Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Rohini Acharya: পরিবার-দল ছেড়েছেন লালু কন্যা রোহিণী, দায়ী করেছেন রামিজকে! নেপথ্যে কোন রহস্য?

    Rohini Acharya: পরিবার-দল ছেড়েছেন লালু কন্যা রোহিণী, দায়ী করেছেন রামিজকে! নেপথ্যে কোন রহস্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) প্রধান লালু যাদবের কন্যা রোহিণী আচার্য (Rohini Acharya) শনিবার ঘোষণা করেছেন যে তিনি রামিজ নিয়ামতের জন্য রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছেন, সেই সঙ্গে ত্যাগ করেছেন তাঁর পরিবারকেও। বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের সম্মুখীন হয় আরজেডি। ২৪৩ সদস্যের বিধানসভায় মাত্র ২৫টি আসনে জয়ী হয়েছে লালুপ্রসাদ যাদবের এই দল। আর তারপর থেকেই লালুর পরিবারে শুরু হয়েছে কোন্দল। যদিও নির্বাচনের আগেই বড় ছেলে তেজ প্রতাপ পৃথক দল গড়ে বাড়ি ছেড়েছিলেন।

    লালু কন্যার অভিযোগ (Rohini Acharya)

    রোহিণী (Rohini Acharya) বলেন, “আমি রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছি। আমার (যাদব) পরিবারকেও অস্বীকার করছি। সঞ্জয় যাদব এবং রামিজ় (Rameez Nemat Khan) আমায় এটাই করতে বলেছিলেন। সব দায় আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। আমার কোনও পরিবার নেই। আপনাদের তেজস্বী যাদব, সঞ্জয় যাদব এবং রামিজ়কে জিজ্ঞাসা করা উচিত। তাঁরাই আমায় পরিবার থেকে তাড়িয়েছেন। ওঁরা কোনও দায়িত্ব নিতে চান না। সকলে জিজ্ঞাসা করছে, কেন এ ভাবে ধরাশায়ী হল আরজেডি? যখনই সঞ্জয় বা রামিজের কথা বলা হয়, তখনই বাড়ি থেকে বার করে দেওয়া হয়। করা হয় অপমানও।”

    এই রোহিণীই বাবা লালুপ্রসাদকে নিজের একটি কিডনি দিয়েছিলেন। তবে এদিন রোহিণী পরিবার ছাড়ার আগে আরও এক ব্যক্তির নাম নিয়েছিলেন। সেই নামটি হল রামিজ নেমাত খান। রোহিণীর অভিযোগের পর প্রশ্ন ওঠে, এই ব্যক্তিটি কে? যদিও এই নাম বিহারের সংবাদ মাধ্যমের রাজনীতিতে দেখা যায়নি। জানা গিয়েছে, রামিজ নেমাত খান রোহিণীর ভাই তেজস্বী যাদবের পুরানো বন্ধু। তাঁরা দলের একটি অংশ। উভয়ের বন্ধুত্ব ক্রিকেট মাঠ থেকে রাজনীতি পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে আরজেডি সূত্রে খবর, রামিজ তাঁর বন্ধু এবং দলের সোশ্যাল মিডিয়া এবং প্রচার কাজের তত্ত্বাবধান করতেন।

    কে রমিজ (Rameez Nemat Khan)?

    রামিজ নেমাত (Rameez Nemat Khan) খান ১৯৮৬ সালের নভেম্বরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বাবা নেমাতুল্লাহ খান জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। রমিজ মথুরা রোডের দিল্লি পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। জামিয়া থেকে বিএ, এমবিএ পাশ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি ভালোবাসতেন ক্রিকেট খেলতে। দিল্লি এবং ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন বয়সের দলের হয়েও খেলেছেন। ২০০৮-০৯ সালে তিনি ঝাড়খণ্ড অনূর্ধ্ব-২২ দলের অধিনায়কও ছিলেন। এই সময়ে, তেজস্বী যাদবের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, যা পরবর্তী কালে তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের সূচনা করেন। ২০১৬ সালে তিনি আরজেডিতে যোগ দেন এবং তখন থেকে তেজস্বী যাদবের দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

    সমাজবাদী পার্টিতে লড়াই করেছিলেন

    রামিজ (Rameez Nemat Khan) উত্তরপ্রদেশের বলরামপুর লোকসভা আসনের প্রাক্তন সাংসদ রিজওয়ান জহিরের জামাই। বর্তমানে তাঁর কেন্দ্র শ্রাবস্তী নামে পরিচিত। রমিজের শ্বশুর সমাজবাদী পার্টির টিকিটে এবং মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) টিকিটে দু’বার সাংসদ হয়েছিলেন। তিনি একবার নির্দল প্রার্থী হিসেবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। রিজওয়ান এক সময় উত্তরপ্রদেশের সবচেয়ে কম বয়সী বিধায়কও ছিলেন। রামিজের স্ত্রী জেবা রিজওয়ান তুলসীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও দু’বার হেরে গিয়েছিলেন তিনি। একবার কংগ্রেসের টিকিটে এবং আর একবার জেলে থাকাকালীন নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন।

    ফিরোজ পাপ্পুর হত্যা মামলায় জড়িত

    ২০২১ সালে তুলসীপুরে জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সন্ত্রাসে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত রামিজ (Rameez Nemat Khan)। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। কংগ্রেস নেতা দীপঙ্কর সিং এবং তাঁর অনুগামীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রয়েছে মারধরের অভিযোগও। ২০২২ সালে, তুলসীপুর নগর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সভাপতি ফিরোজ পাপ্পু হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে রমিজ, তাঁর স্ত্রী, শ্বশুর রিজওয়ান এবং আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রমিজ এখন বেশ কয়েকটি মামলায় জামিন পেয়েছেন, কিছু মামলা এখনও বিচারাধীন। বলরামপুরে তাঁর বিরুদ্ধে নটি এবং কৌশাম্বিতে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

    সুপ্রিম কোর্টে আবেদনের পর কিছুটা স্বস্তিতে

    রামিজের (Rameez Nemat Khan) বিরুদ্ধে আরও যে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, ২০২৩ সালে প্রতাপগড়ের ঠিকাদার শাকিল খানকে হত্যার মামলাও। কুশীনগরে রেললাইনের কাছে মৃতদেহটি পাওয়া গিয়েছিল। ঠিকাদারের স্ত্রীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত হন রমিজ। আবার ওই বছরই উত্তরপ্রদেশ সরকার রামিজের নামে কেনা প্রায় ৪.৭৫ কোটি টাকার জমি বাজেয়াপ্ত করে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তাকে গ্যাংস্টার আইনে গ্রেফতার করা হলেও, পরে জামিন পান। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ আদেশের পর থেকে রমিজ দম্পতি আরও অনেক মামলায় স্বস্তি পেয়েছেন। ফলে তাঁদের বিরুদ্ধে এরপর থেকে আর কোনও নতুন মামলা দায়ের হয়নি।

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে হুন্ডাই আই ২০ গাড়ির অভিযুক্ত চালক ২০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন!

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে হুন্ডাই আই ২০ গাড়ির অভিযুক্ত চালক ২০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) পেছনে থাকা হুন্ডাই আই-২০ গাড়ির (i20 Driver) চালককে এই নাশকতা মূলক কাজের জন্য ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ওমর মহম্মদ ওরফে উমর নবী হরিয়ানার নুহের একটি বাজার থেকে নগদ অর্থ দিয়ে প্রচুর পরিমাণে সারও কিনেছিল। বিপুল পরিমাণে সারের টাকা এই জঙ্গি কার্যকলাপের জন্যই সে পেয়েছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার অনুমান। উল্লেখ্য, গত সোমবার দিল্লির লালকেল্লার সামনে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    গাড়ি পার্কিংয়ের ভিডিও (Delhi Blast)

    তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতিমধ্যেই হরিয়ানার বেশ কয়েকজন হাওয়ালা ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। গত ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে একটি পার্কিং লটে গাড়ি বিস্ফোরণ (Delhi Blast) ঘটে। আত্মঘাতী ওই জঙ্গি হামলায় নিহত হওয়ার পাশাপাশি জখমও হন অনেকে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় আশপাশের গাড়ি এবং বাড়িতেও। বিকট আওয়াজে আশপাশের প্রচুর মানুষ ছুটে আসেন। এলাকায় ছড়ায় আতঙ্ক। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়িও করতে দেখা যায় অনেককে। বিস্ফোরক ভর্তি ওই গাড়িটি (i20 Driver) ওই পার্কিং প্লেসে ঘণ্টা দুয়েক ধরে দাঁড়িয়ে ছিল। ওই পার্কিং লটে থাকা অন্য গাড়িগুলির যাবতীয় বিবরণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও তদন্ত সংস্থা সূত্রে খবর।

    ১৯৮৯ সালে পুলওয়ামায় জন্ম অভিযুক্তের

    জৈশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে জড়িত একটি হোয়াইট কলার জঙ্গি মডিউলের পর্দা ফাঁস করার সঙ্গে সঙ্গে তিন চিকিৎসককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে বিস্ফোরণের ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, জঙ্গিদের এই মডিউলের জাল বিস্তৃত কাশ্মীর, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশেও।

    জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত উমর ১৯৮৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জন্মেছিল। সে ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ছিল। তার সম্পর্কে বিশদে জানতে চলছে তদন্ত। তদন্তকারী অফিসাররা জনিয়েছেন, লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ভেতর থেকে সিসিটিভি ফুটেজও পাওয়া গিয়েছে। ফলে বাইরের ট্রাফিক সিগন্যালে বিস্ফোরণের (Delhi Blast) ঠিক আগে এবং পরের মুহূর্তগুলির ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গাড়িচালক হিসেবে অভিযুক্ত উমরের ছবিও দেখা গিয়েছে। গাড়িটি পার্ক করার সময় সে কারও সঙ্গে দেখা করেছিল কিনা বা কথা বলেছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্ত সন্দেহে প্রাক্তন এক চিকিৎসককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। কলেজ থেকে ৩৬০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং জাতীয় মূল্যায়ন স্বীকৃতি কাউন্সিল (এনএএসি) নিয়ম ভাঙার জন্য ক্রাইম ব্রাঞ্চকে দুটি করে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে।

  • Daily Horoscope 16 November 2025: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 16 November 2025: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) যে কোনও কাজে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় সহকর্মীর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    বৃষ

    ১) স্ত্রীর কারণে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কর্কট

    ১) শত্রুভয় কাটাতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে আরও বেশি।

    সিংহ

    ১) কাজের ব্যাপারে দুশ্চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ক্ষেত্রে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ ঘটতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে পারবে না।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    তুলা

    ১) আর্থিক টানাটানির যোগ।

    ২) কর্মস্থলে পদন্নোতির যোগ রয়েছে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভাল হবে।

    ২) ভ্রমণে গেলে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সতর্কতা অবলম্বন করুন সব কাজে।

    ধনু

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের উপদেশে কর্মে উন্নতি।

    ৩) অলসতা ত্যাগ করুন।

    মকর

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও দারুণ অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় শুভ ইঙ্গিত।

    ৩) বড়দের কথা মেনে চলুন।

    মীন

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভপ্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে একটু কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • India vs South Africa:  সব ছাপিয়ে প্রশ্নের মুখে ইডেনের ২২ গজ, রবিতেই শেষ ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ?

    India vs South Africa: সব ছাপিয়ে প্রশ্নের মুখে ইডেনের ২২ গজ, রবিতেই শেষ ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডেন টেস্ট শুরু হওয়ার আগে থেকেই পিচ নিয়ে প্রচুর জল্পনা হয়েছে। খেলা শুরু হতেই পিচ নিয়ে সমালোচনা তুঙ্গে উঠল। ম্যাচের যা পরিস্থিতি, তাতে রবিবার তৃতীয় দিনেই শেষ হয়ে যেতে পারে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম টেস্ট। ইডেন গার্ডেন্সের ২২ গজে ব্যাটারদের ‘অসহায়তা’ প্রশ্ন তুলে দিয়েছে পিচের মান নিয়ে। অনিল কুম্বলে, চেতেশ্বর পুজারাদের মতো বিশেষজ্ঞেরা বিরক্ত। ম্যাচের প্রথম দিনের খেলার পরই পিচের সমালোচনা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং কোচ। দু’দিনে পড়ল ২৬ উইকেট, সর্বোচ্চ রান ৩৯।

    ইডেনের পিচ নিয়ে বিরক্ত প্রাক্তনরা

    ইডেনের পিচ প্রস্তুতকারক সুজন মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, তিনি এমন উইকেট তৈরি করেছেন, যেখানে খেলা পাঁচ দিনই গড়াবে। কিন্তু ম্যাচ বলছে অন্য কথা। সুজন দাবি করেছিলেন, স্পোর্টিং উইকেট তৈরি করেছেন। ব্যাটার-বোলার সকলেই কিছু না কিছু সাহায্য পাবেন। দর্শকেরা উপভোগ্য টেস্ট ক্রিকেট দেখতে পাবেন চার-পাঁচ দিন ধরে। যদিও খেলার গতিপ্রকৃতি তা বলছে না। অসমান বাউন্স থাকা পিচকে বিপজ্জনক বললেন পুজারা। শনিবার চা বিরতির সময় পিচ নিয়ে আলোচনার সময় কিছুটা বিরক্ত মনে হল ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটারকে। তিনি বলেছেন, ‘‘এই পিচ ব্যাটারদের সাহায্য করছে না। আউটগুলো দেখলেই ব্যাটারদের অসহায়তা বোঝা যাবে। তাদের বিশেষ কিছু করার থাকছে না। বল কোন উচ্চতায় আসবে বোঝা যাচ্ছে না। কোনও বল লাফিয়ে উঠছে। আবার কোনওটা নেমে যাচ্ছে। পিচে বেশ কিছু ছোট ফাটল তৈরি হয়েছে। বল পড়ে প্রত্যাশার থেকে বেশি ঘুরছে।’’

    পিচ নিয়ে বিরক্তি দু’শিবিরেই

    পিচ নিয়ে বিরক্তি রয়েছে দু’শিবিরেই। প্রথম দিন চা বিরতির পর থেকেই ধুলো উড়তে শুরু করেছিল ইডেনের পিচে। দ্বিতীয় দিন সকাল থেকেই ফাটল দেখা গিয়েছে। অসমান বাউন্সের সমস্যা তো রয়েছেই। খুশি নন কুম্বলেও। শনিবার বুমরার হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা একটা বলে জোর বেঁচে যান দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার রায়ান রিকেলটন। বড় আঘাত পেতে পারতেন তিনি। তা দেখে কুম্বলে বলেন, ‘‘পিচ কেমন আচরণ করবে বোঝাই যাচ্ছে না। এমন পিচ প্রত্যাশিত নয়। ভারতকে এখানে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে হবে। আমার তো মনে হচ্ছে তৃতীয় ইনিংসে ব্যাট করাই কঠিন হবে বেশ। জয়ের লক্ষ্য ১৪০-১৫০ রানের বেশি হলে ভারতীয় দলকেও সমস্যায় পড়তে হতে পারে।’’

    ইডেনের পিচে সমস্যায় ব্যাটাররা

    ঘরের মাঠে ভারতীয় দল কোনও সুবিধা পাচ্ছে না। ইডেন টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার ১৫৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৮৯ রানেই অলআউট হয়ে গেল ভারতীয় দল। গতকাল টেস্টের প্রথম দিনে বল হাতে জাদু দেখিয়েছিলেন জসপ্রীত বুমরা। আর শনিবার বল হাতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করলেন সাইমন হার্মার। তিনি মাত্র ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে সুবিধা করতে পারছেন না প্রোটিয়া ব্যাটারেরাও। জাডেজা, কুলদীপ, অক্ষরেরা বল ঘোরাচ্ছেন। বাউন্সও পাচ্ছেন! বল পিচে পড়ার পর কেমন আচরণ করবে বোঝা যাচ্ছে না। বাভুমা ছাড়া কেউ লড়াই করতে পারলেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক দিনের শেষে অপরাজিত রয়েছেন ২৯ রানে। ৭৮ বলের ইনিংসে প্রমাণ করে দিলেন তাঁর রক্ষণ কতটা মজবুত।

    দায় এড়াতে পারবেন না সৌরভও

    দ্বিতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে ৬৩ রানে। তাদের হাতে রয়েছে ৩ উইকেট। বাভুমারা সুবিধাজনক জায়গায় নেই ঠিকই। কিন্তু চতুর্থ ইনিংসে এই রানটা তোলাও কঠিন হতে পারে। শুভমন ব্যাট করতে না পারলে আরও কঠিন। স্বাভাবিক ভাবেই পিচের মান নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে সিএবিকে। নিশ্চিত ভাবে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (ICC)। সিএবি-র সভাপতি হিসেবে দায় এড়াতে পারবেন না সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও। এখন একমাত্র ভারতের জয়ই ইডেনের মান বাঁচাতে পারে।

  • Bihar Election Results: “মানুষ উন্নয়ন, সুশাসন এবং জাতীয়তাবাদের পক্ষে ভোট দিয়েছে”, বললেন অলোক কুমার

    Bihar Election Results: “মানুষ উন্নয়ন, সুশাসন এবং জাতীয়তাবাদের পক্ষে ভোট দিয়েছে”, বললেন অলোক কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষ উন্নয়ন, সুশাসন এবং জাতীয়তাবাদের পক্ষে ভোট দিয়েছে। বিহার নির্বাচনের ফল (Bihar Election Results) ঘোষণার পর এমনই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্বহিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সভাপতি অলোক কুমার। বিহারবাসীর জোরালো জনাদেশে দেশবাসীর কাছে নয়া বার্তা পৌঁছে গিয়েছে বলে মনে করেন হিন্দু সংগঠনের (VHP) এই নেতা। তিনি বলেন, “মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির চির সমাপ্তি ঘটবে।”

    তোষণের ভেটো ক্ষমতা কমে এসেছে (Bihar Election Results)

    বিহারের নির্বাচন (Bihar Election Results) দেশের রাজনীতিতে মুসলিম তোষণ এবং ভোট অঙ্কের রাজনীতির ভাবনা বদলে দেবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) আন্তর্জাতিক সভাপতি আলোক কুমার বলেন, “সংখ্যালঘুদের ভয় দেখানো এবং মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কের প্রথাগত রাজনীতির ধারা আর চলবে না। তোষণের রাজনীতি করে মহাজোট দেশের অভ্যন্তরে ভয়ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছিল। মহারাষ্ট্র থেকে বিহার নির্বাচনের পর্যায় এবং ফল লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ভোট ব্যাঙ্কের ভেটো ক্ষমতা অনেকটাই কমে এসেছে। ভারতীয় রাজনীতিতে এই ভাবনার ক্রমপরিণতি অত্যন্ত শুভ লক্ষণ। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ভাবনার পূর্ণ সমর্থক।”

    এনডিএজোটের দ্বিতীয়বার ২০০ পার 

    বিহার নির্বাচনে (Bihar Election Results) মহাজোটের শরিক আরজেডি, কংগ্রেস ব্যাপক ভাবে ভরাডুবির শিকার হয়েছে। একই ভাবে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টিও খুব খারাপ ফল করেছে। তিনি অবশ্য বলেছিলেন, যদি ২৫ সিটের বেশি না পাই তাহলে দল রাজনীতি ছেড়ে দেব। কিন্তু খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে পিকে-কে। এদিকে এনডিএ বিহারের ২৪৩টি আসনের মধ্যে ২০২টিতে জয়ী হয়েছে। এ নিয়ে এনডিএ দ্বিতীয়বারের জন্য ২০০ আসন অতিক্রম করতে পেরেছে। ২০১০ সালে এনডিএ জয়ী হয়েছিল ২০৬টি আসনে। তবে বিজেপি এককভাবে ৮৯টি আসন এবং জেডিইউ ৮৫টি আসন পেয়েছে। লোকজনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) পেয়েছে ১৯টি, হিন্দুস্তানি আওম মোর্চা ৫টি এবং জাতীয় লোক মোর্চা ৪টি পেয়েছে। আর মহাজোটের শরিক আরজেডি পেয়েছে ২৫টি, সিপিআই (এল)- সিপিআই এমএল ২টি, ইন্ডিয়ান ইনকসুসিভ পার্টি-ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ১টি,  সিপি আই এম (এম) ১টি আসন। এআইএমআইএম ৫টি এবং বহুজন সমাজবাদী পার্টি ১টি আসনে জয়ী হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: “অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ”, লাড্ডু বিলি করে ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ”, লাড্ডু বিলি করে ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার জয়ের পর থেকেই বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বে এখন ব্যাপক উন্মাদনা। অঙ্গ অর্থাৎ বিহার, কলিঙ্গ অর্থাৎ ওড়িশা জয়ের পর এবার লক্ষ্য বাংলা। বিহারের নির্বাচনী ফল ঘোষণার পরেই বিধানসভায় গেরুয়া আবির খেলে রীতিমতো লাড্ডু খেয়ে বিজয় উল্লাস প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বছর ঘুরলেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপির জয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদারও। তাই এখন থেকেই বিহারের জয়কে সমানে রেখে বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূলকে হারানোর অঙ্গীকার নিতে শুরু করেছে বিজেপি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এদিন জয়ের উল্লাস প্রকাশ করে বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথম নির্বাচন হয়েছে বিহারে। মানুষ দেশকে শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপর আস্থা রাখতে শুরু করেছেন। বিহারের মানুষ নীতীশ কুমারের উপর আস্থা রেখেছেন।”

    গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের জয় (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিহার জয়ের প্রেক্ষিতে বলেন, “বিহার-বাংলা ১৯০৫ সালের আগে একই ছিল। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ এক ছিল। অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ। বিভিন্ন মণ্ডলে মণ্ডলে যেন এই জয় উৎসবের মতো পালন করা হবে।” একই ভাবে আবার নিজের এক্স হ্যান্ডল থেকে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুভেন্দু লিখেছেন, “বিহারে এনডিএ-এর ঐতিহাসিক জয়। গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের জয় হয়েছে। বিহারের জনগণ স্পষ্টতার সঙ্গে কথা বলেছেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটকে অভূতপূর্ব জনাদেশ প্রদান করেছে। আমাদের এই গৌরবময় বিজয়ের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর নির্দেশনায় জনকল্যাণ, পরিকাঠামোর উন্নয়নের প্রতি জোর দিয়েছেন। তাঁর দূরদর্শীতাকে আমরা শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই।”

    পদ্ম ফুটবে বাংলায়

    বিহার নির্বাচনে এনডিএ সরকারের বিরাট সাফল্যের জন্য কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের স্বচ্ছ কাজকেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একমাত্র কারণ বলে মনে করছেন। সুশাসন, স্থিতিশীল সরকার, উন্নয়ন মূলক প্রকল্প, ভোটার তালিকা সংশোধন সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এনডিএ সরকারকে আরও একবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছে। অপর দিকে আরজেডি-কংগ্রেস তোষণনীতিকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়ায় ভরাডুবি হয়েছে। তবে গত ২০২৪ সালের লোকসভার সময় ওড়িশা বিধানসভায় নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। বিহারে এইবার বিজেপি একক ভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। ফলে থাকল বাংলা। বাংলাতেও দ্রুত পদ্ম ফুটবে বলে আশাবাদী বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিহারে হিংসা হয়নি

    বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বিহারের জয়কে বাংলার প্রেক্ষিতে দেখে বঙ্গে বিজেপির জয় নিয়ে বিরাট আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “অঙ্গ রাজ্যের অবস্থান ছিল বর্তমান বিহারের পুর্বাঞ্চল থেকে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এক এলাকা। বিহার নির্বাচন ২০২৫ সালে বিপুল জয় এনে দেখিয়েছে এনডিএ। অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ বিজেপি দখল করে নেবে। কলিঙ্গ, অঙ্গে চলে এসেছে এবার বঙ্গের পালা। বিহার স্পষ্ট প্রমাণ করেছে ভারতের মানুষ জঙ্গলরাজ এবং সুশাসন বলতে ঠিক কি বোঝেন। মানুষ ভোট দিয়ে বুঝিয়েছে এই জঙ্গলরাজ সরকার আর কোনও দিন আসবে না। বিহারে জঙ্গলরাজ শেষ হয়েছে। এবার বাংলার জঙ্গলরাজ শেষ হবে। বিহারে দেখা গিয়েছে গণতন্ত্র কেমন হয়, কোন হিংসার ঘটনা ঘটেনি, এবার বাংলার জঙ্গলরাজ শেষ করবে বিজেপি।”

    ২০২৬ সালের নির্বাচন কতটা ভয় মুক্ত?

    বাংলা জয় নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, “বিহার জয়ের পর এবার বাংলা টার্গেট। বিহার আমাদের জয় হেবেই। বাংলায় দিদির পরাজয় পরবর্তী পালা। বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের তারাতে পারলেই অনুপ্রবেশকারীমুক্ত হবে। আর তা হলেই বাংলা জয় নিশ্চিত। লালু নিজেই সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ। ওঁর পরিবার সব থেকে বেশি লাভবান হয়েছে। মহিলাদের জন্য নরেন্দ্র মোদি এবং নিতীশ কুমার লাখপতি দিদি-র মতো প্রকল্প এনেছেন।”

    তবে বাংলার নির্বাচনে শাসক বিরোধী রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনা গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেমন মারাত্মক ছিল একইভাবে গত পঞ্চায়েত এবং লোকসভাতেও উল্লেখ যোগ্যভাবে ছিল। তৃণমূলের হাতে প্রচুর বিরোধী নেতা-কর্মীরা নিহত হয়েছিলেন। পাশাপাশি এইবারে বিহারের নির্বাচনে হিংসার নমুনা নেই বললেই চলে। ফলে আগামী দিনে বঙ্গ রাজনীতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা কোন মাত্রায় প্রবাহিত হয় তাও দেখার বিষয়।

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় উত্তর দিনাজপুর থেকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় উত্তর দিনাজপুর থেকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লার সমানে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) এবার বাংলা যোগ আরও স্পষ্ট হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) সূর্যাপুর বাজার এলাকা থেকে এনআইএ গ্রেফতার করেছে এক ডাক্তারি পড়ুয়াকে। তাঁর নাম যাহ নিশার আলম। তিনি হারিয়ানার আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালায়ের এমবিবিএসের ছাত্র। শুক্রবার ভোরে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ টিম সুর্যাপুর বাজার চত্বর থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য এই বিস্ফোরণ মামলায় জঙ্গি সংগঠনের তরফে চিকিৎসকদের একটা বড় গ্রুপকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

    লুধিয়ানার তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগ নিশারের (Delhi Blast)!

    দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ড (Delhi Blast) ধৃত নিশার আলমের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যাহ নিশার আলমের আদি বাড়ি লুধিয়ানায় হলেও তাঁর পৈতৃক বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা থানার অধীনে কোনাল গ্রামে। তাঁর বাবা তৌহিদ আলম কর্মসূত্রে কয়েক দশক আগে লুধিয়ানায় গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তবে কোনাল গ্রামের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। দুই একদিন আগে পারিবারিক একটি বিয়েতে যাহ নিশার তাঁর মা ও বোনকে নিয়ে কোনাল গ্রামে এসেছিলেন। এবার এই কাজে এসেই কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার জালে ধরা পড়েছে অভিযুক্ত নিশার। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে প্রথম লুধিয়ানার তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেখান থেকেই জানা যায়, নিশার বর্তমানে উত্তর দিনাজপুরের বাড়িতে রয়েছে। এরপর তদন্তকারী অফিসাররা দ্রুত উত্তরবঙ্গে আসে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতেই সুর্যাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। শুক্রবার ভোরে নেমেই নিশারের বাড়িতে অভিযান চালায় তদন্তকারী অফিসাররা।

    হতবাক পরিবার

    পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে নিশারের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে লোকেশন ট্র্যাক করা হয়। এরপর মোবাইলের লোকেশন সূর্যাপুর বাজারের লোকেশন স্থির করা হয়। তারপর সেখানে পৌঁছায় তদন্তকারী দল এবং এরপর নিশারকে পাকড়াও করে নিয়ে আসা হয় ইসলামপুর (Uttar Dinajpur) থানায়। পরে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য শিলিগুড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে পরিবার ছেলের কাণ্ডে সম্পূর্ণ ভাবে হতবাক। নিশারের কাকা আবুল কাশেম বলেন, “ভাইপোকে আমরা খুবই শান্ত-স্বভাব ও ভদ্র ছেলে হিসেবে চিনি। সে পড়াশোনা ছাড়া কোনও বিষয়ে মাথা ঘামায় না।” গ্রামের বাসিন্দারাও জানিয়েছেন নিশার অত্যন্ত ভদ্র এবং শিক্ষিত পরিবারের ছেলে। এত বড় ঘটনার সঙ্গে তার নাম কীভাবে জড়িয়েছে তা ভেবেই হয়রান।

  • Maithili Thakur: মৈথিলী ম্যাজিকে মাত! সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক, তাঁর হাত ধরেই আলিনগরে প্রথমবার জয়ী বিজেপি

    Maithili Thakur: মৈথিলী ম্যাজিকে মাত! সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক, তাঁর হাত ধরেই আলিনগরে প্রথমবার জয়ী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৈথিলী ম্যাজিকে বুঁদ হয়ে রয়েছে আলিনগর। প্রথম বার ভোটে দাঁড়িয়েই জিতলেন বিহারের সঙ্গীতশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর (Maithili Thakur)। তাঁর হাত ধরে আলিনগর কেন্দ্রে প্রথমবার জয়ী হল বিজেপি। ১১ হাজারেও বেশি ভোটে আরজেডি প্রার্থীকে হারিয়েছেন তরুণী গায়িকা। মাত্র ছ’বছর বয়সেই গানের তালিম শুরু করেছিলেন মৈথিলী ঠাকুর। তারপর বিহারের ঐতিহ্যবাহী পল্লিগীতি, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত থেকে শুরু করে হারমোনিয়াম ও তবলা বাজানোতেও অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন মধুবনীর এই শিল্পী। এবার রাজনীতিতে ঢুকে প্রথম প্রতিযোগিতাতেই নজর কাড়লেন তিনি। শুধু বিহার নয়, বর্তমানে দেশের সর্বকনিষ্ঠ বিধায়কও মৈথিলি ঠাকুর। ২০০০ সালের ২৫ জুলাই জন্ম মৈথিলির। তিনি দেশের প্রথম জেন জি বিধায়ক।

    মৈথিলী ম্যাজিক আলিনগরে

    মুসলিম ভোটের দৌলতে ২০০৮ সাল থেকেই আলিনগর কেন্দ্রে মহাগঠবন্ধন জয় পেয়ে এসেছে। এবার সেই আসনে জয় পেল বিজেপি। আর সেটা উচ্চবর্গীয় ঠাকুর সম্প্রদায়ের মৈথিলীর হাত ধরেই। মৈথিলীকে নিয়ে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। দেশে-বিদেশে নানা অনুষ্ঠানের ডাক তো বটেই, একইসঙ্গে ফেসবুক-ইউটিউবে তাঁর চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার লক্ষ ছাড়িয়েছে। এহেন এক জনপ্রিয় শিল্পীকে ভোটের লড়াইয়ে নামিয়ে বিজেপি যে কোনও ভুল করেনি সেটাই প্রমাণিত হল। লোকসঙ্গীতের পরিচিত মুখ মৈথিলী ঠাকুর যখন রাজনীতিতে নামেন, তখন অনেকেই তাঁকে ‘নতুন মুখ’ হিসেবে দেখেছিলেন। কিন্তু ফলিত ভোটের ধারা বলছে অন্য গল্প। তিনি ২০২৫ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন এবং আরজেডি–র প্রবীণ নেতা বিনোদ মিশ্রকে ১২ হাজারেও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন। তিনিই বিহারের সবচেয়ে কম বয়সি বিধায়ক।

    মৈথিলীর বড় হওয়া

    ২৫ জুলাই ২০০০ সালে বিহারের মধুবনীতে জন্ম মৈথিলীর, সঙ্গীত-সমৃদ্ধ পরিবারে বড় হয়ে ওঠা। বাবা ও দাদুর কাছে শেখা শাস্ত্রীয় ও লোকসঙ্গীত। মাত্র ১১ বছর বয়সে সা রে গা মা পা জুনিয়র প্রতিযোগিতা ও ১৫ বছর বয়সে ইন্ডিয়ান আইডলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথম নজর কাড়েন মৈথিলী। এবার রাজনীতির ময়দানেও তিনি নজর কাড়লেন। ছেলেবেলায় তাঁকে নিয়ে সঙ্গীতের ভালো তালিমের জন্য পরিবার দিল্লির দ্বারকায় চলে গিয়েছিল। ২০১৭ সালের টিভি রিয়্যালিটি শো ‘রাইজিং স্টার’-এ রানার-আপ হয়ে মৈথিলী পরিচিতি পান। ২০১৯ সালে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে এবং তাঁর ভাইকে মধুবনীর অ্যাম্বাসাডরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে তিনি আগেই অটল মিথিলা সম্মান পুরস্কার পেয়েছেন। ২০২১ সালে তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে তাঁকে লোকমাত সুর জ্যোৎস্না জাতীয় সংগীত পুরস্কার দেওয়া হয়। বিধায়ক হয়ে এবার তাঁর লক্ষ্য মধুবনী শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

    গানে গানে উদযাপন

    বিহারে (Bihar Election Result) সুনামি এসেছে। গেরুয়া সুনামি। আরও শক্তি বাড়িয়ে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি-জেডিইউ জোট। আর সেই পালে ভর দিয়েই প্রথমবার জিতলেন মৈথিলী। সঙ্গীত জীবনে একাধিক মাইলফলক স্পর্শ করার পর মৈথিলী ঠাকুর এবার রাজনৈতিক অঙ্গনে এক প্রতিশ্রুতিময় পথচলার দিকে এগোচ্ছেন। ভোটের ময়দানে তিনি নবজাতক। জয়ের পর মৈথিলী বলেন,  ‘এটা স্বপ্নের মতো। আমার কাছ থেকে মানুষের অনেক প্রত্যাশা আছে। বিধায়ক হিসাবে এটি আমার প্রথম মেয়াদ হবে এবং আমি আমার নির্বাচনী এলাকার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আমি আমার এলাকাবাসীর ঘরের মেয়ে হয়ে তাঁদের সেবা করব। আমি এই মুহূর্তে শুধু আলিনগরকেই দেখতে পাচ্ছি এবং কীভাবে সেখানে কাজ করব সেই ভাবনাচিন্তা করছি’।  মৈথিলী নিজে গায়িকা। ভজন গান। তাই গানে গানে এখন তাঁর জয় সেলিব্রেট করছে বিহার।

  • Kartik Puja 2025: রবিবার দেব সেনাপতির পুজো! কেন নবদম্পতির বাড়িতে কার্তিক ঠাকুর ফেলা হয় জানেন?

    Kartik Puja 2025: রবিবার দেব সেনাপতির পুজো! কেন নবদম্পতির বাড়িতে কার্তিক ঠাকুর ফেলা হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো মেটার পর এবার বাঙালির বারো মাসের তেরো পার্বণের পরবর্তী উৎসব হল কার্তিক পুজো। ১৬ নভেম্বর শনিবার পালিত হতে চলেছে কার্তিক পুজো (Kartik Puja 2025)। প্রতি বছর কার্তিক সংক্রান্তি, অর্থাৎ কার্তিক মাসের শেষ দিনে পালিত হয় কার্তিক পুজো। আমাদের রাজ্যে হেমন্তকালের দেখা মেলে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য। এই হেমন্তকালে যে কয়েকটি উৎসব হয়, তার মধ্যে অন্যতম কার্তিক পুজো।

    কেন বাড়িতে কার্তিক ফেলা হয়?

    নবদম্পতির বাড়ির সামনে কার্তিক (Kartik Puja 2025) রেখে এসেছে, এমন বন্ধু আমাদের পরিচিত মহলে নিশ্চয়ই রয়েছে। স্বয়ং মহাদেব-পুত্র তাঁদের বাড়িতে এসেছেন বলে কথা! গৃহকর্তা বা কর্ত্রীকে তাই প্রচলিত নিয়ম মেনে পরপর চার বছর এই পুজো করতে হয়। কিন্তু বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুর কেন রাখা হয়? নিছক মজার উদ্দেশ্যেই নবদম্পতির বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুর রাখা হয় না। এর মধ্যে লোকাচার রয়েছে। কী সেই লোকাচার? তা হল, নবদম্পতির কোলে যেন কার্তিকের মতো পুত্র আসে। কিন্তু হঠাৎ কার্তিকের মতো পুত্রের আকাঙ্খাই কেন? পৌরাণিক মতে, মা দুর্গা এবং মহাদেবের পুত্র হলেন দেব সেনাপতি কার্তিক। এই পৌরাণিক দেবতা অত্যন্ত বীর ও সাহসী। তিনি সুদর্শন ও বলিষ্ঠ চেহারার অধিকারী।

    সাহসী, সুদর্শন পুত্রসন্তান লাভের আশা

    প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, দেব সেনাপতি কার্তিকের পুজো (Kartik Puja 2025) করলে পুত্রসন্তান লাভ হয়। তাঁর মতো সাহসী ও সুদর্শন সন্তান লাভ করতেই অনেক নববিবাহিত দম্পতি কার্তিক পুজো করে থাকেন। এই কারণে আমাদের রাজ্যে নববিবাহিত দম্পতির ঘরে লুকিয়ে লুকিয়ে কার্তিক ফেলে আসার প্রথা রয়েছে। পাড়ার বন্ধুবান্ধবরাই সাধারণত এই কাজ করে থাকেন। সেই কার্তিক তুলে এনে বাড়িতে পুজো করার রীতি রয়েছে। কার্তিকের আরাধনা করলে সাংসারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুফল পাওয়া যায় এবং আয় বৃদ্ধি হয়। কার্তিকের সঙ্গে বীরত্বের সম্পর্ক থাকার কারণে দেব সেনাপতির আরাধনায় যশ ও বল লাভ হয় বলে মনে করা হয়। দেব সেনাপতি কার্তিকের উপাসনা করলে মঙ্গল গ্রহের অশুভ প্রভাব কেটে যায় বলেও অনেকে মনে করেন। পশ্চিমবঙ্গে কার্তিক ঠাকুর চিরকুমার। দক্ষিণ ভারতে মুরুগান নামে কার্তিকের যে রূপের উপাসনা করা হয়, সেখানে তাঁর দুই স্ত্রী।

    বাংলায় কার্তিক পুজো বেশ জনপ্রিয়

    বাংলায় কার্তিক পুজো (Kartik Puja 2025) প্রায় সর্বত্রই হয়। এর মধ্যে হুগলির বাঁশবেড়িয়া এবং পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার কার্তিক পুজো ব্যাপক জনপ্রিয়। এই দুই জায়গায় কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে উৎসবে মাতেন লাখ লাখ মানুষ। সুসজ্জিত আলোর মালা, মণ্ডপসজ্জার কারুকার্য, বিভিন্ন হিন্দু দেব-দেবীদের বিশালাকার প্রতিমার সঙ্গে থাকে নানা রকমের বাজনা।

    ১৭৫০ নাগাদ ধুমধাম করে কাটোয়াতে কার্তিক পুজো শুরু

    চলতি বছরে কাটোয়ার একাধিক পুজোমণ্ডপে আগের দিন থেকেই প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিউ আপনজন, জনকল্যাণের মতো ক্লাবগুলিতে এবারও থিমের পুজো লক্ষ্য করা যাবে। কাটোয়ার কার্তিক পুজো রাজ্যজুড়ে জনপ্রিয় কার্তিক লড়াই নামে। ১৭৫০ নাগাদ ধুমধাম করে কাটোয়াতে কার্তিক পুজোর (Kartik Puja 2025) সূত্রপাত হয় বলে জানা যায়। অন্যদিকে বাঁশবেড়িয়াতেও কার্তিক পুজোর বেশ ধুমধাম চোখে পড়ছে। যেমন, চলতি বছরে ৪৮ বর্ষে পদার্পণ করছে বাঁশবেড়িয়ায় অনির্বাণের জামাই কার্তিক পুজো। বিগত বছরগুলিতে একের পর এক দারুণ থিম নিয়ে এসেছে এই অনির্বাণ। আর এবার তাদের থিম নয়া সংসদ ভবন।

  • Jammu Kashmir: লালকেল্লার বিস্ফোরক পরীক্ষা করতে গিয়েই জম্মু-কাশ্মীরের থানায় বিস্ফোরণ! নিহত ৯

    Jammu Kashmir: লালকেল্লার বিস্ফোরক পরীক্ষা করতে গিয়েই জম্মু-কাশ্মীরের থানায় বিস্ফোরণ! নিহত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা (Jammu Kashmir)! দিল্লিতে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের কয়েক দিন কয়েক যেতে না যেতেই এবার কাশ্মীরে বিস্ফোরণ! শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীরের নওগাঁও থানা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে ৷ আহত অন্তত ৩২ জন। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন ৷ তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে ৷ পুলিশ সূত্রের খবর, দিল্লির বিস্ফোরণের তদন্তে ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নিয়ে শুক্রবার রাতে থানায় পরীক্ষা চালাচ্ছিলেন ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির একটি বিশেষ দল। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে।

    কীভাবে ঘটল বিস্ফোরণ

    পুলিশ সূত্রে খবর, ফরিদাবাদ থেকে যে বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছিল দিন কয়েক আগে, সেই ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক এনে রাখা হয়েছিল নওগাঁও পুলিশ স্টেশনে, যেহেতু এই থানাতেই প্রথম এফআইআর দায়ের হয়েছিল। শুক্রবার রাতে যখন পুলিশ ও ফরেন্সিক টিম এই বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন, সেই সময়ে হঠাৎ ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে আশেপাশের বিল্ডিংগুলিও কেঁপে উঠল। থানা থেকে আগুনের শিখা ও কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। বিস্ফোরণের জেরে থানাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৩০০ ফুট দূরে ছিটকে যায় দেহাংশ। বিস্ফোরণের খবর পেয়েই আরও পুলিশ, দমকল ও অ্যাম্বুল্যান্স ছুটে আসে। আহতদের উদ্ধার করে নওগাঁও থানার ঘটনায় আহতদের ভারতীয় সেনার ৯২ বেস হাসপাতাল এবং শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসে ভর্তি করানো হয়েছে। সূত্রের খবর, মোট ৩২ জন আহত হয়েছেন। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহত ৯ জন। শ্রীনগরের পুলিশ কন্ট্রোল রুমে দেহগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    এলাকাটি ঘিরে রাখা হয়েছে

    পুলিশ দুটি বিষয় অনুমান করছে। এক, ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে যখন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সিল করা হচ্ছিল, সেখান থেকে কোনও কারণে বিস্ফোরণ হয়। দুই, এটাও সন্ত্রাসবাদী হামলা। বাজেয়াপ্ত করা একটি গাড়িতে আইইডি বিস্ফোরক লাগানো ছিল। ইতিমধ্যেই জইশ-ই-মহম্মদের ছায়া সংগঠন প্যাফ (PAFF) এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। তবে পুলিশ গোটা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে। বিস্ফোরণের পরই গোটা চত্বর সিল করে দেওয়া হয়েছে। আনা হয়েছে স্নিফার ডগ। থানার অন্দরভাগে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে বিস্ফোরক সামগ্রী, ভেঙে পড়ে দেওয়ালের অংশ পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকেরা। প্রসঙ্গত, এই ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছিল ফরিদাবাদের ডঃ মুজাম্মিল শাকিলের ভাড়া নেওয়া বাড়ি থেকে। মুজাম্মিল আল ফালাহ্ মেডিক্যাল কলেজে কর্মরত ছিল। তার সঙ্গে ডঃ শাহিন শাহিদ ও ডঃ উমর নবির যোগাযোগ ছিল। এরাও আল ফালাহ মেডিক্যাল কলেজেই কর্মরত ছিল। সকলেই জইশের হোয়াইট কলার জঙ্গি মডিউলের সদস্য বলে অনুমান।

    নওগাঁও থানাই প্রথম খুঁজে বার করে ফরিদাবাদ ‘টেরর মডিউল’

    দিল্লির বিস্ফোরণের (Delhi Blast) সঙ্গে যে জঙ্গি-যোগ পাওয়া গিয়েছে, নওগাঁও থানার পুলিশই তা প্রথম খুঁজে বার করে। শ্রীনগরের রাস্তায় এক চিকিৎসককে জইশ-ই-মহম্মদের সমর্থনে পোস্টার সাঁটতে দেখা গিয়েছিল। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ঘেঁটে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁর লকার থেকে উদ্ধার হয় একটি অ্যাসল্ট রাইফেলও। সেই চিকিৎসক আদিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ফরিদাবাদে মজুত বিস্ফোরকের সন্ধান পান তদন্তকারীরা। জানা যায়, উচ্চশিক্ষিত, পেশাদার তরুণ, ডাক্তার সহ একাধিক টেরর ডাক্তারদের কথা। তাঁদের পাকিস্তান সহ বিভিন্ন বিদেশি জঙ্গি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বলে দাবি পুলিশের।

    হোয়াইট কলার টেরর নেটওয়ার্ক

    সোমবার ফরিদাবাদের অভিযানে জইশ এবং আনসার গজওয়াতুল হিন্দের বড় চক্র গুঁড়িয়ে দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। ধরা পড়ে পুলওয়ামার চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিল ওরফে মুসাইব-সহ কয়েক জন। তদন্তকারীদের মতে, এরা সকলেই উত্তর ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সক্রিয় ‘হোয়াইট কলার জঙ্গি নেটওয়ার্ক’-এর সদস্য—যারা আর্থিক সংগ্রহ, রিক্রুটমেন্ট এবং সন্ত্রাস-পরিকল্পনার মুখ্য দায়িত্বে ছিল। সূত্রের খবর, ফরিদাবাদ মডিউলের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য—চিকিৎসক মুজফ্‌ফর রাথর—এখনও অধরা। তাঁর বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। অন্যদিকে, লালকেল্লা বিস্ফোরণের তদন্তে শুক্রবার ভোররাত থেকেই উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত ২১টি ডিজিটাল ডিভাইস—মোবাইল, ল্যাপটপ-সহ—ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে সিআইকে-র বিভিন্ন দফতরে।

LinkedIn
Share