Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sunil Chhetri: যুবভারতীতে শেষ ম্যাচ, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর

    Sunil Chhetri: যুবভারতীতে শেষ ম্যাচ, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ফুটবলে শেষ হতে চলেছে একটি যুগ। কলকাতাতেই খেলবেন শেষ ম্যাচ, জানিয়ে দিলেন ভারতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri)। আগামী ৬ জুন যুবভারতী স্টেডিয়ামে কুয়েতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচ রয়েছে ভারতের। সেই ম্যাচই দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের শেষ ম্যাচ। 

    কী বললেন সুনীল

    বৃহস্পতিবার সকালে সোশ্যাল সাইটে ১০ মিনিটের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন সুনীল (Sunil Chhetri)। সেখানে তিনি বলেন, “একটা দিন জীবনে কোনও দিন ভুলতে পারব। যে দিন দেশের জার্সি গায়ে প্রথম বার ভারতের হয়ে খেলতে নেমেছিলাম। অবিশ্বাস্য অনুভূতি। তবে তার আগের দিন সকালে জাতীয় দলে আমার প্রথম কোচ সুখী স্যার (সুখবিন্দর সিং) এসে আমাকে জানিয়েছিলেন, প্রথম একাদশে আমি রয়েছি। বলে বোঝাতে পারব না সেই অনুভূতি কেমন ছিল।”

    সুনীলের (Sunil Chhetri) সংযোজন, “জার্সি প্রথম হাতে পাওয়ার পর তাতে কিছুটা সুগন্ধি ছড়িয়ে দিয়েছিলাম। জানি না কেন। সেই দিন যা যা হয়েছিল, প্রাতরাশ থেকে মধ্যাহ্নভোজের টেবিলের কথাবার্তা, ম্যাচে আমার মাঠে নামা এবং অভিষেক ম্যাচেই গোল, তার পরে ৮০ মিনিটে গোল হজম করা, জাতীয় দলে আমার যাত্রা শুরুর প্রথম দিনের এই ঘটনাগুলোর কথা কোনও দিন ভুলতে পারব না।” কুয়েতের বিরুদ্ধে জাতীয় ফুটবল কেরিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলতে নামছেন। তবে এই ম্যাচের আগে সুনীল স্পষ্ট করে দিলেন যে অবসরের আগে কোনও চাপ অনুভব করছেন না তিনি। জাতীয় ফুটবল দলের জার্সিতে এই ম্যাচের প্রতিটা মুহূর্ত তিনি উপভোগ করতে চান।

    আরও পড়ুন: স্বাদে-গন্ধে লা জবাব! হিন্দু তরুণীর হাতের জাদুতে মজেছে করাচি

    ভারতীয় ফুটবলে এক অধ্যায়

    আগামী ৬ জুন বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের যোগ্যতা অর্জনকারী পর্বে কুয়েতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ভারতীয় ফুটবল দল। ভারতীয় ফুটবল দলের হয়ে সুনীল ছেত্রী এখনও পর্যন্ত ১৫০ ম্যাচে মোট ৯৪ গোল করেছেন। আর ফুটবল বিশ্বের সর্বাধিক গোলদাতাদের তালিকায় তিনি আপাতত চতু্র্থ স্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।  ভারতীয় ফুটবল ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতা হিসেবেই সুনীল অবসর গ্রহণ করতে চলেছেন। সুনীলের অভাব যে ভারতীয় ফুটবলে প্রতি মুহূর্তে অনুভূত হবে, তা বলা যেতেই পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বতন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের চেয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে নানা দিক থেকে এগিয়ে, তা স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষার রিপোর্টে। এবার জানা গেল, কর্মসংস্থানেও আগের সরকারের চেয়ে কয়েক যোজন এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার (10 years of Modi)।

    কী বলছে ‘স্কচগ্রুপের রিপোর্ট?

    স্কচ (SKOCH) নামের এক সংস্থার করা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের (নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের ১০ বছর (10 years of Modi)) মধ্যে কংর্মসংস্থান হয়েছে ৫১.৪ কোটি। এর মধ্যে ১৯.৭৯ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্নেন্স লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। সোমবারই স্কচের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টটি। তাতেই উঠে এসেছে মোদি (10 years of Modi) জমানায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কথা।

    পার্সন-ইয়ার কী?

    একজন ব্যক্তি এক বছরে যত সময় ধরে কাজ করেন, তাকে যদি ঘণ্টায় প্রকাশ করা হয়, এই সময় পরিমাপের একক হল ওয়ান পার্সন-ইয়ার, অর্থাৎ এক ব্যক্তি-বর্ষ। স্কচ গ্রুপ তাদের সমীক্ষায় ২৬০ ব্যক্তি-দিবসকে এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে ধরেছে। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি এক বছরে ২৬০ দিন কাজ করলে, তা এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে গণ্য হবে। মোদি (10 years of Modi) জমানার দশ বছরে এমন ৫১.৪ কোটি পার্সন-ইয়ার তৈরি হয়েছে। রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে ৮০টি কেস স্টাডির ভিত্তিতে। এঁরা প্রত্যেকেই ঋণ গ্রহীতা। বিভিন্ন সময় ঋণ নিয়েছিলেন। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের খতিয়ান থেকেও উঠে এসেছে এই তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০১৪-২৪ সালের মধ্যে মোট ৫১.৪ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯.৭০ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্ন্যান্স-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে আর বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে।” উল্লেখ্য যে, স্কচ গ্রুপ হল ভারতের থিঙ্কট্যাঙ্ক। ১৯৯৭ সাল থেকে এই সংস্থা আর্থ-সমাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। দেশের উন্নতির ওপরও আলোকপাত করছে।

    আর পড়ুন: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    এই সংস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের (10 years of Modi) ১২টি প্রকল্পের ওপর স্টাডি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম’, ‘আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা’, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা’ এবং ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা’ও। এখান থেকেই দেখা গিয়েছে গত ৯ বছরে ক্রেডিট গ্যাপ কমে হয়েছে ১২.১ শতাংশ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ক্রেডিট গ্যাপ হ্রাস, মাল্টিমেন্সনাল পভার্টি হ্রাসের সঙ্গে ইতিবাচক সমন্বয় রয়েছে। রাষ্ট্রের নেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্টও (NDP) বৃদ্ধি পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CAA: ভোটের মধ্যেই সিএএ-র অধীনে প্রথমবার নাগরিকত্ব পেলেন ১৪ আবেদনকারী

    CAA: ভোটের মধ্যেই সিএএ-র অধীনে প্রথমবার নাগরিকত্ব পেলেন ১৪ আবেদনকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনেরের অধীনে আবেদনকারীদের হাতে প্রথমবার সিএএ শংসাপত্র তুলে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভা ভোট চলাকালীনই বুধবার, ১৫ মে ১৪ জনের হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হল। এদিন, নয়াদিল্লিতে এই ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, অজয় কুমার ভাল্লা। উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া, ডাক বিভাগের সচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর-সহ পদস্থ কর্তারা।

    কারা আবেদন করতে পারবেন

    নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের বিধি জারি করার প্রায় দুই মাস পর, এদিন এই আইনের অধীনে প্রথমবারের জন্য ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসা পেলেন ১৪ জন। নয়া আইনে, নাগরিকত্বের আবেদনের যোগ্যতার জন্য ভারতে থাকার সময়কাল ১১ বছর থেকে কমিয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। ২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বরের আগে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে যে সকল অমুসলিম উদ্বাস্তু ভারতে এসেছিলেন, তাঁরাই এই আইনের অধীনে নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারেন। এই সকল শর্ত মেনেই এই ১৪ জন ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করেছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার স্পষ্ট করেছেন,  সিএএ-র ফলে কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না। বরং, প্রতিবেশী দেশগুলিতে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হওয়া অমুসলিম সংখ্যালঘু ব্যক্তিরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    তৈরি হল ইতিহাস

    ২০২৪-এর ক্যালেন্ডারে এই দিনটি ইতিহাস তৈরি করল। বহু লড়াই ও আবেদনের পর ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করলেন এই ১৪ জন। সরকারি মুখপাত্রের কথায়, “এই নিয়মগুলি অনুসরণ করে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের কাছ থেকে আবেদন গৃহীত হয়েছে, যারা ধর্ম বা এই ধরনের নিপীড়নের কারণে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে প্রবেশ করেছেন৷” ওই মুথপাত্র জানান, যাচাই-বাছাইয়ের পর, সেন্সাস অপারেশনের ডিরেক্টরের নেতৃত্বাধীন কমিটি, এই ১৪ জন আবেদনকারীকে সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Rescue Operations: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    India Rescue Operations: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। নানা সময় তিনি জানিয়েছেন, দেশই তাঁর ঘরবাড়ি, দেশবাসীই তাঁর আত্মীয়-স্বজন। তাই কেবল স্বদেশের নাগরিকরা নন, কর্মসূত্রে বিদেশে থাকা প্রবাসী ভারতীয়রাও তাঁর ‘আত্মার আত্মীয়’। সেই কারণেই যখনই প্রবাসে বিপদে পড়েছেন কোনও ভারতীয়, তখনই ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ত্রাতা মোদি (India Rescue Operations)

    কেবল ভারত (India Rescue Operations) কেন, প্রতিবেশী দেশের লোকজনও যখন বিভুঁইয়ে বিপদে পড়েছেন, তখনই সঙ্কটমোচনের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে মোদিকে। প্রত্যাশিতভাবই যুদ্ধদীর্ণ ইউক্রেন থেকে স্বদেশে ফিরে মোদির জয়গান গেয়েছেন পাকিস্তানের কোনও অখ্যাত অঞ্চলের পড়ুয়াও। হয়ত তাঁর পরিবারও দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। কারণ ইউক্রেন যুদ্ধের সময় কেবল ভারতীয় ছাত্রছাত্রীই নন, পড়শি কয়েকটি দেশের পড়ুয়াদেরও উদ্ধার করেছিল মোদি সরকার।

    অপারেশন ‘গঙ্গা’

    স্মৃতির সরণি বেয়ে ফেরা যাক বছর দুয়েক আগে। হঠাৎই যুদ্ধ বাঁধল রাশিয়া-ইউক্রেনের। বিপাকে পড়লেন (India Rescue Operations) ইউক্রেনে থাকা কয়েক হাজার ভারতীয় পড়ুয়া। প্রমাদ গুণলেন তাঁদের পরিবারের লোকজন। শরণাপন্ন হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। যদিও তার ঢের আগেই ইউক্রেনে থাকা বিপদে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের কীভাবে উদ্ধার করা যায়, তা ছকে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপারেশনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘গঙ্গা’। ইদানিং কালে এ পর্যন্ত ভারত সরকার যতগুলি উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে, তার মধ্যে সব চেয়ে বড় অপারেশান এটি। সেই সময়ই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি বলেছিলেন, “আমাদের ২০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় নাগরিক ইউক্রেনে আটকে রয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজারেরও বেশি জনকে উদ্ধার করে দিল্লি কিংবা মুম্বইতে নিয়ে আসা হয়েছে। অনেককে সরানো হয়েছে ইউক্রেনের পশ্চিমের চারটি প্রতিবেশী দেশে।” সেই সময় মোদি সরকারের মন্ত্রিসভার এই সদস্য বলেছিলেন, “আমরা মনে করি যে আমাদের মানুষ যাঁরা ইউক্রেনে আটকে পড়েছেন, তাঁদের কাছে পৌঁছানো আমাদের দায়িত্ব। আমাদের সমস্ত বন্ধুরা আমাদের লোকজনকে সরিয়ে নিতে সাহায্য করছে।”

    পড়শি দেশের বিপন্নদের পাশেও মোদি সরকার

    অপারেশন ‘গঙ্গা’য় কেবল ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দেরই উদ্ধার করা হয়নি, নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে পড়শি দেশের বিপন্ন মানুষদেরও। এই যেমন আসমা শাফিকি। শত্রু দেশ পাকিস্তানের এই পড়ুয়াকেও উদ্ধার করেছে ভারত। ভারতকে ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের এই ছাত্রী। ভিডিও-বার্তায় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা যখন সকলে আটকে পড়েছিলাম, সেই সময় আমাদের সাহায্যের জন্য আমি কিয়েভে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আশা করছি, ভারতীয় দূতাবাসের সাহায্যে আমরা নিরাপদে দেশে ফিরতে পারব।”

    ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন নেপালি যুবক রোশন ঝা-ও। তিনিও আটকে পড়েছিলেন ইউক্রেনে। ভারতের এই অপারেশন ‘গঙ্গা’ই সে যাত্রায় বাঁচিয়েছিল বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি, নেপালি, বাংলাদেশি এবং তিউনিশিয়ার পড়ুয়াকে। যে কারণে মোদি সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের আকাশপথ বন্ধ থাকায় রোমানিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া দিয়ে উদ্ধার করা হয়েছিল ইউক্রেনে আটকে পড়া বিপন্নদের। অপারেশন ‘গঙ্গা’র আগে ২০১৪ সালের জুন মাসে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরাকে আইএস-এর খপ্পর থেকে মোদি সরকার উদ্ধার করেছিল ৪৬ জন ভারতীয় নার্সকে।

    অপারেশন ‘মৈত্রী’

    তার পরের বছরই ভয়াল ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছিল নেপাল (India Rescue Operations)। ২০১৫ সালের সেই বিপর্যয়ের পর সে দেশে আটকে পড়া ৪৩ হাজার জনেরও বেশি ভারতীয়কে উদ্ধার করেছিল ভারত সরকার। অপারেশনের নাম ছিল ‘মৈত্রী’। ওই বছরই হয়েছিল অপারেশন ‘রাহাত’। সেবার ৪ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি ভারতীয় ও ৯৬০ জন বিদেশিকে ভারত সরকার উদ্ধার করেছিল যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইয়েমেন থেকে।

    অপারেশন ‘সঙ্কটমোচন’

    ২০১৬ সালে হয় অপারেশন ‘সঙ্কটমোচন’। এই অপারেশনে হিংসাদীর্ণ দক্ষিণ সুদান থেকে ৩০০ ভারতীয়কে উদ্ধার করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। কোভিড-পর্বে চালানো হয় অপারেশন ‘সমুদ্র সেতু’ এবং অপারেশন ‘বন্দে ভারত’। সেই সময় কেবল নৌবাহিনীই উদ্ধার করেছিল ৩ হাজার ৯৯২ জনকে। ২০২১ সালে হয় অপারেশন ‘দেবী শক্তি’। এই অপারেশনে উদ্ধার করা হয়েছিল ৫০০-রও বেশি ভারতীয় নাগরিককে। এই সময় আফগানিস্তান থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল ১১০ জন আফগান শিখকে। ২০২২ সালে অপারেশন ‘গঙ্গা’র পরে ২০২৩ সালে মোদি সরকার হাতে নেয় অপারেশন ‘কাবেরি’। এই অপারেশনে যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদান থেকে ৩ হাজার ৯৬১ জন ভারতীয় ও ১৩৬ জন বিদেশিকে উদ্ধার করেছিল মোদি সরকার।

    অপারেশন ‘অজয়’

    ২০২৩ সালেই মোদি জমানায় হয়েছে আরও একটি অপারেশন। ২০২৩ সালের এই অপারেশনের নাম ছিল ‘অজয়’। ইসলামি জঙ্গি সংগঠন হামাস নৃশংসভাবে হত্যা করে ১২০০-রও বেশি ইজরায়েলি শিশু-নারী-পুরুষ এবং সৈন্যকে। এই সময় ইজরায়েলে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করতে ভারত সরকার চালায় অপারেশন ‘অজয়’। উদ্ধার করা হয় ১৩০০-রও বেশি ভারতীয়কে। এই অপারেশনেও মোদি সরকার উদ্ধার করেছিল বেশ কিছু বিদেশি নাগরিককে। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে মোদি সরকার। তার পর থেকেই দেশের পাশাপাশি প্রবাসে থাকা ভারতীয়দের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। বিপন্ন ভারতীয়দের সম্ভাব্য সব রকমের সাহায্য দিচ্ছে, পাশে দাঁড়াচ্ছে।

    আর পড়ুন: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    ভারত ক্রমেই একটি বিশ্ব শক্তি হয়ে উঠছে। গত দশ বছরে মোদির আমলে হাল ফিরেছে দেশের অর্থনীতির। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় এক সময় যে দেশের জায়গা ছিল ১০ নম্বরে, সেই দেশই এখন ব্রিটেনকে সরিয়ে জায়গা করে নিয়েছে পাঁচে। অর্থনীতিবিদদের একটা বড় অংশের মতে, ২০২৫ সালের মধ্যেই জাপানকে সরিয়ে ভারত জায়গা করে নেবে চার নম্বরে। এহেন উদীয়মান শক্তি ভারত তাঁর প্রতিটি নাগরিকের প্রতিই দায়বদ্ধ – সে তিনি স্বদেশেই থাকুন কিংবা বিদেশে (India Rescue Operations)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১৬/০৫/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১৬/০৫/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) দৈনন্দিন কাজকর্মে মনোনিবেশ করতে হবে।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি সাধারণ থাকবে।

    ২) ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক জীবনে হতাশার শিকার হবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে নতুন পরিকল্পনা শুরুর আগে সতর্ক হন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নিজের কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) কাজে ভালো প্রদর্শন করতে পারবেন, যার ফলে জীবনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) নতুন প্রকল্পের দায়িত্ব পেতে পারেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজ সতর্কভাবে করুন।

    ৩) একাধিক সমস্যায় জেরবার।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন।

    ৩) সিদ্ধান্ত গ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) স্বপ্নপূরণের সুযোগ পাবেন।

    ৩) কেরিয়ারে সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) সাধারণের চেয়ে অধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে, তাই ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।

    ৩) শত্রুদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) নতুন কিছু করার পরিবর্তে পুরনো কাজে মনোনিবেশ করুন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) অসম্পূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ৩) কোনও প্রকল্পের কাজে অধিক ব্যস্ত হয়ে পড়বেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূল।

    ২) কাজে সংযত থাকতে হবে।

    ৩) চিন্তাভাবনা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কাজে সাফল্য অর্জন করবেন।

    ৩) জীবনের সমস্ত চ্যালেঞ্জ ভালো ভাবে অতিক্রম করতে পারবেন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindu Family’s Food Stall: স্বাদে-গন্ধে লা জবাব! হিন্দু তরুণীর হাতের জাদুতে মজেছে করাচি

    Hindu Family’s Food Stall: স্বাদে-গন্ধে লা জবাব! হিন্দু তরুণীর হাতের জাদুতে মজেছে করাচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তের ওপারেও জনপ্রিয় পাও ভাজি, বড়া পাও। করাচিতে কবিতা দিদির (Kavita Didi in Karachi) ফুড স্টলের (Hindu Family’s Food Stall) সামনে উপচে পড়ছে ভিড়। ‘কবিতা দিদির ভারতীয় খাবার’ পাকিস্তানে বিখ্যাত। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিয়ো। করাচির ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনে রয়েছে এই ভারতীয় খাবারের দোকান। সেটি চালান কবিতা নামে এক তরুণী এবং তাঁর পরিবার। আমিষ এবং নিরামিষ, দুই রকম খাবারই পাওয়া যায় কবিতার দোকানে। তবে তাঁর হাতে তৈরি পাও ভাজি, বড়া পাও, ডাল সামোসার চাহিদা সব থেকে বেশি।

    ভাইরাল ভিডিও

    ভারতীয় খাবারের ক্রেজ বিশ্বজুড়ে। পাকিস্তানেও একটি ভারতীয় খাবারের স্টল খুব বিখ্যাত, যেখানে সর্বদাই মানুষের ভিড় লেগে থাকে। পাকিস্তানিরা সেখানকার খাবার দারুণ পছন্দ করেন। এই স্টলের নাম নাম ‘কবিতা দিদি কা ইন্ডিয়ান খানা’। সম্প্রতি, কারামত খান নামে এক পাকিস্তানি ব্লগার কবিতার দোকানের খাবারের ভিডিয়ো তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। ভিডিওটি  ইতিমধ্যেই ভাইরাল। কারামত নিজেও কবিতার দোকানে বড়া পাও খেয়ে মজেছেন। জানিয়েছেন, এর আগে তিনি কখনও এই খাবার খাননি। তবে এর স্বাদ দারুণ। ভিডিয়োয় কবিতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘বড়া পাও মুম্বইয়ে বিখ্যাত। এখন করাচির লোকজনও পছন্দ করছেন।’’কবিতা ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যমেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ‘কবিতা দিদি’ নামে পরিচিত তিনি। 

     

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Karamat Khan (@karamatkhan_05)

    লোককে খাওয়াতে ভাল লাগে

    কবিতা জানিয়েছেন, খাবারের প্রতি অনুরক্ত তিনি। যেমন খেতে ভালবাসেন, তেমন খাওয়াতেও ভালবাসেন। সেই কারণেই ভেবেছিলেন, খাবারের দোকান খুললে কেমন হয়! তাঁর ইচ্ছায় সমর্থন জানিয়েছিল পরিবার। দোকানে তাঁর হাতে হাতে সাহায্য করেন মা-সহ পরিবারের অন্য সদস্যেরা। প্রথমে নিজে যে সব পদ খেতে ভালবাসেন, তাই দোকানে রান্না করে খাওয়াতেন। তারপর ধীরে ধীরে নতুন করে খাবারের পসরা সাজান। রমজান মাসে করাচিতে কবিতার দোকানের সামনে ভিড় জমে যায়। বহু মানুষ রোজার উপোস ভাঙেন কবিতার তৈরি পাও ভাজি আর বড়া পাও খেয়ে। ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খান তরুণী। এমনিতে পাকিস্তানের বাসিন্দারা আমিষ খাবার পছন্দ করেন। তবে কবিতা জানিয়েছেন, তাঁর হাতে তৈরি নিরামিষ পদও ক্রেতারা পছন্দ করেন। বড়া পাও, পাও ভাজির সঙ্গে কবিতার হাতে তৈরি কাবাবও বেশ পছন্দ করেন করাচির পথচলতি মানুষ। কবিতার ভিডিয়ো দেখে সমাজমাধ্যমে বহু মানুষ তাঁর দোকানে খেতে যাওয়ার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • LAC: ‘‘পরিস্থিতি অস্বাভাবিক’’, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রচুর সেনা মোতায়েন রয়েছে, জানালেন জয়শঙ্কর

    LAC: ‘‘পরিস্থিতি অস্বাভাবিক’’, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রচুর সেনা মোতায়েন রয়েছে, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর লাদাখ থেকে শুরু করে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চিনা আগ্রাসনের খবর প্রায়ই আসতে থাকে। কখনও রাস্তা বা সেতু তৈরিতে বাধা, আবার কখনও ভারতীয় ভূখণ্ডের উপরে লাল ফৌজের টহলের অভিযোগ। কোথাও আবার ভারতীয় ভূখণ্ডেই গ্রাম গড়ে তুলেছে চিনা প্রশাসন। এমন অভিযোগ এসেছে বারংবার। এবার খোদ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানালেন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় অস্বাভাবিক হারে সেনা মোতায়ন রয়েছে।

    চিনের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী

    ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের একটি অনুষ্ঠানে চিনা আগ্রাসন নিয়ে মুখ খোলেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “গালওয়ান সংঘর্ষের পর সীমান্তে (LAC) অতিরিক্ত সেনা মোতায়ন করে জবাব দিয়েছে ভারত (India)। শুধু সেনাবাহিনী মোতায়েন নয়, সেনার জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। সেনার যাতে গোলাবারুদ এবং রসদে কোনরকম সমস্যা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তার বিষয়ে কারও সঙ্গে আপোসের কোনও প্রশ্ন নেই। তাই অস্বাভাবিক হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় প্রচুর সেনা মোতায়ন করেছে ভারত।”

    গলওয়ানের পর বদলে গেছে পরিস্থিতি  

    বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, “১৯৬২ সালের পর ১৯৮৮ সালে চিন গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। চিনের (China) সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেই ওই পদক্ষেপ করা হয়েছিল। দুই দেশের মধ্যে স্পষ্ট বোঝাপড়া হয়েছিল যে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সংক্রান্ত মতপার্থক্য মিটিয়ে নেব আমরা। সীমান্তে শান্তি এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হবে। আগের মত সব চলবে। সেই নীতিতে ভর করে এতদিন সম্পর্ক টিকে ছিল চিনের সঙ্গে।

    আরও খবর: সংঘাতের মধ্যেই মলদ্বীপকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্য ভারতের

    কিন্তু ২০২০ সালে সেই নীতিতে পরিবর্তন এসেছে। চিনের সঙ্গে সম্পর্ক আমূল পরিবর্তন ঘটেছে । ২০২০ সালের চিন একাধিক চুক্তি লঙ্ঘন করে। আমাদের সীমান্তে বিরাট বাহিনী এনে (LAC) হাজির করে করোনা কালে ভারতে যখন লকডাউন চলছে তখন এই কাণ্ড ঘটানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mathura: “৪০০ পেলে ফেরত আসবে কৃষ্ণ জন্মভূমি ও পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, ইঙ্গিত অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    Mathura: “৪০০ পেলে ফেরত আসবে কৃষ্ণ জন্মভূমি ও পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, ইঙ্গিত অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৩০০ সিট পেয়ে আমরা রাম জন্মভূমিতে মন্দির তৈরি করেছি। ৪০০ পেলে মথুরায় (Mathura) কৃষ্ণ জন্মভূমিতে (Krishna Janmabhoomi) মন্দির তৈরি করব। ফেরত নেব পাক (POK) অধিকৃত কাশ্মীর।” সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মোদি ৩.০ সরকারের পরিকল্পনার যেন আগাম ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

    কাশ্মীর ইস্যুতে কংগ্রেসকে কটাক্ষ হিমন্ত বিশ্বশর্মার  

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেন, “কংগ্রেস জমানায় জবর দখল করে রাখা কাশ্মীরের অংশ ফেরত আনা নিয়ে কোনও আলোচনা হত না। শুধু ভারতীয় কাশ্মীরের প্রসঙ্গে আলোচনা হত। কৌশলগত সুবিধার জায়গায় ছিল পাকিস্তান। কিন্তু মোদি জামানায় হয়েছে ঠিক উল্টো। ওই সাক্ষাৎকারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “কংগ্রেস জামানায় বলা হত কাশ্মীরের একটি অংশ ভারতের, অপর অংশ পাকিস্তানের। সংসদে কখনই বলা হত না যে পাকিস্তান কাশ্মীরের একটি অংশকে বলপূর্বক দখল করে রেখেছে। কিন্তু এখন দিন বদলেছে। পাকিস্তানের মানুষ এখন ভারতীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। সেখানকার প্রশাসনের কাছ থেকে পরিত্রাণ চাইছে পাকিস্তানের দখল করে রাখা কাশ্মীরের মানুষ। আগে লালচৌকের আশেপাশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ত। কিন্তু সেসব দিন অতীত হয়ে গিয়েছে।”

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বিজেপি সরকার সংরক্ষণ বিরোধী নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই অনগ্রসর শ্রেণির মানুষ। বিজেপি যাকে রাষ্ট্রপতি করেছে তিনি তফশিলি শ্রেণিভুক্ত। আমরা চাই সংরক্ষণ থাক। কিন্তু কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোটের অনেকেই এসসি, এসটি ও ওবিসির সংরক্ষণ তুলে দিয়ে সবটাই মুসলিমদের দিয়ে দিচ্ছে। আমরা এটার বিরোধী।

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের প্রতিক্রিয়া

    প্রসঙ্গত পাকিস্তানের যে গণবিদ্রোহ শুরু হয়েছে সে সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আগেই বলেছেন,  “ভারতের সংসদের রিজোল্যুশন আছে। আমরা স্পষ্টভাবে মনে করি, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ। ঐতিহাসিকভাবে এটি শুধুমাত্র ভারতেরই অংশ। আগেও ছিল, আগামীতেও থাকবে।“

    আরও পড়ুন: “৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে বসবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী”, ঘোষণা সুকান্তর

    আমাদের সংকল্প একদিন আমরা পাকিস্তানের কব্জা শেষ করে দেব। এবং ওই অঞ্চল ভারতের সঙ্গে জুড়ে যাবে। কিন্তু ভারতের কিছু বিরোধী দলের নেতা আজব যুক্তি দিয়ে চলেছেন। যেমন ফারুক আবদুল্লা। তিনি বলেছেন এ বিষয়ে কথা বলা যাবে না। কারণ পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে। আমরা আমাদের দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের উপর গর্ব করি। কিন্তু মনিশংকর আইয়ার এবং ফারুক আবদুল্লার মতো নেতারা পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রকে বেশি গুরুত্ব দেয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: বসিরহাট এবং দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

    BJP: বসিরহাট এবং দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাট লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল চায় বিজেপি। নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী রেখা পাত্র। মূলত বিজেপির অভিযোগ হল, তৃণমূল প্রার্থী নিজের মনোনয়ন জমা করার সময় প্রয়োজনীয় নো ডিউজ সার্টিফিকেট জমা দেননি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ৩টে পর্যন্ত ছিল জমা করার শেষ সময়। আবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল প্রার্থী মালা রায় কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। বিজেপির দাবি, অফিস অফ প্রফিট-এর আওতায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল হওয়া উচিত। তিনি সরকারি লাভজনক পদে রয়েছেন। এভাবেই বীরভূমের দেবাশিষ ধরের বদলা চাইছে বিজেপি।

    নির্বাচনী বিধি মানা হয়নি (BJP)

    বিজেপির (BJP) বক্তব্য, নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, কোনও প্রার্থী শেষ ১০ বছরে যদি কোনও সরকারি পরিষেবা পেয়ে থাকেন এবং সেই সঙ্গে সরকারি বিল যদি বকেয়া থাকে, তাহলে তা মিটিয়ে দিতে হয়। হাজি নুরুলের সরকারের ঘরে কোনও রকম বকেয়া যে নেই, তা হলফনামায় জানানোর কথা ছিল। কিন্তু তিনি ২০১৪ সালের ১৮ মে পর্যন্ত লোকসভার সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৮ মে তাঁর ১০ বছর সম্পূর্ণ হয়েছিল। মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১২ দিন আগে। কিন্তু নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী তাঁরও নো ডিউজ় সার্টিফিকেট দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। আবার দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী মালা রায় পুরসভার চেয়ারপার্সন পদে ইস্তফা না দিয়ে লোকসভা ভোটের মনোনয়ন করেছেন। তিনিও লাভজনক পদে রয়েছেনদুই ক্ষেত্রে নির্বাচনী বিধি মানা হয়নি।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমে প্রথমে বিজেপি (BJP) প্রার্থী হয়েছিলেন প্রাক্তন আমলা দেবাশিষ ধর। মনোনয়ন জমা করার পর রাজ্য সরকারের নো ডিউজ সার্টিফিকেট না থাকায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছিল কমিশন। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুলের মনোনয়ন যাতে বাতিল হয় তার জন্য আমরা কমিশনে জানিয়েছি। যা আইন এবং নির্বাচনবিধি তা মেনে কাজ হয়নি। আমাদের প্রার্থী দেবাশিষ ধরের মনোনয়নও বাতিল হয়েছে। আমরা শেষ পর্যন্ত লড়ব। প্রয়োজনে হাইকোর্টে, সুপ্রিম কোর্টে যাব। একই ভাবে মালা রায় কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন। যা ‘অফিস অফ প্রফিট’-এর আওতাধীন। তাঁর মনোনয়ন বাতিল হওয়া উচিত। তিনি লাভজনক পদে রয়েছেন।”

    আরও পড়ুনঃ ভগবানপুরে কান কাটা হল বিজেপি কর্মীর, বোলপুরে বাড়িতে আগুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “স্ক্রুটিনির শেষ পর্যন্ত তথ্য জমা করা যায়। বুধবার স্ক্রুটিনির শেষ দিন। তার মধ্যেই সব জমা করা হবে। বিজেপির স্বপ্ন পূরণ হবে না।” আবার মালা রায়কে প্রশ্ন করলে উত্তরে বলেন, “আমি ২০১৯ সাল থেকে সাংসদ। আইন বহির্ভূত কোনও কাজ করা হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    Pakistan: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কিছুটা দূর হলেও পাকিস্তানের (Pakistan) অর্থনৈতিক সংকট এখনও অব্যাহত। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার বা আইএমএফ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলারের ‘বেইল আউট’ প্যাকেজ পাওয়ার কথা ইসলামাবাদের। এই আবহে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা ছাড়াও শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, ব্যাঙ্কার ও আমলারা দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেটে (Dubai Real Estate) ১২.৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক। 

    অনুসন্ধানে মেলা তথ্য

    গোপনে বিপুল সম্পদের মালিকানা অর্জনের একটি আকর্ষণীয় জায়গা হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও বিলাসবহুল শহর দুবাই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধনকুবেররা দুবাইয়ের আবাসন খাতের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। সম্প্রতি এই শহরে বিশ্বের কোন কোন ধনকুবেরের কি পরিমাণ গোপন সম্পদ রয়েছে তা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। দ্য অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্টের নামে সাংবাদিকদের একটি গোষ্ঠী এই রিপোর্ট দেয়। মঙ্গলবার (১৪ মে) প্রকাশিত ‘দুবাই আনলকড’ নামক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্থিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের ১৭ হাজার নাগরিক দুবাইতে ১২.৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক। তবে এ সংখ্যা ২২ হাজারের মতো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কার কার সম্পত্তি রয়েছে

    দুবাইয়ে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির আছে দুটি সম্পদ। তার ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি, বাখতাওয়ার ভুট্টো জারদারি ও তার মেয়ে আসিফা ভুট্টো জারদারিও সম্পত্তি রয়েছে। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির স্ত্রী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ছেলে হুসেন নওয়াজ শরিফ, রাজনীতিবিদ শারজিল মেমন, সেনেটর ফয়সাল ভাউদা, জাতীয় পরিষদের কয়েকজন সদস্য এবং সিন্ধু ও বালুচিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের কয়েকজন সদস্যের নামেও সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। রোশান হুসেন ও হুসেন জাহুর নামে দুই পাকিস্তানি (Pakistan) ধনকুবের নামও আছে এ তালিকায়। কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল, একজন পুলিশপ্রধান, একজন দূত ও একজন বিজ্ঞানীর নামও আছে। তাঁরা কেউ সরাসরি সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন, কেউ স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানের নামে সম্পত্তি কিনেছেন।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর নির্মাণ শীঘ্রই, হবে আরও ৫-৬টি, বড় ঘোষণা রাজনাথের

    আইএমএফ-এর কাছে ঋণের আর্জি

    পাকিস্তানের (Pakistan) ধনকুবেররা যখন কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক, তখন দেশের অর্থনীতি একেবারে তলানিতে। বারবার আইএমএফ-এর কাছে ঋণের আর্জি জানাতে হচ্ছে। সম্প্রতি পাক আমলারা আইএমএফ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। এর আগেও আইএমএফ-এর অর্থ সাহায্য পেতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল ইসলামাবাদকে। পাকিস্তান তাদের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে কী কী কর্মসূচি নিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে আইএমএফ। আইএমএফ একটি বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিগত কয়েক মাসে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক হাল কিছুটা হলেও ফিরেছে। তবে তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার এবারও খুব একটা ঊর্ধ্বমুখী হবে না। এদিকে মুদ্রাস্ফীতির বিষয়টি এখনও সর্বোচ্চ গুরুত্বের।’ আইএমএফ জানিয়েছে, এই সমস্যা মেটাতে ইসলামাবদকে সমস্যার আরও গভীরে গিয়ে নীতি পরিবর্তন করতে হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share