Tag: Madhyam

Madhyam

  • Digha: রাত পর্যন্ত আর সমুদ্রপাড়ে বসে থাকা যাবে না, দিঘায় পর্যটকদের জন্য নয়া নিয়ম

    Digha: রাত পর্যন্ত আর সমুদ্রপাড়ে বসে থাকা যাবে না, দিঘায় পর্যটকদের জন্য নয়া নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পর্যন্ত আর সমুদ্রের ধারে ঘোরাঘুরি করা যাবে না। নতুন নিয়ম ঘোষণা করল প্রশাসন। সম্প্রতি দিঘায় (Digha) এক পর্যটকের ধর্ষণের ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে দু’জনকে। সৈকত শহরে এই ঘটনায় পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নারী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করল দিঘা পুলিশ।

    মাইকিং করে ঘোষণা(Digha)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিঘার (Digha) সমুদ্র সৈকতে এখন থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বসে থাকা যাবে না। সমুদ্র বিচে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সুবিধা এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। স্থানীয় থানার পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার মাইকিং করে এই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, সমুদ্রপাড়ে পর্যটকেরা বিনা কারণে এখন থেকে বসে থাকতে পারবেন না। রাতে হোটেলের মধ্যে থাকতে হবে। যদি নিয়মভঙ্গ করা হয় তাহলে প্রশাসন শাস্তির পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই সকল দোকানপাট বন্ধ রাখতে হবে। সাধারণত দিঘা হল একটি সমুদ্র সৈকত শহর। সমুদ্রের জলে স্নান, ভ্রমণ এবং অবসর সময় কাটাতে বহু পর্যটক এখানে ঘুরতে আসেন। এবার থাকে তাঁদের সতর্কে থাকার কথা ঘোষণায় বলা হয়েছে।

    প্রেমিকের সামনেই করা হয়েছিল ধর্ষণ

    সম্প্রতি এক প্রেমিক-প্রেমিকা যুগল বেড়াতে গিয়েছিলেন দিঘাতে (Digha)। তাঁরা হোটেলের খোঁজ করছিলেন। কিন্তু দুই ব্যক্তি কম দামে হোটেল খুঁজে দেওয়ার কথা বলে। এরপর প্রেমিককে গাছে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। সেইসঙ্গে প্রেমিকের সামনেই প্রেমিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অমানবিক ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে আরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “কোলের একরত্তিদেরও মারধর করা হয়েছে”, চোয়ালে রক্তের দাগ নিয়ে বিস্ফোরক মহিলা

    Sandeshkhali: “কোলের একরত্তিদেরও মারধর করা হয়েছে”, চোয়ালে রক্তের দাগ নিয়ে বিস্ফোরক মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) প্রতিবাদী মহিলারা তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নির্মম অত্যাচার এবং শোষণের বিরুদ্ধে আরও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। মহিলাদের অভিযোগ, “লুট করেছে, শোষণ চালিয়েছে, রাতবিরাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নিগ্রহ করেছে। তারা সন্দেশখালির বাইরের লোক।”

    অপরে এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিরোধীরা সন্দেশখালি নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে গেলে পুলিশের সঙ্গে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এলাকায়। অবশেষে মামলায় হাইকোর্ট থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    অত্যাচারিত মহিলার বক্তব্য (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক মহিলা তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে বলেন, “গ্রামের বাঁধ নির্মাণের জন্য আমাদের কাছে থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। এই টাকা আমাদের দেওয়ার কথা নয়। আমাদের জীবন জীবিকা রয়েছে। আমরা মার খাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। আর টাকা না দিলে রাতবিরেতে লোক ঘরে এসে ঢুকে যাবে। তুলে নিয়ে যাবে আমাদের। আমাদের বাড়ির পুরুষ মানুষদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।”

    আর কী অভিযোগ?

    গ্রামের (Sandeshkhali) এক বয়স্ক মহিলা বলেন, “আমরা ১০০০ টাকার কাজ করলে ৫০০ করে টাকা দিত। না দিলে রাতে এসে তুলে নিয়ে যেত। বাড়ির সামনে কোদালের বাঁট মেরে দিয়ে যাচ্ছে। শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার আমাদের এলাকার লোক নয়। আমাদের টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। আবার ক্যামেরার সামনে মুখ খুললে আমাদের অত্যাচারের শিকার হতে হচ্ছে। বেছে বেছে টার্গেট করা হচ্ছে। আমার চোয়ালে এখনও রক্তের দাগ লেগে রয়েছে। কোলের একরত্তি বাচ্চাদের পর্যন্ত মারধর করা হয়।” এই প্রসঙ্গে আরও এক মহিলা বলেছেন, “শেখ শাহজাহান কোনও মুসলমান মহিলাদের তুলে নিয়ে যায় না, বেছে বেছে হিন্দু মহিলাদের তুলে নিয়ে যায়।” এদিকে শিবু হাজরা এখনও নিখোঁজ। অপর দিকে উত্তম সর্দার সোমবার জামিন পেলেও রাতে আবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আবার তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের অবশ্য দাবি, “আমার কাজ আগুনে ঘি ঢালা নয়। আমি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। প্রশাসনকে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহানের অত্যাচার যেন নান্টু প্রধানের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে

    Sandeshkhali: শাহজাহানের অত্যাচার যেন নান্টু প্রধানের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সাধারণ মানুষ, শাসকদলের নেতা শেখ শাহজাহান-শিবু হাজরার মতো রাজনৈতিক নেতাদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। বিশেষ করে পথে নেমেছেন স্থানীয় মহিলারা। রাত হলেই বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালাত তৃণমূল নেতারা। সাধারণ মানুষের চাষের জমি, মাছ চাষের ভেড়ি দখল করে নিয়েছে এই তৃণমূল নেতারা। প্রতিবাদে সাধারণ মহিলারা রাস্তায় নেমে সোচ্চার হয়েছেন।

    এই উত্তাপের মধ্যে তৃণমূলের বর্বরতা এবং অত্যাচারের চিত্রকে মনে করাল পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের তৃণমূল নেতা নান্টু প্রধানের কথা। এলাকায় দুস্কৃতী বাহিনীর তাণ্ডবে মানুষের জনজীবন অস্থির হয়ে উঠেছিল। চাষের জমি থেকে শুরু করে মাছ চাষের জমি, গ্রামের মহিলাদের জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে শারীরিক শোষণের একাধিপত্য বিস্তার করেছিলেন এই তৃণমূল নেতা। কালের প্রবাহে জনরোষে নিহত হতে হয়েছিল তাঁকে।

    কে ছিলেন নান্টু (Sandeshkhali)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে তৃণমূলের শাসনের সময়ে এলাকায় একাধিপত্য বিস্তার করেছিলেন নান্টু প্রধান। পূর্ব মেদিনীপুর এলাকার মহম্মদপুর ২ গ্রামের পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে ছিল গোটা ভগবানপুর এলাকা। এলাকায় নোনা জলে যে সোনা ফলে, সেটা খুব ভালো করে বুঝেছিলেন। নোনা জল জোর করে ঢুকিয়ে দিয়ে অনিচ্ছাকৃত মানুষের চাষের জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শাহজাহানের মতো তিনিও এলাকায় দখলদারির রাজনীতি করতেন। একই ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতাবলে বিরোধীদের তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর এবং বাড়ির মহিলাদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করতেন। জনাদাঁড়ি এবং মহম্মদপুরে দেড়শো বিঘা জমিতে ভেড়ি ছিল তাঁর।

    বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে যেতেন

    নান্টুর বাহিনীর দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে বাড়ির দরজা ভেঙে মহিলাদের তুলে নিয়ে যেত। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মতো এলাকার পুলিশ-প্রশাসন কোনও অভিযোগ নিতে রাজি হত না। পুলিশের কাছে কেউ সাক্ষী দিতে আতঙ্কিত হত। একই রকমের একটি মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সরবেড়িয়া। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে এলাকার জালামাঠে খুন হন তৃণমূল নেতা নান্টু প্রধান। এরপর তাঁর দখল করা জমিকে কৃষকেরা ফিরিয়ে নেন।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    ভগবানপুরের স্থানীয় মানুষ সনাতন, কানু প্রমুখ বলেন, “আমাদের এলাকার অন্ধকার যুগের ছবিই যেন সন্দেশখালিতে দেখতে পাচ্ছি। সংবাদ মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এবং মহিলাদের উপর অত্যাচারের কথা আবার আমাদের উপর হওয়া অত্যচারের কথাকেই মনে করিয়ে দিল।” অপর দিকে বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি স্বপন রায় বলেন, “ভগবানপুরের তৃণমূলের মাফিয়ারাজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই এলাকার মতো সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষ রুখে দাঁড়াবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের যুব বনাম মাদারের গোষ্ঠী সংঘর্ষে চলল গুলি, উদ্ধার বন্দুক!

    South 24 Parganas: তৃণমূলের যুব বনাম মাদারের গোষ্ঠী সংঘর্ষে চলল গুলি, উদ্ধার বন্দুক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল গভীর রাত্রে বেলেগাছি এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এক পক্ষ অপর পক্ষকে হামলা করে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলেছে। ইতিমধ্যে গুরুতর জখম এক তৃণমূল কর্মী। আহত ব্যক্তির নাম শহিদুল মোল্লা। এলোপাথাড়ি ধারালো অস্ত্রের আঘাত করা হয় এবং সেই সঙ্গে গুলিও চালানোর চেষ্টা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। গুরুতর আহত ওই তৃণমূল কর্মীকে বারুইপুর (South 24 Parganas) মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র। এলাকায় এই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল।

    আহত তৃণমূল কর্মীর বক্তব্য (South 24 Parganas)

    এলাকায় (South 24 Parganas) গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুলির আঘাতে আহত তৃণমূল কর্মী শহিদুল মোল্লা বলেন, “এক রাউন্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু আমাকে টার্গেট করে গুলি করতে আসলে আমি হাত দিয়ে ধরে ফেলি। তাতে আমিও আহত হই। ওরা সকলে যুব তৃণমূলের কর্মী। রেজাউল এবং কুতুব মিস্ত্রি মূলত আক্রমণ করে। আমিও নিজে তৃণমূল করি।” আবার আক্রান্তের দাদা আরও বলেন, “এলাকায় আমার ভাই প্রধানের সঙ্গে ওঠাবসা করেন। মূলত মাদার এবং যুব তৃণমূলের মধ্যে একটি রাস্তা নিয়ে বিবাদ। আগেও আমাদের বাড়িতে আক্রমণ করেছিল বন্দুক নিয়ে। আজ কুতুব মিস্ত্রি যুব তৃণমূলের সভাপতি এলাকার তাঁর নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। গুলি চালিয়েছিল কিন্তু লাগেনি শরীরে। তবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়েছে ঘাড়ে এবং কোমড়ে। আমরা বন্দুকটি উদ্ধার করতে পেরেছি। পুলিশের কাছে জমাও দিয়েছি। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে।”

    যুব বনাম মাদার সংঘর্ষ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা করিমুল্লা মোল্লা ও মাদার তৃণমূল কংগ্রেস সাইফুদ্দিন মোল্লার মধ্যে বিবাদ। সেই জেরে ব্যাপক হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহত তৃণমূল কর্মীরা মাদার তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক। পুলিশ এখন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। অপরে যুব তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না দুর্নীতি? শান্তনু সেন সহ ৩ সাংসদকে রাজ্যসভার প্রার্থীই করলেন না মমতা!

    TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না দুর্নীতি? শান্তনু সেন সহ ৩ সাংসদকে রাজ্যসভার প্রার্থীই করলেন না মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার জন্য প্রার্থী-তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল (TMC)। কিন্তু এই প্রার্থী তালিকায় বাদ পড়লেন তিনজন। ঠাঁই হল না দলের অন্যতম মুখপাত্র তথা ডাক্তার নেতা শান্তনু সেনের। একই ভাবে বাদ পড়লেন শুভাশিস চক্রবর্তী এবং আবীর বিশ্বাস। প্রার্থী করা হল অসমের শিলচরের মেয়ে সুস্মিতা দেব, সাংবাদিক রাজদীপ সারদেশাইয়ের স্ত্রী সাগরিকা ঘোষ, প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর এবং উর্দু দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক নাদিমুল হককে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কেন বাদ পড়লেন শান্তনু (TMC)?

    উল্লেখ্য, আরজিকর হাসপাতালের বিশেষ কমিটির মধ্যে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) মুখপাত্র ডাক্তার শান্তনু সেন। সম্প্রতি এই হাসপাতালে তোলাবাজি এবং ভর্তি নিয়ে শাসক দলের অন্দরে ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হয়েছিল। মেটাতে গিয়েছিলেন ব্রাত্য বসু। লাভ হয়নি। এরপর তাঁকে কমিটি থেকে সরিয়ে দিলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শান্তনু। সম্প্রতি আরজিকর-এ নিজের মেয়েকে কারচুপি করে ভর্তির ঘটনায় ব্যাপক সরব হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এবারের রাজ্যসভার প্রার্থীপদের তালিকায় একই সঙ্গে বাদ পড়লেন শুভাশিস চক্রবর্তী এবং আবীর বিশ্বাস। উল্লেখ্য ২০১৯ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার লোকসভা নির্বাচনের ভোটে বেছে বেছে হিন্দু এলাকায় ভোট করতে না দেওয়ার নিদান দিয়েছিলেন শুভাশিস। সেই ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। অন্যদিকে, উর্দু পত্রিকার সম্পাদক নাদিমুল হক হলেন সংখ্যালঘু সমাজের মুখ। ২০১২ থেকে তিনি সাংসদ। প্রথম হজ কমিটির সদস্য হিসাবে তাঁকে পছন্দ করেছিলেন মমতা। জানা গিয়েছে দিল্লি বইমেলায় মমতার বইয়ের উর্দু অনুবাদের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি, তাই মমতা খুশি হয়ে এবারেও প্রার্থী করলেন, এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

    মতুয়াদের ভোট পেতেই মমতাবালাকে প্রার্থী?

    গতকাল শনিবার দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ‘লোকসভা ভোটের আগেই সিএএ-র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে। দেওয়া হবে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার, ভারতে আসা অমুসলমানদের নাগরিকত্ব।’ ইতিমধ্যেই মতুয়া সমাজের মানুষের অধিকার নিয়ে বনগাঁ লোকসভায় বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইতে ব্যাকফুটে তৃণমূল (TMC)। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুর হরিচাঁদ সম্পর্কে কুমন্তব্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে মতুয়া সমাজের মধ্যে। তার জন্যই ঠাকুর বাড়ির মন্দিরে হাজার হাজার পুলিশ নিয়ে গিয়েও ঢুকতে পারেননি ভাইপো অভিষেক। এখন মতুয়াদের মন পেতে তাই সেই পরিবারের সদস্য প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরকেই প্রার্থী করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বাংলার বাইরের সমীকরণ

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল (TMC) বারবার বিজেপিকে বহিরাগত বলে অভিযোগ করেছে। কিন্তু একই ভাবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অভিযোগ করেছেন তৃণমূল লোকসভা, রাজ্যসভায় বাংলার বাইরের ব্যক্তিদের প্রার্থী করে পাঠায়। উল্লেখ্য, গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা বা প্রাক্তন সাংসদ অভিষেক মনুসিংভি, কেউ বাংলার নাগরিক নন। এবার রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে সুস্মিতা দেব এবং রাজদীপ-পত্নী সাগরিকা ঘোষকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কিন্তু উভয়েই জীবনের বেশির ভাগ সময় বাংলার বাইরে, একজন অসমে, অপর জন দিল্লিতে কাজ করেছেন। ফলে শাসক দল এবং বিরোধীদের মধ্যে বহিরাগত তকমা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ১ মিনিটেই ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পঞ্চম শ্রেণির ইমন

    Dakshin Dinajpur: ১ মিনিটেই ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পঞ্চম শ্রেণির ইমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিমেষেই বলে দিতে পারে ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম। আবার ইসলাম ধর্মের আলবাকারা শূরা থেকে ২৬টি স্ট্যাচু ঠোঁটস্থ। এই ব্যতিক্রমী প্রতিভার জন্য দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) পঞ্চম শ্রেণির ইমন মণ্ডলকে স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস। পরিবার এবং এলাকায় খুশির আবহ। ইমন চায় বড় হয়ে ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার হতে।

    মিস্ত্রির ছেলে ইমন (Dakshin Dinajpur)

    হিলি থানার (Dakshin Dinajpur) ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষা চুকুরপাই গ্রামের বাসিন্দা পেশায় ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি ইমরান মণ্ডল। তাঁর ১০ বছর বয়সি ছেলে ইমন মণ্ডল। পাঞ্জুল হাইস্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সে। তার এই ব্যতিক্রমী প্রতিভা রয়েছে। ইন্টারনেট ঘেঁটে একাধিক বিষয়ে জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছে। ১ মিনিটেই বলে দিতে পারছে ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পৃথিবীর ২৬টি স্ট্যাচুর নাম অবলীলায় বলে দিতে পারে ওই খুদে। ইসলাম ধর্মাবলম্বী হওয়ায় সবচেয়ে বড় কোরান শরিফ আলবাকারা শূরা এক লহমায় ঠোঁটস্থ ওই বিস্ময় বালকের।

    প্রতিযোগিতায় প্রথম

    সম্প্রতি ওই কিশোরের পরিবারের (Dakshin Dinajpur) তরফে তার এই প্রতিভার কথা জানানো হয় ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ। তারপরই ওই সংস্থার তরফে ইমনের ব্যতিক্রমী প্রতিভার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়। মোট ভারতের ১০ জন কিশোরের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়। সেখানেই ইমনের প্রতিভা প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১৫ জানুয়ারি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড থেকে ইমন মণ্ডলকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সম্প্রতি ইমনের বাড়িতে স্বীকৃতিপত্র পাঠিয়েছে ওই সংস্থা। তারপর থেকে উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা।

    ইমনের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে ইমন মণ্ডল বলেন, ‘আমি বাড়িতে (Dakshin Dinajpur) ইন্টারনেট ব্যবহার করে সব শিখেছি। খেলাধুলোর থেকে পড়াশোনা বেশি পছন্দ করি। সারাক্ষণ এইসব নিয়ে থাকি। আমার স্কুলের শিক্ষকেরাও উৎসাহ দেন। বাড়িতে মা-বাবাও সাহায্য করে। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলতে পেরে আনন্দ হচ্ছে। ভবিষ্যতে আমার ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছে রয়েছে।‘

    পরিবারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে ইমনের মা বিজিয়া সুলতানা মুন্সী (Dakshin Dinajpur) বলেন, “ছোট থেকেই ওর এরকম বিষয়ে বেশি নজর রয়েছে। মোবাইল ঘেঁটে সবটা শিখেছে। আমরা গাইড করেছি। শিক্ষকেরা গাইড করেছেন। এই স্বীকৃতিতে আমরা খুব খুশি। আমরা ওর পড়াশোনার জন্য সবরকমভাবে পাশে রয়েছি। এই চর্চাতেও আমরা সবসময় সাহায্য করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “আমরা চুড়ি পরে বসে নেই”, প্রকাশ্য সভায় বিজেপিকে হুমকি তৃণমূলের

    Bankura: “আমরা চুড়ি পরে বসে নেই”, প্রকাশ্য সভায় বিজেপিকে হুমকি তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, কুকথা বলার যেন প্রতিযোগিতা শুরু করেছেন তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। এক প্রকাশ্য সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে হুমকি দিয়ে বলতে শোনা গেল, “গাছে বেঁধে রাখবো”। পাশাপাশি আর এক তৃণমূল নেতা বলেন, “আমরা হাতে চুড়ি পরে বসে নেই”। বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, তাঁর স্বামী এবং উপ-প্রধানকে হুমকি দিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার (Bankura) ছাতনা ব্লকের ভগবানপুর এলাকায়। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য, “তৃণমূল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।” এই নিয়ে জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কী বলল তৃণমূল (Bankura)?

    ভগবানপুর পঞ্চায়েত মোড়ে তৃণমূলের একটি সভা ছিল গতকাল শনিবার। সেখানে প্রকাশ্য সভায় বাঁকুড়া (Bankura) জেলা পরিষদদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মৌ সেনগুপ্ত নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, “এবার চোখ রাঙাতে এলে মা বোনেরা আপনাদেরকে গাছে বেঁধে রাখবে।” আবার তৃণমূলের ছাতনা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বঙ্কিম মিশ্র বলেন, “এভাবে আগামী দিনে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে আমরা ছেড়ে কথা বলব না। আমরা কেউ চুড়ি পরে বসে নেই।” তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, প্রধানের স্বামী এবং উপ-প্রধান দাদাগিরি করেছেন। বিডিওর কাছে এই বিষয়ে তারা অভিযোগও জানিয়েছে।

    বিজপির বক্তব্য

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাঁকুড়ার (Bankura) ছাতনা ব্লকের তেঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে সমান সমান আসন পায় বিজেপি এবং তৃণমূল। পরবর্তী সময়ে টস হলে জয়ী হয় বিজেপি। এরপর বিজেপি পঞ্চায়েত দখল করে। আর সেখান থেকেই শাসক দল তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের টার্গেট করতে শুরু করেন। পঞ্চায়েতের বিজেপি উপ-প্রধান তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের হুমকির প্রেক্ষিতে বলেন, “আমরা কোনও মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করিনি। আমাদের আপত্তি ছিল, কারণ তাঁদের কাছে বৈধ কাগজ ছিল না। কোনও খারাপ ভাষা প্রয়োগ করিনি আমরা। শাসক দল আমাদের উপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে হামলার ছক করছে।”     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সরস্বতী পুজোয় আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত, বৃষ্টির সম্ভাবনা কয়েকটি জেলায়

    Weather Update: সরস্বতী পুজোয় আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত, বৃষ্টির সম্ভাবনা কয়েকটি জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নামল শহরের পারদ। শনিবার কলকাতায় তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। অন্যদিকে রাজ্যের পুরুলিয়ায় সহ বাকি জেলাগুলিতে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের দুই দিনাজপুরে শীতের প্রাবল্য অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সরস্বতী পুজোর আগে এই আবহাওয়ার বদলে আমজনতার মনে খুশির বাতাবরণ। তবে সরস্বতী পুজোর দিনের আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত।

    কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সরস্বতী পুজোর দিন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির (Weather Update) কাছাকাছি থাকবে। তবে আজ রবিবার তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী। সকাল থেকেই কুয়াশার প্রভাব। বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পায়। তবে সেরকম কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। গতকাল কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। তবে এদিন বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল সবথেকে বেশি ৯০ শতাংশ এবং সবথেকে কম ছিল ৩৬ শতাংশ। আজ রবিবারের তাপমাত্রা ছিল ১৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?

    রাজ্যে ঊর্ধবমুখী তাপমাত্রার (Weather Update) মধ্যে সপ্তাহের শুরুতেই হাওয়া বদলের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান এবং বাঁকুড়াতে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বুধ এবং বৃহস্পতিবার বৃষ্টিপাত আরও কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি তাপমাত্রা বাড়তে পারে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে রাজ্যের বিহার এবং ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জেলায় হবে হালকা বৃষ্টিপাত।

    কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে থাকতে পারে কুয়াশার (Weather Update) প্রভাব। আগামী সপ্তাহের প্রথম থেকে মাঝামাঝি পর্যন্ত থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায়। রবিবার, সোমবার ওড়িশা এবং ছত্তিশগড়ে রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। পূর্ব এবং মধ্য ভারতের রাজ্যের নানান জায়গায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ১০ টাকা মাটি থেকে তুলতে গিয়েই বিপদ! ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল চোর

    Nadia: ১০ টাকা মাটি থেকে তুলতে গিয়েই বিপদ! ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল চোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ টাকা মাটিতে পড়ে রয়েছে দেখতে বলেই ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল এক অজ্ঞাত চোর। মধ্যবয়স্ক এক মহিলার কাঁধে টোকা দিয়ে বলে, ‘দেখুন তো নিচে আপনার টাকা পড়ে রয়েছে কী না?’ ঠিক তারপরেই নিজের টাকা ভেবে তুলতে গেলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মহিলার টাকা ভর্তি ব্যাগ নিয়ে উধাও হয়ে যায় সেই চোর। মুহূর্তের মধ্যেই কীভাবে টাকা নিয়ে পালালো? ঘটনার তদন্তে নেমেছেন পুলিশ। এই নিয়ে ব্যপক চাঞ্চল্য তৈরি হইয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Nadia)।

    অভিনব কায়দায় চুরি (Nadia)

    স্থানীয় (Nadia) সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্যত অভিনব কায়দায় চুরির ঘটনা ঘটেছে কৃষ্ণনগর হেড পোস্ট অফিস চত্বরে। এরপর ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় পুলিশ। ঘটনার পর একে একে ডাকঘরের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। এরপর এক সন্দেহ জনক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ ইতিমধ্যে মধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। ঠিক দুপুর ২টোর সময় ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। গ্রাহকেরা যখন টাকা জমা করছিলেন সেই সময় আচমকা ডাকঘরে চিৎকার শোনা যায়। এরপর জানা যায় ব্যাগে ১ লক্ষ টাকা ছিল এক মহিলার যা চুরি হয়ে গিয়েছে।

    গ্রাহক মহিলার বক্তব্য

    চুরি যাওয়া টাকার মালিক মধ্যবয়স্কা গ্রাহক মহিলা রুপালী বলেন, “আমার ব্যাগ আমার কাছেই ছিল। হঠাৎ এক বয়স্ক লোক আমার পিঠে টোকা দিয়ে বলে, “আপনার টাকা মাটিতে পড়ে রয়েছে! সত্যিই দেখি মাটিতে টাকা পড়ে রয়েছে। আমি ভাবলাম হয়তো কেউ ফেলে রেখে গিয়েছেন। নিচু হয়ে টাকা তুলে উঠে দেখি, আমার ব্যাগ জায়গায় নেই। এরপর সেই বয়স্ক লোকটিকেও আর দেখেতে পেলাম না। মুহূর্তে সব ভ্যানিশ হয়ে গেল।” ঘটনা সম্পর্কে ডাকঘরের (Nadia) পোস্ট মাস্টার বলেন, “সিসিটিভি এমন একটি ঘটনা দেখতে পেলাম। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘সুন্দরী কম বয়সী বউদের পার্টি অফিসে পাঠিয়ে দিতে হত’, গর্জে উঠলেন মহিলারা

    Sandeshkhali: ‘সুন্দরী কম বয়সী বউদের পার্টি অফিসে পাঠিয়ে দিতে হত’, গর্জে উঠলেন মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ছিল না মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার! বাড়ির কম বয়সী বউদের তুলে নিয়ে যেত তৃণমূলের নেতারা। এরপর পার্টি অফিসে রাতভর চলত বাড়ির মাহিলাদের উপর অমানবিক পৈশাচিক অত্যাচার। যৌনশোষণ করে তৃণমূল নেতাদের মন ভরলে তবেই ছাড় মিলত।” এই ভাবেই অভিযোগ করেন জেলিয়াখালির গ্রামবাসীরা। রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের পলাতক নেতা শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ অনুগামি উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরাদের বিরুদ্ধে গ্রামের মহিলারা ব্যাপকভাবে সরব হওয়ায় শোরগোল পড়েছে রাজ্যজুড়ে। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার প্রথমে লাঠি, ঝাটা নিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ-প্রতিবাদে এবং শুক্রবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি। সেই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, গতকাল রাতভর প্রতিবাদী মহিলাদের টার্গেট করে ব্যাপক মারধর করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে কয়েকজন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বাড়ির বউকে ছেড়ে দিতে হত!

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের বক্তব্য বলেন, “তৃণমূল পার্টির লোকেরা আগে এসে দেখে যাবে কোন বাড়ির বউ বেশি সুন্দরী। এরপর তাঁদের মধ্যে যে কম বয়সী তাঁর বাড়িতে হুমকি চলে আসত। বাড়ির বউকে ছেড়ে দিতে হতো তাঁদের হাতে। তুমি স্বামী হতে পারো, কিন্তু তোমার কোনও অধিকার ছিল না। তুলে নিয়ে চলে যেত তৃণমূলের পার্টি অফিসে। এক দিনের জন্য নয়, রাতের পর রাত ভোগ করত নেতারা। ততক্ষণ পর্যন্ত রেহাই নেই ঠিক যতক্ষণ পর্যন্ত নেতাদের মন না ভরত। সারারাত পার্টি অফিসে রেখে, ভোর বেলায় ছেড়ে দেওয়া হতো বউদের। ঠিক এই ভাবে দিনের পর দিন আমাদের গ্রামবাসীর উপর অত্যাচার এবং যৌন নির্যাতন চালাতো সন্দেশখালির কুখ্যাত নেতা শাহজাহান বাহিনী।”

    সন্দেশখালি নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরার বিরুদ্ধেই এলাকার মানুষের মূল অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে থানায় (Sandeshkhali) এফআইআর করা হয়েছে। প্রধান অভিযোগ হল, শাহজাহান শেখ, শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করতে হবে। এই দাবিতে এদিনও আগের মতোই লাঠি, বাঁশ, দা এবং কাটারি হাতে রাস্তায় নামেন মহিলারা। মানুষের সম্পত্তি জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডারা। প্রাপ্য টাকা চাইতে গেলে প্রাণের ভয় দেখানো হত। আর তাই জেলিয়াখালিতে মূল অভিযুক্ত শিবু হাজরার পোল্ট্রি ফার্মে শুক্রবার উত্তেজিত জনতা আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছেন, “চোর মমতার বিরুদ্ধে বাংলায় হিন্দু সমাজের জনজাগরণ ঘটেছে। বাংলার মায়েরাই সেই রাস্তা দেখিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share