Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Delhi: দিল্লির উত্তম নগরে হোলির দিনে তরুণ কুমার হত্যাকাণ্ডে আরও ৪ জন গ্রেফতার, মোট ৮জন ধৃত

    Delhi: দিল্লির উত্তম নগরে হোলির দিনে তরুণ কুমার হত্যাকাণ্ডে আরও ৪ জন গ্রেফতার, মোট ৮জন ধৃত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির (Delhi) উত্তম নগর এলাকায় হোলির দিন ২৬ বছর বয়সি তরুণ কুমারকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার (৬ মার্চ) আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ৮ । যার মধ্যে একজন নাবালকও রয়েছে। এদিকে এলাকায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার মাঝে দুটি গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটেছে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (DFS) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে উত্তম নগরের জে.জে. কলোনিতে একটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন লাগার খবর পায় তারা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলের ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

    সিবিআই তদন্তের দাবি

    তরুণ কুমারের পরিবার তাঁর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৪ মার্চ) হোলি উৎসবের দিন। পুলিশ ও পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী, তরুণের পরিবারের এক ১১ বছর বয়সি মেয়ে ছাদে দাঁড়িয়ে হোলি খেলছিল। সে একটি জলের বেলুন ছুড়েছিল, যা তার বাবার দিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও রাস্তায় পড়ে যায় এবং পাশ দিয়ে যাওয়া এক প্রতিবেশী মহিলার গায়ে জল পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সামান্য তর্কাতর্কি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়ে যায়। তবে সন্ধ্যায় বন্ধুর সঙ্গে হোলি উদযাপন করে বাইকে বাড়ি ফেরার সময় তরুণকে পথেই আটকায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল। অভিযোগ, ওই দলটি লোহার রড, ইট, পাথরসহ বিভিন্ন বস্তু দিয়ে তরুণকে বেধড়ক মারধর করে। তাকে বাঁচাতে গেলে তার পরিবারের সদস্যদেরও মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বৃহস্পতিবার তিনি মারা যান।

    পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন

    নিহত তরুণের কাকা রমেশ বলেন, ‘১১ বছর বয়সি মেয়েটি ছাদ থেকে সবার ওপর জল বেলুন ফেলছিল। এই ঘটনায় বোরখা পরিহিত এক মহিলার ওপরেও বেলুন ফেলে দেয় ও। তাতে আমি নিজে গিয়ে ক্ষমা চাই। এমনকী ছোট মেয়েকে দিয়েও ক্ষমা চাওয়াই। এর থেকে বেশি কী করতে পারতাম আমরা। তারা আমাদের মারল। আমার মাথায় ডাক্তার ৮টি সেলাই দিয়েছে। ঘটনার আধঘণ্টা পরে তরুণ আসে। ও বাইক পার্ক করতে পারেনি, তার ওপর চড়াও হয় ওরা।’ এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তরুণ নির্দোষ ছিলেন। ছোটখাটো বিরোধের জেরে অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন তাঁকে লাঠি ও ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। তরুণ হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এদিকে এই ঘটনা যাতে সাম্প্রদায়িক হিংসার আকার ধারণ না করে, তার জন্য পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। থানায় স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠক করে পুলিশ। বৈঠকে স্থানীয়দের আশ্বস্ত করা হয় যে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শীঘ্রই সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • PM Modi’s Oil Diplomacy: মার্কিন ৩০ দিনের ছাড়ে রুশ তেল কেনা, মোদির ‘কৌশলগত তেল কূটনীতির’ সাফল্য দাবি বিজেপির

    PM Modi’s Oil Diplomacy: মার্কিন ৩০ দিনের ছাড়ে রুশ তেল কেনা, মোদির ‘কৌশলগত তেল কূটনীতির’ সাফল্য দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের অস্থায়ী ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করেছে। মার্কিন এই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির “কৌশলগত তেল কূটনীতির” (PM Modi’s Oil Diplomacy) বড় সাফল্য বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। শুক্রবার বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে বলেন, “যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগোচ্ছে, তখন রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস ভারতের কৌশলগত সংযম ও স্পষ্টতার সঙ্গে নেওয়া সিদ্ধান্ত দেখতে পারে না।”

    ৩০ দিনের অস্থায়ী ছাড়

    মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বৃহস্পতিবার জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তেল ও গ্যাস উৎপাদন রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছেছে। তিনি বলেন, “বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ট্রেজারি বিভাগ ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের একটি অস্থায়ী ছাড় দিচ্ছে।” বেসেন্ট আরও বলেন, “ভারত যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং আমরা আশা করি নয়াদিল্লি যুক্তরাষ্ট্রের তেল কেনাও বাড়াবে। ইরানের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে চাপ তৈরি হয়েছে, এই সাময়িক ব্যবস্থা তা কিছুটা কমাতে সাহায্য করবে।” তিনি জানান, এই ছাড়টি ইচ্ছাকৃতভাবে স্বল্পমেয়াদি রাখা হয়েছে এবং এটি মূলত সমুদ্রে আটকে থাকা তেলের চালান সংক্রান্ত লেনদেনের অনুমতি দেয়, ফলে রাশিয়ার সরকার এতে বড় ধরনের আর্থিক লাভ পাবে না।

    কংগ্রেসের সমালোচনা

    এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে প্রদীপ ভান্ডারি বলেন, “রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস ‘তেলের ঘাটতি’ নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করেছিল। এই সিদ্ধান্ত তাদের মুখে বড় ধাক্কা। ভারত ইতিমধ্যেই রাশিয়ার তেল কিনছে এবং সরবরাহে কোনও বিঘ্ন ঘটেনি।” একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের সমালোচনা করে বিজেপি বলেছে, এই সিদ্ধান্ত তাদের মুখে “ডিম ছুঁড়ে মারার” মতো। ভান্ডারি আরও দাবি করেন, ২০১৩ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরান থেকে তেল কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছিল।

  • IRIS Lavan at Kochi: ইরানি জাহাজকে আশ্রয় দিল ভারত, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কোচি বন্দরে নোঙর করেছে ‘আইরিস লাভান’

    IRIS Lavan at Kochi: ইরানি জাহাজকে আশ্রয় দিল ভারত, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কোচি বন্দরে নোঙর করেছে ‘আইরিস লাভান’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের কোচিতে (Kerala Kochi) নোঙর করেছে ইরানি জাহাজ (Iranian Warship) আইরিস লাভান (IRIS Lavan at Kochi)। ওই জাহাজটির ১৮০জন নাবিক এখন কোচিতে ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) অতিথিশালায় রয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ফ্রিগেট (ছোট যুদ্ধজাহাজ) ‘আইআরআইএস ডেনা’কে টর্পেডো ছুড়ে ডুবিয়ে দেওয়ার আবহে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কোচিতে আইরিস লাভানকে নোঙর করার অনুমোদন দেয় ভারত। প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেওয়ার কারণেই ওই অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

    তেহরানের অনুরোধে অনুমতি

    সরকারি সূত্রের খবর, কোচিতে ইরানের জাহাজটিকে নোঙর করার অনুমতি দেওয়ার আগে নৌসেনা দফতর সরাসরি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি চায় নৌবাহিনী। নয়াদিল্লি ইরানের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে। সাউথ ব্লক সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের প্রোটোকল মেনেই ইরানের জাহাজটিকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। এর সঙ্গে আরব দুনিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কোনও সম্পর্ক নেই।

    ‘আইআরআইএস ডেনা’ র উপর হামলা

    বুধবার ভোরে ভারত মহাসাগরের বুকে ইরানি রণতরী ‘ডেনা’-র উপরে হামলা চালায় মার্কিন ডুবোজাহাজ। টর্পেডো ছুড়ে ইরানের যুদ্ধজাহাজকে ধ্বংস করে দেয় তারা। ভারতীয় নৌবাহিনীর আমন্ত্রণে বিশাখাপত্তনমে একটি মহড়ায় অংশ নিতে নিরস্ত্র অবস্থায় গিয়েছিল ডেনা। মার্কিন টর্পেডোর হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত নিহত ৮৭ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে ৩২ জনকে। কিন্তু এখনও প্রায় ৬০ জনের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। বুধবারের ওই হামলাটি হয়েছিল শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলের কাছে। শ্রীলঙ্কার নৌসেনাই ওই যুদ্ধজাহাজে উদ্ধারকাজ শুরু করে। সেই যুদ্ধজাহাজের উদ্ধারকাজে ভারতীয় নৌসেনাও রণতরী পাঠিয়েছিল। যে ৩২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁরা এখন ভর্তি রয়েছেন শ্রীলঙ্কার দক্ষিণে বন্দর শহর গলের এক হাসপাতালে।

    আমেরিকার চাপ শ্রীলঙ্কাকে

    অন্যদিকে, আইরিস বুশের (Iris Bushehr) নামে একটি ইরানি জাহাজকে তাদের বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দিয়েছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। দেশটির প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দেশেনায়কে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে জানিয়েছেন ইরানের জাহাজটিকে ত্রিঙ্কোমালি বন্দরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। জাহাজটির ২০৮ জন নাবিক নিরাপদে আছেন। সূত্রের খবর, শ্রীলঙ্কার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কূটনৈতিক মহলে চর্চা হচ্ছে। পাঁচ দিন আগে আইরিস ডেনা (Irish Dena Warship) নামে ইরানের একটি জাহাজকে মার্কিন সাবমেরিন ধ্বংস করে। জাহাজের উদ্ধার হওয়া নাবিকদের আশ্রয় দেয় শ্রীলঙ্কা। আমেরিকা এরপর কলম্বোর উপর চাপ তৈরি করেছে ওই নাবিকদের ইরানের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। মার্কিন সেনারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি এখনও আমেরিকাকে সম্মতি দেননি।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার, অমীমাংসিত নামের নিষ্পত্তি কতদিনে?

    SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার, অমীমাংসিত নামের নিষ্পত্তি কতদিনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্চের শেষেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় (SIR in Bengal) অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা ৬০ লক্ষ ৬ হাজারের নাম নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ মার্চে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হলে, তার আগে কোনওভাবেই বিবেচনাধীন লিস্ট প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এমনই মনে করছে নির্বাচন কমিশন। তাই আজ, শনিবার ৭ মার্চ ঝাড়খণ্ড থেকে রাজ্যে আসছেন ১০০ জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন। ওড়িশা থেকেও আসবেন আরও ১০০ জুডিশিয়াল অফিসার। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব বর্ধমান- এই আটটি জেলার বিবেচনাধীনের তালিকার নিষ্পত্তি করবেন তাঁরা।

    ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে আসছেন বিচারকরা

    রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-পর্বে এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ ভোটারের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি করেছেন বিচারকেরা। শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘শনিবার ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারকরা আসবেন তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজের জন্য।’’ রাজ্য এসআইআর প্রক্রিয়ায় জীবিত কয়েক জন ভোটারকে ‘মৃত’ বলে চিহ্নিত করে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে সিইও মনোজ বলেন, ‘‘যদি কোনও জীবিতকে, মৃত ভোটার হিসাবে দেখানো হয়, তবে আমাদের কাছে অভিযোগ জানান। অভিযোগ জানালে আমরা পদক্ষেপ করব। দেখা হবে কার গাফিলতিতে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে? কেন করা হয়েছে? ইচ্ছাকৃত কেউ নাম বাদ দিয়েছেন কি না? কমিশন কি জীবিত কারও নাম বাদ দিতে পারে?’’

    কতদিনে কাজ শেষ হওয়ার আশা

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেখানে ৬০ লক্ষের নাম অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জুডিশিয়াল অফিসাররা ওই অমীমাংসিতদের নথি খতিয়ে দেখছেন। এই মুহূর্তে কাজ করছেন ৫০১ জন জুডিশিয়াল অফিসার। হিসেব বলছে, গড়ে ১ লক্ষ ৪০ হাজার একদিনে নিষ্পত্তি হলেও এক থেকে দেড় মাস সময় লেগে যাবে। যাঁরা শনিবার রাজ্যে আসছেন, তাঁদের কাজ শুরু করতে আগামী সপ্তাহ সময় লেগে যাবে। তাঁরা কাজে যোগ দিলে বাছাই এবং নিষ্পত্তির গতি বেড়ে যাবে। অন্যদিকে রাজ্যে আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ৯ মার্চ আটটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবে। রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, অমীমাংসিতের তালিকার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যাতে ভোট ঘোষণা না হয়। তারা এই বিষয়টা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সামনে তুলে ধরবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। ফুল বেঞ্চ আসার কয়েকদিনের মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার নিয়ম রয়েছে। তা যদি হয়, তাহলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে ৬০ লক্ষের নিষ্পত্তি কোনওমতেই সম্ভব নয় বলেই মনে করছে কমিশন।

  • Childhood Obesity: আমেরিকাকে টপকে ভারত! শৈশবের স্থূলতার বোঝা বাড়ছে দেশে, নেপথ্যে খাবার নাকি মোবাইল আসক্তি?

    Childhood Obesity: আমেরিকাকে টপকে ভারত! শৈশবের স্থূলতার বোঝা বাড়ছে দেশে, নেপথ্যে খাবার নাকি মোবাইল আসক্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ওজন! অতিরিক্ত ওজন! যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সময় মতো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে স্বাভাবিক জীবন যাপনের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে উঠবে। ভারতীয় শিশুদের স্থূলতার সমস্যা আমেরিকাকেও টপকে গিয়েছে। চিনের পরেই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় থাকা দেশের তালিকায় ভারত। বিশ্বে ভারতের স্থান দ্বিতীয়। সাম্প্রতিক তথ্য আগামী প্রজন্মের সুস্থ জীবন‌ যাপন নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে এক তথ্যে জানানো হয়েছে, ভারতীয় শিশুদের মধ্যে মারাত্মক ভাবে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা বাড়ছে। স্থূলতায় আক্রান্ত শিশুদের নিরিখে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ওই তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ৫ থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় ১৫ মিলিয়ন শিশু অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছে। আবার ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে ২৬ মিলিয়ন অতিরিক্ত ওজন বা ওবেসিটির সমস্যায় আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ২০ মিলিয়ন ভারতীয় শিশু স্থূলতার শিকার হবে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

    কেন ভারতীয় শিশুদের মধ্যে স্থূলতার সমস্যা বাড়ছে?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় শিশুদের অতিরিক্ত ওজনের নেপথ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত শারীরিক কসরতের অভাব। ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী ভারতীয় ছেলেমেয়েদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ প্রয়োজনীয় শারীরিক কসরত করে না। এর ফলে তাদের শরীরে ক্যালোরি ক্ষয় হয় না। যা অতিরিক্ত ওজনের অন্যতম কারণ।

    ওবেসিটির নেপথ্যে খাদ্যাভাস নাকি মোবাইল আসক্তি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওবেসিটির নেপথ্যে প্রথম কারণ অবশ্যই খাদ্যাভাস থাকে। তবে ভারতীয় শিশুদের অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার সমস্যার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক সমীক্ষায় উঠে আসছে ভারতীয় শিশুদের প্রয়োজনীয় শারীরিক সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে না। অর্থাৎ ৫ বছর বা ১০ বছর বয়সে শিশুর যেমন খাবারের পরিমাণে পরিবর্তন হয়, তেমনি শারীরিক কার্যকলাপেও পরিবর্তন হওয়া উচিত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলাধুলা করা, যোগাভ্যাস করা প্রয়োজন। কিন্তু অধিকাংশ ভারতীয় শিশুর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের পরিমাণ বাড়ছে, আর শারীরিক কার্যকলাপ কমছে। অবসর যাপন মানেই মোবাইলের পর্দায় চোখ আটকে থাকছে। ক্রিকেট, ফুটবল হোক কিংবা কাবাডির মতো মাঠে নেমে দৌড়াদৌড়ি করে খেলার পরিবর্তে বিভিন্ন ভিডিও গেমে আসক্তি বাড়ছে। যা শরীরের জন্য বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোটোদের পাশপাশি বড়দের স্থূলতার অন্যতম কারণ খাবার। পিৎজা, বার্গার কিংবা অতিরিক্ত তেল মশলা দেওয়া চটজলদি খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু তারমধ্যে এক জায়গায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা, ছোটাছুটি না করার জেরে সেই মেদ ঝরানোর সুযোগ ও থাকছে না। ফলে ওজন মারাত্মক বাড়ছে‌।

    কেন ওবেসিটি উদ্বেগজনক সমস্যা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরের অতিরিক্ত ওজন একাধিক রোগের কারণ হয়ে ওঠে। শৈশব থেকেই এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকলে সুস্থ দীর্ঘ জীবন কার্যত মুশকিল। কারণ, স্থূলতা হৃদরোগ, কিডনি, লিভারের অসুখের কারণ হয়ে ওঠে। আবার হরমোনের ভারসাম্য ও নষ্ট করে। ফলে বড় হয়ে ওঠার পর্বে নানান জটিলতা তৈরি হয়।

    কীভাবে স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সচেতনতা থাকলেই শিশুদের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত শিশুকে খেলায় অংশগ্রহণে আগ্রহ দিতে হবে। দিনের অন্তত ৩০-৪০ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম হয় এমন খেলায় অংশগ্রহণ করাতে হবে। সাঁতার হোক কিংবা মার্শাল আর্ট কিংবা ক্রিকেট-ফুটবল-হকির মতো যেকোনো ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত খেললে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরবে। চর্বি জমবে না। অতিরিক্ত ওজন বাড়বে না। অবসর যাপনে মোবাইলের গেম নয়। বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলা জরুরি। এতে শারীরিক ও মানসিক গঠন ঠিক হয়। তাছাড়া খাবারের দিকেও নজরদারি প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত পরিমাণ খাবার খাওয়ানো একেবারেই উচিত নয়। অভিভাবকদের প্রথম থেকেই খাবারের পরিমাণ নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। তাছাড়া ঘরের তৈরি খাবার খাওয়া দরকার। চটজলদি প্যাকেটজাত খাবার নিয়মিত খেলে অতিরিক্ত ওজনের ঝুঁকি বাড়বে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 07 March 2026: শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 07 March 2026: শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ৩) নতুন কিছু শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    বৃষ

    ১) পারিবারিক বিষয়ের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) গৃহস্থ জীবনে অবসাদ থাকবে।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি পারিবারিক জীবনের জন্য সমস্যায় ভরপুর।

    ২) পরিবারে কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সম্মান বাড়বে।

    কর্কট

    ১) মানসিক দিক দিয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) সন্তানের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।

    ৩) প্রেম জীবন সুখের হবে।

    সিংহ

    ১) আর্থিক জীবনে ব্যয় বাড়বে।

    ২) নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ৩) ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে।

    কন্যা

    ১) শুভ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ২) মনের মধ্যে শান্তি থাকবে।

    ৩) পারিবারিক জীবনে জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    তুলা

    ১) অসুস্থতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আটকে যেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালো সুযোগ পাবেন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও কারণে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার চেষ্টা করুন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ থাকবে।

    ২) আধিকারিকদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) সন্তানের জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    মকর

    ১) ধৈর্য ও কঠিন পরিশ্রমের জোরে লক্ষ্য লাভে সফল হবেন।

    ২) পারিবারিক মনোমালিন্য দূর হতে পারে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে।

    ২) ব্যবসায় লোকসান।

    ৩) বাড়িতে বন্ধুর আগমন।

    মীন

    ১) স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে।

    ২) খাওয়া-দাওয়ার বিশেষ যত্ন নিন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

  • India US Relation: সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল কিনতে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড়, ঘোষণা আমেরিকার

    India US Relation: সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল কিনতে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড়, ঘোষণা আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিশ্বে অশোধিত তেলের বাজারকে চাঙ্গা করতে রুশ-নীতি নমনীয় করার ইঙ্গিত দিল আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের ছাড় দিল ভারতকে। তবে শর্ত একটিই। তা হল, এই ছাড় কেবল সমুদ্রপথে আটকে থাকা তেলের ট্যাঙ্কার বা জাহাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সমুদ্রে আটকে থাকা তেল কিনতে পারবে ভারত। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের ওপর চাপ কিছুটা কমবে এবং তেল সংকটের আশঙ্কা থেকে ভারত সাময়িকভাবে স্বস্তি পেতে পারে। বর্তমানে ভারতে মাত্র প্রায় ২৫ দিনের অপরিশোধিত তেলের মজুদ রয়েছে।

    মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য

    ভারত বর্তমানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে এবং প্রায় ৪০ শতাংশ তেল আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ফলে ওই অঞ্চলে কোনো ধরনের অস্থিরতা দেখা দিলে ভারতের জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ৩০ দিনের এই অস্থায়ী ছাড় দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, রাশিয়ার জলসীমায় আটকে থাকা তেল বিক্রি অব্যাহত রাখতে ভারতকে এই সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দিয়ে আমেরিকার অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট লিখেছেন, “ভারত আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। ইরানের জন্য বিশ্বের জ্বালানির বাজার রুদ্ধ হতে চলেছে। তাই ওই চাপ কমানোর জন্যই এই সাময়িক উদ্যোগ।” আমেরিকা মনে করছে, এই সাময়িক ছাড়ের কারণে রাশিয়া খুব বেশি লাভবান হবে না।

    থমকে রয়েছে ভারতের ৩৭টি জাহাজ

    আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সরু হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। প্রতি দিন গোটা বিশ্বে রফতানিযোগ্য তেলের ২০ শতাংশ যায় এই হরমুজ প্রণালী ধরে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় প্রণালীর দুই ধারে দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন দেশের অসংখ্য জাহাজ এবং তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ৪০ শতাংশ আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে থমকে রয়েছে ভারতের ৩৭টি জাহাজও। এই পরিস্থিতিতে তেল আমদানির জন্য বিকল্প পথ খুঁজতে হচ্ছে ভারতকেও।

    রাশিয়ান তেল সংগ্রহের প্রস্তুতি

    এই ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন তেল শোধনাগার সংস্থাগুলি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন, ভারত পেট্রোলিয়াম, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম এবং ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড দ্রুত রাশিয়ান তেল সংগ্রহের জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। সূত্রের দাবি, ইতিমধ্যেই প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল রাশিয়ান তেল কেনার চুক্তি হয়েছে। নভেম্বরের পর প্রথমবারের মতো হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম এবং এমআরপিএল আবার রাশিয়ান তেল সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    কমলো অশোধিত জ্বালানি তেলের দাম

    ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো অশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। গত সপ্তাহ থেকে ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছিল ১৫ শতাংশের বেশি। তার পরে দেড় শতাংশ মতো কমেছে তেলের দাম। শুক্রবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৫২ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেলের দাম হয়েছে ৮৪.২১ মার্কিন ডলার। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েড ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দাম ২.১০ শতাংশ কমে হয়েছে ৭৯.৩১ ডলার। ভারতের রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে সাম্প্রতিক ঘোষণার জেরেই তেলের দাম কমেছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    ভারতের বাণিজ্যনীতি

    আমেরিকা মনে করে তেল বিক্রির অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কাজে লাগাচ্ছে রাশিয়া। তাই রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে তেল আমদানি বৃদ্ধি করায় ভারতের উপর চাপ তৈরি করে হোয়াইট হাউস। এই কারণে ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, রাশিয়ার কাছ থেকে খনিজ তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। এই যুক্তিতে ভারতের উপর যে বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা-ও প্রত্যাহার করে নেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি। বরং ভারতের তরফে এই বিষয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, জাতীয় স্বার্থই ভারতের বাণিজ্যনীতির প্রধান নির্ধারক। তেল কেনার ক্ষেত্রে একাধিক উৎস বজায় রাখা হবে। কোনও একটি দেশের কাছ থেকে তেল কেনার বাধ্যবাধকতা নেই নয়াদিল্লির।

    তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করাই লক্ষ্য

    এ প্রসঙ্গে তেল ব্যাবসায়িদের কথায়, এখন ভারতীয় শোধনাগারগুলি শুধু দামের দিকেই তাকিয়ে নেই, বরং তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করাই তাদের কাছে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজও দ্রুত রাশিয়ান তেল সংগ্রহের জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে জানা গেছে। তবে এই ছাড় শুধুমাত্র রাশিয়ার জলসীমায় আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ৩০ দিনের পর পরিস্থিতি কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও আপাতত ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলি কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে এবং আগামী দিনে রাশিয়ান তেলের সরবরাহ আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

  • PM Modi Mega Rally: ১৪ মার্চ ঐতিহাসিক ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেবেন মোদি

    PM Modi Mega Rally: ১৪ মার্চ ঐতিহাসিক ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। আর এই নির্বাচনী লড়াইয়ে জয় নিশ্চিত করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আগামী ১৪ মার্চ কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সমাবেশের মাধ্যমেই বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দিতে চাইছে বিজেপি। গত ১৫ বছরের তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ কতটা পিছিয়ে পড়েছে সেই খতিয়ান তুলে ধরবেন মোদি। একদিকে দুর্নীতির পাহাড় এবং অপরদিকে নারী নির্যাতন এই ইস্যুতে চরম আক্রমণ করবে বিজেপি। সেইসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রীর এই ব্রিগেড সভা (PM Modi Mega Rally) শাসক দল তৃণমূলের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করার এক বড় হাতিয়ার।

    রথযাত্রার মহামিলন (PM Modi Mega Rally)

    রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাংলার পাঁচটি ভিন্ন প্রান্ত থেকে যে পাঁচটি ‘পরিবর্তন রথ’ যাত্রা শুরু হয়েছে। এবার সেগুলির গন্তব্য ব্রিগেড। উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল—রাজ্যের প্রতিটি কোণ ছুঁয়ে আসা এই পাঁচটি রথ ১৪ মার্চ সকালেই কলকাতায় এসে পৌঁছাবে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi Mega Rally) উপস্থিতিতে এই পাঁচটি রথ একসঙ্গে ব্রিগেডে মিলিত হওয়ার মাধ্যমে পরিবর্তনের ডাককে আরও জোরালো করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

    ‘আসল পরিবর্তন’-এর ডাক

    রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর, ব্রিগেডের এই জনসভাটি হবে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এর আগে গত লোকসভা নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Mega Rally) একাধিক জনসভা করেছিলেন, তবে বিধানসভা ভোটের আগে এই ব্রিগেড সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মনে করা হচ্ছে, এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নেবেন এবং ‘আসল পরিবর্তন’-এর ডাক দেবেন।

    পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার এই পাঁচটি রথ রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র পরিক্রমা করে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ এবং আশীর্বাদ সংগ্রহ করেছে। ব্রিগেডের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Mega Rally) যখন ভাষণ দেবেন, তখন এই পাঁচটি রথ হবে জনসমর্থনের প্রতীকী প্রতিফলন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এই সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। ব্রিগেড সমাবেশের মূল লক্ষ্য হল, রাজ্যের প্রতিটি জেলা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ব্রিগেডে নিয়ে আসা। বিশেষ করে গ্রামবাংলার ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে বুথ স্তর পর্যন্ত কর্মীদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতাদের মতে, ব্রিগেডের জনসমাগমই প্রমাণ করে দেবে যে বাংলার মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বচ্ছ ভাবমূর্তিই মুখ

    রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যখন তাদের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে চাইছে, তখন পাল্টা বিজেপিও প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Mega Rally) স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উন্নয়নের খতিয়ানকে হাতিয়ার করছে। ১৪ মার্চের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মতো ইস্যুগুলোতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করতে পারেন।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিগেডের এই জনসভা শুধুমাত্র একটি নির্বাচনী সভা নয়, বরং এটি বিজেপির শক্তিবৃদ্ধির এক বড় প্রদর্শন হতে চলেছে। মার্চ মাসের এই সময়টিকে বেছে নেওয়া হয়েছে, যাতে ভোট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যজুড়ে একটি জোরালো হাওয়া তৈরি করা যায়। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Mega Rally) এই সফরের পর বিজেপির অন্যান্য কেন্দ্রীয় হেভিওয়েট নেতারাও দফায় দফায় রাজ্যে প্রচারে আসবেন বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে, ১৪ মার্চের ব্রিগেড সমাবেশকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে বাংলার রাজনৈতিক আঙ্গিনা।

    পোস্টার ফ্লেক্সে প্রচার তুঙ্গে

    মোদির (PM Modi Mega Rally) সমাবেশকে ঘিরে আগামী ১৪ মার্চের এই মেগা র‍্যালি সফল করতে কোমড় বেঁধে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। প্রতিটি জেলা থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাসে করেও কয়েক লক্ষ কর্মীকে কলকাতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মোদির এই ব্রিগেড সভাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে শুরু হয়েছে পোস্টার ও ফ্লেক্সের দাপট।

    ২০২১ সালের কথা মাথায় রেখে ২৬ সালের রণনীতি স্থির

    ইতিমধ্যে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় (PM Modi Mega Rally) অংশ গ্রহণ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় হেভিওয়েট নেতারা। যেমন- কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্করসিং ধামী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, বিপব দেব, ভুপেন্দ্র সিং, অর্জুন মুন্ডা সহ আরও অনেকে। ২০২১ সালের কথা মাথায় রেখে ২৬ সালের রণনীতি স্থির হবে। সংগঠন এবার যথেষ্ট শক্তিশালী। টিকিট বিতরণের ক্ষেত্র নেওয়া হবে একাধিক পদক্ষেপ। প্রত্যেক জেলায় প্রতিটি আসনের তরফে তিন জন করে নাম প্রস্তাব করা হবে। এরপর নির্বাচন বিষয়ক কমিটির ভিত্তিতে দেওয়া হবে। জেলা স্তরের রিপোর্ট এবং কেন্দ্রীয় স্তরের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হবে প্রার্থী তালিকা। ইতিমধ্যে সল্টলেকের অফিসে শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, বিপ্লব দেব এবং ভুপেন্দ্র সিং যাদব ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন।

  • Su-30 MKI Crashed: অসমে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান, শহিদ দুই পাইলট

    Su-30 MKI Crashed: অসমে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান, শহিদ দুই পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে ভেঙে পড়া ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই (Su-30 MKI Crashed) যুদ্ধবিমানের দুই পাইলটই মৃত। শুক্রবার সকালে তাঁদের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে। ওই দুই পাইলটের নাম স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশ দুরাগকর। অসমের কার্বি আংলং জেলায় ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমানটি প্রশিক্ষণ চলাকালীন ভেঙে পড়ে। শুক্রবার ওই দুই পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে ভারতীয় বায়ুসেনা। মৃতদের শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে তারা। এই অবস্থায় তাদের পাশে থাকার বার্তাও দেওয়া হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে। তাঁদের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    অসমের কার্বি আংলং জেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় বায়ুসেনার একটি সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় দুই পাইলটের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় জোরহাট বিমানঘাঁটি থেকে উড়ানের কিছুক্ষণ পরই বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসের রাডার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সরকারি সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪২ মিনিট নাগাদ যুদ্ধবিমানটির সঙ্গে শেষবারের মতো যোগাযোগ হয়। এরপরই কার্বি আংলংয়ের আকাশসীমায় উড়তে থাকা অবস্থায় বিমানটি রাডার থেকে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বায়ুসেনা ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান (এসএআর) শুরু করা হয়। পরবর্তীতে কার্বি আংলং জেলার চোকিহুলা গ্রামের কাছাকাছি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত প্রায় ৮টার দিকে পাহাড়ি এলাকায় একটি প্রবল বিস্ফোরণের মতো শব্দ শোনা যায় এবং পরে পাহাড়ের দিক থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।

    দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত

    ভারতীয় বায়ুসেনা জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশ গুরুতরভাবে আহত হয়ে প্রাণ হারান। এক বিবৃতিতে বায়ুসেনা জানায়, “সু-৩০ দুর্ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশের মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। এই কঠিন সময়ে তাঁদের পরিবারের পাশে পুরো বায়ুসেনা রয়েছে।” উল্লেখ্য, সু-৩০ এমকেআই ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম প্রধান মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা বিশেষ করে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় ব্যাপকভাবে মোতায়েন করা হয়। ভারতীয় বায়ুসেনার বহরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ২৬০টিরও বেশি সুখোই রয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালে অসমের তেজপুর বিমানঘাঁটি থেকে উড়ানের পরে অরুণাচলের পশ্চিম কামেং জেলার জঙ্গলে ভেঙে পড়েছিল একটি সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান। বিমানে ছিলেন এক জন স্কোয়াড্রন লিডার এবং এক জন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট। তাঁরা দু’জনেই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন। আবার একই ঘটনা ঘটল। ভারতীয় বায়ুসেনা জানিয়েছে, শহিদ দুই পাইলটের শেষকৃত্য পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্তও শুরু করা হয়েছে।

  • Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আজ নতুন দিল্লিতে ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চারটি ডিজিটাল টুল বা প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। একইসঙ্গে, এই জনগণনার অফিশিয়াল ম্যাসকট—‘প্রগতি’ (নারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ) উন্মোচন করেছেন। ভারতের ইতিহাসে এটিই হতে চলেছে প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। ভারতের মতো দেশে এই অত্যাধুনিক পদ্ধতি সত্যই অভিনব। অমিত শাহ বলেন, “প্রযুক্তির এই ব্যবহার ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    ম্যাসকট ‘প্রগতি’ ও ‘বিকাশ’ (Census-2027)

    ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) বন্ধুত্বপূর্ণ ও পরিচিত মুখ হিসেবে ‘প্রগতি’ (মহিলা গণনাকারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ গণনাকারী) ম্যাসকট দুটিকে সামনে আনা হয়েছে। এই ম্যাসকটগুলি ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার সংকল্পে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণের প্রতীক হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। এই ম্যাসকটগুলোর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে জনগণনার উদ্দেশ্য এবং গুরুত্ব সম্পর্কে নাগরিকদের বান্ধব হিসেবে প্রচারের কাজ করবে।

    চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

    সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (C-DAC)-এর সহযোগিতায় তৈরি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি দেশের জনগণনা (Census-2027) প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নির্ভুল করবে। প্ল্যাটফর্মগুলি হল-

    হাউজলিস্টিং ব্লক ক্রিয়েটর (HLBC)

    স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করে এলাকা নির্ধারণের জন্য এটি ব্যবহার করা হবে।

    এইচএলও (HLO) মোবাইল অ্যাপ

    গণনাকারীদের জন্য একটি সুরক্ষিত অফলাইন মোবাইল অ্যাপ, যার মাধ্যমে হাতে-কলমে কাগজের কাজ ছাড়াই সরাসরি তথ্য সংগ্রহ ও আপলোড করা যাবে। এটি ১৬টি আঞ্চলিক ভাষায় কাজ করবে।

    সেলফ-এনিউমারেশন (SE) পোর্টাল

    প্রথমবারের মতো নাগরিকদের জন্য ‘স্ব-গণনা’র সুবিধা (Census-2027) দেওয়া হচ্ছে। এই পোর্টালে নাগরিকরা নিজেরাই তাদের পরিবারের তথ্য অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি অনন্য আইডি (SE ID) তৈরি হবে, যা পরে গণনাকারীকে দেখালে তিনি তথ্য যাচাই করে নেবেন।

    সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS)

    এই কেন্দ্রীয় পোর্টালটি পুরো জনগণনা প্রক্রিয়া পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে।

    জনগণনার সময়সূচী

    ২০২৭ সালের এই জনগণনা দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে:

    • প্রথম পর্যায় (এপ্রিল – সেপ্টেম্বর ২০২৬): এই পর্যায়ে ঘরবাড়ি তালিকাভুক্তকরণ এবং আবাসন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
    • দ্বিতীয় পর্যায় (ফেব্রুয়ারি ২০২৭): এই পর্যায়ে জনসংখ্যা গণনা (Census-2027) করা হবে। তবে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের তুষারবৃত দুর্গম এলাকাগুলোতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই এই গণনা সম্পন্ন হবে।

    ডিজিটাল পদ্ধতির সুবিধা গুলি কি কি?

    • ● এটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল জনগণনা কার্যক্রম।
    • ● এতে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি গণনাকারী এবং আধিকারিক নিযুক্ত থাকবেন।
    • ● তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ১৬টি ভাষা ব্যবহারের সুবিধা থাকবে।
    • ● এবারের জনগণনায় জাতিগত তথ্যও (Caste data) সংগ্রহ করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনারসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশ জুড়ে জনগণনায় এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষভাবে কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশও করা হয়েছে।

LinkedIn
Share