Tag: madhyom news

madhyom news

  • Ramlala: ৫০ হাজারের ‘স্পাই’ চশমায় লাগানো গোপন ক্যামেরা! রামলালার ছবি তুলে ধৃত যুবক

    Ramlala: ৫০ হাজারের ‘স্পাই’ চশমায় লাগানো গোপন ক্যামেরা! রামলালার ছবি তুলে ধৃত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চশমায় গোপন ক্যামেরা লাগিয়ে রামলালার (Ramlala) ছবি তোলার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনা নজরে আসতেই অভিযুক্তকে আটক করে অযোধ্যা পুলিশ। পরে অবশ্য ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতেই রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার বর্ষপূর্তি তিথি পড়েছে আগামী ১১ জানুয়ারি। ওই দিন রামলালার অভিষেক করবেন যোগী আদিত্যনাথ। এই আবহে সামনে এল গোপন ক্যামেরায় রামলালার (Ramlala) ছবি তোলার ঘটনা। অযোধ্যার (Ayodhya) এসপি সিকিউরিটি বলরামচারি দুবে জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন চশমাটির মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা।

    গর্ভগৃহের মধ্যে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ লাইট জ্বলে ওঠে বারবার

    প্রসঙ্গত, রাম মন্দিরে (Ramlala) ঢোকার মুখে নিরাপত্তারক্ষীরা সকল দর্শনার্থীদের ওপর কড়া নজর রাখেন। সব চেকিং পয়েন্ট পার করে ঢুকতে হয় মূল মন্দিরে। অভিযুক্ত যুবকের চোখে ছিল সানগ্লাস। প্রাথমিকভাবে কেউই তাঁকে সন্দেহ করেনি। তবে এরপরেই নিরাপত্তারক্ষীরা লক্ষ্য করেন, গর্ভগৃহের মধ্যে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ লাইট জ্বলে উঠছে বারবার। তখনই ওই যুবককে দেখে এক নিরাপত্তারক্ষীর সন্দেহ হয়। তৎক্ষণাৎ তাঁকে আটক করে বাজেয়াপ্ত করা হয় ‘স্পাই’ চশমাটি। খতিয়ে দেখার পর জানা গিয়েছে, চশমার মধ্যেই ছিল গোপন ক্যামেরা। প্রসঙ্গত, মন্দিরের নিয়ম অনুযায়ী, গর্ভগৃহের ছবি কেউই তুলতে পারবেন না।

    গুজরাটের ভাদোদরার বাসিন্দা ওই যুবকের নাম জানি জয়কুমার

    জানা গিয়েছে, গুজরাটের ভাদোদরার বাসিন্দা ওই যুবকের নাম জানি জয়কুমার। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। সোমবার বিকেল ৩টে নাগাদ মন্দিরের সিংহদুয়ারের ভিতরে তিনি প্রবেশ করেন বলে জানা যায়। অভিযোগ, সেই সময় অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি চশমার গোপন ক্যামেরা (Ramlala) দিয়ে বালক রামের ছবি তোলেন তিনি। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে। তল্লাশি চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গোপন ক্যামেরার সাহায্যে রামলালার বেশ কয়েকটি ছবি তুলেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 244: “স্ব-স্বরূপ দর্শন, ঈশ্বরদর্শন বা আত্মদর্শনের উপায়—আন্তরিক প্রার্থনা—নিত্যলীলা যোগ”

    Ramakrishna 244: “স্ব-স্বরূপ দর্শন, ঈশ্বরদর্শন বা আত্মদর্শনের উপায়—আন্তরিক প্রার্থনা—নিত্যলীলা যোগ”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২৫শে জুন

    শ্রীরামকৃষ্ণ বলরামের মন্দিরে রাখাল মাস্টার প্রভৃতির সঙ্গে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) আজ কলিকাতায় বলরামের বাটীতে শুভাগমন করিয়াছেন। মাস্টার কাছে বসিয়া আছেন, রাখালও আছেন। ঠাকুরের ভাবাবেশ হইয়াছে। আজ জ্যৈষ্ঠ কৃষ্ণা পঞ্চমী; সোমবার (১২ই আষাঢ়), ২৫শে জুন, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ; বেলা প্রায় ৫টা হইয়াছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভাবাবিষ্ট)—দেখ, আন্তরিক ডাকলে স্ব-স্বরূপকে দেখা যায়। কিন্তু যতটুকু বিষয়ভোগের বাসনা থাকে, ততটুকু কম পড়ে যায়।

    মাস্টার—আজ্ঞা, আপনি যেমন বলেন ঝাঁপ দিতে হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) আনন্দিত হইয়া—ইয়া!

    সকলে চুপ করিয়া আছেন, ঠাকুর আবার কথা কহিতেছেন (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—দেখ, সকলেরই আত্মদর্শন হতে পারে।

    মাস্টার—আজ্ঞা, তবে ঈশ্বর কর্তা, তিনি যে ঘরে যেমন করাচ্ছেন। কারুকে চৈতন্য করছেন, কারুকে অজ্ঞান করে রেখেছেন।

    স্ব-স্বরূপ দর্শন, ঈশ্বরদর্শন বা আত্মদর্শনের উপায়—আন্তরিক প্রার্থনা—নিত্যলীলা যোগ 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—না। তাঁকে ব্যাকুল হয়ে প্রার্থনা করতে হয়। আন্তরিক হলে তিনি প্রার্থনা শুনবেই শুনবেন।

    একজন ভক্ত—আজ্ঞা হাঁ—‘আমি’ যে রয়েছে, তাই প্রার্থনা করতে হবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—লীলা ধরে ধরে নিত্যে যেতে হয়; যেমন সিঁড়ি ধরে ধরে ছাদে উঠা। নিত্যদর্শনের পর নিত্য থেকে লীলায় এসে থাকতে হয়। ভক্তি-ভক্ত নিয়ে। এইটি পাকা মত।

    “তাঁর নানারূপ, নানালীলা—ঈশ্বরলীলা, দেবলীলা, নরলীলা, জগৎলীলা; তিনি মানুষ হয়ে অবতার হয়ে যুগে যুগে আসেন, প্রেমভক্তি শিখাবার (Kathamrita) জন্য। দেখ না চৈতন্যদেব। অবতারের ভিতরেই তাঁর প্রেম-ভক্তি আস্বাদন করা যায়। তাঁর অনন্ত লীলা—কিন্তু আমার দরকার প্রেম, ভক্তি। আমার ক্ষীরটুকু দরকার। গাভীর বাঁট দিয়েই ক্ষীর আসে। অবতার গাভীর বাঁট।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) কি বলিতেছেন (Kathamrita) যে, আমি অবতীর্ণ হইয়াছি, আমাকে দর্শন করিলেই ঈশ্বরদর্শন করা হয়? চৈতন্যদেবের কথা বলিয়া ঠাকুর কি নিজের কথা ইঙ্গিত করিতেছেন?

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Makar Sankranti 2025: ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি, জানুন দিনটির মাহাত্ম্য

    Makar Sankranti 2025: ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি, জানুন দিনটির মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই মকর সংক্রান্তি। হিন্দু ধর্মে (Hindu Dharma) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল এই উৎসব। জানা গিয়েছে, চলতি বছরে মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2025) পালিত হবে ১৪ জানুয়ারি। জ্যোতিষীরা জানাচ্ছেন, ওই দিনে সূর্যদেব দুপুর ২টো ৫৮ মিনিট নাগাদ মকর রাশিতে গমন করবেন। শাস্ত্রবিদদের মতে, মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti 2025) দিন সকালে উঠে যে কোনও পবিত্র নদীতে স্নান করা খুবই শুভ বলে মানা হয়। জ্যোতিষীদের মতে, মকর সংক্রান্তির বিশেষ দিনেই সূর্যদেব ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে গমন করেন। প্রচলিত বিশ্বাস, এই দিনে পবিত্র রীতিতে স্নান ও দান করলে ব্যক্তি জীবনের সমস্ত অশান্তি ঝামেলা দূর হয় এবং ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। হিন্দু পঞ্জিকা মতে, সংক্রান্তি শব্দের অর্থ হল মাসের শেষ তারিখ। সেই রীতি অনুযায়ী, পৌষ মাসের শেষ দিনে পালিত হওয়ার জন্য এদিনটিকে পৌষ সংক্রান্তিও বলা হয়।

    পৌরাণিক আখ্যান (Makar Sankranti 2025)

    প্রতি হিন্দু ঘরেই পালন করা হয় মকর সংক্রান্তি উৎসব। এদিন নানা নিয়মকানুন পালন করা হয়। কিন্তু আমাদের জানতে হবে পৌষ সংক্রান্তির উদ্ভব কিভাবে? কেনই বা পালন করা হয় এই বিশেষ দিন? পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, মকর সংক্রান্তির দিনে পিতা সূর্য, তাঁর পুত্র শনিদেবকে নিয়ে নিজের বাড়িতে গমন করেন। এছাড়াও কথিত রয়েছে, এই দিনই মহাভারতের ভীষ্ম পিতামহ ভীষ্ম ইচ্ছামৃত্যু গ্রহণ করেছিলেন। দেবতাদের সঙ্গে অসুরদের দ্বন্দ্বের পরিসমাপ্তিও হয়েছিল মকর সংক্রান্তির দিনে। এই দিনেই অসুরদেরকে বধ করে শুভ শক্তির বিস্তার ঘটেছিল। তাই যেকোনও শুভ কাজ এই দিনে শুরু করা উচিত বলে মনে করেন অনেকে।

    সংক্রান্তি শব্দের অর্থ হল মাসের শেষ তারিখ

    হিন্দু পঞ্জিকা মতে, সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2025) শব্দের অর্থ হল মাসের শেষ তারিখ। সেইমতো শেষ দিনে পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি পালন করা হয়। প্রতি বাঙালি প্রতি হিন্দু বাড়িতেই এদিন পিঠেপুলি তৈরি করা হয়। আবার জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, সংক্রান্তি শব্দের অর্থ হচ্ছে গমন করা। প্রতিবেদনের প্রথমে যেমনটা বলা হয়েছে যে এই দিন সূর্যদেব ধনু রাশি থেকে গমন করেন মকর রাশিতে। বহু হিন্দু বাড়িতে এই দিন নানারকমের মিষ্টি ও গুড়ের পদ তৈরি করা হয়। এর পাশাপাশি মকর সংক্রান্তির আগের দিন থেকে ঘরদুয়ার পরিষ্কার করা হয়। গ্রামবাংলায় এখনও বাড়িগুলিতে আলপনা দেওয়ার রীতিও দেখা যায়। আবার এই দিন বহু জায়গায় ঘুড়ি ওড়ানোর রীতিও দেখা যায়। প্রচলিত নিয়ম বলছে, মকর সংক্রান্তির রাতে অন্যত্র বাস করা উচিত নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Places of Worship Act:  ১৯৯১ সালের ধর্মস্থান আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল সন্ত সমিতি

    Places of Worship Act:  ১৯৯১ সালের ধর্মস্থান আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল সন্ত সমিতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হল অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি (Akhil Bhartiya Sant Samiti)। ১৯৯১ সালের ধর্মস্থান আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে গেল তারা। এই আইন (Places of Worship Act) অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট তারিখে কোনও ধর্মস্থানের চরিত্র যেমন ছিল, তা বদলে অন্য ধর্মস্থানে রূপান্তরিত করা যাবে না। ধর্মস্থান আইনের এই মূল ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ করছে অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি। তার কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছে, এই আইনের তিন ও চার নম্বর ধারাতে যা উল্লেখ রয়েছে তা বাস্তবিক পক্ষে মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। ভারতীয় সংবিধান যে সমতার অধিকার, বাক স্বাধীনতার অধিকার, ধর্মাচরণের (Places of Worship Act)  অধিকার দেয় তার পরিপন্থী এই আইন।

    কী বলছে ৩ ও ৪ নম্বর ধারা (Places of Worship Act) 

    সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন যে, এই আইন সংবিধানের মূল কাঠামোকেই আঘাত করছে। প্রসঙ্গত, ওই আইনের ৩ ও ৪ নম্বর ধারায় (Akhil Bhartiya Sant Samiti) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে, কোনও ব্যক্তি বা কোনও গোষ্ঠী কোনওভাবেই যে কোনও ধর্মস্থানের চরিত্রকে বদল করতে পারবেন না, ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত যা হয়ে আছে।

    এই আইনের আওতায় চলছে ১৮ মামলা (Places of Worship Act) 

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন মন্দির ও মসজিদ নিয়ে এই আইনের আওতায় ১৮টি মামলা আদালতে পড়ে রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ এবং মথুরার শাহী ইদগা সংক্রান্ত আবেদনও রয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের মার্চে এই আইন (Places of Worship Act)  নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। সম্প্রতি, এক মামলাকারী অশ্বিনী উপাধ্যায় তাঁর আবেদনে জানিয়েছেন, ১৯৯১ সালের ধর্মস্থান আইনের ২,৩ ও ৪ নম্বর ধারা খারিজ করা উচিত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 242: “কৃষ্ণ অর্জুনকে বলছেন—তুমি যুদ্ধ করবে না, কি বলছ?—তোমার প্রকৃতিতে তোমায় যুদ্ধ করাবে”

    Ramakrishna 242: “কৃষ্ণ অর্জুনকে বলছেন—তুমি যুদ্ধ করবে না, কি বলছ?—তোমার প্রকৃতিতে তোমায় যুদ্ধ করাবে”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পেনেটীর মহোৎসবক্ষেত্রে রাখাল, রাম, মাস্টার,

    ভবনাথ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৮ই জুন

    শ্রীযুক্ত নবদ্বীপ গোস্বামীর প্রতি উপদেশ

    শ্রীগৌরাঙ্গের মহাভাব, প্রেম ও তিন দশা 

    অপরাহ্ন। রাখাল, রাম প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে ঠাকুর মণি সেনের বৈঠকখানায় বসিয়া আছেন। নবদ্বীপ গোস্বামী প্রসাদ পাওয়ার পর ঠাণ্ডা হইয়া বৈঠকখানায় আসিয়া ঠাকুরের কাছে বসিয়াছেন (Kathamrita)।

    শ্রীযুক্ত মণি সেন ঠাকুরের গাড়িভাড়া দিতে চাহিলেন। ঠাকুর তখন বৈঠকখানায় একটি কৌচে বসিয়া আছেন আর বলিতেছেন, “গাড়িভাড়া ওরা (রাম (Ramakrishna) প্রভৃতিরা) নেবে কেন? ওরা রোজগার করে।”

    এইবার ঠাকুর নবদ্বীপ গোস্বামীর সহিত ঈশ্বরীয় কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (নবদ্বীপের প্রতি)—ভক্তি পাকলে ভাব—তারপর মহাভাব—তারপর প্রেম—তারপর বস্তুলাভ (ঈশ্বরলাভ)।

    “গৌরাঙ্গের—মহাভাব, প্রেম।”

    “এই প্রেম হলে জগৎ তো ভুল হয়ে যাবেই। আবার নিজের দেহ যে এত প্রিয় তাও ভুল হয়ে যায়! গৌরাঙ্গের এই প্রেম হয়েছিল। সমুদ্র দেখে যমুনা ভেবে ঝাঁপ দিয়ে পড়ল (Kathamrita)।

    “জীবের মহাভাব বা প্রেম হয় না—তাদের ভাব পর্যন্ত। আর গৌরাঙ্গের তিনটি অবস্থা হত। কেমন?”

    নবদ্বীপ—আজ্ঞা হাঁ। অন্তর্দশা, অর্ধবাহ্যদশা আর বাহ্যদশা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—অন্তর্দশায় তিনি সমাধিস্থ থাকতেন। অর্ধবাহ্যদশায় কেবল নৃত্য করতে পারতেন। বাহ্যদশায় নামসংকীর্তন করতেন।

    নবদ্বীপ তাঁহার ছেলেটিকে আনিয়া ঠাকুরের সঙ্গে আলাপ করিয়া দিলেন। ছেলেটি যুবা পুরুষ — শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন।

    নবদ্বীপ—ঘরে শাস্ত্র পড়ে। এ-দেশে বেদ একরকম পাওয়াই যেত না। মোক্ষমূলর ছাপালেন, তাই তবু লোকে পড়ছে।

    পাণ্ডিত্য ও শাস্ত্র—শাস্ত্রের সার জেনে নিতে হয় 

    শ্রীরামকৃষ্ণ—বেশি শাস্ত্র পড়াতে আরও হানি হয়।

    “শাস্ত্রের সার জেনে নিতে হয়। তারপর আর গ্রন্থের কি দরকার!

    “সারটুকু জেনে ডুব মারতে হয়—ঈশ্বরলাভের (Kathamrita) জন্য।

    “আমায় মা জানিয়ে দিয়েছেন, বেদান্তের সার—ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা। গীতার সার—দশবার গীতা বললে যা হয়, অর্থাৎ ‘ত্যাগী, ত্যাগী’।”

    নবদ্বীপ—‘ত্যাগী’ ঠিক হয় না, ‘তাগী’ হয়। তাহলেও সেই মানে। তগ্‌ ধাতু ঘঞ্‌ = তাগ; তার উত্তর ইন্‌ প্রত্যয়—তাগী। ‘ত্যাগী’ মানেও যা ‘তাগী’ মানেও তাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—গীতার সার মানে—হে জীব, সব ত্যাগ করে ভগবানকে পাবার জন্য সাধন কর।

    নবদ্বীপ—ত্যাগ করবার মন কই হচ্ছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তোমরা গোস্বামী, তোমাদের ঠাকুর সেবা আছে,—তোমাদের সংসার ত্যাগ করলে চলবে না। তাহলে ঠাকুর সেবা কে করবে? তোমরা মনে ত্যাগ করবে।

    “তিনিই লোকশিক্ষার জন্য তোমাদের সংসারে রেখেছেন—তুমি হাজার মনে কর, ত্যাগ করতে পারবে না—তিনি এমন প্রকৃতি তোমায় দিয়েছেন যে, তোমায় সংসারে কাজই করতে হবে।

    “কৃষ্ণ অর্জুনকে বলছেন (Kathamrita)—তুমি যুদ্ধ করবে না, কি বলছ?—তুমি ইচ্ছা করলেই যুদ্ধ থেকে নিবৃত্ত হতে পারবে না, তোমার প্রকৃতিতে তোমায় যুদ্ধ করাবে।”

     আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HMPV Outbreak: ‘‘এইচএমপিভি নতুন কোনও ভাইরাস নয়’’, দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে ভিডিও বার্তা নাড্ডার

    HMPV Outbreak: ‘‘এইচএমপিভি নতুন কোনও ভাইরাস নয়’’, দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে ভিডিও বার্তা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভি নতুন কোনও ভাইরাস (HMPV Outbreak) নয়। দেশবাসীর উদ্বেগ দূর করতে এক ভিডিও বার্তায় সোমবার এ কথা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা।

    ভিডিও বার্তায় কী বললেন নাড্ডা?

    নিজের ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এখনই চিন্তার পরিস্থিতি হয়নি।’’ জনসাধারণের উদ্দেশে নিজের বার্তায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেছেন যে এইচএমপিভি (HMPV Outbreak) নতুন কোনও ভাইরাস নয়। এটি ২০০১ সালে প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল এবং এটি বহু বছর ধরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। এইচএমপিভি বাতাসের মাধ্যমে, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।’’ নাড্ডা মনে করিয়ে দিয়েছেন, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা যদি হঠাৎ করে খুব বেড়ে যায়, তাহলেও সামাল দেওয়ার জন্য তৈরি আছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ভারত, জানালেন নাড্ডা (JP Nadda) 

    তিনি আরও বলেছেন, ‘‘এটি সব বয়সের ব্যক্তিদের প্রভাবিত করতে পারে। শীত ও বসন্তের প্রথম দিকে ভাইরাসটি (HMPV Outbreak) বেশি ছড়ায়।’’ নিজের বিবৃতিতে নাড্ডা বলেন, ‘‘সাম্প্রতিক রিপোর্টগুলিতে, চিনে এইচএমপিভির ক্ষেত্রে, স্বাস্থ্য মন্ত্রক, আইসিএমআর এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোলের তরফে চিনের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলির পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।’’ তিনি জানান, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাও ভারতের সঙ্গে কথা বলছে। তারাও তাদের রিপোর্ট দিল্লিকে দেবে। প্রসঙ্গত, চিনও সেখানে ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণকে একটি ‘শীতকালীন সংক্রমণ’ হিসাবে ব্যাখ্যা করেছে। নাড্ডা আরও জানান, চিনের পরিস্থিতির ওপর অবিরাম নজর রাখছে কেন্দ্র। নজর রাখা হচ্ছে অন্য প্রতিবেশী দেশগুলিতেও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-ও সংক্রমণের পরিস্থিতি নিয়ে পদক্ষেপ করেছে। হু শীঘ্রই ওই ভাইরাসের বিষয়ে তাদের তথ্য ভারতকে পাঠাবে বলেও আশ্বস্ত করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Assembly Election 2025: ৫ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ, গণনা ৮-ই, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন

    Delhi Assembly Election 2025: ৫ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ, গণনা ৮-ই, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের (Delhi Assembly Election 2025) দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশনের (Election Commission) তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে রাজধানীতে। এক দফাতেই ভোট হবে দিল্লিতে। ৮ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগণনা।

    মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকছে ১৭ জানুয়ারি

    মঙ্গলবার কমিশনের (Election Commission) তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১০ জানুয়ারি নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। জানা গিয়েছে, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Assembly Election 2025) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকছে ১৭ জানুয়ারি। পরের দিনই সম্পন্ন হবে স্ক্রুটিনি। এরপর ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সময় দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এদিন ফের একবার  ইভিএম নিয়ে ওঠা যাবতীয় অভিযোগের জবাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন এদিন জানিয়েছে, ৪২ বার আদালত ভরসা রেখেছে ইভিএমের প্রতি।

    ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ৫৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৮৫৮ 

    প্রসঙ্গত, এর আগেই গতকাল ৬ জানুয়ারি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Assembly Election 2025)মোট ভোটার সংখ্যা ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বের করা হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। ওই তালিকায় দেখা যাচ্ছে দিল্লিতে ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ৫৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৮৫৮। প্রসঙ্গত, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Assembly Election 2025) বিজেপি তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে। কারণ আবগারি দুর্নীতিতে ২০২৪ সালের মার্চ মাসেই গ্রেফতার হয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। অন্যদিকে, অপর এক মন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াও দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন ওই একই অভিযোগে। একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে আপ সরকার বিধ্বস্ত। এই দুর্নীতির প্রভাব ভোট বাক্সে (Delhi Assembly Election 2025) পড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। প্রসঙ্গত, মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বসিরহাটে এখনই কোনও উপনির্বাচন হবে না বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। 

    আরও পড়ুন: ৫০০ বছরের পুরনো শিবমন্দির উদ্ধার পাটনায়, ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত ভক্তরা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 243: “যাঁর চৈতন্যে জগৎ চৈতন্য হয়ে রয়েছে,—তাঁর চিন্তা করে কেউ কি অচৈতন্য হয়?”

    Ramakrishna 243: “যাঁর চৈতন্যে জগৎ চৈতন্য হয়ে রয়েছে,—তাঁর চিন্তা করে কেউ কি অচৈতন্য হয়?”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পেনেটীর মহোৎসবক্ষেত্রে রাখাল, রাম, মাস্টার,

    ভবনাথ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৮ই জুন

    শ্রীযুক্ত নবদ্বীপ গোস্বামীর প্রতি উপদেশ

    শ্রীগৌরাঙ্গের মহাভাব, প্রেম ও তিন দশা 

    সমাধিস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ—গোস্বামীর যোগ ও ভোগ 

    “কৃষ্ণ অর্জুনের সহিত কথা কহিতেছেন—এই কথা বলিতে বলিতে ঠাকুর (Ramakrishna) আবার সমাধিস্থ হইতেছেন। দেখিতে দেখিতে সমস্ত স্থির—চক্ষু পলকশূন্য। নিঃশ্বাস বহিতেছে কি না বহিতেছে বুঝা ঝায় না। নবদ্বীপ গোস্বামী, তাঁহার পুত্র ও ভক্তগণ অবাক্‌ হইয়া দেখিতেছেন।

    কিঞ্চিৎ প্রকৃতিস্থ হইয়া ঠাকুর নবদ্বীপকে বলিতেছেন:

    “যোগ ভোগ। তোমরা গোস্বামীবংশ তোমাদের দুই-ই আছে।

    “এখন কেবল তাঁকে প্রার্থনা কর, আন্তরিক প্রার্থনা—‘হে ঈশ্বর, তোমার এই ভুবনমোহিনী মায়ার ঐশ্বর্য—আমি চাই না—আমি তোমায় চাই (Kathamrita)।’

    “তিনি তো সর্বভূতেই আছেন—তবে ভক্ত কাকে বলে? যে তাঁতে থাকে—যার মন-প্রাণ-অন্তরাত্মা সব, তাঁতে গত হয়েছে।”

    “ঠাকুর (Ramakrishna) এইবার সহজাবস্থা প্রাপ্ত হইয়াছেন। নবদ্বীপকে বলিতেছেন:

    “আমার এই যে অবস্থাটা হয় (সমাধি অবস্থা) কেউ কেউ বলে রোগ। আমি বলি যাঁর চৈতন্যে জগৎ চৈতন্য হয়ে রয়েছে,—তাঁর চিন্তা করে কেউ কি অচৈতন্য হয়?”

    শ্রীযুক্ত মণি সেন অভ্যাগত ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণবদের বিদায় করিতেছেন—কাহাকে এক টাকা, কাহাকে দুই টাকা—যে যেমন ব্যক্তি।

    ঠাকুরকে পাঁচ টাকা দিতে আসিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ বলিলেন (Kathamrita):

    “আমার টাকা নিতে নাই।”

    মণি সেন তথাপি ছাড়েন না।

    ঠাকুর তখন বলিলেন, যদি দাও তোমার গুরুর দিব্য। মণি সেন আবার দিতে আসিলেন। তখন ঠাকুর যেন অধৈর্য হইয়া মাস্টারকে বলিতেছেন, “কেমন গো নেব?” মাস্টার ঘোরতর আপত্তি করিয়া বলিলেন, “আজ্ঞা না—কোন মতেই নেবেন না।”

    শ্রীযুক্ত মণি সেনের লোকেরা তখন আম সন্দেশ কিনিবার নাম করিয়া রাখালের হস্তে টাকা দিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মাস্টারের প্রতি)—আমি গুরুর দিব্য দিয়েছি।—আমি এখন খালাস। রাখাল নিয়েছে সে এখন বুঝুগগে।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে গাড়িতে আরোহণ করিলেন (Kathamrita)—দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে ফিরিয়া যাইবেন।

    নিরাকার ধ্যান ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ 

    পথে মতিশীলের ঠাকুরবাড়ি। ঠাকুর মাস্টারকে অনেকদিন হইল বলিতেছেন—একসঙ্গে আসিয়া এই ঠাকুরবাড়ির ঝিল দর্শন করিবেন—নিরাকার ধ্যান কিরূপ আরোপ করিতে হয়, শিখাইবার জন্য।

    ঠাকুরের খুব সর্দি হইয়াছে। তথাপি ভক্তসঙ্গে ঠাকুরবাড়ি দেখিবার জন্য গাড়ি হইতে অবতরণ করিলেন।

    ঠাকুরবাড়িতে (Ramakrishna) শ্রীগৌরাঙ্গের সেবা আছে। সন্ধ্যার এখনও একটু দেরি আছে। ঠাকুর ভক্তসঙ্গে শ্রীগৌরাঙ্গ-বিগ্রহের সম্মুখে ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন।

    এইবার ঠাকুরবাড়ির পূর্বাংশে যে ঝিল আছে তাহার ঘাটে আসিয়া ঝিল ও মৎস্য দর্শন করিতেছেন। কেহ মাছগুলির হিংসা করে না, মুড়ি ইত্যাদি খাবার জিনিস, কিছু দিলেই বড় বড় মাছ দলে দলে সম্মুখে আসিয়া ভক্ষণ করে—তারপর নির্ভয়ে আনন্দে লীলা করিতে করিতে জলমধ্যে বিচরণ করে।

    ঠাকুর মাস্টারকে বলিতেছেন, “এই দেখ, কেমন মাছগুলি। এইরূপ চিদানন্দ-সাগরে এই মাছের ন্যায় আনন্দে বিচরণ করা।”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: অবশেষে ভারতীয় বাহিনীর সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা স্বীকার পাকিস্তানের, কে দিলেন বিবৃতি?

    Pakistan: অবশেষে ভারতীয় বাহিনীর সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা স্বীকার পাকিস্তানের, কে দিলেন বিবৃতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরে ঢুকে মার! সে কি সহজে স্বীকার করা যায়! পাকিস্তান (Pakistan) বারবার অস্বীকার করেছে ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক অথবা ২০১৯ সালে ভারতের করা এয়ার স্ট্রাইকের কথা। কিন্তু অবশেষে তারা স্বীকার করল ভারত সে দেশের ওপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক (Surgical Strike) করেছিল। কীভাবে স্বীকার করল পাকিস্তান? পাকিস্তানের এক জনপ্রিয় সাংবাদিক হলেন নাজম শেঠি। তিনিই এক সাক্ষাৎকারে একথা স্বীকার করেন।

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধিতাই হল কাল! কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা ট্রুডোর, এগিয়ে আসছে নির্বাচন?

    পাকিস্তান আন টোল্ড নামের একটি অ্যাকাউন্ট পোস্ট করে ওই সাক্ষাৎকার

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তান (Pakistan) ভারতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল। এই সাক্ষাৎকারের একটি ছোট অংশ ইতিমধ্যেই বেশ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে ভারতের করা সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা বলতে শোনা যাচ্ছে তাঁকে। প্রসঙ্গত, নাজম শেঠি পাকিস্তানের অন্যতম প্রবাদপ্রতিম সাংবাদিক। পাকিস্তানি এই সাংবাদিকের বয়ান ইতিমধ্যে পোস্ট করা হয়েছে ‘পাকিস্তান আন টোল্ড’ নামের একটি এক্স হ্য়ান্ডেলের অ্যাকাউন্ট থেকে।

    কী বললেন নাজম শেঠি

    সাক্ষাৎকারে নাজম শেঠিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, পাকিস্তান আর্মি আফগানিস্তানে যে পদ্ধতিতে হামলা চালাচ্ছে, সেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক তারা ভারতের কাছেই শিখেছে। ওই ভিডিওতে এই পাক সাংবাদিক আরও বলেন, ‘‘ভারত পাকিস্তানের (Pakistan) ভিতরে ঢুকে যেমন হামলা করেছিল, পাকিস্তানও আফগানিস্তানের ভিতরে ঢুকে তাই করছে।’’ ইতিমধ্যে পাক সাংবাদিকের এমন মন্তব্যের ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vice Chancellor: শিক্ষা জগতের বাইরের বিশিষ্টরাও হতে পারবেন উপাচার্য, নয়া বিধি আনছে কেন্দ্র

    Vice Chancellor: শিক্ষা জগতের বাইরের বিশিষ্টরাও হতে পারবেন উপাচার্য, নয়া বিধি আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য (Vice Chancellor) হওয়ার যোগ্যতা মানে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। নয়া বিধিতে বলা হয়েছে, সমাজের যে কোনও পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিই হতে পারবেন উপাচার্য। একই সঙ্গে নয়া বিধি অনুযায়ী, উপাচার্য নিয়োগে ক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে আচার্যদের। নতুন বিধি অনুসারে, সার্চ কমিটির তৈরি প্যানেল থেকে একজনকে বেছে নিতে পারবেন আচার্যরা। মানে অন্য কোনও পক্ষের মতামত দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এছাড়া, অধ্যাপক, চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের নিয়মেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে চলেছে ইউজিসি। সেই সংক্রান্ত খসড়াও প্রকাশ করা হয়েছে।

    রাজ্যপাল ছাড়া অন্যান্যরাও হতে পারেন উপাচার্য (Vice Chancellor) 

    নতুন বিধিতে সাফভাবে জানানো হয়েছে, আচার্য বলতে শুধুমাত্র রাজ্যপালদেরই বিবেচনা করা হবে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আচার্য করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, উপাচার্য (Vice Chancellor) পদে পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে রবীন্দ্রভারতী এবং আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা জগতের বাইরের মানুষ রয়েছেন। রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্য হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। আলিয়ার উপাচার্য একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁর বিশেষ ক্ষমতাবলে ওই দুই উপাচার্যকে নিয়োগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা জাহির করতে বিল পেশ বিধানসভায় (Vice Chancellor)

    সাধারণভাবে রাজ্যপালই রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যের ভূমিকা পালন করে থাকেন। এই আবহে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Education) রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের আশায়, রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে উপাচার্য করার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিলও পেশ করেছে শাসক দল। যদিও রাজ্যপাল বিলটিতে সম্মতি না দেওয়ায় সেটি কার্যকর করা যায়নি। এরই মধ্যে কেন্দ্রের এই নয় খসড়া বিধি সামনে এল। সমাজের নানা পেশার গুণিজনদের উপাচার্য করার প্রস্তাবটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, এরফলে উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সমাজের সব অংশের সম্পৃক্ততা বাড়বে। নতুন নতুন ধারণায় সমৃদ্ধ হবে উচ্চশিক্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share