Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Bangladesh: এবার বিহার-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডকেও দেখানো হল গ্রেটার বাংলাদেশের ম্যাপে, পোস্টার পড়ল ঢাকায়

    Bangladesh: এবার বিহার-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডকেও দেখানো হল গ্রেটার বাংলাদেশের ম্যাপে, পোস্টার পড়ল ঢাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে পাকিস্তানকে অস্ত্র ও সেনা দিয়ে সাহায্য করে তুরস্ক (Turkey)। তার মাশুল অবশ্য গুনতে হচ্ছে তুরস্ককে। নিরাপত্তা থেকে উড়ান, শিক্ষা, বাণিজ্য- সব ক্ষেত্রেই এই দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছে ভারত। তবে তুরস্কের ভারত বিরোধিতা এবার দেখা গেল বাংলাদেশে (Bangladesh)। ভারত মুখ ফেরাতেই নতুন করে কারসাজি শুরু করেছে এই দেশ। এক সর্বভারতীয় সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী অনুযায়ী, বাংলাদেশে ফের একবার হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছে তুরস্ক। ওই সংবাদমাধ্যমের খবর, তুরস্কের একটি এনজিও সমর্থিত ইসলামিক সংগঠন বাংলাদেশের ঢাকায় গজিয়ে উঠেছে। জানা যাচ্ছে, এই সংগঠনের নাম ‘সালতালাত-ই-বাংলা’। এই সংগঠনই এবার দাবি তুলেছে গ্রেটার বাংলাদেশের। এনিয়ে নতুন একটি মানচিত্রও প্রকাশ করেছে তারা। ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও গোটা উত্তর-পূর্বকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বা গ্রেটার বাংলাদেশের অংশ বলে দাবি করা হল।

    মানচিত্রের পোস্টার সাঁটানো হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Bangladesh)

    শুধু তাই নয়, এই ম্যাপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অন্যান্য এলাকাতেও লাগানো হয়েছে। লাগানো হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, মূলত যে জায়গাগুলিতে পড়ুয়া ও যুব সম্প্রদায় যায়, সেখানেই এই গ্রেটার বাংলাদেশের (Bangladesh) পোস্টার লাগানো হয়েছে। এদিকে আবার ইউনূস সমর্থকরা এই ম্যাপের সমর্থনও জানিয়েছে। তারাও বিভিন্ন জায়গায় দাবি করছে, অন্তত উত্তর-পূর্ব ভারতকে বাংলাদেশের অংশ করা হোক।

    ২০২৪ সালে পতন হয় হাসিনা সরকারের, তারপরেই বেড়েছে ভারত বিরোধিতা

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে জামাত-বিএনপির ষড়যন্ত্রে হাসিনা সরকারের পতন এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত হয়। এর পর থেকেই সেদেশে হিন্দু নির্যাতনের পাশাপাশি বেড়েছে ভারত বিরোধিতাও। ওপার বাংলা থেকে ক্রমাগত উসকানিমূলক মন্তব্য এসেছে ভারতের বিভিন্ন অংশ দখল করার। শুধু তাই নয়, এই আবহে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে জঙ্গি কার্যকলাপও বেড়েছে। সাম্প্রতিক, মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ আন্দোলনের নামে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। সেখানেও উঠে আসে বাংলাদেশ যোগ।

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট, গ্রেফতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট, গ্রেফতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিন্দুর’ (Operation Sindoor) নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশবিরোধী মন্তব্য করার জন্য গ্রেফতার কার হল অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Ashoka University) অধ্যাপক আলি খান মাহমুদাবাদকে। ইতিমধ্যে তাঁর আইনজীবী সংবাদমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে মহিলা সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট করেন ওই অধ্যাপক। এমনটাই অভিযোগ ওঠে আলি খানের বিরুদ্ধে। এর পরেই হরিয়ানা রাজ্য মহিলা কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই বিষয়টির ওপর নজর দেয়। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই এই অধ্যাপককে গ্রেফতার করা হল।

    মহিলা অফিসারদের অবমাননা করার অভিযোগ (Operation Sindoor)

    প্রসঙ্গত, আগেই একটি নোটিশে মহিলা কমিশন বলেছিল যে আলি খানের মন্তব্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর মহিলা অফিসারদের অবমাননা করা হয়েছে এবং সাম্প্রদায়িক বিভেদ উস্কে দিয়েছে। নিজেকে বাঁচাতে কোনওরকমের চেষ্টার ত্রুটি করছেন না আলি। মহিলা কমিশনের নোটিশের জবাবে তাঁর দাবি করেছিলেন, অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) এবং এর সঙ্গে যুক্ত মহিলা অফিসারদের নিয়ে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলি নারীবিদ্বেষী ছিল না। তবে এসব ধোপে টিকল না, গ্রেফতার হতেই হল আলিকে (Ashoka University) ।

    নিজের পোস্টে কী লিখেছিলেন আলি?

    তিনি নিজের পোস্টে সেনার সাংবাদিক সম্মেলনকে ‘অপ্টিক’ এবং ‘ভণ্ডামি’ বলে মন্তব্য করেন। নিজের ফেসবুক পোস্টে আলি লিখেছিলেন, ‘‘আমি খুব খুশি যে অনেক ডানপন্থী কর্নেল কুরেশির প্রশংসা করছেন। তবে তারা একই ভাবে গণপিটুনি, একতরফা বুলডোজার কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও জোর গলায় সরব হতে পারেন। যারা বিজেপির বিদ্বেষের রাজনীতির মুখে পড়ছেন, তাদের সুরক্ষার দাবি জানাতে পারেন।’’

    স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত করা হয়

    এই আবহে হরিয়ানা রাজ্য মহিলা কমিশন আইন, ২০১২ এর ধারা ১০(১)(এফ) এবং ১০(১)(এ) অনুসারে আলি খানের মন্তব্যের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত শুরু করে। তবে এই গোটা বিতর্কের জবাবে আলি খান বারবার দাবি করেন, এটা একটা নতুন ধরনের সেন্সরশিপ। তবে এই আবহে অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে এক বিবৃতি (Operation Sindoor) জারি করে। আলি খানের বক্তব্য তারা সমর্থন করেনা বলেও জানায় বিশ্ববিদ্যালয়।

  • ISRO: উৎক্ষেপণের ২০৩ সেকেন্ডের মধ্যে বাতিল ইসরোর ১০১তম অভিযান!

    ISRO: উৎক্ষেপণের ২০৩ সেকেন্ডের মধ্যে বাতিল ইসরোর ১০১তম অভিযান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যর্থ হল ইসরোর (ISRO) ১০১তম অভিযান। রবিবার সকালেই মহাকাশে পাড়ি দেয় ইসরোর রকেট। এদিন ঠিক ভোর ৫টা ৫৯ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে রওনা দিয়েছিল পিএসএলভি-সি৬১ রকেট। যার লক্ষ্য ছিল EOS-09 কৃত্রিম উপগ্রহকে মহাকাশে লঞ্চ করা। কিন্তু তা আর সম্ভব হল না। যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ওই উপগ্রহটিকে আর মহাকাশে প্রেরণ করা যায়নি। উৎক্ষেপণের ২০৩ সেকেন্ডের মধ্যেই মিশনের তৃতীয় ধাপে সমস্যা দেখা দেওয়ার পরই তা বাতিল করে দেওয়া হয়।

    কী বললেন ইসরো প্রধান (ISRO)

    জানা গিয়েছে, ১৬৯৬ কেজির ইওএস-০৯ স্যাটেলাইটটি (Satellite) তৈরিই হয়েছে সি ব্যান্ডের SAR ব্যবহার করে যাতে সমস্ত মরশুমের ছবি তোলা যায়। তবে ৫২৪ কিমি সূর্য-সমকালীন মেরু কক্ষপথে সেটিকে আর প্রতিস্থাপন করা গেল না। প্রাথমিক ভাবে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, তৃতীয় ধাপেই থমকে গেল মিশন। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের পর এই প্রথম ইসরোর (Satellite) কোনও কৃত্রিম উপগ্রহ লঞ্চের পরিকল্পনা ব্যর্থ হল। ইসরোর (ISRO) প্রধান ভি নারায়ণ পরে লাইভ স্ট্রিমে এসে পুরো বিষয়টি খুলে বলেন। তিনি বলেন, ‘‘১০১তম মিশনটি আজ শুরু করা হয়। পিএসএলভি-সি৬১ দ্বিতীয় ধাপ পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তৃতীয় ধাপে এক বিশেষ পর্যবেক্ষণের পরে এই মিশন বাতিল করে দেওয়া হল।’’

    ৪৬ বছর আগে শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ হয়েছিল দেশের প্রথম উপগ্রহ

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারিতেই শততম উৎক্ষেপণের নজির গড়েছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। উল্লেখ্য, ৪৬ বছর আগে শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ হয়েছিল দেশের প্রথম উপগ্রহ। তারপর দেখতে দেখতে এতটা পথ পেরিয়ে এসেছে ইসরো (ISRO)। কৃত্রিম উপগ্রহ এনভিএস-২-কে নিয়ে জিএসএলভি এফ-১৫ রকেটের সফল উৎক্ষেপণের ওই মিশনই ছিল ইসরোর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়া ভি নারায়ণনের প্রথম মিশন। কিন্তু এরপরই ১০১-তম মিশনটি ব্যর্থ হল।কী কারণে এই গোলযোগ ঘটল, তা খতিয়ে দেখছেন ইসরোর ইঞ্জিনিয়ারেরা। ইতিমধ্যে একটি ব্যর্থতা বিশ্লেষণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

  • Telangana: কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে রেশম চাষ, এমবিএ যুবক করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা আয়

    Telangana: কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে রেশম চাষ, এমবিএ যুবক করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা আয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলেঙ্গনার (Telangana) সিদ্দিপেট জেলার চান্দলাপুরের বাসিন্দা রামাস্বামী। এমবিএ ডিগ্রিধারী রামাস্বামীর কাছে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ কখনও পছন্দের ছিল না। এরপর ২০২১ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে রেশম চাষ শুরু করেন। সঙ্গে ছিল তাঁর বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা। তাঁর পরিবার এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তুঁত চাষের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গিয়েছে। রামাস্বামী জানিয়েছেন, বিগত চার বছরে রেশম পোকা পালনের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করেছেন তিনি।

    ছোট থেকেই চাষের কাজে হাত লাগিয়েছেন রামাস্বামী (Telangana)

    জানা যায়, ছাত্রাবস্থাতেই রামাস্বামী তাঁর বাবা নরসিমলু এবং মা ভুলক্ষ্মীকে তুঁত চাষে সাহায্য করতেন। এই চাষ খুব কাছ থেকে লক্ষ্য করেন তিনি, এরপরেই ধীরে ধীরে রামস্বামীর (Telangana) আগ্রহ তৈরি হয় এই চাষের প্রতি। এরপরেই তিনি মাত্র দুই একর জমিতে রেশম পোকা পালন শুরু করেন। তাঁর সংকল্প এবং স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এখন সাত একরে এই চাষ চলছে বলে জানা যাচ্ছে। রেশম চাষ করার আগে রামাস্বামী বেঙ্গালুরুতে তিন মাসের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ফিরে আসার পর, তিনি সাকি সেন্টার ব্র্যান্ড নামে একটি রেশম পোকার ডিম উৎপাদন ইউনিট চালু করেন। এখানেই তিনি কর্মী হিসেবে পাঁচজনকে নিয়োগ করেন।

    রেশম চাষ

    প্রসঙ্গত, রেশমের দিক থেকে ভারত পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ (Telangana)। রেশম পোকারা গুটিকা তৈরি করে, যা পরে রেশমের সুতোয় পরিণত হয় এবং কাপড় বোনা হয়। ৯০ দিনের মধ্যে গুটিকা সংগ্রহ করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই গাছ ৩০ বছর পর্যন্ত উৎপাদনশীল (Telangana) থাকে। রেশম চাষ করতে হলে তুঁত গাছের চাষ করতে হয়। কারণ রেশম পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে। সাদা তুঁত, কালো তুঁত এবং লাল তুঁত-এ তিন প্রজাতির গাছে রেশম পোকা চাষ করা যায়। তবে সাদা তুঁত গাছই রেশম পোকার সবচেয়ে পছন্দের। তুঁত গাছ একবার লাগালে ২০-২৫ বছর ধরে পাতা দেয়।

  • Donal Trump: হোয়াইট হাউসে ২ জেহাদি নিয়োগ, একজনের রয়েছে লস্কর যোগ, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে প্রবল বিতর্ক

    Donal Trump: হোয়াইট হাউসে ২ জেহাদি নিয়োগ, একজনের রয়েছে লস্কর যোগ, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে প্রবল বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রাষ্ট্রপতির ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donal Trump) বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে। হোয়াইট হাউসের প্যানেলে জায়গা পেল দুই জেহাদিকে। যাদের মধ্যে একজনের আবার লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে জঙ্গিযোগও রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন কাজে কার্যতই ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, এদের মধ্যে একজন লস্কর-ই-তৈবার প্রশিক্ষণ শিবিরের অংশ নিয়েছে ২০০০ সালে। শুধুমাত্র তাই নয়, কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদী নানা কার্যকলাপে জড়িতও ছিল সে। ভারতে এসে গুলি চালানোরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    জেহাদিদের নিয়োগ হোয়াইট হাউসে (Donal Trump)

    এবার এই দুই জেহাদিকেই হোয়াইট হাউসের (White House) এডভাইসারি বোর্ড অফ লে লিডারসে রাখা হয়েছে (Donal Trump)। এতেই চলছে বিতর্ক। ইসলামিক জঙ্গি যোগ থাকা সত্ত্বেও ইসমাইল রোয়ার এবং শেখ হামজা ইউসুফকে- এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে। এদের মধ্যে ইসমাইল রোয়ার ২০০০ সালে খ্রিস্টান থেকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয় বলে জানা গিয়েছে। ইসলাম রোয়ার বর্তমানে রিলিজিয়াস ফ্রিডম ইনস্টিটিউট-এর ইসলাম অ্যান্ড রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যাকশন টিমের পরিচালক। অপরদিকে হামজা ইউসুফ হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম স্বীকৃত মুসলিম লিবারেল আর্টস কলেজ ‘জেইতুনা কলেজ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। এই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনেন রাজনৈতিক কর্মী লারা লুমার। তিনি এই নিয়োগকে ‘উন্মাদনা’ বলে মন্তব্য করেন। লুমারের আরও দাবি , উপদেষ্টা বোর্ডের আরেক সদস্য শায়খ হামজা ইউসুফও ‘জিহাদি ভাবধারায়’ বিশ্বাসী। তাঁর মতে, হামজা ইউসুফ জিহাদের প্রকৃত অর্থ আড়াল করেছে এবং মুসলিম ব্রাদারহুড ও হামাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

    মার্কিন আদালতেও সাজা হয়েছিল ইসমাইলের

    ২০০৪ সালে মার্কিন আদালত তাকে (ইসমাইল) কুড়ি বছরের কারাদণ্ডের কথা ঘোষণা করে। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ এবং মার্কিন নিরীহ নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য ‘ভার্জিনিয়া জিহাদি নেটওয়ার্ক’ তদন্ত নেমে এফবিআই তাকে গ্রেফতার করে। তবে ১৩ বছর পরেই তাকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এই ইসমাইল লস্কর জঙ্গি ইব্রাহিম আহমেদ আল হামিদির সাহায্যে লস্করের ক্যাম্পে গিয়েছিল। যেখানে আল হামিদই তাকে প্রশিক্ষণ দেয়।

  • e-Passports: দেশজুড়ে জাল চক্র মোকাবিলা করতে এবার এল চিপ সম্বলিত ই-পাসপোর্ট, কী কী সুবিধা থাকছে?

    e-Passports: দেশজুড়ে জাল চক্র মোকাবিলা করতে এবার এল চিপ সম্বলিত ই-পাসপোর্ট, কী কী সুবিধা থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ভ্রমণ হবে আরও সহজ। এবার দেশে কাগজের পাসপোর্টের বদলে এল নয়া ই-পাসপোর্ট। জানা যাচ্ছে, এই পাসপোর্টে লাগানো (e-Passports) থাকবে চিপ। ই-পাসপোর্ট ইস্যু করার পেছনে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে জাল পাসপোর্টের প্রচলন কমানো। পাসপোর্টের সঙ্গে কারসাজি, জালিয়াতি এবং জাল পাসপোর্ট তৈরির মতো অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভারত সরকার ই-পাসপোর্ট পরিষেবা (e-Passports) চালু করে প্রযুক্তির এক নয়া যুগের সূচনা করেছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যাঁদের ইতিমধ্যেই পাসপোর্ট রয়েছে, তাঁদের অবিলম্বে নতুন ই-পাসপোর্ট নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। এই পাসপোর্ট যতদিন বৈধ থাকবে ততদিন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এটি ব্যবহার করতে পারবেন। পুনর্নবীকরণের সময় এলে তখন একটি ই-পাসপোর্ট পাওয়া যাবে।

    ই-পাসপোর্ট আসলে কী

    ই-পাসপোর্ট দেখতে হচ্ছে একেবারে সাধারণ পাসপোর্টের মতোই। তবে এই ধরনের পাসপোর্টে একটি বিশেষ ধরনের মাইক্রোচিপ লাগানো থাকছে। এই চিপে থাকবে ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি ছবি, আঙুলের ছাপ ইত্যাদি। অন্যান্য বায়োমেট্রিক বিবরণও এই চিপে সংরক্ষিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এইভাবেই এই তথ্যগুলি নিরাপদে এনক্রিপ্ট করা হয়েছে চিপে। অনুমোদিত স্ক্যানিং ছাড়া এই তথ্য কেউ কখনও অ্যাক্সেসও করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল এই পরিষবা চালু করা হয় পাসপোর্ট সেবা প্রকল্পের আওতায়। পাসপোর্ট পরিষেবায় প্রযুক্তিগত উন্নতির কারণেই ওই পাইলট প্রকল্প চালু করে মোদি সরকার।

    কোথায় শুরু হয়েছে এই ই-পাসপোর্ট পরিষেবা

    জানা গিয়েছে, বর্তমানে ভারতের বেশ কিছু নির্বাচিত শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এই ই-পাসপোর্ট পরিষেবা। ১২টি শহরের পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হচ্ছে। এগুলি হল- নাগপুর, ভুবনেশ্বর, জম্মু, গোয়া, শিমলা, রায়পুর, অমৃতসর, জয়পুর, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, সুরাট এবং রাঁচি। সরকার শীঘ্রই আরও বেশ কয়েকটি স্থানে এই পরিষেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে বলে জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, বিদেশ মন্ত্রক ২০২৫ সালের মাঝামাঝি নাগাদ এটি সারা দেশে বাস্তুবায়নের পরিকল্পনা করেছে যাতে প্রতিটি নাগরিক এর সুবিধে পেতে পারে। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুতে, চলতি বছরের ৩ মার্চ চেন্নাই আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্ট পরিষেবা শুরু হয়েছে। ২২ মার্চ পর্যন্ত, ওই রাজ্যে ২০,৭২৯টি ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে বলে খবর।

    ই-পাসপোর্টের কী কী সুবিধে

    জালিয়াতি রোধ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পাসপোর্টে থাকা চিপটি জাল করা বা নষ্ট করা একেবারেই অসম্ভব। জানা যাচ্ছে, পাসপোর্টের কভারে একটি ছোট ইলেকট্রনিক চিপ এবং অ্যান্টেনা এমবেড করা থাকে। এই চিপে ব্যক্তিগত তথ্য ও বায়োমেট্রিক বিবরণ নিরাপদে সংরক্ষিত থাকে। এরফলে এই ব্যবস্থা পাসপোর্ট সম্পর্কিত জালিয়াতি রোধ করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    দ্রুত ইমিগ্রেশন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন কোনও ব্যক্তি ইমিগ্রেশনের মধ্য দিয়ে যায়, তখন এই চিপটি সঙ্গে সঙ্গে তথ্য দিয়ে দেবে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা আধিকারিককে। এরফলে এতে যাচাইকরণের সময়ও কমে যাবে।

    তথ্য সুরক্ষিত থাকবে  বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার নামক প্রযুক্তির মাধ্যমে এই চিপের (e-Passports) মধ্যে ব্যক্তিগত তথ্যকে সুরক্ষিত রাখা হয়। এর ফলে যে কোনও অজানা ব্যক্তি কোনওভাবেই ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাক করতে পারবে না।

    সহজে শনাক্তকরণ ই-পাসপোর্টের সামনের কভারের নিচে (Passports) একটি ছোট সোনালী রঙের প্রতীক থাকে, যা এটিকে সাধারণ পাসপোর্ট থেকে আলাদা করে।

    আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ এই পাসপোর্টগুলি আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন দ্বারা নির্ধারিত মান অনুসরণ করে তৈরি, তাই বিশ্বব্যাপী এর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

    ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন কীভাবে করবেন

    সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ই-পাসপোর্টের (e-Passports) জন্য আবেদনের প্রক্রিয়া আগের মতোই রয়েছে।

    প্রথমেই এজন্য আপনাকে যেতে হবে www.passportindia.gov.in ওয়েবসাইটে। আর এই ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

    রেজিস্টার্ড আইডি থেকে লগ ইন করার পরে Fresh কিংবা Reissue বিকল্প বেছে নিতে হবে।

    এরপরের ধাপ হল প্রয়োজনীয় তথ্য বসিয়ে ফি জমা করা।

    এরপর নিকটবর্তী পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। এরপর ওই পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে আসল নথিগুলি নিয়ে যেতে হবে যাচাইকরণের জন্য।

    সবশেষে আপনার ই-পাসপোর্ট পৌঁছে যাবে বাড়ির ঠিকানায়

  • Daily Horoscope 18 May 2025: আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 18 May 2025: আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    ২) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) সতর্ক থাকতে হবে।

    মিথুন

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) বাণীতে সতর্ক থাকুন।

    সিংহ

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটা।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    তুলা

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে বেশি সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    ধনু

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কুম্ভ

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মীন

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Teesta Prahar: বাংলাদেশের বুকে কাঁপুনি! পূর্ব সীমান্তেও প্রস্তুত, চিকেন নেকে ভারতীয় সেনার ‘তিস্তা প্রহার’

    Teesta Prahar: বাংলাদেশের বুকে কাঁপুনি! পূর্ব সীমান্তেও প্রস্তুত, চিকেন নেকে ভারতীয় সেনার ‘তিস্তা প্রহার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম সীমান্তে যে সময় অপারেশন সিঁদুর-এর মাধ্যমে পাকিস্তানের বুকে কাঁপুনি ধরাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা, ঠিক সেই সময়ই (৮-১০ মে) বাংলাদেশ সীমান্তে ব্যাপক সামরিক মহড়া সেরে রাখল ভারতীয় স্থলসেনা (Indian Army)। উত্তরবঙ্গে তিন দিন ধরে চলল ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ‘তিস্তা প্রহার’ (Teesta Prahar)। শিলিগুড়ির অদূরে চিকেন নেক এলাকার আশেপাশেই এই মহড়া দেয় ভারতীয় স্থলসেনা। ওদলাবাড়ির (Odlabari) সাওগাঁ বস্তির অদূরে তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে চলল মহড়া। তত্ত্বাবধানে সেনার ছিল ইস্টার্ন কমান্ড।

    কেন এই মহড়া

    উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে প্রতিবেশী পাকিস্তানের সঙ্গে আপাতত যুদ্ধবিরতি চললেও, পূর্ব সীমান্তেও ভারতীয় সেনাবাহিনী যে আক্রমণ রুখে দিতে একেবারে প্রস্তুত তারই ঝলক দেখা গেল তিস্তা প্রহার-এ (Teesta Prahar)। তাহলে লক্ষ্য কি ঢাকা? পাকিস্তানের সমর্থনে বেশ লম্ফঝম্প করছিল বাংলাদেশ। এমনকি, হুমকি দেওয়া হয়েছে যে ভারত-পাক যুদ্ধ হলে চিনের সাহায্যে সেভেন সিস্টার্স দখল করা হবে। তারই জবাব দিল ভারত, এমনই অনুমান বিশ্লেষকদের। এমনিতে, পাকিস্তানের শোচনীয় অবস্থা দেখে সুর পাল্টেছে ইউনূসরা। হিন্দুদের সুরক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, পাকিস্তান যদি এতটা পর্যুদস্ত না হত, বা পাকিস্তান যদি ভারতের সঙ্গে পাল্লা দিত। তাহলে কি বাংলাদেশ এমন চুপ থাকত? বাংলাদেশ হায়নার মতো আচরণ করতে না কে বলতে পারে? সাতপাঁচ ভেবেই কি সামরিক মহড়া? ঘুরিয়ে বাংলাদেশকে বার্তা দিল ভারত, অভিমত কূটনৈতিক মহলে।

    কী কী হল মহড়ায়

    পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ আবহে উদ্বেগ বেড়েছিল ‘চিকেন নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডর নিয়ে। ভারত-পাক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে চিনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারত (সেভেন সিস্টার) দখলের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। কিন্তু অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে ভারতীয় সেনার শক্তি দেখে নিয়েছে বিশ্ব। ইসলামাবাদকে যোগ্য জবাব দেওয়ার পাশাপাশি পরোক্ষে বার্তা দেওয়া হয়েছে চিন-বাংলাদেশকেও। দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে পূর্ব সীমান্তেও যে জওয়ানরা জবাব দিতে সর্বদা প্রস্তুত তারই ঝলক দেখা গেল তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে। তিনদিনের এই ‘তিস্তা প্রহার’ মহড়ায় ভারতীয় সেনার ইনফ্যানট্রি, আর্টিলারি, আর্মার্ড কোর, আর্মি অ্যাভিয়েশন, ইঞ্জিনিয়ার্স এবং সিগনাল কোর অংশগ্রহণ করেছিল। ভারতীয় সেনার অস্ত্রভান্ডারে সদ্য নিয়োজিত ‘নেক্সট জেনারেশন’ অস্ত্রশস্ত্র, মিলিটারি প্ল্যাটফর্ম এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগের মতো গুরুত্ব দিয়ে তিনদিনের মহড়ায় তুলে ধরা হয়। এছাড়াও প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে দ্রুততার সঙ্গে বাহিনীর প্রতিটি বিভাগের মধ্যে নিখুঁত সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করতে কীভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয় সেই প্রক্রিয়াতেও শান দেওয়া হয়েছে। মহড়ার একটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ভারতীয় সেনার অস্ত্রভান্ডারে সদ্য নিয়োজিত ‘নেক্সট জেনারেশন’ অস্ত্রশস্ত্র। মহড়ায় এই যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবহার, যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও আধুনিকীকরণের উপর জোর দেওয়া হয়। বিভিন্ন দুর্গম জায়গাতেও প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করতে কীভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সেই প্রক্রিয়াতেও শান দেওয়া হয়।

    ঢাকার বুকে কাঁপুনি

    তিনদিনের ‘তিস্তা প্রহার’ (Teesta Prahar)মহড়া শেষে সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের তরফে প্রেস বার্তায় দাবি করা হয়েছে, যে কোনও যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় সেনা একশো শতাংশ প্রস্তুত। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে একেবারে নিখুঁত সমন্বয় সাধনের জন্য এই মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানিয়েছে সেনা। ভারতীয় সেনার এই মহড়ায় ঢাকার বুকে কাঁপুনি ধরাতে পারে।

    আকাশকুসুম স্বপ্ন নয়

    সম্প্রতি চিন সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। সেখানে তিনি বলেন, “ভারতের পূর্ব প্রান্তের সাতটি রাজ্য, যাদের সেভেন সিস্টার্স বলা হয়, ওই বিরাট অঞ্চল কিন্তু পাহাড় আর স্থলভাগে ঘেরা। সমুদ্রপথে যোগাযোগ করার উপায়ই নেই তাদের। বাংলাদেশই হল সমুদ্রপথের রাজা। তাই ওই এলাকায় চিনা অর্থনীতির বিস্তার ঘটতেই পারে।” এই মন্তব্যের ইঙ্গিত অত্যন্ত স্পষ্ট যে, ভারতের ৭ রাজ্য (সেভেন সিস্টার)কে ভেঙে ফেলতে চায় বাংলাদেশ। এই একই ইচ্ছা চিনের। বাংলাদেশের মুখে এমন মন্তব্যে দুয়ে দুয়ে চার করতে খুব একটা অসুবিধা হয়নি দিল্লির। কড়া জবাব হিসাবে ভারতের মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশের ব্যবসার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, কয়েকদিন আগেই ভারত-পাক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ওপার বাংলার অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান বলেন, দিল্লি-ইসলামাবাদের মধ্যে যুদ্ধ লাগলে নাকি ঢাকার উচিত ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলো দখল করে নেওয়া। আর এর জন্য তারা হাত মেলাবে চিনের সঙ্গে। পড়শি দেশের এই আকাশকুসুম স্বপ্ন যে কোনও দিনই সফল হবে না তা বুঝিয়ে দিল ‘তিস্তা প্রহার’ মহড়া।

  • Pakistan: ‘‘ধর্মের অপব্যবহার করে জিহাদের প্রসার ঘটাচ্ছে পাকিস্তান’’, মত ইতিহাসবিদ টম কুপারের

    Pakistan: ‘‘ধর্মের অপব্যবহার করে জিহাদের প্রসার ঘটাচ্ছে পাকিস্তান’’, মত ইতিহাসবিদ টম কুপারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) ধর্মের “ব্যাপক অপব্যবহার” করে জিহাদের জন্ম দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সামরিক বিমানচালনা বিশ্লেষক এবং ইতিহাসবিদ টম কুপার (Tom Cooper)। তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। কুপার বলেন, ধর্মভিত্তিক সন্ত্রাসবাদ পশ্চিম আফ্রিকার নাইজেরিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ফিলিপিন্স পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের রাজনৈতিক কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে সামরিক শাসনের কবলে রয়েছে। কুপারের কথায়, “পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও অসামরিক নেতৃত্বের সম্পর্ক কখনওই ভালো ছিল না। দেশটিতে একাধিক সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে এবং বেশিরভাগ সময়ই দেশটি সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। ফলে এই সমস্যার সমাধান হবে না বলেই আমি মনে করি।” ধর্মকে ব্যবহার করে আমজনতাকে ভুল বুঝিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। বারবার এমনই অভিমত প্রকাশ করেছে ভারতও।

    পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    পাকিস্তানের (Pakistan) পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন টম কুপার (Tom Cooper)। তিনি বলেন, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ইঙ্গিতপূর্ণ। পাকিস্তানের হাতে পরমাণু অস্ত্রও নিরাপদ নয়। কুপার বলেন, “ভারত তার গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে পাকিস্তানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলির উপর কড়া নজরদারি করছে। ভারতের হাতে এই বিষয়ে নির্ভুল তথ্য রয়েছে। এটি স্পষ্ট করে যে পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র পরিচালনার সক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ।” তাঁর দাবি, এই উদ্বেগ নতুন কিছু নয় এবং পারমাণবিক বিজ্ঞানীরা বহু বছর আগেই এই ধরনের শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। পাকিস্তানের উপর ভারতের আধিপত্য নিয়ে কুপার বলেন, “ভারত তার কৌশলগত গোয়েন্দা উপগ্রহের মাধ্যমে পাকিস্তানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পাকিস্তানের পক্ষে এতে বাধা দেওয়া প্রায় অসম্ভব।”

    পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা

    পাকিস্তানের (Pakistan) অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং ধর্মভিত্তিক সন্ত্রাসবাদের প্রসার বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কুপারের (Tom Cooper) মতে, পাকিস্তান শুধু নিজের দেশের মধ্যেই জিহাদবাদের প্রজনন ঘটাচ্ছে না, বরং আন্তর্জাতিকভাবেও এর অর্থায়ন এবং সংগঠন করছে। এই প্রক্রিয়া আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, যা বিশ্ব শান্তির জন্য এক কঠিন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে। এটি শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি নির্ধারণেই প্রভাব ফেলে না, বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কুপারের মতে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী নিজস্ব স্বার্থ এবং উদ্দেশ্য দ্বারা পরিচালিত হয়, যা দেশের ব সরকারের সঙ্গে সংঘাতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

  • Indus Waters Treaty: সিন্ধু চুক্তি স্থগিতের পর চন্দ্রভাগার খাল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ভারতের, আরও চাপ বাড়বে পাকিস্তানের

    Indus Waters Treaty: সিন্ধু চুক্তি স্থগিতের পর চন্দ্রভাগার খাল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ভারতের, আরও চাপ বাড়বে পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রভাগা নদীর ওপর খাল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আরও বেশি জল ঢুকবে ভারতে। সিন্ধু চুক্তি (Indus Waters Treaty) অনুযায়ী, সিন্ধু নদের এই উপনদীর জল পাকিস্তানই ব্যবহার করে থাকে। বর্তমানে সিন্ধু চুক্তি স্থগিত। এই আবহে চন্দ্রভাগার খাল সম্প্রসারণের কথা ভাবা হয়েছে বলে জানিয়েছে নয়া দিল্লি। জানা যাচ্ছে, চন্দ্রভাগার ওপর এই খালটির নাম ‘রণবীর’। সেটাই সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে নয়াদিল্লি।

    বাড়বে জল বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা (Indus Waters Treaty)

    ভারত সরকারে এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, চন্দ্রভাগা নদীর জল ভারত খুব একটা ব্যবহার করতে পারে না। সামান্য জলই পাওয়া যায়, এটি সেচের কাজেই লাগে। সিন্ধু চুক্তি স্থগিত (Indus Waters Treaty) হওয়ার পর নদীর জল আরও বেশি করে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে ভারত। মনে করা হচ্ছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই জল ব্যবহার করা গেলে, এদেশে বিদ্যুতের চাহিদাও মিটবে। জানা যাচ্ছে, এভাবেই জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও ৩০০০ মেগাওয়াট বৃদ্ধি করার কথা ভাবছে নয়াদিল্লি।

    রণবীর খালের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে ১২০ কিলোমিটার করা হবে

    ইতিমধ্যে সমীক্ষার (Indus Waters Treaty) পরিকল্পনাও করা হয়ে গিয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। এক আধিকারিকের কথায়, ‘‘আমাদের অন্যতম প্রধান পরিকল্পনা হল, চন্দ্রভাগার উপর রণবীর খালের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে ১২০ কিলোমিটার করা। তবে এ সব কাজ তো সময়সাপেক্ষ। আমরা সকলকে বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব প্রক্রিয়া শুরু করতে।’’ খাল সম্প্রসারণের পাশাপাশি কাঠুয়া, রবি, পরাগওয়ালের মতো খালগুলিতে পলি সরানোর কাজও শুরু হয়েছে। এতে নদীগুলির জলধারণের ক্ষমতা বাড়বে। প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলা হয়। এই ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়। সন্ত্রাসে পাকিস্তানের যোগ উঠে আসে। তখনই স্থগিত করা হয় সিন্ধুচুক্তি। প্রসঙ্গত, ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে।

LinkedIn
Share