Tag: Kerala

Kerala

  • Kerala High Court: বন্ধ করে দিন সমস্ত বেআইনি ধর্মীয় স্থান, ‘মসজিদ’ মামলায় রায় কেরল হাইকোর্টের

    Kerala High Court: বন্ধ করে দিন সমস্ত বেআইনি ধর্মীয় স্থান, ‘মসজিদ’ মামলায় রায় কেরল হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ করে দিন সমস্ত বেআইনি ধর্মীয় স্থান (Illegal Religious Places) ও প্রার্থনা গৃহ (Prayer Hall)। শুক্রবার এই মর্মে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিল কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court)। মালাপ্পুরমের নুরুল ইসলাম সংস্কারিকা সঙ্গমের তরফে একটি কমার্সিয়াল বিল্ডিংকে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রার্থনা গৃহে পরিণত করার আবেদন করা হয় কেরল হাইকোর্টে। সেই মামলার রায় দিতে গিয়ে এদিন রাজ্য সরকারকে এই নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি পিভি কুনহিকৃষ্ণানের পর্যবেক্ষণ, ভগবান সর্বত্র রয়েছেন। যদি মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ কেবল মসজিদেই (Mosque) প্রার্থনা করতে চান, তাহলে বাড়ির কাছে নতুন করে প্রার্থনা গৃহ তৈরি করার চেয়ে তাঁদের যেতে হবে নিকটবর্তী মসজিদে।

    আদালত জানায়, ওই বিল্ডিংয়ের পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে ৩৬টি মসজিদ রয়েছে। তার পরেও আবেদনকারী আরও একটি প্রর্থনা গৃহের জন্য আবেদন করেছেন। তাঁর যুক্তি, মুসলিমদের পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ পড়া জরুরি। তাই প্রতিটি মুসলিমের নাগালের মধ্যে প্রার্থনা গৃহ থাকা প্রয়োজন। আদালত জানায়, এটা যদি অনুমোদন করা হয় তাহলে রাজ্যে প্রতিটি কোণে প্রার্থনা গৃহের প্রয়োজন হবে। এর পরেই আদালত রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দেয় এই সংক্রান্ত অর্ডার জারি করতে হবে, যাতে করে রাজ্যে কোনও অবৈধ প্রার্থনা গৃহ থাকে। এই অবৈধ প্রার্থনা গৃহ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নিতে হবে।

    আরও পড়ুন :ঘৃণা ভাষণ মামলায় ‘সুপ্রিম’ রায়ে স্বস্তি পেলেন যোগী আদিত্যনাথ

    যে কমার্সিয়াল বিল্ডিংকে প্রার্থনা গৃহে পরিণত করার আবেদন করা হয়েছে, সেই বহুতলের আশপাশে রয়েছে ৩ হাজার ৯৯০ মুসলিম পরিবার। খ্রিস্টান পরিবার রয়েছে ১ হাজার ১৬৪টি। আর হিন্দু পরিবার রয়েছে ৩ হাজার ৪৯৮। বিল্ডিংটিকে মুসলিম প্রার্থনা গৃহে পরিণত করা হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে বলে জেলা কালেক্টরের অভিমত। আদালতের পর্যবেক্ষণ, পবিত্র কোরাণের কোথাও বলা নেই যে প্রতিটি মুসলিম পরিবারের বাড়ির কাছেই প্রার্থনা গৃহ থাকতে হবে। দূরত্বটা বড় কথা নয়, মসজিদে পৌঁছানোটাই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন রায় দিতে গিয়ে আদালত একটি মালয়ালাম গানের দুটি কলি তুলে ধরেন। সেটি হল, মানুষ ধর্ম সৃষ্টি করেছে। ধর্ম সৃষ্টি করেছে ঈশ্বর। বিচারপতি বলেন, এই গানের রচয়িতা বেঁচে থাকলে দ্বিতীয় লাইনটি বদলে বলতেন, ধর্ম ধর্মীয় স্থানের স্রষ্টা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Monkey Pox: মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত তিনজন বর্তমানে সুস্থ, জানালেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Monkey Pox: মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত তিনজন বর্তমানে সুস্থ, জানালেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Corona) আবহের মধ্যেই যখন নতুন ভাইরাস মাঙ্কিপক্স (Monkey Pox) মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে, তখন কেরল (Kerala) থেকে একটি খবর পাওয়া গেল। যা শুনে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে সাধারণ মানুষ। কেরলে যে তিনজন মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁরা তিনজনই বর্তমানে রোগমুক্ত ও সুস্থ। এমনটাই জানালেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ (Veena George)। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ভাইরাস নিয়ে আর চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ রাজ্যে মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত রোগীর হদিশ আর পাওয়া যায়নি।

    মাঙ্কি পক্সের ফলে যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছিল তা এই খবর সামনে আসতেই কিছুটা হলেও কমেছে। যদিও কেরলের পর গতকালেই রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) থাবা বসিয়েছে মাঙ্কিপক্স। সেখানে এক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হল যিনি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি কখনও বিদেশে যাননি। ফলে আরও উদ্বেগ বেড়েছে। কেরলে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের তিনজনই বিদেশ ফেরত ছিলেন।

    আরও পড়ুন: দেশে চতুর্থ মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের হদিশ, এবার দিল্লিতে

    ইতিমধ্যেই গত শনিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation) মাঙ্কিপক্সকে ‘গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি’ (Global Health Emergency) বলে ঘোষণা করলেও কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন সেখানে এখনও মাঙ্কিপক্স সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েনি। তাই উদ্বেগের কোনও কারণ নেই এবং রাজ্যও এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম। বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্ক হতে বলেছেন। বিমানবন্দরেও বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং কারোর কোনও উপসর্গ দেখা গেলেই তাঁকে টেস্ট করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মীদের এই ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে বিশেষ ট্রেনিংও দেওয়া হয়েছে।

    বীণা জর্জ আজ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সুস্থতার কথা বলতে গিয়ে বলেন মাঙ্কিপক্স নিয়ে তেমন আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এটা সংক্রামক হলেও মারণ নয়। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে করোনার মতোই বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাপী জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে মাঙ্কিপক্স, ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

     

  • Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, তৃতীয় আক্রান্তের হদিশ মিলল সেই কেরলেই 

    Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, তৃতীয় আক্রান্তের হদিশ মিলল সেই কেরলেই 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভারতেও জাকিয়ে বসছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। ফের কেরলেই (Kerala) মিলল তৃতীয় আক্রান্তের সন্ধান। প্রথম এবং দ্বিতীয় আক্রান্তও ছিলেন কেরলেরই বাসিন্দা। আর এই তিনজনই সদ্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) থেকে ফিরেছেন। 

    আরও পড়ুন: ফের মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ কেন্দ্রের

    কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ (Veena George) জানিয়েছেন, আক্রান্ত ব্যক্তি ৬ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে মালাপ্পুরমে ফেরেন। মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হন। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। মন্ত্রী এও জানান, ব্যক্তির সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁদেরও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন… 

    প্রথম মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের সন্ধান মেলে কোল্লাম জেলায় এবং দ্বিতীয় আক্রান্ত কান্নুর জেলার বাসিন্দা। প্রথম আক্রান্তের হদিশ মেলার পরেই বিশেষজ্ঞদের একটি দলকে কেরলে পাঠান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 

    ১৪ জুলাই ভারতে প্রথম মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের খোঁজ মেলে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে ভারতে ফেরা বছর ৩৫-এর এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ দেখা যায়। তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য জাতীয় ভাইরোলজি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছিল, রিপোর্ট পজিটিভ আসে। জানা যায়, বিদেশে তিনি মাঙ্কি পক্স সংক্রমিত রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন। 

    গত সোমবারই কেরলে দ্বিতীয় মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের হদিশ মেলে। আর তারপরেই জরুরি বৈঠকে বসেন বন্দরের স্বাস্থ্য আধিকারিক, স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ বিভাগের আঞ্চলিক দফতরের প্রধানরা। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি এক নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়, মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ রুখতে বিদেশ ফেরত যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। আর সেই পরীক্ষা করতেই তৃতীয় আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেল।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, মাঙ্কি পক্স সংক্রামক রোগ। এটি মূলত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। এর উপসর্গগুলি অনেকটা গুটিবসন্তের মতোই। সারা বিশ্বে এখন প্রায় ৬০০০ মানুষ মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত। আফ্রিকায় এই রোগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মাঙ্কিপক্সে সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ইউরোপ এবং আফ্রিকার বাসিন্দারা। মাঙ্কি পক্সের ৮০ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনা ইউরোপের। তবে হু জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি।

     

  • Monkey Pox: ফের মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ কেন্দ্রের

    Monkey Pox: ফের মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পরে এবার দেশে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। আরও এক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত রোগীর হদিশ মিলেছে কেরলে (Kerala)। আর তারপরেই দেশের সমস্ত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিল কেন্দ্র সরকার। বিদেশ ফেরত সমস্ত যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন…

    সোমবার বিমান বন্দরের আধিকারিক (Airport Authority), স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে মাঙ্কি পক্স সংক্রান্ত ইস্যুতে জরুরি বৈঠক করেন স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ বিভাগের (Ministry of Health and Family Welfare) আঞ্চলিক দফতরের প্রধানরা। তার পরেই কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, বিদেশ থেকে দেশে ফিরলেই যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। এর ফলে দেশে মাঙ্কি পক্স ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কমবে। মাঙ্কি পক্স নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। অভিবাসন দফতরকেও এই বিষয়ে সতর্ক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ভারতে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিস মিলল, ভয় কতটা?
      
    সোমবার সকালেই দেশে মাঙ্কি পক্সে দ্বিতীয় আক্রান্তের হদিশ মেলে। আর তারপরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। ৩১ বছরের ওই ব্যক্তি এই মুহূর্তে কন্নুরের পারিয়ারাম মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি। এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত সপ্তাহে আরব আমিরশাহি ফেরত আরও এক ব্যক্তির শরীরেও মাঙ্কি পক্সের ভাইরাস পাওয়া যায়। 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে মাঙ্কি পক্স মূলতে পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়েছে। স্মল পক্সের মতোই লক্ষণ এই রোগের। যদিও স্মল পক্সের থেকে কম ক্ষতিকারক এই রোগ। সম্প্রতি মাঙ্কি পক্সকে অতিমারী ঘোষণা করেছে হু। 

    ইতিমধ্যেই ৫৮টি দেশে ৩৪১৭ টি মাঙ্কিপক্সের ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে। মাঙ্কিপক্সের প্রভাব ক্রমশ একাধিক দেশে বেড়েই চলেছে। ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বজুড়ে কোনো পদক্ষেপ তৎক্ষণাৎ না নিলে মাঙ্কিপক্সের প্রভাব কমানো সম্ভব নয়। যদিও এই মুহূর্তে স্মল পক্সের তুলনায় মাঙ্কিপক্সের মৃত্যুর হার কম। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। এই মুহূর্তে এই রোগের মোকাবিলার চেষ্টা চলছে সর্বত্র। এরই মধ্যে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। ফলে এই মুহূর্তে মাঙ্কিপক্স অতিমারি ছাড়া আর কিছু নয় জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক।

    ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক থেকে জানানো হয়েছে যে, মাঙ্কিপক্সকে অতিমারি ঘোষণা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল যাতে অধিকাংশ দেশগুলি এই ভাইরাসের প্রতি বিশেষ নজর রাখে ও এখন থেকেই পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। উপযুক্ত পদক্ষেপ নিলেই এই ভাইরাসের ক্ষতির হাত থেকে রেহাই পাবে গোটা বিশ্ব। মাঙ্কিপক্সের উপসর্গগুলি নিয়েও জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতার প্রচার করার কথাও বলেছে ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক। 

     

  • Monkey Pox In India: ভারতে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিস মিলল, ভয় কতটা?

    Monkey Pox In India: ভারতে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিস মিলল, ভয় কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে প্রবেশ করল মাঙ্কি পক্স। অনেক সাবধানতা নিয়েও শেষ রক্ষা হল না। প্রথম আক্রান্তের হদিশ মিলল কেরলে। করোনা অতিমারীর সংকট এখনও কাটেনি। আর তার মাঝেই চিন্তা ধরাচ্ছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। ইউরোপের দেশগুলির পরে সংক্রমণ থেকে নিস্তার পেল না ভারতও।  

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা সম্ভব, জানাল গবেষণা

    বিদেশ থেকে সদ্য দেশে ফেরা এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। চার দিন আগেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে দেশে ফেরেন কেরলের (Kerala) ওই বাসিন্দা। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে৷ সেখানেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ। মাঙ্কি পক্স-এ আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। 

    [tw]


    [/tw] 
     
    কলকাতাতেও এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কি পক্সের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে রক্তের নমুনা পাঠানো হয়। কিন্তু সেই ব্যক্তির রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।   

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO)-র মতে, মাঙ্কি পক্স সংক্রামক রোগ। এটি মূলত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। এর লক্ষণগুলি গুটিবসন্তের রোগীদের মতোই। সারা বিশ্বে এখন প্রায় ৬০০০ মানুষ মাঙ্কি পক্স-এ আক্রান্ত। আফ্রিকার কিছু অংশে এই ভাইরাসে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    মাঙ্কি পক্সে সবথেকে বেশি আক্রান্তের হদিশ মিলেছে ইউরোপ এবং আফ্রিকায়। মাঙ্কি পক্সে ৮০ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনাই ইউরোপের। বিষয়টি কপালে ভাঁজ ফেলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আধিকারিকদের। হু জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। এ বিষয়ে ১৮ জুলাই জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ আটকাতে কী কী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে, সেই বিষয়েই আলোচনা হবে এদিনের বৈঠকে।  

    এই ভাইরাসে আক্রান্তদের শরীরে প্রাথমিক যে উপসর্গগুলি দেখা যায়, সেগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর ও গোটা শরীরে ব্যাথার লক্ষণ। কাঁপুনি ও ক্লান্তিও দেখা দিতে পারে। শরীরে র‍্যাশ দেখা যায় এই রোগে। ত্বকের সংস্পর্শে এলে এবং যৌন মিলনে এই রোগ ছড়াতে পারে। 

    গবেষণা অনুযায়ী, এমন কিছু অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আছে যা প্রয়োগ করলে মাঙ্কি পক্সের উপসর্গগুলিকে প্রশমিত করা সম্ভব। এমনকি এই ওষুধগুলির প্রয়োগে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন রোগীরা বলেও দাবি করছেন গবেষকরা। এই রোগের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে রোগীদের ওপর ওই গবেষণায়। ওষুধ দুটি হল, ব্রিনসিডোফোভির এবং টেকোভিরিমাট। আমেরিকার বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মল পক্সের টিকার মাধ্যমেও এই রোগের চিকিৎসা সম্ভব।   

     

     

  • Tamilnadu: আরএসএস নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হল পেট্রোল বোমা, গত ২৪ ঘণ্টায় এটি তৃতীয় ঘটনা

    Tamilnadu: আরএসএস নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হল পেট্রোল বোমা, গত ২৪ ঘণ্টায় এটি তৃতীয় ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তামিলনাড়ুতে (Tamilnadu) বোমা ছুঁড়ে হামলা করার অভিযোগ উঠে এল। গত ২৪ ঘণ্টায় এটি তিন নম্বর ঘটনা। এ বার আরএসএস নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল চেন্নাইয়ে। শনিবার সকালে আরএসএস নেতা সীতারামনের বাড়ি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ। পেট্রোল বোমা হামলার পরেই গোটা এলাকা জুড়ে ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের কাছে আরএসএস নেতা সীতারামনের বাসভবন, তাম্বারামে একটি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল। ওই এলাকায় দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি সীতারামনের বাড়িতে পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মারে। ফলে তাদের খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

    আরআরএস নেতা সীতারামন জানিয়েছেন, দুষ্কৃতীরা ভোর ৪ টের দিকে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, “ভোর চারটার দিকে আমরা একটা বিকট শব্দ শুনতে পাই এবং বাইরে আগুন দেখতে পাই। আমরা এটাকে শর্ট সার্কিট বলে ভেবেছিলাম কিন্তু তা হয়নি। আমরা আগুন নেভাই এবং পুলিশকে ফোন করি। পুলিশরা অভিযুক্তের ফুটেজ পেয়েছেন।”

    গত কয়েকদিন ধরেই এমন হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে। কোয়েম্বাটোরের কোভাইপুদুরে এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনাতেও কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তিরা আরএসএস কর্মীর বাসভবনে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছিল, যার পরে এই অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। যদি এই গঠনায় কোনও ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আবার কেরালার কান্নুরেও আরএসএসের একটি অফিসে এমনই হামলা চালানো হয়েছিল। এই ঘটনায় দুই দুষ্কৃতি স্কুটারে করে এসে, অফিসে পৌঁছে জানালার কাঁচ ভেঙে পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মারে। ফলে এই ঘটনারও তদন্ত চালানো হচ্ছে। এছাড়াও শুক্রবার ওই এলাকায় পুলিশ, পরিবহন বাস, দোকানের ওপর পাথর ছুঁড়ে হামলা করা হয়। ফলে এই ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ আহত হয়েছেন ও বাসের জানালাগুলোর কাঁচগুলো পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে।

    বারবার দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে এই হামলা নিয়ে সরব হয়েছেন আরএসএস কর্মীরা। এই ঘটনাগুলোর পেছনে ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’-র (পিএফআই) ভূমিকা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হয়েছে। সম্প্রতি এই সংগঠনের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল এনআইএ।

  • West Nile Virus: আতঙ্কের নয়া নাম ওয়েস্ট নাইল! কীভাবে মানবদেহে ছড়ায় এই ভাইরাস?

    West Nile Virus: আতঙ্কের নয়া নাম ওয়েস্ট নাইল! কীভাবে মানবদেহে ছড়ায় এই ভাইরাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমূখী। এর মধ্যেই আবার দেশে মিলল ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile Virus)। সম্প্রতি এই ভাইরাসের কবলে পড়ে কেরালায় (Kerala) মৃত্যু হয়েছে ৪৭ বছরের এক ব্যক্তির। এর আগে ২০১৯ সালে এই রাজ্যেরই কোঝিকোড়ে এই ভারাসের হানায় মৃত্যু হয়েছিল সাত বছরের এক শিশুর।  তারপর থেকেই এই ভাইরাস নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।  

    কী এই ভাইরাস: ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস বা ডব্লিউএনভি (WNV) হল নাইল ভাইরাসের পুরো নাম। এটি একটি মশাবাহিত রোগ (vector borne virus)। সাধারণত কিউলেক্স (culex sp) মশা থেকে এই রোগ ছড়ায়। মূলত পাখির দেহ থেকে মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস ঢোকে মানুষের শরীরে। আফ্রিকা, ইউরোপ, নর্থ আমেরিকা ও পশ্চিম এশিয়ায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। এই ভাইরাসের আক্রমণে প্রাথমিকভাবে জ্বর আসে, মাথা যন্ত্রণা হয়, গায়ে র‌্যাশও বেরোতে দেখা যায় মাঝে মাঝে। এ ছাড়া হয় গ্ল্যান্ডের সমস্যা। এই লক্ষ্মণগুলি কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

    কখন বিপদ: নাইল ভাইরাস যদি কোনও ক্রমে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় তাহলেই বিপদ। মস্তিষ্কে পৌঁছলেই ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। মস্তিষ্কে সংক্রমণ হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সংক্রমণ মস্তিষ্ক থেকে ছড়িয়ে পড়ে সুষুম্নাকাণ্ডে। যার জেরে মানবশরীরের স্নায়ুতন্ত্র বিকল হয়ে পড়ে।

     বিপদ বেশি কাদের: যে সব মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাঁরা সহজেই এই রোগের শিকার হন। সাধারণত শিশু ও বয়স্ক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হয়। তাই শিশু ও বয়স্কদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সবথেকে বেশি।

    ওষুধ: মানুষের দেহে এই রোগ হলে তা নিরাময়ের কোনও ওষুধ বা ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত নেই। স্নায়ুতন্ত্র (nervous system) যাতে পুরোপুরি বিকল হয়ে না পড়ে সে জন্য নিউরো-ইনভেসিভ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সঙ্গে বিভিন্ন লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ওই রোগের মোকাবিলা করা হয়। 

    ওষুধ নেই তাই এই রোগ হওয়ার আগেই সাবধান হওয়া ভাল। এই রোগ থেকে বাঁচার সবথেকে ভাল উপায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা। বর্ষার আগে নিয়মিত মশারি টাঙিয়ে শোয়াই বাঞ্ছনীয়।

     

  • Monsoon: বর্ষা ঢুকল কেরালায়, আগামী সপ্তাহেই কি বাংলায়?

    Monsoon: বর্ষা ঢুকল কেরালায়, আগামী সপ্তাহেই কি বাংলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্ধারিত সময়ের তিন দিন আগে কেরালায় (Kerala) প্রবেশ করল বর্ষা (Monsoon)। রবিবার, ২৯ জুন কেরালায় পৌঁছে গেল দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমী বায়ু (southwest monsoon)। সাধারণ ভাবে ভারতে বর্ষা ঢোকার দিন হিসেবে জুন মাসের ১ তারিখকেই ধরা হয়। তবে সব সময় দিনক্ষণ মেনে বর্ষা আসে না। সে চলে তার মর্জিতে। বঙ্গোপসাগরের উপরে থাকা দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর উপর নির্ভর করে বর্ষা আসে। কখনও সে তিথি মেনে ঢোকে। কখনও অপেক্ষা করিয়ে রাখে। কখনও আবার সময়ের আগেই এসে হাজির হয়।

    মৌসম ভবনের রেকর্ড বলছে, গত ১০ বছরে ১ জুন দেশে বর্ষা ঢুকেছে দু’বার। ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ এবং ২০১৯ সালে প্রায় এক সপ্তাহ দেরি করে বর্ষা এসেছে। আবার মে মাসেই বর্ষা চলে এসেছে ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে। শেষ ২০১৮ সালে ২৯ মে বর্ষা ঢুকেছিল দেশে। যেমনটি এ বার হয়েছে। 

    [tw]


    [/tw]

    চলতি বছর আগেই আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করেছিল। তখনই ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়ে দেয দেশেও তাড়াতাড়ি বর্ষা চলে আসবে। সেই পূর্বাভাস মেনেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ ঘটল। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (‌আইএমডি)‌–র ডিরেক্টর মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানান, রবিবারই উপসাগর থেকে ভারতের স্থলভাগে প্রবেশ করেছে বর্ষা। কেরালায় বর্ষা আগে ঢুকেছে তাই সারা দেশেই এর কম-বেশি প্রভাব পড়বে। তবে কি বাংলাতেও বর্ষা আগেই আসবে? এ প্রশ্নের উত্তর এখনই মেলেনি। আবহাওয়া দফতর এখনও নিশ্চিত নয়, যে কেরালায় বর্ষা আগে এসেছে বলে দেশের বাকি অংশেও আগেই আসবে। 

    বাংলায় সাধারণত বর্ষা ঢোকে উত্তরবঙ্গ হয়ে। প্রথমে উত্তরবঙ্গ তার পর ধীরে ধীরে এগোয় দক্ষিণবঙ্গের দিকে। ৮ থেকে ১০ জুন উত্তরবঙ্গে বর্ষা আসে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু এ বছর একটু আগে আগেই পৌঁছে যাচ্ছে সর্বত্র। যদি তা-ই হয়, সেক্ষেত্রে বাংলায় এক সপ্তাহের মধ্যেই বর্ষা চলে আসবে।

  • Kerala NEET Controversy: পরীক্ষায় বসতে হলে খুলতে হবে অন্তর্বাস! কেরলে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা

    Kerala NEET Controversy: পরীক্ষায় বসতে হলে খুলতে হবে অন্তর্বাস! কেরলে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (National Eligibility Entrance Test) পরীক্ষাকেন্দ্রে ছাত্রীদের জোর করে অন্তর্বাস খোলানো নিয়ে সরগরম কেরল (Kerala)। অভিযোগ, পরীক্ষাহলে ঢোকার আগে ছাত্রীদের জোর করে অন্তর্বাস খোলানো হয়েছে। চেকিংয়ের সময় মেটাল ডিটেক্টরে ব্রায়ের হুক নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি। ফলে ছাত্রীদের অন্তর্বাস নিয়ে আপত্তি জানায় কেরালার কোল্লাম জেলার (Kollam district) মারথোমা ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি (Kerala’s Marthoma Institute of Information Technology)। ওই সেন্টারে পরীক্ষা দিতে আসা এক পড়ুয়ার বাবা কোট্টারাকারা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগকারী জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে এই শর্তে রাজি না হওয়ায় তাঁকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি। যদিও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA) গাইডলাইনে অন্তর্বাস নিয়ে কোনও আপত্তির কথা লেখা নেই। অভিযোগকারীর দাবি, ওই পরীক্ষাকেন্দ্রে ৯০ শতাংশ মহিলা পরীক্ষার্থীকে অন্তর্বাস খোলার পরই পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের প্রশ্ন করা হয়, ”কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ? অন্তর্বাস না ভবিষ্যৎ?” যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেরলের ওই ইনস্টিটিউট।  বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে এনটিএ। চিঠি লিখে এনটিএ-এর থেকে ঘটনাটি বিস্তারিত জানতে চান কেরলের শিক্ষামন্ত্রী আর বিন্দু। কেরলের শিক্ষা দফতরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন পুরো ঘটনার তদন্তের জন্য কেরলে তদন্তকারী দল পাঠাচ্ছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।

    আরও পড়ুন: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করলে তা ধর্ষণ নয়, ঐতিহাসিক রায় কেরল হাইকোর্টের

    সম্পূর্ণ ঘটনাকে অত্যন্ত অপমানজনক আখ্যা দিয়ে ১৭ বছরের এক ছাত্রী জানান, রবিবার পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে জোর করে অন্তর্বাস খোলানোয়, পরীক্ষা চলাকালীন সর্বক্ষণ তাঁকে চুল দিয়ে বুক ঢেকে রাখতে হয়। তিনি বলেন, “পরীক্ষা শুরুর আগে ওনারা আমায় ডাকেন এবং বলেন যে সমস্ত পরীক্ষার্থীর স্ক্যানিং হবে। আমরা ভেবেছিলাম দুটো লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে, এবার চেকিংয়ের পরই হয়তো যেতে দেওয়া হবে। কিন্তু ওনারা বলেন, যারা ধাতব হুকের ব্রা পরে রয়েছে, তাদের সকলকেই ব্রা খুলতে হবে। আমাকেও প্রশ্ন করা হয় যে অন্তর্বাসে ধাতব হুক আছে কি না, হ্য়াঁ বলতেই আমায় একটি লাইনে দাঁড়াতে বলে।”

    ওই ছাত্রী আরও বলেন, “ওনারা আমাদের অন্তর্বাস খুলে টেবিলের উপরে রাখতে বলেন। সমস্ত ছাত্রীদের ব্রা এক জায়গায় জড়ো করে রাখা হয়। আমরা তখনও জানতাম না যে পরীক্ষার পর আর অন্তর্বাস ফেরত দেওয়া হবে কি না। পরীক্ষা শেষে যখন ওই ঘরে যাই, সেখানে প্রচন্ড ভিড় ছিল। ওনারা আমাদের বলেন যে হাতে ব্রা নাও আর বেরিয়ে যাও। পরার কোনও দরকার নেই। কোনওমতে নিজের অন্তর্বাস খুঁজে নিয়ে আমি বেরিয়ে আসি।”

  • Norovirus: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস? 

    Norovirus: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাস, মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস (Norovirus)। কেরলে ইতিমধ্যেই দুজনের শরীরে এই ভাইরাসের লক্ষণ দেখা গিয়েছে। তিরুঅনন্তপুরমের প্রাইমারি স্কুলের দুই শিশুর শরীরে মিলেছে এই ভাইরাসের উপস্থিতি। তা নিয়ে প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা সম্ভব, জানাল গবেষণা

    মূলত খাবার এবং জলের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এই ভাইরাস। অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাস বলে ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আক্রান্তদের বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।  আক্রান্ত হওয়ার এক থেকে দুদিনের মধ্যেই পেট ব্যথা, জ্বর, মাথাব্যথা এবং শরীরে ব্যথা অনুভূত হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ২ শিশুর শরীরে বমি, ডায়রিয়া এবং জ্বরের উপসর্গ রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন মিড ডে মিলের খাবার থেকেই ছড়িয়েছে এই রোগ। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিভানকুট্টি স্কুলগুলিকে মিড-ডে মিল রান্নার সময়ে আরও বেশি সাবধানতা অবলম্বন করার অনুরোধ করেছেন। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিনা জর্জ (Veena George) এবিষয়ে বলেন, “এই ভাইরাস খুবই সংক্রামক। আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি, ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে এই ভাইরাস সম্পর্কে পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের সতর্ক করা হয়েছে।”

    কেরল সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, “বারবার হাত ধোয়া, বাইরের খাবার বুঝে খাওয়া, বেশি করে জল খাওয়ার মাধ্যমে এই ভাইরাসকে দূরে রাখা সম্ভব।” এখনই এই ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।

    আরও পড়ুন: জরুরী বৈঠকের ডাক উদ্ধব ঠাকরের, ফের লকডাউনের পথে মুম্বাই? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, “বারবার হাত ধুতে হবে। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। খেলেও পরিষ্কার কোনও জায়গার খাবার খেতে হবে। বেশি করে জল খেলে ভাইরাস থেকে দূরে থাকা যাবে।”

    ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে প্রথম কেরলে নোরোভাইরাসের হদিশ মিলেছিল। সেই সময় রাজ্যের পশু চিকিৎসা কলেজের মোট ১৩ জন পড়ুয়া এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন। চলতি বছর ফের খোঁজ মিলল নোরোভাইরাসের।

     

     

LinkedIn
Share