Tag: Madhyom

Madhyom

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির নর্থ ব্লকে বিস্ফোরণের হুমকির পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) মেরে ফেলার হুমকি ফোন পেল এনআইএ ৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের (Chennai) পুরশৈবকমে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ-র কার্যালয়ে এই ফোন আসে ৷ অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি এনআইএ-র কন্ট্রোল রুমে ফোন করে হিন্দি ভাষায় প্রধানমন্ত্রীকে খুন করার হুমকি দেয় ৷

    প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি ফোন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) মেরে ফেলার হুমকি শুনেই সতর্ক হয়ে যায় এনআইএ আধিকারিকরা। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই পুলিশে খবর দেয় ৷ যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, সেই নম্বরটিও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে ৷ চেন্নাইয়ের সাইবার ক্রাইম পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে ৷ কোথা থেকে এই ফোন এসেছিল ? ফোন করতে কোন সিম কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে ? সাইবার ক্রাইম পুলিশ এই তথ্যগুলির সন্ধান করছে ৷ তবে মনে করা হচ্ছে বিষয়টি পুরোপুরি ভুয়ো। ভয় দেখানোর জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবুও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুলতে চায় না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই সব দিক খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    বোমা হামলার হুমকি

    এর আগে বধুবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ দিল্লির নর্থ ব্লকে বোমা হুমকির মেল আসে ৷ সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কার্যালয় রয়েছে ৷ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, কুকুরের স্কোয়াড, বম্ব স্কোয়াড ৷ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কোথাও কিছু পাওয়া যায়নি ৷ পরে এই মেলকে ভুয়ো মেল বলে জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ৷ দেশ এখন লোকসভা নির্বাচন চলছে। এসময় এরকম অনেক হুমকি আসে।  এর আগে দিল্লির কিছু হাসপাতালে ও ৭০ এর বেশি দিল্লি ও নয়ডার স্কুলে বোমা হামলার হুমকি এসেছিল। কলকাতাতেও কিছুদিন আগে এরকম এক উড়ো মেলের খবর রটেছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kaamya Karthikeyan: কনিষ্ঠতম ভারতীয় কন্যা! মাত্র ১৬ বছরে এভারেস্ট শৃঙ্গজয় দ্বাদশ শ্রেণির কামিয়ার

    Kaamya Karthikeyan: কনিষ্ঠতম ভারতীয় কন্যা! মাত্র ১৬ বছরে এভারেস্ট শৃঙ্গজয় দ্বাদশ শ্রেণির কামিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৬ বছরে এভারেস্টের (Mount Everest) চূড়ায় পা রাখলেন মুম্বইয়ের নেভি স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী কামিয়া কার্তিকেয়ন (Kaamya Karthikeyan)। এই অভিযানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবা কমোডোর এস কার্তিকেয়ন, যিনি নৌসেনার অফিসার। টাটা স্টিল ফাউন্ডেশনের সদস্য কামিয়া নতুন রেকর্ড স্থাপন করলেন। এত অল্প বয়সে এর আগে কোনও ভারতীয় কিশোরী এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেনি। মেয়ের কৃতিত্বে গর্বিত বাবা। 

    কামিয়ার রেকর্ড

    গত সোমবার দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেম কামিয়া। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গে তেরঙা পতাকা ওড়ায় কামিয়া (Kaamya Karthikeyan)। একই সঙ্গে তার হাতে ছিল টাটা স্টিলের পতাকাও। কামিয়ার পরেই দুপুর ২টো ১৫ মিনিটে তাঁর বাবা এস কার্তিকেয়ন এভারেস্টে পা রাখেন। এর আগে এখনও পর্যন্ত আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো, ইউরোপের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রাস ও অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট কোসিয়াসকো-সহ ৫টি শিখর জয় করেছে কামিয়া।

    কবে থেকে শুরু অভিযান

    এপ্রিল মাসের ৬ তারিখ কাঠমান্ডু থেকে অভিযান শুরু করেছিল কামিয়া। প্রায় দেড় মাসের সফর শেষে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছলেন কামিয়া (Kaamya Karthikeyan)। ১৯ মে এভারেস্ট (Mount Everest) বেসক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু কামিয়া, সঙ্গে তাঁর বাবা। মাত্র ৯বছর বয়স থেকেই পাহাড়ে ওঠার নেশা কামিয়ার। এর আগে  দ্বিতীয় কনিষ্ঠ কন্যা হিসেবে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে ট্রেক করে কামিয়া। ১৮ বছরের নীচে দেশের সবচেয়ে বড় নাগরিক সম্মান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল শক্তি পুরষ্কার পেয়েছে কামিয়া।
     
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর বাঁকুড়ায় (Bankura) পালিত হয় ঐতিহাসিক রানীর গাজন। এই উৎসব প্রত্যেকবার বাংলায় ১১ জ্যৈষ্ঠ ছাতনা রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজন হয়ে থাকে। অত্যন্ত প্রাচীন এবং মর্যাদাপূর্ণ উৎসব হিসাবে মান্যতা দেওয়া হয়। কিন্তু এই বছর ওই দিন পড়েছে ২৫ মে। আবার ওই দিনই হল ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণের দিন। প্রশাসনের অনুরোধে ওই দিনে গাজন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    রাজবাড়ির বিজ্ঞাপন (Bankura)

    জানা গিয়েছে, ভোটের দিনেই ছাতনার রানির গাজনের (Bankura) অনুষ্ঠান পড়ায় এবার তা বন্ধ রাখা হবে। রাজবাড়ির বর্তমান প্রতিনিধি প্রদীপ সিংহদেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সংবাদ সকলকে জানিয়েছেন। তবে ধর্মীয়রীতি, পরম্পরা, লোকাচার অক্ষুণ্ণ থাকবে। জান গিয়েছে, রানী আনন্দকুমারী এই অনুষ্ঠানের প্রবর্তন করেছিলেন।

    রাজবাড়ির বক্তব্য

    ছাতনা (Bankura) রাজবাড়ির বর্তমান রাজা প্রদীপ সিংহদেও বলেন, “আনুমানিক ৩০০ বছর পুরানো এই গাজন। নির্জন থাকার কারণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে রীতি মেনেই ২৪ তারিখ সমস্ত কাজ করা হবে।” বাঁকুড়ার নানাবিধ লোকসংস্কৃতির উপাদানের মধ্যে গাজন হল একটি গুরুত্বপূর্ণ লোক উৎসব। এই গাজনকে উপভোগ করার জন্য আবার পরের বছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    তিনশ বছরের পুরাতন এই গাজন

    আজকের দিনে রাজতন্ত্র না থাকলেও রাজার প্রবর্তিত ধর্মীয় লোকাচার এখনও অক্ষত। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার পশ্চিম সীমান্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হল ছাতনা। সবুজ বনে ঘেরা ছাতনা রাজবাড়ির মা মৃন্ময়ীর দুর্গামন্দির। একসময় সামন্তভূমের রাজধানী আজ থেকে প্রায় তিনশো বছর আগে এই মন্দির তৈরি করেছিলেন তৎকালীন রানি আনন্দ কুমারী। রানির হাত ধরে শুরু হয়েছিল গাজন। প্রতি বছর এই গাজনে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু ষষ্ঠ দফার নির্বাচন থাকায় এই বছর গাজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এলাকার মানুষ এই নিয়ে মনে বিষাদের ছায়া। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Blood Transfusion Scandal: ২ দশক ধরে চলা ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কেলেঙ্কারির আসল সত্য প্রকাশ্যে! কী ঘটেছিল?

    Blood Transfusion Scandal: ২ দশক ধরে চলা ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কেলেঙ্কারির আসল সত্য প্রকাশ্যে! কী ঘটেছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  পাঁচ দশক আগের কেলেঙ্কারি। ছ’বছর ধরে চলা তদন্ত। অবশেষে সামনে এল সত্য। সম্প্রতি শেষ হওয়া তদন্তে জানা গিয়েছে ব্রিটেনে ১৯৭০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস সি দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল। কিন্তু এই রোগের চিকিৎসা করাতে এলে সে দেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রের গাফিলতিতে (Blood Transfusion Scandal) মারা যায় প্রায় ৩০০০ মানুষ। কিন্তু এত বড় ঘটনাটি এতদিন সম্পূর্ণভাবে লুকিয়ে গেছিল সে দেশের সরকার। কিন্তু সত্য কখনো চাপা থাকেনা। সত্যি সামনে আসতেই এবার ক্ষতিপুরণ ঘোষনা করলেন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Blood Transfusion Scandal) 

    জানা গিয়েছে সরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্র এনএইচএসের গাফিলতিতে ১৯৭০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস সি দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল দূষিত রক্তের পণ্য এবং ট্রান্সফিউশন দ্বারা। অনেক হিমোফিলিয়া আক্রান্ত তাদের চিকিৎসার জন্য সংক্রামিত রক্তের নমুনা দিয়েছিলেন। এরপর সেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অযত্ন ও অবহেলার ফলে শুদ্ধ ও দূষিত রক্তের নমুনা মিশে যায়। আর সেই রক্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত করা হলে তাদের রক্তও সংক্রমিত হয়ে যায়। ফলে দূষিত রক্তের প্রভাবে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় মারা যায় প্রায় ৩০০০ মানুষ। 

    ক্ষতিপূরণ ঘোষণা সরকারের 

    অন্যদিকে ভোটের আগে এই কেলেঙ্কারি (Blood Transfusion Scandal) ফাঁস হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। জানা গিয়েছে সরাসরিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেককে ২০ লক্ষ পাউন্ড দেওয়া হবে। আর যাদের হেপাটাইটিস সংক্রমণের ফলে লিভারের ক্ষতি হয়েছে তারা প্রায় ১০ লক্ষ পাউন্ড পাবে। 

    আরও পড়ুন: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    এই ক্ষতিপূরণের টাকা ধাপে ধাপে দেওয়া হবে। আপাতত চলতি মরসুমে দুলক্ষ পাউন্ড দেওয়া হবে, বছরের শেষে মিলবে মোটা অঙ্কের কিস্তি। সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত (Blood Transfusion Scandal) চার হাজার মানুষকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের অবর্তমানে তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে তদন্তের দায়িত্বে থাকা কমিটি জানিয়েছে, এই ভয়ানক কেলেঙ্কারির (Blood Transfusion Scandal) কথা গত পঞ্চাশ বছর ধরে বেমালুম চেপে রাখা হয়েছে। সংক্রামিত রক্তের এই তদন্তকে এনএইচএস এর ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ চিকিৎসা বিপর্যয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    Lok Sabha Elections 2024: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক।” উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তীর এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Lok Sabha Elections 2024)। এদিনের জনসভায় আগাগোড়াই তিনি আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি বিরোধী জোটকে। বলেন, “তারা (ইন্ডি) যদি ছড়িয়ে পড়ে, তবে গোটা ভারতকে ধ্বংস করে দেবে। ক্যান্সারের চেয়েও তিনটি রোগ দেশের পক্ষে মারাত্মক। এই রোগগুলি হল, এই লোকগুলো দারুণভাবে সাম্প্রদায়িক, এরা ভীষণভাবে বর্ণবাদী, এরা ভয়ঙ্করভাবে পরিবারবাদী।”

    বন্ধ করে দেবে জনধন অ্যাকাউন্ট! (Lok Sabha Elections 2024)

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। ষষ্ঠ দফার নির্বাচন হবে ২৫ মে, শনিবার। দেশের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে ৪৩০টি আসনে (Lok Sabha Elections 2024)। শ্রাবস্তীর ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “শ্রাবস্তীর একটি সমৃদ্ধশালী এবং পৌরাণিক আখ্যান রয়েছে। সারা বিশ্বের পর্যটকরা এই জায়গা দর্শন করতে আসেন। তা সত্ত্বেও পূর্বতন সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস কখনও এখানকার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেয়নি।” জনধন প্রকল্পে দেশে ৫০ কোটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। বিরোধীরা ক্ষমতায় এলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। বলেন, “মোদি ৫০ কোটিরও বেশি দরিদ্র মানুষকে খুলে দিয়েছে জনধন অ্যাকাউন্ট। তারা (বিরোধীরা) আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেবে। আপনার টাকা ছিনিয়ে নেবে।”

    আর পড়ুন: স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা, আপকে নিশানা ‘নির্যাতিতা’ সাংসদের

    দুই ছেলের জুটি

    তিনি যে সামান্য একটি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মোদি কোনও রাজ পরিবার থেকে আসেনি। আমি এই মায়েদের মতো এক গরিব মায়ের সন্তান। আমি কারও জন্য কিছু অর্জন করতে চাই না। তবে আমি দেশকে এমন শক্তিশালী করতে চাই যে বংশবাদী দলগুলি যেন আর দেশকে ধ্বংস করতে না পারে। এজন্য আপনাদের আশীর্বাদ চাই।” কংগ্রেস-সমাজবাদী দলের জোটকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউপিতে ফের চালু হয়েছে দুই ছেলের (রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদব) জুটি। একই পুরানো ফ্লপ ছবি, একই পুরানো চরিত্র, একই পুরানো সংলাপ। পুরো নির্বাচন শেষ হতে চলেছে, কিন্তু আপনি কী এই লোকদের কাছ থেকে একটিও নতুন কথা শুনেছেন (Lok Sabha Elections 2024)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Panihati: পোস্টাল ব্যালট ভোটে কারচুপি! বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panihati: পোস্টাল ব্যালট ভোটে কারচুপি! বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের আগে প্রবীণদের পোস্টাল ভোটে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) এলাকায়। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের ব্যবস্থা যে তৃণমূল সন্ত্রাস চালাতে পারে তা কেউ ভাবতেই পারেনি। এমনই দাবি গেরুয়া শিবিরের নেতাদের। বুধবার অকল্পনীয় সেই ঘটনার সাক্ষীই হলেই উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির বাসিন্দারা। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার পানিহাটি (Panihati) পুরসভা এলাকার অমরাবতীতে প্রবীণ নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করছিলেন সেক্টর অফিসারের নেতৃত্বে প্রশাসনিক আধিকারিক। সেই সময় সিনিয়র সিটিজেনদের ব্যালট ভোট নিয়ে বেআইনি হচ্ছে বলে বিজেপির সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের স্থানীয় নেতা- কর্মীরা। বিজেপি কর্মীরা কথা বলতে গেলে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় পানিহাটির অমরাবতী এলাকায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভুয়ো এজেন্টের মাধ্যমে পোস্টাল ভোট করানোর অভিযোগ তুলে সেক্টর অফিসারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল নেতা তথা পুরসভার (Panihati) চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, বিজেপি বহিরাগত লোকজনদের নিয়ে এসে ওই এলাকায় পোস্টাল ব্যালটে ভোট করার চেষ্টা করছে। আমরা কোনও ভুয়ো এজেন্ট দিইনি। আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে বিজেপি ভোটের আগে রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছে। আমরা এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেই এই গন্ডগোল হয়েছে। বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি করে জিততে চাইছে তৃণমূল। কারণ, মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বলেই ওরা এখন এসব করে নিজেদের পক্ষে ভোট করতে চাইছে।  ভুয়ো এজেন্টের নামে সই করে ফলস ভোট দেওয়াচ্ছে তৃণমূল। এসব আমরা ধরে ফেলি। বাধা দিতে গেলেই ওরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    Nandigram: বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা ভোটের আগে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম (Nandigram)। জ্বালিয়ে দেওয়া হল বাড়ি-ঘর দোকান, ভাঙচুর-বিক্ষোভের আঁচে উত্তপ্ত এলাকা। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাতে না যায় তাই নন্দীগ্রাম থানা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে এলাকায়। একই সঙ্গে রয়েছে পুলিশ। আজ সোনাচূড়া, মনসা বাজার এলাকয় বিজেপির পক্ষ থেকে বন্‌ধ পালিত হয়। অপর দিকে বিকেল পাঁচটায় সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী।

    সকাল থেকেই উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম (Nandigram)

    ২৫ মে শনিবার ভোট, আজই নন্দীগ্রামে (Nandigram) নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিন। কিন্তু ইতিমধ্যে এক বিজেপি কর্মী মহিলাকে খুনের ঘটনায় বিজেপি ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেছে এলাকায়। মূল অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভের আচ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা নন্দীগ্রাম জুড়ে। আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হল বাড়ি-ঘর, দোকান। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১০০ কোম্পানির উপর বাহিনীকে এলাকায় মজুত করা হয়েছে। আরও ফোর্স নামানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে ব্যানার লাগাতে গিয়ে তৃণমূল-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা হয়। এরপর বিজেপি সমর্থিত মহিলাকে খুন করা হয়। তবে এই খুনের পিছনে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানি মূলক ভাষণকেই বিজেপি দায়ী করেছে। এরপর বিজেপি আজ প্রতিবাদে বন্‌ধ ডাকা হয়।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেছেন, “একজন মহিলাকে নন্দীগ্রামে (Nandigram) খুন করা হয়েছে। আমি গুন্ডাদের কীভাবে সোজা করতে হয় তা আমি জানি। কেষ্ট, শাহজাহানরা কোথায়? সব কিছুর বদল হবে। একজন মাঝ বয়সী মহিলাকে মেরে দিলে বদলা অবশ্যই হবে।” নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃ“নথি চেয়ে যোগ্য-অযোগ্য শিক্ষকদের গুলিয়ে দিতে চাইছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    কী বলেছিলেন অভিষেক?

    তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক প্রচার সভায় বলেছিলেন, “নন্দীগ্রাম (Nandigram) ১ নম্বর ব্লকে সোনাচূড়া, হরিপুর, গোকুলনগর, ভেকুটিয়া আর আর দু’নম্বর ব্লকের বয়ালনগর ১, বয়াল ২ এই জায়গায় যাঁরা মানুষকে ভোট দিতে দেয়নি তাঁদের তালিকা আমার কাছে রয়েছে। এর পরিণতি খুব খারাপ হবে সতর্ক করলাম। কোনও বাবা বাঁচাবে না। কেউ বাঁচাবে না।” আবার তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান বলেন, “অভিষেক কোনও প্ররোচনা দেননি। আক্রমণের কথা তিনি বলেননি। বিজেপির পতাকা বাঁধার লোক নেই ওই এলাকায়।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swati Maliwal: স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা, আপকে নিশানা ‘নির্যাতিতা’ সাংসদের

    Swati Maliwal: স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা, আপকে নিশানা ‘নির্যাতিতা’ সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ঘোরালো হচ্ছে স্বাতী মালিওয়ালকাণ্ডের (Swati Maliwal) মেঘ! এবার আম আদমি পার্টির (আপ) এই সাংসদের পাশে দাঁড়ালেন দিল্লিতে গণধর্ষণের জেরে মৃত নির্ভয়ার মা আশা দেবী।

    স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা (Swati Maliwal)

    আশা বলেন, “নির্ভয়ার বিরুদ্ধে আম জনতার ক্ষোভের আগুন থেকেই দিল্লিতে ক্ষমতায় এসেছিল আপ।” তিনি বলেন, “রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়ালই যদি নিরাপদ না হন, তাহলে এই সরকারের কাছ থেকে সাধারণ মহিলারা কী ধরনের নিরাপত্তা আশা করতে পারেন?” তিনি বলেন, “দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি নিজেকে দিল্লিবাসীর ভাই ও ছেলে হিসেবে পরিচয় দেন। সেটা মাথায় রেখেই বলছি, তাঁর এ ব্যাপারে মুখ খোলা উচিত। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নেওয়া উচিত উপযুক্ত ব্যবস্থা।”

    নির্ভয়ার মা পাশে দাঁড়ানোয় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্বাতী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “নির্ভয়ার মা বিচারের জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি আমি যখন ওই নাবালিকার ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে অনশন করছি, তিনি আমার পাশে ছিলেন। আজ তিনি আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন।”

    রূপকের মৃত্যু!

    দিল্লির (Swati Maliwal) মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রাক্তন সহায়ক বিভব কুমারের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন স্বাতী। সে প্রসঙ্গে বুধবার কেজরিওয়াল বলেন, “আমি আশা করি নিরপেক্ষ তদন্ত হবে। উপযুক্ত বিচারই হবে।” আপ সুপ্রিমোর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আরও একটি ট্যুইট করেছেন স্বাতী। লিখেছেন, “আমার বিরুদ্ধে দলীয় নেতা ও স্বেচ্ছাসেবীদের ছড়িয়ে দিয়ে, আমাকে বিজেপির এজেন্ট বলা হচ্ছে, আমার চরিত্রে কালি ছেটানো হচ্ছে, এডিট করা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত আমার পাশে পাশেই ঘুরছে, প্রমাণ বিকৃত করছে। তাঁরা (দলীয় নেতারা) অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। যে মুখ্যমন্ত্রীর ড্রয়িং রুমে আমায় মারধর করা হল, তিনি কিনা বলছেন নিরপেক্ষ তদন্ত হবে। রূপকের মৃত্যু হয়েছে হাজারবার।”

    কটু কথা বলতে দলীয় নেতাদের চাপ!

    তাঁর বিরুদ্ধে কটু কথা বলতে দলের তরফে নেতাদের চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি স্বাতীর। তাঁর লড়াইয়ের জেদ ভেঙে দিতে তাঁর ব্যক্তিগত ছবিও প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “দলের এক প্রবীণ নেতা জানিয়েছেন স্বাতীর সম্পর্কে বাজে কথা বলার জন্য ভীষণ চাপ দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। আমার ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশ্যে আনতেও বলা হচ্ছে।… কোনও কোনও রিপোর্টারকে জাল স্টিং অপারেশনও চালাতে বলা হচ্ছে (Swati Maliwal)।”

  • Sukanta Majumdar: “নথি চেয়ে যোগ্য-অযোগ্য শিক্ষকদের গুলিয়ে দিতে চাইছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “নথি চেয়ে যোগ্য-অযোগ্য শিক্ষকদের গুলিয়ে দিতে চাইছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি বৈধতার নথি জমা দিতে বলে রাজ্যের শিক্ষকদের হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠক করে ঠিক এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। গতকাল বুধবার তিনি বলেন, “নথি চেয়ে যোগ্য-অযোগ্য শিক্ষকদেরদের গুলিয়ে দিতে চাইছেন মমতা। যোগ্যদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অযোগ্য শিক্ষকদেরদের বাঁচাতে চাইছে তৃণমূল।”

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রাজ্যের মমতার সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “শিক্ষকদেরকে এখন ২ শ্রেণীতে ভাগে ভাগ করা হচ্ছে। আমাদের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর কথা অনুসারে শিক্ষক ও ব্যতিক্রমী শিক্ষক। এসএসসি আদালতে গিয়ে বলেছে প্রায় ৮ হাজার অযোগ্য শিক্ষক রয়েছে। এই অযোগ্যদের বাঁচাতে গিয়ে গোটা রাজ্যের ১ লক্ষ ৩০ হাজার শিক্ষককে হেনস্থা করা হচ্ছে। তাঁদের কাছ থেকে নথি চাওয়া হচ্ছে। সেই জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশিকা অনুসারে আগামী ২৭ মের মধ্যে চাকরি সংক্রান্ত নথি জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে দেওয়া দিতে হবে। যাঁরা আজ থেকে ৩০-৩৫ বছর আগে চাকরি পেয়ছেন তাঁদের কাছ থেকে নথি চাওয়ার মানে কী? এমন কী কিছু শিক্ষক, যাঁরা কয়েক বছরের মধ্যে অবসর নেবেন তাঁদের কাছেও তথ্য চাওয়া হচ্ছে। যোগ্যদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অযোগ্যদের বাঁচাতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    ভোট পরবর্তী হিংসা হাওড়ায়! বিজেপির কর্মীর বাড়িতে পড়ল পর পর বোমা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    আর কী বললেন?

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমার প্রশ্ন হচ্ছে শিক্ষা দফতরের কাছে এই তথ্য তো থাকা উচিত। এসএসসি-র সুপারিশ পত্র চাওয়া উচিত। ত্রিশ বছর আগে এসএসসি ছিল না। সেই সময় কমিটির মাধ্যামে চাকরি হত। কমিটি চিঠি পাঠাত। সেই চিঠি এখন খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে। অযোগ্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত হোক। বার বার সকল শিক্ষকদের হেয় এবং অপমান করা হচ্ছে। তৃণমূল নোংরা রাজনীতি করছে। সিপিএম যদি চাকরি দেওয়া নিয়ে দুর্নীতি করে থাকে সেগুলিকে বার করুক। সিপিএম ধোয়া তুলসি পাতা নয়। সিপিএমের লোকগুলি এখন তৃণমূলের গিয়েছে।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: লেপার্ডের চামড়া পাচার! গ্রেফতার হলেন দুই তৃণমূল নেতা, সরব বিজেপি

    Murshidabad: লেপার্ডের চামড়া পাচার! গ্রেফতার হলেন দুই তৃণমূল নেতা, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লেপার্ডের চামড়া সহ গ্রেফতার হলেন দুই তৃণমূল নেতা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতিঝিল এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে  পড়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো এবং বহরমপুর উত্তর-দক্ষিণ রেঞ্জের বনদফতরের যৌথ অভিযানে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থানার মতিঝিল পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন একটি বেসরকারি হোটেল থেকে লেপার্ডের চামড়া সহ দুজনকে আটক করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৮৮ সেন্টিমিটার লম্বা পূর্ণবয়স্ক একটি লেপার্ডের চামড়া। ধৃত দুজনকে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বনদফতর। তাদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণ সংরক্ষন আইনের ৯, ৩৯, ৪০(বি) সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম সাবিরুল ইসলাম ও মাসারুল মণ্ডল। দুজনের বাড়ি মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাদের কাছে কী করে এই চামড়া এল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। পাচার করার জন্য তাঁরা মজুত করেছিলেন কি না পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। অভিযুক্ত সাবিরুল ইসলাম তেতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান আকরুমা বিবির স্বামী। অন্যদিকে সাবিরুলের ভাই মাসারুল। তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতা। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে তৃণমূল ছেড়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগদান করেন তাঁরা। লোকসভা নির্বাচনের মাস কয়েক আগে আবু তাহের খানের হাত ধরে আবারও তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন সাবিরুল সহ তার অনুগামীরা। দুই ভাই কোথা থেকে সেই লেপার্ডের চামড়া আনছিলেন এবং কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন, সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং বনদফতর। বুধবার ধৃতদের লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে অতিরিক্ত বিচারক সুমন দাস ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) (দক্ষিণ) জেলার সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, তৃণমূল দলটাই চোরের দল। তাই, ওই দলের নেতারা তো চোর হবে। গরু, সোনা, কয়লা পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল। এবার চামড়়া পাচারে যুক্ত এই দল। এই দলের কাছে থেকে এর বাইরে আর কী আশা করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share