Tag: Justin Trudeau

Justin Trudeau

  • India-Canada Relation: খালিস্তানি জঙ্গিরা কানাডার গুপ্তচর! বিস্ফোরক দাবি ভারতীয় হাই কমিশনারের

    India-Canada Relation: খালিস্তানি জঙ্গিরা কানাডার গুপ্তচর! বিস্ফোরক দাবি ভারতীয় হাই কমিশনারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় থাকা খালিস্তানি জঙ্গিরা আদতে কানাডা সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের গোপন এজেন্ট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সঞ্জয় ভার্মা। তাঁর বিরুদ্ধে কানাডা সরকারের আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে সঞ্জয় দাবি করেন, প্রথম থেকেই কানাডায় খালিস্তানি কট্টরপন্থীদের প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার। ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতির জন্যও দায়ী ট্রুডো সরকার। তিনি জানান, খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কানাডা ভারতকে কোনও প্রমাণ দেখায়নি। অভিযোগগুলো ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।

    খালিস্থানপন্থীদের সঙ্গে কানাডা-যোগ

    সম্প্রতি কানাডার এক সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেন, ‘আমি জানি বেশ কয়েকজন খালিস্থানপন্থী জঙ্গি সিএসআইএস-এর ডিপ অ্যাসেট। এটা আমার অভিযোগ। অবশ্য আমি এর পরিপ্রেক্ষিতে কোনও প্রমাণ দিচ্ছি না এখন।’ এদিকে নিজ্জরের খুন নিয়ে সঞ্জয় বলেন,  ‘‘যে কোনও খুনই দুর্ভাগ্যজনক এবং জঘন্য। আমি এই খুনের নিন্দা জানাচ্ছি। আমি এর আগেও বলেছি, এই ঘটনার মূলে যেতে হবে আমাদের।’’ ভারতীয় কূটনীতিবিদ আরও বলেন,  ‘‘আমরা চাই, কানাডার বর্তমন সরকার এমন কারও সঙ্গে মাখামাখি না করুক, যারা ভারতের অখণ্ডতাকে চ্যালেঞ্জ করছে। আমরা চাই যাতে কানাডা সরকার আমাদের সমস্যাটা বোঝে।’’

    আরও পড়ুন: কঠোর পদক্ষেপ! জঙ্গি তালিকায় কানাডার পুলিশ আধিকারিকের নাম জুড়ল ভারত

    কোনও বৈধ প্রমাণ ভারতকে দেওয়া হয়নি

    নিজ্জর খুন প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, ‘‘কানাডার পক্ষ থেকে কোনও বৈধ প্রমাণ ভারতকে দেওয়া হয়নি, যা ভারতীয় আইনের ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। ভারত সরকার তদন্তের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, কিন্তু কানাডা এখনও কোনও প্রমাণ দেয়নি। প্রমাণ ছাড়া কোনও বিষয় নিয়ে এগনো যায় না।’’ সঞ্জয় আরও বলেন, ‘‘ভারত আইন মেনে চলা দেশ। কানাডার আদালতে যদি কোনও প্রমাণ গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে তা ভারতের আদালতেও গ্রহণযোগ্য হবে। তবে কানাডার আধিকারিকরা তো আমাদের সেই ক্ষেত্রে সাহায্য করেননি।’’ দাবি করা হয়, গত ৮ অক্টোবর কানাডার অফিসাররা ভারতে আসতে চেয়েছিলেন নিজ্জর খুনের ‘প্রমাণ’ তুলে ধরার জন্যে। এই নিয়ে সঞ্জয় ভার্মা বলেন, ‘‘এই সব ক্ষেত্রে ডেলিগেশনের ভিসা অ্যাফিক্স করতে হয়। এই ধরনের সরকারি দলকে অন্য দেশে যেতে হলে একটি অ্যাজেন্ডা থাকতে হয়। তারা এমন সময়ে আমাদের অ্যাজেন্ডা জানায়, যখন তাদের বিমান টেকঅফ করে চলে গিয়েছে। আমার মনে হয়, ইচ্ছে করেই তারা এটা করেছে। তারা জানত যে এভাবে আধ ঘণ্টা, এক ঘণ্টায় ভিসা ইস্যু করা যায় না। এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমার মনে হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Relation:কঠোর পদক্ষেপ! জঙ্গি তালিকায় কানাডার পুলিশ আধিকারিকের নাম জুড়ল ভারত

    India-Canada Relation:কঠোর পদক্ষেপ! জঙ্গি তালিকায় কানাডার পুলিশ আধিকারিকের নাম জুড়ল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও কানাডার কুটনৈতিক সম্পর্কে (India-Canada Relation) ফাটল ক্রমশ বড় হচ্ছে। এবার শিখ সন্ত্রাসবাদীদের তালিকায় কানাডার এক পুলিশ আধিকারিকের নাম যোগ করল ভারত। কানাডিয়ান বর্ডার সার্ভিস এজেন্সিজ-এ কর্মরত এই যুবকের নাম সন্দীপ সিং সিন্ধু। ভারতের দাবি, সিন্ধু নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল শিখ ইয়ুথ ফেডারেশনের সদস্য। পাঞ্জাবে সন্ত্রাসবাদের প্রসারে এই সংগঠন কাজ করে চলেছে।

    সন্দীপের সঙ্গে পাক যোগ

    রিপোর্ট অনুযায়ী, কানাডিয়ান (India-Canada Relation) বর্ডার পুলিশের আধিকারিক সন্দীপ সিং সিন্ধুকে পলাতক সন্ত্রাসবাদীদের তালিকায় যুক্ত করেছে ভারত। কানাডায় খলিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ড ইস্যুতে বিগত কয়েক মাসে ভারত-কানাডার সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের রিপোর্ট অনুযায়ী সিন্ধুর সঙ্গে পাকিস্তানের বাসিন্দা খলিস্তানি নেতা লখবীর সিং রোডে এবং কয়েক জন আইএসআই কর্তার যোগাযোগ আছে। এরাই ২০২০ সালে খলিস্তানি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শৌর্যচক্র পাওয়া সেনা অফিসার বলবিন্দর সিং সান্ধুকে হত্যা করেছিল। তাই সন্দীপ সিংকে প্রত্যর্পণের দাবি জানাল দিল্লি।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই বাংলায় উপনির্বাচন, সব বুথে হবে ওয়েব কাস্টিংও

    সম্প্রতি,  সন্দীপকে সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে প্রোমোশন দিয়েছে কানাডার (India-Canada Relation) জাস্টিন ট্রুডো সরকার। ট্রুডো সরকারের খলিস্তানি প্রীতি নিয়ে সে দেশের বিরোধীরাও সরব হয়েছে। ভারতের সঙ্গে এত দিনের বন্ধুত্বের সম্পর্কে চিড় ধরার জন্য বিরোধী নেতারা প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোকে দুষছেন। তাঁদের দাবি খলিস্তানি জঙ্গি নিজ্জরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে অনাবশ্যক উত্তেজনা তৈরি করে ট্রুডো সরকার অন্য বিষয়ে তাদের অকর্মণ্যতাকে আড়াল করতে চাইছে। কানাডার পিপলস পার্টির নেতা ম্যাক্সিম বার্নিয়ারের কথায় নিজ্জর এক জন বিদেশি সন্ত্রাসবাদী। কানাডা সরকারের উচিত এক জন জঙ্গির মৃত্যু নিয়ে এত জটিলতা তৈরি না করে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে মতভেদ মিটিয়ে ফেলা। কারণ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি কানাডার পক্ষেও গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikhs For Justice: দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা! কীভাবে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠল?

    Sikhs For Justice: দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা! কীভাবে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডা (Canada)। বর্তমানে দেশটা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য। কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর জমানায় যা আরও বেড়েছে বলেও দাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। দুষ্কৃতীদের এই স্বর্গরাজ্যেই ঘাঁটি গেড়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (Sikhs For Justice)। ভারতে নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী এই জঙ্গি সংগঠনের চাঁই গুরুপন্ত সিং পান্নুন। তাঁকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। এই পান্নুনের সংগঠনের ট্রুডোর অফিসের ওঠাবসা চলছে বছর তিনেক ধরে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ কথা কবুলও করেছেন পান্নুন। ট্রুডো মন্ত্রিসভা সংখ্যালঘু। সেই সরকার টিকে আছে জোড়াতালি দিয়ে, শিখদের সমর্থন নিয়ে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই সুড়ঙ্গ দিয়েই ট্রুডোর অফিসের লোকজনের সঙ্গে দহরম মহরম করছেন শিখস ফর জাস্টিসের লোকজন।

    খুলল ট্রুডো সরকারের মুখোশ (Sikhs For Justice)

    এই সংগঠনেরই নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর খুন হয় গত জুনে, কানাডা-ভূমে। ওই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে ট্রুডো সরকার। প্রমাণ চায় ভারত। প্রমাণ দিতে পারেনি ট্রুডো সরকার। তবে ট্রুডো সরকারের এই দোষারোপের পর ভারত-কানাডা সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। ‘বিকশিত ভারত’ পাশ থেকে সরে যাওয়ায় প্রমাদ গোণে ট্রুডো সরকার। ভারত-কানাডার ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক মেরামত করতে উদ্যোগী হন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো স্বয়ং। সম্প্রতি ট্রুডো প্রকাশ্যে কবুল করেন, নিজ্জর খুনে ভারতকে দোষারোপ করার সময় তাঁর কাছে কোনও প্রমাণ ছিল না। তার পরেই খুলে যায় ট্রুডো সরকারের মুখোশ।

    খালিস্তান-প্রীতি

    ট্রুডো সরকারের খালিস্তান-প্রীতি (Sikhs For Justice) নিয়ে সরব হয়েছেন সে দেশের বিরোধীরাও। তাঁদের দাবি, খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জর খুনে অনাবশ্যক উত্তেজনা তৈরি করে ট্রুডো সরকার অন্যান্য বিষয়ে তাদের অকর্মণ্যতাকে আড়াল করতে চাইছে। কানাডার পিপলস পার্টির নেতা ম্যাক্সিম বার্নিয়ার বলেন, “নিজ্জর একজন বিদেশি সন্ত্রাসবাদী। তার পরেও তাঁকে ২০০৭ সালে জোর করে কানাডার নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।” তাঁর দাবি, ট্রুডো সরকারের উচিত প্রশাসনিক ভ্রান্তি দূর করে মরণোত্তরভাবে নিজ্জরের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া। বার্নিয়ার বলেন, “কানাডা সরকারের উচিত একজন জঙ্গির মৃত্যু নিয়ে এত জটিলতা তৈরি না করে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে মতভেদ মিটিয়ে ফেলা। কারণ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি কানাডার পক্ষেও গুরুত্বপূর্ণ।”

    নাৎসি-যোগ

    ২০১৮ সালে ট্রুডো সরকার চারজন রাশিয়ার কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছিল। রাশিয়া তৎকালীন কানাডিয়ান বিদেশমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের নাৎসি-যোগ প্রকাশ করার পরে আরও তিনজনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল। ‘গ্লোব অ্যান্ড মেইল’ ও অন্যান্য কানাডিয়ান মিডিয়ার দাবি, ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড প্রায় দু’দশক ধরে জানতেন, তাঁর মামাবাড়ির দাদুর সঙ্গে নাৎসি যোগ ছিল। সেই সময় ফ্রিল্যান্ড রাশিয়াকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ও কানাডিয়ান গণতন্ত্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছিলেন।ফ্রিল্যান্ডের অফিসের (Canada) দাবি ছিল, ফ্রিল্যান্ডের দাদুর সঙ্গে নাৎসিদের যোগ কোনওকালেই ছিল না। তবে লিবারেল পার্টি লিডারের দাদুর সঙ্গে যে নাৎসিদের সত্যিই যোগ রয়েছে, এটা রাশিয়া সরকারের মিথ্যে প্রচার নয়, তার স্বপক্ষে যথেষ্ঠ প্রমাণ ছিল। তার পরেও ফ্রিল্যান্ডের পাশে দাঁড়িয়েছে ট্রুডো সরকার, শাস্তি দিয়েছে রাশিয়ান কূটনীতিকদের।

    ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের দাদু

    ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের দাদু মাইখাইলো চমিয়াক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান মিলিটারি গোয়েন্দা বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি একটি প্রমিনেন্ট ইউক্রেনিয়ান পাবলিকেশনের এডিটর ছিলেন। এই পাবলিকেশন হিটলারকে নিয়ে হইচই করেছিল, প্রচার করেছিল তীব্র ইহুদি বিদ্বেষ। এই সংবাদপত্রের মাধ্যমেই নাৎসিদের প্রোপাগান্ডা চলত, ছড়ানো হত নাৎসিদের মতাদর্শ, হোয়াইটওয়াশ করা হত হলোকাস্টকে। যুদ্ধ শেষে চমিয়াক সপরিবারে ঢুকে পড়েন কানাডায়। সেই থেকে তাঁরা রয়েছেন ট্রুডোর দেশে, যোগাযোগও রয়েছে নাৎসিদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা মমতাকে, না মানলে মঙ্গলে সর্বাত্মক ধর্মঘট, ঘোষণা ডাক্তারদের

    নাৎসি-প্রীতি

    ট্রুডোর নাৎসি-প্রীতিও প্রকাশ্যে আসে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। সেই সময় কানাডিয়ান হাউস অফ কমন্স দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রবীণ ইয়ারোস্লাভ হুঙ্কাকে সংবর্ধনা দেয় (Sikhs For Justice)। যদিও জানানো হয়নি হুঙ্কা নাৎসিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি এসএস ইউনিটের সদস্য ছিলেন ১৯৪৩ সালে। ট্রুডোর নাৎসি-প্রীতির পর ইদানিং প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর শিখস ফর জাস্টিস-প্রেমের কথা। যা নিয়ে ভারতের সঙ্গে কানাডার অশান্তির সূত্রপাত। যা নিয়ে ভারত-কানাডার বন্ধুত্বের সম্পর্কে ইতি।

    কানাডায় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠনের বাড়বাড়ন্ত 

    পান্নুনের নেতৃত্বাধীন শিখস ফর জাস্টিস (Sikhs For Justice) ছাড়াও আরও অন্তত তিনটি খালিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠন লালিত-পালিত হচ্ছে ট্রুডো সরকারের জল-হাওয়ায়। এদের মধ্যে রয়েছে বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল। খালিস্তান আন্দোলনে নিবেদিত প্রাণ এই সংগঠন একাধিক জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। খালিস্তানপন্থীদের এই সংগঠনই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান কনিষ্কয় বম্বিং করেছিল। যার জেরে মৃত্যু হয়েছিল ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের।

    ১৯৮৪ সালে (Canada) ব্রিটেনে জন্ম হয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল শিখ ইয়ুথ ফেডারেশনের। এই সংগঠনেরও শাখা রয়েছে কানাডায়। কানাডার মাটিতে লালিত হয়েছে প্রয়াত নিজ্জরের সংগঠন খালিস্তান টাইগার ফোর্স। ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসমূলক কার্জকর্মে লিপ্ত তারাও। এদেরই প্রধান মুখ ছিল নিজ্জর। কখনও হিন্দু মন্দিরে (Sikhs For Justice) হামলা, কখনও ভারত-বিরোধী স্লোগান দেওয়া, কখনও আবার হিন্দুদের কানাডা ছেড়ে চলে যাওয়ার আওয়াজ তুলেছে এই সংগঠন। তার পরেও মুখে কুলুপ এঁটেছেন ট্রুডো। আসলে শিখ সমর্থন না থাকলে যে পড়ে যাবে (Canada) তাঁর সরকার!

    অতএব…।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Relation: ভারতের সঙ্গে সু-সম্পর্কের দাবি, কানাডার অভ্যন্তরে চড়ছে ট্রুডো-বিরোধী সুর

    India-Canada Relation: ভারতের সঙ্গে সু-সম্পর্কের দাবি, কানাডার অভ্যন্তরে চড়ছে ট্রুডো-বিরোধী সুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অভ্যন্তরে (India-Canada Relation) তীব্র সমালোচনার মুখে পড়লেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। ভারতের সঙ্গে কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্রমশ তলানিতে ঠেকেছে। এই আবহে ট্রুডোর বিপক্ষে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ, কনজারভেটিভ পার্টির নেতা পিয়ের পোয়ালিয়েভ্রে। তাঁর দাবি, চিনের সহায়তায় দুটি নির্বাচন জিতেছেন ট্রুডো। ভারত সরকারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে বিভ্রান্তিকর প্রচার করছেন কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

    চিনের সঙ্গে ট্রুডোর সম্পর্ক

    সম্প্রতি ট্রুডো অভিযোগ করেছিলেন যে, কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদরা বিদেশি শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন। এই অভিযোগের জবাবে পোয়ালিয়েভ্রে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি জানতে চেয়েছিলাম, কোন কোন এমপি বিদেশি শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন, প্রকাশ করতে। কিন্তু উনি তাঁদের নাম বলতে পারেননি। মিথ্যা প্রচার করাই ওনার লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাস্তবে লিবারেল পার্টি তথা ট্রুডোর দল সর্বদা চিনের সহায়তা নিয়ে চলে। তাঁরা চিনের সাহায্যেই দুটো নির্বাচন জিতেছে। এইবিষয়টি সামনে আসতেই নানা রকম মিথ্যা দাবি করছেন ট্রুডো।”

    ভারতের বিরুদ্ধে প্রমাণ কই?

    পোয়ালিয়েভ্রে আরও জানান নিজ্জর হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে ভারতের যুক্ত থাকার যে দাবি ট্রুডো এনেছিলেন তারও কোনও প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি। প্রসঙ্গত, বুধবার তদন্ত কমিশনের কাছে জমা দেওয়া বিবৃতিতে ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নিজেই জানিয়েছিলেন, গত বছর সেপ্টেম্বরে ভারতের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলার সময়ে তাঁর কাছে শুধুমাত্র গোয়েন্দাসূত্রে পাওয়া খবর ছিল, হাতে-কলমে কোনও তথ্যপ্রমাণ ছিল না। পোয়ালিয়েভ্রে বলেন, “আমি ১৪ অক্টোবর ন্যাশনাল সিকিউরিটি এবং ইন্টেলিজেন্স উপদেষ্টা নাথালি ড্রুইন, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার ডেপুটি মন্ত্রী ডেভিড মরিসন, এবং সিএসআইএস পরিচালক ড্যানিয়েল রজার্সের কাছ থেকে ব্রিফিং পেয়েছিলাম ভারতের হস্তক্ষেপ সম্পর্কে। কিন্তু ট্রুডোর দল তখনও কোনও বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেনি।” পোয়ালিয়েভ্রে বলেন, “যদি ট্রুডোর কাছে ভারতের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ থাকে, তবে তিনি তা জনসমক্ষে প্রকাশ করুন। কিন্তু তিনি তা করবেন না, কারণ তিনি এগুলো তৈরি করছেন।”

    ট্রুডো সরকারের অপপ্রচার

    পোয়ালিয়েভ্রে ছাড়াও পিপলস পার্টি অব কানাডার নেতা ম্যাক্সিম বার্নিয়ার বৃহস্পতিবার বলেছেন, রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (RCMP) এবং লিবারেল সরকার ভারতের (India-Canada Relation) বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছে, তা অত্যন্ত গুরুতর। কিন্তু ভারতীয় কূটনীতিকদের বিপক্ষে এখনও কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেনি ট্রুডোর সরকার। আসলে ট্রুডো এবং লিবারেল পার্টি তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগ থেকে নজর ঘোরাতেই এই সব মিথ্যা দাবি তুলছেন। বার্নিয়ার আরও দাবি করেন যে, গত বছর নিহত খলিস্তানি সন্ত্রাসী হরদীপ সিং নিজ্জর কানাডিয়ান ছিলেন না। বার্নিয়ার বলেন, “একটি ভুল ধারণা ভেঙে দেওয়া উচিত। সত্য হল, এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা খলিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর আসলে একজন বিদেশি সন্ত্রাসবাদী। যিনি ১৯৯৭ সাল থেকে একাধিকবার ভুয়া নথি ব্যবহার করে কানাডায় আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। তাঁর আবেদনগুলি প্রত্যাখ্যাত হলেও, তাকে এই দেশে থাকতে দেওয়া হয়েছিল এবং ২০০৭ সালে তাঁকে কোনওভাবে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।”

    ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক কাম্য

    বার্নিয়ার বলেন, এই পরিস্থিতি কানাডার দীর্ঘদিনের ভুলের ফল, যেখানে বিদেশিদের এবং তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি ভারতের (India-Canada Relation) সঙ্গে ফের সু-সম্পর্ক স্থাপন করার আহ্বান জানান। বার্নিয়ার দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করা উচিত নয়। এই পরিস্থিতির সমাধান খুঁজতে ভারতের সরকারের সঙ্গে শীঘ্রই কথা বলা উচিত। বিশ্বের একটি ক্রমবর্ধমান শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করা কখনওই কাম্য নয়।

    আরও পড়ুন: উচ্ছ্বাস ইজরায়েলে, হামাস প্রধান সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত ডিএনএ পরীক্ষায়

    দিল্লির দাবি

    ইতিমধ্যেই নিজ্জর হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে ট্রুডো সরকারের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক লাভের জন্য ভারতকে অপমান করার একটি ইচ্ছাকৃত অপপ্রচার’ বলে জানিয়েছে সাউথ ব্লক। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের অভিযোগ, কানাডার আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে কট্টরপন্থী খলিস্তানি গোষ্ঠীগুলির সমর্থন পাওয়ার জন্য ট্রুডো সরকার নতুন করে নিজ্জর বিতর্ক সামনে নিয়ে আসছে। খলিস্তানি নেতা নিজ্জরকে ২০২০ সালে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে ঘোষণা করেছিল ভারত। তিন বছর পর ২০২৩ সালের ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের সারের একটি গুরুদ্বারের সামনে তাঁকে হত্যা করা হয়। এর পরে নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের ‘ভূমিকা’ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন ট্রুডো।  তার পর থেকেই দু’দেশের সম্পর্কে চিড় ধরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: যত নষ্টের গোড়া ট্রুডো! নিজ্জর খুনে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা ভারতের

    Justin Trudeau: যত নষ্টের গোড়া ট্রুডো! নিজ্জর খুনে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে (Justin Trudeau) নিশানা ভারতের। বুধবার ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হল, এতদিন ধরে নয়াদিল্লি যে কথাটা বলে আসছে, শেষমেশ (Hardeep Singh Nijjar) সেটাই স্বীকার করে নিলেন ট্রুডো। তাঁর দাম্ভিক আচরণের কারণেই ভারত ও কানাডার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে।

    ট্রুডোর ‘স্বীকারোক্তি’ (Justin Trudeau)

    ঘঠনার সূত্রপাত বুধবার। এদিন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো স্বীকার করে নেন, গত বছর খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যার ঘটনায় ভারতের যোগ থাকতে পারে বলে যে অভিযোগ তিনি তুলেছিলেন, সেই সময় তাঁর কাছে কোনও প্রমাণই ছিল না। কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রীর এহেন স্বীকারোক্তির পরেই তাঁকে নিশানা করে ভারত।

    বিদেশমন্ত্রকের তোপ 

    জারি করা বিবৃতিতে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আজ যেটা শুনতে পেলাম, সেটা আমরা এতদিন ধরে লাগাতারভাবে বলে আসছি। ভারত ও ভারতীয় কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে যে গুরুতর অভিযোগ কানাডা তুলেছিল, তার স্বপক্ষে আমাদের ছিটেফোঁটা কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি।” তিনি বলেন, “এই দাম্ভিক ব্যবহারের কারণেই ভারত ও কানাডার সম্পর্কে যে ক্ষতি হয়েছে, তার দায় একমাত্র বর্তায় ট্রুডোর ওপরই।”

    এদিন কানাডার বিদেশি হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হয়ে ট্রুডো বলেন, “ভারতকে সহযোগিতা করতে বলেছে কানাডা। ভারত প্রমাণ চেয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, ভারতের নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থাগুলি তদন্ত করুক এবং আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করুক। কারণ, এক সময় আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল।” যদিও কোনও প্রমাণ ছিল না বলেই কবুল করেন কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী। কোনও প্রমাণ ছাড়াই কীভাবে ভারতের বিরুদ্ধে নিজ্জর হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    গত বছর ১৮ জুন খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জরকে প্রকাশ্যে খুন করে আততায়ীরা। সেই সময় তিনি ছিলেন কানাডার (Justin Trudeau) একটি গুরুদ্বারের সামনে। ওই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন ট্রুডো। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে প্রমাণ দিতে বলে ভারত। প্রমাণ দিতে না পারলেও, লাগাতার অভিযোগ করে যেতে থাকেন (Hardeep Singh Nijjar) কানাডার প্রধানমন্ত্রী। ঘটনার জেরে তলানিতে ঠেকে ভারত-কানাডা সম্পর্ক (Justin Trudeau)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: কানাডার পাশে দাঁড়িয়ে মোদি-বিরোধী পোস্ট তৃণমূল সাংসদের! মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: কানাডার পাশে দাঁড়িয়ে মোদি-বিরোধী পোস্ট তৃণমূল সাংসদের! মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই ভারত-কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিনেতা নিজ্জরের হত্যাকে কেন্দ্র করে। নিজ্জরের হত্যার ঘটনায় ভারতের যোগ থাকতে পারে বলে সেসময় কানাডার সংসদে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন ট্রুডো। খালিস্থানপন্থী জঙ্গি নেতাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জাস্টিন ট্রুডোর সরকারের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার জাস্টিন ট্রুডোর সমর্থনে একাধিক পোস্ট করতে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সাগরিকা ঘোষকে (Sagarika Ghosh)। এই আবহে সরাসরি তৃণমূলকে দেশবিরোধী তকমা দিয়ে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তোপ দাগলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাগরিকার একটি এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টকে শেয়ার করে একাধিক প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।

    কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) নিজের পোস্টে লেখেন, ‘‘তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আমার প্রশ্ন, কীসের ভিত্তিতে রাজ্যসভায় মনোনীত করা হয়েছিল সাগরিকা ঘোষকে? কারণ, তিনি দেশ বিরোধী? নাকি তিনি বিদেশি শক্তির তাঁবেদারি করতে পারেন? আর নাকি তিনি যতবার টুইট করেন বা মুখ খোলেন, তাঁর বোকামো সামনে এসে পড়ে? সঠিক জবাব হল – ওপরের সবকটি অপশন। শাসকদলের বিরোধিতা করা এক জিনিস। তবে দেশকে ছোট করে দেখানো খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এক বিদেশি প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে আঙুল তোলা হচ্ছে, যেখানে কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। এটা গ্রহণযোগ্য় নয়। তৃণমূলকে স্পষ্ট করে দিতে হবে যে এই সব বক্তব্য সাগরিকা ঘোষের ব্যক্তিগত মত নাকি দলীয় ভাবে কোনও টুলকিটকে সমর্থন করা হচ্ছে? একই সঙ্গে দুটো হতে পারে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আমার আবেদন, আপনি মুখ খুলুন। আপনি হয় ভারতের পক্ষে নয় দেশের বিপক্ষে।’’

    কী বলেছিলেন সাগরিকা ঘোষ?

    দেশের বিরোধিতা করে নিজের পোস্টে তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা (Sagarika Ghosh) লেখেন, ‘‘এক বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান অভিযোগ করছে যে তাঁর দেশে মোদি সরকার বেআইনি অপরাধমূলক কার্যকলাপ চালাচ্ছে। আর তা নিয়ে আমাদের নন-বায়োলজিকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কোনও প্রশ্ন করা যাবে না? কেন জাস্টিন ট্রুডো এই ধরনের অভিযোগ করছেন? কেন ভারত-কানাডা সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকল? এই সবের মাঝে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভূমিকা কী? মেরুদন্ডহীন ভারতীয় মিডিয়া আনুগত্যের ট্রাম্পেট বাজাতে থাকবে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Canada Ties: “ভারতের নয়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশাবাদী”, বলছেন ট্রুডো

    India Canada Ties: “ভারতের নয়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশাবাদী”, বলছেন ট্রুডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-কানাডা (India Canada Ties) সম্পর্কের বরফ গলল জি৭ সম্মেলনের মঞ্চে। সম্মেলনের ফাঁকে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে পার্শ্ব বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠক হয় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গেও। তার পরেই দুই দেশের মধ্যে যেসব বড় ইস্যুগুলিতে জটিলতা রয়েছে, সেই জট খুলে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। নয়া ভারত সরকার সম্পর্কে আশাও প্রকাশ করেন তিনি। দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়েও আশা প্রকাশ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন ট্রুডো? (India Canada Ties)

    ওটাওয়া সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে (India Canada Ties) ট্রুডো বলেন, “এই সম্মেলন মঞ্চের বড় সুযোগ হল বিশ্বের বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ। বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে, বিশেষত ভারতের সঙ্গে। সেখানে লোকের সঙ্গে লোকের বন্ধন রয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল অর্থনৈতিক বন্ধন।” দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে ট্রুডো বলেছিলেন, “আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। সেগুলি কী, তা নিয়ে আমি এখানে কথা বলতে চাই না। তবে আগামিদিনে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করব বলে একমত হয়েছি।”

    ট্রুডোর অভিযোগ

    কানাডায় খুন হয় সন্ত্রাসবাদী হরদীপ সিং নিজ্জর। এই ঘটনায় কানাডা আঙুল তোলে ভারতের দিকে। কানাডার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ট্রুডো বলেছিলেন, “এই ঘটনার নেপথ্যে ভারতের হাত রয়েছে।” অভিযোগ অস্বীকার করে দ্বিতীয় মোদি সরকার বলেছিল, এই দাবির স্বপক্ষে কানাডা প্রমাণ দিতে পারলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বস্তুত, কানাডা এমন কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি। তবে কানাডার এই অভিযোগের পরপর ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকে তলানিতে। তারপর থেকে আর মুখোমুখি হননি মোদি-ট্রুডো। কূটনৈতিক মহলের মতে, সেদিক থেকে দেখতে গেলে জি৭ এর সম্মেলনের ফাঁকে ভারত ও কানাডা দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে যে পার্শ্ব বৈঠক হয়েছে, তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    আর পড়ুন: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    প্রসঙ্গত, বৈঠকের পর দুই রাষ্ট্রনেতার করমর্দনের ছবি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল জি৭ সম্মেলন মঞ্চে।’ ১৩ থেকে ১৫ জুন ইটালির আপুলিয়া অঞ্চলে বসেছিল জি৭ এর সম্মেলন। ভারত জি৭ এর সদস্য দেশ নয়। তবে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ভারতকে (India Canada Ties)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    PM Modi: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের পর ফের মুখোমুখি মোদি-ট্রুডো। খলিস্তানি ইস্যুতে সংঘাতের মধ্যেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দেখা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তা নিয়ে আপাতত বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ইটালিতে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দিয়েছেন মোদি। এখানেই সকলের সঙ্গে খোশ মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পোপ ফ্রান্সিস থেকে শুরু করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মতো অনেক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। 

    ট্রুডো -মোদি সাক্ষাত

    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আসনে বসার পর এটাই মোদির প্রথম বিদেশ সফর। ইটালির প্রধানমন্ত্রীর জর্জিয়া মেলোনির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসাবে ৫০তম জি-৭ সামিটে যোগ দিয়েছেন তিনি। এই সম্মেলনের ফাঁকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হাতে হাত রেখে কথা বলতে দেখা গেল মোদিকে। তবে তার মধ্যে ছিল শীতলতার ছোঁয়া। অন্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন মোদি। কিন্তু ট্রুডোর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শুধু লেখেন, ‘জি৭ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দেখা হল।’  

    খালিস্তানি ইস্যু নিয়ে বিরোধ

    কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক বিরোধ গত বছরের মাঝামাঝি সময় তীব্র হয়েছে। কানাডার বাসিন্দা খালিস্তানপন্থী হরদীপ সিং গুজ্জরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভারতের দিকে আঙুল তোলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি অভিযোগ করেন, নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় এজেন্টরা যুক্ত। ট্রুডোর এই মন্তব্যের পর দুই দেশই কূটনৈতিক সম্পর্কে রাশ টানে। কানাডা কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় ভারতীয় কূটনীতিককে দেশ থেকে বের করে দেয়। ভারতও নয়াদিল্লিতে অবস্থিত কানাডার দূতাবাসের ৪০ জন অফিসারকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে। দুই দেশই ভিসা প্রদান বন্ধ করে দিলেও পরে তা চালু হয়। নয়াদিল্লির অভিযোগ, কানাডার মাটি ভারত বিরোধী শক্তি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের খলিস্থানপন্থীরা ওই দেশকে আশ্রয় করে গোটা বিশ্বে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রমাণ-সহ বলা সত্ত্বেও ট্রুডো সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। 

    মোদি-বাইডেন সাক্ষাৎ

    জি-৭ সম্মেলনের (G7 Summit) মাঝেই শুক্রবার বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন মোদি (PM Modi)। দীর্ঘদিন পর বন্ধুকে দেখে জড়িয়ে ধরেন তিনি। এর পর বৈঠকে বসেন দুজনে। যা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ সবসময়ই খুব আনন্দের। আগামী দিনে দুদেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে ও বিশ্বের উন্নতি সাধনে আমরা একযোগে কাজ করব।’ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে হাসিমুখে দেখা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকেও।

    প্রযুক্তিকে সৃজনশীল করার আহ্বান

    এদিন  জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের একটি অধিবেশনে সারা বিশ্বের  প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একচেটিয়া আধিপত্যের অবসানের কথা বলেন মোদি। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের ভিত্তি স্থাপনের জন্য প্রযুক্তিকে সৃজনশীল করার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপরও বিশেষ জোর দেন। মোদি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে জাতীয় কৌশল তৈরি করা প্রথম কয়েকটি দেশের মধ্যে ভারত রয়েছে। শনিবারই দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Justin Trudeau: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালসা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। টরেন্টোর সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা চলাকালীনই স্বাধীন ও সার্বভৌম খালিস্তান রাষ্ট্রের দাবিতে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে। রবিবারের ওই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ভারত।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক? (Justin Trudeau)

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ঘটনা ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মাস সাতেক আগেই খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের ঘটনায় কানাডার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ভারতকে নিশানা করেছিলেন ট্রুডো (Justin Trudeau)। তার জেরে ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকে তলানিতে। গত সাত মাসেও উন্নতি হয়নি নয়াদিল্লি-অটোয়ার(কানাডার রাজধানী) সম্পর্ক। এহেন পরিস্থিতিতে কানাডার মাটিতে ফের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন মাথা চাড়া দেওয়ায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ ভারত। ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানপন্থীদের এই ‘ঔদ্ধত্য’ ভালো চোখে দেখেনি নয়াদিল্লি।

    কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    সোমবার ভারতে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ ও কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে বলে বলা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে। জানা গিয়েছে, ট্রুডো সরকারের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান প্রিভি কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট হরজিৎ সিং সজ্জন খালিস্তানপন্থী হিসেবেই পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে খালিস্তানপন্থীদের মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কানাডার পার্লামেন্টে একটি সংখ্যালঘু সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রুডো। গদি বাঁচাতে তাঁকে সাহায্য নিতে হচ্ছে নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা জগমীত সিংয়ের। জগমীত নিজেও ঘোষিত খালিস্তানপন্থী। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই ভারতের চাপ সত্ত্বেও কার্যত অসহায় ট্রুডো। তাই খালিস্তানপন্থীদের বিরুদ্ধে ট্রুডো সরকার কড়া কোনও পদক্ষেপ করতে পারছে না বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    কানাডার মাটিতেই খুন হন খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জর। তার পরেই অটোয়ার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ভারতকে আক্রমণ শানান ট্রুডো। ঘটনার জেরে কানাডার এক কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে মোদি সরকার কানাডার এক শীর্ষ কূটনীতিককে পাঁচ দিনের মধ্যে দিল্লি ছাড়ার নির্দেশ দেয়। নিজ্জর খুনে ভারতের যে কোনও হাত নেই, তাও সাফ জানিয়ে দেয় মোদি সরকার (Justin Trudeau)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Canada Relation: ‘ভারত নয়, কানাডার ভোটে নাক গলিয়েছে চিন’, দাবি সেদেশেরই গোয়েন্দা সংস্থার

    India Canada Relation: ‘ভারত নয়, কানাডার ভোটে নাক গলিয়েছে চিন’, দাবি সেদেশেরই গোয়েন্দা সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার সাধারণ নির্বাচনে নাক গলিয়েছে চিন। একবার নয়, অন্তত দু’বার ড্রাগনের দেশ প্রভাবিত করেছে কানাডার ভোটারদের। যে ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষের মনোভাব তৈরি হয়েছে কানাডায়, সে নয়াদিল্লি (India Canada Relation) মাথাই ঘামায়নি কানাডার নির্বাচন নিয়ে। সম্প্রতি এই মর্মে রিপোর্ট দিল কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা ‘কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস’।

    গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট (India Canada Relation)

    কানাডার এই সংস্থা সাফ জানিয়েছে, গত দু’টি সাধারণ নির্বাচনে নাক গলিয়েছে কানাডা। এই দুই নির্বাচনেই জয়ী হয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সংসদে যাঁর একটি বিরূপ মন্তব্যের জেরে সম্প্রতি তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডার সুসম্পর্ক (India Canada Relation)। কানাডার ওই গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি ‘ব্রিফিং টু দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স অফিস অন ফরেন ইন্টারফারেন্স থ্রেটস টু কানাডাজ ডেমক্রেটিক ইনস্টিটিউশনস’ শীর্ষক একটি ডক্যুমেন্ট তৈরি করেছে।

    প্রতারণা করেছে চিন!

    সেখানেই বলা হয়েছে, “আমরা জানি পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না গোপনে ও প্রতারণামূলকভাবে ২০১৯ ও ২০২১ সালের সাধারণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে।” ওই ডক্যুমেন্টে আরও বলা হয়েছে, “২০২১ সালের নির্বাচন মনিটরিং করছিলেন প্রবীণ আধিকারিকরা। তাঁরাও ঘূণাক্ষরে জানাননি যে ভারত কোনওভাবেই ওই নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করেনি।” অথচ কিছু দিন আগে কানাডার এই গোয়েন্দা সংস্থাই দাবি করেছিল, ভারত ও পাকিস্তান প্রাচ্যের এই দুই দেশ কানাডায় উনিশ ও একুশের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছিল (India Canada Relation)।

    কানাডার এই গোয়েন্দা সংস্থার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, ভারত অন্য কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলায় না। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “কানাডার নির্বাচনে ভারতের হস্তক্ষেপের যে অভিযোগ উঠেছিল, তা যে সর্বৈব ভিত্তিহীন, তা আমরা আগেই জানিয়েছিলাম। অন্য দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভারত হস্তক্ষেপ করবে, এমন নীতি আমাদের নয়। প্রকৃতপক্ষে, কানাডাই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার চর্চা করে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘নাক গলাব না, আলোচনায় মিটিয়ে নিন’’, পাকিস্তানকে বার্তা মার্কিন প্রশাসনের

    চিন ছাড়াও রাশিয়া এবং ইরানও কানাডার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার ওই ডক্যুমেন্টে (India Canada Relation)। প্রসঙ্গত, চিন যে অন্য দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করে সম্প্রতি অন্য একটি রিপোর্টেও দাবি করা হয়েছিল। চলতি বছরই নির্বাচন রয়েছে ভারত ও আমেরিকায়। চিন এই দুই দেশের ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে বলে সতর্ক করেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share