Tag: madhyom news

madhyom news

  • Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরাসরি কাজে পাঠাতে হবে। কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force) বসিয়ে রাখা যাবে না। রাজ্যকে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর  ভূমিকা নিয়ে নানা ভাবে প্রশ্ন ওঠে। অনেকবার আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় রাখার কথাও বলা হয়। তাই নির্বাচন  কমিশন এবার সাফ নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের প্রশাসনকে।

    নির্বাচন কমিশনের হাতে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ (Election Commission)

    রাজ্যে ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের প্রেক্ষিতে শাসক বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) হাতে যদি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তাহলে কাজ হবে। আর বাহিনী (Central Force) রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে থাকলে, কোনও দিনই কাজ করতে পারবে না। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, বাহিনী এনে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। যদিও শাসক দল লোকসভার ভোট হোক আর বিধানসভার ভোট সবেতেই বরাবর আপত্তি করে থাকে। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির হয়ে কাজ করে নির্বাচন কমিশন। কখনও কখনও ভোট কর্মীরাও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করাতে নারাজ। বাহিনীকে কীভাবে কমিশন কাজে লাগাবে তাই নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠছে।

    কোথায় কত বাহিনী

    মার্চেই প্রথম সপ্তাহে রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। দুই দফায় বাহিনী আসবে রাজ্যে। ১ মার্চ রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। ১০ মার্চ বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। ৪৮০ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে থাকছে সিআরপিএফ ২৩০ কোম্পানি, বিএসএফ ১২০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৩৭ কোম্পানি, আইটিবিপি ৪৭ কোম্পানি ও এসএসবি ৪৬ কোম্পানি।

    স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে

    সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ও রাজ্য পুলিশ প্রশাসন।  বৈঠকেই নির্বাচন কমিশন প্রশ্ন তুলেছে ভোটের কাজে বাহিনী এসে কি বসে থাকবে? তাই  কমিশনের নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরাসরি জায়গায় পাঠিয়ে কাজে লাগাতে হবে। এখন কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে জিপিএস থাকবে। সেই সঙ্গে কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্য প্রশাসন সবটাতেই পর্যবেক্ষণ করবে। বৈঠকের পর রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। নির্বাচন ভালোভাবেই হবে।

    বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “প্রথম কথা হল কমিশনের যদি আজও চোখ না ফোটে, তাহলে কোনওদিনই চোখ ফুটবে না। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টেরই নির্দেশ মানছে না, তাহলে কমিশনের কথা কেন শুনবে? একটা বিষয় খুব স্পষ্ট, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিচালনার দায়িত্ব যদি রাজ্য সরকারের কোনও মন্ত্রকের হাতে থাকে, তাহলে সেই বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে। কোনও কাজ হবে না। বাহিনীকে (Central Force) নির্বাচন কমিশনের হাতে রেখে কাজ করাতে হবে।” অপর দিকে বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূল নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “ মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য যত মিলিটারি, আধাসামরিক বাহিনী (Central Force) নিয়ে আসা হয়েছে। এখন সৈন্য নামিয়ে মানুষকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি।

  • T20 World Cup 2026: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে বড় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের, আরও কি কঠিন হল ভারতের সেমিফাইনালের রাস্তা?

    T20 World Cup 2026: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে বড় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের, আরও কি কঠিন হল ভারতের সেমিফাইনালের রাস্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় জয়ের পর ভারত কীভাবে সেমিফাইনালে (T20 World Cup 2026) উঠতে পারে? এই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে ক্রিকেট প্রেমীদের মনে। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সুপার এইট-এর ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ১০৭ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ফলাফলের পর ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে প্রথম ম্যাচে ৭৬ রানে হারার পর ভারত এখন গ্রুপ ২-এর পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আর পয়েন্টের বিচারে অনেকেই মুশকিল মনে করেছেন। আসুন এক নজরে দেখে নেই কোন কোন অবস্থানে ভারত রয়েছে–

    বাকি দুই ম্যাচে জয় (T20 World Cup 2026)

    ভারতকে (Indian Cricket Team) তাদের বাকি দুটি ম্যাচ অর্থাৎ ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং জিম্বাবোয়ের সঙ্গে জিততে হবে। এতে ভারতের সংগ্রহ হবে ৪ পয়েন্ট (T20 World Cup 2026) । যদি দক্ষিণ আফ্রিকাও তাদের সব ম্যাচ জেতে, তবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা উভয় দলই সেমিফাইনালে যাবে।

    নেট রান রেটের হিসাব

    ভারত যদি বাকি দুই ম্যাচ জেতে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের একটি ম্যাচে হেরে যায়, তবে তিনটি দলেরই ৪ পয়েন্ট করে হতে পারে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেটের (NRR) ভিত্তিতে সেরা দুটি দল সেমিফাইনালে (Indian Cricket Team) পৌঁছাবে।

    দক্ষিণ আফ্রিকার হার

    ভারত যদি দুটি ম্যাচই জেতে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের বাকি ম্যাচগুলো হেরে যায়, তবে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ পরবর্তী রাউন্ডে (T20 World Cup 2026) চলে যাবে।

    একটি ম্যাচ হারলে বিদায়

    ভারত যদি বাকি দুটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জেতে, তবে অন্য দলের ফলাফল যাই হোক না কেন, টিম ইন্ডিয়া (Indian Cricket Team) সেমিফাইনালের (T20 World Cup 2026) দৌড় থেকে ছিটকে যাবে।

    ভারতের বাকি ম্যাচের সূচি

    • ২৬ ফেব্রুয়ারি: ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে (চেন্নাই)
    • ১ মার্চ: ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (কলকাতা)

    সুপার ৮ গ্রুপ ২-এর বর্তমান অবস্থার কথা বিবেচনা করলে দেখা যায় বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ১টি করে ম্যাচ জিতে যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে আছে। ভারতের (Indian Cricket Team) রান রেট বর্তমানে -৩.৮০০।

  • Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: এবার নথি যাচাই করতে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (SIR) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বিশেষ দিনক্ষণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নথি যাচাই এবং সমাধানের জন্য ভিন রাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি যে ভিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ।

    ২৫০ জন জেলা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা জজ  নিযুক্ত (Supreme Court)

    প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) এদিন নির্দেশ দেওয়ার সময় বলেন, “আমরা কলকাতা হাইকোর্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেয়েছি। একজন অফিসার যদি ৫০টি অভিযোগ খতিয়ে দেখেন, তাহলে মোট যত অফিসার নিয়োগ হচ্ছে, সেই অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে ৮০ দিন সময় লাগবে। একই ভাবে সিভিল জজ যাদের তিন বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের ব্যবহার করা উচিত।” তবে কাদের ব্যবহার করা হবে তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। মোট ৮০ লক্ষ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। ২৫০ জন জেলা জজ এবং অ্যাডিশনাল জেলা জজ পদমর্যাদা বিচারপতি নিয়োগ করা হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা (SIR) প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি আর অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে নিয়মিত।

    চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের সুবিধার জন্য এসআইআর-এর (SIR) নিয়ম-নীতি সম্পর্কে স্বচ্ছতার সঙ্গে অবগত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আধার কার্ড এবং অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্যতা পাবেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘কাট অফ ডেট’ অনুযায়ী তথ্যের নথি গৃহীত হবে। দায়িত্বে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারকে তথ্য এবং ডকুমেন্টসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে এআরও এবং এইআরও। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেছেন, “কোন ভোটাররা নাম তালিকা ভুক্ত করতে এগিয়ে এলেন, তা আমাদের চিন্তার বিষয় নয়। আমাদের চিন্তার বিষয় প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।” প্রধান বিচারপতির এই নির্দেশের পর যদিও রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভিন রাজ্যের বিচারকরা বাংলা ভাষা বুঝবেন না।” তখন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের মানুষ ভাষা বোঝেন। একসময় পুরো এলাকায় বাংলার ছিল।

  • West Bengal SIR: তৈরি ২০২ লগ ইন আইডি, প্রায় ৫০ লক্ষের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু বিচারকদের

    West Bengal SIR: তৈরি ২০২ লগ ইন আইডি, প্রায় ৫০ লক্ষের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু বিচারকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তিগত সমস্যা কাটিয়ে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় তথ্যগত অসঙ্গতির নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের নিযুক্ত বিচারকরা। সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে এই কাজ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারকরা ভোটারদের তথ্যগত অসঙ্গতির (Logical Discrepancy) বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে তা নিষ্পত্তি করবেন। কাজ শুরুর সময়ে ওটিপি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তা অনেকটাই এখন মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (Election Commission) এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।

    বিচারকদের বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, বিচারকদের জন্য এখনও পর্যন্ত ২০২ লগ-ইন আইডি তৈরি করা হয়েছে। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। হাতে সময় মাত্র চারদিন। এখন ৭০ লক্ষ মানুষের তথ্য কীভাবে যাচাই করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিদিনের কাজে এসআইআর সম্পর্কে অগ্রগতির রিপোর্ট দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আসার পর থেকেই দফায় দফায় মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক, মুখ্যসচিব-সহ শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন প্রধান বিচারপতি। রবিবারও ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। কী কী কাজ (SIR) করতে হবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো কোন কোন নথি যাচাই করতে হবে এই সব তথ্য বিচারকদের বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন (Election Commission)। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররাও।

    ২৪০ জন বিচারককে নিয়োগ

    হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, সময় নষ্ট না করে নথি যাচাই এবং নিস্পত্তি করণের কাজ দ্রুত করতে হবে। এখনও পর্যন্ত অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এই সময়ে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। সময়ে কাজ শেষ করা কঠিন। নাগরিকত্ব আদালত ঠিক করবে না কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কাজ হবে। ইতিমধ্যে বিধানসভা-ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বিচারকদের। ভোটার তালিকা (Election Commission) থেকে কাদের নাম বাদ যাবে, কাদের নাম থাকবে-সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত যাবতীয় নথি ‘বিচার’ করে দেখবেন তাঁরা। ২১ ফেব্রুয়ারি ওই কাজের জন্য প্রাথমিক ভাবে ২৪০ জন বিচারককে নিয়োগ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    ৫০ লক্ষ যাচাইকরণ বাকি

    কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৫০ লক্ষের কাছাকাছি ভোটারের তথ্য যাচাই এবং নিষ্পত্তির কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলোই করবেন বিচারকেরা (SIR)। রাজ্যের অ্যাডভকেট জেনারেল বলছেন, ‘‘অন্য রাজ্যে বাংলার বাড়ি সমগোত্রের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই রাজ্যে তা অবৈধ বলা হয়েছে। এসআইআরে কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির বাইরে অন্য নথি গ্রহণ না করলে অনেক যোগ্য ভোটারের নাম বাদ চলে যাবে। এটা সঠিক পদ্ধতি নয়। এই সব ভোটারদের আরও সুযোগ দেওয়া হোক।’’ অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী বলেন, “অন্য রাজ্যের সঙ্গে এই রাজ্যের তুলনা ঠিক নয়। এখানকার পরিস্থিতি আলাদা। বাংলার বাড়ি সহ ওই ধরনের নথি গ্রহণ করা সঠিক কাজ হবে না।”

    মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার

    অপর দিকে জুডিশিয়াল অফিসারদের অনেকে মালদা, মুর্শিদাবাদ জেলায় কতটা ভয় মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের সূত্রে জানানো হয়েছে, স্পর্শকাতর এলাকায় প্রয়োজনে নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “মুর্শিদাবাদে ইতিমধ্যে কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। তাদের ব্যবহার করা যেতে পারে।” মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) মনোজ আগরওয়াল বলেছেন, “সোমবার বৈঠকে সকল বিচার বিভাগীয় অফিসারদের অনলাইন পোর্টাল (SIR) নিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে গিয়েছে। ওটিপি নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল, তাও মিটে গিয়েছে।”

    তৃণমূল অবৈধ ভোটারদের পক্ষে

    রাজ্যে এসআইআরকে নিয়ে প্রথম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনকে অসহযোগিতা করছে বলে  অভিযোগ করছে বিজেপি। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকারি বি-গ্রুপের আধিকারিকদের দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি মমতা সরকার। অন্যদিকে, বিএলও-দের নানা সময়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল সরকার অবৈধ ভোটার, অনুপ্রবেশকারী, বাংলাদেশি মুসলমান, রোহিঙ্গাদের পক্ষে কাজ করছে। তাই ভোট ব্যাঙ্কে যাতে কোপ না পরে তাই নিয়ে তৃণমূল সাংবিধান এবং দেশকে বিপদের দিকে ঢেলে দিচ্ছে।

  • Weather Update: মঙ্গল ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে, বসন্তে ভিজল কলকাতা

    Weather Update: মঙ্গল ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে, বসন্তে ভিজল কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দিয়েছিল। সেই পূর্বাবাস মিলিয়েই মঙ্গলবার ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া। দক্ষিণবঙ্গে একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। বঙ্গোসাগরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপই এই হাওয়া বদলের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর এবং উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বসন্তের বৃষ্টিতে ভিজেছে কলকাতা মহানগরও (Kolkata Weather)।

    বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়া এমনটাই থাকবে (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত ইতিমধ্যে নিম্নচাপে (Weather Update) পরিণত হয়েছে। কলকাতা (Kolkata Weather), উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে আপাতত ভারি বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়া এমনটাই থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    এক ধাক্কায় পারদ নামল ২৩ ডিগ্রিতে

    মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঝিরঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বেশি সময় ধরে এই বৃষ্টি হয়নি। শোনা গেছে বজ্রপাতের শব্দও। এই বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছে। ফলে ভোর থেকেই ঠান্ডা অনুভব হয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলে তা এক ধাক্কায় নেমে এসেছে ২৩ ডিগ্রিতে। উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমানে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা (Weather Update) জারি হয়েছে।

    দুর্যোগের সম্ভাবনা তেমন নেই

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া মূলত শুকনো থাকবে বলে জানিয়েছে। আজ সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে। হালকা রোদের ঝলক দেখা গেলেও বেশি সময় থাকবে না। কিছু কিছু জেলায় বৃষ্টি চলবে তবে দুর্যোগের সম্ভাবনা তেমন নেই। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিন্মচাপ (Weather Update) দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। পরে এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাবে। আবহাওয়ায় প্রভাব পড়বে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং সহ কয়েকটি এলাকায় সোমবার ও মঙ্গলবার হালকা বৃষ্টি ও বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জেলাগুলিতে তেমন সতর্কতা নেই।

  • Ramakrishna 589: “ঘুম ভেঙেছে আর কি ঘুমাই, যোগে-যাগে জেগে আছি, এখন যোগনিদ্রা তোরে দিয়ে মা, ঘুমেরে ঘুম পাড়ায়েছি!”

    Ramakrishna 589: “ঘুম ভেঙেছে আর কি ঘুমাই, যোগে-যাগে জেগে আছি, এখন যোগনিদ্রা তোরে দিয়ে মা, ঘুমেরে ঘুম পাড়ায়েছি!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    জ্ঞানযোগ বড় কঠিন 

    “বিচারপথে জ্ঞানযোগের পথে, তাঁকে পাওয়া যায়। কিন্তু এ-পথ বড় কঠিন। আমি শরীর নই, মন নই, বুদ্ধি নই। আমার রোগ নাই, শোক নাই, অশান্তি নাই; আমি সচ্চিদানন্দস্বরূপ (Ramakrishna) আমি সুখ-দুঃখের অতীত, আমি ইন্দ্রিয়ের বশ নই, এ-সব কথা মুখে বলা খুব সোজা। কাজে করা, ধারণা হওয়া বড় কঠিন। কাঁটাতে হাত কেটে যাচ্ছে, দরদর করে রক্ত পড়ছে, অথচ বলছি, কই কাঁটায় আমার হাত কাটে নাই, আমি বেশ আছি। এ-সব বলা সাজে না। আগে ওই কাঁটাকে জ্ঞানাগ্নিতে পোড়াতে হবে তো।”

    বইপড়া জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য—ঠাকুরের শিক্ষাপ্রণালী

    “অনেকে মনে করে, বই না পড়ে বুঝি জ্ঞান হয় না, বিদ্যা হয় না। কিন্তু পড়ার চেয়ে শুনা ভাল, শুনার চেয়ে দেখা ভাল (Kathamrita)। কাশীর বিষয় পড়া, কাশীর বিষয় শুনা, আর কাশীদর্শন অনেক তফাত।

    “আবার যারা নিজে সতরঞ্চ খেলে, তারা চাল তত বুঝে না, কিন্তু যারা না খেলে, উপর চাল বলে দেয়, তাদের চাল ওদের চেয়ে অনেকটা ঠিক ঠিক হয়। সংসারী লোক মনে করে, আমরা বড় বুদ্ধিমান কিন্তু তারা বিষয়াসক্ত। নিজে খেলছে। নিজেদের চাল ঠিক বুঝতে পারে না। কিন্তু সংসারত্যাগী (Ramakrishna) সাধুলোক বিষয়ে অনাসক্ত। তারা সংসারীদের চেয়ে বুদ্ধিমান। নিজে খেলে না, তাই উপর চাল ঠিক বলে দিতে পারে।”

    ডাক্তার (ভক্তদিগের প্রতি) — বই পড়লে এ-ব্যক্তির (পরমহংসদেবের) এত জ্ঞান হত না। Faraday communed with Nature. প্রকৃতিকে ফ্যারাডে নিজে দর্শন করত, তাই অত Scientific truth discover করতে পেরেছিল। বই পড়ে বিদ্যা হলে অত হত না। Mathematical formulae only throw the brain into confusion — Original inquiry-র পথে বড় বিঘ্ন এনে দেয়।

    ঈশ্বর-প্রদত্ত জ্ঞান — Divine wisdom and Book learning

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি) — যখন পঞ্চবটীতে মাটিতে পড়ে পড়ে মাকে ডাকতুম, আমি মাকে বলেছিলাম, মা, আমায় দেখিয়ে দাও কর্মীরা কর্ম করে যা পেয়েছে, যোগীরা যোগ করে যা দেখেছে, জ্ঞানীরা বিচার করে যা জেনেছে। আরও কত কি তা কি বলব!

    “আহা! কি অবস্থাই গেছে! ঘুম যায়!”

    এই বলিয়া পরমহংসদেব গান করিয়া বলিতে লাগিলেন —

    “ঘুম ভেঙেছে আর কি ঘুমাই, যোগে-যাগে জেগে আছি।
    এখন যোগনিদ্রা তোরে দিয়ে মা, ঘুমেরে ঘুম পাড়ায়েছি!

    “আমি তো বই-টই কিছুই পড়িনি, কিন্তু দেখ মার নাম করি বলে আমায় সবাই মানে। শম্ভু মল্লিক আমায় বলেছিল, ঢাল নাই, তরোয়াল নাই, শান্তিরাম সিং?” (সকলের হাস্য)

    শ্রীযুক্ত গিরিশচন্দ্র ঘোষের বুদ্ধদেবচরিত অভিনয় কথা হইতে লাগিল। তিনি ডাক্তারকে নিমন্ত্রণ করিয়া ওই অভিনয় দেখাইয়াছিলেন। ডাক্তার উহা দেখিয়া যারপরনাই আনন্দিত হইয়াছিলেন।

    ডাক্তার (গিরিশের প্রতি)—তুমি বড় বদলোক! রোজ থিয়েটারে যেতে হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি— কি বলছে (Kathamrita), আমি বুঝতে পারছি না।

    মাস্টার—ওঁর থিয়েটার বড় ভাল লেগেছে।

  • Weather Update: বসন্তে ভিজবে কলকাতা, দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় সতর্কতা, বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গেও

    Weather Update: বসন্তে ভিজবে কলকাতা, দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় সতর্কতা, বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে চলতি সপ্তাহে বিক্ষিপ্ত ঝড় বৃষ্টির (Weather Update) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টিতে ভিজবে দক্ষিণের অন্তত নটি জেলা। ইতিমধ্যে চার জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে ভারি বৃষ্টি বা দুর্যোগের (Rain Forecast) আপাতত তেমন কোথাও সম্ভাবনা নেই।

    সোমবার এবং মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে হতে পারে ব্রজপাতও (Weather Update)। মাঝে মাঝে বইবে ঝোড় হাওয়া। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনার একই রকম পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বাঁকুড়ায় সোমবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে আলাদা করে সতর্কতা করা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের জন্য। এই জেলাগুলিতে সোমবার এবং মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। বাকি সময়ে আবহাওয়া (Rain Forecast) মূলত শুকনো থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

    কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি

    রাজ্যে শীত পেরিয়া বসন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সোমবার ভোরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি বেশি। এ ছাড়া রবিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Weather Update) হয়েছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি বেশি। সোমবার দক্ষিণবঙ্গের কোনো জেলাতেই তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামেনি। কলকাতার উপকণ্ঠে সল্টলেকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। তার প্রভাবেই রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুরি এবং কালিম্পঙের কিছু কিছু এলাকায় সোমবার এবং মঙ্গলবার বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি (Rain Forecast) হতে পারে। তবে এই জেলাগুলিতে আলাদা করে সতর্কতা জারি করা হয়নি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী সাত দিনে তাপমাত্রার তেমন হেরফেরের সম্ভাবনা নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গরম আরও বাড়বে।

  • Meerut Namo Bharat Train: দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Meerut Namo Bharat Train: দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দিল্লি-মিরাটের মেট্রো পরিষেবা (Meerut Namo Bharat Train) চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-মিরাট দ্রুত রেল করিডোর জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলেন। ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলাচলের হিসেবে মিরাট মেট্রো ভারতের দ্রুততম রেল ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে। এই রেল পরিষেবার ফলে দিল্লি এবং মিরাটের মধ্যে ভ্রমণ মাত্র ৫৫ মিনিটেই সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে।

    সর্বোচ্চ গতি ১৩৫ কিমি/ঘন্টা (Meerut Namo Bharat Train)

    প্রধানমন্ত্রী শতাব্দী নগর স্টেশন থেকে মীরাট মেট্রো এবং নমো ভারত ট্রেন (Meerut Namo Bharat Train) উভয়েরই সূচনা করেন। দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মীরাট নমো ভারত করিডোরটি ৮২.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি ভারতের প্রথম আঞ্চলিক দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা বা আরআরটিএস, যা দিল্লির সরাই কালে খানকে উত্তর প্রদেশের মোদিপুরমের সাথে সংযুক্ত করে করেছে।

    ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মিরাট মেট্রো শহরের মধ্যেই চলবে এবং মিরাট সেকশনে নমো ভারত র‍্যাপিড রেলের সাথে ট্র্যাককে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা স্টেশন থেকে বাইরে বের হয়েই দুটি পরিষেবাকে একসঙ্গে নিতে পারবে। মোট করিডোরের দৈর্ঘ্য ২৩ কিলোমিটার, করিডোরে ১৬ কিলোমিটার উঁচু ট্র্যাক এবং ৭ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ ট্র্যাক রয়েছে।

    মিরাট মেট্রো করিডোরের মোট ১৩টি স্টেশন

    ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রো (Meerut Namo Bharat Train) করিডোরে মোট ১৩টি স্টেশন রয়েছে। নয়টি স্টেশন এলিভেটেড। এগুলি হল মিরাট দক্ষিণ, পারতাপুর, রিথানি, শতাব্দী নগর, ব্রহ্মপুরী, এমইএস কলোনি, দৌরলি, মিরাট উত্তর এবং মোদিপুরম। তিনটি স্টেশন, মিরাট সেন্ট্রাল, ভৈশালি এবং বেগমপুল, ভূগর্ভস্থ। মোদিপুরম ডিপো একটি উচ্চমানের স্টেশন। চারটি স্টেশন, মিরাট দক্ষিণ, শতাব্দী নগর, বেগমপুল এবং মোদিপুরম, নমো ভারত এবং মিরাট মেট্রো ট্রেন উভয় পরিষেবাই দেবে।

    মিরাট মেট্রো সময়সূচী

    ব্যস্ত সময়ে, ট্রেনগুলি (Meerut Namo Bharat Train) প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিট অন্তর চলবে। অন্য সময়ে, ট্রেনের ফ্রিকোয়েন্সি হবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। পরিষেবাগুলি সপ্তাহের প্রথম পাঁচ দিন এবং শনিবার সকাল ৬:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত এবং রবিবার সকাল ৮:০০ টা থেকে রাত ১০:০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীরা একটি টিকিটেই নমো ভারত এবং মীরাট মেট্রো, উভয় ট্রেনেই ভ্রমণ করতে পারবেন। ভাড়ার বিস্তারিত ঘোষণা এখনও করা হয়নি।

    মিরাট মেট্রো: বৈশিষ্ট্য এবং যাত্রী সুবিধা

    মিরাট মেট্রো ট্রেনগুলি তিন কোচ বিশিষ্ট। প্রতিটি ট্রেন ৭০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহন করতে পারে, যার মধ্যে ১৭৩ জনের আসন সংখ্যা রয়েছে। মূল বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে:

    • শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচ
    • কুশনযুক্ত আসন
    • লাগেজ র‍্যাক এবং গ্র্যাব হ্যান্ডেল
    • সিসিটিভি ক্যামেরা
    • ইউএসবি মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট
    • গতিশীল রুট মানচিত্র
    • জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অ্যালার্ম
    • অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং টক-ব্যাক সিস্টেম

    সমস্ত স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন দরজা স্থাপন করা হবে এবং ট্রেন পরিচালনার সাথে সিঙ্ক্রোনাইজ করা হবে। পুশ বোতামের মাধ্যমে নির্বাচিত দরজা খোলার ফলে শক্তির ব্যবহার কমাতে সাহায্য করবে। প্রতিটি কোচে মহিলা এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত আসন থাকবে। স্টেশন এবং ট্রেনগুলি সর্বজনীন প্রবেশাধিকারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, হুইলচেয়ার এবং মেডিকেল স্ট্রেচারের জন্য জায়গা রয়েছে, পাশাপাশি প্রশস্ত লিফটও রয়েছে। ট্রেনগুলির বাইরের রঙের স্কিম সবুজ, নীল এবং কমলা।

    মিরাট মেট্রো: ভ্রমণের সময়

    সম্পূর্ণরূপে চালু হয়ে গেলে, দিল্লি-মিরাট যাত্রায় প্রায় ৫৫ মিনিট সময় লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সমন্বিত ব্যবস্থার লক্ষ্য হল মিরাট, গাজিয়াবাদ, নয়ডা, দিল্লি এবং গুরুগ্রামের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করা এবং রাস্তার যানজট কমানো। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) আজ দেশবাসীকে উৎসর্গ করলেন এই পরিষেবা।

    কত দিনে বাস্তবায়ন

    ২০১৬ সালে রাইটস (RITES) কর্তৃক বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদি ৮ মার্চ, ২০১৯ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। প্রথম ট্রায়াল রানটি ১২ জানুয়ারী, ২০২৫ তারিখে মিরাট সাউথ এবং মিরাট সেন্ট্রালের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    রবিবার প্রধানমন্ত্রী ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-মীরাট নমো ভারত করিডোরটি জনগণকে (Meerut Namo Bharat Train) উৎসর্গ করেছেন। এর মধ্যে ভারতের প্রথম আঞ্চলিক দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থার (RRTS) অবশিষ্ট অংশগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলি হল-

    • দিল্লির সরাই কালে খান এবং নিউ অশোক নগরের মধ্যে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ
    • উত্তর প্রদেশের মিরাট সাউথ এবং মোদিপুরমের মধ্যে ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ
  • ABVP: অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে চোখ অন্ধ করার অপচেষ্টা! আক্রন্ত এবিভিপি, জেএনইউতে বামপন্থীদের তাণ্ডব

    ABVP: অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে চোখ অন্ধ করার অপচেষ্টা! আক্রন্ত এবিভিপি, জেএনইউতে বামপন্থীদের তাণ্ডব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ ফেব্রুয়ারি, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) বেশ কয়েকজন ছাত্রের উপর নৃশংসভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আক্রান্তদের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। মূল অভিযোগ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে। সমতা মিছিলের পর আকস্মিক আক্রমণ বলে জানা গিয়েছে।

    পাথর নিয়ে মুখঢেকে ছাত্রাবাসে হামলা

    এবিভিপি (ABVP) সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যাম্পাসের ভেতরে বামপন্থী গোষ্ঠীগুলির দ্বারা এই আক্রমণ পূর্বপরিকল্পিত ছিল। লাঠি, লোহার রড এবং পাথর নিয়ে মুখঢেকে ছাত্রাবাসে হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের ব্যাপক মারধর করা হয়। ফলে বেশ কয়েকজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়। এবিভিপির ছাত্র নেতারা বলেছেন, “যা ঘটেছে তা স্বতঃস্ফূর্ত সংঘর্ষ নয় বরং রাতের সুযোগ নিয়ে বাম-সমর্থিত গোষ্ঠীর দ্বারা পরিচালিত একটি সমন্বিত আক্রমণ।”

    স্টাডি রুমের ভেতরে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা (ABVP)

    এক বিবৃতিতে, এবিভিপি-এর (ABVP) জেএনইউ ছাত্র সংসদের যুগ্ম সম্পাদক বৈভব মীনা বলেছেন, “গত ৭-৮ দিন ধরে বামপন্থী দলগুলি ক্যাম্পাসে আক্রমণাত্মক ধর্মঘট চালিয়ে আসছে। রবিবার রাতে, প্রায় ৩০০-৪০০ মুখোশধারীর একটি দল বিভিন্ন বিভাগের স্কুলে প্রবেশ করে। এরপর জোরপূর্বক অধ্যয়ন কক্ষগুলি দখল করে নেয়। তাদের বাধা দিতেই প্রতীকের ওপর হামলা করা হয়। তাঁকে এখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অবস্থা গুরুতর। লাইব্রেরি এবং রিডিং হলগুলিতে যারা পড়াশুনা করছিলেন তাঁদের জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজয় নামে এক ছাত্রকে ১০০-১৫০ জনের একটি দল ঘিরে ফেলে এবং নির্মমভাবে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। নিরাপত্তা কর্মী এবং পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোনও রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

    অগ্নিনির্বাপক পাউডার দিয়ে অন্ধ করার চেষ্টা

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) সমাজ বিজ্ঞান স্কুলের ভেতরে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হল এই আক্রমণ। বায়োটেকনোলজির ছাত্র প্রতীক ভরদ্বাজকে বামপন্থী কর্মীরা অতর্কিত আক্রমণ করেছে। এবিভিপি (ABVP) অভিযোগ করেছে, নির্মমভাবে মারধর করার আগে সাময়িকভাবে অন্ধ করে দেওয়ার জন্য প্রতীকের চোখে অগ্নিনির্বাপক পাউডার ঢেলে দেওয়া হয়েছিল।

    এবিভিপির জেএনইউ মিডিয়া কনভেনর বিজয় জয়সওয়াল এই ঘটনাটিকে “পূর্বপরিকল্পিত” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা বিশেষভাবে এবিভিপি কর্মী এবং শিক্ষার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

    ভিসির মন্তব্যকে ঢাল করে উত্তেজনা

    ইউজিসি ইক্যুইটি নিয়মকানুন নিয়ে উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুদি পণ্ডিতের (JNU) কথিত মন্তব্যকে হাতিয়ার করে বামা এনএসইউআই। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়নের তরফে “সমতা মিছিল” বের করা হয়। আর তারপর উপস্থিত শক্তি দিয়ে হিংসার ঘটনাকে নেতৃত্ব দেয়। তবে এই বিক্ষোভ মিছিলে প্রচুর বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে নিয়ে এসে আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    সন্ত্রাসের রাত

    এই ঘটনার পর, এবিভিপির (ABVP) তরফে প্রশাসনের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় কঠোর ব্যবস্থা এবং অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। গোটা ঘটনাকে সন্ত্রাসের রাত বলে অভিহিত করা হয়েছে। দেশের জাতীয় রাজধানীর একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে এত বড় আকারের হিংসার ঘটনা ঘটবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এরপর থেকে ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • Boong: ঐতিহাসিক! প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে বাফটা পুরস্কার জিতল মণিপুরী ছবি ‘বুং’

    Boong: ঐতিহাসিক! প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে বাফটা পুরস্কার জিতল মণিপুরী ছবি ‘বুং’

    মধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরী ভাষায় চলচ্চিত্র ‘বুং’ (Boong) একটি ঐতিহাসিক নজির সৃষ্টি করেছে। এটি প্রথম ভারতীয় সিনেমা হিসেবে ব্রিটিশ একাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস (BAFTA) ২০২৬-এ ‘সেরা শিশু ও পারিবারিক চলচ্চিত্র’ (Best Children’s & Family Film) বিভাগে পুরস্কারে জয়ী হয়েছে। ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে বাফটা (BAFTA) জয় করাকে অনন্য সাফল্য হিসেবে দেখছেন সিনেমা প্রিয় দর্শকরা।

    শিশু ও পারিবারিক চলচ্চিত্রের শিরোপা (Boong)

    লন্ডনের রয়্যাল ফেস্টিভ্যাল হলে অনুষ্ঠিত ৭৯তম বাফটা পুরস্কার অনুষ্ঠানে মণিপুরী ভাষার চলচ্চিত্র ‘বুং’ (Boong) শ্রেষ্ঠ শিশু ও পারিবারিক চলচ্চিত্রের শিরোপা জিতেছে। এটিই এই বছর বাফটাতে একমাত্র ভারতীয় সিনেমা হিসবে মনোনয়ন পেয়েছিল। সিনেমাটি ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’, ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং ফরাসি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ভিত্তিক চলচ্চিত্র। উল্লেখ্য ‘আর্কো’-র মতো বিশ্বখ্যাত সিনেমাগুলোকে (BAFTA) হারিয়ে এই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে কোনও ভারতীয় ভাষার সিনেমা। এই জয় প্রত্যেক ভারতীয়র কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

    পরিচালক ও প্রযোজনা

    বুং (Boong) ছবিটি পরিচালনা করেছেন নবাগত পরিচালক লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী। এটি প্রযোজনা করেছেন ফারহান আখতার ও রিতেশ সিধওয়ানি (এক্সেল এন্টারটেইনমেন্ট), অ্যালান ম্যাকঅ্যালেক্স এবং সুজাত সওদাগর।

    সিনেমার কাহিনী

    ‘বুং’ (Boong) একটি হৃদয়স্পর্শী গল্প মণিপুরের প্রেক্ষাপটে তৈরি। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘বুং’ নামের একটি ছোট স্কুলছাত্র। সে বিশ্বাস করে যে তার মায়ের জন্য সবচেয়ে সেরা উপহার হবে তার নিখোঁজ বাবাকে খুঁজে বের করে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা। বাবাকে অনুসন্ধানের যাত্রাটিতে মণিপুরের সীমান্ত উত্তেজনা, জাতিগত পরিচয় এবং পারিবারিক ভাঙন ও পুনর্মিলনের এক গভীর অনুভূতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় সিনেমার (BAFTA) গল্প।

    পরিচালকের আবেগঘন বার্তা

    পুরস্কার গ্রহণের সময় পরিচালক লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী মণিপুরে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য এক আবেগপূর্ণ আবেদন জানান। তিনি বলেন, “আমরা প্রার্থনা করি মণিপুরে যেন শান্তি ফিরে আসে। আমরা প্রার্থনা করি যেসমস্ত শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে, এমনকি এই ছবির শিশু শিল্পীরাও যেন তাদের আনন্দ, শৈশব এবং স্বপ্ন আবার ফিরে পায়।”

    অভিনয় শিল্পী

    ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন গুগুন কিপগেন (বুং চরিত্রে) এবং বালা হিজাম। গুগুন কিপগেনের অভিনয় সমালোচকদের দ্বারা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বাফটা পুরস্কারের মঞ্চে বলিউডের অভিনেত্রী আলিয়া ভাটও উপস্থিত ছিলেন একজন উপস্থাপক হিসেবে। এই জয় মণিপুরী শিল্প ও সংস্কৃতির পাশাপাশি ভারতীয় আঞ্চলিক চলচ্চিত্রের জন্য এক বিশাল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Boong) হিসেবে দেখা হচ্ছে। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং এই সাফল্যকে গোটা দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

LinkedIn
Share