Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Pakistan Poor Quality Weapons: জং ধরা, পুরনো নিম্নমানের গোলাবারুদ বেচার অভিযোগ! ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলির পিঠে ছুরি মারল পাকিস্তান?

    Pakistan Poor Quality Weapons: জং ধরা, পুরনো নিম্নমানের গোলাবারুদ বেচার অভিযোগ! ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলির পিঠে ছুরি মারল পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের অস্ত্র রফতানি নিয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে। যেসব দেশ সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে অস্ত্র কিনেছে অথবা ভবিষ্যতে কেনার পরিকল্পনা করছে, তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক রিপোর্টে পাকিস্তান থেকে রফতানি হওয়া গোলাবারুদের গুণমান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

    আর্মেনিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা আজারবাইজানের

    খবরে প্রকাশ, পাকিস্তান তার মিত্র দেশ আজারবাইজানকে গোলাবারুদ ও কামানের গোলার বিভিন্ন অংশ সরবরাহ করেছে। তবে এর একটি বড় অংশ কয়েক দশক পুরনো মজুত থেকে নেওয়া বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব সরঞ্জামে জং ধরা, প্রপেল্যান্ট লোড কম থাকা এবং পাল্লায় ত্রুটি থাকার মতো সমস্যা ধরা পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী আর্মেনিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা চলছে আজারবাইজানের। ভারত তার মিত্র দেশ আর্মেনিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করছে। এই পরিস্থিতিতে অস্ত্রের জন্য তুরস্ক ও পাকিস্তানের ওপর নির্ভর করে থাকে আজারবাইজান। কিন্তু ককেশাস অঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী বিশ্লেষকদের দাবি, পাকিস্তান থেকে পাঠানো অস্ত্রের মান প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই দুর্বল।

    লক্ষ্যবস্তুর আগেই মাটিতে পড়ে যাচ্ছে পাক গোলা!

    যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পাওয়া প্রতিক্রিয়ায় দেখা গেছে, পাকিস্তানের সরবরাহ করা কামানের গোলাগুলোর কার্যকারিতা আশানুরূপ নয়। পাকিস্তান যে রেঞ্জের দাবি করেছে, বাস্তবে তা মাত্র ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্তই অর্জিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই গোলাগুলি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুর আগেই মাটিতে পড়ে যাচ্ছে। আজারবাইজানের পাশাপাশি ইউক্রেনেও পাকিস্তানি অস্ত্রের দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। রাশিয়ার হামলার শুরুর দিকে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এম৭৭৭ হাউইৎজার কামানের জন্য পাকিস্তানে তৈরি ১৫৫ মিলিমিটার গোলা কিনেছিল। পরে অভিযোগ ওঠে, এসব গোলা সময়ের আগেই বিস্ফোরিত হচ্ছিল, যার ফলে একাধিক কামান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    পিছিয়ে আসছে আরও এক মিত্র সৌদি আরবও!

    এদিকে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরবও অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে অবস্থান বদলাতে শুরু করেছে। এক সময় সৌদি আরব পাকিস্তানের গোলাবারুদ ও কামানের গোলার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা ভারতের দিকে ঝুঁকেছে। রিয়াধ ভারত থেকে ৫.৫৬ মিলিমিটার, ৭.৬২ মিলিমিটার রাউন্ড এবং ১৫৫ মিলিমিটার গোলা সংগ্রহ করেছে। পরীক্ষায় ভারতীয় গোলাবারুদ ধারাবাহিকভাবে সন্তোষজনক ফলাফল দেখিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানি অস্ত্রের মান নিয়ে এই অভিযোগগুলো ভবিষ্যতে দেশটির প্রতিরক্ষা রফতানি বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি নতুন ক্রেতা দেশগুলোর মধ্যেও আস্থা সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়ে থামল বিদ্রোহ! লাহোরে পিসিবির সঙ্গে আইসিসি-র বৈঠক, ভারত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান?

    T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়ে থামল বিদ্রোহ! লাহোরে পিসিবির সঙ্গে আইসিসি-র বৈঠক, ভারত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ (T20 World Cup 2026) ফের মুখোমুখি হতে চলেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও বয়কট জল্পনার মাঝেই সূচিভুক্ত এই মহারণ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উত্তেজনা তুঙ্গে। এই ম্যাচ ঘিরে বিতর্কও কম নয়। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনার জেরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রথমে এই ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল। পিসিবি প্রধান মহসিন নকভির নেতৃত্বে এই অবস্থান নেওয়া হলেও, লাহোরে আইসিসি বৈঠকের পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তান। এমনই ইঙ্গিত মিলেছে বোর্ড সূত্রে। উল্লেখ্য, এই ম্যাচের বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৩০–৩৫ মিলিয়ন ডলার বলে জানা গিয়েছে।

    গুটিয়ে গেল বিদ্রোহ!

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান আইসিসি-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। পুরো বিশ্বকাপ খেললেও তারা ভারতের বিরুদ্ধে (India Vs Pakistan) খেলবে না বলে জানিয়েছে। কিন্তু কয়েকদিনেই বিদ্রোহ গুটিয়ে গেল। আইসিসি-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে পাকিস্তান। যার ফলে, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আইসিসি-র একটি প্রতিনিধি দল লাহোরে বৈঠক করে। সেই বৈঠকে আইসিসি-র পক্ষ থেকে ছিলেন ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা, পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি। সেখানে ছিলেন বিসিবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলামও। তার আগে কলম্বোতে পিসিবি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন আইসিসি-র সিইও সংযোগ গুপ্তা।

    শাস্তির ভয়ে সিদ্ধান্ত!

    রিপোর্টে প্রকাশ, বৈঠকে পাকিস্তানকে আইসিসি সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি তারা ১৫ তারিখ কলম্বোতে খেলতে না নামে তা হলে তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা নেমে আসতে পারে। পাশাপাশি জানিয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে গেলে আর্থিক দিক থেকে ধাক্কা খাবে পাকিস্তান ক্রিকেট। এর পর দু’পক্ষ আলোচনা করে। তার পর পাকিস্তান ভারত ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে। তবে তার আগে পিসিবি একবার পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে চায়। তার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। আইসিসি পাকিস্তানের কাছে জানতে চেয়েছে কেন তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ আনা হবে না। তারা পাকিস্তানের কাছে ভারতের ম্যাচ বয়কটের কারণ ব্যাখ্যা করতে বলে। রিপোর্টে প্রকাশ, সেটা ব্যাখ্যা করতে পারেননি পিসিবি কর্তারা।

    বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু দুই দলের

    ইতিমধ্যেই ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপ-যাত্রা শুরু করেছে ভারত ও পাকিস্তান। মাঠের পারফরম্যান্সের দিক থেকে দুই দলই চাপের মধ্যে রয়েছে। ভারত তাদের প্রথম ম্যাচে ইউএসএ-র বিরুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতি থেকে সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটে জয় ছিনিয়ে আনে। অন্যদিকে, পাকিস্তান নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে ফাহিম আশরাফের নৈপুণ্যে রক্ষা পায়। এটাই ২০২৫ এশিয়া কাপের পর ভারত-পাকিস্তানের প্রথম মুখোমুখি হওয়া। নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তানের গ্রুপের সব ম্যাচই শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন ভেন্যু কলম্বো ও ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাকিস্তান সেমিফাইনাল বা ফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচগুলিও কলম্বোতেই স্থানান্তরিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • Daily Horoscope 09 February 2026: পারিবারিক জীবনে আনন্দ থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 09 February 2026: পারিবারিক জীবনে আনন্দ থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি সাধারণ।

    ২) ব্যয় বৃদ্ধির ফলে মানসিক দুশ্চিন্তা থাকবে।

    ৩) পেশাগত জীবনে ছোটখাটো সমস্যা দেখা দেবে।

    বৃষ

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি ভালো থাকবে।

    ২) পেশাগত জীবনে ব্যস্ত থাকবেন।

    ৩) পরিজনদের সঙ্গে ঘুরতে যেতে পারেন।

    মিথুন

    ১) ধন আগমনের পথ প্রশস্ত হবে।

    ২) স্টক মার্কেটে লগ্নি করবেন না।

    ৩) পেশাগত জীবনে উন্নতির একাধিক সুযোগ পাবেন।

    কর্কট

    ১) সহকর্মীদের সঙ্গে মিলে মিশে কাজ করুন।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।

    ৩) সিঙ্গলরা প্রেমের প্রস্তাব পাবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত বিশেষ।

    ২) পারিবারিক জীবনে আনন্দ থাকবে।

    ৩) স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

    কন্যা

    ১) পড়াশোনায় ভালো ফল করবেন।

    ২) সকলে আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবেন।

    ৩) সম্পত্তি বিবাদ এড়িয়ে যান।

    তুলা

    ১) পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    ২) কেরিয়ারে উন্নতির নতুন সুযোগ পাবেন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনায় ব্যাপক সাফল্য পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আর্থিক বিষয়ে কারও ওপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করবেন না, লোকসান হতে পারে।

    ২) আপনার স্বপ্ন পূরণ হবে।

    ৩) কেরিয়ারে উন্নতি লাভ করবেন।

    ধনু

    ১) আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবেন।

    ২) চাকরিতে পদোন্নতির যোগ রয়েছে।

    ৩) ছোট ভাই-বোনের সাহায্য করতে হবে।

    মকর

    ১) পেশাগত জীবনে সমস্ত কিছু ভালো থাকবে।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    ৩) আয় বৃদ্ধির সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) পড়াশোনায় ভালো ফল পাবেন।

    ২) সামাজিক পদ-প্রতিষ্ঠা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) পারিবারিক জীবন আনন্দে কাটবে।

    মীন

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।

    ২) অবসাদ মুক্ত হবেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীর বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানা; বক্তব্যে মুগ্ধ ওমর আবদুল্লা দলের বিধায়কেরা

    Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীর বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানা; বক্তব্যে মুগ্ধ ওমর আবদুল্লা দলের বিধায়কেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন চলাকালীন এক নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের বর্তমান সরকারের পেশ করা বাজেটের কড়া সমালোচনা করা সত্ত্বেও, বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানার বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্সের (NC) বিধায়করা (Omar Abdullahs MLA)।

    দেবয়ানী রানার আক্রমণ (Jammu and Kashmir)

    উধমপুর (Jammu and Kashmir) পূর্বের বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানা জম্মু ও কাশ্মীরের বাজেটের সমালোচনা করে একে ‘দিশাহীন’ এবং ‘জনবিরোধী’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এই বাজেটে সাধারণ মানুষের মৌলিক প্রয়োজন এবং উন্নয়নের দিকগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে।”

    কেন প্রশংসা পেলেন

    দেবয়ানী রানা যখন বাজেট নিয়ে কথা বলছিলেন, তখন তিনি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে, তথ্য-প্রমাণ সহকারে এবং বিধানসভার (Jammu and Kashmir) মর্যাদা রক্ষা করে তাঁর যুক্তিগুলো উপস্থাপন করেন। তিনি কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ না করে গঠনমূলকভাবে সরকারের ভুলগুলো ধরিয়ে দেন।

    এনসি দলের প্রতিক্রিয়া

    সাধারণত বিরোধী দলের সমালোচনায় হট্টগোল সৃষ্টি হয়, কিন্তু দেবয়ানী রানার বক্তব্যের ধরন এবং গাম্ভীর্য দেখে ন্যাশনাল কনফারেন্সের বিধায়করা মুগ্ধ হন। ওমর আবদুল্লার দলের অনেক বিধায়ক (Jammu and Kashmir) তাঁর বক্তব্যের পর তাঁকে সাধুবাদ জানান এবং বিধানসভায় এমন উচ্চমানের আলোচনার প্রশংসা করেন।

    গণতান্ত্রিক সৌজন্য

    এই ঘটনাকে জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) বিধানসভায় ‘গণতান্ত্রিক সৌজন্যের’ এক বিরল উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, একজন জনপ্রতিনিধির বক্তব্যের গুণগত মান যে প্রতিপক্ষের শ্রদ্ধা জোগাড় করতে পারে, দেবয়ানী রানা তা প্রমাণ করেছেন।

    বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানা বাজেটকে ‘অসার’ বললেও, তাঁর বাচনভঙ্গি এবং সংসদীয় শিষ্টাচার শাসকদলের বিধায়কদের মন জয় করে নিয়েছে। এই কারণেই তীব্র সমালোচনার পরেও ন্যাশানাল কনফারেন্সের বিধায়করা তাঁর প্রশংসা করতে দ্বিধা করেননি।

  • RSS: “বাংলাদেশে ১.২৫ কোটি হিন্দু নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করলেই নির্যাতন বন্ধ হবে”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “বাংলাদেশে ১.২৫ কোটি হিন্দু নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করলেই নির্যাতন বন্ধ হবে”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইতে আরএসএস-এর (RSS) ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডাঃ মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সেখানকার ১.২৫ কোটি হিন্দু নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিলে তারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হিন্দুদের সমর্থন পাবে।” বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের বিপক্ষে বেশি পরিমাণে হিন্দুরা একজোট হলে তবেই নির্যাতন বন্ধ হবে।

    বাংলাদেশ প্রসঙ্গে (Mohan Bhagwat)

    রবিবার মুম্বাইয়ের ওরলিতে অবস্থিত নেহেরু সেন্টারে আয়োজিত ‘সংঘ যাত্রার ১০০ বছর: নতুন দিগন্ত’ শীর্ষক ব্যাখ্যানমালার দ্বিতীয় দিনে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু আছে। তারা যদি সেখানে থেকে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন, তবেই নির্যাতন বন্ধ হবে। বিশ্বের সমস্ত হিন্দুরা তাদের সাহায্য করবে। পাশে দাঁড়াবে। ধর্ম এবং অস্তিত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।” উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় গোটা বিশ্ব চিন্তিত।

    জনসংখ্যা ও অনুপ্রবেশ

    আরএসএস (RSS) প্রধান (Mohan Bhagwat) বলেন, “অতীতের সরকারগুলো ভারতের জনসংখ্যার ভারসাম্য পরিবর্তনের বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি জন্মহার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশই দায়ী। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে এবং তা সফল হবে। দেশের উন্নতি এবং প্রগতিতে জনসংখ্যার ভারসাম্য অবশ্যই দরকার।”

    ভারতের অখণ্ডতা

    একই ভাবে ভাগবত কড়া ভাষায় দেশের অখণ্ডতা প্রসঙ্গে বলেন, “ভারতকে এখন আর দুর্বল করা যাবে না। যারা ভারতকে ভাঙার চেষ্টা করবে, তারা নিজেরাই ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে।”

    সংঘের অর্থায়ন ও জীবনযাত্রা

    সংঘের তহবিল নিয়ে অনেকের কৌতূহল দূর করতে গিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat)  জানান, “আরএসএস (RSS) কোনো কর্পোরেট বা প্রাতিষ্ঠানিক টাকা নেয় না। সংঘের কর্মীরা নিজেরাই তহবিল সংগ্রহ করেন। ভ্রমণের সময় সংঘের কর্মীরা হোটেলে না থেকে অন্য কর্মীদের বাড়িতে থাকেন এবং নিজেদের টিফিন সাথে রাখেন।

    জাতিভেদ ও নেতৃত্ব

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) স্পষ্ট করে দেন, “আরএসএস-এ কোনো বৈষম্য নেই। যেকোনো জাতির মানুষই আরএসএস (RSS) প্রধান হতে পারেন। তফশিলি জাতি বা উপজাতি হওয়া কোনো অযোগ্যতা নয়, আবার ব্রাহ্মণ হওয়া কোনো বিশেষ যোগ্যতা নয়। সংঘ সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য কাজ করে।”

    মুসলিম প্রধান এলাকা প্রসঙ্গে

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “মুসলিম প্রধান এলাকায় কোনো চ্যালেঞ্জ আসলে সংঘ সরাসরি সংঘর্ষে জড়ায় না। প্রতিপক্ষ গালিগালাজ করলেও সঙ্ঘের কর্মীরা শান্ত থেকে সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করেন। সংঘের একমাত্র লক্ষ্য হলো সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং এটি কোনো বিশেষ শক্তি বা রাজনৈতিক দলের ক্ষমতার স্বার্থে কাজ করে না।

  • Droupadi Murmu: বস্তার পাণ্ডুমের উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, আদিবাদী সম্প্রদায়ের পালিত উৎসব সম্পর্কে জানুন

    Droupadi Murmu: বস্তার পাণ্ডুমের উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, আদিবাদী সম্প্রদায়ের পালিত উৎসব সম্পর্কে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ছত্তিশগড়ের বস্তারের বিভাগীয় সদর দফতর জগদলপুরে ২০২৬ সালের বস্তার পাণ্ডুম উৎসবের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) রাজ্যপাল রমেন ডেকা, মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তোখন সাহু।

    মাওবাদীরা ব্যাপক কষ্ট দিয়েছে (Droupadi Murmu)

    অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি (Droupadi Murmu) বলেন, “দুই দিনের এই অনুষ্ঠানটি বস্তার অঞ্চলের (Chhattisgarh)  সমৃদ্ধ আদিবাসী সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষ, বিশেষ করে দলিতরা, কয়েক দশক ধরে মাওবাদী চরমপন্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট ভোগ করে আসছে। এই অঞ্চল থেকে মাওবাদী মতাদর্শকে উৎখাত এবং বাস্তারের জনগণকে একটি নিরাপদ পরিবেশ প্রদানের জন্য সরকারের নীতিকে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জনাাই।”

    ‘নিয়াদ নেল্লানার যোজনা’

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু (Droupadi Murmu) বলেন, “বাস্তারের (Chhattisgarh) ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সবসময়ই মানুষকে আকর্ষণ করেছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই অঞ্চলটি চার দশক ধরে মাওবাদ দ্বারা জর্জরিত ছিল। ফলস্বরূপ, এখানকার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। যুবসমাজ, আদিবাসী এবং দলিত ভাই-বোনেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু, মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপের ফলে, বছরের পর বছর ধরে বিরাজমান নিরাপত্তাহীনতা, ভয় এবং অবিশ্বাসের পরিবেশ এখন শেষ হয়ে আসছে। মাওবাদের সঙ্গে যুক্তরা হিংসার পথ ত্যাগ করছে, নাগরিকদের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনছে।” রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “এলাকার জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। রাজ্য সরকারের ‘নিয়াদ নেল্লানার যোজনা’ গ্রামবাসীদের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট এবং জলের সুবিধা সহজলভ্য হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে বন্ধ থাকা স্কুলগুলি আবার চালু হচ্ছে এবং শিশুরা ক্লাসে যোগ দিচ্ছে। এটি একটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক চিত্র যা সকল নাগরিকের জন্য আনন্দ বয়ে আনছে।”

    একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশংসা করে বলেন, “এই অঞ্চলের আদিবাসীদের উন্নয়নের প্রমাণ দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী-জনমান যোজনা এবং ধরতি আবা জনজাতিয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযানের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে, উন্নয়নের সুফল সবচেয়ে বঞ্চিত আদিবাসী গ্রামগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছে। উপজাতি এলাকায় একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে যাতে এই অঞ্চলের শিশুরা ভালো শিক্ষা লাভ করতে পারে। এভাবেই ছত্তিশগড় এবং ভারতের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে।”

    বস্তার দশেরা কী?

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার অঞ্চলে উপজাতিদের দ্বারা পালিত ৭৫ দিনব্যাপী বস্তার দশেরা উৎসব । দীর্ঘতম দশেরা উৎসবগুলির মধ্যে একটি হওয়ার কারণে এই উৎসবটি অনন্য। এটি হিন্দু শ্রাবণ মাসের অমাবস্যার দিনে শুরু হয় এবং আশ্বিন মাসে শেষ হয়। রামের হাতে রাবণকে পরাজিত করার জনপ্রিয় দশেরা উৎসবের বিপরীতে, বস্তারের দশেরা বস্তারের অধিষ্ঠাত্রী দেবী দান্তেশ্বরী দেবী এবং বস্তার রাজপরিবারের কুলদেবীকে পুজো করা হয়। এই উৎসবটি বিভিন্ন জটিল আচার-অনুষ্ঠান, প্রাণবন্ত শোভাযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে চিহ্নিত হয়।

    ৬০০ বছরের পুরাতন উৎসব

    এই উৎসবটি দেশের প্রাচীনতম উৎসবগুলির মধ্যে একটি যার ইতিহাস ৬০০ বছরেরও বেশি। এটি কাকাতীয় রাজবংশ দ্বারা শুরু হয়েছিল এবং তখন থেকেই স্থানীয় উপজাতি সম্প্রদায়গুলি এটি সংরক্ষণ এবং প্রচার করে আসছে। এই উৎসবটি বস্তারের উপজাতিদের আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের সাথে গভীরভাবে জড়িত। এতে পদযাত্রা, রথযাত্রা, কাচন গাদি এবং মুরিয়া দরবারের মতো বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান জড়িত।

  • Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচ ‘স্বাধীনতা-পন্থী’ সংগঠন বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) গত ৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) জানিয়েছে, তাদের ‘অপারেশন হেরোফ’ (Operation Herof)-এর দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্য বালুচিস্তান পোস্ট (TBP)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জানা গিয়েছে, “বালুচিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে টানা ছয় দিন ধরে চলা সমন্বিত নগর যুদ্ধের পর এই ঘোষণা করা হয়েছে।”

    নির্ধারিত লক্ষ্য সফল ভাবে অর্জিত হয়েছে (Pakistan)

    বিএলএর মুখপাত্র (Pakistan) জীয়ান্দ বালুচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “এই অভিযান ৩১ জানুয়ারি ভোর ৫টায় শুরু হয়েছিল এবং ৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় শেষ হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেছেন, “আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলি সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।” বালুচদের উপর পাকসেনা বহুদিন ধরে অত্যাচার করে বলে বারবার অভিযোগ করেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মানবাধিকার লুণ্ঠনেরও অভিযযোগে সোচ্চার হয়েছে বেলুচরা।

    অভিযানে বিরাট ধাক্কা

    জীয়ান্দ বালুচ জানান যে, এই অভিযান বালুচিস্তানের (Pakistan) ১৪টি শহরে বিস্তৃত ছিল এবং এটি ছিল সংগঠনের ইতিহাসের ‘বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সংগঠিত সামরিক অভিযান’ (Operation Herof)। পাকসেনার কাছে বালুচদের এই অভিযান বিরাট ধাক্কা।

    শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ

    বিএলএ সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেশ কিছু নিরাপত্তা চৌকি, সামরিক ঘাঁটি এবং শহরাঞ্চলের (Pakistan) কিছু অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। কোনও কোনও শহরে তারা টানা ছয় দিন অবস্থান করে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

    ক্ষয়ক্ষতি

    বিএলএ দাবি করেছে, এই অভিযানে পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কোর এবং পুলিশের ৩৬২ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, বিএলএর ৯৩ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এছাড়াও ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মীকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১০ জন বালুচ (Operation Herof) হওয়ায় তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    অস্ত্র ও স্থাপনা

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানে ডজনখানেক সামরিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। পাকসেনার (Pakistan) পাল্টা অভিযানের আরও বড়সড় মোকাবিলা এবং প্রতিহত করতে সক্ষম।

    অভিযানের লক্ষ্য

    বিএলএ মুখপাত্র জীয়ান্দ বালুচ এই অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন: ১. আমাদের প্রমাণ করা যে বালুচ যোদ্ধারা যে কোনও সময় এবং যে কোনও স্থানে পাকিস্তানি শহরগুলিতে আঘাত হানা ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

    ২. সাধারণ বালুচ জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা।

    ৩. বালুচিস্তানে পাকিস্তানি (Pakistan) বাহিনীর একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানানো।

    আন্তর্জাতিক সংস্থা যেন সাহায্য না করে

    বিএলএ মুখপাত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, বিদেশি কোম্পানি বা বিনিয়োগকারীরা যেন পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে মিলে বালুচিস্তানের খনিজ সম্পদ উত্তোলনে লিপ্ত না হয়; অন্যথায় তাদের উপস্থিতিকে সামরিক কার্যকলাপ হিসেবে গণ্য করা হবে। বিবৃতিটি বালুচ জনগণকে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করা হয় এবং বলা হয় যে এটি ‘কেবল শুরু’। আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেছে বিএলএ।

  • RSS: “সংঘ যাত্রার ১০০ বছর–নতুন দিগন্ত: ভারত কোনও ভূগোল নয়, এটি একটি ‘স্ব-ভাব’-এর নাম”, বললেন ভাগবত

    RSS: “সংঘ যাত্রার ১০০ বছর–নতুন দিগন্ত: ভারত কোনও ভূগোল নয়, এটি একটি ‘স্ব-ভাব’-এর নাম”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত “সংঘ (RSS) যাত্রার ১০০ বছর–নতুন দিগন্ত” (100 Years of Sangh Journey – New Horizons) শীর্ষক ব্যাখ্যানমালায় মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরএসএসের আদর্শগত ভিত্তি, শাখার ভূমিকা, হিন্দু পরিচয়ের ধারণা এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁর এই বক্তব্য শোনার জন্য উপস্থিত ছিলেন মুম্বইয়ের বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে দিল্লি, কলকাতা, বেঙ্গালুরুতে এই ধরনের ব্যাখানমালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংঘ শতবর্ষে সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়াই সংঘের কর্তব্য বলে জানিয়েছেন ভাগবত।

    সঙ্ঘের কাজের অনন্যতা (RSS)

    মুম্বইয়ে এদিনের ব্যাখান মালায় ভাগবত বলেন (Mohan Bhagwat), “সংঘের (RSS) কাজ বিশ্বে অনন্য। তথাগত বুদ্ধের পর ভারতের ইতিহাসে সংঘের মতো কাজ আর দেখা যায়নি। সংঘ কোনও আধাসামরিক বাহিনী বা রাজনৈতিক সংগঠন নয়, বরং এটি একটি অভিজ্ঞতার বিষয়। সংঘ কারওর বিরোধিতার জন্য বা ক্ষমতার জন্য গঠিত হয়নি, বরং দেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে।”

    ইতিহাস ও সমাজ সংস্কার

    ভাষণ দিতে গিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “এও হিউম ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ব্রিটিশদের একটি ‘সেফটি ভালভ’ হিসেবে, কিন্তু ভারতীয়রা একে স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত করেছিল।” তাঁর প্রশ্ন, আমাদের সমাজ কি সত্যিই একতাবদ্ধ? সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য, কুসংস্কার এবং নিরক্ষরতা দূর না হওয়া পর্যন্ত জাতির উন্নতি সম্ভব নয়। তাই এই লক্ষ্যে কাজ করাই আমাদের প্রধান কাজ।”

    হেডগেওয়ার ও সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠা

    সংঘের (RSS) প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ার সম্পর্কে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “হেডগেওয়ার ছিলেন একজন জন্মগত দেশপ্রেমিক। ১৯২৫ সালের বিজয়াদশমীর দিন তিনি হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সংঘের যাত্রার সূচনা করেন। সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা আজ দেশে ১ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি সেবা প্রকল্প পরিচালনা করছেন কোনও সরকারি সাহায্য ছাড়াই। অনুশীলন সমিতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বাধীনতা আন্দোলন করেন। ব্রিটিশ পুলিশ তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় গ্রেফতার করেছিল।”

    শাখার ধারণা ও ঐক্য

    শাখা মানে দিনের মধ্যে এক ঘণ্টা সময় বের করে সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে ভগবদ্ ধ্বজের নীচে দাঁড়ানো। সেখানে জাতি, বর্ণ বা শিক্ষার কোনও পার্থক্য নেই। এটি শরীর, মন ও বুদ্ধিকে শক্তিশালী করার একটি মাধ্যম।

    হিন্দু পরিচয় ও ভারত

    ভাগবতের (Mohan Bhagwat) মতে, “ভারতে যাঁরা বাস করেন তাঁরা সবাই হিন্দু। এখানে ‘হিন্দু’ কোনও ধর্ম বা সম্প্রদায়ের নাম নয়, বরং এটি একটি বিশেষণ। তিনি গুরু নানকের বাণী উদ্ধৃত করে বলেন, ভারত হলো ‘ধর্ম-প্রাণ’ দেশ। ‘ধর্ম-নিরপেক্ষতা’র চেয়ে ‘পন্থ-নিরপেক্ষতা’ শব্দটি বেশি সঠিক।”

    ভারত ও বিশ্বগুরু

    ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “ভারত কোনও ভৌগোলিক অভিব্যক্তি নয়, এটি একটি স্বভাব বা সংস্কৃতির নাম। ভারতের লক্ষ্য হল বিশ্বকে ধর্মের পথে চালিত করা এবং সেবা করা। ভারত কোনও ‘মহাশক্তি’ (Superpower) হয়ে অন্যদের ওপর দাদাগিরি করতে চায় না, বরং এটি ‘বিশ্বগুরু’ হয়ে বিশ্বকে সঠিক পথ দেখাতে চায়।” ভাগবত তাঁর বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করে বলেন, “ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য ও চরিত্র থেকে সারা বিশ্ব শিক্ষা নেবে। শিবাজি মহারাজের মতো মহান ব্যক্তিত্বের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমাদের সমাজকে শক্তিশালী করতে হবে। সংঘ (RSS) গত শত বর্ষ ব্যাপী এই কাজই করছে।”

  • Daily Horoscope 08 February 2026: আজকের দিনটি আনন্দে ভরপুর থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 08 February 2026: আজকের দিনটি আনন্দে ভরপুর থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আটকে থাকা কাজের কারণে সকাল থেকে ব্যস্ত থাকবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে একাধিক উৎস থেকে অর্থ লাভ হবে।

    ৩) আবশ্যক চিন্তায় জড়িয়ে পড়বেন, যার ফলে আপনার কাজে মনোনিবেশ করতে পারবেন না, এর ফলে সমস্যা বাড়বে।

    বৃষ

    ১) আটকে থাকা টাকা ফিরে পাবেন।

    ২) অচেনা ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হবে, তাঁদের সঙ্গে নিজের মনের কথা ভাগ করবেন না।

    ৩) প্রেমীর জন্য কোনও নতুন কাজ শুরু করতে পারেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি কাজকর্মের দিক দিয়ে ভালো।

    ২) সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি বিবাদে জয় লাভ করবেন।

    ৩) সহজেই পরিবারের কোনও সদস্যের সাহায্য করতে পারবেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি দুশ্চিন্তায় কাটবে।

    ২) জীবনসঙ্গীর স্বাস্থ্য দুর্বল হবে।

    ৩) বন্ধু আপনার জন্য কোনও উপহার আনতে পারে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি উন্নতিদায়ক।

    ২) চাকরিজীবী জাতকদের উন্নতি হবে।

    ৩) আমদানি-রফতানির ব্যবসা করেন যাঁরা, তাঁরা বড়সড় ডিল লাভ করতে সফল হবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি মাঝারি ফলদায়ী।

    ২)  অনাবশ্যক ব্যয় চিন্তায় ফেলবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে শত্রুর ষড়যন্ত্র বুঝতে হবে।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি আনন্দে ভরপুর থাকবে।

    ২) পারিবারিক জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) নিজের চিন্তাভাবনার দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রসন্ন করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজ আটকে থাকা কাজ সময়ের মধ্যে পুরো করতে পারবেন।

    ২) পরিজনদের সঙ্গে মনের কোনও ইচ্ছা ভাগ করে নিতে পারেন।

    ৩) পুরনো আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হতে পারে।

    ধনু

    ১) ব্যয় বাড়বে।

    ২) আমদানি ভালো হওয়ায় অবসাদমুক্ত থাকবেন।

    ৩) পরিবারের বরিষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে শুভ অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল থাকবে।

    ২) নিশ্চিত ভাবে নিজের ও অন্যান্যদের ভালো করবেন।

    ৩) সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করে সুনাম অর্জন করবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি আনন্দে ভরপুর।

    ২) কোনও বন্ধুর কাছ থেকে সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ৩)  সম্পত্তি ক্রয়ের আগে সমস্ত দিক ভালোভাবে খতিয়ে দেখে নিন।

    মীন

    ১) আজ মিশ্র ফলাফল লাভ করবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সাহায্য লাভ করবেন।

    ৩) দীর্ঘদিন ধরে কোনও কারণে চিন্তিত থাকলে তা দূর হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • T20 World Cup 2026: আলোচনা শুরু, পটপরিবর্তনের সম্ভাবনা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট নিয়ে জলঘোলা পাকিস্তানের

    T20 World Cup 2026: আলোচনা শুরু, পটপরিবর্তনের সম্ভাবনা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট নিয়ে জলঘোলা পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে না নামার হুমকি দিলেও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও সরকারি বিবৃতি জারি করেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। খোলা রেখেছে সিদ্ধান্ত বদলের পথ। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) ঘিরে পাকিস্তানের নাটকীয়তা থেমে নেই। সূত্রের খবর, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তের বিষয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আবারও তার সরকারের কাছ থেকে পরামর্শ চাইছে, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

    শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট কেন চিন্তিত

    ভারত বনাম পাকিস্তান (India vs Pakistan) দ্বৈরথ। ক্রিকেটীয় উন্মাদনা তো থাকেই, এই লড়াই ঘিরে কোষাগারও ভরে ওঠে আইসিসি-র। সে টিকিটের চাহিদা হোক বা সম্প্রচারকারী চ্যানেল মারফত মুনাফা। অথচ টি-২০ বিশ্বকাপে নাকি ভারতের বিরুদ্ধেই ম্য়াচ বয়কট করতে চলেছে পাকিস্তান? পাকিস্তান সরকার পিসিবিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে বাধা দিয়েছে, এই ম্যাচটি আইসিসি এবং এর সম্প্রচারকদের জন্য সর্বোচ্চ আয়ের ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। ১৫ ফেব্রুয়ারির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি না হলে টিকিট বিক্রিতে (গেটের টাকা) বিরাট ক্ষতি হবে, আতিথেয়তা এবং স্পনসরশিপের রাজস্ব হ্রাস পাবে,
    শ্রীলঙ্কায় টুর্নামেন্টের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনই মেল করে পিসিবি-কে জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট।

    নকভির সঙ্গে কথা শ্রীলঙ্কার

    সূত্রের খবর, “পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে সরকার এবং ক্রিকেট উভয় স্তরেই সবসময়ই ভালো এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাই, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের সম্পৃক্ততা উপেক্ষা করা যায় না।” সূত্রটি আরও জানিয়েছে যে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির সাথে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি শাম্মি সিলভা সরাসরি যোগাযোগ করেছেন। সিলভা নকভিকে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে শ্রীলঙ্কার এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সমর্থন প্রয়োজন, কারণ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি না হলে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট অতিরিক্ত রাজস্ব হারাবে। সূত্রটি জানায়, মহসিন নকভি শাম্মি সিলভাকে আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি বিষয়টি পাকিস্তান সরকারের কাছে উত্থাপন করবেন এবং তারপর প্রতিক্রিয়া জানাবেন। সোমবারের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    টিকিট বিক্রি আপাতত বন্ধ

    শত উস্কানিতেও টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরাতে পারেনি পাকিস্তান। আইসিসি বোর্ড মিটিংয়ে ভোটাভুটিতে জঘন্য হার হজম করতে হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে না সরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। তা করেনি পিসিবি। বরং সাত পাঁচ না ভেবে ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও এখনও আইসিসি-কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পাকিস্তান। তবে এই পরিস্থিতিতে ওই ম্যাচের টিকিট বিক্রি আপাতত বন্ধ করে দিয়েছে আইসিসি।

LinkedIn
Share