Tag: Kolkata

Kolkata

  • Shreya Ghoshal: কনসার্টেই আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কেও শ্রদ্ধা শ্রেয়া ঘোষালের

    Shreya Ghoshal: কনসার্টেই আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কেও শ্রদ্ধা শ্রেয়া ঘোষালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার মঞ্চে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কণ্ঠ ছাড়লেন সঙ্গীতশিল্পী তথা বাংলার মেয়ে শ্রেয়া ঘোষাল। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম যখন প্রায় ভর্তি, সেই সময় শ্রেয়া গাইলেন, ‘এ যে শরীরের চিৎকার, জাগে ভাঙনের শব্দে … তুমি বন্ধু আজ শুনবে…।’ গান শেষ করে নিঃশব্দে মঞ্চ ছাড়লেন শ্রেয়া। তখন ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে মুখর নেতাজি ইন্ডোর। কারও চোখে জল বা গলায় প্রতিবাদের সুর। তবে শুধু প্রতিবাদ নয় এদিন ‘ঘুম ঘুম চাঁদ, ঝিকিমিকি তারা’ গেয়ে গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কেও ট্রিবিউট দেন শ্রেয়া।

    কেউ হাততালি দেবেন না

    আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতার কনসার্ট পিছিয়ে দিয়েছিলেন সঙ্গীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল। সেপ্টেম্বরের বদলে কনসার্ট হল ১৯ অক্টোবর। শ্রেয়া এলেন, তত দিনে প্রায় ৭০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এই ঘটনার। রাজপথে অনশনে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। বিচারের দাবিতে অটল তাঁরা। এ সবের মাঝেই ফের তিলোত্তমায় দাঁড়িয়ে ‘তিলোত্তমার’হয়ে গান ধরলেন শ্রেয়া। এই গান গাওয়ার আগে কাউকে হাততালি দিতে বারণ করেন শ্রেয়া। জানান, সেটি আরজি করের প্রতিবাদের জন্য তৈরি গান। এই গান উচ্ছ্বাসের জন্য নয়, উদ্দিপনার জন্য নয়। গান শেষ করেই মঞ্চ থেকে নেমে যান। গান গাওয়ার আগে শ্রেয়া বলেন, ”এর পরের গানে কেউ হাততালি দেবেন না। শুধু শুনুন।” শ্রেয়ার মঞ্চ ছাড়ার সময় ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে মুখর নেতাজি ইন্ডোর। 

    শ্রেয়ার এই প্রতিবাদ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা

    হাততালি না পেলেও শ্রেয়ার এই গান প্রশংসিত হয়। ক্ষণিকের মধ্যেই শো-এর ভিডিও ভাইরাল হয় নেট দুনিয়ায়। শ্রেয়ার এই প্রতিবাদ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা লিখছেন, ‘এমন প্রতিবাদের নজির আগে কখনও দেখেনি শহর কলকাতা। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম তখন দর্শকে ছয়লাপ। এতবছর ধরে প্রতিটা কনসার্টেই সর্বশেষ গান হিসেবে ‘মেরে ঢোলনা’ গেয়ে এসেছেন তিনি। কিন্তু এবার তা হলো না। মেরে ঢোলনা গাওয়া শেষ করে শ্রেয়া বললেন, এর পরের গানে কেউ হাততালি দেবেন না। শুধু শুনুন।’ এক নেটিজেন লিখলেন, ‘তিলোত্তমার বুকে প্রতিবাদের স্বরকে তীব্রতর হতে দেখলাম আজ। বেঁচে থাক শ্রেয়া আর ওঁর সঙ্গীত সাধনা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দুর্গাপুজো শুরুর আগে শেষ রবিবার, রাজ্যের কোন কোন জেলা ভিজতে পারে?

    Weather Update: দুর্গাপুজো শুরুর আগে শেষ রবিবার, রাজ্যের কোন কোন জেলা ভিজতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টি আর জলাধার থেকে ছাড়া জলে রাজ্যের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এর পর আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতে শুরু করে। বহু জায়গায় জল নামতে শুরু করে। কিন্তু ফের নিম্নচাপের কারণে রাজ্য জুড়ে (West Bengal) বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাঙালির সব চেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। সেই উৎসব (Durga Puja) শুরুর আগে শেষ রবিবার। অনেকেই শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার পরিকল্পনা করেছেন। এই আবহে জেনে নিন এদিন আবহাওয়া কেমন থাকবে? রাস্তায় বেরিয়ে কি ভিজতে হবে? কী বলছে আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর?

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টি? (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নিম্নচাপ (Weather Update) শক্তি হারালেও সক্রিয় রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ভাগে শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। যা সংলগ্ন উত্তর বাংলাদেশের ওপরেও বিস্তৃত। এছাড়া আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর অন্ধপ্রদেশ উপকূল এলাকায়। এর জেরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে কলকাতা-সহ সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলাতে। উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি, মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে।

    আরও পড়ুন: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    আবহাওয়া দফতরের আঞ্চলিক অধিকর্তা কী বললেন?

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের আঞ্চলিক অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত পুজোর আগে কিছুটা আশার কথা শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, রবিবার রাজ্য জড়ে বৃষ্টি হলেও সোমবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে। সোমবার থেকে শুক্রবার ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। মূলত আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কোনও কোনও জেলায় দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে, পুজোর সময় আম বাঙালি উৎসবে মাততে পারবেন বলেই আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Electricity: প্রদীপের আলো, গ্যাসবাতি থেকে বিদ্যুৎ! কলকাতায় প্রথম আলো জ্বলে ওঠার ইতিহাস জানেন কি?

    Electricity: প্রদীপের আলো, গ্যাসবাতি থেকে বিদ্যুৎ! কলকাতায় প্রথম আলো জ্বলে ওঠার ইতিহাস জানেন কি?

    হরিহর ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার বুকে তখনও আলো (Electricity) আসেনি। লোডশেডিং-এর গল্প তখনও অজানা। তখন সন্ধ্যা নামতেই সর্বত্র অন্ধকার ঘুলঘুলি। রাস্তাগুলিতে আলোর লেশমাত্র থাকত না বিকেলের পর থেকে। ঊনিশ শতক শুরুর আগে শহরের রাস্তায় কোনও পথ-বাতি ছিল না। সন্ধ্যা নামলেই দরজা বন্ধ হত গৃহস্থের। কলকাতায় তখনও আলো ছিল না, আলো থাকলেও সন্ধ্যাবেলা শুধুমাত্র গৃহস্থের বাড়িতে রেড়ির বীজের তেলে প্রদীপ জ্বলত। পরে, শহরে এল গ্যাসবাতি। তারপর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, লন্ডনের পর কলকাতা শহরে জ্বলল আলো।

    মশাল ভরসা (Electricity)

    কলকাতার (Kolkata) রাস্তা জুড়ে তখন অন্ধকারের মালা। সন্ধ্যার অন্ধকার নামলেই সব যেন নিস্তব্ধ, নীরব। তা বলে কি রাতে কারোর বাইরে বেরোনোর দরকার পড়ত না? তখন উপায় কী হত! পাটকাঠির ওপর মশাল জ্বেলে নিতেন বাড়ির পুরুষ সদস্যরা। সাধারণত কেউ অসুস্থ হলে বা কেউ বিপদে পড়লে প্রয়োজন পড়ত এই মশালের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনেকজন একসঙ্গে বের হতেন, নইলে মশাল হয়ে উঠত সন্দেহের কারণ।

    গ্যাসবাতির আলো জ্বলত কলকাতায়

    কলকাতার আগে যে শহরের রাস্তায় আলো জ্বলে (Electricity) উঠেছিল, সেটা হল লন্ডন। ১৮০৭ সালে লন্ডনের রাস্তায় প্রথম গ্যাসবাতির আলো জ্বলে। ১৮২২ সালের ২২শে মার্চ একটি বাংলা দৈনিকে প্রথম লন্ডনের রাস্তায় আলো জ্বলার খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে লেখা হয়-“ইংলণ্ড দেশে নল দ্বারা একপ্রকার কল তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বায়ু নির্গত হয়ে রাত্রিকে আলোকিত করে।” দৈনিক পত্রিকাটির খবর কলকাতা শহরে আলোড়ন সৃষ্টি করে। তবে, আলোড়নের ফলাফল পেতে সময় লেগেছিল প্রায় পঞ্চাশ বছর। ১৮৫৭ সালের জুলাই মাসে কলকাতার রাস্তায় আলো আসে। সে আলো ছিল গ্যাসবাতির আলো। শোনা যায়, কলকাতা পুরসভার মুটে সন্ধ্যা হতে না হতেই মই নিয়ে ল্যাম্পপোস্টে উঠত, তারপর ভালো করে কাপড় দিয়ে মুছে গ্যাস ভরত, তারপর দেশলাই দিয়ে আলো জ্বালাত। রাস্তার ঝলমলে দিনের গল্প শুরু তখন থেকেই। আলো জ্বালাতে ব্যবহার করা হত কয়লার গ্যাস। সেই গ্যাস আসত ওরিয়েন্টাল গ্যাস কোম্পানি থেকে। পরে, পাইপলাইনের মাধ্যমে উচ্চবিত্তের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছিল গ্যাসবাতি। আর এই যাত্রা শুরু হয়েছিল মূলত শোভাবাজার রাজবাড়ি থেকে।

    গ্যাসবাতিকে হারিয়ে শহরে এল বিদ্যুৎ

    গ্যাসবাতির একচেটিয়া রাজত্বে হানা দেয় বৈদ্যুতিক বাতি। প্রথম বিদ্যুতের আলো (Electricity) এল ১৮৭৯ সালের ২৪ জুলাই। পি ডব্লু ফ্লিউরি অ্যান্ড কোম্পানি এ শহরে প্রথম বিদ্যুতের আলো জ্বালে। বছর দুয়েক পরে ১৮৮১ সালের ৩০ জুন গার্ডেনরিচের কটন মিলে ৩৬টি বাল্ব জ্বালায় ‘দে শীল অ্যান্ড কোম্পানি’। এ সবই চলছিল পরীক্ষামূলকভাবে। বড় পরিবর্তনটা এল আর কয়েক বছর পরে। ততদিনে টমাস আলভা এডিসনের সৌজন্যে ইংল্যান্ড ও আমেরিকার ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বলতে শুরু করেছে। তখন ১৮৮৯ সাল। বৈদ্যুতিক বাতির রমরমা শুরু হয় তারপর থেকে। ১৮৯৯ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে কলকাতা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। কলকাতায় প্রথম যে রাস্তা বৈদ্যুতিক আলোর সংস্পর্শে এসেছিল, তা হল হ্যারিসন রোড বর্তমানে যা মহাত্মা গান্ধী রোড। প্রায় তিন বছর ধরে এই রাস্তায় আলো বসানোর কাজ চলেছিল। ১৮৯৫ সালে ক্যালকাটা ইলেকট্রিক লাইটিং অ্যাক্ট পাশ করেছিল তদানীন্তন ব্রিটিশ সরকার। তারপর বৈদ্যুতিক আলোকে আজ পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৮৯৭ সালের ৭ জানুয়ারি একুশ বছরের জন্য শহরকে আলোকিত করার লাইসেন্স পেয়েছিল ইন্ডিয়ান ইলেকট্রিক কোম্পানি লিমিটেডের এজেন্ট কিল্বার্ণ অ্যান্ড কোম্পানি। কোম্পানির কাজকর্ম অবশ্য চলত লন্ডন থেকেই। মধ্য কলকাতার প্রিন্সেপ স্ট্রিটের কাছে ইমামবাগ লেনে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করা হয়।

    লন্ডনের মতো এই শহরে ছিল বিদ্যুতের দাম

    তখন কলকাতায় বিদ্যুতের (Electricity) দাম ছিল লন্ডনের মতোই। প্রতি ইউনিট এক টাকা। বিদ্যুত এসে কলকাতাকে অনেকটা বদলে দেয়। হাত পাখার জায়গা নেয় ইলেকট্রিক ফ্যান। ঘোড়ায় ট্রানা ট্রামের বদলে শুরু হয় বিদ্যুৎচালিত ট্রাম। কিন্তু, তখনও অনেকে বিদ্যুতের বদলে গ্যাসবাতির পক্ষে রায় দেন। ১৯১৩ সালে কলকাতা শহরে বসে ঘরোয়া ভোটাভুটির আসর। গুরুসদয় রোডের নাম তখন ছিল বালিগঞ্জ স্টোর রোড। সেখানে, গ্যাসবাতি নাকি বিজলিবাতি, এ নিয়ে হয় ভোটাভুটি। তাতে বিজলিবাতি হেরে যায়। উজ্জ্বলতা এবং খরচের দিক থেকে গ্যাসবাতি অনেকের পছন্দ। কিন্তু, তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। কারণ,  ততদিনে সকলে এটাও বুঝে যান, কলকাতা শহরে নতুন যুগ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিদ্যুতের যুগ। রবীন্দ্রনাথের কথায় “কেরোসিনের আলো পরে যখন এল তার তেজ দেখে আমরা অবাক।” ১৯৩৩ সালে সিইএসসি-র সদর দফতর কলকাতায় চলে আসে। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস। পরবর্তীকালে, কলকাতা শহরতলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। গ্রামে গ্রামে পৌঁচ্ছে যায় বিদ্যুৎ। কলকাতা শহরে গ্যাস বাতি আসার পর খুব বেশিদিন রাজত্ব করতে পারেনি। তবে, কলকাতা শহরে বিদ্যুৎ আসার পর শতাধিক বছর ধরে এই শহরের রাজপথ আলোকিত করার দায়িত্ব নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মহালয়ায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৭ জেলায়, মাসের প্রথম সপ্তাহে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Weather Update: মহালয়ায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৭ জেলায়, মাসের প্রথম সপ্তাহে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে বঙ্গপোসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের (Weather Update) কারণে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছিল গোটা রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা এই বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। একই ভাবে উত্তরবঙ্গের পাহাড় এবং তরাই অঞ্চলেও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হয়েছে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব কেটে যাওয়ায় আপাতত স্বস্তি। একই ভাবে রাজ্যে দুর্গাপুজোর আগে আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। মহালয়া (Mahalaya) থেকে তেমন কোনও পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত না থাকলেও  এদিনেই আবার উত্তরবঙ্গের ৩ জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিক এমনিই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    উত্তরের তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা (Weather Update)

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি (Weather Update) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়া সংক্রান্ত তেমন কোনও সতর্কতা জারি হয়নি। কিন্তু কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছিল। একই ভাবে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তিস্তার জলে বিপদ সংকেত বেড়েছে। কিন্তু বর্তমানে দুর্যোগ কেটে গিয়েছে। কিন্তু সোমবার থেকেই পাহাড়ের আকাশ ছিল ঝলমলে। কিন্তু তবুও বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রপাত সহ ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিংম্পয়ে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। এই জেলাগুলিতে জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। সেই সঙ্গে উত্তরের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    দক্ষিণের ৪ জেলায় বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

    মঙ্গলবার দক্ষিণের চার জেলায় বৃষ্টিপাতের (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলির মধ্যে হল উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলা। তবে আগামী রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বর্ষণের তেমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেশ থেকে বর্ষা ইতিমধ্যে বিদাই নিতে শুরু করেছে। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে বাতাসে অল্প অল্প করে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কমতে শুরু করবে এবং সেই সঙ্গে এই মাসের শেষ থেকেই আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে শীতের আগমন ঘটবে।

    আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোতে গভীর রাতেও মিলবে মেট্রো, জানুন চতুর্থী থেকে একাদশীর সময়সূচি

    মহালয়ার দিনে কেমন তাপমাত্রা থাকবে?

    মঙ্গলবার ২ অক্টোবর হল মহালয়া (Mahalaya)। পিতৃপুরুষের উদ্দেশে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে স্মৃতি তর্পণ করা হবে। পিতৃপক্ষ থেকে দেবী পক্ষের সূচনা হবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ থাকবে রোদ ঝলমলে (Weather Update)। কিন্তু আবার আংশিক মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, দুএক জায়গায় বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩.৮ ডিগ্রি বেশি হবে। একই ভাবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৭ ডিগ্রি বেশি থাকবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কলকাতাকে ‘পরম রুদ্র সুপার কম্পিউটার’ উপহার মোদির, সহজ হবে জটিল গবেষণা

    PM Modi: কলকাতাকে ‘পরম রুদ্র সুপার কম্পিউটার’ উপহার মোদির, সহজ হবে জটিল গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কাছ থেকে পরম রুদ্র সুপার কম্পিউটার উপহার পেল কলকাতা। একই ধরনের সুপার কম্পিউটার দেওয়া হয়েছে পুণে এবং দিল্লিতেও। জানা গিয়েছে, জাতীয় সুপার কম্পিউটিং মিশনের আওতায় ১৩০ কোটি টাকা খরচে এই তিনটি সুপার কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ২৬ সেপ্টেম্বর এই তিনটি সুপার কম্পিউটার উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কম্পিউটারগুলি বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। জানা যাচ্ছে, কলকাতার সত্যেন্দ্রনাথ বোস সেন্টারে পরম রুদ্র কম্পিউটার ব্যবহার করে পদার্থবিদ্যা, সৃষ্টিতত্ত্ব সমেত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গবেষণা চালানো হবে। এদিন একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আবহাওয়া এবং জলবায়ু গবেষণায় সাহায্যকারী হাই পারফরম্যান্স কম্পিউটিং সিস্টেমেরও উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে ৮৫০ কোটি টাকা।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)?

    বৃহস্পতিবার সুপার কম্পিউটারগুলি লঞ্চ করার সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং গবেষণার ক্ষেত্রে এটা ভারতের জন্য এক উল্লেখযোগ্য দিন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপর জোর দিচ্ছে ভারত। আমাদের ইঞ্জিনিয়ার এবং বিজ্ঞানীরা সফলভাবে তিনটি পরম রুদ্র সুপারকম্পিউটার তৈরি করেছেন। এখন কলকাতা, দিল্লি এবং পুনেতে এগুলিকে মোতায়েন করা হয়েছে। আমি (PM Modi) এই কৃতিত্বের জন্য সমস্ত ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং এটি ভারতের যুবদের উৎসর্গ করছি। তারা দেশীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তির অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’’

    কী কী কাজ করবে এই সুপার কম্পিউটার (PM Modi)

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরম রুদ্র সিস্টেমগুলি (Param Rudra Supercomputers) অত্যাধুনিক হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্পের বেশিরভাগ সরঞ্জাম ভারতেই তৈরি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। হাই-স্পিড কম্পিউটেশন এবং সিমুলেশনের জন্য এই সুপার কম্পিউটারগুলিকে নকশা করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে জলবায়ুর মডেল তৈরি, রাসায়নিক আবিষ্কার, পদার্থ বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা— একাধিক বিষয়ে গবেষণা চালাতে সক্ষম হবে এই কম্পিউটারগুলি। শুধু তাই নয়, গবেষকদের যে কোনও জটিল সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করবে এই কম্পিউটারগুলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Semiconductor Plant: কলকাতায় হবে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট, বাইডেনের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা মোদির

    Semiconductor Plant: কলকাতায় হবে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট, বাইডেনের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩ দিনের মার্কিন সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi-Biden)। তিনি কোয়াড সম্মেলনে যোগদান করবেন। একই ভাবে রাষ্ট্রপুঞ্জে দেবেন বিশেষ ভাষণ। এই সফরের প্রথম দিনের সম্মেলনের আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন মোদি। বৈঠকে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট (Semiconductor Plant) কলকাতায় গড়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ফলে রাজ্যে হাজার হাজার যুবক-যুবতীর কর্মসংন্থান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজ্যের জন্য আশার আলো দেখাতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রতিরক্ষা চুক্তি (Semiconductor Plant)

    রাজ্যে বড়সড় শিল্প গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের। খোদ কলকাতায় তৈরি হবে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট (Semiconductor Plant)। ভারতের সেমি-কন্ডাক্টর মেশিনে ভারত সেমি, থার্ডআইটেক এবং ইউএস স্পেস ফোর্সের অংশীদারিত্বে সেমি-কন্ডাক্টর প্ল্যান্ট তৈরি করা হবে। মোবাইল হোক বা ক্যামেরা, কিংবা ল্যাপটপ, টিভি—এই যন্ত্রগুলিকে সচল রাখে এক বিশেষ ধরনের ‘চিপ’ বা ‘মাইক্রোচিপ’। এই চিপ তৈরির জন্য সেমি-কন্ডাক্টর দরকার। গ্লোবাল ফাউন্ডারিজ় নামে এক সংস্থা এই কাজ করবে। ইনফ্রারেড, গ্যালিয়াম নাইট্রাইড এবং সিলিকন কার্বাইড সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা থাকবে প্রধান উদ্দেশ্য। আমেরিকা সফরে গিয়ে মোদি, সেই দেশের প্রেসিডেন্টের (Modi-Biden) সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। দুই দেশের প্রধানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আমেরিকা থেকে ৩১টি জেনারেল অ্যাটোমিকস এমকিউ-৯বি ড্রোন কিনবে ভারত। এই সামগ্রী নিরাপত্তা কাজে সেনাবাহিনী ব্যবহার করবে। একই ভাবে সুপার হারকিউলিস এয়ারক্রাফ্ট কেনা নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মণ্ডপে যেন হামলা না হয়! দুর্গা পুজোর আগে দাবি পেশ বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনের

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যে ভারতকে সমর্থন বাইডেনের

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রক থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ভারত-মার্কিন দুই দেশের মধ্যে বৈশ্বিক রণনীতির অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে কীভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে (Semiconductor Plant) আরও মজবুত করা যায়, সেই নিয়ে ইতিবাচক কথা হয়েছে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরে কীভাবে দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনা যায়, সেবিষয়ে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক স্তরে সামধান নিয়ে মতামত রাখা হয়েছে। দ্রুত স্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে উভয় দেশ নজর রেখে চলেছে। একই ভাবে ভারতকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের উদ্যোগকে আমেরিকা সমর্থন জানাবে। এবিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Modi-Biden)। তিনি রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধকে থামাতে ভারতের ভূমিকাকেও প্রশংসা করেছে। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদির পোল্যান্ড এবং ইউক্রেন সফরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেণ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital: আরজি কর তৈরির জন্য ভিক্ষা করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর

    RG Kar Hospital: আরজি কর তৈরির জন্য ভিক্ষা করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর

    হরিহর ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (RG Kar Hospital) ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় এখন সারা বাংলা-তথা দেশ তোলপাড়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ পথে নেমে এর সুবিচারের দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তু, এই হাসপাতালের সৃষ্টি এবং স্রষ্টার ইতিহাস জানেন কি? সম্পূর্ণ কাহিনি শুনলে অবাক হবেন। জানা যায়, এই হাসপাতাল তৈরি করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর।

    কে এই রাধাগোবিন্দ কর? (RG Kar Hospital)

    বেলগাছিয়া (Kolkata) থেকে দমদম বাড়ি বাড়ি সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়াতেন এক ডাক্তার। মাথায় একটা টুপি আর সাইকেলে ঝোলানো ক্যামবিসের ব্যাগ। রোগী দেখাই শেষ নয়, নানা ভাবে সহযোগিতা এমনকী ওষুধ কেনার পয়সাও দিচ্ছেন তিনি। সেই ডাক্তারবাবুর নাম রাধাগোবিন্দ কর। আরজি  কর হাসপাতালের (RG Kar Hospital) স্রষ্টা তিনি। সারা বাংলার মানুষের চিকিৎসার সুবিধার্থে একজন ডাক্তার সারাটা জীবন লড়াই করেছেন। হাওড়া জেলার রামরাজাতলা স্টেশন থেকে সামান্য দূরত্বে বেতড়ের বিখ্যাত কর বাড়ি তাঁর জন্মভিটে। ১৮৫০ সালের ২৩ অগাস্ট তাঁর জন্ম। জানা যায়, বাবা দুর্গাদাস কর ছিলেন অবিভক্ত বাংলায় মেডিক্যাল অফিসার। তিনি ঢাকা মিডফোর্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর রাধাগোবিন্দ কর কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করার পর চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাঠ গ্রহণের জন্য ১৮৮০ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। ১৮৮৩ সালে ডাক্তারি পড়তে কলকাতা ছেড়ে স্কটল্যান্ডে পাড়ি দেন তিনি। ১৮৮৭ সালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিদ্যার শ্রেষ্ঠ অলংকারে ভূষিত হলেন তিনি। এমআরসিপি হয়ে বিদেশে ডাক্তারি করার সুযোগ থাকলেও তিনি ফিরে এলেন এই বাংলায়। একজন বিলেত ফেরত ডাক্তার হয়ে বাংলার অসহায় গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।

    হাসপাতাল তৈরির জন্যে ভিক্ষা!

    এদেশের মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন রাধাগোবিন্দ কর। হাসপাতালের অর্থ সংগ্রহ করতে সে সময় এই বিলেত ফেরত ডাক্তার ভিক্ষা পর্যন্ত করেছেন। তখনকার দিনে কলকাতার বড়লোকদের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা করেছেন। বড়লোক বাড়িতে কোনও আনন্দ-অনুষ্ঠান হলে সেই বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন, হাত পেতে ভিক্ষা চাইতেন তিনি। চিকিৎসক হিসেবে অর্জিত অর্থের সমস্তটাই দান করে গিয়েছেন মেডিক্যাল স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপনে।

    আরজি কর হাসপাতাল তৈরির আদি কথা

    ১৮৯৮ সালে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে বেলগাছিয়ায় ১২ বিঘে জমি কিনে নেন রাধাগোবিন্দ কর। এরপর সেখানেই ৭০ হাজার টাকা খরচ করে গড়ে তোলেন হাসপাতাল (RG Kar Hospital)। ঠিকানা, ১ নম্বর বেলগাছিয়া রোড। শয্যাসংখ্যা ৩০। হাসপাতাল পরিদর্শন করতে এসে প্রিন্স অ্যালবার্ট ভিক্টর দান করেন ১৮ হাজার টাকা। এই বিপুল পরিমাণ টাকা সাহায্য করার জন্য হাসপাতালের নাম রাখা হয় ‘অ্যালবার্ট ভিক্টর হাসপাতাল’। ১৯০৪ সালে এই হাসপাতালের সঙ্গে মিশে যায় কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জেনস অব বেঙ্গল। তারও ১০ বছর পর মেলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন। তখন নামকরণ হয় বেলগাছিয়া মেডিক্যাল কলেজ। ১৯১৬ সালের ৫ জুলাই সেই কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন লর্ড কারমাইকেল। তাই তাঁর সম্মানে আবারও বদলে যায় এই চিকিৎসা কেন্দ্রের নাম। দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত নাম ছিল কারমাইকেল। ১৯১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৬৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাধাগোবিন্দ কর। মৃত্যুর সময় তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। শুধু ছিল বেলগাছিয়ায় তাঁর একটি বাড়ি। সেই বাড়িটিও তিনি উইল করে দিয়ে যান এই মেডিক্যাল কলেজের নামে। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের উদ্যোগে রাধাগোবিন্দ করের নামেই কলেজের নাম রাখা হয় ‘আরজি কর’। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫৮ সালের ১২ মে এটি গ্রহণ করে।

    রাধাগোবিন্দ কর ও নিবেদিতা

    ১৮৯৯ সালে কলকাতা জুড়ে প্লেগ মহামারির আকার নেয়। সেই সময়ে উত্তর কলকাতার অলিতে গলিতে ঘুরে রোগীদের সেবা করছেন ভগিনী নিবেদিতা। আর বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর সাইকেলে করে এলাকা চষে বেড়ান। বেশিরভাগ রোগীই গরিব। পথ্য কেনারই পয়সা নেই, তার ওপর আবার ডাক্তাবের ফিস। রোগী দেখার সঙ্গে সঙ্গে দরকার হলে রোগীদের পথ্য কেনার টাকাও দিচ্ছেন বিলেত ফেরত ডাক্তারবাবু। এর কিছুদিন পরই নিবেদিতার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। প্লেগ সংক্রমণ রুখতে এবং মৃত্যুর হার কমাতে দু’জনে মিলে একসঙ্গে কাজ করেছেন তাঁরা। ডাক্তারি পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাতে চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপর একাধিক বইও লিখেছেন। যা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

    এখন আরজি কর হাসপাতাল

    বর্তমানে ১৫ একর জুড়ে বিস্তৃত ১২১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল (RG Kar Hospital) কমপ্লেক্সে ১০টি ভবন এবং সাতটি হস্টেল রয়েছে। ২০১৫ সালে শতবর্ষ উদযাপনের সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন, এই মেডিক্যাল কলেজকে এক সময় অনেকে অবজ্ঞা করত। কারণ, তখন বেলগাছিয়াকে কলকাতা শহরের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হত না। তাই, এই মেডিক্যাল কলেজকে খালের কলেজ বলা হত। জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালে এমবিবিএস, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করা হয়। বিএসসি নার্সিং, প্যারামেডিক্যাল শাখায় আরও কয়েকটি কোর্সের জন্য আসন রয়েছে। বিলেত থেকে ফিরে এদেশের মানুষের জন্য যে হাসপাতাল তৈরির চারাগাছ তিনি লাগিয়েছিলেন, আজ তা বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata: ভরদুপুরে রাজাবাজারে হানা, কলকাতায়ও শত্রু সম্পত্তি সমীক্ষা শুরু কেন্দ্রের

    Kolkata: ভরদুপুরে রাজাবাজারে হানা, কলকাতায়ও শত্রু সম্পত্তি সমীক্ষা শুরু কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ছেড়ে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়া ব্যক্তিদের সম্পত্তি দখল করতে মাঠে নামল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। গোটা দেশ থেকে সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই সম্ভব হচ্ছিল না। এবার কলকাতায় (Kolkata) শুরু হল এনিমি প্রপার্টি (Enemy Property Survey) বা শত্রু সম্পত্তির সমীক্ষা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ এনিমি প্রপার্টি ডিপার্টমেন্ট এই সমীক্ষার শুরু করল। এই প্রথমবার এমন সমীক্ষা হচ্ছে। বুধবার ভরদুপুরে রাজাবাজারে এরকমই একটি সম্পত্তিতে হানা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে সমীক্ষা (Kolkata)  

    জানা গিয়েছে, কলকাতার (Kolkata)  রাজাবাজারের ১৭০ নম্বর কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিটে এই সমীক্ষা চলছে। প্রায় ৪৪ কাঠা জমির উপরে দীর্ঘদিন ধরেই বসবাস করছেন ৭০০০ বাসিন্দা। রয়েছে ২৫টি দোকান। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর এখানকার অনেক নাগরিকই এই সম্পত্তি ছেড়ে পাকিস্তানে চলে যান। তাঁরা কেউ এই সম্পত্তি দাবি না করায়, তা এনিমি প্রপার্টি ডিপার্টমেন্টের অধীনস্থ হয়ে যায়। বুধবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই ব্যাটেলিয়ন জওয়ান এনে এই সমীক্ষা শুরু করেছে এনিমি প্রপার্টি ডিপার্টমেন্ট। জানা গিয়েছে, রাজাবারের বহুতলটিতে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি তলে অনেকে বসবাসও করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা বলেন, “এই সম্পত্তিটি এনিমি প্রপার্টি। তাই দেশের আইন অনুসারে এটি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সম্পত্তি। ফলে এবার থেকে এখানে থাকতে গেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে ভাড়া দিতে হবে। সম্পত্তিটি নিয়ে একটি মামলা ছিল। যা সম্প্রতি মিটেছে। তাই আমরা সম্পত্তির দখল নিতে এসেছি। এই সম্পত্তিতে অনেক জবরদখলকারী রয়েছেন। তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে কথা বলছি। আপাতত আমরা এই ভবনের বাসিন্দাদের নাম নথিভুক্ত করতে এসেছি।”

    আরও পড়ুন: সব দাবি না মানা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন, গভীর রাতে ঘোষণা জুনিয়র ডাক্তারদের

    এনিমি প্রপার্টি কী?

    দেশ ভাগের পর যারা পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন, তাঁদের মালিকানাধীন ভারতীয় সম্পত্তি বণ্টনের বৈধকরণ ও নিয়ন্ত্রণের আইন হল শত্রু সম্পত্তি আইন ১৯৬৮। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর এই আইন পাশ করা হয়েছিল। এই আইন অনুযায়ী, ভারত সরকার এই সম্পত্তির মালিক হবে। শত্রু আইনে যদি সম্পত্তির মালিকানা ‘শত্রু’র কাছে থেকে যায়, তবে সম্পত্তির অধিকার ও মালিকানা (Kolkata) কাস্টডিয়ান বা হেফাজতকারীর হাতে থাকে। আসল মালিকের অনুপস্থিতিতে কাস্টডিয়ান বা বসবাসকারী এই জমি বা সম্পত্তি ভাগাভাগি বা বিক্রি করতে পারে। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ৪ হাজার ৩০১টি এই ধরনের সম্পত্তি রয়েছে, যেগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রপার্টি ডিপার্টমেন্টের অধীনস্থ। দেশজুড়ে প্রায় ১২ হাজার এই ধরনের সম্পত্তি রয়েছে। সবথেকে বেশি এই ধরনের সম্পত্তি রয়েছে উত্তর প্রদেশে। ৫৩৬১টি এনিমি প্রপার্টি বা শত্রু সম্পত্তি রয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে দিতে হবে মাসিক ভাড়া

    জানা গিয়েছে, কলকাতায় (Kolkata)  ৯৬টি এনিমি প্রপার্টি রয়েছে। সারা রাজ্যে প্রায় ৪৫০০ এই ধরণের সম্পত্তি রয়েছে। সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণে এনে তার থেকে আয়ের রাস্তা খুঁজছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, এর আগেও একদিন বাড়িটিতে এসেছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা। সেদিন তাঁদের বাধা দেন স্থানীয়দের একাংশ। তাই বুধবার আধাসেনা ও কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের নিয়ে বাড়িটিতে হানা দেন তাঁরা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, এবার থেকে এই বাড়িতে থাকতে গেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বেঁধে দেওয়া মাসিক ভাড়া দিয়ে থাকতে হবে। তবে কেউ চাইলে সম্পত্তি কিনতেও পারেন। সম্পত্তির বাজারমূল্য ১ কোটি টাকার কম হলে উপযুক্ত নথি দেখিয়ে সম্পত্তি কেনার জন্য আবেদন করতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Dharna: ধর্না শেষ, লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি, নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    BJP Dharna: ধর্না শেষ, লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি, নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার (Kolkata) ধর্মতলায় ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির (BJP Dharna) ধর্না কর্মসূচি শেষ হলেও আন্দোলনের ময়দান ছাড়ছে না বিজেপি। মাঝে একটা দিন বাদ। ১৮ তারিখ থেকে ফের পথে নামছে বঙ্গ গেরুয়া ব্রিগেড। জানা গিয়েছে, আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে রাস্তার কর্মসূচিকে পুজোর মুখ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে চলেছে রাজ্য বিজেপি।

    বিজেপির লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা (BJP Dharna)

    ২৯ অগাস্ট থেকে ধর্না (BJP Dharna) কর্মসূচি শুরু করে বিজেপি। ধর্মতলায় প্রতিবাদ-অবস্থান শুরু হয় তাদের। তার আগে শ্যামবাজারে ছিল পাঁচদিনের কর্মসূচি। এবার, ধর্না শেষ হওয়ার পর ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির। জানা গিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর পথসভা শুরু হবে বিজেপির। চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিটি ওয়ার্ডে পথসভা করবেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। পঞ্চায়েত এলাকায় দু’ থেকে তিনটি করে পথসভা করবে বিজেপি। এক কোটি সই সংগ্রহ করে তা বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে সাংসদ ও বিধায়করা তুলে দেবেন রাজ্যপালের হাতে। ২৫ সেপ্টেম্বর ‘হাজরা চলো’ কর্মসূচি বিজেপির। ‘থানা সাফাই’ অভিযানেরও ডাক দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। ঝাঁটা আর গঙ্গাজল দিয়ে ২৩ তারিখ এই অভিযান করবে দলের মহিলা মোর্চা। এছাড়া ২৩ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি রেল স্টেশনে সভা করার ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ তারিখ ‘কালীঘাট চলো’-র ডাক দেওয়া হয়েছে। ওই দিন হাজরা মোড়ে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জ্বলবে না উনুন! আজ পালিত হচ্ছে অরন্ধন উৎসব, জানুন রান্না পুজোর তাৎপর্য

    সরকার উৎখাতের দাবি

    শ্যামবাজারের পরে ধর্মতলায় টানা ধর্না (BJP Dharna) কর্মসূচির শেষ দিনে সোমবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ঘোষণা, “ধর্না হয়তো শেষ হল। কিন্তু যত ক্ষণ না বিচার পাচ্ছি, তত ক্ষণ আমারা রাস্তাতেই থাকব। আমরা রাজ্যপালের কাছে ১ কোটি সই মাথায় নিয়ে যাব। ৩৫৬ বা ৩৫৫ যাই হোক, আপনি এই সরকারকে উৎখাত করুন।”

    নবান্ন অভিযানের ডাক মিঠুনের

    ধর্না-মঞ্চে (BJP Dharna) উপস্থিত হয়ে এ দিনই অভিনেতা তথা রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী আবার এক ধাপ এগিয়ে নবান্ন অভিযানের ডাক দিলেন। প্রয়োজনে বুক পেতে গুলি খাওয়ার জন্য প্রত্যেককে প্রস্তুত হতে বললেন! তিনি বলেন, “আবার নবান্ন অভিযান হবে। আমি সেই অভিযানে থাকব। আর এই অভিযান ব্রিজের কাছে থেমে যাবে না। নবান্নের ১৪ তলায় গিয়েই থামবে! ওরা এর আগে জল কামান চালিয়েছে, কাঁদানে গ্যাস চালিয়েছে। এ বার হয়তো গুলি চালাবে। আত্মাহুতি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন! আমরা থাকব সামনের সারিতে। দেখি কত গুলি চালাতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সক্রিয় ইডি, কলকাতা ও জেলায় বালু-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি!

    Enforcement Directorate: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সক্রিয় ইডি, কলকাতা ও জেলায় বালু-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রেশন দুর্নীতি (Enforcement Directorate) মামলায় ফের তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ইডি। আরজি কর হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, হাসপাতালে আর্থিক বেনিয়মের একাধিক মামলার তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঠিক এই আবহের মধ্যেই কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ফের রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ময়দানে নেমে পড়েছে ইডি। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন যাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ওরফে বালু-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তাই এই অভিযানে শোরগোল পড়েছে।

    বাকিবুর ঘনিষ্ঠের বাড়িতে হানা (Enforcement Directorate)

    জানা গিয়েছে, কলকাতা, কল্যাণী, জয়নগর, মেদিনীপুর সহ মোট ৭ জায়গায় ইডি শুক্রবার তল্লাশি চালিয়েছে। কলকাতার এক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় তদন্তকারী সংস্থা। একই ভাবে ভবানীপুর থানা এলাকার চক্রবেড়িয়া সাউথ এলাকার বাসিন্দা লোহা সাউ নামে এক রেশন ডিলারের বাড়ি ঘিরে তল্লাশি চালানো হয়। এদিকে নদিয়ার কল্যাণী-এ ব্লকে এক ফুড ইন্সপেক্টরের বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি বাকিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর-কাণ্ডে রাজ্যের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ, ‘শিক্ষারত্ন’ সম্মান ফেরাচ্ছেন মুর্শিদাবাদের শিক্ষক

    দেগঙ্গাতে একটি সমবায় সমিতিতে হানা

    আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের বহড়ুবাজারে একটি চালের গোডাউনে হানা দেয় ইডি (Enforcement Directorate)। বাইরে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ি ঘিরে রাখে, এরপর ভিতরে চলে তল্লাশি। একই ভাবে দেগঙ্গাতে একটি সমবায় সমিতিতে হানা দেয় ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় প্রথমে গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। এরপর তাঁকে জেরা করায় উঠে আসে প্রাক্তন মন্ত্রী বালুর নাম। একই ভাবে রেশনের গম, চাল, আটা পাচার করে প্রচুর পরিমাণে কালো টাকা সাদা করার গুরুতর অভিযোগ সামনে এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সঙ্গে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের নাম উঠে এসেছে। এরপর সন্দেশখালিতে তল্লাশি করতে গেলে তদন্তকারী অফিসারদের উপর আক্রমণ করে দুষ্কৃতীরা। একে একে বিরাট কুকীর্তি ফাঁস হওয়ায় চরম চাপের মুখে তৃণমূল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share