Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Snoring: ঘুমের পরেই নাক ডাকার আওয়াজে হিমশিম! কোনও রোগের ইঙ্গিত কি?

    Snoring: ঘুমের পরেই নাক ডাকার আওয়াজে হিমশিম! কোনও রোগের ইঙ্গিত কি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দুপুরের ভুরিভোজের পরের স্বল্প সময়ের সুখ নিদ্রায় হোক কিংবা দিনভরের ক্লান্ত শরীরে রাতের বিছানায় গভীর ঘুমে, ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে নিজের নাক! এমন নাকের ডাক, যে বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের তো বটেই, নিজের ঘুম ও অনেক সময় ভেঙে যাচ্ছে। নাক ডাকার বিচিত্র অদ্ভুত আওয়াজ নিয়ে রসিকতা ও করছেন পরিবার। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিছক মজার বিষয় মনে হলেও ব্যাপারটা আসলে খুবই গুরুতর। স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বিগ্ন হওয়ার মতোই একটি সমস্যা। তাই পরিবারের কেউ মারাত্মক নাক ডাকলে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন নাক ডাকার সমস্যা হয়?

    স্থূলতার সমস্যা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নাক ডাকার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত ওজন। দেহের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে ঘুমের সময় নাক দিয়ে আওয়াজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন বেড়ে যাওয়ার অর্থ শরীরে অতিরিক্ত চর্বি বা মেদ তৈরি হয়ে যাওয়া। গলা এবং ঘাড়ের অংশে অতিরিক্ত মেদ তৈরি হয়ে যাওয়ার কারণে শ্বাসনালীতে চাপ পড়ে। আর সেই জন্য নাক ডাকার সমস্যা দেখা যায়।

    অ্যালার্জিজনিত সমস্যা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যালার্জির কারণেও নাক ডাকার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই অনেকে নানান অ্যালার্জিতে ভোগেন। যার জেরে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো কিংবা সর্দির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আর তার জেরেই নাক ডাকার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

    মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস!

    মদ্যপান ও ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। লিভার, ফুসফুসের একাধিক রোগের কারণ এই দুই অভ্যাস। আবার নাক ডাকার মতো সমস্যাও বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং ধুমপান করলে ঘুমের সময় মুখ ও গলার পেশি শিথিল হয়ে যায়। এর ফলেই নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় অদ্ভুত একটা আওয়াজ তৈরি হয়। ফলে নাক ডাকার সমস্যা দেখা দেয়।

    ভিটামিন ডি অভাব!

    সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নাক ডাকার অন্যতম কারণ ভিটামিন ডি-র অভাব। ওই গবেষণায় অংশগ্রহণকারী চিকিৎসক-গবেষকদের একাংশ বলছেন, ভিটামিন ডি যেমন শরীরের হাড় মজবুত করতে প্রয়োজনীয়। তেমনি শরীরে গভীর ঘুমের জন্য ও ভিটামিন ডি জরুরি। শরীরের সমস্ত পেশি, স্নায়ুর বিশ্রাম প্রয়োজন। তবেই শরীর আবার নতুনভাবে কাজের শক্তি পাবে। শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকলে ঘুমের গুণগত মান বাড়ে। অর্থাৎ শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, শরীরে ভিটামিন ডি অভাব থাকলে ঠিকমতো ঘুম হয় না।‌ ফলে পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্ষমতা কমে। নাক ডাকার মতো সমস্যাও তৈরি হয়।

    কেন নাক ডাকার সমস্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নাক ডাকার সমস্যা একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। ঘুমের মধ্যে শ্বাসনালীতে ঠিকমতো অক্সিজেন পৌঁছয় না। নিঃশ্বাস ও প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় বাধা‌ তৈরি হয়। তার জেরেই নাক ডাকার মতো সমস্যা তৈরি হয়। তাই অতিরিক্ত নাসিকা‌ গর্জনে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো বিপদ ও ঘটতে পারে। ঘুমের ভিতরে হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো বিপদ ঘটনার পিছনেও থাকে নাক ডাকার সমস্যা। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। অতিরিক্ত নাক ডাকার সমস্যা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মতো রোগের জন্ম দেয়। তাই নাক ডাকার মতো সমস্যা মোটেও অবহেলা করা উচিত নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘সেনারা কেন পালাবে, সেনাদের দেখেই ছারপোকা পালিয়েছে’’, মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘সেনারা কেন পালাবে, সেনাদের দেখেই ছারপোকা পালিয়েছে’’, মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০ সেনা নাকি তাঁকে দেখে পালিয়েছে, এরই প্রতিবাদে মেয়ো রোডে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছেন প্রাক্তন সেনাকর্মীরা। সেই মঞ্চে বৃহস্পতিবার যান বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেনাকে কেন অপমান করলেন মুখ্যমন্ত্রী? এই প্রশ্ন তুলে সরব হলেন শুভেন্দু। তিনি বললেন, “টুকরে টুকরে গ্যাঙের মানসিকতা মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)।” শুভেন্দু আরও বলেন, “সেনারা কেন পালাবে, সেনাদের দেখেই ছারপোকা পালিয়েছে ডোরিনা ক্রসিং। আমাদের দেশের সেনাকে দেখে চিন পালায়, পাকিস্তান পা ধরে।”

    আগেও সেনাকে অপমান করেছেন মমতা

    তিনি (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “প্রত্যেক ঘটনাতে সেনাকে অপমান করা হয়েছে। অবন্তিপোরায় জঙ্গি হামলার পর যখন আমাদের বায়ুসেনা যখন ভিতরে ঢুকে মেরে এসেছিল, তখন মুখ্যমন্ত্রী নবান্নের গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, প্রমাণ কোথায়?” শুভেন্দু এদিন আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) একবার সারা রাত নবান্নে কাটিয়েছেন। কেন জানেন? আর্মি একটা সার্ভে করে। বড় বড় ব্রিজে কত গাড়ি যাতায়াত করে ইন্টারন্যাশানালি, সেটাকে কাউন্ট করার একটা সার্ভে হয় কয়েক বছর অন্তর অন্তর। এক বছর গাড়ি কাউন্ট করছিল দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে। তখন মুখ্যমন্ত্রী বলে ওঠেন, আর্মি ঢুকে পড়েছে!” ঘটনার রেশ ধরেই শুভেন্দু বলতে থাকেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এটা যেন আলাদা দেশ, যে সেনা ঢুকে পড়ল? কেন? তার প্রতিবাদে তিনি সেই রাতে নবান্নে ছিলেন।” শুভেন্দুর প্রশ্ন, “এটা কোন ধরনের মানসিকতা? এটা দেশ বিরোধীদের মানসিকতা।” তখনই তিনি অভিযোগ করেন, “টুকরে টুকরে গ্যাঙের মানসিকতা মুখ্যমন্ত্রীর।”

    প্রশাসন ও কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ

    প্রসঙ্গত সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাকে দেখে ২০০ সেনা পালিয়েছে। আমি বললাম আপনারা কেন পালাচ্ছেন। আপনারা বিজেপির কথায় এটা করেছেন। আইন শৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। কোনও সমস্যা থাকলে আমাদের আগে জানাতে পারতেন।” মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। মেয়ো রোডে প্রতিবাদে বসতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন সেনা কর্মীরা। প্রশাসন ও কলকাতা পুলিশ তাঁদের অনুমতি দিচ্ছে না, এমন অভিযোগও ওঠে। সে প্রসঙ্গেও এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ওঁদের কেউ পঁচিশ বছর, কেউ কুড়ি বছর, জীবনের যে প্রাইম টাইম, তাঁরা দেশের সেবায় নিয়োজিত করেছেন। এখনও দেশকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছেন। তাঁদের যে অপমান করা হয়েছে, তাঁরা প্রতিবাদ করতে এখানে বসতে চান। কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য সরকার অনেক শর্ত চাপিয়েছে, যাতে এখানে কোনওভাবেই করতে না পারেন।”

  • SSC Scam: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি, চার্জ গঠন পার্থ-পরেশ-অঙ্কিতাদের বিরুদ্ধে, এ বার শুরু হবে বিচার প্রক্রিয়া 

    SSC Scam: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি, চার্জ গঠন পার্থ-পরেশ-অঙ্কিতাদের বিরুদ্ধে, এ বার শুরু হবে বিচার প্রক্রিয়া 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি-র (SSC Scam) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অবশেষে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)-সহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জ (SSC Scam) গঠন করল আলিপুরের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারক বিশ্বরূপ শেঠ এই চার্জ গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে এবার শুরু হবে বিচারপ্রক্রিয়া।

    কোন কোন ধারায় চার্জ গঠন

    এই মামলায় শুধুই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী নন, অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, তাঁর কন্যা, এসএসসি উপদেষ্টা কমিটির প্রধান-সহ আরও অনেক প্রভাবশালী নাম। আদালত সূত্রে খবর, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (IPC 120B), প্রমাণ নষ্ট করা (IPC 201), প্রতারণা (IPC 420), নথি জাল করা (IPC 467, 468) ও জাল নথি ব্যবহার (IPC 471)— এই ধারাগুলোতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়েছে।

    কারা রয়েছেন?

    নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের দায়ের করা মামলায় এই প্রথমবার চার্জ গঠন হলো। মামলার শুনানি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হবে। মামলার নথি অনুযায়ী অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন— পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee), প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী ও তাঁর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারী, এসএসসি উপদেষ্টা কমিটির প্রধান শান্তিপ্রসাদ সিনহা, প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য, সমরজিৎ আচার্য, নিয়োগ কর্তা (SSC Scam) কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, আধিকারিক অশোক সাহা ও পর্ণা বসু। নাম রয়েছে বেশ কিছু এজেন্টেরও, পাশাপাশি নাইসা আধিকারিক পঙ্কজ বনশল ও নীলাদ্রি দাসের।

    শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি পার্থ

    শারীরিক অসুস্থতার কারণে (SSC Scam) দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবারও তিনি হাসপাতালের শয্যা থেকে সওয়াল করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য— “আমায় মুক্তি দিন, সমাজের সামনে দাঁড়াতে দিন। জেলের অন্ধকারে আমাকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে।” তবে আদালত তাঁর এই আবেদন খারিজ করে দেয়। একইভাবে পরেশ অধিকারী ও তাঁর মেয়ে অঙ্কিতা আদালতে মামলা থেকে অব্যাহতির আর্জি জানালেও বিচারক তা গ্রহণ করেননি। তাঁদের দাবি ছিল— তাঁরা নির্দোষ। আইনজীবীর সওয়ালে বলা হয়, অঙ্কিতা নিজের যোগ্যতাতেই চাকরি পেয়েছিলেন। তখন পরেশ অধিকারী কোনও পদে ছিলেন না, তাই প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই ওঠে না। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে চাকরি পান অঙ্কিতা অধিকারী। কিন্তু সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন ববিতা সরকার নামে আরেক প্রার্থী। ২০২২ সালের মে মাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ অঙ্কিতার চাকরি বাতিল করে দেয় এবং প্রাপ্ত বেতনের অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

  • Suvendu Adhikari: কেন বিধানসভায় রক্ষী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী? স্পিকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: কেন বিধানসভায় রক্ষী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী? স্পিকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে প্রবেশ করার ঘটনায় স্পিকারের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা (Contempt Of Court) দায়ের করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর অভিযোগ, হাইকোর্টের নির্দেশেই বিধানসভায় নিরাপত্তারক্ষী প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী ১ সেপ্টেম্বর স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় একটি নির্দেশিকা জারি করেছিলেন। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল— মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া অন্য কোনও মন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী বিধানসভায় ঢুকতে পারবেন না।

    স্পিকারের আদালত অবমাননা (Contempt Of Court)!

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর রক্ষীদের প্রবেশের অনুমতি দিয়ে স্পিকার আদালতের নির্দেশ অমান্য করেছেন। শুধু তাই নয়, আদালতে শুভেন্দুর আইনজীবী আবেদন করেছেন যাতে বিধানসভার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই মামলার শুনানি আগামী সপ্তাহে হতে পারে। তার আগেই রাজনৈতিক মহলে উত্তাপ ছড়িয়েছে। যদিও তৃণমূল এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি, বিজেপির অভিযোগ— স্পিকারের এই সিদ্ধান্ত আদালতের রায়কে অগ্রাহ্য করার সামিল।

    হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ ছাড়

    বিশ্লেষকরা বলছেন, একদিকে হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ ছাড়— তাহলে কি বিধানসভায় আইন সমানভাবে প্রযোজ্য নয়? শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবীর যুক্তি, বিধানসভার স্পিকার নিজেই জানিয়েছিলেন কোনও বিধায়ক নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে ভিতরে ঢুকতে পারবেন না। তবুও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিরাপত্তারক্ষীসহ প্রবেশ করেছেন, যা আদালত অবমাননার সমান।

    শুভেন্দুর মামলায় কী রায় দিয়েছিলেন বিতারপতি অমৃতা সিনহা?

    এর আগে, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে বিধানসভায় ঢোকার অনুমতি চেয়ে মামলা করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল— তৃণমূল বিধায়কদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের প্রবেশাধিকার রয়েছে, অথচ বিজেপি বিধায়কদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের গেটের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। সে সময় হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করেনি। তবে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, বিধানসভার আইন অনুযায়ী সেই নোটিস বহাল থাকবে। পাশাপাশি তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল— বিধানসভার সচিবকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে এই নিয়ম সব দলের বিধায়কদের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হয়।

  • India EU Trade Deal: ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা নেই! ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চায় ইউরোপ

    India EU Trade Deal: ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা নেই! ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চায় ইউরোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর যে আহ্বান মার্কিন প্রেসিডেন্ট করেছেন, তাতে আপাতত সাড়া দিচ্ছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ প্রসঙ্গে ইউরোপের নেতাদের চিন্তা একটু আলাদা। জানা গিয়েছে, ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ভারত ও চিনের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপের অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে ইইউ-র পক্ষ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এখনও। দাবি করা হচ্ছে, ভারত ও চিনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর জন্য ইইউ-র ওপর চাপ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    কী ভাবছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    ইইউর এক প্রতিনিধি দল, যার মধ্যে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক প্রধান দূতও ছিলেন, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে সফর করে। সফরের উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা। তবে ইইউ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা শুল্কের বিষয়টি নিষেধাজ্ঞার মতো ভাবে দেখেন না এবং সাধারণত দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি ভিত্তির পরই শুল্ক আরোপ করেন। এক ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, “এখনও পর্যন্ত ভারত বা চিনের উপর শুল্ক আরোপ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।” তিনি আরও জানান, ইইউ বর্তমানে ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনার শেষ পর্যায়ে রয়েছে, যা এমন পদক্ষেপের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্য এক ইইউ কর্মকর্তা বলেন, এই ধরনের শুল্ক আরোপ ঠিক হবে না। এতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বরং নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাকে তারা বেশি কার্যকর বলে মনে করেন।

    ট্রাম্পের হঠকারী ভাবনা

    সূত্রের খবর , ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) সামনে রেখে ভারতের উপর আরও শুল্ক চাপাতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু ভারত নয়, এই তালিকায় চিনকে রেখেছেন তিনি। রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ‘জরিমানা’ হিসেবে ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, তেল কিনে রাশিয়ার হাত শক্ত করছে ভারত। তেল বিক্রি করে যা মুনাফা করছে তা ইউক্রেন যুদ্ধে কাজে লাগাচ্ছে ভ্লাদিমির পুতিনের সরকার! তাই রাশিয়াকে যদি যুদ্ধ থেকে বিরত করতে হয় তবে তাদের বন্ধুরাষ্ট্র চিন এবং ভারতের উপর শুল্ক-হামলা করতে হবে, এমনই মনে করছে ট্রাম্প প্রশাসন। দিন দুয়েক আগে মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট দাবি করেছিলেন, রাশিয়া এবং তার থেকে তেল কেনা দেশগুলির উপর আরও শুল্ক এবং নিষেধাজ্ঞা চাপানো হলে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে! এই ধরনের অর্থনৈতিক পতনই কেবল রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে আলোচনার টেবিলে বসাতে পারে। সেই একই পথের কথা বললেন ট্রাম্পও।

    ট্রাম্পের সঙ্গে ইইউ-এর কথা

    সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত আধিকারিক ডেভিড ও’সুলিভান সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ট্রাম্প কথা বলেন। সেই সময়ই নাকি ট্রাম্প এই অনুরোধ জানিয়েছেন। ইইউ কর্মকর্তা রয়টার্সকে নাকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইঙ্গিত দিয়েছে যে, যদি ইইউ ট্রাম্পের অনুরোধ মঞ্জুর করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও একই ধরনের শুল্ক আরোপ করতে চায় ভারত ও চিনের ওপর। প্রসঙ্গত, ট্রাম্প নিজে অভিযোগ করে আসছেন, বাণিজ্যের দিক থেকে ইউরোপ এখনও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এই আবহে ইউরোপকে ভারত এবং চিনের ওপর পরোক্ষ শুল্ক আরোপের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রতিবেদন অনুসারে, গত বছর ইইউর মোট গ্যাস আমদানির ১৯ শতাংশ ছিল রাশিয়া থেকে। তবে ইইউ বলেছে, তারা রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ট্রাম্প ইতিমধ্যে ভারতের উপর ২৫+২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে ২৫% পারস্পরিক শুল্ক এবং ২৫% নিষেধাজ্ঞা বাবদ আরোপ করা হয়েছে।

    ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    সূত্রের খবর, আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শীঘ্রই ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নয়াদিল্লিতে এই নিয়ে কথা বলতে আসবেন ইইউ-এর প্রতিনিধিরা। দীর্ঘদিন ধরেই চলছে এই কথা। ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন চাইছে দু-জনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। বর্তমানে সমস্ত অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের জন্য আগামী মাসে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নয়াদিল্লি সূত্র বলছে, ইউরোপীয় আধিকারিকদের একটি প্রতিনিধিদল এই সপ্তাহে নয়াদিল্লি সফরে আসার কথা রয়েছে। যেখানে তারা বাজার অ্যাক্সেস, কৃষি পণ্যের উপর শুল্ক ও বিশেষ করে ওয়াইন ও দুগ্ধজাত পণ্যের উপর শুল্ক মত-পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। মনে করা হচ্ছে- ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৭ সেপ্টেম্বর ভারতের জন্য তাদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গির নীলনকশা উপস্থাপন করবে। আগামী মাসের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করা হতে পারে।

  • India in UNHRC Meet: ‘শেখাতে এলে, আয়না দেখিয়ে দেব’! সুইৎজারল্যান্ডকে কড়া বার্তা ভারতের, জবাব পাকিস্তানকেও

    India in UNHRC Meet: ‘শেখাতে এলে, আয়না দেখিয়ে দেব’! সুইৎজারল্যান্ডকে কড়া বার্তা ভারতের, জবাব পাকিস্তানকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে সুইৎজারল্যান্ডকে কড়া জবাব দিল ভারত (India in UNHRC Meet)। সুইৎজারল্যান্ড রাষ্ট্রসংঘে বলেছিল, “ভারতকে সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে হবে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখতে হবে।” এরই পাল্টা ভারত জবাব দিল, “আমরা চাইলে সুইৎজারল্যান্ডকে সাহায্য করতে পারি রেসিজম, সিস্টেমেটিক ডিসক্রিমিনেশন আর জেনোফোবিয়া মোকাবিলায়।” ভারত সরাসরি আঘাত করল সেই জায়গায় যেটা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলো চুপ করে থাকে। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এটাই নতুন ভারতের কূটনীতি— “তুমি আমাকে শেখাতে এলে, আমি তোমায় আয়না দেখিয়ে দেব”।

    ভারতকে কী বলেছিল সুইস দূত

    রাষ্ট্রসংঘে মানবাধিকার পরিষদের ৬০ তম অধিবেশন চলছে। সেখানে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভারতের (India in UNHRC Meet) বিরুদ্ধে সরব হয় সুইৎজারল্যান্ড (India’s Reply to Switzerland)। শুধু তাই নয়, ভারতে সংবাদমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই বলেও অভিযোগ করেন সুইশ কূটনীতিকরা। ভারতকে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার’ পরামর্শ দিয়েছিলেন সুইস দূত। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘে সুইস প্রতিনিধি সংখ্যালঘুদের রক্ষা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমকে সমুন্নত রাখার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানান। এর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ করতে বলা হয় ভারতকে। এর জবাবে ইউরোপীয় দেশটিকে তাদের নিজের মাটিতে ‘বর্ণবিদ্বেষ, পদ্ধতিগত বৈষম্য এবং জেনোফোবিয়া (বিদেশিদের প্রতি আতঙ্ক)’ সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেন ভারতীয় কূটনীতিক। অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের সমস্যারর দিকে মনোনিবেশ করার জন্য সুইৎজারল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানায় ভারত।

    ভারতের পাল্টা জবাব

    রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে সুইৎজারল্যান্ডকে ভারতীয় (India in UNHRC Meet) কূটনীতিক ক্ষিতীশ ত্যাগী স্পষ্ট ভাষায় বলে দিলেন, ‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দিকে আঙুল তোলার আগে, নিজের দেশকে শোধরান। বর্ণবিদ্বেষ, পদ্ধতিগত বৈষম্য আর বিদেশিদের উপরে হামলার ঘটনায় গোটা সুইশ সমাজ বিব্রত।’ এখানেই থামেননি তিনি। সঙ্গে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘বিশ্বের বৃহত্তম এবং বহুমাত্রিক গণতন্ত্র হিসেবে চিরকাল বহুত্ববাদকে হৃদয়ে ধারণ করা ভারত, সুইৎজারল্যান্ডকে এই সব সমস্যায় সাহায্য করার জন্য সদা প্রস্তুত।’ সুইস প্রতিনিধির মন্তব্যকে ‘আশ্চর্যজনক, অগভীর এবং ভুল তথ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন ত্যাগী। দেশটিকে তাদের নিজস্ব ইস্যুতে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন যে সুইৎজারল্যান্ড ভারতের বাস্তবতার সঙ্গে অবগত নয়। ভারতীয় দূত বলেন, ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার সুইৎজারল্যান্ডের বিস্ময়কর, অগভীর ও ভুল মন্তব্যের জবাব দিতে চাই। যেহেতু তারা ইউএনএইচআরসির (রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন) সভাপতিত্বে রয়েছে, তাই সুইৎজারল্যান্ডের পক্ষে এটি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ যাতে তারা মিথ্যা এবং আবাস্তব এমন কোনও আখ্যান দিয়ে কাউন্সিলের সময় না নষ্ট করে। বরং বর্ণবিদ্বেষ, পদ্ধতিগত বৈষম্য এবং জেনোফোবিয়ার মতো নিজস্ব চ্যালেঞ্জগুলির দিকে মনোনিবেশ করা উচিত তাদের।’

    পাকিস্তানকে সরাসরি আক্রমণ

    রাষ্ট্রসংঘের (India in UNHRC Meet) সভায় এদিন পাকিস্তানকেও একহাত নেন ক্ষিতীশ। ‘আন্তর্জাতিক খয়রাতির উপরে টিকে থাকা এক দেশ’ বলে সরাসরি কটাক্ষ করেন ইসলামাবাদকে। তাঁর কথায়, ‘আমরা নিজেদের রক্ষা করতে জানি। জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষক কোনও দেশ যেন আমাদের নৈতিক শিক্ষা দিতে না আসে। সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার করা একটা রাষ্ট্র, যার নিজেরই কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই, তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ ৯/১১ হামলা এবং পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের কথা উল্লেখ করে ভারতীয় দূত ত্যাগী বলেন, ‘আমাদের ৯/১১ হামলার কথা ভুলে গেলে চলবে না। আগামিকাল সেই হামলার বর্ষপূর্তি। আর আজ আমরা তাদের ভণ্ডামি প্রত্যক্ষ করছি যারা সেই আক্রমণের মাস্টারমাইন্ডকে আশ্রয় দিয়েছিল। যারা সেই জঙ্গি নেতাকে শহিদ হিসাবে গৌরবান্বিত করেছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুলওয়ামা, উরি, পাঠানকোট, মুম্বইয়ের কথা ভুলে গেলে চলবে না। তালিকাটা অন্তহীন।’

    উপদেশ নেব না

    এবারই প্রথম নয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনেই পাকিস্তানকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বলে তোপ দেগেছিলেন ক্ষিতীশ। সোজাসুজি বলেছিলেন, ‘সেনা এবং জঙ্গিদের বানানো মিথ্যা কথাই বলে চলেছেন পাকিস্তানের তথাকথিত নেতা এবং প্রতিনিধিরা।’ কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের দাবিকেও ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন এবং বিদ্বেষপূর্ণ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবারও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে ভারতীয় দূত বলেন, “পহেলগাঁও হামলার পর ভারতের মাপা ও যথাযথ প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আমরা আমাদের নাগরিকদের সুরক্ষায় কোনও আপস করব না। সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক, সংখ্যালঘু নিপীড়ক এবং বিশ্বাসযোগ্যতা হারানো একটি রাষ্ট্র থেকে আমরা উপদেশ নেব না।”

  • Asia cup 2025: রেকর্ডের পর রেকর্ড! এশিয়া কাপে সহজ জয় দিয়ে যাত্রা শুরু ভারতের

    Asia cup 2025: রেকর্ডের পর রেকর্ড! এশিয়া কাপে সহজ জয় দিয়ে যাত্রা শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশামতোই দাপটে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ (Asia cup 2025) শুরু করল ভারতীয় ক্রিকেট দল। আরব আমিরশাহীর (India vs UAE) বিরুদ্ধে ভারত যে সহজ জয়লাভ করবে, সেই প্রত্যাশা আগেই করা হয়েছিল। কিন্তু, এতটাও সহজে যে তারা জয়লাভ করতে পারবে, সেকথা ভাবা যায়নি। মাত্র ২৭ বল ব্যাট করেই ম্যাচ জিতেছে সূর্যকুমাররা। শুধু দাপুটে জয় না, এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে আরও একাধিক নজির গড়েছে ভারত। এশীয় দল হিসাবে টি-২০ ক্রিকেটে নজির গড়েছে টিম ইন্ডিয়া।

    ম্যাচ আপডেট

    এদিন টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে উইকেট নেওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত চার উইকেট তুলে নেন কুলদীপ, মাত্র ৭ রান দিয়ে। অন্যদিকে শিবম দুবে মাত্র ৪ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে নিয়েছেন। আমিরশাহীকে ৫৭ রানে অলআউট করে দেয় ভারত। মাত্র ৫৮ রানের টার্গেট ভারত হাসতে হাসতে তুলে দেয়। ওপেন করতে নেমে মাত্র ১৬ বলে ৩০ রান করে অভিষেক। মাত্র ৯ বলে ২০ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সহ-অধিনায়ক শুভমান গিল।

    ৯৩ বল বাকি থাকতে জয়

    ৯৩ বল বাকি থাকতে এদিন ম্যাচ জেতে ভারত। এশিয়ার (Asia cup 2025) ক্রিকেট খেলা দেশগুলির মধ্যে যা সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ ৯০ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। তাছাড়া এশিয়ার কোনও পূর্ণ সদস্য দেশ এত বেশি বল বাকি থাকতে টি-২০ ম্যাচ জেতেনি। সেই রেকর্ড এশিয়া কাপে এসে ভেঙে দিল ভারত। কেবল এশিয়া নয়, বল বাকি থাকতে টি-২০ ম্যাচ জেতার নিরিখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের রেকর্ডেও দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ভারত। গতবছর ১০১ বল বাকি থাকতে ওমানকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।

    টি-২০ ম্যাচে সবচেয়ে কম বল খেলা

    কোনও টি-২০ ম্যাচে সবচেয়ে কম বল খেলা হওয়ার তালিকাতেও ঢুকে পড়ল বুধবারের ম্যাচ। সবচেয়ে কম বল খেলার নজির রয়েছে ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডস বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচে। মাত্র ৯৩ বল খেলা হয়েছিল। এদিন ভারত বনাম সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ম্যাচে ১০৬ বল খেলা হয়েছে, রেকর্ডের নিরিখে যা চতুর্থ সংক্ষিপ্ততম টি-২০ ম্যাচ।

    প্রথম বলেই ছক্কা

    বুধবার ইনিংসের প্রথম বলেই ছক্কা মেরেছেন অভিষেক শর্মা। টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থ ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে এই নজির গড়লেন। প্রথম বার এই কাজ করেছিলেন রোহিত শর্মা, ২০২১-এ আহমেদাবাদে আদিল রশিদের বলে। ২০২৪-এ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিকান্দার রাজার প্রথম বলে ছয় মারেন যশস্বী জয়সওয়াল। এ বছর ইংল্যান্ডের জফ্রা আর্চারের প্রথম বলে ছয় মারেন সঞ্জু স্যামসন।

    কুলদীপের ৪ উইকেট

    এশিয়া কাপের (Asia cup 2025) ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা বোলিং কুলদীপ যাদবের। বুধবার ৭ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। মাত্র ১৩ বলের ব্যবধানে আউট করেন মুহম্মদ ওয়াসিম, রাহুল চোপড়া, হর্ষিত কৌশিক এবং হায়দা আলিকে। এশিয়া কাপে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড ভুবনেশ্বর কুমারের। ২০২২-এ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন।

  • PM Modi: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব মোহন ভাগবত, সংঘ প্রধানের জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে প্রবন্ধ লিখলেন মোদি

    PM Modi: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব মোহন ভাগবত, সংঘ প্রধানের জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে প্রবন্ধ লিখলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, ৭৫তম জন্মদিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সর সংঘচালক মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat)। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), আরএসএসের সর সংঘচালককে নিয়ে একটি লেখা লেখেন। নিজের লেখায় প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন মোহন ভাগবতের জীবন ও ব্যক্তিত্বের নানা দিক।

    অসাধারণ ব্যক্তিত্ব মোহন ভাগবত, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবতের ৭৫তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেছেন— মোহন ভাগবত একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, যিনি ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ নীতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে সারাজীবন সমাজ পরিবর্তন, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের চেতনা শক্তিশালী করার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।

    জ্ঞানী ও পরিশ্রমী সরসংঘচালক বলে প্রশংসা

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একটি প্রবন্ধে তাঁকে জ্ঞানী ও পরিশ্রমী সরসংঘচালক বলে প্রশংসা করেছেন। তিনি লিখেছেন— “মোহনজি (Mohan Bhagwat) তাঁর কাজের ধারা ও মননে দুটি বিষয় সবসময় ধরে রেখেছেন— ধারাবাহিকতা ও অভিযোজনক্ষমতা। সংঘকে জটিল পরিস্থিতির মধ্যে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তবুও কখনও মূল আদর্শে আপস করেননি। একইসঙ্গে সমাজের পরিবর্তিত চাহিদার প্রতিও সাড়া দিয়েছেন। যুবসমাজের সঙ্গে তাঁর সহজ যোগাযোগ আছে, তাই তিনি সবসময় বেশি সংখ্যক তরুণকে সংঘ পরিবারে যুক্ত করার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি নিয়মিত আলোচনা ও মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, যা আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল যুগে খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে।”

    ভারতের এক অন্ধকার সময়ে সংঘকাজে যোগ দেন মোহন ভাগবত

    মোদির (PM Modi) বক্তব্যে উঠে এসেছে যে, মোহন ভাগবতের সংঘজীবনের শুরু হয়েছিল ভারতের এক অন্ধকার সময়ে—জরুরি অবস্থার সময়। মোদি লিখছেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জরুরি অবস্থা চাপিয়ে দিয়েছিল দেশের উপর। যাঁরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করতেন, তাঁদের কাছে জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনকে শক্তিশালী করার কাজ মোহনজি এবং অসংখ্য স্বয়ংসেবক করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের গ্রামীণ ও অনুন্নত অঞ্চল, বিদর্ভে অনেক কাজ করেছেন তিনি। এতে তিনি গরিব ও পিছিয়ে পড়া মানুষের সমস্যাগুলো গভীরভাবে বুঝতে শিখেছিলেন।”

    মোহন ভাগবতের পরিবারের ঘনিষ্ঠ মোদি

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তাঁর ও মোহন ভাগবতের পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “আমি সৌভাগ্যবান যে মোহনজির বাবা, প্রয়াত মধুকররাও ভাগবতজির সঙ্গে থেকে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। দেশ গঠনের কাজে তিনি নিজের ছেলেকে নিবেদিত করেছিলেন। যেন এক পরশপাথর আরেকটি পরশপাথর গড়ে তুলেছিলেন।”

    সরসংঘচালকের সংক্ষিপ্ত জীবনী

    প্রসঙ্গত, মোহন ভাগবত (PM Modi) গত ১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংঘের দিশারি হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তিনি ১৯৫০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। আরএসএস-এর ইতিহাসে তিনি তৃতীয় দীর্ঘতম সময়ের প্রধান। তাঁর আগে দীর্ঘদিন দায়িত্বে ছিলেন বালাসাহেব দেওরস ও এম এস গোলওয়ালকর। মোহন ভাগবতের বাবা মধুকর রাও ভাগবত ছিলেন একনিষ্ঠ স্বয়ংসেবক এবং আরএসএস-এর প্রচারক। মোহন ভাগবত তাঁদের জ্যেষ্ঠ সন্তান। তাঁর আরও দুই ভাই ও এক বোন আছে। প্রথমে তিনি ‘লোকমান্য তিলক বিদ্যালয়’-এ পড়াশোনা করেন। এরপর চন্দ্রপুরের জনতা কলেজে পড়েন। পরে আকোলার ‘পাঞ্জাবরাও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে পশুচিকিৎসা ও পশুপালনে স্নাতক ডিগ্রি নেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের শেষের দিকে তিনি পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দিয়ে আরএসএস-এর প্রচারক হন। সেই সময় দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল।

    ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের কঠোর দমননীতির বিরুদ্ধে তিনি আত্মগোপনে থেকে কাজ করেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত মোহন ভাগবত ‘অখিল ভারতীয় শারীরিক প্রধান’ ছিলেন (আরএসএস-এর শারীরিক প্রশিক্ষণের জাতীয় দায়িত্বে)। পরে তিনি ‘অখিল ভারতীয় প্রচারক প্রধান’ হন, যেখানে পূর্ণকালীন কর্মীদের দায়িত্ব তাঁর হাতে ছিল। ২০০০ সালে তিনি আরএসএস-এর সরকার্যবাহ (সাধারণ সম্পাদক) নিযুক্ত হন। এরপর ২০০৯ সালের ২১ মার্চ মোহন ভাগবত আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ষষ্ঠ সরসংঘচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    তিনি আরএসএস-এর ইতিহাসে অন্যতম কনিষ্ঠ প্রধান। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, কার্যকর্তাদের প্রতি আন্তরিকতা এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে আলাদা মর্যাদা এনে দেয়। লক্ষ লক্ষ স্বয়ংসেবক, অসংখ্য শাখা এবং নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে একসঙ্গে চালানোই সরসংঘচালকের প্রধান দায়িত্ব। মোহন ভাগবত দক্ষতার সঙ্গে এই কাজ সামলাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে আরএসএস শুধু ঐতিহ্য ধরে রাখেনি, বরং সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দিশাও খুঁজে পেয়েছে। তিনি যুবসমাজের সঙ্গে বিশেষ যোগাযোগ স্থাপন করেছেন। আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে তরুণ প্রজন্মকে সংঘের কাজে যুক্ত করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে আরএসএস গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে কাজের বিস্তার ঘটিয়েছে। শুধু সংগঠন বিস্তার নয়, সমাজে সংঘের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করা এবং বৃহত্তর জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোও তাঁর অন্যতম কৃতিত্ব।

  • SIR: পুজোর পরেই বাংলা-সহ গোটা দেশে শুরু হতে পারে এসআইআর, দিল্লিতে সিইও-দের বৈঠকে কী বলল কমিশন?

    SIR: পুজোর পরেই বাংলা-সহ গোটা দেশে শুরু হতে পারে এসআইআর, দিল্লিতে সিইও-দের বৈঠকে কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর পরেই দেশ জুড়ে শুরু হতে পারে এসআইআর। আগামী ২ অক্টোবর বিজয়া দশমী। এর পরে রয়েছে লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজো। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে দেশ জুড়ে ভোটার তালিকায় নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর (SIR) শুরু করতে পারে তারা। সূত্রের খবর, বিহার নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার আগেই স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর শুরু হয়ে যেতে পারে। বুধবার, কনফারেন্স কাম ওয়ার্কশপে মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এসআইআর নিয়ে তাদের প্রস্তুতি কতটা। তাতে অধিকাংশ আধিকারিকই জানান যে সেপ্টেম্বরের মধ্যে গ্রাউন্ডওয়ার্ক শেষ হয়ে যাবে। অক্টোবরেই এসআইআর শুরু হতে পারে।

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনে বৈঠক

    বুধবার দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে নিয়ে ওই বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। অপর নির্বাচন কমিশনারেরা এবং নির্বাচন কমিশনের অন্য আধিকারিকেরাও ছিলেন। ওই বৈঠকে এসআইআর নিয়ে রাজ্যগুলির প্রস্তুতি কেমন, তা খতিয়ে দেখা হয়। সাড়ে তিন ঘণ্টার এই বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের একটি তালিকা তৈরি করতে বলেন যা এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ে গণ্য করা হবে। যেমন উত্তর-পূর্বের রাজ্য বা উপকূল অঞ্চলে যেখানে আদিবাসী জনসংখ্যা বেশি, সেখানে তাদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য বাসস্থানের সার্টিফিকেট বা জনজাতি পরিচয়ের সার্টিফিকেট গণ্য করা হবে।

    বাংলায় দু-দশক পরে এসআইআর

    আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগে ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগে ২০০২ সালে পশ্চিমবঙ্গে শেষ এসআইআর হয়েছিল। ২০০২ সালের এসআইআর অনুসারে ভোটার তালিকা আগেই প্রকাশ্যে এনেছে কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এলাকাভিত্তিক সেই তালিকা ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। এ বার দু’দশকেরও বেশি সময় পরে পশ্চিমবঙ্গে ফের এসআইআর শুরু করতে উদ্যোগী কমিশন। জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকায় নিবিড় পরিমার্জনের উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকা থেকে মৃতদের নাম বাদ দেওয়া। এছাড়া যারা ঠিকানা বদল করেছেন বা একাধিক জায়গায় ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কিংবা ভারতীয় নাগরিকের প্রমাণ নেই, তাদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

    কীভাবে হবে এসআইআর

    বিহারের পর এবার সারা দেশে চালু হতে চলেছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision)। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফে স্পষ্ট নির্দেশ, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রস্তুতি শেষ করতে হবে সব রাজ্যকে। অক্টোবরে এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে। তারপরই শুরু হতে পারে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। তবে নির্দিষ্ট করে কোনও দিনক্ষণ এখনও জানায়নি কমিশন। দিল্লিতে কমিশনের পক্ষ থেকে এদিনের বৈঠকে সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (CEO) জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পরিকাঠামোগত প্রস্তুতি শেষ করতে হবে। তবে দেশজুড়ে একযোগে এই প্রক্রিয়া চালু হবে নাকি যেসব রাজ্যে আগামিবছর বিধানসভা ভোট রয়েছে, সেখানে আগে শুরু হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    বাংলায় প্রস্তুতি প্রায় শেষ

    পাঁচ রাজ্য—পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসম, কেরল ও পন্ডিচেরি—আগামী বছরে ভোট, ফলে এই রাজ্যগুলিতে এসআইআর আগে চালু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জাতীয় কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর জন্য রাজ্য প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও কর্মীবাহিনীও প্রস্তুত রেখেছে তারা। কমিশনের এক কর্তা জানিয়েছেন, “২০০২ সালে বাংলায় ৪ কোটি ৫৮ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছিল। এবার অতীতের সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই আরও বেশি স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতির মাধ্যমে তালিকা সংশোধনের কাজ হবে।”

    অবৈধ অভিবাসীদের জন্মস্থান পরীক্ষা

    এই ভোটার তালিকার নিবিড় ও বিশেষ সংশোধনের মূল উদ্দেশ্য হল বিদেশি অবৈধ অভিবাসীদের জন্মস্থান পরীক্ষা করে তাদের নিজেদের দেশে ফেরৎ পাঠানো। বাংলাদেশ ও মায়ানমার-সহ বিভিন্ন রাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে দেশে এই পদক্ষেপটি তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। অবশেষে, নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকার অখণ্ডতা রক্ষার জন্য তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের উদ্দেশে দেশজুড়ে এসআইআর চালু করতে চলেছে। সারা দেশে এসআইআর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা নিশ্চিত করতে ঘরে ঘরে যাচাইকরণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করবেন, বলে জানিয়েছেন। কোনও সঠিক ভোটদাতার নাম বাদ পড়বে না বলেও আশ্বস্ত করেছে কমিশন।

  • Swami Vivekananda: ‘‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স অফ আমেরিকা…’’, ১৩২তম বর্ষপূর্তিতে ফিরে দেখা স্বামীজির শিকাগো ভাষণ

    Swami Vivekananda: ‘‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স অফ আমেরিকা…’’, ১৩২তম বর্ষপূর্তিতে ফিরে দেখা স্বামীজির শিকাগো ভাষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ১১ সেপ্টেম্বর, স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) শিকাগো ভাষণের ১৩২তম বর্ষপূর্তি। ১৮৯৩ সালের এই দিনেই বিশ্বধর্ম সম্মেলনে হিন্দু ধর্মের প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন শ্রী রামকৃষ্ণের শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ। তাঁর শিকাগো ভাষণের শুরুতেই তিনি বলেছিলেন, ‘‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স অফ আমেরিকা…’’ এখানেই প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে করতালি চলতে থাকে। কারণ প্রথমবারের জন্য বিশ্ববাসীকে কেউ ‘ভাই ও বোন’ বলে সম্বোধন করেন শিকাগো ধর্ম সম্মেলনে। তাঁর আগের বক্তারা প্রত্যকেই ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান’ বলেই সম্বোধন করেছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ সেখানে তুলে ধরেন ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর কথা (Vivekananda Chicago Speech)। ভারতের সীমাহীন সভ্যতার কথা। ভারতবর্ষের সনাতন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পরম্পরার কথা। সেখানেই শোনান এদেশের ধর্মীয় সহিষ্ণুতার কথা। ভারতবর্ষ কোনও ধর্মের ওপর কখনও আঘাত হানেনি, সে কথাও সেখানে তুলে ধরেন স্বামীজি। বিশ্ব মঞ্চে স্বামীজির ভাষণ সেদিন আলোড়ন তৈরি করে। ভারতীয় সভ্যতার মর্যাদা ব্যাপকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন স্বামীজি তাঁর নিজের ভাষণের মধ্য দিয়ে। তাঁর সেদিনের ভাষণের নির্বাচিত কিছু অংশের বিশ্লেষণ নীচে করা হল।

    পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সন্ন্যাসী-সমাজের পক্ষ হইতে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জানাইতেছি

    ‘‘হে আমার আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভ্রাতৃবৃন্দ, আজ আপনারা আমাদিগকে যে আন্তরিক ও সাদর অভ্যর্থনা করিয়াছেন, তাহার উত্তর দিবার জন্য উঠিতে গিয়া আমার হৃদয় অনির্বচনীয় আনন্দে পরিপূর্ণ হইয়া গিয়াছে। পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সন্ন্যাসী-সমাজের পক্ষ হইতে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জানাইতেছি। সর্বধর্মের যিনি প্রসূতি-স্বরূপ, তাঁহার নামে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিতেছি। সকল জাতি ও সম্প্রদায়ের অন্তর্গত কোটি কোটি হিন্দু নরনারীর হইয়া আমি (Swami Vivekananda) আপনাদিগকে ধন্যবাদ দিতেছি।’’

    আমরা শুধু সকল ধর্মকেই সহ্য করিনা, সকল ধর্মকেই আমরা সত্য বলিয়া বিশ্বাস করি

    ‘‘এই সভামঞ্চে সেই কয়েকজন বক্তাকেও আমি ধন্যবাদ জানাই, যাঁহারা প্রাচ্যদেশীয় প্রতিনিধিদের সম্বন্ধে এরূপ মন্তব্য প্রকাশ করিলেন যে, অতি দূরদেশবাসী জাতিসমূহের মধ্য হইতে যাঁহারা এখানে সমাগত হইয়াছেন, তাঁহারাও বিভিন্ন দেশে পরধর্মসহিষ্ণুতার ভাব প্রচারের গৌরব দাবি করিতে পারেন। যে ধর্ম জগৎকে চিরকাল পরমতসহিষ্ণুতা ও সর্বাধিক মত স্বীকার করার শিক্ষা দিয়া আসিতেছে, আমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমরা শুধু সকল ধর্মকেই সহ্য করি না, সকল ধর্মকেই আমরা সত্য বলিয়া বিশ্বাস করি। যে ধর্মের পবিত্র সংস্কৃত ভাষায় ইংরেজি ‘এক্সক্লুশন’ (ভবার্থঃ বহিষ্হকরণ, পরিবর্জন) শব্দটি অনুবাদ করা যায় না, আমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া গর্ব অনুভব করি। যে জাতি পৃথিবীর সকল ধর্মের ও সকল জাতির নিপীড়িত ও আশ্রয়প্রার্থী জনগণকে চিরকাল আশ্রয় দিয়া আসিয়াছে, আমি (Swami Vivekananda) সেই জাতির অর্ন্তভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি।’’

    আমরাই ইহুদীদের খাঁটি বংশধরগণের অবশিষ্ট অংশকে সাদরে হৃদয়ে ধারণ করিয়া রাখিয়াছি

    ‘‘আমি আপনাদের এ কথা বলিতে গর্ব অনুভব করিতেছি যে, আমরাই ইহুদিদের খাঁটি বংশধরগণের অবশিষ্ট অংশকে সাদরে হৃদয়ে ধারণ করিয়া রাখিয়াছি; যে বৎসর রোমানদের ভয়ংঙ্কর উৎপীড়নে তাহদের পবিত্র মন্দির বিধ্বস্ত হয়, সেই বৎসরই তাহারা দক্ষিণভারতে আমাদের মধ্যে আশ্রয়লাভের জন্য আসিয়াছিলেন। জরাথুষ্ট্রের অনুগামী মহান পারসিক জাতির অবশিষ্টাংশকে যে ধর্মাবলম্বীগণ আশ্রয় দান করিয়াছিল এবং আজ পর্যন্ত যাহারা তাঁহাদিগকে প্রতিপালন করিতেছেন, আমি তাঁহাদেরই অন্তর্ভুক্ত।’’

    যত মত তত পথের কথা (Vivekananda Chicago Speech)

    ‘‘বিভিন্ন নদীর উৎস বিভিন্ন স্থানে, কিন্তু তাহারা সকলে যেমন এক সমুদ্রে তাহাদের জলরাশি ঢালিয়া মিলাইয়া দেয়, তেমনই হে ভগবান, নিজ নিজ রুচির বৈচিত্র্যবশতঃ সরল ও কুটিল নানা পথে যাহারা চলিয়াছে, তুমিই তাহাদের সকলের একমাত্র লক্ষ্য। পৃথিবীতে এযাবৎ অনুষ্ঠিত সম্মেলনগুলির মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাসম্মেলনে গীতা-প্রচারিত সেই অপূর্ব মতেরই সত্যতা প্রতিপন্ন করিতেছি, সেই বাণীই ঘোষণা করিতেছিঃ ‘যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাংস্তথৈব ভজাম্যহম্। মম বর্ত্মানুবর্তন্তে মনুষ্যাঃ পার্থ সর্বশঃ।।’ (যে কোনও ব্যক্তি যে ভাব আশ্রয় করিয়া আসুক না কেন, আমি তাহাকে সেই ভাবেই অনুগ্রহ করিয়া থাকি। হে অর্জুন মনুষ্যগণ সর্বতোভাবে আমার পথেই চলিয়া থাকে)।’’

    সাম্পদায়িকতা, গোঁড়ামি ও এগুলির ভয়াবহ ফলস্বরূপ ধর্মোন্মত্ততা এই সুন্দর পৃথিবীকে বহুকাল অধিকার করিয়া রাখিয়াছে

    ‘‘সাম্পদায়িকতা, গোঁড়ামি ও এগুলির ভয়াবহ ফলস্বরূপ ধর্মোন্মত্ততা এই সুন্দর পৃথিবীকে বহুকাল অধিকার করিয়া রাখিয়াছে। ইহারা পৃথিবীকে হিংসায় পূর্ণ করিয়াছে, বরাবার ইহাকে নরশোণিতে সিক্ত করিয়াছে, সভ্যতা ধ্বংস করিয়াছে এবং সমগ্র জাতিকে হতাশায় মগ্ন করিয়াছে। এই-সকল ভীষণ পিশাচগুলি যদি না থাকিত, তাহা হইলে মানবসমাজ আজ পূর্বাপেক্ষা অনেক উন্নত হইত। তবে ইহাদের মৃত্যুকাল উপস্থিত; এবং আমি সর্বতোভাবে আশা করি, এই ধর্ম-মহাসমিতির সন্মানার্থ আজ যে ঘণ্টাধ্বনি নিনাদিত হইয়াছে, তাহাই সর্ববিধ ধর্মোন্মত্ততা, তরবারি অথবা লিখনীমুখে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রকার নির্যাতন এবং একই লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর ব্যক্তিগণের মধ্যে সর্ববিধ অসদ্ভাবের সম্পূর্ণ অবসানের বার্তা ঘোষণা করুক।’’

    খেতড়ির রাজা অজিত সিংহের সাহায্যে স্বামীজি পৌঁছান আমেরিকা

    খুব সহজে অবশ্য স্বামীজির (Swami Vivekananda) আমেরিকা সফর সম্পন্ন হয়নি। উত্তর-পূর্ব রাজস্থানে খেতড়ির রাজা অজিত সিং স্বামী বিবেকানন্দকে শিকাগো যাওয়ার জন্য ‘ওরিয়েন্ট’ জাহাজে ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট কিনে দেন বলে জানা যায়। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁকে সহ্য করতে হয়েছিল দারুণ দুঃখ-কষ্ট। তিনি শিকার হন বর্ণ-বিদ্বেষের। কারণ তৎকালীন আমেরিকায় পাশ্চাত্যের লোকেদের কাছে এই ভারত ছিল অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া। শিকাগো পৌঁছে শেষ পর্যন্ত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন হেনরি রাইটের ব্যক্তিগত পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda) ওই সম্মেলনে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন (Vivekananda Chicago Speech)।

LinkedIn
Share