসে মোদি (Narendra Modi) জানিয়েছিলেন, দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সার্বিক উন্নয়নকে তাঁর সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দেবে। তাই ইউপিএ সরকারের দেওয়া ‘লুক ইস্ট’ নাম পরিবর্তন করে ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি ঘোষণা করেছিলেন তিনি৷ উত্তর-পূর্বের আট রাজ্যকে একযোগে ‘অষ্টলক্ষ্মী’ নামও দিয়েছিলেন মোদি৷ উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যগুলি তাদের স্বতন্ত্র সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। এই রাজ্যগুলি তাদের রান্নায় অনন্য স্বাদের জন্য গর্ব করে। তাই এই আটটি রাজ্যের প্রতিনিধিদের জন্য মেন্যুতে থাকছে হরেক বাহার।

    আটটি রাজ্যের হরেক খাবার

    বিজেপি সূত্রে খবর, প্রতিটি রাজ্যের বিশেষত্ব ধরে রেখে খাদ্যতালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি রাজ্যই প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সামনে তাদের বিশেষত্ব তুলে ধরতে চায়। উত্তর-পূর্বের প্রবেশ দ্বার অসমের প্রতিনিধিধিরা ঐতিহ্যবাহী জোহা ভাত, আলু পিটিকা এবং সতেড ঢেকিয়া জাক পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। জোহা চাল হল অসমের একটি বিশেষ চাল। যা এর স্বাদ এবং সুগন্ধের জন্য পরিচিত। আলু পিটাকা হল মূলত সরষের তেল, সবুজ মরিচ, ধনে এবং পেঁয়াজ দিয়ে মাখা আলু সেদ্ধ। ঢেকিয়া জাক, বেহালা ফার্ন নামেও পরিচিত, জনপ্রিয় প্রোটিন-সমৃদ্ধ সবুজ শাক যা রান্না করা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: করোনার নয়া রূপ ‘এরিস’! সংক্রমণের হার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ব্রিটেনে, বঙ্গেও কি ভয়?

    সিকিমের মোমো থেকে মণিপুরের ক্ষীর 

    হিংসায় জর্জরিত মণিপুর। সেখানে শান্তি ফেরাতে মরিয়া সরকার। সেই মণিপুর থেকে সিংজু এবং চক হাও ক্ষীর পরিবেশন করা হবে। সিংজু ছানার গুঁড়ো, লবণ, মরিচ এবং সবুজ শাক দিয়ে তৈরি করা হয়। ক্ষীর হল খাঁটি কালো চালের তৈরি একটি পুডিং, যা মণিপুর থেকে শুধু ভারতের মধ্যেই নয়, সারা বিশ্বে রফতানি করা হয়। নাগাল্যান্ড রাতের খাবারের জন্য তার ঐতিহ্যবাহী সেদ্ধ সবজির কথা বলেছে। মিজোরাম থেকে অতিথিদের পরিবেশন করা হবে পুরুন জুং বাই, বসন্ত পেঁয়াজ সহ কিছু শিকড় দিয়ে তৈরি একটি খাবার। ত্রিপুরা থেকে পাঁচ ফোরোন (প্রথাগত পাঁচ-মশলা পাউডার দিয়ে টেম্পারিং) সহ একটি বাংলা-শৈলীর মিশ্র উদ্ভিজ সবজি পরিবেশন করা হচ্ছে। সিকিম সবসময়ের প্রিয় খাবার মোমো তৈরি করবে। মেঘালয়ের প্লেটে থাকবে ভাজা বীটরুট পাতার রেসিপি। অরুণাচল প্রদেশ থেকে খাইসা ফ্রাই পরিবেশন করা হবে। এটি ভাজা কাঁচা বাঁশের ডালের একটি খাবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: গোয়ায় ইতিহাস বিজেপির, প্রথম মহিলা পদ্ম-প্রার্থী পল্লবীকে চেনেন?

    Lok Sabha Elections 2024: গোয়ায় ইতিহাস বিজেপির, প্রথম মহিলা পদ্ম-প্রার্থী পল্লবীকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরের তীরে ইতিহাস বিজেপির। গোয়ায় প্রথম মহিলা প্রার্থী দিল পদ্ম শিবির। প্রার্থীর নাম পল্লবী ডেম্পো। তিনি ডেম্পো ইন্ডাস্ট্রিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) দক্ষিণ গোয়া কেন্দ্রের পদ্ম প্রার্থী তিনি।

    গোয়ার এই কেন্দ্রে পদ্ম ফুটেছে দু’বার (Lok Sabha Elections 2024)

    বর্তমানে গোয়ার এই কেন্দ্রের রাশ রয়েছে কংগ্রেসের হাতে। সাংসদ ফ্রান্সিসকো সারদিনহার। ১৯৬২ সাল থেকে এই কেন্দ্রে মাত্র দু’বার জিতেছে গেরুয়া শিবির। এই লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে রয়েছে ২০টি বিধানসভা এলাকা। লোকসভার এই আসনটিতে কখনও জয়ী হয়েছে মহারাষ্ট্র গোমান্তক পার্টি, কখনও আবার ইউনাইটেড গোয়ান্স পার্টি। কংগ্রেসও জিতেছে বেশ কয়েকবার। তবে ১৯৯৯ ও ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) আরব সাগরের তীরের এই কেন্দ্রটিতে ফুটেছে পদ্ম। বিজেপির টিকিট পেয়ে যারপরনাই খুশি পল্লবী। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনিও।

    চিনুন পল্লবীকে

    রসায়নে স্নাতক পল্লবীর ঝুলিতে রয়েছে পুণের এমআইটির বিজনেস ম্যানেজমেন্টের স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও। বছর ঊনপঞ্চাশের পল্লবী ডেম্পো ইন্ডাস্ট্রিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। ইন্দো-জার্মান এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট পদেও রয়েছেন তিনি। গোয়া ক্যানসার সোসাইটির ম্যানেজিং কমিটির সদস্যও এই বিজেপি প্রার্থী। পল্লবীর স্বামী শ্রীনিবাস ডেম্পোও একজন নামী শিল্পপতি। গোয়া চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধানও তিনি। মেয়েদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দানের জন্য গ্রামীণ বিদ্যালয় দত্তক কর্মসূচির অধীনে কয়েকটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চালানোর দায়িত্ব নিয়েছে ডেম্পো পরিবার। এহেন পরিবারের সদস্য পল্লবীকেই এবার পদ্ম প্রতীকে বাজি ধরেছে বিজেপি।

    রবিবার রাতে পঞ্চম দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। এতে নাম রয়েছে ১১১টি কেন্দ্রের প্রার্থীর। এই তালিকায়ই রয়েছে পল্লবীর নামও। পল্লবীকে প্রার্থী করায় গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডাকে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের কথা বলেন। গোয়ায় এর হার ৫০ শতাংশ। এবং সেটাও সংরক্ষণ ছাড়াই। এজন্য আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পার্টি প্রেসিডেন্ট জেপি নাড্ডাকে (Lok Sabha Elections 2024)।”

    আরও পড়ুুন: ফের প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, তালিকায় রয়েছেন ‘রাম’, কঙ্গনাও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: ‘‘গণতন্ত্রের সবথেকে বড় উৎসব’’, লোকসভা নির্বাচনকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    Lok Sabha Election 2024: ‘‘গণতন্ত্রের সবথেকে বড় উৎসব’’, লোকসভা নির্বাচনকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, ১৯ এপ্রিল থেকে ১ জুন পর্যান্ত সাত দফায় হবে নির্বাচন।  ভোট ঘোষণার পরই নিজের এক্স হ্যান্ডল থেকে এক গুচ্ছ পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৮ তম লোকসভা নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়ে দেশবাসীকে ভোট উৎসবে মেতে ওঠার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে গত কয়েক বছরে তাঁর সরকার কী কী জনকল্যাণকর কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তাও জানান তিনি। 

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    লোকসভা ভোটের ঘোষণার পর মোদি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “গণতন্ত্রের সবথেকে বড় উৎসব শুরু হয়ে গেল। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ঘোষণা করেছে। বিজেপি-এনডিএ এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য পুরোপুরি তৈরি। ভালো প্রশাসন এবং জনতার সেবার জন্য ৯৬ কোটির বেশি ভোটারের আশীর্বাদ তৃতীয় বারের জন্য আমাদের ক্ষমতায় আনবে।” তাঁর সরকার ৪০০ আসন জিতবে বলে দাবি করে তিনি লিখেছেন, “প্রত্যেক ভারতীয় বুঝতে পারছেন সৎ, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং শক্তিশালী সরকার কত কিছু করতে পারে। আমাদের সরকারের থেকে দেশবাসীর প্রত্যাশাও অনেক বেড়েছে। সে জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে, সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে আওয়াজ উঠছে- এই বার, ৪০০ পার।”

    এর পরই বিরোধীদের আক্রমণ করে তিনি লিখেছেন, “এখন বিরোধীদের না আছে ইস্যু, না আছে দিকনির্দেশ। তাদের একটিই অ্যাজেন্ডা পড়ে রয়েছে- আমাদের হেনস্থা করা এবং ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করা। জনতা এখন পারিবারিক মানসিকতা এবং সমাজে বিভেদের চক্রান্তকে প্রত্যাখ্যান করছে।” নাম না নিয়ে কংগ্রেসকেও আক্রমণ করে মোদি লিখেছেন, “দশকের পর দশক করে যাঁরা দেশকে শাসন করেছে গর্ত তৈরি করেছে। গত ১০ বছরে আমরা সেই গর্ত পূরণ করেছি। এই ১০ বছরে দেশবাসী আরও সমৃদ্ধ এবং আত্মনির্ভর হয়েছে।”

    তৃতীয়বারে এনডিএ সরকার কোন কোন বিষয়ে কাজ করবে, তার ইঙ্গিত দিয়ে মোদি লিখেছেন, “এনডিএ সরকারের তৃতীয় টার্মে গরিবি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরালো হবে। আমরা ভারতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করব। তরুণদের স্বপ্নপূরণের জন্য আমাদের চেষ্টা জারি থাকবে।”

    নাড্ডা-শাহর বার্তা

    নির্বাচন নিয়ে পোস্ট করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘‘আমি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। এই নির্বাচন গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। এই নির্বাচনই সুশাসন এবং উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যম। আমি সারা দেশের মানুষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, আপনারা প্রচুর সংখ্যায় ভোট দিতে আসুন এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের ভিত আরও সুদৃঢ় করুন।’’ 

    এক্সে পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি লিখেছেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই দেশ সুশাসন, নিরাপত্তা এবং সর্ব ক্ষেত্রে সংস্কৃতির পুনর্গঠনের ইতিহাস তৈরি হতে দেখেছে। উন্নয়নের পথে ভারতের এই যাত্রায় শান্তি বজায় রাখতে এমন ব্যক্তিকে ভোট দিন, যিনি দেশের উন্নতির জন্য কাজ করেন। এ বছর এনডিএ জোট ৪০০ আসন পার করার স্লোগান নিয়ে এগিয়েছে। আমার বিশ্বাস, দেশের মানুষ এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে আমাদের সাহায্য করবেন।’’

     

    আরও পড়ুন: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ছ’সাল বাদে এনডিএ জোটে ফিরছেন চন্দ্রবাবু, নেপথ্যে কোন অঙ্ক?

    Lok Sabha Election 2024: ছ’সাল বাদে এনডিএ জোটে ফিরছেন চন্দ্রবাবু, নেপথ্যে কোন অঙ্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএতে ফিরতে চলেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা (Lok Sabha Election 2024) তেলুগু দেশম পার্টি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নায়ডু। ছ’বছর আগে তিনি ছেড়েছিলেন এনডিএ জোট। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দিল্লিতে চন্দ্রবাবু বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে। সেখানেই জোটের বিষয়টি চূড়ান্ত হয় বলে খবর।

    পদ্ম-সঙ্গ ছাড়লেন চন্দ্রবাবু (Lok Sabha Election 2024)

    ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বিজেপির সঙ্গে জোটে ছিলেন চন্দ্রবাবু। সেবারই কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মর্যাদার দাবি তুলে ২০১৮ সালে এনডিএ ছেড়ে দেন টিডিপি সুপ্রিমো। উনিশের লোকসভা ও অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে একাই লড়েছিল চন্দ্রবাবুর দল। জগন্মোহন রেড্ডির দল ওয়াইএসআর কংগ্রেসের কাছে গোহারা হেরে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার খোয়ান টিডিপি সুপ্রিমো।

    সলতে পাকানোর কাজ শুরু 

    ২০২২ সালে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবরের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারের পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করে চন্দ্রবাবুর টিডিপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, চন্দ্রবাবুর বিজেপি জোটে যাওয়ার সলতে পাকানোর কাজটি শুরু হয়ে গিয়েছিল সেই সময় থেকেই। ২০২৩ সালের মে মাসের ‘মন কি বাতে’ টিডিপি প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের নাম নেন প্রধানমন্ত্রী। এই এনটি রামা রাও চন্দ্রবাবুর প্রয়াত শ্বশুর। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন তিনি।

    এনটি রামা রাওয়ের হাত ধরেই এক সময় অন্ধ্রপ্রদেশে পা রেখেছিল বিজেপি। ১৯৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে একটি আসনও জেতে বিজেপি। মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রী এনটি রামা রাওয়ের নাম নিতেই সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, অন্ধ্রপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্ক মাথায় রেখেই ফের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরে ফিরতে চলেছে চন্দ্রবাবুর দল। সম্প্রতি জগন্মোহনের সরকারের বিরুদ্ধে উঠেছে একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ। চন্দ্রবাবুর দলের আশা, বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারলে দুর্নীতিগুলিকে হাতিয়ার করে জোরালো আক্রমণ শানানো যাবে রাজ্যের শাসক দলকে। যার জেরে প্রশস্ত হতে পারে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পথ (Lok Sabha Election 2024)।

    আরও পড়ুুন: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি নিয়ে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে সুকান্ত-শুভেন্দু

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি নিয়ে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে সুকান্ত-শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। শাসকের অত্যাচারে নাভিশ্বাস উঠছে সন্দেশখালির সাধারণ মানুষের। বাধ্য হয়ে পথে নেমেছেন মহিলারা। এবার সন্দেশখালি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করতে দিল্লি যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এমনকী শনিবার সন্ধ্যায় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা করবেন সুকান্ত। 

    সন্দেশখালি নিয়ে কর্মসূচি

    গত কয়েক দিন ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) নিয়ে একের পর এক কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপি সূত্রে খবর, সন্দেশখালির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে খাস কলকাতায় টানা তিন দিন ধর্না কর্মসূচি পালন করার পরিকল্পনাও নিয়েছে দল। আগামী মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত টানা তিন দিন কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে এই ধর্না চলবে। ওই ধর্না কর্মসূচিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু নেতৃত্ব দেবেন বলে জানা গিয়েছে। এর পরে ৬ মার্চ বারাসতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমাবেশে সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতা’ মহিলাদের নিয়ে আসার পরিকল্পনাও রয়েছে।  এরই মধ্যে সন্দেশখালি নিয়ে অভিযোগ জাতীয় স্তরে পৌঁছে দিতে দিল্লি যাচ্ছেন সুকান্ত। 

    আরও পড়ুুন: নেপালে ফের জোরালো হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে দাবিসনদ পেশ জনতার

    সন্দেশখালি নিয়ে কর্মসূচি

    বিজেপি সূত্রে খবর, শনিবার সন্ধ্যায় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা করবেন সুকান্ত। সঙ্ঘ পরিবারের শিক্ষা সংগঠন এবিভিপি শনিবারের সম্মেলনের আয়োজন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভিতরেই শিপ্রা হস্টেলের হলঘরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) নিয়ে বক্তৃতা করবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এরপর, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন সুকান্ত মজুমদার। সন্দেশখালির পরিস্থিতি ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন বাংলা সফর নিয়েও আলোচনা হতে পারে ওই বৈঠকে। ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় নির্বাচিত নাড্ডা, শমীক সহ বিজেপির ২০ প্রার্থী

    Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় নির্বাচিত নাড্ডা, শমীক সহ বিজেপির ২০ প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাজ্যসভার (Rajya Sabha) ৫৬টি আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। ইতিমধ্যে ৪১টি আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। যারমধ্যে ২০ জন প্রার্থী রয়েছেন গেরুয়া শিবিরের। বাকি কংগ্রেসের ৬ জন, তৃণমূল কংগ্রেসের ৪ জন, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ৩ জন, আরজেডি এবং বিজেডি থেকে ২জন এবং এনসিপি, শিবসেনা, বিআরএস এবং জেডিইউ থেকে একজন করে প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) পৌঁছে গেলেন বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও। গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় এলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডাও।

    রাজ্যসভায় শমীক, মঙ্গলবারই নেন শংসাপত্র

    প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার ছিল রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। বিকেল তিনটে নাগাদ মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হয়। এরপরেই বিজেপির প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্য বিধানসভায় আসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা উত্তরবঙ্গের বিধায়ক দীপক বর্মন ও বিধায়ক মনোজ টিগ্গা। রিটার্নিং অফিসারের ঘরে ঢুকে জয়ের শংসাপত্র নেন শমীক। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে রাজ্যে বিরোধী দল হয় বিজেপি। এটা নিয়ে গেরুয়া শিবিরের ২ জন গেলেন রাজ্যসভায় (Rajya Sabha)। এর আগে রাজ্য থেকে অনন্ত মহারাজকে রাজ্যসভার মনোনয়ন দিয়েছিল বিজেপি। রিটার্নিং অফিসারের ঘর থেকে বেরিয়ে শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, “আমি রাজ্যের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা আমাদের দলকে এতটা শক্তি দিয়েছে যে, এ রাজ্য থেকে বিজেপি নিজেদের রাজ্যসভার সাংসদ পাঠাতে পারছে। এ ছাড়াও আমার দল ও দলের বিধায়কদের ধন্যবাদ জানাব, আমাকে মনোনীত করা ও সমর্থন জানানোর জন্য।”

    গুজরাট থেকে জয়ী জেপি নাড্ডা

    গুজরাট থেকে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পৌঁছলেন রাজ্যসভায় (Rajya Sabha)। তিনি ছাড়াও যশোবন্ত সিং পারমার, মায়াঙ্ক নায়ক এবং গোবিন্দভাই ঢোলাকিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। রাজস্থান থেকে বিজেপির চুন্নিলাল গারাসিয়া এবং মদন রাঠোর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র থেকে, বিজেপির মেধা কুলকার্নি এবং অজিত ঘোপচাড়ে, শিবসেনার মিলিন্দ দেওরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। উত্তরাখণ্ড থেকে বিজেপি প্রার্থী মহেন্দ্র ভাট, হরিয়ানার সুভাষ বারালা, ছত্তিসগড় থেকে দেবেন্দ্র প্রতাপ সিং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। প্রসঙ্গত বর্তমানে উচ্চকক্ষে বিজেপির ৯৩ জন সাংসদ রয়েছেন যেখানে কংগ্রেসের রয়েছেন ৩০ জন। রাজ্যসভার (Rajya Sabha) সাংসদরা ৬ বছরের জন্য নির্বাচিত হন এবং এটি একটি স্থায়ী সভা যা কখনও ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। প্রতি দু বছরে এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর গ্রহণ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: সংবিধান সংশোধন বিজেপির, জরুরি অবস্থায় দলের সভাপতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংসদীয় বোর্ড

    BJP: সংবিধান সংশোধন বিজেপির, জরুরি অবস্থায় দলের সভাপতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংসদীয় বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) সাংগঠনিক বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল গেরুয়া শিবির। রবিবারই দলের সংবিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে। লোকসভা নির্বাচন বা যে কোনও ধরনের ‘জরুরি পরিস্থিতিতে’ দলের সভাপতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুদায়িত্ব এবার দেওয়া হল বিজেপির সংসদীয় বোর্ডকে। দলের সভাপতির মেয়াদ বৃদ্ধির মতো সিদ্ধান্তও এবার থেকে নিতে পারবে বিজেপির সংসদীয় বোর্ড। উল্লেখ্য, বিজেপিতে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ইউনিট হল এই সংসদীয় বোর্ড। এদিন বিজেপির সংবিধান সংশোধনটি আনেন দলের সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল।

    মেয়াদ বৃদ্ধি জেপি নাড্ডার

    প্রসঙ্গত, বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে জেপি নাড্ডার মেয়াদ আগামী জুন মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে বিজেপির জাতীয় কাউন্সিলের বৈঠকে। আগামী জুন মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে তাঁর মেয়াদ। অর্থাৎ, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জেপি নাড্ডার নেতৃত্বেই লড়াই চালাবে। দলের জাতীয় কাউন্সিল সেই মেয়াদ বৃদ্ধিতে সিলমোহর দিয়েছে। এরই পাশাপাশি জেপি নাড্ডাকে স্বাধীনভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, সামনেই লোকসভা নির্বাচন। নাড্ডাতেই আপাতত ভরসা বজায় রাখলেন মোদি-শাহরা।

    সংবিধান সংশোধন করার পথে হাঁটল বিজেপি

    উল্লেখ্য, গেরুয়া শিবিরের (BJP) দলীয় সংবিধান অনুযায়ী, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে বেছে নেওয়া হয় সাংগঠনিক নির্বাচনের মাধ্যমে। রাজ্য সংগঠনগুলির মধ্যে অন্তত ৫০ শতাংশ ইউনিটের নির্বাচন সংগঠিত হওয়ার পরে জাতীয় সভাপতি বেছে নেওয়ার নির্বাচন করা হয়। এদিকে রাজ্য ইউনিটগুলির ওপর দায়িত্ব থাকে যাতে জেলা স্তরে সাগঠনিক নির্বাচন সংগঠিত হয়। তবে লোকসভা ভোটের আগে দলের অভ্যন্তরে সাংগঠনিক নির্বাচন করাল না বিজেপি। কারণ এই সময় প্রচারের কাজে বেশি ব্যস্ত থাকবেন নেতা-কর্মীরা। তাই সংবিধান সংশোধন করার পথে হাঁটল বিজেপি। 

    বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে রবিবার বিজেপি (BJP) শাসিত সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাজির ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলকে ৩৭০টি আসনে জেতানোর লক্ষ্যে রূপরেখা তৈরির পরিকল্পনা করা হয় সেই বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share