Tag: Kashmir

Kashmir

  • Saffron Cultivation: কাশ্মীরের মতো এবার বাংলায় চাষ হবে কেশর, জানালো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    Saffron Cultivation: কাশ্মীরের মতো এবার বাংলায় চাষ হবে কেশর, জানালো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু কাশ্মীরে নয় এবার থেকে বাংলায়ও চাষ হবে কেশর (Saffron Cultivation)। উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই নিয়ে পরীক্ষামূলক গবেষণায় সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। উত্তরবঙ্গে চাষিদেরকে এই ফলনের জন্য দিশা দেখাবে সেন্টার অফ ফ্লোরিকালচার অ্যান্ড এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট বা কোফাম বিভাগ। চাষিরাও কেশর চাষে অত্যন্ত উৎসাহী বলে জানা গিয়েছে।   

    কোফাম বিভগের উদ্যোগ (Saffron Cultivation)

    উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোফাম বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাহাড়ে এই কেশরের (Saffron Cultivation) চাষ বিশেষ উপযুক্ত হবে। বিশেষ করে কালিম্পংয়ে পরীক্ষালব্ধ ভাবে চাষের সাফল্য পেয়েছে। কাশ্মীর থেকে বীজ এনে এবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগে চাষ করা হচ্ছে। যদিও বাংলার জলবায়ু এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে কেশর চাষ করা খুব একটা উপযুক্ত নয়। কিন্তু এই অসাধ্য কাজকে সাধন করেছে কোফাম বিভাগ।

    মাত্র ১০০ বর্গ ফুট ছোট্ট জমিতে করা যাবে চাষ

    খুব বেশি বড় জায়গা দরকার নেই স্যাফ্রন বা কেশর (Saffron Cultivation) চাষের জন্য। মাত্র ১০০ বর্গ ফুটের মধ্যে ঘর থাকলেই কেশর চাষ করা যাবে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, খুব কম জায়গায় বেকার যুবক-যুবতীরা চাষ করেও ব্যাপক আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পারবেন। মাত্র ১৫ দিনেই চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিম্পংয়ের দাঁড়াগাঁও এলাকায় আশিটি বীজ দিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করা হয়।

    তিনটি পদ্ধতিতে চাষ করা হবে

    সূত্রে জানা গিয়েছে, কেশর (Saffron Cultivation) চাষ তিনটি ক্ষেত্রে পদ্ধতি মেনে চাষ করা হবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে, দ্বিতীয়টি কালিম্পংয়ে এবং তৃতীয়টি হল হাইড্রোফোনিক পদ্ধতিতে চাষ করা হবে। এই কেশর চাষের প্রশিক্ষণ উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া হবে। সাধারণত অক্টোবর মাসে কেশরের বীজে ফলন ফলানো হবে। ফুল পেতে সময় লাগবে ১৫ থেকে ২০ দিন।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোফাম বিভাগের বায়ো টেকনিস্ট অমরেন্দ্র পাণ্ডে বলেছেন, “১০০ বর্গফুট জায়গায় ১০০০ গাছ লাগানো যাবে। বাজারে ১ কেজি কেশরের দাম ৩ লাখ টাকা। পাহাড়ে এই কেশরের চাষ ভালো হবে। পরীক্ষায় আরও সফলতা আসলে সমতলেও চাষের চেষ্টা করা হবে।”এই প্রসঙ্গে কৃষক মহেন্দ্র ছেত্রী বলেন, “কেশর (Saffron Cultivation) খুব লাভ জনক ফলন শুনেছি। আগেও চাষের কথা ভেবে ছিলাম। কিন্তু বীজ পাইনি। বিশ্ববিদ্যালয় বীজ দিয়েও আমাকে সাহায্য করেছে। চাষের সাফল্যে আমি আরও খুশি হবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Army: প্রিয়তমার কাছে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন কাশ্মীরে নিহত বাংলার জওয়ান

    Army: প্রিয়তমার কাছে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন কাশ্মীরে নিহত বাংলার জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে মৃতদেহ পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে দার্জিলিংয়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তি এলাকা। গ্রামের গর্ব শহিদ সেনা (Army) জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে রবিবার সকাল থেকেই ব্যস্ত পাহাড়ি এই গ্রাম। কাতারে কাতারে মানুষের ভিড়। কারও মুখে কথা নেই। সবার দু চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে জল। কাশ্মীর সীমান্তে জঙ্গি হামলায় নিহত সেনা (Army) জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রী প্রায় দুমাস আগে বিয়ে করেছেন। সংসার গোছানোর আগেই ভেঙে গেল। স্বামীর শোকে মূর্ছা যাচ্ছেন স্ত্রী প্রজ্ঞাদেবী। আর ছেলের মৃতদেহ আঁকড়ে কেঁদে চলেছেন বাবা খরকাবাহাদুর ছেত্রী ও  মা দেওকুমারী দেবী।

    কাঁদছে গোটা গ্রাম

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ এপ্রিল বিয়ের পর সবাইকে হাসিমুখে বিদায় জানিয়ে কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সিদ্ধান্ত। পৌঁছে ফোন করে বাড়ির সকলের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি। কাশ্মীরের রিজৌরি সীমান্তে অভিযানে যাওয়ার আগে পর্যন্তও ফোনে কথা  হয়েছিল স্ত্রী ও পরিবারের সকলের সঙ্গে। শেষ ফোনে জানিয়েছিলেন, অভিযান থেকে ফিরে শনিবার ফোন করবেন। একদিন আগেই তাঁর ইউনিট থেকে ফোন আসে দার্জিলিংয়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তির ছেত্রীবাড়িতে। কিন্তু সেই ফোনের অপরপ্রান্তে সিদ্ধান্তের গলা শোনা যায়নি। সেনা (Army) দফতরের এক আধিকারিকের কন্ঠে ভেসে আসে সেই মর্মান্তিক সংবাদ, জঙ্গি হামলায় মারা গিয়েছেন ২৫ বছরের তরতাজা জওয়ান সিদ্ধান্ত ছেত্রী। শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দর হয়ে রাতে কিজোমাবস্তিতে সিদ্ধান্তের কফিনবন্দি দেহ পৌঁছতে গোটা গ্রাম কান্নায় ভেঙে পড়ে। গ্রামের গর্ব সিদ্ধান্তকে শেষবারের জন্য একটু দেখা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য। রবিবার ভোরের আলো ফুটতেই সেই শোক মিছিল ক্রমশ লম্বা হতে শুরু করে। শুধু কিজোমাবস্তিই নয়। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আশপাশ এলাকা থেকেও আসেন বহু মানুষ।

    কী বললেন নিহত সেনা (Army)  জওয়ানের পরিবারের লোকজন?

    সিদ্ধান্তের জামাইবাবু বিক্রম থাপা বলেন, এর আগেও সিদ্ধান্ত বহুবার অভিযানে গিয়েছে। সফল হয়ে ফিরেই আমাদের সকলের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছে। দুমাস আগে বিয়ে হয়েছিল। সবার সঙ্গে মিশে হাসি-ঠাট্টা করে গত ১৪ এপ্রিল কাজে যোগ দিতে যাওয়ার সময় বলেছিল, মাসখানেক বাদে আবার ফিরে আসবে। সেই আশাতেই আমরা ছিলাম। আর সদ্য বিবাহিতা প্রজ্ঞা এক বুক স্বপ্ন নিয়ে স্বামীর প্রত্যাশায় বসেছিলেন। সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গেল। সিদ্ধান্তের দিদি চন্দ্রকলা ছেত্রী কাঁদতে কাঁদতে বললেন, আমার ভাই দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে। এ তো আমাদের গর্ব। কিন্তু এত অল্প বয়সে, সদ্য সংসার পাতার পরপর এভাবে চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারছি না।

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল শেষকৃত্য

    শনিবার বিমানে বাগডোগরা বিমানবন্দরে কফিনবন্দি হয়ে সিদ্ধান্তের দেহ পৌঁছতে স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও সেনা (Army) বিভাগের তরফে গান স্যালুট দিয়ে সিদ্ধান্তকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। তারপর কফিনবন্দি দেহ রওনা হয় পাহাড়ের বিজনবাড়ির কিজোমাবস্তির উদ্দেশে। রাতে মৃতদেহ পৌঁছতেই শোকস্তব্ধ গ্রাম কান্নায় ডুকরে ওঠে। সিদ্ধান্তের বাবা খরকাবাহাদুর, মা দেওকুমারী দেবী সারা রাত ছেলের কফিনবন্দি দেহ আগলে বসেছিলেন। এদিন সকালেও তাঁদের সেখান থেকে সরানো যায়নি। এদিকে সেনা (Army) ও জেলা প্রশাসনের তরফে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন করার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। আর কয়েক ঘণ্টা বাদেই চিরতরে হারিয়ে যাবে সিদ্ধান্ত। গান স্যালুট, তোপধ্বনি এই পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খেয়ে খেয়ে ছড়িয়ে দেবে শেষ শোকবার্তা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kulwant Singh: কার্গিল যুদ্ধে জীবন বলিদান দিয়েছিলেন বাবা, এবার শহিদ হলেন ছেলে কুলওয়ান্ত

    Kulwant Singh: কার্গিল যুদ্ধে জীবন বলিদান দিয়েছিলেন বাবা, এবার শহিদ হলেন ছেলে কুলওয়ান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন বাবা। এবার সেই একই কারণে প্রাণ বলি দিলেন ছেলে। বাবা ও ছেলের আত্মবলিদানের মাঝে পেরিয়ে গিয়েছে ২৪টা বছর। হ্যাঁ, কথা হচ্ছে পুঞ্চে নিহত ল্যান্স নায়েক কুলওয়ান্ত সিংহ (Kulwant Singh) প্রসঙ্গে। ১৯৯৯ সালে হয়েছিল কার্গিল (Kargil) যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন কুলওয়ান্ত সিংহের বাবা। দিন দুই আগে পুঞ্চে সেনাবাহিনীর ট্রাকে যে জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়েছেন পাঁচ ভারতীয় জওয়ান, তাতে প্রাণ হারিয়েছেন কুলওয়ান্ত স্বয়ং।

    কুলওয়ান্ত সিংহ (Kulwant Singh) কী বলেছিলেন?

    বাবার আত্মবলিদানের ১১ বছর পরে, ২০১০ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন ল্যান্স নায়েক কুলওয়ান্ত। বাড়ি ছাড়ার আগে মাকে তিনি বলেছিলেন, উদ্বিগ্ন হয়ো না, আমি ভালই থাকব। সেই ভাল থাকা আর হল না, আক্ষেপ কুলওয়ান্তের মায়ের। পঞ্জাবের মোগার ছাদিক গ্রামে রয়েছে কুলওয়ান্তের পরিবার। মা এবং স্ত্রী ছাড়াও পরিবারে রয়েছে বছর দেড়েকের শিশুকন্যা এবং মাস তিনেকের শিশুপুত্র। গ্রামের সরপঞ্চ জানান, পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য ছিলেন কুলওয়ান্ত। তিনি বলেন, কুলওয়ান্তের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসা উচিত সরকারের।

    পুঞ্চের রাজৌরি সেক্টরে সেনাবাহিনীর একটি ট্রাকে গ্রেনেড হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গিরা। গ্রেনেড হামলার আগে তারা ওই ট্রাক লক্ষ্য করে গুলিও ছোড়ে। গ্রেনেডের (Kulwant Singh) ঘায়ে আগুন ধরে যায় ট্রাকটিতে। জীবন্ত দগ্ধ হন রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের পাঁচ জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। ওই ঘটনার পরে পরেই এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয় জঙ্গিদের খোঁজে। যদিও এখনও গ্রেফতার করা যায়নি কাউকে।

    আরও পড়ুুন: পুলিশের জালে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা অমৃতপাল সিংহ

    সেনা সূত্রে খবর, সেনা এবং নিরাপত্তা বাহিনী জানতে পেরেছে ঘটনার সময় রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকায় দুটি দলে ভাগ হয়ে হামলা চালায় ৬-৭ জন জঙ্গি। তার জেরেই শহিদ হয়েছেন পাঁচ জওয়ান। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনা, পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থা। নামানো হয়েছে হেলিকপ্টার এবং ড্রোনও। প্রসঙ্গত, পুঞ্চে যে পাঁচ জওয়ান শহিদ হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে চারজনই পঞ্জাবের বাসিন্দা (Kulwant Singh)। একজন পুরীর। পঞ্জাবের যে চারজন প্রাণ বলি দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যেই ছিলেন কুলওয়ান্তও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashmir: কাশ্মীরে তুষারঝড়ের কবলে পড়ে নিহত দুই বিদেশি পর্যটক

    Kashmir: কাশ্মীরে তুষারঝড়ের কবলে পড়ে নিহত দুই বিদেশি পর্যটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষার ধসের কারণে জম্মু-কাশ্মীরের (Kashmir) গুলমার্গে দুই বিদেশি পর্যটকের মৃত্যু। জানা গিয়েছে ওই দুই পর্যটকের বাড়ি পোল্যান্ডে। ১৯ জন বিদেশি পর্যটককে  উদ্ধার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বারামুলা পুলিশ সূত্রে খবর, গুলমার্গের পর্যটন কেন্দ্র হাপাথখুদ আফারওয়াতে হঠাৎ করেই তুষার ধস নামে। এর ফলে বরফের তলায় চাপা পড়েন বিদেশি পর্যটকরা। পরে তাঁদের মধ্যে ১৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও মৃত্যু হয় দু’জনের।

    লাদাখেও একই ঘটনা ঘটে গত রবিবার

     প্রসঙ্গত, গত রবিবার লাদাখের কার্গিলে একইরকমের তুষার ধসের কারণে  মৃত্যু হয় মা ও তাঁর কিশোরী মেয়ের। সেই ঘটনার দু’দিনের মাথায় এবার তুষার ধসে মৃত্যু হল দুই বিদেশি পর্যটকের। গত কয়েকদিন ধরেই কাশ্মীরের (Kashmir) বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে তুষারপাত। 

    আরও পড়ুন: বাজেটে গোবর্ধন প্রকল্পে বরাদ্দ ১০,০০০ কোটি, জানেন এই প্রকল্প আসলে কী?

    শোকজ্ঞাপন করলেন কাশ্মীরের (Kashmir)  লেফটেন্যান্ট গভর্নর
     

    এই ঘটনায় গভীর শোকজ্ঞাপন করেছেন মনোজ সিনহা, নিজের ট্যুইটারে তিনি লেখেন, আমি মর্মাহত এই ঘটনায়। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তুষারঝড়ের এই ঘটনায় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদেরকে সমস্ত রকমের সহযোগিতা করবে কাশ্মীরের প্রশাসন।

  • Kashmir: কাশ্মীরের প্রত্যন্ত গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছাল স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর   

    Kashmir: কাশ্মীরের প্রত্যন্ত গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছাল স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূ-স্বর্গের (Kashmir) ছোট্ট গ্রাম তেথান। সবমিলিয়ে ২০০ পরিবারের বাস গ্রামে। পার্বত্য উপত্যকার এই গ্রামে সূর্য ও চাঁদ ছাড়া বাকি কোনও আলোর উৎস ছিলনা এতদিন। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে, মোদি সরকারের প্রাইম মিনিস্টার ডেভলপমেন্ট প্যাকেজ স্কিমের দৌলতে গ্রামে প্রথম এল বৈদ্যুতিক সংযোগ। দক্ষিণ কাশ্মীরের (Kashmir) অনন্তনাগ জেলার ডোরু ব্লকের এই প্রত্যন্ত গ্রাম এতদিন অবধি বঞ্চিত ছিল বৈদ্যুতিক সুবিধা থেকে, এবার সে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়াতে স্বভাবতই খুশি হয়েছেন গ্রামবাসীরা। সমগ্র এলাকাতে কোনও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার কারণে রাত্রিতে বেশিরভাগ বাড়িই অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকতো, সূর্য ডোবার পরে আলোর উৎস বলতে জ্বলতো হ্যারিকেন, লন্ঠন। কোনও কোনও বাড়িতে কাঠও জ্বালানো হত।

    গ্রামবাসীরা ধন্যবাদ জানাচ্ছেন মোদি সরকারকে…..
     
     

    উচ্ছ্বসিত গ্রামবাসীরা বৈদ্যুতিক সংযোগ পাওয়ার পরে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন মোদি সরকারকে। জনৈক গ্রামবাসী বলেন, ” আমাদের গ্রামকে অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছে, শুধুমাত্র বিদ্যুৎ না থাকার কারণে। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে এই সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়েছে। স্থায়ী সমাধান হওয়ার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে”। জাফর খান নামের অপর একজন গ্রামবাসী বলেন, ” আমার ৬০ বছর বয়স হয়ে গেল, জন্মের পর গ্রামে প্রথমবারের জন্য বিদ্যুৎ-এর আলো দেখব, এটা ভাবলেই আনন্দ হচ্ছে। আমি দেখলাম অনেক গ্রামবাসী আবার আনন্দে নাচছে। এটাই স্বাভাবিক”।

    অনন্তনাগ শহর থেকে এই গ্রামের দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিমি। দ্রুততার সঙ্গে সমস্ত প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ করার জন্য গ্রামবাসীরা এদিন ধন্যবাদ জানান বৈদ্যুতিক বিভাগকেও। বৈদ্যুতিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৬৩ (KV) ট্রান্সফর্ম এখানে দেওয়া হয়েছে, সঙ্গে রয়েছে ৩৮টি হাইটেনশন তার। সমগ্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্যবহার করা হয়েছে ৯৭টি মতো বৈদ্যুতিক স্তম্ভ।

    আরও পড়ুন: এক হাজার কোটি টাকার পুরনো নোট বদলেছিলেন ‘ভাইপো’! বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

      

  • Amit Shah: “হিন্দু হোক বা মুসলিম, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা ভারতীয়”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “হিন্দু হোক বা মুসলিম, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা ভারতীয়”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (POK) ভারতের অংশ এবং এখানকার জনগণ হিন্দু হোক বা মুসলিম তাঁরা ভারতীয়ই। পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা তাঁদের ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ভারতীয়ই, বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধন আইন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে শুক্রবার এই দাবি করেন শাহ। 

    প্রসঙ্গ সিএএ

    ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই দেশগুলি থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি সিএএ-তে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এই আইনে মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্তদের কথা বলা হয়নি, এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “তিনটি দেশই ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং মুসলমানরা নিপীড়নের মুখোমুখি হতে পারে না।” 

    সকলেই ভারতীয়

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, দেশভাগের সময় প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু সহ কংগ্রেস নেতারা বলেছিলেন যে, পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের ভারতে স্বাগত জানানো হবে। দেশভাগের সময় পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ২৩ শতাংশ ছিল। সেখান থেকে কমে এখন ৩.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে, ১৯৫১ সালে বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা ২২ শতাংশ ছিল। ২০১১ সালে তা কমে ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ১৯৯২ সালে আফগানিস্তানে শিখ ও হিন্দুদের সংখ্যা ২ লাখ ছিল। আজ মাত্র ৫০০-তে ঠেকেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন, কোথায় গেলেন বাকিরা? ভারতে তো তাঁরা আসেননি। অর্থাৎ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ হয়েছে। কংগ্রেস নেতারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি সরকার তা পূরণ করেছে। কিন্তু পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) ক্ষেত্রে এই বিষয়টি খাটে না বলেও মত দেন শাহ। তিনি বলেন, “পাক অধিকৃত কাশ্মীর হামারা হ্যায়। ওটা ভারতের, তাই ওখানকার সকল বাসিন্দা, হিন্দু হোক বা মুসলিম তাঁরা সকলেই ভারতীয়।”

    আরও পড়ুন: আরএসএস-এর শিবিরগুলির প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে এল বেশ কিছু পরিবর্তন

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গ

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর (POK) ভারতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রসঙ্গে অতীতে একাধিকবার শোনা গিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের কথায়। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় ২৪টি আসনও সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে গত কয়েক বছর ধরেই আন্দোলন চলছে। এমনকি বালুচিস্তানেও এ ধরনের একাধিক প্রতিবাদ হয়েছে। পাকিস্তান নয় ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবিও উঠেছে পিওকে থেকে। ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পর কাশ্মীরে পরিস্থিতির যে উন্নতি হয়েছে, সে কথাও স্মরণ করিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু তার জন্য আতঙ্কবাদকে কোনও ভাবেই রেয়াত না করার কথা শোনা গিয়েছে শাহের বক্তব্যে। ভারতের ক্ষতি করার কেউ চেষ্টা করলে পাল্টা জোরাল জবাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi In Kashmir: ‘মোদির সভায় যাবেন না’, বিদেশ থেকে হুমকি-ফোন কাশ্মীরবাসীকে

    Modi In Kashmir: ‘মোদির সভায় যাবেন না’, বিদেশ থেকে হুমকি-ফোন কাশ্মীরবাসীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদির সভায় যাবেন না।’ ঠিক এই ভাষায়ই হুমকি দেওয়া হচ্ছে কাশ্মীরবাসীকে। আন্তর্জাতিক একাধিক নম্বর থেকে কল করে দেওয়া হচ্ছে হুমকি। পাঁচ বছর পরে আজ, বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীরে পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi In Kashmir)। শ্রীনগরের বকসি স্টেডিয়ামে জনসভা করবেন তিনি। দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তাই শ্রীনগরের জনসভায় তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে উপত্যকাবাসী।

    উপত্যকায় প্রধানমন্ত্রী

    ভূস্বর্গে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পর এই প্রথম জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সভা হওয়ার কথা ছিল শ্রীনগরের কনভেনশন সেন্টার হলে। পরে ঠিক হয়, জনসভা হবে শ্রীনগর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বকসি স্টেডিয়ামে। প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভায়ই যোগ না দিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে উপত্যকাবাসীকে।

    নেপথ্যে আইএসআই!

    জানা গিয়েছে, এই হুমকি ফোনের নেপথ্যে রয়েছে (Modi In Kashmir) পাকিস্তানের আইএসআই। তারাই বিভিন্ন ল্যান্ডলাইন ও মোবাইল ফোন থেকে হুমকি দিচ্ছে কাশ্মীরের বাসিন্দাদের। হুমকি ফোনে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। গেলে যে ফল ভালো হবে না, তাও শুনিয়ে দিচ্ছে ফোনের অন্য প্রান্তে থাকা মানুষ। সভায় গেলে তাঁদের পরিবারের ক্ষতি করার হুমকিও দিচ্ছে জঙ্গিরা। উপত্যকাবাসীকে এই হুমকি ফোন সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা।

    বকসি স্টেডিয়ামে ‘বিকশিত ভারত, বিকশিত জম্মু-কাশ্মীর’ শীর্ষক সভায় বক্তৃতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের। এক হাজার কর্মপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্রও তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাই বয়কট করতে হুমকি ফোন করছে দুর্বৃত্তরা।

    আরও পড়ুুন: “বাংলার অরাজক পরিস্থিতি ঘোচানোর চেষ্টা করব”, পদ্ম-পতাকা নিয়ে বললেন তাপস

    বিজেপি নেতা ফৈয়জ আহমেদ বলেন, “স্থানীয়রা যে এমনতর ফোনকল পাচ্ছেন, তা আমি জানি। দলীয় কর্মীরাও আমায় জানিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের লোকজনকেও আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে ফোন করা হচ্ছে যাতে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর (Modi In Kashmir) সভায় না যান।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলতে চাই, শত্রু পক্ষ ক্ষেপে গিয়েছে। তারা সংসার চালাতে পারছে না, পরিবারের সদস্যদের জেলে পাঠাচ্ছে। পরিবারকে তারা খাবার এবং শিক্ষাও দিতে ব্যর্থ। হতাশায় ডুবে যাচ্ছে তারা। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের যে চোখ ধাঁধানো উন্নয়ন হচ্ছে, তা মেনে নিতে পারছে না তারা। তাই দিচ্ছে হুমকি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Jammu and Kashmir: কাটল খরা, তুষারের চাদরে ঢাকল কাশ্মীর, বন্ধ যান চলাচল

    Jammu and Kashmir: কাটল খরা, তুষারের চাদরে ঢাকল কাশ্মীর, বন্ধ যান চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ খরা কাটিয়ে তুষারপাত ভূস্বর্গে (Jammu and Kashmir)। বরফের চাদরে ঢাকল উত্তর-কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা। রাস্তা ঢেকে গিয়েছে মোটা পুরু বরফের চাদরে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল। যেসব রাস্তায় কোনওক্রমে চলছে যানবাহন, সেখানেও গাড়ির গথ এতই শ্লথ যে, যানজট হচ্ছে যত্রতত্র।

    কাশ্মীরে তুষারপাত

    শুক্রবার থেকে তুষারপাত শুরু হয়েছে কাশ্মীরে। গুর্জ এলাকায় ঘরবাড়ি-গাছপালার রং হয়েছে সাদা। গুর্জের পাশাপাশি প্রবল তুষারপাত হয়েছে তুলাইল ও দাওয়ার এলাকায়। চলতি শীতে কাশ্মীরে এটাই প্রথম তুষারপাত। তুষারপাত দেখতে কাশ্মীরে গিয়ে হতাশ হয়েছেন পর্যটকরা। কাশ্মীরে তুষারপাত হচ্ছে না, খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু পর্যটক কাশ্মীর না গিয়ে বেড়াতে চলে যান অন্যত্র। প্রত্যাশিতভাবেই মার খেয়েছে ভূস্বর্গের পর্যটন শিল্প। পর্যটনের ভরা মরশুমেই পর্যটকের আকাল দেখা দেওয়ায় হা-হুতাশ করতে দেখা যায় উপত্যকার পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষদের।

    ভারী তুষারপাত হতে পারে কাশ্মীরে

    শুক্রবার কাটল (Jammu and Kashmir) সেই খরা। উত্তর কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষে থেকে জানোনো হয়েছে, তুষারপাতের পরিমাণ খুব বেশি নয়। তবে তুষারপাত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকায়। বরফ জমে যাওয়ায় বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে গুর্জ রোডের প্রায় ৮৫ কিলোমিটার এলাকা। বরফ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে ইতিমধ্যেই পথে নেমে পড়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। কয়েকদিনের মধ্যেই ভারী তুষারপাত হতে পারে বলে খবর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, গুলমার্গে চার ইঞ্চি উঁচু বরফ জমে রয়েছে। উপত্যকার যেসব শহরে তুষারপাত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে পহেলগাঁও, সোনমার্গ, মাচ্ছিল এবং সোপিয়ানও।

    আরও পড়ুুন: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    কাশ্মীরে প্রচণ্ড ঠান্ডা পড়ে ৪০ দিন। এই সময়টাকে চিল্লাই কালান বলে। মূলত এই সময়টাই প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টিপাত হয় কাশ্মীরে। এ বছর এই সময়ের সিংহভাগ সময়টাই হা-তুষার দশা ছিল কাশ্মীরে। শেষতক তুষারপাত হওয়ায় পর্যটকদের পাশাপাশি খুশি কাশ্মীরের বাসিন্দারাও। কাশ্মীরে তুষারপাত না হওয়ায় দিন কয়েক আগেই কাশ্মীরের আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর মুখতার আহমেদ বলেছিলেন, “শীতের এই সময়টায় বৃষ্টি হয় কাশ্মীরে। তার পরেই তাপমাত্রা নামতে থাকে হিমাঙ্কের নীচে। শুরু হয় চিল্লাই কালান। তুষারপাত দেখতে পর্যটকরা ভূস্বর্গে ভিড় করেন এই (Jammu and Kashmir) সময়টায়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Weather Update: দিল্লির চেয়েও উষ্ণ কাশ্মীর, মার খেল পর্যটন ব্যবসা

    Weather Update: দিল্লির চেয়েও উষ্ণ কাশ্মীর, মার খেল পর্যটন ব্যবসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফলতে শুরু করেছে বিশ্ব উষ্ণায়ন নামক বিষ বৃক্ষের ফল। যার জেরে দিল্লির চেয়েও বেশি উষ্ণ কাশ্মীর (Weather Update)। শনিবার কাশ্মীরের শ্রীনগরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত দু’ দশকে জানুয়ারি মাসে এটাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

    ভূস্বর্গের আবহাওয়া চিত্র

    বদলে গিয়েছে ভূস্বর্গের আবহাওয়া চিত্র। এ বছর জানুয়ারিতে একদিনও তুষারপাত হয়নি। তুষারপাত না হওয়ায় কাশ্মীর উপত্যকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে। চলতি শীতের মরশুমে রবিবার দিল্লিতে শীতলতম সকাল রেকর্ড হয়েছে। তাপমাত্রা নেমেছে সাড়ে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৯ জানুয়ারি সময়কালকে কাশ্মীরে বলা হয় ‘চিল্লাই কালান’ বা তীব্র ঠান্ডার চল্লিশ দিন। এর পর ২০ দিনের ‘চিল্লাই খুর্দ’ বা কম ঠান্ডা। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী ১০ দিন ‘চিল্লাই বাছা’ বা শিশু ঠান্ডা।

    পশ্চিমী ঝঞ্ঝা

    আবহাওয়াবিদদের মতে, শীতের (Weather Update) এই সময়টা তাপমাত্রার ওঠাপড়া খুবই সাধারণ একটি ঘটনা। গ্রীষ্মেও এই ছবি দেখা যায়। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, অচিরেই জম্মু-কাশ্মীরে আবারও আঘাত হানবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। তখন প্রচুর তুষারপাত হতে পারে। চলতি মরশুমেই উপত্যকায় দেখা যেতে পারে তুষারপাত। তুষারপাত না হওয়ায় হতাশ কাশ্মীরে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা। স্কিয়িং, স্নোবোর্ডিং এবং ক্রশ-কান্ট্রি স্কিইংয়ের মতো যেসব রাইড পর্যটকদের টানে, সেগুলেতোও হা-পর্যটক দশা। কাশ্মীরে তুষারপাত হচ্ছে না জেনে গুলমার্গের বহু হোটেলের বুকিং বাতিল করেছেন পর্যটকরা।

    আরও পড়ুুন: এআই ব্যবহার করে বের করা হল রোগীর ফুসফুসের জমাট বাঁধা রক্ত!

    এদিকে, এখনও দূষণ-জালে রয়েছে দিল্লি। গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যানের স্টেজ থ্রি নিয়ম আরোপ করেছে কেন্দ্র। দূষণ নিয়ন্ত্রণেই এটা করা হয়েছে। বায়ু দূষণের মাত্রা কমাতে রাজধানীজুড়ে স্টেজ থ্রি অ্যাকশন প্ল্যান রূপায়ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে কেন্দ্র। পাথর গুঁড়ো করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। খনি এবং খনি সম্পর্কিত কাজকর্মের লাগাম পরানো হচ্ছে। বহুতল নির্মাণ ও পুরানো বাড়ি ভাঙার কাজেও আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দিল্লির রাজ্য সরকারও গুচ্ছ নির্দেশিকায় জারি করেছে (Weather Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “পাক অধিকৃত কাশ্মীর হামারা হ্যায়”, বললেন শাহ, জানালেন বিধানসভার আসন সংখ্যাও

    Amit Shah: “পাক অধিকৃত কাশ্মীর হামারা হ্যায়”, বললেন শাহ, জানালেন বিধানসভার আসন সংখ্যাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় আমরা ২৪টি আসন সংরক্ষিত রেখেছি। কারণ ওটা আমাদের জায়গা। পাক অধিকৃত কাশ্মীর হামারা হ্যায়।” বুধবার সংসদে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কাশ্মীরে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা। এবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিধানসভা কেন্দ্রের বিন্যাসের কথাও ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র।

    কাশ্মীর ভারতেরই

    পাকিস্তানের পাশাপাশি তামাম বিশ্বকেও পাক অধিকৃত কাশ্মীর যে ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, ফের একবার সেই বার্তা দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মনোনীত সদস্যদের তালিকায় পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একজন প্রতিনিধিকেও রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য বিধানসভায় মোট ২৫টি আসন সংরক্ষিত রাখা হচ্ছে।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “আগে জম্মুতে মোট ৩৭টি আসন ছিল। এখন ৪৩টি আসন হয়েছে। কাশ্মীরে আগে ছিল ৪৬টি আসন। এখন হয়েছে ৪৭টি। আর পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য ২৪টি আসন আমরা সংরক্ষিত রেখেছি।”

    কলেবর বাড়ল জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় আগে মোট আসন ছিল ১০৭টি। এখন সেটা বেড়ে হল ১১৪টি। জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় মনোনীত সদস্যের সংখ্যা ছিল দুই। সেটা বেড়ে হবে পাঁচ। তিনি বলেন, “এখন থেকে কাশ্মীরের দুই বাসিন্দাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। তাঁদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা। আর পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের একজনকে মনোনয়নের জন্যও আসন সংরক্ষিত রাখা হবে।” মনোনীত সদস্যের একটি পদ কাশ্মীরের উদ্বাস্তু পরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এদিন লোকসভায় ‘জম্মু ও কাশ্মীর সংরক্ষণ (সংশোধনী) বিল’ ও ২০২৩ সালের ‘জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্বিন্যাস বিল’ নিয়ে আলোচনার সময় নেহরুকেও নিশানা করেন শাহ। বলেন, “আমি অত্যন্ত দায়িত্বের সঙ্গে বলছি, যখন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন যে দুটি ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, জম্মু ও কাশ্মীরকে দশকের পর দশক ধরে সেই ভুলের ফল ভুগতে হয়েছে।” তিনি বলেন, “সব থেকে বড় ভুল হল, আমাদের সেনা জিতছিল। কিন্তু পঞ্জাবের কাছে যেতেই সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের জন্ম হয়েছিল। যদি তিনদিন পরে সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণা করা হত, তাহলে ভারতের মধ্যেই থাকত (Amit Shah) পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর। দ্বিতীয়ত, আমাদের (কাশ্মীর) ইস্যুকে রাষ্ট্রসংঘে নিয়ে যাওয়ার ভুলও করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুুন: সলমন-মুখ্যমন্ত্রী ‘ডুয়েট’, মমতাকে ‘দ্বিতীয় নিরো’র তকমা শুভেন্দুর, আক্রমণ গিরিরাজেরও

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share