Tag: Koel Mallick

  • Koel Mallick: ‘পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রায় সামিল হতে চাই’, শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কোয়েল

    Koel Mallick: ‘পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রায় সামিল হতে চাই’, শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। সোমবার সকালে সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে তাঁর গলায় উত্তরীয় পরিয়ে হাতে পতাকা তুলে দেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শশী অগ্নিহোত্রী। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক অনুপম ঘোষ এবং সহ-আহ্বায়ক চন্দ্রশেখর বাসোটিয়া। সোমবার বেলায় বিধানসভায় গিয়ে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র পেশ করেন কোয়েল। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় প্রমুখ। গতকাল, রবিবার রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে কোয়েল (রুক্মিণী) মল্লিকের নাম ঘোষণা করে বিজেপি৷

    মনোনয়ন জমা দিলেন কোয়েল

    সোমবার সাড়ে দশটা নাগাদ বিধানসভায় পৌঁছন কোয়েল৷ ঘণ্টাখানেক পরেই মনোনয়ন জমা দিলেন তিনি৷ নমিনেশন জমা দেওয়ার আগে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন কোয়েল৷ বিজেপিতে যোগ দিয়ে কোয়েল বলেন, “বিগত কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রা চলছে। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গে আরও কাজ আসুক।” তাঁর রাজনীতিতে আসার কারণ জানিয়ে কোয়েল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে যুক্ত হতে চাই।” রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে তাঁকে মনোনীত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। ভবিষ্যতের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে কোয়েলের সংযোজন, “সবার জন্য কাজ করতে চাই, সবার মঙ্গল কামনা করি।”

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায়

    প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর সঙ্গে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে অভিনেত্রী কোয়েলের নামও ঘোষণা করেছিল পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল। গত মার্চে ভোট হয়েছিল রাজ্যসভায়। কোয়েল পরে ৬ এপ্রিল সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তবে কোনও অধিবেশনে যোগ দেওয়া হয়নি। বাদল অধিবেশন শুরুর আগে ১৬ জুলাই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। গত ১৬ জুলাই সাংসদপদে ইস্তফা দেওয়ার পর পরই কোয়েল দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে। গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়েছিল সেখান থেকেই। কোয়েলের আগে আরও তিন জন— সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ পদে ইস্তফা দেন। পরে তিন জনকেই আবার রাজ্যসভায় পাঠায় বিজেপি। তৃণমূলের সাংসদপদ ছাড়ার পর গত ৯ জুলাই বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন সুখেন্দু, সুস্মিতা এবং প্রকাশ। যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিন জনকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনের প্রার্থী করে বিজেপি। এবার যোগ দিলেন কোয়েল। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় যাচ্ছেন কোয়েল। কারণ বিজেপির হাতে যে সদস্য সংখ্যা আছে তাতে অন্য রাজনৈতিক দল প্রার্থী দেওয়ার জায়গা নেই। সব ঠিক থাকলে আগামী ১২ অক্টোবর জয়ী শংসাপত্র পাবেন কোয়েল মল্লিক৷

  • Rajya Sabha Election: পুজোর আগে আরও একটা নির্বাচন! কোয়েল মল্লিকের ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভা আসনে ভোট ১৬ অক্টোবর

    Rajya Sabha Election: পুজোর আগে আরও একটা নির্বাচন! কোয়েল মল্লিকের ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভা আসনে ভোট ১৬ অক্টোবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভা আসনে উপনির্বাচনের (Rajya Sabha Election) দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৬ অক্টোবর ওই আসনে ভোটগ্রহণ হবে। অর্থাৎ কয়েক মাস আগে খালি হওয়া আসনে নতুন সাংসদ বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। উপনির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই নজর থাকবে কোন দল কাকে প্রার্থী করে, সেদিকে। বাংলার এই আসনের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের ১০টি এবং উত্তরাখণ্ডের একটি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। সেখানকার বর্তমান সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৬ সালের নভেম্বরে।

    কোন কোন আসনে ভোটগ্রহণ

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞপ্তি জারি হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ অক্টোবর। ৭ অক্টোবর হবে মনোনয়নপত্র যাচাই। প্রার্থী পদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ হবে ১৬ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। ওই দিনই বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে ভোটগণনা। ১৯ অক্টোবরের মধ্যে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার কথা কমিশনের। উত্তরপ্রদেশের ১০ জন রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৫ নভেম্বর। এই ১০টি আসনের মধ্যে বর্তমানে বিজেপির দখলে রয়েছে আটটি। সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টির হাতে রয়েছে একটি করে আসন। মেয়াদ শেষ হতে চলা সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির ব্রিজ লাল, সীমা দ্বিবেদী, নীরজ শেখর, গীতা শাক্য, হরদীপ সিং পুরী, অরুণ সিং, বিএল বর্মা এবং দীনেশ শর্মা। সমাজবাদী পার্টির রামগোপাল যাদব এবং বহুজন সমাজ পার্টির রামজি গৌতমের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। উত্তরাখণ্ড থেকে একটি রাজ্যসভা আসনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ওই আসনের বর্তমান সাংসদ বিজেপির নরেশ বনসল। তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আসনটিতে নতুন করে নির্বাচন হবে।

    কোয়েলের আসনে কে

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল তৃণমূল। সেই তালিকায় বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এবং রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের সঙ্গে নাম ছিল অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের। এর আগে প্রকাশ্যে রাজনীতির আশপাশে দেখা যায়নি কোয়েলকে। শপথের পর কোয়েল জানিয়েছিলেন, দেশের ও মানুষের সেবা করার সুযোগ হিসেবে তিনি দায়িত্বটিকে দেখছেন। তবে সাংসদ হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার সুযোগ হয়নি তাঁর। ৪ মে রাজ্যে পালাবদল হয়। তারপরই কোয়েলের ইস্তফা সম্পর্কে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। যা সত্যি হয় জুলাইয়ের শেষ দিকে। ছাব্বিশের ভোটে বিধানসভার বিন্যাস বদলেছে। সেই অঙ্কের হিসেব অনুযায়ী, কোয়েলের ছাড়া আসন এবার বিজেপিরই হতে চলেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, এবার বিজেপির হয়ে ফের রাজ্যসভায় যেতে পারেন কোয়েল মল্লিকই।

     

  • Koel Mallick: রথযাত্রার সকালে ধাক্কা তৃণমূলের! রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কোয়েল মল্লিক

    Koel Mallick: রথযাত্রার সকালে ধাক্কা তৃণমূলের! রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কোয়েল মল্লিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার সাংসদপদ থেকে ইস্তফা দিলেন কোয়েল মল্লিক। রথের দিন (১৬ই জুলাই) বৃহস্পতিবার দিল্লিতে গিয়ে উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন অভিনেত্রী কোয়েল অর্থাৎ রুক্মিনী মল্লিক (Koel Mallick)। তার পরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সম্প্রতি ভূপেন্দ্রের হাত ধরেই রাজ্যসভার তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দেন। তাঁদের তিন জনকেই রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে বিজেপি। এ বার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাতের পরেই জল্পনা, তবে কি তিনিও বিজেপি-তে যাচ্ছেন!

    ইস্তফাপত্র জমা দিলেন কোয়েল

    সূত্রের খবর, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণণের কাছে ইমেল করে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছিলেন কোয়েল। কিন্তু নিয়ম অনুসারে, রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিতে হলে সাংসদকে সশরীরে হাজিরা দিতে হয়। সেই মতো বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের হাতে নিজের ইস্তফাপত্র তুলে দেন রুক্মিণী, যিনি কোয়েল নামেই সমধিক পরিচিত। তার পরেই তিনি দেখা করেন ভূপেন্দ্রের সঙ্গে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পরে এক বারও সংসদের কোনও অধিবেশনে যোগ দেওয়া হয়নি কোয়েলের। সোমবার থেকে বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সাংসদপদ পাওয়ার পরে সেটাই হতে পারত কোয়েলের প্রথম অধিবেশন। কিন্তু তার আগেই তিনি ইস্তফা দিলেন। তবে, মনে করা হচ্ছে বাদল অধিবেশনের আগেই তাঁকে বিজেপি থেকে ওই আসনে প্রার্থী করা হতে পারে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরেই কোয়েলের দূরত্ব বাড়ছিল। সূত্রের খবর, অভিনেত্রী বিদেশে থাকায় ইস্তফা দিতে কিছুটা সময় লেগেছে, তবে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। কোয়েল মল্লিকের এই দলবদলকে তৃণমূলের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন অনেকে। মল্লিক পরিবারের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং টলিউডের ওপর কোয়েলের প্রভাব বিজেপির পালে বাড়তি হাওয়া দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, বর্তমানে টলিউডের সঙ্গে দুর্নীতির নানা অভিযোগ জড়িয়ে পড়ার আবহে কোয়েলের মতো একজন হেভিওয়েট তারকার বিজেপিতে যোগদান পদ্মশিবিরের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।

    গুঞ্জনই সত্যি হল

    রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর সঙ্গে অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল তৃণমূল। তার কয়েক দিন আগে তদানীন্তন রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের খতিয়ান নিয়ে মল্লিকবাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরে এপ্রিল মাসে দিল্লিতে রাজ্যসভার সাংসদপদে শপথ নিতে যান কোয়েল। সঙ্গে ছিল তাঁর গোটা পরিবার। শপথের পরে অভিনেত্রী বলেছিলেন, “অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা— এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।” রাজ্যে পালা বদলের পর গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্য রাজনীতির অন্দরে গুঞ্জন ছিল, তৃণমূলের আরও এক তারকা সাংসদের সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরের দূরত্ব বাড়ছে। অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন, সেই তিনি হলেন প্রবীণ অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের মেয়ে তথা অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক।

    রইল বাকি ৯

    গত ৬ এপ্রিল সাংসদ হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। তিন মাসেই পদত্যাগ! যদিও ৪ মে রাজ্যে পালাবদলের পরে তৃণমূলের রাজনৈতিক বৃত্তের ছবিটাই রাতারাতি বদলাতে শুরু করে। লোকসভার সিংহভাগ সাংসদই তৃণমূল ছেড়েছেন। এখন রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ হিসেবে রইলেন বাবুল সুপ্রিয়, মেনকা গুরুস্বামী, রাজীব কুমার, নাদিমুল হক, মমতাবালা ঠাকুর, সাগরিকা ঘোষ, ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, সামিরুল ইসলাম।

    ভূপেন্দ্রর প্রচ্ছন্ন ভূমিকা

    গত ৯ জুলাই বিজেপি-তে যোগ দেন সুখেন্দু, সুস্মিতা, প্রকাশ। যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিন জনকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনের প্রার্থী করে বিজেপি। উল্লেখ্য, সুস্মিতা, প্রকাশ চিক এবং সুখেন্দুশেখরের পদত্যাগের কারণে রাজ্যসভার তিনটি আসন খালি হয়। তাঁদেরই আবার ওই আসনে প্রার্থী করে পাঠায় বিজেপি। অর্থাৎ, প্রার্থীরা একই, কেবল দল বদলে যায়। ভোট হয়নি। শুক্রবার ওই তিন জনের হাতে রাজ্যসভার সাংসদপদের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে। অনুমান করা হচ্ছে, কোয়েলও সেই পথেই হাঁটবেন। এর আগে ভূপেন্দ্রের হাত ধরেই তৃণমূলের ২০ জন লোকসভা সাংসদ ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছিলেন। জুন মাসে ভূপেন্দ্রের দিল্লির বাড়িতেই দফায় দফায় বৈঠক করে তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী। নেতৃত্বে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তার পরেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদেরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে জানান, তাঁদের ব্লক এনসিপিআই-এ মিশে যাচ্ছে। সূত্রের খবর, বিদ্রোহীদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের নেপথ্যে অন্যতম ভূমিকা ছিল ভূপেন্দ্রের।

LinkedIn
Share