Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • India Russia Defence: আরও ‘সুদর্শন-চক্র’ কিনতে উদ্যোগী ভারত, রাশিয়ার প্রস্তাব ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সু-৫৭

    India Russia Defence: আরও ‘সুদর্শন-চক্র’ কিনতে উদ্যোগী ভারত, রাশিয়ার প্রস্তাব ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সু-৫৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে সদ্যসমাপ্ত এসসিও সম্মেলেনর ফাঁকে নরেন্দ্র মোদি ও ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে একান্ত আলাপচারিতার ছবি সকলেই দেখেছেন। বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ বলে সম্বোধন করে বরাবরের মতোই হাতে-হাত মিলিয়ে চলার প্রতিজ্ঞা করেন। জবাবে মোদি বলেন, ‘‘কঠিন সময়েও ভারত ও রাশিয়া একে অপরের পাশে থেকেছে।’’ এর ঠিক দুদিন পরই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্পর্কিত বড় খবর সামনে এল। একদিকে যেমন জানা যাচ্ছে, নয়াদিল্লিকে তেলের দামে আরও ছাড় দিতে চলেছে মস্কো। তেমনই সামরিক (India Russia Defence) ক্ষেত্রেও ভারতকে আরও শক্তিশালী করতে অতিরিক্ত ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ (S-400 Triumf) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ‘সু-৫৭’ (Su-57) যুদ্ধবিমান নিয়ে কথা চালাচ্ছে রাশিয়া।

    ভারতকে রাশিয়ার প্রস্তাব

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ৫০ শতাংশ শুল্কের কাছে মাথা নত না করা এবং সেই প্রবল চাপকে উপেক্ষা করে বন্ধু রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি জারি রাখার ‘লাভ’ তুলতে চলেছে ভারত! মোদি-পুতিন বৈঠকের পর আরও বৃদ্ধি পেতে চলেছে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক সখ্যতা (India Russia Defence)। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি বিষয়ক এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে রাশিয়ার তাস সংবাদসংস্থা জানিয়েছে যে, আরও বেশি সংখ্যক এস-৪০০ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম সরবরাহ করা নিয়ে নয়াদিল্লি এবং মস্কোর মধ্যে আলোচনা চলছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার ‘ফেডারেল সার্ভিস ফর মিলিটারি-টেকনিক্যাল কোঅপারেশন’-এর প্রধান দিমিত্রি শুগায়েভ জানিয়েছেন, এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ (S-400 Triumf) আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও বেশি কেনার বিষয়ে দুদেশের মধ্যে কথাবার্তা চলছে।

    আরও ‘সুদর্শন চক্র’ কেনার উদ্যোগ

    ২০১৮ সালে ভারত ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে রাশিয়ার সঙ্গে পাঁচটি এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ দূরপাল্লার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কেনার চুক্তি করে। এর মধ্যে প্রথম তিনটি ইউনিট পৌঁছালেও, বাকি দুই ইউনিটের ডেলিভারি একাধিকবার পিছিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেষ দুটি এস-৪০০ (S-400 Triumf) ইউনিট ভারতকে সরবরাহ করবে রাশিয়া ২০২৬ এবং ২০২৭ সালে। তার মধ্যেই বাড়তি ইউনিটের জন্য মস্কোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করে দিল ভারত, বলে দাবি রুশ সংবাদসংস্থার। এখানে উল্লেখ করা দরকার, ভারতে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম পরিচিত ‘সুদর্শন চক্র’ নামে। গত মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের সময় এই সুদর্শন চক্র দিয়ে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে ভারত।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সু-৫৭

    একদিকে রাশিয়ার থেকে অতিরিক্ত এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম কেনার জন্য যেমন আলোচনা চালাচ্ছে ভারত, তেমনই অন্যদিকে, নয়াদিল্লির সামনে ফের একবার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সু-৫৭ স্টেলথ যুদ্ধবিমানের প্রস্তাব পেড়েছে মস্কো (India Russia Defence)। সংবাদসংস্থা তাস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়া এখন ভারতেই তাদের অত্যাধুনিক সু-৫৭ ফিফথ-জেনারেশন বা পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করার সম্ভাবনা যাচাই করছে। ভারতীয় বায়ুসেনার আধুনিক যুদ্ধবিমানের চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবনার আওতায় কত পরিমাণ বিনিয়োগ লাগবে, তা নিয়ে রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ বিস্তারিতভাবে গবেষণা করছে।

    একই কারখানায় সু-৩০ ও সু-৫৭!

    ভারত ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তাদের প্রয়োজন অন্তত দুই থেকে তিন স্কোয়াড্রন (৪০-৬০) পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। তার পর থেকেই, রাশিয়া বহুদিন ধরেই ভারতকে সি-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনার জন্য অনুরোধ করে আসছে। রাশিয়ার পেশ করা প্রস্তাব অনুয়ায়ী, বর্তমানে ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) ইতিমধ্যেই নাসিকের কারখানায় লাইসেন্স নিয়ে রাশিয়ার সু-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান উৎপাদন করছে। প্রয়োজনে সেই একই কারখানাটিকে সু-৫৭ (Su-57) যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও, ভারতের বিভিন্ন কারখানায় ইতিমধ্যে রাশিয়ান প্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন হয়। যেগুলিকে ব্যবহার করে সু-৫৭ তৈরি করলে খরচ অনেকটাই কমে যাবে বলে অনুমান (India Russia Defence)।

    প্রসঙ্গত, ভারত আগে রাশিয়ার ফিফথ-জেনারেশন ফাইটার এয়ারক্রাফট প্রকল্পের অংশ ছিল। কিন্তু প্রায় ৮-১০ বছর আগে কিছু কারণবশত সেই প্রকল্প থেকে সরে আসে। তবে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি দেখে এই পুরনো প্রকল্প আবার নতুন করে শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • India-Russia Relationship: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা, রাশিয়া থেকে তেল কিনে ভারতের মুনাফা ১২৬০ কোটি ডলার

    India-Russia Relationship: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা, রাশিয়া থেকে তেল কিনে ভারতের মুনাফা ১২৬০ কোটি ডলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে যখন তেলের দাম চড়া, তখন ভারত এক কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়ে রুশ তেলের দিকে ঝুঁকে পড়ে। পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে রাশিয়া (India-Russia Relationship) থেকেই তেল আমদানি করে ভারত। অন্যদিকে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মস্কোও ভারতকে বড়সড় ছাড়ে তেল (Russian Oil) দিতে শুরু করে। এই সিদ্ধান্তে ভারতের জ্বালানি আমদানির খরচ ৩৯ মাসে কমেছে কমপক্ষে ১৭ বিলিয়ন ডলার। তথ্য-পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট গত সাড়ে তিন বছরে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাশিয়ার থেকে তেল আমদানি করায় বিপুল আর্থিক সাশ্রয় হয়েছে ভারতের। সরকারি সূত্রে খবর, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গত ৩৯ মাসে রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল আমদানি করে অন্তত ১২৬০ কোটি ডলার (প্রায় ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি টাকা) মুনাফা করেছে ভারত।

    বিশ্ব-বাজারে ভারতের বড় ভূমিকা

    রাশিয়ার তেল (Russian Oil) কেনায় ভারতের উপর গোঁসা করেছে আমেরিকা। রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপরে ৫০ শতাংশ ট্যারিফ চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী পিটার নাভারোর দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে ‘মোদির যুদ্ধ’। তাঁর অভিযোগ, ‘রাশিয়ার কাছ থেকে সস্তায় তেল কিনে আসলে মস্কোকে সহায়তা করছে ভারত।’ পিটার নাভারোর অভিযোগ ভিত্তিহীন, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের তেল কেনার কারণেই বিশ্ববাজারে বড়সড় সঙ্কট এড়ানো গিয়েছে। যদি ভারত রাশিয়ার তেল না কিনত, তাহলে আজ অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০০ ডলার ছুঁয়ে যেত। বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ভারত শুধু সরাসরি সাশ্রয়ই করেনি, বরং বিশ্ববাজারে দাম নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত যদি রুশ তেল না কিনত, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০-২০ ডলার বেড়ে যেতে পারত, যা ৩৯ মাসে আমদানির খরচ বাড়িয়ে দিত ৫৮ থেকে ১১৬ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত।

    রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বেড়েছে

    ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন পুতিন। তার পরেই আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলির রাশিয়ার বিরুদ্ধে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করেছিল। যদিও তাতে গুরুত্ব না দিয়ে গত সাড়ে তিন বছর ধরে নয়াদিল্লি-মস্কো বাণিজ্যিক লেনদেন চলেছে সমানতালে। গত অর্থবর্ষের (২০২৪-২৫) ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সার্বিক বাণিজ্যের পরিমাণ বেড়ে পৌঁছেছে ৬৮০০ কোটি ডলার (প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা)। তার মধ্যে ভারত থেকে রাশিয়ায় (India-Russia Relationship) রফতানি করা হয়েছে ৪৯০ কোটি ডলারের (৪২ হাজার কোটি টাকা) পণ্য। আর রাশিয়া থেকে ভারত আমদানি করেছে ৬৩০০ কোটি ডলারের (প্রায় ৫ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকা) পণ্য। যার বড় অংশই সামরিক সরঞ্জাম এবং অশোধিত তেল। বস্তুত ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর অনেক আগে থেকেই রুশ অশোধিত তেলের ক্রেতা ভারত। তবে আগে রাশিয়া থেকে তারা কম তেল আমদানি করত। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পরে আমদানির পরিমাণ বেড়েছে। তেল আমদানিকারী দেশ হিসাবে সারা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। এই মোট আমদানির ৩৫ শতাংশই এখন আসে রাশিয়া থেকে।

    কতটা সাশ্রয় করল ভারত

    প্রকাশিত রিপোর্ট জানাচ্ছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারত ১৬২২ কোটি ডলারের তেল আমদানি করেছিল। রাশিয়ার তেল না কিনে অন্য দেশ থেকে কিনলে এই খরচ আরও ৪৮৭ কোটি ডলার বেশি পড়ত। ২০২৩-২৪ অর্থবর্যে রাশিয়ার তেলের দাম কিছুটা বাড়লেও আমদানি বাড়ায় সাশ্রয় দাঁড়ায় ৫৪১ কোটি ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ছাড় নেমে আসে মাত্র ২.৮ শতাংশে। এতে সাশ্রয় হয় মাত্র ১৪৫ কোটি ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের শেষএ ছাড় কিছুটা বাড়ার ফলে প্রায় ৮৪ কোটি ডলার সাশ্রয় হয়েছে। প্রথম ত্রৈমাসিকের শেষপর্বে রুশ তেল আমদানি কিছুটা কমলেও অগস্ট থেকে তা বাড়তে শুরু করেছে আবার।

    রুশ তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা ভারত

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগে রাশিয়া ভারতের মোট তেল আমদানির ২%-এরও কম সরবরাহ করত। এখন সেই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬%, যেখানে প্রতিদিন আমদানি হয় প্রায় ১.৭৮ মিলিয়ন ব্যারেল। এশিয়ায় চিনের পর ভারত এখন রুশ তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা। মূলত মার্কিন ও ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া ভারতকে ছাড়ে তেল দেয়, আর ভারত কৌশলগতভাবে সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিপুল সাশ্রয় করে।

    লাভ সাধারণ জনগণের

    ভারতের সরকারি (India-Russia Relationship) হিসাব ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, দেশের এই সাশ্রয় শুধুমাত্র বড় ব্যবসায়ীদের নয়, সাধারণ ভারতীয়দেরও উপকৃত করেছে— মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থেকেছে, রুপি স্থিতিশীল থেকেছে, এবং রিফাইনিং শিল্পে কর্মসংস্থান বজায় রয়েছে। একইসঙ্গে, ভারত এই রফতানিকৃত রিফাইন্ড তেল (বিশেষত রিলায়েন্স ও নয়ারা এনার্জির মাধ্যমে) বিক্রি করে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৯৭.৪৭ বিলিয়ন, এবং ২০২৪-২৫-এ ৬৩.৩৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের এই কৌশলগত চুক্তি ভারতের অর্থনীতিকে এক বড় ধাক্কা থেকে রক্ষা করেছে।

    দেশের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত

    ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার থেকে তেল (Russian Oil) কেনার ‘শাস্তি’ হিসেবে ভারতীয় পণ্যের উপর জরিমানা-সহ মোট ৫০ শতাংশ শুল্কের বোঝা চাপিয়েছে আমেরিকা। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপের পরেও ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ থেকে থেকে তেল কেনা বন্ধ করেনি নরেন্দ্র মোদির সরকার। অদূর ভবিষ্যতে তার কোনও সম্ভাবনাও নেই বলে মনে করছেন কূটনীতি এবং বণিকমহলের অনেকেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, এই তেল আমদানির মাধ্যমে ১.৪ বিলিয়ন ভারতীয়ের জন্য “সাশ্রয়ী জ্বালানি” নিশ্চিত হয়েছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, মার্কিন সমালোচনা দ্বিচারিতায় ভরপুর। ইউরোপ এখনও রাশিয়া থেকে পণ্য কিনছে। তাই ভারতকে বাধা দেওয়ার মানেই হয় না। ভারত জানিয়ে দিয়েছে — ‘যেখানে ভালো দাম, সেখানেই আমরা যাব’ — কৌশলগতভাবে নয়, অর্থনৈতিকভাবে।

  • Hospitality Sector: দেশে ঊর্ধ্বমুখী পর্যটন ব্যবসা, ২০৩৪ সালের মধ্যে ৬ কোটি ৩০ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    Hospitality Sector: দেশে ঊর্ধ্বমুখী পর্যটন ব্যবসা, ২০৩৪ সালের মধ্যে ৬ কোটি ৩০ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪৭ সাল নাগাদ ভারতে ১০ কোটি পর্যটকের আগমনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত ব্যাপক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে পর্যটন-নির্ভর শিল্পে ৬ কোটি ৩০ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির। এই সময়ের মধ্যেই পর্যটনকেন্দ্রিক শিল্প (Hospitality Sector) থেকে ভারতের জিডিপিতে ৪৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা যুক্ত হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে (GDP)। প্রসঙ্গত, বিগত এক বছরের মধ্যে বিশ্ব পর্যটন র‍্যাঙ্কিং-এ ভারতের অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। আগে যেখানে ভারত ছিল ৩৯তম স্থানে, বর্তমানে সেখান থেকে ৩১ ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে পৌঁছে গেছে। এই উত্থান স্পষ্ট করে দেয় যে, সারা বিশ্বের মানুষ এখন ভারতকেই অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় পর্যটনের প্রসারও স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে।

    বৈদেশিক মুদ্রার আয় বেড়েছে (Hospitality Sector)

    বিশ্লেষকরা ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানাচ্ছেন— ১৯৯৯ সালে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা আয় ছিল মাত্র ০.১৩ লক্ষ কোটি টাকা। সেই আয় ২০১৯ সালে বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছায় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকায়। তবে এরপর ২০২০ সালে করোনা মহামারী শুরু হওয়ায় এবং লকডাউনের ফলে পর্যটন শিল্পে ধস নামায়, এই আয় ২০২০-২১ অর্থবছরে নেমে আসে মাত্র ০.৫০ থেকে ০.৬৫ লক্ষ কোটি টাকায়। তবুও, করোনা-পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতের পর্যটন খাত।

    ফলে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালে বৈদেশিক মুদ্রা আয় আবার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২.৭৮ লক্ষ কোটি টাকায়। এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট, বিশ্বের মানুষ এখন ভারতে আরও বেশি করে আসছেন। ফলে ভারতের পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা ও পরিষেবা খাতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভারতের পর্যটন (Hospitality Sector) এখন আর কেবলমাত্র ছুটি কাটানোর মাধ্যম নয়— এটি হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক গতিশীলতার এক গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী পর্যটন প্রতিযোগিতায় ভারত দ্রুতই অন্যান্য দেশকে ছাপিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    এ প্রসঙ্গে এমপি ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস এলএলপি-র প্রতিষ্ঠাতা মহেন্দ্র পাতিল বলেন, “পরবর্তী দশকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমরা যত বেশি পরিকাঠামোতে বিনিয়োগ করব এবং পর্যটকদের জন্য যত বেশি সুবিধা ও বিকল্প অভিজ্ঞতা তৈরি করব, তত বেশি উন্নতি হবে ভারতের পর্যটন খাতে।”

    ভারতের আধ্যাত্মিক পর্যটন

    ভারতে আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় পর্যটন ক্ষেত্রও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী— ২০২১ সালে তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা ছিল ৬৭.৭ কোটি, যা ২০২২ সালে বেড়ে হয়েছে ১৪৩.৯ কোটি। রাজস্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৪ লক্ষ কোটি টাকায় এবং তৈরি হয়েছে প্রায় ৮ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান। ভারতের পর্যটন এখন কেবলমাত্র একটি খাত নয়— এটি হয়ে উঠেছে দেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, যেখানে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, কর্মসংস্থান সবকিছুর মেলবন্ধন দেখা যাচ্ছে (Hospitality Sector)।

  • Edible Mushrooms: নিয়মিত মেনুতে থাকে মাশরুম! নয়া প্রজন্মের এই পছন্দের খাবার শরীরে কী প্রভাব ফেলে?

    Edible Mushrooms: নিয়মিত মেনুতে থাকে মাশরুম! নয়া প্রজন্মের এই পছন্দের খাবার শরীরে কী প্রভাব ফেলে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশের পছন্দের খাবারের তালিকায় থাকছে মাশরুম! কম বয়সিদের স্বাদের খবর পেয়েই শহরের নানান নামীদামী রেস্তোরাঁয় মাশরুমের হরেক পদ তৈরি হচ্ছে। ইতালি-চিন-জাপানের পদ থেকে ভারতীয়, নানান মশলা আর রান্নার ধরনে তৈরি হচ্ছে মাশরুম। তবে পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধু স্বাদে নয়, স্বাস্থ্যের জন্য ও এই খাবার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মাশরুম নিয়ম মাফিক রান্না করে খেলে, তা শরীরে গভীর প্রভাব ফেলে। একাধিক অঙ্গের সুস্থতার সঙ্গে মাশরুম খাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    মাশরুম কেন খাওয়া দরকার?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাশরুম এক ধরনের উদ্ভিদ জাতীয় খাবার। কিন্তু এই খাবারে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও থাকে নানান খনিজ পদার্থ। যা শরীরে গভীর প্রভাব ফেলে। তাই নিয়মিত মাশরুম খেলে শরীরের সহজেই ভিটামিন এবং প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়। পাশপাশি পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়ামের মতো একাধিক প্রয়োজনীয় উপাদানের জোগান ও হয়। বিশেষত যারা প্রাণীজ প্রোটিন খেতে চান না, তাদের জন্য বিকল্প খাবার হিসাবে মাশরুম খুবই উপকারি‌। ক্যান্সার থেকে হৃদরোগ, একাধিক জটিল অসুখের ঝুঁকি কমাবে মাশরুম। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    শরীরের কোন রোগ রুখতে সাহায্য করে মাশরুম?

    ক্যান্সার রুখতে পারে!

    সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকায় চিকিৎসক-গবেষকেরা জানাচ্ছেন, সপ্তাহে দুই থেকে তিন কাপ মাশরুম খেলে ক্যান্সারের ঝুকি ৪৫ শতাংশ কমে। তাঁরা জানাচ্ছেন, জাপান সহ পৃথিবীর একাধিক দেশে ক্যান্সার চিকিৎসায় মাশরুম ব্যবহার করা হয়। এমন কিছু ওষুধ দেওয়া হয়, যাতে মাশরুমের উপাদান ক্যান্সার রোগীর শরীরে পৌঁছয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাশরুমে থাকে গ্লুটাথিওয়ান এবং এরগোথিওয়ানাইন নামে দুই ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এই দুই উপাদান ক্যান্সারের কোষ নষ্ট করতে বিশেষ সাহায্য করে। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এই দুই উপাদানের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সপ্তাহে অন্তত দু-তিনদিন মাশরুম খেলে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগকেও দূরে রাখা যাবে বলেই মনে করছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    অ্যালজাইমারের ঝুঁকি কমাতে পারে!

    বয়স পঞ্চাশ কিংবা ষাটের চৌকাঠে পৌঁছলেই স্মৃতিশক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। আধুনিক জীবনে প্রৌঢ়কালের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে অ্যালজাইমারের মতো রোগ। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমছে। স্মৃতিশক্তি থাকছে না। ফলে স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যহত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমাতে পারে মাশরুম। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাশরুমে রয়েছে ভিটামিন বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই দুই উপাদান মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। মস্তিষ্কের স্নায়ুর উপরেও প্রভাব ফেলে। এর ফলে অ্যালজাইমারের মতো রোগের ঝুঁকি কমে। আবার স্মৃতিশক্তিও ভালো থাকে। গবেষক-চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সপ্তাহে দু’কাপ পরিমাণ মাশরুম খেলে মস্তিষ্কের বিকাশ বেশি হয়। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমার ঝুঁকিও অর্ধেক হয়ে যায়।

    হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ব্যালেন্স রাখতে মাশরুম বিশেষ সাহায্য করে। তাই এই খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, দেশ জুড়ে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাই মাশরুম খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হবে। হৃদপিণ্ডের প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান সহজেই পেয়ে যাবে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে।

    হাড়ের ক্ষয় রোগ রুখতে পারে!

    হাড় ক্ষয়ের রোগ বাড়ছে। বিশেষত ভারতে মহিলাদের মধ্যে এই ধরনের সমস্যা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে। হাড়ের দুর্বলতা ও ক্ষয়রোগের জেরে হাঁটাচলা এমনকি বসে থাকাও কষ্টকর হয়ে উঠছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিন ডি-র অভাবেই এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের একাংশ ও ভিটামিন ডি-র অভাবে ভুগছেন। যার জেরে অনেকেই কোমড় ও হাঁটুর যন্ত্রণায় কাবু হচ্ছে।‌ পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খুব কম খাবারেই পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকে। যে কয়েকটি খাবার থেকে শরীর সহজেই ভিটামিন ডি-র চাহিদা পূরণ করতে পারে, তাদের মধ্যে রয়েছে মাশরুম। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত মাশরুম খেলে শরীরে ভিটামিন ডি-র চাহিদা পূরণ হয়। এতে হাড় ক্ষয়ের মতো রোগ সহজেই আটকানো‌ যায়।

    অন্ত্রের জন্য উপকারি!

    ভিটামিন, প্রোটিন, খনিজের পাশপাশি মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার থাকে। তাই মাশরুম নিয়মিত খেলে হজম শক্তি বাড়ে। অন্ত্রের জন্য ও এই খাবার বিশেষ উপকারি।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 03 September 2025: বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 September 2025: বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কর্কট

    ১) শেয়ার বাজার নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে।

    সিংহ

    ১) শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) গৃহে আনন্দের পরিবেশ।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গেলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    ধনু

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান।

    মকর

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ধর্মস্থানে ঘুরে আসুন।

    মীন

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Suvendu Adhikari: “ক্ষমতার লোভে সেনাকেও অপমান করতে ছাড়ছেন না মমতা”, বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড হয়ে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “ক্ষমতার লোভে সেনাকেও অপমান করতে ছাড়ছেন না মমতা”, বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড হয়ে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিযোগ, দেশের সেনাবাহিনীকে অপমান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় ফের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্য়োপাধ্যায়। বিধানসভায় অধিবেশন চলাকালীন ভারতীয় সেনা সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর মন্তব্যে আপত্তি তোলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ব্রাত্যের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন তিনি। একে একে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন অন্য বিজেপি বিধায়কেরা। অধিবেশনে হইহট্টগোল শুরু হয়। বার বার সতর্ক করার পরেও পরিস্থিতি না বদলানোয় শুভেন্দুকে এই অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই অধিবেশনকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান বিজেপি বিধায়কেরা।

    সেনা-র বিরোধিতায় মমতা

    ধর্মতলায় (Dharmatala) তৃণমূলের ভাষা আন্দোলনের মঞ্চ সরানো নিয়ে শাসক শিবিরের (TMC) নিশানায় পড়েছে সেনাবাহিনী (Indian Army)। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেন, বিজেপির (BJP) কথাতেই এ কাজ করেছে সেনা। তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই শোরগোল। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন। বাংলাভাষীদের ভিনরাজ্যে হেনস্থার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মঞ্চ গড়েছিল তৃণমূল (TMC)। কিন্তু সেনাবাহিনী এসে সেই মঞ্চ সরাতে বলে। তাঁদের যুক্তি ছিল, ওই জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে এভাবে মঞ্চ বাঁধা যাবে না। ঘটনার পরই ওই স্থানে ছুটে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শুধু তাই নয়, সেনাকে ব্যবহার করে বিজেপি এই কাজ করিয়েছে বলেও তোপ দাগেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আর মঙ্গলবার সেই প্রসঙ্গই ওঠে বিধানসভায়।

    সেনাকে অসম্মান ব্রাত্য বসুর

    এদিন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “গতকাল সেনাবাহিনী যেভাবে বাংলা ভাষার মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, সেটা ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ পাকিস্তান আর্মি যেভাবে খুন করেছিল, তার মতোই।” বিজেপিকে বাংলা বিরোধী বলে সরব হন আর এক মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এরপরই উত্তাপ বাড়ে। সরব হন বিজেপি বিধায়করা। ‘ইন্ডিয়ান আর্মি জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন শুভেন্দু। বিজেপির ওয়াক আউট করে বেরিয়ে যায়। এরপর শুভেন্দুকে এই অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করেন বিমান। অর্থাৎ, চলতি অধিবেশনে বাকি দিনগুলিতেও আলোচনায় যোগ দিতে পারবেন না বিরোধী দলনেতা। বাইরে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমাকে আবারও সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেনার হয়ে বলার জন্য সাসপেন্ড হতে হয়েছে। আমি সেনার জন্য গর্ব অনুভব করি।”

    সেনার যুক্তি

    সোমবার ওই মঞ্চ ভাঙার ক্ষেত্রে সেনার যুক্তি ছিল, অনুমোদনের সময়কাল পেরিয়ে গিয়েছে, তারপরও বাঁধা ছিল মঞ্চ। এরপর অনুমতি পেতে গেলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলতে হবে বলেও জানিয়েছিল সেনা। তবে মমতার বক্তব্য, আসলে এই কাজ সেনার নয়, বিজেপি সেনাকে কাজে লাগিয়ে মঞ্চ খুলিয়েছে। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ভারতীয় সেনা তৃণমূলের মঞ্চ ভেঙেছে। এর বিরুদ্ধে বিধানসবার ভিতর সরব হয় বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্ধ হয়ে গেছেন, সে কারণে এখন ভারতীয় সেনাকেও অপমান করতে ছাড়ছেন না। এই ইস্যুতে তাঁর পদত্যাগেরও দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কটাক্ষ – একটুও লজ্জা অবশিষ্ট থাকলে এখন পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত।

    শুভেন্দুর দাবি

    মঙ্গলবার বিধানসভা থেকে সাসপেন্ডের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, “অধিবেশন চলাকালীন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু দেশের সেনাবাহিনীকে অপমান করেন। বাংলাদেশের সামরিক অভ্যুত্থানের সঙ্গে ভারতীয় সেনার তুলনা টানেন। তারই প্রতিবাদে বিধানসভার ভিতরে ইন্ডিয়ান আর্মি জিন্দাবাদ স্লোগান তুলি। স্পিকারের কাছে অনুরোধ করি, যাতে ভারতীয় সেনাকে নিয়ে যা শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন তা যেন বক্তব্যের অংশ থেকে বাদ দেওয়া হয়।” শুভেন্দুর দাবি, তাঁদের তরফে বিধানসভায় এই দাবি করা হলেও তাতে মান্যতা দেননি স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কথা মোতাবেক নির্দেশ দেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, “তারপরই আমাকে সাসপেন্ড করা হয়। তবে এটা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আমাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আমি গর্বিত। সেনাবাহিনীর অপমান আমি সহ্য করব না। তারা আমাদের দেশের গর্ব। সীমান্ত রক্ষা করে। তাদের অপমান করেছেন অরূপ বিশ্বাস। ব্রাত্য বসু বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভয়ে জওয়ানরা কাল পালিয়েছিলেন। এটা অপমান। ভারতীয় সেনা কারোর ভয়ে পালায় না। এটা দেশের অপমান। এটা বরদাস্ত করব না।”

  • Jiban Krishna Saha: সম্পত্তি ও নগদ মিলিয়ে জীবনকৃষ্ণের ২৩৮ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    Jiban Krishna Saha: সম্পত্তি ও নগদ মিলিয়ে জীবনকৃষ্ণের ২৩৮ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) নামে ও ঘনিষ্ঠদের নামে থাকা সম্পত্তি ও নগদ মিলিয়ে ২৩৮ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। গ্রেফতারের পর তাঁর, স্ত্রী টগরী সাহা এবং একাধিক আত্মীয়ের নামে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক নগদ লেনদেন ও বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একইসঙ্গে এবার তলব করা হচ্ছে সেই সব চাকরিপ্রার্থীদের, যাঁদের কাছ থেকে তিনি টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকার লেনদেন (Jiban Krishna Saha)

    ইডির অনুমান, জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্তত ৭৫ জন অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে টাকা এসেছে। এর মধ্যে কমপক্ষে সাতজন প্রার্থীর কাছ থেকে মোট ৪৬ লক্ষ টাকা গ্রহণ করা হয়। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে প্রায় ২৬ লক্ষ টাকা সাহার স্ত্রী টগরী সাহার অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে। তদন্তে উঠে এসেছে, দুর্নীতির টাকা  খাটানোর জন্য একাধিক ব্যক্তি, আত্মীয় ও পরিবারের সদস্যদের নামে জমি, ফ্ল্যাট এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে বিনিয়োগ করা হয়েছিল। এইভাবেই অবৈধ অর্থ লেনদেন ও সম্পত্তি গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল, যা শেষমেশ ধরা পড়ে যায় তদন্তকারীদের নজরে।

    মোট প্রায় ১০০ জন চাকরিপ্রার্থীর থেকে বিধায়ক টাকা নিয়েছিলেন বলে দাবি ইডির

    শুধু জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) ক্ষেত্রেই, ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইডি, যা বিভিন্ন সময়ে ছোট ছোট অঙ্কে লেনদেন করে গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ইডি সূত্রে খবর, প্রথম দফায় ২০ জন প্রার্থীর নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তাঁদের আগামী সপ্তাহে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এরা প্রত্যেকেই জীবন কৃষ্ণকে টাকা দিয়েছিল বলে অভিযোগ। মোট প্রায় ১০০ জন চাকরিপ্রার্থীর থেকে বিধায়ক টাকা নিয়েছিলেন বলে দাবি তদন্তকারীদের, এবং সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন এই প্রথম ২০ জন।

  • Abhijit Gangopadhyay: আবার একটা জালিয়াতি! এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে আশঙ্কা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Gangopadhyay: আবার একটা জালিয়াতি! এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে আশঙ্কা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন বিচারপতি ও বর্তমান বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তাঁর স্পষ্ট মন্তব্য, ‘‘আবার একটা জালিয়াতি হতে চলেছে—এটা আগে থেকেই আন্দাজ করা সম্ভব।’’ প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শনিবার রাতে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে বাধ্য হয় স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। সেখানে ১৮০৬ জনের নাম দেখা যায়। এনিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলছেন, এই সংখ্যাটা অনেক বেশি হওয়া উচিত। অন্তত পাঁচ থেকে ছয় হাজার।

    কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘যে ভাবে রাজ্য সরকার পরীক্ষার্থীদের নিয়ে ছেলেখেলা করতে শুরু করেছে, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে প্রবঞ্চনা শুরু করে দিয়েছে, তাতে আমার তো মনে হয় না বিষয়টা স্বচ্ছ ভাবে হবে। এই পরীক্ষা স্কুল সার্ভিস কমিশনের হাত থেকে নিয়ে নেওয়া উচিত বা একটা সুপারভাইজারি বডি তৈরি করে এই কাজটা করা উচিত।’’ তিনি আরও বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট যে স্বচ্ছতার জন্য লিস্ট বের করতে বলেছিল, সেটা হল না। রাজ্য কত রকমের ভাঁওতাবাজি চালাবে? সুপ্রিম কোর্টকেও ভাঁওতা দিচ্ছে।”এই তালিকার উপর কোনওভাবে নির্ভর করা যাবে না বলে মনে করেন তিনি।

    কী কী পদ্ধতিতে দুর্নীতি হয়েছিল?

    এই প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ (Abhijit Gangopadhyay) বুঝিয়ে দিয়েছেন, ঠিক কী কী ভাবে দুর্নীতি হয়েছে। তিনি বলেন, “ওএমআর শিটে নম্বর বদল হয়েছে। একদল পরীক্ষাতেই বসেনি, চাকরি পেয়ে গিয়েছে। লিস্ট মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও সুপারিশ করে নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়েছে একদলকে। এছাড়া এসএসসি যতজনকে সুপারিশ করেছিল, তার থেকে বেশি লোককে নিয়োগ করা হয়েছে। সেই সব তালিকা এখানে নেই।” তাঁর মতে, অযোগ্যদের সংখ্যা অন্তত পাঁচ থেকে ছ’হাজার (SSC)।

    স্বচ্ছতার সঙ্গে বের হয়নি তালিকা

    তালিকায় ওই দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকারা কোন স্কুলে কাজ করত, সেটাও দেওয়া হয়নি। তাই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলছেন, “সুপ্রিম কোর্ট যে স্বচ্ছতার জন্য লিস্ট বের করতে বলেছিল, সেটা হল না। রাজ্য কত রকমের ভাঁওতাবাজি চালাবে? সুপ্রিম কোর্টকেও ভাঁওতা দিচ্ছে।” এই তালিকার উপর কোনওভাবে নির্ভর করা যাবে না বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘‘আবারও দুর্নীতির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।’’ তাঁর দাবি, পরীক্ষার সময় ওএমআর সরবরাহ এবং আলাদা সিল কভারে সেগুলি নিয়ে যাওয়ার কাজটা স্কুল সার্ভিস কমিশন ছাড়া অন্য কোনও অথরিটিকে দিয়ে করাতে হবে। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টকে দেখতে বলেছেন তিনি।

    কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর রায়েই বাতিল হয় ২৬ হাজার চাকরি

    ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টে মামলার শুনানি করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর রায়ের ভিত্তিতেই প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টও সেই রায় বহাল রাখে এবং নির্দেশ দেয়, অযোগ্যদের বাদ দিয়ে নতুন করে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করতে হবে। এই নির্দেশ অনুযায়ীই ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন করে পরীক্ষা আয়োজন করছে এসএসসি। কিন্তু বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য, এই সংস্থা (SSC) আগেও ভরসা রাখতে পারেনি—তাই পরীক্ষার দায়িত্ব এসএসসি-এর হাত থেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করছেন।

  • Afghanistan Earthquake: আফগানিস্তানের বিপর্যয়ে পাশে ভারত, প্রতিবেশী হোক বা গ্লোবাল সাউথ, সবার বিপদে সর্বদা সহায়তায় দিল্লি

    Afghanistan Earthquake: আফগানিস্তানের বিপর্যয়ে পাশে ভারত, প্রতিবেশী হোক বা গ্লোবাল সাউথ, সবার বিপদে সর্বদা সহায়তায় দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিপর্যয়ে পাশে দাঁড়াল ভারত। ভয়াবহ ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে যাওয়া আফগানিস্তানে ত্রাণ পাঠালো দিল্লি। তবে, এই প্রথম নয়। বিপদে পড়লে বিশ্বের যে কোনও দেশের পাশে ভারত সর্বদা থাকে। মানবিক সাহায্য নিয়ে ভারত প্রত্যেকবার এগিয়ে যায়। কোভিড অতিমারি হোক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, প্রতিবেশী দেশ থেকে গ্লোবাল সাউথের প্রতিটি দেশের সঙ্কটেই এগিয়ে এসেছে ভারত।

    আফগানিস্তানের পাশে ভারত

    বিধ্বস্ত দেশ। তাসের ঘরের মতো ধুলোয় মিশেছে ঘরবাড়ি। আফগানিস্তানের পূর্ব প্রদেশ যেন ধ্বংস্তূপ। দিকে দিকে পড়ে দেহ। এতটাই বিপর্যস্ত এলাকা, ত্রাণ পৌঁছনোও কঠিন হয়ে পড়েছে। আরও কত মৃতদেহ বের হবে কে জানে! সোমবারের হিসেবই বলছে ৮০০-র বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে। আরও বহু দেহ চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা করছে প্রশাসন। আহতের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। সারা বিশ্বের কাছে মানবিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে তালেবান সরকার। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আফগানিস্তানে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং পূর্ণ মানবিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। আফগান সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভূমিকম্পের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে ত্রাণ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ভারত মঙ্গলবারই কাবুলে ১,০০০টি পরিবারকে তাঁবু পাঠিয়েছে। সেই সঙ্গে পাঠানো হচ্ছে ১৫ টন খাদ্য সামগ্রী। সোমবার রাতে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তানে ত্রাণ পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, চালের বস্তা, তাঁবু এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বোঝাই ট্রাক কাবুলে পৌঁছে গিয়েছে।

    ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান

    রবিবার গভীর রাতে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী রাত পৌনে ১টা) প্রথম কেঁপে ওঠে আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বে কুনার প্রদেশ। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৩। কম্পনের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে আট কিলোমিটার গভীরে। এর পরেও বেশ কয়েক বার ভূকম্প পরবর্তী কম্পন (আফটারশক) অনুভূত হয়েছে আফগানিস্তানে। তার মধ্যে অন্তত দু’টি কম্পনের মাত্রা ছিল ৫-এর বেশি। এই ভূমিকম্পের রেশ তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারত পর্যন্ত অনুভূত হয়েছে। কম্পনের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এবং দিল্লির আশপাশের এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়।

    কবে কোথায়, কোন কোন দেশের সাহায্যে ভারত

    গত পাঁচ বছরে ভারত বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশে মেডিকেল কন্টিনজেন্ট ও র‍্যাপিড রেসপন্স টিম পাঠানো হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে “ভ্যাকসিন মৈত্রী” (Vaccine Maitri) উদ্যোগের অধীনে ভারত ৯৯টি দেশ এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের দুটি সংস্থার কাছে ৩০.১২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। অতিমারির সময় এ সহায়তা উদ্যোগ বৈশ্বিক পর্যায়ে ভারতের দায়িত্বশীল ভূমিকাকে তুলে ধরেছে।

    ২০২১ সালের জুলাই মাসে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ‘র‍্যাপিড রেসপন্স সেল’ (Rapid Response Cell) গঠন করে, যা জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA), জাতীয় দুর্যোগ প্রতিকার বাহিনী (NDRF), সশস্ত্র বাহিনী, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করে। কোভিড-১৯-এর সময় শুরু হওয়া এই সেল এখন নানা ধরনের মানবিক ও দুর্যোগ সহায়তায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। কোয়াড (QUAD)-এর মতো প্ল্যাটফর্মেও ভারত দুর্যোগ মোকাবিলায় (Humanitarian Assistance and Disaster Relief) অংশ নিয়েছে।

    ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের পরে ভারত “অপারেশন দোস্ত” (Operation Dost) চালু করে, যার আওতায় উদ্ধারকর্মী ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠানো হয়। মায়ানমারে সাইক্লোন মোখার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ভারত “অপারেশন করুণা” (Operation Karuna) শুরু করে। একইভাবে হন্ডুরাসে ট্রপিক্যাল স্টর্ম ‘সারা’-র প্রভাবে বিপর্যস্ত জনগণের জন্য ভারত ২৬ টন মানবিক সহায়তা পাঠায়। এছাড়াও, ভ্যাকসিন মৈত্রী উদ্যোগের শুরুতেই ভারত তার প্রতিবেশী দেশ ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, সেশেলস, মরিশাস ও বাংলাদেশে টিকা সরবরাহ শুরু করে।

     

     

  • US on Indian Brahmins: ভারতীয় ব্রাহ্মণদের অপমান, মোদির সমালোচনা! শুল্ক-যুদ্ধে বেকায়দায় পড়ে বিতর্কিত মন্তব্য মার্কিন বাণিজ্য উপদেষ্টার

    US on Indian Brahmins: ভারতীয় ব্রাহ্মণদের অপমান, মোদির সমালোচনা! শুল্ক-যুদ্ধে বেকায়দায় পড়ে বিতর্কিত মন্তব্য মার্কিন বাণিজ্য উপদেষ্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে চাপে ফেলতে গিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দিল্লির সঙ্গে শুল্কযুদ্ধে এঁটে উঠতে না পেরে এবার বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো। ভারতীয় ব্রাহ্মণদের গায়ে ‘অর্থলোভী’ তকমা সেঁটে দিলেন তিনি। নয়াদিল্লিকে ‘রাশিয়ান টাকা তৈরির লন্ড্রি’ বলেও খোঁচা দিয়েছেন নাভারো। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও অপমানজনক কথা বলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মার্কিন বাণিজ্য উপদেষ্টা।

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অপমান

    চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর জনপ্রিয় মার্কিন গণমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’কে সাক্ষাৎকার দেন নাভারো। সেখানে ফের এক বার ভারতের নামে বিষোদ্গার করেন তিনি। নাভারো বলেন, ‘‘মোদি একজন মহান নেতা। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না কেন তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গে একই শয্যায় যাচ্ছেন। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের নেতার এটা করা উচিত নয়।’’ গত ৩১ অগাস্ট চিনের তিয়েনজিন শহরে সাংহাই কো-অপারেটিভ অর্গানাইজেশন (SCO) বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে জিনপিঙ ও পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সেরেছেন তিনি। পরে পুতিন ও ড্রাগন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে খোশগল্প করতে দেখা যায় তাঁকে। সমাজমাধ্যমে ইতিমধ্যেই সেই ভিডিও ভাইরাল। এর পরেই এই তিন নেতাকে নিয়ে নাভারোর বেনজির আক্রমণের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে, বলে মত কূটনীতিকদের। ভারত-চিন-রাশিয়াকে একসঙ্গে দেখে কিছুটা চাপে আমেরিকা, অভিমত আন্তর্জাতিক মহলের।

    বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতির কারণে ভারত-আমেরিকার মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কে চরম টানাপোড়েনের সৃষ্টি হয়েছে৷ ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা৷ ট্রাম্পের অভিযোগ, রাশিয়ার থেকে তেল কেনার কারণে এই অচলাবস্থার সূত্রপাত৷ এই আবহে ভারতকে নিশানা করে আরও এক বিচিত্র দাবি করেছেন মার্কিন বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো৷ তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে ভারতের ব্রাহ্মণ শ্রেণির মানুষেরা মুনাফা লুটছেন ৷রাশিয়া-ভারত-চিন সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ভারতবাসীর কাছে আমার একটাই আবেদন, দয়া করে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করুন৷ সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে আপনাদের দেশে বাণিজ্যিক মুনাফা লুটছেন ব্রাহ্মণরা৷ এই বিষয়টিকে বন্ধ করতে হবে৷’’ “ব্রাহ্মণ” শব্দটি ভারতের প্রেক্ষিতে একটি বিশেষ জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয় বহন করে। আমেরিকায় “বস্টন ব্রাহ্মিণ” বলতে ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বোঝালেও, ভারতীয় প্রসঙ্গে এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। নাভারোর এই মন্তব্য জাতিবিদ্বেষমূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন বিশ্লেষক ও রাজনীতিক যেমন সঞ্জীব সান্যাল ও প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী এই মন্তব্যকে “অপমানজনক” এবং “ঔপনিবেশিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ” হিসেবে নিন্দা করেছেন।

    ভারত শুল্কের মহারাজা

    মার্কিন দাবি মেনে রাশিয়া থেকে ভারত তেল কেনা বন্ধ না করায় বিব্রত নাভারো বলেন, ‘‘ক্রেমলিনের জন্য নয়াদিল্লি এখন একটা টাকা তৈরির ওয়াশিং মেশিন ছাড়া আর কিছুই নয়। এর ফল ভুগছে ইউক্রেন। পূর্ব ইউরোপের দেশটাতে ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া।’’ তাঁর যুক্তি, ‘‘নয়াদিল্লি তো শুল্কের মহারাজা। বিদেশি পণ্যে ওরা দুনিয়ার সর্বোচ্চ শুল্ক নিয়ে থাকে। নয়াদিল্লি তাদের ঘরোয়া বাজার আমাদের সামনে খুলবে না। আমাদের পণ্য ওদের বাজারে বিক্রি করতে দেবে না।’’ নাভারোর অভিযোগ, উল্টো দিকে দিব্যি ঘরের মাটিতে তৈরি পণ্য এ দেশের বাজারে সরবরাহ করে যাচ্ছে নয়াদিল্লি। এতে আর্থিক ভাবে লোকসান হচ্ছে ওয়াশিংটনের। তবে, ভারত আগেই জানিয়ে দিয়েছে দেশের অর্থনীতি তথা দেশবাসীর মঙ্গলে যা সঠিক, তাই পদক্ষেপ করা হবে৷ এক্ষেত্রে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিংবা যুদ্ধাস্ত্র কেনায় দেশের আর্থিক উন্নতি ঘটলে সেই অবস্থানেই থাকবে নয়াদিল্লি ৷ সম্প্রতি, নয়াদিল্লির এই অবস্থানের জন্যই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘মোদির যুদ্ধ’ বলে অভিহিত করেছিলেন মার্কিন বাণিজ্য উপদেষ্টা ৷

    দিশেহারা আমেরিকা

    এই পরিস্থিতিতে মার্কিন শুল্কের চাপে রুশ ‘উরাল ক্রুড’ কেনা বন্ধ না রেখে উল্টে তার আমদানি বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে নয়াদিল্লি। অন্য দিকে ভারতের সঙ্গে তেল-বাণিজ্যকে আরও মসৃণ করতে দামের ক্ষেত্রে বড় ছাড় দিচ্ছে মস্কো। ইউরোপীয় দেশগুলিতে অবশ্য ট্রাম্পের শুল্ক-হুমকির উল্টো প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া গিয়েছে। উল্টে মোদি সরকারের নীতির ভূয়সী প্রশংসা করেছে ফ্রান্স, জার্মানি ও ইটালির মতো দেশ।

    অস্বস্তি বাড়িয়েছে ইউক্রেন

    যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অস্বস্তি বাড়িয়েছে ইউক্রেন। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে নয়াদিল্লির থেকেই সর্বাধিক ডিজেল আমদানি করছে কিভ। শুধু তা-ই নয়, মস্কোর থেকে সস্তা দরে মোদি সরকারের খনিজ তেল আমদানি নিয়ে তাদের কোনও সমস্যা নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছে পূর্ব ইউরোপের ওই দেশ। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘‘ভারত স্বাধীন এবং সার্বভৌম দেশ। ফলে তারা কোথা থেকে ‘তরল সোনা’ আমদানি করবে সেটা অন্য কেউ বলে দিতে পারে না। এ ব্যাপারে কারও আপত্তি থাকা উচিত নয়।’’

    শুল্ক প্রসঙ্গে ট্রাম্পের ধাক্কা

    শুল্ক ইস্যুতে অবশ্য আদালতে বড় ধাক্কা খেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গত ২৯ অগাস্ট একটি মামলার রায় দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডেরাল সার্কিটের আপিল কোর্ট। সেখানে বলা হয়, ট্রাম্প যে ভাবে বিভিন্ন দেশের উপর শুল্ক চাপিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিকে ওলটপালট করতে চাইছেন, তা বেআইনি। যদিও তাঁর শুল্ক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপরে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি ওই আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে অবশ্য সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে প্রেসিডেন্টের। সেখানে তাঁর সিদ্ধান্তকে বেআইনি বলা হলে, শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে আমেরিকাকে।

LinkedIn
Share