Tag: love jihad

love jihad

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে বারবার হিংসার শিকার হচ্ছেন হিন্দুরা, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে বারবার হিংসার শিকার হচ্ছেন হিন্দুরা, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১২ থেকে ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা।

    কর্নাটকে লাভ জেহাদ (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কর্নাটকের কোপ্পাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যা হুব্বলির অনুরূপ ঘটনার পর তথাকথিত “লাভ জেহাদ” সংক্রান্ত আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন হিন্দু নারী পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন। ভিএইচপি নেতা সঙ্গমেশ হিরেমঠ প্রথমে কোপ্পালের মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মুস্তাফা নামের এক মুসলমান যুবক হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করছিল, অশ্লীল আচরণে জড়িত ছিল এবং তার মোবাইলে আপত্তিকর কনটেন্ট সংরক্ষণ করত। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার করা দুটি মোবাইলে প্রায় ৭,০০০টি ছবি এবং ৯,৭০০টি ভিডিও রয়েছে, যার মধ্যে একাধিক তরুণীকে নিয়ে অশ্লীল উপাদানও আছে।

    হিন্দু তরুণীদের ডিজিটাল মাধ্যমে টার্গেট

    নাসিকের টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (TCS)-এর চাঞ্চল্যকর তথ্য কর্পোরেট পরিবেশে যৌন শোষণ, জবরদস্তি এবং বিশ্বাসভঙ্গের একটি গভীর উদ্বেগজনক ধারা প্রকাশ করেছে। যেখানে তরুণ পেশাজীবীদের জন্য নিরাপদ কর্মক্ষেত্র হওয়ার কথা ছিল, সেখানে দুর্বলতাকে কাজে লাগানো হয়েছে এবং কণ্ঠস্বর দমন করা হয়েছে। নাসিকের টিসিএসের ধর্মান্তর-যৌন শোষণ চক্রে প্রথম শিকার ছিলেন এক দলিত নারী। এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, ‘জাতি রক্ষার’ দাবি করা অনেকেই অভিযুক্ত মুসলিম হলে তাদের তথাকথিত দলিতপ্রীতি থেকে সরে দাঁড়ায়।  হিন্দু তরুণীদের ডিজিটাল মাধ্যমে টার্গেট করে ফাঁদে ফেলা ও যৌন শোষণ করা হচ্ছে এই (Hindus Under Attack) অভিযোগে পুলিশ মহারাষ্ট্রের আমরাবতী জেলায় মোহাম্মদ আয়াজ তানভীরকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সে একটি যৌন শোষণ ও ব্ল্যাকমেল চক্র পরিচালনা করছিল। তাকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে (Roundup Week)।

    লাভ জেহাদ ও লক্ষ্যভিত্তিক আক্রমণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন

    কর্নাটকের বাগালকোট জেলায় ১৯ বছর বয়সী ভূমিকা তিপ্পান্নভার আত্মহত্যা করেন। এক ইসলামপন্থী যুবক ডংরিসাব নাদাফের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর এই কাণ্ড ঘটান ওই তরুণী। এই ঘটনা তথাকথিত “লাভ জেহাদ” ও লক্ষ্যভিত্তিক আক্রমণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ধর্মীয় পার্থক্যের কারণে তার পরিবার এই সম্পর্কের বিরোধিতা করেছিল। জুহাইব নামে এক ব্যক্তি এক হিন্দু মডেলকে প্রকাশ্যে আক্রমণ করে। কারণ তিনি তার বিয়ে ও ধর্মান্তরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর ফ্রেজার টাউন এলাকার। এটি রাজ্যে জবরদস্তি ও লক্ষ্যভিত্তিক হয়রানির অভিযোগের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। ভুক্তভোগী প্রথমে কাজের সূত্রে জুহাইবের সঙ্গে পরিচিত হন, যা পরে ব্যক্তিগত সম্পর্কের রূপ নেয়। তবে ২০২৪ সাল থেকে অভিযুক্ত তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    দেশের পাশাপাশি বহির্বিশ্বের ছবি

    এদিকে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তিনটি রাজ্য থেকে চারজন উগ্রপন্থায় প্রভাবিত যুবককে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে দুজন, ওড়িশা ও বিহার থেকে একজন করে। অভিযোগ, তারা ইসলামপন্থী মতাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে জঙ্গি কার্যকলাপের ষড়যন্ত্র করছিল। পুলিশ জানিয়েছে, তারা খিলাফত প্রতিষ্ঠার আহ্বানে প্রভাবিত হয়েছিল এবং “লস্কর-ই-খোরাসান” ধারণায় বিশ্বাস করত। তারা “গাজওয়া-ই-হিন্দ”-এ অংশ নেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছিল বলেও খবর (Hindus Under Attack)। বহির্বিশ্বের ছবিটাও খুব একটা আলাদা নয়। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সে দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে অত্যাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের বাড়ি ভাঙচুর

    রংপুরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কামাল কাচনা দাসপাড়া এলাকায় ৩০–৫০ জন দুষ্কৃতীর একটি দল স্থানীয় হিন্দু পরিবারগুলির বাড়িঘরে হামলা চালায়। অন্তত ৬টি বাড়ি ও ১টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। বস্তুত, অধিকাংশ ঘৃণামূলক অপরাধের পেছনে নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিরোধী বিদ্বেষ কাজ করে বলে দাবি করা হয়। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব দেখা যায়, যা “হিন্দুফোবিয়া” ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহ দেয়। এই সূক্ষ্ম বৈষম্য অনেক সময় নজরে আসে না, যদি না আইন ও সামাজিক ধারা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ নিয়ন্ত্রণ বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অসামঞ্জস্যতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ চলছেই, দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ চলছেই, দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন এক রূপ নিচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সংঘটিত হওয়া গণহত্যার মতো মনে (Roundup Week) হচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যা আদতে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতিত্বের ফল (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমিদখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ বিপন্ন।

    সাপ্তাহিক ছবি (Hindus Under Attack)

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ২২ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন, তাই এহেন তথ্য প্রকাশ। দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটাই। রামনবমী উদযাপনের আগে পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রামে উদ্ধার হয় নির্মীয়মান রামের একটি মূর্তি। ২২ মার্চ সকালে মাথা কাটা অবস্থায় মেলে প্রতিমাটি। মূর্তির মাথা কেটে নিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এই অঞ্চলে ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি নন্দীগ্রাম ব্লক ২-এর ভেটুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের, যেখানে মৃৎশিল্পীরা মূর্তি তৈরি করছিলেন (Hindus Under Attack)।

    ভাঙা হল রামের মূর্তি

    তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলিতে ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজত্বে রাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের দ্বারা নির্মিত বিনায়গর মন্দির ভেঙে ফেলেছে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় রাজ্যের হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় বিক্ষোভ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। কর্তারা একে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানের তকমা দিলেও, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের দাবি—মন্দিরটি বহু পুরানো। মন্দিরে নিয়মিত পুজো-পাঠ, ও উৎসব অনুষ্ঠিত হতো (Roundup Week)।উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে পাক মদতপুষ্ট একটি গুপ্তচর চক্রের হদিশ মিলেছে। এরা হিন্দু পরিচয়, ধর্মীয় প্রতীক এবং তথাকথিত “লাভ জেহাদ” কৌশল প্রয়োগ করে কাজ চালাত। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে একাধিক সংস্থা।

    বিদেশি নাগরিকের কীর্তি

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিদেশি নাগরিক পাস্টর শন ফয়েখটের বিরুদ্ধে ভিসা শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় দায়ের হয়েছে মামলা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি পর্যটক ভিসায় ভারতে প্রবেশ করলেও, ধর্মীয় প্রচার ও ধর্মান্তর কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন, যা পর্যটক ভিসাধারীদের জন্য নিষিদ্ধ। এটি ভিসা নিয়মের প্রতি অবহেলার ইঙ্গিত (Hindus Under Attack)। মুম্বইয়ের ধারাভির গোপীনাথ কলোনিতে একটি পাবলিক টয়লেটের কাছে (Roundup Week) অশ্বিন নাদারকে আশিক আসিম আখতার খান খুন করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, অভিযুক্ত বারবার নির্মমভাবে আঘাত করতে থাকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাদারকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার দিনই নাদারের মা স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করেন।

    লাভ জেহাদ

    উত্তরপ্রদেশের বদাউন জেলার এক হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, তাকে “লাভ জিহাদে”র ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। তার দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ব্ল্যাকমেল করেছে, ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার জন্য তাকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। অভিযোগ, অভিযুক্ত আরশাদ প্রথমে প্রেমের সম্পর্কের ভান করে হিন্দু তরুণীদের বিশ্বাস অর্জন করত। পরে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তাকে হুমকি দিত (Hindus Under Attack)। নেলামাঙ্গালার সিদ্ধার্থ মেডিক্যাল কলেজে এক ইসলামপন্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল্লার বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে এক ছাত্রীর প্রতি অশ্লীল আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, উত্তেজনা ছড়িয়েছে ক্যাম্পাসে (Roundup Week)।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাব

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের পরিবেশ তৈরি করে (Hindus Under Attack)। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজির ওপর ধীরে ধীরে নিষেধাজ্ঞা জারি, আপাতভাবে দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অভাব লক্ষ্য করলে দ্বৈত মানদণ্ড জলের মতো স্পষ্ট হয়ে যায়।

     

  • Kumbh Mela Viral Girl Monalisa: কুম্ভ মেলার ‘ভাইরাল’ গার্ল মোনালিসা নাবালিকা! শংসাপত্র অনুযায়ী বয়স ১৬, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি পুলিশের

    Kumbh Mela Viral Girl Monalisa: কুম্ভ মেলার ‘ভাইরাল’ গার্ল মোনালিসা নাবালিকা! শংসাপত্র অনুযায়ী বয়স ১৬, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলায় রাতারাতি ইন্টারনেটে পরিচিতি পাওয়া মোনালিসাকে (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই কিশোরী এখনও নাবালিকা। তাঁর জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) অনুযায়ী বর্তমান বয়স মাত্র ১৬ বছর ২ মাস (Minor Birth Certificate)।

    তদন্তকারী সংস্থা এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাবালিকা মনবালিসার চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। উল্লেখ্য কেরলে মুসলিম যুবকের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে পরিবারের তরফে নাবালিকার বিবাহ, লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তরকরণের মতো অভিযোগ করে সরব হয়েছিলেন। মোনালিসার বাবা মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের কাছে বিচার চেয়ে আবেদনপত্রও জমা করেছিলেন। এরপর জন্মের প্রমাণপত্র নিয়ে শুরু হয় বিস্তর জল্পনা।

    বয়স সংক্রান্ত তথ্য (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa)

    মোনালিসার বার্থ সার্টিফিকেট (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) বা জন্ম শংসাপত্র যাচাই করে দেখা গেছে যে, তাঁর বয়স এখনও আঠারো বছর পূর্ণ হয়নি। অর্থাৎ আইনত তিনি একজন নাবালিকা। নাবালিকা (Minor Birth Certificate) হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। পুলিশ এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    ভাইরাল হওয়ার প্রভাব

    কুম্ভমেলার (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) সময় তাঁর ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা তাঁকে রাতারাতি লাইমলাইটে নিয়ে আসে। তবে তাঁর প্রকৃত বয়স সামনে আসায় এখন সেই জনপ্রিয়তার নেপথ্যে থাকা আইনি ও নৈতিক দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কেন এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ?

    ভারতের আইন অনুযায়ী, একজন নাবালিকার (Minor Birth Certificate) পরিচয় বা তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। পুলিশের মতে, এই ঘটনায় নাবালিকার সুরক্ষা ও অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের ক্ষেত্রে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে, যেখানে বয়সের প্রমাণপত্র (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) ছাড়া যে কোনও তথ্য বা ব্যক্তিকে প্রচার করার ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তবে মোনালিসার বিবাহকে ঘিরে এখন তাঁর জন্মের প্রমাণপত্র ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। একাধিক রাজনৈতিক নেতা এবং মুসলিম নেতাদের কাঠগড়ায় তোলার ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও নিত্য ঘটে চলেছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Hindus Under Attack)। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে চলতে থাকা এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের অনেক অংশ এই আক্রমণের প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করেছে, যা মূলত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও পক্ষপাতদুষ্টতার জের (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন। চলতি বছরের ৮ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে যেসব ঘটনা ঘটেছে, এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (Hindus Under Attack)

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ চলচ্চিত্র সিরিজের দ্বিতীয় অংশের শুরুতেই একটি দৃশ্যে দেখা যায় এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে, তার মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে আনুজা নামের এক তরুণীর বাস্তব ঘটনাই এই দৃশ্যের নেপথ্যের কাহিনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কৌতুক অভিনেতা নাসির আখতারের একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শো, যেটি ৮ মার্চ বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গালায় ‘মিনিস্ট্রি অব কমেডি’তে হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়। হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, তিনি আগে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করেছেন। দিল্লিতে তরুণ তরুণ কুমার বুটোলিয়াকে হত্যা করেছে কয়েকজন মুসলিম। অভিযোগ, ১১ বছরের এক নাবালিকার ছোড়া জলভরা রঙিন বেলুন দুর্ঘটনাবশত এক মুসলিম মহিলার গায়ে পড়ে যায় (Hindus Under Attack)। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে তরুণ হত্যার ঘটনা। যা বড়জোর একটি পাড়ার ঝগড়া হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত আকার নেয় গণপিটুনির।

    ইসলামপন্থী যুবকদের অত্যাচার

    রাজস্থানের আলওয়ার জেলার আরাবল্লি বিহার এলাকায় একটি প্রাচীন শিব মন্দিরে শিবলিঙ্গ ভাঙচুর করা হয়। মন্দির লাগোয়া এলাকায় মেলে মৃত বাছুর। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় (Roundup Week)। কর্নাটকের কপ্পাল জেলায় ভেঙ্কটেশ নামের এক ব্যক্তিকে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনি তাঁর মুসলিম বন্ধু আজির এবং তাঁর স্ত্রী আফিয়ার পারিবারিক বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন (Hindus Under Attack)। এই রাজ্যেরই বাগালকোট জেলায় সাফিক নামে এক মুসলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে এক হিন্দু মহিলাকে নাম ভাঁড়িয়ে বিয়ে করে। তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করে। পরে নগদ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় ওই ব্যক্তি।

    লাভ জেহাদ

    পুনে জেলার নহাভি গ্রামের নিউ ইংলিশ স্কুলে অভিযোগ ওঠে যে কপালে তিলক লাগানো ছাত্রদের ক্লাসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় হিন্দু সংগঠনগুলির মধ্যে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। মোনালিসা ভোঁসলে নামে ১৮ বছরের এক হিন্দু তরুণীর কেরালায় গিয়ে জনৈক ফারমান খানকে বিয়ে করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে প্রভাবিত করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীর নগরে ২২ বছরের এক হিন্দু তরুণী পরিবারের সদস্যদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নগদ টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় মুসলিম প্রেমিকের সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ, এটি ‘লাভ জেহাদে’র ঘটনা (Roundup Week)।

    বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এ তো গেল সপ্তাহান্তে দেশের ছবিটা। বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব লুপ্ত হয়ে যেতে পারে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কুমিল্লা শহরের কালীগাছতলা মন্দিরে একটি হাতবোমা হামলায় মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী-সহ অন্তত তিনজন জখম হন। শনি পুজো চলার সময় তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মন্দিরে ঢুকে বোমা ছোড়ে বলে জনান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    হিন্দু খুন

    নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করা হলেও, আদতে তা হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নতুন সরকারের মাত্র ২০ দিনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাতজন নিহত হয়েছে বলে খবর।ফেনীতে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত সাহা ডাকাতদের হাতে নিহত হয়েছে। কক্সবাজারে গণেশ পাল নামে এক হিন্দু ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে ছুরি দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে খবর। সাতক্ষীরা শহরের ‘মায়ের বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বড় মন্দির কমপ্লেক্সে চুরি হয়েছে। বিগ্রহের সোনার গয়না এবং দানবাক্সের টাকা চুরি হওয়ায় স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)।

    প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে বিতর্ক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক মার্কিন নাগরিক ওই অনুষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা করায় তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত বলে অভিযোগ করা হয়। কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে এই বিদ্বেষকে উৎসাহিত করা হয় বলে দাবি সমালোচকদের। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা দেখা গেলেও, ভারতের মতো তথাকথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিদ্বেষ দেখা যায় বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা হয়। যা আপাতভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কারণ হলেও, সমালোচকদের মতে এতে রয়েছে দ্বৈত মানদণ্ড।

     

  • Viral Girl Monalisa: “ধর্মান্তকরণের জন্য কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েকে”, অভিযোগ কুম্ভমেলায় ভাইরাল মোনালিসার বাবার

    Viral Girl Monalisa: “ধর্মান্তকরণের জন্য কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েকে”, অভিযোগ কুম্ভমেলায় ভাইরাল মোনালিসার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুম্ভ মেলার সময় সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তরুণী মোনালিসা ভোসলের বাবা জয়সিং ভোসলে তাঁর মেয়েকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, “মেয়েকে কেরলে (Kerala) নিয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্মে পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে।” এই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে যখন মনালিসার (Viral Girl Monalisa) মা দাবি করেছেন কন্যা নাবালিকা। অন্যদিকে, এই বিয়েতে কেরলের সিনিয়র সিপিআই(এম) নেতা, সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের উপস্থিতি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ফলে নাবালিকাকে লাভ জিহাদের মাধ্যমে ধর্মান্তকরণের বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে।

    মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ (Viral Girl Monalisa)

    মধ্যপ্রদেশের খারগোন জেলার বাসিন্দা জয়সিং ভোসলে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। পত্রে মেয়েকে খুঁজে বের করে ফিরিয়ে আনার জন্য রাজ্য সরকারের সহায়তা চেয়েছেন। তাঁর দাবি, “আমরা এই সম্পর্কের ঘোর বিরোধী ছিলাম এবং বিয়ের খবর পেয়ে আমারা কেরলে (Kerala) গিয়েছিলাম।” তবে সম্প্রতি কেরলের তিরুবনন্তপুরম জেলার পুভার আরুমানুরে নাইনার মন্দিরে মোনালিসা ভোসলে (Viral Girl Monalisa) এবং মহম্মদ ফরমান খানের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

    বিয়ের আগে মোনালিসা তিরুবনন্তপুরমের থাম্পানুর থানায় গিয়ে দাবি করেছিলেন যে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিয়েতে বাধা দিচ্ছেন এবং তিনি নিরাপত্তা চান। এরপর পুলিশ তাঁর বাবাকে আলোচনার জন্য তলব করে। তবে জয়সিং ভোসলে এই বিয়েতে সম্মতি দিতে অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে তাঁর মেয়েকে ভুল বুঝিয়ে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে ফিরে আসার পর বাবা আবারও জানান যে, আমার বিশ্বাস মেয়েকে চাপের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের নেতারাও মোনালিসাকে ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে পরিবারকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে।

    মোনালিসার বয়স মাত্র ১৬!

    মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) মায়ের বক্তব্যে কনের বয়স নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। কেরলের (Kerala) ভিএইচপি (VHP) সদস্যদের সঙ্গে একটি ফোনালাপে মা জানিয়েছেন, মোনালিসার বয়স এখনও বিয়ের আইনি বয়সের নিচে এবং পরিবার এই মিলনে সম্মতি দেয়নি। মা দাবি করেছেন মোনালিসার বয়স মাত্র ১৬ বছর এবং পরিবারের অমতেই এই বিয়ে হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, কুম্ভমেলার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই পরিবারের সাথে মোনালিসার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।মা অভিযোগ করেছেন, মেয়েকে চাপের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। পরিবারের কাছে মোনালিসার অফিশিয়াল নথি না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক জন্ম তারিখ যাচাই করতে পারছেন না।

    নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর

    এখন যদি মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) বয়সের দাবি সঠিক হয়, তবে এটি গুরুতর আইনি জটিলতা তৈরি করবে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। এর কম বয়সে বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের আওতায় আসবে। ফলে সরকারের কাছে মোনালিসার সঠিক বয়স যাচাই করার এবং বিয়ের আইনি শর্তাবলী পূরণ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি জোরালো হচ্ছে।

    সিপিআই (এম) নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক

    এই বিয়ের অনুষ্ঠানে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) বা সিপিআই(এম)-এর সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি এবং প্রকাশ্য সমর্থন বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। কেরলের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবনকুট্টি, সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন, রাজ্যসভার সাংসদ এএ রহিম এবং সিপিআই(এম) নেতা ভিপিএস মোস্তফা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নেতারা নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানান এবং এই বিয়েকে সামাজিক সম্প্রীতি ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, জোর দিয়ে বলেন, কেরলের (Kerala) দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হলো বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সহাবস্থান এবং ব্যক্তিগত পছন্দের প্রতি শ্রদ্ধা।

    হিন্দু সংগঠনের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি

    সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন বলেন, সকল ধর্মের মূল নির্যাস হল মানবতা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ে সমাজের সাম্য ও সম্প্রীতির প্রতিফলন। সাংসদ এএ রহিমও কেরলকে (Kerala) এমন একটি জায়গা হিসেবে বর্ণনা করেন যেখানে মানুষ নির্ভয়ে ভিন্ন ধর্মে বিয়ে করতে পারে। তবে কনের বয়স নিয়ে অভিযোগের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক নেতাদের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতাদের চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) প্রতি লাভ জিহাদ, ধর্মান্তকরণ এবং বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

  • Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) পুরী জেলার এক মা তাঁর মেয়েকে ফিরে পেতে সরকারের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর অভিযোগ, একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তাঁর মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারটি এই ঘটনাকে “লাভ জিহাদ” (Love jihad) বলে অভিহিত করেছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মেয়ের উদ্ধার চেয়ে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। মুসলিম যুবক কীভাবে নিজের পরিচয় গোপন রেখে প্রমের ফাঁদে ফেলে বিবাহের নামে অন্যত্র নিয়ে চলে যায় তার আরও একটি ঘটনার প্রমাণ মেলায় শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে।

    অনলাইন যোগাযোগ (Love jihad)

    অভিযোগকারী মা জানিয়েছেন, সাবির নামে এক যুবক নিজেকে বাঙালি পরিচয় দিয়ে অনলাইনে তাঁর মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে। ধীরে ধীরে আবেগপ্রবণ কথাবার্তার মাধ্যমে সে ১৬ বছর বয়সি ওই নাবালিকাকে পরিচয় গোপন রেখে প্রতারণা (Love jihad) করে সম্পর্কের জালে জড়ায়। এরপর প্রেম এবং বিয়ের কথা বলে পালিয়ে যায় অন্যত্র।

    নিখোঁজ ও প্রাথমিক খোঁজ

    মেয়েটি ২০২১ সালের ২৭ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। পরিবার পুরী (Odisha) পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেছে। তদন্তের এক পর্যায়ে জানা গিয়েছে মেয়েটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে রয়েছে। মা পুলিশের সাহায্যে সেখানে গেলেও অভিযুক্ত সাবির মেয়েটিকে নিয়ে সেখান থেকে অন্যত্র পালিয়ে যায়। মায়ের সাফ দাবি, প্রেমের ফাঁদে ফেলে পাচার (Love jihad) করা হয়েছে মেয়েকে এবং বর্তমানে সে বাংলাদেশে বন্দি অবস্থায় রয়েছে। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য ওড়িশা ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই।

    সীমান্ত পার ও নির্যাতন

    নিখোঁজ মেয়ের মা অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে তাঁর মেয়েকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। মেয়েটি মাঝেমধ্যে ফোনে যোগাযোগ করতে পারে এবং জানিয়েছে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন (Love jihad) চালানো হচ্ছে। তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। গত ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে মেয়ের সঙ্গে শেষবার মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল মায়ের।

    পুলিশের পদক্ষেপ

    পুরীর (Odisha) পুলিশ সুপার প্রতীক সিং জানিয়েছেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং সংশ্লিষ্ট হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। মেয়েটিকে নিরাপদে (Love jihad) ফিরিয়ে আনতে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলচ্চিত্র জগত এবং আইনি লড়াইয়ের আঙিনায় আবারও চর্চার কেন্দ্রে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2)। সিনেমার মুক্তির উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করেছে কোর্ট। সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court) এই সিনেমার প্রদর্শনী বা মুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও, সিনেমার মূল ভিত্তি অর্থাৎ যে পরিসংখ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে এই ছবি নির্মিত, তা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। ছবি নির্মাতাদের দাবি, “আদালত সিনেমাটি আটকাতে পারলেও বাস্তব তথ্য এবং পরিসংখ্যানকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও স্থগিতাদেশ (The Kerala Story-2)

    এই ছবিটি ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র (The Kerala Story-2) সিক্যুয়েল। প্রথম পর্বের মতো এই ছবিতেও প্রতারণামূলক ধর্মান্তকরণের বিষয়টি অন্বেষণ করা হয়েছে। তবে এবার গল্পের পরিধি কেরালার বাইরে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবির ট্রেলারে দাবি করা হয়েছে যে এটি বাস্তব ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত, আর এই দাবিই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং স্বঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিতর্কিত বিষয়বস্তু এবং নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে — এই যুক্তিতে সিনেমাটির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের মতে, সিনেমার দৃশ্যায়ন বা সংলাপ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। তবে ছবির নির্মাতারা একে ‘অভিব্যক্তির স্বাধীনতার’ ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

    সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান

    সিনেমার (The Kerala Story-2) প্রথম পর্বে কেরল থেকে নারীদের ধর্মান্তকরণ এবং আইসিসে (ISIS) যোগদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বেও একই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, যে তথ্যগুলি সংগ্রহ করেছেন তা বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং বাস্তব জীবনের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আদালত ছবির মুক্তি আটকালেও, বাস্তব পরিস্থিতি বা সংখ্যাতত্ত্ব বদলে যাব না।

    আদালত আইন শৃঙ্খলা এবং শ্লীলতা নিয়ে কাজ করবে, কিন্তু সমাজকেও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখতে হবে যে তারা কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত কি না। ২০১১ সালের আদমশুমারি (Census) দেখায় যে কেরলে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ২৬.৫৬ শতাংশ, যা ১৯৫১ সালে ছিল ১৭.৪ শতাংশ। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ১২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে রাজ্যের সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯ শতাংশ। একই সময়ে হিন্দুদের বৃদ্ধির হার ছিল ২.২৩ শতাংশ এবং খ্রিস্টানদের ১.৩৮ শতাংশ। স্পষ্টতই, বৃদ্ধির হারে একটি বড় অসঙ্গতি রয়েছে। শুধুমাত্র ধর্মান্তকরণই এর একমাত্র কারণ নয়; উচ্চ প্রজনন হার, সামাজিক জন বিন্যাসের ভারসাম্য এবং অন্যান্য কারণকে ভালো করে খুঁজে দেখতে হবে। ফলে ধর্মান্তকরণকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হবে বাস্তব তথ্যের প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকা।

    ২০১২ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডি কেরল বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৭,৭১৩ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে ২,৬৬৭ জন ছিলেন তরুণী। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আন্তঃধর্মীয় বিবাহ জড়িয়ে ছিল।

    দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াই

    সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরণের সিনেমা (The Kerala Story-2) সমাজে মেরুকরণ তৈরি করে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, সেন্সরশিপ বা আইনি বাধা দিয়ে কঠিন সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা আসলে শৈল্পিক স্বাধীনতা বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াইয়েরই অংশ।

    আপাতত আইনি গেরোয় (Kerala High Court) বন্দি হয়ে থাকলেও, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে বিতর্ক জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে। ছবিটির ভবিষ্যৎ কী হবে তা উচ্চতর আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করলেও, এই সিনেমা যে পরিসংখ্যানের লড়াই শুরু করেছে, তা সহজে হারিয়ে যাওয়ার নয়।

  • The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ (Love Jihad), হিন্দু ধর্মের মেয়েদের প্রমের জালে ফাঁসিয়ে জোর করে ধর্মান্তর করার প্রবণতা কতটা মারাত্মক সেই কথা আরও একাবার উঠে এসেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ সিনেমায় (The Kerala Story-2)। তবে সিনেমাতে বাস্তবে ঘটা মেয়েদের দুর্বিষহ জীবনের কথাকে ঘিরেই কাহিনিকে তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি, দিল্লিতে একটি সাংবাদিক সম্মলেন করে নির্যাতিতাদের কথা তুলে ধরেন চিত্র পরিচালক। মুসলিম যুবকরা প্রেমের জালে জড়িয়ে প্রথমে বিবাহ এবং এরপর জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণের মতো ঘটনা নির্যাতিতাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এখানে মহিলারা তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এবং সমাজকে বিশেষ করে হিন্দু মেয়েদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

    নির্যাতিতাদের জবানবন্দি (The Kerala Story-2)

    একটি বিশেষ সাক্ষাৎকরে কয়েকজন মহিলা তাঁদের নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া কথার উল্লেখ করে বলেন, “লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) শিকার হয়েছি আমরা। রীতিমতো মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমাদের ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছিল।” ভুক্তভোগীদের মতে, এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং এর (The Kerala Story-2) পেছনে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র কাজ করে। বড় ধরনের একটি সাংগঠনিক শক্তি এই গোটা সিস্টেমকে পরিচালনা করছে।

    প্রতারণার কৌশল

    নির্যাতিতারা বলেন, “অভিযুক্তরা প্রথমে খুব দয়ালু এবং যত্নশীল হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করে। ধীরে ধীরে তারা মেয়েদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ম পরিবর্তন ধর্মান্তকরণ এবং অনেক ক্ষেত্রে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরিবার এবং আত্মীয়দের দ্বারা শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে। প্রতি পদে পদে অত্যাচারের মাত্রা এতোটাই করে যে সাধারণ ভাবে বেঁচে থাকাকার মনোবল কেড়ে নেওয়া হয়।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’-এর প্রেক্ষাপট

    প্রথম ছবির সাফল্যের পর, দ্বিতীয় সিরিজে (The Kerala Story-2) আরও অনেক বাস্তব ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমা নির্মাতাদের দাবি, এই ছবিটি কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং সমাজকে একটি বিশেষ বিপদ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ছবির মাধ্যমে দেখানো হয়েছে কীভাবে আন্তর্জাতিক স্তরে কিছু গোষ্ঠী এই ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়ায় মদত দিচ্ছে। আর এই কাজে অমুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়েদের (Love Jihad) বেশি করে টার্গেট করা হয়েছে।

    সতর্কবার্তা ও আবেদন

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা বর্তমান প্রজন্মের হিন্দু কন্যাদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী যা যা করা উচিত তা হল-

    • ● অচেনা বা স্বল্প পরিচিত ব্যক্তিদের ওপর অন্ধবিশ্বাস না করা।
    • ● কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে তার পারিবারিক ও সামাজিক পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করা।
    • ● ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন থাকা।
    • ● কোনও প্রকার অস্বাভাবিক চাপ বা ধর্মান্তকরণের ইঙ্গিত পেলে তৎক্ষণাৎ পরিবার বা প্রশাসনকে জানানো।

    সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথা

    নিজেদের সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় পরিস্থিতির শিকার মেয়েরা (Love Jihad) বলেন, এই ধরনের ঘটনাগুলো কেবল কেরলে সীমাবদ্ধ নেই, বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই সামাজিক সচেতনতা এবং আইনি কঠোরতা বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। সমাজে সকলের মধ্যে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষানীতি অবলম্বন করা উচিত। এটি একটি সম্মিলিত সংগঠিত অপরাধ। সরকার এবং সামাজিক স্তরে কাজ করা দরকার। আমাদের জীবনের এই যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করার একমাত্র উদ্দেশ্য হল যাতে আর কোনও মেয়েকে এই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2) সেই সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথাগুলোই বড় পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

    প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিপুল ও ছবির পরিচালক কামাখ্যা নারায়ণ সিং। সেখানে ৩৩ জন মহিলা উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাঁচির জাতীয় স্তরের শুটার তারা সহদেও বলেন, “রঞ্জিত কোহিল পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁকে বিয়ে করেন রাকিবুল হাসান। পরে কোনও মতে তাঁর বাড়ি থেকে পালিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হন। রাকিবুল ও তাঁর মায়ের জেল হয়।” আবার বিপুলের দাবি, মাঝেমধ্যে শুনি, ভারতে লাভ জিহাদ (Love Jihad) বা জোর করে ধর্মান্তরকরণ হচ্ছে না। তাই আমরা ভুক্তভোগীদের হাজির করেছি।”

    মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এই সিনেমায় (The Kerala Story-2) কেরলের নাম জুড়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। পরিচালক–অভিনেতা অনুরাগ কাশ্যপ ছবিটিকে ‘প্রোপাগান্ডা’ চিহ্নিত করেছেন। অপর দিকে বামপন্থী সংগঠন সিনেমার বিরোধীতা করে প্রকাশ্যে গো মাংস ভক্ষণ উৎসব করেছে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ২৫ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। মুজফ্ফরনগরের বুধানা এলাকার একটি ঘটনায় অপহরণ ও ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। তফসিলি জাতির বছর উনিশের এক তরুণীকে এক মুসলমান ব্যক্তি প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত ব্যক্তি মিরাটের পাঞ্চলি বাজার্গ গ্রামের বাসিন্দা। সে বিবাহিত। তার চারটি সন্তানও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি বিয়ে আড়াল করে জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ‘লাভ জেহাদে’র উদাহরণ বলেই দাবি স্থানীয়দের একাংশের। এদিকে, কনৌজের একটি গ্রামের বছর সতেরোর এক ছাত্রী সপ্তাহ দুয়েক ধরে নিখোঁজ ছিল। দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর তাকে উদ্ধার করা হয়। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, হিন্দু ওই অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীটি বোরখা পরে রয়েছে। তার পাশেই রয়েছে ইমরান নামের এক মুসলমান যুবক।

    বিসর্জনের শোভাযাত্রায় পাথর

    দেবী প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার আমলা শহরে। খবরে প্রকাশ, কালী মূর্তি বিসর্জনের শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়া হয়। শোভাযাত্রাটি যখন পীর মঞ্জিল এলাকার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই কাছাকাছি দোকানের পিছন দিক থেকে দুষ্কৃতীরা পাথর ছোড়ে। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলার। সাংকিসা থানা এলাকার তফসিলি জাতির এক পরিবারের বছর পনেরোর কিশোরী নিখোঁজ। পরিবারের অভিযোগ, গ্রামেরই এক মুসলমান যুবক ওই নাবালিকাকে প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছে। এফআইআর অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছুদিন ধরে মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। তাকে বাড়ি ছাড়তেও রাজি করিয়েছিল। ঘটনাটি ঘটার পর ওই পরিবার থেকে সোনার গয়না ও নগদ প্রায় ৮০ হাজার টাকাও খোয়া গিয়েছে (Roundup Week) বলে অভিযোগ।

    কিশোরীকে গণধর্ষণ

    পরিবারের দাবি, অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা আগেই বিষয়টি জানত (Hindus Under Attack)। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মধ্যপ্রদেশেরই বালাঘাট জেলার লালবাড়া থানা এলাকায় বছর পনেরোর এক কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ওই হিন্দু কিশোরীকে চারজন মুসলিম, যাদের মধ্যে আবার দু’জন নাবালিকাও রয়েছে, ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্তরা প্রথমে ওই কিশোরীর আপত্তিকর ভিডিও তোলে। পরে তা ব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে টাকা-পয়সা আদায় করতে থাকে। পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। পলাতক একজনের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। বিদেশের ছবিটাও খুব একটা আলাদা কিছু নয় (Hindus Under Attack)। আমেরিকার টেক্সাসে হনুমান মূর্তি প্রতিষ্ঠার পর এবং গণেশ চতুর্থীর শোভাযাত্রাকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দু-বিদ্বেষী আক্রমণ শুরু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এবার ক্যারোলিনায় নির্মীয়মাণ একটি মুরুগন মন্দিরকে ঘিরে নতুন করে হিন্দু- বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    হিন্দুদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি

    প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে থাকে এমন কিছু ধর্মীয় শিক্ষার ব্যাখ্যা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ, যেখানে হিন্দুদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি গেঁথে রয়েছে। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিদ্বেষের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। কিন্তু ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে (Roundup Week)। এটি হিন্দুফোবিয়া এবং ঘৃণাজনিত অপরাধ করার জন্য অনুকূল পরিবেশের সৃষ্টি করে। এই সূক্ষ্ম, অথচ রোজকার বৈষম্য চোখ এড়িয়ে যেতে পারে, যদি না কেউ বর্তমানে থাকা আইন ও কার্যপদ্ধতির ধারাবাহিক বিশ্লেষণ করে (Hindus Under Attack)।

    উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে দীপাবলিতে আতশবাজির ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞার কথা। আপাত দৃষ্টিতে এটি দূষণ-সংক্রান্ত বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বৃহত্তর পরিসরে যখন হিন্দু উৎসবগুলির ক্ষেত্রেই এমনতর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয় এবং এসব নিষেধাজ্ঞার নেপথ্য শক্তিশালী যুক্তির অভাব থাকে, তখনই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির মুখোশ খুলে পড়ে, বেরিয়ে পড়ে আসল মুখ (Hindus Under Attack)।

LinkedIn
Share