Tag: lashkar-e-taiba

lashkar-e-taiba

  • Jammu & Kashmir: কাশ্মীরে গুলিবিদ্ধ বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, এনকাউন্টারে খতম ২ জইশ জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: কাশ্মীরে গুলিবিদ্ধ বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, এনকাউন্টারে খতম ২ জইশ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। কাশ্মীরে ফের আক্রান্ত এক বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই জম্মু-কাশ্মীরে এক পরিযায়ী শ্রমিকের উপরে গুলি চালায় জঙ্গিরা। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ওই শ্রমিক। হামলার পরেই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত ওই শ্রমিক বাঙালি। তাঁর নাম মুনিরুল ইসলাম। তাঁর বাবার নাম আবদুল করিম। এদিন সকালে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ওই বাঙালি শ্রমিকের উপরে গুলি চালায় জঙ্গিরা। পুলওয়ামার উগারগুন্ড এলাকায় জঙ্গিহামলার এই ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার সকালেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে ট্যুইটারে জানিয়েছে কাশ্মীর পুলিশ। যদিও তিনি এখন স্থিতিশীল আছেন।

    আরও পড়ুন: ফের এনকাউন্টার কাশ্মীরে! গুলির লড়াইয়ে খতম ৩ লস্কর জঙ্গি

    এছাড়াও গতকাল রাতেই উপত্যকায় ভারতীয় সেনা ও  জঙ্গির মধ্যে গুলির লড়াইয়ে এনকাউন্টারে খতম হয়েছে দুই জঙ্গি। জানা গিয়েছে, তারা জইশ-ই-মহম্মদ গোষ্ঠীর সদস্য। বুধবারে উত্তর কাশ্মীরের সোপোরের বোমাই নামক গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় এক নাগরিক ও এক জওয়ান আহত হয়েছেন। গত বুধবার বোমাই গ্রামে পুলিশ ও ভারতীয় সেনার জওয়ানদের এক যৌথ অভিযান চালানোর সময় দুজন জঙ্গিকে নিকেশ করেছেন। দুজন জঙ্গির মধ্যে একজনকে বোমাই গ্রামে ও একজনকে পুলওয়ামায় খতম করেছেন কাশ্মীর পুলিশ। জম্মু কাশ্মীর পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার ট্যুইট করে জানিয়েছেন,  নিকেশ করা হয়েছে দুই জঙ্গিকে। একজনের নাম মহম্মদ রফি ও অন্যজন পুলওয়ামার কাইজার আশ্রফ। তারা সম্প্রতি সোপোরে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করবে বলে পরিকল্পনা করছিল। এরপর গোপন সূত্রে জঙ্গির উপস্থিতির খবর পেয়েই ‌নিরাপত্তারক্ষীরা তল্লাশি অভিযান চালায়। এরপরেই জঙ্গিরা গুলি চালাতে শুরু করলে এনকাউন্টারে তাদের মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবারেও দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলায় লস্কর-ই-তৈবার তিন জঙ্গিকে সেনার গুলিতে নিকেশ করা হয়েছিল।  

     

  • New Pak PM Shehbaz Sharif: গদি রাখতে গেলে শেহবাজকে জিইয়ে রাখতেই হবে কাশ্মীর ইস্যু

    New Pak PM Shehbaz Sharif: গদি রাখতে গেলে শেহবাজকে জিইয়ে রাখতেই হবে কাশ্মীর ইস্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই শান্তির বুলি আওড়েছেন পাকিস্তানের (pakistan) নয়া প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (prime minister shehbaz sharif)। তবে আদতে তা কতটা কার্যকরী হবে, তা নিয়ে সন্দিহান কূটনৈতিক মহল। কারণ প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। পাল্টা টুইটে তিনিও মোদির সাফল্য কামনা করেছেন। এর পরেই শান্তির বার্তা দিয়েছেন শেহবাজ। যদিও উসকে দিয়েছেন কাশ্মীর ইস্যু। 

    পাক পার্লামেন্টে (Pakistan National Assembly) বিরোধীদের আনা অনাস্থায় (no confidence or trust vote) গোহারা হেরে যান পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Former Pak PM Imran khan)। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন শেহবাজ। তিনি পাকিস্তানের ২৩ তম প্রধানমন্ত্রী। ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরে পরেই তাঁকে টুইট করে শুভেচ্ছা জানান মোদি। তিনি লেখেন, ভারত চায় সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশে শান্তি এবং স্থায়িত্ব, যাতে করে আমরা উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারি। দেশবাসীর উন্নতি এবং সমৃদ্ধিও নিশ্চিত করতে পারি।
    মোদিকে পাল্টা টুইট করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রীও। তিনি লেখেন, জম্মু-কাশ্মীরের মতো বিতর্কিত ইস্যুগুলির শান্তিপূর্ণ সমাধানও অপরিহার্য। দেশবাসীর উন্নতি ও সমৃদ্ধিও যে নয়া পাক প্রধানমন্ত্রীর মূল ফোকাস, টুইটে তাও জানিয়ে দিয়েছেন শেহবাজ।

    [tw]


    [/tw]

    বস্তুত, কাশ্মীর ইস্যুই যে শেহবাজের মূল হাতিয়ার হবে, প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরেই তিনি তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এর কারণও রয়েছে। পাকিস্তানের সরকার ব-কলমে চালনা ও পরিচালনা করে সে দেশের সেনাবাহিনী এবং গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। শেহবাজ যে পাক প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন, তার পেছনেও সেনার একটা অদৃশ্য হাত রয়েছে। এই সেনাই জিইয়ে রাখতে চায় কাশ্মীর ইস্যু।

    কাশ্মীর ইস্যু জিইয়ে রাখতে পারলে আদতে লাভ সরকারেরই। কারণ, তখন দারিদ্র, অশিক্ষা, অপুষ্টির মতো জ্বলন্ত ইস্যুগুলির দিক থেকে পাক নাগরিকদের অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়া যাবে। তখন সরকার চলবে মসৃণ গতিতে। সেই কারণেই কাশ্মীর ইস্যুকেই হাতিয়ার করেন পাকিস্তানের সব প্রধানমন্ত্রীই। সেই কারণেই মুখে শান্তির বার্তা দিলেও, তলায় তলায় মদত দিতে থাকে লস্কর-ই-তৈবা (lashkar-e-taiba) সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে। তার জন্য কনকনে ঠান্ডায়ও হিংসার তাপে পোড়ে ভূস্বর্গ। বাতাস ভারী হয় বারুদের গন্ধে। আচমকাই লাশ হয়ে যান জলজ্যান্ত কোনও কাশ্মীরি।

     

  • Hafiz saeed: মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদের ৩১ বছরের জেল

    Hafiz saeed: মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদের ৩১ বছরের জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই হামলার (26/11 Mumbai attack) মূল ষড়যন্ত্রকারী হাফিজ সইদকে (hafiz saeed) ৩১ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল পাকিস্তানের সন্ত্রাসদমন আদালত (pakistan anti-terrorism court)। এই জঙ্গি নেতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং জামাত-উদ-দাওয়ার (Jamaat-ud-Dawa) সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছে পাকিস্তানের ওই আদালত। 
    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের (terrorist activities) দুটি মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে হাফিজকে। জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার (Lashkar-e-Taiba) প্রতিষ্ঠাতা হাফিজকে ৩ লক্ষ ৪০ হাজার পাকিস্তানি মুদ্রা জরিমানাও করেছে আদালত। পাকিস্তানে হাফিজের একটি মাদ্রাসা রয়েছে। রয়েছে আস্ত একটি মসজিদও। এই মাদ্রাসা ও মসজিদের দখল নিতেও প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
    হাফিজের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের অভিযোগ এই প্রথম নয়। ২০২০ সালেও তাকে একবার দোষী সাব্যস্ত করেছিল পাকিস্তানের আদালত। সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয় ২০১৯ সালে।  সন্ত্রাসবাদের একাধিক অভিযোগে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় মুম্বই হামলার এই মূল চক্রীকে। তবে সেটা যে নিছক আইওয়াশ ছিল, তা স্পষ্ট হয় সাজা দেওয়ার মাস কয়েক পরেই। কারণ হাফিজকে জেলের বাইরে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। সে দেশের একাধিক জনসভায়ও ভাষণ দিতে দেখা যায় লস্কর-ই-তইবার প্রতিষ্ঠাতাকে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হাফিজকে সেবার যখন গ্রেফতার করা হয়, তখন আমেরিকা সফর করছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বিশ্বের দরবারে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতেই হাফিজকে লোক-দেখানো গ্রেফতার এবং পরে সাজা দেওয়া হয়েছিল। 
    গতবছর বিশ্বসন্ত্রাসী (World terrorist) হাফিজের লাহোরের বাড়ির সামনে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। তার জেরেই এদিন তার সাজা ঘোষণা করা হয়। তার বিরুদ্ধে অন্য একটি মামলাও ছিল। সব মিলিয়ে এই দফায় তার সাজার মেয়াদ হয় ৩১ বছর। আমেরিকা আন্তর্জাতিক জঙ্গি হাফিজের মাথার দাম ঘোষণা করেছে ১০ মিলিয়ন ডলার।

LinkedIn
Share