Tag: JP Nadda

JP Nadda

  • JP Nadda: লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে মেয়াদ বাড়ল নাড্ডার

    JP Nadda: লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে মেয়াদ বাড়ল নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়াদ বাড়ল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (JP Nadda)। দিল্লিতে রবিবারই শেষ হয়েছে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় অধিবেশন। গতকালই সর্বভারতীয় মঞ্চ থেকে সারা দেশব্যাপী নেতা-কর্মীদের সামনে এমন ঘোষণা করেন দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী জুন মাস পর্যন্ত দলের সর্বভারতীয় সভাপতি থাকছেন নাড্ডা। এক কথায় নাড্ডার (JP Nadda) পারফরম্যান্স যথেষ্ঠ সন্তোষজনক। দেশের একাধিক জায়গায় বিজেপির উল্লেখযোগ্য বিস্তার হয়েছে তাঁর আমলে। লোকসভা ভোট যে নাড্ডার সভাপতিত্বে বিজেপি লড়বে, তা অমিত শাহের ঘোষণাতেই স্পষ্ট হয়ে উঠল এদিন। প্রসঙ্গত, রবিবার দলের জাতীয় কাউন্সিলের বৈঠকে জেপি নাড্ডার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করানো হয়েছে।

    নাড্ডার ভূয়সী প্রশংসা শাহের মুখে

    এদিনের সভামঞ্চে অমিত শাহ দাবি করেন, জেপি নাড্ডা (JP Nadda) সর্বভারতীয় পদে আসার পর বিজেপির রাজনৈতিকভাবে অনেক উন্নতি হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘বিহারে ভাল ফল করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি, মহারাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সব বিষয়ে নাড্ডার ভূমিকা অনস্বীকার্য। আগামী দিনে তাঁর কাজ দলকে আরও উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেবে।’’ শাহের আরও সংযোজন, ‘‘আগামী জুন মাস পর্যন্ত পদে তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’

    অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পরে, বিজেপি সভাপতি হন নাড্ডা

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জেতার পর যখন অমিত শাহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে শপথ নেন তখন দলের সর্বভারতীয় সভাপতির পদে আসেন জেপি নাড্ডা। দল তাঁর উপর আস্থা রাখায়, খুশি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। এদিন সঠিক পথে দলকে পরিচালনার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এরই পাশাপাশি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে বুথ স্তরের কর্মীদের কাছ থেকে সহযোগিতাও চেয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি আগামী লোকসভা ভোটে এনডিএ জোট ৪০০ আসন জিতবে বলে জানিয়েছেন নাড্ডা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: “আগামী নির্বাচনে বাংলায় আমরাই ক্ষমতায় আসব”, প্রত্যয়ী নাড্ডা

    JP Nadda: “আগামী নির্বাচনে বাংলায় আমরাই ক্ষমতায় আসব”, প্রত্যয়ী নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় বিজেপির ভোট ছিল ১০ শতাংশ, আসন ছিল তিনটি। বর্তমানে সেটা বেড়ে হয়েছে ৩৮.৫ শতাংশ, আসন হয়েছে ৭৭টি। আগামী নির্বাচনে আমরাই ক্ষমতায় আসব।” শনিবার বিজেপির দু’ দিন ব্যাপী কনভেনশনে কথাগুলি বললেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, “২০১৪ সালে বিজেপি পাঁচটি রাজ্যে রাজ করত। আর বর্তমানে দেশের ১২টি রাজ্যের কুর্সিতে রয়েছে পদ্ম-পার্টি। ১৭টি রাজ্যে রয়েছে এনডিএ।”

    ঠিক কী বললেন নাড্ডা?

    নাড্ডা বলেন, “তিরিশ বছর পরে ২০১৪ সালে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে একটি দল। ঠিক পাঁচ বছর পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ফের ক্ষমতায় আসে সরকার।” তিনি বলেন, “এখন আমরা গর্বের সঙ্গে অধিবেশনকে মহা অধিবেশন বলতে পারি। দলীয় নেতা-কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমেই এটা সম্ভব হয়েছে। গত সাত দশক ধরে ভারতীয় জনসঙ্ঘ এবং ভারতীয় জনতা পার্টি অনেক কিছু দেখেছে। আমরা লড়াইয়ের পর্ব দেখেছি, আমরা উপেক্ষা পর্বের সাক্ষী হয়েছি। আমরা জরুরি অবস্থা দেখেছি। নির্বাচনে বিজয় এবং হারের পর্বেরও সাক্ষী হয়েছি।”

    মোদির আমলে শুধুই প্রাপ্তি!

    তিনি (JP Nadda) বলেন, “তবে গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমাদের শুধুই প্রাপ্তি হয়েছে। ২০২৪ সালে বিজেপির জাতীয় কনভেনশনের সাক্ষী আমরা যারা হয়েছি, তারা ভাগ্যবান। অতীতে বিজেপির জয়ের সাক্ষী আমরা হয়েছি। আবারও জয়ের সাক্ষী হব। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের স্বপ্নও পূরণ হয়েছে।” বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। কারণ তাঁরই নেতৃত্বে রাজনীতিতে একটা নয়া গতি এসেছে। গতি এসেছে পার্টিতে, সমাজে। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় বর্তমানে ৮০ কোটি মানুষ সুবিধা পাচ্ছেন।”

    নাড্ডা বলেন, “গত দশ বছরে মোদি সরকার প্রায় ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্রসীমার ওপরে নিয়ে এসেছে। স্বাস্থ্য, পরিকাঠামো, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান সব ক্ষেত্রেই প্রতিটি ভারতবাসীর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।” তিনি (JP Nadda) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে।”

    আরও পড়ুুন: রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার, পড়ে রয়েছে গণেশ মূর্তি, হুগলির শিশু খুনের নেপথ্যে কে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024:  লোকসভা ভোটের লক্ষ্যে দিল্লিতে শুরু বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক

    Loksabha Election 2024: লোকসভা ভোটের লক্ষ্যে দিল্লিতে শুরু বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্য লোকসভা নির্বাচন ২০২৪। আজ শনিবার থেকে দিল্লিতে শুরু হচ্ছে বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির অধিবেশন। দু দিন ধরে চলবে সেই অধিবেশন। গোটা দেশের প্রায় ১১৫০০ প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকের শুরুতেই ভাষণ দেবেন জে পি নাড্ডা আর রবিবার সমাপ্তি বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ন্যাশনাল কাউন্সিলের সব সদস্য, গোটা দেশের সব জেলার বিজেপি সভাপতি, লোকসভার কনভেনার, ফিনান্স কমিটি, মিডিয়া সেলের কনভেনার, আইটি সেলের কর্মী- সহ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা।

    বাংলাকে গুরুত্ব

    সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সব রাজ্যে বিজিপির মাটি শক্ত করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। লোকসভা ভোট নিয়ে রণকৌশল চূড়ান্ত করা হতে পারে এই বৈঠকে। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে হবে এই বৈঠক। বৈঠকে উঠে আসতে পারে সন্দেশখালি-সহ বাংলার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ। বৈঠকে থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি রাজ্য সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। থাকবেন বাংলার সাংসদ ও বিধায়কেরাও। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ভাল ফল করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। বাংলায় শাসকের অরাজকতা দূর করার জন্য সবরকম প্রয়াস চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    লোকসভায় ৩৭০ আসন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি সংসদে ঘোষণা করেছিলেন যে ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজেপি ৩৭০ টি আসন জিতবে এবং এনডিএ ৪০০টি আসন পাবে। তাই নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠকে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের জন্য দলীয় নেতা ও কর্মীদের একটি রোডম্যাপ প্রদান করা হবে বলে অনুমান রাজনীতিকদের। বিজেপি সূত্রের খবর, দু’দিনের অধিবেশনে দু’টি রেজোলিউশন পাস করা হবে। রেজোলিউশনের প্রথমটি হতে পারে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে। আর দ্বিতীয়টি হতে পারে দেশের আর্থিক পরিস্থিতিতে বিজেপির অবস্থান প্রসঙ্গে। সে ক্ষেত্রে সংসদে পেশ হওয়া ইউপিএ জামানার আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে শ্বেতপত্রের উপর জোর দেওয়া হবে। এছাড়াও আলোচনা হতে পারে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ফের রাজ্যসভায় নির্বাচিত হতে চলেছেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট রয়েছে রাজ্যসভায়। এর আগে বেশ কয়েকটি রাজ্যের রাজ্যসভায় প্রার্থী তালিকা সামনে এলেও গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের প্রার্থা তালিকা বুধবারই ঘোষণা করে গেরুয়া শিবির। সম্প্রতি, কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চহ্বাণ। তাঁকেও রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া ব্রিগেড। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অশোক চহ্বাণ বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য তার নমিনেশন পত্র জমা দেওয়ার জন্য মাত্র দু’দিন সময় হাতে ছিল। তাই মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আঞ্চলিক কার্যালয়ে আসেন। সেখানে উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ এবং রাজ্য সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলের উপস্থিতিতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।

    কোন রাজ্যে কে প্রার্থী হলেন? 

    বর্তমানে হিমাচল প্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য রয়েছেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। এবার গুজরাট থেকে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল দল। বুধবার বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মহারাষ্ট্র থেকে অশোক চহ্বাণ ছাড়া রয়েছেন মেধা কুলকার্নি এবং ডাঃ অজিত গোপছাদে। এবং গুজরাটের তিনজন প্রার্থী হলেন গোবিন্দভাই ধোলাকিয়া, মায়াঙ্কভাই নায়ক এবং ডাঃ যশবন্তসিংহ পারমার। বর্তমানে রেলমন্ত্রী থাকা অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ফের ওড়িশা থেকেই রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ থেকে দল রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে শমীক ভট্টাচার্যকে।

    ১৯৯৩ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন নাড্ডা

    বর্তমান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিমাচল প্রদেশ থেকে তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত। হিমাচল প্রদেশের সরকারে ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী (JP Nadda)। ২০১৪ সালে, তিনি প্রথমবারের মতো রাজ্যসভার সাংসদ হন। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত নাড্ডা কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন নাড্ডার, রিপোর্ট জমা পড়বে কেন্দ্রের কাছে

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন নাড্ডার, রিপোর্ট জমা পড়বে কেন্দ্রের কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) এবার উচ্চপর্যায়ের ছয় সদস্যের দলীয় কমিটি তৈরি করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সন্দেশখালির ঘটনায় মহিলাদের উপর যে অত্যাচার চলেছে এবার সেই বিষয় পূর্ণাঙ্গভাবে দলীয় তদন্ত করবে এই কমিটি। এর পাশাপাশি রাজ্যের আইন ও শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা৷ সন্দেশখালি নিয়ে ক্রমশ চড়ছে পারদ। তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহান এখনও ইডির হাত থেকে বাঁচতে ফেরার। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, বঞ্চনার বহিঃপ্রকাশ বিগত কয়েকদিন ধরেই দেখা গিয়েছে সেখানে। হাজার হাজার মহিলা লাঠি-ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদে নেমেছেন। সন্দেশখালির সমর্থনে আন্দোলনের তেজ বাড়িয়েছে রাজ্য বিজেপি। এরই মধ্যে সামনে দলীয়স্তরে বিজেপির তদন্ত কমিটি।

    কমিটিতে কারা রয়েছেন?

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) মহিলাদের উপর যে অত্যাচার করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা করেন নাড্ডা। মহিলাদের উপর অত্যাচারকে তিনি ‘হৃদয় বিদারক’ বলেও উল্লেখ করেন৷ ছয় সদস্যের এই দল সন্দেশখালি গিয়ে পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করবে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তে যে রিপোর্ট উঠে আসবে তা কেন্দ্রকে জমা দেওয়া হবে৷ এই উচ্চস্তরীয় কমিটিতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, সাংসদ সুনীতা দুগ্গাল, সাংসদ কবিতা পাতিদার, সাংসদ সঙ্গীতা যাদব এবং উত্তরপ্রদেশের রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজ লাল। তবে ঠিক কবে এই কমিটির সদস্যরা রাজ্যে আসবেন, তা এখনও জানা যায়নি৷ সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার নিয়ে বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডা বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার বোবা, সব দেখছে৷ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনাক্রমে মহিলাদের উপর যে অত্যাচারের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ভেঙে পড়েছে৷’’

    সন্দেশখালিকাণ্ডে কেন্দ্রকে রিপোর্ট রাজ্যপালের

    সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট জমা দিলেন রাজ্যপাল। এর পাশাপাশি মমতা সরকারের উদ্দেশে একগুচ্ছ পরামর্শও দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মূল অভিযুক্ত ও তাঁর শাগরেদদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে বলেছেন তিনি। সন্দেশখালির ঘটনা খতিয়ে দেখতে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও কথাও বিবেচনা করে দেখার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। সন্দেশখালিকাণ্ডে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের বিষয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্টও তলব করেছেন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ফেব্রুয়ারিতেই রাজ্যে শাহ-নাড্ডার সফর! বেঁধে দেবেন লোকসভা ভোটের প্রচারের সুর

    Amit Shah: ফেব্রুয়ারিতেই রাজ্যে শাহ-নাড্ডার সফর! বেঁধে দেবেন লোকসভা ভোটের প্রচারের সুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ জানুয়ারি কলকাতায় পা রাখার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। কিন্তু শেষমেশ সফর বাতিল হয়ে যায়। সূত্রের খবর, চলতি মাসেই ফের রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতেই তাঁদের এই সফর, এমনটাই জানা গিয়েছে বিজেপি সূত্রে। তবে দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। গত নভেম্বরের ২৯ তারিখ কলকাতার ধর্মতলায় সভা করেছিলেন শাহ। এরপর ফের ডিসেম্বেরের ২৫ তারিখ রাজ্যে আসেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা। তারপর ফের বিজেপির দুই শীর্ষ নেতার পা পড়তে চলেছে ফেব্রুয়ারি মাসেই।

    বিজেপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি

    দিল্লিতে বিজেপির দুইদিনের রাষ্ট্রীয় অধিবেশন রয়েছে চলতি মাসেই। আগামী ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বসবে বিজেপির রাষ্ট্রীয় অধিবেশন। সেখানে রাজ্য বিজেপির সব নেতা পদাধিকারী, সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রাক্তনদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তারপরেই এই সফর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে রাজ্যে বর্তমানে বোর্ডের পরীক্ষা চলছে। সেক্ষেত্রে ইনডোর সভা হবে বলে জানা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের সঙ্গে বৈঠকও করতে পারেন শাহ (Amit Shah)। হবে কর্মিসভাও। প্রসঙ্গত, রাজ্যের বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হবে ২ এপ্রিল। তাই তারপরেই জনসভা বা প্রকাশ্যে মিটিং করা যাবে।

    বিজেপির সাংগঠনিক ভাগ

    রাজ্যে লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। ৪২টি আসনকে বিজেপি ভাগ করেছে ১১টি ক্লাস্টারে। ১০টি ক্লাস্টার চারটি করে লোকসভা আসন নিয়ে। আর একটিতে দু’টি আসন রয়েছে সেটি মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, ১০টি ক্লাস্টারেই শাহ অথবা নাড্ডার কর্মসূচি থাকবে। ভোটপ্রচারে নামার আগে এগুলিতে রণনীতি তৈরি করবেন অমিত শাহরা (Amit Shah)। একারণে, কোথাও কর্মিসভা, কোথাও নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক, কোথাও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে বৈঠক হবে। শাহ-নাড্ডার এই সফর বিজেপি কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট, ইলেকশন ইন-চার্জ ঘোষণা নাড্ডার, বাংলার দায়িত্বে কে?

    Lok Sabha Elections 2024: দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট, ইলেকশন ইন-চার্জ ঘোষণা নাড্ডার, বাংলার দায়িত্বে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ-এপ্রিলে হওয়ার কথা লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। বিরোধী শিবিরে ছন্নছাড়া দশা। ঘেঁটে ঘ ‘ইন্ডি’ জোট। উল্টো দিকে আস্তিন গুটিয়ে নির্বাচনী ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। সংগঠনকে শক্তিশালী করে আরও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রে ফিরতে চাইছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।

    ইলেকশন ইন-চার্জ

    এমতাবস্থায় দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ইলেকশন ইন-চার্জদের নাম ঘোষণা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। দলের ইলেকশন মেশিনারিকে সচল রাখতে এবং সমন্বিত পদ্ধতি নিশ্চিত করতেই দেশজুড়ে ইনচার্জদের নাম ঘোষণা করল পদ্মশিবির। বিভিন্ন রাজ্যে প্রচারের অভিমুখ ঠিক করবেন এই ইনচার্জরা। অভিজ্ঞতা, রাজ্যের সংগঠন সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান এবং কৌশলগত ক্ষমতার নিরিখে বেছে নেওয়া হয়েছে ইনচার্জদের। বাংলার তিন ইনচার্জ হলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য, বিহার বিজেপির দক্ষ নেতা মঙ্গল পাণ্ডে এবং রাঁচির মেয়র আশা লাকড়া। গত লোকসভা নির্বাচনে বাংলার দায়িত্বে ছিলেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। সেবার মোট ৪২টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে পদ্ম ফোটান বিজয়বর্গীয়। এবার বাংলায় ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ২০১৩-২০১৭ সাল পর্যন্ত বিহার বিজেপির সভাপতি ছিলেন মঙ্গল পাণ্ডে। নীতীশের মন্ত্রিসভায় ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ঝাড়খণ্ডে আদিবাসীদের পরিচিত মুখ আশা লাকড়া। রাজনৈতিক মহলের মতে, জঙ্গলমহলের মতো আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় পদ্ম ফোটাতে আশাকে ইনচার্জ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে বাংলায় বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত হয়েছিলেন এই তিনজন। 

    ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ

    যাঁদের (Lok Sabha Elections 2024) ইনচার্জ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে, তাঁদের দক্ষতার ওপর ভরসা করেছেন নাড্ডা। তাঁদের সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ইলেকশন ম্যানেজমেন্টও প্রমাণিত হয়েছে অতীতে বহুবার। আসন্ন নির্বাচনে জয়ের ক্ষেত্রে যে সমন্বয়ের প্রয়োজন, তার ওপর জোর দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। ইলেকশন ইনচার্জরা দক্ষ রাজনীতিক। তৃণমূল স্তর থেকে উঠে আসা নেতা। বিভিন্ন রাজ্যে তাঁরা দলীয় সংগঠন মজবুত করতে দক্ষ। তৃণমূল স্তরে ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়াতেও এঁরা দক্ষ।

    আরও পড়ুুন: ভিড়ের নিরিখে ভ্যাটিকান সিটি এবং মক্কাকেও ছাপিয়ে যাবে অযোধ্যা!

    মাসখানেক আগেই দলের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লির দলীয় দফতরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন অন্তত ৪০০ আসনে জিতে ফিরতে হবে কেন্দ্রে। প্রধানমন্ত্রীর সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই উঠেপড়ে লেগেছেন গেরুয়া পার্টির সেনানীরা। বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধীদের মুখের (Lok Sabha Elections 2024) মতো জবাব দিতে যখন প্রস্তুত হচ্ছে দল, সেই সময়ই নাম ঘোষণা করে দেওয়া হল ইনচার্জদের। আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে যা যা করা প্রয়োজন, তা-ই করে চলেছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা।

    দল যে নির্মল ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, দলীয় কর্মীদের তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন নাড্ডা। জন-কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার নির্দেশও পদ্ম-কর্মীদের দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। জাতি গঠনেও দলীয় কর্মীদের কাজ করে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইলেকশন ইনচার্জদের জনগণের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো, তাঁদের সমস্যার কথা শোনা এবং পার্টির দৃষ্টিভঙ্গী তাঁদের কাছে তুলে ধরার নিদানও দেওয়া হয়েছে ইলেকশন ইনচার্জদের (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: লোকসভার ঢাকে কাঠি! কেন দেশের মানুষ মোদিকে পছন্দ করেন? নয়া থিম সং বিজেপির

    PM Modi: লোকসভার ঢাকে কাঠি! কেন দেশের মানুষ মোদিকে পছন্দ করেন? নয়া থিম সং বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। আজ ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ঠিক এই আবহে বৃহস্পতিবারই বিজেপির তরফে একটি গান প্রকাশ করা হল। গানের নির্যাস, ‘‘কেন জনগণ প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে পছন্দ করেন এবং তাঁকে বারবার নির্বাচিত করেন?’’ ২ মিনিট ১০ সেকেন্ডের এই গানটির নামও দেওয়া হয়েছে ‘তাবহি তো সব মোদি কো চুনতে হ্যায়’। গানের মধ্যেই রয়েছে ‘স্বপ্নে নেহি হকিকত বুনতে হ্যায়, ইস লিয়ে তো সব মোদি (PM Modi) কো চুনতে হ্যায়’ এই নতুন স্লোগানও।

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা লঞ্চ করেন এই গান

    বৃহস্পতিবার এই স্লোগানটি আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা, ২৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভা এবং একইসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপির থিম সং এর লঞ্চ হওয়াতেই লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করে দিল গেরুয়া শিবির। গোটা মিউজিক ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে কিভাবে প্রধানমন্ত্রী কোটি কোটি ভারতীয় স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করেছেন। প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছে রাম মন্দিরের। মিলেছে ৫০০ বছরের সংঘর্ষের সাফল্য। রাম মন্দিরের স্বপ্ন রূপ পেয়েছে বাস্তবে, একইভাবে দেশের কয়েক কোটি মানুষের পাকা বাড়ির স্বপ্ন পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রান্নার গ্যাসও বাড়ি বাড়ি সাপ্লাই দিয়েছেন তিনি। ভারত বিশ্বের পঞ্চম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ বিগত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের উন্নয়নের মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। এরই প্রতিফলন দেখা গেল বিজেপির ওই থিম সং-এ।

     

    বন্দে ভারত থেকে চন্দ্রযান, সবকিছুই রয়েছে এই থিম সং-এ

    গানটি শুরুতেই বর্ণনা করা হয়েছে কংগ্রেস আমলে দেশের কী বেহাল অবস্থা হয়েছিল। কীভাবে উন্নয়নের গতি থমকে গিয়েছিল। এরপরেই দেশবাসী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) নির্বাচিত করেন। বাড়ি, বিদ্যুৎ, জল, গ্যাসের সংযোগ, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থানের মতো যাবতীয় প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী পূরণ করেছেন। আত্মপ্রচারের বদলে প্রধানমন্ত্রী যে কাজকেই প্রাধান্য দেন সে কথা বলা হয়েছে ওই গানে। এবং বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্র নেতারাও তাঁর কথা শোনেন, তারও উল্লেখ করা হয়েছে ওই গানে। দ্রুতগতির বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এর পরিষেবা থেকে শুরু করে চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যও স্থান পেয়েছে গানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: থাকবেন শাহ-নাড্ডা, রাম মন্দির উদ্বোধন নিয়ে মঙ্গলে বৈঠকে বসছে বিজেপি

    Ram Mandir: থাকবেন শাহ-নাড্ডা, রাম মন্দির উদ্বোধন নিয়ে মঙ্গলে বৈঠকে বসছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) বিগ্রহের। তার আগে মঙ্গলবার এনিয়ে বৈঠকে বসছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং প্রতিটি রাজ্যের দলের দুই কর্মকর্তা।

    বিজেপির বৈঠক

    এ বছরই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাম মন্দির উদ্বোধনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখতেই বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব। নির্বাচনী প্রচারে কীভাবে একে হাতিয়ার করা হবে, তা নিয়েও হবে আলোচনা। রাম মন্দির আন্দোলন ও মন্দির নির্মাণে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করা হবে। নতুন ভোটারদের সঙ্গে পরিচয় করতে বুথস্তরের কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে পদ্ম-পার্টি। মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে কীভাবে বিরোধী দলগুলি পদে পদে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, তাও তুলে ধরা হবে ভোটারদের কাছে। রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে আরএসএস এবং বিশ্বহিন্দু পরিষদ যেসব কর্মসূচি হাতে নেবে, সেগুলিতে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলীয় কর্মীদের।

    মন্দির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, মন্দিরের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে হবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা। অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের ৭ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তিকে। এর মধ্যে ৩ হাজার জনই ভিভিআইপি। জানা গিয়েছে, রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে ‘ঘর ঘর যাত্রা’ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। প্রতি ঘরে রামের মহিমা পৌঁছে দেওয়া হবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে। বিজেপি নেতারা রামের ছবি নিয়েও ঘুরবেন দুয়ারে দুয়ারে।

    আরও পড়ুুন: কনভয়ে বিস্ফোরণ, নিহত জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার!

    বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই রাম মন্দির দেশের পরিচয় এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সেটি পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।” অযোধ্যায় যেদিন রাম মন্দির উদ্বোধন হবে, সেদিন বাংলার ঘরে ঘরেও জ্বলবে প্রদীপ। গ্রামে-গঞ্জে যত মন্দির রয়েছে, সেখানে ছোট করে হলেও, উৎসব করতে বলা হয়েছে বিজেপি কর্মীদের। সর্বত্র বড় পর্দায় অযোধ্যার (Ram Mandir) অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যগুলির নেতাদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JP Nadda: “অবিচার দূর করার চেষ্টা না করে ন্যায়যাত্রা করছে”, কংগ্রেসকে কটাক্ষ নাড্ডার

    JP Nadda: “অবিচার দূর করার চেষ্টা না করে ন্যায়যাত্রা করছে”, কংগ্রেসকে কটাক্ষ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত জোড় যাত্রা’র পর এবার ‘ন্যায়যাত্রা’য় বেরিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাকে নিশানা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। রবিবার তিনি বলেন, “সমাজের অবিচার দূর করতে কোনও চেষ্টা যারা করে না, তারা এখন ন্যায়যাত্রার আয়োজন করছেন।” উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে নাড্ডা ইন্ডি জোটকেও একহাত নিয়েছেন।

    ইন্ডি জোটকে নিশানা 

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, তখন এই জোট দেশকে পিছন দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।” নাড্ডা এদিন যোগ দিয়েছিলেন বিজেপির ‘ভিকসিট ভারত সংকল্প যাত্রা’ কর্মসূচিতে। লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশবাসীকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পগুলি সম্পর্কে অবহিত করতেই পদ্ম-শিবিরের তরফে আয়োজন করা হয়েছে এই যাত্রার। মহিলাদের জন্য হাফ-ম্যারাথন দৌড়ের সূচনাও করেন নাড্ডা।

    আক্রমণ কংগ্রেসকে 

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “যেসব লোক ভারত ভাগ রুখতে কোনও চেষ্টা করেনি এত বছর দেশ শাসন করেও, তারাই পথে নেমেছিল ভারত জোড় যাত্রা করতে। সমাজে ঘটে যাওয়া নানা অবিচারের প্রতিকার করার চেষ্টা যারা করেনি, তারাই এখন ন্যায় যাত্রায় বেরিয়েছে। সেই সব মানুষ যারা পরিবারের বাইরে কিছু ভাবতেই পারেনি, তারাই আজ দেশের কথা বলছে।”

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই কংগ্রেসের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত ন্যায় যাত্রা হবে। মণিপুর থেকে মুম্বই পর্যন্ত যাত্রা করবেন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। এই যাত্রায় ১৪টি রাজ্য কভার করা হবে। পূর্ব থেকে পশ্চিমের ৮৫টি জেলা কভার করা হবে ৬৭ দিনে। ১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে যাত্রা। আগামী বছর মাঝ-এপ্রিলে হওয়ার কথা লোকসভা নির্বাচন। তার (JP Nadda) আগেই ভারত ন্যায় যাত্রা শেষ করে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস। জানা গিয়েছে, ভারত ন্যায় যাত্রায় কভার করা হবে ৬ হাজার ২০০ কিমি রাস্তা। দেশবাসীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিচারের দাবিতে ওই যাত্রা হবে।

    আরও পড়ুুন: “আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ভারত, নতুন বছরেও যেন থাকে”, ‘মন কি বাতে’ বললেন মোদি

    বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল গঠন করেছে ইন্ডি জোট। এই জোটে রয়েছে কংগ্রেসও। এদিন তাকেও একহাত নিয়েছেন নাড্ডা। নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, “এক দিকে, আমাদের রয়েছেন মোদিজি। যিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আর অন্যদিকে, আমাদের আছে ইন্ডি জোট। যারা দেশকে উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে দিতে চাইছে। তারা দেশকে টেনে নীচে নামাতে চাইছে। আর আমরা মোদিজির নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share