Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Jammu Kashmir: ফের হামলার আশঙ্কা, জম্মু-কাশ্মীরে সজাগ সেনা, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের নয়া ষড়যন্ত্র!

    Jammu Kashmir: ফের হামলার আশঙ্কা, জম্মু-কাশ্মীরে সজাগ সেনা, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের নয়া ষড়যন্ত্র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:পাকিস্তানে ভারতীয় সেনাবাহিনী সশস্ত্র অভিযান চালিয়েছে, ছ’মাসও হয়নি। এর মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) নতুন করে প্রত্যাঘাতের ছক কষছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, লস্কর ই-তৈবা (LeT)এবং জৈশ-ই-মহম্মদ (JeM) কাশ্মীরে হামলার পরিকল্পনা করছে। ইতিমধ্যে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি কাশ্মীরের সীমান্তের বাইরে রসদ সরবরাহ থেকে শুরু করে তথ্য সংগ্রহের কাজে গতি বাড়িয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীদের চোখ এড়িয়ে অনুপ্রবেশেরও চেষ্টা চলছে। তবে সীমান্তে সদা সতর্ক ভারতীয় সেনা। জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করছে তারাই।

    ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, লস্কর জঙ্গিদের একটি গোষ্ঠী কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালিয়েছে। কোন কোন অংশে নিরাপত্তাবাহিনীর নজরদারি দুর্বল, তা চিহ্নিত করেছে। এ ছাড়া, পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের (এসএসজি) প্রাক্তন সেনা এবং কিছু জঙ্গিকে নিয়ে নতুন পাকিস্তানি সীমান্ত সক্রিয় গোষ্ঠী বর্ডার অ্যাকশন টিম (বিএটি) গঠন করা হয়েছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে তাদের মোতায়েন করা হয়েছে বলেও খবর। অক্টোবর মাসেই সেখানে একটি উচ্চ পর্যায়ের গোপন বৈঠক হয়ে গিয়েছে। সেখানে ছিলেন পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের আধিকারিকেরা। মনে করা হচ্ছে, অপারেশন সিঁদুরের প্রত্যাঘাতে কোনও বড়সড় হামলার পরিকল্পনা চলছে সীমান্তের ওপারে, যা ঠেকাতে অবিলম্বে উপত্যকায় আরও সক্রিয় হতে হবে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী এবং গোয়েন্দাদের।

    অনুপ্রবেশের চেষ্টা

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে (Pahalgam Attack) জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ২৬ জন হিন্দু পর্যটকের। সেই ঘটনায় পাকিস্তানকে দায়ী করে একাধিক পদক্ষেপ করে নয়াদিল্লি। ৬ মে মধ্যরাতে পাক জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করতে সে দেশে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা। তারই নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’(Operation Sindoor)। তার পর দুই দেশের মধ্যে টানা চার দিন সংঘর্ষ চলেছে। এখন সংঘর্ষবিরতি থাকলেও দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে। অপারেশন সিঁদুরের পর কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের একাধিক গোপন পথ খুঁজে বের করেছিলেন গোয়েন্দারা। সেখানে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাকিস্তানের স্পেশ্যাল সার্ভিসেস গ্রুপ (SSG) ও আইএসআইয়ের সহযোগিতায় একাধিক লস্কর ও জইশ ইউনিট লাইন অব কন্ট্রোল (LoC) পেরিয়ে ঢোকার চেষ্টা করছে জম্মু-কাশ্মীরে।

    নিষ্ক্রিয় জঙ্গি সেলগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা

    গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, লস্করের একটি ইউনিটের নেতা পাকিস্তানের দিক থেকে ড্রোনের (Drone) মাধ্যমে এলওসির দুর্বল জায়গাগুলির ছবি জোগাড় করছে। এর মাধ্যমে ফিদায়েঁ হামলা বা অস্ত্র সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বলেই আশঙ্কা নিরাপত্তা বাহিনীর। জঙ্গি ও প্রাক্তন সেনাদের নিয়ে গঠিত পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম (BAT) আবারও মোতায়েন করা হয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK)। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, এই ইউনিটগুলিই সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় সেনা ছাউনিতে হামলার চেষ্টা করতে পারে। সূত্রের খবর, অক্টোবরে পিওকে-তে জৈশ, হিজবুল ও জামাত-ই-ইসলামি-সহ একাধিক সংগঠনের নেতারা আইএসআইয়ের (ISI) সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, নিষ্ক্রিয় জঙ্গি সেলগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, পুরানো কমান্ডারদের মাসিক ভাতা দিতে হবে এবং ‘অপারেশন সিঁদুরে’ নিহতদের প্রতিশোধ নিতে নতুন হামলা চালানো হবে।

    ফের সক্রিয় মাদক চক্র

    লস্কর এখন কাশ্মীর উপত্যকায় স্থানীয় সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ পুনর্গঠন করছে। একই সঙ্গে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের মাধ্যমে অর্থের জোগানও বাড়ানো হচ্ছে – যেমনটি এ বছর পাঞ্জাব ও রাজস্থানে দেখা গিয়েছিল। এই অবস্থায়, জম্মু ও কাশ্মীরের আপাত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আবারও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় নির্বাচন ও পর্যটনের ফিরতি স্রোতকে ভারতের সাফল্য হিসেবে দেখা হলেও, নিরাপত্তা মহল সতর্ক করছে— আইএসআই সমর্থিত সন্ত্রাস নেটওয়ার্ক আবার সক্রিয় হয়ে সেই স্বাভাবিকতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে।

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর সতর্কতা

    নতুন এই গোয়েন্দা রিপোর্টকে কেন্দ্রীয় সরকার ‘গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা’ হিসেবেই দেখছে। উত্তর কমান্ডের সমস্ত সেক্টরে সেনা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই গোয়েন্দা তথ্য এমন সময়ে এসেছে যখন ভারত পশ্চিম সীমান্তে গুজরাট ও রাজস্থানে ‘ত্রিশূল’ যৌথ মহড়া পরিচালনা করছে। শীতকাল আসার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণত অনুপ্রবেশ কমে যায়, কিন্তু বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন— পাকিস্তানের এই নতুন তৎপরতা হয়তো এক “দীর্ঘ শীতকালীন সন্ত্রাসের” সূচনা হতে পারে, যা ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। সূত্রের খবর, প্রয়োজনে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র দ্বিতীয় ধাপও শুরু হতে পারে। পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসের মদত অব্যাহত রাখলে ভারত যে কঠোর পদক্ষেপ করবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Russian Army: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে লড়েছেন ৪৪ জন ভারতীয়, মস্কোকে নিয়োগ বন্ধের আহ্বান ভারতের

    Russian Army: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে লড়েছেন ৪৪ জন ভারতীয়, মস্কোকে নিয়োগ বন্ধের আহ্বান ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (Ministry of External Affairs) জানিয়েছে গত কয়েক মাসে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে ৪৪ জন ভারতীয় যোগদান করেছে। ইতিমধ্যে মস্কোর সাথে বিষয়টি তুলে ধরে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই এভাবে রাশিয়ার (Russian Army) সেনাবাহিনীতে যোগদান? ইতিমধ্যে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে ভারতীয়দের নিয়োগ বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। সাময়িক ভাবে বেশি অর্থ এবং নানা প্রলোভনের শিকার হচ্ছে ভারতীয়রা। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে এই ভারতীয় সৈন্যরা অংশ গ্রহণ করেছে এবং তাদের মধ্যে অনেকের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে।

    মুক্তি দেওয়ার এবং নিয়োগ বন্ধ করার আহ্বান (Russian Army)

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “গত কয়েক মাসে, আমরা বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিকের সম্পর্কে জানতে পেরেছি। যারা রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে (Russian Army) নিয়োগ পেয়েছে। আমাদের ধারণা অনুযায়ী, বর্তমানে ৪৪ জন ভারতীয় নাগরিক রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে কর্মরত রয়েছে। ভারত, রাশিয়া সরকারে নির্দিষ্ট দফতরের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভারতীয়দের মুক্তি দেওয়া এবং এই প্রথা বন্ধ করার জন্য আহ্বানও জানানো হয়েছে।”

    ছাত্র-ব্যবসায়িক ভিসাকে ব্যবহার হয়েছে

    রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, “আমরা রাশিয়া সরকার পক্ষের সাথে যোগাযোগ করছি। আমরা এই ব্যক্তিদের পরিবারের সাথেও যোগাযোগ করছি এবং তাদের বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য দিয়ে জানিয়েছি। তবে এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে ছাত্র ও ব্যবসায়িক ভিসা রয়েছে এমন কিছু ভারতীয়কে রাশিয়া-ইউক্রেন (Russian Army) যুদ্ধের প্রথম সারিতে মোতায়েন করে রাশিয়ান সামরিক ইউনিটে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। যেসব ভারতীয়রা এই ভাবে সেনায় যোগদান করছেন তাদের জীবনে যে কোনও সময়ে সঙ্কটে পড়তে পারে।”

    মোদিও বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন

    ভারত বারবার রাশিয়ার (Russian Army) কাছে অনুরোধ করে আসছে যে রাশিয়ান সামরিক বিভাগে রাঁধুনি এবং সাহায্যকারীর মতো সহায়ক কর্মী হিসেবে যে সব সেনা কর্মরত রয়েছে সেই সমস্ত ভারতীয়কে মুক্তি দেওয়া হোক। গত বছর রাশিয়া সফরের সময়ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ইতিমধ্যে ভারতীয়দের সতর্ক করেছে যে রুশ সেনাবাহিনীতে চাকরির প্রস্তাব থেকে যেন তারা দূরে থাকে। কারণ আর্থিক লোভে জীবনের ঝুঁকি অনেক বেশি।

    সরকারি (Ministry of External Affairs) তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছে রাশিয়ান সামরিক বাহিনীতে নিয়োগপ্রাপ্ত ভারতীয়ের সংখ্যা এখন প্রায় ১৭০ জন। রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ ৯৬ জনকে অব্যাহতি দিলেও, আরও ১৬ জনকে নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে লড়াই করার সময় কমপক্ষে ১২ জন ভারতীয় নিহত হয়েছেন।

  • Daily Horoscope 09 November 2025: বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 09 November 2025: বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Elon Musk: ইতিহাসের সামনে মাস্ক! ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় টেসলার সিইও

    Elon Musk: ইতিহাসের সামনে মাস্ক! ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় টেসলার সিইও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ার পথে ইলন মাস্ক। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকার শীর্ষে থাকা টেসলার সিইও এবার ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছেন। টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা সম্প্রতি মাস্কের জন্য এক বিশাল বোনাস পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন, যা তাঁকে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যক্তি করে তুলতে পারে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রায় ৭৫ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন। বৈঠকে মাস্ক বলেন, “আমরা যে পর্যায়ে পৌঁছতে যাচ্ছি, তা শুধু টেসলার ভবিষ্যতের একটি নতুন অধ্যায় নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ নতুন বই।”

    কর্পোরেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্যাকেজ

    টেসলার এই নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, যদি মাস্ক কোম্পানির নির্ধারিত দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতা লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন, তাহলে তিনি ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাস্ক কোনো নিয়মিত বেতন গ্রহণ করেন না — তার আয় পুরোপুরি স্টক অপশনের ওপর নির্ভরশীল। নতুন এই প্যাকেজের আওতায় আগামী দশকে তিনি টেসলার প্রায় ৪২৩.৭ মিলিয়ন শেয়ার পেতে পারেন। যদি কোম্পানির বাজারমূল্য ৮.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়, তাহলে মাস্কের আয় প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে।

    টেসলার কাছে চ্যালেঞ্জ

    চলতি আর্থিক বছরে (পড়ুন ২০২৫-’২৬) এখনও পর্যন্ত টেসলা যে দুর্দান্ত ব্যবসা করেছে, এমনটা নয়। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারণে কমেছে ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা ইভির চাহিদা। এর প্রভাব টেসলার ব্যবসায় পড়েছে। সেখান থেকে সংস্থাকে কী ভাবে মাস্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান, সেটাই এখন দেখার। বিশেষজ্ঞদের মতে, টেসলার এই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে কোম্পানির শেয়ারমূল্য বর্তমান স্তর থেকে প্রায় ৪৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে হবে। যদি সেটাই ঘটে, তাহলে টেসলা এনভিডিয়াকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানির আসনে বসবে। অর্থাৎ, মাস্কের সম্পদও নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে। অনুমান করা হচ্ছে, যদি মাস্ক এই প্যাকেজের ১২টি কিস্তির সবকটিই পান, তাহলে তার দৈনিক আয় হবে প্রায় ২৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বেতন পরিকল্পনাকে ইতিমধ্যেই কর্পোরেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্যাকেজ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    লগ্নিকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা

    গত বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর স্টকে লগ্নিকারীদের নিয়ে বার্ষিক সভার আয়োজন করে টেসলা। সেখানে মাস্কের স্টক-ভিত্তিক ক্ষতিপূরণ পরিকল্পনার পক্ষে ভোট দেন ৭৫ শতাংশ শেয়ার হোল্ডার। বাকি ১৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা অবশ্য রয়েছে টেসলার সিইও-র হাতেই। এই ভোটাভুটির পর তাঁর বিপুল বেতনে সংস্থার পরিচালন গোষ্ঠীর যে সিলমোহর পড়তে চলেছে, তা একরকম স্পষ্ট হয়ে যায়। ভোটাভুটি শেষ হতেই মাস্কের নামে জয়ধ্বনি দেন টেসলার শেয়ার হোল্ডারেরা। আর তাই সভাশেষের ভাষণে তাঁদেরও কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে দেন মার্কিন ধনকুবের।

    আগামী এক দশকে আরও কয়েকজন ট্রিলিয়নিয়ার

    বিশ্বে আগামী এক দশকে আরও কয়েকজন ট্রিলিয়নিয়ার উঠে আসতে পারেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামগুলো হল—

    এনভিডিয়া সিইও জেনসেন হুয়াং, যার কোম্পানি সম্প্রতি ৫ ট্রিলিয়ন ডলার মার্কেট ক্যাপ ছুঁয়েছিল,

    ভারতের গৌতম আদানি,

    ইন্দোনেশিয়ার প্রাজোগো পাংগেস্তু,

    অ্যামাজনের জেফ বেজোস,

    অরাকলের ল্যারি এলিসন,

    মেটার মার্ক জাকারবার্গ,

    এবং এলভিএমএইচের বার্নার্ড আরনল্ট।

     

  • Operation Pimple: জম্মু-কাশ্মীরে অপারেশন পিম্পল, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিকেশ দুই জঙ্গি

    Operation Pimple: জম্মু-কাশ্মীরে অপারেশন পিম্পল, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিকেশ দুই জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন পিম্পলে (Operation Pimple) জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার কুপওয়ারা (Kupwara) জেলার কেরান সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা অর্থাৎ এলওসি কাছে সীমান্তের ওপার থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল জঙ্গিরা। তাদের আটকানোর চেষ্টা করতেই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। এরপর গুলিতে মারা যায় দুই জঙ্গি।

    পাল্টা জবাবে মৃত জঙ্গিরা (Operation Pimple)

    নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রের খবর, গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান (Operation Pimple) শুরু করা হয়েছিল। নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর এলাকায় (Kupwara) সেনারা সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখেই প্রথমে সতর্ক করে। এরপর অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিরা গুলি চালালে ভারতীয় সেনারাও গুলি চালিয়ে পাল্টা জবাব দেয়। দুই পক্ষের সঙ্গে তীব্র গুলির বিনিময়ে দুই জঙ্গি ঘটনাস্থলেই নিকেশ হয়।

    তুষারপাতের আগে সক্রিয় জঙ্গিরা

    কেরান সেক্টরের নিয়ন্ত্রণ রেখা অর্থাৎ এলওসি একটি সংবেদনশীল জায়গা। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছে। তুষারপাতের ফলে পাহাড়ি পথ বন্ধ হয়ে যাবে তাই আগেই সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করছে জঙ্গিরা। এই সপ্তাহের বুধবার শুরুতে, জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় একটি সংঘর্ষের ঘটনা (Operation Pimple) ঘটেছিল। সেখানে দুই থেকে তিনজন জঙ্গিকে আটক করা হয়েছিল। তবে এই সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের সময় একজন সেনা জওয়ান আহত হয়েছিলেন। আহত জওয়ানকে তাৎক্ষণিকভাবে উধমপুরের সেনা কমান্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করাও হয়েছিল। ঘটনার দিন ভোরে নিরাপত্তা বাহিনী সম্মিলিত ভাবে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। তাদের মধ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, যার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় শুরু হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী, হোয়াইট নাইট কর্পস, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স বা সিআরপিএফ এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান চালিয়েছিল।

    কিশতোয়ারের উঁচু এলাকায় অবস্থিত ছত্রু এলাকায় বিভিন্ন সময়ে বিক্ষিপ্তভাবে জঙ্গিদের সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যায়। আর তাই ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী এই অঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এখন জোরদার ভাবে চালাচ্ছে। তবে এই বছরের শুরুর দিকে, নিরাপত্তা বাহিনী কিশতওয়ারের ডুল এলাকায় হামাস-ধাঁচের একটি জঙ্গি আস্তানাকে সম্পূর্ণ ভাবে ধ্বংস করে দিয়েছিল।

  • Ayodhya Ram Mandir: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের চূড়ায় ২২ ফুট গেরুয়া ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    Ayodhya Ram Mandir: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের চূড়ায় ২২ ফুট গেরুয়া ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যা রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য আমেদাবাদের একটি কোম্পানি রেশম পতাকা তৈরি করেছে । ১৬১ ফুট উঁচু চূড়ায় ২২ ফুট গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Pm modi)। এই পতাকার গৈরিক বর্ণ। রাম লালার মন্দিরের সর্বোচ্চ শিখরে এই পতাকা উত্তোলন করা হবে। ইতিমধ্যে এই পতাকা বা ধ্বজ উত্তোলনের জন্য সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোটা মন্দির চত্বর।

    উত্তোলন হবে সূর্য এবং ঔঁ যুক্ত গৈরিক পতাকা (Ayodhya Ram Mandir)

    আগামী ২৫ নভেম্বর রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) শিখরে তোলা হবে এই গৈরিক পতাকা। গুজরাটের আমেদাবাদে প্যারাশ্যুট তৈরিতে পারদর্শী একটি অভিজ্ঞ কোম্পানি তৈরি করবে এই পতাকা। এই গৈরিক পতাকাটি বিশেষ রেশমের সুতো এবং প্যারাশ্যুট কাপড় ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে রোদ, বৃষ্টি এবং তীব্র বাতাসের বিরুদ্ধে ভীষণ ভাবে টেকসই হবে। বাতাসের আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রার তারতম্য সহ্য করার জন্য ডিজাইন করা ২২ ফুট লম্বা এবং ১১ ফুট প্রস্থের পতাকাটি মন্দিরের ১৬১ ফুট উঁচু চূড়ার উপরে স্থাপিত ৪২ ফুট লম্বা একটি দণ্ডে স্থাপন করা হবে। পতাকায় আঁকা থাকবে বাল্মীকি রামায়ণের সূর্য এবং ঔঁ।

    থাকবেন মোহন ভাগবত-যোগী

    শ্রী শ্রী রামজন্মভূমি ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ayodhya Ram Mandir) সূত্রে জানিয়েছে, “পতাকাদণ্ডটি বল বিয়ারিংয়ের উপর করে তৈরি একটি ৩৬০ ডিগ্রি ঘূর্ণায়মান চেম্বারে থাকবে। কোনও রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে বাতাসকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, পতাকা উত্তোলনের দিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রথমে হনুমানগড়িতে প্রার্থনা করবেন। এরপর রাম মন্দিরের যাবেন। আগামী ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া ৫ দিনের অনুষ্ঠানে আয়োজনকে দেখার জন্য আরএসএস-এর তরফে গোপাল রাওকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি (Pm modi) সপ্ত মন্দির এবং রামায়ণ দৃশ্য চিত্রিত থ্রিডি ম্যুরালও দেখবেন বলে জানানো হয়েছে। আগত ভক্তদের জন্য মোট ৭ জায়গায় প্রসাদ পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

  • SIR: চায়ের দোকানে দেওয়া হচ্ছে এনুমারেশন ফর্ম! জেলা শাসকদেরকে কড়া বার্তা কমিশনের

    SIR: চায়ের দোকানে দেওয়া হচ্ছে এনুমারেশন ফর্ম! জেলা শাসকদেরকে কড়া বার্তা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR) কাজ শুরু হতেই তা নিয়ে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। কাজ এবং কাজের পদ্ধতি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক এবং তরজা চলছে জোর কদমে। যদিও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করছেন বিএলও-রা কিন্তু তাতেও প্রশ্ন থেমে নেই। কোথাও শোনা যাচ্ছে বাড়িতে নয়, কার্যত রাস্তায় ফর্ম বিলি করছেন বিএলও-রা। আবার কোথাও পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে বসে ফর্ম বিলি করার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও শোনা যাচ্ছে বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি নয় ক্লাসরুমে বসেই কাজ করছেন। স্কুলের মধ্যেই দেওয়া হয়েছে এনুমারেশন ফর্ম। তবে এই সব বিষয় নিয়ে কমিশন ব্যাপক ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। নির্দেশকে কিছু কিছু বিএলও-রা পালন করছেন না বলে সাফ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (SIR)

    জাতীয় নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, বাড়িতে বাড়িতে গিয়েই এনুমারেশন ফর্ম দিতে হবে বুথ লেভেল অফিসারদের। এই মর্মে জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যে জেলা শাসকদের আরও বেশি করে সতর্ক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে যদি সর্তকতার সঙ্গে কাজ না করা হয়, তাহলে কমিশনের তরফ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    যোধপুর পার্ক, মালদা, সাঁকরাইলে বেনিয়ম!

    সম্প্রতি যোধপুর পার্কে আকাশ দাস নামে এক বিএলও-কে দেখা গিয়েছে তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে চায়ের দোকানে বসে বসে এনুমারেশনের ফর্ম (SIR) দিচ্ছেন। দুর্গাপুরেও দেখা গিয়েছে কার্যত এই রকমের দৃশ্য। সেখানেও বাসস্ট্যান্ডে বসে ফর্ম বিলি করতে দেখা গিয়েছে এক বিএলও-কে। মালদার চাঁচলে আবার খোদ পঞ্চায়েত অফিসের বাড়িতে বসে ফর্ম দিতে দেখা গিয়েছে। এই সব ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই রাজ্য রাজনীতির পারদ ক্রমেই চড়তে শুরু করেছে। যদিও অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করলে বিতর্কিত বিএলও-রা উত্তরে জানান, ফর্ম গোছানোর কাজ করছিলেন। একই ভাবে আবার সাঁকরাইলের স্কুলে ফর্ম বিলির ছবি সামনে এসেছে। অধিকাংশ জায়গায় তৃণমূল নেতাদের নজরদারিতে ফর্ম দেওয়ার জন্য হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। কমিশন (Election Commission) যে উদ্দেশ্য নিয়ে এসআইআর-এর কাজ করবে বলে ঠিক করেছে, সেই কাজে রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা জেলা শাসক থেকে বিএলও পর্যন্ত কর্মচারীরা কতটা রাজনীতি মুক্ত হয়ে কাজ করতে পারবেন তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • HAL-GE Jet Engine Deal: মার্কিন জিই এরোস্পেস থেকে ১১৩টি জেট ইঞ্জিন কিনছে ভারত, ৮ হাজার ৮৭০ কোটির চুক্তি স্বাক্ষর

    HAL-GE Jet Engine Deal: মার্কিন জিই এরোস্পেস থেকে ১১৩টি জেট ইঞ্জিন কিনছে ভারত, ৮ হাজার ৮৭০ কোটির চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে শুল্ক-সংঘাতের আবহের মধ্যে মার্কিন সংস্থার সঙ্গে বিরাট বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ভারত। দেশীয় তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের জন্য ১১৩টি অত্যাধুনিক শক্তিশালী ‘এফ-৪০৪ আইএন২০’ ইঞ্জিন কিনতে প্রায় ৮ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান উৎপাদনকারী সংস্থা হিন্দুস্থান এরোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল। শুক্রবারই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

    তেজস জেট উৎপাদনের সমস্যা দূর হবে

    এই চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে ইঞ্জিন পেতে শুরু করবে ভারত। ২০৩২ সালের মধ্যে সবকটি ইঞ্জিন ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হবে। হ্যালের তরফে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির ফলে ভারতের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান উৎপাদনে বিশেষ সুবিধা হবে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ৬২,৩৭০ কোটি টাকায় ৯৭টি ৪.৫ প্রজন্মের হালকা ‘মাল্টি রোল সুপারসনিক’ যুদ্ধবিমান তেজস মার্ক-১এ কেনার চুক্তি করেছিল। ২০২৭-২৮ থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা। ছ’বছরের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে। মার্কিন সংস্থার সঙ্গে এই ইঞ্জিন-চুক্তি তেজস সরবরাহ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন ইঞ্জিন পেলে সময়মতো যুদ্ধবিমান সরবরাহে সমস্যা হবে না বলে হ্যাল সূত্রের খবর।

    ১০ বছরের প্রতিরক্ষা সমঝোতা ভারত-আমেরিকার

    গতমাসের শেষ দিকে, আগামী এক দশকে প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত ও আমেরিকা। সেখানে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিটার হেগসথের৷ ওই বৈঠকের পর মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের দাবি করেন, ওই চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিরোধমূলক সক্ষমতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এটি দুই দেশের মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এর মাধ্যমে। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হল হ্যাল-জিই ইঞ্জিন চুক্তি। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে দশ বছরের জন্য হওয়া এই চুক্তি ভারত ও আমেরিকাকে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার প্রশ্নে আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে৷

  • Rajnath Singh on Nuclear Test: ‘সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করবে ভারত’, দিল্লির পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে রাজনাথ

    Rajnath Singh on Nuclear Test: ‘সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করবে ভারত’, দিল্লির পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি যে, পাকিস্তান থেকে শুরু করে রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়ার মতো কয়েকটি দেশ গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। এই আবহে আমেরিকাও পারমাণবিক পরীক্ষা শুরু করতে চলেছে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারত এই প্রেক্ষিতে কী করবে, এবার তা স্পষ্ট করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি জানিয়েছেন, অন্য দেশগুলো তাদের মতো করে কাজ করছে, আর ভারত সঠিক সময়ে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেবে। সম্প্রতি এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নানা বিষয় নিয়ে নিজের খোলাখুলি মত জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    পরমাণু পরীক্ষা নিয়ে অকপট রাজনাথ

    পাকিস্তান, আমেরিকা পরমাণু বোমা পরীক্ষা নিয়ে যে জল্পনা শুরু হয়েছে, তা নিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, “ওরা যদি করতে চায়, করুক। ভবিষ্যতই বলবে ভারত কী করবে। এই বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। পাকিস্তান হোক বা আমেরিকা — যে যা করছে, করছে। ভারত কখনও ভয় বা চাপে পড়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।” তিনি আরও যোগ করেন, “ভারত যা উপযুক্ত মনে করবে, সেই পদক্ষেপই করবে। আমরা সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করব।” এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, রাশিয়া থেকে শুরু করে চিন ও পাকিস্তান পর্যন্ত অনেক দেশই নীরবে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে, যা জনসমক্ষে প্রকাশিত নয়।

    ট্রাম্পের দাবি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, ৩০ বছরেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র আবার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা শুরু করতে পারে। তিনি বলেন, রাশিয়া, চিন, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া যদি পরীক্ষা চালায়, তবে আমেরিকা একা হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। এই কারণে তিনি পেন্টাগনকে অবিলম্বে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘পারমাণবিক সমতা’ বজায় রাখতে পারে। অন্যদিকে, চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং এক বিবৃতিতে বলেন, “চিন সর্বদা শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে চলেছে, পারমাণবিক অস্ত্রের প্রথম ব্যবহার না করার নীতি অনুসরণ করে, আত্মরক্ষামূলক পারমাণবিক কৌশল গ্রহণ করেছে এবং পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত রাখার অঙ্গীকার পালন করছে।”

    প্রসঙ্গ বাংলাদেশ

    পরমাণু পরীক্ষা ছাড়াও এই সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে মুখ সামলে কথা বলার পরামর্শ দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। রাজনাথ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চায় না নয়াদিল্লি। নিজেদের চিরন্তন রীতি মেনে ভারত সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। কিন্তু ভারত যে কোনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে ভয় পায় না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজনাথ। ওই সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক চাই না। কিন্তু ইউনূস যা বলছেন, তা নিয়ে সতর্ক থাকা উচিত।’ ইউনুসের আমলে বাংলাদেশের একটি অংশে ভারত-বিরোধী বীজ রোপণ করা হয়েছে। যে ভারতের কারণে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, সেই দেশকেই নিয়ে ভুলভাল মন্তব্য করেন ইউনূস, যেটা কাম্য নয়।

  • SIR Form Fill Up: অনলাইনে ঘরে বসেই পূরণ করুন এসআইআর ফর্ম! জেনে নিন স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    SIR Form Fill Up: অনলাইনে ঘরে বসেই পূরণ করুন এসআইআর ফর্ম! জেনে নিন স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) আবেদন নেওয়া শুরু করল নির্বাচন কমিশন। কোনও ভোটার বাড়ির বাইরে থাকলে অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম ফিল আপ করতে পারেন। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের ওয়েবসাইটে (https://ceowestbengal.wb.gov.in/) অনলাইন এনুমারেশন ফর্ম মিলছে। কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট-এ গিয়েও কেউ চাইলে ওই ফর্ম পূরণ করতে পারেন।

    কী ভাবে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করবেন?

    প্রথমে ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে। এর পর অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে এপিক নম্বরের সঙ্গে মোবাইল নম্বর অথবা ইমেল আইডি লিঙ্ক থাকতে হবে। এপিক কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক না-থাকলে অনলাইনে এসআইআরের ফর্ম পূরণ করা যাবে না। রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে ওটিপি আসবে। সেটি বসিয়ে কমিশনের সাইটে লগইন করতে হবে। এর পরে প্রথমে রাজ্য বেছে নিতে হবে। তার পরে এপিক কার্ড নম্বর বসাতে হবে। এপিক বসানোর পরে তালিকার সঙ্গে নাম না মিললে, বিএলও-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। নাম না-মিললে আবার মোবাইল নম্বর বসাতে হবে। পুনরায় সেই নম্বরে ওটিপি আসবে। তা বসিয়ে অনলাইনে জমা করতে হবে। এর পরে তিনটি অপশন আসবে। প্রথম, নিজের নাম (শেষ এসএইআরের তালিকায় যেটি রয়েছে সেটি দিতে হবে। দ্বিতীয়, বাবা অথবা মায়ের নাম (শেষ এসএইআরের তালিকায় যেটি রয়েছে সেটি দিতে হবে। তৃতীয় অপশনে থাকবে শেষ এসএইআরের তালিকায় বাবা অথবা মায়ের নাম নেই। এর পর, সেখান থেকে উপযুক্ত অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। তার পর ২০০২ সালের বিধানসভা কেন্দ্র, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর বসাতে হবে। বিএলওদের সামনে বসে অফলাইন মাধ্যমে যে ভাবে ফর্ম পূরণ করতে হত, সে ভাবেই অনলাইনে করতে হবে। সেখানে একটি ছবি লাগবে। ফর্ম জমা দেওয়ার পরে করার আধার কার্ডের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বরে ওটিপি আসবে। সেটি বসানোর পরেই এনুমারেশন ফর্ম জমা করা যাবে।

    স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    স্টেপ ১: নির্বাচন কমিশনের নয়া ওয়েবসাইট https://ceowestbengal.wb.gov.in-এ যান।
    স্টেপ ২: সাইন আপ করতে পারেন অথবা ফোন নম্বর কিংবা এপিক নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে পারেন।
    স্টেপ ৩: ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে এসআইআর এনুমারেশন অনলাইন ফর্ম।
    স্টেপ ৪: ফর্ম ফিল আপ করার আগে নিজের পাসপোর্ট সাইজের ছবির স্ক্যানড কপি হাতের কাছে রাখুন। পরের স্টেপে সেই ছবির স্ক্যান্ড কপি আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ৫: যে কলামগুলি ফিল আপ করতে হবে সেগুলি হল, জন্মের তারিখ, আধার নম্বর (ঐচ্ছিক), মোবাইল নম্বর, পিতার নাম, পিতার এপিক নম্বর (যদি থাকে),মায়ের নাম, মায়ের এপিক নম্বর (যদি থাকে), বিবাহিত হলে স্বামী বা স্ত্রীর নাম, স্বামী বা স্ত্রীর এপিক নম্বর (যদি থাকে)।
    স্টেপ ৬: সবশেষে সাদা পাতায় সই করে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ৭: এরপর ক্লিক করুন সাবমিটে।
    স্টেপ ৮: ডিক্লেরেশন পেজে একাধিক অপশন রয়েছে। সিলেক্ট করতে হবে যথাযথ অপশন।
    স্টেপ ৯: ২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম থাকলে বা বাবা-মায়ের নাম থাকলে তাঁদের সেই কপি স্ক্রিনশট আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ১০: ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারও নামই না থাকলে কমিশনের নির্দেশ করে দেওয়া ১১টির নথির যে কোনও একটি ডকুমেন্টে টিক দিতে হবে।
    স্টেপ ১১: সবশেষে সাবমিট বটনে ক্লিক করুন।

    অযথা আতঙ্কিত হবেন না

    ভোটার তালিকায় (Voter List) কোনও যোগ্য নাগরিক যেন বাদ না যান, আবার অযোগ্য কেউ যাতে ঢুকে না পড়েন— এই লক্ষ্যেই দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (Special Intensive Revision বা SIR)। রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বক্তব্য শুনে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। জেলায় জেলায় এসআইআর ঘোষণার পর আত্মহত্যার অভিযোগও সামনে আসছে। কিন্তু, অযথা আতঙ্কিত না হয়ে কমিশন যে এনুমারেশন ফর্মের ব্যবস্থা করেছে, সেটি ধাপে ধাপে কীভাবে ফিলআপ বা পূরণ করবেন, জেনে নিন। নির্বাচন কমিশন বারবার আশ্বস্ত করলেও এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ঘুম উড়েছে অনেকেরই। বাড়িতে না থাকলে কীভাবে ফর্ম পূরণ করবেন, তা ভেবেই চিন্তায় ছিলেন অনেকে। অবশেষে প্রযুক্তিগত ত্রুটি সারিয়ে ওয়েবসাইটও খুলে দিয়েছে কমিশন। শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই খুলে দেওয়া হয়েছে সেই ওয়েবসাইট। এসআইআর নিয়ে ভোটারদের মধ্যে হাজার প্রশ্ন। ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় নাম না-থাকলে কী হবে? সেই চিন্তায়ও ভুগছেন অনেকে। যদিও কমিশন জানিয়েছে, চিন্তার কারণ নেই। ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় নিজের নাম বা বাবা-মায়ের নাম থাকলে কোনও নথি দিতে হবে না। তা ছাড়াও ১১টি নথি ব্যতীত নাগরিকত্ব প্রমাণ করার যে কোনও নথি দিলেই তা গ্রাহ্য হবে।

LinkedIn
Share