Tag: JP Nadda

JP Nadda

  • Election 2024: শৃঙ্খলা কাম্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পথে নেমে কাজ করার বার্তা বিজেপি কর্মীদের

    Election 2024: শৃঙ্খলা কাম্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পথে নেমে কাজ করার বার্তা বিজেপি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় অনুশাসন না মানলে অনুপম হাজরার মতোই পরিণতিও হবে। বর্ধিত রাজ্য কমিটির বৈঠকে দলের নেতাদের এই বার্তাই দিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Election 2024) রাজ্য থেকে ৩৫টি আসন লাভের জন্য একশো দিনের বিশেষ কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করল রাজ্য নেতৃত্ব।

    মাঠে নেমে কাজ

    অমিত শাহ, জে পি নাড্ডাদের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে কীভাবে এগোবে দল, বুধবারের রাজ্য কমিটির বৈঠকে (Bengal BJP) তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ঘরে বসে না থেকে লোকসভায় রাজ্যে কাঙ্খিত আসন সংখ্যা জিততে ১ জানুয়ারি থেকে আগামী একশো দিন মাঠে নেমে কর্মীদের কাজ করার নির্দেশই দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপি-র শীর্ষ নেতারা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অমিতাভ চক্রবর্তী, এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা সহ পদ্ম শিবিরের অন্যান্য পদাধিকারীরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। 

    ছুটি বাতিল

    বুধবার সন্ধ্যায় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর)-এ হওয়া বিজেপির বৈঠকে রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে বলেন, ‘‘এখন যাঁদের যা ছুটি নেওয়ার রয়েছে নিয়ে নিন। আগামী ১ জানুয়ারি নতুন বছরের প্রথম দিন পর্যন্ত ছুটি পাওয়া যাবে। পরের দিন ২ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে একেবারে ভোটগণনা পর্যন্ত কেউ কোনও রকম ছুটি নিতে পারবেন না।’’ বিজেপি সূত্রের খবর, কোনও রকম আত্মতুষ্টিতে যেন না ভোগেন নেতারা সে বিষয়েও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব। সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আদি বিজেপি নেতাকর্মীদের সঙ্গেও সমন্বয় রেখে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘উন্নয়নের টাকায় মোচ্ছব করছে তৃণমূলের চেয়ারম্যান’, বিস্ফোরক দলীয় কাউন্সিলাররা

    দলীয় শৃঙ্খলা মানতেই হবে

    লোকসভায় ভাল ফল করার জন্য দলের কর্মীদের মধ্যে সদ ভাব বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। মানতে হবে দলীয় অনুশাসনও। বিজেপি সূত্রে খবর, গতকালের বৈঠকে অনুপমের ঘটনা উল্লেখ করে কড়া বার্তা দেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন ‘আমাদের দলের প্রথম এবং শেষ কথা হল শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকা। সেটা না মানলে গতকাল রাতে কী হয়েছে সেটা দেখেছেন। সুতরাং, দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলতেই হবে। আমাদের দলে কেউ উপরে উঠতে গেলেই নীচ থেকে তাঁকে টেনে নামিয়ে দেওয়া হয়। এসব করলে দলেরই ক্ষতি হবে। কেউ যদি দলীয় অনুশাসন অমান্য করেন তাহলে অনুপম হাজরার মতো কড়া ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে দল৷’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’, কী দাবি করলেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’, কী দাবি করলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ৩৫টি আসন জয়ের লক্ষ্যে বঙ্গ বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠন করে দিয়েছেন অমিত শাহ-জেপি নাড্ডা। এমন খবর সংবাদমাধ্যমের একাংশে মঙ্গলবার পরিবেশিত হয়েছিল। বুধবার, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন এমন কোনও টিমই গঠন হয়নি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন বলেন, “আপনাদের কাছে সম্পূর্ণ ভুল তথ্য রয়েছে। রাজ্যের নির্বাচনী কোনও কমিটি তৈরি হয়নি। রাজ্যের নির্বাচনী কমিটিতে রাষ্ট্রীয় সভাপতির নাম থাকে না। এইটুকু কমন সেন্স আপানাদের থাকা উচিত।”

    কী বলছেন সুকান্ত?  

    মঙ্গলবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পরেই সংবাদমাধ্যম মারফৎ প্রকাশ্যে আসে ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠনের কথা। এও জানা যায়, বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী সহ অনেকেরই ঠাঁই হয়নি তালিকায়। ১৫ জনের ওই টিমে বাংলার ১০ জন থাকলেও, ৫ জন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিও রাখা হয়েছিল। এদিন ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠনের কথা অস্বীকার করে সুকান্ত সাফ জানিয়ে দিলেন, কোনও টিম গঠন হয়নি। তিনি বলেন, “নির্বাচনের যে কমিটি টিভিতে দেখানো হচ্ছে, মাননীয় অমিত শাহজি ও জেপি নাড্ডাজির নামও নাকি তাতে রয়েছে। রাজ্য নির্বাচনী কমিটিতে কেন্দ্রীয় কোনও নেতার নাম থাকে না।” 

    আরও পড়ুুন: “যাঁরা রামের ডাক শুনবেন, তাঁরাই আসবেন”, বৃন্দার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বললেন মীনাক্ষি

    বৈঠকে শাহ-নাড্ডা

    আগামী লোকসভা ভোটের রোডম্যাপ এবং দলের পরিকল্পনা স্থির করে দিতে বাংলা সফরে এসেছিলেন অমিত শাহ এবং জেপি নাড্ডা। দিনভর বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। নিউ টাউনের একটি হোটেলে হওয়া বৈঠকে ডাকা হয়েছিল বঙ্গ বিজেপির দুই প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহাকেও। তবে (Sukanta Majumdar) বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলায় বৈঠকে ডাকা হয়নি অনুপম হাজরাকে। বৈঠক শেষে আরও কয়েকটি কর্মসূচিতে যোগ দেন বিজেপির এই দুই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ তাঁরা রওনা দেন কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশে। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত এদিন বলেন, “২০২৪ কে সামনে রেখে রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি কীভাবে এগোবে, সেই রোডম্যাপ বলে গিয়েছেন তাঁরা। সেই রোডম্যাপের কথা আমি আপনাদের বলতে পারব না। তবে তাঁদের বাতলে দেওয়া সেই রোডম্যাপ অনুসারেই আমরা চলব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Anupam Hazra: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ খোয়ালেন অনুপম! কেন এই সিদ্ধান্ত?

    Anupam Hazra: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ খোয়ালেন অনুপম! কেন এই সিদ্ধান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুপম হাজরাকে। সম্প্রতি সর্বভারতীয় নেতা হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে অনুপমকে দেওয়া নিরাপত্তা তুলে নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দীর্ঘ দিন কেন্দ্রের ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’-র নিরাপত্তা পেতেন অনুপম। তখনই বোঝা গিয়েছিল অনুপমের (Anupam Hazra) দল-বিরোধী আচরণ ভালভাবে নিচ্ছে না গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার তাই কলকাতায় শাহ-নাড্ডার বৈঠকের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি।

    কেন অপসারণ

    একসময়ে বোলপুরের তৃণমূল সাংসদ ছিলেন অনুপম হাজরা। পরে যোগ দেন বিজেপি। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে গত লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর আসনে প্রার্থীও হন। দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ছিলেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরেই রীতিমতো ‘বেসুরো’ হয়ে উঠেছিলেন অনুপম। স্রেফ রাজ্য নেতৃত্বের সমালোচনা নয়, বোলপুর তৃণমূলের ধরনা মঞ্চের সামনেও চলে গিয়েছিলেন। এক নাগাড়ে রাজ্য নেতৃত্বের সমালোচনা করা, তৃণমূলের মঞ্চে যাওয়া, সমাজমাধ্যমে দলকে অস্বস্তিতে ফেলার মতো মন্তব্য করে চলছিলেন অনুপম। এটা যে রাজ্য নেতৃত্ব ভাল চোখে দেখছেন না তা আগেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সেটা বুঝিয়ে দেন অনুপমকে। 

    আরও পড়ুন: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    দলবিরোধী মন্তব্য

    গত বিধানসভা নির্বাচনে অনুপমকে প্রার্থী করেনি বিজেপি। তখন থেকেই দলের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করতে থাকেন অনুপম। সেই সময়ে নানা ভাবে তিনি রাজ্য নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন। বিজেপির অনেকেই বলেন, সেই কারণে রাজ্য থেকে সরিয়ে অনুপমকে কম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বিহারের সংগঠন দেখতে বলা হয়। কিন্তু তাতেও দলের রাজ্য নেতৃত্বকে ক্রমাগত আক্রমণ করেছেন অনুপম। তাই আর দেরি না করে এবার, ‘দলকে অস্বস্তিতে ফেলা’ প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণ করা হল। বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সদর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত নেতা অরুণ সিংহ মঙ্গলবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: গুরুদ্বারে প্রার্থনার পর জনসংযোগ! কালীঘাটে পুজো দিলেন শাহ-নাড্ডা

    Amit Shah: গুরুদ্বারে প্রার্থনার পর জনসংযোগ! কালীঘাটে পুজো দিলেন শাহ-নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাট মন্দিরে (Kalighat Tample) পুজো দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ৷ মঙ্গলবার বেলা ১২টা বেজে ৯ মিনিটে মন্দিরে পৌঁছন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিজেপি সভাপতি। পুজো দিয়ে বেলা ১২টা ১৮ মিনিটে মন্দির থেকে বেরিয়ে আসেন শাহ-নাড্ডা। এরপর নিউটাউনের হোটেলে ফিরে বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তাঁরা। এদিন সকালে প্রথমে জোড়াসাঁকোর বড়া শিখ সঙ্গত গুরুদ্বারে প্রার্থনা সারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নাড্ডা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পালের মতো বঙ্গ বিজেপি-নেতৃত্ব।

    শাহ-নাড্ডাকে স্বাগত

    বঙ্গ সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সঙ্গে জেপি নাড্ডা। সোমবার রাতে ঝটিকা সফরে বাংলায় আসেন শাহ। তাঁর নিরাপত্তার জন্য সকাল থেকেই জায়গায় জায়গায় মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত ছিলেন গেরুয়া শিবিরের কর্মী সমর্থকেরা। এদিন সকালে নিউটাউনের হোটেল থেকে বেরিয়ে জোড়াসাঁকোর বরা শিখ সঙ্গত গুরুদ্বারে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তারপরে উত্তর থেকে দক্ষিণে কালীঘাট মন্দিরে যান শাহ-নাড্ডা। বিশেষ লাল গালিচা পেতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কালীঘাট মন্দিরে স্বাগত জানানো হয়। কালীঘাটে পুজো দিয়েই নিউটাউনের হোটেলে ফিরে যান শাহ-নাড্ডা। সেখানেই দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, বৈঠকে হাজির থাকবেন দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার সহ বঙ্গ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। 

    শাহ-নাড্ডার বৈঠক

    আগামী তিন-চার মাসের মধ্যেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্য বিজেপির নেতৃ্ত্বের সঙ্গে শাহ-নাড্ডার এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এই বৈঠকে আগামী লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নিউটাউনের পাঁচতারা হোটেলে বৈঠক সেরে আলিপুরের কেন্দ্রীয় গ্রন্থগারে হবে দ্বিতীয় বৈঠক। সেখানে বিজেপির জেলা ও জোন নেতৃত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার পর্যবেক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah-JP Nadda: আজ রাতে শাহ-র সঙ্গে শহরে নাড্ডা, বৈঠক মঙ্গলবার

    Amit Shah-JP Nadda: আজ রাতে শাহ-র সঙ্গে শহরে নাড্ডা, বৈঠক মঙ্গলবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু অমিত শাহ নন, একইসঙ্গে সোমবার রাতে শহরে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা (Amit Shah-JP Nadda)। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার উপস্থিতি নিয়ে জোর চর্চা বঙ্গ রাজনীতিতে। যদিও দুই নেতাই মূলত আসছেন একটি গুরুদ্বারে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। তাঁরা কালীঘাটে পুজোও দেবেন। এরপরই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের দায়িত্ব ও করনীয় প্রসঙ্গে পাঠ দেবেন শাহ-নাড্ডা।

    কখন আসবেন দুই নেতা

    বিজেপি সূত্রের খবর, সোমবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ একই বিমানে কলকাতায় নামার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জে পি নাড্ডার। এর পরে তাঁদের যাওয়ার কথা নিউ টাউনের একটি হোটেলে। সেখানে মধ্য রাতেই রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এক প্রস্ত বৈঠক সারতে পারেন শাহ-নাড্ডা। বিমান বন্দরে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে স্বাগত জানাতে যাবেন। 

    কী কী কর্মসূচি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন, গুরু গোবিন্দ সিংয়ের পুত্রদের ‘বীরাগাথা’ উদযাপন করতে ২৬ ডিসেম্বর ‘বীর বাল দিবস’ পালন করা হবে। সেই উদযাপনের অংশ হিসেবেই মঙ্গলবার সকালে মহাত্মা গান্ধী রোডের গুরুদ্বারে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা শাহ ও নাড্ডার। ‘বীর বাল দিবসে’র কর্মসূচি সেরে তাঁরা কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যেতে পারেন। সেখানেও দুই শীর্ষ নেতার সঙ্গে থাকার কথা সুকান্ত ও শুভেন্দুর। তাঁদের পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে আলিপুরে জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবন।

    আরও পড়ুন: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    বিজেপি সূত্রের খবর, ওখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেবেন শাহ ও নাড্ডা (Amit Shah-JP Nadda)। ওই বৈঠকে রাজ্য নেতা, মোর্চার পদাধিকারী ছাড়াও এমন কিছু ব্যক্তিকে ডাকা হতে পারে, যাঁদের কাউকে কাউকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হিসেবে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই বৈঠকের পরে নড্ডাদের নিউ টাউনের হোটেলে ফিরে যাওয়ার কথা। সেখানে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা, পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আবার এক প্রস্ত বৈঠক সারতে পারেন বিজেপির দুই সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতা। বৈঠক শেষে মঙ্গলবার বিকেলেই তাঁদের দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    BJP: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ ডিসেম্বর, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ৯৯তম জন্মদিনটিকে ‘সুশাসন দিবস’ হিসেবে পালন করছে বিজেপি (BJP)। দিনটির স্মরণে দেশজুড়ে গুচ্ছ কর্মসূচির আয়োজন করেছে পদ্মশিবির।

    শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

    সোমবার সাত সকালে সদৈব অটলে গিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিস্তম্ভে মাল্যদান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজপেয়ীকে স্মরণ করে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন শ্রদ্ধেয় অটল বিহারী বাজপেয়ীকে আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভারতীয় রাজনীতির চূড়া, লক্ষ লক্ষ বিজেপি কর্মী ও আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।”

    শ্রদ্ধা জানালেন নাড্ডাও

    শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জাতির উন্নতি ও জনসেবায় নিবেদিত তাঁর সমগ্র জীবন সর্বদা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।” শ্রদ্ধা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীকে তাঁর জন্মদিনে আমি স্মরণ ও স্যালুট করি। অটলজি নিঃস্বার্থভাবে দেশ ও সমাজের সেবা করেছেন।”

    প্রসঙ্গত, ১৯২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন অটল। মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে জন্ম তাঁর। ১৯৫৭ সালে প্রথমবার বলরামপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হন (BJP)। ১৯৯৬ সালে মাত্র ১৩ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৯৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রথম পূর্ণ সময়ের জন্য প্রধামন্ত্রী হন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি সুন্দর কবিতাও লিখতেন।

    পরিচিত ছিলেন বাগ্মী হিসেবে। রাষ্ট্রসঙ্ঘে হিন্দিতে বক্তৃতাও দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালের ১৬ অগাস্ট প্রয়াত হন অটল। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিবছর তাঁর জন্মদিনটিকে বিজেপি পালন করে সুশাসন দিবস হিসেবে। দেশজুড়ে নানা কর্মসূচিও পালন করে বিজেপি (BJP)।

     

    আরও পড়ুুন: আজ শহরে অমিত শাহ! যাবেন কালীঘাট মন্দিরে, দু’দিনে কী কী কর্মসূচি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: মোদির পরেই রাজ্যে আসছেন শাহ-নাড্ডা, কেন জানেন?  

    PM Modi: মোদির পরেই রাজ্যে আসছেন শাহ-নাড্ডা, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের মার্চেই হতে পারে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বাংলায় পায়ের নীচের মাটি আরও শক্ত করতে চাইছে বিজেপি। এ রাজ্যে লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। তার মধ্যে অন্তত ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোতে চাইছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। তাই ২২ ডিসেম্বর সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হলেই কোমর কষে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইছেন তাঁরা।

    মোদির পরেই রাজ্যে শাহ-নাড্ডা 

    ২৪ ডিসেম্বর ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে’র অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মোদির সফর শেষে কলকাতায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিছু দিন আগেই বিজেপির প্রতিবাদ সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন তিনি। তার পর ফের আসছেন। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, শাহের সফরের সময়ই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিজেপির এই দুই হেভিওয়েট নেতার সফরের মূল লক্ষ্যই হল, বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সঙ্গে বসে লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল ছকে ফেলা।

    সল্টলেকে বিজেপির বিশেষ বৈঠক

    মঙ্গলবারই বিজেপির (PM Modi) সল্টলেকের অফিসে বসেছিল রাজ্য নেতৃত্বের বিশেষ বৈঠক। রাজ্য নেতাদের পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসলও। হাজির ছিলেন রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে এবং দুই সহ পর্যবেক্ষক আশা লাকড়া ও অমিত মালব্য। বৈঠকে লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তৈরিতে দলীয় কর্মীরা কতটা অংশ নিয়েছেন, তা নিয়েও আলোচনা হয়। বুথস্তরে সংগঠনের হালহকিকৎ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। যেসব বুথে সংগঠন দুর্বল, সেখানে কীভাবে তাকে চাঙা করা যায়, রাজ্য নেতৃত্বকে তাও ভাবতে বলেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জানুয়ারির মধ্যেই বুথ সশক্তিকরণ কর্মসূচি শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে।

    আরও পড়ুুন: সংসদে প্রশ্ন করছিলেন বাংলার বিজেপি সাংসদ, তখনই লাফ দিল ওরা! জানেন কারা তারা?

    সূত্রের খবর, বৈঠক চলাকালীনই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানিয়ে দেন, খুব তাড়াতাড়িই রাজ্য সফরে আসবেন শাহ ও নাড্ডা। এই নেতারাই দফায় দফায় করবেন সাংগঠনিক বৈঠক। সংগঠন মজবুত করতে ৪২টি লোকসভা কেন্দ্র ও ২৯৪টি বিধানসভা এলাকার প্রতিটিতে একজন করে মোট ৩৩৬ জন বিস্তারক নিয়োগ করেছে বিজেপি। সোম ও মঙ্গলবার তাঁদের প্রশিক্ষণও শেষ হয়েছে। এই বিস্তারকদের সঙ্গেও বৈঠক (PM Modi) করতে পারেন শাহ ও নাড্ডা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: এবার নাড্ডার নিশানায় কংগ্রেস-ধীরজ, কী বললেন বিজেপি সুপ্রিমো?

    JP Nadda: এবার নাড্ডার নিশানায় কংগ্রেস-ধীরজ, কী বললেন বিজেপি সুপ্রিমো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (JP Nadda) নিশানায় কংগ্রেস এবং হাত-শিবিরের ঝাড়খণ্ডের সাংসদ ধীরজ সাহু। রবিবার দলীয় সহকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন বিজেপি প্রধান। সেখানেই নিশানা করেন কংগ্রেসকে।

    উদ্ধার ২৯০ কোটি টাকা

    কংগ্রেসের ঝাড়খণ্ডের সাংসদ ধীরজের সংস্থার বিভিন্ন অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৯০ কোটি টাকা। আয়কর দফতর অভিযান চালিয়ে ওই টাকা উদ্ধার করেছে। তা নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। ধীরজের এই নগদ অর্থই নয়া অস্ত্র তুলে দিয়েছে বিজেপির হাতে। এক্স হ্যান্ডেলে নাড্ডা লিখেছেন, “বন্ধু, আপনি (ধীরজ) এবং আপনার নেতা রাহুল গান্ধী, আপনাদের দুজনকেই জনগণের কাছে কৈফিয়ত দিতে হবে। এটা নিউ ইন্ডিয়া। এখানে রাজপরিবারের নামে এক্সপ্লয়টেশন বরদাস্ত করা হবে না। দৌড়তে দৌড়তে আপনি ক্লান্ত হয়ে যাবেন। কিন্তু আইন আপনাকে ছাড়বে না।”

    মোদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গ্যারান্টি

    তিনি লিখেছেন, “যদি কংগ্রেস দুর্নীতির গ্যারান্টি হয়, তবে মোদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গ্যারান্টি। জনগণের কাছ থেকে লুটে নেওয়া প্রতিটি পাই-পয়সা তাঁদের ফেরত দেওয়া হবে।” নগদ প্রায় ৩০০ কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত (JP Nadda) দাবি করেছে ওড়িশা বিজেপি। শাসক দল বিজেডির কাছেও এ ব্যাপারে কৈফিয়ত চেয়েছে তারা। ওড়িশা বিজেপির মুখপাত্র মনোজ মহাপাত্র এদিন একটি ছবিও সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের এক মহিলা মন্ত্রী মঞ্চ শেয়ার করছেন এমন এক মদ ব্যবসায়ীর সঙ্গে, যাঁর বাড়িতেও অভিযান চালাচ্ছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

    গত বুধবার থেকে ধীরজের বাড়ি ও সংস্থার বিভিন্ন অফিসে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে আয়কর দফতর। উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা গুণতে আগে ছোট-বড় মিলিয়ে ৪০টি মেশিন আনা হয়েছিল। আজ আরও বেশ কয়েকটি মেশিন নিয়ে আসা হয়েছে। দলীয় সাংসদের সংস্থার অফিসে টাকার পাহাড়ের হদিশ মেলায় ধীরজের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছে কংগ্রেস। শনিবার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। কেবল তিনিই এ ব্যাপারে বলতে পারবেন। তাঁরই উচিত এর ব্যাখ্যা দেওয়া। তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গা থেকে আয়কর দফতর এই টাকা উদ্ধার করেছে। তাঁর সম্পত্তির বহর সম্পর্কে ব্যাখ্যা তাঁকেই দিতে হবে (JP Nadda)।”

    আরও পড়ুুন: দলীয় সাংসদের বাড়িতে নোটের পাহাড়! ধীরজকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Assembly Elections: ছত্তিসগড়ে বিক্ষিপ্ত মাও হামলা, মিজোরামে নির্বাচন নির্বিঘ্নেই

    Assembly Elections: ছত্তিসগড়ে বিক্ষিপ্ত মাও হামলা, মিজোরামে নির্বাচন নির্বিঘ্নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections)। মঙ্গলবার ভোট হয়েছে মিজোরাম এবং ছত্তিসগড়ে। ছত্তিশগড়ে নির্বাচন হবে দু’ দফায়। এদিন হল প্রথম দফার নির্বাচন। ছত্তিশগড়ের ২০টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হয়েছে এদিন। এসবই মাওবাদী উপদ্রুত এলাকায়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭০.৯ শতাংশ। গত বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৭ শতাংশ। এবার কিছুটা কম। আর উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৫.৭ শতাংশ। গতবার পড়েছিল ৮১.৫ শতাংশ।

    অশান্তি পাকায় মাওবাদীরা

    প্রতিবারের মতো এবারও ছত্তিসগড়ে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছিল মাওবাদীরা। তারা যে নির্বাচনে অশান্তি পাকাবে, তার আঁচ মিলেছিল আগেই। শনিবার নির্বাচনী প্রচার সেরে ফেরার পথে নৃশংসভাবে খুন করা হয় এক বিজেপি নেতাকে। সোমবার আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয় কাঙ্কেরে। তার জেরে জখম হন দুই ভোটকর্মী সহ মোট তিনজন। নির্বাচনের দিনও যথারীতি অশান্তি পাকায় মাওবাদীরা। এদিনও কাঙ্কেরে বিএসএফের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় ডিআরজির। মাও উপদ্রুত এলাকায় ভোটের ডিউটি করার সময় নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। গুলির লড়াই চলে মিনিট দশেক। পিছু হটে মাওবাদীরা। সংঘর্ষে তাদের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে বলে অনুমান বিএসএফের।

    নকশালদের সঙ্গে গুলি বিনিময়

    সুকমায় (Assembly Elections) নকশালদের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। গুলির ঘায়ে কয়েকজন জওয়ান জখম হয়েছে বলে খবর। এদিন সুকমায় বিস্ফোরণে জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান। কোন্টা এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে নকশালরা। পাল্টা গুলি চালায় নিরাপত্তারক্ষীরাও। গুলির লড়াই চলায় মিনিট দশেকের জন্য বন্ধ ছিল ভোটগ্রহণ। এদিন ছত্তিশগড়ে যাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির কেদার কাশ্যপ, মহেশ গাগদা, বিক্রম উসেন্ডি এবং লতা উসেন্ডি।

    এদিনই নির্বাচন হয়েছে ৪০ আসন বিশিষ্ট মিজোরাম বিধানসভায়ও। সকালে আইজল উত্তর-২ কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা। ইভিএমে ত্রুটির কারণে তখন ভোট দিতে পারেননি তিনি। তখনই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কাজ সেরে ফের যাবেন ভোট দিতে। এদিন বেলা ১টা নাগাদ ভোট দেন তিনি।  

    আরও পড়ুুন: মমতার বিদেশ সফরের খরচ জানতে আরটিআই, জবাব না পেয়ে আদালতের পথে শুভেন্দু!

    দ্বিতীয় দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে ১৭ নভেম্বর। এদিন ভোট হবে ছত্তিশগড়ের বাকি ৭০টি আসনে। রাজস্থান বিধানসভার নির্বাচন হবে ২৫ নভেম্বর, এক দফায়। তেলঙ্গনা বিধানসভার ভোট হবে চলতি মাসেরই ৩০ তারিখে। এদিকে, এদিনই মধ্যপ্রদেশে রোড শো করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (Assembly Elections)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JP Nadda: “ছত্তিশগড়ে গ্রহণ চলছে, বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন”, রায়পুরের সভায় আবেদন নাড্ডার

    JP Nadda: “ছত্তিশগড়ে গ্রহণ চলছে, বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন”, রায়পুরের সভায় আবেদন নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ছত্তিশগড়ে পাঁচ বছর ধরে গ্রহণ চলছে।” রবিবার রায়পুরের জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে আক্রমণ শানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস সরকার আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে বলেও অভিযোগ বিজেপির এই শীর্ষ নেতার।

    ভূপেশ বাঘেলের দুর্নীতি…

    তিনি বলেন, “ভূপেশ বাঘেলের দুর্নীতি, অদক্ষতা এবং অবিশ্বাস আমরা চোখে দেখেছি। আমি অবিশ্বাস্য বলছি কারণ আপনি কি দেখেছেন একজন মুখ্যমন্ত্রীর সচিব বছরের পর বছর জেলে রয়েছেন? কপালে যদি দুর্নীতি লেখা থাকে, তাহলে তার চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী প্রয়োজন হতে পারে!” উপস্থিত জনতার দিকে নাড্ডার প্রশ্ন, “এরকম দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের কি ক্ষমতায় থাকা উচিত?”

    প্রতিশ্রুতিভঙ্গ সরকারের

    ৯০ আসনের ছত্তিশগড় বিধানসভায় ভোট হবে দু’ দফায়। প্রথম দফার ভোট হবে ৭ নভেম্বর। দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে ওই মাসেরই ১৭ তারিখে। এদিনের জনসভায় নাড্ডার প্রশ্ন, “এই (কংগ্রেস) সরকার তরুণদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কি না? মহিলারা কী প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে পাচ্ছেন? মদ কেলেঙ্কারি ঘটেছে কি না? ভূপেশ বাঘেল মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই নিষেধাজ্ঞা জারি না করে তিনি কেলেঙ্করি করেছেন। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করেছেন তিনি। তিনি গরু এবং গোবরের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করতে ছাড়ছেন না।”

    বিজেপিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আনার আবেদন জানিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (JP Nadda) বলেন, “গতকাল চন্দ্রগ্রহণ ছিল। ছত্তিশগড়েও গত পাঁচ বছর ধরে গ্রহণ চলছে। এখন সময় এসেছে এই গ্রহণ থেকে মুক্তি পাওয়ার। এরকম একটা দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকারই নেই।”

    আরও পড়ুুন: ‘বালুর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্নীতি হয়েছে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ২০টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিনের সভায় ওই কেন্দ্রগুলিতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেতে নির্দেশ দেন দলীয় কর্মীদের। নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, “আপনারা ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করুন। তাঁরা আপনাদের ভোট দিন অথবা না দিন কিন্তু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করুন। আপনারা তাঁদের ভোট দিতে অনুরোধ করুন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share