Tag: love jihad

love jihad

  • Neha Hiremath Murder: কর্ণাটকের নেহা হত্যাকাণ্ডে ৪৮৩ পৃষ্ঠার চার্জশিটে উল্লেখ নেই লাভ জিহাদের

    Neha Hiremath Murder: কর্ণাটকের নেহা হত্যাকাণ্ডে ৪৮৩ পৃষ্ঠার চার্জশিটে উল্লেখ নেই লাভ জিহাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্ণাটক পুলিশ এমসিএ ছাত্রী নেহা হিরেমাথ হত্যায় (Neha Hiremath Murder) লাভ জিহাদের (Love Jihad) বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছে। হুবলি আদালতে দায়ের করা চার্জশিটে পুলিশ বলেছে, বিয়ে করতে অস্বীকার করায় নেহাকে খুন করা হয়েছে। এই চার্জশিটে খুনের বিবরণ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ থাকলেও অভিযুক্ত মোহাম্মদ ফায়াজের বিরুদ্ধে লাভ জিহাদের বিষয়টিকে সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। মূলত ফায়াজের হতাশাকে খুনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে। চার্জশিটে নৃশংস হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে। পুলিশ আইপিসির ৩০২, ৩৪১ এবং ৫০৬ ধারায় ফায়াজ কোন্ডিকাপ্পাকে অভিযুক্ত করেছে। বিস্তৃত চার্জশিটে ৯৯ জনের সাক্ষ্য রয়েছে, যার মধ্যে নেহার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য রয়েছে। বাবা, মা, ভাই, সহপাঠী, বন্ধু এবং বিভিবি কলেজের লেকচারার।

    পরিকল্পনা করে খুন করে ফায়াজ (Neha Hiremath Murder)

    চার্জশিটে বলা হয়েছে, ফায়াজ এবং নেহা ২০২০-২১ সালে হুবলির পিসি জাবীন কলেজে সহপাঠী ছিলেন। সেই সময় তাঁরা বন্ধু হয়ে ওঠে এবং ২০২২ সালে তাঁদের প্রেম শুরু হয়। ২০২৪ সালে, দুজনের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয় এবং নেহা ফায়াজের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। উপেক্ষা করার পর ফায়াজ তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ পোষণ করতে থাকে এবং তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ২০২৪ সালের ১৮ এপ্রিল, ফায়াজ তাঁকে ছুরি দিয়ে (Neha Hiremath Murder) হত্যা করে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নেহাকে আক্রমণ করার আগে ফায়াজ তাকে চিৎকার করে বলে, এতদিন প্রেম করার পরেও কেন তাঁকে বিয়ে করবে না। তারপর সে বলে, তোকে ছাড়ব না এবং এরপরেই নেহার গলায় ছুরিকাঘাত শুরু করে। এর পর বুকে ও ঘাড়ে ছুরি দিয়ে নৃশংস ভাবে আঘাত করে। ৩০ সেকেন্ডে ১৪ বার ছুরি মারা হয়েছিল এবং এর কারণে তার গলার শিরা কেটে যায়। যার ফলে প্রচুর পরিমাণে রক্ত ​​বের হয়। পরে নেহার মৃত্যু হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ফায়াজ পরে ছুরিটি ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যায়।

    ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিচ্ছিল অভিযুক্ত (Love Jihad)

    খুনের তিন দিন আগে ফায়াজ ধারাওয়াদের আর্য সুপার মার্কেট থেকে ছুরি কেনে। অপরাধের দিন কলেজ ক্যাম্পাসে ঢোকার সময় সে একটি লাল টুপি কিনে কালো মাস্কে মুখ ঢেকেছিল। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে সিআইডি সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করেছে। হত্যার (Neha Hiremath Murder) ৮১ দিন পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আদালতে চার্জশিট পেশ করা হয়। লোকসভা নির্বাচনের আগে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনা রাজ্যকে হতবাক করেছিল। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বরা ঘটনাটিকে প্রেম-সম্পর্কিত বিষয় হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন, যার জেরে রাজ্যের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছিল।

    আরও পড়ুন: মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য! প্রথম বার স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেল ভারত

    পরে তাঁরা দুজনেই তাঁদের বক্তব্যের জন্য নেহার পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। নেহার বাবা-মা দাবি করেছিলেন, তাঁদের মেয়েকে অভিযুক্ত ফায়াজ ধর্ম পরিবর্তন (Love Jihad) করে বিবাহের জন্য চাপ দিচ্ছিল এবং নির্যাতন করেছিল। নেহা বিবাহের জন্য ধর্ম পরিবর্তনে করতে না চাওয়ায় তাঁকে খুন হতে হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: প্রেমের ফাঁদ পাতা বাংলাদেশে! হিন্দুদের নিয়ে গিয়ে চলছে ইসলামে দীক্ষিতকরণ

    Love Jihad: প্রেমের ফাঁদ পাতা বাংলাদেশে! হিন্দুদের নিয়ে গিয়ে চলছে ইসলামে দীক্ষিতকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অপহরণ করে বাংলাদেশে নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে হিন্দু নারী-পুরুষ-শিশুদের। পরে জোর করে তাঁদের করা হচ্ছে মুসলমান ধর্মে ধর্মান্তকরণ (Love Jihad)। জানা গিয়েছে, পাচারকারীরা নানা অছিলায় হিন্দু তরুণীদের নিয়ে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশে। সেখানেই চলছে জোর করে ধর্মান্তকরণ। সম্প্রতি এমনই ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় তাজ্জব প্রশাসন।

    অপহৃত হিন্দু কিশোরী (Love Jihad)

    কিছু দিন আগেই বাংলাদেশের সিপাহিজেলা থেকে অপহৃত হয় বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী। জনৈক সাব্বির আহমেদ ও তার বাবা তাকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ। এর পরেই বাংলাদেশ প্রশাসন বর্ডার গার্ডকে (বিবিজি) এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। ভারত থেকে অপহৃত মহিলা কিংবা তরুণীকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার সময় পাকড়াও করার নির্দেশও দেওয়া হয়। বিবিজিকে এই নির্দেশ দেওয়া হলেও, স্থানীয় ম্যারেজ রেজিস্ট্রার এবং আদালতকে এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়নি। তার জেরেই বন্ধ হয়নি তরুণী অপহরণ কিংবা জোর করে ধর্মান্তকরণ (Love Jihad)। ফলশ্রুতি হিসেবে বাংলাদেশে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে লভ জিহাদ ও হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তকরণ।

    অপহৃত ১১ জন গ্রেফতার

    এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে বলে ২০২০ সালে বাংলাদেশের কিছু মিডিয়া খবর করে। সেই সংবাদ প্রতিবেদনের লিঙ্ক শেয়ার করা নিষিদ্ধ করে দেয় ফেসবুক, কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘনের অজুহাতে। বাংলাদের নামী দৈনিক ‘যুগান্তর’ ও নিউজ পোর্টাল ‘জাগো নিউজ’ একটি প্রতিবেদনে জানায়, রামগঞ্জ উপজিলার লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে স্থানীয় পুলিশ গ্রেফতার করেছে ১১ জন ভারতীয় নাগরিককে। এদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে অপহরণ করে নিয়ে আসা হয়েছিল, করা হয়েছিল ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণও। মৌলবাদী ঘৃণা প্রচারক মিজানুর রহমান আজহারি স্বয়ং ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠান করেছিল। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছিল, ২০০৬ সালে মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে নিখোঁজ হয়ে যায় স্থানীয় কাউন্সিল সদস্য ফতেমা বেগম ও মোজিবল হকের ছেলে মনির হোসেন।

    ওপার বাংলার মনির এপারে এসে শঙ্কর!

    পশ্চিমবঙ্গে এসে সে যোগ দিয়েছিল তবলিঘি জামাতে। শঙ্কর অধিকারী নাম নিয়ে দিব্যি সে বাস করছিল এপার বাংলায়। এখানেই সে এক হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে। এক দশকেরও বেশি সময় এ দেশে বসবাস করার পর মনির ও তাঁর স্ত্রী ফাঁদে পড়ে তবলিঘি জামাতের। ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। জামাতের তরফে মনির ওরফে শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের এক ব্যক্তির পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশি এই নাগরিক মনিরকে হিন্দু তরুণী ও মহিলাদের বাংলাদেশের পাচারের অফার দেয়। তাঁদের ইসলামে দীক্ষিত করাতে হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। তার বিনিময়ে মনিরকে ওই বাংলাদেশি মোটা টাকা মিলবে বলেও টোপ দেয়। টোপ গেলে মনির। জানা গিয়েছে, এ রাজ্যের ছ’জন মহিলা, যাঁদের অধিকাংশই তার স্ত্রীর (যিনি আদতে হিন্দু) আত্মীয়, তাঁদের ভিসা দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশে। মনিরের স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও পাঠানো হয় তাঁদের সঙ্গে। সেখানে তাঁদের প্রত্যেককেই জোর করে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত করা হয়।

    লভ জিহাদের ফাঁদ

    ‘যুগান্তরে’র অন্য এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচাং উপজিলার হিন্দু মহিলা করফুল সরকারকে লভ জিহাদের ফাঁদে ফেলে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হয়। সে পড়েছিল কাজল মিঞার খপ্পরে। প্রেমের জালে (Love Jihad) জড়িয়ে তাঁকে মুসলমান করার পর ফের হিন্দু ধর্মে ফিরে আসেন করফুল। এতেই খেপে যান স্থানীয় মুসলমান নেতারা। তাঁকে তাঁর বাবার বাড়ির বাইরে বসবাস করতে বাধ্য করেন। শর্ত দেওয়া হয়, তাঁর বাবা-সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হিন্দু ধর্ম ছেড়ে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হলে, তবেই মিলবে এক সঙ্গে বসবাসের অনুমতি।

    হিন্দু পরিবারকে মুসলমান হতে চিঠি!

    বাংলাদেশের এক প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক শামিম আহমেদ। সে-ও এক হিন্দু তরুণীকে অপহরণ করে বিয়ে করে জোর করে দীক্ষিত করে মুসলমান ধর্মে। পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করায় গ্রেফতার করা হয় শামিমকে। ২০২৩ সালের অগাস্টে কয়েকজন মুসলমান ঐশী বণিক নামে এক হিন্দু তরুণীকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে বাধ্য করে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার নামকরা বাংলা দৈনিক ‘ইত্তেফাকে’র একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ, সে দেশের কয়েকজন মুসলমান মাগুরা জেলার ৫০টি হিন্দু পরিবারকে মুসলিম ধর্মে দীক্ষিত হতে হবে বলে চিঠি দেয়। ওই ঘটনায় চারজন মুসলমানকে গ্রেফতার করেছিল বাংলাদেশের প্রশাসন। যদিও তারা প্রত্যেকেই জামিন পেয়ে যায়।

    অন্য একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, সৌদি আরবে ৩ লাখ ৪৭ হাজার হিন্দুকে ইসলামি গ্রুপের তরফে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার টোপ দেওয়া হয়। ৩ লাখ ৪৭ হাজার হিন্দু ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন বলে ভুয়ো খবরও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পাকিস্তান এবং আরও কয়েকটি দেশেও রমরমিয়ে চলছে জোর করে ধর্মান্তকরণের ব্যবসা।

    আর পড়ুন: রেকর্ড গড়ল বিজেপি, বিরোধীশূন্য মধ্যপ্রদেশ পদ্মময়

    বাংলাদেশেরই আর একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ক্রমাগত চাপের কাছে নতি স্বীকার করে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশের মাদারিপুরের হিন্দু দম্পতি অশোক মিত্র ও তাঁর স্ত্রী পার্বতী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এই মাসেই জনৈক সাগরিকা দাস লভ জিহাদের খপ্পরে পড়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে বাধ্য হন। চেন্নাই পুলিশ কীভাবে আন্তর্জাতিক লভ জিহাদের একটি ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছিল, সে খবর ফাঁস করে বাংলাদেশের নিউজ পোর্টাল ‘বাংলা ট্রিবিউন’।

    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ হিসেবে, তখন জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল অনেক হিন্দু পরিবার। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৪ বছর আগে। যদিও আজও সেই ট্র্যাডিশন সমানে (Love Jihad) চলছে…

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Love Jihad: ফের লাভ জিহাদের বলি যুবতী, পুনম খুনে কাঠগড়ায় নিজাম

    Love Jihad: ফের লাভ জিহাদের বলি যুবতী, পুনম খুনে কাঠগড়ায় নিজাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের লাভ জিহাদের (Love Jihad) বলি যুবতী। এবার ঘটনাস্থল টিনশেল টাউন মুম্বই। নভি মুম্বইয়ের উরান শহরের ঘটনা। কম্বলে মোড়া অবস্থায় উদ্ধার হয় বছর সাতাশের পুনম ক্ষীরসাগরের ক্ষতবিক্ষত দেহ। জানা গিয়েছে, নিজাম নামে পেশায় ট্যাক্সিচালক এক যুবকের সঙ্গে বছর চারেক ধরে সম্পর্ক ছিল পুনমের। ঘটনার জেরে মুম্বইবাসীর স্মৃতিতে ফের টাটকা হয়ে উঠল দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকর খুনের ঘটনা।

    পুনমকে নিয়ে যায় নিজাম (Love Jihad)

    জানা গিয়েছে, ১৮ এপ্রিল নিজাম মানখুর্দ এলাকা থেকে পুনমকে নিয়ে যায় ঠানে জেলার কল্যাণ এলাকায়। তার পরের দিনই উদ্ধার হয় পুনমের লাশ। উরান এলাকায় কম্বলে মোড়া অবস্থায় পড়েছিল তাঁর দেহ। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে  ২৫ এপ্রিল (Love Jihad) ওই যুবতীর পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ১৯ এপ্রিল পুনম নিখোঁজ হয়েছেন বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের বাসিন্দা নিজামের নাম। পেশা সূত্রে সে থাকে মুম্বইয়ে। নিজামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    নিজাম বিবাহিত, রয়েছে সন্তানও

    জানা গিয়েছে, নিজাম যে বিবাহিত, তা জানতেন না পুনম। নিজামের যে একটি সন্তান রয়েছে, তাও জানতেন না ওই যুবতী। নিজামের সঙ্গে পুনমের আলাপ ফোনে। পরে সম্পর্ক গাঢ় হয়। নিজের বিবাহিত জীবনের কথা চেপে যায় নিজাম। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রিসভার সদস্য তথা বিজেপি নেতা মঙ্গল প্রভাত লোধা দেখা করেন পুনমের পরিবারের সঙ্গে। আশ্বাস দেন পাশে থাকার। তিনিই জানান, নিজামই পুনমকে কল্যাণ এলাকায় নিয়ে গিয়েছিল। সেখানেই ঘটে খুনের ঘটনা। শহরে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশির ভিড় বাড়ায় যে এই ঘটনা ঘটছে, তাও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: আমেঠি, রায়বরেলিতে প্রার্থী হতে চাইছেন না রাহুল, প্রিয়ঙ্কা! কেন জানেন?

    ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর দিল্লির ছতরপুরের কাছের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়েছিল নিখোঁজ তরুণী শ্রদ্ধা ওয়ালকারের দেহ। শ্রদ্ধাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল, তাঁরই ছায়াসঙ্গী আফতাব আমিন পুনাওয়ালার বিরুদ্ধে। পুলিশের চার্জশিটেও বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১৮ মে দিল্লির মেহেরৌলিতে একত্রবাসে থাকা প্রেমিকা শ্রদ্ধাকে খুন করেন আফতাব। আমেরিকার এক ওয়েব সিরিজ থেকে প্রেরণা পেয়ে শ্রদ্ধাকে ৩৫ টুকরো করেছিল আফতাব (Love Jihad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন আরও এক ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে আরও এক হিন্দু তরুণী। এবারের ঘটনাস্থল বিহার। এখানকার এক দলিত হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে নেপালে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সমীর আলম নামে এক বিবাহিত যুবককে (Love Jihad)।

    লাভ জিহাদ (Love Jihad)

    জানা গিয়েছে, বিহারের নারকাটিয়াগঞ্জের বছর ছাব্বিশের সমীর মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোর করে সিঁদুর পরিয়ে দেয় বছর সতেরোর মেয়েটির সিঁথিতে। পরে নাবালিকা বুঝতে পারে, পরিচয় গোপন করে তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে সমীর। এরপর সমীর মেয়েটিকে কার্যত ঘরবন্দি করে রাখে। বার দুয়েক পালানোর চেষ্টা করলেও, সফল হয়নি সে (Love Jihad)। এর পরেই মেয়েটিকে নেপালে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সমীর। সেই মতো মেয়েটিকে নিয়ে সে রওনা দেয় নেপালের উদ্দেশে। সীমান্তে সমীরকে জেরা করেন সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা।

    পাচারে যুক্ত অভিযুক্ত আলম!

    এই প্রথম নয়, সমীর আগেও মিথ্যা পরিচয় দিয়ে হিন্দু তরুণীদের বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করে নেপালে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। সমীর এবং ওই মেয়েটিকে নিয়ে থানায় যান সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় সমীরকে। তদন্ত চালাতে গিয়ে পুলিশ সমীরের মোবাইল থেকে আপত্তিকর কিছু ভিডিও এবং ছবিও উদ্ধার করেছে। সমীর যে নারী পাচারে যুক্ত, তাও জেনেছেন তদন্তকারীরা। ২০২২ সালের ১১ মে-ও এক হিন্দু দলিত মেয়েকে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    হিন্দু মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ কর্নাটকে

    এদিকে, বছর আঠাশের এক বিবাহিত মহিলাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরণ করার অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামী-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল কর্নাটক। ওই মহিলার অভিযোগ, রফিক নামের এক ব্যক্তির খপ্পরে পড়েন তিনি। নিজের স্ত্রীর সামনেই রফিক তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁকে বোরখা পরতেও বাধ্য করে। নিষেধ করা হয় সিঁদুর পরতেও। এমনকী, রফিকের স্ত্রী ওই মহিলাকে রফিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহ দেয়। পরে ওই মহিলার ছবি তুলে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে রফিক। সিঁদুর পরতে না দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ আদায় করতেও বলে রফিক। ইসলামে ধর্মান্তরিত হতেও দেওয়া হয় চাপ। গ্রেফতার করা হয়েছে রফিককে (Love Jihad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Karnataka: কর্নাটকে লাভ জিহাদ, কলেজেই কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা মুসলিম সহপাঠীর

    Karnataka: কর্নাটকে লাভ জিহাদ, কলেজেই কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা মুসলিম সহপাঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্য়েই কর্নাটকে (Karnataka) কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে খুন করা হল। ছুরির কোপ মেরে কংগ্রেস নেতা নীরঞ্জন হিরেমাথের মেয়েকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্তর প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার তাঁকে খুন করা হয়, দাবি নিহত নেহা হীরেমাথের পরিবারের। এই ঘটনাকে লাভ-জিহাদের (Love Jihad) আখ্যা দিয়েছে নিহতের পরিবার। তবে ঘটনাটিকে আড়াল করতে উঠে পড়ে লেগেছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। এই নিয়ে সিদ্দারামাইয়া প্রশাসনকে তুলোধনা করেছে কর্নাটক বিজেপি। 

    কী ঘটেছিল

    কর্নাটকের কেএলই টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্য়ালয়ে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনের স্নাতকোত্তরের (MCA) প্রথম বর্ষে পড়তেন নেহা। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ফয়াজ নেহার পরিচিত। বেলাগাভি জেলার সাভাদত্তির বাসিন্দা ফয়াজও ওই একই কলেজে পড়ত। তবে ছয় মাস আগে পরীক্ষায় ফেল করার পর কলেজে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল সে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে কলেজে আসে ফয়াজ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, নেহা পিছনের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ফয়জের সঙ্গে সামান্য কথোপকথনে জড়ান। হঠাৎই ফয়াজ তাঁর উপর আক্রমণ চালায়। পরপর এলোপাথাড়ি ছুরির কোপ মারতে থাকে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন নেহা। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। খুনের পর ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত। হুব্বালি ধরওয়াদের পুলিশ কমিশনার রেনুকা সুকুমার জানিয়েছেন, অপরাধের পর পালিয়ে গেলেও তাকে ৩০ মিনিটের মধ্য় গ্রেফতার করা হয়েছে। 

    নিজের সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কাউন্সিলর 

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন নিহত নেহার বাবা কংগ্রেস কাউন্সিলর নিরঞ্জন হিরেমাথ। সম্প্রতি সিদ্দারামাইয়া বলেন, ব্যক্তিগত কারণে নেহাকে খুন করা হয়েছে। নিরঞ্জন এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, “এই মন্তব্য হতাশাজনক। পরিস্থিতির সম্পূর্ণ না বুঝে এই ধরনের বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।”  “ব্যক্তিগত কারণ” শব্দটি অন্যায়ভাবে হিরেমাথ পরিবার এবং তার মেয়ের সুনামকে কলঙ্কিত করতে পারে, বলে মনে করেন নিরঞ্জন। তাঁর কথায়, কোনওদিনই নেহা ও অভিযুক্ত ফয়াজের মধ্যে কোনও সম্পর্ক ছিল না।তাঁরা শুধু এক কলেজে পড়তেন। ফয়াজ নেহাকে বিরক্ত করত। নেহা প্রত্যাখ্যান করায় তাঁকে খুন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    ন্যায়বিচারের জন্য প্রতিবাদ

    দলিত সংগঠনের সদস্যরা নেহার ন্যায়বিচারের দাবিতে এবং অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ করেছে। শ্রী রাম সেনার প্রধান প্রমোদ মুতালিকও এই জঘন্য অপরাধের তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেহার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন।  এবিভিপি সদস্যরা বিভিবি কলেজের কাছে ব্যস্ত হুবলি-ধারওয়াদ রোড অবরোধ করে হুব্বলিতে বিক্ষোভ করেছে। বেলাগাভিতেও বিক্ষোভ দেখিয়েছে এবিভিপি কর্মীরা। বজরং দলের কর্মীরা এবং হিন্দু জন জাগৃতি সমিতির সদস্যরা অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছে। সিদ্দারামাইয়া প্রশাসনের আমলে কর্নাটকের আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি। দলের মুখপাত্র শেহজাদ পুনেওয়ালা ও গৌরব ভাটিয়া কংগ্রেসের সংবেদনহীনতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদের শিকার তরুণী! খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দিল যুবক

    Love Jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদের শিকার তরুণী! খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দিল যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসল পরিচয় গোপন করে, রীতিমত হিন্দু নাম নিয়ে হিন্দু তরুণীকে লাভ জিহাদের শিকারের অভিযোগ উঠল মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। শুধু তরুণীকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে রেহাই মেলেনি,  বিয়ের পর একেবারে খুন করে নদীতে ভাসিয়ে স্বস্তি নিয়েছে মুর্শিদাবাদের যুবক (Murshidabad) রাজু শেখ (Raju Sheikh)। ভয়ঙ্কর এই খুনের ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার (Odhisha) ভুবনেশ্বরে। অভিযুক্ত রাজু শেখ সহ আরও দুজন সাগরেদকে গ্রেফতার করেছে ধৌলি (Dhauli) থানার পুলিশ। ঘটনায় সারা দেশে ব্যাপক চাঞ্চাল্য ছড়িয়েছে।

    ফোনে তরুণীকে প্রেম ফাঁসায়

    চলতি এপ্রিল মাসের ৮ তারিখ ওড়িশার ধৌলি পুলিশ থানা এলাকার দয়া নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হয়েছে এক তরুণীর মৃতদেহ। পুলিশ তদন্ত নেমে ওই তরুণীকে ভাগ্য ডাকুয়া (Bhagya Dakua) (১৯) নামে শনাক্ত করেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি মোটর বাইক উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত নেমে মূল অভিযুক্ত সহ অপর দুই যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের রাজু শেখ কর্মসূত্রে ওড়িশায় থাকছিল। সেখানে একদিন ভাগ্য-র সঙ্গে আলাপ হয় তার। এরপর ফোনে তরুণীকে প্রথমে নিজের নাম রাজু এবং ধর্ম হিন্দু জানিয়েছিল। এরপর উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    ধর্ম পরিবর্তনের জন্য জোর করা হয়

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণীকে পরিবার থেকে বের করে ভুবনেশ্বরের (BhuBaneswar) কাছে শিশুপালগড় (Sishupalgarh) এলাকায় দুজনেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে থাকতে শুরু করেছিল। এর পরেই নেমে আসে তরুণীর উপর ধর্মপরিবর্তনের চাপ। ভাগ্য জানতে পারে, রাজু হিন্দু নয় মুসলিম। এরপর নিজের ধর্ম ছাড়তে নারাজ হয় তরুণী। কিন্তু ভাগ্যের উপর ধর্মপরিবর্তনের প্রবল চাপ দিয়ে চলে অকথ্য অত্যাচার। শেষ পর্যন্ত ধর্মপরিবর্তনে রাজি না হওয়ায় তাকে খুন করে দয়া নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।

    তরুণীর পরিবারের বক্তব্য

    তরুণীর পিতা হিনা ডাকুয়া বলেন, “তিন মাস আগে এক যুবক আমার মেয়েকে মিথ্যা প্রেমের নাটক করে বাড়ি থেকে নিয়ে চলে যায়। এরপর কয়েকজন মিলে মেয়েকে খুন করার পর দেহ দয়া নদীতে ভাসিয়ে দেয়। আমরা দোষীর ফাঁসি চাই।” পুলিশ তড়িঘড়ি  করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এই বিষয়ে ধৌলি থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক কিশোর নায়ক বলেন, “তরুণীর দেহ উদ্ধারের পর পাওয়ার ঘটনাস্থল থেকে আরও দুটি মোটরবাইক উদ্ধার হয়। এরপর তিন যুবককে আটক করা হয়। মূল অভিযুক্তকে মুর্শিদাবাদ জেলার রাজু শেখ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবিষয়ে আরও তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।”

    আরও পড়ুনঃ বাঁকুড়ায় বিজেপির প্রচার গাড়িতে আক্রমণ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে আইনের ভাবনা

    প্রসঙ্গত লাভ জিহাদের (Love Jihad) ঘটনা কাল্পনিক বলে তথাকথিত সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ দাবি করলেও এই ঘটনা সমাজে মাঝে মাঝেই ঘটে চলেছে। তারপরও একের পর এক লাভ জিহাদের ঘটনা নাড়িয়ে দিচ্ছে গোটা সমাজকে। এই ধরনের ঘটনা ঘটায় সমাজের অপর আরেক শ্রেণীর মানুষ তীব্র প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, দিল্লি, মুম্বাই, কর্ণাটক, কেরল এবং বাংলায় ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। একাধিক রাজ্যে, নিজের পরিচয় আত্মগোপন করে বিবাহ এবং বিবাহের পর কন্যার ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়ের উপর আইন তৈরি করার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য ভারতবর্ষের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদশে, পাকিস্তানে রীতিমত ফতোয়া জারি করে লাভ জেহাদের বিষয়কে পুরস্কার হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। জমিয়তে আহলে হদিশ নামে এক সংগঠন, ব্রাহ্মণ নারী হলে তিন লাখ ও অব্রাহ্মণ হিন্দু নারীকে লাভ জিহাদের শিকার করলে দুই লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষমা প্রার্থনা অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির

    Love Jihad: ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষমা প্রার্থনা অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মহাভারতে’ ‘লাভ জিহাদ’ (Love Jihad) ছিল বলে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন বোরা। তাঁর এই মন্তব্যে বিস্তর হইচই হয় রাজ্যে। বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ভূপেনকে গ্রেফতার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় এফআইআর দায়ের হয় ভূপেনের বিরুদ্ধে। এর পরেই সুর নরম করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। চান নিঃশর্ত ক্ষমাও। ক্ষমা প্রার্থনা করে ভূপেন বলেন, “আমার এই মন্তব্যের জন্য কোনও সম্প্রদায় যদি আঘাত পেয়ে থাকে, তার জন্য আমি দুঃখিত। ধর্মকে আঘাত করার মতো কোনও পরিকল্পনা আমার ছিল না।” মন্তব্যের জন্য শ্রীকৃষ্ণের কাছেও ক্ষমা চাইবেন বলে জানান তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভেদাভেদের অভিযোগও তোলেন ভূপেন।

    ‘লাভ জিহাদ’

    ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার। এদিন হিন্দু স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়ির বেশ কয়েকজন সদস্যকে খুন করার অভিযোগ ওঠে জনৈক নাজিবুর রহমান বোরার বিরুদ্ধে। পরে থানায় আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনার পিছনে ‘লাভ জিহাদে’র (Love Jihad) তত্ত্ব খাড়া করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ব্যাপারেই প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তিনি দাবি করেছিলেন, মহাভারতেও ‘লাভ জিহাদ’ ছিল। এ ব্যাপারে তিনি ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারী এবং শ্রীকৃষ্ণ ও রুক্মিনীর বিয়ের উদাহরণ দেন।

    ভূপেনের আলটপকা মন্তব্য

    তাঁর দাবি, মহাভারতের এই চরিত্রদের বিয়েও ছিল ‘লাভ জিহাদ’। ভূপেনের আলটপকা মন্তব্যের জেরে শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যে। ঘরে-বাইরে বিপাকে পড়ে যায় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিও। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্মকে অপমান করার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে সরব হয় হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন। গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ফের মুখ পুড়ল তৃণমূলের! বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির এহেন আলটপকা মন্তব্যে বিপাকে পড়তে পারে দল। বিজেপি ভূপেনের এই বিতর্কিত মন্তব্যকেই (Love Jihad) হাতিয়ার করতে পারে। সূত্রের খবর, এসব চিন্তা করেই ভূপেনের ওপর চাপ বাড়াতে থাকেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই তড়িঘড়ি ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন ভূপেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: মহারাষ্ট্রে লাভ জিহাদ! প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, গ্রেফতার ৪

    Love Jihad: মহারাষ্ট্রে লাভ জিহাদ! প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ (Love Jihad) এবং ধর্মান্তকরণের ঘটনা মহারাষ্ট্রে ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংগঠন দাবি তুলেছে যে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের (Love Jihad) বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনা হোক। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে যে একটি নাবালিকাকে ৮ জন মিলে ষড়যন্ত্র করে তাকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে এবং পরবর্তীকালে তাকে ইসলামে ধর্মান্তরিত হতে প্ররোচনা দেওয়া হয়। এই প্রত্যেক অভিযুক্তকে শনাক্ত করা গেছে। ৮ অভিযুক্ত হল, আভেজ নিশার শেখ, কাইফ শেখ, সোহেল শেখ, হিনা শেখ, আলিসা শেখ, সালিম পাঠান, আলতাব শেখ, সাকির সাহেব। জানা গিয়েছে আটজন অভিযুক্তের মধ্যে পুলিশ এখনও পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করতে পেরেছে। যাদের মধ্যে দুজন মহিলা আছে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪(৩), ৩৫৪ (ডি) ১০৯ এবং ৩৪ ধারায় মামলা রজু করা হয়েছে। পাশাপাশি পক্সো আইনের ৮ এবং ১২ নম্বর ধারাতেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    অভিযুক্ত শিক্ষিকা হিনা হিন্দু মেয়েদের বোরখা পরতে বলতো  

    প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত মহিলা হিনা শেখ টিউশিন পড়াত। আসল উদ্দেশ্য ছিল, হিন্দু নাবালিকাদের সে প্ররোচনা দেওয়া মুসলিম ধর্মের অনুসরণ করার জন্য। জানা গিয়েছে, আহমেদনগর জেলার রাহুরির উম্রে গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। এবং নির্যাতিতা নাবালিকা ইতিমধ্যে অভিযোগও দায়ের করেছে। ওই নাবালিকার মতে, সে দশম শ্রেণিতে পড়তো এবং টিউশন নিত অভিযুক্ত হিনার কাছে।  ২০২১ সাল থেকে ওই নাবালিকা হিনার কাছে পড়তো বলে জানা গেছে।  হিনার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ আনা হয়েছে যে মুসলিম সম্প্রদায়ের যুবকদেরকে তিনি ক্লাসে ডেকে আনতেন এবং হিন্দু মেয়েদের সঙ্গেই তাদেরকে বসাতেন।  আরও মারাত্মক অভিযোগ, হিনা শেখের কাছে যে মুসলিম যুবকরা আসত, তারা পড়তে আসতো না। বরং শুধু বসে থাকার জন্যই আসতো এবং হিনাও হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ধর্ম মেনে চলার পরামর্শ দিত। শুধু তাই নয়, বোরখা পরার পরামর্শ দেওয়া হতো তাদেরকে।  কপালে টিপ পরারও বিপক্ষে ছিলেন হিনা। অভিযোগ হিন্দু মেয়েদের লাভ জিহাদের (Love Jihad) ফাঁদে ফেলে তাদেরকে ধর্মান্তকরণ করে ইসলামে নিয়ে আসা হিনার মূল উদ্দেশ্য ছিল।

    হিন্দু নাবালিকার দাবি

    ওই নাবালিকার দাবি, একদিন সে যখন বাড়ি যাচ্ছিল তখন আভেজ তার পথ আটকায় এবং তাকে বলে যে সে তাকে ভালোবাসে (Love Jihad)। এবং পরবর্তীকালে সে ওই নাবালিকার ভাইয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে এবং তার বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। এই সময়ের মধ্যে এসে আভেজ নিশার শেখ আবারও বলে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এবং পরবর্তীকালে হোয়াটসঅ্যাপে লাগাতার মেসেজও পাঠাতে থাকে অভিযুক্ত আভেজ। একদিন ওই নাবালিকাকে আভেজ পরামর্শ দেয় যে হিন্দু ধর্ম পরিত্যাগ করতে এবং তার সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে (Love Jihad) করতে। সে আরও বলে যে গ্রামের অনেকেই তাদের সম্পর্কের ব্যাপারে জেনে গেছে এবং তার সম্প্রদায়ের অনেকেই টাকা দিয়ে তাকে সাহায্য করতে চায়। পরবর্তীকালে ওই নাবালিকা আভেজের সঙ্গে সমস্ত রকমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কিন্তু এর পরেও আভেজ তাকে ইনস্টাগ্রামে মেসেজ করতে থাকে। কিন্তু সে আর কোনও উত্তর দেয় না।  এই ঘটনা ২০২১ সালের। পরবর্তীকালে চলতি বছরের ২৬ জুলাই ওই একই টিউশন অপর একটি হিন্দু নাবালিকা আভেজের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। এই অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয় যে আভেজ এবং তার বোন আলিশা জোরপূর্বক তাকে বোরখা পরাতে চায় এবং মুসলিমদের মতো থাকতে বলে। শুধু তাই নয় ওই টিউশন থেকে আরও তিন থেকে চার জন হিন্দু নাবালিকা আভেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে তাদেরকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে সে ধর্মান্তকরণ করতে চেয়েছে। এবং এই কাজে সম্পূর্ণভাবে জড়িত তাদের শিক্ষিকা।  এই ঘটনাযটি স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক প্রসাদ লাড বিধানসভায় উত্থাপন করেছেন এবং পুলিশ প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Love Jihad: “কৃষ্ণ-রুক্মিণীর বিয়ে লাভ জিহাদ”! কংগ্রেস নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের কী জবাব দিলেন হিমন্ত?

    Love Jihad: “কৃষ্ণ-রুক্মিণীর বিয়ে লাভ জিহাদ”! কংগ্রেস নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের কী জবাব দিলেন হিমন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলটপকা মন্তব্য করে বিপাকে অসম প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) সভাপতি ভূপেন বোরা। বৃহস্পতিবার মহাভারতের কৃষ্ণ-রুক্মিণী এবং ধৃতরাষ্ট্র-গান্ধারীর বিয়েকে লাভ জিহাদের (Love Jihad) সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তিনি। ভূপেনের মন্তব্যের পাল্টা কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে এমন মন্তব্য করায় এমন একটা দিন আসবে যখন মসজিদ এবং মাদ্রাসা ছাড়া কংগ্রেসের আর লুকোনোর কোনও জায়গা থাকবে না। কংগ্রেস নেতার এহেন বেফাঁস মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন ধর্মীয় নেতারাও। তাঁদের মতে, মহাভারত সম্পর্কে ভূপেনের জ্ঞান অসম্পূর্ণ।

    কংগ্রেস নেতার বিতর্কিত মন্তব্য

    প্রসঙ্গত, ভূপেন বলেছিলেন, ঐতিহাসিক কাল থেকেই এ দেশে ভিন ধর্মে বিয়ের চল রয়েছে। এমন কী মহাভারতের যুগের রাজাদের সময়ও এসব ছিল। মহাভারতের মূল গল্প হল, গান্ধারীর পরিবার তাঁর সঙ্গে ধৃতরাষ্ট্রের বিয়ে দিতে চায়নি। পিতামহ ভীষ্মই জোর করাতেই তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। শকুনির ভাইকে বন্দি করা হয়েছিল এবং পরে মামা প্রতিশোধ নিয়েছিলেন। এটাও লাভ জিহাদ। গান্ধারীর পরিবার প্রতিবাদ করেছিলেন। যেহেতু জোর (Love Jihad) করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাই গান্ধারী সব সময় চোখে একটা কাপড় বেঁধে রাখতেন। কৃষ্ণ যখন রুক্মিণীকে নিতে এলেন, তখন অর্জুনের অন্য রূপ।

    প্রতিক্রিয়া হিমন্তের

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির এহেন মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন হিমন্ত। তিনি বলেন, অভিযোগ দায়ের করলে বোরা গ্রেফতার হবেন। ধর্মীয় আবেগ নিয়ে তাঁর এহেন মন্তব্য করা উচিত হয়নি। তিনি বলেন, আমি জানি না, কী কারণে তিনি কৃষ্ণ-রুক্মিণীকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন। তাঁর এই মন্তব্য সনাতন ধর্মের পরিপন্থী। এটা হিন্দু ধর্মেরও বিরোধী। আমি কংগ্রেসকে অনুরোধ করব, আমরা যেমন হজরত মহম্মদ কিংবা যীশুখ্রিস্টকে নিয়ে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করি না, তেমনি কৃষ্ণকে নিয়েও কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করা ঠিক নয়। মানুষের কোনও অপরাধের সঙ্গে ভগবানকে যুক্ত করা ঠিক নয়।

    আরও পড়ুুন: মহিলাদের নগ্ন করে হাঁটানোর ঘটনায় সিবিআই তদন্ত, নির্দেশ কেন্দ্রের

    তাছাড়া, লাভ জিহাদ (Love Jihad) কী, জানেন? যখন কোনও মহিলাকে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিয়ে করা হয় এবং বিয়ের পর ধর্ম পরিবর্তনে বাধ্য করা হয়, সেটাই লাভ জিহাদ। ভগবান কৃষ্ণ কখনওই রুক্মিণীকে তাঁর ধর্ম পরিবর্তন করতে বলেননি। কেউ যদি এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেন, তাহলে আমরা ওঁকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হব। আমি ওঁকে বাঁচাতে পারব না। তিনি বলেন, গোলাঘাটে তিনটি খুনের ঘটনায় আমরা লাভ জিহাদের ফল দেখতে পেয়েছি। অনেক মেয়েকে আত্মহত্যা করতে হয়। তাই আমি তরুণ তরুণীদের অনুরোধ করব, স্বধর্মেই বিয়ে করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ফের লভ জিহাদের বলি হিন্দু কিশোরী, মুসলমান যুবক গ্রেফতার   

    Love Jihad: ফের লভ জিহাদের বলি হিন্দু কিশোরী, মুসলমান যুবক গ্রেফতার   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের লভ জিহাদের (Love Jihad) বলি হিন্দু কিশোরী! এবার ঘটনাস্থল ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)। কাঠগড়ায় বছর বাইশের গোলু আনসারি। ঘটনাটি ৩১ মে-র। তবে প্রকাশ্যে এসেছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডির মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ট্যুইট করার পর।

    প্রতারণার কাহিনি

    ফেরা যাক খবরে। রাঁচির কালাহারি থানা এলাকায় বাস দলিত ওই হিন্দু নাবালিকার। হিন্দু পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে আনসারি। গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে এলাকার একটি মন্দিরে গিয়ে বিয়েও করে দুজনে। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, এর পর নানা সময় শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় তারা। ইতিমধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। সামাজিক বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে আনসারিকে। তার পরেই বেরিয়ে আসে আনসারির আসল পরিচয়। ওই কিশোরীকে সে সাফ জানিয়ে দেয়, ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত (Love Jihad) হলে তবেই সে তাকে বিয়ে করবে। মুসলমান হওয়ার জন্য তাকে চাপও দিতে থাকে আনসারি। আনসারির কাছে প্রতারিত হয়ে হতাশ হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। অভিযোগ পেয়ে আনসারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    বাবুলালের ট্যুইট

    লভ জিহাদের এই কাহিনি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ট্যুইট করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বাবুলাল মারান্ডি। তিনি লেখেন, হেমন্ত সোরেনজি, আমি আপনাকে বারবার বলছি এ রাজ্যে লভ জিহাদের শেকড় অনেক গভীরে। ষড়যন্ত্রকারীরা দলিত এবং উপজাতির মেয়েদের টার্গেট করছে। টাকা জোগাচ্ছে আন্তর্জাতিক কোনও সংস্থা। তারা ঝাড়খণ্ডের পরিচয় এবং সামাজিক বুনন নষ্ট করতে চাইছে। বর্তমানে রাজ্যের রশি আপনার হাতে। কর্তব্য করুন। কড়া ব্যবস্থা নিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। খুঁজে বের করুন কারা একে তোল্লায় দিচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে ভয় পেয়েছেন মমতা’, ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    সম্প্রতি এ রাজ্যে লভ জিহাদের (Love Jihad) বলি রয়েছে আরও কয়েকজন। এ নিয়ে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, হেমন্ত-নেতৃত্বাধীন সরকার এ রকম ফাঁদ থেকে মেয়েদের রক্ষা করতে ব্যর্থ। ঝাড়খণ্ডে অবৈধভাবে বসবাস করছেন বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। বিজেপির অভিযোগ, এঁদেরই অনেকে লভ জিহাদের ফাঁদে ফেলছে উপজাতি অধ্যুষিত রাজ্যের হিন্দু মেয়েদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share