Tag: madhyom news

madhyom news

  • Ramakrishna 593: “স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল, মনে করলে, মুখে জল সরে, আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না”

    Ramakrishna 593: “স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল, মনে করলে, মুখে জল সরে, আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    ডাক্তার—আবার এমন ঔষধ আছে, যাতে বুকে হাঁটু দিতে হয় না। যেমন হোমিওপ্যাথিক।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— উত্তম বৈদ্য বুকে হাঁটু দিলে কোন ভয় নাই।

    “বৈদ্যের মতো আচার্যও তিনপ্রকার। যিনি ধর্ম উপদেশ দিয়ে শিষ্যদের আর কোন খবর লন না, তিনি অধম আচার্য। যিনি শিষ্যদের মঙ্গলের জন্য তাদের বারবার বুঝান, যাতে উপদেশগুলি ধারণা করতে পারে, অনেক অনুনয় বিনয় করেন, ভালবাসা দেখান (Kathamrita)—তিনি মধ্যম আচার্য। আর যখন শিষ্যেরা কোনও মতে শুনছে না দেখে, কোনও আচার্য জোর পর্যন্ত করেন, তাঁকে বলি উত্তম আচার্য।”

    স্ত্রীলোক ও সন্ন্যাসী—সন্ন্যাসীর কঠিন নিয়ম

    (ডাক্তারের প্রতি)—“সন্ন্যাসীর পক্ষে কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ। স্ত্রীলোকের পট পর্যন্ত সন্ন্যাসী দেখবে না। স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল। মনে করলে, মুখে জল সরে। আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না।

    “কিন্তু এ-কথা আপনাদের পক্ষে নয়,—এ সন্নাসীর পক্ষে। আপনারা যতদূর পার স্ত্রীলোকের সঙ্গে অনাসক্ত হয়ে থাকবে। মাঝে মাঝে নির্জনে গিয়ে ঈশ্বরচিন্তা করবে। সেখানে যেন ওরা কেউ না থাকে। ঈশ্বরেতে বিশ্বাস ভক্তি এলে, অনেকটা অনাসক্ত হয়ে থাকতে পারবে। দুই-একটি ছেলে হলে স্ত্রী-পুরুষ দুইজনে ভাই-বোনের মতো থাকবে, আর ঈশ্বরকে সর্বদা প্রার্থনা করবে, যাতে ইন্দ্রিয় সুখেতে মন না যায়,—ছেলেপুলে আর না হয়।”

    গিরিশ (সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি) আপনি এখানে তিন-চার ঘণ্টা রয়েছেন; কই, রোগীদের চিকিৎসা করতে যাবেন না?

    ডাক্তার—আর ডাক্তারী আর রোগী! যে পরমহংস হয়েছে, আমার সব গেল! (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেখ কর্মনাশা বলে একটি নদী আছে। সে নদীতে ডুব দেওয়া এক মহাবিপদ। কর্মনাশ হয়ে যায় — সে ব্যক্তি আর কোন কর্ম করতে পারে না। (ডাক্তার ও সকলের হাস্য)

    ডাক্তার (মাস্টার, গিরিশ ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—দেখ, আমি তোমাদেরই রইলুম। ব্যারামের জন্য যদি মনে কর, তাহলে নয়। তবে আপনার লোক বলে যদি মনে কর, তাহলে আমি তোমাদের।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি—একটি আছে অহৈতুকী ভক্তি। এটি যদি হয়, তাহলে খুব ভাল। প্রহ্লাদের অহৈতুকী ভক্তি ছিল। সেরূপ ভক্ত বলে, হে ঈশ্বর! আমি ধন, মান, দেহসুখ, এ-সব কিছুই চাই না। এই কর যেন তোমার পাদপদ্মে আমার শুদ্ধাভক্তি হয়।

    ডাক্তার—হাঁ, কালীতলায় লোকে প্রণাম করে থাকে দেখেছি; ভিতরে কেবল কামনা—আমার চাকরি করে দাও, আমার রোগ ভাল (Kathamrita) করে দাও,—এই সব।

  • Ayatollah Khameneis: আয়াতুল্লাহ খামেইনির মৃত্যুতে ইরানে উল্লাস, স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে রাজপথে নারীরা

    Ayatollah Khameneis: আয়াতুল্লাহ খামেইনির মৃত্যুতে ইরানে উল্লাস, স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে রাজপথে নারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তথা সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো ইরান জুড়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে চলা কট্টর মুসলিম শাসনের অবসান ঘটার আশায় হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন। বিশেষ করে ইরানের মহিলারা এই পরিবর্তনকে তাঁদের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    দেশজুড়ে উদযাপন (Ayatollah Khameneis)

    শিয়া ধর্মগুরু খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুকে ঘিরে তেহরান-সহ ইরানের প্রধান শহরগুলিতে মানুষ আতশবাজি ফাটিয়ে, মিষ্টি বিলি করে আনন্দ প্রকাশ করছেন। গত শনিবার মার্কিন ও ইজরায়েলি বিমান হামলায় খামেইনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই এই উল্লাস শুরু হয়। অনেক জায়গায় মানুষকে তাঁদের বাড়ির ছাদ থেকে “স্বৈরাচারী শাসকের পতন হোক” বলে স্লোগান দিতে শোনা গিয়েছে। ইতিমধ্যে খামেইনির ছবি, মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে।

    নারীদের প্রতিবাদ ও জয়

    ইরানের কারাজ, বেসাত, ফুলাদ, বোরাজ্জন, মামাসানিটে ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক হামলা হলেও নারীরা পতাকা নিয়ে মেতে উঠেছেন আনন্দে। এই উল্লাস উদযাপনের অগ্রভাগে রয়েছেন ইরানের সাধারণ নারীরা। অনেক নারী জনসমক্ষে তাঁদের হিজাব পুড়িয়ে, চুল কেটে দীর্ঘদিনের দমনমূলক আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ (Woman, Life, Freedom) স্লোগানটি আবারও তেহরানের রাস্তায় প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তাঁদের মতে, খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যু মানে কয়েক দশকের লিঙ্গবৈষম্য ও নিপীড়নের সমাপ্তি।

    আর্ন্তজাতিক প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, প্রবাসে থাকা ইরানিরাও লন্ডন, প্যারিস এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের রাস্তায় নেমে নেচে-গেয়ে আনন্দ করছেন। তাঁরা একে “ইরানের দ্বিতীয় জন্ম” হিসেবে অভিহিত করছেন।

    নিরাপত্তা বাহিনীর অবস্থান

    আমেরিকা এবং ইজরায়েল অপারেশন রোইয়ারিং লায়ন এবং অপারেশন এপিক ফিউড়ি নামে যৌথ অভিযান চালায়।  যদিও ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে, তবে অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভিড়ের সামনে তারা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। কিছু কিছু সামরিক সদস্য সাধারণ মানুষের মিছিলে যোগ দিচ্ছেন বলেও সূত্রের খবর।

    ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খামেইনির এই আকস্মিক বিদায় ইরানে এক বিশাল ক্ষমতাশূন্যতা তৈরি করেছে। একদিকে যেমন গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের এই জোয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান একটি গণতান্ত্রিক ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের পথে পা বাড়াতে পারে। আয়াতুল্লাহ খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যু কেবল একটি রাজনৈতিক নেতার প্রস্থান নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী ধর্মতান্ত্রিক শাসনের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের রাজপথ এখন পরিবর্তনের গানে মুখরিত, যেখানে সাধারণ মানুষ একটি নতুন ও মুক্ত ইরানের স্বপ্ন দেখছেন।

  • TMC Rajya Sabha: রাজ্যসভায় তৃণমূলের সমকামী প্রার্থীর মনোনয়ন, এই সিদ্ধান্ত ‘ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী’, বললেন মৌলানা রিজভী

    TMC Rajya Sabha: রাজ্যসভায় তৃণমূলের সমকামী প্রার্থীর মনোনয়ন, এই সিদ্ধান্ত ‘ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী’, বললেন মৌলানা রিজভী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) আসন্ন রাজ্যসভা (TMC Rajya Sabha) নির্বাচনের জন্য একজন সমকামী (Homosexual) মেনকা গোস্বামীকে মনোনীত করে টিকিট দেওয়ার পর রাজ্যে নতুন করে বিরাট রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিশিষ্ট মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা শাহাবুদ্দিন রিজভী।

    তৃণমূলের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত (TMC Rajya Sabha)

    তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Rajya Sabha) সম্প্রতি তাদের রাজ্যসভা প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে এমন একজন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যিনি প্রকাশ্যেই নিজের সমকামী পরিচয়ের কথা স্বীকার করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই প্রথম কোনও প্রধান রাজনৈতিক দল উচ্চকক্ষে পাঠানোর জন্য এমন কোনও প্রার্থীকে বেছে নিল। আর এখানেই মুসলিম নেতাদের তীব্র আপত্তির সূত্রপাত। অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামায়াতের সভাপতি মৌলানা শাহাবুদ্দিন রিজভী এই মনোনয়নের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “সমকামিতা  (Homosexual) ইসলামি শরীয়ত এবং নৈতিক শিক্ষার সম্পূর্ণ বিরোধী। একজন সমকামীকে সংসদীয় প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানো মুসলিম সমাজের মূল্যবোধে আঘাত করার শামিল। সমকামিতাকে উৎসাহ দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। মেনকা গোস্বামীর একজন মহিলা সঙ্গীও রয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিকোণে এই ভাবনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।”

    ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী

    মৌলানা রিজভী আরও উল্লেখ করে বলেন, “পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে সমকামিতাকে (Homosexual) কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই আমি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (TMC Rajya Sabha)  কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানাই। এই পদক্ষেপ মুসলিম ভোটারদের মধ্যে ভুল বার্তা দেবে।”

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

    এই মনোনয়ন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পক্ষ থেকেও কটাক্ষ করা হয়েছে। বিজেপি নেতাদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Rajya Sabha) তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে এখন এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে তারা ধর্মীয় অনুভূতি এবং সামাজিক ঐতিহ্য—উভয়কেই উপেক্ষা করছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি তারা প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক (inclusive) সমাজ গঠনে বিশ্বাসী।

    তৃণমূলের অবস্থান

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC Rajya Sabha) শীর্ষ নেতৃত্ব এই বিতর্কের জবাবে জানিয়েছে যে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবন বা যৌন পরিচয় তাঁর রাজনৈতিক যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। দল যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করেছে। দল সব ধরণের বৈষম্যের বিরুদ্ধে।

    সামাজিক উত্তেজনা

    এই মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই ধরণের মত দেখা যাচ্ছে। একদল এই পদক্ষেপকে এলজিবিটিকিউ (LGBTQ+) সম্প্রদায়ের অধিকারের জয় হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলো একে সামাজিক অবক্ষয় হিসেবে চিহ্নিত করছেন। তবে মাওলানা রিজভি নানা সময়ে নানা ভাবে বিতর্কের জড়িয়েছেন। যেমন—২০২৫ সালের মহাকুম্ভের স্থান ওয়াকফ সম্পত্তি, ম্যাচের সময় শামির বিরুদ্ধে রোজ না পালন করায় সমালোচনা করেন। বেরেলির বিশ্বাসকে সমুদ্র আর দেওবন্দীদের শিয়া সম্প্রদায়কে নদী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ২০২৫ সালে নববর্ষ উদযাপনকে হারাম ঘোষণা করেছেন। নিজের গুণে নিজে কুখ্যাত হয়েছেন এই মুসলিম ধর্মগুরু।

    রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের (TMC Rajya Sabha) এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে। একদিকে প্রগতিশীল চিন্তাধারা (Homosexual) এবং অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতির সংঘাত এই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে।

  • Pradhan Mantri Ujjwala Yojana: উত্তরপ্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবারের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার এলপিজি ভর্তুকি ঘোষণা আদিত্যনাথের

    Pradhan Mantri Ujjwala Yojana: উত্তরপ্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবারের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার এলপিজি ভর্তুকি ঘোষণা আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হোলি উৎসবের প্রাক্কালে রাজ্যের দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির জন্য একটি বড় উপহার ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) আওতায় থাকা ১.৮৬ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী পরিবারকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় রাজ্যের মহিলা মহলে খুশির জোয়ার।

    জনকল্যাণকর পদক্ষেপ

    উত্তরপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছে, রাজ্যের ১.৮৬ কোটি উজ্জ্বলা যোজনার কার্ডধারী পরিবার এই হোলিতে একটি করে বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) পাবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ১৫৪৭.৪৮ কোটি টাকা সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের (DBT) প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় ভারতজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবার গ্যাস সংযোগ পেয়েছে, যার মধ্যে কেবল উত্তর প্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবার রয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “মহামারী বহু বছর আগে শেষ হয়ে গেলেও, দেশব্যাপী ৮০ কোটি নাগরিক বিনামূল্যে রেশন সহায়তা পাচ্ছেন, যার মধ্যে উত্তরপ্রদেশে ১৫ কোটি সুবিধাভোগীও রয়েছেন। একইভাবে, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কভারেজ পায়। ৭০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং শিক্ষা খাতের কর্মীদের জন্য বর্ধিত সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ

    ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহারে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, প্রতি বছর হোলি এবং দীপাবলিতে উজ্জ্বলা যোজনার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) সুবিধাভোগীদের দুটি করে বিনামূল্যে সিলিন্ডার দেওয়া হবে। যোগী (Yogi Adityanath) সরকার সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

    সরাসরি সুবিধা প্রদান (DBT)

    সুবিধাভোগীরা প্রথমে সিলিন্ডারটি কিনবেন এবং পরবর্তীতে সেই সিলিন্ডারের সম্পূর্ণ অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হবে। এর ফলে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং মাঝপথে কোনও দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না। অন্যদিকে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য রাজ্যব্যাপী জরায়ুমুখ ক্যান্সার টিকাকরণ অভিযান শুরু করেছেন, যার লক্ষ্য প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কভারেজ সম্প্রসারণ করা। মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে টিকার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং সুবিধাভোগীদের জন্য বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

    বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, মাতৃ বন্দনা যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী কন্যা সুমঙ্গলা যোজনা এবং মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক বিবাহ যোজনার মতো স্কিমগুলি বিবাহের মাধ্যমে জন্ম থেকে মেয়ে ও মহিলাদের আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা দিয়ে চলেছে৷

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “আমাদের সরকার দরিদ্র মানুষের জীবনের মান উন্নত করতে এবং উৎসবের আনন্দ সবার ঘরে পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ভর্তুকি (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) কোটি কোটি মায়ের চোখে রান্নার ধোঁয়া থেকে মুক্তি দেবে এবং তাঁদের আর্থিক বোঝা কমাবে।”

    আগের রেকর্ড

    গত বছর দীপাবলির সময়ও যোগী সরকার একইভাবে ১.৭৫ কোটির বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে সিলিন্ডার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) সরবরাহ করেছিল। চলতি বছরে সুবিধাভোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। যোগী আদিত্যনাথের এই সিদ্ধান্তে উত্তরপ্রদেশের গ্রামীণ এবং পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের মানুষের মধ্যে খুশির জোয়ার দেখা দিয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনও যোগ্য পরিবার এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয় এবং দ্রুত যেন টাকা অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।

  • Ayatollah Khameneis: ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ঘোষণা করল ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ খামেইনি

    Ayatollah Khameneis: ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ঘোষণা করল ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ খামেইনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি (Ayatollah Khameneis) তেহরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আজ রবিবার সকালে খবরটি নিশ্চিত করেছে। খামেইনির মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবারের হামলায় খামেইনির পাশাপাশি তাঁর মেয়ে, জামাই এবং নাতিরও মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

    এরই মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে, খামেইনি নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প খামেইনিকে “ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “এই ঘটনাটি ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ।”

    হামলার বিবরণ (Ayatollah Khameneis)

    শনিবার ভোরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল তেহরানে খামেইনির সুরক্ষিত বাসভবন কম্পাউন্ড লক্ষ্য করে জোরালো হামলা চালায়। স্যাটেলাইট চিত্রে খামেইনির দফতরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গিয়েছে। ইরানের (Iran) সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, খামেইনি (Ayatollah Khameneis) নিজের দফতরে থাকা অবস্থায়ই হামলার শিকার হন।

    ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরান শাসন করে আসছেন। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি শিয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সরকারের সকল শাখা, সামরিক বাহিনী এবং বিচার বিভাগের ওপর চূড়ান্ত কর্তৃত্বের অধিকারী ছিলেন। কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের করিম সাদ্দাদপুর সংবাদমাধ্যমে বলেন, খামেইনি ছিলেন ইতিহাসের এক দুর্ঘটনা। যিনি একজন দুর্বল রাষ্ট্রপতি থেকে প্রাথমিকভাবে দুর্বল সর্বোচ্চ নেতা হয়ে গত ১০০ বছরের পাঁচজন শক্তিশালী ইরানির একজন হয়ে উঠেছিলেন।

    ইরানের প্রতিক্রিয়া

    ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘তাসনিম’ জানিয়েছে, ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলি খামেইনি (Ayatollah Khameneis) শনিবার সকালে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী শাসকদের যৌথ হামলায় শহিদ হয়েছেন। ইরান (Iran) এই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলির দিকে একের পর এক মিসাইল নিক্ষেপ শুরু করেছে।

    অন্যান্য নেতার মৃত্যু

    ইরানি (Iran) সংবাদ মধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেইনির (Ayatollah Khameneis) পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির নাসিরজাদে এবং রেভল্যুশনারি গার্ডসের (IRGC) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরও এই হামলায় নিহত হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া খামেইনির কয়েকজন নিকটাত্মীয়ও মারা গিয়েছেন বলে খবর।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে লেখেন, “খামেইনি (Ayatollah Khameneis) এবং তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য নেতারা আমেরিকার উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে বাঁচতে পারেননি। এটিই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি বড় পদক্ষেপ। ইতিহাসের পাতায় অন্যতম কুখ্যাত ব্যক্তি খামেইনি। তাঁর বাহিনীর হাতে যাঁদের অঙ্গহানি বা মৃত্যু হয়েছে তাঁদের প্রতি ন্যায়বিচার হল। শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই আরও অন্তত এক সপ্তাহ ইরানে (Iran) বোমাবর্ষণ চলবে!”

    পরবর্তী পরিস্থিতি

    খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুর পর ইরানে (Iran) ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা খামেইনির কোনও নির্দিষ্ট উত্তরাধিকারী না থাকায় দেশটিতে এখন এক অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এহেন আবহে ইরান এই হামলার ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে।

  • Election Commission: ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করবে নির্বাচন কমিশন, রাজ্যে মোট কতগুলো বুথ হবে?

    Election Commission: ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করবে নির্বাচন কমিশন, রাজ্যে মোট কতগুলো বুথ হবে?

    মাধম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ নাগরিকদের কথা ভেবে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সব মিলিয়ে ৭৮টি কেন্দ্র গড়া হবে। কমিশন সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনায় ১৬টি বহুতলে নেওয়া হবে ভোট। দক্ষিণ ২৪ পরগনা পঁচিশ বহুতলে হবে বুথ, দক্ষিণ কলকাতার আরও একটি বহুতলে বুথ হবে। উত্তর কলকাতার পাঁচটি বহুতলে বুথ হবে। হাওড়ায় চারটি বহুতলে হবে ভোট। পূর্ব বর্ধমানে তিনটি বহুতলে হবে বুথ (Booth Centar), হুগলিতে তিনটি বহুতলে হবে বুথ।

    কত হবে বুথ সংখ্যা (Election Commission)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, গোটা রাজ্যে এখনও ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটকর্মীর ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। যেদিন এসআইআর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে সেদিন পর্যন্ত রাজ্যে বুথের সংখ্যা ছিল ৮০,৬৮১টি। কিন্তু ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে রাজ্যে কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন থেকে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে গোটা দেশে এবার প্রতিবুথে ১২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই বুথের সংখ্যা বাড়ছে। অপর দিকে হাইরাইস বিল্ডিং— বুথের (Polling Booths) সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮। এসআইআরে রাজ্যের বুথের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়ে ৯৫ হাজার। তবে প্রথম খসড়া তালিকায় যেহেতু ৫৮ হাজার নাম বাদ গিয়েছে তাই বুথের সংখ্যা কমে ৯০ হাজারে দাঁড়াতে পারে।

    মোট ভোটকর্মী

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতর এই ৯০ হাজার বুথের সংখ্যাকে ধরে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতির সব কাজ সেরে ফেলেছে। ৯০ হাজার বুথের জন্য রিসার্ভ নিয়ে মোট ৫,০৮,০০০ জন ভোটকর্মী লাগবে। যার মধ্যে ৬০ শতাংশ পুরুষ অর্থাৎ ৩,০২,৪০০ জন পুরুষ এবং ৪০ শতাংশ মহিলা অর্থাৎ ২,০১,৬০০ জন মহিলা ভোট কর্মী থাকছেন। অন্যদিকে ৩০ শতাংশ রিসার্ভ নিয়ে ব্যালট ও কন্ট্রোল ইউনিট মিলিয়ে মোট ইভিএম ২,২৫,০০০টি। তবে ভিভিপ্যাট থাকছে ৩৫ শতাংশ অর্থাৎ ১,২১,৫০০টি।

    ভোট ভিন রাজ্যে থেকে আনা হবে বাস

    বুথ (Polling Booths) নিয়ে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) যে নির্দেশ ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছিল সেই মোতাবেক সব বুথ প্রয়োজন অনুসারে ঠিক করা হয়েছে। বয়স্ক বা প্রবীণ নাগরিকরা যাতে ঠিক করে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা সঠিক ভাবে করা হয়েছে। নির্বাচনের কাজে কত সংখ্যা বাস লাগবে তার জন্য সমীক্ষা করা হয়েছে। রাজ্যের কত সংখ্যার সরকারি এবং বেসরকারি বাস আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনে ভিন রাজ্য থেকেও বাস আনার জন্য সমীক্ষা করা হচ্ছে। কমিশন নির্বাচনকে সুষ্ঠ ভাবে হিংসা মুক্ত করতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর।

  • Ramakrishna 592: “বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়, সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না”

    Ramakrishna 592: “বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়, সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    “বালকের মতো বিশ্বাস না হলে ঈশ্বরকে (Ramakrishna) পাওয়া যায় না। মা বলেছেন, ‘ও তোর দাদা’ বালকের অমনি বিশ্বাস যে, ও আমার ষোল আনা দাদা। মা বলেছেন, ‘জুজু আছে।’ ষোল আনা বিশ্বাস যে, ও-ঘরে জুজু আছে। এইরূপ বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়। সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না (Kathamrita)।”

    ডাক্তার (ভক্তদের প্রতি)—গরুর কিন্তু যা তা খেয়ে দুধ হওয়া ভাল নয়। আমার একটা গরুকে ওইরকম যা তা খেতে দিত। শেষে আমার ভারী ব্যারাম। তখন ভাবলুম, এর কারণ কি? অনেক অনুসন্ধান করে টের পেলুম, গরু খুদ ও আরও কি কি খেয়েছিল। তখন মহা মুশকিল! লখনউ যেতে হল। শেষে বার হাজার টাকা খরচ! (সকলের হো-হো করিয়া হাস্য)

    “কিসে কি হয় বলা যায় না। পাকপাড়ার বাবুদের বাড়িতে সাত মাসের মেয়ের অসুখ করেছিল —ঘুঙরী কাশি (Whooping Cough) — আমি দেখতে গিছিলাম। কিছুতেই অসুখের কারণ ঠিক করতে পারি নাই। শেষে জানতে পারলুম, গাধা ভিজেছিল, যে গাধার দুধ সে মেয়েটি খেত।” (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কি বল গো! তেঁতুলতলায় আমার গাড়ি গিছিল, তাই আমার অম্বল হয়েছে! (ডাক্তার ও সকলের হাস্য)

    ডাক্তার (হাসিতে হাসিতে)—জাহাজের ক্যাপ্তেনের বড় মাথা ধরেছিল। তা ডাক্তারেরা পরামর্শ করে জাহজের গায়ে বেলেস্তারা (blister) লাগিয়ে দিল। (সকলের হাস্য)

    সাধুসঙ্গ ও ভোগবিলাস ত্যাগ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি)—সাধুসঙ্গ সর্বদাই দরকার (Kathamrita)। রোগ লেগেই আছে। সাধুরা যা বলেন, সেইরূপ করতে হয়। শুধু শুনলে কি হবে? ঔষধ খেতে হবে, আবার আহারের কটকেনা করতে হবে। পথ্যের দরকার।

    ডাক্তার — পথ্যতেই সারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বৈদ্য তিনপ্রকার — উত্তম বৈদ্য, মধ্যম বৈদ্য, অধম বৈদ্য। যে বৈদ্য এসে নাড়ী টিপে ‘ঔষধ খেও হে’ এই কথা বলে চলে যায়, সে অধম বৈদ্য — রোগী খেলে কিনা, এ-খবর সে লয় না। আর যে বৈদ্য রোগীকে ঔষধ খেতে অনেক করে বুঝায়, মিষ্ট কথাতে বলে। ‘ওহে ঔষধ না খেলে কেমন করে ভাল হবে? লক্ষ্মীটি খাও, আমি নিজে ঔষধ মেড়ে দিচ্ছি খাও’, সে মধ্যম বৈদ্য। আর যে বৈদ্য রোগী কোন মতে খেলে না দেখে, বুকে হাঁটু দিয়ে জোর করে ঔষধ খাইয়ে দেয়, সে উত্তম বৈদ্য (Kathamrita)।

    ডাক্তার — আবার এমন ঔষধ আছে, যাতে বুকে হাঁটু দিতে হয় না। যেমন হোমিওপ্যাথিক।

  • The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলচ্চিত্র জগত এবং আইনি লড়াইয়ের আঙিনায় আবারও চর্চার কেন্দ্রে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2)। সিনেমার মুক্তির উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করেছে কোর্ট। সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court) এই সিনেমার প্রদর্শনী বা মুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও, সিনেমার মূল ভিত্তি অর্থাৎ যে পরিসংখ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে এই ছবি নির্মিত, তা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। ছবি নির্মাতাদের দাবি, “আদালত সিনেমাটি আটকাতে পারলেও বাস্তব তথ্য এবং পরিসংখ্যানকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও স্থগিতাদেশ (The Kerala Story-2)

    এই ছবিটি ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র (The Kerala Story-2) সিক্যুয়েল। প্রথম পর্বের মতো এই ছবিতেও প্রতারণামূলক ধর্মান্তকরণের বিষয়টি অন্বেষণ করা হয়েছে। তবে এবার গল্পের পরিধি কেরালার বাইরে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবির ট্রেলারে দাবি করা হয়েছে যে এটি বাস্তব ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত, আর এই দাবিই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং স্বঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিতর্কিত বিষয়বস্তু এবং নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে — এই যুক্তিতে সিনেমাটির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের মতে, সিনেমার দৃশ্যায়ন বা সংলাপ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। তবে ছবির নির্মাতারা একে ‘অভিব্যক্তির স্বাধীনতার’ ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

    সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান

    সিনেমার (The Kerala Story-2) প্রথম পর্বে কেরল থেকে নারীদের ধর্মান্তকরণ এবং আইসিসে (ISIS) যোগদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বেও একই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, যে তথ্যগুলি সংগ্রহ করেছেন তা বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং বাস্তব জীবনের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আদালত ছবির মুক্তি আটকালেও, বাস্তব পরিস্থিতি বা সংখ্যাতত্ত্ব বদলে যাব না।

    আদালত আইন শৃঙ্খলা এবং শ্লীলতা নিয়ে কাজ করবে, কিন্তু সমাজকেও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখতে হবে যে তারা কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত কি না। ২০১১ সালের আদমশুমারি (Census) দেখায় যে কেরলে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ২৬.৫৬ শতাংশ, যা ১৯৫১ সালে ছিল ১৭.৪ শতাংশ। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ১২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে রাজ্যের সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯ শতাংশ। একই সময়ে হিন্দুদের বৃদ্ধির হার ছিল ২.২৩ শতাংশ এবং খ্রিস্টানদের ১.৩৮ শতাংশ। স্পষ্টতই, বৃদ্ধির হারে একটি বড় অসঙ্গতি রয়েছে। শুধুমাত্র ধর্মান্তকরণই এর একমাত্র কারণ নয়; উচ্চ প্রজনন হার, সামাজিক জন বিন্যাসের ভারসাম্য এবং অন্যান্য কারণকে ভালো করে খুঁজে দেখতে হবে। ফলে ধর্মান্তকরণকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হবে বাস্তব তথ্যের প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকা।

    ২০১২ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডি কেরল বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৭,৭১৩ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে ২,৬৬৭ জন ছিলেন তরুণী। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আন্তঃধর্মীয় বিবাহ জড়িয়ে ছিল।

    দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াই

    সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরণের সিনেমা (The Kerala Story-2) সমাজে মেরুকরণ তৈরি করে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, সেন্সরশিপ বা আইনি বাধা দিয়ে কঠিন সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা আসলে শৈল্পিক স্বাধীনতা বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াইয়েরই অংশ।

    আপাতত আইনি গেরোয় (Kerala High Court) বন্দি হয়ে থাকলেও, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে বিতর্ক জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে। ছবিটির ভবিষ্যৎ কী হবে তা উচ্চতর আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করলেও, এই সিনেমা যে পরিসংখ্যানের লড়াই শুরু করেছে, তা সহজে হারিয়ে যাওয়ার নয়।

  • NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে (Social Science Text Book) বিচার বিভাগীয় দুর্নীতির উপর একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তীব্র আপত্তি করেছিল। এবার সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষ প্রকাশের পর জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ অর্থাৎ এনসিইআরটি বইটির বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, এনসিইআরটি (NCERT) স্বীকার করেছে যে বইটিতে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” শীর্ষক অধ্যায়টি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়কে অনুমোদন করা সম্ভবপর নয়।

    ত্রুটিটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভাবে করা হয়েছে (NCERT)

    এনসিআরটির পাঠ্যপুস্তকের (NCERT) বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” অধ্যায়। যার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২৫-১৪২। শিরোনামের ৪ নম্বর অধ্যায়ে কিছু অনুপযুক্ত পাঠ্য উপাদান এবং রায়ের ত্রুটি অসাবধানতাবশত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই এনসিইআরটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বইটির (Social Science Text Book) বিতরণ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। এনসিইআরটি জানিয়েছে, “স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগ অর্থাৎ শিক্ষা মন্ত্রণালয় একই রকম পর্যবেক্ষণ করেছে এবং নির্দেশ দিয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বইয়ের বিতরণ কঠোরভাবে স্থগিত রাখা হবে।” এই শিক্ষা সংস্থা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে তারা বিচার বিভাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে এবং এই ভুলটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। উক্ত অধ্যায়ে অনুপযুক্ত উপাদান অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিচার বিভাগের অপমান করতে দেওয়া যাবে না

    বুধবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে বিচার বিভাগের উপর দুর্নীতি সম্পর্কিত অধ্যায়টি চালু করার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এটিকে বিচার বিভাগের উপর আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করে বলেন, “পৃথিবীতে কাউকে বিচার বিভাগকে অপমান করতে দেওয়া যাবে না।” প্রধান বিচারপতি এই অধ্যায়টিকে (NCERT) বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য গভীরভাবে প্রোথিত এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে অভিহিত করেছেন। যে প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ স্তরের জনসাধারণের আস্থার কেন্দ্র, তাকে কোনও ভাবেই সন্দেহের মধ্যে ফেলা যায় না।

    ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন

    উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অধ্যায়ে আদালতের কাঠামো এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার পদ্ধতির পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার নিজেস্ব পদ্ধতিগত চ্যালেঞ্জগুলি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, মামলার বিশাল জট এবং বিচারকের ঘাটতি। পাঠ্যপুস্তকটিতে ভারতীয় আদালতগুলিতে বিচারাধীন মামলার পরিমাণ তুলে ধরে তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে। অনুমান করা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ৮১,০০০ মামলা, উচ্চ আদালতে প্রায় ৬২.৪০ লক্ষ এবং জেলা ও অধস্তন আদালতে প্রায় ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই অধ্যায়ের (NCERT) লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের (Social Science Text Book) বিচার ব্যবস্থার বাস্তব এবং চ্যালেঞ্জগুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর এটাতেই সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি।

  • Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের এখনও নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। তবে তার আগেই রাজ্যে আছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (Election Commission) সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকেই ধাপে ধেপে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) রাজ্যে ঢুকবে। যদিও ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা ছিল রাজ্যে। নির্ধারিত দিনের আগেই রাজ্যে বাহিনী ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৪৮০ কোম্পানি রাজ্যে আসবে।

    কোথায় কত বাহিনী (Election Commission)?

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতায় মোতায়েন করা হবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) ৷ একইভাবে মালদায় ১২ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট মিলিয়ে মোট ৩০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৯, বারাসতে ৬, বনগাঁ ৪, বসিরহাট ৭ এবং বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

    সবচেয়ে বেশি বাহিনী মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে মোট ৮ কোম্পানি করে জেলায় মোট ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ জেলাভিত্তিক বাহিনী মোতায়েনের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৷ হাওড়াতেও কমিশনারেট এবং পুলিশ জেলা মিলিয়ে ১৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট ১৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ হুগলি গ্রামীণ ও চন্দননগরে ৬ ও ৮ কোম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে ৷

    মালদায় ১২ কোম্পানি উত্তর দিনাজপুর ১১ কোম্পানি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি থাকবে৷ একইভাবে দার্জিলিং ও কোচবিহারে ৯ কোম্পানি করে বাহিনী থাকবে৷ পূর্ব বর্ধমানে আনা হচ্ছে ৮ কোম্পানি বাহিনী ৷ পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া ও বীরভূমে মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি ৷ পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আলিপুরদুয়ারে থাকবে ৫ কোম্পানি করে। সবচেয়ে কম ৩ কোম্পানি বাহিনী থাকবে কালিম্বং জেলায় ৷

    চূড়ান্ত তালিকার পর অশান্তির আশঙ্কা!

    এসআইআর-এর (Election Commission) কাজে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী তালিকা প্রকাশিত হবে। ভোটার তালিকাকে ইস্যু করে জেলায় জেলায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যের শাসক দল অবশ্য প্রথম থেকেই নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছে। অপরে কেন্দ্র সরকার এবং শাসক দল বিজেপির দাবি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই স্বচ্ছ ভোটার তালিকা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন চূড়ান্ত তালিকা ঘিরে নান জায়গায় অশান্তি এবং হিংসার ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন আঁচ করে বাহিনী (Central Forces) নিয়ে তৎপর হয়েছে।

LinkedIn
Share