Tag: Justin Trudeau

Justin Trudeau

  • India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কথা মানতে চলেছে কানাডা (India-Canada Row)। ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য দেশে থাকা কানাডার কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য জাস্টিন ট্রুডো সরকারকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত। সেই মতোই কানাডা সরকার ভারত থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুরে পাঠাচ্ছে। ধাপে ধাপে তাঁদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। 

    ভারতের নির্দেশ মানল কানাডা

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার কানাডার (India-Canada Row) ৪১ জন কূটনৈতিককে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। ভারতে এই মুহূর্তে ৬২ জন কানাডার কূটনীতিবিদ ছিল কানাডায় বর্তমানে ২০ জন ভারতীয় কূটনীতিক রয়েছেন। তাই ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য কানাডার সেই সংখ্যক কূটনীতিকদেরই ভারতে থাকার বিষয়ে ট্রুডো সরকারের সঙ্গে কথা বলেছিল দিল্লি। ভারত জানিয়ে দিয়েছিল, ১০ অক্টোবরের মধ্যে ভারত থেকে অতিরিক্ত কূটনীতিকদের সরিয়ে নিতে হবে কানাডাকে। সেই মতোই নাকি ভারতে থাকা বেশিরভাগ কূটনীতিকদের সরিয়ে নিল কানাডা। 

    আরও পড়ুন: স্বপ্নপূরণ প্রধানমন্ত্রীর! এশিয়ান গেমসে শত পদক, ভারতের খেলাধুলোয় ইতিহাস

    ভারতে কানাডার সেনেটের স্পিকার

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং কানাডার (India-Canada Row) সম্পর্ক বর্তমানে একদম তলানিতে এসে ঠেকেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দুই দেশের কূটনৈতিকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধাক্কা খেয়েছে। সদ্য ভারতে হওয়া জি ২০ সম্মেলনে এসেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফিরে তিনি বলেন, কানাডায় হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত রয়েছে ভারতীয় এজেন্টরা। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রক সঙ্গে সঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এই আবহে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিক করার জন্য দু’তরফেরই কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত। আগামী ১২ তারিখ (চলবে ১৪ তারিখ পর্যন্ত) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলছে জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির স্পিকারদের সম্মেলন। সেখানে আসছেন কানাডার সেনেটের স্পিকার রেমন্ড গ্যাগনে। এ ব্যাপারে পাকা কথা হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সূত্রের দাবি, ওই সম্মেলনে আসার কথা ছিল কানাডার সংসদীয় নিম্ন কক্ষের (হাউস অব কমন্স) নব মনোনীত অধ্যক্ষ গ্রেগ ফার্গুস-এর। কিন্তু কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্ট্রিন ট্রুডোর ঘনিষ্ঠ, লিবারাল পার্টির সাংসদ গ্রেগ ফার্গুস নিজেও কানাডার শিখ সম্প্র‍দায়, বিশেষ করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতি ‘সহানুভূতিশীল’ বলে পরিচিত। তাই বিতর্ক এড়াতে তাঁর জায়গায় রেমন্ড গ্যাগনেকেই দিল্লি পাঠাতে মনস্থ করেছেন ট্রুডো। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    Justin Trudeau: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন নাইট ক্লাবের বাউন্সার (Justin Trudeau)। শখের বশে বক্সিংও খেলতেন। দিয়েছেন স্নোবোর্ড প্রশিক্ষণও। অভিনয় করেছেন একটি সিনেমায়ও। পরে বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতিতে আসেন। তবে বাউন্সার হিসেবে কাজ করার সময় তিনি কোকেনের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েন বলে দাবি নেটিজেনদের একাংশের।

    একা হয়ে পড়ছেন ট্রুডো!

    আজও সেই নেশার কবল থেকে বের হতে পারেননি তিনি। এত গুণের আধার যিনি, তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে দিন কয়েক আগে যিনি খাস সংসদে দাঁড়িয়ে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন ভারতের দিকে। এই ইস্যুতে ট্রুডোকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলে দেগে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’র সদস্য হওয়া সত্ত্বেও যাঁর পাশে দাঁড়ায়নি আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ব্রিটেন।

    সর্বনাশা কোকেনের নেশা

    সর্বনাশা কোকেনের নেশা যে ট্রুডোর (Justin Trudeau) পিছন ছাড়েনি, তার প্রমাণ মিলেছে সম্প্রতি ভারতের এক কূটনীতিকের দাবিতে। জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন ট্রুডো। সেই সময় তিনি বিমান ভর্তি করে কোকেন নিয়ে এসেছিলেন বলে দাবি ভারতীয় কূটনীতিক দীপক ভোরার। অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে কানাডা সরকার।

    বছর কয়েক আগে প্রকাশিত হয় ট্রুডোর আত্মজীবনী। সেখানে শখের বক্সিং শেখার প্রসঙ্গের উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেছেন, “কীভাবে লড়াই করে এগিয়ে যেতে হয়, তা বক্সিং থেকে শিখেছি। ওখানে বিষাক্ত পাঞ্চগুলি এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল আয়ত্ত করতে হয়েছিল। পরবর্তীকালে যা আমাকে কূটনীতি বুঝতে সাহায্য করে। যাবতীয় সতর্কতার পরেও ঘুষি লাগলে বুঝতে হবে আপনার কূটনীতি ব্যর্থ হতে চলেছে।”

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    সুদানের প্রাক্তন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীপক ভোরার দাবি, চলতি মাসে জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে আসা কানাডার প্রধানমন্ত্রীর বিমান কোকেনে ভর্তি ছিল। দু’ দিন নিজের ঘর থেকে বের হতে পারেননি তিনি। ভোরা বলেন, “শিশুদের মতো আচরণ করছিলেন ট্রুডো। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে তাঁর কোনও খেয়ালই ছিল না। তাঁকে বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত লাগছিল।” তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী ওঁকে দিল্লি বিমানবন্দরে দেখেছে। ও জানিয়েছে, ট্রুডোকে তখন মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন বলে মনে হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, ট্রুডোর বিমানে ভর্তি ছিল কোকেন। তিনি রাষ্ট্রপতির নৈশাহারেও যাননি। কেউ কেউ বলছেন, ড্রাগ নেওয়ার কারণে তাঁর কোনও হুঁশ ছিল না।” ভোরা বলেন, “জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফরে এসে তিনি একাকীত্ব বোধ করছিলেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Canada Row: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    India Canada Row: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি জঙ্গি খুনে ভারতের দিকে আঙুল তুলে বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে কানাডা (India Canada Row)। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে ‘মিথ্যেবাদী’ তকমা দিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে শ্রীলঙ্কা। খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে সাদামাটা একটা বিবৃতি দিলেও, ভারতকে চটাল না ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্স।

    ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্স

    আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদানের প্লাটফর্ম হল ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্স। নিজ্জর খুনে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, ভারতের বিরুদ্ধে কোনও কড়া প্রতিক্রিয়া দেয়নি আমেরিকা। জো বাইডেনের দেশের পন্থা অবলম্বন করেছে কানাডা ছাড়া ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সের বাকি চারটি দেশও।

    স্বার্থের কারণে কানাডার পাশে নেই অস্ট্রেলিয়াও

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতকে ঢাল করে চিনের বিরুদ্ধে জোট মজবুত করতে চাইছে আমেরিকা। এজন্য নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চাইছে না আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড। তাছাড়া আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের পাশাপাশি কোয়াড গ্রুপে রয়েছে ভারতও। সেই কারণেই কানাডার পাশে দাঁড়ায়নি ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সের চার (India Canada Row) দেশ। আবার দক্ষিণ চিন সাগরে চিনকে রুখতে গেলে ভারতকে পাশে পাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করে অস্ট্রেলিয়া। সেই কারণে কানাডার পাশে নেই অস্ট্রেলিয়াও।

    অটোয়াজ কার্লেটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক স্টেফানি কার্ভিন বলেন, “পশ্চিমি বিশ্বের হিসেবে চিনের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে তাদের প্রয়োজন ভারতকে, কানাডাকে নয়। সেই কারণেই পশ্চিমি বিশ্বের দেশগুলি কানাডার পাশে দাঁড়ায়নি।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার ৩ নম্বরে চলে আসবে ভারত। সেই কারণেও নয়াদিল্লিকে চটাতে চাইছে না পশ্চিমের কোনও দেশ।

    আরও পড়ুুন: “রাজনৈতিক স্বার্থে সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেওয়া কাম্য নয়”, কানাডাকে নিশানা জয়শঙ্করের

    অথচ নিজ্জর খুনে ভারতকে দোষী সাব্যস্ত করতে হলে ‘বন্ধু’ কোনও দেশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সমর্থন পাচ্ছে না ট্রুডোর দেশ। জঙ্গি খুনে কানাডা মিথ্যে বলছে বলে জানিয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ (India Canada Row) প্রকাশ করেছেন ট্রুডোর দলেরই সাংসদ চন্দ্র আর্য। যার জেরে ক্রমেই নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছেন ট্রুডো। নাম প্রকাশ করা হবে না এই শর্তে ভারতের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ভারত যে কানাডাকে সাহায্য করতে প্রস্তুত, আমরা তা পরিষ্কার করে দিয়েছি। তবে কোনও প্রমাণ যদি সামনে আসে তাহলেই সেটা করা সম্ভব। কানাডা কখনওই ভারতকে সাহায্য করেনি। বরং ভারত থেকে পালিয়ে যাওয়া গ্যাংস্টারদের আশ্রয় দিয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: জঙ্গি খুনে ভারতকে দুষে বিপাকে ট্রুডো, প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁকে চাইছেন না সিংহভাগ কানাডাবাসীই!

    Justin Trudeau: জঙ্গি খুনে ভারতকে দুষে বিপাকে ট্রুডো, প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁকে চাইছেন না সিংহভাগ কানাডাবাসীই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি জঙ্গি হত্যায় ভারতের হাত রয়েছে বলে বিপাকে কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর (Justin Trudeau) সরকার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত-কানাডা সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। তার জেরে আরও গাড্ডায় ট্রুডো সরকার! সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে,  বর্তমানে দেশের ৪০ শতাংশ ভোটার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন কনজার্ভেটিভ পার্টির নেতা পিরি পয়লিভারকে। তাঁর পেছনে রয়েছেন ট্রুডো। আইপিএসওএস নামের এক সংস্থার করা সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। ২০২৫ সালে কানাডায় হবে সাধারণ নির্বাচন। কনজার্ভেটিভ পার্টির নেতাদেরও দাবি, ওই নির্বাচনে দেশের রাশ তাঁদের হাতে আসার চান্স সব চেয়ে বেশি।

    পিরি পয়লিভারকে প্রধানমন্ত্রী চান সিংহভাগ মানুষ 

    সমীক্ষায় যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ৪০ শতাংশ পিরিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইলেও, ট্রুডোকে (Justin Trudeau) ওই পদে দেখতে চেয়েছেন মাত্র ৩১ শতাংশ মানুষ। ২২ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চেয়েছেন এনডিপি (NDP) নেতা জগমিত সিংহকে। খালিস্তানিদের প্রতি সংবেদনশীল জগমিত। তাঁর দল রয়েছে ট্রুডোর সরকারে। তবে এই তিনজনের মধ্যে পিরিই সেরা বলে মনে করেছেন সিংহভাগ কানাডাবাসী। তাঁদের মতে, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং বাসস্থান এই তিন ক্ষেত্রেই পিরির পরিকল্পনাও সেরা।

    জঙ্গি খুনে ভারতকে দুষছেন ট্রুডো

    গত জুন মাসে প্রকাশ্যে খুন হন খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। এই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে ট্রুডো সরকার। যদিও অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ চায় ভারত। প্রমাণ চেয়েছেন পিরিও। তিনি বলেন, “আমি মনে করি সমস্ত ঘটনাটা প্রধানমন্ত্রীর খুলে বলা প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই যেসব প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তা আমাদের জানা প্রয়োজন। যাতে করে কানাডাবাসী ঠিকঠাক বিচার-বিবেচনা করতে পারেন।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। তিনি কেবল একটি বিবৃতি দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: মুখ পুড়েছে চিনের! অরুণাচল প্রদেশের তিন ক্রীড়াবিদকে ভিসা দিল না বেজিং, ক্ষোভ ভারতের

    সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, কিউবেক ছাড়া কানাডার সব প্রদেশেই ট্রুডোর (Justin Trudeau) চেয়ে প্রধামন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন পিরি। অন্টারিওর ৪২ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চান পিরিকে। আর ট্রুডোকে ওই পদে চান ৩৮ শতাংশ মানুষ। প্রসঙ্গত, লিবারেল পার্টির নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর নেতৃত্বে কানাডায় চলছে জোট সরকার। এই সরকারে রয়েছে খালিস্তানিদের প্রতি সংবেদনশীল এনডিপি। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের মতে, তাই জোট রাজনীতির বাধ্যবাধকতার কারণে এবং নিজের গদি বাঁচাতে জঙ্গি খুনে ভারতকে দুষছেন ট্রুডো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কানাডা সব সময় পদক্ষেপ করেছে”, বললেন ট্রুডো

    Justin Trudeau: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কানাডা সব সময় পদক্ষেপ করেছে”, বললেন ট্রুডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কানাডা সব সময় কঠোর পদক্ষেপ করেছে।” বৃহস্পতিবার এমনই দাবি করলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। কানাডার অটোয়ায় ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মীদের হুমকি দিয়েছে খালিস্থানপন্থীরা। ওই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ভারত। কানাডায় খালিস্তানিপন্থীদের বাড়বাড়ন্তের জন্য সে দেশের রাজনীতিকেই দায়ী করেছিল ভারত। সেই অভিযোগেরই এদিন জবাব দিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

    হিংসার বিরোধী কানাডা!

    ট্রুডো বলেন, “ওরা (ভারত) ভুল বলছে। হিংসা এবং হিংসার হুমকির ক্ষেত্রে কানাডা বরাবর কঠোর পদক্ষেপ করেছে। আমরা সব সময় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ করেছি। এবং আগামী দিনেও তা করব।” দিন কয়েক আগে কানাডার একটি গুরুদ্বারের ভিতরেই গুলি করে খুন করা হয় খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জারকে। তার পর থেকে সে দেশের খালিস্তানপন্থীরা ভারতের বিরুদ্ধে আরও বেশি করে সুর চড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভারতই খুন করিয়েছে নিজ্জারকে।

    ‘কিল ইন্ডিয়া’ পোস্টার

    এই আবহেই কানাডায় নিযুক্ত দূতাবাস কর্মীদের ছবি প্রকাশ করে ‘কিল ইন্ডিয়া’ পোস্টার সাঁটায় খালিস্তানপন্থীরা। তার পরেই ভারতের তরফে দেওয়া হয় কড়া প্রতিক্রিয়া। যে প্রতিক্রিয়ার পাল্টা দিতে গিয়ে এদিন ট্রুডো (Justin Trudeau) বলেন ওই কথা। তিনি বলেন, “কানাডা সব ধরনের হিংসার বিরোধী। এই বিষয়টি আমরা সব সময় গুরুত্ব দিয়ে দেখি।” কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে বহুস্বর রয়েছে। আমরা বাক স্বাধীনতাকে মূল্যও দিই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমরা হিংসাকে প্রশ্রয় দিই। আমরা বরাবর হিংসার বিরোধী। উগ্রপন্থার যে কোনও রূপেরই আমরা বিরোধী।”

    ট্রুডোর (Justin Trudeau) সুর শোনা গিয়েছে কানাডার বিদেশমন্ত্রী মেলানি জলির গলায়ও। তিনি বলেন, “হাতে গোণা কয়েকজন মানুষ একটা গোটা সম্প্রদায় কিংবা কানাডার কথা বলে না।” এদিকে, ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, কানাডা এবং অন্যত্র বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার করছে ভারত-বিরোধীরা। ৮ জুলাই টরেন্টোয় খালিস্তান স্বাধীনতা মিছিল করবেন খালিস্তানপন্থীরা। ‘কিল ইন্ডিয়া’ পোস্টারেও নিজ্জার খুনে টরেন্টোয় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সঞ্জয় কুমার ভার্মা এবং কাউন্সেল জেনারেল অফ ইন্ডিয়া অপূর্ব শ্রীবাস্তবকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই বিদেশমন্ত্রকের তরফে দেওয়া হল কড়া প্রতিক্রিয়া।

    আরও পড়ুুন: “এখনও সময় আছে রাজধর্ম পালন করুন”, রাজীবকে হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share