Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • SIR in Bengal: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ শুনানি

    SIR in Bengal: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-পর্বের (SIR in Bengal) চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার এসআইআরের নতুন সূচি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল দিল্লির নির্বাচন সদনে গিয়ে বৈঠক করার পরেই ওই নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়। নতুন সূচি অনুযায়ী, “লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি” বা যৌক্তিক অসঙ্গতি এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে কোনওভাবে সংযুক্ত না থাকার অভিযোগে যাঁদের ডাকা হয়েছে, তাঁদের শুনানি ও মামলার নিষ্পত্তি ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে। জমা দেওয়া নথির যাচাই প্রক্রিয়া চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগে শুনানির শেষ দিন ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    কীভাবে হচ্ছে নথি যাচাই

    ইসি (Election Commission Of India) সূত্রে জানা গিয়েছে, যাচাইয়ের আওতায় থাকা ১.৫১ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১.৪০ কোটির শুনানি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০-১২ লক্ষ ভোটার, যাঁরা চার থেকে পাঁচটি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছেন, তাঁদের শুনানি আগামী দু’দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক আধিকারিক জানান, “শুনানি শেষ হলেই ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলার নিষ্পত্তির কাজে জোর দেওয়া যাবে।” সূত্রের খবর, শুনানিতে অংশ নেওয়া প্রায় ১ কোটি ভোটারের নথি ইতিমধ্যেই আপলোড করা হয়েছে। তবে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) ও সহকারী ইআরও-রা নথি আপলোড না করলে জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা তা যাচাই করতে পারবেন না। সাধারণত এই যাচাই প্রক্রিয়ায় চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। যাচাই শেষে নথি ফেরত পাঠানো হবে ইআরওদের কাছে, যাতে তারা মামলার নিষ্পত্তি করতে পারেন। ইতিমধ্যে যাচাই হওয়া মামলাগুলিতে ইলেক্টোরাল রোল অবজারভাররা তাঁদের মন্তব্য নথিভুক্ত করেছেন, যা বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরওরা।

    একাধিক স্তরে ‘সুপারচেকিং’

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের (SIR in Bengal) সময়সীমা বেড়েছে। স্ক্রুটিনির জন্য সাত দিন সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ইআরও-রা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশের জেরেই এই সিদ্ধান্ত। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে একাধিক স্তরে ‘সুপারচেকিং’ হবে বলেও জানানো হয়েছে। ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার ও বিশেষ রোল অবজারভারদের পর্যবেক্ষণের পর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) তালিকা খতিয়ে দেখবেন। এরপর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে নির্বাচন সদনে। সেখানেও আরও এক দফা সুপারচেকিংয়ের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

    নির্ভুল তালিকা প্রকাশে বিশেষ সতর্কতা

    ইসি (Election Commission Of India) জানিয়েছে, ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্ভুল তালিকা প্রকাশে তারা বিশেষভাবে সতর্ক। এক আধিকারিকের কথায়, “একাধিক দফায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। কমিশন সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট না হলে তালিকা প্রকাশ করা হবে না।” এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য সরকার যে ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম ইসিকে পাঠিয়েছে, তাঁদের বিস্তারিত তথ্যও চেয়েছে কমিশন। অভিযোগ উঠেছিল, তালিকাভুক্তদের মধ্যে অনেকে গ্রুপ-সি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত। এই আধিকারিকদের এসআইআর ডিউটিতে নিয়োগ করা হবে। ইসি সূত্রে জানানো হয়েছে, “শুধুমাত্র গ্রুপ-বি কর্মীরাই যাতে এই দায়িত্ব পান, তা নিশ্চিত করতেই বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।”

  • Daily Horoscope 11 February 2026: কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 11 February 2026: কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) ভ্রমণের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) নিজের অজান্তেই কোনও কাজের সুবাদে সকলের প্রীতিলাভ করবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন।

    ২) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) অশান্তি থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় কাজের দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ২) ব্যবসায় সমস্যা বাড়তে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য জীবনে অশান্তির সময়।

    ২) ব্যবসায় চাপ বাড়তে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) শারীরিক সমস্যার জন্য ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ বৃদ্ধি।

    ২) কোনও বন্ধুর সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হিন্দু চাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা! লুট ১৫ লক্ষ টাকা

    Bangladesh: বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হিন্দু চাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা! লুট ১৫ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে (Hindu Businessman) তাঁর দোকানের ভেতরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করে দুষ্কৃতীরা ১৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভোটের আগে হিন্দু হত্যাকে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন বলেছেন আন্তর্জাতিক মহল।

    পেশায় ছিলেন চাল ব্যবসায়ী (Bangladesh)

    নিহত ব্যক্তির নাম সুশেন চন্দ্র সরকার (৬২)। তিনি ময়মনসিংহের (Bangladesh) ত্রিশাল উপজেলার বগার বাজার মোড়ে অবস্থিত ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক। পেশায় তিনি একজন চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ওই এলাকার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু হত্যা (Hindu Businessman) চলছে। এবার এই লিস্টে আরও এক হিন্দুর হত্যা যুক্ত হলো।

    কীভাবে করা হয়েছে হত্যা?

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সুশেন চন্দ্র যখন তাঁর দোকানের ভেতরে ছিলেন, তখন অজ্ঞাতপরিচয় একদল দুষ্কৃতী হামলা করে। প্রথমে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর (Hindu Businessman) ওপর চড়াও হয়। এরপর শাটার নামিয়ে দোকানের ভিতরে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে।

    ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই হত্যার পেছনে সঠিক কারণ কী, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই হত্যার পিছনে কোন উদ্দেশ্য রয়েছে, তার সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপট

    গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কট্টরপন্থী ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে বেশ কিছু স্থানে হামলা ও উত্তেজনার খবর মারাত্মক আকার নিয়েছে।

    গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক পোশাক শ্রমিককে (Hindu Businessman) পিটিয়ে হত্যা করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। রাজবাড়ীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আবার গত বছর কালীগঞ্জে লিটন চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ী গণপিটুনিতে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের ওপর এই ধারাবাহিক হামলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন এবং হিন্দু সংগঠনের নেতারা সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে এই হিন্দু হত্যা নিয়ে এখনও কোনও সদর্থক ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

  • Spain: কোমর বেঁধেছে ১৭টি সনাতনী সংগঠন, এবার হিন্দু ধর্ম স্পেনে স্বীকৃতিলাভের পথে

    Spain: কোমর বেঁধেছে ১৭টি সনাতনী সংগঠন, এবার হিন্দু ধর্ম স্পেনে স্বীকৃতিলাভের পথে

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: ১৭টি সনাতনী সংগঠন একত্রিত হয়েছে, হিন্দু ধর্ম স্পেনে (Spain) স্বীকৃতিলাভ করতে এগিয়ে চলেছে। স্পেনে হিন্দুধর্মের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পথে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত এই যুগান্তকারী সমাবেশে স্পেনের বিভিন্ন প্রান্তের ১৭টি হিন্দু সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। স্পেনে বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের (Sanatana Dharma) মধ্যে বার্তালাপ এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার সংকল্প এখন বিরাট শক্তিকে প্রদর্শিত করেছে।

    বৈঠকের মূল লক্ষ্য ও আলোচনা (Spain)

    স্পেনের (Spain) এই সভাটি উন্মুক্ত আলোচনা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। হিন্দুধর্মের (Sanatana Dharma) আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য ভবিষ্যতের কর্মপন্থা, দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক পদক্ষেপগুলো ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক হিন্দু তাঁদের অভিজ্ঞতা ও গঠনমূলক ভাবনাচিন্তার বিনিময় করেন। ধর্মীয় অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে আন্দোলনকে সুসংগঠিত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনাও করা হয়।

    আন্দোলনের উদ্দেশ্য

    এই উদ্যোগটি কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় আন্দোলন। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল-

    ১. স্পেনের (Spain) সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোতে হিন্দুধর্মের জন্য সরকারি স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।

    ২. স্প্যানিশ সমাজে হিন্দুদের (Sanatana Dharma) মর্যাদা, দৃশ্যমানতা এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করা।

    ৩. বৃহত্তর সমাজের মধ্যে হিন্দু দর্শন, মূল্যবোধ, উৎসব এবং জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

    ঐক্যের শক্তি

    এই অভিযানের অন্যতম প্রধান শক্তি হল স্পেনের হিন্দু সংগঠনগুলোর (Sanatana Dharma) মধ্যে ক্রমবর্ধমান  একতা এবং ভাতৃত্ববোধ। বিভিন্ন গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠান তাদের মতপার্থক্য সরিয়ে রেখে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ (বিশ্বই একটি পরিবার)-এই চিরন্তন আদর্শকে সামনে রেখে একত্রিত হয়েছে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    সনাতন ধর্মে নিবেদিতপ্রাণ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই উদ্যোগটি স্পেনের (Spain) বিভিন্ন অঞ্চলের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করতে, সাংগঠনিক সহযোগিতা জোরদার করতে এবং কর্তৃপক্ষের সাথে সংলাপের জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করতে কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে এই উদ্যোগের কাজটি সঠিক ভাবে সফল হবে। মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের মাধ্যমে যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, তা স্পেনের হিন্দু সম্প্রদায়ের (Sanatana Dharma), স্থিতিস্থাপকতা এবং অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবে মাইলফলক পদক্ষেপ।

  • Maharashtra: মহারাষ্ট্রের উর্দু স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানি জেহাদি গানে নৃত্য! এফআইআর দায়ের বিজেপির

    Maharashtra: মহারাষ্ট্রের উর্দু স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানি জেহাদি গানে নৃত্য! এফআইআর দায়ের বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) যভতমাল জেলায় প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি (Pakistani Military Song) সামরিক বাহিনীর গান বাজানোর অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতারা। ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরও করেছে বিজেপি।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানের গান (Maharashtra)

    ঘটনাটি ঘটেছে যভতমালের (Maharashtra) উমরখেদ তালুকায় অবস্থিত ‘আবদুল গফুর শাহ নগর পরিষদ উর্দু স্কুল নম্বর ২’-এ। গত ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করার সময় স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে (Snehsammelan) কিছু ছাত্রছাত্রী একটি বিতর্কিত গানে নৃত্য পরিবেশন করেছে। অভিযোগ উঠেছে, যে গানটিতে নৃত্য হয়েছিল তা ছিল ‘অ্যায় মর্দ-এ-মুজাহিদ তেরি ললকার কেয়া হ্যায়’ (Pakistani Military Song)। এই গানটি পাকিস্তানের একটি সুপরিচিত সামরিক অনুপ্রেরণামূলক সঙ্গীত।

    পাকিস্তানের জিহাদি মানসিকতা সম্পন্ন গান

    বিজেপি নেতা গোপাল কালানে এই বিষয়ে উমরখেদ থানায় (Maharashtra) একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, এই গানটি জিহাদি মানসিকতা সম্পন্ন এবং ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান (Pakistani Military Song) যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে উৎসাহিত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল। ভারতীয় স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসের মতো জাতীয় অনুষ্ঠানে এমন গান বাজানো রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল এবং এটি শিক্ষার্থীদের মনে বিভ্রান্তি, দেশবিরোধী মনোভাব তৈরি করবে। কালানে স্কুল প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের শাস্তি দেওয়ার দাবি করেছেন।

    স্কুল এই ধরনের গানে কীভাবে অনুমতি দিয়েছে?

    বিজেপি নেতা বাওয়ানকুলে (Maharashtra) এই ঘটনাকে ‘দেশদ্রোহিতা’ (Pakistani Military Song) বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। উমরখেদ পুলিশ ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে। স্কুল এই ধরনের গানে কীভাবে অনুমতি দিয়েছে তা খতিয়ে দেখছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে পুলিশ এই অনুষ্ঠানের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • Bangladesh Election: বাংলাদেশে প্রাক-নির্বাচনী সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি, জয়-পরাজয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু-ভোট!

    Bangladesh Election: বাংলাদেশে প্রাক-নির্বাচনী সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি, জয়-পরাজয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু-ভোট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। প্রতিবেশী দেশটির ইতিহাসে এই নির্বাচনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানত দু’টি  মুখ্য রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি (জামাত নামেই জনপ্রিয়) ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মধ্যে ভোটের লড়াই। এই দুই দলই ভোটারদের কাছে পৌঁছতে মরিয়া। এই প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত একাধিক জনমত সমীক্ষায় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

    জামাত না বিএনপি

    হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমে আওয়ামি লিগের ওপর নিষেধাজ্ঞার পর, বাংলাদেশে একসময়ের মিত্র জামায়াত ও বিএনপি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি দুই রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উত্থান ঘটেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে জয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও ইসলামপন্থী জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন একটি জোট শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারে। ৩০ বছরের কম বয়সী তরুণ কর্মীদের পরিচালিত একটি নতুন দল হাসিনা-বিরোধী রাজপথের আন্দোলনকে নির্বাচনী শক্তিতে রূপান্তরিত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে।

    সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি

    বাংলাদেশের ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (IILD) পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট ৪৪.১ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেতে পারে ৪৩.৯ শতাংশ ভোট। সমীক্ষা অনুযায়ী, মোট ভোটের হিসােবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এগিয়ে থাকলেও, যেখানে জয় প্রায় নিশ্চিত—সেসব আসনে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে। ইসলামপন্থী জোট প্রায় ১০৫টি আসনে জয় নিশ্চিত করতে পারে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট নিশ্চিতভাবে জিততে পারে ১০১টি আসনে। এছাড়া ৭৫টি আসনে দুই জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বা জাতীয় সংসদে মোট ৩৫০টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ৫০টি মহিলা সংরক্ষিত আসন দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে বণ্টন করা হয়।

    ভারতবিরোধী জামাত পিছিয়ে

    এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (EASD) পরিচালিত আরেকটি জনমত সমীক্ষায় বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোটের আরও শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিএনপি জোট পেতে পারে প্রায় ২০৮টি আসন। জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ৪৬টি আসন, জাতীয় পার্টি ৩টি আসন, অন্যান্য দল ৪টি আসন, এবং ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এই সমীক্ষায় ভোটারদের রাজনৈতিক পছন্দও উঠে এসেছে। সেখানে দেখা যায়, ৬৬.৩ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে সমর্থন করছেন, যেখানে জামায়াতে ইসলামির সমর্থন মাত্র ১১.৯ শতাংশ। নবগঠিত ছাত্রদের দল এনসিপি (NCP) পেয়েছে ১.৭ শতাংশ সমর্থন।

    ভারতের জন্য ইতিবাচক

    বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ভারতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, বিএনপি বর্তমানে উদার-মধ্যপন্থী রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে, যা কিছুটা হলেও আওয়ামি লিগের মতো। বিপরীতে, জামায়াতে ইসলামির মতো ইসলামপন্থী দলগুলোর অবস্থান প্রকাশ্যেই ভারত-বিরোধী। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিএনপি যদি সরকার গঠন করে, তবে ভারত তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল করার চেষ্টা করবে। উল্লেখ্য, গত মাসেই তারেক রহমান ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেন। তবে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতবিরোধী অবস্থান না নিলেও দলটি “বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতিতে বিশ্বাসী।

    আওয়ামি লিগের সমর্থকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা

    বিএনপি এবং জামায়াত উভয়ই আওয়ামি লিগের সমর্থকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, বিশেষ করে সেই আসনগুলোতে যেখানে হাসিনার দলের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট আওয়ামি লিগ নেতা এবং হিন্দু রাজনীতিবিদ রমেশ চন্দ্র সেনের কারাগারে মৃত্যুর পর উভয় দলের শীর্ষ নেতারা তাঁর বাড়িতে ছুটে যান, যা এই পরিবর্তনশীল ভোটব্যাঙ্কের গুরুত্বকে নির্দেশ করে। রমেশ চন্দ্র সেন পাঁচবারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং এই অঞ্চলে তাঁর ব্যাপক প্রভাব ছিল। যেহেতু দলটি প্রতিযোগিতার বাইরে, তাই উভয় দলই চায় আওয়ামি লিগের সমর্থকরা তাঁদের ভোট দিক। একটি হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনে এই দোদুল্যমান ভোটগুলোই নির্ধারক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু ভোট

    হাসিনা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে হিন্দু-সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হয়ে উঠেছে নিত্যদিনের ঘটনা। তবে, নির্বাচনের আবহে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়ার পর, সব দলই প্রধান সংখ্যালঘু সম্প্রদায় – হিন্দুদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন, হিন্দু ভোট শেষ পর্যন্ত নির্ধারক শক্তি হয়ে উঠতে পারে। মন্দির পরিদর্শন থেকে শুরু করে শিক্ষাক্ষেত্রে হিন্দুদের অবদানের প্রশংসা চলছে। জামায়াত ও বিএনপি উভয়ই এই সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু জামায়াতের কট্টরপন্থী ও উগ্রবাদী ভাবমূর্তির কারণে হিন্দুদের মধ্যে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা বেশি। সংখ্যালঘুদের ভোট পাওয়ার এই প্রচেষ্টা শুরু হয় যখন সম্প্রতি জামায়াতের একজন প্রার্থী শিক্ষা বিস্তারে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নের জন্য হিন্দুদের প্রশংসা করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, “এই অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে হিন্দুদের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না।” যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, উগ্রপন্থী শক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুদের মন জয় করতে হলে জামায়াতকে শুধু কথার চেয়ে আরও অনেক বেশি কিছু করতে হবে। হিন্দু ভোটের ক্ষেত্রে বিএনপি কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

  • BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সমস্ত বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ শেষ করতে হবে। বঙ্গ বিজেপির বিধায়কদের (BJP in Bengal) পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সম্পূর্ণ জনসংযোগের কাজ। সামনেই নির্বাচন তাই গেরুয়া শিবির বিধায়কদের সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে। নির্বাচনকে মাথায় রেখে বিজেপির সাফ কথা, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে (Assembly Election) বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ চালাতে হবে। প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে বুথে টহল দিতে হবে। বাড়ির উঠোনে উঠোনে বৈঠক করতে হবে।

    নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যু অস্ত্র বিজেপির (BJP in Bengal)

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) বিজ্ঞপ্তি এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলি নিজের নিজের প্রচার শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি (BJP in Bengal) এখন থেকেই বুথ ভিত্তিক প্রচার শুরু করেছে। ভোটের আগেই নিজের নিজের প্রচার নিয়ে সকল দল এখন ময়দানে নেমে পড়েছে। বিজেপি শাসল শিবিরকে নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যুতে আক্রমণ করছে। ওপর দিকে তৃণমূল নিজেদের ১৫ বছরের ভালো কাজ গুনছে। ভোটের আবহে নরমে-গরমে ক্রমেই পারদ চড়ছে।

    সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক

    রাজ্যে এখন মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, মাধ্যমিক শেষ হলে আবার উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হবে। ফলে পরীক্ষার আবহে বড় বড় প্রচারের দিককে কিছুটা হালকা করে সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখন মাইক বাজিয়ে জনসভা করাটা ঠিক নয় তাই সময়কে কাজে লাগিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসম্পর্কের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সময় এবং অবসরকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি বেশি মানুষের দরজায় কীভাবে পৌঁছানো যায়, সেই রণনীতি ঠিক করেছে বিজেপি (BJP in Bengal)।

    মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে

    বাংলার বিজেপি (BJP in Bengal) বিধায়কদের (Assembly Election) কেন্দ্র নেতৃত্ব সাফ নির্দেশ দিয়েছে, চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে বুথ ভিত্তিক জনসংযোগের কাজ শেষ করতে হবে। প্রতিটি পাঁচটি করে বুথ এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরতে হবে। মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। একই ভাবে এলাকার মন্দিরে মন্দিরে ঘুরতে হবে। দলের নিচু তলার কর্মীদের সঙ্গে করতে হবে ভোজন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে। এলাকায় এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে উঠোনে বৈঠক শুরু করতে হবে।

    পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম নেবে বিজেপি

    বুথে বুথে এই জনসংযোগের সময়ে পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে বিধায়কদের। এবারের বিজেপির সংকল্পপত্র কেমন হওয়া উচিত, তাতে কী কী ধরনের প্রতিশ্রুতি থাকা উচিত, সেগুলি সরাসরি জনতার মতামত নেওয়ার জন্য বিজেপি এই বাক্সে জমা নিয়ে দেবেন। দুবরাজপুরের বিধায়ক (Assembly Election) অনুপ সাহার কথায়, ‘‘এ বার আমাদের সঙ্কল্পপত্রে শুধু রাজ্যভিত্তিক পরিকল্পনা থাকবে না। বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধানের কথা বা স্থানীয় চাহিদা পূরণের কথাও থাকবে। তাই বুথে বুথে যখন ঘুরব, তখন সেখানকার বাসিন্দারা একেবারে পাড়া স্তরের সমস্যা বা চাহিদার কথাও ফর্ম পূরণ করে জানাতে পারবেন।’’

    ইতিমধ্যে বিজেপি (BJP in Bengal) প্রত্যকে এলাকায় স্থানীয় সমস্যা এবং স্থানীয় অভাবের ভিত্তিতে চার্জশিট প্রকাশ করা হচ্ছে। একইভাবে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে কী কী করবে সেই বিষয়ে সংকল্প পত্র প্রকাশের কথাও বলা হয়েছে।

  • T20 World Cup 2026: ধরা পড়ে গেল পাকিস্তানের নাটক! বিসিবিকে দিয়ে আবেদনপত্র লেখান নকভি, সত্যি কী?

    T20 World Cup 2026: ধরা পড়ে গেল পাকিস্তানের নাটক! বিসিবিকে দিয়ে আবেদনপত্র লেখান নকভি, সত্যি কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের হুমকি শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল নিয়ে এতদিন ধরে যে টানাপোড়েন চলছিল, সোমবার গভীর রাতে পাকিস্তান সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে তার ইতি পড়েছে। সরকারি নির্দেশেই পাক দলকে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত খেলাটি খেলতে নামতে হবে, সোমবার রাতে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইসলামাবাদ। সেই সঙ্গে শেষ হয়েছে ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি দামের এই ‘দুনিয়ার সবচেয়ে দামি ম্যাচ’ নিয়ে অনিশ্চয়তা। তবে সেই নাটকের অবসানে একের পর এক অস্বস্তিকর তথ্য সামনে আসছে, যা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সূত্রের খবর, নিজের প্রভাব ও গুরুত্ব জাহির করতেই পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ করেছিলেন—পাকিস্তানকে উদ্দেশ্য করে যেন একটি আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র লেখা হয়, যাতে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার অনুরোধ জানানো থাকে।

    ‘সম্মানজনকভাবে পিছু হটার চেষ্টা’

    বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম ‘বুলবুল’ সম্প্রতি পাকিস্তান সফর করে নকভির সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের নেপথ্য উদ্দেশ্য নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত এক কর্তার কথায়, “নকভি নিজেই বুলবুলকে ফোন করে বলেন, পাকিস্তানের কাছে যেন একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানো হয়। এতে করে পুরো পরিস্থিতি থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসা যাবে।” অর্থাৎ, সরাসরি আইসিসির চাপে মাথা নত না করে তৃতীয় পক্ষের অনুরোধকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করাই ছিল পিসিবির কৌশল। সেই পরিকল্পনা মতোই বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের প্রশংসা করে বলেন, “এই সময় বাংলাদেশকে সমর্থন জানাতে পাকিস্তান যে অতিরিক্ত উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে আমরা গভীরভাবে আপ্লুত। আমাদের ভ্রাতৃত্ব দীর্ঘজীবী হোক।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তান সফরের পর আলোচনার সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের প্রেক্ষিতে আমি অনুরোধ করছি—১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচটি খেলুক পাকিস্তান, যা পুরো ক্রিকেট বিশ্বের স্বার্থেই প্রয়োজন।”

    আইসিসির ভূমিকা

    ভারত-পাকিস্তান (India Vs Pakistan) ম্যাচের আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত হতে চলা এই ম্যাচ ইতিমধ্যেই রেকর্ড ভিউয়ারশিপ ও বিপুল রাজস্বের সম্ভাবনা তৈরি করেছে—যা শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটের ব্যবসায়িক দিককেই আবারও সামনে এনে দিচ্ছে। ক্রিকেটের উন্নতিতে এই ম্যাচ আয়োজনের জন্য যা করার করেছে আইসিসি। তবে, কোনও অনৈতিক দাবিকে প্রশ্রয় দেয়নি জয় শাহ-র নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। আইসিসি-ও জানত, পাকিস্তান আসলে দেখানোর জন্য এই খেলা খেলছিল। তারা বাংলাদেশ ও সেখানকার জনতাকে খুশি করতে চাইছিল। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করে। মহম্মদ ইউনূসের সরকার আসার পর থেকেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে ভারতের থেকে দূরে সরাতে চেষ্টা করছে। ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ না খেলার কৌশলও সেই দিকেই ছিল। কিন্তু আইসিসির সামনে পাকিস্তানের কোনও জারিজুরি কিছুই কাজ করেনি। বহুপাক্ষিক আলোচনা, বন্ধুরাষ্ট্রগুলির অনুরোধ ও ক্রিকেটীয় চেতনার চাপ পাকিস্তানকে পিছু হটতে বাধ্য করে। আইসিসিতে ভারত স্পষ্ট অবস্থান নেয়। আইসিসিও বড় অঙ্কের জরিমানার হুমকি দেয়। শাস্তি এড়াতে পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে খেলতেই হতো। কিন্তু পাক প্রধানমন্ত্রী জনসমক্ষে এই ম্যাচ বয়কটের কথা বলেছিলেন, তাই মুখ-রক্ষার জন্য ঘুরিয়ে পথ দেখার চেষ্টা করল পাকিস্তান, অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

  • T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়েই মাথা নত পিসিবির! বয়কট-নাটক শিকেয় তুলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

    T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়েই মাথা নত পিসিবির! বয়কট-নাটক শিকেয় তুলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নিজেদের শর্ত থেকে সরল পাকিস্তান। সীমান্ত হোক বা ক্রিকেটের ময়দান, পরাজয় নিশ্চিত জেনেও বারবার একই পথে পা বাড়ায় পাক-সরকার। নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করার মরিয়া চেষ্ট করে পাকিস্তান। ফের একবার তার প্রমাণ মিলল। যাবতীয় নাটকের অবসান ঘটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি হল পাকিস্তান।(India Pakistan) সোমবার রাতে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের শাহবাজ শরিফ সরকার। এদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয় সে দেশের ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির। বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। পাক সরকার জানিয়েছে, বন্ধু দেশগুলোর অনুরোধে ও ক্রিকেটের স্বার্থে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে বাবর আজমরা। তবে, ক্রিকেট মহল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল সকলেই জানে আসল সত্য। আইসিসি-র চাপের মুখেই পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে। এক কথায় বিনা শর্তেই ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে হবে তাদেরকে। পিসিবি প্রধানের পেশ করা তিন শর্তই খারিজ করেছে আইসিসি।

    আট দিনে সিদ্ধান্ত বদল সরকারের

    টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার ব্যাপারে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে ছাড়পত্র দিয়ে দিল সেই দেশের সরকার। সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে সরকারের তরফে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, টি২০ বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে পাকিস্তান। এ দিন রাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয় সে দেশের ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির। তিনি আইসিসি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে রবিবার রাতে হওয়া বৈঠকের ব্যাপারে জানান শরিফকে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফেও পাকিস্তানকে অনুরোধ করা হয়েছিল ভারত ম্যাচ খেলার জন্য। একই অনুরোধ এসেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং শ্রীলঙ্কা থেকেও। এই অনুরোধের পর পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন আলোচনার নির্যাস এবং বন্ধু দেশগুলির অনুরোধের পর পাকিস্তান সরকার সে দেশের ক্রিকেট দলকে ভারতের বিরুদ্ধে ‘মাঠে নামার’ নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি ক্রিকেটের সংস্কৃতিকে রক্ষা করা এবং সদস্য দেশগুলির মধ্যে ক্রিকেট কে আরও বেশি করে জনপ্রিয় করে তোলার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের তিন শর্তই খারিজ

    ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার জন্য রবিবারের বৈঠকে মোট পাঁচটি দাবি আইসিসির সামনে তুলে ধরে পিসিবি। মহসিন নকভিদের মূল তিনটি শর্তই খারিজ করে দিয়েছেন জয় শাহেরা। পিসিবির তিনটি প্রধান শর্ত ছিল—

    ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ: পাকিস্তানের দাবি ছিল, ভারত এবং পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ যেন পুনরায় শুরু করা হয়। আইসিসি এই প্রস্তাব খারিজ করে জানায়, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজন তাদের আওতায় পড়ে না, এমনকী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কাঠামোর মধ্যেও নয়।

    ত্রিদেশীয় সিরিজ: ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের কথা বলা হয়। আইসিসি এই প্রস্তাবও খারিজ করে জানায়, দ্বিপাক্ষিক সিরিজের মতোই ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজন তাদের আওতায় পড়ে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের বক্তব্য, দ্বিপাক্ষিক বা ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের বিষয়ে তাদের কোনও নির্দেশ দেওয়ার অধিকার নেই।

    ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফর: ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফর আয়োজনের দাবিও নাকচ করে আইসিসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের দাবি, এগুলি একদমই দুই দেশের বোর্ডের বিষয়। এখানে আইসিসি হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

    মুখরক্ষার পথ

    পিসিবির দু’টি শর্ত মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আইসিসি কর্তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে বাংলাদেশকে যেন কোনওভাবেই শাস্তি না দেওয়া হয় এবং আইসিসি রাজস্বের পূর্ণ অংশ পায় বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত অবশ্য আইসিসি আগেই স্বাধীনভাবে নিয়ে ফেলেছিল। দ্বিতীয়ত, গত বছর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার কারণে মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার দাবি তোলে পাকিস্তান। এমনকী, আগামী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাবও আলোচনায় উঠে আসে। রবিবার লাহোরে মুখোমুখি বসেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB), বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। সেখানে মূলত এই নিয়েই আলোচনা হয়। এরপর, সোমবার ঢাকায় এক বিবৃতিতে বিসিবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম (Aminul Islam) পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, মাঠে নামার অনুরোধ করেন। “ক্রিকেটের স্বার্থে পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ করছি।” আসলে পাকিস্তানের জন্য এটিই ছিল মুখরক্ষা করার পথ। কারণ পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) প্রকাশ্যে বলেছিলেন, ভারত ম্যাচ বয়কট করবে পাকিস্তান। তাই আমিনুলের চিঠি পাকিস্তানের অবস্থান বদলের আড়াল তৈরি করল, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের। শেষমেশ বহুপাক্ষিক চাপেই পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পাল্টাল।

    পাকিস্তানের ভয়

    পাকিস্তান এমনিতেই আত্মসমর্পণ করত, তবে বলা হচ্ছে—বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বোঝানোর পরই পাকিস্তান সরকার বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে। যদিও আসলে ভয় পেয়েছিল পাকিস্তান। আইসিসির কঠোর শাস্তির আশঙ্কা করেছিল পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একঘরে হয়ে পড়ার ভয় ছিল তাদের মধ্যে। ভারতের সঙ্গে না খেললে বড় রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা করছিল পিসিবি। বিশ্বকাপের মতো বড় ইভেন্টে অনুপস্থিত থাকলে ভাবমূর্তি আরও খারাপ হতে পারত। তাই শেষ পর্যন্ত ইউ-টার্ন পাকিস্তানের।

  • India Rafale Jet Deal: ১১৪টি রাফাল কেনা নিয়ে বড় পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র! প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ছাড়পত্র চলতি সপ্তাহেই?

    India Rafale Jet Deal: ১১৪টি রাফাল কেনা নিয়ে বড় পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র! প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ছাড়পত্র চলতি সপ্তাহেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের কাছ থেকে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রকল্পে (India Rafale Jet Deal) বড় অগ্রগতি হতে চলেছে। চলতি মাসের ১৮ তারিখ এআই সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন ইমানুয়েল মাক্রঁ। ফরাসি প্রেসিডেন্টের এই সফরের আগেই প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ বা ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (DAC) এই প্রস্তাবে ‘অ্যাকসেপ্টেন্স অফ নেসেসিটি’ (AoN) অনুমোদন দিতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

    বায়ুসেনার স্কোয়াড্রন সংকট মেটানোর লক্ষ্যে…

    সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে চলতি সপ্তাহেই বৈঠকে বসছে ডিএসি (Defence Acquisition Council)। এই বৈঠকে প্রায় কয়েক লক্ষ কোটি টাকায় রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা হবে। এর আগে, গত মাসে প্রতিরক্ষা সচিবের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স প্রোকিওরমেন্ট বোর্ড প্রস্তাবটিকে অনুমোদন দিয়েছে, যার ফলে আনুষ্ঠানিক দরকষাকষির পথ আরও প্রশস্ত হয়েছে (India Rafale Jet Deal)। ডিএসি-র বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে, এটি ভারতের অন্যতম বৃহত্তম যুদ্ধবিমান ক্রয় চুক্তি হিসেবে গণ্য হবে। চুক্তির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) তীব্র স্কোয়াড্রন সংকটে ভুগছে। অনুমোদিত ৪২টি স্কোয়াড্রনের তুলনায় বর্তমানে তাদের হাতে রয়েছে মাত্র প্রায় ২৯টি স্কোয়াড্রন, যখন পশ্চিম ও উত্তর সীমান্তে চিন-পাকিস্তানের সামরিক হুমকির মাত্রা ক্রমশ বাড়ছে।

    ৮৮টি সিঙ্গল-সিট, ২৬টি টুইন-সিট রাফাল

    প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনা হবে (India Rafale Jet Deal)। এর মধ্যে ১৮টি এফ-৪ সংস্করণের রাফাল বিমান সরাসরি ‘ফ্লাই-অ্যাওয়ে’ অবস্থায় আমদানি করা হবে এবং বাকি ৯৬টি বিমান ভারতেই উৎপাদন করা হবে। এর মধ্যে, অন্তত শেষের ২৪টি সর্বাধুনিক এফ-৫ সংস্করণের রাফাল হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। মোট বহরের প্রায় ৮০ শতাংশ দেশীয়ভাবে তৈরি হওয়ার কথা, যেখানে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির আওতায় দেশীয় উপাদানের ব্যবহার ৬০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনা ৮৮টি সিঙ্গল-সিট এবং ২৬টি টুইন-সিট রাফাল যুদ্ধবিমান পাবে। দাসো অ্যাভিয়েশন (Dassault Aviation) এই যুদ্ধবিমানগুলির স্থানীয় উৎপাদন ও সংযোজনের জন্য ভারতের বেসরকারি খাতের সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে।

    বায়ুসেনার জন্য ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ রাফাল

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ হতে চলেছে রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি (India Rafale Jet Deal)। অত্যাধুনিক সেন্সর ও দীর্ঘপাল্লার আঘাত হানার ক্ষমতার জন্য এই বিমান ইতিমধ্যেই তার কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে। মিটিওর (Meteor) বিয়ন্ড-ভিজুয়াল-রেঞ্জ ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্ক্যাল্প (SCALP) ক্রুজ মিসাইলের মতো আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত এই প্ল্যাটফর্ম ভারতের আক্রমণ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়াবে। কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত সমন্বয় এবং ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চলের পরিবর্তিত ভূ-কৌশলগত পরিস্থিতির কারণেই এই চুক্তির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক সূত্র জানিয়েছে, “ডিএসি (Defence Acquisition Council) অনুমোদন দিলে তা পৌঁছবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটি বা ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS) বৈঠকে। সেখানে অনুমোদন পেয়ে গেলে প্রকল্পটি বিস্তারিত প্রযুক্তিগত ও বাণিজ্যিক আলোচনার পর্যায়ে প্রবেশ করবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই চুক্তির (India Rafale Jet Deal) চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারিত হবে।”

LinkedIn
Share