Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • India Pakistan Ceasefire: যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের ভূমিকা থেকে পাকিস্তানের পরমাণু হুমকি, সব খোলসা করলেন মিস্রি, কী বললেন?

    India Pakistan Ceasefire: যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের ভূমিকা থেকে পাকিস্তানের পরমাণু হুমকি, সব খোলসা করলেন মিস্রি, কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে (India Pakistan Ceasefire) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও ভূমিকা ছিল না। অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর সামরিক সংঘর্ষ বিরতির সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে হয়েছে বলে দাবি করলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি (Vikram Misri)। সোমবার সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিদেশ সচিব জানান, গত ১০ মে দুই দেশের ডিজিএমও আলোচনার মাধ্যমে সংঘর্ষিবিরতিতে সায় দেন।

    ট্রাম্পের দাবিকে মান্যতা নয়

    সংঘর্ষবিরতির কথা প্রথম ঘোষণা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ভারত এবং পাকিস্তানের (India Pakistan Ceasefire) তরফে আনুষ্ঠানিক সংঘর্ষবিরতির ঘোষণায় তাঁর নাম উল্লেখ না থাকা সত্ত্বেও বারাবর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতার কারিগর হিসেবে নিজেকেই তুলে ধরেছেন। এই নিয়ে কেন্দ্রকে প্রশ্ন করে বিরোধী দলগুলি। সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন হয়। সংসদীয় কমিটির এক সদস্য প্রশ্ন করেছিলেন, ‘অন্তত ৭ বার প্রকাশ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি সম্ভব হয়েছে তাঁরই জন্য। ভারত চুপ কেন?

    তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা নেই

    এদিন বিদেশসচিব স্পষ্ট বলেন, “ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির (India Pakistan Ceasefire) সিদ্ধান্ত একান্তভাবেই দুই দেশের সম্মতির ভিত্তিতে হয়েছে। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনও তৃতীয় পক্ষের কোনও ভূমিকা নেই।” বিক্রম মিস্রি জানান, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাত ছিল পুরোপুরি প্রচলিত যুদ্ধবিধির মধ্যে। তাঁর কথায়, “পাকিস্তানের তরফে কোনও পরমাণু সংকেত দেওয়া হয়নি। সংঘর্ষের সময় তাদের ব্যবহৃত চিনা প্রযুক্তির অস্ত্র নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল— আমরা তাদের বায়ুসেনা ঘাঁটিগুলিতে কঠোরভাবে আঘাত করেছি।” বিদেশ সচিবের এই বক্তব্য ভারতের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে, যে কাশ্মীর ইস্যুতে কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ভারত গ্রহণ করবে না।

    যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতি

    সূত্রের খবর, পাকিস্তানের এইচ-কিউ ৯ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথাও উঠে আসে কমিটির আলোচনায়। তবে বিদেশসচিব জানান, অস্ত্রের উৎস নয়, আঘাতের কার্যকারিতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সংসদীয় কমিটির একাধিক সদস্য জানতে চান, পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কি ভারতের কয়েকটি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে। বিশেষ করে ফ্রান্সের রাফাল যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতির প্রসঙ্গ উঠে আসে। তবে বিদেশ সচিব জাতীয় নিরাপত্তার কারণে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে চাননি। তিনি জানান, এটা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিষয়, তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। উল্লেখ্য বিদেশ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের রাজীব শুক্ল, দীপেন্দর হুডা, বিজেপির অপরাজিতা ষড়ঙ্গী, অরুণ গোভিল এবং এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসিও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।

    বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে এক ভিডিও ক্লিপে বলতে শোনা গিয়েছিল, “অভিযানের শুরুতেই আমরা পাকিস্তানকে একটি বার্তা দিয়েছিলাম, জানিয়ে দিই যে আমরা সন্ত্রাসী শিবিরে হামলা করছি।” এই বক্তব্য ঘিরে উত্তাল হয় রাজনীতি। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একে ‘অপরাধ’ বলে কটাক্ষ করেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে প্রশ্ন তোলেন, ‘কে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে? এর ফলে আমাদের বিমানবাহিনী কতটি বিমান হারিয়েছে?’ বিদেশ সচিব কমিটিকে জানান, বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “অপারেশনের শুরুতে নয়, সুনির্দিষ্ট আঘাতের পর পাকিস্তানকে জানানো হয়েছিল।” সূত্রের খবর, সোমবারের স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে মিস্রি জানিয়েছেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’–এর প্রথম অভিঘাতের পরে পাকিস্তানকে জানানো হয়েছিল, ভারতের টার্গেট জঙ্গিঘাঁটি, কোনও পাকিস্তানি মিলিটারি ইনস্টলেশন নয়, তাই পাক সেনা যেন ভারতের অপারেশনে বাধা না দেয়। কিন্তু পাকিস্তানি সেনা সেই পরামর্শ শোনেনি, তাই তাদের ফল ভুগতে হয়েছে। অপারেশন শুরুর আগে পাকিস্তানকে কিছুই জানানো হয়নি বলে দাবি মিস্রির।

    তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক

    পাকিস্তানকে সামরিক সাহায্যের অভিযোগ উঠেছিল তুরস্কের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে ইতিমধ্যেই একাধিক লেনদেনের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে ভারত। ভারত–তুরস্কের সম্পর্ক এখন কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে? সূত্রের খবর, এক্ষেত্রে মিস্রি বলেন, ‘আপনারা ইতিহাস ঘেঁটে দেখে নিন, পাকিস্তান এবং তুরস্ক— দু’দেশের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক কোনও দিন বিশেষ ভালো ছিল না। ফলে, নতুন করে সম্পর্কে অবনতির বিষয় নেই।’ মিস্রি ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ট্রোল করা হয়েছিল, এ দিনের বৈঠকে স্ট্যান্ডিং কমিটি সর্বসম্মত ভাবে তার নিন্দা করেছে।

  • Daily Horoscope 20 May 2025: শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 20 May 2025: শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন এই রাশির জাতকরা

    মেষ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদোন্নতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মে উন্নতি।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় দারুণ অর্থপ্রাপ্তির যোগ রয়েছে।

    ২) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুদের সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় সহকর্মীর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য সমস্যার কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসা নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) বাড়িতে অশান্তির  সম্ভাবনা ও সেই কারণে মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ayurveda Day: ধনতেরাসে নয়! প্রতি বছর ২৩ সেপ্টেম্বর পালিত হবে আয়ুর্বেদ দিবস, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    Ayurveda Day: ধনতেরাসে নয়! প্রতি বছর ২৩ সেপ্টেম্বর পালিত হবে আয়ুর্বেদ দিবস, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়ুর্বেদ নিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার (Modi government)। এবার থেকে প্রতি বছর ২৩ সেপ্টেম্বর পালিত হবে “আয়ুর্বেদ দিবস” (Ayurveda Day)। এতদিন আয়ুর্বেদ দিবস ধনতেরস উপলক্ষে পালিত হত, যা হিন্দু চন্দ্র ক্যালেন্ডারের ভিত্তিতে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে পড়ে। তবে এবার থেকে একটি নির্দিষ্ট দিনে আয়ুর্বেদ দিবস পালনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে এই প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির গুরুত্ব আরও বেশি করে তুলে ধরা হবে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    আয়ুষ মন্ত্রক জানিয়েছে, ধনতেরস-এর তারিখ প্রতিবার তিথি ও নক্ষত্র মেনে পরিবর্তিত হওয়ায়, আয়ুর্বেদ দিবসের (Ayurveda Day) উদযাপন নিয়মিত ও সুসংগঠিতভাবে করা যাচ্ছিল না। ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধনতেরসের তারিখ ১৫ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বরের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে—এই অনিশ্চয়তা কাটাতেই এই বড় সিদ্ধান্ত। এই বিষয়ে আয়ুষ মন্ত্রকের অধীনে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যারা বিকল্প তারিখ খুঁজে বার করেন। তাদের পরামর্শে চারটি সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করা হয়। সব দিক বিচার করে ২৩ সেপ্টেম্বরকে চূড়ান্ত করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ও রাত প্রায় সমান। এই দিনটি প্রকৃতির ভারসাম্যের প্রতীক। আয়ুর্বেদের (Ayurveda Day) মূল দর্শনও এই ভারসাম্য—মন, শরীর ও আত্মার মধ্যে সুষম অবস্থান বজায় রাখা। এই দৃষ্টিকোণ থেকে এই তারিখ বেছে নেওয়া হয়েছে একটি পরম্পরাগত এবং বিজ্ঞানের সমন্বিত সিদ্ধান্ত হিসেবে।

    আয়ুর্বেদে গুরুত্ব সরকারের

    আয়ুষ মন্ত্রক বলেছে, এই নতুন তারিখ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে আয়ুর্বেদকে নতুন পরিচয় দেবে। ভারতের প্রাচীন জ্ঞান-ভাণ্ডারকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। এখন থেকে দেশজুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা সংস্থা, গবেষণা কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলিকে ২৩ সেপ্টেম্বর আয়ুর্বেদ দিবস পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। মোদি সরকার বরাবরই আয়ুর্বেদ ও অন্যান্য প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা পদ্ধতির প্রচার ও প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। ইতিমধ্যেই দেশে ও বিদেশে একাধিক আয়ুর্বেদ বিশ্ববিদ্যালয়, রিসার্চ সেন্টার ও হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে। ‘আয়ুষ’ শিল্পও গত কয়েক বছরে ব্যাপক হারে বিকশিত হয়েছে।

  • Supreme Court: ‘‘ভারত কোনও ধর্মশালা নয়’’, শ্রীলঙ্কার নাগরিকের এদেশে থাকার আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘‘ভারত কোনও ধর্মশালা নয়’’, শ্রীলঙ্কার নাগরিকের এদেশে থাকার আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Sri Lankan National) এক নাগরিক ভারতে আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সোমবার তা খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে যে, ভারত কোনও ধর্মশালা নয়। এদিন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই এমন মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, আবেদনকারীকে শ্রীলঙ্কায় সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (এলপ্রটিটিই)-এর সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ২০১৫ সালে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    ২০১৮ সালে দোষী সাব্যস্ত হয় ওই ব্যক্তি (Supreme Court)

    ২০১৮ সালেই, ট্রায়াল কোর্ট অভিযুক্ত এই শ্রীলঙ্কার নাগরিককে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে। এরপর তার ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। ২০২২ সালে, মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাঁর সাজা কমিয়ে সাত বছর করে। এর পাশাপাশি নির্দেশে উল্লেখ ছিল যে, সাজা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দোষীকে ভারত ছেড়ে চলে যেতে হবে। তবে ওই দোষী দিন কয়েক একটি শরণার্থী শিবিরে থাকার সুযোগ পাবেন।

    কী বললেন বিচারপতি?

    আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) জানিয়েছিলেন যে- নিজের দেশে তাঁর জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকায় তিনি ভিসা নিয়েই ভারতে এসেছিলেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা ভারতেই রয়েছেন। তিনি প্রায় তিন বছর ধরে এখানে আটক রয়েছেন বলেও জানান ওই শ্রীলঙ্কার নাগরিক। এরপরেই তিনি ভারতে থাকার আবেদন জানান। জবাবে, বিচারপতি দত্ত বলেন, ‘‘ভারত কি সারা বিশ্ব থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় দেবে? এ দেশে এমনিতেই ১৪০ কোটি মানুষের বসবাস। এটি কোনও ধর্মশালা নয় যেখানে আমরা সারা বিশ্বের বিদেশি নাগরিকদের আতিথেয়তা দিতে পারি।’’ এক্ষেত্রে আবেদনকারীর আইনজীবী সংবিধানের ২১ (জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা) এবং অনুচ্ছেদ ১৯ ধারা উল্লেখ করেন। এই ধারা গুলির মাধ্যমে যেকোনও ভারতীয় বাকস্বাধীনতা এবং চলাফেরার স্বাধীনতা-সহ মৌলিক অধিকার ভোগ করেন। এক্ষেত্রে বিচারপতি দত্ত বলেন, ‘‘আবেদনকারীর আটক ২১ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে না কারণ তাঁকে আইন অনুসারে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।’’

  • China: অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে স্যাটেলাইট তথ্য দিয়ে সাহায্য করে চিন, বলছে রিপোর্ট

    China: অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে স্যাটেলাইট তথ্য দিয়ে সাহায্য করে চিন, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে চিন (China) সরাসরি পাকিস্তানকে সাহায্য করেছে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত-পাক যুদ্ধে পাকিস্তানকে কৃত্রিম উপগ্রহের নজরদারির মারফত সহায়তা প্রদান করেছে বেজিং। রেডার পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রেও ইসলামাবাদকে বেজিং সাহায্য করেছে বলে অভিযোগ।

    রাজস্থানের আন্তর্জাতিক সীমান্তের উপর বেজিঙের উপগ্রহকে পাক খেতে দেখা গিয়েছে

    ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সীমান্তে ভারতীয় সেনার (India Pakistan War) গতিবিধির ওপর নজর রাখতে একাধিক ‘গুপ্তচর’ উপগ্রহকে কাজে লাগায় চিন (China)। এভাবেই তারা সেই তথ্য পাঠিয়ে দিতে থাকে রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদর দফতরে। তবে চিনের এত সাহায্য়ের পরেও শেষ রক্ষা হয়নি। সাফল্যের সঙ্গে প্রত্যাঘাত চালায় দিল্লি। এদিকে একাধিক পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভারতীয় সেনার গতিবিধির ওপর নজরদারি শুরু করে চিনা উপগ্রহ। কীভাবে সামনে এল বিষয়টি? প্রথম বার এটি নজরে আসে ওপেন-সোর্স ইনটেলিজেন্স বা ও এসআইএনটির গোয়েন্দাদের। তাঁরাই জানিয়েছেন, অপারেশন সিঁদুরের আবহে বহু বার রাজস্থানের আন্তর্জাতিক সীমান্তের উপর বেজিঙের উপগ্রহকে পাক খেতে দেখা গিয়েছে।

    ভারতের ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ দূর্দান্ত কাজ করায় ব্যর্থ হয় পাকিস্তান

    আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, পাকিস্তানের ফৌজ যখন (India Pakistan War) রাজস্থানে ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছিল, তখনই ওই এলাকার ওপর নজরদারি চালায় চিনের উপগ্রহ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেজিঙের সাহায্য নিয়ে ওই হামলা পরিচালনা করছিলেন রাওয়ালপিন্ডির পাক সেনা অফিসাররা। তবে ভারতের ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) দুর্দান্তভাবে কাজ করায় সেগুলি শূন্যেই ধ্বংস হয়ে যায়।

    ইসলামাবাদকে সুবিধা করে দিতেই মাঠে নামে চিন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে চিনের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএর কাছে রয়েছে নজরদারি এবং অনুসন্ধানমূলক কাজ ভালো ভাবে করতে সক্ষম একগুচ্ছ কৃত্রিম উপগ্রহ। সূত্রের খবর মিলেছে, ভারত-পাক যুদ্ধে ইসলামাবাদকে সুবিধা করে দিতেই সেগুলির বড় অংশকে কাজে লাগায় চিন। এক কথায় ভারতের বিরুদ্ধে ছায়া যুদ্ধ চালায় বেজিং। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতীয় সেনা বাহিনীর যুদ্ধকৌশল, এয়ার ডিফেন্স সার্ভিস ব্যবহারের পদ্ধতি ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহই ছিল চিনা উপগ্রহগুলির মূল উদ্দেশ্য।

    নিজেদের উপগ্রহগুলিকে আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানকে দিয়েছে চিন

    পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমগুলি তাদের প্রতিবেদনে আরও দাবি করেছে, ‘পাকিস্তান রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট-১’ (পিআরএসএস-১) এবং পাকস্যাট-এমএম১ নামের আরও দুটি কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্য় পাচ্ছিল পাকিস্তান। এগুলির নিয়ন্ত্রণও রয়েছে চিনের হাতেই। সূত্রের খবর, ভারতের উন্নত এয়ার ডিফেন্সকে ধ্বংস করতে ভবিষ্যতে এই ধরনের উপগ্রহগুলিকে আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানকে দিয়েছে চিন।

    পাকিস্তানকে উপগ্রহভিত্তিক যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে চিন

    আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য এই যে পশ্চিম সীমান্তে ভারতকে ব্যস্ত রাখতে ইতিমধ্যেই পাক ফৌজকে উপগ্রহভিত্তিক যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে চিন। সূত্রের খবর, পহেলগাঁওয়ের হামলার সময় নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলতে ভারতে নিষিদ্ধ চিনা অ্যাপগুলি ব্যবহার করেছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় চিনের সঙ্গে সংঘাতের সময় সংশ্লিষ্ট অ্যাপগুলিকে নিষিদ্ধ করে নয়াদিল্লি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই অ্যাপগুলিতে তথ্য গোপনের পন্থা (এনক্রিপশন) অনেক বেশি শক্তিশালী এবং আধুনিক। এগুলিকে হ্যাক করা খুবই কঠিন।

    কেন পাকিস্তানকে সাহায্য করছে চিন

    পাকিস্তানকে সাহায্য করার পিছনে জড়িয়ে রয়েছে চিনের নিজস্ব স্বার্থ। বেজিং আশঙ্কা করছে, অরুণাচল প্রদেশ বা লাদাখের সীমান্ত সংঘাতকে কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে তাদেরকেও। তাই পাকিস্তানের সঙ্গে এই ‘যুদ্ধে’ ব্যবহার হওয়া নয়াদিল্লি আক্রমণ পদ্ধতি বুঝে নিতেই নিজেদের ‘গুপ্তচর’ উপগ্রহগুলিকে কাজে লাগায় তারা। একইসঙ্গে এই যুদ্ধে ইসলামাবাদকে বিক্রি করা অস্ত্রগুলির শক্তি পরীক্ষার ওপরেও নজর রেখেছিল বেজিং (China)। তবে সেখানে অবশ্য় একেবারে ফেল করেছে চিন। চিনা হাতিয়ার ‘ডাহা ফেল’ করায় পাকিস্তানের সামনেও মুখ পুড়েছে চিনের।

    চিনের বিক্রি করা অস্ত্রের ৬০ শতাংশই পাকিস্তান কিনেছে

    চিনের বিক্রি করা অস্ত্রের ৬০ শতাংশই পাকিস্তান কিনেছে বলে জানা গিয়েছে। সংঘাত চলাকালীন ড্রোন হামলা চালিয়ে পাক পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরের ‘এয়ার ডিফেন্স’কে উড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। এখানেই মোতায়েন ছিল চিনের তৈরি ‘এইচকিউ-৯পি’ নামের একটি এয়ার ডিফেন্স। এ ছাড়াও চিনের জেএফ-১৭ নামের দু’টি লড়াকু জেটকে ধ্বংস করে নয়াদিল্লি।

    চিনের সংবাদমাধ্যমে ভুয়ো খবর ছাপা হয় রাফাল নিয়ে

    ভারতীয় বিমানবাহিনীর রাফাল লড়াকু জেটকে ইসলামাবাদ ধ্বংস করেছে বলে খবর প্রকাশ করে চিন (China)। সেদেশের সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল টাইমস’- এ প্রকাশিত হয় এই খবর। এর পরেই ‘গ্লোবাল টাইমস’কে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য ‘ফ্যাক্ট চেক’ পাঠায় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি। তখন বাধ্য হয়ে ভুল খবর প্রকাশ করার কথা স্বীকার করে নেয় চিনের এই সরকারি সংবাদমাধ্যম। এই আবহে রাফালকে ধ্বংস করতে বেজিঙের জে-১০সি লড়াকু জেট ব্যবহার হয়েছে বলে দাবি করেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাঁর বক্তব্য খারিজ করে দেয় চিন।

  • ISI: গোপন তথ্য দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে! এ বার গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের শাহজাদ

    ISI: গোপন তথ্য দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে! এ বার গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের শাহজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ফের গ্রেফতার করা হল একজনকে। শনিবারই উত্তরপ্রদেশের রামপুর জেলা থেকে সন্ত্রাসদমন শাখা (এটিএস) গ্রেফতার করে শাহজাদ নামের একজনকে। তাঁকে আপাতত নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, একাধিকবার পাকিস্তানেও গিয়েছেন শাহজাদ। সেখানে আইএসআই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও হত তাঁর। সন্ত্রাস দমন শাখার আরও চাঞ্চল্যকর দাবি, শাহজাদ রামপুর ও উত্তর প্রদেশের অন্যান্য অংশ থেকে সাধারণ মানুষদের পাকিস্তানে পাঠাত আইএসআই-র হয়ে কাজ করার জন্য।

    শাহজাদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ

    জানা গিয়েছে, শাহজাদ পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) হাতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা গোপন তথ্য তুলে দিতেন। আইএসআই-এর শীর্ষকর্তাদের একাংশের সঙ্গেও তাঁর সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে বিগত কয়েক দিন ধরেই শাহজাদ নামের ওই যুবকের উপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ। শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ১৪৮ ও ১৫২ ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    শাহজাদ একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন

    আরও জানা যাচ্ছে, শাহজাদ একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। সেখানেই আইএসআই-এর (ISI) মদতে তিনি সীমান্ত পেরিয়ে নানা জিনিস চোরাচালান করতেন বলে জানা যাচ্ছে। চোরাচালানের কারবারের আড়ালেই এই চরবৃত্তি চলত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তরকারীরা। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানে আইএসআই-এর (ISI) লোকজনকে ভারতের সিমকার্ড দেওয়া, এদেশে আইএসআই এজেন্টদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    জ্যোতির পরে হরিয়ানায় গ্রেফতার নোমান ইলাহী

    জ্যোতি মলহোত্রার পরেই পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির (ISI) অভিযোগে হরিয়ানা থেকে নোমান ইলাহী নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, তিনি উত্তরপ্রদেশের শামলীর বাসিন্দা তবে কর্মসূত্রে থাকতেন হরিয়ানায়। হরিয়ানার পানিপথে একটি কারখানায় নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন নোমান। কাজের আড়ালেই চলত চরবৃত্তি। প্রসঙ্গত, চরবৃত্তির অভিযোগে কয়েক দিন আগে গ্রেফতার হয়েছেন হরিয়ানার বছর পঁচিশের এক পড়ুয়াও।

  • Golden Temple: স্বর্ণমন্দির লক্ষ্য করে মিসাইল-ড্রোন হামলা পাকিস্তানের! কীভাবে রুখল ভারত, ভিডিও প্রকাশ সেনার

    Golden Temple: স্বর্ণমন্দির লক্ষ্য করে মিসাইল-ড্রোন হামলা পাকিস্তানের! কীভাবে রুখল ভারত, ভিডিও প্রকাশ সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃতসরের বিখ্যাত স্বর্ণমন্দির (Golden Temple) ধ্বংসের লক্ষ্যে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু ঐতিহাসিক এই মন্দিরের গায়ে একটি আঁচড়ও লাগেনি। কারণ পাক মিসাইল আর ড্রোন হামলার সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। অপারেশন সিঁদুরের জবাবে ভারতে পাল্টা হামলার ছক কষেছিল পাকিস্তান। ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছিল স্বর্ণ মন্দিরেও। গত ৮ মে ভোররাতে পাকিস্তান ড্রোন ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়। তবে ভারতীয় সেনা আগে থেকেই প্রস্তুত থাকায় তা প্রতিহত হয়। ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় এক ইঞ্চিও ক্ষতি হতে দেয়নি পবিত্র এই ধর্মস্থানের।

    কীভাবে প্রতিহত হল হামলা

    পাক সেনার ছক প্রতিহত করেছে ভারত। ভারতের প্রত্যাঘাতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে লাহোরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ভয় পেয়েছে ইসলামাবাদ। ৫১তম ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং পদে থাকা মেজর জেনারেল কার্তিক সি শেষাদ্রি জানান, “আমরা জানতাম পাকিস্তান নির্দিষ্ট কোনও টার্গেট পাবে না হামলা চালানোর জন্য। তাই ওরা ভারতীয় সেনার ঘাঁটি এবং জনবসতিতে হামলা করবে। জনবসতির মধ্যে থাকা ধর্মস্থানেও পাক হামলার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। ধর্মস্থানের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত স্বর্ণমন্দির (Golden Temple)। তাই ৮ মে অমৃতসর লক্ষ্য করে হামলা শুরু হতেই আমরা স্বর্ণমন্দির সুরক্ষিত রাখতে একটি ছাতা গড়ে তুলি।” মেজর জেনারেল শেষাদ্রি আরও জানান, মূলত ড্রোন এবং দূরপাল্লার মিসাইলের মাধ্যমে ওইদিন হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেটা রুখতে পুরোপুরি তৈরি ছিল সেনা। তাঁর কথায়, “আমাদের সাহস এবং সতর্কতা পাক সেনার জঘন্য ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রত্যেকটি ড্রোন এবং মিসাইলকে গুলি করে নামানো হয়েছে। স্বর্ণমন্দিরের কোনও ক্ষতি হয়নি।”

    ভিডিও প্রকাশ সেনার

    কীভাবে পাক হানা রুখে দেওয়া হল, তার বিশদ বিবরণ দিয়ে সোমবার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয় সেনার তরফে। সেখানে আকাশ মিসাইল সিস্টেম, এল-৭০ এয়ার ডিফেন্স গানের ব্যবহার দেখানো হয়েছে। অমৃতসর-সহ পাঞ্জাবের অন্যান্য শহরগুলিকে রক্ষা করেছিল এই সিস্টেমই। কীভাবে পাক হামলার সামনে দুর্ভেদ্য প্রাচীর গড়েছে সেনা, তুলে ধরা হয়েছে সেনার প্রকাশিত এই ভিডিওতে। পাকিস্তান মূলত ড্রোন, লয়টারিং মিউনিশন ও দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়। কিন্তু ভারতের প্রতিরক্ষা গঠনতন্ত্র ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে সক্ষম হওয়ায় সব ধরনের হুমকিকে আগেভাগেই ধ্বংস করে দেয়। ভারতের ৩৬ জায়গায় হামলার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। প্রতি বারই পাকিস্তানের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেছে ভারতীয় বাহিনী। ৩০০ থেকে ৪০০ বার ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে সেই হামলা প্রতিহত করেছে ভারতীয় সেনা। বেশ কয়েকটি পাক ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

  • Jyoti Malhotra: জ্যোতিকে চর হিসেবে গড়ে তুলছিল আইএসআই! জানুয়ারিতেই গিয়েছিলেন পহেলগাঁও, উঠে এল তদন্তে

    Jyoti Malhotra: জ্যোতিকে চর হিসেবে গড়ে তুলছিল আইএসআই! জানুয়ারিতেই গিয়েছিলেন পহেলগাঁও, উঠে এল তদন্তে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানার ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রা। পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pak Agents) অভিযোগে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। রবিবারই এই খবর সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দাদের কাছে গোপন তথ্য পাচার করতেন জ্যোতি (Jyoti Malhotra)। শুধু তাই নয়, পুলিশে তরফে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে, যে পহেলগাঁও হামলার আগে জানুয়ারি মাসেই সেখানেই ঘুরতে যান জ্যোতি। অপারেশন সিঁদুরের আবহেও পাকিস্তানি এজেন্টদের সঙ্গে জ্যোতি মালহোত্রা যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। তবে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত কোনও তথ্য তিনি পাননি, কারণ ততদূর পর্যন্ত পৌঁছানোর ক্ষমতা তাঁর ছিল না। জানা যাচ্ছে, জ্যোতিকে ‘অ্যাসেট’ বা চর হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিল পাকিস্তান।

    কী জানালেন হিসারের পুলিশ সুপার

    এ নিয়ে সামনে এসেছে হিসারের পুলিশ সুপার শশাঙ্ক কুমার শাওনের বিবৃতি। রবিবারই উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন যে,  জ্যোতি মালহোত্রাকে (Jyoti Malhotra) পাকিস্তানের ভ্রমণে নিয়ে যায় সে দেশের গোয়েন্দারা। তাঁদের টাকাতেই একাধিকবার পাকিস্তানের গিয়েছেন জ্যোতি। পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন যে, পহেলগাঁও হামলায় যদি কোনও যোগসূত্র থাকে, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে তদন্তে। পুলিশ সুপারের দাবি, আধুনিক যুদ্ধ কেবলমাত্র সীমান্তে গুলি-বারুদের লড়াইতেই হয় না। পাকিস্তানি এজেন্টরা (Pak Agents) তাঁদের নিজেদের বক্তব্য প্রচারের জন্য এদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা প্রভাবশালী রয়েছেন, তাঁদের ‘অ্যাসেট’ (গুপ্তচর দুনিয়ার পরিভাষায় বিদেশে থাকা চর) হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। সেই লক্ষ্যেই জ্যোতিকে তারা গড়ে তুলছিল পাকিস্তান।

    চিন সফরও করে পাকিস্তানের চর জ্যোতি (Jyoti Malhotra)

    হিসারের পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, জ্যোতি মালহোত্রা সাম্প্রতিককালে একবার চিন সফরও করেছেন। জ্যোতি মালহোত্রার ভ্রমণের যে ব্যয় তা তাঁর আয়ের থেকে অনেক বেশি বলে দেখা যাচ্ছে। এনিয়েই এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ‘‘আমরা জ্যোতি মালহোত্রা আর্থিক বিবরণটা বিশ্লেষণ করছি। ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের সময় জ্যোতি মালহোত্রা পাকিস্তানি এজেন্টদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগে ছিলেন। দেখা যাচ্ছে, তাঁর ভ্রমণের যে অর্থ ব্যয় করেছেন তিনি, তা তাঁর মোট আয়ের থেকেও বেশি। এই টাকা তিনি কোথা থেকে পেয়েছেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

    অপারেশন সিঁদুরের সময়ও পাক এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জ্যোতির

    প্রসঙ্গত, জ্যোতি মালহোত্রার (Jyoti Malhotra) চ্যানেলের নাম হল ‘ট্রাভেল উইথ জো’। শনিবারই জ্যোতিকে গ্রেফতার করা হয়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির তরফ থেকে গোপন তথ্য পাওয়ার পরেই এই কাজ করে হরিয়ানা পুলিশ। পাকিস্তানের এজেন্টদের সঙ্গে জ্যোতির যোগাযোগ অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল বলে জানিয়েছে প্রশাসন। যাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিল এহসান-উর-রহিম। যাঁর অপর নাম দানিশ। এই পাকিস্তানি এজেন্ট নয়া দিল্লিতে পাক হাই কমিশনের একজন কর্মচারী বলেই জানা গিয়েছে।

    পাক হাইকমিশনের ইফতার পার্টিতেও ছিল জ্যোতি

    গত বছরে ড্যানিসের সঙ্গেই পাক হাইকমিশন একটি বিশেষ ইফতার পার্টিতেও যোগদান করেছিলেন জ্যোতি মালহোত্রা। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ভারতের অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রশাসন মনে করছে, এই মামলায় আরও অনেকেই জড়িত থাকতে পারে। গ্রেফতারের পর জ্যোতিকে আদালতে তোলা হলে তাঁকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    চিন-বাংলাদেশ-পাকিস্তানের হাইকমিশনের কর্মীদের ওপর কড়া নজর রাখে দিল্লি

    অন্যদিকে, এই ঘটনায় জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিজিপি, শেস পল বৈদ্য জানিয়েছেন যে পাকিস্তানি গুপ্তচরের কাছে হানি ট্রাপে পড়েছিলেন জ্যোতি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পহেলগাঁওয়ে গিয়েছিলেন তিনি। প্রাক্তন ডিজিপি আরও জানিয়েছে, বর্তমান কালে আমাদের দেশে পাকিস্তান, চিন এবং বাংলাদেশের হাইকমিশনের কর্মীরা কোথায় কোথায় যাচ্ছেন তা কড়া নজরদারিতে রাখেন আমাদের গোয়েন্দারা।

    ২০২৩ সালে প্রথম পাকিস্তানে যান জ্যোতি

    পাকিস্তান গিয়ে জ্যোতি একাধিক আইএসআই এজেন্ট এবং কর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের মধ্যে শাকির আর রান শাহবাজ নামের দুই পাক এজেন্টের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। গত তিন বছরে হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে বড় চর নেটওয়ার্ক তৈরি করেন জ্যোতি। জানা যাচ্ছে, পাক এজেন্টদের মোবাইল নম্বর অন্য নামে সেভ করা রয়েছে তাঁর ফোনে। নিয়মিত যোগাযোগ থাকত এঁদের সকলের সঙ্গে। সূত্রের খবর, কথা চলত হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাটে। হরিয়ানা থেকে গ্রেফতার হওয়া জ্যোতি মালহোত্রার বিভিন্ন ডিভাইস ঘেঁটে উঠে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০২৩ সালে প্রথম পাকিস্তান যান জ্যোতি। সেই সময়েই নয়াদিল্লিতে পাকিস্তান হাই কমিশনের আধিকারিক এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। বাড়ে ঘনিষ্ঠতা। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই এই দানিশকে ভারতে অবাঞ্ছিত বলে ঘোষণা করে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

  • India vs Pakistan: বাইশ গজেও বয়কট পাকিস্তান! এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের পথে ভারত

    India vs Pakistan: বাইশ গজেও বয়কট পাকিস্তান! এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত উত্তেজনার রেশ ফের বাইশ গজে। ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) সাম্প্রতিক সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (ACC) আসন্ন প্রতিযোগিতাগুলি থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI)। ইতিমধ্যে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকে এই ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছে বিসিসিআই।

    কেন সরছে ভারত

    আগামী মাসেই শ্রীলঙ্কায় মহিলাদের এমার্জিং এশিয়া কাপ (Asia Cup) শুরু হতে চলেছে। এরপর আগামী সেপ্টেম্বর মাসে পুরুষদের এশিয়া কাপের আসর বসবে। এই দুটো টুর্নামেন্ট থেকেই ভারতীয় ক্রিকেট দল নিজেদের নাম প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বর্তমানে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের শীর্ষপদে রয়েছেন পাকিস্তানের মন্ত্রী মহসিন নকভি। তিনি আবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও (PCB) চেয়ারম্যান। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে দুরত্ব বজায় রাখার জন্যই এহেন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিসিসিআই। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘ভারতীয় দল এমন কোনও টুর্নামেন্ট খেলবে না যেটা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল আয়োজন করবে। কারণ এই কাউন্সিলের শীর্ষপদে একজন পাকিস্তানের মন্ত্রী রয়েছেন। এই ঘটনার সঙ্গে দেশের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আমরা মৌখিকভাবে এসিসি-কে এই ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছি। বলে দিয়েছি যে আসন্ন মহিলা এমার্জিং এশিয়া কাপে টিম ইন্ডিয়া অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এমনকী, ভবিষ্যতেও অন্য টুর্নামেন্টে ভারত অংশগ্রহণ করবে কি না, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে হবে। ভারত সরকারের সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাচ্ছি।’

    ভারত না থাকলে প্রভূত ক্ষতি

    আগামী সেপ্টেম্বর মাসে যে পুরুষদের এশিয়া কাপে ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা খেলতে নামার কথা। গোটা বিষয়টা নিয়ে আপাতত চূড়ান্ত অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিসিসিআই খুব ভালো করেই জানে যে ভারত ছাড়া এশিয়া কাপ আয়োজন কার্যত দুষ্কর ব্যাপার। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অধিকাংশ স্পনসরই ভারত থেকে আসে। তার উপরে এশিয়া কাপে যদি ভারত-পাকিস্তান ম্য়াচেরই আয়োজন করা না হয়, তাহলে সম্প্রচারকারী সংস্থাকেও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। ২০২৪ সালে এশিয়া কাপের স্বত্ত্ব আগামী ৮ বছরের জন্য সোনি পিকচার্স নেটওয়ার্ক ইন্ডিয়াকে দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির জন্য সোনি পিকচার্সকে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে। যদি এই বছর এশিয়া কাপে ভারত না খেলে, তাহলে এই চুক্তি নিয়েও নতুন করে ভাবনাচিন্তা করতে হবে।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘শক্তিশালী হলে তবেই বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে’’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘শক্তিশালী হলে তবেই বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘এই বিশ্ব ভালোবাসার ভাষা তখনই শুনবে যদি তোমার শক্তি থাকে। ভারত (Bharat) হল পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম সভ্যতা। বর্তমানে আমরা কাজ করছি বিশ্ব শান্তি এবং সম্প্রতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।’’ রাজস্থানের জয়পুরে এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সর সংঘচালক চালক ডঃ মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সে রাজ্যের জয়পুরে রবিনাথ আশ্রমে একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন সংঘপ্রধান। সেখানেই তাঁকে এই কথাগুলি বলতে শোনা যায়। একইসঙ্গে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘এদেশের ইতিহাস আত্মত্যাগের ইতিহাস। ভগবান রামচন্দ্র থেকে ধামাশাহ আমরা প্রত্যেকেই তাঁদের পুজো করি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতের কর্তব্য হল, গোটা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া। কিন্তু তার জন্য অবশ্যই শক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’’ অপারেশন সিঁদুর সফল হওয়ার পরে সংঘ প্রধানের এমন বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।পাকিস্তানে প্রত্যাঘাত করে ভারত যে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে তাতে গোটা বিশ্ব এদেশের সামরিক শক্তি প্রত্যক্ষ করেছে।

    এ দেশ কারও ক্ষতি করতে চায় না (Mohan Bhagwat)

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, ‘‘এ দেশ কারও ক্ষতি করতে চায় না। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমাদেরকে শক্তিশালী হতে হবে। কারণ শক্তিশালী হলেই গোটা বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে। কারণ এটাই বিশ্বের প্রকৃতি। এই প্রকৃতিকে কখনও পরিবর্তন করা যাবে না। যে কারণে পৃথিবীর কল্যাণের জন্য আমাদেরকে শক্তিশালী হতে হবে এবং সারা বিশ্ব সাক্ষী থাকবে আমাদের শক্তির।’’

    জাতির কর্তব্য হল সারা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, ‘‘সমস্ত দিক দিয়ে ভারত বর্তমানে এগিয়ে চলেছে। বর্তমানে আমাদের জাতির কর্তব্য হল, সারা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া। কারণ পৃথিবীর কল্যাণই আমাদের ধর্ম। বিশেষত হিন্দু ধর্মে এটা আমাদের পবিত্র কর্তব্য। এটা প্রাচীন ভারতীয় প্রথার মধ্যেও রয়ে গিয়েছে। আমরা ঋষি মুনিদের আমল থেকেই তা দেখতে পাচ্ছি। বর্তমানেও সেই একই ধারা প্রবাহিত রয়েছে।’’

LinkedIn
Share