Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Winter Cold Cough: হেমন্তের আবহাওয়ায় বাড়ছে কাশির দাপট! কাদের জন্য বিপদ বাড়াচ্ছে খামখেয়ালী আবহাওয়া?

    Winter Cold Cough: হেমন্তের আবহাওয়ায় বাড়ছে কাশির দাপট! কাদের জন্য বিপদ বাড়াচ্ছে খামখেয়ালী আবহাওয়া?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আর মাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা! দেবী-আরাধনার উৎসবের বিদায়ের ঘণ্টা বাজতে চললো। বঙ্গবাসী মেতে উঠেছে জগদ্ধাত্রী পুজোর উৎসবে। তবে উৎসবের শেষ বেলায় ভোগান্তি বাড়াচ্ছে হেমন্তের হাওয়া! বিদায় নিয়েছে বর্ষা। কিন্তু বৃষ্টির উপস্থিতি মাঝেমধ্যেই জানান দিচ্ছে। তার মাঝেই হাজির হয়েছে হেমন্ত। রাতের দিকে বাইরে গেলেই হালকা ঠান্ডা আমেজ। কিন্তু দুপুরে রোদের দাপট বাড়ছে। ফলে অনেক ঘরেই এখনো এসি চলছে। আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনার জেরে বাড়ছে শারীরিক সমস্যা। চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই সময়ে শরীরের বাড়তি যত্ন জরুরি। না হলেই ভোগান্তি বাড়বে।

    জ্বর-সর্দির পাশপাশি ভোগাচ্ছে কাশি

    কী সমস্যা দেখা দিচ্ছে? চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় শিশু থেকে প্রবীণ, বিভিন্ন বয়সীদের মধ্যেই নানান সংক্রামক রোগের দাপট দেখা দিচ্ছে। জ্বর-সর্দির পাশপাশি সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে কাশি। অধিকাংশ রোগী কাশির জেরে নাজেহাল। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে। এছাড়াও শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি জাতীয় সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।

    বাড়ে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার দাপট

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়ায় রকমফেরের জেরেই এই ধরনের ভোগান্তি বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষা বিদায় নিয়েছে। আর মাত্র কিছু দিন পরেই শীত শুরু হবে। এই হেমন্তের আবহাওয়ায় বাতাসে তাপমাত্রার পরিবর্তন হয়। তাই প্রত্যেক বছরেই এই সময়ে বাতাসে নানান ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার দাপট বাড়ে। কিন্তু চলতি বছরে পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। এই বছরে দেখা যাচ্ছে দিন ও রাতে আবহাওয়ার পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য ভাবে হচ্ছে। বিশেষত তাপমাত্রার পরিবর্তন মারাত্মক। দিনে রোদের প্রকোপ থাকছে। বেলা বাড়লে ঘাম হচ্ছে। অস্বস্তিকর আবহাওয়া দেখা দিচ্ছে। আবার রাত বাড়লে বিশেষত ভোরের দিকে ঠান্ডার আমেজ স্পষ্ট। তাপমাত্রার এতখানি ঘনঘন পরিবর্তন ক্ষতিকারক ভাইরাসের সক্রিয়তাও বাড়িয়ে দেয়। তাই নানান সংক্রামক রোগের দাপট বাড়ে‌। তাছাড়া, এই সময়ে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই হাঁপানি, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাও বাড়তে থাকে।

    কোন ঘরোয়া উপদানে ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    আরাম পেতে আদা

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাঙালির রান্নাঘরের পরিচিত একাধিক উপাদান এই আবহাওয়ায় শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে শ্বাসনালী এবং ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে এবং কাশি হলে, আরাম পেতে নিয়মিত রান্নায় আদা ব্যবহার করা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, আদায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে। যার ফলে নানান সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। তাই বিভিন্ন রান্নায় নিয়মিত আদা খেলে সংক্রামক রোগের দাপট কমে।

    মধু এবং তুলসী পাতা

    শিশুদের নিয়মিত সকালে এক চামচ মধু এবং কয়েকটি তুলসীপাতা চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মধু এবং তুলসী পাতা সর্দি-কাশি মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। এই দুই ঘরোয়া উপাদানে সংক্রামক রোগ নিরাময়ের শক্তি রয়েছে। এই সময়ে অধিকাংশ শিশু ভাইরাস ঘটিত অসুখের জেরেই সর্দি-কাশি এবং জ্বরে ভুগছে। তাই নিয়মিত মধু ও তুলসী পাতা খাওয়ার অভ্যাস শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করবে।

    দারুচিনি দেওয়া চা

    প্রবীণদের চা খাওয়ার সময় দারুচিনি দেওয়া চা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দারুচিনি সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষত ফুসফুসের সংক্রমণ ঠেকাতে দারুচিনি বিশেষ উপকারি। তাই গরম চা খাওয়ার সময় তাতে এক টুকরো দারুচিনি ফেলে ফুটিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    রান্নায় এলাচ

    রান্নায় এলাচ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিরামিষ তরকারি, পায়েস হোক কিংবা মাংস কষা, যেকোনও রান্নায় সুগন্ধ বাড়াতে বাঙালি এলাচের ব্যবহার করে। রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশপাশি শ্বাসনালী সুস্থ রাখতেও এলাচ বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় কাশির দাপটে অনেকেই নাজেহাল। শ্বাসনালীর সংক্রামণের জেরেই কাশির ভোগান্তি বাড়ে। তাই নিয়মিত এলাচ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এলাচ শ্বাসনালীর সংক্রামণের ঝুঁকি কমায়।

    তিন থেকে চার লিটার জল

    শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়লে একাধিক রোগের ঝুঁকি কমানো‌ যায়। তাই নিয়মিত তিন থেকে চার লিটার জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল থাকলে একাধিক রোগের ঝুঁকি কমানো‌ যায়। তাছাড়া তাঁরা সবুজ সব্জি ও ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ এগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 31 October 2025: বন্ধুদের সৌজন্যে প্রচুর আয় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 October 2025: বন্ধুদের সৌজন্যে প্রচুর আয় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) আগুন থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

    ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) স্বামীর সঙ্গে বিবাদ অনেক দূর যেতে পারে।

    ২) স্বজনবর্গের সঙ্গে মনোমালিন্য মিটে যেতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

    মিথুন

     

    ১) বন্ধুদের সৌজন্যে প্রচুর আয় হতে পারে।

    ২) পথেঘাটে খুব সাবধানতা অবলম্বন করুন, দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) বেশিরকাজ কাজেই সাফল্য মিলবে।

    কর্কট

    ১) কারও প্রতি আপনার ব্যবহার রূঢ় হতে পারে।

    ২) সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) দাম্পত্য কলহের কারণে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও জটিল সমস্যা আপনাকে ভোগাতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) বাইরের অশান্তি আপনাকে নাজেহাল করতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    তুলা

    ১) আইনি কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) সারা দিন নানা দিক থেকে কাজের সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) মানসিক যন্ত্রণার কারণে ঘুমের ব্যঘাত হতে পারে।

    ২) কারও বিবাহ সংক্রান্ত কাজে কিছু দান করতে হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে ভ্রমণ।

    ধনু

    ১) বাড়ির সকলে মিলে তীর্থ ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ২) পুরনো কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) আপনার নিজের মতে কিছু করার জন্য বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) বন্ধুদের কথায় চললে আপনার খুব ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কুম্ভ

    ১) কারও বিবাহের সংবাদে আনন্দ লাভ।

    ২) যানবাহনে ওঠানামায় বিপদের আশঙ্কা।

    ৩) সাবধান থাকুন।

    মীন

    ১) ব্যবসা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে।

    ২) চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ অনুকূল সময়।

    ৩) দিনটিতে আশাপূরণ হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Mumbai: ১৭ জন শিশুকে অপহরণ করে পুলিশের গুলিতে মৃত রোহিত আর্য

    Mumbai: ১৭ জন শিশুকে অপহরণ করে পুলিশের গুলিতে মৃত রোহিত আর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের (Mumbai) পোয়াই এলাকায় ১৭ জন শিশুকে অপহরণ করার অভিযোগে অভিযুক্ত রোহিত আর্য পুলিশের সঙ্গে গুলির সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার কাজের অভিযানের সময় আর্য এয়ারগান ব্যবহার করে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান, যার ফলে পুলিশকেও পাল্টা এক রাউন্ড গুলি চালাতে হয়। গুলিটি আর্যর (Rohit Arya) বুকের ডান দিকে লাগে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এখন জেজে হাসপাতালে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত চলছে।

    ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের বন্দি করা হয়েছিল (Mumbai)

    টানটান উত্তেজনায় একবারে নাটকীয় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে আরএ স্টুডিও (Mumbai) নামে একটি ছোট ফিল্ম স্টুডিওর ভেতরে। অভিযোগ যেখানেই আর্য একদল শিশুকে অডিশন দেওয়ার নাম করে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে রেখেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় দুই ঘন্টা ধরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। যদিও শিশুদের কোনও রকম হতাহতের খবর মেলেনি। তাদেরকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পোয়াই থানার একটি দল দুপুর ১:৪৫ নাগাদ একটি অপহরণের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রথমে আলোচনা শুরু হয়, কিন্তু আর্য শিশুদের ছেড়ে দিতে অস্বীকার করেন। যখন তিনি তাদের হত্যার হুমকি দেন, তখন পুলিশ জোর করে বাথরুমে প্রবেশ করে এবং ১৭ জন শিশুকে নিরাপদে উদ্ধার করে।

    ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন

    ঘটনার আগে, আর্য একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার পরিবর্তে অপহরণকেই বেছে নেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি (Mumbai)। তিনি বলেন, “আমি রোহিত আর্য (Rohit Arya) আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার পরিবর্তে, আমি একটি পরিকল্পনা করেছি এবং এখানে কিছু শিশুকে বন্দি করে রেখেছি। সহজ দাবি, নৈতিক দাবি এবং কয়েকটি প্রশ্ন। তোমাদের সামান্যতম ভুল পদক্ষেপও আমাকে বাধ্য করবে। এই জায়গাটিকে আগুনে পুড়িয়ে দেবো।” তবে তিনি কোনও অর্থ চাননি এবং সন্ত্রাসী যে নন, সেই কথাও জানান। ঘটনাস্থল থেকে এয়ারগান এবং কিছু রাসায়নিক জিনিস উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে এগুলি দিয়েই অফিসারদের হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি এইরকম কাণ্ড কেন করলেন, তার তদন্ত করতে নেমেছে পুলিশ।

  • Weather Update: জগদ্ধাত্রী পুজোতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শহরে! শীত আসতে অপেক্ষা করতে হবে কয়েকদিন

    Weather Update: জগদ্ধাত্রী পুজোতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শহরে! শীত আসতে অপেক্ষা করতে হবে কয়েকদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর পর জগদ্ধাত্রী পুজোতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে। ঘূর্ণিঝড় মন্থা (Cyclone Mantha) শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বাংলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, সংশ্লিষ্ট নিম্নচাপটি উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে। অর্থাৎ ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাবে। আর তার জন্যই বৃষ্টি হবে বাংলায়। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। কমপক্ষে আগামী তিন দিন বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া জারি থাকবে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) বহু জেলায়। কলকাতাতেও (Kolkata) জারি হয়েছে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা।

    ঘণ্টায় ৩০–৪০ কিমি গতির দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Office) জানিয়েছে, প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’র প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গে আগামী কয়েক দিন ঝড়-বৃষ্টি চলবে। বৃহস্পতিবারই জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী। অর্থাৎ বলা যায়, পুজোর দিন কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে। মূলত কয়েকটি জেলায় তুমুল বৃষ্টি হবে। সেই জেলাগুলি হল পুরুলিয়া,পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে কলকাতা ও শহরতলিগুলিতে। আর আগামিকাল অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর শুক্রবার বৃষ্টি হবে সব জেলাতেই। বইতে পারে দমকা ঝোড়ো বাতাস। ঘণ্টায় ৩০–৪০ কিমি গতির দমকা হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। একই রকমভাবে শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা বৃষ্টি। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া ও পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রঝড় ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা। রবিবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হবে।

    উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই বৃষ্টি

    দক্ষিণবঙ্গের মতো উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পার্বত্য জেলাগুলিতে অতি ভারী বর্ষণ, অন্যান্য জায়গায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবারও আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার থেকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে অনুমান। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উপকূলের কাছে সাগরে ঘণ্টায় ৩৫–৪৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। সমুদ্র উত্তাল থাকবে, তাই ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    কলকাতায় কবে শীত

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, আগামী কয়েক দিন কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে, বৃষ্টিও হতে পারে। ফলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে থাকবে। যদিও এই পারদ পতনকে শীতের আগমন বার্তা বলা যাবে না , এমনই অভিমত হাওয়া অফিসের। জগদ্ধাত্রী পুজো হয়ে গেলেও এখনও নভেম্বর মাস পড়েনি। শহরে শীত আসতে বেশ কিছুদিন দেরি। নিম্নচাপ কাটলেই পারদ ফের চড়বে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গে উত্তুরে হাওয়া প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। ফলে এখনই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা নেই। হালকা শীতের আমেজ রয়েছে ভোরের দিকে। জেলায় জেলায় শীত আসার ইঙ্গিত মিললেও শীত পড়তে পড়তে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

  • SIR in Bengal: এসআইআর নিয়ে মনে নানা প্রশ্ন! বিএলও-দের সঙ্গে সরাসরি কথার সুযোগ, হেল্পলাইন নম্বর চালু কমিশনের

    SIR in Bengal: এসআইআর নিয়ে মনে নানা প্রশ্ন! বিএলও-দের সঙ্গে সরাসরি কথার সুযোগ, হেল্পলাইন নম্বর চালু কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR in Bengal) নিয়ে মানুষের নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। তাদের তরফে চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন। জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নাগরিকরা ১৯৫০ (1950) এই ভোটার হেল্পলাইন নম্বর ব্যবহার করতে পারবেন। এই নম্বরের সাহায্যে বিএলও- দের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা যাবে। যাবতীয় প্রশ্ন করা যাবে তাঁদের। পাওয়া যাবে উত্তরও।

    নাগরিকদের সকল প্রশ্ন ও অভিযোগের দ্রুত সমাধান

    এসআইআর (SIR in Bengal) পর্ব মসৃণ ভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ‘ন্যাশনাল ভোটার হেল্পলাইন’ (এনভিএইচ) এবং দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং জেলা পর্যায়ের হেল্পলাইন সক্রিয় করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য—নাগরিকদের সকল প্রশ্ন ও অভিযোগের দ্রুত সমাধান। কমিশন (Election Commission of India) সূত্রের খবর, ‘ন্যাশনাল কনট্যাক্ট সেন্টার’ (এনসিসি) হবে সমগ্র দেশের কেন্দ্রীয় হেল্পলাইন। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টোল-ফ্রি নম্বরে (১৮০০-১১-১৯৫০) নাগরিকেরা যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রশিক্ষিত কর্মীরা ভোটারদের ভোট সংক্রান্ত তথ্য ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। প্রতিটি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং জেলার জন্য আলাদা করে স্টেট কনট্যাক্ট সেন্টার (এসসিসি) ও ডিস্ট্রিক্ট কনট্যাক্ট সেন্টার (ডিসিসি) তৈরি করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দৈনিক সরকারি দফতরের সময়সূচি মেনে সারা বছর এগুলো চালু থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভাষায় পরিষেবা দেবে। ছুটির দিন ছাড়া বাকি সব দিনেই সারা বছর অফিস আওয়ার্সে কাজ করবে এইসব কনট্যাক্ট সেন্টার।

    সমস্ত অনুরোধের নিষ্পত্তি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে করতে হবে

    বিশেষ নিবিড় সমীক্ষাপর্ব (SIR in Bengal) সংক্রান্ত প্রতিটি অভিযোগ ও প্রশ্ন ‘ন্যাশনাল গ্রিভ্যান্স সার্ভিস পোর্টাল ২.০ (এমসিএসপি ২.০)-র মাধ্যমে ‘রেকর্ড ও ট্র্যাক’ (নথিভুক্ত ও চিহ্নিত) করা হবে। চালু হয়েছে ‘বুক আ-কল উইথ বিএলও’ সুবিধা— যার মাধ্যমে নাগরিকেরা সরাসরি তাঁদের বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-র সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। এটি ‘ইসিআইনেট’ প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। নাগরিকেরা ‘ইসিআইনেট অ্যাপ’ ব্যবহার করেও নির্বাচন আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। এবং সমস্ত অনুরোধের নিষ্পত্তি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নিশ্চিত করতে সিইও, ডিইও এবং ইআরও-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও পুরনো অভিযোগ জানানোর পদ্ধতিগুলো আগের মতোই চালু থাকবে বলে কমিশনের (Election Commission of India) তরফে জানানো হয়েছে। নাগরিকেরা ইমেলে অভিযোগ পাঠাতে পারবেন (complaints@eci.gov.in)।

    বিএলও-দের কড়া বার্তা কমিশনের

    আগামী ৪ নভেম্বর ২০২৫ থেকে রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) কাজে যোগ দেওয়ার সময় বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে কাজে যোগ না-দিলে পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি কমিশনের। সাসপেন্ড করার মতো পদক্ষেপ করা হবে বলেও তারা জানিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে কাজে যোগ না-দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে খবর, কয়েকটি জেলায় বিএলও-রা এসআইআর প্রক্রিয়ায় এখনও অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁরা নানা বাহানা দিচ্ছেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অবিলম্বে বিএলও-দের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। সেইমতো মুর্শিদাবাদ-সহ কয়েকটি জেলায় বিএলও-দের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলেও এখনও পর্যন্ত বিএলও-দের নিয়ে মাথাব্যথা কমিশনের। রাজ্যের ৮০ হাজারের বেশি বুথে বিএলও নিয়োগ করা হলেও, কিছু জায়গায় পদ শূন্য রয়েছে। সেখানে নিয়োগ করা যাচ্ছে না। এসআইআর নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক তৈরি হতেই অনেকে আর কাজ করতে ইচ্ছুক নন। এর আগেও কাজ করতে না চাওয়ায় এক হাজারের বেশি বিএলও-কে শোকজ করেছিল কমিশন (Election Commission of India)। এখন নির্দেশে কাজ না হলে সরাসরি সাসপেন্ড করার দিকে যাচ্ছে কমিশন।

  • Sheikh Hasina: “ভারতে ভালোই আছি, তবে নিজের দেশে কে না ফিরতে চায়?” নয়াদিল্লি থেকে জানালেন শেখ হাসিনা

    Sheikh Hasina: “ভারতে ভালোই আছি, তবে নিজের দেশে কে না ফিরতে চায়?” নয়াদিল্লি থেকে জানালেন শেখ হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বছর কেটে গেলেও, আর দেশে ফেরেননি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। সত্যিই কি আর কখনও বাংলাদেশে ফিরে যাবেন না শেখ হাসিনা? গত বছর বাংলাদেশ সরকারের পতন ও নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা। আড়ালেই থাকেন তিনি। কখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এবার তিনি নিজেই জানালেন যে গত বছর থেকে দিল্লিতেই রয়েছেন তিনি। আপাতত ভারতেই থাকবেন তিনি। দিল্লিতে তিনি ভালোই আছেন। একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার জানালেন হাসিনা। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন হবে ২০২৬ সালে। সেই নির্বাচনে যদি আওয়ামি লিগকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া না হয় তাহলে ভোট বয়কট করবেন তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা। হুঁশিয়ারিও দিলেন মুজিব-কন্যা।

    কেন নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগ, প্রশ্ন হাসিনার

    রয়টার্স, এএফপি ও দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুজিব কন্যা জানিয়েছেন, দিল্লিতে তিনি স্বাধীনভাবে থাকলেও, অবশ্যই নিজের দেশে ফিরে যেতে চান। তবে তাঁর দল, আওয়ামি লিগ (Awami League)-কে বাদ দিয়ে যদি কোনও নির্বাচন হয় এবং সরকার গঠিত হয়, সেই সরকারের অধীনে তিনি কখনওই বাংলাদেশে ফিরে যাবেন না। ক্রমাগত চাপের মুখে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। তবে বাংলাদেশের নির্বাচন থেকে গত মে মাসেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে হাসিনার আওয়ামি লিগকে। এই নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে মুজিব কন্যা বলেন যে, আওয়ামি লিগের লক্ষ লক্ষ সমর্থকরা আগামী বছরের জাতীয় নির্বাচন বয়কট করবে। তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগের উপরে নিষেধাজ্ঞা শুধু অনৈতিক নয়, বরং এটি আত্ম-পরাজয়ও।”

    আওয়ামি লিগকে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমর্থন করে

    ১৫ বছর সরকার চালানো শেখ হাসিনা বলেন, “আগামী সরকারের নির্বাচনী বৈধতা থাকতে হবে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আওয়ামি লিগকে সমর্থন করে, তাই তারা ভোট দেবেন না। রাজনৈতিক সিস্টেম চালানোর জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাদ দিতে পারেন না। আওয়ামি লিগকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া মানে লক্ষ লক্ষ মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা। এভাবে অবাধ ও স্বচ্ছ ভোট হবে না। যে সরকার হবে তাও গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয়। আওয়ামি লিগ যদি ভোটে দাঁড়াতে না পারে তাহলে সমর্থকদের কাছে আবেদন করব, তাঁরা যেন অন্য কোনও দলকে সমর্থন না করেন। আমরা এখনও আশা রাখছি যে শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং আমাদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে।” বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এখনও আশা রাখেন যে বাংলাদেশের ভবিষ্যতে আওয়ামি লিগ ভূমিকা রাখবে, তা সে শাসক হিসেবে হোক বা বিরোধী।

    কে না নিজের বাড়ি ফিরতে ভালোবাসে

    দেশ ছাড়ার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন যে গত বছরের ৫ অগাস্ট দেশে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ায় তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “থেকে গেলে আমার জীবন যেমন ঝুঁকিতে পড়ত, আশপাশের মানুষদের জীবনও তেমনি বিপদে পড়ত।” হাসিনা সাফ জানান, “কে না নিজের বাড়ি ফিরতে ভালোবাসে। আমিও যেতে চাই। কিন্তু যতক্ষণ না সেখানে সরকার গঠিত হয়, সংবিধান ও আইনের শাসনের কার্যকর হয়, ততক্ষণ যাব না।” ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। তার আগে বাংলাদেশে আন্দোলনে অনেক মানুষ মারা যান। সরকারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ ওঠে। তবে সেজন্য ক্ষমা চাইতে নারাজ মুজিবর কন্যা। তিনি এও জানান, দিল্লিতে ভালো থাকলেও তিনি সতর্ক। কারণ, তাঁর পরিবারের উপর আক্রমণের ইতিহাস আছে।

    জমি ছাড়তে নারাজ আওয়ামি লিগ

    বাংলাদেশে ১২ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটার রয়েছে। আওয়ামি লিগ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দীর্ঘদিন ধরেই দেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে হাওয়া গরম বাংলাদেশে। হাসিনা সরকার পতনের পর সেখানে আপাতত অন্তর্বর্তী সরকার, যার শীর্ষে রয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুস। দেশের অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষমতায় আসার পরই সুযোগ বুঝে একদা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামি লিগের সমস্ত রাজনৈতিক কার্যকলাপ কার্যত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। ফলে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার দল লড়তে পারবে না। কিন্তু লড়াইয়ের ময়দান সহজে ছাড়তে নারাজ আওয়ামি লিগ। নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বাংলাদেশ জুড়ে বিক্ষিপ্ত বিভিন্ন কর্মসূচি করছে আওয়ামি লিগ।

    নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পাননি হাসিনা

    গত বছর বাংলাদেশে ‘জুলাই আন্দোলন’-এর সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হন হাসিনা। তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের গুম করা এবং অত্যাচার চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এই সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণা হওয়ার কথা। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই সংক্রান্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে হাসিনা দাবি করেছেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এই সব মামলা চালানো হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আদালতে তিনি নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পাননি বলেও জানিয়েছেন হাসিনা।

    ভারতে ভালোই আছেন হাসিনা

    জনবিক্ষোভের জেরে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হয়। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বোন রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বিমানে ঢাকা থেকে উত্তরপ্রদেশের হিন্দন বায়ুসেনাঘাঁটিতে চলে আসেন হাসিনা। আপাতত ভারতেই সাময়িক আশ্রয়ে রয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ভারতে ভালোই আছেন তিনি। নিজের মতো করে রয়েছেন। হাসিনাকে ফেরত চেয়ে কূটনৈতিক স্তরে ভারতের কাছে অনুরোধ (নোট ভারবাল) পাঠিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। ভারতের তরফে ওই কূটনৈতিক অনুরোধের প্রাপ্তিস্বীকার করা হলেও এখনও পর্যন্ত পরবর্তী সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানানো হয়নি।

  • Second Moon of Earth: পৃথিবীর রয়েছে আরও এক আধা-চাঁদ! ২০৮৩ পর্যন্ত চারপাশে ঘুরবে এই প্রতিবেশী

    Second Moon of Earth: পৃথিবীর রয়েছে আরও এক আধা-চাঁদ! ২০৮৩ পর্যন্ত চারপাশে ঘুরবে এই প্রতিবেশী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর আরও এক উপগ্রহের সন্ধান মিলেছে। আগামী ৬০ বছর ধরে চাঁদের আরও এক সঙ্গীর উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে। পৃথিবীর দ্বিতীয় এই উপগ্রহ এখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এই মহাজাগতিক বস্তুর নাম ‘২০২৫ পিএন৭’ (2025 PN7)। তবে চিরকালীন হয়তো এই উপগ্রহ থাকবে না। আগামী কয়েকে দশকের জন্য সঙ্গী হবে এই উপগ্রহ। চাঁদের অর্ধ (Second Moon of Earth) বলা হয় তাকে। মহাকাশের জগতে এই আলোড়ন জাগানো খবরে রয়েছে অনেক চমকপ্রদ তথ্য।

    ২০৮৩ সাল পর্যন্ত থাকবে পৃথিবীর পাশে

    পৃথিবীর দ্বিতীয় উপগ্রহ (Second Moon of Earth) হিসেবে ২০২৫ পিএন৭ হল আসলে আধা অর্ধেক উপগ্রহ। একে মহাবিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় কোয়াসি মুন বা আধা চাঁদ। ২০৮৩ সাল পর্যন্ত সেটি পৃথিবী ও চাঁদকে সঙ্গ দেবে। এই মুহূর্তে পৃথিবীর চারপাশে জাগতিক নিয়মে ঘুরে বেড়াচ্ছা ২০২৫ পিএন৭। এই আধা চাঁদ ৩৬৫ দিনের কাছাকাছি সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে বলে জানা গিয়েছে। ২০২৫ পিএন৭ হল একটি গ্রহাণু। এর নামকরণ করা হয়েছে মহাভারতের কেন্দ্রীয় চরিত্র অর্জুনের নামানুসারেই। সৌরজগতের অন্তর্গত সমস্ত গ্রহাণু অবশ্য অর্জুন গ্রহাণু নামেই পরিচিত। এই উপগ্রহ পৃথিবীর মতো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

    আয়তন ১৮-৩৬ মিটার

    ২০২৫ পিএন৭-এর আবিষ্কর্তা হলেন ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াইয়ের বিজ্ঞানীরা। এই বছর গ্রীষ্মকালেই এই উপগ্রহের প্রথম সন্ধান পান বিজ্ঞানীরা। ২০২৫ পিএন৭–এর আয়তন জানা গিয়েছে ১৮-৩৬ মিটার। বিজ্ঞানীরা একে সহজ কথায় বলেছেন একটি ছোট বিল্ডিং-এর সমান। পৃথিবী থেকে এই উপগ্রহের (Second Moon of Earth) দূরত্ব ৪০ লক্ষ কিলোমিটার। পৃথিবী যেমন কক্ষপথ ধরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে একই ভাবে সূর্যকেও প্রদক্ষিণ করছে এই ২০২৫ পিএন৭।

    সূর্য এই উপগ্রহকে ধরে রেখেছে

    উল্লেখ্য, চাঁদের কাছাকাছি উপগ্রহের বিষয়টি এই প্রথম নয়। আগেও কয়েকবার এই রকম চাঁদের আবির্ভাব হয়েছে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, “সাধারণত সকলেই নিজের নিজের কক্ষপথে সমান্তরালে ঘোরাঘুরি করে। পৃথিবীর সঙ্গে গতি সমান রেখে ঘুরে চলে এই ২০২৫ পিএন৭ (Second Moon of Earth)। সময়ে সময়ে গতি কমে বাড়ে। কখনও পৃথিবী থেকে এগিয়ে যায় আবার কখনও কখনও পিছিয়ে যায়। তবে গতির আমূল পরিবর্তন হয় না। তবে ছয়ের দশক থেকেই এই পৃথিবীর কাছেই রয়েছে এই উপগ্রহ। ২০৮৩ সাল পর্যন্ত পৃথিবীকে এই উপগ্রহ সঙ্গী হিসেবে থাকবে। এরপর থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাবে। সূর্য এই উপগ্রহকে ধরে রেখেছে। তবে ঠিক মতো নিজের কক্ষে ঘোরার জন্য বাকি গ্রহেরও কমবেশি প্রভাব রয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট আটটি উপগ্রহের (2025 PN7) সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এখনও বহুকিছু গবেষণার অধীন।”

    গ্রহাণুগুলির গল্প শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সাল থেকে

    মহাকাশ গবেষক কার্লোস দে লা ফুয়েন্তে মার্কোস বলেন, “এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি এলেও প্রায় ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল দূরত্বে অবস্থান করে। এটি চাঁদের গড় দূরত্ব (২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫৫ মাইল)-এর চেয়ে কিছুটা কম। বর্তমানে টেলিস্কোপ দিয়ে যখন এটি পৃথিবীর খুব কাছাকাছি আসে তখনই ভালো করে দেখা যায়।”

    তবে বিজ্ঞানীদের মত ২০২৫ পিএন৭ (Second Moon of Earth) ততটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। মহাকাশ গবেষণায় বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে। মহাকাশের অভিকর্ষ, কার্যকারিতা, গতিপ্রকৃতি, গঠন, আচরণ, ধর্ম বিষয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাতেও বেশ সুবিধা হবে। পৃথিবীর এই সঙ্গী গ্রহাণুগুলির গল্প শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সাল থেকে। সেই সময় ভিজি আবিষ্কারের মাধ্যমে এই কাজ শুরু হয়। ১৯৯১ সালে আবিষ্কৃত প্রথম গ্রহাণু ভিজির কক্ষপথ ছিল পৃথিবীর মতোই। সেই সময়ে, এর কাছাকাছি আসার ফলে বিজ্ঞানীরা একটি ভিনগ্রহী (2025 PN7) অনুসন্ধানের সম্ভাবনা সম্পর্কে অনুমান করতে শুরু করেছিলেন।

  • Daily Horoscope 30 October 2025: মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ করবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 30 October 2025: মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ করবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন খুব ভালো কাটতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন।

    ২) ব্যবসায় ভালো লাভের সময়।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    কর্কট

    ১) অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে।

    ২) আয়ের দিক থেকে দিনটি ভালো।

    ৩) ব্যবসায় লাভ।

    সিংহ

    ১) কোনও ভাল কাজ না হওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) নতুন চাকরির চেষ্টা করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) রাজনীতির লোকেদের জন্য ভালো খবর আসতে পারে।

    ২) সারা দিন ব্যস্ত থাকতে হবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    তুলা

    ১) কাজ নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) পাওনা আদায় নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) নিজের বাক্যে সংযম রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১) কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে ব্যয় কমানোর আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ২) দূরে কোথাও ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ৩) হতাশ হবেন না কোনওভাবে।

    কুম্ভ

    ১) অতিরিক্ত কথায় বাড়িতে বিবাদ।

    ২) শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) সাবধানে চলাফেরা করুন।

    মীন

    ১) শরীরে যন্ত্রণা হতে পারে।

    ২) প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে শিখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • India vs Australia: ভারতের ছন্দে বাধ সাধল বৃষ্টি, ক্যানবেরায় পরিত্যক্ত প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ

    India vs Australia: ভারতের ছন্দে বাধ সাধল বৃষ্টি, ক্যানবেরায় পরিত্যক্ত প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিই শেষ হাসি হাসল। ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৯ ওভার খেলার পর আর খেলা শুরুই করা গেল না। ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন সূর্যকুমার যাদব ও শুভমন গিল। দুজনেই মারমুখি মেজাজে খেলছিলেন। প্রথম ৯ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে ৮২ রান তুলে নেয় ভারত। এদিন ক্যানবেরায় ফের টস হারেন সূর্য। টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ভারতের খেলার পাঁচ ওভার পরেই বৃষ্টি নামে। বৃষ্টি থামলে ফের খেলা শুরু হলেও আবার ঝেঁপে বৃষ্টি। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন ম্যাচ রেফারি। ৯.৪ ওভারে ভারতের রান তখন৯৭। ভালো ছন্দে ব্যাট করছিলেন সূর্যকুমার যাদব ও শুভমন গিল। কিন্তু বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়াল।

    ওয়ান-ডে এর বদলা টি-টোয়েন্টি!

    অস্ট্রেলিয়ার কাছে এক দিনের সিরিজ হারতে হয়েছে শুভমন গিলদের। সূর্যকুমার যাদবেরা কিন্তু টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয় ছাড়া কিছু ভাবছেন না। এশিয়া কাপজয়ী দলকেই মূলত পাঠানো হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সফরে। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজকে আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসাবে দেখছে ভারতীয় শিবির। এই সিরিজ থেকেই বিশ্ব খেতাব ধরে রাখার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে দেবেন কোচ গৌতম গম্ভীর। অন্যদিকে, জসপ্রীত বুমরাহের প্রত্যাবর্তনে টিম ইন্ডিয়ার বোলিং আক্রমণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। ইতিপূর্বে, ওয়ানডে সিরিজে টিম ইন্ডিয়া ১-২ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিল। এই বদলা তারা টি-২০ সিরিজে নিতে চাইবে। তবে ক্যাঙারুদের দেশে এই টি-২০ সিরিজ জয় টিম ইন্ডিয়ার পক্ষে অতটাও সহজ হবে না। তারই মধ্যে বাধা বৃষ্টি।

    সুস্থ হচ্ছেন শ্রেয়স

    প্লীহার ক্ষত সারিয়ে ইতিমধ্যেই অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন শ্রেয়স আয়ার। তাঁর অস্ত্রোপচারও হয়েছে। চিকিৎসকেরা যেমন ভেবেছিলেন তার থেকেও আগে সুস্থ হয়ে উঠছেন ভারতীয় ক্রিকেটার। দাদার পাশে থাকতে সিডনি উড়ে যাচ্ছেন বোন শ্রেষ্ঠা। ভারতীয় বোর্ডই যাবতীয় ব্যবস্থা করে দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বুধবারই তিনি সিডনির উদ্দেশে রওনা দেবেন। শ্রেয়স যত দিন না দেশে ফিরছেন তত দিন তিনি সঙ্গে থাকবেন। এ দিকে, শ্রেয়সের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ছটপুজোয় প্রার্থনা করতে দেখা গিয়েছে সূর্যকুমার যাদবের মা-কে। সিডনির হাসপাতালে অস্ত্রোপচার হয়েছে শ্রেয়সের। দু’দিন আগেই তাঁকে আইসিইউ থেকে বার করা হয়েছে। এখন সাধারণ বেডে রয়েছেন। সেখানেই কর্তব্যরত নার্সদের সঙ্গে হাসিঠাট্টা, মজা করছেন বলে জানা গিয়েছে। বোঝা গিয়েছে, তিনি এখন অনেকটাই স্থিতিশীল।

  • Draupadi Murmu on Rafale: সিঁদুর যোদ্ধা পাইলট শিবাঙ্গীর সঙ্গে ছবি, দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাফালে সওয়ারি দ্রৌপদী মুর্মুর

    Draupadi Murmu on Rafale: সিঁদুর যোদ্ধা পাইলট শিবাঙ্গীর সঙ্গে ছবি, দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাফালে সওয়ারি দ্রৌপদী মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাফাল যুদ্ধবিমানে সওয়ার হলেন দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu on Rafale)। বুধবার হরিয়ানার অম্বালা বিমানঘাঁটি পরিদর্শন করেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তাঁকে ‘গার্ড অফ অনার’ দেওয়া হয়। এরপরেই তিনি ভারতীয় বিমান বাহিনীর রাফাল যুদ্ধবিমানে একটি সর্টি উড়ানে অংশ নেন। সামরিক পোশাক পরেই রাফাল যুদ্ধবিমানে উঠতে দেখা যায় তাঁকে। রাফাল যুদ্ধবিমানের পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিং-এর সঙ্গে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন রাষ্ট্রপতি। গত মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের সময় সমাজমাধ্যমে একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, পাকিস্তান এই পাইলট শিবঙ্গী সিংকে বন্দি করেছে। হাস্যকর সেই দাবি উড়িয়ে বুধবার সিঁদুর যোদ্ধা শিবঙ্গীর সঙ্গে ছবি তুললেন মুর্মু।

    রাষ্ট্রপতির ঐতিহাসিক উড়ান

    এর আগে ২০২৩ সালে ‘সুখোই ৩০ এমকেআই’ যুদ্ধবিমানে সওয়ার হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu on Rafale)। হরিয়ানার অম্বালার বায়ু সেনাঘাঁটি থেকেই ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু হয়েছিল। বুধবার সেই বিমানঘাঁটিই পরিদর্শন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেখান থেকে রাফাল যুদ্ধবিমান উড়িয়ে ইতিহাস তৈরি করলেন। এই বিশেষ অভিযানে বিমানঘাঁটিতে উপস্থিত ছিলেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং এবং অন্যান্য আধিকারিকরা। রাষ্ট্রপতির এই ঐতিহাসিক উড়ানকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর জন্য গর্ব এবং দেশের মহিলাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামরিক পোশাক এবং চোখে সানগ্লাস পরে রাফালের পাইলটের সঙ্গে ছবি তোলেন মুর্মু। তাঁর হাতে ধরা ছিল হেলমেট। এদিন, বেলা ১১টা ২৭ মিনিটে তাঁকে নিয়ে উড়ে যায় একটি রাফাল। বিমানের ভিতরে বসে হাত নেড়ে অভিবাদন জানাতে দেখা যায় রাষ্ট্রপতিকে।

    রাফাল ভারতের সামরিক সাফল্যের প্রতীক

    প্রসঙ্গত, পদাধিকারবলে রাষ্ট্রপতি ভারতের সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে অসমের তেজপুরের বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমানে সওয়ার হয়েছিলেন মুর্মু। তার আগেই অবশ্য মুর্মুর দুই পূর্বসূরি এপিজে আবদুল কালাম এবং প্রতিভা পাটিল ওই যুদ্ধবিমানে সওয়ার হয়েছিলেন। ২০০৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কালাম এবং ২০০৯ সালে প্রতিভা পাটিল যথাক্রমে পুণের লোহেগাঁও বিমানঘাঁটি থেকে সুখোই-৩০ এমকেআই বিমানে উড়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সেই ঐতিহ্যের আধুনিক অধ্যায় খুলে দিলেন রাফাল যুগে। রাফাল যুদ্ধবিমান ভারতের সাম্প্রতিক সামরিক সাফল্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এপ্রিলের পহেলগাঁও-এ জঙ্গি হামলার পর চালানো ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ এই যুদ্ধবিমানের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন অভিযানে ভারতীয় সেনার দাপুটে ‘অপারেশন সিঁদুর’র পর থেকেই শিরোনামে উঠে এসেছে রাফাল। যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধুলিসাৎ হয়ে যায় জঙ্গিদের ঘাঁটি। পাকিস্তান এবং পাকঅধিকৃত কাশ্মীরে মোট নয় জায়গায় হামলা চালায় ভারত। মাত্র ২৫ মিনিটের হামলায় ভারত মূলত রাফাল যুদ্ধবিমানই ব্যবহার করেছে।

    প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাফালে

    উল্লেখ্য, প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাফালের যাত্রী হলেন মুর্মু (Draupadi Murmu on Rafale)। বিশ্বের প্রথম সারির অতি উন্নত যুদ্ধবিমান হিসাবে খ্যাতি রয়েছে রাফালের। এটির প্রস্তুতকারক সংস্থা ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশন। ফ্রান্সের কাছ থেকে এর আগে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনেছিল ভারত। ২০১৬ সালের চুক্তিতে ভারতে আসা সেই যুদ্ধবিমানগুলি ব্যবহার করছে বায়ুসেনা। ২০২০ সালে রাফাল যুদ্ধবিমান ভারতীয় বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির পর অপারেশন সিঁদুর ছিল প্রথম বড় রাফাল-নেতৃত্বাধীন অভিযান। সম্প্রতি ৬৩ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ফ্রান্সের কাছ থেকে আরও ২৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে ভারত।

LinkedIn
Share