Tag: Kolkata news

Kolkata news

  • Partha Chatterjee: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    Partha Chatterjee: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কেলেঙ্কারিতে (SSC scam) ইডি’র (ED) হাতে গ্রেফতারির সময় অ্যারেস্ট মেমোয় (Arrest Memo) মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ও মোবাইল নম্বর লিখে দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী তথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। যা নিয়ে তোলপাড় তৃণমূলের অন্দরের রাজনীতি। শুধু নাম লেখাই নয়, গ্রেফতারির রাতে ২টো থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত চার বার মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনও করেছিলেন পার্থবাবু। এখানেই শেষ নয়। পরের দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েও দেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করতে পারেননি তিনি।

    ইডির জেরার মুখে পার্থবাবু যে দিব্যি সচেতন রয়েছেন তা তদন্তকারী সংস্থা আদালতেই জানিয়েছে। তল্লাশি ও জেরা পর্বে পার্থবাবুর আইনজীবীও সঙ্গে ছিলেন। ফলে অ্যারেস্ট মেমোয় মুখ্যমন্ত্রীর নাম জুড়ে দেওয়া নেহাৎই কাকতালীয় নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষ। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, স্ত্রী ও মা মারা যাওয়ার পর নাকতলার বাড়িতে একাই থাকতেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর মেয়ে-জামাই বিদেশে থাকেন। ফলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া তাঁর নিকটতম আর কেই বা আছেন? মুখ্যমন্ত্রীর ডাকেই তো তিনি চাকরি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি দলের মহাসচিব, ফলে দল এসএসসি কেলেঙ্কারির পর তাঁকে ছেড়ে দিতে চাইলেও তিনি তো দল ছাড়তে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে তৃণমূলে তাঁর একমাত্র যোগসূত্র রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অ্যারেষ্ট মেমোয় তাঁর নাম সেই কারণেই দিয়েছেন বলে পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ আইনজীবীরা মাধ্যমকে জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    অনেকে আবার এরমধ্যে রাজনীতিও খুঁজছেন। তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিক্ষক নিয়োগ (Teacher Recruitment) নিয়ে বিধায়কদের মধ্যে যে কোটা ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল তা এখন দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। কয়েক জন বিধায়কের প্যাডে সই করা চাকরি প্রার্থীদের নামের তালিকা আদালতে পর্যন্ত জমা পড়েছে। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠদের দাবি, শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ নিয়ে যা হয়েছে তা দলের সর্বোচ্চস্তরের সিদ্ধান্ত ছিল। গত নভেম্বরে যখন প্রথম কলকাতা হাইকোর্ট এ নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে তখনই পার্থবাবু অশণি সঙ্কেত দেখেছিলেন। দলও সেই সময় থেকে পার্থবাবুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে থাকে। এমনকি বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও পার্থবাবুর ভূমিকা সেভাবে চোখে পড়েনি।

    তৃণমূলের দলীয় সূত্রের খবর, পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে পার্থবাবু দলের অন্দরে বার্তা দেন, যদি এসএসসি কেলেঙ্কারি নিয়ে দল তাঁর পাশে না দাঁড়ায় তা হলে তিনিও মুখ খুলতে বাধ্য হবেন। এর পর দলের তরফে আইন মন্ত্রী মলয় ঘটককে বিষয়টি নিয়ে তৎপর হতে বলা হয়। ঘটনাচক্রে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ের উপর কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ গিয়ে বিচারপতি রণজিৎ বাগ কমিটির তদন্ত রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দেয়। সেই কমিটির সামনে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা সচিব জানিয়ে দেন, সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও সিবিআই তদন্ত বজায় রাখে।

    আরও পড়ুন: কেন অমর্ত্য সেন নিচ্ছেন না বঙ্গবিভূষণ? বিদেশে থাকার জন্যই কি, না অন্য কারণ?

    পার্থবাবু ক্রমেই বুঝতে পারছিলেন চাকরি চুরির মামলায় তাঁর পরিণতি ভাল হবে না। ঘনিষ্ঠ মহলে বলেও রেখেছিলেন, যদি দলের সমর্থন না থাকে, তা হলে মুখ খুলতে বাধ্য হব। তাঁর কাছেও যে নবান্ন (Nabanna) থেকে পাঠানো তালিকা রয়েছে সে কথাও ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন অনেককেই। গ্রেফতারির পর অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম লিখে মহাসচিব শুধু মুখ্যমন্ত্রীকে জড়িয়েই নেননি, উল্টে পাল্টা চাপও তৈরি করেছেন। যার মোদ্দা কথা হল, শিক্ষক নিয়োগের কোটা পদ্ধতিতে টাকা তোলার সিদ্ধান্ত ছিল দলগত, তাই গ্রেফতারির নথিতেও সেই দাগ যেন রেখে গেলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। যদিও ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, জেনে বুঝে কেউ ভুল করলে শাস্তি পেতে হবে। তবে অজান্তে ভুল করলে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। অ্যারেস্ট মেমোয় মমতা জেনেবুঝে ভুল, নাকি অজান্তে ভুল তা ইডি যখন তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে তখনই স্পষ্ট হবে।

  • SSC Scam ED raids: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৪ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    SSC Scam ED raids: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৪ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিতে (SSC Scam) রাঘববোয়ালদের ধরতে এবার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chaterjee) নাকতলার বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। ৮-ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব চলেছে।  পাশাপাশি, পিংলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আত্মীয়ের বাড়িতেও ইডি অফিসাররা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাইয়ের মামার বাড়িতে যান ইডির ৭ অফিসার। কৃষ্ণ প্রসাদ অধিকারীর খিরিন্দার বাড়িতে পৌঁছয় ইডি। 

    একইসঙ্গে ইডি (ED) হানা দিয়েছে তৃণমূলেরই (TMC) মন্ত্রিসভার আর এক সদস্য শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারির (Paresh Adhikary) বাড়িতেও। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। পরেশ অধিকারীর স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি অফিসাররা।

    এছাড়াও এসএসসির প্রাক্তন কর্তা শান্তি প্রসাদ সিনহার (Shantiprasad Sinha) বাড়িতেও হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই তিন জায়গা ছাড়াও রাজ্যের আরও দশ জায়গায় এদিন হানা দেয় ইডি। এর মধ্যে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, টেট দুর্নীতি মামলায় অপসারিত পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর যাদবপুরের বাড়ি এবং পর্ষদ সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচীর বাড়িতেও যান ইডি অফিসাররা। 

    আরও পড়ুন : এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?

    রাজ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনে (School Service Commission) ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন চাকরি প্রার্থীদের কেউ কেউ। তার পরেই এই দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নামে সিবিআই (CBI)। কীভাবে দুর্নীতি হয়েছিল তা খুঁজে বের করাই প্রধান লক্ষ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তের গোড়ায় পৌঁছতে সিবিআই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করেছে। জেরা করা হয়েছে বাম দল থেকে তৃণমূলের আসা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারিকেও।

    এই মামলায় তদন্ত করছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও। তারা মূলত আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এজন্য দুটি এফআইআর রুজুও করেছে ইডি। এ ব্যাপারে একাধিক আবেদনকারী ও সাক্ষীর বয়ানও রেকর্ড করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। এ থেকেই ইডির ধারণা, এই মামলায় লেনদেন হয়েছে কোটি কোটি টাকা। এই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল, গেলই বা কোথায়, লাভের অঙ্ক কার ঘরেই বা উঠল, ঘটনার নেপথ্যে কোনও প্রভাবশালী যোগ রয়েছে কিনা এসবই খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকরা। গত কয়েক দিনে এনিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। তার পরেই এদিন রাজ্যের ১৩টি জায়গায় হানা দেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন : এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের ডাকে ফের নিজাম প্যালেসে পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    জানা গিয়েছে, এদিন এসএসসি দুর্নীতি মামলার তদন্তে পার্থের নাকতলার বাড়িতে হাজির হন ইডির আধিকারিকরা। ইডিরই আর একটি দল গিয়ে হাজির হন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেখলিগঞ্জের বাড়িতেও। ইডি সূত্রে খবর, প্রায় ৯০ জন আধিকারিক দুর্নীতির শেকড়ে পৌঁছতে হানা দিয়েছেন রাজ্যের ১৩টি জায়গায়। শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের বাড়িতেও এদিন হানা দেন তদন্তকারীরা। এদিন শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে যান এক মহিলা সহ ইডির সাতজন আধিকারিক। শান্তি প্রসাদের কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে, সেটাই জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

     

  • Abhishek Banerjee: শর্ত সাপেক্ষে অভিষেককে দুবাই যাওয়ার অনুমতি হাইকোর্টের 

    Abhishek Banerjee: শর্ত সাপেক্ষে অভিষেককে দুবাই যাওয়ার অনুমতি হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শর্ত সাপেক্ষে তৃণমূলের (tmc) সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) দুবাই যাওয়ার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta high court)। তাঁর স্ত্রী রুজিরাকেও তাঁর সঙ্গে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মানবিকতার প্রেক্ষিতেই তাঁদের বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।  

    কয়লা পাচারকাণ্ডে নাম জড়ায় অভিষেক, তাঁর স্ত্রী ও শ্যালিকার। অভিষেক ও রুজিরাকে আগে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। অভিষেকের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ওই সংস্থা। চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাই যাবেন বলে অনেক আগেই ইডিকে জানিয়েছিলেন অভিষেক। তার পরেও ইডির পক্ষ থেকে কোনও সাড়শব্দ মেলেনি বলে অভিযোগ। ৩ জুন, শুক্রবার দুবাই যাওয়ার কথা অভিষেকের। তার ঠিক আগের দিন তিনি দুবাই যেতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন অভিষেক।

    আরও পড়ুন : এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল সব ধরনের তদন্তে সহযোগিতা করবেন অভিষেক ও তাঁর স্ত্রী। সেই মতো ইডির তদন্তে অভিষেক সব রকম সহযোগিতা করছেন বলে দাবি অভিষেক ঘনিষ্ঠদের। এদিনের শুনানিতে ইডির তরফে আশঙ্কা করা হয়, অভিষেক ব্যানার্জি বিদেশ পালিয়ে যেতে পারেন। আদালত ইডির এই যুক্তি খারিজ করে মন্তব্য করে, অভিষেক ব্যানার্জি একজন সাংসদ। কয়লাকাণ্ডে তদন্ত শুরু হওয়ার পরেও তিনি একাধিকবার বিদেশ যাত্রা করেছেন। তাই ইডির এই আশঙ্কা ভিত্তিহীন।

    আরও পড়ুন : গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তবে আদালত অভিষেককে জানিয়েছে, মামলাকারীকে বিমানের টিকিট এবং দুবাইয়ের কোথায় তাঁরা থাকবেন, সেই ঠিকানা ইডির কাছে দিতে হবে। যে হাসপাতালে তিনি চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন, সেই হাসপাতাল এবং থাকার জায়গার ফোন নম্বরও জানাতে হবে। এর সাহায্যেই ইডি যাতে তাঁদের ওপর নজর রাখতে পারে, তাই এই ব্যবস্থা। ১০ জুনের মধ্যে তাঁকে ফেরত আসতে হবে বলেও শর্ত দেয় আদালত।  

    আদালত জানিয়েছে, রাইট টু লাইফ মানে রাইট টু গেট প্রপার ট্রিটমেন্ট পাওয়া। তিনি নিজের পছন্দ মতো চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন। সেটা থেকে তাঁকে আটকানো যায় না। নোটিস পাঠানোর পর যদি তিনি যেতেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার বিষয়টি আসত বলেও জানানো হয়েছে।

     

  • Arpita Mukherjee: পণ্ডিতিয়া রোডে ফোর্ট ওয়েসিস-এর বন্ধ ফ্ল্যাটে ফের হানা ইডি-র, তালা ভেঙে চলছে তল্লাশি

    Arpita Mukherjee: পণ্ডিতিয়া রোডে ফোর্ট ওয়েসিস-এর বন্ধ ফ্ল্যাটে ফের হানা ইডি-র, তালা ভেঙে চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার চেষ্টা করেও হয়নি। বৃহস্পতিবার তালা ভেঙে পণ্ডিতিয়া রোডে (Panditia Road) অভিজাত ফোর্ট ওয়েসিস (Fort Oasis)-এর বন্ধ ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ঢুকল ইডি (ED)। চলছে তল্লাশি।

    মঙ্গলবারও আবাসনের ৬ নম্বর টাওয়ারের ৫০৩ নম্বরের ওই ফ্ল্যাটে এসেছিলেন তদন্তাকারীরা। কিন্তু দরজা খুলতে পারা যায়নি। শেষে একটি নকল চাবি তৈরি করে, এমন একজনকে নিয়ে আসা হয়েছিল। অনেক চেষ্টাতেও শেষে তিনি দরজা খুলতে পারেননি। ওই দিন বিষয়টি রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশকে জানিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা খুলতে না পেরে তা ‘সিল’ করে এসেছিলেন ইডি আধিকারিকেরা। 

    বৃহস্পতিবার সকালে ফের স্থানীয় থানায় গিয়ে কথা বলে ইডি। তারপর পণ্ডিতিয়ার ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি। সঙ্গে ছিল স্থানীয় থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাটে রয়েছে দুটি দরজা, একটি স্টিল ও একটি কাঠের। স্টিলের দরজাটি ‘মেড-ইন-চায়না’। শেষে দরজা ভেঙেই এই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেছে ইডি। এখনও পর্যন্ত ওই ফ্ল্যাটেই রয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ১৮ জোড়া সোনার দুল, ১১টি সোনার বালা…! অর্পিতার ফ্ল্যাটে উদ্ধার হওয়া সোনার পুরো তালিকা

    সূত্রের খবর, প্রথমে ওই ফ্ল্যাটে সরাসরি প্রবেশ করতে পাচ্ছিলেন না ইডির আধিকারিকরা। কারণ ওই ফ্ল্যাটটি সরাসরি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে নেই। আগের যেকটি ফ্ল্যাটে ইডি হানা দিয়ে ছিল সেগুলি অর্পিতার নামে ছিল। এই ফ্ল্যাটটি অন্য এক মহিলার নামে রয়েছে। এই ফ্ল্যাটের মালিকের নাম স্মিতা ঝুনঝুনওয়ালা। তাঁর সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ইডি। কিন্তু যোগাযোগ করা যায়নি। 

    যদিও, এই ফ্ল্যাটের সঙ্গে অর্পিতার ভালো যোগসূত্র রয়েছে বলে তদন্তে জানতে পেরেছেন আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, ২০১৫ সালে ওই আবাসনের ডেভলপারের সঙ্গে কথা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee)। এই আবাসনের একটি ফ্ল্যাট পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ের নামে বরাদ্দ করার কথা হয়। ৫০৩ নম্বর ওই ফ্ল্যাটটি অন্য একজনের নামে হলেও তার দেখাশুনো করতেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)।

    আরও পড়ুন: ফের ইডি হেফাজত! ৫ অগাস্ট পর্যন্ত CGO কমপ্লেক্সের জেলেই থাকতে হবে পার্থ-অর্পিতাকে

    ইডি ফ্ল্যাটে ঢোকার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে, টালিগঞ্জ, বেলঘরিয়ার মতো অর্পিতার ‘যোগ’ থাকা এই ফ্ল্যাটেও কি মিলবে নগদ টাকা! উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

  • KK Death: কেকে-র মৃত্যুর পর সতর্কতা! ৯ দফা নির্দেশিকা পুলিশের, কী আছে তাতে?

    KK Death: কেকে-র মৃত্যুর পর সতর্কতা! ৯ দফা নির্দেশিকা পুলিশের, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেকে-র মৃত্যুর (KK Death) ঘটনায় কাঠগড়ায় আয়োজক-উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে হল ও অডিটোরিয়াম কর্তৃপক্ষ।  এমনকি, বাদ যায়নি পুলিশও। সকলের বিরুদ্ধেই উঠেছে চরম উদাসীনতা, অপেশাদারিত্ব, অপরিণামদর্শিতার অভিযোগ। সমাজ থেকে শুরু করে সমাজ-মাধ্যম— সর্বত্র কেকে-র (KK) মৃত্যু নিয়ে চলছে দোষারোপের পালা। চলছে আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণ।

    পুলিশের বিরুদ্ধেও উঠেছে অভিযোগের আঙুল। যে হল-এ সদ্যপ্রয়াত সঙ্গীতশিল্পীর অনুষ্ঠান ছিল, সেই নজরুল মঞ্চের (Nazrul Manch) ব্যবস্থাপনায় একের পর এক খামতির খতিয়ান প্রকাশ্যে আসতে শুরু হওয়ায় প্রশ্নের মুখে আরক্ষা বাহিনীর পারদর্শিতা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কী করে, পুলিশের তরফে এত বড় খামতি থেকে গেল? কী করেই বা ২৪০০ আসন বিশিষ্ট হলে ৭০০০ মানুষ ঢুকে পড়ল? 

     

    প্রশ্ন উঠছে, কেন অনুষ্ঠানে এক ঘণ্টার জন্য এসি বন্ধ ছিল? কেন কেকে বারবার অনুরোধ করা সত্বেও মঞ্চে গরম স্পটলাইট নেভানো হয়নি? কেন ফায়ার এক্সটিংগুইশার স্প্রে করা হচ্ছিল? একের পর এক গাফিলতি ও অবহেলার অভিযোগ ওঠায় গোটা ঘটনায় পুলিশ বাহিনীকে যে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    এখন কেকে-র মৃত্যুর পর ঘুম ভাঙল পুলিশের। সারা দেশ তোলপাড় হওয়ার পর শেষে নড়েচড়ে বসল পুলিশ। কলকাতায় কনসার্ট করা নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার! অবশেষে জারি করা হয়েছে ৯ দফা নির্দেশিকা। আয়োজকদের একটি আন্ডারটেকিং নিতে হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনুষ্ঠান সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আগে জানাতে হবে স্থানীয় থানাকে। আসন সংখ্যার বেশি পাস ইস্যু করা যাবে না। আয়োজকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে যে, দর্শক সংখ্যা হলের ক্যাপাসিটির ঊর্ধ্বে হবে না।

     

    এছাড়া, ৯ দফার নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে— পাস ছাড়া হলে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে না। একটি পাসে একজনই প্রবেশ করতে পারবেন। অনুষ্ঠানের সময় প্রবেশ ও প্রস্থানের প্রত্যেকটি পয়েন্টে যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপত্তারক্ষী/স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে। এছাড়া, অনুষ্ঠানের ভেন্যুতে অ্যাম্বুল্যান্স, চিকিৎসকের ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি, কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে নিকটবর্তী কোনও হাসপাতালে আইসিইউ সমেত আগাম ব্যবস্থা রাখতে হবে। 

  • SSC Recruitment Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন! গেছে কার পকেটে? তদন্তে ইডি

    SSC Recruitment Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন! গেছে কার পকেটে? তদন্তে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর!

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School Service Commission) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Teachers recruitment scam) মামলা তদন্ত করে দেখছে সিবিআই (CBI)। এই প্রেক্ষিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) থেকে শুরু করে বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে (Paresh Adhikary) দফায় দফায় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তারা। তাঁর মেয়ে অঙ্কিতাকে শিক্ষকতার চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এবার এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) তদন্তে ময়দানে নামতে চলেছে আরেক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি। ফলে, তৃণমূলের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও যে বাড়তে চলেছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

    কিন্তু, ইডি কেন তদন্ত করছে? জানা গিয়েছে, রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতিকাণ্ডে একের পর এক যে চাঞ্চল্যকর তথ্য ও নথি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে একটা বিষয় নিশ্চিত। তা হল, এই ঘটনায় কোটি কোটি টাকার বেআইনি লেনদেন হয়েছে। অন্তত এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। সেই টাকা কার কার কাছে পৌঁছেছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে ইডির সদর দফতর থেকে কলকাতায় সিবিআই (CBI) দফতরে ইমেল করা হয়। তাতে সিবিআইয়ের কাছে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় (SSC Recruitment Scam) দায়ের করা ৪টি এফআইআরের কপি ও অন্যান্য নথি চাওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তদন্তে যা যা উঠে এসেছে তা সিবিআইয়ের কাছে রিপোর্ট আকারে চেয়েছে ইডি। একইসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগের রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় যাবতীয় নথি চাওয়া হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, দু-একদিনের মধ্যেই সব নথি দেওয়া হবে ইডিকে। ইতিমধ্যেই, দুই মন্ত্রী এবং এসএসসি-র নিয়োগ কমিটির আধিকারিকদের সম্পত্তির তথ্য খতিয়ে দেখা শুরু করেছে সিবিআই। এবার অর্থের তছরূপ নিয়ে তদন্ত শুরু করবে ইডি (ED)। 

  • CBI summons Paresh Paul: বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার হত্যা-মামলায় পরেশ পালকে তলব সিবিআইয়ের

    CBI summons Paresh Paul: বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার হত্যা-মামলায় পরেশ পালকে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে (West Bengal) ভোট-পরবর্তী হিংসার (Post poll violence) মামলায় পরেশ পালকে (TMC MLA Paresh Paul) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাল সিবিআই (CBI)। অভিজিৎ সরকার খুনের (Abhijit Sarkar Murder) মামলার তদন্তে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ককে। বুধবার তাঁকে যেতে হবে সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের দফতরে। 

    একুশের বিধানসভা ভোটের (2021 West Bengal Assembly Elections) ফলপ্রকাশের দিন অর্থাৎ ২ মে, কাঁকুরগাছিতে খুন হতে হন বিজেপির (BJP) শ্রমিক সংগঠনের সদস্য অভিজিৎ সরকার। ওই ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। ঘটনায় জড়িয়ে যায় পরেশ পালের (Paresh Paul) নাম।

    নিহতের পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয় যে, পরেশ পালের অঙ্গুলিহেলনেই ওই খুনের ঘটনা ঘটেছে। এমনই অভিযোগ করেন অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ। তাঁর অভিযোগ, খুনের নেপোথ্যে বড় মাথা আছে। বিধায়কের নির্দেশে এই ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ করেন বিশ্বজিৎ।

    ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তদন্তে এসে এই ঘটনায় ২০ জনের নামে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। ইতিমধ্যেই, খুনের মামলায় এর আগে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সিবিআই। পাশাপাশি ঘটনার সাক্ষী হিসেবে বেশ কয়েকজনকে নোটিসও পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। 

    কিন্তু, পরেশ পালের গ্রেফতারের দাবিতে সম্প্রতি অবস্থান বিক্ষোভে বসেন নিহতের দাদা। বিশ্বজিৎ সরকার বারবার দাবি করছিলেন, তাঁর ভাইয়ের খুনের তদন্তে কেন পরেশ পালকে ডাকা হচ্ছে না? তাঁর আরও দাবি ছিল, সিবিআইকে দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিজিৎ সরকারের খুনিদের গ্রেফতার করতে হবে। 

    অবশেষে তলব করা হল পরেশ পালকে। খুনের ঘটনায় পরেশ পালের কী ভূমিকা ছিল তা খতিয়ে দেখতে চলেছে সিবিআই।

  • Paresh Adhikary: আরও বিপাকে পরেশ অধিকারী, মন্ত্রীকে হাজিরার ‘ডেডলাইন’ হাইকোর্টের

    Paresh Adhikary: আরও বিপাকে পরেশ অধিকারী, মন্ত্রীকে হাজিরার ‘ডেডলাইন’ হাইকোর্টের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC recruitment scam) মামলায় আরও বিপাকে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী (Paresh Adhikary)। 

    গত মঙ্গলবার, অর্থাৎ ১৭ মে রাত ৮টায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace) হাজির না হওয়ায় বৃহস্পতিবার আদালত অবমাননার (contempt of court) মামলায় কড়া নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। আজ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে শেষ সুযোগ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court)। এদিনই বিকেল ৩টার মধ্যে সিবিআই (CBI) অফিসে হাজির হতে হবে মন্ত্রীকে। যদি তিনি সেটা না করেন, তাহলে বিকেল ৩টের পর আদালত পরবর্তী নির্দেশ দেবে। এদিকে, আদালত যখন পরেশ অধিকারীকে নিয়ে বেজায় ক্ষোভ প্রকাশ করছে, তখন তাঁর আইনজীবী ছুটতে ছুটতে এসে জানান, পরেশ অধিকারী কোচবিহারে আছেন।

    আরও পড়ুন: কলকাতা না এসে মেয়েকে নিয়ে নামলেন বর্ধমান স্টেশনে, হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেলেন মন্ত্রী পরেশ অধিকারী

    মঙ্গলবার রাতেই মন্ত্রীকে সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে ইমেল পাঠিয়ে মঙ্গলবার রাত আটটার মধ্যে হাজির হতে বলেছিল সিবিআই। কিন্তু রাজ্যে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আসেননি। উল্টে জানা যায়, মেয়ে অঙ্কিতাকে নিয়ে পদাতিক এক্সপ্রেসে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন মন্ত্রী। তবে, শিয়ালদহ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দিলেও মাঝপথ থেকে মেয়েকে নিয়ে ‘উধাও’ হয়ে যান পরেশ। তিনি যে কলকাতায় না এসে বর্ধমানেই ট্রেন থেকে নেমে গিয়েছেন, সেই ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল৷ সেই খবরে সিলমোহরও পড়ে। বর্ধমান স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে মেয়ে অঙ্কিতার সঙ্গে মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর ছবিও মিলেছে৷ কিন্তু এবার হাই কোর্টের চরম হুঁশিয়ারির মুখে পড়লেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

    স্কুল সার্ভিস কমিশন (School service commission) নিয়োগে দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় নাম জড়িয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে৷ ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে পরেশ অধিকারী ২০১৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। অভিযোগ, বাম জমানার খাদ্যমন্ত্রী শাসকদলে যোগ দেওয়ার পরই মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর (Ankita Adhikary) নাম উঠে যায় এসএসসি নিয়োগের মেধাতালিকায়। অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে বেআইনিভাবে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে।

    বর্তমানে অঙ্কিতা মেখলিগঞ্জের ইন্দিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। মামলাকারীদের দাবি, পার্সোনালিটি টেস্টে না বসেও এবং মেধাতালিকায় নাম না থেকেও অঙ্কিতা চাকরি পেয়েছেন। প্রভাব খাটিয়ে মেয়েকে স্কুল শিক্ষিকার চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট৷ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হলেই সিবিআই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে বলেও জানান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়৷ 

    আরও পড়ুন: নথি নষ্টের আশঙ্কায় “সিল” এসএসসি দফতর, নিরাপত্তায় সিআরপিএফ, মধ্যরাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বুধবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পরেশ অধিকারী। কিন্তু মামলা শুনবে না বলে জানিয়ে দেয় বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ। পরে প্রতিমন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারী এবং মেয়ে অঙ্কিতার মামলার শুনানির জন্য বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চকে নির্দিষ্ট করেছেন প্রধান বিচারপতি। মন্ত্রী ও রাজ্যের আবেদন সবটাই শুনবেন বিচারপতি তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ। আজই শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Ssc Scam: শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের

    Ssc Scam: শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি(ssc) মামলায় অভিযুক্ত শান্তিপ্রসাদ সিনহার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের। কেবল শান্তি প্রসাদ নন, অভিযোগ দায়ের হয়েছে কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সমরজিৎ আচার্য, সৌমিত্র সরকার ও অশোক সাহার। এঁদের মধ্যে শান্তিপ্রসাদের নামই বিশেষ করে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ তাঁর সুপারিশেই নিয়োগ করা হত এসএসসিতে।

    বৃহস্পতি, শুক্রবারের পর শনিবার ফের একপ্রস্ত জেরা করা হয় রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ চন্দ্র অধিকারীকে(Paresh Chandra adhikary)। এদিন নিজাম প্যালেসে সিবিআই(cbi) কর্তারা তাঁকে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে জেরা করেন। সূত্রের খবর, বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিলেও, বেশ কয়েকটি প্রশ্নের জবাবে নীরব ছিলেন পরে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের মেয়েকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আদালত অবমাননার অভিযোগও দায়ের হয়েছে পরেশের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন : নথি নষ্টের আশঙ্কায় “সিল” এসএসসি দফতর, নিরাপত্তায় সিআরপিএফ, মধ্যরাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    এসএসসিকাণ্ডে লেজেগোবরে দশা রাজ্য সরকারের। এর আগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বেশ কয়েক দফায় জেরা করেছে সিবিআই।সদুত্তর না মেলায় আরও কয়েকবার তাঁকে জেরা করা হতে পারে। রক্ষাকবচের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন পার্থ। তবে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ তার অনুমতি দেয়নি। তাই পার্থকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এসএসসির গ্রুপ-সির নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় বাগ কমিটি যে রিপোর্ট জমা দিয়েছিল, তাতে এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহার নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। শান্তিপ্রসাদ সিনহার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার অনুরোধও জানানো হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, শান্তি প্রসাদের নির্দেশেই ভুয়ো প্যানেল তৈরি করা হয়েছিল। সেই প্যানেলে যাঁদের নাম থাকত, তাঁদের ওএমআর শিট নষ্ট করে দেওয়া হত প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে। তাঁর নির্দেশেই বাকিরা এসব কাজ করতেন বলেও অভিযোগ।এই সব কারণেই শান্তিপ্রসাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের।

    আরও পড়ুন : দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি ৭ হাজার পদ তৈরি এসএসসি-তে?

    এদিকে, এসএসসিকাণ্ডে বর্তমান পরিস্থিতিতে লন্ডন সফর বাতিল করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে মউ চুক্তি স্বাক্ষর করার জন্য শনিবারই তাঁর লন্ডন উড়ে যাওয়ার কথা ছিল। এদিন তাঁর সঙ্গে লন্ডন যাওয়ার কথা ছিল শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনেরও। দুজনেই আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না বলে খবর।

     

  • anubrata mandal: গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    anubrata mandal: গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন অনুব্রত মণ্ডল(anubrata mandal)!

    শেষমেশ বৃহস্পতিবার সাত সকালেই নিজাম প্যালেসে গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই(cbi) দফতরে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের(tmc) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এদিন সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ সিবিআই দফতরে হাজির হন তিনি। বুধবার সন্ধেয় সিবিআই দফতরে হাজির হয়েছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও।

    ৬ এপ্রিল গরু পাচারকাণ্ডে দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রতকে নিজাম প্যালেসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআই। সেদিন সকালে চিনার পার্কের বাড়ি থেকে বেরিয়েও পরে আর সিবিআই দফতরে হাজির হননি তিনি। শারীরিক অসুস্থতার জেরে এসএসকেএম হাসপাতালের(sskm hospital) উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হন তিনি। অনুব্রত তখন সিবিআইকে জানিয়েছিলেন, তারা চাইলে হাসপাতালে এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। হাসপাতাল থেকে ছুটির পরে ফের একবার সিবিআইকে চিঠি দেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর বাড়িতে বা ভার্চুয়াল মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজি আছেন তিনি।

    পরে সিবিআইকে ফের একবার চিঠি দিয়ে তিনি জানান, ২১ মে’র পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রস্তুত। নির্দিষ্ট ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই বুধবার সিবিআই দফতরে ফের আইনজীবি মারফৎ চিঠি পাঠান অনুব্রত। জানিয়ে দেন, গরু পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে রাজি হন তিনি। সেই মতো বীরভূমের তৃণমূল নেতাকে সময় দেয় সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। এদিন তার ঢের আগেই চিনার পার্কের বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজাম প্যালেসে পৌঁছে যান তিনি।           

    এসএসসি মামলায় বুধবার সন্ধেয় সিবিআইয়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা তাঁকে জেরা করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। তার পরের দিনই সিবিআইয়ের কাছে হাজিরা দিলেন অনুব্রত। তাঁকে জেরা করে গরু পাচারকাণ্ডের তদন্তের জট খুলতে পারে বলেই আশা তদন্তকারীদের।

    আরও পড়ুন : নিজাম প্যালেসে সাড়ে তিন-ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পার্থকে(partha chaterjee ) কেবল জিজ্ঞাসাবাদ করেই ছেড়ে দিয়েছে সিবিআই। তার পরেই সাহস পেয়েছেন অনুব্রত। সেই কারণেই এদিন বীরভূমের(Birbhum) দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত সাত সকালে হাজির হয়েছেন সিবিআই দফতরে।

     

     

LinkedIn
Share