Tag: Madhyam

Madhyam

  • TET Exam 2023: বন্ধু অঙ্কে দুর্বল, টেট পরীক্ষায় পাশ করাতে হাইটেক প্রযুক্তির জালিয়াতি!

    TET Exam 2023: বন্ধু অঙ্কে দুর্বল, টেট পরীক্ষায় পাশ করাতে হাইটেক প্রযুক্তির জালিয়াতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধু অঙ্কে দুর্বল, কিন্তু বন্ধুকে টেট পরীক্ষায় (TET Exam 2023) পাশ করাতে গিয়ে জালিয়াতিকাণ্ডে পুলিশের কাছে ধৃত দুই যুবক। জানা গিয়েছে, পরীক্ষার হলে ‘হাইটেক প্রযুক্তি’র ব্যবহার করে মোবাইল এবং ন্যানো ট্রান্সমিটারের সাহায্যে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে থেকে সাহায্য নিয়ে করা হচ্ছিল নকল। এরপর অঙ্কের উত্তর বলে দেওয়া হচ্ছিল বন্ধুকে। কিন্তু এই ঘটনা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের নজরে আসতেই ধরে ফেলা হয় তাদেরকে। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কালীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে।

    ধৃত যুবকদের পরিচয় কী (TET Exam 2023)?

    পুলিশ এবং স্থানীয়সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের একজনের নাম সন্দীপ কুটি এবং অপর যুবকের নাম দেবাশিষ মৃধা। দুই জনের বাড়ি হল নদিয়ার ধানতলা থানার বাহিরগাছি অঞ্চলে। তারা পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন কালীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে। পরস্পরের মধ্যে একে অপরকে টেট পরীক্ষায় (TET Exam 2023) সহযোগিতা করবে বলে কথা হয়েছিল। যখন পরীক্ষা চলছিল সেই সময় হল থেকেই শিক্ষকর্মীরা ডিভাইস এবং মোবাইল সমেত ধরে তাদেরকে পুলিশের কাছে তুলে দেয় বলে জানা গিয়েছে।

    ধৃতদের বক্তব্য

    পরীক্ষার হলে জালিয়াতির দায়ে ধৃত দেবাশিস দাবি করেছে, “আমার কাছে মোবাইল ছিল না। মোবাইল ছিল বন্ধুর হাতে।” অপর দিকে সন্দীপের দাবি, “আমি পরীক্ষায় (TET Exam 2023) দেবাশিসকে সাহায্য করতে গিয়েছিলাম। আর তাই মোবাইল সঙ্গে ছিল। কিন্তু শিক্ষকরা দেখতে পেয়ে যান।” অবশেষে সোমবার দুই জনকেই কৃষ্ণনগর থানার পুলিশ আদালতে তুলেছে বলে জানা গিয়েছে।  

    তবুও টেটে প্রশ্ন ফাঁস

    গতকালের টেট পরীক্ষায় (TET Exam 2023) মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লক্ষ। পরীক্ষা ঠিকঠাক করানোই ছিল প্রশাসনের কাছে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের বিষয়। এতো বজ্র আঁটুনির পরেও পরীক্ষার প্রশ্ন এইবারেও ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। ১২ টায় পরীক্ষা শুরু হলে ঠিক বেলা ১ টায় একটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার খবর দেখা যায়। যদিও পর্ষদ প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বিয়ের সাতদিন পর মেয়ে পালাল প্রেমিকের সঙ্গে, বাধা দিলে গাড়ি চাপায় মৃত বাবা

    Birbhum: বিয়ের সাতদিন পর মেয়ে পালাল প্রেমিকের সঙ্গে, বাধা দিলে গাড়ি চাপায় মৃত বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের সঙ্গে প্রেমিকের সম্পর্ক মেনে নেননি বাবা। কোনও রকমে মেয়েকে অন্য পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মেয়ে সাতদিন পর বাপের বাড়িতে আসতেই ঘটল বিপত্তি। আগের প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেল মেয়ে। আটকাতে গিয়ে মেয়ে যে গাড়িতে পালাচ্ছিল, তার নীচেই চাপা পড়ে মৃত্যু হল বাবার। মেয়ের প্রেমিককে অস্বীকার করার পরিণতি যে এমন ভয়ঙ্কর এবং মর্মান্তিক হতে পারে, তা কেউ বিশ্বাসই করতে পারছেন না। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই বীরভূমে (Birbhum) ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    বীরভূমে কোথায় ঘটল ঘটনা (Birbhum)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর থানা এলাকায়। মেয়ের বাবার নাম কুদ্দুস। মেয়েকে প্রেমিকের সঙ্গে পালাতে দেখে বাধা দিতে যান বাবা এবং একেবারে গাড়ির সামনে এসে পড়েন। তখনই তাঁকে চাপা দিয়ে চলে যায় গাড়ি। এতবড় ঘটনা চোখের সামনে ঘটতে দেখেও মেয়ে এবং তার প্রেমিক কিন্তু একটিবারের জন্য দাঁড়ায়নি, বাবার চিকিৎসা করা তো দূর অস্ত। এই ঘটনায় মারাত্মক জখম হন কুদ্দুস। গুরুতর অবস্থায় বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

    প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেননি বাবা

    স্থানীয় (Birbhum) বাসিন্দারা জানান, মেয়ের নাম কুতুবা খাতুন। সে গাজু শেখ নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেম করত। দু’জনের মধ্যে অনেক দিনের সম্পর্ক। কিন্তু কুতুবার পরিবার থেকে মেনে নেয়নি এই সম্পর্ক। অন্য জায়গায় সম্বন্ধ দেখে তারা বিয়ে দিয়ে দেয় কুতুবার। নিয়মমতো বিয়ের সাতদিনের মাথায় বাপের বাড়িতে নতুন স্বামীকে নিয়ে আসে কুতুবা। আগের প্রেমিকের সঙ্গে তার যোগাযোগ যা ভালোই রয়েছে, সেটাই এবার সামনে চলে আসে। আগের প্রেমিক গাজু একটি গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে আসে। তারপর সেই গাড়িতে করে পালানোর সময়ই চাপা দিয়ে পিষে দেয় বাবা কুদ্দুসকে।

    তদন্তে পুলিশ

    এই ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে বোলপুর (Birbhum) থানার পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TET Exam 2023: রাজ্যে বেকারত্বের করুণ ছবি, বাবা-ছেলে একসঙ্গে দিলেন টেট!

    TET Exam 2023: রাজ্যে বেকারত্বের করুণ ছবি, বাবা-ছেলে একসঙ্গে দিলেন টেট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রাথমিক টেট (TET Exam 2023) পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে গতকাল, ২৪ ডিসেম্বর। তিন লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় বসেছিলেন। রাজ্যে বেকারত্বের করুণ ছবি দেখা গেল এবারের পরীক্ষায়, যেখানে বাবা-ছেলে একসঙ্গে দিলেন টেট! ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। রাজ্যে বছর বছর নিয়মিত হয় না প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। রাজ্যের স্কুলগুলিতে এখনও অনেক শূন্যপদ। বেকারত্ব কার্যত ছুঁয়ে ফেলল ছেলে-বাবাকে। সরকারি চাকরির আশায় পরীক্ষায় বসলেন বাবা-ছেলে। ছেলের দাবি, ‘প্রতি বছর নিয়মিত পরীক্ষা হলে বাবাকে হয়তো এই দিন দেখতে হত না।” পরীক্ষার্থীদের একাংশ বলছেন, রাজ্যে মমতার সরকার যদি ঠিক করে শিক্ষক নিয়োগ করত, তাহলে রাজ্যে ডিএলএড প্রশিক্ষক বাবা-ছেলেকে একযোগে পরীক্ষায় বসতে হত না।

    মুর্শিদাবাদে কোথায় ঘটনা ঘটল (TET Exam 2023)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা থানার চন্দড় গ্রামের গত কালকের টেট (TET Exam 2023) পরীক্ষার প্রার্থী ছিলেন বাবা দিলওয়ার হোসেন এবং ছেলে মোকাম্মেল হোসেন। দিলওয়ার নিজে এমএ পাশ করে ডিএলএডে পড়াশুনা করছেন। আর বাবা মোকাম্মেল চাদর প্রাথমিক স্কুলে প্যারাটিচার হিসাবে শিক্ষতার কাজ করছেন। বাবার পরীক্ষার কেন্দ্র পড়েছিল লালবাগ গভর্নমেন্ট স্পনসর গার্লস হাইস্কুলে। অপর দিকে ছেলের কেন্দ্র পড়েছিল গোলযান রিফিউজি হাইস্কুলে।

    পরীক্ষার্থী বাবা-ছেলের বক্তব্য

    ২০২৩ সালের টেট (TET Exam 2023) পরীক্ষার্থী বাবা মোকাম্মেল হোসেন বলেন, “এর আগে অনেক বার টেট পরীক্ষা দিয়েছি, কিন্তু সফল হতে পারিনি। তবে এবার পরীক্ষা বেশ ভালো হয়েছে, আমি আশাবাদী। তবে প্রত্যেক বছর পরীক্ষাও হয় না।” একই ভাবে টেট পরীক্ষার্থী নিয়মিত না হওয়ায় ছাত্র দিলওয়ার হোসেন বলেন, “বাবার চাকরিটা হয়ে গেলে, হয়ত আমি একটু ভালো জায়গায় পৌঁছাতে পারতাম। প্রতি বছর নিয়ম করে যদি পরীক্ষা হত, তাহলে বাবাকে হয়তো এই দিন দেখতে হত না।”

    টেট দুর্নীতিতে সিবিআই

    উল্লেখ্যে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত চলছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে শাসকদলের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যে জেলে। প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ আরও অনেক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। রাজ্যের টেট (TET Exam 2023) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদে শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা ব্যাপক ভাবে সরব হওয়ায় তীব্র শোরগোল পড়েছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২০২৪ সালের ২২ জানুয়রি। এই দিন হবে শ্রী রামচন্দ্রের ‘অভিষেক’। রামায়ণে উল্লেখ রয়েছে, রামের শ্বশুরবাড়ি ছিল জনকপুরধাম। এই ধাম থেকে প্রভু রামলালার জন্য উপহার হিসাবে আসবে গয়না, জামাকাপড়, মিষ্টির নানান পসরা। এরপর তা দিয়ে করা হবে রামলালার অভিষেক এবং পুজো। সেই সঙ্গে নেপাল থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগে একটি বিশেষ শোভা যাত্রাও আসবে বলে জানা গিয়েছে। 

    জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যায় যাত্রা (Ayodhya Ram Mandir)

    রামায়ণে উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে, শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল জনকপুরের রাজকন্যা সীতা মাতার সঙ্গে। এই জনকপুর এখন বর্তমানে নেপালে। প্রভু রামের মন্দিরে অভিষেকের দিনে এই সীতার বাপের বাড়ি থেকে আসবে বিভিন্ন ধরনের গয়না, বাসনপত্র, জামাকাপড়, মিষ্টি সহ নানা উপহার। সেই সঙ্গে জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত সীতামায়ের বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে একটি শোভাযাত্রাও হবে। আগামী ২০ জানুয়ারিতে এই যাত্রা শেষ হবে। এরপর মন্দির ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) হাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসা নানা উপহার তুলে দেওয়া হবে।

    জানকী মন্দিরের পক্ষে বক্তব্য

    জনকপুরধামের জানকী মন্দিরের প্রধান মহন্ত রামরোশন দাস বৈষ্ণব বলেছেন, “আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে বিশেষ যাত্রা শুরু হবে। জনকপুরধাম থেকে জলেশ্বর, মাংওয়া, সিমরৌংগড়, গাধিমাই, বীরগঞ্জ হয়ে ভারতে ঢুকে যাত্রা করবে। এরপর বেটিয়া, কুশিনগর, সিদ্ধার্থনগর, গোরক্ষপুর হয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) পৌঁছাবে যাত্রা।” প্রভু রামের উদ্দেশে এই যাত্রা ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। 

    মন্দির নির্মাণে নেপালের বড় অবদান

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপালের কালীগণ্ডকী নদীর তীর থেকে শালগ্রাম শিলা সংগ্রহ করে আনা হয়েছে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)। ইতিপূর্বে এই শিলা থেকেই প্রভু রামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে। এই শিলা নির্মিত মূর্তি, মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে আগামী ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: তামিলনাড়ুতে তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টা পাঠানো হবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    Ayodhya Ram Mandir: তামিলনাড়ুতে তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টা পাঠানো হবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর নামক্কাল জেলায় তৈরি করা হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য বিশেষ ঘণ্টা। এই ঘণ্টা অর্পণ করা হবে প্রভু শ্রী রামলালাকে। আগামী ২২ জানুয়ারি মন্দিরের উদ্বোধনের জন্য মোট তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টাকে নিবেদন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রামভক্তদের মধ্যে এই ঘণ্টাগুলিকে নিয়ে তীব্র উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ঘণ্টা নির্মাণের শিল্পী কে (Ayodhya Ram Mandir)?

    বেঙ্গালুরুর নিবাসী এক রামভক্ত রাজেন্দ্র প্রসাদ হলেন এই বিশেষ ঘণ্টার শিল্পী। তাঁর বয়স ৬৯ বছর। তিনি তামিলনাড়ুর নামক্কালের মোহানুর রোডে অন্ডাল মোল্ডিং ওয়র্কাস থেকে এই ৪৮টি বৃহৎ ঘণ্টা তৈরি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘণ্টাগুলির মোট ওজন প্রায় ১২০০ কেজি। এর মধ্যে আবার তৈরি করা ঘণ্টাগুলির ওজনের তারতম্য রয়েছে। ১২০ কেজি ওজনের ৫টি ঘণ্টা, ৭০ কেজি ওজনের ৫টি ঘণ্টা, ২৫ কেজি ওজনের একটি ঘণ্টা রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে ৩৬টি হাতে বাজানোর ঘণ্টা রয়েছে। উল্লেখ্য অন্ডাল মোল্ডিং ওয়র্কাস হল একটি সপ্তম প্রজন্মের সংস্থা। সারা দেশে তাঁদের সুখ্যাতি কেবলমাত্র ঘণ্টা উৎপাদনের জন্যই। অযোধ্যার রামলালার মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) নিবেদিত এই ঘণ্টাগুলিকে গত ১৪ ডিসেম্বরেই বেঙ্গালুরুর আঞ্জেনেয়া মন্দিরে পুজোর জন্য পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেগুলি অযোধ্যার রামমন্দিরে যাবে।

    কী বললেন শিল্পী

    অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য তৈরি করা ঘণ্টার প্রসঙ্গে রাজেন্দ্র প্রসাদ বলেন, “এই অযোধ্যার রামমন্দিরের চূড়া আমাদের জাতীয় গর্বের প্রতীক। আমি নিজেকে খুব গর্বিত মনে করছি এই ঘণ্টা নির্মাণ করে। এটা আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের এবং শ্রীরামের কৃপায় বড় সুযোগ এসেছে। এই কাজে আমার ছেলে কালীদোস ওরফে এক্কা পুরুষোত্তম সহ আরও ২৫ জন নির্মাণ কাজ করেছেন। ঘণ্টাগুলি তৈরিতে নানা ধাতু যেমন তামা, রুপো এবং দস্তার ব্যবহার করা হয়েছে। তবে লোহা ব্যবহার করা হয়নি। এই ঘণ্টাগুলির শব্দ এবং তার কম্পন বেশ তীব্রতর হবে।”

    উল্লেখ্য অযোধ্যার রাম মন্দিরের জন্য ১০৮টি ঘণ্টার প্রয়োজন। ইতিমধ্যে ৪৮টা ঘণ্টা প্রস্তুত করা হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই থুথুকুডি জেলার ইরাল থেকে ৬৫০ কেজির একটি সুবিশাল ঘণ্টা ইতিমধ্যেই অযোধ্যায় পৌঁছে গিয়েছে। রাম মন্দিরের আধ্যাত্মিক পরিবেশকে সুউচ্চ মার্গ দিতে বিশেষ ভাবে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন রাম ভক্তরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weed Farming: দোষ প্রমাণ হলে কারাবাস! তবুও লাভের আশায় রমরমিয়ে চলছে গাঁজার চাষ

    Weed Farming: দোষ প্রমাণ হলে কারাবাস! তবুও লাভের আশায় রমরমিয়ে চলছে গাঁজার চাষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোষ প্রমাণ হলে যাবজ্জীবন কারাবাস। কিন্তু সব জেনেও লাভের আশায় প্রতিবছর গাঁজার চাষ (Weed Farming) করেন কোচবিহারেরে চাষিরা। মামলা হয় অনেকের নামে, এমন কী পুলিশ গ্রেফতার করেও নিয়ে যায়। তারপরও বেশি পয়সার জন্য এই অবৈধ ভাবে রমরমিয়ে গাঁজার চাষ করতে বাধ্য হন চাষিরা। রীতিমতো দরমার বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখে, কিছুটা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয় গাঁজা চাষের জমিকে। নিরুপায় কিন্তু পেট চালানোর জন্য এই ভাবেই কোচবিহারে চলছে অবৈধ গাঁজার চাষ।

    চাষিদের বক্তব্য (Weed Farming)

    কোচবিহারেরে একচাষি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে আয় হয় মাত্র পাঁচ হাজার টাকা, আবার ওই জমিতেই গাঁজা চাষ (Weed Farming) করে আয় হয় সাত লক্ষ টাকা। এরপর এই গাঁজা চলে যায় অন্য রাজ্যে। রাজ্যে চাষের ফসলে সঠিক দাম না পাওয়ার জন্যই এইভাবে লুকিয়ে চাষ করে থাকি আমরা।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    কোচবিহার আবগারি দফতরের জেলা জেলার সুপারিনটেন্ডেন্ট সাঙ্গে ডোমা ভুটিয়া বলেন, “অতিরিক্ত লাভের আশায় অনেক চাষি গাঁজার (Weed Farming) চাষ করেন। কিন্তু এটা পুরোপুরি বেআইনি। তাই পদক্ষেপ বেশ কড়া নিতে হয় আমাদের।” আবার কোচবিহার পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, এখনও পর্যন্ত জেলায় তিন হাজার বিঘা গাঁজার চাষ নষ্ট করা হয়েছে।”

    পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই গাঁজা চাষের পিছনে চাষিদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ থাকে না, এর পিছনে একটি বিরাট চক্র কাজ করে। গাছ লাগানো থেকে শুরু করে, গাছ পরিচর্যা ইত্যাদির জন্য আগে থেকে চাষিদের হাতে টাকা দেওয়া হয়। এমনকি গাছ পরিণত হওয়ার আগেই লাভের বেশির ভাগ টাকা চলে যায় ওই পাচারচক্রীদের কাছে। কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি থেকে পাইকারীরা গ্রামের চাষিদের টাকা দিয়ে গাঁজা কিনে নেয়। লাভের টাকা তেমন ভাবে চাষিরা পান না। তবে শাস্তির সম্মুখে পড়তে হয় কেবল চাষিদেরই।

    গাঁজা চাষ বছরের দুইবার হয়

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁজা চাষ (Weed Farming) বছরে দুইবার হয়। একটি আষঢ়ি অপরটি হেমতি। ভালো মানের চাষ আষাঢ় মাসেই হয়ে থাকে। তবে এখন মণিপুরের এক রকমের দামে বেশি এক প্রকার গাঁজার চাষ হচ্ছে কোচবিহারে। কোচবিহারের তোর্সা, মানসাই, ধরলা, কালজানি নদীর দু’ধারের জমিতে চাষ হয় গাঁজা। তাই রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, “রাজ্য সরকারকে চাষিদের খাদ্যশষ্য চাষের দিকে উৎসাহী করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: পোশাকের রঙ নীল-সাদা করায় বিতর্কের মুখে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল

    Jalpaiguri: পোশাকের রঙ নীল-সাদা করায় বিতর্কের মুখে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোশাক বিতর্কে ফের শোরগোল পড়েছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুলে। এই স্কুল শতাব্দীর পুরতান ইতিহাস বহন করে চলেছে। আগে স্কুলের পোশাকের রঙ ছিল সাদা জামা এবং কালো প্যান্ট। এবার থেকে নতুন স্কুল পোশাকের রঙ হবে সাদা জামা এবং নীল প্যান্ট। স্কুলের এই পোশাক বদলে রীতিমতো বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই জেলা স্কুল।

    ১৮৭৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশে মাসিক ২০০ টাকা করে সরকারি বরাদ্দ দিয়ে স্কুল নির্মাণ করা হয়েছিল। নানা সময়ে স্কুলের ভবন নির্মাণের বদল হলেও বদলায়নি পোশাকের রঙ। ফলে স্কুলের অভিভাবক, প্রাক্তনীরা তীব্র আপত্তি তুলেছেন পোশাকের রঙ বদলের সিদ্ধান্তে। আবার প্রাক্তনীদের কেউ কেউ বলছেন, “বর্তমান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পছন্দের রঙ নীল-সাদাকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্কুলের উপর। তাই অনেক ছাত্রের অভিভাবকেরা এই নীল-সাদা রঙের পোশাক ফিরিয়ে দিয়েছেন।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য (Jalpaiguri)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রাতঃবিভাগে পড়ুয়াদের নীল-সাদা পোশাক দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সাদা জামা এবং নীল প্যান্ট পরে আসতে হবে। প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত এই পোশাক দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য মাত্র আর দুই বছর পরেই এই স্কুলের সার্ধশতবর্ষ উদযাপন করা হবে। ফলে সবকিছু নতুন করে সেজে উঠছে স্কুলের পরিকাঠামো। ঠিক এই মুহূর্তে স্কুলের পোশাক বদলের সিদ্ধান্তকে অনেকেই ভালো ভাবে নিচ্ছেন না।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের (Jalpaiguri) প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ুই বলেন, “সরকারি নিয়ম মেনে পড়ুয়াদের পোশাকের রঙ ঠিক করা হয়েছে। স্কুলের সব রকম পরিকল্পনার জন্য সরকার ঢেলে সাজানোর ব্যবস্থা করেছে। তাই সরকারী স্কুলে সরকারের নির্দেশকে মান্যতা দিতে হবে। তবে কেউ কেউ আপত্তি করছেন। এটা ঠিক নয়।”

    নীল-সাদা রঙ নিয়ে আপত্তি একাকধিক স্কুলে

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুলের পোশাকের নীল-সাদা রঙ নিয়ে যেমন আপত্তি উঠেছে, ঠিক তেমনি রাজ্যের একাকধিক ঐতিহ্যবাহী স্কুলগুলিতে নীল-সাদা রঙে আপত্তি জানিয়ে আগেও আন্দোলন হয়েছিল। যেমন- কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমি স্কুলের পোশাকের রঙ বদল করে নীল-সাদা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হয়। আবার শিলিগুড়ি গার্লস স্কুল ভবনের আগের রঙ লাল-হলুদকে বদল করে নীল-সাদা করতে চাইলে ব্যাপক প্রতিবাদ ওঠে স্কুলে। এমনকি প্রতিবাদের কারণে রঙ বদলের সিদ্ধান্তও স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র খোদ সরকারি দফতরেই!

    Malda: জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র খোদ সরকারি দফতরেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সরকারি দফতরেই চলছে জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র। এলাকার ছাত্রদের দেওয়া এই জাল শংসাপত্রে রয়েছে সরকারি আধিকারিকের স্বাক্ষর। তার জেরে ছাত্রদের চুড়ান্ত ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। জাল শংসাপত্রের কারণে বর্তমানে স্কলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে পড়ুয়ারা। ঘটনায় মালাদায় (Malda) ব্যাপক শোরগোল পড়ছে। অবশ্য চাঁচল মহকুমা শাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায় বলেন, “প্রক্রিয়াগত কারণের জন্যই এই ধরনের ভুল হয়েছে। বিডিওকে বিষয় দেখার জন্য বলেছি।”

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Malda)?

    রাজ্যে একের পর এক জালয়াতির চক্র ফাঁস আগেও হয়েছে। ভুয়ো ভ্যাক্সিনের চক্র, ভুয়ো ডাক্তার, ভুয়ো সিআইডি, ভুয়ো শিক্ষক ইত্যাদি একেরপর এক জালিয়াতির ঘটনায় রাজ্যের শাসক দলকে বারবার কাঠগড়ায় তুলেছে বিরোধী দলগুলি। এবার মালদার (Malda) চাঁচলের ২নং ব্লকের কাপাসিয়া এলাকার ১২ থেকে ১৫ জন তফশিলি জাতির পড়ুয়াদের জাল শংসাপত্রের কারণে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। উল্লেখ্য ছাত্ররা নিয়ম মেনেই সরকারি ব্লকে আবেদন করেছিল। পরবর্তী সময়ে দফতর থেকেই সেই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই শংসাপত্র বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে জানতে পারা যায় শংসাপত্রগুলি জাল। এরপর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয় জেলায়।

    আভিযোগ বিডিও-র কাছে

    ঘটনায় জাল শংসাপত্রের কথা জানিয়ে ইতিমধ্যে ব্লকের বিডিওর কাছে অভিযোগ জানিয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এখন প্রশ্ন হল কীভাবে সরকারি দফতরে এই ভাবে জালিয়াতির কাজ চলছে? আর তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এই পড়ুয়ারা প্রত্যেকেই বেছপুরা কালিকাপুর হাই স্কুলের (Malda) ছাত্রছাত্রী। ২০১৯ সালে তারা আবেদন করছিল শংসাপত্রের জন্য। এরপর ২০২০ সালে সেই শংসাপত্র পায় এবং ২ নম্বর চাঁচল ব্লকের হাতে তা তুলে দেওয়া হয়। এবার এই শংসাপত্র নিয়ে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করলে ব্লক অফিস থেকে বলা হয় শংসাপত্র জাল এবং তা অবৈধ। এরপর ব্লকের আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানালেও তা কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করে পড়ুয়ারা।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিষয় সামনে আসতেই ইতিমধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপি তীব্র আক্রমণ করেছে। বিজেপির দাবি, “এই রাজ্যের তৃণমূল সরকার একটি জাল সরকার। তাই এটাতে নতুন কিছু নয়।” অপর দিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এলাকার (Malda) বিধায়ক আব্দুল রহিম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয় খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছি।”       

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরযান ‘আদিত্য-এল১’ কবে পৌঁছাবে তা জানিয়ে দিল ইসরো (ISRO)। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই সূর্যের বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে পাঠিয়েছিল আদিত্য-এল১। সেই ছবি নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ একবার সফল ভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে আগামী ৫ বছরের জন্য সূর্যের বিভিন্ন অবস্থার সম্পর্কে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।” উল্লেখ্য পৃথিবীর উপর সূর্যের প্রভাব কেমন হবে সেই সম্পর্কেও নানা তথ্য উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের জন্য মহাকাশ গবেষণার এই সময় পর্ব বেশ উল্লেখযোগ্য মনে করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একাংশের মানুষ।

    কী বলেন ইসরো প্রধান (ISRO)?

    গত ২ সেপ্টেম্বর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পাঠানো হয়েছিল সূর্যযান আদিত্য-এল১ সৌরযানকে। ইসরো (ISRO) মহানির্দেশক এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ নিজের নির্ধারিত গন্তব্য স্থলে পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় ১১০ দিন। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকেই আদিত্য-এল১ নিজের নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছাবে। আগামী ৬ জানুয়ারি শুক্রবার এই সূর্যযান নিজের গন্তব্য স্থল ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান পয়েন্ট-১ পয়েন্টে পৌঁছে যাবে। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করবে এই সূর্যযান। ভারতের জন্য এই সময় অমৃত কাল, অত্যন্ত গর্বের সময়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ পর্যবেক্ষণেই সম্ভব হয়েছে সৌরযানের উৎক্ষেপণে।”

    চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় ভারতের

    উল্লেখ্য, গত বছর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মাটিতে সফল ভাবে অবতরণ করেছিল বিক্রম ল্যান্ডার ও প্রজ্ঞান রোভার। সেই ঘটনায় সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল ইসরো। দেশের মধ্যে চন্দ্রযান ৩ নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা ও উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছিল। চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মাধ্যমেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত পা রেখেছিল। ইসরোর সেই সাফল্যের সুখ্যাতি নাসাও করেছিল। উল্লেখ্য ভারতের বায়ুসেনার সহযোগিতায় ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর কথাও কয়েকদিন আগে জানিয়েছে ইসরো। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, নাসার সঙ্গে ইসরো যৌথ উদ্যোগে পৃথিবীর ভূ-প্রকৃতি, জলভাগ এবং বনাঞ্চলগুলিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ‘নিসার’ উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠাবে। সম্প্রতি এবিষয়ে নাসার এক বিজ্ঞানী ভারতে এসেছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Poush Mela Santiniketan: শান্তিনিকেতনে পৌষমেলার জন্য চলবে ‘স্পেশাল ট্রেন’, ঘোষণা পূর্ব রেলের

    Poush Mela Santiniketan: শান্তিনিকেতনে পৌষমেলার জন্য চলবে ‘স্পেশাল ট্রেন’, ঘোষণা পূর্ব রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনের পৌষমেলায় ‘পৌষমেলা স্পেশাল ট্রেন’ (Poush Mela Santiniketan) চালানোর কথা ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল। সূত্রে জানা গিয়েছে, পর্যটকদের যাতায়েত সুবিধার জন্য এই বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও সাময়িক ভাবে বিগত কয়েক বছর এই মেলা বন্ধ থাকলেও এবছর ফের মেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। প্রচুর পর্যটকদের ভিড় হবার আশঙ্কায় এই স্পেশাল ট্রেন চলবে।

    রেলের সূত্রে কী জানা গিয়েছে (Poush Mela Santiniketan)?

    গত কয়েক বছর ধরে বোলপুরের শান্তিনিকেতনে মেলা বন্ধ ছিল। এই বছর ফের মেলা হওয়ার কথা জানিয়েছে মেলা কর্তৃপক্ষ। ফলে এই বছর বেশ মেলার কারণে ব্যাপক ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানা গিয়েছে মেলার (Poush Mela Santiniketan) আগত পর্যটকরা জেনারেল সেকেন্ড ক্লাসে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। আগামী ২৫, ২৬, ২৭ ডিসেম্বর হাওড়া থেকে রামপুরহাট পর্যন্ত এই স্পেশাল ট্রেন চলবে বলে জানা গিয়েছে। এই সকল ট্রেনগুলি ব্যান্ডেল, বর্ধমান হয়ে রামপুরহাট পর্যন্ত চলবে। মেলার জন্য এই প্রত্যেকদিন সকাল ৭ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত হাওড়া থেকে চলবে এই পৌষমেলা স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেন সকাল ১১ টার মধ্যে পৌঁছে যাবে রামপুরহাটে। আবার বিকাল ৩ টার সময় রামপুরহাট থেকে চলবে এবং হাওড়ায় পৌঁছাবে সন্ধ্যে ৭ টায়। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেনের যাত্রাপথে যে যে স্টেশনে দাঁড়াবে তা হল ব্যান্ডেল, বর্ধমান, গুসকরা, বোলপুর, শান্তিনিকেতন, প্রান্তিক, আহমেদপুর, সাঁইথিয়া।

    মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানান, “এই স্পেশাল ট্রেন মেলার (Poush Mela Santiniketan) দর্শনার্থীদের কাছে বাজেট ফ্রেন্ডলি হবে। ট্রেনের মধ্যে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাসে ভ্রমণ করা যাবে।”

    উল্লেখ্য, এই মেলা খুবই ঐতিহ্যবাহী মেলা। কিন্তু বিশ্বভারতীর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সময়ে সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। অবশ্য বন্ধের পিছনে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিশ্বভারতীর মেলারমাঠ দখল এবং ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশকে ধ্বংস করার বিষয়ে শাসক দলের রাজনীতি উঠেছিল। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের ছাত্র, গবেষক, আশ্রমিক এবং স্থানীয় মানুষ পৌষমেলার দাবিতে বারবার আন্দোলন করতে দেখা যায়। যদিও নতুন অস্থায়ী উপাচার্য নিযুক্ত হওয়ার বিশেষ বৈঠকে ‘মেলার প্রস্তুতিতে সময়ের অভাবে’র কথা না বললেও আবার স্থানীয় মানুষের দাবিতে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share