Tag: madhyom news

madhyom news

  • Suvendu Adhikari: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব”, মমতার ‘ভারত হেলিয়ে দেব’ মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব”, মমতার ‘ভারত হেলিয়ে দেব’ মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধীদল নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হলদিয়ায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করে মমতার “ভারত হেলিয়ে দেব” মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু। রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতাকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গড়ার ডাকও দেন।

    মৃত মানুষের চোখও তুলে বিক্রি (Suvendu Adhikari)

    বনগাঁতে এসআইআর (SIR) বিরোধিতার কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “আমাকে আঘাত করলে আমি সারা ভারত হেলিয়ে দেব। এটা মাথায় রেখো।” এরপর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “আপনি ভারত হেলাবেন বলেছেন, আপনাকে পশ্চিমবঙ্গের লোক এপ্রিল মাসে এমন হেলাবে, এমন হেলাবে যে আপনার ভাইপো যাবে জেলে। আর আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব। আমাদের নাম মেদিনীপুর। আপনি কাল বারাসাতে কী দেখলেন? তৃণমূল মৃত মানুষের চোখও তুলে বিক্রি করে দেয়। ভাবতে পারেন, কোন রাজ্যে বসবাস করছেন আপনারা? আমরা পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল নেতাকে ব্যালট খেতে দেখেছি। এই সর্বভুক তৃণমূল সব খেয়ে হজম করে দিচ্ছে। তাই, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এই চোরদের আমাদের হারাতে হবে। আমাদের সংকল্প, প্রতি হাতে কাজ। প্রতি পেটে ভাত, প্রতি মাথায় ছাদ। আমাদের সংকল্প, সোনার বাংলা। আমাদের সংকল্প কী ? টাটাকে ফেরাব বাংলায়। আমাদের সংকল্প কী? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি আবার নতুন করে সেজে উঠুক। আমাদের সংকল্প, নারীর সুরক্ষা। আমাদের সংকল্প, কন্যা সুরক্ষা।”

    অবৈধ ভোটারদের দ্রুত তালিকা থেকে বাদ যাবে

    উল্লেখ্য, এসআইআর প্রসঙ্গে রাজ্যরাজনীতি উত্তাল! তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই নিবিড় তালিকা সংশোধনের বিষয়ে অপপ্রচার করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। মতুয়া ভোটকে নিজের ঘরে টানতে মমতাবালা ঠাকুর অনশনে বসেছিলেন। একটাই দাবি ছিল তাঁর এসআইআর (SIR) হলে মতুয়াদের নাম বাদ দেবে নির্বাচন কমিশন। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন বার বার বলছে একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবেনা। একই ভাবে কমিশন এটাও জানিয়েছে অবৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না। আর তাই অবৈধ ভোটারদের দ্রুত তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের যাতে ভারতের বাইরে পাঠানো হয় সেই কথা বলেই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

  • Shree Hanuman Chalisa: গুলশান কুমারের হনুমান চালিশা প্রথম ভারতীয় ভিডিও যা ইউটিউবে পার করল ৫০০ কোটি ভিউ!

    Shree Hanuman Chalisa: গুলশান কুমারের হনুমান চালিশা প্রথম ভারতীয় ভিডিও যা ইউটিউবে পার করল ৫০০ কোটি ভিউ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রী হনুমান চালিশার (Shree Hanuman Chalisa) ভিডিও নির্মাতারা নতুন দর্শক সংখ্যার তথ্য প্রকাশ করেছে। ১৪ বছরের পুরনো ভক্তিমূলক এই ভিডিওটি ইউটিউবে ৫০০ কোটি ভিউ অতিক্রম করেছে। ভারতীয় ভক্তিমূলক গানের এই ভিউ এখন বিরাট মাইলফলক। যেখানে অন্যান্য শীর্ষ ভারতীয় ভিডিওগুলি ২০০ কোটিরও কম ভিউ (Indian videos) রয়েছে, সেখানে শ্রী হনুমান চালিশা দেশের সর্বোচ্চ ভিউর ভিডিও হিসাবে সামাজিক মাধ্যমে অবস্থান করছে।

    ভিডিও নির্মাণ হয়েছিল ২০১৪ সালে (Shree Hanuman Chalisa)

    টি-সিরিজের প্রখ্যাত গীতিকার প্রয়াত গুলশান কুমার অভিনীত “শ্রী হনুমান চালিসা”-র (Shree Hanuman Chalisa) ভিডিওটি (Indian videos) ২০১১ সালের ১০ মে প্রকাশিত হয়েছিল। গত ১৪ বছরে এটি ধীরে ধীরে ৫,০০৬,৭১৩,৯৫৬ বার দেখা হয়েছে। হরিহরণের কণ্ঠ এবং ললিত সেনের সুরে, এটি এখন বিশ্বব্যাপী ইউটিউবের সর্বাধিক দেখা ভিডিওগুলির মধ্যে একটি। হনুমান ভক্তদেরও মধ্যে বিরাট উচ্ছ্বাসে প্রতিছবি ধরা পড়েছে।

    টি-সিরিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভূষণ কুমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “হনুমান চালিশা লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। আমার বাবা শ্রী গুলশান কুমারজি আধ্যাত্মিক সঙ্গীতকে প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন। আজ এই মাইলফলক ভিডিও তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন। ৫০০ কোটি ভিউ অতিক্রম করা এবং ইউটিউবের সর্বকালের সেরা ১০টি সর্বাধিক দেখা ভিডিও হওয়া কেবল একটি ডিজিটাল প্রাপ্তি নয়; ভারতের মতো দেশের জন্য মানুষের যথেষ্ট ভক্তিরও প্রতিফলন।”

    আর কোন কোন ভিডিও এগিয়ে?

    ‘শ্রী হনুমান চালিশা’-এর (Shree Hanuman Chalisa) সংখ্যার কাছাকাছি কোনও ভারতীয় ভিডিও নেই। এরপরে পরেই সর্বোচ্চ ভিউ হওয়া ভিডিও গুলির মধ্যে হল পাঞ্জাবি ট্র্যাক লেহেঙ্গা, যা ১৮০ কোটি ভিউ পেয়েছে। হরিয়ানভি গান ৫২ গজ কা দমন এবং তামিল গান ‘রাউডি বেবি’, যা ১৭০ কোটি ভিউ পেয়েছে। শীর্ষস্থানীয় অন্যান্য জনপ্রিয় ভারতীয় ভিডিওগুলির মধ্যে রয়েছে ‘জারুরি থা’, ‘ভাস্তে’, ‘লৌং লাচি’, ‘লুট গে’, ‘দিলবার’ এবং ‘বাম বাম বোলে’।

    বিশ্বব্যাপী, ‘বেবি শার্ক ড্যান্স’-এর ভিউ ১ হাজার ৬৩৮ কোটি, ‘ডেসপাসিটো’-এর ভিউ ৮৮৫ কোটি, ‘হুইলস অন দ্য বাস’-এর ভিউ ৮১৬ কোটি, ‘বাথ সং’-এর ভিউ ৭২৮ কোটি এবং ‘জনি জনি ইয়েস পাপা’-এর ভিউ ৭১২ কোটি। এগুলি ভিডিও-এর তালিকার শীর্ষে রয়েছে। তবে ‘শ্রী হনুমান চালিশা’ এখনও পর্যন্ত ইউটিউবে সর্বাধিক দেখা ভারতীয় ভিডিও।

  • Ramakrishna 518: “যাদের হরি বলতে নয়ন ঝরে, তারা তারা দুভাই এসেছে রে! বিফলে দিন যায় রে বীণে, শ্রীহরির সাধন বিনে”

    Ramakrishna 518: “যাদের হরি বলতে নয়ন ঝরে, তারা তারা দুভাই এসেছে রে! বিফলে দিন যায় রে বীণে, শ্রীহরির সাধন বিনে”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    বলরামের রথযাত্রা—নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে সংকীর্তনানন্দে

    মহেন্দ্র মুখুজ্জেকে দূর হইতে প্রণাম করিতে দেখিয়া ঠাকুর (Ramakrishna) তাঁহাকে প্রণাম করিতেছেন—আবার সেলাম করিতেছেন। কাছের রকটি ছোকরা ভক্তকে বলিতেছেন, ওকে বল্‌না ‘সেলাম করলে’,—ও বড় অলকট্‌ অলকট্‌ করে। (সকলের হাস্য) গৃহস্থ ভক্তেরা অনেকে নিজেদের বাটীর পরিবারদের আনিয়াছেন;—তাঁহারা শ্রীশ্রীঠাকুরকে দর্শন করিবেন ও রথের সম্মুখে কীর্তনানন্দ দেখিবেন (Kathamrita)। রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তেরা ক্রমে ক্রমে আসিয়াছেন। ছোকরা ভক্তেরা অনেকে আসিয়াছেন।

    এইবার নরেন্দ্র গান গাইতেছেন:

    (১)     কত দিনে হবে সে প্রেম সঞ্চার।
    হয়ে পূর্ণকাম বলব হরিনাম,
    নয়নে বহিবে প্রেম-অশ্রুধার ॥

    (২)     নিবিড় আঁধারে মা তোর চমকে ও রূপরাশি।
    তাই যোগী ধ্যান ধরে হয়ে গিরিগুহাবাসী ॥

    বলরাম আজ কীর্তনের বন্দোবস্ত করিয়াছেন,—বৈষ্ণবচরণ ও বেনোয়ারীর কীর্তন। এইবার বৈষ্ণবচরণ গাহিতেছেন—শ্রীদুর্গানাম জপ সদা রসনা আমার। দুর্গমে শ্রীদুর্গা বিনে কে করে নিস্তার।

    গান একটু শুনিতে শুনিতে ঠাকুর সমাধিস্থ! দাঁড়াইয়া সমাধিস্থ!—ছোট নরেন ধরিয়া আছেন। সহাস্যবদন। ক্রমে সব স্থির! একঘর ভক্তেরা অবাক্‌ হইয়া দেখিতেছেন। মেয়ে ভক্তেরা চিকের মধ্য হইতে দেখিতেছেন। সাক্ষাৎ নারায়ণ বুঝি দেহধারণ করিয়া ভক্তের জন্য আসিয়াছেন। কি করে ঈশ্বরকে ভালবাসতে হয়, তাই বুঝি শিখাতে এসেছেন!

    নাম করিতে করিতে অনেকক্ষণ পরে সমাধিভঙ্গ হইল। ঠাকুর আসন গ্রহণ করিলে বৈষ্ণবচরণ আবার গান ধরিলেন:

    (১)     হরি হরি বল রে বীণে!

    (২)     বিফলে দিন যায় রে বীণে, শ্রীহরির সাধন বিনে।

    এইবার আর এক কীর্তনীয়া, বেনোয়ারী, রূপ গাহিতেছেন (Ramakrishna)। কিন্তু সদাই গান গাহিতে ‘আহা! আহা!’ বলিয়া ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করেন। তাহাতে শ্রোতারা কেহ হাসে, কেহ বিরক্ত হয়।

    অপরাহ্ন হইয়াছে। ইতিমধ্যে বারান্দায় শ্রীশ্রীজগন্নাথের সেই ছোট রথখানি ধ্বজা পতাকা দিয়া সুসজ্জিত করিয়া আনা হইয়াছে। শ্রীশ্রীজগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরাম চন্দনচর্চিত ও বসন-ভূষণ ও পুষ্পমালা দ্বারা সুশোভিত হইয়াছেন। ঠাকুর বেনোয়ারীর কীর্তন ফেলিয়া বারান্দায় রথাগ্রে গমন করিলেন,—ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে চলিলেন। রথের রজ্জু ধরিয়া একটু টানিলেন—তৎপরে রথাগ্রে ভক্তসঙ্গে নৃত্য ও কীর্তন করিতেছেন। অন্যান্য গানের সঙ্গে ঠাকুর পদ ধরিলেন(Kathamrita):

    যাদের হরি বলতে নয়ন ঝরে, তারা তারা দুভাই এসেছে রে!
    যারা মার খেয়ে প্রেম যাচে, তারা তারা দুভাই এসেছে রে!
    আবার — নদে টলমল টলমল করে, গৌরপ্রেমে হিল্লোলে রে।

    ছোট বারান্দাতে রথের সঙ্গে সঙ্গে কীর্তন ও নৃত্য হইতেছে। উচ্চ সংকীর্তন ও খোলের শব্দ শুনিয়া বাহিরের লোক অনেকে বারান্দা মধ্যে আসিয়া পড়িয়াছে। ঠাকুর হরিপ্রেমে মাতোয়ারা। ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে প্রেমোন্মত্ত হইয়া নাচিতেছেন।

  • Election Commission: রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের ৩ কর্তা, থাকবেন এসআইআর-এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত

    Election Commission: রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের ৩ কর্তা, থাকবেন এসআইআর-এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর (SIR) কাজ চলছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই রাজ্যের সিইও দফতরে তিন অফিসারকে পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তবে নিবিড় সংশোধনী তালিকার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদেরকে এই রাজ্যেই থাকতে হবে। তাঁরা সকলেই সিইও দফতরে নিযুক্ত থাকবেন এবং সমস্ত কাজ খতিয়ে দেখবেন। তবে এই তিন অফিসার দিল্লিত নির্বাচন সদনে কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। কমিশন যে এই রাজ্যে এসআইআর-এর কাজে বিন্দুমাত্র গাফিলিতিকে বরদাস্ত করছে না সেই কথা আরও একবার প্রমাণিত হলো।

    রাজ্যে এসআর নিয়ে খুশি নয় তৃণমূল (SIR)

    জাতীয় নির্বাচন (Election Commission) দফতরের পক্ষে বলা হয়েছে, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি বিসি পাত্র, সেক্রেটারি সৌমজিৎ ঘোষ এবং আন্ডার সেক্রেটারি ভৈরব আগরওয়ালকে পশ্চিমবঙ্গের সিইও অফিসে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা সকলে রাজ্যের সিইও-র অধীনে কাজ করবেন। এসআইআরের কাজ সম্পূর্ণ ভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই কাজ দেখভাল করবেন। এদিকে রাজ্যে এসআর নিয়ে খুশি নয় তৃণমূল। তৃণমূল সমর্থিত বিএলও-দের একাংশ অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ তুলে সিইও-র অফিসে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। রীতিমতো অফিসের ভিতরে কয়েকজন ঢুকে অবস্থানও করে। আর তাতেই কমিশন অত্যন্ত চিন্তা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে দফতরের কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে। গোটা ঘটনায় কলকাতা পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    অ্যাকশেন টেকেন রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ

    সিইও অফিসের দফতরে নিরাপত্তা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে দুদিনের মধ্যে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অবিলম্বে অ্যাকশেন টেকেন রিপোর্ট জমা দিতে হবে। গত ২৪ নভেম্বর হাতে রিপোর্ট পেয়েই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা পুলিশেকে চিঠি পাঠিয়ে কমিশন জানিয়েছে, সিইও দফতরে যে পর্যায়ে নিরাপত্তা থাকা উচিত তা খুবই কম। ফলে সিইও, অতিরিক্ত সিইও, জয়েন্ট এবং ডেপুটি সিইও সহ সকল আধিকারিকদের নিরাপত্তা অত্যন্ত সংকটের মুখে। পরিস্থিতিকে মোটেই হালকা ভাবে নেওয়ার পক্ষপাতী নয় কমিশন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সংশোধন জরুরি এবং দফতরের ভিতরে-বাইরে যাতায়াতকারী সব কর্মীর সুরক্ষাকে আগে প্রধান্য দিতে হবে। অবিলম্বে বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হবে। কলকাতা পুলিশকে চিঠি লিখে কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে জোড়া নিম্নচাপ! কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা?

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে জোড়া নিম্নচাপ! কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে ফের জোড়া নিম্নচাপের (Weather Update) সম্ভাবনা। ভারতীয় মৌসম ভবন জানিয়েছে, মলাক্কা প্রণালীতে ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’ জন্ম নিয়েছে। এবার ইন্দোনেশিয়ায় আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। তবে ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ারের প্রভাব ভারতের মূলভূখণ্ডে পড়বে না। কিন্তু শ্রীলঙ্কা উপকূলে আরও একটি নিম্নচাপের জন্ম হয়েছে। ক্রমে ক্রমেই শক্তি বেড়ে উঠেছে। আবহাওয়া দফতরের কোনও খারাপ ইঙ্গিত না থাকলেও বঙ্গবাসীর জন্য খুব একটা ভয়ের কিছু নেই। এই মাসের শেষেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

    রাতে এবং ভোর বেলায় বেশ শীত (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল বৃষ্টির (West Bengal Weather Report) সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যটক এবং মৎস্যজীবীদের জন্য ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। তবে বাংলায় খুব একটা প্রভাব পরবে না বলে জানা গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বেশ কিছু জেলায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও আবহাওয়ার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। কলকাতায় এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। দিনের বেলায় সামান্য শীত অনুভূত হলেও রাতে এবং ভোর বেলায় বেশ শীত অনুভূত হবে। একই ভাবে আগামী ৩-৪ দিন রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জায়গায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা যাবে। হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আগামী ২ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলায় বৃষ্টি হবে না।

    সকালে কুয়াশার ইঙ্গিত

    অপরদিকে উত্তরবঙ্গে আপাতভাবে বৃষ্টির (West Bengal Weather Report) কোনও সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিংয়ে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সেখানে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে কুয়াশা থাকবে। উত্তরবঙ্গের সর্বত্র যেমন— বিশেষ করে উত্তর দিনাজপুর, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। এখন শীতের আমেজ, সব জেলাতেই শুষ্ক আবহাওয়া এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছে।

  • Ramakrishna 517: “আমি পণ্ডিত, আমি জ্ঞানী, আমি ধনী, আমি মানী; আমি কর্তা বাবা গুরু—এ-সব অজ্ঞান থেকে হয়”

    Ramakrishna 517: “আমি পণ্ডিত, আমি জ্ঞানী, আমি ধনী, আমি মানী; আমি কর্তা বাবা গুরু—এ-সব অজ্ঞান থেকে হয়”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    বলরামের রথযাত্রা—নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে সংকীর্তনানন্দে

    বেলা ১টা হইয়াছে। ঠাকুর আহারান্তে আবার বৈঠকখানা গরে আসিয়া ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। একটি ভক্ত পূর্ণকে ডাকিয়া আনিয়াছেন। ঠাকুর মহানন্দে মাস্টারকে বলিতেছেন, “এই গো! পূর্ণ এসেছে।” নরেন্দ্র, ছোট নরেন, নারাণ, হরিপদ ও অন্যান্য ভক্তেরা কাছে বসিয়া আছেন ও ঠাকুরের (Ramakrishna) সহিত কথা কহিতেছেন (Kathamrita)।

    স্বাধীন ইচ্ছা (ফ্রি উইল) ও ছোট নরেন—নরেন্দ্রের গান

    ছোট নরেন — আচ্ছা, আমাদের স্বাধীন ইচ্ছা (ফ্রি উইল) আছে কি না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আমি কে খোঁজ দেখি। আমি খুঁজতে খুঁজতে তিনি বেরিয়ে পড়েন! ‘আমি যন্ত্র তুমি যন্ত্রী’। চীনের পুতুল দোকানে চিঠি হাতে করে যায় শুনেছ! ঈশ্বরই কর্তা! আপনাকে অকর্তা জেনে কর্তার ন্যায় কাজ করো।

    “যতক্ষণ উপাধি, ততক্ষণ অজ্ঞান; আমি পণ্ডিত, আমি জ্ঞানী, আমি ধনী, আমি মানী; আমি কর্তা বাবা গুরু—এ-সব অজ্ঞান থেকে হয়। ‘আমি যন্ত্র, তুমি যন্ত্রী’—এই জ্ঞান। অন্য সব উপাধি চলে গেল। কাঠ পোড়া শেষ হলে আর শব্দ থাকে না—উত্তাপও থাকে না। সব ঠাণ্ডা! — শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ!

    (নরেন্দ্রকে)— “একটু গা না।”

    নরেন্দ্র—ঘরে যাই—অনেক কাজ আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) —তা বাছা, আমাদের কথা শুনবে কেন? ‘যার আছে কানে সোনা, তার কথা আনা আনা। যার আছে পোঁদে ট্যানা তার কথা কেউ শোনে না!’ (সকলের হাস্য)

    তুমি গুহদের বাগান যেতে পারো। প্রায় শুনি, আজ কোথায়, না গুহদের বাগানে! — এ কথা বলতুম না, তুই কেঁড়েলি করলি —”

    নরেন্দ্র কিয়ৎক্ষণ চুপ করিয়া আছেন। বলছেন, “যন্ত্র নাই শুধু গান —”

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আমাদের বাছা (Kathamrita) যেমন অবস্থা—এইতে পার তো গাও। তাতে বলরামের বন্দোবস্ত!

    “বলরাম বলে, ‘আপনি নৌকা করে আসবেন, একান্ত না হয় গাড়ি করে আসবেন’, — (সকলের হাস্য) খ্যাঁট দিয়েছে। আজ তাই বৈকালে নাচিয়ে নেবে (হাস্য)। একান থেকে একদিন গাড়ি করে দিছলো— বারো আনা ভাড়া;—আমি বললাম, বার আনায় দক্ষিণেশ্বরে যাবে? তা বলে, ‘ও অমন হয়।’ গাড়ি রাস্তায় যেতে যেতে একধার ভেঙে পড়ে গেল— (সকলের উচ্চ হাস্য)। আবার ঘোড়া মাঝে মাঝে একেবারে থেমে যায়। কোন মতে চলে না; গাড়োয়ান এক-একবার খুব মারে, আর এক-একবার দৌড়ায়! (উচ্চ হাস্য) তারপর রাম খোল বাজাবে — আর আমরা নাচব— রামের তালবোধ নাই। (সকলের হাস্য) বলরামের (Ramakrishna) ভাব, আপনারা গাও, নাচো, আনন্দ করো। (সকলের হাস্য)

    ভক্তেরা বাটী হইতে আহারাদি করিয়া ক্রমে ক্রমে আসিতেছেন।

  • PM Modi: প্রস্তুত রামনগরী, মঙ্গলে মন্দিরের চূড়ায় গৈরিক ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    PM Modi: প্রস্তুত রামনগরী, মঙ্গলে মন্দিরের চূড়ায় গৈরিক ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনগরী (Ram Mandir) অযোধ্যা আবারও এক জাঁকজমকপূর্ণ উদযাপনের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর, রাম মন্দিরের চূড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) একটি বিশেষ গৈরিক পতাকা উত্তোলন করবেন। শহর জুড়ে প্রস্তুতি এখন পুরোদমে চলছে। রাস্তাঘাট পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার করার কাজ চলছে। ইতিমধ্যে শহরের নানা জায়গায় নতুন স্টপ এবং সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। স্যানিটেশনের কাজ করতে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে দলগুলিকে রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে।

    রাম মন্দির ও শহর জুড়ে উৎসবের আলো

    অযোধ্যা শহর জুড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির ছবিসহ পোস্টার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগানো হয়েছে। ফলে রামভক্তদের উত্তেজনার অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। রাম মন্দিরের প্রবেশপথে লেখা আছে, “জাতি পতি পুছে নাহি কোই, হরি কা ভাজে সো হরি কা হোই।” এর অর্থ— জাতপাত, বর্ণকে উপেক্ষা করে শ্রী রামের ভক্তির চেতনাকে আরও শক্তিশালী করো। ধ্বজ উত্তোলনকে ঘিরে রাম মন্দির এবং শহর জুড়ে উৎসবের আলো, সাজসজ্জা এবং উচ্চতর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সম্পূর্ণ ভাবে মুড়ে ফেলা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি অযোধ্যার জন্য আরও একটি মাইলফলক মুহূর্ত হতে চলেছে। রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ শুরু হওয়ার পর থেকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে আযোধ্যায়। এবার উল্লেখযোগ্য ভব্য সমাপন লক্ষ্য করা যাবে বলে মনে করেছেন অনেক রামভক্ত। স্থানীয় বাসিন্দা, দোকানদার এবং দর্শনার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর আগমনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

    কঠোর নিরাপত্তা

    অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশেষভাবে জোরদার করা হয়েছে। এলাকার সকল সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরাগুলিকে সক্রিয় করা হয়েছে। স্থানীয় গোয়েন্দা ইউনিট সবসময় নজরদারি করছে। পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট জানিয়েছেন, “সীমান্তের কাছাকাছি বস্তি এলাকা এবং অস্থায়ী বসতিগুলিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এমন কি সন্দেহজনক লোকজনের পরিচয়পত্র কঠোরভাবে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে, অযোধ্যা জুড়ে দোকানদার, পরিবহন পরিচালক, খাবারের দোকান এবং হোটেলের ব্যাপক চাহিদা বৃদ্ধি হয়েছে।”

    শাশ্বত শক্তি, ঐশ্বরিক তেজ, গুণে সম্পন্ন ধব্বজ

    রামমন্দির (Ram Mandir) কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, গৈরিক ধ্বজ উত্তোলনের অনুষ্ঠানটিকে বিশেষভাবে জাঁকজমকপূর্ণ করা হবে। মূল মন্দিরের পাশাপাশি মহাদেব, গণেশ, হনুমান, সূর্যদেব, মা ভগবতী, মা অন্নপূর্ণা এবং শেষাবতারের মন্দিরগুলিকে দারুণ ভাবে সুসজ্জিত করা হয়েছে। অযোধ্যা, কাশী এবং দক্ষিণ ভারতের ১০৮ জন আচার্য, বিশিষ্ট কাশী পণ্ডিত গণেশ্বর শাস্ত্রীদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। তাঁদের নির্দেশনায় আচার অনুষ্ঠানগুলি সম্পাদন করা হবে। অনুষ্ঠানের সময় সূর্যের প্রতীক -শাশ্বত শক্তি, ঐশ্বরিক তেজ, গুণ এবং জ্ঞানের প্রতিনিধিত্বকারী একটি গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করা হবে। ভগবান রামের সঙ্গে   অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত এই গুণগুলি।প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারী রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠায় যোগদান করেছিলেন। তিনি এবারেও সাধু, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ট্রাস্ট সদস্যদের উপস্থিতিতে আচার অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। ঐতিহাসিক এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৬,০০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Dharmendra: ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, ‘এক যুগের সমাপ্তি’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Dharmendra: ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, ‘এক যুগের সমাপ্তি’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন শোলে-র বীরু। সোমবার, ৮৯ বছর বয়সে মুম্বইতে নিজের বাড়িতে প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। প্রয়াত অভিনেতা (Bollywood) এই মাসের শুরুতেই ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। বলিউডের হি-ম্যান হিসেবে খ্যাত ধর্মেন্দ্র ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে এক অসাধারণ সিনেমার সম্ভার রেখে গিয়েছেন দর্শক মহলে। পর্দায় তাঁর শেষ অভিনীত সিনেমা হল ‘ইক্কিস’। আগামী ২৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে এই চলচ্চিত্র। ধর্মেন্দ্রর দুই স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং হেমা মালিনী। সব মিলিয়ে ছয় সন্তান তাঁর। ছেলে মেয়েদের মধ্যে হলেন, অভিনেতা সানি দেওল, ববি দেওল, অভিনেত্রী এষা দেওল, অহনা দেওল, অজিতা এবং বিজেতা। আগামী মাসের ৮ তারিখ হবে তাঁর ৯০ তম জন্মদিন। কিন্তু তাঁর আগেই চলে যাওয়ায় ভক্ত মহলে তীব্র শোকের ছায়া।

    সিনেমায় ছয় দশক কাজ করেছেন (Dharmendra)

    ধর্মেন্দ্র কৃষ্ণ দেওলের (Dharmendra) জন্ম ৮ ডিসেম্বর পঞ্জাবের লুধিয়ানার একটি গ্রামে। বলিউড চলচ্চিত্র (Bollywood) জগতে প্রবেশের আগেই তিনি ১৯৫৪ সালে ১৯ বছর বয়সে প্রকাশ কৌরকে বিবাহ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে অভিনেত্রী হেমা মালিনীকেও আবার বিয়ে করেন। চলচ্চিত্র জগতে তিনি ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। অ্যাকশেন, রোমান্টিক এবং হাস্যকর চরিত্রের ভূমিকায় সমানভাবে প্রতিভার প্রমাণ রেখে গিয়েছেন এই অভিনেতা। ২০১২ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

    ছয় দশকে তাঁর কর্মজীবনে ‘শোলে’, ‘ইয়াদোঁ কি বরাত’, ‘মেঘেরা’-সহ অসংখ্য হিট সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়াও ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘নৌকার বিবি কা’, ‘ফুল অর পাথর’, ‘সত্যকাম’, ‘অ্যায় মিলান কি বেলা’, ‘দিল নে ফির ইয়াদ কিয়া’, ‘আয়ে দিন বাহার কে’, ‘আঁখেঁ’, ‘আয়া সাওয়ান ঘুম কেউজু’, ‘মিস্টার জুম’, ‘ধরম বীর’, ‘আজাদ’, ‘গজব’, ‘লোহা’, ‘হুকুমত’ এবং ‘আপনে’-র মতো সিনামায় কাজ করেছেন। পুত্র সানি দেওল অভিনীত এবং তাঁর প্রযোজনায় নির্মিত ‘ঘায়েল’ সিনেমা জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে। সেই সঙ্গে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে ধর্মেন্দ্রর ‘ফুল অর পাথর’, ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’, ‘ইয়াদোঁ কি বারাত’ এবং  ‘রেশম কি ডোরি’ সিনেমা।

    সামাজিক মধ্যেম বেশ সক্রিয় ছিলেন

    গত ১৫ দিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। মাঝে ছাড়া পেয়ে বাড়িতেও পৌঁছে ছিলেন। কিন্তু শ্বাসকষ্ঠের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ৮৯ বছর বয়সেও, ধর্মেন্দ্র সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় ছিলেন। প্রায়শই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং জৈব জীবনযাত্রার প্রচারমূলক ভিডিও শেয়ার করতেন। তাঁর অনেক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ট্র্যাক্টর চালানো, কৃষি খামারের যত্ন নেওয়া এবং তাঁর ভক্তদের সহজ জীবনযাপনের নানা কথা বিনিময় করতেন। একই ভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত নানাবিধ টিপস দেওয়ার ছবিও বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে। তিনি শেষবার ২০২৪ সালে শাহিদ কাপুর এবং কৃতি শ্যানন অভিনীত রোম্যান্টিক কমেডি ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যাইসা উলঝা জিয়া’ সিনেমায় কাজ করেছেন। তাঁর চলে যাওয়া চলচ্চিত্র জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

    ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা এবং অভিনেত্রীরা। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন স্ত্রী হেমা মালিনী, মেয়ে ঈষা দেওল, অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান সহ আরও অনেকে। চিত্র পারিচালক করণ জোহর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “একটা যুগের অবসান হল।

    শোক প্রকাশ মোদির

    তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “ধর্মেন্দ্রজির (Dharmendra) মৃত্যু ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি যুগের সমাপ্তি ঘটিয়েছে। তিনি ছিলেন একজন আইকনিক চলচ্চিত্র জগতের ব্যক্তিত্ব। একজন অসাধারণ অভিনেতা, তাঁর অভিনীত প্রতিটি চরিত্রে মনোমুগ্ধকর মনোভাব এবং গভীরতাকে তুলে ধরেছিলেন। তিনি যেভাবে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তা অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে দাগ রেখেগিয়েছেন। তাঁর সরলতা, নম্রতা এবং উষ্ণতার জন্য সমানভাবে প্রশংসিত হয়েছিলেন। এই দুঃখের মুহূর্তে পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অসংখ্য ভক্তদের পাশে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করছি। ওম শান্তি।”

  • Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে এসআইআরে বিরাট সংখ্যায় জাল ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতির পারদ চরমে। এমনই আবহে কাঁথির পরিবর্তন যাত্রায় একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামের বিধায়ক জানান, তোষণের রাজনীতি রাজ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের শাসনে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। রাজ্য থেকে শিল্পকে তাড়িয়েছেন খোদ মমতা। সীমান্তে অবৈধ বাংলাদেশির ভিড় বাড়ছে। আর তৃণমূল কংগ্রেস নিজের ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। তাঁর মতে, আরজি করের বিচার পেতে বিজেপিকে আনতে হবে। মুসলিমদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    আর মাত্র ২ মাস! দেখে নেব (Suvendu Adhikari)

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রায় শুভেন্দু, মমতাকে (Mamata Banerjee) আক্রমণ করে বলেন, “বাংলায় কর্মসংস্থান নেই, শিল্প কলকারখানা নেই। বাংলার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বদল আনতে হবে। রাজ্যে নারী নির্যাতন বন্ধন করতে বিজেপির শাসন চাই। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকে দেখুন। সরকার কতটা দায়িত্বশীল তা দেখে শিখতে হবে। ছত্তিশগড়ে ৩১০০ টাকায় ধান কেনা হচ্ছে। রাজস্থানে ২৫ লক্ষ টাকা চিকিৎসা ফ্রি। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। হরিয়ানায় ২ লক্ষ ৫৫ হাজার সরকারি শূন্যপদ পূরণ করা হয়েছে। হাতে কাজ, পেতে ভাত এবং মাথায় ছাদ দিতে পারে একমাত্র বিজেপি সরকার। যোগ্যতা এবং মেধা অনুযায়ী চাকরি একমাত্র দিতে পারবে বিজেপি সরকার। ২০১১ সালে টাটাকে রাজ্য থেকে তাড়িয়েছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করেছে তৃণমূল সরকার। আর মাত্র ২ মাস, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের পর এই সরকার আর কোথায় থাকবে তা দেখে নেব আমরাও।”

    সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে

    এদিন আবার ভগবানপুর থেকে মুসলিম সামজের মানুষকে বার্তা দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনাদের আমাদের মতো জয় শ্রী রাম বলতে হবে না। ভারতমাতা কি জয় বলুন। বন্দে মাতারম বলুন। জয় হিন্দ বলুন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রবাদ, দেশপ্রেম, উন্নয়ন এবং যোগীর সুরক্ষানীতি-সুশাসনকে বাংলায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তৃণমূল আপনাদের তেজপাতা করে রেখে দিয়েছে। এই মুহূর্তে মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি ভোট পায় তৃণমূল। আপনারা আমাদের ভোট দেন না জানি। আমরা আপানাদের বিরোধী নই। সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে। এটাই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। আমি আহ্বান করেছি রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের, আপনারা আসুন। আপনাদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তরকারিতে লাগে কিন্তু খাওয়া যায় না।”

    বাংলার ভোট নিয়ে ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর কথা আগেই ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি এবার ভবানীপুরেও হারাবো। কেউ ভয় পাবেন না, আমি শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধীদল নেতা। মমতাকে আমি হারিয়েছি, আবার ২০২৬ সালে ভবানীপুরে হারাবো। তৃণমূল কংগ্রেস এখন একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। মমতা নিজেই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বীজ বপন করেছে। বাংলার মানুষ এখন মুক্তি চায়।”

  • Ramakrishna 516: “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়, ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়”

    Ramakrishna 516: “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়, ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    পূর্বকথা—৺কাশীধামে শিব ও সোনার অন্নপূর্ণাদর্শন—
    অদ্য ব্রহ্মাণ্ডকে শালগ্রাম রূপে দর্শন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সারদার প্রতি)—দক্ষিণেশ্বরে যাস না কেন? কলিকাতায় যখন আসি, তখন আসিস না কেন?

    সারদা—আমি খবর পাই না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) — এইবার তোকে খবর দিব। (মাস্টারকে সহাস্যে) একখানা ফর্দ করো তো—ছোকরাদের। (মাস্টার ও ভক্তদের হাস্য)

    পূর্ণের সংবাদ—নরেন্দ্রদর্শনে ঠাকুরের আনন্দ

    সারদা—বাড়িতে বিয়ে দিতে চায়। ইনি (মাস্টার) বিয়ের কথায় আমাদের কতবার বকেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এখন বিয়ে কেন? (মাস্টারের প্রতি) সারদার বেশ অবস্থা হয়েছে। আগে সঙ্কোচ ভাব ছিল। যেন ছিপের ফাতা টেনে নিত। এখন মুখে আনন্দ এসেছে।

    ঠাকুর একজন ভক্তকে বলিতেছেন, “তুমি একবার পূর্ণর জন্য যাবে?”

    এইবার নরেন্দ্র আসিয়াছেন। ঠাকুর নরেন্দ্রকে জল খাওয়াইতে বলিলেন। নরেন্দ্রকে দেখিয়া বড়ই আনন্দিত হইয়াছেন। নরেন্দ্রকে খাওয়াইয়া যেন সাক্ষাৎ নারায়ণের সেবা করিতেছেন। গায়ে হাত বুলাইয়া আদর করিতেছেন, যেন সূক্ষ্মভাবে হাত-পা টিপিতেছেন! গোপালের মা (‘কামারহাটির বামনী’) ঘরের মধ্যে আসিলেন। ঠাকুর বলরামকে কামারহাটিতে লোক পাঠাইয়া গোপালের মাকে আনিতে বলিয়াছিলেন। তাই তিনি আসিয়াছেন। গোপালের মা ঘরের মধ্যে আসিয়াই বলিতেছেন, “আমার আনন্দে চক্ষে জল পড়ছে।” এই বলিয়া ঠাকুরকে ভূমিষ্ঠ হইয়া নমস্কার করিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — সে কি গো। এই তুমি আমাকে গোপাল বল—আবার নমস্কার!

    “যাও, বাড়ির ভিতর গিয়ে একটি বেন্নন রাঁধ গে-খুব ফোড়ন দিও — যেন এখানে পর্যন্ত গন্ধ আসে।” (সকলের হাস্য)

    গোপালের মা—এঁরা (বাড়ির লোকেরা) কি মনে করবে?

    গোপালের মা কি ভাবিতেছেন যে, এখানে নূতন এসেছি,—যদি আলাদা রাঁধব বলে বাড়ির লোকেরা কিছু মনে করে!

    বাড়ির ভিতর যাইবার আগে তিনি নরেন্দ্রকে সম্বোধন করিয়া কাতরস্বরে বলিতেছেন (kathamrit), “বাবা! আমার কি হয়েছে; না বাকী আছে?”

    আজ রথযাত্রা—শ্রীশ্রীজগন্নাথের ভোগরাগাদি হইতে একটু দেরি হইয়াছে। এইবার ঠাকুর সেবা হইবে। অন্তঃপুরে যাইতেছেন। মেয়ে ভক্তেরা ব্যাকুল হইয়া আছেন,—তাঁহাকে দর্শন ও প্রণাম করিবেন।

    ঠাকুরের অনেক স্ত্রীলোক ভক্ত ছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁহাদের কথা পুরুষ ভক্তদের কাছে বেশী বলিতেন না। কেহ মেয়ে ভক্তদের কাছে যাতায়াত করিলে, বলিতেন, ‘বেশী যাস নাই; পড়ে যাবি!’ কখন কখন বলিতেন, ‘যদি স্ত্রীলোক ভক্তিতে গড়াগড়ি যায়, তবুও তার কাছে যাতায়াত করবে না।’ মেয়েভক্তেরা আলাদা থাকবে—পুরুষ-ভক্তেরা আলাদা থাকবে। তবেই উভয়ের মঙ্গল। আবার বলিতেন, “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়। ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়।”

LinkedIn
Share