Tag: madhyom news

madhyom news

  • Central Forces: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! ইফতারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়ে শাস্তির মুখে ৭ কেন্দ্রীয় জওয়ান

    Central Forces: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! ইফতারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়ে শাস্তির মুখে ৭ কেন্দ্রীয় জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজ্যে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force Jawan) ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কোনো ব্যক্তির আতিথেয়তা গ্রহণ না করার যে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা ছিল, তা অমান্য করার অভিযোগে সাতজন জওয়ানকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। মুসলিম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইফতারে অংশ গ্রহণ করা মানেই অতিথি সেবা নেওয়া। ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী কতটা সঠিক ভাবে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করবে তা নিয়ে সংশয় থাকে। আর এটাই নির্বাচনী বিধিনিষেধ ভঙ্গের আরোপ।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Central Force Jawan)?

    মুর্শিদাবাদ জেলায় মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর সাতজন জওয়ান সম্প্রতি একটি স্থানীয় ইফতার মজলিসে যোগ দিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট নির্দেশ ছিল যে, বাহিনীর কোনো সদস্যই স্থানীয় কারও বাড়িতে নিমন্ত্রণ রক্ষা বা খাদ্য গ্রহণ করতে পারবেন না। এই নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    সাত দিনের জন্য ‘প্যারা-মিলিটারি কাস্টডি

    কমিশনের নির্দেশে সেনাকর্মীদের উপর বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমত তদন্ত করে কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে তিনজনকে সাত দিনের জন্য ‘প্যারা-মিলিটারি কাস্টডি’তে পাঠানো হয়েছে। দুজনকে কড়া সতর্কতা দেওয়া হয়েছে এবং বাকি দুজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই সাতজন জওয়ানকেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে ভিন রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আতিথেয়তার সংস্পর্শে আসা নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী

    নির্বাচন কমিশন পুনরায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ভোটের (West Bengal Elections 2026) কাজে আসা জওয়ানদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও পেশাদার থাকতে হবে। স্থানীয় কোনো প্রভাব বা আতিথেয়তার সংস্পর্শে আসা নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। এই কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে কমিশন অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মীদেরও সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে। যদিও আগে জওয়ানদের রুটমার্চের সময়েও কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, ভোটের কাজে এসে জওয়ানদের বিরুদ্ধে সাধারণের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার পরেও এই ঘটনা সামনে আসে।

  • PM Modi: ৫ এপ্রিল আলিপুরদুয়ারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, জোরদার প্রচার শুরু বিজেপির

    PM Modi: ৫ এপ্রিল আলিপুরদুয়ারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, জোরদার প্রচার শুরু বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026)-কে সামনে রেখে রাজ্যে প্রচারের গতি বাড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তারই অঙ্গ হিসেবে আগামী ৫ এপ্রিল উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে নির্বাচনী জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখলে তৎপর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মোদির সভাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনী তৎপরতা ও ভোটমুখী বাংলায় বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের আনাগোনা বাড়ছে। আলিপুরদুয়ারে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    উত্তরবঙ্গের গুরুত্ব (PM Modi)

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির (West Bengal Elections 2026) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। আসন্ন নির্বাচনে এই ধারা বজায় রাখতেই মোদির (PM Modi) এই ঝটিকা সফর। তাঁর সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যে নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে বিজেপি অনেকটাই শক্তিশালী ফলে এখানে জয় নিয়ে একশ শতাংশ আশাবাদী বিজেপি। মোদির প্রচার ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী বিজেপি।

    প্রস্তুতি তুঙ্গে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। জনসভার স্থান নির্ধারণ ও নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখতে ইতিবাচক তৎপরতা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে। প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় ১৪২ আসন এবং দ্বিতীয় দফায় ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হবে। তবে বিজেপির প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন। প্রচার এখন তুঙ্গে।

    চা-বলয় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সমস্যাই হাতিয়ার

    সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হতে পারেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের চা-বলয় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সমস্যা ও সম্ভাবনা তাঁর ভাষণে উঠে আসতে পারে। আলিপুরদুয়ারের এই জনসভা ঘিরে জেলায় কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) সাফল্যের পুনরাবৃত্তি বিধানসভা নির্বাচনেও করতে চাইছে গেরুয়া শিবির, আর মোদির এই সফর সেই লক্ষ্যেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

  • Bhangar Blast: ভাঙড় বিস্ফোরণের তদন্তভার নিচ্ছে এনআইএ, ভোটে বড়সড় ষড়যন্ত্রের অনুমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সক্রিয় পদক্ষেপ

    Bhangar Blast: ভাঙড় বিস্ফোরণের তদন্তভার নিচ্ছে এনআইএ, ভোটে বড়সড় ষড়যন্ত্রের অনুমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সক্রিয় পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে (Bhangra Blast) ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তভার হাতে নিতে চলেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে এনআইএ সূত্রে জানা গেছে। ভোটের আগে সংবেদনশীল এলাকায় এই ভাবে বিস্ফোরণের কারণে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভোটের আগে বুথগুলিকে ভয়মুক্ত করতেই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ।

    বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ (Bhangra Blast)

    গত সপ্তাহে ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের পশ্চিম বামুনিয়া গ্রামে এক বিকট বিস্ফোরণ (NIA) ঘটে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, সেখানে বোমা বাঁধার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিস্ফোরণের কিছু সময় পর উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় মসিউর কাজি নামে এক ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, মসিউর দেগঙ্গার গাংনিয়া এলাকার তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন এবং তিনি ভাঙড়ে বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে জখম হয়ে মারা যান।

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই সুজয় মণ্ডল, যিনি পেশায় অ্যাম্বুল্যান্স চালক ও সুরজ মোল্লা নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে কোনও বড়সড় নাশকতামূলক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। ঘটনাস্থলের অদূরেই তল্লাশি চালিয়ে ৮৪টি তাজা বোমা ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র (Bhangra Blast) উদ্ধার করা হয়েছে। এই বোমা কোন কাজে ব্যবহার করা হবে তার সন্ধান (NIA) করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

    এনআইএ-র ভূমিকা

    রাজ্য পুলিশ প্রথমে বিস্ফোরক আইনে (Explosive Substances Act) মামলা রুজু করেছিল। কেন্দ্রীয় নির্দেশের পর এনআইএ নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের করে এই মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। আইএসএফ (ISF)-এর দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এনআইএ-র (NIA) হস্তক্ষেপে এখন এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য রাজ্যে গত কয়েকবছরে খাগড়াগড়, পটাশপুর, এগরা, বারাসত, নানুর, সূতি, বেলডাঙা সহ একাধিক এলাকায় বাজি ও বোমা বিস্ফোরণের (Bhangra Blast) ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। বিজেপির অভিযোগ রাজ্যে কর্মসংস্থানের কারখানা নয়, বোমা বারুদের কারখানা গড়ে উঠেছে।

  • Ghaziabad: ইনস্টাগ্রামে টোপ দিয়ে চরবৃত্তি! উত্তরপ্রদেশে আন্তঃসীমান্ত পাক গুপ্তচর চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ১৮

    Ghaziabad: ইনস্টাগ্রামে টোপ দিয়ে চরবৃত্তি! উত্তরপ্রদেশে আন্তঃসীমান্ত পাক গুপ্তচর চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ১৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় থাবা বসানোর এক ভয়ঙ্কর ছক বানচাল করল গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) পুলিশ। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের বেকার যুবকদের টাকার টোপ দিয়ে চরবৃত্তিতে লাগানোর অভিযোগে ১৮ জনকে গ্রেফতার (CCTV Operators Mobile Repairmen) করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে ৬ জন নাবালক। ধৃতদের বিরুদ্ধে সামরিক ঘাঁটি ও রেল স্টেশনের ভিডিও এবং গোপন তথ্য পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। দেশে এই ধরনের নেটওয়ার্কে অভিযান চালিয়ে বড়সড় নাশকতামূলক চক্রের পর্দা ফাঁস করেছে উত্তর প্রদেশ প্রশাসন।

    কীভাবে চলত এই চক্র (Ghaziabad)

    গাজিয়াবাদের (Ghaziabad) তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, এই চক্রটি মূলত গ্রামীণ এলাকার কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত অথচ কর্মহীন যুবকদের (CCTV Operators Mobile Repairmen) লক্ষ্য করত। কমটাকা রোজগার করে এবং আর্থিক চাহিদা রয়েছে এমন লোকজনকে কাজে লাগানো হত। মোবাইল রিপেয়ারিং, সিসিটিভি অপারেটর বা কম্পিউটার মেকানিকের কাজ জানা যুবকদের ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে খুঁজে বের করত হ্যান্ডলাররা। অভাবের সুযোগ নিয়ে তাদের মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে নামানো হত এই দেশবিরোধী কাজে। গত দুই বছর ধরে এই চক্রটি অবাধে সক্রিয় ছিল বলে জানা গেছে।

    অভিযানের সূত্রপাত

    গত ১৪ মার্চ কৌশাম্বী থানার (Ghaziabad) একজন বিট অফিসারের কাছে গোপন খবর আসে যে, ভৌয়াপুরে একদল যুবক সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করছে। তারা রেল স্টেশন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর গতিবিধির ভিডিও রেকর্ড করে বিদেশে পাঠাচ্ছিল বলে প্রথমে সন্দেহ করা হয়, এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আসল তথ্য বের হয়। এর পরেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নওশাদ আলি, মীরা, সোহেল ওরফে রোমিও এবং ইরাম ওরফে মেহাক-সহ একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার (CCTV Operators Mobile Repairmen) করেছে।

    চাঞ্চল্যকর তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার

    পুলিশি (Ghaziabad) তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চমকপ্রদ তথ্য। নিজেরা স্মার্ট প্রযুক্তি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ওটিপি পাচারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতো। ফলে বিদেশি শত্রুদের যাতে আক্রমণ এবং আঘাত হানতে সুবিধা হয় সেই দিকের কথা মাথায় রেখে তথ্য পাচারের কাজ চলত। পুলিশ কমিশনার এলও ও ট্র্যাফিক রাজ করণ নায়ার  সাংবাদিক সম্মলেন করে বলেন, “গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ কৌশাম্বী থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ৬১(২) (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং ১৫২ (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতা বিপন্নকারী কাজ) ধারার পাশাপাশি সরকারি গোপনীয়তা আইনের ৩ এবং ৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে ১৪ মার্চ পাঁচজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মোবাইল ফোনের গ্যালারিতে ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ও ছবির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত অবস্থান তথ্য ছিল।” সূত্র আরও জানা গিয়েছে, এই চক্রটি ভারতে অবস্থিত দুই বা তিনজন নিয়ন্ত্রক চালাত, যারা বিদেশে থাকা নিয়ন্ত্রকদের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য সরবরাহ করত।

    স্মার্ট প্রযুক্তি

    ধৃতরা মোবাইলে এমন একটি বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করত যা ভিডিও বা ছবির ওপর সরাসরি জিপিএস কোঅর্ডিনেটস (GPS Coordinates) এবং সময় ফুটিয়ে তুলত।

    সিসিটিভি ক্যামেরা

    দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এবং সোনিপত রেল স্টেশনের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় এরা সৌরশক্তি চালিত এবং সিম-কার্ড ভিত্তিক স্ট্যান্ডঅ্যালোন সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছিল, যার সরাসরি ফিড চলে যেত বিদেশে।

    ওটিপি পাচার

    ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি (OTP) ৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে বিদেশে পাঠানো হত, যাতে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা ভারতীয় নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে তা চরবৃত্তিতে ব্যবহার করতে পারে।

    টাকার লেনদেন

    সাধারণ সিসিটিভি বসাতে যেখানে ৬-৭ হাজার টাকা দেওয়া হয়, সেখানে এই যুবকদের ১৬-১৭ হাজার টাকা দেওয়া হত। ধরা পড়ার ভয় এড়াতে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে না নিয়ে ইউপিআই (UPI)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন পাবলিক সার্ভিস সেন্টার বা দোকান থেকে নগদে সংগ্রহ করা হত।

    অভিযুক্তদের তালিকা ও আইনি পদক্ষেপ

    গ্রেফতার হওয়া ১৮ জনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামগুলি হলো নওশাদ আলি (২০), মীরা (২৮), সোহেল (২৩), ইরাম (২৫), প্রবীণ (১৯), রাজ বাল্মীকি (২১) প্রমুখ (CCTV Operators Mobile Repairmen)। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর আপত্তিকর ভিডিও, ছবি এবং লোকেশন ডেটা উদ্ধার করা হয়েছে। গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT) জানিয়েছে, “নওশাদ আলি এই চক্রের অন্যতম প্রধান পাণ্ডা ছিল। সে-ই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অপরাধপ্রবণ কিন্তু কোনও অপরাধমূলক রেকর্ড নেই—এমন যুবকদের খুঁজে বের করত। ধৃত মীরা এর আগেও অস্ত্র পাচারের অভিযোগে দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল।

    আদালতের কড়া অবস্থান

    ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের মধ্যে দুই জন জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দেশের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতাকে বিপন্ন করার মতো গুরুতর অপরাধে লিপ্ত (CCTV Operators Mobile Repairmen)। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-এর অধীনে মামলা রুজু করে তদন্ত প্রক্রিয়া জারি রেখেছে পুলিশ।

  • Ramakrishna 608: “চিদানন্দ সিন্ধুনীরে প্রেমানন্দের লহরী, মহাভাব রসলীলা কি মাধুরী মরি মরি”

    Ramakrishna 608: “চিদানন্দ সিন্ধুনীরে প্রেমানন্দের লহরী, মহাভাব রসলীলা কি মাধুরী মরি মরি”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    বিজয়াদি ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    এই বলিয়া শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna )পাদমূলে পতিত হইলেন ও নিজের বক্ষে তাঁহার চরণ ধারণ করিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ তখন ঈশ্বরাবেশে বাহ্যশূন্য চিত্রার্পিতের ন্যায় বসিয়া আছেন।

    এই প্রেমাবেশ, এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখিয়া উপস্থিত ভক্তেরা কেহ কাঁদিতেছেন, কেহ স্তব করিতেছেন। যাঁহার যে মনের ভাব তিনি সেই ভাবে একদৃষ্টে শ্রীরামকৃষ্ণের দিকে চাহিয়া রহিলেন! কেহ তাঁহাকে পরমভক্ত, কেহ সাধু, কেহ বা সাক্ষাৎ দেহধারী ঈশ্বরাবতার দেখিতেছেন, যাঁহার যেমন ভাব।

    মহিমাচরণ সাশ্রুনয়নে গাহিলেন (Kathamrita) — দেখ দেখ প্রেমমূর্তি — ও মাঝে মাঝে যেন ব্রহ্মদর্শন করিতেছেন, এই ভাবে বলিতেছেন —

    “তুরীয়ং সচ্চিদানন্দম্‌ দ্বৈতাদ্বৈতবিবর্জিতম্‌।”

    নবগোপাল কাঁদিতেছেন। আর একটি ভক্ত ভূপতি গাহিলেন:

    জয় জয় পরব্রহ্ম            অপার তুমি অগম্য
    পারাৎপর তুমি সারাৎসার।
    সত্যের আলোক তুমি    প্রেমের আকর ভূমি,
    মঙ্গলের তুমি মূলাধার।
    নানা রসযুত ভব,           গভীর রচনা তব,
    উচ্ছ্বসিত শোভায় শোভায়,
    মহাকবি আদিকবি,        ছন্দে উঠে শশী রবি,
    ছন্দে পুনঃ অস্তাচলে যায়।
    তারকা কনক কুচি,        জলদ অক্ষর রুচি,
    গীত লেখা নীলাম্বর পাতে।
    ছয় ঋতু সম্বৎসরে,          মহিমা কীর্তন করে,
    সুখপূর্ণ চরাচর সাথে।
    কুসুমে তোমার কান্তি,     সলিলে তোমার শান্তি,
    বজ্ররবে রুদ্র তুমি ভীম;
    তব ভাব গূঢ় অতি,          কি জানিবে মূঢ়মতি,
    ধ্যায় যুগযুগান্ত অসীম।
    আনন্দে সবে আনন্দে,    তোমার চরণ বন্দে,
    কোটি চন্দ্র কোটি সূর্য তারা!
    তোমারি এ রচনারি,        ভাব লয়ে নরনারী,
    হাহাকারে নেত্রে বহে ধারা।
    মিলি সুর, নর, ঋভু,        প্রণমে তোমায় বিভু
    তুমি সর্ব মঙ্গল-আলয়;
    দেও জ্ঞান, দেও প্রেম,    দেও ভক্তি, দেও ক্ষেম,
    দেও দেও ওপদে আশ্রয়।

    ভূপতি আবার গাহিতেছেন:

    ঝিঁঝিট—খয়রা কীর্তন

    চিদানন্দ সিন্ধুনীরে প্রেমানন্দের লহরী।
    মহাভাব রসলীলা কি মাধুরী মরি মরি
    বিবিধ বিলাস রসপ্রসঙ্গ,                 কত অভিনব ভাবতরঙ্গ,
    ডুবিছে উঠিছে করিছে রঙ্গ,              নবীন নবীন রূপ ধরি,
    (হরি হরি বলে)
    মহাযোগে সমুদয় একাকার হইল,
    দেশ-কাল ব্যবধান ভেদাভেদ ঘুচিল,
    (আশা পুরিল রে, আমার সকল সাধ মিটে গেল!)
    এখন আনন্দে মাতিয়া দুবাহু তুলিয়া, বলরে মন হরি হরি (Kathamrita)।

  • Santosh Pathak: কংগ্রেসে বড় ধাক্কা! পদ্মে যোগদান সন্তোষ পাঠকের, হতে পারেন প্রার্থীও

    Santosh Pathak: কংগ্রেসে বড় ধাক্কা! পদ্মে যোগদান সন্তোষ পাঠকের, হতে পারেন প্রার্থীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর এবং বর্ষীয়ান নেতা সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak) কংগ্রেস ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগ দিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তর কলকাতার (West Bengal Elections 2026) রাজনীতিতে এই ঘটনাকে কংগ্রেসের জন্য একটি বড় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যে কংগ্রেস নেতা তৃণমূলের ভয়ঙ্কর আগ্রাসনের মধ্যেও নিজের ঘরকে অক্ষত রেখে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। সেই কংগ্রেস নেতা এখন বিজেপিতে। রাজনীতির একাংশের মত তাঁর এই সিদ্ধান্ত সময়পোযোগী। বিধানসভা ভোটে উত্তর কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দেবে বিজেপি নেতৃত্ব।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার (West Bengal Elections 2026)

    সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak) ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর এবং কলকাতার রাজনীতিতে কংগ্রেসের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন। তবে গুঞ্জন শুরু হয়েছে চৌরঙ্গী বিধানসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কংগ্রেসের যেমন মুখমাত্র ছিলেন, আবার একই ভাবে এই কেন্দ্র থেকে ২০২১ সালে নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) অংশগ্রহণও করেছিলেন। তবে জয়ী না হলেও তাঁর নেতৃত্ব এবং পরিচিতি প্রবল। বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেসের জন্য বিরাট ধাক্কা সন্তোষ পাঠকের যোগদান। সন্তোষ বলেন, “আমি ব্রাহ্মণ সন্তান। পুজো-অর্চনা যেমন জানি, তেমনই শ্রাদ্ধ করতেও জানি। এবার তৃণমূলের বিসর্জন দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”

    বিজেপিতে যোগদান

    সোমবার নিউটাউনের কার্যলয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak)। তবে যতদিন কংগ্রেসে ছিলেন আগে থেকেই পদ্মশিবিরে যোগদানের কথা জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য দফতরের এক অনুষ্ঠানে তিনি গেরুয়া শিবিরে শামিল হন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। সন্তোষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত নির্বাচনে আমার জেতা আসন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশ আর তৃণমূল যা খুশি করেছে। আমি নিজে চোখে পুলিশকে ছাপ্পা মারতে দেখেছি। আমি বুঝে গিয়েছি, কংগ্রেসের পক্ষে তৃণমূলকে সরানো সম্ভব নয়। একমাত্র নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই এই রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করা সম্ভব।” তবে দলত্যাগের কারণ স্বরূপ জানা গিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসের বর্তমান সাংগঠনিক (West Bengal Elections 2026) অবস্থান এবং নেতৃত্বের সাথে মতপার্থক্যের কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    রাজনৈতিক প্রভাব

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “সন্তোষ পাঠকের (Santosh Pathak)  মতো প্রভাবশালী নেতার বিদায়ে উত্তর কলকাতায় কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হলো। অন্যদিকে, বিজেপির জন্য এটি একটি বড় প্রাপ্তি।” তবে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) উত্তরকলকাতায় বিজেপির জয় নিয়ে দারুণ আশাবাদী পদ্ম শিবির।

  • Ramakrishna 607: “কেবল মিছে ঘোরা! কোন কোন জায়গায় এঁরই এক আনা কি দুই আনা, কোথাও চারি আনা, এই পর্যন্ত। এইখানেই পূর্ণ ষোল আনা দেখছি!”

    Ramakrishna 607: “কেবল মিছে ঘোরা! কোন কোন জায়গায় এঁরই এক আনা কি দুই আনা, কোথাও চারি আনা, এই পর্যন্ত। এইখানেই পূর্ণ ষোল আনা দেখছি!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    বিজয়াদি ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে

    কিয়ৎক্ষণ পরে শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী পরমহংসদেবকে দর্শন করিতে আসিলেন। সঙ্গে কয়েকটি ব্রাহ্মভক্ত। বিজয়কৃষ্ণ ঢাকায় অনেক দিবস ছিলেন। আপাততঃ পশ্চিমে অনেক তীর্থ ভ্রমণের পর সবে কলিকাতায় পৌঁছিয়াছেন। আসিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন। অনেকে উপস্থিত ছিলেন (Kathamrita), — নরেন্দ্র, মহিমা চক্রবর্তী, নবগোপাল, ভূপতি, লাটু, মাস্টার, ছোট নরেন্দ্র ইত্যাদি অনেকগুলো ভক্ত।

    মহিমা চক্রবর্তী (বিজয়ের প্রতি) — মহাশয়, তীর্থ করে এলেন, অনেক দেশ দেখে এলেন, এখন কি দেখলেন বলুন।

    বিজয় — কি বলব! দেখছি, যেখানে এখন বসে আছি, এইখানেই সব। কেবল মিছে ঘোরা! কোন কোন জায়গায় এঁরই এক আনা কি দুই আনা, কোথাও চারি আনা, এই পর্যন্ত। এইখানেই পূর্ণ ষোল আনা দেখছি!

    মহিমা চক্রবর্তী — ঠিক বলছেন, আবার ইনিই ঘোরান, ইনিই বসান!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — দেখ, বিজয়ের অবস্থা কি হয়েছে। লক্ষণ সব বদলে গেছে, যেন সব আউটে গেছে। আমি পরমহংসের ঘাড় ও কপাল দেখে চিনতে পারি। বলতে পারি, পরমহংস কি না।

    মহিমা চক্রবর্তী — মহাশয়! আপনার আহার কমে গেছে?

    বিজয় — হাঁ, বোধ হয় গিয়েছে। (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — আপনার পীড়ার কথা শুনে দেখতে এলাম। আবার ঢাকা থেকে —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কি?

    বিজয় কোন উত্তর দিলেন না। খানিকক্ষণ চুপ করিয়া রহিলেন।

    বিজয় — ধরা না দিলে ধরা শক্ত। এইখানেই ষোল আনা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কেদার বললে, অন্য জায়গায় খেতে পাই না — এখানে এসে পেট ভরা পেলুম! মহিমা চক্রবর্তী (Kathamrita)— পেট ভরা কি? উপচে পড়ছে!

    বিজয় (হাতজোড় করিয়া শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — বুঝেছি আপনি কে! আর বলতে হবে না!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভাবস্থ) — যদি তা হয়ে থাকে, তো তাই।

    বিজয় — বুঝেছি (Kathamrita)।

  • SIR: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কীভাবে খুঁজবেন নিজের নাম? নাম না থাকলে কি করবেন?

    SIR: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কীভাবে খুঁজবেন নিজের নাম? নাম না থাকলে কি করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) লিস্টে কি আপনার নাম আছে? থাকলে কীভাবে দেখবেন? আবার যদি নাম বাদ যায়, তাহলে কীভাবে কোথায় আবেদন করবেন জানেন? রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা দুই রকম ভাবে জানা যাবে। অনলাইনে দেখার সুযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আর যদি নাম বাদ যায় তাহলে জেলা শাসকের ট্রাইব্যুনালে কীভাবে আবেদন করবেন তাও বলা হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    নাম আছে কিনা কীভাবে দেখবেন (SIR)?

    • প্রথম পদ্ধতি— https://voters.eci.gov.in ওয়েব সাইটে গিয়ে West Bengal Election 2026 অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর SIR Supplementary Roll অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের জেলা, বিধানসভা এবং বুথের নাম বা নম্বর দিয়ে সার্চ করতে হবে। এরপর তালিকা বের হবে এবং পিডিএফ ডাউনলোড করতে হবে। তারপর ভোটাররা (Election Commission) নিজেদের নাম খুঁজতে পারবেন। যদি কোন ব্যক্তির নাম বাদ যায়, তাহলে নামের পাশে ডিলিট লেখা থাকবে। আর নিষ্পত্তি না হলে নামের পাশে বিচারাধীন লেখা থাকবে।
    • দ্বিতীয় পদ্ধতি— ECI NET APP ব্যবহার করে সেখানে সরাসরি এপিক নম্বর ব্যবহার করে সার্চ করলেই জানা যাবে। ভোটার লিস্টে নাম আছে কিনা সম্পূর্ণ তথ্য দেখে বুঝতে হবে। ভোটারের নাম Supplementary Voter List খুঁজলেই বোঝা যাবে। আর যদি এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করা হয় আর No Result Found দেখায় তাহলে বুঝতে হবে নাম বাদ পড়েছে। ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হওয়ার পাশাপাশি সব ডিইও বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে যাবে সাপ্লিমেণ্টারি তালিকা। বিএলও পরবর্তী সময়ে বুথে টাঙিয়ে দেওয়া দেবে। ভোটাররা নিজেদের নাম দেখাতে পাবেন।

    ট্রাইব্যুনালে কীভাবে আবেদন করবেন?

    নাম বাদ গেলে অফলাইনে জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন ট্রাইব্যুনালে। এছাড়া, অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমাশাসকের কাছে অফলাইনে আবেদন করা যাবে। তবে প্রশাসন এই আবেদন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে (SIR) আপলোড করবে। এদিকে আবার ট্রাইব্যুনাল গঠন নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission)। ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। ১৯ জন প্রাক্তন বিচারক-বিচারপতির অফিস ও বাড়ি-সহ প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন বিচারক-বিচারপতিদের জন্য কর্মচারী নিয়োগ নিয়েও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কত বাদ নাম

    এ রাজ্যের মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছে ৫৮ লক্ষের নাম। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা বেরিয়েছিল। তাতে বাকি ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারেরই নাম রয়েছে। কিন্তু রাজ্যের ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম এখনও ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায়। অর্থাত্‍ তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, বিধানসভা ভোটের মনোনয়ন পেশের শেষদিন পর্যন্ত যতজন ছাড়পত্র পাবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই ভোট দিতে পারবেন’।

  • BJP Manifesto: ২৮ মার্চ রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, তাঁর হাত ধরেই প্রকাশিত হবে বিজেপির সংকল্পপত্র

    BJP Manifesto: ২৮ মার্চ রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, তাঁর হাত ধরেই প্রকাশিত হবে বিজেপির সংকল্পপত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল সাজাতে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী ২৮ মার্চ রাজ্যের জন্য দলের নির্বাচনী ইস্তাহার (BJP Manifesto) বা ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশ করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই সফরের মধ্য দিয়ে বঙ্গ বিজেপির নির্বাচনী প্রচার এক নতুন মাত্রা পেতে চলেছে। বিজেপির সরকার হলেই মিলবে একাধিক জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা।

    সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার (Amit Shah)

    বিজেপির এবারের বিজেপির সংকল্পপত্রের (West Bengal Elections 2026) রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং নারী নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোর সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার রূপরেখা থাকবে এই সংকল্প পত্রে।

    অমিত শাহের মেগা ইভেন্ট

    ২৮ মার্চ কলকাতায় একটি কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ইস্তাহার উন্মোচন করবেন অমিত শাহ (Amit Shah)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর কেবল ইস্তাহার প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। তিনি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সাংগঠনিক বৈঠকও করবেন বলে জানা গেছে।

    আঞ্চলিক উন্নয়ন ও প্রতিশ্রুতি

    উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের মতো পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোর জন্য বিশেষ প্যাকেজ বা উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণা এই ইস্তাহারে বড় জায়গা করে নিতে পারে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাতে সরকারে সকল পরিষেবা (West Bengal Elections 2026) পৌঁছে দেওয়া যায় সেই দিকেই বিজেপি সরকারের লক্ষ্য থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

    তবে বিজেপির সংকল্পপত্র প্রকাশ না হলেও বিজেপি আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে মহিলাদের ৩০০০ টাকা করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজ্যে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবেন। সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম পে কমিশনের নিরিখে ডিএ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, যাঁরা অন্যরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হয়েছেন, তাঁদেরকে আগামী এক বছরের মধ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গে শিল্প এবং বিনিয়োগ করার জন্য বিজেপি সব রকম অনুকূল পরিবেশ গড়বে। রাজ্য সভাপতি আরও জানিয়েছেন, ভারী শিল্পে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। কৃষি এবং শিল্পের সহাবস্থান হবে অবশ্যই। তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ হবে না।

    রাজনৈতিক বার্তা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে হেভিওয়েট নেতার হাত দিয়ে ইস্তাহার প্রকাশ করে বিজেপি ভোটারদের কাছে নিজেদের গুরুত্ব এবং দায়বদ্ধতা প্রমাণ করতে চাইছে।

    কেন এই ইস্তাহার গুরুত্বপূর্ণ?

    বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে, গত কয়েক বছরের রাজনৈতিক ইস্যুগুলোকে ছাপিয়ে একটি গঠনমূলক ‘ভিশন ডকুমেন্ট’ বা লক্ষ্যপত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। অমিত শাহের উপস্থিতিতে এই ঘোষণা (West Bengal Elections 2026) কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা তৈরি করবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করবে। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ইস্তাহারের সঙ্গে বিজেপির এই ‘সংকল্প পত্র’-এর তুলনা এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: রামনবমীর আগেই নন্দীগ্রামে রাম মূর্তি ভাঙচুর! তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের দিকে তির শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রামনবমীর আগেই নন্দীগ্রামে রাম মূর্তি ভাঙচুর! তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের দিকে তির শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে (Nandigram) একটি মন্দিরে রামচন্দ্রের মূর্তি ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সরাসরি শাসক দল এবং প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। ঘটনাকে তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের অপকর্ম বলে উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় মন্দিরে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে রামচন্দ্রের মূর্তিকে অপমান করা হয়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া (Suvendu Adhikari)

    মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং জনসভায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের তুষ্টিকরণ রাজনীতির কারণেই দুষ্কৃতীরা এ ধরনের দুঃসাহস দেখাচ্ছে।” আগামী ২৭ মার্চ রাম নবমী তাই এলাকায় হিন্দুদের আতঙ্কিত করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে বলে তৃণমূলকে নিশানা করেন শুভেন্দু।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে গড়িমসি করছে। হুঁশিয়ারি দিচ্ছি  দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি। জেহাদিরা রামের মূর্তি ভেঙেছে, যেটা রাম নবমীর জন্য তৈরি করা হচ্ছিল। রাজ্য সরকার হিন্দুদের বিরুদ্ধে। হিন্দু উৎসবের আগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে কিছু সমাজবিরোধী সব সময় এই ধরনের কাজ করে। এমনকি মুসলিমরাও আমাদের মিছিলে থাকেন, তাঁরা এসব করেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্কের জন্য কিছু গুন্ডা তৈরি করেছেন, তারাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।”

    শাসক দলের অবস্থান

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। সম্প্রীতি নষ্ট করার যেকোনও প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে দমনের কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বর্তমানে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক প্রতীকের অবমাননার ঘটনাগুলো রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করে তুলছে।

LinkedIn
Share