Tag: madhyom news

madhyom news

  • Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নাম পরিবর্তন করে ‘ঈশ্বরপুর’ রাখার দাবিতে ফের সরব হলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর সফরে এসে দলীয় এক সভায় দীর্ঘদিনের দাবিটিকে পুনরায় তুলে ধরেছেন। রবিবার, ১ মার্চ কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং মাত্রা ছাড়া নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনমনে সাহস জোগাতে বিশেষ এই যাত্রা বলে দাবি বিজেপির।

    ঐতিহাসিক দাবির পুনরাবৃত্তি (Nitin Nabin)

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর ভাষণে উল্লেখ করে বলেন, “ইসলামপুরের প্রাচীন পরিচিতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ‘ঈশ্বরপুর’ নামটি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। এই মাটির সঙ্গে  জড়িয়ে আছে হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন, সমাজসংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা এবং বিপ্লবী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি। ইসলামপুরকে ঈশ্বরপুর করার জন্য বিজেপি-র এই পরিবর্তন যাত্রাকে শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান৷ ইসলামপুর আর থাকবে না, ঈশ্বরপুর হবে৷ আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হবে৷ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মহান সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা, বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি বিজড়িত এই মাটিকে ঈশ্বরপুর আমরা বানিয়েই ছাড়ব৷”

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    নাম পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “বর্তমান শাসক দল তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে বলেই সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের জন্য কালো কোর্ট পড়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখানকার মা বোনদের কিছু হলে তখন মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে থাকেন। বাংলাদেশি ভোটারদের বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আমরা আসাম, বিহারে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের চিহ্নত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।”

    মনোবল চাঙ্গা করতেই সফর

    নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে বিভাজনের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করলেও, বিজেপি সমর্থকরা এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে দলের সংগঠন মজবুত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁর এই সফর। নাম পরিবর্তনের এই আবেগকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে সচেষ্ট হবে।

  • Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলপূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসবের আবহে কলকাতার ভবানীপুর এলাকায় হোলি উদ্‌যাপনে শামিল হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও এদিন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রঙের উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়। ভবানীপুরের (Bhawanipur) হরিশ মুখার্জি রোড সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ মানুষের সঙ্গে আবির খেলেন এবং তাঁদের হোলির শুভেচ্ছা জানান।

    অশুভ শক্তির বিনাশ (Suvendu Adhikari)

    দোলের দিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে শুভেন্দুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রথাগত রঙের উৎসবের পাশাপাশি ভক্তিমূলক গানেও অংশ নেন তিনি। গান ধরেন ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’। পরনে ছিল গৈরিক বসন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সমর্থকরা। হোলির উৎসবে অংশ গ্রহণে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাধুসন্তরা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “নাস্তিকতা নিপাত যাক। সেকুলারিজ়ম নিপাত যাক। হিন্দুরা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত থাকে এই প্রার্থনা করব।” সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, “হোলি হল অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসবের রঙ যেন সাধারণ মানুষের জীবনে আনন্দ ও শান্তি বয়ে আনে, সেই কামনাই কামনাই জানাই।

    ভবানীপুর লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাওয়ার পর ভবানীপুর (Bhawanipur) থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে গত লোকসভা ভোটে এই এলাকায় তৃণমূলের তুলানয় অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিধানসভা। কারণ ইতিমধ্যে বিজেপির তরফে বিশেষ ওয়াররুম গঠন করা হয়েছে। এই এলাকায় ইতিমধ্যে এসএইআরে ৬০ হাজার নাম বাদ হয়েছে। ফলে ভোট অঙ্কের সমীকরণে হিন্দু ভোটের পাল্লা ভারি। অপর দিকে আরেক অনুষ্ঠানে মমতাও পাল্টা তোপ দেগে বলেছেন যে ভবানীপুরে তৃণমূলই জিতবে। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) এই উপস্থিতি ও জনসংযোগ বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এদিন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে উৎসবের মেজাজই ছিল প্রধান।

  • Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমতার জনসভায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) মঞ্চ থেকে এদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেন।

    ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’ (Parivartan Yatra)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) তাঁর ভাষণে বলেন, “বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস যে রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করছে, তা আসলে একটি ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’।” একই ভাবে সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্মতলার অনশন মঞ্চের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সে সময় মুখ্যমন্ত্রী যে রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসেছিলেন আজকের মঞ্চে উপস্থিত রাজনাথ সিং। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অটলবিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানির এনডিএ জোটের শরীক ছিলেন এবং বিজেপিকে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। অথচ বর্তমানে সেই তৃণমূলের শাসনকালেই বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার (Parivartan Yatra) চালানো হচ্ছে।”

    বাংলার মাটি থেকেই পরিবর্তনের ডাক এসেছে

    শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) সুরেই সুর মিলিয়ে রাজনাথ সিংও এদিন তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করে বলেন, “এবার আর এদিক ওদিক হলে হবে না। আর টিএমসির অত‍্যাচার চলবে না। এবার মমতা যাচ্ছেন। বাংলার উৎসাহ তাই বলে দিচ্ছে। বাংলায় পরিবর্তন হলে দারুণ গতিতে উন্নয়ন হবে। বিকাশ আর প্রগতি কেউ আটকাতে পারবে না। বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য তৈরি এবং বর্তমান সরকারের দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে বিজেপিই রাজ্যে উন্নয়নের (Parivartan Yatra) জোয়ার আনবে।”

    রাজ্যে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    রাজ্যে পরিবর্তনের ডাকে বিজেপি একাধিক জেলা থেকে পরিবর্তন সংকল্পের (Parivartan Yatra) ডাক দিয়েছে। ইতিমধ্যে নানা প্রান্ত থেকে যাত্রা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের হেভি ওয়েট নেতারা এই কর্মকাণ্ডে যোগদান করেছেন। মমতার বিরুদ্ধে প্রচারকে আরও জোরদার করতে বিজেপি ভোটের প্রচারকে আরও জোরদার করেছে। রাজ্যের তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করতে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ অনেক নেতা এখান বঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। এই পরিবর্তন যাত্রার মূল লক্ষ্য হল মানুষের মনে তৃণমূলের ভয়কে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

  • Ramakrishna 594: “আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস”

    Ramakrishna 594: “আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    ডাক্তার (মাস্টার, গিরিশ ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—দেখ, আমি তোমাদেরই রইলুম। ব্যারামের জন্য যদি মনে কর, তাহলে নয়। তবে আপনার লোক বলে যদি মনে কর, তাহলে আমি তোমাদের।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি—একটি আছে অহৈতুকী ভক্তি। এটি যদি হয়, তাহলে খুব ভাল। প্রহ্লাদের অহৈতুকী ভক্তি ছিল। সেরূপ ভক্ত বলে, হে ঈশ্বর! আমি ধন, মান, দেহসুখ, এ-সব কিছুই চাই না। এই কর যেন তোমার পাদপদ্মে আমার শুদ্ধাভক্তি হয়।

    ডাক্তার—হাঁ, কালীতলায় লোকে প্রণাম করে থাকে দেখেছি; ভিতরে কেবল কামনা—আমার চাকরি করে দাও, আমার রোগ ভাল (Kathamrita) করে দাও,—এই সব।

    শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি—“যে অসুখ তোমার হয়েছে, লোকেদের সঙ্গে কথা কওয়া হবে না। তবে আমি যখন আসব, কেবল আমার সঙ্গে কথা কইবে।” (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এই অসুখটা ভাল করে দাও। তাঁর নামগুণ করতে পাই না।

    ডাক্তার—ধ্যান করলেই হল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সে কি কথা! আমি একঘেয়ে কেন হব? আমি পাঁচরকম করে মাছ খাই। কখন ঝোলে, কখন ঝালে অম্বলে, কখন বা ভাজায়। আমি কখন পূজা, কখন জপ, কখন বা ধ্যান, কখন বা তাঁর নামগুণগান করি, কখন তাঁর নাম করে নাচি।

    ডাক্তার—আমিও একঘেয়ে নই।

    অবতার না মানিলে কি দোষ আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমার ছেলে অমৃত — অবতার মানে না। তাতে দোষ কি? ঈশ্বরকে নিরাকার বলে বিশ্বাস থাকলেও তাঁকে পাওয়া যায় (Kathamrita)। আবার সাকার বলে বিশ্বাস থাকলেও তাঁকে পাওয়া যায়। তাঁতে বিশ্বাস থাকা আর শরণাগত হওয়া। এই দুটি দরকার। মানুষ তো অজ্ঞান, ভুল হতেই পারে। একসের ঘটিতে কি চারসের দুধ ধরে? তবে যে পথেই থাকো, ব্যাকুল হয়ে তাঁকে ডাকা চাই। তিনি তো অন্তর্যামী — সে আন্তরিক ডাক শুনবেনই শুনবেন। ব্যাকুল হয়ে সাকারবাদীর পথেই যাও, আর নিরাকারবাদীর পথেই যাও, তাঁকেই (ঈশ্বরকেই) পাবে।

    “মিছরির রুটি সিধে করেই খাও, আর আড় করেই খাও; মিষ্ট লাগবে। তোমার ছেলে অমৃতটি বেশ।”

    ডাক্তার—সে তোমার চেলা (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি)—আমার কোন শালা চেলা নাই। আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস।

    “চাঁদা মামা সকলেরই মামা।” (সভাস্থ সকলের আনন্দ ও হাস্য।)

  • Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার শিলিগুড়িতে গোর্খা সম্প্রদায়ের (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো পুনরায় আলোচনায় উঠে এসেছে। বিজেপির তরফে দেওয়া হয়েছে আশ্বাস।

    গোর্খাল্যান্ড ও বিকল্প দাবি (Nitin Nabin)

    বঙ্গ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ উপলক্ষে বর্তমানে রাজ্যে অবস্থান করছেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই সফরের মধ্যেই পাহাড়ের গোর্খা নেতাদের (Gorkha Community) সঙ্গে তাঁর এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেগ ও দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকে উপস্থিত গোর্খা প্রতিনিধিরা পুনরায় পৃথক ‘গোর্খাল্যান্ড’ রাজ্যের দাবি উত্থাপন করেন। তাঁরা স্পষ্ট জানান, যদি পৃথক রাজ্য গঠন সম্ভব না হয়, তবে উত্তরবঙ্গকে একটি ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ (Union Territory) হিসেবে ঘোষণা করা হোক। উত্তরবঙ্গের মানুষ দীর্ঘ দিন বাম এবং তৃণমূলের শাসনে উন্নয়নের ধারা থেকে উপেক্ষিত রয়েছে। তাই উত্তরবঙ্গের মানুষ সার্বিক উন্নয়ন চান। তবে বাংলার পরিবর্তন এলে পাহাড় সমস্যার গঠন মূলক সমাধান যে হবেই এই নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    জিটিএ-র ব্যর্থতা

    গোর্খা নেতাদের অভিযোগ, ২০০৭ সালের আন্দোলনের পর গঠিত হওয়া গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (GTA) পাহাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। র্জিলিংয়ের বিজেপি বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, “গোর্খারা বৈঠকে থাকলে গোর্খাল্যান্ড প্রসঙ্গ আসবেই।” তৃণমূলের শাসনে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন পাহাড়ের নেতারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের আশ্বাস সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান

    গোর্খা (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের অভাব-অভিযোগ শোনার পর দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “বিজেপি বরাবরই পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায়। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্যার সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।” অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “পাহাড়ের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে এবং রাজ্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ভারসাম্য বজায় রেখেই বিজেপি সমাধানের পথ খুঁজবে।”

  • Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনলে ভাইপো শাসক হবে”, মাথুরাপুরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের এক নতুন অধ্যায় শুরু করল ভারতীয় জনতা পার্টি।

    কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) রায়দিঘিতে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। তিনি তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করে রাজ্যে সুশাসন ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ এখন পরিবর্তন চাইছে। এই জনসঙ্কল্পকে আরও শক্তিশালী ও মুখর করে তুলতে বাংলার বিজেপি ‘পরিবর্তন যাত্রা’ (Parivartan Yatra) শুরু করেছে। আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধনী কর্মসূচিতে কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত থাকব। এই যাত্রার মাধ্যমে বিজেপির কর্মীরা রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ‘অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা’র অঙ্গীকার পৌঁছে দেবেন।”

    যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে

    এরপর মথুরাপুরে ভাষণ দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “বিজেপি সরকার হলে যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে। আমরা ক্ষমতায় এলেই সপ্তম পে কমিশন করব। হুমায়ুন কবীরকে দিয়ে চক্রান্ত করে বাবরি মসজিদ করানো হচ্ছে। হুমায়ুন ও মমতা একই মুদ্রার দুই পিঠ। হুমায়ুন কবীরকে পরিকল্পনা করেই বাইরে বার করে বাবরি মসজিদ তৈরি করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বদলাতে আমরা আসিনি। পরিবর্তন (Parivartan Yatra) জনতাই করবে। আমরা অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বিদায় করবই।”

    এজেন্ডা কি মাদ্রাসার উন্নতি?

    তৃণমূলের শাসনে ভাইপোর দৌরাত্ম্য নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “ভাইপোর শাসন থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিন। বঙ্গে ৫ দিক থেকে ছুটবে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra)। বিজেপিকে ৩৮ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন, ৭৭ আসন দিয়েছিলেন, কংগ্রেস-বামেদের শূন্যে পৌঁছেছিলেন। বিধানসভায় বাংলার বাজেট হয়েছে। সায়েন্স ও টেকনোলজির জন্য ৮০ কোটি টাকা দিয়েছেন। মাদ্রাসাগুলোর জন্য ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। এজেন্ডা কী? রাজ্যে বিজ্ঞান প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্য়মে কর্মসংস্থান এজেন্ডা নাকি মাদ্রাসার উন্নতি?”

    সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্ব

    পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “এই যাত্রা রাজ্যের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যাবে এবং মানুষের কাছে পরিবর্তনের (Parivartan Yatra) বার্তা পৌঁছে দেবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে তুলে ধরা।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোট শুরুর আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রক্রিয়ার সমান্তরালে বিজেপির এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ (Parivartan Yatra) বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো স্পর্শকাতর জেলায় অমিত শাহের (Amit Shah) এই সভা থেকে দুষ্কৃতীদের বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে শাসক দলকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপি সূত্রে খবর, এই পরিবর্তন যাত্রা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। এই যাত্রার প্রতিটি ধাপে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের হেভিওয়েট নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ রায়দিঘিতে গিয়েছেন অমিত শাহ। ইসলামপুরে থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাওড়ার আমতায় সভা করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

  • Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission) ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি আধাসামরিক আগামী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেই অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১ মার্চের মধ্যে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী ঢুকেছে। নির্ধারিত জেলায় পৌঁছে গিয়েছে প্রথম দফায় রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এসে পৌঁছাবে। জেলায় জেলায় চালানো হবে কঠোর নজরদারি (Election Security)।দ্বিতীয় দফায় আসা ২৪০ কোম্পানি আগামী ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

     

    জেলা ভিত্তিক মোতায়েন পরিকল্পনা (Election Commission)

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। নির্বাচনে (Election Commission) তাঁদের দ্বারা ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন (Election Security) নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানোর কাজ করানো হবে। সব দায়িত্বের মূলে হল এলাকাকে ভয়মুক্ত করা। প্রত্যেক কোম্পানির ৯টি সেকশনের (Election Security) মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে আর বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে থাকবে।

     

    কোথায় কত বাহিনী

    ১০ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই জেলায় আসছে ৩৩ কোম্পানি। বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১১ ও সুন্দরবন পুলিশ জেলায় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯ কোম্পানি। জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Election Commission) মোতায়েন করা হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২০, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৯, মালদায় ১৮, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৫, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১০ কোম্পানি মোতায়েন (Election Security) করা হচ্ছে।

    বাহিনী কোন কোন কাজ করবে?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, এই বাহিনী (Election Commission) মূলত নিম্নলিখিত কাজগুলো সম্পন্ন করবে।

    • ১>এরিয়া ডমিনেশন: নিয়মিত টহলদারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
    • ২>আস্থা বৃদ্ধি (Election Security): সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ তৈরি করা।
    • ৩>নজরদারি: বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য জিপিএস (GPS) এবং বডি ক্যাম ব্যবহার করা হবে।

    সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় সহ বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তির খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১০ মার্চের মধ্যে আসা এই বাহিনীর একটি বড় অংশ এই জেলার ডায়মন্ড হারবার, বারুইপুর এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • SSC Recruitment Case: প্রাথমিকের পর এবার এসএসসি! দোলের পরেই পার্থ-অর্পিতাকে ফের তলব ইডির

    SSC Recruitment Case: প্রাথমিকের পর এবার এসএসসি! দোলের পরেই পার্থ-অর্পিতাকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি (SSC Recruitment Case) কেলেঙ্কারিতে ফের ইডির নোটিশ ‘অপা’-কে! দোলের পরেই তলব করা হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং বান্ধবী অর্পিতাকে। সূত্রের খবর, দোল মিটে গেলেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিতে হবে। উল্লেখ্য এই তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে আদালতে বিশেষ চার্জশিটে নাম থাকার কথাও জানা গিয়েছে।

    আর্থিক অনিয়ম, সম্পত্তি ও অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য (SSC Recruitment Case)

    এর আগে, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় দুর্নীতির (SSC Recruitment Case) অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা প্রথমে গ্রেফতার করেছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। একই মামলায় বান্ধবী অর্পিতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। অনেক দিন জেলে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছে, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক লেনদেন পার্থ এবং অর্পিতার নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্রেই তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক অনিয়ম, সম্পত্তি ও অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতেই এই তলব। দোলের পর চলতি মাসের ১৬ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে দু’জনকে তলব করা হয়েছে। দু’জনকেই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে, এমনটাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন।

    দু’টি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (SSC Recruitment Case) গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কমিটির চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘ সময়ের তল্লাশির পর অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয় সোনাও। ৩০ ঘণ্টা ধরে একাধিক মেশিন লাগিয়ে টাকা গোনার পালা চলে। এরপরন দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সিবিআই-এর এসএসসি এবং প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও পার্থকে হেফাজতে নেয়। তবে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এর আগে ইডি কখনও পার্থ কিংবা অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। গত নেভেম্বরে ৩ বছর ৩ মাস পরে জামিন পেয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অপরে অর্পিতা গ্রেফতার হওয়ার ২ বছর ৩ মাস পর মুক্ত হন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতের চার্জশিটে স্পষ্ট জানিয়েছে নাকতলার বাড়িতেই টাকা নিয়ে অযোগ্যদের লিস্ট করেছিলেন পার্থ। এরপর রাজ্যের মন্ত্রীসভা এবং কমিশনকে দিয়েছিলেন। দুর্নীতিকাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল সরকারের বড় মাথা।

  • Parivartan Yatra: শিক্ষক থেকে পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি! সর্বত্র তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তুলেছে, মমতাকে তোপ নিতিনের

    Parivartan Yatra: শিক্ষক থেকে পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি! সর্বত্র তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তুলেছে, মমতাকে তোপ নিতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) সূচনা হয়েছে। কোচবিহারে সূচনা করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অপর দিকে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সূচনা করেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই যাত্রার সূচনা পর্বে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে (Parivartan Yatra)

    পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra) কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে ৫০০০ কিমি পথ অতক্রম করবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের অনুপ্রবেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, “মমতার সরকার দুর্নীতি, হপ্তা তোলা আর অনুপ্রবেশকারীদের উপর ভর করে চলছে। বাংলার মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এতদিন মানুষের বাড়িতে শুধু প্রতিশ্রুতি আর অহংকারই পৌঁছেছে। এ বার পৌঁছবে বিশ্বাস ও পরিবর্তনের বার্তা। দিদি, আপনার মমতা অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি, বাংলার মানুষের প্রতি নয়। এই আচরণ আর চলবে না। এ বার বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার গড়ে উন্নয়নের রথ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই মাটির ঐতিহ্য দুর্নীতির সঙ্গে যায় না। বাংলাকে আবার উন্নয়নের পথে ফেরাতে হবে। যেখানে আইটি হাব হওয়ার কথা ছিল, সেখানে দাদাগিরি চলছে।”

    মমতাকে আক্রমণ নবীনের

    মমতার সরকারকে নিশানা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, এসএসসি কেলেঙ্কারি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি— এমন কোনও ক্ষেত্র নেই যেখানে তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তোলেনি। আপনার আধ ডজন মন্ত্রী জেলে গিয়েছেন, তাঁরা কি তীর্থ করতে গিয়েছিলেন?” দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বিজেপি সভাপতির দাবি, “দেশের যত দুর্নীতিবাজ নেতা, তাঁদের সমর্থন পান আপনি !” নিতিন আরও বলেন, “মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তুলে ক্ষমতায় এসেছেন, কিন্তু মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে পারেননি । উল্টে বলছেন, রাতে একা বেরোবেন না!” এর জবাবে মহিলাদের আরও বেশি করে সঙ্ঘবদ্ধভাবে প্রতিবাদ সংগঠিত করার আহ্বানও জানান তিনি ৷ হোলির উদাহরণ টেনে রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন। “৪ মার্চ হোলি খেলব, আর বিধানসভা নির্বাচনের দিন বাংলায় হোলি খেলবেন বিজেপি কর্মীরা।”

    বিজেপি সরকার গড়লে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ হবে

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার (Parivartan Yatra) সূচনা মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০২৬–এর বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন আনতেই হবে। বিজেপির বর্তমান ভোটের সঙ্গে আর মাত্র ৫ শতাংশ ভোট যোগ হলেই সরকার গড়া সম্ভব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তা, আবাসন থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি থেকে মুক্ত করে বিজেপি সরকার গড়লে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ হবে।” অপর দিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “দিল্লি থেকে একটি ইঞ্জিন টান দেবে, আর রাজ্য থেকে আরেকটি ইঞ্জিন ঠেলা দেবে—তাহলেই বাংলার উন্নয়ন দ্রুত হবে। কেন্দ্রের পাঠানো উন্নয়নমূলক প্রকল্পের টাকা রাজ্যে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি।”

    মনীষী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি দিয়ে যাত্রা শুরু

    রবিবারের সভায় বাংলার মনীষী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি দিয়ে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করা হয়। ১৯৯১ সালে গড়বেতায় যে সব বিজেপি কর্মীদের হত্যা কড়া হয়েছিল তাঁদের ছবি টাঙিয়ে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই বিজেপির এই যাত্রার (Parivartan Yatra) কথা জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। অপর দিকে বিজেপির এদিনের সভায় যোগদান করলেন কুড়মী সংগঠনের সভাপতি রাজেশ মাহাতো। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজে বিজেপির পতাকা তুলে দেন। রাজেশ বলেন, “আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং দাবিপত্র জমা দিয়েছি। আশা করি দাবি পূরণ হবে।”

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাই লক্ষ্য

    বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাধিক শীর্ষ নেতা অংশ নেবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গডকরি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবিশ প্রমুখ। রাজ্য বিজেপির  দাবি, এই যাত্রার মাধ্যমে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। রাজ্যের ন’টি আলাদা জায়গা থেকে ন’টি পৃথক র‍্যালি বেরোচ্ছে। তবে ৩ ও ৪ মার্চ ‘দোল যাত্রা’ এবং হোলির কারণে কোনও কর্মসূচি রাখা হয়নি। ৫ মার্চ থেকে আবার যাত্রা শুরু হবে এবং ধাপে ধাপে রাজ্যের সব ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রকে কভার করা হবে। বিজেপির এক রাজ্য কমিটির সদস্য জানিয়েছেন, “১৫ মার্চ ব্রিগেডের জনসভা দিয়েই পরিবর্তন যাত্রার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে, যদিও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে শেষ মুহূর্তে সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।”

  • Ramakrishna 593: “স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল, মনে করলে, মুখে জল সরে, আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না”

    Ramakrishna 593: “স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল, মনে করলে, মুখে জল সরে, আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    ডাক্তার—আবার এমন ঔষধ আছে, যাতে বুকে হাঁটু দিতে হয় না। যেমন হোমিওপ্যাথিক।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— উত্তম বৈদ্য বুকে হাঁটু দিলে কোন ভয় নাই।

    “বৈদ্যের মতো আচার্যও তিনপ্রকার। যিনি ধর্ম উপদেশ দিয়ে শিষ্যদের আর কোন খবর লন না, তিনি অধম আচার্য। যিনি শিষ্যদের মঙ্গলের জন্য তাদের বারবার বুঝান, যাতে উপদেশগুলি ধারণা করতে পারে, অনেক অনুনয় বিনয় করেন, ভালবাসা দেখান (Kathamrita)—তিনি মধ্যম আচার্য। আর যখন শিষ্যেরা কোনও মতে শুনছে না দেখে, কোনও আচার্য জোর পর্যন্ত করেন, তাঁকে বলি উত্তম আচার্য।”

    স্ত্রীলোক ও সন্ন্যাসী—সন্ন্যাসীর কঠিন নিয়ম

    (ডাক্তারের প্রতি)—“সন্ন্যাসীর পক্ষে কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ। স্ত্রীলোকের পট পর্যন্ত সন্ন্যাসী দেখবে না। স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল। মনে করলে, মুখে জল সরে। আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না।

    “কিন্তু এ-কথা আপনাদের পক্ষে নয়,—এ সন্নাসীর পক্ষে। আপনারা যতদূর পার স্ত্রীলোকের সঙ্গে অনাসক্ত হয়ে থাকবে। মাঝে মাঝে নির্জনে গিয়ে ঈশ্বরচিন্তা করবে। সেখানে যেন ওরা কেউ না থাকে। ঈশ্বরেতে বিশ্বাস ভক্তি এলে, অনেকটা অনাসক্ত হয়ে থাকতে পারবে। দুই-একটি ছেলে হলে স্ত্রী-পুরুষ দুইজনে ভাই-বোনের মতো থাকবে, আর ঈশ্বরকে সর্বদা প্রার্থনা করবে, যাতে ইন্দ্রিয় সুখেতে মন না যায়,—ছেলেপুলে আর না হয়।”

    গিরিশ (সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি) আপনি এখানে তিন-চার ঘণ্টা রয়েছেন; কই, রোগীদের চিকিৎসা করতে যাবেন না?

    ডাক্তার—আর ডাক্তারী আর রোগী! যে পরমহংস হয়েছে, আমার সব গেল! (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেখ কর্মনাশা বলে একটি নদী আছে। সে নদীতে ডুব দেওয়া এক মহাবিপদ। কর্মনাশ হয়ে যায় — সে ব্যক্তি আর কোন কর্ম করতে পারে না। (ডাক্তার ও সকলের হাস্য)

    ডাক্তার (মাস্টার, গিরিশ ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—দেখ, আমি তোমাদেরই রইলুম। ব্যারামের জন্য যদি মনে কর, তাহলে নয়। তবে আপনার লোক বলে যদি মনে কর, তাহলে আমি তোমাদের।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি—একটি আছে অহৈতুকী ভক্তি। এটি যদি হয়, তাহলে খুব ভাল। প্রহ্লাদের অহৈতুকী ভক্তি ছিল। সেরূপ ভক্ত বলে, হে ঈশ্বর! আমি ধন, মান, দেহসুখ, এ-সব কিছুই চাই না। এই কর যেন তোমার পাদপদ্মে আমার শুদ্ধাভক্তি হয়।

    ডাক্তার—হাঁ, কালীতলায় লোকে প্রণাম করে থাকে দেখেছি; ভিতরে কেবল কামনা—আমার চাকরি করে দাও, আমার রোগ ভাল (Kathamrita) করে দাও,—এই সব।

LinkedIn
Share