Tag: Kolkata High Court

Kolkata High Court

  • RG Kar: সিবিআইকে তদন্তভার দেওয়ার পরেই ভাঙা হল হাসপাতালের দেওয়াল! ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা? 

    RG Kar: সিবিআইকে তদন্তভার দেওয়ার পরেই ভাঙা হল হাসপাতালের দেওয়াল! ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ক থামছে না। একের পর এক অভিযোগে উত্তাল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাস (RG Kar)! কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। প্রতিবাদে সামিল রাজ্যের চিকিৎসক মহল। বুধবার তাই রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসক এবং জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক সংগঠন। বিশিষ্ট মহলের একাংশ জানাচ্ছে, আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর পরে রাজ্য প্রশাসনের একের পর এক পদক্ষেপ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলছে।

    আদালতের নির্দেশের পরেই কী ঘটেছিল? (RG Kar)

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর তদন্তের নির্দেশ সিবিআইকে দেন।‌ প্রধান বিচারপতি কলকাতা পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একাধিক পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাসপাতালের চেস্ট মেডিসিন বিভাগের দেওয়াল ভাঙা শুরু হয়। হাসপাতালের সেমিনার হল, যেখানে ওই মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার হলের আশপাশের দেওয়াল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাঙার কাজ শুরু হয়। হঠাৎ কর্তৃপক্ষের দেওয়াল ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই চিকিৎসক মহলের বিক্ষোভ শুরু হয়। জুনিয়র চিকিৎসকেরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। আর তারপরেই তড়িঘড়ি কাজ বন্ধ হয়ে‌ যায়।

    প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ কেন উঠছে?

    চিকিৎসক মহলের একাংশ‌ জানাচ্ছে, ওই মহিলা চিকিৎসক চেস্ট মেডিসিন বিভাগের (RG Kar) স্নাতকোত্তর ট্রেনি ছিলেন। সেমিনার হলের আশপাশের জায়গায় অপরাধীদের হাতের স্পর্শ কিংবা অন্য কোনও প্রমাণ থাকতে পারে। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ সেই দেওয়াল থেকেও একাধিক প্রমাণ জোগাড় করতে পারতেন। ঘটনাস্থল সিবিআই (CBI) কর্তারা দেখলে স্পষ্ট হত, আর কেউ বৃহস্পতিবার রাত্রে সেমিনার হলে ছিলেন কিনা, কিংবা কতজনের যাতায়াত হয়েছিল। কিন্তু সেই সব প্রশ্নের স্পষ্ট কিনারা হওয়ার আগেই দেওয়াল ভাঙার কাজ শেষ করে দেওয়া হল। একাধিক মার্বেল টাইলস ভেঙে দেওয়া হল। হাসপাতালের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে কেন এই ঘটনা ঘটল, সেটাও স্পষ্ট নয় বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলকাতা পুলিশ প্রথমেই ঘটনাকে আত্মহত্যার তকমা দিতে চেয়েছিল। এ নিয়ে হাইকোর্টও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তাছাড়া, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ময়নাতদন্ত থেকে যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়ায় সব সময় টালবাহানা করেছে। মৃতার বাবা-মাকেও মৃতদেহ দেখতে দেওয়া হচ্ছিল না, এমন অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ হাসপাতালের (RG Kar) দেওয়াল ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত একাধিক প্রশ্ন তুলছে বলেই মনে করছে সব মহল। চিকিৎসকেরা এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বহির্বিভাগে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    কী বলছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ?

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, যেসব দেওয়াল (RG Kar) ভাঙা হয়েছে, সেগুলো‌ বহু আগেই পরিকল্পনা করা ছিল। চিকিৎসকদের জন্য ভালো রেস্ট রুম তৈরির পরিকল্পনা ছিল। তাই ওখানে দেওয়াল ভেঙে রেস্ট রুম তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। তবে, স্বাস্থ্য সচিব দেওয়াল ভাঙা ও নতুন পরিকাঠামো তৈরির কাজ আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই এখন আপাতত কাজ বন্ধ আছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের দায়ের করা মানহানি মামলার শুনানি ১০ জুলাই হবে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) । মামলাটি শুনানির তালিকায় না থাকায় রাজ্যপালের আইনজীবী বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার পরেই বিচারপতি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঘোষণা করা হয়।

    হাইকোর্টে রাজ্যপালের মানহানির মামলার শুনানি (Calcutta Highcourt)

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস(C V Ananda Bose) । তৃণমূলের দুই হবু বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রায়াত হোসেন সরকার এবং তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে রাজ্যপালের তরফে। বুধবারই সেই মামলা বিচারপতি রাওয়ের বেঞ্চে উঠেছিল। সম্প্রতি নবান্নের একটি সরকারি বৈঠক থেকে রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছিলেন মমতা। তার জেরে ওই মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যপাল। মমতার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সায়ন্তিকা, রায়াত হোসেন সরকার এবং কুণাল ঘোষ। সেই কারণে তাদের ওই মামলাতে যুক্ত করা হয়েছে বলে রাজভবন সূত্রে খবর।

    অমিত শাহকে নালিশ রাজ্যপালের (C V Ananda Bose)

    বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়েও রাজভবন বনাম সরকার পক্ষের সংঘাত চলছে। দুই বিধায়ককে রাজভবনে ডেকে পাঠানো হলে তাঁরা যাননি। শাসক দলের তরফ থেকে রাজ্যপালকে বিধানসভায় এসে শপথ পাঠের কথা বলা হয়েছে। তবে সেই আবেদন মৌখিক নাকি লিখিতভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই শাসক শিবিরে। প্রসঙ্গত রাজ্যের দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে জটিলতা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, উনি (C V Ananda Bose) হয় স্পিকারকে নয়তো ডেপুটি স্পিকারকে (শপথ পাঠের) এই অধিকার দিন। আর তা না হলে নিজে বিধানসভায় যান। রাজভবনে কেন সকলে যাবে? রাজভবনে যা কীর্তি কেলেঙ্কারি চলছে, তাতে মেয়েরা ওখানে যেতে ভয় পাচ্ছে বলে আমার কাছে অভিযোগ করেছে। নির্দিষ্ট দিনে এবং সময়ে দুই বিধায়ক রাজভবনে না যাওয়ার ফলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    এরপর রাজ্যপাল দিল্লি চলে যান। ইতিমধ্যেই অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। যে দুই পুলিশ আধিকারিক এবং এক আমলার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রাজ্যপাল নালিশ জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আগেই সাংবিধানিক কার্যপ্রণালী এবং আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন বোস।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Justice Amrita Sinha: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    Justice Amrita Sinha: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইভ সম্প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে মন্ত্রী অরূপ রায়ের নামে অভিযোগ জানাতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন এরশাদ সুলতান ওরফে শাহিন। মন্ত্রী অরূপ রায় তথা শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধে জলা জমি ভরাটের অভিযোগ এনে গ্রেফতার হওয়া হাওড়ার ওই যুবককে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (High Court) । বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) মুক্তির নির্দেশের পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকার চরম নিন্দা করেছেন।

    বিচারপতির প্রশ্ন (Justice Amrita Sinha)

    মুখ্যমন্ত্রীর লাইভ সম্প্রচার চলাকালীন কমেন্ট বক্সে এরশাদ সুলতান অরূপ রায় এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গর বিরুদ্ধে জলা জমি ভরাটের অভিযোগ এনেছিলেন। এরপরই ওই যুবককে গ্রেফতার করে শিবপুর থানার পুলিশ। গ্রেফতারের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গিয়েছিল তাঁর পরিবার। এরপরই বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) প্রশ্ন করেন, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কেউ কোনও অভিযোগ করলে বা ক্ষোভ জানালে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে? যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই অরূপ রায় কি অভিযোগ করেছেন? নাকি পুলিশ নিজে থেকে নাক গলাল? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। তিনি প্রশ্ন করেন, দুজনের মধ্যে গোলমাল হলে তৃতীয় ব্যক্তি অভিযোগ জানানোয় একজনকে পুলিশ এভাবে গ্রেফতার করে নিল? এটা কি আইন?

    গ্রেফতার প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে

    কোথা থেকে এবং কবে শাহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাও জানতে চেয়েছেন বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) । জবাবে রাজ্যের আইনজীবী জানান, প্রথমে তাঁকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি হাজির না হওয়ায় দুদিন পর তাঁকে ৩০ শে জুন বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি নির্দেশ দেন ৩০ জুন শিবপুর থানার সারাদিনের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। যদিও অভিযুক্তের পরিবারের পাল্টা অভিযোগ, শাহিন নোটিস পেয়ে থানায় গেলে তাঁকে প্রথমে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়। পরে জানানো হয় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গেই যুক্ত।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    হাওড়ার তৃণমূল নেতা সুশোভন চট্টোপাধ্যায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সুশোভন চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে অভিযোগ করেছিলাম। ওই ব্যক্তি যেভাবে মন্তব্য করেছিলেন তা মেনে নেওয়া যায় না। এ বিষয়ে বিজেপি নেতা ভাস্কর রায় বলেন, “সরকার বা শাসকদলের বিরুদ্ধে কেউ কোনও কথা বললেই তাঁকে গ্রেফতার করা এ রাজ্যে রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘কঠোর ব্যবস্থা নিন’! রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাহকে চিঠি বোসের

    এখানে শাসকের আইন চলে। আইনের শাসন চলে না। এই রাজ্যে গণতন্ত্র নেই তা শাসক এবং তাঁদের দোসর পুলিশ বারংবার প্রমাণ করছে। হাইকোর্টে (High Court) বারংবার বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) এ রাজ্যের আইনি ব্যবস্থা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। সরকার বদল না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির বদল হবে না।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • High Court: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস

    High Court: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনকে কেন্দ্র করে একের পর এক আক্রমণ করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্লীলতাহানির অভিযোগ পর্ব থেকে সেই যে বিতর্ক শুরু, তারপর মুখ্যমন্ত্রী টানা আক্রমণ করে গিয়েছে সি ভি আনন্দ বোসকে। যদিও এই পর্বে অনেকটাই রক্ষণাত্মক রাজ্যপাল। কিন্তু এবার বিচার চাইতে হাইকোর্টের (High Court) দ্বারস্থ হলেন সি ভি আনন্দ বোস। তিনি কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর।

    শপথ ঘিরে জটিলতা (Governer)

    শুধু মুখ্যমন্ত্রী নয়, রাজ্যের আরও কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে রাজ্যপাল ওই মামলা (High Court) করেছেন বলে জানা গিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী জানিয়েছেন, এখন অবধি মামলা লিস্টেড হয়নি। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মেয়েরা ওখানে (রাজভবন) যেতে ভয় পাচ্ছে। এই মন্তব্য উল্লেখ করে মামলাটি করেছেন রাজ্যপাল (Governer)। প্রসঙ্গত রাজভবন নাকি বিধানসভায়, শপথ কোথায় হবে এ নিয়ে জটিলতা অব্যাহত। সদ্য জয়ী তৃণমূলের দুই বিধায়ক চাইছেন বিধানসভায় শপথ করানো হোক। অন্যদিকে রাজভবনে এসে শপথ নেওয়ার সময় দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। বিধায়করা সেখানে না যাওয়ার ফলে দুই বিধায়কের শপথ ঘিরে জটিলতা অব্যাহত। এরই মাঝে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, সোমবারের মধ্যে শপথ জটিলতার সমাধান না হলে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তিনি আবার বোমা পাঠাবেন। অন্যদিকে বিধানসভার সামনে বরানগর কেন্দ্র থেকে জয়ী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বলে দিয়েছেন তখন আর কিছু বলার নেই। ভয় তো লাগতেই পারে।”

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের মদতেই সরকারি জমি বিক্রি! শিলিগুড়িতে মিলল বড় চক্রের হদিশ

    অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বলে দিয়েছেন, তাই বিধায়কদের ভয় লাগছে। কিন্তু বাকি একজন পুরুষ বিধায়কের কেন শ্লীলতাহানির ভয় নাকি দলের হুইপের ভয় তা জানা যায়নি।  

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া (High Court)

    সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, শুক্রবার মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে (High Court) দায়ের করা হয়। মামলার কপির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য উল্লেখ করা আছে। রাজ্যপালের এই মামলা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “রাজ্যপাল (Governer) সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত অনেক আগে নেওয়া উচিত ছিল। রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের মর্যাদা জড়িত আছে। এ বিষয়ে রাজ্যপালের প্রতি আমার সমর্থন রয়েছে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Scam: চাকরিহারা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের তথ্য জানাতে হবে,  নির্দেশ জেলা স্কুল পরিদর্শকের

    SSC Scam: চাকরিহারা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের তথ্য জানাতে হবে,  নির্দেশ জেলা স্কুল পরিদর্শকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এক ধাক্কায় চাকরি হারিয়েছেন স্কুলে কর্মরত ২৫,৭৫৩ জন। নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) জাল কাটতে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছে বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। এই নির্দেশে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে স্কুলগুলিতে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করছে স্কুল শিক্ষা দফতরের একাংশ। ইতিমধ্যেই ২০১৬ সালে চাকরি পাওয়া শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের কাজে যোগদানের যাবতীয় তথ্য জানার কাজ শুরু হয়েছে। 

    কী বলছে শিক্ষা দফতর

    শিক্ষা দফতর (SSC Scam) সূত্রে খবর, বিভিন্ন জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শকেরা (ডিআই) স্কুলের প্রধানশিক্ষকদের কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছেন। সেই বার্তায় বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের নিয়োগের প্রক্রিয়ায় যে সমস্ত শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী চাকরি পেয়েছেন তাঁদের যাবতীয় তথ্য জানাতে হবে। স্কুলশিক্ষকদের কাছে একটি গুগ্‌ল ফর্ম পাঠানো হয়েছে। সেই ফর্ম পূরণ করেই এই সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলার ডিআইদের জানাতে বলা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে শিক্ষা দফতর থেকে নির্দেশ না দেওয়া হলেও, এই তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ডিআইদের ভূমিকার পিছনে ‘মৌন’ সম্মতি রয়েছে দফতরের। যাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই সংক্রান্ত তথ্য শিক্ষা দফতরের প্রয়োজন হলে তা দ্রুত পাওয়া সম্ভব হয়। বে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দিতে নারাজ দফতরের শীর্ষকর্তারা।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য, ২৬ হাজর চাকরি বাতিল করা নিয়ে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ

    কেন এই নির্দেশ

    হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়ের পর রাজ্যের স্কুলগুলিতে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে, এমনই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০১৬-র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চাকরি পাওয়া শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা যে সব স্কুল নিযুক্ত রয়েছেন, সেখানে জটিলতা আরও প্রকট। তাই সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের নিয়োগের প্রক্রিয়ায় চাকরি পাওয়া শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের কাজে যোগদানের যাবতীয় তথ্য জানতে চাইলেন জেলা স্কুল পরিদর্শকেরা।  আদালতের নির্দেশ মাফিক যদি ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি চলে যায় সেক্ষেত্রে স্কুলগুলিতে যাতে কোনও রকম সমস্যা তৈরি না হয় তার জন্যই আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকারি স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি শুরু হয়েছে। গরমের ছুটি শেষে স্কুল খুললে কী অবস্থা তৈরি হবে, তা এখন থেকেই ভাবাচ্ছে পড়ুয়া তথা অভিভাবকদের। রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতির (SSC Scam) পরিণাম ভুগতে হতে পারে বাংলার এই প্রজন্মকে এমনই ভাবছে শিক্ষামহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

    Kolkata High Court: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুরসভাগুলিতে নিয়োগ-দুর্নীতির মামলা কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) নতুন ডিভিশন বেঞ্চে গেল। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এই মামলা পাঠালেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে। এই সপ্তাহেই পুরসভার নিয়োগ-দুর্নীতির মামলার শুনানি হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

    পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রসঙ্গত, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু তা খারিজ হয়ে যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানায় রাজ্য। পরবর্তীকালে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এবং বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফিরিয়ে দেয়। তা চলে যায় প্রধান বিচারপতির কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘যেখানে ভূতের ভয়’! রুজিরা-ইস্যুতে মমতা-অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    পুরনিয়োগ দুর্নীতি

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে বলাগড়ের তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই উঠে আসে অয়ন শীলের নাম। তার ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ওএমআর শিট মেলে। ইডির দাবি, রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন পুরসভায় অন্তত ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিল প্রমোটার অয়ন শীল (Ayan Sil)। অয়নকে জেরা করেই এই তথ্য হাতে পান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। অয়নের ফ্ল্যাটের ডাস্টবিন থেকে পাওয়া কাগজে একাধিক পুরসভার নাম পাওয়া যায়। এই ডাস্টবিনেই পাওয়া যায় পুরসভায় চাকরিপ্রার্থীদের তালিকাও। পুরসভার টেন্ডারেও একচেটিয়া নাম দেখা যায় অয়নের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একাধিক বার দাবি করেছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে রাজ্যের অন্তত ৬০টি পুরসভায় টাকার বিনিময়ে বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। ইডির দাবি, মোট ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট আবার এই মামলা হাইকোর্টে (Kolkata High Court) ফিরিয়ে দেয়।  এই পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করলেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: ধাক্কা খেল রাজ্য! বামেদের জোড়া কর্মসূচির অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    Kolkata High Court: ধাক্কা খেল রাজ্য! বামেদের জোড়া কর্মসূচির অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বামেদের জোড়া কর্মসূচির অনুমতি দিল হাইকোর্ট। একটি বারাসতের কাছারি মাঠে, অন্যটি হাওড়ার কাজিপাড়ায়। কাছারি মাঠে মঙ্গলবার সভার সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিল সিপিএম। কিন্তু পরে তা বাতিল করা হয়। এ নিয়ে মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। হাইকোর্টে রাজ্য সরকারের আইনজীবীর বক্তব্য, এডিএম ভুল করে ওই অনুমতি দিয়েছেন। সব প্রস্তুতি নেওয়ার পরে সভায় আপত্তি সঠিক নয় বলে মনে করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং সোমবার তিনি ওই সভার অনুমতি দেন। প্রসঙ্গত, এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর সভা নিয়েও জল গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। নন্দীগ্রামের সভা, চন্দ্রকোণা, পটাশপুর থেকে বাঁকুড়ার সিমলাপাল-বিভিন্ন ক্ষেত্রে সভার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তখন কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) দ্বারস্থ হয়ে সেই কর্মসূচির অনুমতি নিয়ে আসে বিজেপি। এবার সেই একই পথে হেঁটে অনুমতি নিয়ে এল বামেরাও।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    বারাসতের কাছারি মাঠের সভা

    রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানান, এডিএম ভুল করে অনুমতি দিয়ে ফেলেছিলেন। যে মাঠে সভার জন্য আবেদন করা হয়েছে, তার পাশেই বারাসত আদালত। জেলা শাসকের চত্বরও বটে। ২০১৭ সাল থেকে এই মাঠে কোনও সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলেও জানান রাজ্য সরকারের আইনজীবী। কিন্তু একবার যে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেই সভার আবেদন বাতিল করা উচিত নয় বলেই মনে করেন রাজাশেখর মান্থা।

    হাওড়ার কাজিপাড়ার মিছিল

    অন্যদিকে কাজিপাড়ায় বামফ্রন্টের একটি মিছিল হওয়ার কথা মঙ্গলবার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিছিলের অনুমতি ১৮ মে-ই দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে প্রশাসন অনুমতি দিলেও পরে জানিয়ে দেওয়া হয়, মাঠ সংস্কারের কাজ চলছে। তাই সভা বাতিল করতে হবে। এ নিয়ে মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। হাওড়া সিপিএমের ওই সভার অনুমতি দিয়ে বিচারপতি মান্থা এদিন জানান, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল, মিটিং করার অধিকার আছে। তাই সিপিএম হাওড়ায় মিছিল করতে পারবে। শর্তসাপেক্ষে তিনি এদিনের মিছিলের অনুমতি দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Board: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Primary Board: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ‘কনফিডেন্সিয়াল সেকশন’ বলে পরিচিত ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’-র বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, পর্ষদের বাইরে এমন এক সংস্থাকে কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলে অভিহিত করা যায় না। আইনে পর্ষদের (Primary Board) হাতে এই ধরনের কোনও ক্ষমতা দেওয়া আছে কিনা, তাও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি ওএমআর শিট মূল্যায়নকারী একটি সংস্থা। ২০২০ সালে প্রাথমিকে নিয়োগের একটি মামলার শুনানি ছিল সোমবার। সেখানেই এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। তিনি এদিন এও জানান, আলাদা করে বাইরের কোম্পানিকে দিয়ে তথ্য যাচাই করা যায় না।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় ৮ জুন রুজিরাকে সিজিও-তে তলব ইডি-র

    এর আগেও বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসে ২০১৪ সালের টেস্ট সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মানিক ভট্টাচার্যকে ভর্ৎসনা করে বলেছিলেন, কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলে যার উল্লেখ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (Primary Board) করছে, সেই এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির সঙ্গে মানিক ভট্টাচার্যের ঠিক কী সম্পর্ক ছিল? কেন এই সংস্থাকে কনফিডেন্সিয়াল সেকশন বলা হচ্ছে, এদিন তাও জানতে চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও পর্ষদ এদিন এর কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

    প্রসঙ্গ সুজয়কৃষ্ণ……

    এই মামলার শুনানিতেই চলে আসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের গ্রেফতারি প্রসঙ্গও। বিচারপতির বক্তব্য, “কোন ভদ্র না অভদ্র গ্রেফতার হয়েছেন, তা নিয়ে ভাবিত নই। কিন্তু ‘কনফিডেন্সিয়াল সেকশন’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্ষদের হাতের বাইরে থাকা উচিত নয়।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় একাধিক উল্লেখযোগ্য নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘটককে দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডি-র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজিকর হাসপাতালের তিনজন ডাক্তার সাসপেন্ড কেন? জানতে চাইল হাইকোর্ট

    RG Kar: আরজিকর হাসপাতালের তিনজন ডাক্তার সাসপেন্ড কেন? জানতে চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালের তিনজন অর্থপেডিক ডাক্তারকে কোন আইনে বসিয়ে দেওয়া হল? এনিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব তলব করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়। হাইকোর্ট এদিন এও জানিয়েছে অভিযুক্ত চিকিৎসকেরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করলে কোনও কড়া পদক্ষেপ  করা যাবে না। যদি আইন না থাকে তাহলে তাদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে হবে বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট। অন্যদিকে, অভিযুক্ত তিন চিকিৎসক তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ জুন ধার্য করা হয়েছে। এদিন বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায় সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    আরজিকর-এর এক ডাক্তারি পড়ুয়া তাঁর তিনজন সিনিয়র চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তাঁদের পাল্টা দাবি ছিল, ওই ছাত্রী রেগুলার ক্লাস করতেন না। তারপরেও অ্যাটেডেন্স করিয়ে দিতে বলতেন। তাতে তিনি পড়াশোনায় পিছিয়ে যাচ্ছিলেন। ছাত্রীকে পরে এনিয়ে বকাঝকা করলে তিনি শ্লীলতাহানির মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।

    হাইকোর্টে পাল্টা মামলা দায়ের সাসপেন্ড হওয়া চিকিৎসকদের

    ওই পড়ুয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। অন্যদিকে আরজিকর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালও নিজেদের বিভাগীয় তদন্ত শুরু করে। তিন অভিযুক্ত চিকিৎসককে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেন্ড করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপর হাসপাতালের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন অভিযুক্ত তিন চিকিৎসক। মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেআইনিভাবে তাঁদের সাসপেন্ড করেছে। ২৯ মে আদালত এই মর্মে মামলা দাখিলের অনুমতি দেয়। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল। পুলিশের তদন্তে সহযোগিতা করলে কোনও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, শ্লীলতাহানির একটি ঘটনায় সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে আসে আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। এক মহিলা অভিযোগ জানান, হাসপাতালের এক নিরাপত্তারক্ষী তাঁর শ্লীলতাহানি করেছে। যদিও সেই ঘটনার জেরে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।

    আরও পড়ুন: সরকারি অনুষ্ঠানেই ব্রাত্য, ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DELED: ডিএলএড কলেজগুলির ভর্তিতে স্থগিতাদেশ জারি কলকাতা হাইকোর্টের

    DELED: ডিএলএড কলেজগুলির ভর্তিতে স্থগিতাদেশ জারি কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক প্রশিক্ষণ কলেজে (DELED) ভর্তিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ও বিচারপতি সুপ্রতীম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। এর ফলে ৩০ হাজারেরও বেশি পড়ুয়ার ভর্তি ঝুলে রইল। ৯ জুন পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    ২০২১-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির বিজ্ঞপ্তির উপর এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৬০০ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ কলেজে (DELED) এখন ৩,০০০ টাকা লেট ফাইন দিয়েও ভর্তি হওয়া যাবে না। ডিএলএডে ভর্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে ৬ জুন। সেদিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে উঠবে মামলা।

    প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদের বিজ্ঞপ্তি

    প্রসঙ্গত ৩০ মে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফের বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৩ জুনের মধ্যে ডিএলএড-এর ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে বলা হয়। ২০২১-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি ২০২৩ সালে হওয়া নিয়ে এর আগে ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে। বেঞ্চের প্রশ্ন, ‘‘২০২১ থেকে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য ২০২৩ সালে যদি আবেদন গ্রহণ করা হয়, তবে ক্লাস কবে হবে?’’ প্রসঙ্গত, সুকান্ত গুড়িয়া নামে জনৈক ব্যক্তি জনস্বার্থ মামলা করে হাইকোর্টে অভিযোগ করেন, ২০২১ থেকে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ আবেদন গ্রহণের সময়সীমা জানায় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২। পরে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, জানুয়ারি ২০২৩ সালে ভর্তির আবেদন করতে হবে। পরবর্তীকালে হাইকোর্ট বেসরকারি প্রাথমিক প্রশিক্ষণ কলেজে তিন হাজার টাকা লেট ফি দিয়ে ভর্তির ছাড়পত্র দেয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার স্থগিতাদেশ জারি হওয়ায় পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে।

    আরও পড়ুন: সরকারি অনুষ্ঠানেই ব্রাত্য, ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে উঠতে পারে মামলা

    জানা যাচ্ছে আদালতের কাজকর্ম স্বাভাবিক হলে মামলাটি ফের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল। ইতিমধ্যে ডিএলএড ভর্তিতে একাধিক বিষয়ে বেনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই তিনি নির্দেশ দেন, সমস্ত বেসরকারি ডিএলএড কলেজকে তাদের ছাত্র তালিকা আদালতে জমা দিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share