Tag: Kolkata derby

Kolkata derby

  • East Bengal vs Mohun Bagan: আবেগের কাছ হার মানলেন রেফারি! আইএসএল ডার্বি ড্র, কী বলছেন দুই কোচ?

    East Bengal vs Mohun Bagan: আবেগের কাছ হার মানলেন রেফারি! আইএসএল ডার্বি ড্র, কী বলছেন দুই কোচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু-বার পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেছে সবুজ মেরুন। ড্র করেই মাঠ ছেড়েছে মোহনবাগান। খুশি কোচ আন্তোনিও হাবাস। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে প্রথম বার ডার্বি থেকে পয়েন্ট ঘরে তুলেছে ইস্টবেঙ্গল। শনিবার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত বড় ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং ইস্টবেঙ্গল এফসি দুই দলই ২-২ গোলে ড্র করে। 

    কোচ কুয়াদ্রাতের আস্থা

    শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু যে গোলে সমতা ফিরিয়েছে মোহনবাগান তা নিয়ে একেবারেই খুশি হতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে কুয়াদ্রাত বলেন, “আমাদের কাছে গোলের কয়েকটা পরিষ্কার সুযোগ এসেছিল। আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। নন্দকুমারের সুযোগটা গোল করা উচিত ছিল। আমরাই তিন পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিলাম।”  বলেছেন, “আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই খেলছিলাম। প্রথম থেকেই গোল করার চেষ্টা করছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত সাউল চোট পেয়ে গেল। একটা বিদেশিকে হারালে তার প্রভাব ম্যাচে পড়েই। কিন্তু বাকি ফুটবলারেরা দারুণ খেলেছে। আমরা ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করেছি অনেকটা সময়।”

    না-পসন্দ হাবাসের

    রেফারিং নিয়ে ক্ষুব্ধ মোহনবাগানও। সবুজ মেরুন কোচ বলেন, ‘এত সময় নষ্টের পর মাত্র ৭ মিনিট অতিরিক্ত দেওয়া হল। অন্তত ১২-১৪ মিনিট দেওয়া উচিত ছিল। আর ইস্টবেঙ্গলকে যেটা পেনাল্টি দেওয়া হল, ওটা মোটেও পেনাল্টি ছিল না।’ দলের ড্রয়ে শুরুর ধাক্কাও ভুলছেন না হাবাস। বলছেন, ‘চোটের জন্য শুরুতেই আনোয়ারকে তুলে নিতে হল। দ্বিতীয়ার্ধে ব্রেন্ডন হ্যামিলকেও পরিবর্তন করতে হল।’ 

    শনিবাসরীয় কলকাতা ডার্বিতে দুই দলের মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেল। ম্যাচের শুরুতেই ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অজয় ছেত্রী। তবে মাত্র ১৭ মিনিটে সেই গোল শোধ করলেন মোহনবাগানের আলবেনিয়ান স্ট্রাইকার আর্মান্দো সাদিকু। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ইস্টবেঙ্গল অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে যায়। দীপক টাংরির ভুলে পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। আর ৫৫ মিনিটে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন লাল-হলুদ অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা। তবে শেষ মুহূর্তে দিমি পেত্রাতোসের গোলে মুখ রক্ষা হয় মোহনবাগানের।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বির আগে সরগরম ময়দান! আজ ফের মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান

    East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বির আগে সরগরম ময়দান! আজ ফের মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে আজ, শনিবার বড় ম্যাচ। কলকাতা ডার্বিতে সরগরম ময়দান। লিগ তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ। কয়েক কদম এগিয়ে রয়েছে মোহনবাগান। দলে ফিরেছেন জাতীয় দলে খেলা সাত ফুটবলার। সাহাল সামাদ, অনিরুদ্ধ থাপা প্রথম একাদশে থাকতে পারেন। সঙ্গে মনবীর সিংহও রয়েছেন। আশিস রাই খেলতে পারবেন না। তবে আনোয়ার আলি এবং সাহালকে নিয়ে সমস্যা নেই। ম্যাচের আগে কঠোর অনুশীলন করেছে দুই দল। কোনওভাবেই হার মানতে নারাজ কোনও পক্ষ।

    কী বললেন ইস্টবেঙ্গল কোচ

    শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই কুয়াদ্রাত বললেন, “ইস্টবেঙ্গল একটা বড় ক্লাব। এত সমর্থক তাদের। অনেক দিন পরে ক্লাব একটা ট্রফি জিতেছে। সমর্থকেরা আনন্দ করার একটা সুযোগ পেয়েছেন। শনিবার জিততে পারলে ওরা আবার আনন্দ করতে পারবেন। এখন ওঁরা গর্বিত। এখন ওঁরা অন্য ক্লাবের সমর্থকদের সামনে গিয়ে গর্ব করে বলতে পারবেন, আমরাও চ্যাম্পিয়ন।” অন্য ক্লাব বলতে, তিনি যে মোহনবাগানকে বুঝিয়েছেন তা বলাই যায়। বড় ম্যাচ জয়ের পর পরের ম্যাচে হার মানতে হলে ভাল লাগবে না। এ বিষয়ে সাবধানী কোচ বলেন, “বড় ম্যাচের পর ঠোক্কর খাওয়ার কথা জানি। এমনিতে কোনও একটা ট্রফি জিতে পরের ম্যাচেও ঠোক্কর খাওয়ার কথাও জানি। ২০১৯ সালে বেঙ্গালুরুর হয়ে আইএসএল জেতার পর সুপার কাপে আই লিগের একটা দলের কাছে হেরে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফুটবলারদের মনঃসংযোগ ঠিক রাখাই আমার কাজ। ওরা আইএসএলের জন্য তৈরি। আরও একটা কঠিন ম্যাচ খেলতে নামবে। আমাদের কাছে তিন পয়েন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ।”

    মোহনবাগান কোচের দাবি

    সুপার কাপে হারের কথা ভুলে নতুন লক্ষ্য নিয়ে শুরু কলকাতা ডার্বি। দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মোহন কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। মোহনবাগানের কোচ হিসাবে প্রথম ম্যাচেই কড়া পরীক্ষার মুখে হাবাস। তিনি বলেন, “কোনও ম্যাচে হারার কথা ভেবে খেলতে নামি না। মনে রাখবেন, আমি এখনও ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারিনি। ট্রফির জন্য লড়াই করতে নামলে সব ম্যাচে জয়ের কথা ভেবেই নামতে হয়।” জাতীয় দলে থাকা সাত ফুটবলার ফিরেছেন। অতীতে মোহনবাগানকে কোচিং করানো হাবাস মেনে নিচ্ছেন, আগের বারের থেকে ভারতীয় ফুটবলারদের অনেক উন্নতি হয়েছে। বলেছেন, “গত বারের থেকে এ বার ভারতীয় ফুটবলারের মান ভাল হয়েছে। বিশেষত মোহনবাগানের কথা বলব। অনেকেই জাতীয় দলের হয়ে ভাল খেলেছে। আমাদের দলটা খুবই ভাল। অনেক প্রতিভাবান ফুটবলার রয়েছে।”


    ম্যাচের আগে নিজেকে চাপে ফেলতে চাইছেন না হাবাস। তাঁর কথায়, “নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। কাল আমাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। আমাদের ফোকাসে শুধু কালকের ম্যাচে। ডার্বির আগে নিজের উপরে চাপ কমানোর চেষ্টা করছি। সব সময়েই আমার লক্ষ্য থাকে দলকে সেরা ফর্মে রাখা। এত বড় ম্যাচের আমরা নিজেদের সব রকম ভাবে তৈরি রাখছি। জানি যে আমরা বিপক্ষের থেকে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে। কিন্তু অন্য দল নিয়ে নয়, আমি ভালবাসি নিজের দলকে নিয়ে ভাবতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: লক্ষ্মীপুজোর দিন আইএসএলে কলকাতা ডার্বি! ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তা

    Kolkata Derby: লক্ষ্মীপুজোর দিন আইএসএলে কলকাতা ডার্বি! ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে (ISL 2023-24) কলকাতা ডার্বি (Kolkata Derby) ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ দেওয়া হয়েছে ২৮ অক্টোবর। সে দিন লক্ষ্মীপুজো। সে দিনই আবার ইডেন গার্ডেন্সে নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের মধ্যে বিশ্বকাপের ম্যাচ রয়েছে। সে দিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলা আয়োজন করা যাবে কি না তা নিশ্চিত নয় রাজ্য ক্রীড়া দফতর। এর ফলে ম্যাচ পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    মাঠ পাওয়া যাবে না

    মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বিতে (Kolkata Derby)  ইস্টবেঙ্গল হারিয়ে দেয় মোহনবাগানকে। ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে বদলা নেয় মোহনবাগান। এবার আইএসএলের বড় ম্যাচের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ফুটবলপ্রেমীরা। আইএসএলের মোহন-ইস্ট লড়াইয়ের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ অক্টোবর। স্বাভাবিকভাবেই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ম্যাচটি। তবে ওই দিন মাঠই পাওয়া যাবে না। রাজ্যের ক্রীড়া দফতরের সচিব মুকেশ সিংহ জানিয়েছেন, ২৮ অক্টোবর ডার্বি আয়োজন নিয়ে দুই প্রধান চিঠি দিয়েছিল ক্রীড়া দফতরে। জবাবে তিনি মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলকে জানিয়ে দিয়েছেন, দুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত সব দফতরে ছুটি থাকে। তাই ওই সময় যুবভারতী দেওয়া সম্ভব নয়। 

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    সমস্যা আরও দুটি ম্যাচ নিয়ে

    ওই দিন ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাংলাদেশ বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচ। ইডেনের ম্যাচের সঙ্গে আইএসএলের (ISL 2023-24) ম্যাচ আয়োজনের কোনও সম্পর্ক না থাকলেও উৎসবের মাঝে ছুটির মেজাজে থাকবে সারা বাংলা। এই সময়ে আরও কয়েকটি ম্যাচ ঘিরে সমস্যা তৈরি হয়েছে। ২১ অক্টোবর সল্টলেকে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা এফসি গোয়ার। সেই দিন আবার দুর্গাপুজোর সপ্তমী। ২৪ অক্টোবর, দশমীর দিন আবার এএফসি কাপে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে খেলা রয়েছে মোহনবাগানের। দু’টি খেলা যুবভারতীতে হওয়ার কথা। পুজোর সময় এই দু’টি ম্যাচ ঘিরেও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Kolkata Derby: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডের শেষ চারে, ফাইনালে কি ফের কলকাতা ডার্বি?

    Kolkata Derby: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডের শেষ চারে, ফাইনালে কি ফের কলকাতা ডার্বি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গল আগেই ডুরান্ড কাপের সেমি ফাইনালে জায়গা পাকা করেছিল। রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে বড় গাঁট মুম্বই সিটিকে হারিয়ে শেষ চারের টিকিট পাকা করেছে মোহনবাগান। এক্ষেত্রে  ১৯ বছর পর ফের ডুরান্ড ফাইনালে মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গলের (Kolkata Derby) লড়াই দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০০৪ সালে ওই ম্যাচ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল।

    সেমিফাইনালে কার প্রতিপক্ষ কে

    মঙ্গলবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হচ্ছে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। বিশেষজ্ঞদের মতে পাল্লা ভারী কার্লোস কুয়াদ্রতের দলের। আর মুম্বই সিটিকে হারিয়ে টগবগ করছে কামিংসরা। বৃহস্পতিবার সবুজ মেরুন ব্রিগেড শেষ চারে খেলবে গোয়া এফসির বিরুদ্ধে। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে ফাইনালে খেলা উচিত মোহনবাগানের। সেক্ষেত্রে রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আরও এক মহারণ দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবল প্রেমীরা। উল্লেখ্য, মরশুমের প্রথম ডার্বিতে আন্ডারডগ হয়েও মোহনবাগানকে হারিয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বিশাল বাজেটের টিম নিয়ে জিততে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল মোহন কোচ হুয়ান ফেরান্দোকে। তবে ফাইনালে যদি ফের ইস্ট বেঙ্গলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় মোহনবাগান, তাহলে অবশ্যই বদলা নেওয়ার চেষ্টা করবে ফেরান্দোর ছেলেরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সবকিছু করতে পারি…’’! বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতে আরও কঠোর প্রতিজ্ঞা নীরজের

    কাপ জয়ের হাতছানি

    ইস্ট বেঙ্গল শেষ বার ডুরান্ড জিতেছিল ২০০৪ সালে। সেটাই ছিল শেষ বার। তারপর আর লাল হলুদ ব্রিগেড ফাইনালেই উঠতে পারেনি। মোহনবাগানের অবস্থা আরও খারাপ। ১৯৯৯-২০০০ সালে তারা মাহিন্দ্রা ইউনাইটেডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।  ২০১৯ সলে ফাইনালে উঠলেও খালি হতে ফিরতে হয়েছিল সবুজ মেরুন বাহিনীকে। এবার সেই আপসোস মেটানোর সুযোগ রয়েছে সবুজ-মেরুনের কাছে।।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর পর ডার্বি জিতল ইস্ট বেঙ্গল। ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল লাল হলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের নায়ক নন্দকুমার শেখর। সাড়ে চার বছর পর নন্দকুমারের গোলে ডার্বি জয় লাল হলুদ শিবিরের। এর আগে টানা আটটি ডার্বি জিতেছিল মোহনবাগান। ম্যাচের শুরু থেকেই তাগিদ স্পষ্ট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। মোহনবাগান অনেকবার পেনাল্টি বক্সের কাছে পৌঁছলেও বক্সের ভিতরে ঢুকতে পারছিল না প্রতিবার। উগো বুমো কয়েকটা শট নেন বক্সের বাইরে থেকেই। ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্স বেশ জমাট দেখায় প্রথম থেকেই। উল্টো দিকে, ইস্টবেঙ্গল প্রথমার্ধেই কয়েকবার পৌঁছে গিয়েছিল গোলের কাছে। কখনও ডিফেন্ডাররা বের করে দেন। কখনও কিপার বাঁচান। তবে সাকুল্যে গোলের লক্ষ্যে শট ছিল মাত্র দুটি। মোহনবাগান ১১টা শট নিলেও তার বেশিরভাগই ছিল গোলের বাইরে। 

    ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়

    আবেগের বড় ম্যাচে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অনেকটাই এগিয়ে ছিল সবুজ মেরুন। অন্য দিকে, আন্ডারডগ তকমাই যেন অ্যাডভান্টেজ ইস্টবেঙ্গলের। বড় ম্যাচে কাউকেই এগিয়ে পিছিয়ে রাখা যায় না। এ বারও পরিস্থিতি অন্যথা হল না। সিলেবাসের বাইরে থেকে ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়। শনিবার কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়লাভ করেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ২৭ বছর বয়সি চেন্নাইয়ের ফুটবলার নন্দকুমার শনিবারই প্রথম ডার্বি ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে তিনি ইস্টবেঙ্গল দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দিলেন। জয়সূচক গোলও সেটাই। ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি জয়ের নায়ক বললেন, “বলে বোঝাতে পারব না। এখানে আসার পর থেকেই সমর্থকদের উৎসাহ চোখে পড়ছে। আর আজকের মত পরিবেশে খেলা তো যে কোনো ফুটবলারের স্বপ্ন।”

    কোচ কুয়াদ্রাত অবশ্য টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচের দিকে নজর দিচ্ছেন বেশি করে। জানালেন, সমর্থকদের জন্য খুব খুশি। গত দু বছর খুব একটা সাফল্য পায়নি ক্লাব তা সত্ত্বেও এই সমর্থন উৎসাহ দিয়েছে খেলোয়াড়দের। কুয়াদ্রাত আরও বলেন, মোহনবাগানের সামনে বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে, সে কারণে হয়তো অনেক বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে চেয়েছিল ওরা। আমি শুধু ফুটবলারদের বলেছিলাম কাউন্টার অ্যাটাক আর সেটপিস গুলো কাজে লাগাতে।

    আরও পড়ুন: গোল খেয়ে ধরাশায়ী জাপান! এশীয় হকির ফাইনালে ভারত

    অন্যদিকে , ডার্বিতে হার মেনে নিতে পারছেন না মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন। আটটা ম্যাচ পর তারা জয় পেল। এটা অত্যন্ত ভালো ওদের জন্য। ম্যাচের পর ম্যাচ একটা দল হারতে পারে না। একদিন না একদিন তো জিততেই হত। ওরা ভালো খেলেছে। আজ অনেক ভালো খেলেছে। আমরা যে খেলা খেলেছি তাতে জেতার যোগ্যতা ছিল না। ওরা অনেক ভালো ফুটবল খেলেছে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Durand Cup Derby 2023: টিকিটের হাহাকার,  কড়া নিরাপত্তা! জেনে নিন কোথায় দেখবেন মরশুমের প্রথম ডার্বি

    Durand Cup Derby 2023: টিকিটের হাহাকার, কড়া নিরাপত্তা! জেনে নিন কোথায় দেখবেন মরশুমের প্রথম ডার্বি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিকিটের জন্য হাহাকার সমর্থকদের। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দুই শিবিরে। কয়েকঘণ্টা পরেই শুরু হতে চলেছে মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বি (East Bengal vs Mohun Bagan)। শেষ পাঁচটি ডার্বিতে জয়ের মুখ দেখেনি ইস্টবেঙ্গল। এবার তারা মরিয়া। একটা ডার্বি জিততে পারলে অনেক বেশি মনোবল পাওয়া যায়, জানে লাল হলুদ শিবির। অন্যদিকে, জয়ের ধারা বজায় রাখার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী সবুজ-মেরুন। ডুরান্ডে (Durand Cup Derby 2023) জিতলে টানা ৯টি ডার্বিতে জিতবে বাগান। কার্লোস কুয়াদ্রাত আর জুয়ান ফেরান্দো এখন শুধুই হিসেব মেলাতে ব্যস্ত আর সমর্থকরা ব্যস্ত নিজেদের প্রিয় দলের হয়ে গলা ফাটানোর প্রস্তুতি নিতে।

    কী কী নিয়ে মাঠে যাবেন না

    ডুরান্ড কাপে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে উঠেছে। মরশুমের প্রথম ডার্বি নিয়ে নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চায় না প্রশাসন।  এই ম্যাচ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। ম্য়াচে দর্শকদের ব্যানার, পোস্টার, বাজি, দেশলাইয়ের মতো বেশ কিছু জিনিস আনতে বারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ যে সব বস্তু মাঠে ছোড়া যায়, সেগুলি নিয়ে ভিতরে প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। এমনকী ছাতা, জলের বোতল নিয়েও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দর্শকরা তাদের সঙ্গে শুধু মোবাইল ও পার্স নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। নির্দেশিকা থাকার পরও যদি কারোর কাছে বাজি পাওয়া যায়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে বিধাননগর পুলিশ। মিউজিকাল যন্ত্রাদি নিয়ে মাঠে ঢোকাও বারণ।

    কড়া নিরাপত্তা

    দর্শকদের সুবিধার্থে যুবভারতী স্টেডিয়ামের প্রধান গেটের বাইরে সিসিটিভি লাগানো হচ্ছে এবং সন্ধ্যা বেলা খেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে যাতে স্টেডিয়ামের বাইরে আলোর কোন ঘাটতি না থাকে সেই কারণে আলাদা করে লাইটের বন্দোবস্তও করা হচ্ছে। ৬৩ হাজার ৫০০ জন দর্শকের এই ম্যাচ দেখতে আসার কথা। খেলার নিরাপত্তা এবং যান নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ২ হাজার ৬০০ জন পুলিশ কর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ১৮ জন ডিসি এবং অ্যাডিশনাল ডিসির ব়্যাাঙ্কের অফিসার থাকবেন।

    আরও পড়ুন: গোল খেয়ে ধরাশায়ী জাপান! এশীয় হকির ফাইনালে ভারত

    কখন ম্যাচ, কোথায় দেখবেন

    ডার্বি ম্যাচটি শনিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ শুরু হবে, আড়াইটার মধ্যে গেট খুলে দেওয়া হবে। মোহনবাগানের যে সকল দর্শকরা আসবেন তাঁরা ৩এ, ৪ এবং ৫ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকবেন। এদের মধ্যে যারা গাড়িতে করে আসবেন তারা নেমে যাওয়ার পর ক্যানেল সাইড রোডে পার্কিং করবেন। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা ১,২ এবং ৩ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকবেন। আর তাদের গাড়িগুলো থাকবে আইএ মার্কেট এর কাছে। অন্যান্য ভিআইপিদের জন্য যে গাড়িগুলো রাখা হবে সেগুলো সুভাষ সরোবর ও মিশ্র আইল্যান্ডের কাছে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার ডুরান্ড কাপের সম্প্রচার স্বত্ত্ব পেয়েছে সোনি। ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচ থেকে শুরু করে সবকটি ম্যাচ সম্প্রচার করা হবে সোনি নেটওয়ার্কে। সোনি স্পোর্টস টেন টু চ্যানেলে দেখা যাবে ডার্বি ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: শনিবার ডার্বিতে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল, লড়াই আদতে দুই স্প্যানিশ কোচের?

    Kolkata Derby: শনিবার ডার্বিতে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল, লড়াই আদতে দুই স্প্যানিশ কোচের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার মহারণ। কলকাতা ডার্বিতে (Kolkata Derby) মুখোমুখি হচ্ছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। শেষ আটটি ডার্বিতে অবশ্য জয় পেয়েছে মোহনবাগানই। গতবারের চেয়ে এবার দল আরও শক্তিশালী। তাই জয়ের আশাও বেশি মোহনবাগান কর্তাদের। ডার্বি জয়ের ক্ষেত্রে নিজেদের এগিয়েও রাখছেন মোহনবাগানের স্প্যানিশ কোচ জুয়ান ফেরান্দোর। তবে ইস্টবেঙ্গলের আর এক স্প্যানিশ কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাতকেও অবহেলা করছেন না ফেরান্দো।

    ইস্টবেঙ্গলের কাছে সম্মানরক্ষার লড়াই

    শনিবার কলকাতা ডার্বির প্রথম বড় ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গলের কাছে সম্মানরক্ষার লড়াই। কারণ শেষ আটটি ডার্বিতে হেরেছে দল। শুক্রবার কুয়াদ্রাত বলেন, “আমি জানি ইতিহাস আছে ডার্বির। মাঠের পরিবেশ দারুন হবে। প্রচুর সমর্থক আসবেন। আমাদের পুরো দল নেই। এটা প্রাক মরশুম ম্যাচ। ভবিষ্যতের জন্য ভাল করে তৈরি করছি টিমটাকে।” তিনি (Kolkata Derby) বলেন, “মানসিকভাবে এগিয়ে মোহনবাগান। ওরা আটটি ডার্বি জিতেছে। মোহনবাগান এএফসি কাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনেক বেশি পাওয়ার আছে ওদের। চেষ্টা করব ওদের থামানোর। তার ওপর ওরা ৬ পয়েন্টে রয়েছে। আমাদের পয়েন্ট ১। আমাদের নতুন দল, প্রস্তুতি চলছে।”

    “ডার্বি নিয়ে স্টাডি করেছি”

    ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, “ডার্বি নিয়ে স্টাডি করেছি। পুরো দল পাইনি। কাজ করছি আমি। আগামিকাল খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক একটা ম্যাচ হবে। ওদের প্রস্তুতি খুব ভাল হয়েছে। আমাদের ছয় থেকে সাতজন ফুটবলার পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য তৈরি। বাকিদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করতে হবে।” লাল হলুদ কোচ যখন মোহনবাগানকে (Kolkata Derby) সমীহ করছেন, তখন সবুজ মেরুনের কোচ ফেরান্দোর মুখেও ইস্টবেঙ্গল প্রশস্তি। মোহনবাগানের কোচ বলেন, “ইস্টবেঙ্গল ভাল ফুটবলার সই করিয়েছে। বিদেশি এবং ঘরোয়া ফুটবলাররাও ভাল। মন্দারকে গোয়ায় দেখেছি। গতবার মুম্বইয়ে খেলেছে। ইস্টবেঙ্গলের দল বেশ ভাল। এই মুহূর্তে ওদের ছোট করে দেখার দরকার নেই। ওরা দেরিতে শুরু করেছে। তাই সময় লাগবে। পরে কী হয়, দেখা যাক। তবে ডার্বি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। দুই দলই জিততে চায়। আমরাও ডার্বি জিতেই পরের রাউন্ডে যেতে চাই।”

    আরও পড়ুুন: গণপিটুনিতে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল, আইনের ভারতীয়করণে নয়া বিল পেশ শাহের

    তিনি বলেন, “ফুটবলাররা যাতে চোট-আঘাত না পান, সেটা শুরু থেকেই দেখতে হবে। সামনে লম্বা মরশুম পড়ে রয়েছে। একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ধরে এগোব। ফুটবলারদেরও (Kolkata Derby) সেটা বুঝিয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব সেরা একাদশ তৈরি করে ফেলার চেষ্টা করব। প্রতি ম্যাচে সেরা ফুটবলারদেরই নামাতে চাই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: ডার্বি নিয়ে চিন্তিত নই! ফুটবলারদের ফিট রাখাটাই আসল, দাবি মোহন-কোচের

    Mohun Bagan: ডার্বি নিয়ে চিন্তিত নই! ফুটবলারদের ফিট রাখাটাই আসল, দাবি মোহন-কোচের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানের জয়ের ধারা অব্যাহত। সোমবার কিশোরভারাতী স্টেডিয়ামে সবুজ মেরুন ব্রিগেড ২-০ গোলে হারালো পাঞ্জাব এফ সি কে। প্রথম গোলটি আত্মঘাতী। দ্বিতীয় গোলটি করেন হুগো বোমাস। এই জয়ের সুবাদে গ্রুপ শীর্ষে চলে গেল মোহনবাগান। যা শনিবার ডার্বির আগে ফেরান্দোর ফুটবলারদের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে।

    আক্রমণাত্মক ফুটবল

    তবে স্কোরলাইন থেকে যদি মনে হয় ম্যাচটা একতরফা হয়েছে তাহলে ভুল হবে। শুরুতে দুই দল একে অপরকে মেপে নেওয়ার চেষ্টা করে। তার মধ্যে গড়ে ওঠে কিছু বিক্ষিপ্ত আক্রমণ। মনবীরের ক্রস থেকে প্রথম গোলটি হয়। ডান দিক থেকে আসা ক্রসটি ক্লিয়ার করতে গিয়ে পিছলে পড়ে যান পাঞ্জাব এফ সির মেলরয় আসিসি। বল তাঁর পায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায় (১-০)। দ্বিতীয়ার্ধে  ব্যবধান বাড়ান হুগো বোমাস। বাঁ দিক থেকে বিপক্ষের বক্সে বল ভাসান লিস্টন কোলাসো। যা ধরে গোল করার চেষ্টা করেন বোমাস। কিন্তু পাঞ্জাবের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ফিরতি বল গোলে ঠেলতে ভুল করেননি মোহনবাগনের তারকা স্ট্রাইকার।

    তবে বৃষ্টি ভেজা মাঠে পাসিং ফুটবল খেলতে বেশ সমস্যায় পড়েন দুই দলের ফুটবলাররা। মোহনবাগান কোচ হুগো ফেরান্দো এই মরশুমে প্রথমবার বিদেশীদের মাঠে নামালেন। অভিষেক হল আনোয়ার আলিরও। মোহনবাগানের এই জয় প্রত্যাশিত। কারণ দল গঠনের ক্ষেত্রে এবার কার্পণ্য করেননি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। কোটি কোটি টাকা খরচ করে শক্তিশালী দল গড়ে তুলেছেন। নিয়েছেন দেশের প্রথম সারির এক ঝাঁক ফুটবলারকে।

    চিন্তামুক্ত নন কোচ ফেরান্দো

    তবে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে মোহনবাগান জয় পেলেও চিন্তামুক্ত থাকতে পারলেন না কোচ ফেরান্দো। গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাঞ্জাব এফসি। ভাগ্য তাদের সহায় হলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতেও পারতো। জোয়ান মিরার শর্ট ক্রস পিসে লেগে প্রতিহত না হলে ব্যবধান কমাতে পারতো পাঞ্জাব। ৫৬ মিনিটে লুকাসের চকিত শট দক্ষতার সঙ্গে সেভ করেন মোহনবাগানে গোলরক্ষক বিশাল কেইথ। প্রিয় দলের জয় খুশির হাওয়া মোহনবাগান শিবিরে। সমর্থকদের উচ্ছাস ছিল চোখে পড়ার মতো। কারণ শনিবার মরশুমের প্রথম ডার্বি। অশ্বমেধ ঘোড়ার মতো ছুটছে সবুজ মেরুন ব্রিগেড। উল্টোদিকে ধুঁকছে ইস্টবেঙ্গল। তবে ফেরান্দো জানেন ডার্বির গুরুত্ব কতটা অপরিসীম। তাই ছেলেদের চাপ মুক্ত রাখতে তিনি বলছেন, “আমি শুধু ডার্বি নিয়ে ভাবছি না। একইসঙ্গে কলকাতা লিগ এবং এফসি কাপকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছি। সেই কারণেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানো হচ্ছে ছেলেদের। যাতে ক্লান্তি গ্রাস না করতে পারে। সামনে অনেক ম্যাচ। অবশ্যই ডার্বিকে বাড়তি প্রাধান্য দিতে হবে। তাই ফুটবলারদের ফিট রাখাটাও জরুরী।”

  • Durand Cup 2022: ঝড়-বৃষ্টি বাধা নয় কোনওটাই! উত্তেজনা তুঙ্গে, ডুরান্ড ডার্বি শুরু সন্ধ্যা ৬টায়

    Durand Cup 2022: ঝড়-বৃষ্টি বাধা নয় কোনওটাই! উত্তেজনা তুঙ্গে, ডুরান্ড ডার্বি শুরু সন্ধ্যা ৬টায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। আজ, রবিবার সন্ধ্যা ছ’টায় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের (Durand Cup 2022) মঞ্চে মুখোমুখি এটিকে মোহন বাগান ও ইমামি ইস্ট বেঙ্গল। প্রায় আড়াই বছর পর কলকাতায় ফিরছে ডার্বি। স্বভাবতই টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে। সরকারিভাবে ডার্বিতে ৬০ হাজার দর্শক উপস্থিতির অনুমতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতেও টিকিটের হাহাকার কমানো যায়নি। ইস্ট-মোহন (Mohun Bagan) দুই শিবিরে টিকিটের জন্য রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষে করে লম্বা লাইন দুই প্রধানের তাঁবুর সামনে। যে ছবি কলকাতা ময়দান দেখতে অভ্যস্ত ছিল। কিন্তু করোনার ফলে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীরা ঘটি-বাঙালের চিরাচরিত লড়াইয়ের স্বাদ থেকে বঞ্চিত ছিল বহুদিন। শেষ দুই ডার্বি হয়েছিল গোয়ায় আইএসএলে। ক্লোজড ডোরে। আড়াই বছর পর গ্যালারি ভর্তি স্টেডিয়ামে নামবে দুই দল। তাই উত্তেজনা তুঙ্গে। শুধু কলকাতা নয়, শিলিগুড়ি, কোচবিহার সহ জেলার শহর থেকেও সমর্থকদের আগমন ঘটেছে ডার্বি উপলক্ষ্যে।

    শুধু টিকিট পেলেই হবে না, মাঠে ঢুকতে বেশ কিছু নিয়মও মানতে হবে সমর্থকদের। বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দাহ্য প্রদার্থ, সিগারেট, লাইটার, দেশলাই, আতসবাজি, জলের বোতল, বড় ব্যাগ, হেলমেট নিয়ে মাঠে ঢোকা যাবে না। তবে রাখা যাবে মোবাইল, ছাতা

    তবে ডার্বিতে নামার আগে দুই দলের অবস্থা মোটেও ভালো নয়। গ্রুপে দু’টি ম্যাচ খেলেও জয়ের মুখ দেখতে পায়নি মোহন বাগান ও ইস্ট বেঙ্গল। সবুজ-মেরুন ব্রিগেড প্রথম ম্যাচে রাজস্থান এফসি’র কাছে হেরেছিল। ড্র করে পরের ম্যাচে। ইস্ট বেঙ্গল দু’টি ম্যাচেই ড্র করেছে। তাই পরের রাউন্ডে ওঠার ক্ষেত্রে এই ডার্বি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুই প্রধানের কাছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের জবাব দিতেই আজ এশিয়া কাপে পাকিস্তানের মুখোমুখি ভারত! জেনে নিন কখন, কোথায় দেখবেন ম্যাচ

    ইমামি ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের আশ্বস্ত করতে পারে তাদের মাঝমাঠ। হায়দরাবাদ থেকে আসা অনিকেত যাদব এবং শৌভিক চক্রবর্তী ছন্দেই রয়েছেন। অবাক করেছেন তুহিন দাস। বাঁ দিক থেকে তাঁর উইং ধরে উঠে আসা এবং বল ভাসানো অনেকেরই নজর কেড়েছে। রক্ষণে জেরি লালরিনজুয়ালা এবং লালচুংনুঙ্গা ভরসা দিয়েছেন। মহম্মদ রাকিপকে খেলানো হলে তিনিও ভরসা দিতে পারেন। অন্যদিকে, আপফ্রন্টে প্রতিভাবান কিয়ান নাসিরি, লিস্টন কোলাসো, আশিক কুরুনিয়ানদের বাগান কোচ ব্যবহার করলেও এখনই রয় কৃষ্ণদের বিকল্প হয়ে ওঠার হদিশ দিতে পারেননি। প্ৰথম ম্যাচে রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে হার এবং মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে ড্র-য়ের ম্যাচেই তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

    তবে এই ম্যাচের গুরুত্ব অন্যরকম। দল জিতলে সমর্থকরা অতীতের যাবতীয় ব্যর্থতা ভুলে প্রিয় ফুটবলারদের মাথায় তুলে নাচবেন। তাই মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে মোহন বাগান কোচ হুয়ান ফেরান্দো না ইস্ট বেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন, কে কাকে টেক্কা দেন সেটাই দেখার!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share