Tag: Madhyam

Madhyam

  • Birbhum: অসুস্থতার অজুহাতে কি কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ককে পদ থেকে সরাল তৃণমূল?

    Birbhum: অসুস্থতার অজুহাতে কি কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ককে পদ থেকে সরাল তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে কেষ্ট-ঘনিষ্ঠকে পদ থেকে সারল তৃণমূল। অবশ্য অপসৃত প্রাক্তন বিধায়কের দাবি “আমি সুস্থ”। গরুপাচার মামলায় জেলবন্দী বীরভূমের (Birbhum) নেতা অনুব্রত মণ্ডলের হাত ধরেই তৃণমূলে এসেছিলেন নরেশ বাউড়ি। তাঁর বিধায়ক হওয়ার পিছনেও কেষ্ট মণ্ডলের হাত ছিল বিরাট। তাঁকে পদ থেকে অপসারণের ফলে দলের মধ্যেই উঠছে প্রশ্ন। তাঁকে কি গ্রেফতার করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা? এই ভয়েই কি অপসারণ? নাকি দলের গোষ্ঠী কোন্দল? উঠছে নানা প্রশ্ন। 

    কেষ্ট-কাজল দ্বন্দ্ব (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) রাজনীতিতে তৃণমূলের মধ্যে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। গ্রেফতারের পর থেকে ক্রমশ দলের মধ্যে অনুব্রতের গুরুত্ব কমে গিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। অপর দিকে অনুব্রতের অনুপস্থিতিতে কাজল শেখের গুরুত্ব অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। অবশ্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলার সভাপতির পদ থেকে কেষ্টকে এখনও আনুষ্ঠানিক অব্যাহতি দেননি। এই পরিস্থিতির মধ্যে দুবরাজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক নরেশকে বোলপুর টাউন সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাজল শেখ এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহের ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর সুকান্ত হাজরাকে। ফেলে অনেকের অনুমান, দলের মধ্যে কোন্দল স্পষ্ট। 

    বেসুরো নরেশ বাউড়ি

    ঘটনায় দলের সুরে সুর না মিলিয়ে বীরভূমের (Birbhum) অনুব্রতপন্থী নরেশ বাউড়ি বলেন, “শরীরিক ভাবে আমি যথেষ্ট সক্ষম। আমি অসুস্থ নই। দলের যা সিদ্ধান্ত তা মেনে চলবো।” তবে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, তাই দলের পদ থেকে সরানো হয়েছে, এমনটা অনেকেই মনে করছেন। বস্তুত লোকসভার আগে এই দলের পরিবর্তনে তৃণমূলের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    তৃণমূল মন্ত্রী বক্তব্য

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ অবশ্য দলের দায়িত্ব প্রসঙ্গে বলেন, “নরেশ বাবু শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তিনি নিজেই সরে যাবার আবেদন করেছিলেন। তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়নি। তাঁকে জেলায় (Birbhum) অন্য পদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি

    Paschim Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) শিলদায় ইএফআর শিবিরে মাওবাদী হামলায় ২৩ জন দোষীদের মধ্যে ১৩ জন দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি দিয়েছে আদালত। মেদিনীপুর অতিরিক্ত এবং দায়রা জেলা আদালতের বিচারপতি সেলিম শাহী এই মামলায় গতকাল মঙ্গলবার ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন। আজ ১৩ জনের সাজার নির্দেশ দেন বিচারপতি, আর বাকি দোষীদের সাজা ঘোষণা হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। উল্লেখ্য ঝাড়গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটেছিল ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।

    কী বললেন বিচারপতি (Paschim Medinipur)?

    আদলাতে দোষীদের প্রথমে বক্তব্য শুনতে চান বিচারপতি (Paschim Medinipur) সেলিম শাহী। এরপর দোষীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি বলেন, “আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে আপনাদের। কী বলার আছে বলতে পারেন। নিজেদের নির্দোষ বলে লাভ নেই। রায়ের কপি পেয়ে যাবেন। এরপর আপনারা হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবেন।”

    প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা হয়েছিল

    ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে শিলদা (Paschim Medinipur) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে থাকা ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই হামলায় ২৪ জন ইএফআর সেনার মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ক্যাম্প তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য এই ক্যাম্পের কাছেই ছিল পুলিশের স্ট্রোক ক্যাম্প। হামলায় জওয়ানদের গুলি করে খুন করা হয়। এরপর ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে চালানো হয় অস্ত্র ভাণ্ডারে লুটপাট।

    অপরাধীদের নাম

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলা প্রথমে ঝাড়গ্রামে শুরু হয়েছিল। এরপর মামলা মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মামলায় দোষীদের নাম হল, লোচন সিংহ সর্দার, চুনারাম বাস্কে, রমসাই হাঁসদা, আশিস মাহাত, ধৃতিরঞ্জন মাহাত, অর্ণব দাম, বিষ্ণু সারেন, বুদ্ধেশ্বর মাহাত এবং প্রশান্ত পাত্র। এরা প্রত্যকে জামিনে মুক্ত ছিল। অপরদিকে জেল হেফাজতে ছিলেন শ্যামচরণ হাঁসদা, রাজেশ হাঁসদা, শুকলাল সরেন, রাজেশ মুন্ডা, মানস মাহাত, কানাই হাঁসদা, কল্পনা মাইতি, সনাতন সরেন, মনসারাম হেমব্রম, ঠাকুরমনি হেমব্রম, ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, কাজল মাহাত, রঞ্জন মুন্ডা এবং মঙ্গল সরেন। মানবাধিকার কর্মীরা অবশ্য এই সাজা ঘোষণায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Nagar: কৃষ্ণনগরে বেআইনি অস্ত্রের কারখানার হদিশ, উদ্ধার এক নলা বন্দুক! গ্রেফতার ১

    Krishna Nagar: কৃষ্ণনগরে বেআইনি অস্ত্রের কারখানার হদিশ, উদ্ধার এক নলা বন্দুক! গ্রেফতার ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ায় (Nadia) বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিশ। উদ্ধার করা হল বন্দুক সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে একজন। পুলিশ সূত্রে খবর, সম্প্রতি নদিয়ার কৃষ্ণনগরের (Krishna Nagar) থানাপাড়া এলাকার সাহেব পাড়ায় একটি বাড়িতে বেআইনি ভাবে অস্ত্র তৈরি করার কারখানার খবর পেয়ে হানা দেয় পুলিশ। ধৃতের নাম হল বজলু শেখ। গ্রেফতার করে তাকে আদালতে তোলা হয়েছে। বিচারক পুলিশে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার মানুষ।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Kriahna Nagar)

    নদিয়া পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “কৃষ্ণনগরের (Krishna Nagar) সাহেব পাড়ায় একটি বাড়িতে বেআইনি ভাবে অস্ত্র নির্মাণে কাজ চলছিল। এই খবর গোপন সূত্রে আসে পুলিশের কাছে। এরপর এখানে হানা দিয়ে একটি একনলা বন্দুক সহ আরও একাধিক অস্ত্র উদ্ধার হয় ওই বাড়ি থেকে। বাড়িতেই ছিল অস্ত্র তৈরির কারখানা। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। বাড়িতে সেই সময়ে উপস্থিত ছিল বজলু। পুলিশ তাকে ওই বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করে।” কিন্তু কীভাবে এই অবৈধ অস্ত্র নির্মাণের কাজ চলছিল তাই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। সীমান্তের ওপারের অস্ত্রকারবারিদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রয়েছে কিনা তা নিয়েও রীতিমতো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

    পুলিশ আধিকারিক এসডিপিও-র বক্তব্য

    নদীয়া (Nadia) পুলিশের পক্ষ থেকে তেহট্ট এসডিপিও শুভতোষ সরকার বলেন, “অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করেছে। অভিযুক্তের সঙ্গে কোনও আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে কিনা সেই বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে।” তবে ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

    আতঙ্কিত এলাকবাসী

    এলাকার (Krishna Nagar) মানুষের প্রশ্ন প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে কীভাবে এই বাড়িতে অস্ত্র রাখা হয়েছিল। বাড়িতে নির্মিত কারখানায় অস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল বলে অভিযোগ করেছেন এলাকার মানুষ। এমনিতেই নদিয়া জেলার একপাশে বাংলাদেশ সীমান্ত, ফলে এই অস্ত্র বাংলাদেশে পাচার হবে না তো? আবার সামনেই লোকসভার ভোট তাকে প্রভাবিত করার জন্য অস্ত্র মজুত করা হয়তেছিল কিনা, তাই নিয়েও এলাকার মানুষ দারুণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গতবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দেশী অস্ত্র এবং বোমার ব্যবহারে রাজনৈতিক হিংসার খবরে শিরোনাম হয়েছিল নদিয়া জেলা। তাই এলাকার মানুষ আতঙ্কিত।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ujjain: বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি স্থাপিত হল উজ্জয়িনীতে, ১ মার্চ উদ্বোধন মোদির

    Ujjain: বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি স্থাপিত হল উজ্জয়িনীতে, ১ মার্চ উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি স্থাপিত হল মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) উজ্জয়িনীতে (Ujjain)। আগামী ১ মার্চ ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এটি বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি, যা প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যগত পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী সময় প্রদর্শন করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০০ বছর আগে শুধুমাত্র উজ্জয়িনী (Ujjain) থেকেই পৃথিবীর সময়ের মান নির্ধারণ করা হয়েছিল। এইবার সময় বের করার জন্য উজ্জয়িনীতে (Ujjain) একটি যন্ত্র স্থাপিত হয়েছে। 

    ৮৫ ফুট উঁচু টাওয়ারে স্থাপিত ঘড়ি (Ujjain)

    উজ্জয়িনীতে (Ujjain) শহরের যন্তরমন্তরে নির্মিত ৮৫ ফুট উঁচু টাওয়ারে স্থাপিত করা হয়েছে এই বৈদিক ঘড়ি। ঘড়িটি বৈদিক হিন্দু পঞ্চাঙ্গ, গ্রহের অবস্থান, মুহুর্ত, জ্যোতিষীয় গণনা, ভবিষ্যদ্বাণী ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য প্রদর্শন করবে। এটি ভারতীয় মান সময় আইএসটি (IST) এবং গ্রিনিচ গড় সময় জিএমটিও (GMT) দেখাবে। ঘড়ির কাঁটা এক সূর্যোদয় থেকে অন্য সূর্যোদয়ের উপর ভিত্তি করে সময় গণনা করবে।

    কী বললেন বিশেষজ্ঞরা?

    বৈদিক ঘড়ি নির্মাণের বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য শিশির গুপ্ত বলেছেন, “উজ্জয়িনীতে (Ujjain) নির্মিত ৮৫ ফুট উঁচু টাওয়ারে বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি স্থাপন করা হয়েছে। ঘড়িটি একদিনের সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী দিনের সূর্যোদয় পর্যন্ত সময় গণনা করবে। দুটি সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়কালকে ৩০টি ভাগে ভাগ করা হবে। যার এক ঘন্টা আইএসটি অনুসারে ৪৮ মিনিট থেকে গণনা করা হবে। 0.00 থেকে সূর্যোদয়ের সময় থেকে গণনা শুরু হবে। একই সঙ্গে ঘড়িটি ৩০টি মুহুর্ত, তিথি এবং বৈদিক হিন্দু পঞ্চাঙ্গের অন্যান্য সমস্ত সময়ের গণনা প্রদর্শন করবে। আবার মহারাজা বিক্রমাদিত্য রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর শ্রী রাম তিওয়ারি বলেছেন, “এই ঘড়ি বিশ্বের প্রথম ঘড়ি, যেখানে ভারতীয় সময় গণনাকে উপস্থাপন করবে। এখানে বৈদিক ঘড়ি স্থাপন করা হয়েছে, কারণ উজ্জয়িনীকে (Ujjain) সময় গণনার কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য কর্কটক্রান্তি রেখার মধ্যে অবস্থিত এই উজ্জয়িনী (Ujjain) শহর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “গুন্ডারা জেলে যাবে, মমতার দিন শেষ”, সন্দেশখালিতে গিয়ে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গুন্ডারা জেলে যাবে, মমতার দিন শেষ”, সন্দেশখালিতে গিয়ে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিভিশন বেঞ্চের অনুমতির পরেই সন্দেশখালিতে পৌঁছালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে পেয়ে নির্যাতিত মানুষ যেন বটবৃক্ষের আশ্রয় পেলেন। উলুধ্বনি, পুষ্পবর্ষণ করে স্বাগত জানালেন এলাকার মানুষ। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরা, উত্তমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তাঁরা। একে একে শুভেন্দু শুনলেন সব অত্যাচার, নির্যাতনের কথা। সেই সঙ্গে নিপীড়িত মানুষকে আশ্বাস দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনারা পাশে থাকুন। সন্দেশখালির সব কিছুর পরিবর্তন হবে।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সন্দেশখলিতে পা রেখে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “সংবিধানের জয়, গণতন্ত্রের জয়, সন্দেশখালির মা-বোনের জয়। গুন্ডারা জেলে যাবে। মমতার দিন শেষ, ফিনিশ। পরিবর্তনের ভরকেন্দ্র হচ্ছে আজকের সন্দেশখালি। তৃণমূলের পিঠে শেষ পেরেক পুঁতে দিয়েছে এই জনজাগরণ। নন্দীগ্রামে আমরা ভয় পাইনি, আপনারাও ভয় পাবেননা। এলাকার মানুষ শান্তি চায়। শেখ শাহজাহানের ফাঁসি চায় মানুষ। ওর পালানোর উপায় নাই।” শেখ শাহজাহান সম্পর্কে এলাকার মানুষ বলেন, “আমরা জীবন দেব, কিন্তু আন্দোলন থামাব না।” স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “আমার ৭ বিঘা জমি কেড়ে নিয়ে গেস্ট হাউস বানিয়েছে ওরা। আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত নিয়ে টানাটানি করেছে তৃণমূলের নেতারা। মমতা ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমরা কোনও ভোট দিতে পারিনি এলাকায়।”

    হাইকোর্টের বক্তব্য

    এদিকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) যাওয়ার আগেই এলাকার ১২টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে পুলিশ। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে অবশেষ উঠল ১৪৪ ধারা। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশিন বেঞ্চের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়ে বলেন, “রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সন্দেশখালিতে যেতে পারবেন। তবে এলাকায় যাতে কোনও রকম শান্তিভঙ্গ না হয়, নজর রাখতে হবে। সবটাই দেখার দায়িত্ব পুলিশের।” অপর দিকে রাজ্যের পুলিশ শেখ শাহজাহানকে রক্ষা করছে বলে হাইকোর্টের বিচারপতি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। প্রধান বিচারপতি এই তৃণমূল নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “এমন ব্যক্তিকে রক্ষা করা হচ্ছে কি না জানি না, তবে মনে হয় রাজ্য পুলিশ তাঁকে রক্ষা করছে। তাঁকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ জারি করব। আশা করি পুলিশ আদালতকে সাহায্য করবে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলে হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

    Malda: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলে হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরস্বতী পুজো করাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি। প্রথমে শুরু হয় বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে, পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর, লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলেন বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হবিবপুর থানার শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শীর্ষি এলাকায়। ের জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা।

    স্থানীয়দের বক্তব্য (Malda)

    এলাকায় (Malda) সরস্বতী পুজোকে ঘিরে মারধরের প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি সমর্থক উত্তম মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, “আমরা এলাকায় পুজো করছিলাম। আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর আক্রমণ করে। আমাদের পুজোর সামগ্রী ফেলে দেয় তারা। এরপর আমাদেরকে মারধর করে। ঘটনায় পুলিশে খবর দিলে হবিবপুর থানার পুলিশ এসে উলটে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির অভিযোগ, এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ মদতে পুলিশ এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে ১১ জন আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত। তিনি বলেন, “পুলিশ দোষীদের না ধরে বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীদের ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। পুলিশ অফিসার বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী স্থানীয় তৃণমূল নেতার নির্দেশে এই কাজ করেছেন। আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই।” পরে অবশ্য গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে হবিবপুর থানা ও জেলার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সরস্বতী পুজো হয়ে থাকে একটি জমিতে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী দেব মন্ডল দাবি করেন ওই জমিটি তাঁর। আর এই নিয়ে শুরু হয় বিবাদ। ঘটনায় বিবাদ থামাতে হবিবপুর (Malda) থানার পুলিশ পৌঁছে সামাল দেয় গ্রামবাসীদের। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিপ্লব মন্ডল বলেন, “সরস্বতী পুজো করে গায়ের জোরে অশান্তি তৈরি করেছে বিজেপি।” আবার জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বলেন, “সারা বাংলায় তৃণমূলের উন্নয়নের কাজে বিজেপি উস্কানি দিয়ে চলেছে। সরস্বতী পুজোর দিনে এই সংঘর্ষ কাম্য নয়। পুলিশকে আরও সংযত হয়ে কাজ করতে হবে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আইসিইউ-তে ভর্তি সুকান্ত, বুকে-কোমরে ব্যথা, চলছে স্যালাইন, জানালেন শুভেন্দু

    Sukanta Majumdar: আইসিইউ-তে ভর্তি সুকান্ত, বুকে-কোমরে ব্যথা, চলছে স্যালাইন, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এবং তাঁর অনুগামীদের অত্যাচারে সাধারণ মহিলারা সোচ্চার। আর তাই এই তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার এবং কঠোর শাস্তি প্রদানের দাবিতে জনআন্দোলনকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কিন্তু টাকিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়, এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত বসিরহাট থেকে কলকাতায় বাইপাসের কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে নিউরোলজি বিভাগে চিকিৎসা চলছে তাঁর। গতকাল তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আইসিইউতে রয়েছেন সুকান্ত। বুকের পাঁজর এবং কোমরের ব্যথা রয়েছে তাঁর। স্যালাইন ছাড়া কিছুই নিতে পারেননি। সুকান্তর বমি ভাব রয়েছে, বিশ্রাম নিলে ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।”

    হাসপাতাল সূত্রে খবর (Sukanta Majumdar)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্তের (Sukanta Majumdar) সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে। তবে এখনও সেই পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। একই ভাবে তাঁর এমআরআই সংক্রান্ত কিছু প্রয়োজনীয় স্ক্যান করা হবে। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তাঁকে ইতিমধ্যে দেখতে এসেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। 

    বিজেপি সূত্রে খবর

    বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল। তবে এখনও বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। শরীরে ব্যথা রয়েছে। ঘটনার সময় পুলিশের গাড়ির বনেটের উপর তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাপক ধস্তাধস্তি হলে পড়ে যান। এরপর তাঁকে কোলে করে নীচে নামানো হয়। ফলে ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এখন শরীরের ভিতরে কোনও অংশে আঘাত লেগেছে কিনা তাই পরীক্ষা করে দেখছেন চিকিৎসেকরা। বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার বলেন, “অসুস্থ অবস্থায় যখন সুকান্তবাবুকে নিয়ে আসা হচ্ছিল সেই সময় অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে এক বারের জন্যও চোখ খোলেননি। তাকানোর মতো কোনও পরিস্থিতি ছিল না তাঁর। কোমরে এবং বুকে ব্যথা রয়েছে। গাড়িতে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে টাকি থেকে তাঁকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়।”

    এসপি অফিসে চলছিল ঘেরাও

    মঙ্গলবার বসিরহাট এসপি অফিস ঘেরাও অভিযান হয়েছিল সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে। গত মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যে ঘটনায় বিজেপির ৭ জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফলে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করেন। এরপর ধর্না শুরু করেন তিনি। পরে আবার রাতে তাঁকে আটক করলে কিছুক্ষণ পরেই ছেড়ে দেয় পুলিশ। এরপর বুধবার সকাল থেকেই আবার সরস্বতী পুজো করে আন্দোলনে যোগদান করলে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা রয়েছে বলে রাস্তায় বাধা দেওয়া হয়, এরপর শুরু হয় ধস্তাধস্তি। ওই সময় সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন তিনি। পরে অবশ্য জ্ঞান ফেরে। এরপর দ্রুত হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ব়্যাগিং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে! চার ছাত্রকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কারের ঘোষণা

    Murshidabad: ব়্যাগিং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে! চার ছাত্রকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কারের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল। এবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। কলেজের হস্টেলের ভিতরে প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে কান ধরে ওঠবস করানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় টেক্সটাইল কলেজের অ্যান্টি ব়্যাগিং কমিটির কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করা হয়েছিল। এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত চার ছাত্রকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। ঘটনায় পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    উল্লেখ্য গত বছর পুজোর আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুকে ঘিরে ক্যাম্পাস উত্তাল হয়ে উঠেছিল। সেই উত্তাপের আঁচ গিয়ে পড়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, বিরোধী দলনেতা এবং ইউজিসিতে। সেই ছাত্রের বাড়ি ছিল নদিয়া জেলায়। বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। এছাড়াও খড়্গপুরে আইআইটির ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া, আরজিকর মেডিক্যালের ডাক্তারি পড়ুয়া, দুর্গাপুরের এমবিএ পড়ুয়া সহ একাধিক ছাত্রের ব়্যাগিং এবং রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। ফের একবার ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের ব়্যাগিংয়ের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে।

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কোন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ?

    ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরের গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেক্সটাইল কলেজে। এই কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রকে হস্টেলের রুমে কানধরে ওঠবস করানো হয়। ঘটনার পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি বহরমপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কলেজের কর্তৃপক্ষ তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। ঘটনায় রাজ্যে শিক্ষাঙ্গনে ফের ব়্যাগিংয়ের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে।

    অভিযুক্তরা চতুর্থ, তৃতীয় এবং প্রথম বর্ষের ছাত্র

    কলেজ (Murshidabad) সূত্রে জানা গিয়েছে, ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ মূলত চারজন ছাত্রের বিরুদ্ধে। এরপর এই চারজনের বিরুদ্ধে অ্যান্টি ব়্যাগিংয়ের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে একজন প্রথম বর্ষের, আরও দু’জন তৃতীয় বর্ষের এবং অপর আরেক জন হল প্রথম বর্ষের ছাত্র। ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ পেয়ে বহরমপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে শ’দুয়েক লোকের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত প্রতারকের নাম বলরাম দাস। বাড়ি নদিয়ার রানাঘাটের (Nadia) আনুলিয়ায়। আজ মঙ্গলবার তাকে রানাঘাট আদালতে তোলা হয় এরপর ধৃত প্রতারককে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছিল

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে হাঁসখালি (Nadia) থানার পাখিউড়া গ্রামের বাসিন্দা অভিজিৎ বিশ্বাস থানায় এসে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমি ছাড়াও এলাকায় আরও অনেক মানুষ এইমসে চাকরির জন্য টাকা দিয়েছিলেন। অভিজিৎ দাস এবং রাজু গুপ্ত নামক দুই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়ার কথা বলেন। এই দুই ব্যক্তির নম্বর থানায় জানানো হয়েছে। তাদের জেরা করলে বলরাম সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। রামনগর বড়চুপরিয়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা তৃণমূল নেতা যামিনী মুন্ডারি সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।”

    পুলিশের বক্তব্য

    নদিয়া পুলিশ (Nadia) প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি ফেসবুক পেজ খুলে তাতে বিজ্ঞাপন দিয়ে এইমসে সরকারি পদে করণিক নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এরপর বলা হয় অনলাইনে আবেদন এবং পরীক্ষা হবে। তবে এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান নিজে সকলকে চাকরির সুযোগের কথা জানান। এরপর ৪৫২ টাকা দিয়ে লোকজন ফর্ম ফিলাপ করে। এরপর তন্ময় দাস নামক এক এইমসে কর্মরত ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে পাশের খবর দেয়। এরপর নানা ডাক্তারি পরীক্ষার কথা বলে সাড়ে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বলা হয় ২৮ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। এরপর অনলাইনে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু অনলাইনে যে গেট পাস এবং আইডি পাঠানো হয়েছিল তা এইমসে নিয়ে কাজে যোগদান করতে গেলে কাউকেই আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর সন্দেহ শুরু হয় এবং পরে বোঝা যায় সকলেই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর হাঁসখালি থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এই ঘটনায় বলরাম একজন মিডলম্যন।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় পঞ্চায়েত (Nadia) প্রধান যামিনী মুন্ডারি বলেন, “আমি পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু টাকা দিতে বারণ করেছিলাম। ওরা নিজেরাই লোভে পড়ে টাকা দিয়েছে। টাকা দেওয়ার কথা শুনে আমি এইমসে গিয়ে খোঁজ নিয়েছি।” পাশপাশি এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও দুজনের খোঁজ করা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নন্দীগ্রাম কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এবিভিপি-তৃণমূলে হাতাহাতি

    Purba Medinipur: নন্দীগ্রাম কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এবিভিপি-তৃণমূলে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) নন্দীগ্রামের কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। এবিভিপি এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মধ্যে ধুন্ধুমার বাধে। উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং ঝামেলায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অবশেষে স্থানীয় থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

    উত্তপ্ত সীতানন্দ কলেজ  (Purba Medinipur)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিধানসভা ক্ষেত্র নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur) সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সরস্বতী পুজোকে ঘিরে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন এবং আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা বাধে। একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে। সেই সঙ্গে চলে ব্যাপক মারামারি। কার্যত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সীতানন্দ কলেজ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।

    এবিভিপির বক্তব্য

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে (Purba Medinipur) এই বছর দুটি পুজো হয়েছে। শাসক দলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে পুজো করে আর রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি কলেজের গেটের বাইরে পুজোর আয়োজন করেছিল। গেটের বাইরে এবিভিপির বেশ কিছু পতাকা লাগানো হয়েছিল। কিন্তু এবিভিপি অভিযোগ করে বলে, তাঁদের পতাকা, ফেস্টুন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ছিঁড়ে দেয়। এরপর শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মীদের ব্যাপক মারধর করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন এবিভিপি কর্মী।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “ইচ্ছে করেই এবিভিপির কর্মীরা তৃণমূলের পুজোতে আক্রমণ করে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি এবং মারামারি হয়। ব্যাপক ভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ ক্যাম্পাস।” পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ নামে এবং নন্দীগ্রাম (Purba Medinipur) থানায় অভিযোগ জানানো হয়।       

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share