Tag: love jihad

love jihad

  • Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) পুরী জেলার এক মা তাঁর মেয়েকে ফিরে পেতে সরকারের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর অভিযোগ, একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তাঁর মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারটি এই ঘটনাকে “লাভ জিহাদ” (Love jihad) বলে অভিহিত করেছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মেয়ের উদ্ধার চেয়ে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। মুসলিম যুবক কীভাবে নিজের পরিচয় গোপন রেখে প্রমের ফাঁদে ফেলে বিবাহের নামে অন্যত্র নিয়ে চলে যায় তার আরও একটি ঘটনার প্রমাণ মেলায় শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে।

    অনলাইন যোগাযোগ (Love jihad)

    অভিযোগকারী মা জানিয়েছেন, সাবির নামে এক যুবক নিজেকে বাঙালি পরিচয় দিয়ে অনলাইনে তাঁর মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে। ধীরে ধীরে আবেগপ্রবণ কথাবার্তার মাধ্যমে সে ১৬ বছর বয়সি ওই নাবালিকাকে পরিচয় গোপন রেখে প্রতারণা (Love jihad) করে সম্পর্কের জালে জড়ায়। এরপর প্রেম এবং বিয়ের কথা বলে পালিয়ে যায় অন্যত্র।

    নিখোঁজ ও প্রাথমিক খোঁজ

    মেয়েটি ২০২১ সালের ২৭ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। পরিবার পুরী (Odisha) পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেছে। তদন্তের এক পর্যায়ে জানা গিয়েছে মেয়েটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে রয়েছে। মা পুলিশের সাহায্যে সেখানে গেলেও অভিযুক্ত সাবির মেয়েটিকে নিয়ে সেখান থেকে অন্যত্র পালিয়ে যায়। মায়ের সাফ দাবি, প্রেমের ফাঁদে ফেলে পাচার (Love jihad) করা হয়েছে মেয়েকে এবং বর্তমানে সে বাংলাদেশে বন্দি অবস্থায় রয়েছে। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য ওড়িশা ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই।

    সীমান্ত পার ও নির্যাতন

    নিখোঁজ মেয়ের মা অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে তাঁর মেয়েকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। মেয়েটি মাঝেমধ্যে ফোনে যোগাযোগ করতে পারে এবং জানিয়েছে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন (Love jihad) চালানো হচ্ছে। তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। গত ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে মেয়ের সঙ্গে শেষবার মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল মায়ের।

    পুলিশের পদক্ষেপ

    পুরীর (Odisha) পুলিশ সুপার প্রতীক সিং জানিয়েছেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং সংশ্লিষ্ট হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। মেয়েটিকে নিরাপদে (Love jihad) ফিরিয়ে আনতে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলচ্চিত্র জগত এবং আইনি লড়াইয়ের আঙিনায় আবারও চর্চার কেন্দ্রে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2)। সিনেমার মুক্তির উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করেছে কোর্ট। সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court) এই সিনেমার প্রদর্শনী বা মুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও, সিনেমার মূল ভিত্তি অর্থাৎ যে পরিসংখ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে এই ছবি নির্মিত, তা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। ছবি নির্মাতাদের দাবি, “আদালত সিনেমাটি আটকাতে পারলেও বাস্তব তথ্য এবং পরিসংখ্যানকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও স্থগিতাদেশ (The Kerala Story-2)

    এই ছবিটি ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র (The Kerala Story-2) সিক্যুয়েল। প্রথম পর্বের মতো এই ছবিতেও প্রতারণামূলক ধর্মান্তকরণের বিষয়টি অন্বেষণ করা হয়েছে। তবে এবার গল্পের পরিধি কেরালার বাইরে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবির ট্রেলারে দাবি করা হয়েছে যে এটি বাস্তব ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত, আর এই দাবিই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং স্বঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিতর্কিত বিষয়বস্তু এবং নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে — এই যুক্তিতে সিনেমাটির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের মতে, সিনেমার দৃশ্যায়ন বা সংলাপ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। তবে ছবির নির্মাতারা একে ‘অভিব্যক্তির স্বাধীনতার’ ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

    সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান

    সিনেমার (The Kerala Story-2) প্রথম পর্বে কেরল থেকে নারীদের ধর্মান্তকরণ এবং আইসিসে (ISIS) যোগদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বেও একই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, যে তথ্যগুলি সংগ্রহ করেছেন তা বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং বাস্তব জীবনের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আদালত ছবির মুক্তি আটকালেও, বাস্তব পরিস্থিতি বা সংখ্যাতত্ত্ব বদলে যাব না।

    আদালত আইন শৃঙ্খলা এবং শ্লীলতা নিয়ে কাজ করবে, কিন্তু সমাজকেও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখতে হবে যে তারা কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত কি না। ২০১১ সালের আদমশুমারি (Census) দেখায় যে কেরলে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ২৬.৫৬ শতাংশ, যা ১৯৫১ সালে ছিল ১৭.৪ শতাংশ। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ১২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে রাজ্যের সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯ শতাংশ। একই সময়ে হিন্দুদের বৃদ্ধির হার ছিল ২.২৩ শতাংশ এবং খ্রিস্টানদের ১.৩৮ শতাংশ। স্পষ্টতই, বৃদ্ধির হারে একটি বড় অসঙ্গতি রয়েছে। শুধুমাত্র ধর্মান্তকরণই এর একমাত্র কারণ নয়; উচ্চ প্রজনন হার, সামাজিক জন বিন্যাসের ভারসাম্য এবং অন্যান্য কারণকে ভালো করে খুঁজে দেখতে হবে। ফলে ধর্মান্তকরণকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হবে বাস্তব তথ্যের প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকা।

    ২০১২ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডি কেরল বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৭,৭১৩ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে ২,৬৬৭ জন ছিলেন তরুণী। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আন্তঃধর্মীয় বিবাহ জড়িয়ে ছিল।

    দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াই

    সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরণের সিনেমা (The Kerala Story-2) সমাজে মেরুকরণ তৈরি করে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, সেন্সরশিপ বা আইনি বাধা দিয়ে কঠিন সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা আসলে শৈল্পিক স্বাধীনতা বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াইয়েরই অংশ।

    আপাতত আইনি গেরোয় (Kerala High Court) বন্দি হয়ে থাকলেও, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে বিতর্ক জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে। ছবিটির ভবিষ্যৎ কী হবে তা উচ্চতর আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করলেও, এই সিনেমা যে পরিসংখ্যানের লড়াই শুরু করেছে, তা সহজে হারিয়ে যাওয়ার নয়।

  • The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ (Love Jihad), হিন্দু ধর্মের মেয়েদের প্রমের জালে ফাঁসিয়ে জোর করে ধর্মান্তর করার প্রবণতা কতটা মারাত্মক সেই কথা আরও একাবার উঠে এসেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ সিনেমায় (The Kerala Story-2)। তবে সিনেমাতে বাস্তবে ঘটা মেয়েদের দুর্বিষহ জীবনের কথাকে ঘিরেই কাহিনিকে তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি, দিল্লিতে একটি সাংবাদিক সম্মলেন করে নির্যাতিতাদের কথা তুলে ধরেন চিত্র পরিচালক। মুসলিম যুবকরা প্রেমের জালে জড়িয়ে প্রথমে বিবাহ এবং এরপর জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণের মতো ঘটনা নির্যাতিতাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এখানে মহিলারা তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এবং সমাজকে বিশেষ করে হিন্দু মেয়েদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

    নির্যাতিতাদের জবানবন্দি (The Kerala Story-2)

    একটি বিশেষ সাক্ষাৎকরে কয়েকজন মহিলা তাঁদের নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া কথার উল্লেখ করে বলেন, “লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) শিকার হয়েছি আমরা। রীতিমতো মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমাদের ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছিল।” ভুক্তভোগীদের মতে, এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং এর (The Kerala Story-2) পেছনে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র কাজ করে। বড় ধরনের একটি সাংগঠনিক শক্তি এই গোটা সিস্টেমকে পরিচালনা করছে।

    প্রতারণার কৌশল

    নির্যাতিতারা বলেন, “অভিযুক্তরা প্রথমে খুব দয়ালু এবং যত্নশীল হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করে। ধীরে ধীরে তারা মেয়েদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ম পরিবর্তন ধর্মান্তকরণ এবং অনেক ক্ষেত্রে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরিবার এবং আত্মীয়দের দ্বারা শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে। প্রতি পদে পদে অত্যাচারের মাত্রা এতোটাই করে যে সাধারণ ভাবে বেঁচে থাকাকার মনোবল কেড়ে নেওয়া হয়।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’-এর প্রেক্ষাপট

    প্রথম ছবির সাফল্যের পর, দ্বিতীয় সিরিজে (The Kerala Story-2) আরও অনেক বাস্তব ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমা নির্মাতাদের দাবি, এই ছবিটি কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং সমাজকে একটি বিশেষ বিপদ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ছবির মাধ্যমে দেখানো হয়েছে কীভাবে আন্তর্জাতিক স্তরে কিছু গোষ্ঠী এই ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়ায় মদত দিচ্ছে। আর এই কাজে অমুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়েদের (Love Jihad) বেশি করে টার্গেট করা হয়েছে।

    সতর্কবার্তা ও আবেদন

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা বর্তমান প্রজন্মের হিন্দু কন্যাদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী যা যা করা উচিত তা হল-

    • ● অচেনা বা স্বল্প পরিচিত ব্যক্তিদের ওপর অন্ধবিশ্বাস না করা।
    • ● কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে তার পারিবারিক ও সামাজিক পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করা।
    • ● ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন থাকা।
    • ● কোনও প্রকার অস্বাভাবিক চাপ বা ধর্মান্তকরণের ইঙ্গিত পেলে তৎক্ষণাৎ পরিবার বা প্রশাসনকে জানানো।

    সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথা

    নিজেদের সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় পরিস্থিতির শিকার মেয়েরা (Love Jihad) বলেন, এই ধরনের ঘটনাগুলো কেবল কেরলে সীমাবদ্ধ নেই, বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই সামাজিক সচেতনতা এবং আইনি কঠোরতা বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। সমাজে সকলের মধ্যে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষানীতি অবলম্বন করা উচিত। এটি একটি সম্মিলিত সংগঠিত অপরাধ। সরকার এবং সামাজিক স্তরে কাজ করা দরকার। আমাদের জীবনের এই যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করার একমাত্র উদ্দেশ্য হল যাতে আর কোনও মেয়েকে এই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2) সেই সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথাগুলোই বড় পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

    প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিপুল ও ছবির পরিচালক কামাখ্যা নারায়ণ সিং। সেখানে ৩৩ জন মহিলা উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাঁচির জাতীয় স্তরের শুটার তারা সহদেও বলেন, “রঞ্জিত কোহিল পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁকে বিয়ে করেন রাকিবুল হাসান। পরে কোনও মতে তাঁর বাড়ি থেকে পালিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হন। রাকিবুল ও তাঁর মায়ের জেল হয়।” আবার বিপুলের দাবি, মাঝেমধ্যে শুনি, ভারতে লাভ জিহাদ (Love Jihad) বা জোর করে ধর্মান্তরকরণ হচ্ছে না। তাই আমরা ভুক্তভোগীদের হাজির করেছি।”

    মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এই সিনেমায় (The Kerala Story-2) কেরলের নাম জুড়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। পরিচালক–অভিনেতা অনুরাগ কাশ্যপ ছবিটিকে ‘প্রোপাগান্ডা’ চিহ্নিত করেছেন। অপর দিকে বামপন্থী সংগঠন সিনেমার বিরোধীতা করে প্রকাশ্যে গো মাংস ভক্ষণ উৎসব করেছে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ২৫ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। মুজফ্ফরনগরের বুধানা এলাকার একটি ঘটনায় অপহরণ ও ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। তফসিলি জাতির বছর উনিশের এক তরুণীকে এক মুসলমান ব্যক্তি প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত ব্যক্তি মিরাটের পাঞ্চলি বাজার্গ গ্রামের বাসিন্দা। সে বিবাহিত। তার চারটি সন্তানও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি বিয়ে আড়াল করে জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ‘লাভ জেহাদে’র উদাহরণ বলেই দাবি স্থানীয়দের একাংশের। এদিকে, কনৌজের একটি গ্রামের বছর সতেরোর এক ছাত্রী সপ্তাহ দুয়েক ধরে নিখোঁজ ছিল। দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর তাকে উদ্ধার করা হয়। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, হিন্দু ওই অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীটি বোরখা পরে রয়েছে। তার পাশেই রয়েছে ইমরান নামের এক মুসলমান যুবক।

    বিসর্জনের শোভাযাত্রায় পাথর

    দেবী প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার আমলা শহরে। খবরে প্রকাশ, কালী মূর্তি বিসর্জনের শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়া হয়। শোভাযাত্রাটি যখন পীর মঞ্জিল এলাকার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই কাছাকাছি দোকানের পিছন দিক থেকে দুষ্কৃতীরা পাথর ছোড়ে। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলার। সাংকিসা থানা এলাকার তফসিলি জাতির এক পরিবারের বছর পনেরোর কিশোরী নিখোঁজ। পরিবারের অভিযোগ, গ্রামেরই এক মুসলমান যুবক ওই নাবালিকাকে প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছে। এফআইআর অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছুদিন ধরে মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। তাকে বাড়ি ছাড়তেও রাজি করিয়েছিল। ঘটনাটি ঘটার পর ওই পরিবার থেকে সোনার গয়না ও নগদ প্রায় ৮০ হাজার টাকাও খোয়া গিয়েছে (Roundup Week) বলে অভিযোগ।

    কিশোরীকে গণধর্ষণ

    পরিবারের দাবি, অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা আগেই বিষয়টি জানত (Hindus Under Attack)। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মধ্যপ্রদেশেরই বালাঘাট জেলার লালবাড়া থানা এলাকায় বছর পনেরোর এক কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ওই হিন্দু কিশোরীকে চারজন মুসলিম, যাদের মধ্যে আবার দু’জন নাবালিকাও রয়েছে, ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্তরা প্রথমে ওই কিশোরীর আপত্তিকর ভিডিও তোলে। পরে তা ব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে টাকা-পয়সা আদায় করতে থাকে। পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। পলাতক একজনের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। বিদেশের ছবিটাও খুব একটা আলাদা কিছু নয় (Hindus Under Attack)। আমেরিকার টেক্সাসে হনুমান মূর্তি প্রতিষ্ঠার পর এবং গণেশ চতুর্থীর শোভাযাত্রাকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দু-বিদ্বেষী আক্রমণ শুরু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এবার ক্যারোলিনায় নির্মীয়মাণ একটি মুরুগন মন্দিরকে ঘিরে নতুন করে হিন্দু- বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    হিন্দুদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি

    প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে থাকে এমন কিছু ধর্মীয় শিক্ষার ব্যাখ্যা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ, যেখানে হিন্দুদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি গেঁথে রয়েছে। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিদ্বেষের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। কিন্তু ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে (Roundup Week)। এটি হিন্দুফোবিয়া এবং ঘৃণাজনিত অপরাধ করার জন্য অনুকূল পরিবেশের সৃষ্টি করে। এই সূক্ষ্ম, অথচ রোজকার বৈষম্য চোখ এড়িয়ে যেতে পারে, যদি না কেউ বর্তমানে থাকা আইন ও কার্যপদ্ধতির ধারাবাহিক বিশ্লেষণ করে (Hindus Under Attack)।

    উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে দীপাবলিতে আতশবাজির ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞার কথা। আপাত দৃষ্টিতে এটি দূষণ-সংক্রান্ত বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বৃহত্তর পরিসরে যখন হিন্দু উৎসবগুলির ক্ষেত্রেই এমনতর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয় এবং এসব নিষেধাজ্ঞার নেপথ্য শক্তিশালী যুক্তির অভাব থাকে, তখনই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির মুখোশ খুলে পড়ে, বেরিয়ে পড়ে আসল মুখ (Hindus Under Attack)।

  • Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, লাভ জিহাদ, ‘ল্যান্ড জিহাদ’, আর কী?

    Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, লাভ জিহাদ, ‘ল্যান্ড জিহাদ’, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ৫ অক্টোবর থেকে এই মাসেরই ১১ তারিখ পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে।

    ভারতেও নিরাপদ নন হিন্দুরা (Hindus Under Attack)

    ধর্মনিরপেক্ষ ভারতেও নিরাপদ নন হিন্দুরা। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সুজাতা ভাট, যিনি বিতর্কিত ধর্মস্থল মামলার কেন্দ্রীয় চরিত্র, দাবি করেছেন যে তিনি এক রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ‘গুটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। তাঁর দাবি, ‘বুরুদে’ গ্যাংয়ের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই এবং তাঁকে মিথ্যা অভিযোগ করতে প্রলুব্ধ করে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। মুরথল রোডে অবস্থিত শ্রী রাম পার্কে ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীরা দোলনা ও বেঞ্চে ‘আই লাভ মহম্মদ’ ও ‘লাভ জিহাদ’–এর মতো আপত্তিকর স্লোগান লিখে দেয়। আলিগড়ের এক হিন্দু নার্সিং শিক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ফের সামনে এসেছে ‘লাভ জিহাদ’ ইস্যু। ১৮ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থী খায়ের রোডের একটি হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করছিলেন। অভিযোগ, তাঁর সহকর্মী মহম্মদ আবদুল প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে অপহরণ করেছে। পাঞ্জাবের জলন্ধরে “আই লাভ মহম্মদ” পোস্টার ইস্যুকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভা হিংসার আকার ধারণ করে। সেখানে মুসলিম বিক্ষোভকারী ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

    হিন্দু দেব-দেবীদের অবমাননা

    গুজরাটের ভাদোদরার পুলিশ খোদিয়ারনগরের বাসিন্দা নীলেশ নাঞ্জি জিতিয়াকে গ্রেফতার করেছে। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন যেখানে হিন্দু দেব-দেবীদের অবমাননা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। ওড়িশার কটকে দুর্গা প্রতিমার বিসর্জনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে এক প্রবীণ পুলিশ কর্তা-সহ বহু মানুষ জখম হন। অভিযোগ, স্থানীয় ইসলামপন্থীরা ঝাঞ্জিরমঙ্গলা ভাগবত সাহি পূজা কমিটির বিসর্জনের শোভাযাত্রায় বাজানো গান ও ধর্মীয় স্লোগানের প্রতিবাদ করে। এনিয়ে প্রথমে কথাকাটাকাটি ও পরে সংঘর্ষ শুরু হয়। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ, বোতল ছোড়ার খবর মিলেছে। কর্নাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলার পুলিশ সুপারের একটি রিপোর্টে মানবাধিকার কমিশনের ভুয়ো আধিকারিকদের একটি চক্রের হদিস পাওয়া গিয়েছে, যারা ধর্মস্থল মন্দির মামলায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছিল। তদন্তে (Roundup Week) বেঙ্গালুরুর জন সাইমন এবং হুব্বলির মাদন বুগুড়ি-সহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তারা মানবাধিকার কমিশনের নাম ভাঙিয়ে আধিকারিকদের ভয় দেখাত এবং মন্দিরকে ঘিরে মিথ্যা গল্প ছড়াত। উত্তরপ্রদেশের দেরাদুনের বিকাশনগরে আকিব নামে এক ব্যক্তি এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে অপহরণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পকসো আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেফতার করা হয়েছে আকিবকে (Hindus Under Attack)।

    ‘ল্যান্ড জিহাদ’

    মাইসুরু জেলার সালিগ্রামা শহর থেকে এক চাঞ্চল্যকর ‘ল্যান্ড জিহাদে’র ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, ইসলামপন্থীরা একটি সরকারি স্কুলের ভবনের একাংশ ভেঙে দিয়ে রাস্তা তৈরি করেছে। অভিযোগ, সেখানে অনুমোদন ছাড়াই শেড ও পার্কিং লট তৈরি করা হচ্ছে। চিত্রপতি সংভাজিনগরের চিকলঠানা এলাকায় গরু পাচার ও অবৈধ জবাই বিরোধী হিন্দু কর্মী গণেশ শেলকের ওপর হামলা চালায় উগ্র ইসলামপন্থীরা।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে হিন্দু মেয়েদের নিরাপত্তা ও আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক সংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান সমস্যাগুলি নিয়ে সারা অঞ্চলে তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সাহজনওয়া এলাকার নওশাদ চৌরাহায় স্থানীয় বাসিন্দারা একজনকে মারধর করে (Roundup Week)। সে বিহারের বাসিন্দা, নাম মনসুর আলি। অভিযোগ, সে এক হিন্দু মহিলাকে বোরখা পরতে বাধ্য করেছিল, তাকে নিয়েও পালানোর চেষ্টা করছিল (Hindus Under Attack)। কর্নাটকে হুব্বাল্লিতে রাজ্য সরকারের একটি অনুষ্ঠানে কোরানের আয়াত পাঠ করা হয়। বিরোধীদের অভিযোগ, শাসক দলের তোষণ নীতির জন্যই এভাবে সরকারি প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশের ছবি

    বাংলাদেশের ছবিটাও ভয়াবহ। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভুয়ো ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাবাচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ পুরসভা এলাকায় স্থানীয় থানার অদূরে নৃশংসভাবে খুন করা হয় জনৈক নারায়ণ পালকে (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Hindus Under Attack)।

  • Love Jihad: উত্তরপ্রদেশে ফের লাভ জিহাদের পর্দা ফাঁস, হিন্দুর ভেক ধরে প্রতারণা করে চলেছিল মুসলিম যুবক

    Love Jihad: উত্তরপ্রদেশে ফের লাভ জিহাদের পর্দা ফাঁস, হিন্দুর ভেক ধরে প্রতারণা করে চলেছিল মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খোঁজ মিলল ‘লাভ জিহাদ’ (Love Jihad) চক্রের হদিশ। উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এক হিন্দু তরুণীর দাবি, মহম্মদ নাভেদ ওরফে কাসিব পাঠান (Muslim Man Arrested) তার ধর্ম গোপন করে তাঁকে ফাঁদে ফেলে এবং তারপর ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল এবং পরে ইসলাম ধর্ম নিতে বাধ্য করে। ওই তরুণীর দাবি, বছর দুয়েক আগে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে তাঁর পরিচয় হয় কাসিব পাঠানের সঙ্গে। পাঠান মুসলমান পরিচয় লুকিয়ে ‘শিব ভার্মা’ নাম দিয়ে একটি ভুয়ো আইডি খোলে। ওই তরুণীর সঙ্গে কথাবার্তা চলাকালীন সে সব সময় নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দিত। তিলক এবং কলাওয়া পরে এবং হিন্দু দেব-দেবীর নামে শপথ নিয়ে পাঠান ওই তরুণীর বিশ্বাস অর্জন করেছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাঠানের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেম গাঢ় হয়।

    তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক (Love Jihad)

    অভিযোগ, বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাঠান ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। এজন্য পাঠান শাহজাহানপুরের মহল্লা সিনজাইয়ে একটি ঘরও ভাড়া নিয়েছিল। সেখানেও সে নিজেকে শিব ভার্মা বলেই পরিচয় দিয়েছিল। ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার সময় গোপন ক্যামেরা ব্যবহার করে অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে সে তাকে ব্ল্যাকমেলও করতে শুরু করেছিল। পাঠান ওই তরুণীকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতেও চাপ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। এদিকে, শারীরিক সম্পর্কের কারণে ওই তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়লে পাঠান ও তার পরিবারের সদস্যরা যার মধ্যে তার ভাই কাইফ ও সামান এবং তাদের বাবা-মা আলম খান এবং উজমা খান সবাই মিলে ওই তরুণীকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেয়। গর্ভপাত করতে অস্বীকার করলে পাঠান তাঁর পেটে লাথি মারে। তিন মাসের মাথায় গর্ভপাত হয়ে যায় ওই তরুণীর।

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হয়

    এর পর তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়। পাঠান তাঁর সঙ্গে মালিক এবং চাকরের সম্পর্কের মতো আচরণ করত। ওই তরুণী এর প্রতিবাদ করলে তাঁকে খুন করে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। তার পরেও নিতান্তই নিরুপায় হয়ে ওই তরুণী থেকে যান পাঠানের (Muslim Man Arrested) সঙ্গেই। ১১ জুলাই সুযোগ বুঝে ওই তরুণী পাঠানের মোবাইল পরীক্ষা করতে থাকেন। তখনই তিনি জানতে পারেন, পাঠান, তার ভাই কাইফ এবং তাদের বন্ধু আকিল হিন্দু মেয়েদের লাভ জিহাদের ফাঁদে ফেলার ষড়যন্ত্র করছিল। পাঠানের ফোনে লক্ষ্মী, মেধা এবং শত শত হিন্দু তরুণীর অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও-ও দেখতে পান। পরে ওই তরুণী সে সব নিয়ে পাঠানকে প্রশ্ন করলে, সে তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করে। পাঠান তাঁকে বলেছিল, হিন্দু মেয়েদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক (Love Jihad) স্থাপন করা মুসলমানদের কাছে খুবই পুণ্যের কাজ। তাই ওই তরুণী পাঠানকে নিরস্ত করতে পারবে না।

    লাভ জিহাদের মুখোশ

    পাঠানের লাভ জিহাদের মুখোশ খুলে পড়তেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। গত ১২ জুলাই তিনি প্রধান অভিযুক্ত কাসিব পাঠান, তার দুই ভাই কাইফ ও সমন, কাসিবের বন্ধু আকিল এবং কাসিবের বাবা-মা আলম খান ও উজমা খানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। পাঠানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, পাঠান শিব ভার্মা নামে হিন্দু যুবকের ছদ্মবেশ ধারণ করে অন্তত ১৮ জন হিন্দু মেয়েকে লাভ জিহাদের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে এবং পরে চাপ দিয়ে ধর্মান্তরিত করে (Love Jihad)। তদন্তকারীরা এও জানতে পারেন, পাঠান একা এই কাজ করছিল না। এই চক্রের সঙ্গে (Muslim Man Arrested) জড়িত ছিল তার ভাই কাইফ এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও।

    পাঠানের চারটি ভুয়ো ইনস্টাগ্রামের হদিশ

    তদন্তকারীরা পাঠানের চারটি ভুয়ো ইনস্টাগ্রামের হদিশ পেয়েছেন। এগুলিতে সব মিলিয়ে ১৯০০-রও বেশি ছবি ছিল, যার অনেকগুলিতেই বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে পাঠানের ছবি ছিল। তাঁদের ধারণা, এই প্রোফাইলগুলি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ, যেখানে মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা হত, মানসিকভাবে প্রভাবিত করা হত এবং পরে তাঁদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে সেই ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল করে ধর্মান্তরিত করা হত। পুলিশ সুপার অশোক কুমার মিনা বলেন, “অভিযুক্ত পাঠান জেরায় কবুল করেছে যে সে একই কৌশলে ১৮জন হিন্দু মেয়েকে টার্গেট করেছিল।” এই চক্রের সঙ্গে সম্প্রতি বললামপুরে ধরা পড়া আর একটি গ্রুমিং চক্রের (Muslim Man Arrested) সঙ্গে যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ (Love Jihad)।

  • Devendra Fadnavis: লাভ জিহাদ রুখতে আইন আনছে ফড়ণবীশ সরকার, তৈরি হল কমিটি

    Devendra Fadnavis: লাভ জিহাদ রুখতে আইন আনছে ফড়ণবীশ সরকার, তৈরি হল কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শুক্রবার দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের (Devendra Fadnavis) নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকার ৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করল। এই কমিটি লাভ জিহাদের (Love Jihad) বিরুদ্ধে আইনের খসড়া তৈরি করবে বলে জানা গিয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন মহারাষ্ট্র পুলিশের ডিজি। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মহারাষ্ট্রের ডিজিপি জানিয়েছেন যে ওই প্যানেল আলোচনা করবে মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক, সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রক, আইন মন্ত্রক, সামাজিক ন্যায় বিচার মন্ত্রকের সঙ্গে।

    কী বললেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis)

    একইসঙ্গে মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দফতরের সঙ্গেও আলোচনা চালাবে ওই কমিটি। জানা গিয়েছে, তারপরেই লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে কিরকম আইন আনা যেতে পারে সেরকম খসড়া তৈরি করা হবে। এ নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis) বলেন, এ ধরনের পরিকল্পনা আমরা আগেই নিয়েছিলাম। বিশেষত সেই ধরনের কেসগুলিতে যেখানে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ করানো হয়, লাভ জিহাদের মাধ্যমে। প্রসঙ্গত, ধর্মান্তকরণ করানোর অনেক অভিযোগই সামনে আসে দেশের একাধিক রাজ্যে। এ নিয়ে উত্তরপ্রদেশে সহ অন্যান্য রাজ্যে আইন চালু রয়েছে।

    এমন আইন আসতে পারে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis)

    লাভ জিহাদ রুখতে যে কমিটি তৈরি করা হয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারা বর্তমান স্থিতিকে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সেই মতোই আইনের খসড়া তৈরি করবে। এই নথি গুলি নিয়ে আলোচনা করা হবে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে। এর পাশাপাশি নাগরিক সমাজকেও লাভ জিহাদ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের বিষয়ে অবগত করানো হবে। ২০২৩ সালেই দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis) এনিয়ে বলেছিলেন। প্রসঙ্গত, সেসময় তিনি ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী। সেসময় তিনি বলেছিলেন, যে অনেক ঘটনাই সামনে আসছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে মেয়েদের বিয়ে করে তাঁদেরকে ধর্মান্তকরণ করে নেওয়া হয়েছে। তাই চারিদিক থেকে দাবি উঠছে এর বিরুদ্ধে আইন তৈরির জন্য। ২০২৩ সালে তিনি যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তাতে সিলমোহর পড়ল ২০২৫ সালে।

  • VHP: ছ’মাসে ৬৬ হাজার হিন্দুকে রক্ষা করেছে ভিএইচপি, দাবি সংগঠনের

    VHP: ছ’মাসে ৬৬ হাজার হিন্দুকে রক্ষা করেছে ভিএইচপি, দাবি সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের শেষ ছ’মাসে ৬৬ হাজার হিন্দুকে রক্ষা করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। এঁরা অন্য ধর্মের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন।

    লাভ জিহাদ (VHP)

    পরিষদের দাবি, লাভ জিহাদের (Love Jihad) হাত থেকে তারা রক্ষা করেছে ৩ হাজার তরুণীকে। শনিবার প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ নগরের সেক্টর ১৮তে তিনদিনের শিবির চলছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। লাভ জিহাদের নামে হিন্দু তরুণীদের ভিন ধর্মে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা এ দেশে নতুন নয়। এভাবেই বহু মুসলমান ধর্মান্তরিত করেছেন হিন্দু মহিলাদের। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সক্রিয় হওয়ায় সেই হার কিছুটা কমেছে বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর।

    ঘর ওয়াপসি

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি, গত বছরের শেষ ছ’মাসে তারা ১৯ হাজার হিন্দুকে ঘরে ফিরিয়েছেন। এঁরা হিন্দু ধর্ম ছেড়ে অন্য ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। পরিষদের দাবি, এই ১৯ হাজারের ঘর ওয়াপসি সম্পন্ন হয়েছে সম্মতি, আধ্যাত্মিক এবং আইনি পরামর্শের মাধ্যমে। যাঁরা হিন্দু ধর্মে ফিরে আসতে ইচ্ছুক, তাঁদের কাছ থেকে হলফনামাও নেওয়া হয়েছে (VHP)। কেবল হিন্দু নন, গো-মাতাও রক্ষা করেছে পরিষদ। এই সময়সীমায় তারা অবৈধ কষাইখানা থেকে রক্ষা করেছে ৯৭ হাজার ৯৩৪টি গরুকে।

    গত মাসেই হিন্দুদের এই সংগঠন দাবি করেছিল, হিন্দু জন্মহার হ্রাস পাচ্ছে। তারা এও বলেছিল, প্রতিটি হিন্দু পরিবারে অন্তত তিনটি সন্তান থাকা উচিত। আয়োজিত সন্ত সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বজরংলাল বাংড়া বলেন, “হিন্দুদের কমে যাওয়া জন্মহার দেশের হিন্দু জনসংখ্যায় ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করেছে। হিন্দু সমাজের সম্মানিত সাধুরা আহ্বান জানিয়েছেন যে প্রতিটি হিন্দু পরিবারে অন্তত তিনটি সন্তানের জন্মগ্রহণ করা উচিত।” তাঁর দাবি, ভারতে হিন্দুরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে, যেমনভাবে বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর নিরবচ্ছিন্নভাবে নিপীড়ন (Love Jihad) চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার স্বৈরাচারী ও সীমাহীন অধিকার নিয়ন্ত্রণের জন্য ওয়াকফ বোর্ডের ওপর একটি আইন প্রণয়নের কাজ করছে (VHP)।”

  • Love Jihad: লাভ জিহাদের অভিযোগ ভোপালে, কোর্ট চত্বরে স্থানীয় বাসিন্দারা চড়াও অভিযুক্তের ওপর

    Love Jihad: লাভ জিহাদের অভিযোগ ভোপালে, কোর্ট চত্বরে স্থানীয় বাসিন্দারা চড়াও অভিযুক্তের ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদের (Love Jihad) অভিযোগ উঠল ভোপালে। মধ্যপ্রদেশের ভোপালে (Bhopal) ১৮ বছর বয়সি এক হিন্দু মহিলাকে বিয়ে করতে আসে এক মুসলিম ব্যক্তি। এরপরেই লাভ জিহাদের অভিযোগে ভোপালের জেলা আদালত চত্বরে স্থানীয় বাসিন্দারা চড়াও হয় ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির ওপরে। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এরপরেই ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুখ হলেন ওই হিন্দু মহিলার মা। তিনি জানান, ওই ব্যক্তি নানাভাবে তাঁর মেয়েকে উত্যক্ত করত। এ কথা শোনার পরেই ভোপালের পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করে। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় ভোপালজুড়ে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বেরিলি আদালত লাভ জিহাদ (Love Jihad) নিয়ে একটি পর্যবেক্ষণ দেয়। কোর্ট জানায়, এটি এমন একটি কাজ যেখানে মুসলমান পুরুষরা পরিকল্পিতভাবে হিন্দু নারীকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য টার্গেট করে মিথ্যে বিয়ের নামে ছদ্মবেশে ভালোবাসার নামে প্রতারণা করে।

    লাভ জিহাদ, কী বলল আদালত (Love Jihad)

    উত্তরপ্রদেশের বেরিলি আদালতের মতে, ‘লাভ জিহাদ ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু অরাজকতাবাদী উপাদান দ্বারা ভারতের ওপর আধিপত্য স্থাপনের চেষ্টা। এটি একটি জনসংখ্যাগত যুদ্ধ, যা সম্ভবত একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। সম্প্রতি এই আদালতই এক মুসলমান যুবককে এক হিন্দু মহিলাকে বারংবার ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। ৪২ পাতার একটি নির্দেশে অতিরিক্ত জেলা ও সেশন বিচারক রবি কুমার দেওয়াকার জানান, লাভ জিহাদের মাধ্যমে অবৈধ ধর্মান্তরণ একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ এবং তিনি ভারত সরকারকে এর গুরুতর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। অভিযোগ, লাভ জিহাদের (Love Jihad) অপরাধটা একটা সিন্ডিকেট দ্বারা চালানো হচ্ছে। যারা অ-মুসলিম, তফসিলি জাতি-উপজাতি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের দুর্বল অংশের মানুষদের মগজ ধোলাই করে নারী ও শিশুদের প্রভাবিত করছে।

    উত্তরপ্রদেশের ঘটনা

    উত্তরপ্রদেশের ওই ঘটনায় একটি কোচিং সেন্টারে কম্পিউটার কোর্স করতে গিয়ে অভিযুক্ত মহম্মদ আলমের সঙ্গে পরিচয় হয় এক হিন্দু তরুণীর। আলম ওই তরুণীকে আনন্দ বলে পরিচয় দেন। এই পরেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে আলম। শারীরিক সম্পর্কের এই ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করে আলম। অভিযোগ, তারপর থেকে নানা সময় ব্ল্যাকমেইল করে ভিডিওটি দেখিয়ে ওই তরুণীকে একাধিকবার হোটেলে যেতে বাধ্য করে। তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়লে, গর্ভপাতও করানো হয়। এরপরে হিন্দু ওই তরুণীকে আলম ও তার পরিবার ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করার চেষ্টা করে। তাতে রাজি না হওয়ায় ওই তরুণীকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয়। এরপরেই মামলা দায়ের হয় আদালতে। তারই পর্যবেক্ষণে বরেলি আদালত এমন মন্তব্য করে।

  • Uttarakhand: লাভ জেহাদ ও ল্যান্ড জেহাদের বিরুদ্ধে উত্তরাখণ্ডে মহা পঞ্চায়েত সভা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    Uttarakhand: লাভ জেহাদ ও ল্যান্ড জেহাদের বিরুদ্ধে উত্তরাখণ্ডে মহা পঞ্চায়েত সভা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত রবিবার, ১ ডিসেম্বর, বেশ কতগুলি হিন্দু সংগঠন মিলে উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) উত্তরাকাশিতে মহা পঞ্চায়েত সভার আয়োজন করে। এই সভার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হয় দেবোত্তর সম্পত্তিতে অবৈধ মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডে লাভ জেহাদ ও ল্যান্ড জেহাদের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানানো হয়। ওই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির ছিলেন হায়দরাবাদের বিজেপি নেতা রাজা সিং।

    কী বললেন বক্তারা?

    সভায় রাজা সিং (T Raja Singh) বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ধামির উচিত, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে একটি চায় পে চর্চা করার। কারণ যোগী আদিত্যনাথই ধামিকে বলতে পারতেন ঠিক কিভাবে ল্যান্ড জেহাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আমরা কখনও ল্যান্ড জেহাদকে উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) প্রশ্রয় দেব না।’’ অন্যদিকে, গঙ্গোত্রির বিধায়ক সুরেশ সিং চৌহান সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এবং তিনি বলেন, ‘‘কোথাও কোথাও এই শহরের ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা তা সফলতা দেব না। এখানে কোনও রকমের মাংস, ডিম বা মদের দোকান আমরা তৈরি করতে দেব না।’’

    জেলা প্রশাসন শর্ত সাপেক্ষে সভার অনুমতি দেয় 

    প্রসঙ্গত মহা পঞ্চায়েতসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে জেলা প্রশাসন বেশ কিছু শর্ত চাপায় হিন্দু সংগঠনগুলির (Uttarakhand) ওপর। সেখানে বলা হয় যে এমন কিছু বক্তব্য রাখা যাবে না, যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়। জানা গিয়েছে, এই সম্মেলনটির আয়োজন করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং এই সম্মেলনে ৫০০ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে উদ্যোক্তারা (Uttarakhand) আরও বড় মহাপঞ্চায়েত সভার করার বিষয়ে জানিয়েছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা অনুজ ওয়ালিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এটা তো শুরু আমরা উত্তরাখণ্ড জুড়ে আরও সভা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share