Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Daily Horoscope 04 February 2026: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 04 February 2026: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    বৃষ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যার সম্ভাবনা।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    কর্কট

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) সুবক্তা হিসাবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) ধর্মালোচনায় মন দিতে পারলে শান্তি পাবেন।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    ধনু

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মকর

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ধর্মালোচনায় মন দিতে পারলে শান্তি পাবেন।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    মীন

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Adani Defence: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে গতি, ভারতে হেলিকপ্টার উৎপাদন বাড়াতে আদানি ডিফেন্স–লিওনার্দোর সমঝোতা

    Adani Defence: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে গতি, ভারতে হেলিকপ্টার উৎপাদন বাড়াতে আদানি ডিফেন্স–লিওনার্দোর সমঝোতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে বড়সড় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়ে আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ও ইতালির প্রতিরক্ষা সংস্থা লিওনার্দো একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ঘোষণা করেছে। এই অংশীদারিত্বের আওতায় ভারতে একটি সম্পূর্ণ সমন্বিত হেলিকপ্টার উৎপাদন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। দুই সংস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (MoU) অনুযায়ী, ভারতে সামরিক হেলিকপ্টারের উন্নয়ন, উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে ভারতকে ভবিষ্যতে রোটরক্রাফ্ট উৎপাদনের একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কথা ভাবা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবর্ধমান অপারেশনাল চাহিদা পূরণ করবে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ ক্ষেত্রে মোদি সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।

    সহযোগিতার মূল লক্ষ্য

    সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হবে লিওনার্দোর উন্নত সামরিক হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ভারতীয় বাহিনীর চাহিদা পূরণ করা। প্রকল্পটির অধীনে ধাপে ধাপে দেশীয়করণ (indigenisation), ভারতে পূর্ণাঙ্গ মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (MRO) সুবিধা স্থাপন এবং পাইলট প্রশিক্ষণ পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। ভবিষ্যতে এই ইকোসিস্টেমটি অসামরিক হেলিকপ্টার বাজারের চাহিদা পূরণ এবং বৈশ্বিক সাপ্লাই চেনের সঙ্গেও যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। লিওনার্দোর হেলিকপ্টার নকশা ও প্রকৌশল দক্ষতার সঙ্গে আদানি ডিফেন্সের উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রতিরক্ষা শিল্পে অভিজ্ঞতা মিলিয়ে একটি শক্তিশালী, হেলিকপ্টার উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মতে, এই প্রকল্প প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকৌশল, উৎপাদন, লজিস্টিকস ও রক্ষণাবেক্ষণ পরিষেবায় হাজার হাজার উচ্চদক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

    মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে গতি

    আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেসের ডিরেক্টর জিত আদানি বলেন, এই অংশীদারিত্ব একটি স্থিতিশীল ও ভবিষ্যতমুখী হেলিকপ্টার ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তাঁর মতে, বিশ্বমানের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ এবং ভারতের শিল্পগত গতি একত্রিত হয়ে দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সংযোজন, দক্ষ কর্মসংস্থান ও কৌশলগত আত্মনির্ভরতা নিশ্চিত করবে। আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেসের সিইও আশিস রাজবংশী জানান, আগামী এক দশকে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজন হতে পারে ১,০০০টিরও বেশি হেলিকপ্টার। এই অংশীদারিত্ব দেশীয়করণ প্রক্রিয়া দ্রুততর করবে, অভ্যন্তরীণ সাপ্লাই চেনকে শক্তিশালী করবে এবং ভারতকে বিশ্বমানের হেলিকপ্টার উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। লিওনার্দো হেলিকপ্টার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জিয়ান পিয়েরো কুটিল্লো বলেন, ভারতের রোটরক্রাফ্ট শিল্প শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দেশটির উদ্যোগে সহায়তা করতে পেরে তারা আনন্দিত। তাঁর বক্তব্য, এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই সংস্থার পরিপূরক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভারত আধুনিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তি ও উন্নত অপারেশনাল সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে। এই ঘোষণা ভারতের ক্রমবিকাশমান মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা শিল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি একদিকে প্রতিরক্ষা স্বনির্ভরতা জোরদার করবে, অন্যদিকে ভারতকে বৈশ্বিক স্তরে হেলিকপ্টার উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের একটি বিশ্বাসযোগ্য কেন্দ্রে পরিণত করার ভিত্তি তৈরি করবে।

  • T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পাশে নেই অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির বিরুদ্ধে অসহায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করে বিপাকে পড়েছে পিসিবি। টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও ভারত ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু সরাসরি আইসিসিকে কিছু জানায়নি। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু তারপরই রক্তচক্ষু রাঙায় আইসিসি। এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান। কিন্তু কোনও সাপোর্ট মেলেনি। পাশে দাঁড়ায়নি অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত ম্যাচ বয়কটের কথা আইসিসিকে জানায়নি। যার ফলে আরও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কোনও আইনি অবস্থানও নেই পাকিস্তানের

    সূত্রের খবর, পিসিবির পাশে দাঁড়াতে চায়নি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তানের কোনও লোকাস স্ট্যান্ডি নেই। কোনও আইনি অবস্থানও নেই। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বাকি ক্রিকেট বোর্ডগুলো। পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেখানে বয়কটের প্রসঙ্গ ওঠেনি। পাকিস্তানের মেয়েদের দলের ভারতীয় এ দলের বিরুদ্ধে খেলার কথা। এইক্ষেত্রে কোনও আপত্তি জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট কেন? আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান সব ম্যাচ কলম্বোয় খেলবে। শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু। তাই কোনও সমস্যা হওয়ার কথা না পাকিস্তানের। বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের এই অবস্থান মানতে পারছে না বাকি বোর্ডগুলো।

    পাকিস্তানের ওপর কী কী শাস্তি

    পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামে তাহলে আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচটি ভারতকে ওয়াকওভার হিসেবে দেওয়া হবে। ভারতকে পয়েন্ট পেতে হলে তাদের মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি ভারতের অধিনায়ক (Suryakumar Yadav) টসের জন্য মাঠে আসেন এবং পাকিস্তান অধিনায়ক (Salman Ali Agha) না আসেন, তাহলে ম্যাচ রেফারি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ এবং ২ পয়েন্ট ভারতকে দিয়ে দেবে। ডিফল্ট করা দল (পাকিস্তান) কে ২০ ওভারের পুরো ইনিংস খেলেছে কিন্তু ০ রান করেছে বলে ধরা হবে। এতে তাদের নেট রান রেট অনেক কমে যাবে, ফলে তারা অন্য ম্যাচগুলো জিতলেও শেষ ৮-এ ওঠা খুব কঠিন হবে। তবে, আর্থিক ও বাণিজ্যিক শাস্তিই পিসিবি-র আসল সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু টুর্নামেন্ট নয়, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমে টাকা রোজগারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রচারকারী সংস্থা আনুমানিক $২৫ মিলিয়ন থেকে $৩০ মিলিয়ন বিজ্ঞাপন আয় হারাবে। তারা আইসিসি-র কাছে ছাড় চাইতে পারে। আইসিসি এই আইনি দাবি ও আর্থিক ক্ষতি সরাসরি পিসিবি-র ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। আইসিসি পিসিবি-র বার্ষিক আয়ের অংশ আটকে রাখতে পারে, যা পাকিস্তানের ক্রিকেট বাজেটের প্রায় ৭০-৮০%। এতে বোর্ড আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।

    আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন

    আইসিসির “সরকারি হস্তক্ষেপ” ধারা অনুযায়ী, সদস্য বোর্ডগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, সরকারি হস্তক্ষেপ এড়াতে হবে। যদিও প্রাক্তন পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, সরকারি নির্দেশ মানলে পাকিস্তান আইসিসি-র শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে, কিন্তু পাকিস্তানের “নির্বাচিত অংশগ্রহণ” এখনও টুর্নামেন্টের সততার লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে (১৯৯৬ ও ২০০৩)-এ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে দলগুলো ম্যাচ বয়কট করেছিল (যেমন Australia, Sri Lanka-র ম্যাচ বাদ দিয়েছিল)। তবে, পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা-তে, যেটা নিরপেক্ষ ভেন্যু, ম্যাচ বয়কট করছে, তাই সরকারি হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই। তাই, এই পদক্ষেপ সরাসরি আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন।

  • Supreme Court to WhatsApp: “নিয়ম মানতে না পারলে ভারত ছাড়ুন”—হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি নীতিতে মেটাকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court to WhatsApp: “নিয়ম মানতে না পারলে ভারত ছাড়ুন”—হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি নীতিতে মেটাকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপের বিতর্কিত প্রাইভেসি নীতি নিয়ে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court to WhatsApp) তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থা মেটা। আমেরিকার এই মেসেজিং অ্যাপ সংস্থার গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন স্বয়ং দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। সুপ্রিম কোর্টের তরফে মেটা সংস্থাকে কড়া ভাষায় বলা হয়, ব্যবহারকারীদের তথ্য বাণিজ্যিক উদ্দেশে ব্যবহার করা যায় না।এ দিন, (৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মার্কিন সংস্থাকে সতর্ক করে বলেন, “আমাদের দেশের গোপনীয়তা নিয়ে খেলা করতে পারেন না, আমরা নিজেদের তথ্যের একটা ডিজিটও শেয়ার করতে দেব না।”

    গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতির অপব্যবহার হতে পারে

    হোয়াট্‌সঅ্যাপের (WhatsApp Policy) হয়ে সওয়াল করা কৌঁসুলি আদালতে যুক্তি দেন যে, আন্তর্জাতির নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই তাঁরা গোপনীয়তার নীতি তৈরি করেছেন। মেটার তরফে জানানো হয়, সংস্থার অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেই তথ্য আদানপ্রদান করা হয়। তবে এই যুক্তি মানতে চায়নি শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, বাণিজ্যিক কাজে তথ্য আদানপ্রদান করাকে মান্যতা দেওয়া হবে না। ভারতের গোপনীয়তার নীতি এবং ইউরোপের এই সংক্রান্ত নিয়ম যে অনেক আলাদা, তা-ও স্মরণ করিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। হোয়াট্‌সঅ্যাপের ২০২১ সালের গোপনীয়তার নীতি নিয়ে হওয়া একটি মামলার শুনানি ছিল মঙ্গলবার। সরকারের তরফে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা শীর্ষ আদালতে সওয়াল করে জানান, হোয়াট্সঅ্যাপের এই গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতির অপব্যবহার হতে পারে। ব্যবহারকারীদের তথ্য হোয়াট্‌সঅ্যাপ কী ভাবে বাণিজ্যিক লাভের জন্য কাজে লাগাচ্ছে, তাও তুলে ধরেন সলিসিটর জেনারেল।

    সংস্থার গোপনীয়তার নথি সাধারণ মানুষ বুঝবে কীভাবে

    মেটা ও হোয়াটসঅ্যাপের তরফে হাজির আইনজাবী মুকুল রোহতগি ও অখিল সিব্বল বলেন যে হোয়াটসঅ্যাপে সব মেসেজ ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপ্টেড’ (end-to-end encrypted)। কোম্পানিও এই তথ্য বা মেসেজ দেখতে পায় না। ন্যাশনাল ল ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হোয়াট্‌সঅ্যাপ কর্তৃপক্ষও। একই সঙ্গে এদিন সেটিও শোনে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। দু’পক্ষের সওয়াল জবাবের পর মেটা কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “যদি আপনারা আমাদের সংবিধান মেনে চলতে না-পারেন, তা হলে ভারত ছেড়ে চলে যান। আমরা নাগরিকদের গোপনীয়তার সঙ্গে আপস করতে দেব না।” হোয়াট্‌সঅ্যাপের গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, অনেক বিষয়ই স্পষ্ট নয়। সংস্থার গোপনীয়তার নথি এক জন সাধারণ মানুষ—যিনি কোনও আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন— তিনি বুঝতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্ন তোলে আদালত। হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা-র নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালত বলে, “যদি একজন গরিব মহিলা বা রাস্তার ধারের কোনও বিক্রেতা কিংবা এমন একজন ব্যক্তি যিনি শুধু তামিল বোঝেন, তারা কি এই নীতি বুঝতে পারবেন? কখনও কখনও আমাদেরও সমস্যা হয় আপনাদের নীতি বুঝতে… বিহারের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ কীভাবে বুঝবেন? এটা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি। আমরা এটা অ্যালাও করব না।”

    মেটাকে কী কী বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, পরবর্তী শুনানির আগে ব্যবহারকারীর কোনও তথ্য মেটার মাধ্যমে প্রকাশ্যে আনতে পারবে না হোয়াট্‌সঅ্যাপ। তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে হোয়াট্‌সঅ্যাপ এবং মেটা কর্তৃপক্ষকে বক্তব্য জানানোরও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। শীর্ষ আদালতের তরফে এদিন হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা-কে ডেটা প্রাইভেসি, বিহেভিওরাল অ্যানালাইসিস এবং ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্তর্বর্তী পদক্ষেপ হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট হোয়াটসঅ্যাপকে ব্যবহারকারীদের কোনও তথ্য মেটার সঙ্গে ভাগ করতে বারণ করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই মামলার পুরো শুনানি হচ্ছে না, ততদিন পর্যন্ত তথ্য় শেয়ার করতে পারবে না হোয়াটসঅ্যাপ।

    কেন এই মামলা?

    হোয়াটসঅ্যাপ ২০২১ (WhatsApp Policy) সালে একটি প্রাইভেসি পলিসি এনেছিল যেখানে বলা হয়, হয় “মেনে নাও নয়তো বিদায় হও”। সেই সময় হোয়াটসঅ্যাপ তার গ্রাহকদের বাধ্য করেছিল তাদের নতুন শর্তাবলী মেনে নিতে, নয়তো অ্যাপ ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছিল। মেটার ওই পলিসির কারণে তাদের উপরে ২১৩.১৪ কোটি টাকা জরিমানা করেছিল ভারতের ‘কম্পিটিশন কমিশন’ (CCI)। কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (NCLAT) সেই জরিমানার আদেশটিকেই বহাল রাখে। ট্রাইব্যুনালের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই মেটা ও হোয়াটসঅ্যাপ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।

    মেটাকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ

    ওই মামলায় আদালত হোয়াটসঅ্যাপের মাদার কোম্পানি মেটাকে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। যেখানে স্পষ্ট করে বলতে হবে তারা বিজ্ঞাপনের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের কোনো তথ্য শেয়ার করবে না। অন্যথায় তাদের মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে তথ্য শেয়ার করা নিয়ে সিসিআই একটি পাল্টা আপিল করেছিল, যা ট্রাইব্যুনাল গ্রহণ করেছে। যদিও এর আগে ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছিল যে কোম্পানিটি তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেনি।

    সাংবিধানিক ব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা

    মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court to WhatsApp) এই বিষয়টিকে “সাংবিধানিক ব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা বলে বর্ণনা করেছে। আদালতের প্রশ্ন, যখন কোনো নীতি ‘মানলে মানো নাহলে যাও’—এভাবে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তখন তাকে ব্যবহারকারীদের’স্বেচ্ছায় দেওয়া সম্মতি’ হিসেবে কীভাবে ধরা যায়? বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মূল সমস্যাটি হল তারা যে সম্মতি আদায় করেছে তা আসলে “তৈরি করা বা কৃত্রিম সম্মতি”। প্রধান বিচারপতি এই বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করেন। বলেন, “যদি হোয়াটসঅ্যাপে একজন চিকিৎসককে মেসেজ পাঠানো হয় যে আপনার সর্দি-কাশি হয়েছে এবং চিকিৎসক আপনাকে কিছু ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আপনি ওই ওষুধের বিজ্ঞাপন দেখতে শুরু করেন।” সরকারের তরফে হাজির সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা হোয়াটসঅ্যাপের এই নীতিকে শোষণমূলক (exploitative) বলেই উল্লেখ করেন। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি আমাদের সংবিধান অনুসরণ করতে না পারেন, তাহলে ভারত ছেড়ে চলে যান। আমাদের নাগরিকদের গোপনীয়তা কোনওভাবে আপোস করতে পারব না।”

     

     

     

  • Family Over Individual: ব্যক্তি নয়, পরিবারই কেন্দ্রে! মোদি-সরকারের কল্যাণমূলক কাঠামোর আদর্শিক ভিত্তি সমাজ

    Family Over Individual: ব্যক্তি নয়, পরিবারই কেন্দ্রে! মোদি-সরকারের কল্যাণমূলক কাঠামোর আদর্শিক ভিত্তি সমাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি সরকারের কল্যাণমূলক কাঠামোর আদর্শিক ভিত্তি হল পরিবার, ব্যক্তি নয় (Family Over Individual)। একাকী বাঁচা যায় না, সবাইকে নিয়েই চলতে হয়। নরেন্দ্র মোদি সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির নকশা ও বাস্তবায়ন এই নীতির উপরই গঠিত। প্রকল্পগুলির দিকে নজর রাখলে স্পষ্ট হয় যে বিজেপি সরকারের সামাজিক কল্যাণ দর্শন পশ্চিমি উদারবাদী ও সমাজতান্ত্রিক মডেলের ব্যক্তি-কেন্দ্রিক চিন্তাধারা থেকে একটি সচেতন আদর্শিক বিচ্যুতি ঘটিয়েছে। এই কাঠামোর কেন্দ্রে রয়েছে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের দর্শন—যেখানে ব্যক্তি নয়, পরিবারকেই সমাজ, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রের মৌলিক একক হিসেবে দেখা হয়।

    সরকারি প্রকল্পগুলির পরিকল্পনায় পরিবার

    বিজেপি সরকারের কল্যাণমূলক পরিকল্পনাগুলিতে এই আদর্শের প্রতিফলন স্পষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (PMAY 2.0)-এর আওতায় যোগ্য পরিবারগুলিকে আর্থিক সহায়তা বা গৃহঋণের উপর সুদের ছাড় দেওয়া হয়। এখানে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় মহিলা, প্রবীণ নাগরিক এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির পরিবারগুলিকে। প্রকল্পটি ব্যক্তিকে নয়, সম্পূর্ণ পরিবারকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পিত। একইভাবে জল জীবন মিশন, উজ্জ্বলা যোজনা এবং স্বচ্ছ ভারত মিশনের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলিতেও পরিবারকেই মূল ফোকাস হিসেবে ধরা হয়েছে। পানীয় জল সরবরাহ করা হয় বাড়িতে, কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নয়। পরিষ্কার রান্নার গ্যাস পুরো পরিবারের স্বাস্থ্য ও মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত। স্যানিটেশনকেও ব্যক্তিগত অধিকার নয়, বরং পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। স্বচ্ছ ভারত মিশনে গৃহস্থালির স্তরে শৌচালয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা দৈনন্দিন অভ্যাস, সামাজিক আচরণ এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। এই সমস্ত উদ্যোগ মিলিয়ে একটি স্পষ্ট নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে ওঠে—যেখানে পরিবারকে সামাজিক পরিবর্তনের প্রধান একক হিসেবে দেখা হয়।

    আদর্শিক স্পষ্টতা, কাকতালীয় নকশা নয়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবার-কেন্দ্রিক কল্যাণনীতি কোনও আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং আদর্শিক স্পষ্টতার ফল। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘ইন্টিগ্রাল হিউম্যানিজম’ দর্শনে পরিবারকে সেই স্থান হিসেবে দেখা হয়েছে, যেখানে ব্যক্তি প্রথম সামাজিক মূল্যবোধ—দায়িত্ব, সহযোগিতা এবং প্রজন্মগত সম্মান—শেখে। এই দর্শন অনুযায়ী, কল্যাণমূলক নীতি মানুষের আত্মমর্যাদা ও স্বনির্ভরতাকে সমর্থন করবে, কিন্তু পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের বিকল্প হয়ে উঠবে না। সমালোচকদের উদ্দেশ্যে বিজেপি ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, এই দর্শন ব্যক্তি স্বাধীনতার বিরোধী নয়; বরং স্বাধীনতাকে দায়িত্ব ও ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করে।

    কেন পরিবারকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি সরকার?

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় পশ্চিমি সমাজে চরম ব্যক্তি-স্বাধীনতার ধারণার সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর মতে, অতিরিক্ত ব্যক্তি-কেন্দ্রিকতা পারিবারিক বন্ধন দুর্বল করে এবং পারস্পরিক দায়িত্ববোধ ক্ষয় করে। এর ফলে পরিবার তার কার্যকর ভূমিকা হারায় এবং যত্ন ও দায়িত্বের ভার রাষ্ট্রের উপর পড়ে। এর বিপরীতে, ‘ধর্ম’-ভিত্তিক জীবনদর্শনের মাধ্যমে পরিবারকে সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ববোধের প্রশিক্ষণক্ষেত্র হিসেবে দেখা হয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে কল্যাণ কোনও বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিকে দেওয়া দান নয়, বরং সেই পরিবারগুলিকে সহায়তা করা, যারা সামাজিক সামঞ্জস্য ও সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলে। বিজেপির মতে, পরিবার-কেন্দ্রিক কল্যাণনীতির মাধ্যমে সরকার একটি গভীর সভ্যতাগত বার্তা দিচ্ছে—উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক উন্নতি নয়, বরং শক্তিশালী পরিবারের মাধ্যমে সামাজিক সামঞ্জস্য পুনর্গঠন।

    বসুধৈব কুটুম্বকম ও একীভূত ভারত ভাবনা

    বিজেপি সরকারের পরিবার-কেন্দ্রিক (Family Over Individual) দৃষ্টিভঙ্গির পেছনে রয়েছে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’—বিশ্ব এক পরিবার—এই ধারণা। এই ভাবনায় পরিবারই সামাজিক জীবনের কেন্দ্র, যেখানে মূল্যবোধ, দায়িত্ব ও অন্যের প্রতি যত্নের শিক্ষা শুরু হয়। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ভারতকে একটি সমন্বিত পরিবার হিসেবে দেখার কথা বলেছিলেন, যেখানে বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঐক্য বজায় থাকে। ১৯৫১ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জনসংঘের নেতৃত্বে থাকা এই চিন্তাবিদ তাঁর দার্শনিক ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের মাধ্যমে বিজেপির আদর্শিক দিশা নির্ধারণ করে গিয়েছেন। বর্তমানে বিজেপি সরকারের কল্যাণমূলক কাঠামো সেই দর্শনেরই আধুনিক রূপ—যেখানে নীতি শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র ভারতীয় সামাজিক দর্শনের প্রতিফলন।

  • India US Trade Deal: ধাক্কা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও চিনের! ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে কমল শুল্ক, সুবিধা দিল্লির

    India US Trade Deal: ধাক্কা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও চিনের! ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে কমল শুল্ক, সুবিধা দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাণিজ্য চুক্তিতে সহমত হয়েছে ভারত এবং আমেরিকা (India US Trade Deal)। যার ফলে ভারতের শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে বলে খবর। আর তাতেই ফাঁপড়ে পড়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও চিন। কারণ, তাদের থেকে ভারতের শুল্ক অনেকটাই কম। যার ফলে ভারতের বাণিজ্য বাড়বে বলেই আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সোমবার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পর এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনবে এবং প্রয়োজনে ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল আমদানি করতে পারে।

    স্বাগত বার্তা মোদির

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আজ আমার প্রিয় বন্ধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে দারুণ আনন্দিত। ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ পণ্যের ওপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনার এই ঘোষণায় আমি অত্যন্ত খুশি। ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আন্তরিক ধন্যবাদ।” তিনি আরও বলেন, বিশ্বের দুই বৃহৎ গণতন্ত্র ও অর্থনীতি একসঙ্গে কাজ করলে তা সাধারণ মানুষের উপকারে আসে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়।

    ঐতিহাসিক চুক্তি, শাহ

    অমিত শাহ (Amit Shah) তাঁর পোস্টে এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ (Historic Deal) বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘শুল্ক ১৮ শতাংশে নামায় ভারত–মার্কিন বাণিজ্য (India-US Trade) নতুন মাত্রা পাবে। উভয় দেশের মানুষই এর সুফল পাবেন।’ দুই দেশের তুলনামূলক শুল্ক নিয়ে সরকারি সূত্র জানায়, এখন ভারতের শুল্ক ইন্দোনেশিয়া (১৯%), ভিয়েতনাম (২০%), বাংলাদেশ (২০%), এবং চিনের (৩৪%) চেয়ে কম। ফলে বিশ্ববাজারে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা আরও বাড়বে।

    ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রভাব

    ভারত-মার্কিন বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তি (India US Trade Deal) সম্পন্ন হওয়ায় আজ ভারতীয় শেয়ার বাজারে বড়সড় উত্থানের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ৫০% শুল্ক কমে ১৮%-এ নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তে অটোমোবাইল (Auto Stocks), আইটি (IT Stocks), ডিফেন্স (Defence Stocks) এবং ফার্মার (Pharma Stocks) মতো রফতানি-নির্ভর সেক্টরগুলি বিনিয়োগকারীদের (Investment) নজরে রয়েছে।ভারত-আমেরিকা শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তের ফলে রফতানি বাণিজ্যে নতুন জোয়ার আসবে। বিশেষ করে আইটি এবং ডিফেন্স স্টকগুলোতে ভালো মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, বলে মত অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

    অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের অবস্থান

    এই চুক্তির ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে ভারত এখন এমন কয়েকটি দেশের মধ্যে পড়ল, যাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র তুলনামূলকভাবে কম শুল্ক আরোপ করছে। চিন, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের তুলনায় ভারতের শুল্কহার কম। তবে ইউরোপিয় ইউনিয়ন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার তুলনায় ভারতের শুল্ক সামান্য বেশি। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, যা আগের ২৫ শতাংশ ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’-এর সঙ্গে যোগ হয়েছিল। নতুন চুক্তির ফলে এই অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

    বেশি ট্যারিফ যাদের উপর

    চিন- ৩৭ শতাংশ

    ব্রাজিল- ৫০ শতাংশ

    দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩০ শতাংশ

    মায়ানমার- ৪০ শতাংশ

    লাওস- ৪০ শতাংশ

    কম ট্যারিফ রয়েছে যাদের উপর

    ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন- ১৫ শতাংশ

    জাপান ১৫ শতাংশ

    দক্ষিণ কোরিয়া- ১৫ শতাংশ

    সুইৎজারল্যান্ড- ১৫ শতাংশ

    ইউকে- ১০ শতাংশ

    দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন শুল্ক

    বাংলাদেশ- ২০ শতাংশ

    ভিয়েতনাম- ২০ শতাংশ

    মালেয়শিয়া- ১৯ শতাংশ

    কম্বোডিয়া- ১৯ শতাংশ

    থাইল্যান্ড- ১৯ শতাংশ

    পাকিস্তান- ১৯ শতাংশ

    ভারত-মার্কিন চুক্তির শর্ত

    সূত্রের খবর, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে যে অতিরিক্ত শুল্কের মুখে পড়েছিল, তা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। একই সঙ্গে ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি পরিমাণে জ্বালানি, কয়লা, প্রযুক্তি, কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভারতের মোট মার্কিন জ্বালানি ক্রয় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে। ট্রাম্প আরও বলেন, ভারত ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর শুল্ক ও অশুল্ক বাধা শূন্যের দিকে নিয়ে যাবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার আগে ভারতের গড় শুল্কহার ছিল বিশ্বের অন্যতম উচ্চ—সাধারণভাবে প্রযোজ্য হার ১৫.৬ শতাংশ এবং কার্যকর হার ৮.২ শতাংশ।

    রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে বাণিজ্য চুক্তি হওয়ায় ভারতের উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। বাণিজ্যে আরও সুবিধা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শুল্ক কমার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ভারত এবার থেকে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দেবে। তার বদলে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল কিনবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদির পোস্টে এ কথা উল্লেখ নেই।

    এখনো যেসব বিষয় স্পষ্ট নয়

    এই চুক্তি কবে থেকে কার্যকর হবে, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধের সময়সীমা কী, কিংবা কোন কোন মার্কিন পণ্য ভারত কিনবে—এসব বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি। সোমবার বিকেল পর্যন্ত হোয়াইট হাউস এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিজ্ঞপ্তি বা ফেডারেল রেজিস্টার নোটিস জারি করেনি। ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র—কোনো পক্ষই এখনো চুক্তির বিস্তারিত শর্ত প্রকাশ করেনি। একই সঙ্গে রাশিয়াও ভারতের তেল আমদানি বন্ধের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। উল্লেখ্য, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আগের বাণিজ্য চুক্তিগুলোতে শত শত বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ছিল। তবে ভারতের সঙ্গে ঘোষিত এই চুক্তিতে তেমন কোনো বিনিয়োগের উল্লেখ নেই। উল্লেখ্য, গত এক বছরে দু’দেশের মধ্যে একাধিক দফায় আলোচনা হলেও উচ্চ শুল্ক এবং কূটনৈতিক মতবিরোধে সম্পর্ক কিছুটা চাপের মধ্যে ছিল। শেষ পর্যন্ত এই সমঝোতাকে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

     

     

     

     

     

  • Daily Horoscope 03 February 2026: কাজের চাপ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 February 2026: কাজের চাপ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও বিপুল অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুদের সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

     

     

    কর্কট

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) দাম্পত্য কলহের কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা ও সেই কারণে আপনার মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদন্নোতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • T20 World Cup 2026: বাইশ গজে এক ঘরে পাকিস্তান! মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ, ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবি-কে কী বার্তা আইসিসির?

    T20 World Cup 2026: বাইশ গজে এক ঘরে পাকিস্তান! মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ, ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবি-কে কী বার্তা আইসিসির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) খেললেও ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না পাকিস্তান। পাক সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে আইসিসি। এই ভাবনা খেলার পরিপন্থী। পিসিবি এই সিদ্ধান্ত না বদলালে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে মহসিন নকভিদের। আইসিসির সূত্র জানিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান করতে চাইছে তারা। মঙ্গল বা বুধবার তারা বৈঠকে বসবে। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাকিস্তান যদি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে তাহলে কড়া শাস্তি হবে তাদের। নির্বাসিত করা হতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। সত্তরের দশকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে যে ভাবে আইসিসি নির্বাসিত করেছিল, সেই পদক্ষেপ আরও এক বার করতে পারে তারা।

    আইসিসির বার্তা

    রবিবার পাকিস্তান সরকার এক্স মাধ্যমে পোস্ট করে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তারা বলেছে, “পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যোগ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।” অবশ্য যদি ফাইনালে দু’দল মুখোমুখি হয় তখন পাকিস্তান কী করবে, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেনি পাক সরকার বা সে দেশের বোর্ড। যদি সত্যিই তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয় তা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসি, দুই সংস্থারই সমস্যা আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে বিশ্বকাপে জটিলতা আরও বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইসিসি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা বলেছে, “জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের ভূমিকাকে আইসিসি সম্মান করে। কিন্তু পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী। গোটা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ক্রিকেটপ্রেমী, যাঁদের মধ‍্যে পাকিস্তানের সমর্থকেরাও রয়েছেন, তাঁদের ভালর কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নয়।” আইসিসি জানিয়েছে, তারা প্রত‍্যাশা করে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি লিখেছে, “পিসিবি তাদের দেশের ক্রিকেটের উপর এর সুদূরপ্রসারী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবের কথা বিবেচনা করবে। কারণ এটি বিশ্ব ক্রিকেটের বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে, যার অন্যতম সদস্য এবং সুবিধাভোগী পিসিবি নিজেই।”

    আর্থিক জরিমানা

    আগেই বিক্রি হয়ে যাওয়া বিজ্ঞাপন এবং স্পনসরশিপ ইন্টিগ্রেশনের জন্য ৩৮ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩৪৭.৮৯ কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আইসিসি-র থেকে বছরে ৩৪.৫ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩১৫.৮৯ কোটি টাকা, ৫.৭৫% অংশ) পায় পাকিস্তান। চুক্তি লঙ্ঘন হলে সেই টাকা আটকে যেতে পারে। ম্যাচের দিনের বিজ্ঞাপনের সরাসরি ক্ষতি; ১০ সেকেন্ডের স্লটের দাম ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে সেই টাকার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২০০-২৫০ কোটি টাকা অংশগ্রহণ ফি বাজেয়াপ্ত এবং আইসিসি কর্তৃক ২ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সম্ভাব্য জরিমানা হতে পারে পাকিস্তানের।

    ব্রাত্য পাকিস্তান ক্রিকেট

    আইসিসি সদস্য বোর্ডগুলিকে পাকিস্তান সুপার লিগের জন্য বিদেশি খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দিতে পারে। যা লিগটির বাণিজ্যিক মূল্যকে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। দুই দল যোগ হওয়ায় এই মুহর্তে পিএসএলের বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। ভবিষ্যতে পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয়োজক স্বত্ব বাতিল হতে পারে! যার ফলে বহু বছর ধরে রাজস্বে ধারাবাহিক ক্ষতি হবে। পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে ওই ম্যাচের পয়েন্ট হারাবে এবং ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ-সহ ভবিষ্যতের আইসিসি ইভেন্টে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারে পাকিস্তান। তেমনটা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট পিছিয়ে যাবে বেশ কয়েক বছর। অন্ধকার হয়ে যাবে পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ।

  • Jammu-kashmir: শীতের ভোরে জম্মু-কাশ্মীরে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কিত জনজীবন!

    Jammu-kashmir: শীতের ভোরে জম্মু-কাশ্মীরে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কিত জনজীবন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ভোরে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu-kashmir) বারামুল্লা জেলায় ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের জাতীয় ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ বা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। দফতরের কর্মকর্তারা জানান, ভোর ৫.৩৫ মিনিটে কম্পনটি অনুভূত হয় এবং পাত্তন এলাকা ছিল এর কেন্দ্রস্থল। তবে এদিন ভোররাতে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জেও ভূমিকম্প (Earthquakes) হয়েছে। এনসিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে সেখানকার কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬।

    যার কেন্দ্রস্থল হানজিওয়েরা বালা (Jammu-kashmir)

    এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পের ফলে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। অ্যান্ড্রয়েড ভূমিকম্প (Earthquakes) সতর্কতা ব্যবস্থা থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটি ভারতীয় সময় ভোর ৫:৩৫ মিনিটে ঘটেছিল, যার কেন্দ্রস্থল হানজিওয়েরা বালা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে ছিল। ভূমিকম্পের এলাকা শ্রীনগর, বারামুল্লা, সোপোর, গান্ডারবাল, পুলওয়ামা এবং আশেপাশের এলাকা সহ বিস্তৃত অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়েছিল, এবং প্রভাব অঞ্চলটি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের কিছু অংশেও বিস্তৃত ছিল।

    একমুহূর্তের মধ্যেই সকলে আতঙ্কিত

    পাশাপাশি স্থানীয়রা (Jammu-kashmir) জানিয়েছেন, হঠাৎ ভূমিকম্পে (Earthquakes) আমরা ঘুম থেকে জেগে উঠেছিলাম। অনেকেই ভয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছেন। বেশ কয়েকটি পাড়ায় জানালা, দরজা এবং গৃহস্থালীর জিনিসপত্র ঝাঁকুনি দিয়ে উঠেছিল। ফলে একমুহূর্তের মধ্যেই সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে সময়টা এমন ছিল যখন শীতের ভোরে সকলে ঘুমিয়ে ছিলেন।

    কোনও ধরনের গুজবে কান দেবেন না

    এসডিএমএ-র এক সিনিয়র অফিসার বলেন, “এই ভূমিকম্পের (Earthquakes) কারণে কোনও ধরনের জীবনহানির খবর নেই। প্রশাসন (Jammu-kashmir) পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। প্রশাসন সাধারণ নাগরিককে অযথা আতঙ্ক না করার পরামর্শ দিয়েছে। কোনও ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্যেও বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয়, তবে জনগণকে আগে থেকেই সতর্ক করে দেওয়া হবে। এখন আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।”

    ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড্‌স একটি জাতীয় ভূকম্পন মানচিত্র প্রকাশ করেছিল। সেখানে কাশ্মীর-সহ হিমালয় অঞ্চলকে ছ’নম্বর সিস্‌মিক জ়োনে রাখা হয়েছে। অপর দিকে আন্দামানের এই মানচিত্রে রয়েছে পাঁচ নম্বর তালিকায়।

  • India’s GDP: বিশ্ব অর্থনীতিতে চিনের পরই ভারত, তিনে আমেরিকা! মাস্কের মন্তব্য নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ নির্মলার

    India’s GDP: বিশ্ব অর্থনীতিতে চিনের পরই ভারত, তিনে আমেরিকা! মাস্কের মন্তব্য নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য আর নয়! সদ্য প্রকাশিত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত দিলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডের (IMF) রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, বিশ্বের আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। এই ঘটনায় প্রশংসার সুরেই টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্কের দাবি, ‘অবশেষে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে।’ মাস্কের মতে বিশ্ব অর্থনীতিতে এক গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধি ও তাতে সবচেয়ে বেশি যোগদান রাখা ১০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করে আইএমএফ। সেই রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে, ডলারের দেশ আমেরিকাকে ছাপিয়ে বিশ্ব তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। বিশ্বের জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ১৭.০ শতাংশ। এই তথ্য সামনে রেখে বাজেট অধিবেশনের পর বিরোধীদের এক হাত নিয়েছেন নির্মলা।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সাম্প্রতিক তথ্য

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধিতে অবদানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলেছে ভারত। আইএমএফ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ১৭ শতাংশ অবদান রাখবে ভারত। আমেরিকার (৯.৯ শতাংশ) ঠাঁই হয়েছে তালিকার তৃতীয় স্থানে। এই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে তাদের যোগদান হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (৩.৮%), তুরস্ক (২.২%), নাইজেরিয়া (১.৫%), ব্রাজিল (১.৫%), ভিয়েতনাম(১.৬%), সৌদি আরব (১.৭%), জার্মানি (০.৯%)। অর্থাৎ রিপোর্টে স্পষ্ট যে বিশ্ব অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি আর্থিক যোগদান হতে চলেছে এশিয়ার দুই দেশ চিন ও ভারতের। যৌথভাবে দুই দেশের যোগদান হতে চলেছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক আর্থিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে চিন ও ভারতে। দীর্ঘ বছর ধরে যার কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ বেষ্টিত।

    আমেরিকার দাদাগিরি আর কতদিন

    সোশাল মিডিয়ায় এই রিপোর্ট তুলে ধরেই ইলন মাস্ক লেখেন, ‘অবশেষে বিশ্বে পরিবর্তিত হচ্ছে ক্ষমতার ভারসাম্য।’ উল্লেখ্য, ইলন মাস্কের এহেন মন্তব্য এমন সময়ে সামনে এল যখন শুধুমাত্র আমেরিকার দাদাগিরির জেরে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। নানা কূটনৈতিক সংঘাতের জেরে বিশ্বের দেশগুলির উপর আরোপ করা হচ্ছে কড়া শুল্ক। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। এবার আইএমএফের রিপোর্টেই জানা গেল, গোটা বিশ্বে আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি যোগদান সেই চিন ও ভারতের।

    ইলন মাস্কের মন্তব্যের তাৎপর্য

    ইলন মাস্কের এই মন্তব্যকে নিছক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি দু’বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, ভারতে টেসলার উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছেন এবং ১৪০ কোটির বাজারে চীনের মতো সাফল্যের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন সময়েই মাস্ক ভারতের অর্থনৈতিক উত্থানের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন, যখন টেসলার পশ্চিমি বাজারে বিক্রি শ্লথ। চিনে টেসলার গতি কমেছে, ইউরোপ জটিল নিয়ন্ত্রক সমস্যায় আটকে। এই প্রেক্ষাপটে আইএমএফ কর্তৃক ভারতের ৬.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস মাস্কের মতো শিল্পপতিদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয়।

    পশ্চিমি অর্থনীতির স্থবিরতা, উদীয়মান দেশের উত্থান

    আইএমএফ-এর তথ্য বলছে, ২০২৬ সালে জার্মানির অবদান বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে মাত্র ০.৯ শতাংশ। গোটা ইউরোজোন মিলিয়ে অবদান মাত্র ২ শতাংশ। উন্নত অর্থনীতিগুলির গড় প্রবৃদ্ধি যেখানে ১.৮ শতাংশ, সেখানে উদীয়মান বাজারগুলির প্রবৃদ্ধি হার ৪.২ শতাংশ—যা বছর বছর ব্যবধান আরও বাড়াচ্ছে। ভারতের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া (৩.৮%), তুরস্ক (২.২%), ভিয়েতনাম (১.৬%) এই তালিকায় উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। আশ্চর্যজনকভাবে, নাইজেরিয়ার ১.৫ শতাংশ অবদান অনেক ইউরোপীয় দেশের সম্মিলিত অবদানকেও ছাড়িয়ে গেছে।

    জনসংখ্যা নয়, উৎপাদনই চালিকাশক্তি

    আইএমএফ জানিয়েছে, ভারতের প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি রফতানি নয়, বরং অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন। ২০২৫ সালে দেশের পরিকাঠামো খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বৈশ্বিক বাণিজ্য শ্লথ থাকলেও ভারতের উৎপাদন খাত গতি ধরে রেখেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত থাকায় ভোক্তা চাহিদাও স্থিতিশীল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মাস্কের মন্তব্য আসলে দীর্ঘদিন ধরে চলা এক নীরব বাস্তবতার প্রকাশ—বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র ধীরে ধীরে পশ্চিম থেকে সরে এশিয়া ও উদীয়মান অর্থনীতির দিকে যাচ্ছে।

    বিরোধীদের সচেতন করলেন অর্থমন্ত্রী

    বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের (India) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা নিয়ে জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও (Nirmala Sitharaman)। বাজেট ২০২৬-২৭ (Budget 2026-27) পেশের পর সংসদ ভবনে যুব সংলাপের (Youth Dialogue) মঞ্চে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি তুলে ধরলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (IMF) সাম্প্রতিক হিসেব। ‘ওয়াও’ মন্তব্য করলেন ইলন মাস্ক। উদ্ধৃত করে বক্তব্য রাখলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে হয়তো দেখেছেন, মাস্ক আইএমএফ–এর ডেটা শেয়ার করে আশ্চর্য হয়ে লেখেন, “ওয়াও, এটা সত্যি?” অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি ঠিক মনে করতে পারছি না তিনি ‘ওয়াও’ বলেছেন, না অন্য কিছু বলেছেন। কিন্তু আইএমএফ–এর তথ্য তুলে তিনি ভারতের অবদান নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।” মাস্কের মন্তব্যকে উদ্ধৃত করে বিরোধীদের একহাত নেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর সাফ বক্তব্য, “আমি তো সংসদে বলবই। কিন্তু দেশের বিরোধীদের (Opposition) বোঝা উচিত, এখন ভারত যে জায়গায় দাঁড়িয়ে— তা শক্তির পরিচয়। আমরা চিনের পরেই। ব্যবধান হয়তো একটু বেশি— ২৬ আর ১৭। কিন্তু আমরা এটা কমিয়ে আনব।”

LinkedIn
Share