Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Financial Rule Change: ব্যাঙ্ক থেকে আধার, জিএসটি থেকে পেনশন, ১ নভেম্বর থেকে বদলে গেল এই নিয়মগুলি

    Financial Rule Change: ব্যাঙ্ক থেকে আধার, জিএসটি থেকে পেনশন, ১ নভেম্বর থেকে বদলে গেল এই নিয়মগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ১ নভেম্বর থেকে বদলে গেল ব্যাঙ্কিং (Bank News) ও টাকা সংক্রান্ত নিয়ম (Financial Rule Change)। গ্রাহক হিসেবে আপনার জীবনেও পড়তে পারে একাধিক প্রভাব। পরিষেবা পেতে কি আরও বেশি খরচ হবে? ব্যাঙ্কিং নিয়ম থেকে আধার একাধিক ক্ষেত্রে বদলে যাচ্ছে ৫টি নিয়ম। আসুন দেখে নিই কোন কোন নিয়ম বদলে যাচ্ছে।

    এসবিআইতে অতিরিক্ত চার্জ (Financial Rule Change)

    ১ নভেম্বর থেকে স্টেট ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ড (Financial Rule Change) ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট লেনদেনের ওপর অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। ক্রেড বা মোবিকুইক-এর মতো তৃতীয় পক্ষের অ্যাপের মাধ্যমে করা শিক্ষা-সম্পর্কিত পেমেন্ট যেমন স্কুল বা কলেজের ফিতে ১ শতাংশ অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। আবার যদি ১০০০ টাকার বেশি এসবিআই কার্ডের (Bank News) সঙ্গে একটি ডিজিটাল ওয়ালেট লোড অর্থাৎ পেটিএম বা ফোন-পে করেন তাহলে ১ শতাংশ ফি করে চার্জ দিতে হবে।

    আধার আপডেট

    শিশুদের জন্য আধার কার্ড আপডেটের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে ইউআইডিএআই। শিশুদের জন্য বায়োমেট্রিক আপডেট এখন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়া হবে। তবে আধার কার্ডে প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ বা মোবাইল নম্বর আপডেটের জন্য খরচ হবে ৭৫ টাকা। আঙুলের ছাপ বা চোখের স্ক্যান খরচ হবে ১২৫ টাকা। তবে কোনও প্রকার নথি ডাউনলোড না করেই মৌলিক বিবরণ- যেমন নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা—আপডেট করতে করতে পারবেন।

    জিএসটিসিতে সুবিধা

    ১ নভেম্বর থেকে জিএসটি কাঠামোতে বড় পরিবর্তন হয়েছে। আগের চারটি স্ল্যাব ৫ শতাংশ, ১২ শতাংশ, ১৮ শতাংশ, ২৮ শতাংশ–কে আরও সরলীকরণ করা হয়েছে। ১২ শতাংশ এবং ২৮ শতাংশ স্ল্যাব বাদ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত, বিলাসবহুল এবং ক্ষতিকারক পণ্যের উপর এখন ৪০ শতাংশ পর্যন্ত জিএসটি হারে প্রযোজ্য হবে। সাধারণ মানুষকে সুবিধা দিতেই এই সরলীকরণ করা হয়েছে।

    লকারে মনোনয়ন সুবিধা

    ১ নভেম্বর থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের (Bank News) জন্য মনোনয়ন নিয়ন্ত্রণকারী নিয়মগুলিকে (Financial Rule Change) সংশোধন করা হয়েছে। এখন একটি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্ট, লকার, নিরাপদ করতে সর্বাধিক চারজন মনোনীত করা যেতে পারে। মনোনীত ব্যক্তির নাম সংযোজন করবে। ফলে আপদকালীন পরিস্থিতিতে এই তহবিল থেকে সব এক্সেসকে সহজ করা হবে।

    পেনশনে সুবিধা

    তবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিশেষ সুখবর বার্তা রয়েছে। জাতীয় পেনশন ব্যবস্থায় ইউনিফায়েড পেনশন স্কিমকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই পরিষেবায় যে সব গ্রাহকরা সুবিধা পেতে চান, দ্রুত আবেদন করতে পারবেন। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত সময়ে কর্মীরা নিজেদের বিকল্পগুলিকে পর্যালোচনা করে পরিকল্পনা করার বিশেষ সুযোগ পাবেন।

  • India-US Relationship: শুল্কযুদ্ধের আবহে স্বাক্ষরিত ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি, আগামীদিনে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশা

    India-US Relationship: শুল্কযুদ্ধের আবহে স্বাক্ষরিত ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা চুক্তি, আগামীদিনে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুল্ক-সংঘাত, নয়া ভিসা-নীতির আবহেই নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত-আমেরিকা। নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে আগামী এক দশকে প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে ওই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে দশ বছরের জন্য হওয়া এই চুক্তি ভারত ও আমেরিকাকে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার প্রশ্নে আরও কাছাকাছি এনে দিল বলেই মনে করা হচ্ছে ৷ ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে এই প্রসঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিটার হেগসথের৷

    ভারত ও আমেরিকার মজবুত সম্পর্ক 

    শুক্রবার এক্স পোস্টে মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ এ কথা জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালমপুরে শুক্রবার আসিয়ান প্রতিরক্ষা সম্মলনের ফাঁকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে হেগসেথের বৈঠক হয়। সেখানেই সই হয় দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি। তার পরে এক্স পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্থাভাজন হেগসেথ লিখেছেন, ‘‘আমি রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে ১০ বছরের আমেরিকা-ভারত প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো চুক্তি স্বাক্ষর চূড়ান্ত করেছি।’’ মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের দাবি, ওই চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিরোধমূলক সক্ষমতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এটি দুই দেশের মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এর মাধ্যমে। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা এখন ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আরও বেশি করে সমন্বয় করে চলেছি ৷ আগের থেকে আরও বেশি পরিমাণে তথ্য় ভাগ করে নিচ্ছি ৷ প্রযুক্তিগত দিক থেকে আদান-প্রদানও বেড়েছে ৷ অতীতে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক কখনও এতটা মজবুত হয়নি ৷’’

    সম্পর্ক আগের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা

    সম্প্রতি ভারতের উপর ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ সেই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপর৷ তারপর থেকে ভারত ও আমেরিকার তরফে সেই সম্পর্ককে আবারও আগের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে ৷ ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একাধিকবার ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন৷ দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে মুখোমুখি বৈঠকও হতে চলেছে দিন কয়েকের মধ্যে ৷ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল৷ সরকারি সূত্রের খবর, মালয়েশিয়ায় রাজনাথ-হেগসেথ আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল জিই অ্যারোস্পেসের এফ৪০৪ ইঞ্জিনের সরবরাহ। এই ইঞ্জিনের সরবরাহে দেরি হওয়ায় ভারতীয় বায়ুসেনাকে চুক্তির সময়সীমা অনুযায়ী তেজস যুদ্ধবিমান দিতে সমস্যায় পড়েছে রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)।

    ভারত-মার্কিন সখ্য জরুরি

    আমেরিকার সঙ্গে এই ধরনের প্রতিরক্ষা চুক্তি আগেও করেছে ভারত ৷ ২০১৫ সালে হওয়া দশ বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়াতেই এবার নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হল দুটি দেশ৷ ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ তিনি মনে করেন, এমনিতেই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে গভীর সমন্বয় আছে৷ এই চুক্তি সেই সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। সোশাল মিডিয়ায় করা পোস্টে রাজনাথ লেখেন, ‘‘ভারত ও আমেরিকার প্রতিরক্ষা সমঝোতাকে নতুন দিশা দেখাবে এই চুক্তি ৷ আমাদের পারস্পরিক সমঝোতা যে আগামী দশকে আরও বেশি মজবুত হতে চলেছে সেটা এই চুক্তি থেকেই স্পষ্ট ৷ আগামিদিনে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তিই হতে চলেছে প্রতিরক্ষা ৷ ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকা যাতে মুক্ত ও অবাধ কিন্তু নিয়মবদ্ধ ভাবে পরিচালিত হতে পারে তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভারত-মার্কিন সখ্য জরুরি ৷’’

    চুক্তি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    রাজনাথ সিং ও হেগসেথের সাক্ষাৎ কেবল চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৌশলগত আলোচনার অংশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই নতুন চুক্তি ভারত–মার্কিন প্রতিরক্ষা কাঠামোকে দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে শক্তিশালী করবে, যা দ্বিপাক্ষিক সামরিক অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলবে। নতুন চুক্তির মূল কাঠামো তিনটি স্তম্ভকে কেন্দ্র করে গঠিত। উভয় দেশের মিলিতভাবে লজিস্টিক সুবিধা, রক্ষণাবেক্ষণ ও সেনা বাহিনীর সরঞ্জাম ব্যবহার সহজতর হবে। এছাড়াও প্রতিরক্ষা সামগ্রী ও প্রযুক্তির যৌথ উৎপাদন এবং উন্নয়নকে উৎসাহ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ভারতের স্বদেশী প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও আধুনিকীকরণকে সহায়তা করার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি স্থানান্তরের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এই চুক্তি ভারতের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক ইন্টারঅপারেবিলিটি বা মিলিত কার্যক্ষমতাও বাড়াবে। এর মাধ্যমে উভয় দেশ একে অপরের সেনা ঘাঁটি, লজিস্টিক সুবিধা ও রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ব্যবহার করতে পারবে, যা দ্বিপাক্ষিক সমন্বয় এবং কৌশলগত প্রস্তুতিতে এক বড় দিক পরিবর্তন আনবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে এই চুক্তি চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যেতে পারে। বিশেষভাবে দক্ষিণ চিন সাগর ও ভারত মহাসাগরে বেজিংয়ের আক্রমণাত্মক নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তৈরিতে সহায়ক হবে।

  • New Website of EC: চালু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নতুন ওয়েবসাইট, মিলবে ২০০২ সালের সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা

    New Website of EC: চালু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নতুন ওয়েবসাইট, মিলবে ২০০২ সালের সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সঙ্গে একযোগে বাংলাতেও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এসআইআর। শোরগোল চলছে ২০০২ সালের ভোটার লিস্ট নিয়ে। যদিও সূত্রের খবর, ওই বছরের ভোটার লিস্টের সঙ্গে সাম্প্রতিক ভোটার লিস্টের ম্যাপিংয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের পুরনো ওয়েবসাইটও বাতিল হয়ে গিয়েছে। পরিবর্তে চালু হয়েছে নতুন ওয়েবসাইট (New Website of EC)। এই ওয়েবসাইটেই মিলবে ২০০২ সালের সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা।

    কেন চালু হল নয়া ওয়েবসাইট

    গত ২৭ অক্টোবর, সোমবার রাজ্যে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর ঘোষণা হয়। ঘটনাচক্রে, তার পরদিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল রাজ্যের সিইও দফতরের ওয়েবসাইটটি। তা নিয়ে ক্ষোভও তৈরি হয়েছিল জনগণের মধ্যে। কারণ, বহু মানুষই ২০০২ সালের ভোটার তালিকা দেখতে চাইছিলেন, যা ওই ওয়েবসাইট থেকে পাওয়ার কথা ছিল। সেই ওয়েবসাইট অকেজো হয়ে পড়ায় তা সম্ভব হচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতে নতুন ওয়েবসাইট চালু করল সিইও দফতর। ওয়েবসাইটটির নাম— https://ceowestbengal.wb.gov.in/ । সিইও দফতর সূত্রে খবর, এই ওয়েবসাইট থেকেই ২০০২ সালের সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি এসআইআর সংক্রান্ত কাজকর্মও হবে এই ওয়েবসাইটে।

    কী ভাবে খুঁজবেন ভোটার তালিকা

    উল্লিখিত ওয়েবসাইটে (New Website of EC) ক্লিক করলেই যে পাতাটি আপনার মোবাইল, কম্পিউটার বা ডিজিটাল স্ক্রিনে খুলবে, সেখানে রাজ্যের সমস্ত জেলার নাম লেখা থাকবে। আপনি বা আপনার বাবা-মা ২৩ বছর আগে যে জেলার ভোটার ছিলেন, প্রথমে সেই জেলার নামে ক্লিক করতে হবে। তখন খুলে যাবে সংশ্লিষ্ট জেলার বিধানসভাগুলির নাম। তখন আপনি যে বিধানসভা এলাকার ভোটার ছিলেন, সেই বিধানসভা কেন্দ্রের নামে ক্লিক করলে খুলে যাবে ভোটকেন্দ্রের (পোলিং স্টেশন) নাম। ‘স্ক্রল’ করে সেই কেন্দ্রের নামে ক্লিক করলেই আপনি দেখতে পাবেন ভোটার তালিকা।

    কী সমস্যা হতে পারে

    কমিশন সূত্রে খবর, একটি বিষয়ে সমস্যা হতে পারে। অনেক জায়গায় একটি ভোটকেন্দ্রে একাধিক বুথ থাকে। অর্থাৎ, একটি বড় স্কুলে উপরতলা, নীচের তলা মিলিয়ে চারটি-পাঁচটিও বুথ হয়। ২৩ বছর আগের বুথ বা পার্ট নম্বর স্মরণে থাকলে আপনি এক বারেই সেই তালিকা পেতে পারেন। একান্তই মনে না থাকলে আপনাকে সংশ্লিষ্ট ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সবকটি কক্ষের তালিকাই মিলিয়ে দেখতে হবে।

    পাশে রয়েছে কমিশন

    এসআইআর (SIR) নিয়ে যতরকম জটিলতা তৈরি করা সম্ভব তার চেষ্টা করে যাচ্ছে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস। মানুষকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টা চলছে জোর কদমে। সোশাল মিডিয়া পোস্টে যে যার মতো ভাসিয়ে দিচ্ছে মিথ্যে। লক্ষ্য একটাই রাজ্যের মানুষকে বিভ্রান্ত করা। কিন্তু এসআইআর নিয়ে সবরকম জটিলতা কাটাতে মানুষের পাশে আছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এসআইআরের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন বিএলও-রা। এই কাজটি শুরু হবে ৪-নভেম্বর, চলবে এক মাস, অর্থাৎ ৪-ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রথমেই দেখা হবে ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে কিনা। বিএলও-রা রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে যাবেন। যে বাড়ির ঠিকানা আছে, সেখানেও যাবেন, যে বাড়ির ঠিকানা নেই, সেখানেও যাবেন। অর্থাৎ যেখানেই মানুষ বাস করেন, সেখানেই যাবেন। কেউ বাদ যাবে না। এনুমারেশন ফর্ম ভর্তি করবেন। সেখানে লেখা হবে প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বয়স, নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য। তার জন্য যাঁরা ২০০২ সালের ভোটার লিস্ট দেখতে চান, কমিশনের নতুন ওয়েবসাইটে গিয়ে সহজেই তা করতে পারবেন।

  • Good Sleep: ঘুমের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি! স্ট্রোক রুখতে ঘুম কেন জরুরি?

    Good Sleep: ঘুমের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি! স্ট্রোক রুখতে ঘুম কেন জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

     

    প্রত্যেক মিনিট জরুরি। দিনের প্রতিটি মিনিট কীভাবে কাটানো হচ্ছে, সেই অভ্যাসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে, আমরা সুস্থ থাকব কিনা! প্রতিদিন ঘুমের জন্য কতখানি সময় বরাদ্দ হয়, সেই হিসাব অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করে স্ট্রোকের ঝুঁকি! সম্প্রতি ছিল ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক ডে। আর সেই উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সচেতনতা কর্মসূচি পালন হয়। আর সেখানেই উঠে আসে মূলত দুই দাওয়াই। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই দুই পরামর্শ মেনে চললেই স্ট্রোকের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

    স্ট্রোকের বিপদ এড়াতে কোন দুই দিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চাই পর্যাপ্ত ঘুম

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্ট্রোকের ঘটনা বাড়ছে। পঞ্চাশের পরে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দেখা দিত। কিন্তু গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি অন্যরকম। দেখা যাচ্ছে, তিরিশের চৌকাঠ পেরনোর পরেই স্ট্রোকের ঘটনা ঘটছে। এর ফলে পরবর্তী জীবনে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। আর কম বয়সিদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ার অন্যতম কারণ অপর্যাপ্ত ঘুম। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস। অনেকেই গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকেন। ভোরে ঘুমোতে যান। বেলায় ঘুম থেকে ওঠেন। অনেকেই গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকার কারণে নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুমোনোর সময় পান না। এর ফল হয় মারাত্মক। দীর্ঘদিন অপর্যাপ্ত ও অনিয়মিত ঘুম মস্তিষ্কের উপরে গভীর প্রভাব ফেলে। মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে, মস্তিষ্কের পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি। নিয়মিত পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেলে মস্তিষ্কের স্নায়ু সুস্থ থাকে। তাছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসরণের ভারসাম্য নষ্ট হয়। যা শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি করে।

    উপসর্গের উপরে বাড়তি নজর

    স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে যেমন পর্যাপ্ত ঘুমের উপরে নজর দিচ্ছে তেমনি স্ট্রোকের বড় জটিলতা এড়াতে উপসর্গের উপরে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফেও এ বছরে স্ট্রোক সচেতনতার মূল বার্তা, প্রত্যেক মিনিট জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্ট্রোকের উপসর্গ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। শরীরে অন্য কোনও জটিলতা রয়েছে কিনা, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, সে সম্পর্কেও সতর্ক থাকা জরুরি। তবেই বড় বিপদ এড়ানো যেতে পারে। স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেই দ্রুত চিকিৎসা শুরু প্রয়োজন। তবেই বড় স্বাস্থ্য সঙ্কট এড়ানো সম্ভব। কিন্তু অনেক সময়েই চিকিৎসা দেরিতে শুরু হয়। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রত্যেক মিনিট গুরুত্বপূর্ণ!

    ভারতে স্ট্রোকের দাপট কতখানি?

    কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে স্ট্রোকের প্রকোপ বাড়ছে। প্রতি বছর ১৮ লক্ষ ভারতীয় স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা বেশি। ২০১৯ সাল থেকে দেখা যাচ্ছে, মহিলারা তুলনামূলকভাবে‌ বেশি‌ স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন। স্ট্রোকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ তালিকার প্রথমেই রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্ট্রোকের ঘটনা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হওয়ায় জেরেই এ রাজ্যে স্ট্রোকে মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। তাছাড়া তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও জীবন যাপন স্ট্রোকের অন্যতম কারণ। এ রাজ্যে গত কয়েক বছরে ধূমপান ও মদ্যপানে আসক্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তাই স্ট্রোক নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কোন উপসর্গ স্ট্রোকের জানান দেয়?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তচাপ নিয়ে সচেতনতা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। নিয়মিত রক্তচাপ ওঠা নামা করলে কিংবা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে স্বাস্থ্যকর খাবারে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।‌ কারণ উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া হঠাৎ করেই মাথা ঘোরা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া, মস্তিষ্ক ঠিক মতো কাজ করতে না পারার মতো উপসর্গ দেখা দিলে সচেতন থাকা জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার, কারণ এগুলো স্ট্রোকের লক্ষণ। হাত-পায়ের পেশি ঠিকমতো কাজ না করা, স্নায়ুর ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তীব্র মাথার যন্ত্রণা স্ট্রোকের উপসর্গ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 01 November 2025: আটকে থাকা টাকা ফিরে পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 01 November 2025: আটকে থাকা টাকা ফিরে পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আটকে থাকা কাজের কারণে সকাল থেকে ব্যস্ত থাকবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে একাধিক উৎস থেকে অর্থ লাভ হবে।

    ৩) আবশ্যক চিন্তায় জড়িয়ে পড়বেন, যার ফলে আপনার কাজে মনোনিবেশ করতে পারবেন না, এর ফলে সমস্যা বাড়বে।

    বৃষ

    ১) আটকে থাকা টাকা ফিরে পাবেন।

    ২) অচেনা ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হবে, তাঁদের সঙ্গে নিজের মনের কথা ভাগ করবেন না।

    ৩) প্রেমীর জন্য কোনও নতুন কাজ শুরু করতে পারেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি কাজকর্মের দিক দিয়ে ভালো।

    ২) সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি বিবাদে জয় লাভ করবেন।

    ৩) সহজেই পরিবারের কোনও সদস্যের সাহায্য করতে পারবেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি দুশ্চিন্তায় কাটবে।

    ২) জীবনসঙ্গীর স্বাস্থ্য দুর্বল হবে।

    ৩) বন্ধু আপনার জন্য কোনও উপহার আনতে পারে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি উন্নতিদায়ক।

    ২) চাকরিজীবী জাতকদের উন্নতি হবে।

    ৩) আমদানি-রফতানির ব্যবসা করেন যাঁরা, তাঁরা বড়সড় ডিল লাভ করতে সফল হবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি মাঝারি ফলদায়ী।

    ২)  অনাবশ্যক ব্যয় চিন্তায় ফেলবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে শত্রুর ষড়যন্ত্র বুঝতে হবে।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি আনন্দে ভরপুর থাকবে।

    ২) পারিবারিক জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) নিজের চিন্তাভাবনার দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রসন্ন করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজ আটকে থাকা কাজ সময়ের মধ্যে পুরো করতে পারবেন।

    ২) পরিজনদের সঙ্গে মনের কোনও ইচ্ছা ভাগ করে নিতে পারেন।

    ৩) পুরনো আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হতে পারে।

    ধনু

    ১) ব্যয় বাড়বে।

    ২) আমদানি ভালো হওয়ায় অবসাদমুক্ত থাকবেন।

    ৩) পরিবারের বরিষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে শুভ অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল থাকবে।

    ২) নিশ্চিত ভাবে নিজের ও অন্যান্যদের ভালো করবেন।

    ৩) সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করে সুনাম অর্জন করবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি আনন্দে ভরপুর।

    ২) কোনও বন্ধুর কাছ থেকে সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ৩)  সম্পত্তি ক্রয়ের আগে সমস্ত দিক ভালোভাবে খতিয়ে দেখে নিন।

    মীন

    ১) আজ মিশ্র ফলাফল লাভ করবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সাহায্য লাভ করবেন।

    ৩) দীর্ঘদিন ধরে কোনও কারণে চিন্তিত থাকলে তা দূর হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • SIR: নির্বাচন কমিশনের বিশেষ উদ্যোগ, ১২ রাজ্যে ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনায় ২০০৩-০৪ সালের তালিকাই ‘মূল ভিত্তি’

    SIR: নির্বাচন কমিশনের বিশেষ উদ্যোগ, ১২ রাজ্যে ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনায় ২০০৩-০৪ সালের তালিকাই ‘মূল ভিত্তি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে জুড়ে শুরু হয়েছে এসআইআর। ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া চলছে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে, যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য—উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, ছত্তিশগড়, রাজস্থান ও গুজরাট। এই প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ২৭ অক্টোবর রাত ১২টার পর। শুরু হতে চলেছে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটার তথ্য যাচাইয়ের অভিযান। ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে চূড়ান্ত সংশোধিত তালিকা প্রকাশের লক্ষ্য নিয়েছে কমিশন। এই উদ্যোগের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত—২০০৩-০৪ সালের ভোটার তালিকাকে “বেসলাইন” বা মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা।

    কেন ২০০৩-০৪ সালকে ভিত্তি ধরা হলো?

    কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০০২-০৩ ও ২০০৩-০৪ সালে দেশব্যাপী শেষবারের মতো একটি ব্যাপক ভোটার যাচাই অভিযান হয়েছিল, যখন প্রথমবার ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হয়। সেই সময়কার ডেটা কমিশনের মতে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও যাচাইযোগ্য নথি। এক কমিশন কর্মকর্তা বলেন, “২০০৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ অভিবাসন, নগরায়ণ ও জনবিন্যাসের ব্যাপক পরিবর্তনের কারণে পুরনো তালিকার সঙ্গে তুলনা করলেই বোঝা যাবে কোথায় দ্বৈত নাম, মুছে যাওয়া ভোটার বা জনসংখ্যাগত অস্বাভাবিকতা রয়েছে।” তবে কমিশন স্পষ্ট করেছে—২০০৩-০৪ সালের তালিকা শুধুই তুলনামূলক রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে, কোনো নাগরিকের ভোটাধিকার নির্ধারণে এটি চূড়ান্ত ভিত্তি নয়।

    কীভাবে চলছে যাচাই প্রক্রিয়া?

    ১. বিদ্যমান তালিকা ফ্রিজ: ২৭ অক্টোবর মধ্যরাতের পর থেকে বর্তমান ভোটার তালিকায় কোনো পরিবর্তন করা যাবে না।
    ২. ঘরে ঘরে যাচাই: বুথ লেভেল অফিসার (BLO) তিন দফা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে বয়স, ঠিকানা, নাগরিকত্ব ও নথিপত্র যাচাই করবেন।
    ৩. পুরনো নাম স্বয়ংক্রিয় নিশ্চিতকরণ: ২০০৩-০৪ সালের তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, তাদের নতুন করে কোনো নথি দিতে হবে না।
    ৪. নতুন ভোটারদের জন্য কাগজপত্র: ২০০৪ সালের পর যাদের নাম যুক্ত হয়েছে, তাদের বয়স, অভিভাবকত্ব ও নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র দিতে হবে।
    ৫. চূড়ান্ত প্রকাশ: শুনানি ও আপত্তি নিষ্পত্তির পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    নাগরিকত্ব বিতর্কের ছায়া

    কমিশন যদিও জানিয়েছে এই পদক্ষেপের সঙ্গে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই, তবু পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অসমের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয়—যেমন মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর ২৪ পরগনা ও কিশানগঞ্জে—এই সিদ্ধান্ত নতুন করে বিতর্ক জাগিয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এটি জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (NRC) ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর বিতর্ককে ফের উস্কে দিতে পারে। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, “২০০৩-০৪ সালে কারও নাম না থাকায় তাকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে না। এটি কেবল তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ, নাগরিকত্ব যাচাইয়ের নয়।”

    উচ্চ সতর্কতায় পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু

    এই ১২ রাজ্যের মধ্যে কয়েকটি রাজ্যকে “হাই স্ক্রুটিনি জোন” হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের ২,২০০ কিমি দীর্ঘ বাংলাদেশ সীমান্ত, উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের অভ্যন্তরীণ অভিবাসন, তামিলনাড়ু ও ছত্তিশগড়ের শিল্পাঞ্চলে জনবসতি পরিবর্তন—সবই এই সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। কমিশন রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া বজায় রাখতে এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ বা যোগ করার আগে সর্বজনীন শুনানি আয়োজন করতে।

    কমিশনের বার্তা: “এটি রাজনৈতিক নয়, প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ”

    জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো ভারতের ৯৫ কোটির বেশি ভোটারের তালিকাকে আরও নির্ভুল করা। কমিশনের আহ্বান—সব ভোটার যেন এনভিএসপি পোর্টাল বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের নাম যাচাই করেন এবং বিএলও-দের সঙ্গে সহযোগিতা করেন। কমিশন সতর্ক করেছে, নির্ধারিত সময়ে যাচাই না করলে নাম সাময়িকভাবে স্থগিত হতে পারে, তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে আপিলের সুযোগ থাকবে। যদিও নির্বাচন কমিশন বারবার বলছে এটি একটি “ডেটা ভেরিফিকেশন এক্সারসাইজ”, রাজনৈতিকভাবে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে এই পদক্ষেপের সময়কাল এবং প্রেক্ষাপট একে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে যদি এই প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে এটি ভবিষ্যতে দেশজুড়ে ভোটার তালিকা রক্ষণাবেক্ষণের নতুন মডেল হয়ে উঠতে পারে—এমনটাই আশা করছে নির্বাচন কমিশন।

  • Sudan Massacre: সুদানের এল-ফাশেরে রক্তের স্রোত, মহাকাশ থেকেও দেখা যাচ্ছে লাশের স্তূপ

    Sudan Massacre: সুদানের এল-ফাশেরে রক্তের স্রোত, মহাকাশ থেকেও দেখা যাচ্ছে লাশের স্তূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুদানের রাজধানী দারফুরের পশ্চিমাঞ্চলের এল-ফাশার শহরে ভয়াবহ হত্যালীলা চালিয়েছে সে দেশের আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (আরএসএফ)। শহরটি দখল করতে গিয়ে মাত্র ৩ দিনে অন্তত দেড় হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে আরএসএফ। জানা গিয়েছে, আরএসএফের জওয়ানরা সম্প্রতি এল-ফাশার শহরটি সেনাবাহিনীর কাছ থেকে দখল করেছে। সুদান ডক্টর্স নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেশের নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে আরএসএফ গত ৩ দিনে অন্তত দেড় হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।

    স্যাটেলাইট চিত্রে দৃশ্যমান হত্যাযজ্ঞ

    সুদানে মানবিক বিপর্যয় এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, উত্তর দারফুরের এল-ফাশের শহরে হত্যাযজ্ঞের ছবি এখন মহাকাশ থেকেও দৃশ্যমান। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে রক্তের লাল দাগ এবং শত শত মৃতদেহের স্তূপ—যা সুদানের গৃহযুদ্ধে আরএসএফ কর্তৃক সংঘটিত নৃশংসতার প্রমাণ বহন করছে। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাব (HRL) জানিয়েছে, ২৭ অক্টোবর এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস কর্তৃক তোলা স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে আরএসএফের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় রক্তের দাগ এবং মানুষের দেহসদৃশ বস্তুর ক্লাস্টার।

    প্রকাশিত তথ্য চমকে দেবে

    সুদান ডক্টর্স নেটওয়ার্কের কথায়, ‘আজ বিশ্বের সামনে যে হত্যালীলা চলছে, তা আসলে সেই হত্যারই ধারাবাহিকতা যা দেড় বছর আগে এল-ফাশেরে ঘটেছিল। সে সময় বোমা হামলা, অনাহার ও বিচারবহির্ভূত হত্যায় ১৪ হাজারেরও বেশি অসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছিল।’ তাদের দাবি, এ সব হামলা ‘পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগতভাবে মানুষ হত্যার একটি অভিযানের অংশ।’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটির হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাব থেকে প্রকাশিত নতুন তথ্য বলেছে, আরএসএফের দখলের পর তোলা স্যাটেলাইট চিত্রে মানুষের মৃতদেহের আকারের সঙ্গে মিল রয়েছে এমন বহু বস্তু দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি, মাটিতে বড় বড় লালচে দাগও ধরা পড়েছে, যা রক্তপাতের ইঙ্গিত দেয়।

    দেশের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে

    গত দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে সুদানে। সুদানের গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং আরএসএফ নেতা মোহাম্মদ হামদান দাগালো ওরফে হেমেদটির ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে। দেশের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, সেই নিয়েই লড়াই মূলত। আরএসএফ ও সুদানি সেনাবাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ৪০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, আসলে হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি। দেশের ১ কোটি ২০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে সে দেশে। পরিস্থিতি এমন যে আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম দেশটিতে ফের ভাঙন ধরতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    ফের বিভক্ত হতে পারে সুদান

    গত ১৭ মাস অবরুদ্ধ থাকার পর রবিবার এল-ফাশের দখল করে আরএসএফ। এটি দারফুর অঞ্চলে সুদানি সেনাবাহিনীর শেষ শক্ত ঘাঁটি ছিল। বুধবার সুদান সরকার জানায়, শহরটিতে অন্তত দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। সহায়তাকারী সংস্থাগুলিও জানিয়েছে, তারা বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকে খবর পেয়েছে যে শহরে গণহত্যা, পালিয়ে যাওয়া অসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা, এবং ঘরে ঘরে ঢুকে হত্যার মতো ভয়াবহ নৃশংসতা চলছে। শুধু তাই নয়, শিশু থেকে সাধারণ নাগরিকদের উপর দেদার যৌন নির্যাতনের ঘটনাও সামনে আসছে লাগাতার। এই শহর দখলের মধ্য দিয়ে দারফুরের প্রায় পুরোটাই আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে। এতে আবারও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনা থেকে কৃটনৈতিক মহলের অনুমান, এক দশকেরও বেশি আগে দক্ষিণ সুদানের মতো, সুদান হয়তো আবারও বিভক্ত হতে পারে।

  • Prince Andrew: এপস্টিন কেলঙ্কারিতে জড়ানোর জের! ভাই অ্যান্ড্রুর খেতাব কাড়লেন রাজা তৃতীয় চার্লস

    Prince Andrew: এপস্টিন কেলঙ্কারিতে জড়ানোর জের! ভাই অ্যান্ড্রুর খেতাব কাড়লেন রাজা তৃতীয় চার্লস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যৌন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়ে ব্রিটেনের রাজপ্রাসাদ ছাড়তে হচ্ছে রাজকুমার অ্যান্ড্রুকে (Prince Andrew)। তাঁর সমস্ত রাজকীয় খেতাব এবং সম্মাননাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাকিংহাম প্রাসাদের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজা চার্লস এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাকিংহাম প্যালেস একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস তার ছোট ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে উইন্ডসরের বাসভবন খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন ছাড়তে হচ্ছে রাজপ্রাসাদ

    জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চাপ বেড়েছে রাজপরিবারের উপর। নতুন করে সমালোচনার ঝড় ওঠার পরে এই ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘রাজা প্রিন্স অ্যান্ড্রুর স্টাইল, উপাধি এবং সম্মান সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।’ সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যাঁরা যে কোনও ধরনের নিগ্রহের শিকার, ব্রিটেনের রাজপরিবারের সমবেদনা তাঁদের সঙ্গে রয়েছে। সরাসরি কোনও ঘটনার কথা উল্লেখ না-করা হলেও স্পষ্ট যে, আমেরিকার কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ এবং তাঁর বিরুদ্ধে যৌন কেচ্ছায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠতেই এই পদক্ষেপ করলেন ব্রিটেনের রাজা।

    কোথায় থাকবেন রাজকুমার

    বিবৃতি অনুযায়ী, উইন্ডসর রাজপ্রাসাদ ছেড়ে বিকল্প বাসস্থানে উঠে যেতে হবে অ্যান্ড্রুকে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজকুমার অ্যান্ড্রুর নতুন নাম হবে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন উইন্ডসর। তিনি আর ‘ডিউক অফ ইয়র্ক’ থাকবেন না। কিছু দিন আগে পর্যন্তও ‘ডিউক অফ ইয়র্ক’ খেতাব পাওয়া রাজকুমার অ্যান্ড্রু এত দিন প্রাক্তন স্ত্রী সারা ফার্গুসনের সঙ্গে রাজপ্রাসাদে থাকতেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুসারে, দু’জনেই এবার উইন্ডসরের বাসভবন থেকে সান্ড্রিংহাম এস্টেটে উঠে যাবেন। প্রসঙ্গত, এই এস্টেট রাজা তৃতীয় চার্লসের মালিকানাধীন। ভাইয়ের থাকার খরচ বহন করবেন রাজা চার্লসই।

    চির বিতর্কিত এক চরিত্র অ্যান্ড্রু

    ৬৫ বছর বয়সি অ্যান্ড্রু অবশ্য চির বিতর্কিত এক চরিত্র। বছর ছয়েক আগে এপস্টিনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন তিনি। ভার্জিনিয়া জিওফ্রে নামের এক ভদ্রমহিলা অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলে মামলা করেছিলেন। অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে নাবালিকাদের সঙ্গে জোর করে যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার অভিযোগও ওঠে। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ বার বারই অস্বীকার করেছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের তৃতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে অর্থের বিনিময়ে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন অ্যান্ড্রু। যদিও, কত টাকা দিয়েছেন তা জানা যায়নি।

    এপস্টিন ফাইলে নাম থাকাই কাল

    প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির তদন্তের দাবিতে ক্রমশ চাপ বাড়ছিল ব্রিটেনের রাজপরিবারের উপরে। চলতি মাসেই নানা অভিযোগ-বাণে জর্জরিত অ্যান্ড্রু সমস্ত রাজখেতাব ছেড়ে দেন। ঘটনাচক্রে, একই মাসে তাঁকে ‘শাস্তি’ দিল রাজপরিবার। রাজপ্রাসাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, অ্যান্ড্রু অভিযোগ অস্বীকার করলেও তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি, রাজা চার্লস এবং রানী ক্যামিলা, নির্যাতনের শিকার হওয়া সকলের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং এই সিদ্ধান্তের নীতিগত প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। যৌন অপরাধ, নারী পাচারে অভিযুক্ত এপস্টিনের সঙ্গে বহু বিখ্যাত ব্যক্তির নাম জড়িয়েছে। ইতিমধ্যে একাধিক বার কানাঘুষো শোনা গিয়েছে, এপস্টিন ফাইলে নাম রয়েছে বিল ক্লিন্টন থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্টিফেন হকিং থেকে মাইকেল জ্যাকসন-সহ বিশ্বের তাবড় ব্যক্তির। যদিও এই ফাইল এখনও পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি।

  • NCERT: স্কুলের বিজ্ঞান পাঠ্যে আয়ুর্বেদ পড়ানো হবে, জানাল এনসিইআরটি

    NCERT: স্কুলের বিজ্ঞান পাঠ্যে আয়ুর্বেদ পড়ানো হবে, জানাল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির এনসিইআরটি-র (Ayurveda Chapters) বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তকে আয়ুর্বেদ সম্পর্কিত একটি অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। ছাত্র–ছাত্রীদের প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান, চিকিৎসা ব্যবস্থা, পরম্পরা, ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে যথার্থ জ্ঞান দেওয়ার জন্য এই পাঠ্যক্রমকে বিশেষ জায়গা দেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর শুরু করেছে মোদি সরকার। প্রাচীন ভারতের জ্ঞান-পরম্পরা সম্পর্কে সঠিক ভাবে জানা, ভারতীত্ববোধে পড়াশোনা করার সিলেবাস গঠন এবং তাকে  কার্যকরতে বিশেষ ভাবে সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক।

    কীভাবে পড়ানো হবে (Ayurveda Chapters)?

    এনসিইআরটি শিক্ষা ব্যবস্থায় আয়ুর্বেদকে (Ayurveda Chapters) অন্তর্ভুক্তি করে জানিয়েছে, ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছেলে মেয়েরা এবার থেকে বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে আয়ুর্বেদ পড়বে। আয়ুর্বেদ প্রাচীন ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য জ্ঞানকাণ্ড। সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকেই আয়ুর্বেদ (NCERT) চর্চা হয়ে আসছে। এবার এই জ্ঞান চর্চার ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে রাখা হয়েছে। বেসরকারি একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এনসিইআরটি একই ভাবে উচ্চ শ্রেণির শিক্ষা পাঠক্রমে যথা কলেজগুলিতেও অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সহযোগিতার কাজে পরিকল্পনা করছে। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি আয়োগ রীতিমতো ভাবনা চিন্তা শুরু করে পাঠ্যক্রম তৈরির কাজে একাধিক পদক্ষেক গ্রহণ করেছে।

    কিউরিওসিটি-র তৃতীয় অধ্যায়

    এনসিইআরটির (NCERT) নির্দেশক দীনেশ প্রসাদ সাকলানি বলেছেন, বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে আয়ুর্বেদ যুক্ত করে সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। শরীর, বিদ্যা এবং মনকে একদিকে পরিচালিত করতে অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তকে কিউরিওসিটি-র তৃতীয় অধ্যায়ে পরিচয় হিসেবে রাখা হয়েছে। দৈনিক জীবন, ঋতকালীন পরিচর্চা, শরীরের জন্য পুষ্টিকর খাবার ও নিয়মিত ব্যায়াম ইত্যাদি বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।

    আয়ুষ মন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব বলেছিলেন, “এনসিইআরটি, ইউজিসি উচ্চশিক্ষার জন্য নিজেদের কোর্স মডিউল তৈরি করতে এক যোগে কাজ করছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্বাস্থ্য এবং নীতিগত শিক্ষা সম্পর্কে যেন ভালো করে জানতে পারে তাই এই প্রচেষ্টা চলছে। একই ভাবে নীতি বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষণ পদ্ধতি এবং স্কীল ডেভলোপমেন্ট বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে। আর তাই পাঠ্যে আয়ুর্বেদ (Ayurveda Chapters) যুক্ত করা হয়েছে।”

  • ICC Women’s World Cup: ওয়ান্ডার উওম্যান! অস্ট্রেলিয়ার দর্প চূর্ণ, জেমাইমা-হরমনের ব্যাটে বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত

    ICC Women’s World Cup: ওয়ান্ডার উওম্যান! অস্ট্রেলিয়ার দর্প চূর্ণ, জেমাইমা-হরমনের ব্যাটে বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাত মুঠো করে বসে রয়েছে মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, কলকাতা। বদলার এমন সুযোগ, বারবার মেলে না। কিন্তু প্রতিপক্ষ যে অস্ট্রেলিয়া। সাত বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন (ICC Women’s World Cup)। স্কোর বোর্ড বলছে, শুধু কঠিন নয়, তীব্র চাপেরও। নার্ভ একবার ফেল করলে হুড়মুড়িয়ে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। ৩৩৯ রানের পাহাড়প্রমাণ টার্গেট। কিন্তু হার না মানা মনোভাব নিয়েই যেন এদিন মাঠে নেমেছিলেন ২৫ বছরের মেয়ে জেমাইমা রড্রিগস (Jemimah Rodrigues)। দ্বিতীয় ওভারে ব্যাট করতে নামা ২৫ বছরের মেয়ে অবলীলায় সেঞ্চুরি করে গেলেন। প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে যখন হার, সেখান থেকে টিমকে তুলে দিলেন সরাসরি ফাইনালে। নট আউট ১২৭ রানের আশ্চর্য ইনিংস খেলে। নবি মুম্বইয়ের মাঠে প্রথমে ব্যাট করে ৩৩৮ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়া। জেমাইমা ১২৭ ও অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরের ৮৯ রানে ভর করে সেই রান তাড়া করে জিতল ভারত।

    হিলিদের জয়রথ থামালেন হরমনপ্রীতেরা

    ২০১৭ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে এই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ভারত। হরমনপ্রীত কৌর সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেই ইনিংসকেও ছাপিয়ে গেলেন জেমি। অবশ্য এই ম্যাচেও হ্যারি ৮৮ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলে গিয়েছেন। জেমাইমার সঙ্গে হরমনপ্রীতের ১৫৬ বলে ১৬৭ রানের পার্টনারশিপটা না থাকলে কিন্তু জয়ের আনন্দ চোখের জলে বদলে যেত। ২০১৭ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শেষ বার হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। এই ভারতের কাছেই। তার পর থেকে আর এক দিনের বিশ্বকাপে হারেনি তারা। আট বছর পর সেই ভারতের কাছেই হারল অস্ট্রেলিয়া। হিলিদের জয়রথ থামালেন হরমনপ্রীতেরা।

    স্বপ্ন দেখছিলেন জেমি

    নবি মুম্বইয়ে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অ্যালিসা হিলি। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক চেয়েছিলেন, বড় রান বোর্ডে তুলতে। সেই মতোই ভারতীয় বোলিংকে নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ফোব লিচফিল্ড একাই প্রায় ম্যাচটা কেড়ে নিয়েছিলেন। ওপেন করতে নেমে মাত্র ৯৩ বলে ১১৯ রানের ইনিংস খেলেন। চার-ছক্কায় দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলেন দীপ্তি শর্মা, রাধা যাদবরা। তিনটে লাগাতার রান আউট আর দিপ্তীর দুটো উইকেট শেষ পর্বে না থাকলে সেমিফাইনালের গল্প অন্যভাবে লিখতে হত। এলিস প্যারি ৭৭ করেন। অ্যাশলি গার্ডনার ৬৩ করেন। ৩৩৯ রানের টার্গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখা কঠিন! ভারত দেখেছিল। নিভে যেতে যেতে সেই স্বপ্নকে মুঠোতেও ধরল ওই জেমাইমা রড্রিগস আর হরমনপ্রীত কৌরের জন্য। সারা টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে থাকলেও সেমিতে রান পাননি স্মৃতি মান্ধানা। মাত্র ২৪ করে ফেরেন। তাঁর আগে ফিরে গিয়েছেন প্রতীকা রাওয়ালের বদলে ওপেন করতে নামা শেফালি ভার্মা (১০)। শুরুতেই ধাক্কা। বাকি ম্যাচ সামলে দেওয়া যাবে, এমন স্বপ্ন হয়তো অনেকেই দেখছিলেন না। জেমি দেখেছিলেন।

    চোখের জল সামলাতে পারছিলেন না জেমি

    ২০০৩ বিশ্বকাপের সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারত অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনালে ৩৬০ রান তাড়া করে জিততে পারেনি ৷ ২০২৫-এ ভারতের মেয়েরা রেকর্ড ৩৩৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ম্যাচ জিততে তাঁরা সফল। ম্যাচ শেষে তখন কথা বলবেন কী, চোখের জলই সামলাতে পারছিলেন না। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে কাঁদতে কাঁদতেই কোনও মতে মাইক্রোফোনটা হাতে নিয়ে জেমাইমা রড্রিগেজ নিজের মনের সব কথা এদিন ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে বললেন ৷ জেমাইমা বলেন, ‘‘স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। স্বপ্নটা এখনও শেষ হয়নি। সত্যিই গত এক মাসের কাজটা কঠিন ছিল। একা এটা করতে পারিনি। মা, বাবা, কোচ এবং আমার উপর যাঁরা বিশ্বাস রেখেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’’

    জানতাম জ্বলে উঠতে হবে

    ১৩৪ বলে অপরাজিত ১২৭ রানের এরকম দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলবেন, ভাবেননি। জেমাইমা বললেন, ‘‘আমি জানতাম না যে, তিন নম্বরে ব্যাট করতে হবে। মাঠে নামার পাঁচ মিনিট আগে, আমাকে বলা হয়েছিল যে আমি তিন নম্বরে ব্যাট করছি। আজ আমার হাফ-সেঞ্চুরি বা সেঞ্চুরিটা বিষয় নয়। ভারতকে জিতিয়ে আনাই লক্ষ্য ছিল। জেমাইমা আরও বলেন, ‘‘আগে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো আমরা হেরেছি। গত বছর আমাকে এই বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। কোনও কিছুই নিজের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। এই সফরে আমি প্রায় প্রতিদিনই কেঁদেছি। মানসিক ভাবে ভাল জায়গায় ছিলাম না। একটা উদ্বেগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। জানতাম আমাকে জ্বলে উঠতে হবে।’’

    অসাধ্যসাধন করল ভারত

    জ্বলে উঠলেন জেমাইমা। অসাধ্যসাধন করল ভারত। সাত বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে মহিলাদের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেন হরমনপ্রীত কৌরেরা। এক দিনের ক্রিকেটে এটি ভারতের সর্বাধিক রান তাড়া করে জয়। আমানজ্যোত কৌরের ব্যাটে ফাইনাল বাউন্ডারি আসতেই এদিন মাঠে আবেগের বাঁধ ভেঙে যায়। আজ বিশ্ব ক্রিকেট দেখল এক নতুন সূর্যোদয়। মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপের ময়দানে দাপট দেখানো ‘মহা-শক্তিশালী’ অস্ট্রেলিয়া অবশেষে তাদের সিংহাসনচ্যুত হল। রবিবার ফাইনালে ভারতের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। অর্থাৎ, এক দিনের বিশ্বকাপে এবার পাওয়া যাবে এক নতুন চ্যাম্পিয়ন।

     

     

     

     

LinkedIn
Share