Tag: Madhyom

Madhyom

  • Coal Scam Case: অনুপস্থিত ৩ অভিযুক্ত! হল না কয়লা পাচার মামলার চার্জ গঠন

    Coal Scam Case: অনুপস্থিত ৩ অভিযুক্ত! হল না কয়লা পাচার মামলার চার্জ গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন বছর ধরে চলছে কয়লা পাচার মামলা (Coal Scam Case)। আসানসোলের (Asansol) বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারকের নির্দেশ মতো ২০ মে মঙ্গলবার থেকেই মামলার ট্রায়াল শুরুর কথা ছিল। সেই মতো মঙ্গলবার ৪৩ জন অভিযুক্তকে তলব করা হয়েছিল আদালতে। কিন্তু অনুপস্থিত ছিলেন তিনজন। ফলে মামলায় চূড়ান্ত চার্জ গঠন হয়নি। জানা গিয়েছে আগামী ৩ জুলাই চার্জ গঠনের পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন চার্জশিটে নাম থাকা সব অভিযুক্তকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে।

    কয়লা পাচার মামলা (Coal Scam Case)

    এর আগে কয়লা পাচার মামলায় দুটি চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। দুটি চার্জশিটে মোট ৪৩ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে।  সেই ৪৩ জনের মধ্যে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি-সহ ৩৯ জন এদিন আদালতে হাজির হলেও অনুপস্থিত ছিলেন তিনজন। তাঁরা হলেন জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ খাড়গে ও বিনয় মিশ্র। এদের মধ্যে বিনয় ‘নিরুদ্দেশ’। প্রাথমিক অনুমান, তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। 
    তবে এদিন অভিযুক্ত জয়দেব মণ্ডল এবং নারায়ণ খারকার অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন বিচারক৷ তাঁরা কোর্টে কেন অনুপস্থিত? এই প্রশ্ন বিচারক তাঁদের আইনজীবীদের করলে ওই আইনজীবীরা জানান, দুজনেই অসুস্থ৷ সেই কারণেই চার্জ গঠনের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি৷ যা শুনে বেজায় ক্ষুব্ধ হন বিচারক৷

    বিচারকের মন্তব্য

    এ প্রসঙ্গে বিচারক বলেন, “এই দুজনকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল একটাই শর্তে ৷ যখনই আদালতে তলব করা হবে, তাঁদের উপস্থিত থাকতে হবে ৷ যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁরা আদালতের নির্দেশ পালনে বাধ্য ৷ এভাবে অসুস্থ রয়েছে বলে দুটো মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দিলে চলবে না ৷ এই দুজনের জন্য বাকিরা উপস্থিত থাকলেও চার্জ গঠন করা যাচ্ছে না ৷ পরবর্তী শুনানির (Coal Scam Case) দিন অবশ্যই তাঁদের কোর্টে আসতে হবে ৷ অসুস্থ থাকলে প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে ৷” 

    আরও পড়ুন: বিশ্ব মেডিটেশন দিবসে জেনে নিন এর কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা

    বিচারকের নির্দেশ 

    অন্যদিকে মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ে আদালত চত্বরে এসে উপস্থিত হন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক উমেশকুমার সিংহ। হাজির হন বেশ কয়েক জন অভিযুক্তের আইনজীবীও। সেসময় উমেশ কুমারের কাছে বিচারক জানতে চান, “এই তদন্ত প্রক্রিয়া আর কতদিন চলবে ?” বিচারকের এই প্রশ্নে ওই আইনজীবীদের কয়েক জন আদালতে দাবি করেন, কয়লা পাচার মামলায় (Coal Scam Case) তদন্ত সংক্রান্ত কোনও নথি হাতে পাননি তাঁরা। তার পরই বিচারক ওই আইনজীবীদের হাতে নথি তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
    পাশাপাশি আগামী শুনানির (Coal Scam Case) দিন সমস্ত অভিযুক্তদের হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক৷ যদি কেউ উপস্থিত না-থাকেন, তা হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: কমিশনে মমতাকে নিয়ে মন্তব্যের শোকজের জবাব দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: কমিশনে মমতাকে নিয়ে মন্তব্যের শোকজের জবাব দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে শোকজের জবাব দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। সন্দেশখালির নারী নির্যাতনের ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছিলেন তিনি। তৃণমূল দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্যে করে প্রাক্তন বিচারপতি এই বিজেপি প্রার্থী বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তুমি কত টাকায় বিক্রি হও”। এই কথায় তৃণমূল কমিশনে গিয়ে অভিযোগ জানায়। এরপর কমিশন শোকজ করলে, নির্ধারিত সময়ে নিজের জবাব দেন অভিজিৎ।

    উত্তর নির্ধারিত সময়েই দিয়েছেন (Abhijit Ganguly)

    বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) নির্বাচন কমিশনকে নিজের বক্তব্যের শোকজের উত্তর নির্ধারিত সময়েই দিয়েছেন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, “সময়ের মধ্যেই নিজের উত্তর দিয়েছেন অভিজিৎ।” তবে অভিজিতের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তৃণমূল কমিশনে অভিযোগ করে জানিয়েছিল যে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চূড়ান্ত অবমাননা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একাধি জায়গায় মামলা দায়ের করার কথাও বলেছিল তৃণমূল। তবে প্রথমেই কমিশন বিজেপি প্রার্থীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেছিল, “সমীচীন, কুরুচিকর এবং অবমাননাকর মন্তব্য, একই সঙ্গে আদর্শ আচরণবিধির বিরুদ্ধ আচরণ।”

    আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠ দফার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে বদলির নির্দেশ কমিশনের

    ঠিক কী বলে ছিলেন অভিজিৎ?

    গত ১৫ মে তমলুকের এক প্রচার সভায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “তৃণমূল মিথ্যা কথা বলেছে। ২০০০ টাকায় রেখা পাত্রকে কেনার কথা বলা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোয়াধ্যায়, তুমি কত টাকায় বিক্রি হও, তোমার হাতে আট লাখ টাকা গুঁজে দিলে একটা চাকরি দাও? তোমার হাতে ১০ লাখ টাকা গুঁজে দিলে রেশন নিয়ে অন্যদেশে হাওয়া করে দেয় পাচারকারীরা। ভারতেই থাকে না সেই রেশন। তোমার দাম ১০ লাখ টাকা? কেন? কেয়া শেঠকে দিয়ে মুখে ফুলটিস কর, সেজন্য মেকাপ করে বেরোও? আর রেখা পাত্র গরিবের মেয়ে। লোকের বাড়িতে কাজ করে খায়। এক মহিলা আরেক মহিলা সম্পর্কে কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন জানিনা। মমতা মহিলা তো? আমার মনে প্রশ্ন ওঠে মাঝে মাঝে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanaksi Khimji: গুজরাটই ছিল তাঁর আদি বাড়ি, জানেন বিশ্বের একমাত্র হিন্দু শেখ কনকসি খিমজির গল্প?

    Kanaksi Khimji: গুজরাটই ছিল তাঁর আদি বাড়ি, জানেন বিশ্বের একমাত্র হিন্দু শেখ কনকসি খিমজির গল্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু শেখ! সে আবার কীভাবে হয়? শেখতো আরবদের উপাধি। কিন্তু জানেন কি বিশ্বের একমাত্র হিন্দু শেখ (Worlds Only Hindu Sheikh) কনকসি খিমজির (Kanaksi Khimji) বসবাস ওমানে। যদিও তাঁদের আদি বাড়ি গুজরাটে। তখনও ওমান বিশ্বের ‘অয়েল পাওয়ার’ হয়ে উঠেনি। তখন দেশটির সমুদ্রবন্দর দারুণ শক্তিশালী। ওই সময়ে এক হিন্দু ব্যবসায়ী গুজরাট থেকে ভাগ্য অন্বেষণের জন্য পাড়ি দিলেন ওমানে। ১৮৭০ সালে গুজরাটি ব্যবসায়ী রামদাস খাদ্য শস্য, চা, মশলা নিয়ে ওমান উপকূলে তাঁর জাহাজ লাগালেন। মাসকাটে রামদাস ও তাঁর সন্তানরা গড়ে তুললেন তৎকালীন ওমানের (Oman) সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক এন্টারপ্রাইজ খিমজি রামদাস গ্রুপ।

    হিন্দু শেখের রহস্য

    শেখ সাধারণত একটি মুসলিম উপাধি যা নেতা, শিক্ষক বা সন্মানীত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। কনকসি খিমজিই (Kanaksi Khimji) হচ্ছেন পৃথীবির একমাত্র হিন্দু যার রয়েছে ‘শেখ’ (Worlds Only Hindu Sheikh) উপাধি। সেই সময় ওমানের (Oman) সুলতান সা’ইদ রামদাসের পরিবারের কাছ থেকে ব্যবসায়িক পুঁজি ধার করতেন। সা’ইদ হলেন লিজেন্ডারি সুলতান, প্রয়াত কাবুজের বাবা। পরবর্তীতে কাবুজ সুলতান হলে রামদাসের নাতি কনকসি খিমজিকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দান করেন। তাঁকে ‘শেখ’ উপাধিও দিয়েছিলেন সুলতান।

    গুজরাটের সঙ্গে আত্মিক টান

    ১৪৪ বছর আগে ১৮৭০ সালে কনকসি খিমজির (Kanaksi Khimji) পিতামহ রামদাস থ্যাকারসি গুজরাটের (Gujarat) উপকূলীয় শহর  মান্ডভি থেকে ওমানের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন। ব্যবসায়ী হিসাবে, তাঁরা ভারত থেকে শস্য, চা এবং মশলা নিয়ে গিয়েছিলেন। ওমানের খেজুর, শুকনো চুন এবং লবনের বিনিময়ে তাঁরা ব্যবসা শুরু করেন। কনকসি খিমজি মুম্বইতে পড়াশোনা করে ১৯৭০ সালে ব্যবসার দায়িত্ব নেন। ১৯৩৬ সালে মাসকাটে জন্মগ্রহণ করলেও তিনি মুম্বইতে পড়াশোনা করেন। ওমানে হিন্দুদের যে শ্রদধার সঙ্গে দেখা হয় তাঁর কারণ খিমজিরাই। ওমানে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বাড়ালেও হিন্দু মূল্যবোধ ও ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিদেশেও ছড়িয়ে দিয়েছেন খিমজিরা।

    ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি সম্মান

     ভগবান শ্রীনাথজি তথা নারায়ণের প্রতি অগাধ বিশ্বাস খিমজিদের। নিরামিষ ভোজী খিমজি (Kanaksi Khimji) তাঁর ভারতীয় শিকড়ের সাথে ওমানকে মোশানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান শুধু ওমানে বাণিজ্যই করে না, সে দেশের মানুষের জন্যও জনহিতকর নানান কাজে নিযুক্ত থাকে। কনকসি খিমজির নিরলস প্রচেষ্টা তাঁর সংস্থাকে সারা বিশ্বের কাছে এক নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সম্মানীয় ভারতীয় কনকসি খিমজি। মাসকাটে প্রথম ইংরেজি ভারতীয় স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন কনকসি। এখন ওমানে ৩৫ হাজার ছাত্রদের জন্য ১৯টি ভারতীয় স্কুল রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে ভারতীয় ভোজ! প্যারিসে নীরজদের পাতে ভাত-ডাল-রুটি, সঙ্গে কী?

    ওমানের উন্নতি 

    ওমানে (Oman) লক্ষ লক্ষ ভারতীয় বাস করে, বেশিরভাগ ধনী গুজরাটি ব্যবসায়ী। ওমান খুব কম মুসলিম দেশের মধ্যে একটি যেখানে হিন্দু মন্দির রয়েছে। মুসলিম ও হিন্দুদের সম্পর্ক বৈষম্য ও কলহমুক্ত। এর একটি কারণ ওমানের উন্নতিতে খিমজিদের ভূমিকা। সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল কনকসি খিমজিরই (Kanaksi Khimji) । তাঁর বাবা গোলকদাস খিমজির থেকে যখন তিনি দায়িত্ব নেন তখনও  ওমানে মোটরচালিত নৌযান জাহাজ চালু করা হয়নি। এর আগে, দুটি বিশ্বযুদ্ধের সময়, মিত্র বাহিনীর পুরো ঘাঁটির জন্য খিমজিদের সরবরাহকারী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। “এটি আমাদেরকে রাজস্ব আয় করার এবং আমাদের ভিত্তি শক্তিশালী করার সুযোগ দিয়েছে। আমরা দ্রুত সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট এবং মেরিটাইম শোর সাপোর্টের শিল্প শিখেছি।” এক অনুষ্ঠানে নিজেই একথা বলেছিলেন কনকসি খিমজি। মাসকাটে স্থাপিত প্রথম ব্যাঙ্ক ছিল এইচএসবিসি , ৬০ বছর আগে এই ব্যাঙ্কের ভবন নির্মাণ করেছিল খিমজি রামদাস (কেআর) গ্রুপ। এর আগে লেনদেন হতো বিনিময় বা রূপার মাধ্যমে। বাইত আল ফালাজ, বর্তমানে রুউই নামে পরিচিত, ওমানের প্রথম বিমানবন্দরও খিমজি গ্রুপ দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। খিমজিরাই ১৯৬৯ সালে প্রথম ফোর্ড ডিলারশিপ অর্জন করেছিলেন এবং মজার ব্যাপার হল, ওমানের (Oman) সুলতান তাদের প্রথম গাড়ির অর্ডার দিয়েছিলেন।

    ওমান ক্রিকেটে খিমজিদের ভূমিকা

    পারিবারিক ভাবে ক্রিকেট অনুরাগী কনকসি খিমজি (Kanaksi Khimji) হলেন ওমান ক্রিকেট বোর্ডের ফাউন্ডিং চেয়ারম্যান। ১৯৭৯ সালে তার হাত ধরেই ওমান ক্রিকেটের যাত্রা শুরু। আজকের ওমান ক্রিকেটের যে অবয়ব তার জন্য খিমজি’র অবদান সবচেয়ে বেশি। ওমান ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, আমেরাত স্টেডিয়াম তাঁর ভিশনেরই একটি অংশ। ওমান ক্রিকেটে কনকসি খিমজির অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১১ সালে আইসিসি তাঁকে লাইফ টাইম সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করে। বর্তমানে কনকসি খিমজির ছেলে পঙ্কজ খিমজি ওমান ক্রিকেটের দায়িত্বে রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Attack On Ramakrishna Mission: “কাটারি, বন্দুক, রড নিয়ে ঢোকে ওরা”, বললেন রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক

    Attack On Ramakrishna Mission: “কাটারি, বন্দুক, রড নিয়ে ঢোকে ওরা”, বললেন রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে রাজ্য জুড়ে নিন্দা ঝড় উঠেছে। এই আবহের মধ্যে এবার রামকৃষ্ণ মিশনের (Attack On Ramkrishna Mission) জলপাইগুড়ি শাখার শালুগাড়ায় অবস্থিত রামকৃষ্ণ মিশনের ‘সেবক হাউস’-এ হামলার ঘটনায় তোলপাড় গোটা বাংলা।

    কাটারি, বন্দুক, রড নিয়ে দুষ্কৃতীরা মিশনে চড়াও হয় (Attack On Ramkrishna Mission)

    রামকৃষ্ণ মিশনের (Attack On Ramkrishna Mission) সম্পাদক স্বামী শিবপ্রেমানন্দ বলেন, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে পড়ে রামকৃষ্ণ মিশনের ওই জমিটি। সেবক রোডের ধারে অবস্থিত ওই জমি মিশনকে দান করেছিলেন প্রয়াত সুনীল কুমার রায় নামে এক ব্যক্তি। নিয়ম মেনে সুনীল রায় ওই জমি দিয়েছিলেন মিশনকে। সেখান থেকে নানা পরিষেবা দেওয়ার কাজ হয় বর্তমানে। ত্রাণ সামগ্রীও দেওয়া হয়। সেই কেন্দ্রেই রাতের অন্ধকারে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। গত ১৮ মে রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ অন্তত ৩০-৩৫ জন লোক ঢোকেন মিশনের ওই ভবনে। অভিযোগ, তাঁদের হাতে ছিল কাটারি, বন্দুক, রড। হেলমেট পরেছিলেন তাঁরা, ফলে মুখ দেখা যায়নি কারও। বাংলাতেই কথা বলছিলেন। সেই সময় মিশনে দুজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তাঁদের হাত বেঁধে দেওয়া হয়, মোবাইল কেড়ে নিয়ে সিম বের করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর ওই কর্মীরা সোজা চলে যান দোতলায়। সেখানে ৫ জন কর্মী ছিলেন। তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। চিৎকার করতেই মারধরও করা হয় তাঁদের। এরপরই পাঁচজন কর্মী ও দুই নিরাপত্তারক্ষীকে ম্যাজিক গাড়িতে তুলে নিয়ে দুষ্কৃতীরা চলে যায় বলে অভিযোগ। ৫ জনকে এনজেপি-র কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়, বাকিদের অন্য জায়গায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ভক্তিনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে মিশনের তরফে।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত, সপ্তাহভর বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    তালিবানি জমানা চলছে, সরব আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য

    মিশনের (Attack On Ramkrishna Mission) ওপর হামলা প্রসঙ্গে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সভামঞ্চ থেকে তোপ দেগেছেন তৃণমূলকে নিশানা করে। এবার বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য দাবি করেন পুরো তালিবানি জমানা চলছে। তিনি লিখেছেন এটা তালিবানি জমানার থেকে কম কিছু নয়। সেই সঙ্গেই তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের তরফে দায়ের করা অভিযোগের কপি সংযুক্ত করেছেন।অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, এটাই হয়তোবাংলায় সবথেকে নিকৃষ্টতম কাজ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘও ইসকনকে খোলা মঞ্চ থেকে হুমকি দেওয়ার পরে দুষ্কৃতীরা বন্দুক, ছুরি নিয়ে রামকৃষ্ণ মিশনের আশ্রমে প্রবেশ করেছিল। তারা সাধুদের ওপর হামলা চালায়। সিসিটিভিভেঙে দিয়েছে। তারা বন্দুক দেখিয়ে ভয় দেখিয়েছে,সাধুদের জোর করে আটকে রেখে রাস্তায় বের করে দেয়।

     

     

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এদিকে এবার প্রশ্ন উঠছে, কারা এই দুষ্কৃতী যারা রামকৃষ্ণ মিশনের ভেতর ঢুকে হামলা চালাতেও কুণ্ঠা বোধ করছে না। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতা গৌতম দেব জানিয়েছেন, এটা দুষ্কৃতীদের কাজ। আমরা খোঁজ নিচ্ছি। তবে, বিরোধীদের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার পেছনে রয়েছে। তারাই এই জায়গাটিকে দখল করার চেষ্টা করছে। ভোট পর্বে এভাবে রামকৃষ্ণ মিশনের ওপর আঘাতকে কেন্দ্র করে শোরগোল তুঙ্গে। রামকৃষ্ণ মিশনের হাজার হাজার ভক্ত রয়েছেন। তাঁরা এটা কিছুতেই মানতে পারছেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: পঞ্চম দফায় ভোটের হার যথেষ্ট কম! কোথায় কত ভোট পড়ল জানুন

    Loksabha Election 2024: পঞ্চম দফায় ভোটের হার যথেষ্ট কম! কোথায় কত ভোট পড়ল জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম দফায় (5th Phase) ভারতের ৪৯ টি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন (Loksabha Election 2024) সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার রাত ১১:৩০ পর্যন্ত মেলা পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  ৬টি রাজ্য এবং ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৬০.০৯ শতাংশ ভোটার তাঁদের মত প্রয়োগ করেছেন। এই তথ্য জানিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। পঞ্চম দফা মিলিয়ে দেশের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে ৪২৮টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট দান সম্পন্ন হয়েছে। লোকসভার সঙ্গেই অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশার বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

    কোথায় কত ভোট পড়ল (Loksabha Election 2024)

    ইসিআই-এর তথ্য অনুসারে, বিহারে ৫৪.৮৫ শতাংশ, জম্মু ও কাশ্মীরে ৫৬.৭৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। একইভাবে, ঝাড়খণ্ডে ৬৩.০৭ শতাংশ, লাদাখে ৬৯.৬২ শতাংশ, মহারাষ্ট্রে ৫৪.২৯ শতাংশ, ওড়িশায় ৬৭.৫৯ শতাংশ, উত্তর প্রদেশে ৫৭.৭৯ শতাংশ এবং পশ্চিমবঙ্গে ৭৪.৬৫ শতাংশ ভোট হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও এসবিআই রিসার্চ রিপোর্ট অনুসারে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রথম চার ধাপে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২.৫ কোটি বেশি ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। চলমান লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) প্রথম চার ধাপে ৪৫.০১ কোটি ভোটার ভোট দিয়েছেন। শতাংশের বিচারে মোট ভোটারদের ৬৬.৯৫ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোট দিয়েছেন। শতাংশের ভিত্তিতে, ২০১৯ সালের নির্বাচনের প্রথম চারটি পর্ব শেষে ভোটারদের ভোটের হার ছিল ৬৮.১৫ শতাংশ। এবার সেই তুলনায় কম ভোট পড়েছে।

    রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ

    পঞ্চম দফায় একাধিক জায়গায় শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে সংঘর্ষ লক্ষ্য করা গেছে। গোলমালের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ ছিল শিরোনামে। একদিকে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংকে ঘেরাও করে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। অন্যদিকে হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয় তৃণমূল নেত্রী অসীমা পাত্রর নেতৃত্বে।

    আরও পড়ুন: “১৫ বছরে বিশ্বের মোট জিডিপিতে ৩০ শতাংশ অবদান থাকবে ভারতের”, দাবি জি২০ শেরপার

    তবে অশান্তির খবর শুধু পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছে এমনটা নয়, মুম্বাইয়ের সিয়ন এলাকার কংগ্রেস এবং বিজেপি সমর্থকরা লিটল এঞ্জেল স্কুলের সামনে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বিজেপির অভিযোগ কংগ্রেস কর্মীরা ভোট কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার স্লিপ বিলি করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিল।

    ভোট দিলেন সেলিব্রিটিরা

    এদিন মুম্বাইয়ে সেলিব্রিটিরা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভোট দিলেন। লাইনে দাঁড়িয়ে। সেলিব্রিটিদের পাশে পেয়ে ভোটাররাও সেলফি তুললেন তাদের সঙ্গে। অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও সাধারণ ভোটারকে ভোট দানের দিন উদ্বুদ্ধ করেছেন। এমন অনেক অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও রয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছিল। ২৫ মে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন হবে ৫৮ টি লোকসভা আসনে। ১ জুন সপ্তম দফার নির্বাচন (Loksabha Election 2024) শেষ হবে এবং ৪ জুন গণনা সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    Calcutta High Court: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ আমার বিদায়ের দিন। শুনতে খারাপ লাগলেও একটা কথা আমি আপনাদের বলতে চাই, সেটা হল আমি আরএসএসে ছিলাম, সেই সংগঠনেই ফিরে যেতে প্রস্তুত। আমি আরএসএসের সদস্য ছিলাম এবং এখনও রয়েছি।” অবসরের দিনে কথাগুলি বললেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাশ।

    ‘আমার যাবার সময় হল’… (Calcutta High Court)

    এদিন তাঁর সম্মানে আয়োজিত বিদায় সম্বর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরা, ছিলেন বার কাউন্সিলের সদস্যরাও। বিদায়ের দিনে সেখানেই তিনি তাঁর সঙ্গে আরএসএসের সম্পর্কের কথা জানান। কোনও কাজে অথবা কোনও সাহায্যের জন্য আরএসএস তাঁকে ডাকলে তিনি তা করতে সক্ষম বলেও জানান সদ্য অবসরপ্রাপ্ত এই বিচারপতি। গত ১৪ বছর ধরে তিনি ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি। ওড়িশা হাইকোর্ট থেকে কলকাতা হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

    আরএসএসের শিক্ষা

    আরএসএসে থেকে তিনি যে অনেক কিছু শিখেছেন, এদিন তাও জানাতে ভোলেননি ওড়িশা থেকে বাংলায় আসা এই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। বলেন, “আমি এই সংগঠনের (আরএসএস) কাছে বিভিন্নভাবে ঋণী…শৈশব থেকে আমি এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, পুরো যৌবনও কেটেছে সংগঠনেই। এই সংগঠন আমায় সাহসী হতে শিখিয়েছে, শিখিয়েছে ন্যায়নিষ্ঠ হতে। সবার প্রতি সমদৃষ্টি দিতে শিখিয়েছে এবং সর্বোপরি পাঠ দিয়েছে দেশপ্রেমের, কাজের প্রতি দায়বদ্ধতার।” তিনি জানান, যে পেশায় তিনি এতদিন ছিলেন, সেই পেশার কারণেই এতদিন সংগঠনের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তাঁর।

    আর পড়ুন: কার্তিক মহারাজের পাশে সাধু-সন্তরা, মমতাকে ধিক্কার জানিয়ে হল প্রতিবাদ মিছিল

    বলেন, “দীর্ঘ কেরিয়ারে কোনও সুবিধা নিতে সংগঠনের সদস্যপদ আমি ব্যবহার করিনি। কারণ এটা নীতিবিরুদ্ধ। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে আমি সমস্ত বিচারপ্রার্থীকে সমদৃষ্টিতে দেখেছি। বিচারের সময় কখনও ভাবিনি তিনি কমিউনিস্ট, না বিজেপি, না কংগ্রেস, না তৃণমূল।” তিনি বলেন, “আমার কাছে সবাই সমান। কারও প্রতি কখনও কোনও পক্ষপাতিত্ব করিনি। আমি মনে করি, বিচার করতে গিয়ে আইনকে নত করা যায়, কিন্তু বিচারপতিকে নয়।”

    আরএসএস ডাকলে তিনি যে আবারও সংগঠনে ফিরে যেতে প্রস্তুত, তাও জানান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দাশ। বলেন (Calcutta High Court), “আমার জীবনে আমি কখনও কোনও অন্যায় কিছু করিনি। আমি যে ওই সংগঠন থেকে এসেছি, তা বলার মতো সাহস আমার রয়েছে। কারণ এটাও তো কোনও অন্যায় নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • AK-203: সেনার হাতে এল দেশে তৈরি ২৭ হাজার অত্যাধুনিক ‘একে-২০৩’ কালাশনিকভ, কী বিশেষত্ব?

    AK-203: সেনার হাতে এল দেশে তৈরি ২৭ হাজার অত্যাধুনিক ‘একে-২০৩’ কালাশনিকভ, কী বিশেষত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনার (Indian Army) হাতে উঠে এল প্রায় ২৭ হাজার দেশে নির্মিত (Made in India) ‘একে-২০৩’ অ্যাসল্ট রাইফেল (AK-203)। কালাশনিকভ ঘরানার এই অত্যাধুনিক রাইফেল প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে উৎপাদন হচ্ছে ভারতেই। এটি তৈরি করেছে উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত ইন্দো-রাশিয়ান রাইফেল ফ্যাক্টরি লিমিটেড (আইআরআরপিএল)। জানা গিয়েছে, আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে, আরও ৮ হাজার একে-২০৩ রাইফেল সেনার হাতে তুলে দেওয়া হবে।

    আইআরআরপিএল হল ভারত ও রুশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী ২ সংস্থার যৌথ উদ্যোগ। ভারতের অ্যাডভান্সড উইপন্স অ্যান্ড ইক্যুইপমেন্ট ইন্ডিয়া লিমিটেড (পূর্বতন অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ড) এবং রুশ সংস্থা কালাশনিকভ কনসার্ন — যা বিশ্বখ্যাত একে-৪৭ রাইফেল নির্মাণের জন্য পরিচিত— এর মধ্যে যৌথ অংশিদারিত্বে তৈরি হওয়া সংস্থা। এই সংস্থার কারখানা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের অমেঠির কোরওয়াতে। 

    ৬ লক্ষ ৭০ হাজার ইউনিট উৎপাদন

    দেশীয় ইনস্যাসকে সরিয়ে নতুন প্রধান অ্যাসল্ট রাইফেলের খোঁজ করছিল সেনা (Indian Army) ও আধাসামরিক বাহিনী। বিশ্বের একাধিক রাইফেলের তুল্যমূল্য বিচার করে ২০২০ সালে একে-২০৩ (AK-203) রাইফেলকে বেছে নেওয়া হয়। স্থির হয়, বাহিনীর প্রয়োজনকে মাথায় রেখে ৭ লক্ষ ৭০ হাজার একে-২০৩ কেনা হবে। এর জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল সে বছরেই। চুক্তির মূল্য ছিল ৫ হাজার কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, ১ লক্ষ রাইফেল সরাসরি রাশিয়া থেকে আমদানি করা হবে। বাকি ৬ লক্ষ ৭০ হাজার ইউনিট প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে তৈরি হবে এদেশেই (Made in India)। 

    কোভিড অতিমারীর কারণে বিলম্ব

    কিন্তু, দরদাম করতে ও কোভিড অতিমারীর কারণে, দেশে উৎপাদনের কাজ থমকে যায়। এর মধ্যে ২০২১ সালে রাশিয়া থেকে ৭০ হাজার একে-২০৩ (AK-203) রাইফেল চলে আসে ভারতীয় বাহিনীর (Indian Army) জন্য। কোভিড-উত্তর কালে, কারখানায় নতুন উদ্যমে কাজ শুরু হয়। গত বছরের জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হয় প্রথম ব্যাচের উৎপাদন। ৬ মাস আগে, দেশে নির্মিত এই অত্যাধুনিক কালাশনিকভ রাইফেলের পরীক্ষা শুরু করে ভারতীয় সেনা। সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সেনার থেকে প্রাপ্ত চূড়ান্ত মতামত নিয়েই এই রাইফেলের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। এবার, দেশে তৈরি সেই একে-২০৩ রাইফেল চলে এল বাহিনীর হাতে।

    এক-একটি রাইফেল নির্মাণ খরচ কত?

    সূত্রের খবর, এক-একটি রাইফেল তৈরি করতে খরচ প্রায় ১১০০ মার্কিন ডলারের মতো। ভারতীয় মুদ্রায় যা ৯০ হাজারের মতো। এর মধ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও কারাখানা তৈরি করার খরচ ধরা হয়েছে। কালাশনিকভের অন্যান্য সিরিজের মতোই একে-২০৩ (AK-203) রাইফেলটিও গ্যাস-চালিত ও ম্যাগাজিন-নির্ভর। এর থেকে ৭.৬২ এমএমx৩৯ ক্যালিবারের গুলি নিক্ষিপ্ত হয়। বর্তমানে ভারতীয় সেনায় (Indian Army) হাতে রয়েছে মার্কিন নির্মিত সিগ-সয়ার রাইফেল। এই রাইফেলেও একই ক্যালিবারের গুলি ব্যবহৃত হয়। ফলে, কার্যকারিতা ও ব্যবহারযোগ্যতার দিক দিয়ে একে-২০৩ নিয়ে সেনার অসুবিধে হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ষষ্ঠ দফার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে বদলির নির্দেশ কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ষষ্ঠ দফার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে বদলির নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মধ্যে ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগে রাজ্যে আরও এক পুলিশকর্তার বদলির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার আইপিএস ধৃতিমান সরকারকে সারানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। গতকাল সোমবার কমিশনের পক্ষ থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে। ঘটনায় রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপাক শোরগোল পড়েছে।

    কমিশনে সূত্রে খবর (Lok Sabha Election 2024)

    জানা গিয়েছে, আজ মঙ্গলবার মধ্যাহ্নের আগে রাজ্য সরকারকে পশ্চিম মেদিনীপুরের জন্য তিন জন অফিসারের নামের তালিকা পাঠানোর কথা বলা বলেছে কমিশন। প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে একজনকে ঠিক করবে কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে আরও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ধৃতিমানকে নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) সংক্রান্ত কোনও দায়িত্বে বদলি করা যাবে না।

    আগেও বদলি হয়েছে

    সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার বদলির নির্দেশের সঙ্গে পুরুলিয়ার নতুন পুলিশ সুপার, কাঁথির নতুন এসডিপিও-র নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইপিএস আশিষ মৌর্য্যকে। আবার কাঁথির এসডিপিও হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আজাহারউদ্দিন খানকে। তবে নির্বাচন কমিশনের কাছে অফিসার বদলি করার বিশেষ ক্ষমতা থাকে। লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই আদর্শ আচরণবিধি লাগু হয়েছে। তাই কোনও অফিসার নিজের দায়িত্ব ঠিক মত পালন না করলে বা কর্তব্যে গাফিলতি মনে করলে কমিশন সেই অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। এইবারের লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজ্যের ডিজি, জেলাশাসক, এসপি, এসডিও সহ একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সম্প্রতি বহরমপুর, বেলডাঙা, কসবা, ডায়মন্ড হারববারে একাধিক ক্ষেত্রে এমন বদলির নির্দেশ দেখা গিয়েছে। তবে এই সব আমলাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে বিজেপি একাধিকবার তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ করেছিল। ফলে আগামী ২৫ মে হল ষষ্ঠ দফার ভোট, রাজনীতির আঙ্গিনায় তীব্র চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।  

    আরও পড়ুনঃকার্তিক মহারাজের পাশে সাধু-সন্তরা, মমতাকে ধিক্কার জানিয়ে হল প্রতিবাদ মিছিল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Meditation Day: বিশ্ব মেডিটেশন দিবসে জেনে নিন এর কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা

    World Meditation Day: বিশ্ব মেডিটেশন দিবসে জেনে নিন এর কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ মে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস (World Meditation Day)। মেডিটেশন হল আসলে মনের ব্যায়াম। নিরবে এক জায়গায় চুপ করে বসে একমনে ধ্যান করলে বৃদ্ধি পায় মনোযোগ ও সচেতনতা। এছাড়াও নিয়মিত মেডিটেশন করলে মানসিক চাপ থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি এর সুফল হিসাবে জীবনে নেতিবাচক প্রভাব কেটে ইতিবাচক প্রভাবের সৃষ্টি হয়। 
    জানা গিয়েছে বিশ্বজুড়ে বর্তমানে প্রায় ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ নিয়মিত মেডিটেশন করেন। তাই প্রতি বছর এই ২১ মে দিনটিকে বিশ্ব ধ্যান দিবস (World Meditation Day) হিসেবে পালন করা হয়। 

    জেনে নেওয়া যাক  এই মেডিটেশনের বিশেষ কিছু উপকারিতা-(Health Benefits of Meditation)

    মানসিক চাপ থেকে মুক্তি- মেডিটেশন আমাদের মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। যদি নিয়মিত ভাবে মেডিটেশন করা যায় তবে মানুষের চাপ থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া যাবে। 
    মনকে শান্ত রাখা- মানসিক চাপ মুক্তির পাশাপাশি নিয়মিত ভাবে মেডিটেশন করলে মন শান্ত হবে। অর্থাৎ সারাদিন কাজের পর যে খিটখিটে ভাব আমাদের মধ্যে সৃষ্টি হয় তা থেকে নিমিষেই মুক্তি লাভ হবে। 
    মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ- নিয়মিতভাবে মেডিটেশন করলে মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। এছাড়াও ডিপ্রেশন বা অনেক রকম নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থেকেও মুক্তি লাভ ঘটে।
    মনোযোগ বৃদ্ধি- মেডিটেশন (World Meditation Day) এর আরো একটি উপকারিতা হলো মনোযোগ বৃদ্ধি হওয়া। অর্থাৎ সামান্য ছোট ছোট জিনিস যেগুলো আমরা কারণে অকারণে ভুলে যাই বা মনে রাখতে পারি না সেই সব ক্ষেত্রে নিয়মিত মেডিটেশন করলে আমাদের মনোযোগ বৃদ্ধি হবে। ও যেকোনও কাজে একাগ্রতা আসবে। 
    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ- নিয়মিত মেডিটেশন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মত বিপদের ঝুঁকিও কম থাকে। 
    স্মৃতিশক্তির উন্নতি- নিয়মিত ভাবে মেডিটেশন করলে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে। 
    অনিদ্রা থেকে মুক্তি- নিয়মিতভাবে মেডিটেশন করলে মিলবে অনিদ্রা থেকে মুক্তি। একইসঙ্গে তৈরি হবে একটা ভালো ঘুমের রুটিন।

    আরও পড়ুন: ‘বন্ধুদেশ’ ইরানের প্রেসিডেন্টের প্রয়াণ, রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা ভারতে

    বর্তমানে ডিপ্রেশন বা হতাশার শিকার বহু মানুষ। এই প্রতিযোগীতার সমাজে লড়াইয়ে নেমে অনেকেই ভেঙে পরেন। আর ঠিক তখনই তারা নেন চিকিৎসকের পরামর্শ। আর চিকিৎসক এইসব বিষয়ে সবার আগে পরামর্শ দেন মেডিটেশনের (World Meditation Day)। কারন আত্মশক্তির বিকাশ, রোগ নিরাময়, সাফল্য কিংবা প্রশান্তি লাভে মেডিটেশনের গুরুত্ব এখন খুবই উল্লেখযোগ্য। তাই বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মেডিটেশন হয়ে উঠেছে রোগ নিরাময়ের বিকল্প পদ্ধতি, সাফল্যের অব্যর্থ প্রক্রিয়া ও মানসিক প্রশান্তির একমাত্র রাস্তা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: কেকেআর-হায়দরাবাদ প্লে-অফ ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা, জিতলেই ফাইনালে, খেলা বাতিল হলে?

    IPL 2024: কেকেআর-হায়দরাবাদ প্লে-অফ ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা, জিতলেই ফাইনালে, খেলা বাতিল হলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের ইতিহাসে প্রথমবার লিগ শীর্ষে নাইটরা। আজ, মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল ২০২৪-এর প্লেঅফ পর্বের খেলা। প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হতে চলেছে কলকাতা ও হায়দরাবাদ। মেগা ম্যাচ ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা, সঙ্গে থাকছে বৃষ্টির সম্ভাবনাও। এদিন নাইটদের হয়ে গলা ফাটাবে আমেদাবাদ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শহরে কলকাতার সমর্থকই বেশি থাকবে বলে মনে করছে ক্রিকেট প্রেমীরা। গ্যালারি মাতাতে ইতিমধ্যেই শহরে পৌঁছে গিয়েছেন কিং খান।

    কেকেআর-এর চিন্তা

    এই ম্যাচের আগে কেকেআরের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা ওপেনিং পার্টনারশিপ। আইপিএলের শুরু থেকে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন কেকেআরের দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও সুনীল নারিন। দুজনের ঝোড়ো ব্যাটিং পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের রাশ তুলে দিচ্ছিল নাইটদের হাতে। কিন্তু ইংল্যান্ডের জাতীয় দলে যোগ দিতে দেশে ফিরে গিয়েছেন সল্ট। তাঁর পরিবর্তে কে হবেন নারিনের সঙ্গী? সম্ভবত রহমানউল্লাহ গুরবাজ। আফগান তারকার সামনে এটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। প্লে-অফে জয়ী দল সাধারণত কেউ বদলাতে চায় না। কিন্তু এক্ষেত্রে কেকেআরকে বাধ্য হয়ে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে হবে।

    বৃষ্টির সম্ভাবনা

    আইপিএলের শেষ পর্বে এসে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি। বিগত কয়েক দিনে বাতিল হয়েছে একাধিক ম্যাচ। বেড়েছে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচের সংখ্যাও। বাতিল হওয়া ম্যাচের মধ্যে ২টি ম্যাচ কেকেআরের। আমেদাবাদেই গত দুটি ম্যাচ পণ্ড হয়েছে। বাতিল হয়েছে কেকেআর বনাম গুজরাট ম্যাচ। তবে, প্রথম কোয়ালিফায়ার যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় তাহলে ফাইনালে চলে যাবে কলকাতা। কারণ কোয়ালিফায়ারে রিজার্ভ ডে নেই। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায়, তাহলে যে দল লিগ টেবিলে শীর্ষে থাকবে, তারা সরাসরি ফাইনালে পৌঁছে যাবে। আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলটাকে খেলতে হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। ফলে কেকেআর বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে ফাইনালে চলে যাবে কেকেআর।

    ম্যাচের খুঁটিনাটি

    ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা ৭.৩০, তার আধ ঘণ্টা আগে হবে টস। টিভিতে স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্কে দেখা যাবে ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার। যাঁরা টিভির সামনে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন না, তাঁরা স্মার্টফোনে বা ল্যাপটপে জিও সিনেমা অ্য়াপেও দেখতে পাবেন ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার 

    কেকেআরের সম্ভাব্য একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), সুনীল নারিন, নীতিশ রানা, শ্রেয়স আইয়ার (অধিনায়ক), ভেঙ্কটেশ আইয়ার, আন্দ্রে রাসেল, রমনদীপ সিং, মিচেল স্টার্ক, হর্ষিত রানা, বরুণ চক্রবর্তী। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার: বৈভব অরোরা, মনীশ পাণ্ডে।

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্ভাব্য একাদশ: ট্রেভিস হেড, অভিষেক শর্মা, নীতিশ কুমার রেড্ডি, হেনরিক ক্লাসেন (উইকেটকিপার), আবদুল সামাদ, শাহবাজ আহমেদ, সনবীর সিং, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ভুবনেশ্বর কুমার, জয়জেব উনাদকাট, মায়াঙ্ক মার্কান্ডে। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার: টি নটরাজন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share