Tag: Madhyom

Madhyom

  • IPL 2024: বড় ম্যাচেই জাত চেনালেন স্টার্ক, হায়দরাবাদকে সহজে হারিয়ে রবিতে ট্রফির লড়াইয়ে কলকাতা 

    IPL 2024: বড় ম্যাচেই জাত চেনালেন স্টার্ক, হায়দরাবাদকে সহজে হারিয়ে রবিতে ট্রফির লড়াইয়ে কলকাতা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রেয়স, স্টার্ক, নারিনদের সম্মিলিত প্রয়াসে আইপিএল (IPL 2024) ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৮ উইকেট হারিয়ে এবার ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করল নাইটরা। প্যাট কামিন্সদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন মিচেল স্টার্ক। প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে কেকেআরকে (KKR vs SRH) চালকের আসনে বসিয়ে দেন ২৫ কোটির বোলার। হায়দরাবাদের ১৫৯ রানের জবাবে কেকেআর ১৩.৪ ওভারে ২ উইকেটে করল ১৬৪ রান। ২০ ওভারের ম্যাচে ৩৮ বল বাকি থাকতেই ফাইনালে চলে গেল কলকাতা।

    বড় ম্যাচের ঘোড়া

    কয়েক মাস আগে এই মাঠেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছেন। আইপিএলে (IPL 2024) প্রতিপক্ষ। ইনিংসের দ্বিতীয় ডেলিভারি। সামনে জাতীয় দলের সতীর্থ ট্রাভিস হেড। এ মরসুমে বোলারদের ত্রাস। তাঁর বিরুদ্ধে বোলিংয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বাঁ হাতি পেসার মিচেল স্টার্ক। জানেন সতীর্থের দুর্বলতাও। ট্রাভিস হেডকে দ্রুত ফেরানোই লক্ষ্য মিচেল স্টার্কের। যা খুবই কঠিন কাজ। আর সেই কঠিন কাজই সহজ ভাবে করলেন স্টার্ক। লেন্থ বল, হালকা বাইরের দিকে যাচ্ছিল, হেড খেললেন, কিন্তু ব্যাটে বলে হল না। উল্টে দুটো উইকেট মাটিতে লুটিয়ে পড়ল!ট্রাভিস হেডকে গোল্ডেন ডাক করতেই একটা অদৃশ্য চাপ গ্রাস করল হায়দরাবাদকে। এরপর পাওয়ার প্লে-তেই ফেরালেন নীতীশ রেড্ডি ও শাহবাজ আহমেদকে।

    ম্যাচের সেরার পুরস্কারও জিতলেন স্টার্কই। এর মধ্যে ট্রাভিস হেডের উইকেটই যে সবচেয়ে তৃপ্তির, বলার অপেক্ষা রাখে না। স্টার্ক বলছেন, ‘পাওয়ার প্লে কতটা গুরুত্বপূর্ণ আমরা সকলেই জানি। এই দুটি দলই পাওয়ার প্লে-তে ব্যাট হাতে সবচেয়ে বেশি দাপট দেখিয়েছে। সুতরাং, দ্রুত উইকেট নেওয়া খুবই জরুরি ছিল। হেড ও অভিষেক এ মরসুমে পাওয়ার প্লে-তে যে ভাবে ব্যাট করছিল, ঠিক বর্ণনা করা যায় না।’ হেডের উইকেট প্রসঙ্গে স্টার্ক যোগ করেন, ‘এ ক্ষেত্রে নিজেকে ভাগ্যবান বলব। ওকে দ্রুত ফেরানো কার্যত অসম্ভব। সব দিন হয় না।’

    উচ্ছ্বসিত অধিনায়ক

    ফাইনালে (IPL 2024) ওঠার পর নিজের উচ্ছ্বাস চেপে রাখেননি কেকেআর অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তিনি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, তাঁর দল প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছে, যার জেরে সাফল্য এসেছে। সানরাইজার্সের (KKR vs SRH) ইনিংস ১৫৯ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর, রান তাড়া করতে নেমে কেকেআর মাত্র ১৩.৪ ওভারে দুই উইকেটে ১৬৪ রান করে ফেলে। নারিন-গুরবাজের নতুন ওপেনিং জুটিও ভরসা দিল দলকে। আফগান উইকেটরক্ষক-ব্যাটার করলেন ১৪ বলে ২৩ রানের ইনিংস। ২টি চার এবং ২টি ছক্কা এল তাঁর ব্যাট থেকে। নারাইন করলেন ১৬ বলে ২১। ৪টি চার মারলেন তিনি। আমদাবাদের ২২ গজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেললেন বেঙ্কটেশ আয়ার, শ্রেয়সও। কামিন্সেরা তাঁদের সমস্যায় ফেলতে পারলেন না। দুজনেই অর্ধশতরান করে অপরাজিত রইলেন। 

    ম্যাচ শেষে শ্রেয়স বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব খুশি। প্রত্যেকেই তাদের দায়িত্ব দুর্দান্ত ভাবে পালন করেছে। পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যখন গোটা দেশ জুড়ে ভ্রমণ করে খেলতে হয়, তখন এভাবে পুনরুজ্জীবিত হওয়াটা সহজ হয় না। আমরা সব সময়ে বর্তমানে থাকার চেষ্টা করেছি, যা এই ম্যাচে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা যে সুযোগই পেয়েছি, তার পুরো সদ্ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি। আশা করি, ফাইনালেও একই ধারা বজায় রাখব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার”, পুলিশি হানা নিয়ে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার”, পুলিশি হানা নিয়ে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মধ্যেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কোলাঘাটের ভাড়াবাড়িতে আচমকাই পুলিশি অভিযান। মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘিরে ফের রাজ্য-রাজনীতির উত্তেজনার পারদ চড়ল। ভোট আবহের মধ্যে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে রাজ্য জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, আমাকে না জানিয়ে আচমকাই আইপ্যাকের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে কোলাঘাট থানার পুলিশ আমার ওই ভাড়াবাড়ি ও অফিসে চড়াও হয়। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কোলাঘাট থানার সামনে ধর্নায় বসেন বিরোধী দলনেতা।

    মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের তৃণমূল সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘কেন আমার কোলাঘাটের ভাড়াবাড়ি ও অফিসে পুলিশ হানা দিল, তা পরিষ্কার নয়।’ তাঁর অভিযোগ, ‘ভাইপোর নির্দেশে আমার বৃদ্ধ বাবা-মাকেও হেনস্থা করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকারের অত্যাচারের শিকার আমি।’ পুলিশ জানিয়েছে, এক দুষ্কৃতীর সন্ধানেই তল্লাশি চালানো হয়। যদিও এই তত্ত্ব মানতে নারাজ শুভেন্দু। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। আইনি পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন। শুভেন্দু জানান, ‘পুলিশ ও আইপ্যাক আমার বেডরুমে ঢুকে গেছে, ফোন করে বলল আমাকে। আমি অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। কিন্তু কেউ ছিল না। ওসির সঙ্গে কথা হয়। প্রথমে ফোন ধরতে চাননি।’ আশঙ্কা প্রকাশ করে শুভেন্দুর প্রশ্ন, ‘আমার অনুপস্থিতে যদি বাড়িতে ভাঙা দু’টো বন্দুক ফেলে আসে, নগদ টাকা বা হেরোইন রেখে আসে, তার দায়িত্ব কে নেবে?’ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে হাইকোর্টের রক্ষাকবচ রয়েছে। পুলিশ আমার বিরুদ্ধে কোনও দমনমূলক পদক্ষেপ করতে পারবে না। তাহলে এই অভিযান কেন? এর বিরুদ্ধে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব।’

    আরও পড়ুন: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    শাসকদলের ষড়যন্ত্র!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘পুলিশের কাছে যদি সার্চ ওয়ারেন্ট থেকে থাকে, তাহলে তো আমার উপস্থিতিতেই তল্লাশি চালাতে পারত। কিন্তু সেটা করা হয়নি। এসব আসলে আমার বিরুদ্ধে শাসকদলের ষড়যন্ত্র।’ মঙ্গলবার বিকেলে শুভেন্দুর কোলাঘাটের ভাড়াবাড়িতে যায় পুলিশ। অভিযোগ, প্রায় ৮০জন পুলিশকর্মী ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে তল্লাশি করেন। পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপির স্থানীয় নেতা- কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতেও জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। খবর পেয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে সোজা কোলাঘাট থানায় পৌঁছন শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Driving License New Rules: লাইসেন্সের জন্য আরটিওতে দিতে হবেনা ড্রাইভিং টেস্ট! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম

    Driving License New Rules: লাইসেন্সের জন্য আরটিওতে দিতে হবেনা ড্রাইভিং টেস্ট! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে বদলে যাচ্ছে ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License New Rules) পাওয়ার নিয়ম। সম্প্রতি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিরাট ঘোষণা করেছে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক (Ministry of Road Transport and Highways)। জানা নিয়েছে এবার থেকে লাইসেন্স পেতে আর ছুটতে হবে না রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিস (RTO) । ১ জুন থেকে এমনই নিয়ম চালু হচ্ছে দেশে। 

    ঠিক কী ঘোষণা করেছে সরকার? (Driving License New Rules) 

    নতুন নিয়মে (Driving License Rules 2024) বলা হয়েছে, এবার থেকে গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আঞ্চলিক পরিবহন অফিস বা আরটিও-তে গিয়ে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিতে হবে না। বরং আগামী ১ জুন থেকে, সরকারি আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসের পরিবর্তে, বেসরকারি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেই ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়া যাবে। লাইসেন্সের যোগ্যতার জন্য পরীক্ষা পরিচালনা এবং সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য সরকারি অনুমোদন দেওয়া হবে এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে। 
    তবে এই অনুমোদন পাওয়ার জন্য বেসরকারি ড্রাইভিং স্কুলগুলির জন্য কিছু নতুন নিয়ম জারি করেছে মন্ত্রক –
    ১) ড্রাইভিং স্কুলগুলিতে ন্যূনতম ১ একর জমি থাকতে হবে। চার চাকার গাড়ির প্রশিক্ষণের জন্য ন্যূনতম ২ একর জমি থাকা বাধ্যতামূলক। 
    ২)প্রশিক্ষকদের অবশ্যই কোনও হাইস্কুলের ডিপ্লোমা বা তার সমতুল্য শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। সেইসঙ্গে, তার কমপক্ষে ৫ বছরের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া, বায়োমেট্রিক্স এবং আইটি সিস্টেমের পরিচয় থাকা আবশ্যক।
    ৩)স্কুলগুলিকে অবশ্যই উপযুক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
    ৪)হালকা মোটরগাড়ির জন্য ৪ সপ্তাহে ২৯ ঘন্টার প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এর মধ্যে ৮ ঘন্টা থাকবে তত্ত্বের জন্য এবং বাকি ২১ ঘণ্টা থাকবে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য। অন্যদিকে ভারী মোটরগাড়ির জন্য ৬ সপ্তাহে অন্তত ৩৮ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এর মধ্যে ৮ ঘণ্টা থাকবে তত্ত্বের জন্য, এবং ৩০ ঘণ্টা থাকবে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য।

    নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তি

    নিয়মের (Driving License New Rules) বাইরে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালালে জরিমানা বাবদ  ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা জরিমানা হবে। আর যদি একজন নাবালক ড্রাইভিং সিটে ধরা পড়ে তবে তাকে ২৫০০০ টাকার মোটা জরিমানা করতে হবে। এখানেই শেষ নয়, গাড়ির মালিকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে ওই নাবালক ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত লাইসেন্সের জন্য অযোগ্য হবে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    আসলে বর্তমান সময়ে ভারতে ক্রমশ বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। বিশেষ করে কোভিড লকডাউনের সময়, অনেকেই মোটরবাইক বা গাড়ি কেনার দিকে ঝুঁকেছেন। কিন্তু প্রত্যেকেই যে দায়িত্ব নিয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন, তা নয়। হামেশাই রাস্তায় বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় দুর্ঘটনার খবর শোনা যায়। এই পরিস্থিতিতে, ১ জুন থেকে ড্রাইভিং লাইন্সের নতুন নিয়ম (Driving License New Rules) কার্যকর করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    প্রসঙ্গত, লাইসেন্সের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া আগের মতোই আছে। বিশেষ পরিবর্তন করা হয়নি। https://parivahan.gov.in-এই লিঙ্কে গিয়ে অনলাইন বা অফলাইনে আবেদন করা যাবে। তবে, নতুন লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পদ্ধতি আগের তুলনায় সরল করেছে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    Lok Sabha Elections 2024: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাটে উঠেছে ব্যালট। এখন ভোটগ্রহণ হয় ইভিএমে। কেবল বোতাম টিপেই পছন্দের প্রার্থীর নাম ও প্রতীকের পক্ষে মতদান করা যায় (Lok Sabha Elections 2024)। প্রার্থী পছন্দ না হলে নোটা বোতামে চাপ দেন অনেকেই। এবার আসুন, জেনে নেওয়া যাক কীভাবে কাজ করে ভোট নেওয়ার এই যন্ত্র।

    ইভিএম (Lok Sabha Elections 2024)

    ‘ইভিএম’ হল ‘ইলেক্ট্রনিক্স ভোটিং মেশিন’। এর তিনটি ইউনিট থাকে। প্রথমটি ভোটিং ইউনিট বা ব্যালট ইউনিট। দ্বিতীয় ইউনিটটি হল ভিভি প্যাট মেশিন বা ভোটার ভেরিফায়েবল পেপার অডিট ট্রেইল। আর তিন নম্বর ইউনিটটি হল কন্ট্রোল ইউনিট। এই তিনটি ইউনিটের মধ্যে ব্যালট ইউনিট ও ভিভি প্যাট বসানো থাকে ভোট কেন্দ্রের ভিতর যে অংশটি চট দিয়ে ঘেরা থাকে, সেখানে। এই ঘেরাটোপের ভিতরে ঢুকেই ভোট দেন ভোটার। কন্ট্রোল ইউনিটটি থাকে পোলিং অফিসারের কাছে (Lok Sabha Elections 2024)।

    জ্বলবে আলো

    ভোটারের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করার পর পোলিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসার একটি বোতাম টিপলে ব্যালট ইউনিটটি অ্যাক্টিভেট হয়। অর্থাৎ ভোট গ্রহণের জন্য মেশিন প্রস্তুত। ভোটারকে এটা জানান দিতে একটা আলো জ্বলবে। এবার ভোটার তাঁর পছন্দের প্রার্থী ও তাঁর প্রতীকের পাশের বোতাম টিপবেন। পাশের ভিভি প্যাটের ভিতরে থাকা একটি কাগজে ওই প্রতীক ও প্রার্থীর নাম ফুটে উঠবে। এটি দেখার জন্য ভোটার সময় পাবেন মাত্র সাত সেকেন্ড। তার পর ফের ভিভি প্যাট এবং ব্যালট ইউনিট অন্ধকার হয়ে যাবে। অর্থাৎ স্লিপিং মোডে চলে যাবে মেশিন। পরের ভোটার এলে এবং পোলিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসার একটি বোতাম টিপলে আবারও সক্রিয় হবে মেশিন।

    একই ব্যক্তি একাধিক ভোট দিতে পারেন না

    মনে রাখতে হবে, ভোটার একবার কোনও বোতামে চাপ দেওয়ার পর আর যতবারই অন্য যে কোনও বোতামই টিপুন না কেন, মেশিন আর কাজ করবে না। কারণ ব্যালট ইউনিট ও ভিভিপ্যাটের জিয়ন কাঠি রয়েছে প্রিসাইডিং অফিসারের সামনে থাকা কন্ট্রোল ইউনিটের একটি বোতামেই। তাই বুথে ঢোকার আগেই ভোটারকে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে হবে তিনি কোন প্রার্থীকে ভোট দিতে চান, নাকি নোটার বোতাম টিপতে চান। ইভিএম চলে ব্যাটারিতে। তাই হঠাৎ করে পাওয়ার কাট কিংবা লোডশেডিং হলেও, ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে না। ইভিএমে যে ডেটা জমা হয়েছে, তাও নষ্ট হবে না। এই ইভিএমের সঙ্গে ব্লু-টুথ, পেন ড্রাইভ, ইউএসবি পোর্ট বা ওয়াইফাই কানেকশনও করা যাবে না ইভিএমের কোনও ইউনিটের সঙ্গেই। অর্থাৎ ভোটারের ভোট সুরক্ষিত।

    কীভাবে জানবেন কোথায় পড়ল আপনার ভোট

    মনে রাখতে হবে, ইভিএমের তিনটি ইউনিট ইন্টার-কানেক্টেড থাকে ইভিএমের নিজস্ব পোর্ট দিয়ে। ইউনিটের পিছনে থাকে অন-অফ সুইচ। পোর্টেবল মোড আর ওয়ার্কিং মোড বাটন। কন্ট্রোল ইউনিটে বোতাম টিপলে সেখানে লাল আলো জ্বলবে। ব্যালট ইউনিটে জ্বলবে সবুজ আলো। ভোট দেওয়া হয়ে গেলে একটি শব্দ শুনতে পাবেন। ভিভিপ্যাটে চোখ রাখলেই দেখবেন সেখানেও জ্বলেছে আলো। একটি এটিএম কাগজের মতো কাগজ ঝুলছে, সেখানে ছাপা হয়েছে কোথায় পড়ল আপনার ভোট। ভোটার জানতে পারলেন, যে প্রার্থীর পক্ষে মতদান করেছেন তিনি, সেখানেই ভোট পড়েছে।

    মক পোল পর্ব

    নির্বাচন শুরু হয় সকাল সাতটায়। তার আগে চলে মক ভোট পর্ব। ইভিএম যে ঠিকঠাক আছে, সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয় প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদেরও। সমস্ত প্রার্থীর পোলিং এজেন্টের উপস্থিতিতে প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টরা অন্তত ৫০টি ভোটের একটি মক পোলিং করেন। প্রত্যেকে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নির্দিষ্ট সংখ্যাক ভোট দেন। নির্দল প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট না থাকলেও প্রিসাইডিং অফিসার পোলিং অফিসার নির্দল প্রার্থীকে ভোট দিয়ে দেখে নেন। সব শেষে হিসেব মিলিয়ে দেখে নেওয়া হয় মোট পোলড ভোট আর প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা মিলছে কিনা। ইভিএমে কোনও ত্রুটি থাকলে, বদলে ফেলা হয় মেশিন।

    আর পড়ুন: ‘আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটে’র ‘হারানো সন্তান’রা পালন করেন হিন্দুধর্ম!

    প্রশ্ন হল, এই নির্বাচনী মহাযজ্ঞের খরচ কত? একটা উদাহরণ দিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। একটা ব্যালট ইউনিটের দাম ৭ হাজার ৯০০ টাকা, কন্ট্রোল ইউনিটের দাম ৯ হাজার ৮০০ টাকা, ভিভিপ্যাটের দাম ১৬ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে নির্বাচন হবে ৫৪৩টি লোকসভা কেন্দ্রে। ভোটার রয়েছেন ৯৭ কোটি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, এবার লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন করতে খরচ হবে ১ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ একটি ভোটের মূল্য ১ হাজার ৩১ টাকা। বিপুল পরিমাণ এই খরচ বহন করেন দেশবাসীই, ট্যাক্সের মাধ্যমে। তাই ভোট (Lok Sabha Elections 2024) না দেওয়াটা কোনও কৃতিত্বের কথা নয়। বুথে গিয়ে ভোট দিন পছন্দের প্রার্থীকে। মজবুত করুন বিশ্বের বহত্তম গণতন্ত্রের ভিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আজ, জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড় নিয়ে কী বলছে আলিপুর? 

    Weather Update: আজ, জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড় নিয়ে কী বলছে আলিপুর? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা। সঙ্গে মাঝে মধ্যেই রোদের তেজ। মঙ্গলবারও এমনই চলেছে সারাদিন। তবে বৃষ্টির দেখা মেলেনি শহর কলকাতায় (Rain in Kolkata)। আকাশ মেঘলা থাকার দরুণ ভ্যাপসা গরমে বেড়েছে অস্বস্তি। জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে। তবে, বুধবার বিকেল থেকে শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাল হাওয়া অফিস (Weather Update)। 

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে বঙ্গে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) রয়েছে। তিনি বলেন, “২২ মে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় বজ্রবিদ্যুত-সহ বৃষ্টিপাত, সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ২৩ মে, বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৪ মে, শুক্রবারও একই পরিস্থিতি থাকবে । দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বজ্রবিদ্যুত-সহ বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তা থাকলেও উত্তরবঙ্গে কোনও সতর্কবার্তা নেই। ২৫ মে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায়।”

    আরও পড়ুন: ভোটের দিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

    ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থাবন

    রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) থাকলেও এখনও পর্যন্ত স্বস্তি পায়নি বঙ্গবাসী। আবহাওয়া দফতর এখনও আশা দিচ্ছে, বুধবার ও আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গর বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হবে। বুধবার দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে থাকা ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে। প্রাথমিকভাবে ঘূর্ণাবর্তটি উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। শুক্রবারের মধ্যে এই নিম্নচাপ অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এর থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে কি না তা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না আবহবিদরা। এই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে, তার প্রভাবে ২৪ মে রাত থেকে, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূল এলাকায় বৃষ্টি (Rain in Kolkata) শুরু হতে পারে। বৃষ্টি চলতে পারে ২৬, ২৭ তারিখ পর্যন্ত। ২৩ শে মে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যের মধ্যে মৎস্যজীবীদের উপকূলে ফিরে আসতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।  ২৪ মে শুক্রবার থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ২২/০৫/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ২২/০৫/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) নিজের চিন্তাভাবনা উন্নত করুন।

    বৃষ

    ১) আজ ভালো ফল পাবেন।

    ২) আধিকারিকরা কাজের প্রশংসা করবে।

    ৩) কর্মশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করতে সফল হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূল প্রমাণিত হবে।

    ২) কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) বন্ধু ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করুন।

    ৩) নিজের কাজে অঢেল সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) সতর্ক থাকুন।

    ৩) আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূলতায় কাটবে।

    ২) ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক জীবনে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

    ৩) ধৈর্য ধরে কাজ করুন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) মেজাজ ভালো থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি আপনার জন্য ভালো।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে নতুন প্রকল্পে লগ্নি করতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অশুভ পরিণাম নিয়ে আসছে।

    ২) অনিয়ন্ত্রিত কিছু ঘটনার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ৩) নিজের কাজে সতর্ক থাকুন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো পরিণাম নিয়ে আসছে।

    ২) নিজের কার্যশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নতুন সম্ভাবনা আপনার সামনে প্রকাশিত হবে, তা স্বীকার করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

    ৩) নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য সময় ভালো।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Halal Certificate: পণ্যের গায়ে ‘হালাল’ স্টিকার সেঁটে চলছে অর্থ পাচার!

    Halal Certificate: পণ্যের গায়ে ‘হালাল’ স্টিকার সেঁটে চলছে অর্থ পাচার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হালাল’ প্রোডাক্ট (Halal Certificate) নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার। গত নভেম্বেরর ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, হালাল সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত যে কোনও পণ্য উৎপাদন, মজুত, বণ্টন ও বিক্রি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে সে রাজ্যে। সরকার এও জানিয়েছিল, যদি কোনও ফার্ম কিংবা কোনও ব্যক্তিকে হালাল শংসাপত্রপ্রাপ্ত ওষুধ, কসমেটিক প্রস্তুত করতে, মজুত করতে কিংবা কেনাবেচা করতে দেখা যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ফার্মের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এসটিএফের তদন্ত (Halal Certificate)

    তবে হালাল শংসাপত্র পাওয়া পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে যোগী সরকার। যোগী সরকারের নির্দেশিকার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল হালাল ট্রাস্ট। হালাল শংসাপত্র (Halal Certificate) দেওয়ার নামে অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নামে উত্তরপ্রদেশের এসটিএফ। আলাদা করে তদন্ত শুরু করে ইডিও। প্রাথমিক কিছু তথ্য হাতে পাওয়ার পর এবার অর্থ পাচারের মামলা দায়ের করতে চলেছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা।

    তদন্তকারীদের প্রশ্ন

    অর্থ পাচারের মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক সম্পদ লুকানো এবং অবৈধ কাজে সেই সম্পদ ব্যবহার করা। মাদক পাচার, অস্ত্র কেনা, সন্ত্রাসবাদে ইন্ধন জোগানো এবং অন্যান্য দুষ্কর্মে অর্থায়নের কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে ওই টাকা। ‘হালাল’ একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ, ‘অনুমোদিত’। কোনও পণ্যের গায়ে যদি হালাল স্টিকার সাঁটা থাকে, তার অর্থ মুসলমানেরা এটা ব্যবহার করতে পারেন। জানা গিয়েছে, ভেজিটেরিয়ান বিভিন্ন আইটেমের ওপরও হালাল স্টিকার সেঁটে দেওয়া হচ্ছে। মাংসের মতো প্রোডাক্টে হালাল স্টিকার দেওয়ার একটা অর্থ রয়েছে। কিন্ত ভেজিটেরিয়ান আইটেমে কেন হালাল স্টিকার সাঁটানো হচ্ছে, এই প্রশ্নই ভাবিয়ে তুলেছিল তদন্তকারীদের।

    আর পড়ুন: “টার্গেটে ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস” জেরায় স্বীকার করল জঙ্গিরা

    এ থেকেই তাঁদের অনুমান, ভেজিটেরিয়ান বিভিন্ন পণ্যের গায়ে হালাল স্টিকার লাগিয়ে দিয়ে আসলে চলছে অর্থ পাচার। সরকারের চোখে ধুলো দিয়ে বছরের পর বছর ধরে এই কারবার করে চলেছে হালাল সার্টিফিকেশন সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এই কারবারের মূলেই কুঠারাঘাত করেছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার। কোন মাণদণ্ডের ভিত্তিতে কোনও পণ্যের গায়ে সেঁটে দেওয়া হচ্ছে হালাল লেবেল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন এসটিএফের তদন্তকারীরা। তাঁরা জেনেছেন, এভাবে পাচার হয়েছে বহু কোটি টাকা। এই জায়গাটায় এবার উঁকি মারতে চলেছে ইডিও। তোড়জোড় চলছে মামলা দায়েরের (Halal Certificate)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Al Sham Padgha: মুম্বইয়ের অদূরের এই গ্রামেরই পরিচয় ভারতের জঙ্গি হাব হিসেবে, কেন জানেন?

    Al Sham Padgha: মুম্বইয়ের অদূরের এই গ্রামেরই পরিচয় ভারতের জঙ্গি হাব হিসেবে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাণিজ্য নগরী মুম্বই। দেশ তো বটেই, বিদেশেরও অনেকেই রয়েছেন এই টিনসেল টাউনে। নিত্যদিন যেখানে লেনদেন হয় কয়েকশো কোটি টাকা, জীবন যেখানে বর্ণিল, তারই অদূরে সবার অগোচরে গড়ে উঠেছিল আইএসআইএসের নার্ভ সেন্টার (Al Sham Padgha)। সম্প্রতি এমনই খবর প্রকাশ্যে এসেছে। মুম্বইয়ের ৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ব্যাকওয়াটার টাউন পাদঘা। সেখানকারই একটি গ্রামে তৈরি হয়েছে ভারতের ‘আইএসআইএসের হাব’।

    কুখ্যাত জঙ্গি শাকিব নাচান (Al Sham Padgha)

    এই গ্রামকে জঙ্গি হাবে পরিণত করার নেপথ্য কারিগর কুখ্যাত জঙ্গি শাকিব নাচান। তারই নির্দেশে পাদগার নাম বদলে হয়েছিল অল সাম (Al Sham Padgha)। এলাকায় লাগু হয়েছিল শরিয়া শাসন। চলছিল সমান্তরাল প্রশাসনও। এই শাকিবই পাদঘাকে জঙ্গিদের ঘাঁটিতে পরিণত করেছে। এক সময় শান্ত এই গ্রামেই একে একে ভিড় করতে থাকে অচেনা কিছু মুখ। তাদের কর্তাবার্তায়, চালচলনে সন্দেহও হয়েছিল স্থানীয়দের। তবে তাঁরা যতক্ষণে পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা করছিলেন, তার ঢের আগেই এলাকায় মাথাচাড়া দিয়েছে মৌলবাদ। ভয়ে আর মুখ খোলার সাহস দেখাননি স্থানীয়রা। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে আস্ত একটি গ্রাম পরিণত হয়েছিল ভারতে জঙ্গিদের নার্ভ সেন্টারে।

    এনআইএ-র তল্লাশি অভিযান

    গত বছর পাদঘায় তল্লাশি অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। উদ্ধার হয় ৪৪টি ড্রোন, বাণিজ্য নগরীতে হামলা চালানোর জন্য মজুত করা হয়েছিল সেগুলি। এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, বাইরে থেকে সাহায্য পাচ্ছিল জঙ্গিরা। কেবল ড্রোন নয়, লুকানো কিছু অস্ত্রও সেই অভিযানে খুঁজে পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। জঙ্গিদের ডেরায় মিলেছিল ইজরায়েলি পতাকাও। তা থেকেই ইঙ্গিত মিলেছিল, কেবল মুম্বই নয়, জঙ্গিদের নজর আরও উঁচুতে। দেশের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি, বড় ধরণের কোনও অশান্তি পাকানোর ছক কষেছিল এই গ্রামে ডেরা বাঁধা সন্ত্রাসবাদীরা।

    আর পড়ুন: “টার্গেটে ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস” জেরায় স্বীকার করল জঙ্গিরা

    মুম্বইয়ে একাধিক সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের নেপথ্যে শাকিবের হাত ছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। মুম্বই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশনে বিস্ফরণেও অভিযুক্ত সে। ২০০২ সালের ডিসেম্বরের ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন ২৫ জন। ভিলে পার্লে এলাকায় বিস্ফোরণেও হাত ছিল তার। মুলুন্দ স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনায় উঠে এসেছিল শাকিবের নাম। ২০০৩ সালে গ্রেফতার হয়ে সাত বছর জেল খেটেছিল এই কুখ্যাত জঙ্গি। গত ডিসেম্বরের ওই অভিযানে ১৫ জন জঙ্গি গ্রেফতার হয় এই গ্রাম থেকে। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে জঙ্গি ডেরার এই গাঁয়ের কথা (Al Sham Padgha)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Himanta Biswa Sarma: “অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে”, কড়া বার্তা হিমন্তের

    Himanta Biswa Sarma: “অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে”, কড়া বার্তা হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনা মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইতের সমর্থনে চুটিয়ে প্রচার করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে তিনি তৃণমূলকে তুলোধনা করেন। অসমের সঙ্গে রাজ্যের অবস্থার তিনি তুলনা করেন। পাশাপাশি দেশে আবারও মোদি সরকার ফিরে আসবেন বলে তিনি জানান।

    অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে (Himanta Biswa Sarma)

    চলতি বছরের প্রথমেই সন্দেশখালিতে ইডির ওপর শেখ শাহজাহান বাহিনীর হামলার ঘটনা সামনে আসতেই রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে অত্যাচারের ঘটনা সামনে আসে। মঙ্গলবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপ রামগোপালপুর হরেন্দ্র নগরে মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইতের সমর্থনে এক প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, আমি সন্দেশখালিতে গিয়েছিলাম। দেখলাম সন্দেশখালি মা বোনদের ওপর কীভাবে শেখ শাহজাহান অত্যাচার করেছেন। পশ্চিমবাংলা বলে দিদির প্রশ্রয়ে এই কাজ করতে পেরেছেন। এটা অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি জানিয়েছেন, আপনাদের ভোট দিদির দরকার নেই, দিদির দরকার শাহজাহানের ভোট। তাই, শাহজাহানকে তিনি এতদিন ছেড়ে রেখেছিলেন। একইসঙ্গে অসমের সঙ্গে বাংলার পেট্রোল-ডিজেলের দামের তুলনা করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা নিয়ে সরব

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma) এদিন বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার যদি ৪০০ আসন নিয়ে লোকসভাতে আসতে পারেন তাহলে ভারতের যে দুটি অংশ পাকিস্তানে আছে, সেই দুটি তিনি ফিরিয়ে আনবেন। এছাড়া রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রাজ্যের যে সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আছে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে  হামলা, মহারাজদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে আক্রমণ করেছেন এটা মেনে নেওয়া যায় না। শাসক দলের পাপ পূর্ণ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BCCI: ভারতের নয়া কোচ নির্বাচনে ধোনির সাহায্য চায় বিসিসিআই! কেন জানেন?

    BCCI: ভারতের নয়া কোচ নির্বাচনে ধোনির সাহায্য চায় বিসিসিআই! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও ভারতে কোচিংয়ের লম্বা অভিজ্ঞতার জন্য রাহুল পরবর্তী যুগে কোচ হিসেবে স্টিফেন ফ্লেমিং প্রথম পছন্দ বিসিসিআই-এর (BCCI)। কিন্তু আইপিএল-এর স্বল্প সময়ের কোচিং ছেড়ে নয় মাসের জন্য ফ্লেমিং জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে চাইছেন না। সূত্রের খবর, ফ্লেমিং প্রথমে না বলে দিলেও বিসিসিআই (BCCI) তাঁকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। টিম ইন্ডিয়ার পরবর্তী প্রধান কোচ নির্বাচনের ক্ষেত্রে এখন এমএস ধোনির (MS Dhoni) সঙ্গে যোগাযোগ করছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

    কেন ধোনির সঙ্গে কথা

    ভারতীয় বোর্ড স্টিফেন ফ্লেমিংকে পরবর্তী প্রধান কোচ করতে চায়। সেই জন্য ধোনির ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিসিসিআই এবং সিএসকে ম্যানেজমেন্টের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করতে পারেন মাহি। আইপিএল থেকে বাদ পড়েছে ধোনির (MS Dhoni) দল চেন্নাই সুপার কিংস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে হেরে নিজের বাড়ি রাঁচিতে ফিরেছেন ধোনি। এদিকে মাহির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে বিসিসিআই। মাহির সঙ্গে ফ্লেমিং-এর সম্পর্ক খুব ভাল। দীর্ঘদিন দুজনে একসঙ্গে কাজ করেছেন। চেন্নাইকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। তাই ফ্লেমিংকে রাজি করাতে মাহিই ভরসা বিসিসিআই-এর।

    কেন ফ্লেমিং-এর জন্য চেষ্টা

    রোহিত-কোহলি কেরিয়ারের শেষের দিকে। নতুন ক্রিকেটাররা উঠে আসছেন। এই সন্ধিক্ষণে বোর্ডের তরফে অভিজ্ঞ কোচের উপর ভরসা রাখা হচ্ছে। ক্রিকেটারদের সেরাটা বের করে আনা, দলে পজিটিভ পরিবেশ বজায় রাখা, সিএসকেকে দীর্ঘদিন সাফল্য এনে দেওয়া- স্টিফেন ফ্লেমিংয়ে মুগ্ধ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। খেলোয়াড়ি জীবনে চতুর অধিনায়ক ছিলেন ফ্লেমিং। কোচ হিসেবে দেখিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীর্ঘদিন একই মন্ত্রে এক দলকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। দুবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পাঁচবার দলকে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করেছেন। আইপিএলে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিতে সবথেকে বেশি সময় কোচিং করানোর নজির তাঁর দখলে।

    কেন আপত্তি ফ্লেমিং-এর

    সিএসকের কোচ হওয়ার পরে ফ্লেমিং দুনিয়া চষে বেড়িয়েছেন। বিগব্যাশে মেলবোর্ন স্টার্স-এ চার বছর কোচিং করিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় টি২০ লিগে জো’বার্গ সুপার কিংসের কোচ হয়েছেন। এমনকি মেজর লিগ ক্রিকেটের টেক্সাস সুপার কিংসের কোচ হিসেবে দেখা গিয়েছে। দুই ফ্র্যাঞ্চাইজিই সিএসকের সিস্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি। এছাড়াও হান্ড্রেড লিগে সাদার্ন ব্রেভ-এর হেড কোচ হয়েছেন। জুলাইয়ে একই সঙ্গে মেজর লিগ ক্রিকেট এবং হান্ড্রেড হওয়ায় দুই টুর্নামেন্টেই ব্যস্ত সময় কাটাবেন তিনি। ঘটনা হল, দুনিয়া জুড়ে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজির কোচ হলেও পরিবারের সঙ্গে নিয়ম করে সময় কাটাতে পারেন তিনি। তবে ভারতের কোচ হলে একদম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে হবে তাঁকে। সেই কারণেই তিনি প্রাথমিকভাবে নিমরাজি।

    আরও পড়ুন: সুনীলের জন্যই কুয়েত ম্যাচ জিততে চান স্টিমাচ, দল নিয়ে কী বললেন কোচ?

    বোর্ডের আশা

    টিম ইন্ডিয়ার কোচ কে হবে সেটা এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। রাহুল দ্রাবিড় বেরিয়ে যাওয়ার আগেই পরের কোচের নাম চূড়ান্ত করতে চায় বিসিসিআই (BCCI)। এই জন্য আইপিএল-এর মাঝেই কোচের খোঁজ শুরু হয়েছে। বিজ্ঞাপন যেমন বোর্ড দিয়েছে তেমনই নিজেদের দিক থেকেও কোচ খোঁজার কাজ শুরু করে দিয়েছেন বোর্ড কর্তারা। আর এখানে সবার আগে রয়েছে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নাম। বোর্ড সূত্রে খবর, ফ্লেমিং না বলেননি, তিনি চুক্তির দৈর্ঘ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এমনকী রাহুল দ্রাবিড়ও শুরুতে কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন না। পরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁকে আশ্বস্ত করেন। স্টিফেন ফ্লেমিং-এর ক্ষেত্রেও তেমনটা ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। আর এক্ষেত্রে বিসিসিআই-এর ভরসা বিশ্বজয়ী ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share