Tag: lashkar-e-taiba

lashkar-e-taiba

  • Amir Hamza Shot: লাহোরে ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ আততায়ীর গুলিতে ঝাঁঝরা লস্করের সহ প্রতিষ্ঠাতা হামজা

    Amir Hamza Shot: লাহোরে ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ আততায়ীর গুলিতে ঝাঁঝরা লস্করের সহ প্রতিষ্ঠাতা হামজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে গুলিবিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা (Amir Hamza Shot in Lahore)। অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। লাহোরে একটি খবরের চ্যানেলের দফতরের বাইরে গুলিবিদ্ধ হয় হামজা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আততায়ীদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি। লাহোরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে হামজাকে। হাফিজ সইদের সঙ্গে মিলে লস্কর-ই-তৈবার প্রতিষ্ঠা করে হামজা। একাধিক নাশকতায় নাম জড়িয়েছে তার। ভারতে জঙ্গি হামলাতেও তার সংযোগ পাওয়া যায়।

    কে এই আমির হামজা?

    ভারতের কাছে আমির হামজা (Amir Hamza)এক পরিচিত নাম। ১৯৮৭ সালে হাফিজ সইদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সে লস্কর-ই-তৈবা তৈরি করেছিল। ভারতের উপর একাধিক হামলার নেপথ্যেও এই হামজা। এই কুখ্যাত জঙ্গির রয়েছে আফগান যোগও। আশির দশকে আফগান মুজাহিদিনদের দলে লড়াই করেছিল হামজা। ১৯৭৯ সালে আফগান যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যকলাপে হাতেখড়ি হয় তার। পরে পাকিস্তানে ফিরে এসে সন্ত্রাসবাদে মগজ ধোলাইয়ের কাজ শুরু করে। সে লস্করের প্রকাশনা ‘মাজাল্লা আল-দাওয়া’-র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিল। ২০০২ সালে চরমপন্থী ভাবধারা ছড়িয়ে দিতে ‘কাফিলা দাওয়াত অর শাহাদাত’ নামে একটি বইও লিখেছিল সে। আমেরিকার ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় হামজার নাম রয়েছে। লস্করের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থেকে তহবিল সংগ্রহ এবং নতুন জঙ্গি নিয়োগের ক্ষেত্রে সে ছিল মাস্টারমাইন্ড। ২০১২ সালে আমেরিকা হামজাকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করে এবং তাকে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

    নতুন জঙ্গি গোষ্ঠী ও কাশ্মীর যোগ

    ২০১৮ সালে যখন পাকিস্তানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ে, তখন লোকদেখানো হিসেবে লস্কর ও তার শাখা সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়। সেই সময় লস্কর থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে আমির হামজা ‘জইশ-ই-মনকাফা’ (Jaish-e-Manqafa) নামে একটি নতুন দল গড়ে তোলে। অভিযোগ, এই দলের মাধ্যমে সে কাশ্মীর উপত্যকায় নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল। ভারতীয় গোয়েন্দাদের দাবি, লস্করের মূল নেতৃত্বের সঙ্গে হামজার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং সে অবাধে পাকিস্তানে ঘুরে বেড়াত।

    পাকিস্তানে সক্রিয় অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা

    পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালার বাসিন্দা হামজা ২০০০ সালের আশপাশে ভারতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। ২০০৫ সালে বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সে যে হামলা হয়, তাতে তার হাত ছিল। এর আগে, ২০২৫ সালেও হামজার উপর হামলা হয়। সেবার বাড়িতেই তার উপর হামলা হয় বলে জানা যায়। লস্করের আবু সইফুল্লার মৃত্যুর পর পরই ওই ঘটনা ঘটে। সইফুল্লাকেও গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা। এমন পরিস্থিতিতে আবার ‘আননোন গানম্যানের’ প্রসঙ্গ উঠে আসছে। প্রশ্ন পাকিস্তানে আর সেটা হলে আবার খারাপ অবস্থা হবে পাকিস্তানের জঙ্গিদের। আবার কি পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে অ্যাক্টিভ হল ‘আননোন গানম্যান’? আর সেটা যদি সত্যি হয়, তাহলে কিন্তু ইসলামাবাদের কপালে আরও দুঃখ আছে। এর আগেও এই ‘আননোন গানম্যান’ অনেক জঙ্গিকে নিকেশ করেছে। এখন আবার সেই ট্রেন্ড চালু হতে পারে।

    কীভাবে হামজার উপর হামলা

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, লাহোরে একটি নিউজ চ্যানেলের অফিসের বাইরে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা হামজাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। আমির হামজার ওপর এই হামলা পাকিস্তানের মাটিতে লস্কর নেতৃত্বের জন্য বড়সড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের মাটিতে একের পর এক ভারত-বিরোধী জঙ্গি নেতার রহস্যজনক মৃত্যু বা হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামজার ওপর এই হামলা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ কিনা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বর্তমানে হাসপাতাল চত্বর ঘিরে রেখেছে পাক সুরক্ষা বাহিনী। হামলার দায় এখনও পর্যন্ত কোনও গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হামলার শিকার হয়েছে হামজা। গত বছর মে মাসে লাহোরে তার বাসভবনের বাইরে অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা কুখ্যাত জঙ্গিকে গুলি করে। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ ওই জঙ্গির নিরাপত্তা জোরদার করে বলে জানা যায়।

    ভয় পাচ্ছে পাকিস্তান! কারা চালাল গুলি? 

    পাকিস্তানে গত দুবছরে অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হাতে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত বারো জন জেহাদি। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এরা প্রত্যেকেই ছিল ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড লিস্টে। এই ঘটনায় প্রশ্ন তুলে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে। সেখানে বলা হয়, মোসাদের ধাঁচে ২০১৯ সাল থেকে মোট ২০ জঙ্গিকে নিকেশ করেছে ‘র’। তবে এই অভিযোগ একেবারে উড়িয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তবে সাম্প্রতিক কালে বিগত কয়েক মাসে পাকিস্তানে একের পর এক লস্কর, জইশ বা খলিস্তানি জঙ্গিদের ওপর একই কায়দায় হামলা হয়েছে। প্রতিবারই নাম জড়িয়েছে সেই রহস্যময় ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ ঘাতকদের। হামজার ওপর এই হামলা কি সেই ধারাবাহিতাকারই অঙ্গ? নাকি কোনও অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য।

  • Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফের বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করল নিরাপত্তাবাহিনী। দিল্লি পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ দিল্লির সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি-কমান্ডার শাব্বির আহমেদ লোনকে। অভিযোগ, বাংলাদেশে (Bangladesh) বসেই ভারতে হামলা চালানোর ছক কষেছিলেন শাব্বির (Shabbir Ahmad Lone)। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে দিল্লি পুলিশে বিশেষ শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শাব্বির ওরফে রাজা ওরফে কাশ্মীরি আসলে শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশে ভারত-বিরোধী জঙ্গি ক্রিয়াকলাপ পরিচালনাই ছিল তার উদ্দেশ্য।

    বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের। অভিযোগ, বাংলাদেশে বসে সেখানকার তরুণদের লস্করের জঙ্গি হিসেবে নিয়োগ করত লোন। ভারতে যে বাংলাদেশের নাগরিকেরা বেআইনি ভাবে বসবাস করত, তাঁদেরও সন্ত্রাসের কাজে লাগানো হত। দিন কয়েক আগে লস্করের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ, গোয়েন্দা। ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিল। সূত্রের খবর, ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় দেশ-বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। সেই গোষ্ঠীর সূত্র ধরেই লোনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ

    গোয়েন্দাদের সূত্র বলছে, দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ রয়েছে লোনের। মুজফ্‌ফরাবাদে জঙ্গি শিবিরে তার প্রশিক্ষণ হয়েছিল বলেও খবর। ‘দওড়া-এ-আম’ (প্রাথমিক) এবং ‘দওড়া-এ-খাস’ (উচ্চ পর্যায়ের)— দু’ধরনের প্রশিক্ষণই তার হয়েছিল। ২০০৭ সালে অস্ত্র-সহ লোনকে প্রথম বার গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার কাছে ছিল একে-৪৭-এর মতো অস্ত্রও। আধিকারিকেরা জানিয়েছিলেন, লস্করের কমান্ডার জাকি-উর-রহমান লাকভি, জামাত-উদ-দাওয়া এবং ২৬ নভেম্বরের মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদের সঙ্গে যোগ ছিল তার। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহাড় জেলে ছিল লোন। তার পরে জামিনে ছাড়া পায়।

    তিহাড় থেকে বাংলাদেশে

    গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, তিহাড় থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশে চলে যায় শাব্বির। সেখানে লশকরের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। সদস্যদের নিয়ে ভারতে হামলার ছক কষতে থাকে। পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে থাকে সে। সম্প্রতি লস্করের এক নয়া মডিউলের হদিশ পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। দিল্লি থেকে দক্ষিণ ভারত পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা এই সন্ত্রাসী মডিউলটি দিল্লি ও কলকাতার বহু জায়গায় ভারত বিরোধী পোস্টারও সাঁটায়। যেখানে কাশ্মীরের বুরহান ওয়ানি থেকে পাকিস্তানের উল্লেখ ছিল। এহেন জঙ্গির গ্রেফতারি নিঃসন্দেহে দিল্লি পুলিশের বিরাট সাফল্য। অনুমান করা হচ্ছে দিল্লি ও তার আশপাশ এলাকায় লোনের একাধিক সঙ্গী এখনও সক্রিয় তাদের সন্ধানে শুরু হয়েছে তল্লাশি। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশ দিল্লিতে বড় জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল লোন। যদিও তার আগেই গোয়েন্দা বিভাগের তৎপরতায় গ্রেফতার হল ভয়ঙ্কর এই জঙ্গি।

    পুলিশের জালে শাব্বির

    তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, শুধু জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা নয় লস্করের নয়া এই মডিউলে সদস্য বাড়ানোরও দায়িত্ব ছিল লোনের উপর। ভারতে অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশিদের জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করত সে। এখন তাকে জেরা করছে পুলিশ। ভারতে কোথায় কোথায় তাদের হামলার ছক ছিল, সঙ্গে কারা ছিল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে খবর। এখন লোনকে জেরা (interrogation) করে গোটা চক্রের খোঁজ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি— নিয়োগের পথ (recruitment channels), অর্থের উৎস (funding routes) ও সম্ভাব্য টার্গেট (targets) সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় তার আরও কতজন সহযোগী লুকিয়ে আছে তা জানতে তদন্তকারী সংস্থাগুলো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাজা বাংলাদেশে বসে ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতে, লস্করের এই ভারত বিরোধী চক্রান্ত চলছিল। রাজার মূল কাজ ছিল ভারতে হামলার জন্য বাংলাদেশিদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে নিয়োগ করা। পাকিস্তানের নাম এই আক্রমণে যাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে সেজন্যই এই ব্যবস্থা। এই বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই ভারতে বসবাস করত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা সময়মতো ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

    পহেলগাঁও-হামলার অনুরূপ হামলা!

    উল্লেখ্য, গত বছর এপ্রিলের ২২ তারিখ পহেলগাঁও-তে জঙ্গি আক্রমণ হয়। সাধারণ পর্যটকদের উপরে গুলি করা হয়। সেই আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন এবং গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন ২০ জন। তদন্তে জানা যায়, পরোক্ষভাবে হলেও এই আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিল লস্কর-ই-তইবা। তার সঙ্গে শাব্বিরের যোগ রয়েছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলতি বছর এপ্রিলে ফের এই ধরনের হামলার ছক কষছে কি না জঙ্গিরা, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। চেষ্টা চলছে গোটা লস্করের খবর জানার। ভারতে আর কোথায় কোথায় এই জঙ্গি সংগঠন ঘাঁটি তৈরি করেছে, কী ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশে জঙ্গি আক্রমণ কবে কোথায় হতে পারে ইত্যাদি জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

  • Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    Lashkar-e-Taiba Attack: ২৬/১১-র ধাঁচে সামুদ্রিক পথে জঙ্গি হামলার হুমকি লস্করের! পশ্চিম উপকূলে বাড়ল নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আবারও জঙ্গি হামলা চালানো হবে! যে ঘটনা মনে করাবে ২৬/১১-এর ভয়ঙ্কর স্মৃতি। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র (Lashkar-e-Taiba) ডেপুটি চিফ সইফুল্লাহ কাসুরির একটি বিতর্কিত ভিডিও বার্তা ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভিডিওতে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ২৬/১১-র ধাঁচে (Lashkar-e-Taiba Attack) সামুদ্রিক পথে বড়সড় জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছে। ২০০৮ সালের সেই হামলায় জঙ্গিরা আরব সাগর পেরিয়ে মুম্বইয়ে ঢুকে একাধিক স্থানে নৃশংস আক্রমণ চালিয়েছিল। ফলে এবারও সমুদ্রপথ ব্যবহার করে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

    ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”

    ভিডিও বার্তায় কাসুরি দাবি করেছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তান “আকাশে আধিপত্য” দেখিয়েছে এবং ২০২৬ সালে তারা “সমুদ্রে আধিপত্য” প্রতিষ্ঠা করবে। তার কথায়, স্থল, জল ও আকাশ— কোনও ক্ষেত্রেই ভারতের জন্য নিরাপদ স্থান থাকবে না। কাসুরি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেয় এবং সাম্প্রতিক ভারতীয় সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওে সংঘটিত জঙ্গি হামলার নেপথ্য কারিগর হিসেবেও কাসুরির নাম উঠে এসেছে। ওই ঘটনার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়, যেখানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। ভিডিওতে কাসুরি মুরিদকে ও বহাওয়ালপুরে ভারতের জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাসুরি। এই দুই স্থানকে দীর্ঘদিন ধরেই লস্কর-ই-তৈবার কার্যকলাপের কেন্দ্র বলে মনে করা হয়। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে “জল সন্ত্রাস”-এর অভিযোগ তোলে এবং কাশ্মীরে চাপ বাড়ালে অন্যত্র অশান্তি ছড়ানোর হুমকিও দেয় লস্করের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। এমনকী,  ভারতীয় ধর্মীয় স্থানগুলিও সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন— যা নিয়ে নিরাপত্তা মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    পশ্চিম উপকূলে কড়া নজরদারি

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল বাণিজ্যনগরী। মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের পাশাপাশি ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, ওবেরয় ট্রাইডেন্টের মতো আটটি জায়গায় হামলা চালায় আজমল কসাব ও তার দলবল। ২০২ সালের ২১ নভেম্বর কসাবের ফাঁসি হয়। এই হামলার অন্যতম চক্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি আমেরিকায় ৩৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে। এই হামলায় নিহত হন ১৬৪ জন মানুষ। আহত হন তিনশো’রও বেশি। জানা গিয়েছিল, করাচি থেকে সমুদ্র পার করে মুম্বই এসে হামলা চালায় ১০ পাক জঙ্গি। হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba Attack) যোগ ছিল। ভারত বরাবরই অভিযোগ করে এসেছে যে পাকিস্তানের কিছু গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দেয়। যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। কাসুরির বক্তব্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। সম্ভাব্য সামুদ্রিক হুমকির প্রেক্ষিতে ভারতের পশ্চিম উপকূলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা অতীতের অনুপ্রবেশ রুটগুলিতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। যদিও গোয়েন্দাদের মতে, এই হুমকির কিছু অংশ প্রচারমূলকও হতে পারে, তবু কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।

  • Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার (Tahawwur Rana) নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা (Canada)। কয়েক দিনের মধ্যেই ভারত সফরে আসার কথা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির। তাঁর সেই সফরের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে কানাডা তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের তোড়জোড় করছে। বর্তমানে ভারতে বন্দি রয়েছেন রানা। কানাডা সরকারের এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোও হয়েছে তাঁকে। বছর চৌষট্টির রানা জন্মেছিলেন পাকিস্তানে। পরে কানাডীয় নাগরিকত্ব নেন। ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির ঘনিষ্ঠ সহযোগী। হেডলি মার্কিন নাগরিক।

    রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Canada)

    গ্লোবাল নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ রানার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ এনেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০০১ সালে কানাডীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় রানা তাঁর বসবাস ও ভ্রমণ সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য দিয়েছিলেন। রানা দাবি করেছিলেন যে, তিনি আগের চার বছর অটোয়া ও টরন্টোয় বসবাস করেছেন—যা অভিবাসন কর্তাদের মতে অসত্য। তিনি আরও জানান যে, তিনি কানাডার বাইরে মাত্র ছ’দিন ছিলেন, অথচ জানা গিয়েছে, তিনি শিকাগোয় বসবাস করছিলেন। সেখানে সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর (Canada)। অভিবাসন বিভাগ কথিত জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের বিষয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে। এখন আদালতের হাতেই রানার কানাডীয় নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে। বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন (Tahawwur Rana) হলে রানা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাগরিকত্ব হারাবেন বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    রানা বর্তমানে তিহার জেলে

    চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনার পর পাক-বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যবসায়ী রানা বর্তমানে তিহার জেলে আটক রয়েছেন, যেখানে তদন্তকারীরা তাঁকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ১০ এপ্রিল তাঁকে আমেরিকা থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়। এর আগে ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করলে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছিল। প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে রানা সব ধরনের আইনি সুযোগ ব্যবহার করেছিলেন, যার ফলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হয়। সব আইনি পথ শেষ হলে তাঁকে ভারতে পাঠানো হয় এবং বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয় (Canada)।

    তদন্তকারীরা মামলার তদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখছেন, যার মধ্যে রানা ও সহ-অভিযুক্ত ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির মধ্যে হওয়া বহু টেলিফোন কথোপকথনের প্রমাণও রয়েছে। হেডলি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাজা ভোগ করছেন (Tahawwur Rana)। রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি হেডলি, লস্কর-ই-তৈবা, হরকত-উল-জিহাদি ইসলামি-সহ পাকিস্তানভিত্তিক অন্য সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলে মুম্বইয়ে প্রাণঘাতী হামলার (Canada) পরিকল্পনা করেছিলেন।

     

  • Lashkar-e-Taiba: “কখনও কাশ্মীর মিশন থেকে সরে আসব না”, হুমকি লস্করের, মুখে বাংলার প্রসঙ্গও

    Lashkar-e-Taiba: “কখনও কাশ্মীর মিশন থেকে সরে আসব না”, হুমকি লস্করের, মুখে বাংলার প্রসঙ্গও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন ‘সিঁদুরে’র ক্ষত এখনও পুরোপুরি শুকোয়নি পাকিস্তানের। ভারতের সফল সামরিক অভিযানের পর ফের প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিল জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba)। ২০২৫ সালের ৭ মে ভারতের চালানো নির্ভুল সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় এই হুমকি দিয়েছে পাক মদতপুষ্ট এই জঙ্গি সংগঠন। লস্কর-ই-তৈবার সহকারী প্রধান এবং কুখ্যাত জঙ্গি হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সইফুল্লা কাসুরি (Terrorist Saifullah) সম্প্রতি হাজার হাজার সমর্থকের সামনে উসকানিমূলক ভাষণ দেয়। ওই বক্তব্যে সে কাশ্মীর থেকে শুরু করে হায়দরাবাদ ও জুনাগড় পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন ভূখণ্ডের ওপর ‘অধিকার’ দাবি করে।

    কাসুরির হুঁশিয়ারি (Lashkar-e-Taiba)

    উসকানিমূলক ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে কাসুরি বলে, “অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত বড় ভুল করেছে। কারণ তারা শুধু জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকেই নিশানা করেছে।” বক্তব্যের শেষের দিকে সে আরও উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করে বলে, “আমার শেষ কথা… আমাদের লোকেরা শুনুক, বাইরের লোকেরা শুনুক, বন্ধুরা শুনুক, শুনুক শত্রুরাও।” নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বক্তব্য ফের একবার প্রমাণ করছে যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলি ভারতের সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্যে গভীরভাবে বিচলিত এবং পরিস্থিতি অশান্ত করে তুলতে পরিকল্পিতভাবে উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করছে।

    সইফুল্লার ‘কাশ্মীর মিশন’

    যারা জঙ্গি সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং তাদের কাজকর্ম প্রকাশ্যে আনে, সইফুল্লা সরাসরি তাদের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তার দাবি, গোটা বিশ্বের ব্যবস্থাই বদলে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) কখনও তাদের তথাকথিত ‘কাশ্মীর মিশন’ থেকে সরে আসবে না। তার এই বক্তব্যকে ভারতের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হুমকি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সে কাশ্মীর ইস্যুর গায়ে ধর্মের রং লাগানোর চেষ্টাও করেছে। কাশ্মীর প্রসঙ্গকে সে ‘প্রথম কিবলার মুক্তি’র সঙ্গে তুলনা করে, যা মূলত জেরুজালেমের প্রতি ইঙ্গিত করে (Terrorist Saifullah)। সইফুল্লা বলে, “যারা আমাদের সন্ত্রাসবাদী বলে এবং আমাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপায়, তারা যেন মন দিয়ে শোনে, কাশ্মীর ও প্যালেস্তাইনকে মুক্ত করার মিশন থেকে আমরা কখনওই পিছু হটব না।”

    সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেওয়া হচ্ছে

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে (Lashkar-e-Taiba)। শুধু হুমকি দেওয়ায়ই সীমাবদ্ধ থাকেনি সইফুল্লা। তার দাবি, ভারত কাশ্মীর, অমৃতসর, হোশিয়ারপুর, গুরুদাসপুর, জুনাগড়, মানাবদর, হায়দরাবাদ দাক্ষিণাত্য এবং এমনকি বাংলার মতো একাধিক অঞ্চল দখল করে নিয়েছে। সইফুল্লার অভিযোগ, এই সমস্ত এলাকাই নাকি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল এবং ব্রিটিশ ও হিন্দুদের একটি তথাকথিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সেগুলি পাকিস্তানের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে (Terrorist Saifullah)।

    সইফুল্লার দাবি ভিত্তিহীন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সইফুল্লার এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং ঐতিহাসিক সত্যের পরিপন্থী। একে উসকানিমূলক প্রচার হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Lashkar-e-Taiba)। নিজের বক্তব্যে সইফুল্লা নিজেকে ও তার সংগঠনকে ‘শান্তিপ্রিয়’ বলে তুলে ধরার চেষ্টা করে। অথচ বাস্তবে লস্কর-ই-তৈবা বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে পরিচিত এবং ভারত-সহ একাধিক দেশে নিষিদ্ধ এই সংগঠন (Terrorist Saifullah)।

     

  • Amir Hamza: পাকভূমে আক্রান্ত লস্করের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা! গুরুতর অবস্থায় লাহোরের হাসপাতালে ভর্তি

    Amir Hamza: পাকভূমে আক্রান্ত লস্করের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা! গুরুতর অবস্থায় লাহোরের হাসপাতালে ভর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুতর আহত অবস্থায় লাহোরের সামরিক হাসপাতালে ভর্তি লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) সহ প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা (Amir Hamza)। নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হয়েছে ভারতের হিটলিস্টে থাকা এই জঙ্গি। তবে কীভাবে হামজা আহত হল তা স্পষ্ট নয়। প্রথমে খবর আসে নিজের বাড়িতেই গুলিবিদ্ধ হয়েছে সে। পরে জানা যায়, ‘রহস্যজনক’ভাবে পড়ে গিয়েছে। তবে গুরুতর আহত হয়েছে হামজা। তিনদিন আগে পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধ প্রদেশে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল লস্কর জঙ্গি আবু সইফুল্লা। এরপর আরও এক শীর্ষ লস্কর জঙ্গি আহত হওয়ায় রহস্য ঘনীভূত হতে শুরু করেছে।

    হাফিজ সইদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হামজা

    লস্কর প্রধান হাফিজ সঈদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হামজা (Amir Hamza)। যে ১৭ জন মিলে লস্করের প্রতিষ্ঠা করে, তাদের মধ্যে অন্যতম হামজা। সংগঠনের প্রধান আদর্শবাদী হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব সামলাচ্ছে। লস্করের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্যও ছিল একসময়। হাফিজের নির্দেশে অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখত হামজা। পাকিস্তানের (Pakistan) পঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালা শহরের বাসিন্দা এই আমির হামজা। ২০১২ সালে একে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করে আমেরিকা। মার্কিন গোয়েন্দারা জানায়, লস্করের যে সেবা সংস্থা, তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিল হামজা। পাশাপাশি, লস্করের ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টেরও মাথায় ছিল সে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, লস্করের প্রচারিত পত্রিকাগুলির সম্পাদক হামজা নিজের বাড়িতেই মঙ্গলবার গুরুতর আহত হয়। এরপর আইএসআই-এর নিরাপত্তায় লাহোরের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে।

    কে এই হামজা

    আফগানিস্তান যুদ্ধে একসময় সশস্ত্র যোদ্ধার ভূমিকায় ছিল হামজা (Amir Hamza)। সেই সময় আফগান মুজাহিদিনের অংশ ছিল সে। সেখানে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াই করে হামজা। পরবর্তীতে হাফিজের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লস্করের প্রতিষ্ঠা করে। রিপোর্ট বলছে, ২০০০ সাল নাগাদ ভারতে ব্যাপকভাব সক্রিয় ছিল এই সন্ত্রাসবাদী। ২০০৫ সালে বেঙ্গালুরুতে জঙ্গি হামলায় সইফুল্লার সহযোগী ছিল হামজা। ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত লস্করের (Lashkar-e-Taiba) প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর দায়িত্ব ছিল এর উপর। ২০১৮ সালে লস্কর এবং জামাত-উদ-দাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির পরই হাফিজের কথায় ‘জইশ-ই-মানকাফা’ নামে নতুন এক সংগঠন তৈরি করে হামজা। এই ঘটনায় অনেকের অনুমান ছিল, হয়ত লস্করে ভাঙন ধরেছে। যদিও পরে জানা যায় গোটাটাই ছিল মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার এক পন্থা।

  • Reasi Terror Attack: জড়িত স্থানীয় এক গাইডও! রিয়াসিতে হামলার দায় স্বীকার পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি-গোষ্ঠীর

    Reasi Terror Attack: জড়িত স্থানীয় এক গাইডও! রিয়াসিতে হামলার দায় স্বীকার পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি-গোষ্ঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের রিয়াসিতে (Reasi Terror Attack) পুণ্য়ার্থী বোঝাই বাসে হামলার ঘটনায় জড়িত ৪ বিদেশি জঙ্গি। জঙ্গিদের সঙ্গে জড়িত ছিল স্থানীয় এক গাইডও, অনুমান তদন্তকারীদের। কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) পুণ্যার্থীদের বাসে হামলার ঘটনায় জড়িত জঙ্গিদের ধরতে জোরালো তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। রিয়াসি জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই হামলার তদন্তভার ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে তুলে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

    ঘটনায় জড়িত ৪ বিদেশি জঙ্গি

    জম্মু কাশ্মীরের রিয়াসিতে পুণ্য়ার্থী (Reasi Terror Attack) বোঝাই বাসে হামলার ঘটনায় জড়িত ৪ বিদেশি জঙ্গি। ওই জঙ্গিরা সীমান্ত পেরিয়েই এদিকে এসেছে বলে খবর। তদন্তকারীরা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে দজানতে পেরেছে ওই জঙ্গিদের সঙ্গে জড়িত ছিল স্থানীয় এক গাইডও। বাসে হামলার সময় ওই ৪ জঙ্গি ছাড়াও আরও ২ জন জঙ্গি তাদের সঙ্গে ছিল। এক স্থানীয় গাইড তাদের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করেছিল। তদন্তে জানা গেছে, বাসটি খাদে পরে যাওয়ার পরও এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়েছিল জঙ্গিরা। এলাকায় এখনও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ তল্লাশি অভিযান চলছে। 

    ঘটনার দায় স্বীকার

    সূত্রের দাবি, এই ঘটনায় মনে করা হচ্ছে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার যোগ রয়েছে। রিয়াসিতে (Reasi Terror Attack) হামলার দায় স্বীকার করেছে, পাকিস্তানি মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট  বা টিআরএফ। এটি পাক জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর তৈবারই শাখা, ভারতে একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। ওই জঙ্গি সংগঠন ভবিষ্যতেও এমন ঘটনা ঘটিয়ে যাবে বলে হুমকি দিয়েছে। তাদের তরফে এক বার্তায় বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) পর্যটকদের উপর এমন হামলা চলতেই থাকবে।  রিয়াসি হামলা দিয়ে তা শুরু। এই বার্তা পেয়ে ভূস্বর্গে অত্যন্ত সক্রিয় হয়েছে এনআইএ। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা জঙ্গিদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘যুদ্ধ করতে বাধ্য করছে পাকিস্তান’’! কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার তদন্তে এনআইএ

    চলছে তল্লাশি অভিযান

    রবিবার সন্ধ্যায় রিয়াসি (Reasi Terror Attack) জেলায় একটি মন্দির থেকে ফেরা পুণ্যার্থীদের বাসে হামলা চালায় জঙ্গিরা। বাসটি যখন শিব খোরি মন্দির থেকে বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের বেস ক্যাম্পের দিকে ফিরছিল, তখন ঘটনাটি ঘটে। জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা পুণ্যার্থীদের বাস লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। বাসচালক গুলিবিদ্ধ হওয়ায় ভারসাম্য হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন ৩৩ জন। ওই হামলায় জড়িত জঙ্গিদের খুঁজে বার করতে ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকা তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখা হচ্ছে। কাছের জঙ্গলে জঙ্গি ডেরা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল)-র একটি দলও এই অভিযানে যোগ দিয়েছে। এলাকায় এলাকায় চলছে নাকা চেকিং। মনে করা হচ্ছে, গত মাসে রাজৌরি এবং পুঞ্চ (Jammu and Kashmir) এলাকায় হামলার ঘটনাতেও যুক্ত ছিল এই জঙ্গিরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: এনআরসি চালু হলে ঠাকুরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে! ‘লস্কর-ই-তৈবা’র হুমকি চিঠি শান্তনুকে

    Shantanu Thakur: এনআরসি চালু হলে ঠাকুরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে! ‘লস্কর-ই-তৈবা’র হুমকি চিঠি শান্তনুকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে যদি এনআরসি চালু হয় তাহলে মতুয়াদের ঠাকুরবাড়িকে উড়িয়ে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ঠাকুরবাড়ির সব সদস্যকেও হত্যা করা হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে (Shantanu Thakur) এমনই হুমকি চিঠি পাঠিয়েছে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা। সেই চিঠি সামনে আসতে দেখা গিয়েছে এমন হুমকির ভাষা। সোমবার দুপুর নাগাদ ডাক মাধ্যমে এই চিঠি পান শান্তনু ঠাকুর। যদিও সেই চিঠিটি হাতে লেখা হয়নি। পরিষ্কার বাংলা ভাষায় সেটিকে টাইপ করা হয়েছে।

    কী লেখা রয়েছে চিঠিতে?

    ছাপা হরফে সেখানে লেখা হয়েছে, ‘‘শান্তনুবাবু (Shantanu Thakur) আশা করি ভাল আছেন। আপনাকে জানাচ্ছি যে, পশ্চিমবঙ্গে যদি এনআরসি হয় এবং এনআরসি-র কারণে মুসলমানদের উপর কোনও অত্যাচার হয় তা হলে পশ্চিমবঙ্গ তথা সারা ভারত জ্বলবে। আপনাদের ঠাকুর বাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে। ঠাকুরবাড়ির কাউকে বাঁচতে দেওয়া হবে না। লস্কর-ই-তৈবার নাম শুনেছেন তো। আমরা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য।’’

    কোথা থেকে এল এমন হুমকি চিঠি?

    প্রসঙ্গত, এই হুমকি চিঠি যেখান থেকে পাঠানো হয়েছে তা ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এনেছেন শান্তনু ঠাকুর নিজেই। ওই চিঠি অনুযায়ী উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দেগঙ্গার হাজিপুর গ্রাম থেকে ওই হুমকি চিঠি পাঠানো হয়েছে। যে দুজন ব্যক্তি তা পাঠিয়েছে, তাদের নাম লেখা রয়েছে নজরুল ইসলাম সাহেব আলি এবং ফজর আলি।

    চলছে বারুনি মেলা

    বর্তমানে মতুয়া সমাজের মধ্যে চলছে বারুনি মেলা। মতুয়া সমাজে এটি অত্যন্ত পবিত্র উৎসব মানা হয়। এই মেলাকে কেন্দ্র করে ঠাকুরনগরে হাজার হাজার ভক্তের ভিড় লেগেই রয়েছে। এই আবহে এমন হুমকি চিঠি আসায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তার। গতমাসের ১২ তারিখে লাগু হয়েছে সিএএ। এখনও ১ মাস পেরোয়নি, তারই মধ্যে লোকসভা ভোটের আগে এমন হুমকি চিঠিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে আলোচনা।

     

    আরও পড়ুুন: “এটা আপনাদের টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের মানসিকতার প্রতিফলন”, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Unknown Gunmen: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের হানায় পাকিস্তানে খতম লস্কর জঙ্গি হাবিবুল্লা

    Unknown Gunmen: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের হানায় পাকিস্তানে খতম লস্কর জঙ্গি হাবিবুল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বন্দুকবাজদের (Unknown Gunmen) হামলায় মৃত্যু হল পাকিস্তানের এক লস্কর জঙ্গির। জানা গিয়েছে, হাবিবুল্লা নামের ওই সন্ত্রাসবাদী, যে কিনা ভোলা খান ওরফে খান বাবা নামেও পরিচিত ছিল, লস্কর-ই-তৈবার রিক্রুটমেন্ট সেলে কাজ করত।

    উরি-পুলওয়ামা হামলায় জড়িত

    শনিবার সন্ধ্যায়, অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের (Unknown Gunmen) হামলায় সে নিহত হয়। অসমর্থিত সূত্রের খবর, খাইবার পাখতুনখোয়া জেলার টঙ্ক এলাকায় হাবিবুল্লা তার বেশ কয়েকজন সহযোগী সমেত কোথাও একটা যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন বন্দুকবাজ তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহত লস্কর-ই-তৈবার এই সন্ত্রাসবাদী পুলওয়ামা এবং উরি, এই দুই জায়গাতেই সেনাবাহিনীর উপর যে ভয়ঙ্কর হামলা হয়, তাতে অভিযুক্ত ছিল। জানা যাচ্ছে, হাবিবুল্লা ছিল ইমরান খানের দল পিটিআই-এর নেতা তথা প্রাক্তন পাক সাংসদ দাবর খান কুন্দির আত্মীয়।

    ২৩তম জঙ্গি নিকেশ

    জানা গিয়েছে, হাবিবুল্লার হত্যার খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ছুটে আসে ওই জায়গায়। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, হাবিবুল্লার মৃত্যু হল পাকিস্তানে ২৩তম জঙ্গি নিকেশের ঘটনা। পাকিস্তানে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের (Unknown Gunmen) হাতে সন্ত্রাসবাদীদের মৃত্যুর ঘটনা বেশ কয়েক মাসে বেড়েই চলেছে। এবার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়াতে ঘটল ফের সন্ত্রাসবাদীদের ওপর হামলা। পাকিস্তানে জেলবন্দি এক জঙ্গির খাবারে দিন কয়েক আগে বিষ মেশানো হয়। ওই ঘটনার একমাস না যেতেই ফের বন্দুকবাজদের হামলায় সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুর খবর সামনে এল।

    সম্প্রতি গুলি করে হত্যা করা হয় আদনান নামের জঙ্গিকে

    কয়েকদিন আগেই আদনান আহমেদেরকে নিকেশ করা হয়। সে ছিল হাফিজ সঈদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ২৬/১১ এর মূল চক্রী হল হাফিজ সঈদ। আদনানকে বাড়ির সামনেই গুলি করা হয়। প্রসঙ্গত, গতকাল সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে পোস্ট হতে থাকে যে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ১৯৯২ সালের মুম্বই বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড দাউদ ইব্রাহিমের। রবিবার পাকিস্তানের ইন্টারনেট (Unknown Gunmen) মাঝখানে বন্ধ হয়ে গেলে এটি আরও বৃহত্তর আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: ‘‘পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের আখড়া, যেমন কর্ম করবে, তেমনই ফল ভুগবে’’, সাফ জানাল ভারত

    Pakistan: ‘‘পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের আখড়া, যেমন কর্ম করবে, তেমনই ফল ভুগবে’’, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর থেকেই পাকিস্তানে (Pakistan) জঙ্গিদের রহস্যমৃত্যু একপ্রকার রুটিন হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তানের দাবি একাজ করছে ভারতের গোয়েন্দারা। এবার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিল নয়া দিল্লি। নয়া দিল্লি ইসলামাবাদকে সাফ জানিয়ে দিল, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের আখড়া! সন্ত্রাসবাদের যে বীজ পাকিস্তান বপন করেছে, তার ফল তাদেরকেও ভুগতে হবে।

    পাকিস্তানের দাবি

    আন্তার্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের (Pakistan) বিদেশ মন্ত্রকের সচিব মহম্মদ সাইরাস সাজ্জাদ কাজি দিন কয়েক আগেই দাবি করেন, গত বছর শিয়ালকোট এবং রাওয়ালকোটে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার দু’জন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়। এর সঙ্গে যুক্ত ভারতীয় গোয়েন্দারা। পাকিস্তানের হাতে ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ রয়েছে বলেও জানান কাজি। কাজির অভিযোগ আরও ছিল, পাকিস্তানের (Pakistan) ভিতরে অনৈতিক ভাবে ঢুকে অভিযান চালাচ্ছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

    কী বলছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক?

    পাকিস্তানের দাবি প্রসঙ্গে, বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আমরা পাকিস্তানের (Pakistan) বিদেশ মন্ত্রকের সচিবের কিছু মন্তব্য সংবাদমাধ্যমে দেখেছি। পাকিস্তানের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বিদ্বেষে ভরা। ভারত-বিরোধী প্রচার চালানোর এটি একটি নবতম পন্থা। সারা বিশ্ব জানে, পাকিস্তান দীর্ঘ দিন ধরে সন্ত্রাসবাদ, সংগঠিত অপরাধ এবং অবৈধ আন্তর্দেশীয় কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থল। পাকিস্তান যা বপন করবে, সেই ফসলই পাবে।’’ বিবৃতি দিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত এবং অন্যান্য অনেক দেশ প্রকাশ্যে পাকিস্তানকে এই বলে সতর্ক করেছে যে, সন্ত্রাস এবং হিংসার সংস্কৃতির কারণে তারা নিজেদেরই ক্ষতি করছে। ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানের নিজস্ব কর্মকাণ্ডের জন্য ভারতকে দোষারোপ করা কোনও যুক্তিযুক্ত সমাধান নয়। হুঁশিয়ারি দিয়ে বিদেশমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, পাকিস্তান যেমন কর্ম করবে, তেমনই ফল ভুগবে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share