Tag: Kashmir

Kashmir

  • Pakistan Kashmir: কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র পাচারের চেষ্টা পাকিস্তানের! কী বললেন সেনা অফিসার?

    Pakistan Kashmir: কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র পাচারের চেষ্টা পাকিস্তানের! কী বললেন সেনা অফিসার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরকে অশান্ত করতে সীমান্তের ওপার থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং অস্ত্র পাচারের মাধ্যমে উপত্যকার শান্তি বিঘ্নিত করতে সদা সচেষ্ট পাকিস্তান। কাশ্মীরকে আগুনের স্তূপে বসাতে চাইছে তারা। অভিমত ভারতীয় সেনার।

    উপত্যকাকে অশান্ত করা প্রয়াস

    সেনার ১৯ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিসনের মেজর জেনারেল অজয় চন্দপুরিয়া বলেন, বিভিন্ন এজেন্সির কাছ থেকে গত দুই সপ্তাহ ধরে ইনপুট মেলে যে, অনুপ্রবেশের চেষ্টা হতে পারে এবং উরির রামপুর সেক্টরের হাতলঙ্গা এলাকার জঙ্গিরা যুদ্ধের রসদ মজুত করতে পারে। তার পরেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনা। হাতলঙ্গা এলাকায় গত শুক্রবার প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানোর পর আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা-বারুদ উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- আটটি একে-৭৪ রাইফেল, ২৪টি একে-৭৪ রাইফেল ম্যাগাজিন, ৫৬০টি ৭.৬২ মিমি একে-৭৪ লাইভ অ্যামিউনিশন, ২৪টি চাইনিজ পিস্তল ম্যাঙ্গানিজ-সহ অন্যান্য সামগ্রী। রবিবার ওই সেনা আধিকারিক জানান, কাশ্মীর উপত্যকার পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক। কারণ, এখানে এখন জঙ্গি এবং যুদ্ধের রসদ সর্বকালীন কম অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু তা নষ্ট করতে চাইছে পাকিস্তান। 

    আরও পড়ুন: গুজরাট বিধানসভায় বিপুল জয় বলে দিয়েছে লোকসভা নির্বাচনে কী হবে! অভিমত অমিত শাহের

    সতর্ক ভারতীয় সেনা

    এই মুহূর্তে উপত্যকায় আগ্নেয়াস্ত্র বা গোলা-বারুদ কম পরিমাণে থাকায় পাকিস্তান জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা-বারুদ কাশ্মীরে পাচার করছে। জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার উরি সেক্টর থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রে লেখা রয়েছে, “আই লাভ পাকিস্তান”। মেজর জেনারেল অজয় চন্দপুরিয়া বলেন, “কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে বিরাজমান শান্তি ও সমৃদ্ধি মেনে নিতে পারছে না পাকিস্তান। তাই তারা এই ধরনের মরিয়া প্রয়াস চালাচ্ছে।” তবে তিনি জানান, সেনাবাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং কাশ্মীরে কোনও অনুপ্রবেশ ঘটতে দেওয়া যাবে না। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডা ও বরফের স্তরকে কাজে লাগিয়ে যাতে কোনওরকম জঙ্গি কার্যকলাপ না বাড়তে পারে তার দিকে নজর রয়েছে সেনার। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indresh Kumar: পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের, ফের আমাদের হওয়া উচিত, দাবি আরএসএস নেতার

    Indresh Kumar: পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের, ফের আমাদের হওয়া উচিত, দাবি আরএসএস নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) অধিকৃত কাশ্মীর (Kashmir) আমাদের। ফের আমাদের হওয়া উচিত। এই কথাগুলি যিনি বলেছেন তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ মেম্বার ইন্দ্রেশ কুমার (Indresh Kumar)। শুক্রবার ছিল মুসলিম ন্যাশনাল ফোরামের ২১তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ইন্দ্রেশ কুমারকে। এই অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, বালুচিস্তান এবং সিন্ধের মতো অঞ্চলগুলি পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যেতে পারে। সেখানকার বাসিন্দারা পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা বলছেন। এবং এজন্য তাঁরা লাগাতার আন্দোলন করে চলেছেন।

    আরএসএসের এই নেতা বলেন…

    আরএসএসের এই নেতা বলেন, যদি মানুষ ধর্মান্ধতার চোখে একে দেখেন, তাহলে উত্তরও বদলে যাবে। যদি তাঁরা সততার সঙ্গে বিবেচনা করেন, তাহলে সত্য প্রকাশ্যে আসবেই। মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের ওই অনুষ্ঠানে ইন্দ্রেশ কুমার বলেন, পাকিস্তানেই স্লোগান উঠছে, কাশ্মীর ছাড়া পাকিস্তান অসম্পূর্ণ। তিনি (Indresh Kumar) বলেন, এটা আমাদেরও কর্তব্য। ভারতীয়দেরও বলতে হবে লাহোর, করাচি ছাড়া ভারত অসম্পূর্ণ। এট মসজিদ, মাদ্রাসা এবং জনসভায় বলতে আমাদের সমস্যা কোথায়?  

    আরও পড়ুন: প্রাক নববর্ষে এক পদ, এক পেনশন নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের, জানুন বিশদে

    পাকিস্তানকে নিশানা করে ইন্দ্রেশ কুমার (Indresh Kumar) গালিব অডিটোরিয়ামের একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আমরা আমাদের দেশকে ভালবাসি। তোমরা তোমাদের দেশকে ভালবাস। তোমরা যদি আমাদের ভালবাসা চুরি কর, তাহলে তোমাদেরও আয়না দেখাতে হবে। মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের ২০তম প্রতিষ্ঠা সভায় ইন্দ্রেশ কুমার বলেছিলেন, এতে আমাদের কী সমস্যা হবে যদি বলি নানকানা সাহিব, সারদাপীঠ, লাহোর, করাচি ছাড়া ভারত অসম্পূর্ণ। এবং এটাই সত্য। তিনি বলেন, কৈলাশ-মানস সরোবরও আমাদের। আবারও আমাদের হওয়া উচিত।

    আরও পড়ুন: নববর্ষের উপহার! ২০২৩-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেবে কেন্দ্র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

  • Islamic Terrorism: ‘এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান’, ফের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হুমকি চিঠি জঙ্গিদের

    Islamic Terrorism: ‘এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান’, ফের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হুমকি চিঠি জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান। সম্প্রতি এই ভাষায়ই সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmir Pandits) হুমকি দিয়েছে কাশ্মীর ফাইট নামে এক জঙ্গি সংগঠন (Islamic Terrorism)। একটি চিঠি দিয়ে তারা এই হুমকি দিয়েছে। তাতেই লেখা হয়েছে, ট্রানজিট কলোনিগুলিকে পুনর্বাসন পাওয়া পণ্ডিতদের কবরস্থানে পরিণত করার হুমকি।

    ট্রানজিট কলোনি...

    উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার সুম্বল এলাকার ওডিনা গ্রামে তৈরি হচ্ছে অভিবাসী কাশ্মীরি পণ্ডিত সরকারি কর্মীদের জন্য ট্রানজিট কলোনি। এদিন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা বারামুল্লা ও বান্দিপোরায় কাশ্মীরি পণ্ডিত সরকারি কর্মীদের ওই কলোনিগুলি পরিদর্শন করেন। তারই কয়েক ঘণ্টা পরে হুমকি চিঠি জঙ্গিদের।

    জঙ্গি সংগঠন কাশ্মীর ফাইট সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পাশাপাশি নয়া ট্রানজিট কলোনি নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারদেরও হুমকি দিয়েছে। সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের একটি তালিকা প্রকাশ করে কাশ্মীর ফাইট চিঠিতে পণ্ডিতদের উপনিবেশকে ইজরায়েলি ধরনের বসতি স্থাপন বলে অভিহিত করেছে। তাতে লেখা হয়েছে, এটি কেবল সময়ের ব্যাপার যখন প্রতিরোধকারী যোদ্ধাদের রাগ সেই সব বিশ্বাসঘাতকদের ওপর আছড়ে পড়বে। প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজের বলির পাঁঠাদের আত্মবিশ্লেষণ প্রয়োজন। এই আধিপত্যকারী ফ্যাসিবাদী শাসন আপনাকে কীভাবে ব্যবহার করে, তা বুঝুন। কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা আপনার ওপর নির্ভর করবে। এই কলোনিগুলিই আপনাদের কবরস্থান। চিঠিতে এও লেখা হয়েছে, যেসব ঠিকাদার সংস্থা কলোনি নির্মাণ করছে, তাদেরও রেয়াত করা হবে না। যে বা যারাই এর সঙ্গে যুক্ত, তাদের প্রত্যেককেই উপযুক্ত সাজা দেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    জঙ্গিদের হুমকি চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মনে রাখবে, যখন সমুদ্র খেপে ওঠে, তখন এর যাত্রাপথে যা পড়ে, তাকেই ধ্বংস করে। প্যাকেজ পাওয়া বলির পাঁঠারা এবং অন্যান্য যাঁরা স্থানীয় নয় কিংবা বিদেশি, লেফটেন্যান্ট মনোজ সিনহার কর্মীরা তাঁদের কবরের কারণ হবেন। চলতি মাসের শুরুতে এই জঙ্গি গোষ্ঠী প্রধানমন্ত্রীর পুনর্বাসন প্যাকেজের অধীনে শিক্ষক হিসেবে কাশ্মীর উপত্যকায় কর্মরত ৫৭ কাশ্মীরি পণ্ডিতকে হুমকি দেয়। তার পরেই প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব হয়েছিলেন সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। এহেন আবহেই এল ফের হুমকি চিঠি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের ‘বুলডোজার থিয়োরি’র প্রয়োগ এবার কাশ্মীরেও (Kashmir)! সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বাড়ি বানিয়েছিল কুখ্যাত এক জঙ্গি (Terrorist)। সে জইশ কমান্ডার (Jaish Commander)। নাম আশিক নেঙ্গরু। পুলওয়ামা জেলার রাজপোরা এলাকায় নিউ কলোনিতে আস্ত একটা দ্বিতল বাড়ি বানিয়েছিল সে। শনিবার বুলডোজার চালিয়ে বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

    সন্ত্রাসবাদীর তালিকায়…

    কেন্দ্রের সন্ত্রাসবাদীর তালিকায় নাম রয়েছে কাশ্মীরের বাসিন্দা আশিকের। একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত সে। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার আশিক নেঙ্গরুর হাত রয়েছে বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, এহেন আশিকের একটি দোতলা বাড়ি ছিল নিউ কলোনিতে। বাড়িটি অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে সরকারি জমির ওপর। এদিন বাড়িটি ভেঙে দেয় প্রশাসন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আশিক (Jaish Commander) জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশে সাহায্য করে। এলাকায় নানা সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মেও জড়িত সে। কাশ্মীরে সে একটি সন্ত্রাস সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম করতে ব্যাপক প্রচারও চালাচ্ছে। পাকিস্তানে বসেই এসব করছে সে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর পঁয়ত্রিশের এই কুখ্যাত জঙ্গি কোনওভাবে সপরিবারে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। সেখান থেকেই সন্ত্রাস সংগঠিত করছে।

    আরও পড়ুন: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    জম্মু-কাশ্মীরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। ভেঙে দেওয়া হয়েছে বিধানসভা। পরিণত করা হয়েছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। উপত্যকা থেকে বাতিল করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পরেই সন্ত্রাস দমনে কোমর কষে নামে কেন্দ্র। জঙ্গিদমনের অংশ হিসেবেই সেপ্টেম্বর ও চলতি ডিসেম্বরে বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে খতম করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। যার জেরে উপত্যকায় ক্রমেই ফিরছে কাঙ্খিত শান্তি। আগামী বছর জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করাতে পারে কেন্দ্র। সেজন্য চলছে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ। এমতাবস্থায় নিউ কলোনিতে খোঁজ মেলে আশিকের বাড়ির। জানতে পারে বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে সরকারি জমি দখল করে। তার পরেই বাড়িটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

    প্রসঙ্গত, জঙ্গিযোগের অভিযোগে মাঝেমধ্যেই প্যালেস্টাইনে বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয় ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকারও কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের অবৈধভাবে গড়ে তোলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয় বুলডোজার চালিয়ে। এবার সেই একই পন্থা অবলম্বন করল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • BJP: জম্মু-কাশ্মীরে ভুল করেছিলেন নেহরু, সংশোধন করেছেন মোদি, দাবি বিজেপির

    BJP: জম্মু-কাশ্মীরে ভুল করেছিলেন নেহরু, সংশোধন করেছেন মোদি, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) ভুল করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর সেই ভুল সংশোধন করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370) রদও করেছেন মোদি। এই ভুলের জন্য কংগ্রেসের (Congress) ক্ষমা চাওয়া উচিত, দাবি বিজেপির (BJP)।

    জম্মু-কাশ্মীরের ভারতে অন্তর্ভুক্তিকরণের ৭৫তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির (BJP) মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি ভুল করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল এই অঞ্চলের রাজা হরি সিংয়ের ভারত অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করাও। তিনি বলেন, এর মূল্য চোকাতে হয়েছে ভারতকে। জম্মু-কাশ্মীরের একটি অংশ দখল করে নিয়েছে পাকিস্তান।  

    বিজেপির (BJP) এই মুখপাত্র বলেন, ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে এনিয়ে সওয়াল করেছিলেন রাজা হরি সিং। যদিও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ আবদুল্লা দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করে স্বার্থ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন তাঁর ও তাঁর বন্ধুদের। এর পরেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করে ভাটিয়া বলেন, যদি সময় মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া যেত, তাহলে ভারতের কোনও অংশই পাকিস্তান দখল করতে পারত না। এই ইস্যুতে তখন থেকেই কংগ্রেস মিথ্যে বলে আসছে। গোপন করতে চাইছে সত্য। তিনি বলেন, ঘরোয়া বিষয়টিকে নেহরু তখন নিয়ে গেলেন রাষ্ট্রসংঘে। পার্টি করলেন পাকিস্তানকে।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানোর অভিযোগের তদন্তে জম্মু-কাশ্মীরে তল্লাশি এনআইএ-র, গ্রেফতার ১

    বিজেপির (BJP) এই মুখপাত্র বলেন, কংগ্রেস কৌশলে গণভোটের ধারণাটি ভাসিয়ে দিয়েছিল। যদিও স্বাধীনতা আইনে এর কোনও সংস্থান ছিল না। ওই সময় একশোরও বেশি রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। তিনি জানান, জম্মু-কাশ্মীর যা এখন একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল, সেখানে জারি করা হয়েছিল ৩৭০ ধারা। যার জন্য দেশকে চড়া মূল্য চোকাতে হয়েছে। ভাটিয়া বলেন, তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভভাই প্যাটেল নেহরুকে বলেছিলেন, অন্যান্য দেশীয় রাজ্যের মতো জম্মু-কাশ্মীরও যদি ভারতের অন্তর্ভুক্ত হত, তাহলে সম্ভবত এখানে কোনও জেহাদি সন্ত্রাসবাদী থাকত না। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এই ভুলগুলিই সংশোধন করেছেন মোদি। এবং তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। এই পদ্ম নেতা বলেন, এই সব ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত কংগ্রেসের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Rajnath Singh on Pok:পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে ইসলামাবাদকে হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    Rajnath Singh on Pok:পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে ইসলামাবাদকে হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সেনার শৌর্য দিবস উপলক্ষে শ্রীনগরের একটি অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Defence Minister) রাজনাথ সিং বলেন যে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনগণের সঙ্গে  নৃশংসতা চালাচ্ছে পাকিস্তান। এর পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে।

    [tw]


    [/tw]

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে পুনরুদ্ধার করার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি জানান যে, জন্মু কাশ্মীর ও লাদাখের উন্নয়নের ধারা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পৌঁছে দিতে ভারত সরকার বদ্ধপরিকর।এই উন্নয়ন কাজের পরিসমাপ্তি ঘটবে গিলগিট ও বালোচিস্তান অর্জনের পর।  ভারতীয় সেনাবাহিনী কাশ্মীর উপত্যকায় ১৯৪৭ সালের ২৭ অক্টোবর ভারতের মাটিতে প্রথম বহিরাগত আক্রমণ প্রতিহত করে। শিখ রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটেলিয়ান এই জয় এনে দেয়। সেই দিনটিকে স্মরণে রেখেই স্বাধীন ভারতের প্রথম সামরিক ইভেন্টের স্মরণে পদাতিক দিবস পালন করা হয়।

    [tw]


    [/tw]

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও বলেন, পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদীরা কাশ্মীরে সব সময় অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সন্ত্রাসবাদীদের কোনও ধর্ম হয় না। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ভারতকে টার্গেট করা। তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালে কাশ্মীরে ৩৭০ ও ৩৫ এ ধারা বাতিল করার পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারা বইছে কাশ্মীর উপত্যকায়। আজ জন্মু কাশ্মীরের জনগণের প্রতি বৈষম্যেরও অবসান ঘটেছে এই ধারা গুলি অবসানের মাধ্যমে।

    রাজনাথ আরও বলেন, জম্মু কাশ্মীরে যখন সন্ত্রাসবাদীদের নিকেশ করা হয়, তখন দেশের কিছু মানবাধিকার কর্মী কাঁদতে শুরু করে। কিন্তু সেই সন্ত্রাসবাদীরাই যখন জওয়ানদের আক্রমণ করে, তারা লুকিয়ে পড়ে। এভাবেই নব্বই দশকের শুরু থেকে এখানে অরাজকতা শুরু হয়েছিল। তবে উপত্যকায় ৩৭০ ধারা বাতিল করে পরিস্থিতির যে উন্নতি হচ্ছে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Pakistan Flood: বন্যায় ভাসছে দেশ, মোদির সমবেদনার পরেও পাক প্রধানমন্ত্রীর মুখে সেই কাশ্মীর!

    Pakistan Flood: বন্যায় ভাসছে দেশ, মোদির সমবেদনার পরেও পাক প্রধানমন্ত্রীর মুখে সেই কাশ্মীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াল বন্যায় (Flood) বিপর্যস্ত পাকিস্তানের (Pakistan) একটা বিরাট অংশ। মৃতের সংখ্যা হাজার পার। এমতাবস্থায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বন্যায় মৃতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এহেন আবহে ফের কাশ্মীর (Kashmir) ইস্যু খুঁচিয়ে তুললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)।

    দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের জেরে ভয়াল বন্যায় শাহবাজ শরিফের দেশ। পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শেরি রহমানের মতে এই দশকের ভয়ঙ্কর বন্যা এটি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। জানা গিয়েছে, বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১৩৬ জন। জখম হয়েছেন ১ হাজার ৬৩৪ জন। প্রচুর বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন বহু মানুষ। দেখা দিয়েছে খাদ্য, পানীয় জলের সংকট। প্রাণ হারিয়েছে সাত লক্ষেরও বেশি প্রাণী। সপ্তাহভর টানা বৃষ্টির জেরে ধুয়ে গিয়েছে জমির ফসল। এমতাবস্থায় ভারত থেকে আনাজ আমদানির কথা ভাবছে পাক প্রশাসন। এদিকে, মৃতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে ট্যুইট করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইট বার্তায় তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন, পাকিস্তান দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে। এর পরে পরেই পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতা ইসমাইল জানান, ভারত থেকে আনাজ এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী আমদানি করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি এও জানিয়েছিলেন, বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় এসব আমদানি করা হবে।

    আরও পড়ুন : বন্যায় ভেসে গিয়েছে ফসল, ভারত থেকে আনাজ আমদানি করতে চলেছে পাকিস্তান?

    এর পরেই ফের একবার কাশ্মীর ইস্যু খুঁচিয়ে তুললেন পাক প্রধানমন্ত্রী। কাশ্মীর থেকে রদ করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। ফের একবার তার কড়া সমালোচনা করেন শাহবাজ। কূটনৈতিক মহলের মতে, এছাড়া শাহবাজের কাছে আর কোনও রাস্তা ছিল না। কারণ রাজনীতিতে তাঁর ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দেশীয় রাজনীতির বাধ্যবাধ্যকতাও রয়েছে। সেই কারণেই ভয়াল বন্যার পরিস্থিতিতেও কাশ্মীর ইস্যু খুঁচিয়ে তুলেছেন শাহবাজ। এদিকে, ভারতের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের তরফে কোনও বন্যাত্রাণ সহায়তা চাওয়া হয়নি। তবে ঘরোয়া রাজনীতিতে ছাপ ফেলতেই শাহবাজ কাশ্মীর ইস্যু খুঁচিয়ে তুলেছেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shehbaz Sharif: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন?  

    Shehbaz Sharif: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই হতে পারে কাশ্মীর (Kashmir) সমস্যার সমাধান, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়। ভারতের (India) সঙ্গে স্থায়ী শান্তির সম্পর্ক চায় ইসলামাবাদ (Islamabad)। একটি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অন্তত এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের নয়া প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলার সময় শাহবাজ ওই মন্তব্য করেন।  

    কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাক লড়াই সর্বজনবিদিত। ভারতকে অপদস্থ করতে নানা সময়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীরকে ইস্যু করতে পিছপা হয়নি পাকিস্তান। তবে প্রতিবারই মুখ পুড়েছে চিন-ঘনিষ্ঠ এই দেশের। জম্মু-কাশ্মীর যে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা বারংবার জানিয়ে দিয়েছে ভারত। ভূস্বর্গ নিয়ে ভারত-পাক বিবাদ দীর্ঘদিনের পুরনো হলেও, নতুন করে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে ওঠে ২০১৯ সালে। ওই বছর ৫ অগাস্ট উপত্যকা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। নয়াদিল্লির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন ইমরান খানের সরকার। পাল্টা জবাব দেয় ভারতও। ইমরান খান সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসেন শেহবাজ। আর তারপরই তিনি জোর দেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে। পাক অর্থনীতি সংকটের মধ্যে থাকায় জোর দিতে চান দু দেশের বাণিজ্যে, অর্থনীতির উন্নয়নে।

    আরও পড়ুন : পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    কূটনৈতিক মহলের মতে, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে ঘোর আর্থিক সংকটে শাহবাজের দেশ। মুদ্রাস্ফীতির জেরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাগাম ছাড়া। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। পরিস্থিতি এতটাই করুণ, যে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারও ঋণ দিতে অস্বীকার করেছে পাকিস্তানকে। এমতাবস্থায় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক  গড়ে তুলতে না পারলে, ঘোর বিপদ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই একশো আশি ডিগ্রি ভোলবদল ইসলামাবাদের!

    আরও পড়ুন : একদা কাশ্মীর ছিল শারদা দেশ! জানেন কি এই শক্তি পীঠের মাহাত্ম্য?

  • Jammu Kashmir: জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরে হত পরিযায়ী শ্রমিক, জখম ২  

    Jammu Kashmir: জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরে হত পরিযায়ী শ্রমিক, জখম ২  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেড বিস্ফোরণে (Grenade Attack) প্রাণ হারালেন এক পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant Worker)। ওই হামলায় গুরুতর জখমও হয়েছেন দুজন। কাশ্মীরের (Kashmir) পুলওয়ামার ওই জঙ্গি হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য উপত্যকায়। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশ জানিয়েছে, পুলওয়ামার গদুরা এলাকায়, যেখানে ছিলেন ওই শ্রমিকরা, তার বাইরে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। বিস্ফোরণের অভিঘাতে মৃত্যু হয়েছে মহম্মদ মুমতাজ নামে এক পরিযায়ী শ্রমিকের। জঙ্গিদের খোঁজে এলাকায় শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

    জানা গিয়েছে, বিহারের শাকওয়া পারসা এলাকার এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারের ছেলে মুমতাজ। রোজগারের আশায় এসেছিলেন কাশ্মীরে। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেড হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় জখম হয়েছেন বিহারেরই দুজন। পুলিশ জানিয়েছে, এঁরা হলেন মহম্মদ আরিফ ও তাঁর ছেলে মহম্মদ মকবুল। বিহারের রামপুরের এই দুই বাসিন্দাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। ঘটনার নেপথ্যে লস্কর-ই-তৈইবার ছায়া সংগঠন দ্য রেসিসটেন্স ফ্রন্টের হাত দেখছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, পুলওয়ামায় কাপুরুষোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এই দুঃখের সময় মহম্মদ মুমতাজের পরিবারকে সান্ত্বনা জানাই। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। ঘটনার নেপথ্যে যারা, তারা শাস্তি পাবেই। আজ, ৫ অগাস্ট। তিন বছর আগে এই দিনেই জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ হয়েছিল ৩৭০ ধারা। তার ঠিক আগের দিন পরিকল্পিতভাবেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। উপত্যকা জুড়ে জারি হয়েছে সতর্কতা।

    এই প্রথম নয়, এর আগেও জঙ্গিরা উপত্যকায় বিচ্ছিন্নভাবে অশান্তি পাকিয়ে গিয়েছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে জঙ্গিদের গুলিতে জখম হয়েছিলেন চারজন পরিযায়ী শ্রমিক। এপ্রিলেরই চার তারিখে পুলওয়ামায়াতেই জঙ্গিরা তিনটি হামলার ঘটনা ঘটিয়েছিল। সেই হামলায় প্রাণ হারান একজন সিআরপিএফ জওয়ান। ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন চারজন। যাঁদের মধ্যে বিহারের দুই পরিযায়ী শ্রমিক ও এক কাশ্মীর পণ্ডিতও ছিলেন। এপ্রিলেরই পাঁচ তারিখে জঙ্গিরা সিআরপিএফের দুই জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে শ্রীনগরের প্রাণকেন্দ্র মইসুমা চক এলাকায়। চলতি বছরেরই ১৯ মার্চ পুলওয়ামায় জঙ্গিদের গুলিতে জখম হন এক পরিযায়ী কাঠের মিস্ত্রি।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

  • Jammu-Kashmir Election: বছর শেষেই ভোট ভূস্বর্গে? কাশ্মীরে নির্বাচন নিয়ে বড় মন্তব্য রাজনাথের

    Jammu-Kashmir Election: বছর শেষেই ভোট ভূস্বর্গে? কাশ্মীরে নির্বাচন নিয়ে বড় মন্তব্য রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly polls) হতে পারে ভূস্বর্গে। দু’দিনের সফরে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu-Kashmir) গিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। যোগ দেন জম্মুর (Jammu) একটি অনুষ্ঠানে। সেখানেই বছর শেষে বিধানসভা ভোটের ইঙ্গিত দেন রাজনাথ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সকলে প্রস্তুত থাকুন। বছর শেষে বিধানসভার ভোট করানোর ভাবনা আছে।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে ভোট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত নাড্ডার

    ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয় ৩৭০ ধারা (Article 370)। যার জেরে ভূস্বর্গ হারায় তার বিশেষ মর্যাদা। সেদিনই রাজ্যকে ভাগ করে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল— জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) ও লাদাখ (Ladakh) গঠন করা হয়। সেখানে অবশ্য কোনও বিধানসভা রাখা হয়নি। এর পর নাশকতা দমনে কোমর কষে নামে কেন্দ্র। মেরুদণ্ড ভেঙে যায় জঙ্গিদের। বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা বাদ দিলে কাঙ্খিত শান্তি ফেরে কাশ্মীরে।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে জামাত অনুমোদিত স্কুল বন্ধ করল সরকার, কেন জানেন?

    ভূস্বর্গে জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত কমতেই বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দেয় নরেন্দ্র মোদির (Modi) সরকার। সেইমতো শুরু হয় সীমানা পুনর্বিন্যাসের (Delimitation) কাজ। সম্প্রতি শেষ হয় সেই কাজ। জমা পড়েছে রিপোর্টও। উপত্যকায় বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০টি। এর মধ্যে জম্মুতে রয়েছে ৪৩টি, কাশ্মীরে ৪৭।

    ডিলিমিটেশন কমিশনের সুপারিশ মতো নির্বাচন কমিশন নতুন বিধানসভা ভিত্তিক মানচিত্র তৈরির কাজ শুরু করতে চলেছে। এই কাজ শেষ হওয়ার আগেই হয়ে যাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। সেই কাজটি যথেষ্টই কঠিন। কারণ আগের বিধানসভাগুলি লোপ পেয়েছে। তাই ওই বিধানসভাগুলির ভোটারদের নাম তুলতে হবে নয়া কেন্দ্রে।

    সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) রাজীব কুমার। ওই কাজ শেষ হলেই হবে উপত্যকায় বিধানসভা নির্বাচন। যার ইঙ্গিত এদিন মিলল প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথাতেই।

    আরও পড়ুন : কাশ্মীরি পণ্ডিতদের অন্যত্র সরানোর দাবি খারিজ জম্মু-কাশ্মীর সরকারের

     

LinkedIn
Share