Tag: lok sabha elections

lok sabha elections

  • Lok Sabha Elections: হারানো জমি ফিরে পেতে পুরনো সঙ্গী বিজেপির হাত ধরছে দেবগৌড়ার দল?

    Lok Sabha Elections: হারানো জমি ফিরে পেতে পুরনো সঙ্গী বিজেপির হাত ধরছে দেবগৌড়ার দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ভাল ফল করতে পারেনি জনতা দল সেকুলার (JDS)। অথচ সে রাজ্যে অন্যতম শক্তিশালী দল এইচডি দেবগৌড়ার এই দল। তার পর থেকে ক্রমেই বিজেপির (BJP) দিকে ঝুঁকছে দেবগৌড়ার দল। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections) বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়তে পারে জনতা দল সেকুলার।

    দেবগৌড়ার উপলব্ধি

    কর্নাটকে লোকসভার আসন রয়েছে ২৮টি। গত লোকসভা নির্বাচনে সবকটিতেই প্রার্থী দিয়েছিল দেবগৌড়ার দল। যদিও জয়ী হয়েছিল মাত্র ১টিতে। মাস কয়েক আগে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনেও মুখ থুবড়ে পড়ে জনতা দল সেকুলার। রাজ্যে বিধানসভার আসন ২২৪টি। তার মধ্যে মাত্র ১৯টিতে জয় পেয়েছে দেবগৌড়ার দল। বিজেপিকে হটিয়ে রাজ্যের ক্ষমতার রশি দখল করেছে কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে দেবগৌড়া দল। বিধানসভা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার উপলব্ধি, বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধতে পারলে কংগ্রেসকে পরাস্ত করা যেত। উদ্ধার করা যেত হারানো ভোটব্যাঙ্ক।

    বিজেপির সঙ্গে জোট

    বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ে কর্নাটকে সরকার গড়েছিল জনতা দল সেকুলার। সেটা ২০০৬ সাল (Lok Sabha Elections)। জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন দেবগৌড়ার ছেলে এইচডি কুমারস্বামী। উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন বিজেপির বিএস ইয়েদুরাপ্পা। তবে এই জোট দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কারণ নিজেদের টার্ম শেষের পর বিজেপির হাতে দেবগৌড়ার দল তুলে দেয়নি ক্ষমতার রশি। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে ফের প্রাসঙ্গিক হতে বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাতে পারে জনতা দল সেকুলার।

    আরও পড়ুুন: এসেছেন আরও ২০ অফিসার! রাজ্যে ফের তৎপরতা ইডির, কেন জানেন?

    দেবগৌড়ার দল যে বিজেপির দিকে ক্রমেই ঝুঁকছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে নানা সময়। সম্প্রতি ওড়িশায় রেল দুর্ঘটনার পরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের পদত্যাগ দাবি করেন বিরোধীরা। এই সময় দেবগৌড়া বলেন, “যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছেন রেলমন্ত্রী। উনি ক্লান্তহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তদন্ত শেষ হতে দিন। মন্ত্রী নিজের সেরাটা দিচ্ছেন। এই সময় তাঁর পদত্যাগ চাওয়াটা কোনও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।” এহ বাহ্য। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections) আগে বিজেপি বিরোধী দলগুলির জোটের সম্ভাবনা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপির সঙ্গে দেবগৌড়ার দলের হাত মেলানোটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC: শিয়রে পঞ্চায়েত-লোকসভা ভোট! তাই কি সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে মরিয়া তৃণমূল?

    TMC: শিয়রে পঞ্চায়েত-লোকসভা ভোট! তাই কি সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে মরিয়া তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেছেন, এখনও সুরক্ষিত আছে সংখ্যালঘু ভোট। কিন্তু, সদ্য সমাপ্ত সাগরদিঘি বিধানসভা উপ-নির্বাচনের ফল কিন্তু অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে কি থাবা বসিয়েছেন বিরোধীরা? মুসলিম ভোটাররা সরে যাচ্ছেন তৃণমূলের (TMC) পাশ থেকে? দলীয় সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোও। আর এই পরাজয়ের জেরেই ব্যাপক রদবদল ঘটানো হয়েছে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলে।

    সংখ্যালঘু ভোট সুরক্ষিত?

    শুক্রবার, কালীঘাটে (Kalighat) বসেছিল দলের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বৈঠকে যোগ দেননি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। যদিও, এর পরেও সংখ্যালঘু ভোট সুরক্ষিত বলে বৈঠকে দাবি করেন মমতা। বৈঠকে তিনি বলেন, ‘‘সংখ্যালঘুরা আমাদের সঙ্গে আছে, সংখ্যালঘু ভোট কমেনি।’’ তবে দলীয় সূত্রের খবর, মুখে যাই বলুন না কেন তৃণমূলনেত্রী, মুসলিম ভোটের একাংশ যে শাসক দলের থেকে দূরে সরে গিয়েছে, তা ভালই টের পেয়েছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রমাণ স্বরূপ, সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে গতবারের তুলনায় অনেকটাই ভোট কমেছে তৃণমূলের (TMC)। ২ বছরে ভোটপ্রাপ্তির হার ৫০.৯৫ থেকে ৩৪.৯৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৫০,২০৬ ভোটে তৃণমূল জিতেছিল সাগরদিঘিতে। সেখানে তারা এ বার হেরেছে ২২ হাজারেরও বেশি ভোটে।

    সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি বদল

    সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে হার যে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে অস্বস্তি ও উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছিল, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে দলের সিদ্ধান্তে। উপ-নির্বাচনের পরেই, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করতে একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফল প্রকাশের পরে হারের কারণ জানতে পাঁচজনের কমিটি তৈরি করেন তৃণমূলনেত্রী। পাশাপাশি, ফুরফুরা শরিফের দায়িত্ব ফিরহাদ হাকিমের থেকে নিয়ে বিধায়ক তপন দাশগুপ্তকে দেন। আর শুক্রবারের বৈঠকে একাধিক বদলের ঘোষণা করেন মমতা। দলে সংখ্যালঘু মুখদের গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে। যেমন, দলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি বদলে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এত দিন এই পদে ছিলেন হাড়োয়ার বিধায়ক হাজি নুরুল ইসলাম। তাঁর জায়গায় মমতা নিয়ে এলেন দলের যুব নেতা তথা ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেনকে। মোশারফ উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতিও। হাজি নুরুলকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওই সেলের চেয়ারম্যান পদের। সেই পদে এত দিন ছিলেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। 

    আরও পড়ুুন: ‘রাহুল গান্ধী দেশ-বিরোধী টুলকিটে পরিণত হয়েছেন’, কংগ্রেসকে নিশানা নাড্ডার

    তবে, গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লারও। তাঁকে মুর্শিদাবাদ ও মালদহ জেলার সংগঠন দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিদ্দিকুল্লাকে সহযোগিতা করতে দলের আরও দুই সংখ্যালঘু নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এঁরা হলেন মোথাবাড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন এবং রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হক। হাজি নুরুলকে সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি থেকে চেয়ারম্যান করার পাশাপাশি বসিরহাট জেলার তৃণমূলের (TMC) চেয়ারম্যানের পদে রাখা হয়েছে।

    মমতার শুক্রবারের ঘোষণাগুলো কার্যত প্রমাণ করে যে, সাগরদিঘির উপ-নির্বাচনের ফলে শাসক শিবির থরহরিকম্পমান। তাই এখন আসন্ন পঞ্চায়েত ও ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে শাসক দল। এখন দেখার, এই রদবদলের কী প্রভাব পড়ে বা আদৌ কোনও প্রভাব পড়ে কি না!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share