Tag: Kiren Rijiju

Kiren Rijiju

  • PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও ধরনের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। মঙ্গলবার সংসদ ভবনের লাইব্রেরি ভবনের জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকে (NDA Parliamentary Party Meet) তিনি বলেন, ‘‘দেশের ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ছাত্রদের ভবিষ্যৎ কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না। নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলিকে অযথা রাজনীতি না করারও আহ্বান জানান তিনি।

    ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষার বার্তা

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, প্রধানমন্ত্রী নিট বিতর্কের কারণে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রিজিজু বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনও পরিস্থিতিতেই ছাত্রদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি নিট ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার না বানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সরকারের লক্ষ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং ছাত্রদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা।’’

    কেন ডাকা হয়েছিল ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক?

    এদিনের ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan) বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানানো। সম্প্রতি তিনি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। পাশাপাশি সদ্য নির্বাচিত রাজ্যসভার সদস্যদেরও স্বাগত জানানো হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং, কিরেন রিজিজু ও অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, জি. কিষাণ রেড্ডি এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি রাহুল সিনহা। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে এনডিএ-র সহযোগী দলগুলি মোদির এই ঐতিহাসিক মাইলফলককে স্বীকৃতি জানিয়ে একটি অভিনন্দন প্রস্তাবও গ্রহণ করে।

    প্রথম বৈঠক নিয়ে উচ্ছ্বসিত অশোক মিত্তল

    প্রথমবার এনডিএ–বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দিয়ে বিজেপি সাংসদ অশোক মিত্তল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলের নেতৃত্বের বক্তব্য শোনার সুযোগ পাওয়াকে তিনি বড় সম্মান বলে মনে করছেন। তিনি জানান, দেশের উন্নয়নে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে কাজ করা যায় এবং একজন সাংসদ হিসেবে নিজের দায়িত্ব কীভাবে পালন করতে হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন।

    এনডিএ বৈঠকে অনুপস্থিত এনসিপিআই

    অন্যদিকে, সদ্য গঠিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-র ২০ জন সাংসদ এদিনের বৈঠকে যোগ দেননি। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের নিয়ে গঠিত এই দলটি বর্তমানে এনডিএ-কে সমর্থন করছে। তবে লোকসভার স্পিকার এখনও পর্যন্ত এনসিপিআই-এর একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেওয়ায় তারা যৌথ বৈঠক থেকে দূরে থাকে। এর আগে রবিবার বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এনসিপিআই তাদের প্রথম পৃথক সংসদীয় দলের বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি জানান, সংসদে দলের বসার ব্যবস্থা, ডিভিশন নম্বর এবং পৃথক আইনসভার ব্লক অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, সংসদে এনডিএ সরকারকে সমর্থন করলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রের সমস্যা নিয়ে তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছেই বিষয়গুলি তুলবেন।

    ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বর্ষাকালীন অধিবেশন

    উল্লেখ্য, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন সোমবার শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। এই অধিবেশনে নিট বিতর্ক-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক দু’দিন আগে দেশের রাজনীতিতে ঘটল বড় ধরনের পালাবদল। লোকসভার স্পিকার (Lok Sabha Speaker) ওম বিড়লা আনুষ্ঠানিকভাবে শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় লোকসভা সাংসদের একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনায় (Shiv Sena UBT) যোগদানের অনুমোদন দিয়েছেন। এর ফলে লোকসভায় শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।

    শক্তি বাড়ল এনডিএর (Lok Sabha Speaker)

    লোকসভা সচিবালয়ের জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে অষ্টাদশ লোকসভায় বিভিন্ন দলের সংশোধিত অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (ইউবিটি) থেকে ওই ছয় সাংসদের দলবদলের বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে লোকসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর শক্তিও আরও বৃদ্ধি পেল। এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের জন্যও লোকসভায় পৃথক আসন বিন্যাসের অনুমতি দিয়েছেন স্পিকার। বর্ষীয়ান নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠী ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত হওয়ার আবেদন জানিয়েছে। যদিও ওই দলভুক্তিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। সাংবিধানিক ও আইনি দিকগুলি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বৈঠকে আমন্ত্রণ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সরকারের ডাকা সর্বদলীয় ফ্লোর লিডারদের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই আরও কিছু রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত মিলছে। ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এনডিএর সাংসদ সংখ্যা আরও বেড়েছে। তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমর্থন এবং শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় সাংসদের শিন্ডে শিবিরে যোগদানের ফলে সরকার গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে বলেই শুরু হয়েছে জল্পনা (Lok Sabha Speaker)।

    বিল পাসে আশাবাদী সরকার

    রাজনৈতিক মহলের ধারণা, লোকসভায় সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল এবং মহিলাদের সংরক্ষণ সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করানোর ক্ষেত্রে সরকার নতুন করে আশাবাদী। শরদ পওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি এবং দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমের সমর্থন মিলতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। এই ধরনের সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করাতে লোকসভায় মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিলটি পাস করানো সম্ভব হয়নি।

    ‘অন্যায়’ আবদার তৃণমূল-উদ্ধব ঠাকরের দলের

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস জোট ভেঙে টিভিকে-কে সমর্থন করার পর দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমও লোকসভায় কংগ্রেসের থেকে আলাদা আসন বিন্যাসের আবেদন করেছে। যদিও স্পিকার এখনও এ বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাননি। তবে তা অনুমোদিত হতে পারে বলেই জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। শিবসেনা (ইউবিটি) এবং তৃণমূল কংগ্রেস—দুই দলই তাদের বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর (Shiv Sena UBT) সদস্যসংখ্যা দলত্যাগ-বিরোধী আইনের বিধান লঙ্ঘন না করায় স্পিকারের পক্ষে তাঁদের অযোগ্য ঘোষণা করার সম্ভাবনা খুবই কম (Lok Sabha Speaker)।

     

  • Kiren Rijiju: গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ঘিরে রাহুলকে নিশানা, “পরিবেশের অজুহাতে উন্নয়ন আটকে দেওয়ার চেষ্টা”, তোপ রিজিজুর

    Kiren Rijiju: গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ঘিরে রাহুলকে নিশানা, “পরিবেশের অজুহাতে উন্নয়ন আটকে দেওয়ার চেষ্টা”, তোপ রিজিজুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেট নিকোবর দ্বীপের বহুচর্চিত উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে ফের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে (Great Nicobar Project) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, রাহুলের স্কুবা ডাইভিং সফরকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে প্রকল্পটির বিরুদ্ধে পরিবেশগত উদ্বেগের প্রচার চালানো হয়েছে।

    রাহুলের স্কুবা ডাইভিং সফরে ব্যয় ২৬ কোটি! (Kiren Rijiju)

    রিজিজু বলেন, “রাহুল গান্ধীর স্কুবা ডাইভিং সফরের জন্য প্রায় ২৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। সেই সফর ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত উদ্বেগের সঙ্গে গ্রেট নিকোবর উন্নয়ন প্রকল্পকে যুক্ত করে জনমত গঠনের চেষ্টাও করা হয়।” মন্ত্রীর দাবি, গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের বিরোধিতা প্রকৃতপক্ষে পরিবেশ রক্ষার জন্য নয়। তাঁর মতে, পরিবেশ সংক্রান্ত উদ্বেগকে সামনে রেখে এমন একটি প্রকল্পের কাজ আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা ভবিষ্যতে ভারতের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা এনে দিতে পারে। তিনি বলেন, “দেশে বড় ধরনের পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির বিরুদ্ধে একটি সুসংগঠিত গোষ্ঠী কাজ করে। তারা পরিবেশগত ইস্যু তুলে ধরে জনমত তৈরি করে, চেষ্টা করে বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতিতে বাধা দেওয়ার।” রিজিজু বলেন, “ভারতের পরিবেশ সংক্রান্ত আইন অত্যন্ত কঠোর এবং কোনও সরকার ইচ্ছেমতো বনাঞ্চল, সামুদ্রিক পরিবেশ বা জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করতে পারে না। প্রতিটি বড় প্রকল্পই প্রয়োজনীয় পরিবেশগত মূল্যায়ন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যায়।”

    রাহুলকে নিশানা মন্ত্রীর

    তাঁর দাবি, প্রকল্পের সমালোচকেরা অনেক অভিযোগ তুললেও, তার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরতে পারেননি। শুধু তাই নয়, প্রকল্পে যে পরিবেশগত সুরক্ষাব্যবস্থা রাখা হয়েছে, সেটিও তাঁরা উপেক্ষা করছেন। গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের ফলে দ্বীপের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব পড়তে পারে— এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দিয়েছেন রিজিজু। বলেন, “শম্পেন, নিকোবারিজ, গ্রেট আন্দামানিজ, জারোয়া এবং সেন্টিনেলিজ-সহ বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Great Nicobar Project)।” তাঁর বক্তব্য, অতীতেও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কারণে এই সম্প্রদায়গুলির জীবনযাত্রায় কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি, ভবিষ্যতেও তাদের অধিকার ও সংস্কৃতি সুরক্ষিত রাখা হবে (Kiren Rijiju)। রিজিজুর মতে, পরিবেশ সংরক্ষণ, আদিবাসী কল্যাণ, শিল্পোন্নয়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়ন— এই চারটি বিষয় একসঙ্গেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তিনি জানান, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। রাহুলকে সরাসরি নিশানা করে রিজিজু বলেন, “উনি শুধুমাত্র বৃহত্তর একটি ‘ইকোসিস্টেমে’র অংশ, যারা জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রকল্পের বিরোধিতা করে।” মন্ত্রীর দাবি, বাঁধ, জাতীয় সড়ক, খনি বা অন্যান্য বড় পরিকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রতিবাদ দেখা যায়। পরিবেশ রক্ষার নামে মামলা, আন্দোলন এবং প্রচারাভিযান চালিয়ে প্রকল্পগুলিকে দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়।

    ব্লু ইকোনমি

    সাক্ষাৎকারে ভারতের সামুদ্রিক সম্পদের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন রিজিজু। বলেন, “দেশের ‘ব্লু ইকোনমি’কে শক্তিশালী করতে সমুদ্রভিত্তিক সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহার প্রয়োজন (Kiren Rijiju)।” কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ডিপ ওশান মিশনে’র উল্লেখ করেন মন্ত্রী জানান, ভারত বর্তমানে সমুদ্রের প্রায় ৫,০০০ মিটার গভীর পর্যন্ত অনুসন্ধান চালানোর ক্ষমতা অর্জনের পথে দ্রুত এগোচ্ছে। ভারত মহাসাগরের খনিজ ও অন্যান্য সম্পদের অনুসন্ধান দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধি করবে (Great Nicobar Project)।

    বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা

    পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী হিসেবে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে বলেও জানান রিজিজু। বলেন, “সরকারের সমালোচনা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ, এবং আমি একে স্বাগত জানাই।” তবে জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে রাজনৈতিক বিতর্কের হাতিয়ার না করার আহ্বানও জানান মন্ত্রী। রাহুলের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেওয়া প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করা উচিত। রিজিজুর কথায়, “গণতন্ত্রে মতবিরোধ স্বাভাবিক (Great Nicobar Project)। কিন্তু দেশের অগ্রগতি এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলির সহযোগিতামূলক মনোভাবও থাকা প্রয়োজন (Kiren Rijiju)।”

     

  • Waqf Properties: ‘উমিদ’ সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় বাতিল বাংলার ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি

    Waqf Properties: ‘উমিদ’ সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় বাতিল বাংলার ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল শাসিত বঙ্গে ‘উমিদ’ (UMEED) সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Properties) বাতিল করা হয়েছে। পোর্টালটিতে আপলোড করা হয়েছিল মোট ৮৫,১১০টি ওয়াকফ সম্পত্তি। তার মধ্যে মাত্র ১৮,৪৯৭টি সম্পত্তি যাচাই ও অনুমোদিত হয়েছে। রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নের উত্তরে একথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৮০,৫৪৮টি ওয়াকফ সম্পত্তির মধ্যে মাত্র ২৩,০৯১টি উমিদ পোর্টালে আপলোড করা হয়েছিল। এর কারণ জানতে চান বিজেপি সাংসদ। জানতে চান, ঘটনায় দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    শমীকের প্রশ্ন (Waqf Properties)

    শমীক জানতে চান, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পোর্টাল বন্ধ হওয়ার আগে কেন মাত্র ২৩,০৯১টি সম্পত্তি আপলোড করা হয়েছিল? এটি উমিদ কাঠামোর নির্ধারিত সময়সীমা লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে কিনা। তাঁর প্রশ্ন, একাধিক পর্যালোচনা ও ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ ওয়াকফ বোর্ড কেন (Waqf Properties) এত কম সংখ্যক সম্পত্তি আপলোড করেছে? বিজেপির এই সাংসদ এও জানতে চান, নির্ধারিত সময়ে আপলোড না হওয়া সম্পত্তিগুলির আইনি অবস্থান কী? ভবিষ্যতেই বা কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, তাও জানতে চান তিনি।

    কী বললেন কিরেন রিজিজু

    সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, ৬ জুন ২০২৫ তারিখে উমিদ সেন্ট্রাল পোর্টাল চালু হয়। সংশোধিত আইনের আওতায় রেজিস্ট্রিকৃত সমস্ত ওয়াকফ সম্পত্তির তথ্য ৬ মাসের মধ্যে আপলোড করা বাধ্যতামূলক ছিল। প্রয়োজনে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনাল আরও ৬ মাস সময় বাড়াতে পারত। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ওই দিন রাত্রি ১১:৫৯-এ পোর্টাল বন্ধ করা হয়। তিনি বলেন, “প্রথম ৬ মাসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ২৩,০৯১টি সম্পত্তির তথ্য (Waqf Properties) আপলোড করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৭১৬টি অনুমোদিত হয় এবং ১৬১টি বাতিল করা হয়, বাকিগুলি বিভিন্ন পর্যায়ে ছিল। পরে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সময় বাড়ানো হয়। পরে ফের পোর্টাল খোলা হয়েছে। খোলা থাকবে ২৪ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। ১৭ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট ৮৫,১১০টি সম্পত্তি আপলোড হয়েছে, যার মধ্যে ১৮,৪৯৭টি অনুমোদিত এবং ৩,৫০৯টি বাতিল হয়েছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, আপলোডিং, যাচাই ও অনুমোদনের কাজ এখনও চলছে।চূড়ান্ত তথ্য যেমন, মামলা, দখলদারিত্ব, শ্রেণিবিভাগ, সম্পত্তির মূল্য ইত্যাদি—সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্ধারণ করা যাবে না (Waqf Properties)।

    অমিত মালব্যর প্রশ্ন

    এদিকে, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য প্রশ্ন তোলেন, “এত বড় সংখ্যক সম্পত্তি যাচাইয়ে কেন বাতিল হল? তাহলে কি তথ্যগত ত্রুটি ছিল, নাকি কারচুপি হয়েছে, নাকি নথিপত্র অসম্পূর্ণ ছিল?” প্রশাসনিক ব্যর্থতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিও দাবি করেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩ জুলাই “ইউনিফায়েড ওয়াকফ ম্যানেজমেন্ট, এমপাওয়ারমেন্ট, এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রুলস, ২০২৫” জারি করা হয়। ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫-এর অধীনে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার লক্ষ্য ছিল, রেকর্ড ডিজিটাইজেশন, নজরদারি বৃদ্ধি, অডিট দ্রুত করা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

     

  • All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।’ বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meet) সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত চলছে, সেখানে পাকিস্তানের কথিত মধ্যস্থতার (Pakistan) প্রসঙ্গে একথা জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলের একাধিক সদস্য। বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল।

    বিরোধীদের প্রশ্ন, জয়শঙ্করের উত্তর (All Party Meet)

    বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে আর ভারত নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আসছে। তাই এই ধরনের মধ্যস্থতা নতুন কিছু নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা কোনও দালাল রাষ্ট্র নই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপচারিতা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। কারণ এই সংঘাত সবার পক্ষেই ক্ষতিকর। সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের প্রশ্ন ছিল, “সরকার কি এই সংঘাতে নীরবতাকেই কূটনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে?” জয়শঙ্কর বলেন, “নয়াদিল্লি নীরব নয়, বরং আমরা মন্তব্য করছি এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি।” সূত্রের খবর, ব্রিটাস উল্লেখ করেন যে কাতার, যেখান থেকে ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারাও স্বীকার করেছে উৎপাদন স্থিতিশীল করতে তাদের বহু বছর লাগবে (All Party Meet)।

    এনসিপি (এসপি) সাংসদের প্রশ্ন

    এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রশ্ন ছিল, “ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্পর্কের বিশেষ সুবিধা কী?” উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা অংশীদার। ইরানও আমাদের আচরণে সন্তুষ্ট।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ভারত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত শোক প্রকাশ করেনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইরানি দূতাবাস খোলার পরপরই বিদেশসচিব সেখানে গিয়ে শোকপুস্তকে স্বাক্ষর করেছিলেন (Pakistan)। সরকার এও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকার এখন পর্যন্ত সফলই হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে (All Party Meet)।

    সংসদে আলোচনার দাবি

    বিরোধীরা অবশ্য সরকারের দেওয়া উত্তরকে “অসন্তোষজনক” বলে অভিহিত করেন। তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা—সংসদের উভয় কক্ষেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান। সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বলেন, “লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলগুলি সরকারের জবাবে সন্তুষ্ট নয়।” ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত সকল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও উপস্থিত ছিলেন। বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি বৈঠকে একটি প্রেজেন্টেশন দেন (All Party Meet)। বৈঠকে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের তারিক আনোয়ার ও মুকুল ওয়াসনিক, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব এবং বিজু জনতা দলের সাস্মিত পাত্র প্রমুখ (Pakistan)। তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি।

     

  • Delhi Police: কীভাবে প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে জেনারেল নারভানের বই? তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    Delhi Police: কীভাবে প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে জেনারেল নারভানের বই? তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুষ্ঠানিক প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে চলে আসে ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র একটি কপি (Unpublished Memoir)। অনুমোদন ছাড়াই ছড়িয়ে পড়ে ওই কপি। বইটি ভারতের প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের স্মৃতিকথা (Delhi Police)। এই অভিযোগে ৯ ফেব্রুয়ারি মামলা রুজু করে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, আইনি অনুমোদন ছাড়াই বইটির অপ্রকাশিত সংস্করণ অনলাইনে এবং কয়েকটি নির্বাচিত প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।

    অভিযোগ দায়ের পুলিশের (Delhi Police)

    পুলিশ সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং সংবাদ ফোরামে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়। ওইসব তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বাধ্যতামূলক অনুমোদন না থাকলেও বইটির প্রি-প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তের সময় তদন্তকারীরা কয়েকটি ওয়েবসাইটে একই শিরোনামের একটি টাইপসেট পাণ্ডুলিপির পিডিএফ সংস্করণ খুঁজে পান। নথিটি পেঙ্গুইন রানডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড কর্তৃক প্রস্তুত বলে মনে করা হচ্ছে। তারাই এই স্মৃতিকথার তালিকাভুক্ত প্রকাশক। পুলিশ লক্ষ্য করেছে, কিছু অনলাইন বিপণন প্ল্যাটফর্মে বইটির চূড়ান্ত প্রচ্ছদ প্রদর্শিত হচ্ছিল, যা থেকে ইঙ্গিত মিলছিল যে বইটি কেনার জন্য উপলব্ধ, যদিও সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও প্রকাশিত হয়নি (Delhi Police)। অপ্রকাশিত প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত একটি স্মৃতিকথা ঘিরে এই সম্ভাব্য গোপনীয়তা লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, স্পেশাল সেলে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তথ্য ফাঁসের উৎস চিহ্নিত করা এবং অনুমোদনহীন প্রচারের পরিসর নির্ধারণ করতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

    ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’

    ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’তে জেনারেল নারাভানের প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনের বিবরণ রয়েছে। এতে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে শুরু করে চিফ অব দ্য আর্মি স্টাফ পর্যন্ত তাঁর দীর্ঘ যাত্রাপথের কথা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মৃতিকথাটিতে তাঁর সামরিক জীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর ভারতের সঙ্গে চিনের সবচেয়ে গুরুতর সামরিক অচলাবস্থার কথাও (Unpublished Memoir)। এই স্মৃতিকথাকে ঘিরে বিতর্ক সংসদের বাজেট-পরবর্তী অধিবেশনে আরও তীব্র হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন কেন্দ্রীয় বাজেটের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন লোকসভায় কার্যত অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী একটি ম্যাগাজিনের নিবন্ধ থেকে অংশবিশেষ পাঠ করেন, যা নাকি জেনারেল নারাভানের অপ্রকাশিত বইয়ের ওপর ভিত্তি করে লেখা (Delhi Police)।

    বিজেপির তীব্র আপত্তি

    রাহুলের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত হলেও, বিজেপি নেতৃত্ব তীব্র আপত্তি জানায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের অভিযোগ, জনসমক্ষে প্রকাশ না পাওয়া একটি বইয়ের বিষয়বস্তু সংসদে উল্লেখ করেছেন রাহুল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও সংসদীয় বিতর্কে অপ্রকাশিত প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় ব্যবহার করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয় (Unpublished Memoir)।” প্রাথমিক গন্ডগোলের কয়েক দিনের মধ্যেই রাহুল সংসদে ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র একটি মুদ্রিত কপি হাতে নিয়ে ফের হাজির হন। তিনি জানান, বইটি তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে চান। সংসদ ভবন চত্বরে বই হাতে রাহুল গান্ধীর ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে ওঠে (Delhi Police)। তবে এই পর্যায়ে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে। পুলিশের বক্তব্য, তদন্ত এখনও প্রাথমিক স্তরেই রয়েছে (Unpublished Memoir)।

  • Waqf Properties: ডিজিটাইজেশন ড্রাইভের সমাপ্তি, উমিদ পোর্টালে আপলোড ৫.১৭ লক্ষেরও বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির নথি

    Waqf Properties: ডিজিটাইজেশন ড্রাইভের সমাপ্তি, উমিদ পোর্টালে আপলোড ৫.১৭ লক্ষেরও বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াক্ফ সম্পত্তির (Waqf Properties) বিবরণ কেন্দ্রীয় সরকারের ‘উমিদ’ পোর্টালে নথিভুক্ত করার সময়সীমা শেষ হয়েছে শনিবার। ছয় মাসব্যাপী এই উদ্যোগে প্রথমবারের মতো দেশের পাঁচ লাখেরও বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তিকে একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা সম্ভব হয়েছে। ৬ জুন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু ‘উমিদ’ (UMEED) আইন, ১৯৯৫-এর অধীনে পোর্টালটি উদ্বোধন করেছিলেন। সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ভারতের মোট ৫,১৭,০৪০ ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি পোর্টালে আপলোডের জন্য নিবন্ধিত হয়েছে। এর মধ্যে ২,১৬,৯০৫ সম্পত্তি অনুমোদিত হয়েছে। ২,১৩,৯৪১ সম্পত্তি প্রস্তুতকারীদের দ্বারা জমা পড়লেও যাচাইয়ের সময়সীমা শেষ হওয়ার কারণে প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়ে গিয়েছে। মাত্র ১০,৮৬৯ সম্পত্তির আবেদন যাচাইয়ে বাতিল হয়েছে।

    ‘উমিদ’ পোর্টালে নথিভুক্তের ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড়

    ওয়াক্ফ সম্পত্তি (Waqf Properties) সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত করার জন্য গত ৬ জুন একটি নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নির্দেশিকায় ‘উমিদ’ পোর্টালের কথা বলা হয়। নির্দেশিকায় বলা হয়, ভারত জুড়ে সব ওয়াক্ফ সম্পত্তির বিবরণ ছ’মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পোর্টালে নথিভুক্ত করতে হবে। সেই সময়সীমা শেষ হয় ৬ ডিসেম্বর। শনিবার রাত ১২টার আগে পর্যন্ত ওয়াক্ফ সম্পত্তি নথিভুক্ত করা যায় কেন্দ্রীয় পোর্টালে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, এই সময়সীমা আর বাড়ানো সম্ভব নয়। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ মনে করিয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, ওয়াক্ফ সম্পত্তির বিবরণ সংশ্লিষ্ট পোর্টালে ‘আপলোড’ করার ক্ষেত্রে সময়সীমার ব্যাপারে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড়ের কথাও জানিয়েছেন কিরেন।

    শেষ মুহূর্তে ওয়াক্ফ সম্পত্তির নথিভুক্তকরণ

    কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক জানিয়েছে, সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আপলোডের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিভিন্ন রিভিউ মিটিং, প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও উচ্চস্তরের হস্তক্ষেপে শেষ মুহূর্তে আপলোডের হার দ্রুত বাড়ে। ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া সফল করতে কেন্দ্র, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর ওয়াক্‌ফ বোর্ড ও সংখ্যালঘু দফতরের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে ওয়ার্কশপ আয়োজন করে। দিল্লিতে দুই দিনের মাস্টার ট্রেনার কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়, যাতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, রাজ্যভিত্তিক প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক টিম মোতায়েন করা হয় এবং সমন্বয়গত সমস্যার সমাধানে সাতটি জোনাল মিটিং আয়োজন করা হয়। আপলোড চলাকালীন প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য মন্ত্রক একটি বিশেষ হেল্পলাইনও চালু করে। পোর্টাল চালুর পর থেকে মন্ত্রকের সচিব চন্দ্রশেখর কুমার ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি আপলোডের অগ্রগতি তদারকিতে ২০টিরও বেশি রিভিউ মিটিং পরিচালনা করেন।

    ‘উমিদ’ পোর্টালে নথিভুক্ত না করলে কী হবে

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, অনেক মুতাওয়ালিস (যাঁরা ওয়াক্ফ সম্পত্তি দেখভাল করেন) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পত্তি ‘উমিদ’ পোর্টালে (UMEED) নথিভুক্ত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সময়ের মধ্যে তা সম্পন্ন করতে পারেননি, তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারেন। আগামী তিন মাস তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক বা কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না! আরোপ করা হবে না জরিমানাও। উল্লেখ্য, নিয়ম অনুসারে, যাঁরা ওয়াক্ফ সম্পত্তি আপলোড করবেন না, তাঁদের ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। যাঁরা এই পোর্টালে সম্পত্তি নথিভুক্ত করবেন না, তাঁদের সম্পত্তির অবস্থা বাতিল করা হবে এবং পরে ওয়াক্ফ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে পুনরায় নথিভুক্তকরণ করা যাবে। সেই ক্ষেত্রেই বিশেষ ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র। মন্ত্রক জানিয়েছে, এই পর্বের সমাপ্তি ভারতের ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং একীভূত ডিজিটাল কাঠামো প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

  • Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliaments Winter Session) শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। শনিবার এই ঘোষণা করেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ওই দিনগুলিতে শীতকালীন অধিবেশনের ডাক দেওয়ার সরকারের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।

    রিজিজুর বক্তব্য (Parliaments Winter Session)

    এক্স হ্যান্ডেলে রিজিজু লিখেছেন, “ভারতের মাননীয়া রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের #শীতকালীন_অধিবেশন ১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আহ্বান করার সরকারি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন (সংসদীয় কার্যসূচির প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভরশীল)।” তিনি এও বলেন, “আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সহায়ক হবে, এমন একটি গঠনমূলক ও অর্থবহ অধিবেশন প্রত্যাশা করছি।”

    শীতকালীন অধিবেশনের গুরুত্ব

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের শীতকালীন অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। বিতর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় আবারও সংসদের দুই কক্ষে আলোচনার কেন্দ্রে আসতে পারে। অনুমান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) এবং তথাকথিত ভোট জালিয়াতি ইস্যুতে বিরোধী দল সরকারকে চাপে ফেলতে পারে। এদিকে, শীতকালীন অধিবেশনের স্বল্প সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “ঘোষণা করা হয়েছে যে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন ১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এটি অস্বাভাবিকভাবে দেরিতে এবং সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে। কার্যদিবস হবে মাত্র ১৫ দিন। এতে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে (Parliaments Winter Session)?”

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর সংসদের বাদল অধিবেশন চলেছিল ২১ জুলাই থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত। সেবার কার্যদিবস ছিল ২১টি। ওই অধিবেশনে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। লোকসভায় পেশ হয়েছিল ১৪টি বিল। এর মধ্যে পাশ হয়েছিল ১২টি বিল। এই অধিবেশনে রাজ্যসভায় অনুমোদন হয়েছিল ১৫টি বিল। এই তালিকায় ছিল আয়কর বিল ২০২৫ও (Kiren Rijiju)। পরে অবশ্য এই বিলটি প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। যদিও বিরোধীদের ঘোরতর প্রতিবাদ সত্ত্বেও পাশ হয়েছে লোকসভা অনলাইন গেমিং বিল ২০২৫-এর প্রচার ও নিয়ন্ত্রণ (Parliaments Winter Session)।

  • Kiren Rijiju: “আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বাইরে রাখা হবে”, বললেন রিজিজু

    Kiren Rijiju: “আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বাইরে রাখা হবে”, বললেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) বাইরে রাখা হবে। তাদের ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি এবং জীবনধারা যাতে অক্ষত থাকে, তাই এই ব্যবস্থা।” ফের একবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)।

    ভুল প্রচার করা হচ্ছে (Kiren Rijiju)

    নয়াদিল্লিতে বনবাসী কল্যাণ আশ্রম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। সেখানেই তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সরকারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল প্রচার করা হচ্ছে। সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রিজুজু বলেন, “আমাদের সরকার ও দল (বিজেপি) সংবিধান অনুযায়ী দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার কথা ভাবছে। যখন ফৌজদারি আইন সবার জন্য সমান, তখন দেওয়ানি আইনও কেন সমান হবে না? কিন্তু আমরা স্পষ্ট বলেছি যে, আদিবাসীদের এর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। আদিবাসীদের নিজেদের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা দেওয়া হোক।” তিনি জানিয়ে দেন, ইউসিসি সংবিধানের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত অঞ্চলে কিংবা উত্তর-পূর্বের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় কার্যকর হবে না।

    ইউসিসির পরিধি সম্পর্কে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে

    রিজিজু বলেন, “কিছু গোষ্ঠী এবং ব্যক্তি ইউসিসির পরিধি সম্পর্কে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। তবে সরকার আদিবাসী পরিচয় ও প্রথা রক্ষার ব্যাপারে অটল।” বর্তমানে ভারতের আইন কমিশন একটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রস্তাব পরীক্ষা করছে। এই বিধির লক্ষ্য হল ভারতের বহুবিধ ধর্মভিত্তিক ব্যক্তিগত আইন, যেমন বিবাহ, তালাক, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং ভরণপোষণের বদলে সব নাগরিকের জন্য একটি একক আইন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা (Kiren Rijiju)। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতে উত্তরাখণ্ড প্রথম রাজ্য হিসেবে ইউসিসি প্রয়োগ করে। পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি যার নেতৃত্বে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই একটি বিস্তৃত খসড়া আইন প্রস্তুত করে। ৩৯২টি ধারা এবং সাতটি সূচি নিয়ে গঠিত এই খসড়াটি ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে জমা দেওয়া হয় এবং দ্রুতই রাজ্য মন্ত্রিসভা ও গভর্নরের অনুমোদন পায় (UCC)।

    উত্তরাখণ্ডের ইউসিসিতে মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের অধীনে হালাল, ইদ্দত এবং তাৎক্ষণিক তালাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক দশকগুলিতে অন্যতম সবচেয়ে ব্যাপক সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (Kiren Rijiju)।

  • Kiren Rijiju: “বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন রাহুল গান্ধী,” তোপ কিরেন রিজিজুর

    Kiren Rijiju: “বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন রাহুল গান্ধী,” তোপ কিরেন রিজিজুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী ( Rahul Gandhi) একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন।” শনিবার কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুলের বিরুদ্ধে “ভারত-বিরোধী” হিসেবে পরিচিত জর্জ সোরোসের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে কাজ করার অভিযোগও করেন। তিনি অবশ্য এও জানিয়ে দেন, এসব ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ নিরাপদেই রয়েছে।

    রিজিজুর অভিযোগ (Kiren Rijiju)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজিজু বলেন, “রাহুল গান্ধী একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন। জর্জ সোরোস বলেছেন যে ভারত সরকারকে অস্থির করতে এক ট্রিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে। কানাডা, আমেরিকা, ব্রিটেন এবং বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনে বসে থাকা ভারত-বিরোধী খালিস্তানপন্থী শক্তিগুলি দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস তাদের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে দেশকে দুর্বল করছে। এটি খুবই উদ্বেগজনক। তবে মোদীজির নেতৃত্বে কেউই দেশকে অস্থিতিশীল করতে পারবে না।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তোপ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Kiren Rijiju) অভিযোগ, কংগ্রেস যখনই নির্বাচনে জিততে ব্যর্থ হয়, তখনই তারা ভারত-বিরোধী গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে মিলে যায়। তিনি বলেন, “যখন কংগ্রেস ভোটে জিততে পারে না, তখন তারা এবং ভারতবিরোধী শক্তি মিলে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আক্রমণ করতে শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ এই দেশের প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর আস্থা হারায়। তারা বারবার বলে এসেছে যে বিচারব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন বিক্রি হয়ে গিয়েছে, তাদের দুর্বল করার জন্য।” রিজিজু বলেন, “এই ধরনের কাজকর্মের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা। যখন তারা জাতিকে দুর্বল করার জন্য এবং সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য ষড়যন্ত্র করে, তখন তার ফলশ্রুতিতে আন্দোলন শুরু হয়। তারা বামপন্থী মানসিকতা নিয়ে কাজ করছে।” তিনি (Kiren Rijiju) বলেন, “রাহুল গান্ধী যখন কিছু বলেন, তখন তাঁর দলের সব সাংসদ খুব অস্বস্তি বোধ করেন। তাঁরা ভয় পান, উনি (Rahul Gandhi) হয়তো উল্টোপাল্টা কোনও কথা বলে বসবেন, আর তার ফল ভুগতে হবে পুরো দলকে।”

LinkedIn
Share