Tag: madhyom news

madhyom news

  • Ratna Debnath: ‘‘আর মুখ ঢেকে নয়…’’ আদালতের অনুমতি নিয়ে ৫৯৪ দিন পরে প্রকাশ্যে ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ

    Ratna Debnath: ‘‘আর মুখ ঢেকে নয়…’’ আদালতের অনুমতি নিয়ে ৫৯৪ দিন পরে প্রকাশ্যে ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন আরজিকরকাণ্ডের নির্যাতিতা ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথ। ৫৯৪ দিন পর সামনে এসে সাংবাদিকদের জানালেন মেয়ের ন্যায় বিচারের দাবি। আরজিকরে নিজের মেয়েকে হারানোর পর অন্তরাল থেকেই ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করছিলেন। অবশেষে রাজনৈতিক ময়দানে সম্মুখ সমরে তিনি। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বেজে উঠতেই রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। এবারের নির্বাচনে অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পানিহাটি (Panihati BJP Candidate) বিধানসভা আসনটি। বিজেপি সেখানে প্রার্থী করেছে আরজি করের নির্যাতিতা ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথকে (Ratna Debnath)। বুধবার দলের তৃতীয় তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা। এবার সংবাদমাধ্যমের সামনে ‘অভয়া’র বাব-মা।

    “অভয়ার মা” থেকে রত্না দেবনাথ

    একসময় গোটা রাজ্যের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন শুধু “অভয়ার মা” বা “তিলোত্তমার মা” হিসেবে। তবে সেই পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে এবার নিজের নামেই সামনে আসতে চলেছেন তিনি—রত্না দেবনাথ। আর মুখ ঢেকে নয়, এবার প্রকাশ্যেই লড়াই লড়বেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ জানান, আদালতের অনুমতি নিয়েই তিনি সামনে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, “এবার আর মুখ ঢেকে নয়, সরাসরি লড়াই হবে।” তিনি আরও জানান, আদালত তাঁর নাম প্রকাশের অনুমতিও দিয়েছে।

    অন্যদিকে, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়েছেন, অভয়ার বাবা-মাকে প্রকাশ্যে আসার অনুমতি দিয়েছে আদালত। ফলে তাঁদের নাম প্রকাশ বা মুখ দেখানো নিয়ে আর কোনও আইনি বাধা নেই। অভয়ার বাবা জানান, এই বিষয়ে তাঁরা মানবাধিকার কমিশন ও মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর এখন তাঁরা স্বেচ্ছায় নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে চান। তাঁদের কাছে আদালতের নির্দেশের কপিও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আদালত থেকে নির্বাচনী ময়দান (Panihati BJP Candidate)

    সাধারণত, ধর্ষণের মামলায় নির্যাতিতার পরিচয় নাম, ঠিকানা, বাবা মায়ের নাম প্রকাশ করা যায় না। গত দেড় বছরে ন্যায় বিচারের লড়াইতে নিজের নাম আর মুখকে আড়ালে রেখেই আন্দোলনে ছিলেন। এবার আইনি জটিলতা এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রকাশ্যে বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়বেন। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath), আদালতের নির্দেশের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন তিনি জনতা জনার্দনের দরবারে বিচার চাইতে এসেছেন। বিজেপি প্রার্থী (Panihati BJP Candidate) হয়ে তিনি বলেন, “মেয়ের বিচার এবং রাজ্যের মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। পানিহাটির মানুষ আমার সঙ্গে আছেন।”

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া

    এই হাই-প্রোফাইল বিজেপি প্রার্থীকে (Panihati BJP Candidate) নিয়ে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রত্না দেবনাথের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে বলেছেন, “রত্না দেবী (Ratna Debnath) কেবল একজন মা নন, তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদের প্রতীক। পানিহাটিতে তাঁকে জেতানো মানেই বিচারহীনতার বিরুদ্ধে লড়াইকে জয়ী করা।” শুভেন্দু আরও যোগ করে বলেন, “আদালত তার কাজ করছে, কিন্তু রাজনৈতিকভাবে এই অপশাসনের জবাব দেবে বাংলার মানুষ।”

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে আরজি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। সেই সময় থেকেই নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থেকেছে বিজেপি (Panihati BJP Candidate)। এখন রত্না দেবনাথকে প্রার্থী করে বিজেপি সেই প্রতিবাদের স্বরকেই বিধানসভায় নিয়ে যেতে চাইছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, বামফ্রন্ট এই আসনে কলতান দাশগুপ্তকে প্রার্থী করায় লড়াই এবার ত্রিমুখী এবং বেশ কঠিন হতে চলেছে। পানিহাটির সাধারণ মানুষ এই নতুন সমীকরণকে কীভাবে গ্রহণ করেন, এখন সেটাই দেখার। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে ভোটগ্রহণ হতে চলেছে।

  • Crude Oil: ‘‘জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই’’, গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    Crude Oil: ‘‘জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই’’, গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় আশ্বাস দিল কেন্দ্রীয় সরকার (India Government)। বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) পর্যাপ্ত ভান্ডার মজুত রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো বিঘ্ন ঘটলেও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ভারতের সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভাবে সুরক্ষিত।

    মজুত ভাণ্ডারের বিন্যাস (Crude Oil)

    কেন্দ্রীয় সরকারের (India Government) তরফে বলা হয়েছে, এই বিশাল পরিমাণ তেলের মজুত (Crude Oil) মূলত দুটি স্তরে ভাগ করা রয়েছে দেশের কৌশলগত তেল ভান্ডার (Strategic Reserves)। ওড়িশার চণ্ডীখোল এবং কর্নাটকের পদুর ও মাঙ্গালুরুতে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ ভান্ডারে প্রায় ৯.৫ দিনের তেলের ব্যাকআপ রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) কাছে নিজস্ব ট্যাঙ্কে আরও প্রায় ৫০.৫ দিনের ব্যবহারের উপযোগী তেল মজুত রয়েছে।

    সরকার কী বলছে?

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক জানিয়েছেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল (Crude Oil) আমদানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সরবরাহ ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত। মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনও অঞ্চলে অস্থিরতা দেখা দিলেও সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।” সরকার আরও স্পষ্ট করেছে যে, আপৎকালীন ব্যবহারের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে আরও নতুন কিছু ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ তৈরির কাজ চলছে।

    বাজারের ওপর প্রভাব

    আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের (India Government) ওঠানামা সত্ত্বেও এই পর্যাপ্ত মজুত দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেট্রল ও ডিজেলের (Crude Oil) দাম স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে যুদ্ধের প্রভাবে যখন বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল, তখন ভারতের এই ‘এনার্জি বাফার’ দেশের অর্থনীতির জন্য এক বিশেষ সুরক্ষা কবচ।

  • PM Modi: জনমত সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মোদি, অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

    PM Modi: জনমত সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মোদি, অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার নিরিখে আবারও এক নম্বর স্থান দখল করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আন্তর্জাতিক সমীক্ষা সংস্থা ‘মর্নিং কনসাল্ট’ (Morning Consult)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনসমর্থনের নিরিখে শীর্ষস্থান (Most Popular Leader) ধরে রেখেছেন তিনি।

    মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (PM Modi)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এই সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের জনপ্রিয়তা নিয়ে নিয়মিত ট্র্যাকার পরিচালনা করে। তাদের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৬৮ শতাংশ ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ নিয়ে তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (Disapproval Rating) অত্যন্ত কম, যা তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার (Most Popular Leader) প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    অন্যান্য রাষ্ট্রনেতা

    তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন (৬২ শতাংশ রেটিং)। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিংবা ঋষি সুনাকের মতো নেতারা জনপ্রিয়তার দৌড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন।

    বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জি-২০ (G20) সম্মেলন পরবর্তী সময়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাব এবং দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডই মোদির (PM Modi) এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার (Most Popular Leader) মূল কারণ। ভারতের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    পূর্ববর্তী রেকর্ড

    তবে এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর সমীক্ষায় বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতার তকমা পেয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। অতিমারি পরবর্তী সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের শক্ত অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সংকটে মোদীর গঠনমূলক ভূমিকা তাঁকে এই বিশেষ সম্মানের অধিকারী করেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই সাফল্যকে ‘নতুন ভারতের’ জয় হিসেবে দেখছেন। তাঁদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বই ভারতকে বিশ্বমঞ্চে (Most Popular Leader)  এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

    কোন বিশ্ব নেতার জনপ্রিয়তা কেমন?

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারত- ৬৮%
    গাই পারমেলিন (সুইৎজারল্যান্ড) – ৬২%
    লি জে-মিউং (দক্ষিণ কোরিয়া) – ৬২%
    আন্দ্রেজ বাবিস (চেক প্রজাতন্ত্র) – ৫৭%
    হাভিয়ের মিলেই (আর্জেন্টিনা) – ৫৬%
    ​​সানায়ে তাকাইচি (জাপান) – ৫৬%
    ​​মার্ক কার্নি (কানাডা) – ৫৫%
    ক্লডিয়া শেইনবাম (মেক্সিকো) – ৪৭%
    বার্ট ডি ওয়েভার (বেলজিয়াম) – ৪২%
    লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা (ব্রাজিল) – ৪২%
    জর্জিয়া মেলোনি (ইতালি) – ৪০%
    রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান (তুরস্ক) – ৪০%
    ডোনাল্ড টাস্ক (পোল্যান্ড) – ৪০%
    ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) – ৩৯%
    উলফ ক্রিস্টারসন (সুইডেন) – ৩৮%
    অ্যান্থনি অ্যালবানিজ (অস্ট্রেলিয়া) – ৩৭%
    জোনাস গার স্টোর (নরওয়ে) – ৩৬%
    পেদ্রো সানচেজ (স্পেন) – ৩৬%
    সিরিল রামাফোসা (দক্ষিণ আফ্রিকা) – ৩৩%
    ক্রিশ্চিয়ান স্টকার (অস্ট্রিয়া) – ৩৩%
    রব জেটেন (নেদারল্যান্ডস) – ৩২%
    কিয়ার স্টারমার (যুক্তরাজ্য) – ২৪%
    ফ্রিডরিখ মের্জ (জার্মানি) – ২০%
    এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (ফ্রান্স) – ১৭%

  • PM Narendra Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, শুক্র সন্ধ্যায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    PM Narendra Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, শুক্র সন্ধ্যায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইজরায়েলের (Iran War) মধ্যে বাড়তে থাকা যুদ্ধের আবহে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আজ, শুক্রবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সন্ধ্যেয় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রধানমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, দেশে কোভিড ১৯-এর সময় যেমন রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় হয়েছিল এইবারও তেমনি সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা (PM Narendra Modi)

    সূত্রের খবর, এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল ‘টিম ইন্ডিয়া’র ভাবাবেগ বজায় রেখে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। বিশেষ করে ইরানের (Iran War) পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) অবরোধের ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট ও তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে আলোচনা হবে।

    বৈঠকের প্রধান বিষয় জ্বালানি নিরাপত্তা। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ভারতের ওপর তার প্রভাব এবং বিকল্প পথ নিয়ে আলোচনা। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi) রাজ্য সরকারগুলিকে আশ্বস্ত করেছেন যে, কেন্দ্র ও রাজ্য একযোগে কাজ করলে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তিনি কোভিড-১৯ অতিমারির সময়কার লড়াইয়ের উদাহরণ টেনে সকলকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    গুজব রোখা

    জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানিয়েছেন, ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে দেশে পেট্রল বা এলপিজি-র কোনও ঘাটতি নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজবে কান দিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে পাম্পে ভিড় না করেন, সেই বিষয়ে তিনি সতর্ক করেছেন।

    দেশবাসীকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

    এর আগে, বুধবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে একটি সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) এর আগে রাজ্যসভায় জানিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, তাই দেশবাসীকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • Ram Navami 2026: স্লোগান-প্লাল্টা স্লোগানে রামনবমী উদযাপনে উত্তাল যাদবপুর-কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    Ram Navami 2026: স্লোগান-প্লাল্টা স্লোগানে রামনবমী উদযাপনে উত্তাল যাদবপুর-কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহের মধ্যেই রামনবমী (Ram Navami 2026) পালনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতার দুই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। একদিকে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পুজো ও ধর্মীয় স্লোগান, অন্যদিকে বাম-নকশাল ছাত্র সংগঠনগুলোর পাল্টা স্লোগান ও বিক্ষোভ। সব মিলিয়ে দিনভর টানটান উত্তেজনা বজায় ছিল দুই ক্যাম্পাসেই। গেরুয়া শিবিরের বড় শক্তি প্রদর্শন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ।

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরেই চলল আরাধনা (Jadavpur University)

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালনের জন্য গত ২৪ মার্চ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়েছিল এবিভিপি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনও সদুত্তর না পাওয়ায়, বুধবার গেটের বাইরেই পুজোর আয়োজন করে এবিভিপি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছিল। ফটকের বাইরে শ্রীরামের ছোট মূর্তি স্থাপন করে চলে উপাসনা। তবে এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়।

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়: অনুমতিহীন পুজো ও ছাত্র বিক্ষোভ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও (Jadavpur University) পরিস্থিতি ছিল বেশ সংবেদনশীল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেছেন, “ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালনের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়নি।” তাসত্ত্বেও একদল পড়ুয়া এবং বাইরের কিছু সদস্য ক্যাম্পাসের ভেতরে জমায়েত হয়ে পুজো শুরু করেন।

    স্লোগান যুদ্ধ

    একদিকে যখন এবিভির ‘জয় শ্রীরাম’ (Jadavpur University) ধ্বনি উঠছিল, তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলে পাল্টা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে উপাচার্য নিজে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে ক্যাম্পাসের বাইরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। নির্বাচনের ঠিক আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই ধরনের ধর্মীয় আয়োজন এবং তাকে কেন্দ্র করে ছাত্র সংঘাতের ঘটনা রাজ্যের প্রশাসনিক ও শিক্ষামহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পঠনপাঠনের পরিবেশ বজায় রাখাই এখন তাঁদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

  • Ramakrishna 610: “যদি টাকা না লয়ে পরের দুঃখ দেখে দয়া করে কেউ চিকিৎসা করে তবে সে মহৎ, কাজটিও মহৎ”

    Ramakrishna 610: “যদি টাকা না লয়ে পরের দুঃখ দেখে দয়া করে কেউ চিকিৎসা করে তবে সে মহৎ, কাজটিও মহৎ”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর

    ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    এই সকল কথা হইতেছে, এমন সময়ে ডাক্তার তঁহাকে দেখিবার জন্য আসিয়া উপস্থিত হইলেন ও আসন গ্রহণ করিলেন। তিনি বলিতেছেন, “কাল রাত তিনটে থেকে আমার ঘুম ভেঙেছে। কেবল তোমার জন্য ভাবছিলাম, পাছে ঠাণ্ডা লেগে থাকে। আরও কত কি ভাবছিলাম (Kathamrita)।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — কাশি হয়েছে, টাটিয়েছে; শেষ রাত্রে একমুখ জল, আর যেন কাঁটা বিঁধছে।

    ডাক্তার — সকালে সব খবর পেয়েছি।

    মহিমাচরণ তাঁহার ভারতবর্ষ ভ্রমণের কথা বলিতেছেন। বলিলেন যে, লঙ্কাদ্বীপে ‘ল্যাফিং ম্যান্‌’ নাই। ডাক্তার সরকার বলিলেন, তা হবে, ওটা এন্‌কোয়ার করতে হবে। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তারের ব্যবসা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ 

    ডাক্তারী কর্মের কথা পড়িল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি) — ডাক্তারী কর্ম খুব উঁচু কর্ম বলে অনেকের বোধ আছে। যদি টাকা না লয়ে পরের দুঃখ দেখে দয়া করে কেউ চিকিৎসা করে তবে সে মহৎ, কাজটিও মহৎ। কিন্তু টাকা লয়ে এ-সব কাজ করতে করতে মানুষ নির্দয় হয়ে যায়। ব্যবসার ভাবে টাকার জন্য হাগা, বাহ্যের রঙ এই সব দেখা — নীচের কাজ।

    ডাক্তার — তা যদি শুধু করে, কাজ খারাপ বটে। তোমার কাছে বলা গৌরব করা —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— হাঁ, ডাক্তারী কাজে নিঃস্বার্থভাবে যদি পরের উপকার করা হয়, তাহলে খুব ভাল।

    “তা যে কর্মই লোকে করুক না কেন, সংসারী ব্যক্তির মাঝে মাঝে সাধুসঙ্গ বড় দরকার। ঈশ্বরে ভক্তি থাকলে লোকে সাধুসঙ্গ আপনি খুঁজে লয়। আমি উপমা দিই — গাঁজাখোর গাঁজাখোরের সঙ্গে থাকে, অন্য লোক দেখলে মুখ নিচু করে চলে যায়, বা লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু আর-একজন গাঁজাখোর দেখলে মহা আনন্দ। হয়তো কোলাকুলি করে। (সকলের হাস্য) আবার শকুনি শকুনির সঙ্গে থাকে।”

    সাধুর সর্বজীবে দয়া 

    ডাক্তার — আবার কাকের ভয়ে শকুনি পালায়। আমি বলি শুধু মানুষ কেন, সব জীবেরই সেবা করা উচিত। আমি প্রায়ই চড়ুই পাখিকে ময়দা দিই। ছোট ছোট ময়দার গুলি করে ছুঁড়ে ফেলি, আর ছাদে ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি এসে খায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বাঃ, এটা খুব কথা। জীবকে খাওয়ানো সাধুর কাজ; সাধুরা পিঁপড়েদের চিনি দেয়।

    ডাক্তার — আজ গান হবে না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রের প্রতি) — একটু গান কর না।

    নরেন্দ্র গাহিতেছেন (Kathamrita), তানপুরা সঙ্গে। অন্য বাজনাও হইতে লাগিল —

    সুন্দর তোমার নাম দীন-শরণ হে,
    বরিষে অমৃতধার, জুড়ায় শ্রবণ ও প্রাণরমণ হে।
    এক তব নাম ধন, অমৃত-ভবন হে,
    অমর হয় সেইজন, যে করে কীর্তন হে।
    গভীর বিষাদরাশি নিমেষে বিনাশে,
    যখনি তব নামসুধা শ্রবণে পরশে;
    হৃদয় মধুময় তব নাম গানে,
    হয় হে হৃদয়নাথ, চিদানন্দ ঘন হ।।

  • West Bengal Elections 2026: ভোট-ডিউটিতে নিয়োগ চিকিৎসকদেরও, চাকরিহারা শিক্ষকদের বিষয়ে কড়া কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ভোট-ডিউটিতে নিয়োগ চিকিৎসকদেরও, চাকরিহারা শিক্ষকদের বিষয়ে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল করতে একগুচ্ছ নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। এবারের নির্বাচনে প্রথাগত ভোটকর্মীদের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদেরও বিশেষ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার পথে হাঁটছে কমিশন। একইসঙ্গে, আইনি জটিলতায় কর্মচ্যুত শিক্ষকদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ; এক নতুন উদ্যোগ (West Bengal Elections 2026)

    সাধারণত নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) সময় ভোটকর্মীদের (Election Commission India) স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিকিৎসকরা ‘রিজার্ভ’ থাকেন। তবে এবার বুথ স্তরে এবং আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক মহলে ‘নজিরবিহীন’ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ভোট চলাকালীন কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ভোটকর্মীদের অসুস্থতায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। সোমবার আরামবাগের প্রফুল্ল চন্দ্র সেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের ৪৯ জন চিকিৎসককে ভোটের কাজে যোগদানের জন্য চিঠি পাঠায় কমিশন। ইতিমধ্যে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর-সহ বিভিন্ন বিভাগেরই চিকিৎসকদের ভোটের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    চাকরিহারা শিক্ষকদের নিয়ে কমিশনের স্পষ্ট বার্তা

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার জেরে রাজ্যে প্রচুর শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী কর্মচ্যুত হয়েছেন। তাঁদের ভোটের (West Bengal Elections 2026) ডিউটিতে নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। এই বিষয়ে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে। তবে আইনি জটিলতায় যাঁদের চাকরি গিয়েছে বা যাঁরা বর্তমানে চাকরিতে বহাল নেই, তাঁদের ভোটের কাজে নেওয়ার কোনও দায়িত্ব কমিশন নেবে না। এবার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন (Election Commission India) প্রক্রিয়া বজায় রাখতে শুধুমাত্র বর্তমানে কর্মরত এবং যাদের নথিপত্র বৈধ, তাঁদেরই ভোটকর্মী হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রশাসনিক তৎপরতা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) এই কড়া অবস্থান আদতে ভোটের ময়দানে কোনও ধরনের বিতর্ক এড়ানোরই কৌশল। বিশেষ করে স্পর্শকাতর বুথগুলোতে অভিজ্ঞ এবং বিতর্কমুক্ত কর্মীদের মোতায়েন করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। চিকিৎসক ও আধিকারিকদের নিয়ে দফায় দফায় প্রশিক্ষণ শিবিরও শুরু হতে চলেছে বলে কমিশন জানিয়েছে।

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির ‘চার্জশিট’, সংকল্পপত্রের আগে দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির ‘চার্জশিট’, সংকল্পপত্রের আগে দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশলে বড়সড় বদল আনল ভারতীয় জনতা পার্টি। গত কয়েক বছরের রীতি ভেঙে এবার পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী ইস্তাহার বা ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশের আগেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একটি বিশদ ‘চার্জশিট’ বা অভিযোগপত্র জনসমক্ষে আনতে চলেছে গেরুয়া শিবির। আগামী ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) হাত ধরে এই পত্র প্রকাশিত হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে ।

    কৌশলগত পরিবর্তন: কেন আগে চার্জশিট (West Bengal Elections 2026)?

    রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি এবার নেতিবাচক প্রচারের চেয়ে তথ্য ভিত্তিক আক্রমণে বেশি জোর দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে, বর্তমান সরকারের ‘ব্যর্থতা’ ও ‘দুর্নীতি’-র খতিয়ান তুলে ধরে একটি ক্ষেত্র তৈরি করতে চাইছে দল।

    আক্রমণের অভিমুখবঞ্চনার খতিয়ান

    গত ১৫ বছরের শাসনকালে নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা ও বালি পাচার এবং রেশনে অনিয়মের মতো বিষয়গুলোকে এই চার্জশিটে আইনি ও প্রশাসনিক নথির আদলে সাজানো হয়েছে।  বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই চার্জশিটে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে কয়লা, পাথর ও বালি পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগগুলি এছাড়াও সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) বঞ্চনা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মতো বিষয়গুলোকেও অস্ত্র করবে পদ্ম-শিবির।

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল এবং সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ (DA) না পাওয়ার বিষয়টিও এখানে গুরুত্ব পাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি পৌঁছানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বিজেপির নেতা- কর্মীদের। বিজেপির এই রণকৌশল কেবল সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। স্থির হয়েছে কয়েকটি বিষয়কে মাথায় রেখে। তাঁর মধ্যে হল—

    জনসংযোগ

    দলের নিচুতলার কর্মীরা এই চার্জশিটের প্রতিলিপি নিয়ে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ও বুথে সাধারণ মানুষের দুয়ারে যাবেন। তৃণমূলের গত কয়েক বছরের কাজের খতিয়ানের পাশে বিজেপির ‘ভিশন’ তুলে ধরা হবে।

    সংকল্পপত্র প্রেক্ষাপট

    চার্জশিটের (West Bengal Elections 2026) মাধ্যমে জনমানসে শাসকদলের প্রতি অনাস্থা তৈরির পর, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ‘উজ্জ্বল ভবিষ্যতের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে সংকল্পপত্র প্রকাশ করবে বিজেপি। বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের দাবি, শাসকদলের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। মানুষ জানুক গত দেড় দশকে তাঁদের অধিকার কীভাবে হরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যে তাদের ইস্তাহার প্রকাশ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারসহ একাধিক জনমুখী প্রকল্পের প্রচার শুরু করেছে। পাল্টাপাল্টি এই ইস্তাহার ও চার্জশিটের লড়াইয়ে বাংলার নির্বাচনী পারদ যে আরও চড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

  • Ramakrishna 609: “তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না”

    Ramakrishna 609: “তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    বিজয়াদি ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    ঝিঁঝিট—খয়রা কীর্তন 

                     চিদানন্দ সিন্ধুনীরে প্রেমানন্দের লহরী।
    মহাভাব রসলীলা কি মাধুরী মরি মরি
    বিবিধ বিলাস রসপ্রসঙ্গ,                 কত অভিনব ভাবতরঙ্গ,
    ডুবিছে উঠিছে করিছে রঙ্গ,              নবীন নবীন রূপ ধরি,
    (হরি হরি বলে)
    মহাযোগে সমুদয় একাকার হইল,
    দেশ-কাল ব্যবধান ভেদাভেদ ঘুচিল,
    (আশা পুরিল রে, আমার সকল সাধ মিটে গেল!)
    এখন আনন্দে মাতিয়া দুবাহু তুলিয়া, বলরে মন হরি হরি (Kathamrita)।

    ঝাঁপতাল 

    টুটল ভরম ভীতি            ধরম করম নীতি
    দূর ভেল জাতি কুল মান;
    কাঁহা হাম, কাঁহা হরি,     প্রাণমন চুরি করি,
    বঁধূয়া করিলা পয়ান;
    (আমি কেনই বা এলাম গো, প্রেমসিন্ধুতটে),
    ভাবেতে হল ভোর,         অবহিঁ হৃদয় মোর
    নাহি যাত আপনা পসান,
    প্রেমদার কহে হাসি,       শুন সাধু জগবাসী,
    এয়সাহি নূতন বিধান।
    (কিছু ভয় নাই! ভয় নাই!)

    অনেকক্ষণ পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রকৃতিস্থ হইলেন (Ramakrishna)।

    ব্রহ্মজ্ঞান ও ‘আশ্চর্য গণিত’—অবতারের প্রয়োজন 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি— কি একটা হয় আবেশে; এখন লজ্জা হচ্ছে। যেন ভূতে পায়, আমি আর আমি থাকি না।

    “এ-অবস্থার পর গণনা হয় না। গণতে গেলে ১-৭-৮ এইরকম গণনা হয়।”

    নরেন্দ্র — সব এক কিনা!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — না, এক দুয়ের পার!

    মহিমাচরণ — আজ্ঞা হাঁ, দ্বৈতাদ্বৈতবিবর্জিতম্‌।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হিসাব পচে যায়! পাণ্ডিত্যের দ্বারা তাঁকে পাওয়া যায় না। তিনি শাস্ত্র, — বেদ, পুরাণ, তন্ত্রের — পার। হাতে একখানা বই যদি দেখি, জ্ঞানী হলেও তাঁকে রাজর্ষি বলে কই। ব্রহ্মর্ষির কোন চিহ্ন থাকে না। শাস্ত্রের কি ব্যবহার জানো? একজন চিঠি লিখেছিল, পাঁচ সের সন্দেশ ও একখানা কাপড় পাঠাইবে (Kathamrita)। যে চিঠি পেলে সে চিঠি পড়ে, পাঁচ সের সন্দেশ ও একখানা কাপড়, এই কথা মনে রেখে চিঠিখানা ফেলে দিলে! আর চিঠির কি দরকার?

    বিজয় — সন্দেশ পাঠানো হয়েছে, বোঝা গেছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)— মানুষদেহ ধারণ করে ঈশ্বর অবতীর্ণ হন। তিনি সর্বস্থানে সর্বভূতে আছেন বটে, কিন্তু অবতার না হলে জীবের আকাঙ্খা পুরে না, প্রয়োজন মেটে না। কিরকম জানো? গরুর যেখানটা ছোঁবে, গরুকে ছোঁয়াই হয় বটে। শিঙটা ছুঁলেও গাইটাকে ছোঁয়া হল, কিন্তু গাইটার বাঁট থেকেই দুধ হয়। (সকলের হাস্য)

    মহিমা — দুধ যদি দরকার হয়, গাইটার শিঙে মুখ দিলে কি হবে? বাঁটে মুখ দিতে হবে। (সকলের হাস্য)

    বিজয় — কিন্তু বাছুর প্রথম প্রথম এদিক-ওদিক ঢুঁ মারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসিতে হাসিতে) — আবার কেউ হয়তো বাছুরকে ওইরকম করতে দেখে বাঁটটা ধরিয়ে দেয়। (সকলের হাস্য)

  • Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহে রাজ্যে এসে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে আশীর্বাদ প্রার্থনা করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। বুধবার সকালে তিনি সস্ত্রীক দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে উপস্থিত হয়ে মা ভবতারিণীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। বঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) এবং বিজেপির ক্ষমতা আসার জন্য মা কালীর কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তি ও প্রার্থনা করতে দক্ষিণেশ্বরের কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততার মাঝেও এদিন সকালে মন্দিরে যান নিতিন নবীন। নিষ্ঠার সাথে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মন্দির চত্বর ঘুরে দেখেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    পুজো শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলার মানুষের সুখ, সমৃদ্ধি এবং রাজ্যের মঙ্গল কামনায় আমি মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি। রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক। পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা ও বিকশিত বাংলা তৈরি করার জন্য আশীর্বাদ মায়ের কাছে চেয়েছি। যে বাংলাকে তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য প্রসিদ্ধ, যে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিকভাবে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেই সংস্কৃতি এখন আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে আদালতের অনুমতি ছাড়া পুজো করা সম্ভব হয় না।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে তাঁর এই সফর রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    একাধিক বৈঠক ও কর্মসূচি

    দক্ষিণেশ্বরে পুজো দেওয়ার পর নিতিন নবীন (Nitin Nabin) দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণ এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনাই তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্য। ভোটমুখী বাংলায় কেন্দ্রীয় নেতাদের এই মন্দির দর্শন এবং জনসংযোগের প্রচেষ্টা রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ভক্তি আর রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) এই মেলবন্ধন কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিতিন নবীনের সঙ্গে দেখা গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে।

LinkedIn
Share