Tag: Madhyam

Madhyam

  • Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পাঁচ আসন সহ ১৫টি রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) মোট ৫৬টি আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এই ৫৬টি আসনের বর্তমান সাংসদের মধ্যে ৫০ জনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিলেই। বাকি ৬ জনের মেয়াদ শেষ হবে ৩ এপ্রিল। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মোট ৫টি রাজ্যসভার আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশের ৩, বিহারের ৬, ছত্তিশগড়ের ১, গুজরাতের ৪, হরিয়ানার ১, হিমাচল প্রদেশের ১, কর্নাটকের ৪, মধ্যপ্রদেশের ৫, মহারাষ্ট্রের ৬, তেলঙ্গানার ৩, উত্তরপ্রদেশের ১০, উত্তরাখণ্ডের ১, ওড়িশার ৩ এবং রাজস্থানের ৩ আসনে ভোট হবে এই দফায়।

    নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানালো (Rajya Sabha Election) ?

    নির্বাচন কমিশন সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্যসভার (Rajya Sabha Electoin) শূন্য হতে চলা আসনগুলির জন্য ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১৬ ফেব্রুয়ারি জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ২০ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা ও ফলপ্রকাশ করা হবে। বাংলার ক্ষেত্রে রাজ্যসভার যে ৫ টি আসনের সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে , তাঁরা হলেন নাদিমুল হক, আবিররঞ্জন বিশ্বাস, সুভাশিষ চক্রবর্তী, শান্তনু সেন ও অভিষেক মনু সিংহভি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, ৪টি আসনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ায় রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে তৃণমূলের ৪ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। পঞ্চম আসনটি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবার ওই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে বিজয়ী হয়েছিলেন অভিষেক মনু সিংভি। এবার প্রধান বিরোধী দল বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বাড়ায় তারা পঞ্চম আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিধানসভার সাপেক্ষে জয় কতটা নিশ্চিত?

    বিধানসভা সূত্রের খবর, বর্তমানে খাতায়কলমে তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ২১৬। এছাড়া অন্য দল থেকে আসা বিধায়ক মিলিয়ে সেই সংখ্যা ২২৫। সেক্ষেত্রে বিধায়কের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। রাজ্যে বিজেপির যেহেতু ৬৭ জন বিধায়ক রয়েছে তাই একটি আসন বিজেপি প্রার্থী দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই প্রশ্ন উঠছে অভিষেক মনু সিংভিকে নিয়ে। গতবার কংগ্রেসের প্রার্থী সিংভিকে সমর্থন জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস ফের তাঁকে প্রার্থী করবে কিনা বা সেক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস কী অবস্থান নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কংগ্রেসকে কী ভোট দেবে তৃণমূল?

    লোকসভা ভোটের আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি প্রদেশ কংগ্রেস। তৃণমূল ইতিমধ্যে দুটি আসন ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। আসন ভাগাভাগি নিয়ে প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে রাজ্যে এসেছিল এআইসিসি প্রতিনিধি দল। অবশ্য বঙ্গ কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শাসকদলের হাত ধরলে চলবে না। তাই লোকসভা ভোটে যদি তৃণমূলের হাত না ধরে কংগ্রেস, তবে তার প্রভাব রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) ভোটে পড়তে পারে। যদিও অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে তৃণমূলের সস্পর্ক ভালো। আইনজীবী সিংভি তৃণমূল হয়ে মামলাও লড়েন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাতে গররাজি হবে না দল। আবার দলের একাংশের মতে, অন্য দলের প্রার্থীকে সমর্থন না করে নিজের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেলেও দেখা মিলল না শাহজাহানের

    Shahjahan Sheikh: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেলেও দেখা মিলল না শাহজাহানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেল। দেখা মিলল না তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh)। সন্দেশখালিতে সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির তিনজন অফিসারকে। আজ ঘটনার ২৪ দিন পার হলেও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন না এই তৃণমূল নেতা। ইডির অনুমান বাংলাদেশে গাঢাকা দিয়েছেন।

    বাড়িতে নোটিশ দিয়েছিল ইডি (Shahjahan Sheikh)

    সন্দেশখালিতে দুবার অভিযান চালিয়েও ধরতে পারেনি তদন্তকারী অফিসারেরা। গত বুধবার তাঁর বাড়িতে এক কোম্পানি বাহিনী নিয়ে তল্লাশি করতে গিয়েছিল ইডি। কিন্তু খোঁজ মেলেনি শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh)। তদন্তকারী অফিসারেরা এই তৃণমূল নেতার বাড়িতে নোটিশ দিয়ে বলে আসেন, আগামী ২৯ জানুয়ারি সকাল ১১ টায় সল্টলেকের ইডির দফতরে হাজিরা দিতে হবে। সেইসঙ্গে পাসপোর্ট, ভোটার, আধার, ছবি সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু আজও সেই নির্ধারিত দিনে দেখা মেলেনি তৃণমূল নেতার। এমনকী তাঁর পক্ষাবলম্বন করে কোনও আইনজীবীরও দেখা মেলেনি এদিন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কেউ আসেননি বলে জানা গিয়েছে।

    না আসায় ইডির পদক্ষেপ কী হবে?

    শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) সত্যিই ইডির ডাকে আসবেন কি না এই নিয়ে সংশয় প্রথম থেকেই ছিল। তবে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মহলে খবর, এদিন সিজিওতে আসলেই গ্রেফতার হতে পারেন। আবার অন্যরকম ভাবে আত্মসমর্পণ করতেও পারেন শাহজাহান। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তৃণমূলের এই নেতা না এলেও ইডি তদন্ত যেমন ভাবে চালাচ্ছে ঠিক তেমনি ভাবে চালাবে। এখনও পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে অনেক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি ভালো করে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সম্পত্তির কেনাবেচার ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। ফলে অর্থ তছরুপের মামলায় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তবে তাঁর নিরুদ্দেশ সম্পর্কে ইডির অনুমান বাংলাদেশে গিয়ে গাঢাকা দিয়েছেন তিনি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম নিখোঁজ সম্পর্কে বলেন, “শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) যা করেছে অন্যায় করেছে। আমি গণমাধ্যমে দেখেছি। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা করেছে অত্যন্ত অন্যায়।” এখন দল দূরত্ব তৈরি করছে কিনা তাই নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

    আবার বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর শাহজাহান সম্পর্কে বলেন, “এই তৃণমূল নেতা মায়নামারে পালিয়ে গিয়েছে।” মাঝে একটি অডিও বার্তা সামাজিক মাধ্যমে শোনা গিয়েছিল। তবে এই তৃণমূল নেতা কোথায় আছে সেটাই প্রশাসনের কাছে একটি বড় প্রশ্ন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: কোটি টাকার ভবনে ভবঘুরেদের জন্য নেই কোনও পরিষেবা, বিস্ফোরক তৃণমূল চেয়ারম্যান!

    Paschim Bardhaman: কোটি টাকার ভবনে ভবঘুরেদের জন্য নেই কোনও পরিষেবা, বিস্ফোরক তৃণমূল চেয়ারম্যান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ভবঘুরেদের জন্য পাঁচ বছর আগেই নীল-সাদা বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তা চালু হয়নি। এই কঠিন হাড় কাঁপানো ১০-১২ ডিগ্রি তাপমাত্রার শীতে গৃহহীনদের খোলা আকাশের নীচে কম্বল নিয়ে শুতে হচ্ছে। সরকারি বন্দোবস্ত থাকলেও মিলছে না পরিষেবা। এমনই বাস্তব চিত্রের উদাহরণ পাওয়া গেল পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) রানীগঞ্জে। ঘটনায় এলাকা ব্যাপক সরগরম হয়েছে। একই ভাবে টাকা নিয়ে ঘর দেওয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হলেন খোদ তৃণমূল চেয়ারম্যান।

    কোটি টাকায় নির্মিত হয়েছে ভবন (Paschim Bardhaman)

    কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিল ভবোঘুরেদের জন্য এই ভবন। আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। আসানসোল (Paschim Bardhaman) পুরনিগমের ৮৮ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছিল এই ভবন। মূল উদ্দেশ্য ছিল যাঁদের বাড়ি নেই, মাথা গোজার জায়গা নেই, গৃহহীন এবং ভবঘুরে তাঁদেরকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল এখানে। রাস্তায় রাত না কাটিয়ে যাতে পাকা ছাদের নিচে বসবাস করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই নির্মাণ করা হয় এই সুবিশাল ভবন। কিন্তু ভবন নির্মাণ হলেও চালু হয়নি। মানুষকে এই শীতে বাইরেই রাত কাটাতে হচ্ছে।

    বোরো চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    রানিগঞ্জ (Paschim Bardhaman) বরোর তৃণমূল চেয়ারম্যান মোজাম্মেল শাহজাদা বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, “এই ভবনের পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থাকে। আর এই সংস্থার পক্ষ থেকে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই ব্যক্তি ঘর দেওয়ার নাম করে মানুষের কাছে ৫-৬ হাজার করে টাকা তোলে। রুম দেওয়ার নাম করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে। পরে ঝামেলা হলে ভবনের চাবি পুরনিগমের কাছে জমা করতে বলা হয়। পরে এলাকার বিধায়ক এবং পুরনিগমকে বিষয়টি জানানো হয়। আমরা চাই দ্রুত সমস্যার সমাধান হোক। ভবনটি দ্রুত চালু করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: রাহুলের ন্যায় যাত্রার দিনেই মমতার সভা, ইন্ডি জোট ফের প্রশ্নের মুখে

    Malda: রাহুলের ন্যায় যাত্রার দিনেই মমতার সভা, ইন্ডি জোট ফের প্রশ্নের মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাস্তবের মাটিতে দেশে মোদি বিরোধী জোট কতটা সম্ভব, তা এই রাজ্যের রাজনীতির প্রবাহকে দেখলেই স্পষ্ট হয়। পাটনা, মুম্বই, বেঙ্গালুরু এবং দিল্লিতে একাধিকবার বৈঠক হলেও আসন নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের মধ্যে কোনও সমঝোতা হয়নি বললেই চলে। এদিকে রাম নামের ঢেউয়ে নীতীশ ফের এনডিএ জোটে বিজেপির হাত ধরে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন। সামনেই লোকসভার ভোট, জমি ছাড়তে নারাজ সব রাজনৈতিক দল। আগামী ৩১ তারিখ মালদায় রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রা প্রবেশ করবে। অন্যদিকে ওই দিনেই মালদার (Malda) ডিএসএ ময়দানে পাল্টা সভা করছেন মমতা। ইন্ডি জোট প্রশ্নের মুখে আরও একবার। ফলে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায় ইন্ডি জোটের পিণ্ডি যে চটকে গিয়েছে, একথা আরও একবার প্রমাণ হল।

    কংগ্রেসের বক্তব্য (Malda)

    কংগ্রসের স্পষ্ট বক্তব্য, “আমাদের রাহুল গান্ধীর প্রোগ্রাম পূর্ব ঘোষিত। এই যাত্রাকে ভঙ্গ করতে মালদায় ওই দিনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা সভা করছেন। ৩১ জানুয়ারি বিহারের কাঠিয়ার থেকে মালদার (Malda) হরিশচন্দ্রপুর, রতুয়া হয়ে ইংরেজবাজারে আসবেন রাহুল গান্ধী। তাঁর যাত্রা মালদার সুজাপুর থেকে ১ লা ফেব্রুয়ারিতে মুর্শিদাবাদে পৌঁছাবে। কিন্তু এই সময় ইংরেজবাজারে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সভা করবেন।” জেলা কংগ্রেসের কার্যকারী সভাপতি কালীসাধন রায় বলেন, “তৃণমূল আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। প্রশাসনকে ব্যবহার করে আমাদের কর্মসূচিকে বানচাল করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পালটা জেলা (Malda) তৃণমূলের সহ-সভাপতি দুলাল সরকার বলেন, “বাংলায় কংগ্রেসের কোনও অস্তিত্ব নেই। মুখ্যমন্ত্রী নিজের প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। রাহুল গান্ধী তাঁর যাত্রা নিজের মতো করে করবেন। দুজনের সভা পাশপাশি চলবে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান আগেই ঠিক হয়েছে, তাঁর নিরাপত্তার জন্য এতোদিন সূচি প্রকাশ করা হয়নি। রাহুলের অনুষ্ঠানকে বানচাল করার কোনও ইচ্ছে নেই।”

    বিজেপির বক্তব্য

    মালদা (Malda) দক্ষিণের সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক আম্লান ভাদুবির সমালোচনা করে বলেন, “সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক থেকে তৃণমূল সরে যাচ্ছে। তাই কংগ্রেস এই কর্মসূচিকে ধরে সেই ভোট ব্যাঙ্ককে আবার পেতে চাইছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: মহম্মদবাজার বিস্ফোরণকাণ্ডে তৃণমূল নেতার কণ্ঠস্বরের নমুনা নিল এনআইএ

    Birbhum: মহম্মদবাজার বিস্ফোরণকাণ্ডে তৃণমূল নেতার কণ্ঠস্বরের নমুনা নিল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) মহম্মদবাজার বিস্ফোরণকাণ্ডে প্রভাবশালী শাসক দলের নেতার যোগের ইঙ্গিত মিলল। ধৃত তৃণমূল নেতার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তদন্তকারী অফিসারদের অনুমান, বেআইনি অস্ত্র এবং বিস্ফোরক জোগানে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের প্রত্যক্ষ যোগ ছিল। পাওয়া গিয়েছে অডিও মেসেজ। ঘটনায় জেলার রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    এনআইএ সূত্রে খবর (Birbhum)?

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদবাজার (Birbhum) বিস্ফোরণকাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা ইসলাম চৌধুরির ভয়েস স্যাম্পেল সংগ্রহ করা হয়েছে। বিস্ফোরক এবং অবৈধ অস্ত্র সরবরাহ করার জন্য শাসক দলের অনেক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তথ্যের সত্যতা পরীক্ষা করতে এই তৃণমূল নেতার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত এই তৃণমূল নেতার মোবাইল থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অডিও পাওয়া গিয়েছে। এই সব বার্তালাপের মধ্যে বিস্ফোরণ সংক্রান্ত অনেক তথ্যের সূত্র লুকিয়া থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। একই ভাবে তদন্তকারী অফিসারদের কাছে এই তৃণমূল নেতার সঙ্গে কেষ্টর দেহরক্ষী সেহগল হোসেনের নামও উঠে এসেছে। এই দেহরক্ষী বর্তমানে গরুপাচার মামলায় তাঁর গুরু অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে দিল্লির তিহার জেলে বন্দি রয়েছেন। সংগৃহীত নমুনা প্রথমে আদলাতে, এরপর সিএফএসএলে পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

    উদ্ধার হয়েছিল প্রচুর বিস্ফোরক

    ২০২২ সালে বীরভূমের (Birbhum) মহম্মদবাজারে ব্যাপক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। এরপর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি গাড়ি থেকে ৮১ হাজার ডিটোনেটর উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল এসটিএফ। গাড়ির চালককে জেরা করে আরও ২৭ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, ১ হাজার ৯২৫ কেজি জিটেলিন স্টিক এবং ২ হাজার ৩২৫ টি ডিটোনেটর উদ্ধার করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তের ভার যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর উপর। এই তদন্তকে ঘিরে শাসক দল ফের একবার চাপের মুখে পড়েছে বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই কেলেঙ্কারি! রাস্তায় হাত দিতেই উঠে যাচ্ছে সিমেন্ট-বালি!

    Dakshin Dinajpur: মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই কেলেঙ্কারি! রাস্তায় হাত দিতেই উঠে যাচ্ছে সিমেন্ট-বালি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২ বছর পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) যাচ্ছেন। আগামী মঙ্গলবার তাঁর সভা। বালুরঘাট পুরসভার পক্ষ থেকে ব্যস্ততার সঙ্গে রাস্তা সারাই করার কাজ চলছে। কিন্তু নির্মাণকাজের জন্য ব্যবহার করা সামগ্রী অত্যন্ত নিম্নমানের বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে উঠেছে পুরসভার বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য খারাপ সামগ্রী ব্যবহারের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন কাউন্সিলর শিপ্রা খাঁ।

    ১০ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তা (Dakshin Dinajpur)

    বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের নেপালীপাড়া এলাকায় বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। এলাকার মানুষের মূল অভিযোগ, ‘নতুন রাস্তা থেকে পুরাতন রাস্তা অনেক ভালো ছিল। রাস্তাটি আবার তৈরি করে দিতে হবে। রাস্তার উপরের দেওয়া মশলা এমনি এমনি উঠে যাচ্ছে। রাস্তার মধ্যে হাত দিলে সিমেন্ট, বালি, পাথর, উঠে যাচ্ছে।” অভিযোগ শুনে পুরসভার পক্ষ থেকে বলা হয়, অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    রাস্তার জন্য ৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে

    বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভার পক্ষে এই রাস্তার জন্য ৮ লক্ষ টাকা বারদ্দ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এই রাস্তার সিমেন্ট-পাথর-বালি এখনও পর্যন্ত জামাট বাঁধেনি। মোট ৪ ইঞ্চি ঢালাই রাস্তা হওয়ার কথা ছিল কিন্তু তা করা হয়নি। ঠিক কত টাকার রাস্তা, সেই বিষয়ে কোনও রকম পোস্টার দিয়ে জনসাধারণকে জানানো হয়নি। ফলে এখানেই টাকা নয়ছয় করে কাটমানির অভিযোগ জোরালো হয়েছে। রাস্তায় চলাচল তো দূরের কথা, হাত দেওয়া মাত্রই সব উঠে যাচ্ছে।

    কী বললেন কাউন্সিলর?

    বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভার কাউন্সিলর শিপ্রা খাঁ বলেন, “রাস্তা নির্মাণে খারাপ মানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি ইঞ্জিনিয়ারকে দেখালে রাস্তা কেন এমন হল সেই কারণ খুঁজে পাওয়া যাবে।” আবার পুরসভার চেয়ারম্যান আশোককুমার মিত্র বলেন, “রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রীর বিষয়টি নজরে আসেনি। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে। যদি তেমন কোনও ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে ঠিক হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: ‘মোদি, মোদি’ স্লোগানে ফের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার

    Nitish Kumar: ‘মোদি, মোদি’ স্লোগানে ফের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করলেন নীতীশ কুমার। উল্লেখ্য এদিন সকালেই বিহারের রাজ্যপালের হাতে ইস্তফাপত্র তুলে দেন নীতীশ। পাশাপাশি তিনি হাত ধরেন বিজেপির। ইস্তফা দিয়েই তিনি তোপ দেগেছিলেন আরজেডি জোটের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে বিজেপি জানিয়েছিল, নীতীশ কুমারের দলের সঙ্গে বিজেপির পুনরায় জোট হচ্ছে। বিজেপির সমস্ত বিধায়ক বিধানসভায় নীতীশের দলের পাশে থাকবে। এই সরকার সামগ্রিকভাবে বিহারের মানুষের উন্নতির জন্য কাজ করবে। উল্লেখ্য এই নিয়ে নবম বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় মোদির নামে বারংবার স্লোগান দিতে দেখা যায় দলের সমর্থকদের।

    ২০০৫ সাল থেকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন নীতীশ (Nitish Kumar)

    ২০০৫ সাল থেকে তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তাঁর প্রথম পাঁচ বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ লালুপ্রসাদ জমানায় বিহারের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি সারা দেশে চর্চার বিষয় হয়েছিল। ২০১৩ সালে নরেন্দ্র মোদিকে বিজেপি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলে তিনি এনডিএ ছাড়েন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীদের বাইরে থেকে সমর্থন নিয়ে ২০১৪ সালের নির্বাচন লড়ে নীতীশের (Nitish Kumar) দল। ব্যাপক ভরাডুবি হয় লোকসভাতে জেডি(ইউ)-এর। হারের দায় নিয়ে সেই বছরেই নিজের মুখ্যমন্ত্রীত্বের পদ ছেড়ে দেন তিনি এবং জিতিন রাম মাঝিকে মুখ্যমন্ত্রী করেন। কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে জোট করে পুনরায় ক্ষমতায় আসেন নীতীশ ২০১৫ সালে। ২০১৭ সালে নীতীশ ফের এনডিএ-তে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে ২০২২ সালের অগাস্ট মাসে ফের মহাজোটে সামিল হন তিনি। আগামী বছরের বিহারে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগে পুনরায় আবার মহাজোট ছেড়ে এনডিএ-তে এলেন তিনি।

    মুখ থুবড়ে পড়ল ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, বিজেপি বিরোধী ইন্ডি জোটে প্রথম উদ্যোগ নীতীশ কুমারকে (Nitish Kumar) নিতে দেখা গিয়েছিল। এ সংক্রান্ত আলোচনার জন্য তিনি প্রথমেই আসেন নবান্নে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের অনুমান যে নীতীশ কুমারের পুনরায় এনডিএ শিবিরে ফিরে যাওয়াতে চরম ধাক্কা খেল ইন্ডি জোট। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সকালে বিহারের রাজ্য বিজেপি নেতারা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেন। সেখানে হাজির ছিলেন দলের সমস্ত বিধায়কও। এর কিছু পরে রাজভবনে পৌঁছান নীতীশ কুমার। 

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাইলে মোদির কাছে আসতে হবে”, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাইলে মোদির কাছে আসতে হবে”, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যে কোনও সুস্থ মাথার মানুষ যাঁরা রাজনীতি এবং মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চান, তাঁদের নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এসে কাজ করতে হবে।” রবিবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রসঙ্গ টেনে ইন্ডি জোটকে কড়া সমালোচনা করে মমতাকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের টেট এবং শিক্ষক দুর্নীতি প্রসঙ্গে একাধিক বিষয়ে সরকারকে নিশানা করলেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের বক্তব্য শোনার পর নন্দীগ্রামে আজ বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “ইন্ডি জোট হল ছন্নছাড়া দশা।” বিহাররের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “ দলের জাতীয় স্তরে দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁরাই এই বিষয়ে দেখছেন। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু ঘোষণা না করা হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত কিছু বলাটা ঠিক হবে না। সুস্থ রাজনীতি করতে গেলে মোদিজির সঙ্গে কাজ করতে পারেন। দেশকে যাঁরা ভালোবাসেন, পরিবারবাদ, দুর্নীতি এবং তোষণনীতিকে যাঁরা মান্যতা দেন না, তাঁদের নরেন্দ্র মোদির কাছেই এসে কাজ করতে হবে। এটাই একমাত্র ভবিতব্য।”

    তৃণমূলকে আক্রমণ করে কী বললেন?

    এদিন বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী মমতাকে আক্রমণ করে বলেন, “নবান্নে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তেজস্বী যাদব এবং নীতীশ কুমারের সাংবাদিক বৈঠকটা ছেড়ে দেবো। সব রেডি করা আছে। সুপ্রিম কোর্টে প্যানেল জমা পড়লেই তৎপরতা বাড়ে। ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষায় কত জন চাকরি পেয়েছে? ১৫০ টাকার ফর্ম হয়েছে ৫০০ টাকা। বেকারদের কাছ থেকে এই তৃণমূল সরকার ২৭ কোটি টাকা তুলেছে। ২ কোটি টাকা খরচ করেছে পরীক্ষার জন্য। আর বাকি ২৫ কোটি টাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের ফিস দিতে খরচ করা হচ্ছে। বেকারদের কাছ থেকে টাকা তুলেছে তৃণমূল। ২০২২ সালের টেট আবেদনকারী ছিলেন ১০ লাখ আর ২০২৩ সালে সেই টেট আবেদনকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখ। চাকরি যে নেই সেটা বাংলার যুবক যুবতীরা ধরে ফেলেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly-Bankura: রেলপথ সম্প্রসারণে চাষিরা পাবেন জমির ন্যায্য দাম, ঘোষণা পশ্চিম অমরপুরে

    Hooghly-Bankura: রেলপথ সম্প্রসারণে চাষিরা পাবেন জমির ন্যায্য দাম, ঘোষণা পশ্চিম অমরপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারকেশ্বর থেকে বিষ্ণুপুর (Hooghly-Bankura) পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণে গোঘাটের ভাবাদিঘির সমস্যা না মিটলেও পশ্চিম অমরপুরে জমির দাম সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানসূত্র মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। ভূমি দফতর কাঠা পিছু ৯২ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা জানিয়ে নোটিশ ইস্যু করেছে চাষিদের উদ্দেশ্যে। অপর দিকে পশ্চিম অমরপুর থেকে ৭ কিমি পূর্বে গোঘাট ১ ব্লকের ভাবাদিঘিতে গ্রামবাসীরা আন্দোলন করেছেন। দিঘি বাঁচিয়ে যাতে রেলপথ নির্মাণ করা হয়, এই দাবিতে দীর্ঘ দিন জমিজটে আটকে রয়েছে এই প্রকল্প।

    আন্দোলনরত চাষিদের বক্তব্য (Hooghly-Bankura)

    রেলপথের সম্প্রসারণে জমির প্রয়োজন। আর তাই এলাকার (Hooghly-Bankura) চাষিরা ‘রেল চালাও, গ্রাম বাঁচাও’ নামে একটি মঞ্চ করে জমির সঠিক দাম নিয়ে আন্দোলন করছিলেন। কমিটির তরফ থেকে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ। জমির মূল্য নিয়ে আমাদের কোনও বিবাদ নেই। এখন কেবল নিকাশি, আন্ডারপাসের দাবি মেনে নেবে বলে আশা প্রকাশ করছি।” আবার অমরপুরের আন্দোলন কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে জমির ন্যায্য মূল্য, নিকাশি ব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন চলছে। ওই সময় জমির মূল্য ধার্য হয়েছিল ১৪ হাজার ৬৫০ টাকা। কিন্তু কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল কাঠা পিছু ৭৫ হাজার টাকা। বর্তমানে জানা গিয়েছে, জমির মূল্য পাওয়া যাবে ৯২ হাজার টাকা প্রতি কাঠা।

    রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, “নিকাশি সমস্যা মেটানো এবং আন্ডারপাস তৈরিটি বিষয়টি কতটা জরুরি, প্রশাসন সরেজমিনে খতিয়ে দেখার পর সমাধানের কথা দ্রুত ভাবা হবে। শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসা হবে।” আবার মহকুমা শাসক (Hooghly-Bankura) সুভাষিণী ই বলেন, “পশ্চিম অমরপুরে জমির দামের সমস্যা মিটেছে। চাষিদের দাবির মান্যতা দেওয়া হয়েছে। বাকি বিষয়গুলিও দেখা হচ্ছে এখন।”

    তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুরের ৮২.৮৭ কিমি রেলপথের মধ্যে তারকেশ্বর থেকে আরামবাগ হয়ে গোঘাট পর্যন্ত ৩৩.৯৪ কিমির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে চলেছে ট্রেন। অপর দিকে বিষ্ণুপুর থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত ২২.৪৮ কিমির কাজ শেষ হয়েছে। গোঘাট থেকে ভাবাদিঘির ৯৫০ মিটার বাদ দিলে কামারপুকুর পর্যন্ত ৫.৫০ কিমির কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ফলে ভাবাদিঘির সমস্যা মিটবে বলেই আশা করছেন দুই জেলাবাসী (Hooghly-Bankura)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্টর জামিনের জন্য হরিনাম সংকীর্তন, রাম নামেই মজেছে তৃণমূলের যুব সংগঠন

    Birbhum: কেষ্টর জামিনের জন্য হরিনাম সংকীর্তন, রাম নামেই মজেছে তৃণমূলের যুব সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে বন্দি বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। তাঁর জেলজীবন থেকে মুক্তির আশায় তৃণমূলের যুব সংগঠন সাঁইথিয়ায় হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করেছে। আর এর ফলে জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। কেষ্টর জামিনের জন্য কি এখন রাম নামেই ভরসা? গত ২২ শে জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকেই দেশ জুড়ে রাম নামের প্রভাব সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। মন্দিরে রোজ উপচে পড়ছে ভিড়। এর মাঝেই তৃণমূল কর্মীরা নিজেদের দলের দুর্নীতিতে  অভিযুক্ত জেলবন্দি নেতার মুক্তির জন্য রামনামের শরণ নিয়েছেন।

    দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার কেষ্ট (Birbhum)

    গরু পাচারকাণ্ডে অনেক দিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। কয়লা পাচার কাণ্ডেও অভিযুক্ত তিনি। নিজের নামে অথবা অনামে-বেনামে প্রচুর চালকল সম্পর্কে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অপর দিকে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির তালিকায় অনুব্রতর মেয়ের নাম উঠেছে। স্কুলে না গিয়ে বেতন নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাবার সঙ্গে এখন মেয়েও জেলে বন্দি। বীরভূমের (Birbhum) এই প্রতাপশালী এবং প্রভাবশালী নেতা বার বার কোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু জামিন মঞ্জুর হয়নি। অভিযোগ গুরুতর বুঝেই হয়তো আইনের কৌশলের পাশপাশি রামনামের শরণ নিতে হয়েছে বীরভূমের জেলা তৃণমূলকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমের (Birbhum) জেলা সহ-সভাপতি দীপক দাস বলেছেন, “তৃণমূল শেষ পর্যন্ত রাম নাম করছে, এটা ভালো খবর। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাবে না।” আবার তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় এই সবে পাত্তা দিতে নারাজ। তৃণমূলের রামনামে ভুল কিছু নেই বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

    তৃণমূলের বক্তব্য  

    জেলা (Birbhum) কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় আরও বলেছেন, “অনুব্রত মণ্ডলকে অনেক মানুষ ভালোবাসেন। সকলেই চাইছেন তিনি যেন জেল থেকে মুক্তি পান। আর এই জন্যই কেউ রাম নাম আবার কেউ হরিনাম করছেন।” রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, জেলার সভাপতি পদে এখনও বহাল রয়েছেন কেষ্ট। তাঁর অনুগামীরা বাড়তি অক্সিজেন দিতে এই সমস্ত করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share