Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Nandigram Samabay Election: নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটে বিজেপি ঝড়ে উড়ে গেল তৃণমূল, কর্মীদের অভিনন্দন শুভেন্দুর

    Nandigram Samabay Election: নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটে বিজেপি ঝড়ে উড়ে গেল তৃণমূল, কর্মীদের অভিনন্দন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (Nandigram Samabay Election)। প্রতিনিয়ত চলছে তার প্রস্তুতি। তার প্রায় চার মাস আগে, নন্দীগ্রামে গাংড়া সমবায় নির্বাচনে শাসক দল তৃণমূলকে ‘কুপোকাত’ করল বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিধানসভা নির্বাচনী কেন্দ্রে ৯টি আসনেই জয়ী বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা। এই সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের পরিচালন সমিতির নির্বাচনে খাতাই খুলতে পারেনি তৃণমূল। রবিবার এই সমবায়ের ফল ঘোষণার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপির অভিযোগ, সমবায়ের ফল বেরনোর পরই তাদের কর্মী-সমর্থকদের উপর লাঠি চালায় পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    পুলিশের হুমকি

    রবিবার, কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় ওই সমবায় সমিতির ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া হয়। ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অশান্তি না ছড়ায়, সেজন্য তৎপর ছিলেন খোদ নন্দীগ্রাম থানার আইসি প্রসেনজিৎ দত্ত। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকি করেন। জমায়েত সরাতে ধমক দিতেও দেখা যায় নন্দীগ্রাম থানার আইসি-কে। আঙুল উঁচিয়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে আসা একজনকে তিনি বলেন, “চুপচাপ ভোট করতে দিন। ডিস্টার্ব করবেন, বারোটা বাজিয়ে দেব। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করতে দিন।”

    জয়ী বিজেপিই

    নন্দীগ্রামে গাংড়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল এবং বিজেপি। সিপিএম ও কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছিল ২ আসনে। রবিবার ফল ঘোষণার পর দেখা গেল, রাজ্যের শাসক দল একটিও আসনে জিততে পারেনি। ৯-০ আসনে এগিয়ে বিজেপি। জানা গিয়েছে, মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৫৪৩ জন এবং ভোটদান করেছেন ৪৩৮ জন। ফল ঘোষণার পরই আবির খেলায় মেতে ওঠেন নেতা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকরা। জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে বিজয় মিছিল বের হয়। দলীয় পতাকা হাতে জয়ের স্লোগান তুলতে থাকেন তাঁরা।

    অভিনন্দন শুভেন্দুর

    সমবায় নির্বাচনে জয়ী সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন নন্দীগ্রামের বিধাযক শুভেন্দু অধিকারী। সমবায় ভোটে জয়ের পর বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক মেঘনাথ পাল বলেন, “এই জয় শুভেন্দু অধিকারীর জয়। নন্দীগ্রামের মানুষের জয়। এই জয় আমাদের নিশ্চিত ছিল। তবে এই জয়ে আমাদের কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ আরও বাড়ল।”

  • Candida Auris: বিশ্বজুড়ে বিপদ বাড়াচ্ছে বিশেষ ছত্রাক! নতুন বছরের শুরুতেই আশঙ্কাবার্তা ‘হু’-র, কতটা ঝুঁকি ভারতে?

    Candida Auris: বিশ্বজুড়ে বিপদ বাড়াচ্ছে বিশেষ ছত্রাক! নতুন বছরের শুরুতেই আশঙ্কাবার্তা ‘হু’-র, কতটা ঝুঁকি ভারতে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নতুন বছরের শুরুতেই বিপদের জানান দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আবার বড় স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বিশ্বের একাধিক দেশ। ভোগান্তিও বাড়তে পারে। কারণ এত বছরের পরিচিত দাওয়াই আর কাজে আসছে না। তাই বিপদ বাড়ছে। আগাম সতর্কতাকে হাতিয়ার করেই তাই আপাতত লড়াই চলুক বলে জানাচ্ছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    নতুন বছরে কোন বিপদের আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?

    নতুন বছরের শুরুতেই বিপদ বাড়াচ্ছে ছত্রাক। ‘ক্যানডিডা অরিয়াস’ নামে এক ছত্রাক বিশ্ব জুড়ে দাপট দেখাতে শুরু করেছে। আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এই ছত্রাকের সংক্রমণ বাড়ছে। আর তার জেরেই আবার নতুন করে স্বাস্থ্য বিপর্যয় হতে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে ক্যানডিডা অরিয়াস নামে এই ছত্রাককে ‘বিপজ্জনক’ ঘোষণা করা হয়েছে। আমেরিকার একাধিক জায়গায় অসংখ্য মানুষ এই ছত্রাক সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। বাদ নেই দক্ষিণ এশিয়ার নানান দেশ। ত্বক ও রক্তের মাধ্যমে একজনের দেহ থেকে এই ছত্রাক আরেকজনের দেহে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিচ্ছে। আর তার ফলেই নানান জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এমনকি প্রাণঘাতী পরিস্থিতিও দেখা যাচ্ছে।

    কেন ‘বিপজ্জনক’ এই ছত্রাক?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ক্যানডিডা অরিয়াস নামে এই ছত্রাক ত্বকের স্পর্শে ছড়িয়ে পড়ছে। উচ্চ রক্তচাপ মাপার যন্ত্র কিংবা ক্যাথিটারের মতো চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামেও এই ছত্রাক বাসা বাঁধছে। ত্বকের থেকেই রক্তে মিশেছে এই ছত্রাক। আর তারপরেই শরীরে নানান জটিলতা তৈরি করছে। এই ছত্রাকে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষতস্থান স্পর্শ করলেই খুব দ্রুত এই ছত্রাকের সংক্রমণ হচ্ছে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস কিংবা কিডনির অসুখে আক্রান্তের এই ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কম থাকলে এই ছত্রাকের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে‌। স্বাস্থ্যকেন্দ্র কিংবা হাসপাতাল থেকেই এই ছত্রাক সংক্রমণ দ্রুত হচ্ছে। বিশেষত, ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের শরীরে এই সংক্রমণ দ্রুত দেখা দিচ্ছে। আর তার থেকেই অন্যদের মধ্যে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই ছত্রাক ঠেকাতে মূল চ্যালেঞ্জ হল, ওষুধ কাজ করছে না। তাঁরা জানাচ্ছেন, এত বছর ধরে এই ধরনের ছত্রাক সংক্রমণের বিপদ কমাতে যে ধরনের ওষুধ বিশেষত অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতো, সেগুলো আর এখন কাজ করছে না। আর তার জন্যই এই ছত্রাক বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ক্যানডিডা অরিয়াস শরীরে বাসা বাঁধলে বারবার জ্বর, শ্বাসনালীর সংক্রামণের মতো উপসর্গ দেখা যায়। রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া, পুঁজ জমে যাওয়ার মতো জটিলতা তৈরি হয়। শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যশক্তি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো প্রাণঘাতী সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    ভারতে কতখানি বিপদের আশঙ্কা রয়েছে?

    ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ-র তরফে জানানো হয়েছে, দেশ জুড়ে ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বাড়ছে। নানান ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ার কারণে রোগের ভোগান্তিও বাড়ছে। আর এই সবকিছুর নেপথ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষমতা হ্রাস। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্টের কারণেই পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। অকারণে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার জেরে শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী শক্তি তৈরি হয়ে গিয়েছে। তাই ব্যাকটেরিয়া কিংবা ছত্রাককে কাবু করতে পারছে না।‌ তাই শরীরে এই ধরনের সংক্রমণ বিপদ বাড়াচ্ছে।

    অন্যান্য দেশের মতো ক্যানডিডা অরিয়াস ভারতের জন্যও বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বাড়তি সতর্কতাকে হাতিয়ার করেই এই পরিস্থিতি মোকাবিলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ছত্রাকের সংক্রমণ রুখতে পরিচ্ছন্নতা জরুরি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শরীর পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত পরিচ্ছন্ন জামা কাপড় পরা, হাত ও পা সাবান দিয়ে ধোয়া এবং শুকনো করে মুছে ফেলা জরুরি। অতিরিক্ত সময় ভেজা থাকলে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে। বাড়িতে শিশু থাকলে পরিচ্ছন্নতায় বাড়তি নজরদারি জরুরি। কারণ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি তুলনামূলক ভাবে কম থাকে। তাই ছত্রাকের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়‌। কেউ এই ছত্রাকে আক্রান্ত হলে তাঁকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি, যে আক্রান্তকে দেখভাল করছেন, তাঁরও আলাদা থাকার ব্যবস্থা থাকা জরুরি। কারণ সংক্রমণ রুখতে এই আলাদা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Daily Horoscope 05 January 2026: ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 05 January 2026: ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে হতবুদ্ধি করে ফেলতে পারে।

    ২) আবেগের বশে কাজ করলে বিপদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মিথুন

    ১) বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কর্কট

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ২) মাত্রাছাড়া রাগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিরোধে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ২) আপনার রসিকতা অপরের বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ২) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) শরীর খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Mohan Bhagwat: লাভ জেহাদ আটকাতে তিন উপায় বাতলে দিলেন ভাগবত, জানেন কী কী?

    Mohan Bhagwat: লাভ জেহাদ আটকাতে তিন উপায় বাতলে দিলেন ভাগবত, জানেন কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, “লাভ জিহাদের মতো সমস্যাগুলি তখনই বন্ধ করা সম্ভব যখন পরিবারগুলি একে অপরের সঙ্গে খোলামেলাভাবে কথা বলতে শুরু করবে। মানুষকে সৎভাবে ভাবতে হবে তাদের নিজের বাড়ির মেয়েরা কীভাবে একজন অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলবেন। কীভাবে সম্পর্ক গড়বেন। এটাই লাভ জেহাদ এবং ধর্মান্তকরণ থেকে রক্ষার উপায়। এই ধরণের ঘটনার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হল পরিবারের মধ্যে যোগাযোগের অভাব।”

    লাভ জেহাদ মোকাবেলার তিনটি ধাপ (Mohan Bhagwat)

    ৩ জানুয়ারী ভোপালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) আয়োজিত “স্ত্রী শক্তি সংবাদ” অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “তিনটি স্তরে প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রথমত, পরিবারের মধ্যে নিয়মিত এবং খোলামেলা আলোচনা হওয়া উচিত। দ্বিতীয়ত, মেয়েদের সতর্ক থাকতে এবং নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হতে শেখানো উচিত। তৃতীয়ত, যারা এই ধরনের অপরাধ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “সামাজিক সংগঠনগুলিকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সমগ্র সমাজকে এক সঙ্গে  রুখে দাঁড়াতে হবে। কেবলমাত্র সম্মিলিত প্রতিরোধই প্রকৃত সমাধান আনতে পারে।”

    নারীরা ধর্ম ও সংস্কৃতি রক্ষা করে

    ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “ধর্ম, সংস্কৃতি এবং সমাজ ব্যবস্থা রক্ষায় নারীরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যে সময় নারীদের কেবল নিরাপত্তার জন্য ঘরের মধ্যে আটকে রাখা হত, সেই সময় অনেক আগেই চলে গিয়েছে। আজ, পুরুষ এবং মহিলারা পরিবার এবং সমাজের অগ্রগতির জন্য এক সঙ্গে কাজ করেন, তাই সচেতনতা এবং দায়িত্ব উভয়ের জন্যই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    নারীর ক্ষমতায়নই মূল চাবিকাঠি

    আরএসএস প্রধান (Mohan Bhagwat) নারীদের ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, “মেয়েদের আরও সুযোগ দিতে হবে এবং তাদের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক শক্তি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে, কারণ নারীরা প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে, তবে এটি এখনও আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। ভারতীয় ঐতিহ্য কীভাবে মাতৃত্বের মাধ্যমে নারীদের মূল্য দেয়, পশ্চিমী সমাজগুলি সম্পূর্ণ বিপরীতে, যেখানে প্রায়শই বিয়ের পরেই একজন মহিলাকে মান্যতা দেওয়া হয়।”

    অন্ধ পাশ্চাত্য প্রভাবের বিরুদ্ধে সতর্কীকরণ

    পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রভাব সম্পর্কে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “আধুনিকতার নামে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া পশ্চিমি সংস্কৃতি এখন একটি অন্ধ জাতিতে পরিণত হয়েছে। তিনি ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মধ্যে যে মূল্যবোধগুলো দেওয়া হচ্ছে, সেগুলো সম্পর্কে গুরুত্ব সহকারে চিন্তা করার জন্য জনগণকে আহ্বান জানান। ভারতীয় ঐতিহ্য নারীদের দুর্বল করে না বরং তাদের শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। রানি লক্ষ্মীবাঈয়ের মতো উদাহরণ ভারতীয় নারীরা প্রতিটি যুগে সাহস ও শক্তি প্রদর্শন করেছেন।”

    ঐক্য, জাতি এবং সামাজিক সম্প্রীতি

    সামাজিক সম্প্রীতি (RSS) সম্পর্কে বলতে গিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “হিন্দু কেবল একটি শব্দ নয়, বরং জীবনযাপনের একটি উপায়। যতক্ষণ পর্যন্ত একজন হিন্দু থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত জাতি টিকে থাকে এবং সমাজ একটি সুস্থ দেহের মতো কাজ করে যেখানে প্রতিটি অংশ অন্যজনকে সমর্থন করে। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই ভারতের পরিচয়। যদিও মানুষ দেখতে ভিন্ন হতে পারে, জাতি, সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের স্তরে, সবাই এক। সদিচ্ছা কেবল সংকটের সময় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য নিয়মিত সভা, সংলাপ এবং একে অপরের কাজ বোঝা জরুরি। তিনি প্রতি বছর জেলা, ব্লক এবং গ্রাম পর্যায়ে সামাজিক সম্প্রীতি সভা করা একান্ত প্রয়োজন।

  • T20 World Cup: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলিকে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় চায় বিসিবি

    T20 World Cup: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলিকে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় চায় বিসিবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ক্রিকেটের ময়দানেও ভারত বিরোধিতার স্বর বাংলাদেশে। ২০২৬ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএল (IPL) থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি করেছে। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) বাংলাদেশের ম্যাচগুলিকে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের জন্য আইসিসিকে জানিয়েছে বাংলাদেশ।

    ফ্লাইট এবং হোটেল ইতিমধ্যেই বুক (T20 World Cup)

    ২০২৬ সালে ২০টি দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এখানে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, ইতালি, নেপাল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গেও গ্রুপ রয়েছে। বাংলাদেশের ম্যাচগুলি কলকাতা এবং মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা। তবে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে সম্ভাব্য খেলার স্থান পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে চিঠি লিখেছে। প্রতিক্রিয়ায় স্বরূপ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অর্থাৎ বিসিসিআইয়ের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক বাংলাদেশের দাবিকে অত্যন্ত অবাস্তব বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “কারও ইচ্ছায় খেলা পরিবর্তন করা যায় না। এটা একটা লজিস্টিকাল দুঃস্বপ্ন। প্রতিপক্ষ দলের ফ্লাইট এবং হোটেল ইতিমধ্যেই বুক করা আছে। প্রতিটি ম্যাচের দিনে তিনটি করে খেলার সময়সূচি নির্ধারিত থাকে, যার মধ্যে একটি শ্রীলঙ্কায়। সম্প্রচার কর্মী এবং অপারেশনাল দলগুলিও এতে জড়িত থাকে, তাই বলা সহজ কিন্তু করা সহজ নয়।”

    রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব

    শনিবার কলকাতা নাইট রাইডার্স চলতি বছর আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেয়। এরপর পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ৩০ বছর বয়সী এই পেসারকে ৯.২০ কোটি টাকায় কিনে নেওয়া হয়। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায়, বিসিবি একটি জরুরি সভা করে এবং বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রক কর্তৃক আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ২০২৬ ম্যাচের সময়সূচি-

    • বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ – ৭ ফেব্রুয়ারি (কলকাতা)
    • বনাম ইতালি – ৯ ফেব্রুয়ারি (কলকাতা)
    • বনাম ইংল্যান্ড – ১৪ ফেব্রুয়ারি (কলকাতা)
    • বনাম নেপাল – ১৭ ফেব্রুয়ারি (মুম্বই)

    এখন পর্যন্ত, আইসিসি কর্তৃক কোনও আনুষ্ঠানিক অনুরোধ নিশ্চিত করা হয়নি এবং টুর্নামেন্টের সময়সূচি অপরিবর্তিতই রয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন, নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন, নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে ফের একবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের নন্দীগ্রামে দাঁড়ালে ২০ হাজার ভোটে হারাব। ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন। তখন শুধু হিন্দুরা ছিলেন, এবার মুসলমানরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন। গরিব মুসলমানরা দেবে ভালো করে।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মুসলিম ভোট ভাগ হবে, আর তার ফয়দা লুটবে বিজেপি। ফলে সমীকরণ বদলে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    হিন্দুত্বই বড় বিষয় (Suvendu Adhikari)

    ২০১৪ সালের পর থেকে বঙ্গে বিজেপির পালে হাওয়া লেগেছে। দিলীপ ঘোষের আমলে ২০১৯ সালে বিজেপি সব থেকে বেশি ১৮টি আসন পেয়েছিল লোকসভায়। ২০২১ সালে বিজেপি হিন্দুত্বের জোয়ারে ভেসে ৩ থেকে ৭৭টি  বিধানসভার আসন পেয়েছে। কিন্তু মমতার সীমাহীন মুসলিম তোষণ একদিকে যেমন হিন্দু জনমনে বিরাট অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে, একইভাবে আবার বহু মুসলিমের বিরুদ্ধে হিন্দুকে খেপিয়েও তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রগতিশীল মুসলিম এবং রাষ্ট্রবাদী মুসলমান সমাজের অবশ্য দাবি, মুসলিম সমাজের উন্নয়নের নামে আদতে একটি পরিবারের শুধু আয় বেড়েছে। আপামর জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান বদলায়নি। তবে বঙ্গ বিজেপি হিন্দুত্বকেই বড় বিষয় হিসেবে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসতে চাইছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) খুব স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “আমরা ৩৯ শতাংশ আছি, আর ৫-৬ শতাংশ হিন্দুরা একজোট হলেই ক্ষমতায় আসা সম্ভব হবে।”

    এক সঙ্গে লড়াই করার আহ্বান

    দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে শমীক ভট্টাচার্যও (BJP Bengal) তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দল-মত সব কিছু ভুলে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। হিন্দুরা সুরক্ষিত থাকলে তবেই বাংলায় গণতন্ত্র থাকবে। এই লড়াই হিন্দু অস্তিত্বের বড় লড়াই। লাগামছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, বেকারত্ব, কয়লা, বালি, পাথর, মাটি চুরি এখন চরম শিখরে। বাংলায় কর্মসংস্থান নেই। কলকারখানা নেই। তাই বাংলাকে ফেরাতে বিজেপিকেই চাই। এইভাবেই বাংলায় রাজনৈতিক বদলের কথা প্রচার করছে বিজেপি। ২০২৬ সালে এর প্রভাব কতটা ভোট বাক্সে পড়ে, এখন তা-ই দেখার।

  • Venezuela: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা! আপাতত এড়িয়ে চলার বার্তা, ভারত জারি করল হেল্পলাইন নম্বর

    Venezuela: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা! আপাতত এড়িয়ে চলার বার্তা, ভারত জারি করল হেল্পলাইন নম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) মার্কিন হানা! একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ভারতীয়দের সে দেশে যেতে নিষেধ করল ভারত। বিদেশমন্ত্রক ইতিমধ্যে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। একইভাবে ভেনেজুয়েলায় বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের চলাফেরায়ও  নিয়ন্ত্রণ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। যে কোনও প্রয়োজনে ভারতীয় দূতাবাসের (Indias Ministry of External Affairs) সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

    দরকার ছাড়া যেতে না (Venezuela)

    ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) ঢুকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছে আমেরিকা। ওই দেশের সরকারের পতন হয়েছে। ফলে খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার ওই দেশে ভারতীয়দের যাওয়ার বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করল নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের (Indias Ministry of External Affairs) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডলে করা পোস্টে লেখেন, “দরকার ছাড়া ভেনেজুয়েলায় বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করুন। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ওই দেশ এড়িয়ে যান। প্রয়োজনে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।” তবে ভারতের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার খনিজ তেল বা অর্থনৈতিক জ্বালানির স্বার্থ থাকলেও সরাসরি রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট না করে নাগরিক সুরক্ষাকেই প্রধান বিষয় হিসেবে ভাবা হয়েছে।

    খনিজ সম্পদ লুট করার জন্যই আগ্রাসী

    উল্লেখ্য, আমেরিকার সঙ্গে ভেনেজুয়েলার (Venezuela) চাপানউতোর চলছিল দীর্ঘ দিন ধরেই। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে তেলের ট্যাংকার চলাচলের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভেনুজুয়েলার সীমান্তে কোনও তেল ট্যাংকার যাতায়াত করতে পারবে না। একইভাবে ওই দেশের সরকারকে জঙ্গি গোষ্ঠীর তকমাও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। মাদুরোকে অবৈধ শাসক ঘোষণা করে তাঁর শাসনকে নস্যাৎ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আমেরিকা বার বার দাবি করেছে মাদক পাচার এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য ভেনেজুয়েলার তেলকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তেল বেআইনিভাবে বিক্রি করে সেই টাকা খরচ করা হচ্ছে জঙ্গিদের পেছনে। অবশ্য এই বিষয়ে ভেনেজুয়েলার দাবি, দেশের খনিজ সম্পদ, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল লুট করছে মার্কিন শাসক। আমেরিকা খনিজ সম্পদ লুট করার জন্যই আগ্রাসী হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে শনিবার ট্রাম্প বন্দি মাদুরোর ছবি প্রকাশ্যে এনেছেন।

  • Weather Update: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত, বরফ পড়ল সান্দাকফুতে, উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত

    Weather Update: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত, বরফ পড়ল সান্দাকফুতে, উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত (First Snowfall)। বরফ পড়ছে সান্দাকফুতে। শনিবার থেকেই তুষার পড়ার মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। শিশির জমে পরিণত হচ্ছিল বরফে। সন্ধ্যাবেলার পর থেকে পারদ আরও কয়েকধাপ নামতে শুরু করেছিল। এরপর শুরু হয়ে যায় তুষারপাত।

    সান্দাকফু-ফালুটের আশপাশ এলাকা বরফময়

    উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত (Weather Update)। শুক্রবার থেকে উত্তর সিকিমের একাধিক জায়গায় তুষারপাত (First Snowfall) শুরু হয়েছিল। শনিবার সন্ধ্যা থেকে বরফ পড়তে শুরু করে দার্জিলিংজুড়ে। সান্দাকফু, ফালুটের আশপাশে বরফ পড়তে দেখা যায়। এদিকে শীতের আমেজ সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করতে দার্জিলিঙের রক গার্ডেন ফের খুলে দেওয়া হয়। যদিও দুর্গাপুজোর পর ভারী বর্ষণের জেরে এলাকায় এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। তাই সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল রক গার্ডেন। শনিবার গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে রক গার্ডেন খোলার কথা জানানো হয়। তবে এখনও ডালি থেকে গঙ্গামায়া পার্ক পর্যন্ত রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সময় বিশেষে কেবলমাত্র পর্যটকদের জন্য জন্য ছোট গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “এই মরশুমের প্রথম তুষারপাত। পর্যটনের জন্য খুব ভালো খবর। এতে আরও বেশি পর্যটকরা উত্তরবঙ্গের প্রতি আকর্ষিত হবেন।” পেশায় স্কুল শিক্ষিকা ইপ্সিতা ঘোষাল তাঁর স্কুলের কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে সিটুং ঘুরতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “শনিবার রাতে হাড় কাঁপানো শীত (Weather Update) ছিল। পারদ ২ ডিগ্রি নীচে নেমে গিয়েছে। তাপমাত্রা (First Snowfall) অনুভূত হয়েছে মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে শীত বেশ জোরদার হলেও, মনোরম আবহাওয়া মন কেড়ে নিয়েছে।”

    দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ছিল ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার কথা। মালদা এবং তৎসংলগ্ন জেলা অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। তবে কলকাতায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে।

    আগামী দু’তিনদিন তাপমাত্রা একই রকম

    আবহাওয়ায় শুষ্কতা (Weather Update) থাকবে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বাড়বে তাপমাত্রা। তারপর আগামী দু’তিনদিন তাপমাত্রা একই রকম থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ফের কমে যাবে তাপমাত্রা। তবে এখন কুয়াশার প্রভাব বাড়বে। সকালের দিকে মাঝারি থেকে হালকা কুয়াশা হবে। তবে কুয়শার সম্ভাবনা কলকাতায় বেশি পরিমাণে থাকবে। কলকাতা মহানগরের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (First Snowfall) ঘরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি থেকে ১৫ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে।

    কোথায় কত তাপমাত্রা

    শনিবার দক্ষিণবঙ্গের শীতলতম (Weather Update) স্থান ছিল মুর্শিদাবাদের বহরমপুর৷ এদিন সেখানকার তাপমাত্রা ছিল ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের সমতলের মধ্যে শীতলতম স্থান ছিল মাঝিয়ান ৷ সেখানকার তাপমাত্রার পারদ ছিল ৯.২ ডিগ্রি । দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২.৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতা ও তার আশপাশের অঞ্চলে গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৭ ডিগ্রির নীচে (First Snowfall)। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫৩ ও সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ।

  • Malda Flood Relief Scam: মালদা বন্যা ত্রাণে ভয়াবহ দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

    Malda Flood Relief Scam: মালদা বন্যা ত্রাণে ভয়াবহ দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও দুর্নীতির জালে তৃণমূল। ২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে মালদায় (Malda Flood Relief Scam) ভয়াবহ বন্যার পর ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণের নামে যে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, তার বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল প্রায় ৭০০ পাতার কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) রিপোর্টে। এই রিপোর্ট সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে জমা পড়েছে। রিপোর্টে ইঙ্গিত মিলেছে, বন্যা ত্রাণের নামে প্রায় ১০০ কোটি টাকা লুট হয়েছে। সিএজি-র পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এটি নিছক প্রশাসনিক গাফিলতি নয়, বরং একটি সংগঠিত ও পরিকল্পিত লুটপাটের চিত্র, যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত হয়েছেন এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা লাভবান হয়েছেন। এই রিপোর্টে উঠে এসেছে জনসাধারণের অর্থের নির্মম ও পরিকল্পিত লুণ্ঠনের ছবি,যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা চরম দুর্দশায় পড়ে থাকলেও শাসক দলের ঘনিষ্ঠরা ত্রাণের টাকা লুটে নিয়েছে।

    পাকা বাড়ি ভাঙেনি, তবু কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ

    প্রকাশিত প্রাথমিক ক্যাগ প্রতিবেদনে বিপুল পরিমাণ জালিয়াতির ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে, যাতে ৮০-এর বেশি পঞ্চায়েত প্রধান ও কর্মকর্তার নাম জড়িয়ে আছে। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছে, বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ত্রাণ বিতরণ মডেল’-কে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৭ সালের বন্যায় মালদার লক্ষ লক্ষ মানুষের বাড়িঘর উজাড় হয়ে যায়। সরকার ১০০০ কোটি টাকারও বেশি ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ করে, কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, এই অর্থের একটি বড় অংশ আসল ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছায়নি। বরং, এই অর্থগুলো কিছু নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাইফন করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মালদা জেলায় ১,৬০৯টি পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে ৭.৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়। অথচ জেলার তৎকালীন জেলাশাসক (DM) সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বন্যায় একটিও পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

    একই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ৪২ বার টাকা!

    সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ডুপ্লিকেট ও একাধিকবার অর্থপ্রদানের ঘটনায়। একই নাম, একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আইএফএসসি কোডে ২ বার থেকে ৪২ বার পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের টাকা জমা হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকে এক ব্যক্তি একই বাড়ির ক্ষতির জন্য ৪২ বার টাকা পেয়েছেন। শুধুমাত্র এই ধরনের ভুয়ো ও বহুগুণ অর্থপ্রদানের মাধ্যমে ৫.৯০ কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে সিএজি জানিয়েছে। ৬,৯৬৫ জনকে একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২ থেকে ৪২ বার করে টাকা দেওয়া হয়েছে, বলে অভিযোগ।

    আমরা তো কিছু পাইনি

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হাজার হাজার উপকারীদের একই মোবাইল নম্বর বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই জালিয়াতির ইঙ্গিত। আদালতের একজন বিচারপতি বেঞ্চ বলেছেন, “এটা শুধু অর্থের অপব্যবহার নয়, এটা লোকজনের জীবনের সঙ্গে খেলা। বন্যার ক্ষতিগ্রস্তরা আজও ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় আছে, আর অর্থগুলো কোথায় গেল?” পিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে, ৮০-এর বেশি পঞ্চায়েত প্রধান এবং স্থানীয় কর্মকর্তা এই র‍্যাকেটে জড়িত। এদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। একজন স্থানীয় বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত বলছেন, “আমরা বাড়ি গাঁথতে পারিনি, কিন্তু শুনছি আমাদের নামে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। কোথায় গেল সেই টাকা? আমরা তো কিছু পাইনি।”

    তালিকাভুক্ত নন, আবেদন নেই—তবু টাকা!

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে এমন ব্যক্তিদের, যাঁদের নাম সরকারি ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ছিল না, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে কোনও আবেদনই জমা পড়েনি। রাতুয়া–১ ব্লকে এমন অনিয়মে ২.৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। গোটা জেলায় ক্ষয়ক্ষতি যাচাই না করেই মোট ৭.২৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মীদের ত্রাণ লুট

    সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, ১০৮ জন জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারী বেআইনিভাবে বিপিএল (Below Poverty Line) ত্রাণের টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে— ৩৬ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পেয়েছেন মোট ২৬ লক্ষ টাকা। হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকের ৪ জন সরকারি কর্মী নিয়েছেন ৫.২৮ লক্ষ টাকা। সিএজি স্পষ্ট জানায়, এঁরা কেউই বিপিএল বা বন্যা-আক্রান্ত হওয়ার যোগ্য ছিলেন না।

    নথি “হারিয়ে গিয়েছে”

    নিয়ম অনুযায়ী, চার সদস্যের যাচাই কমিটির অনুমোদন ছাড়া ত্রাণ দেওয়া যায় না। কিন্তু— মানিকচক, ওল্ড মালদা, ইংরেজবাজার, কালিয়াচক–১ ও রাতুয়া–১ ব্লকে এই নিয়ম মানা হয়নি। ওল্ড মালদা ব্লকে (Malda Flood Relief Scam) অডিটের সময় গুরুত্বপূর্ণ নথি “হারিয়ে গিয়েছে” বলে দাবি করা হয়। অথচ নথি হারানোর বিষয়ে কোনও পুলিশি অভিযোগ দায়ের হয়নি।

    নির্বাচনের সময় টাকা তোলা নিয়ে প্রশ্ন

    রিপোর্ট ও আদালতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাগুলিতে অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বড় অঙ্কের টাকা তোলা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া তিনটি জনস্বার্থ মামলায় অভিযোগ, মোট লুটের অঙ্ক প্রায় ১০০ কোটি টাকা। আদালতে অন্তত ৩০ জন বিডিও-র নাম উঠে এসেছে, যাঁরা ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে দায়িত্বে ছিলেন।

    দুর্নীতির পুরনো ছক?

    আমফান ঝড়, কোভিড ত্রাণ—একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের পর মালদা বন্যা ত্রাণ কেলেঙ্কারি ফের প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা ও ত্রাণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে “বঞ্চনা”-র কথা বলেন, সিএজি রিপোর্ট সেখানে ইঙ্গিত দিচ্ছে—এই বঞ্চনা রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যেই পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠছে, এটাই টিএমসির ত্রাণ বিতরণের মডেল? আসল ক্ষতিগ্রস্তরা শূন্য পায়, আর অর্থ র‍্যান্ডম অ্যাকাউন্টে চলে যায়!

     

     

     

     

  • Daily Horoscope 04 January 2026: সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 04 January 2026: সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

     ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share